সাইন আপ করুন সাইন আপ করুন

সাইন আপ করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে


আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

লগ ইন করুন লগ ইন করুন

লগিন করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

কোন একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন

রিসেট পাসওয়ার্ড

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।

আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে।

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?

সাইন ইনসাইন আপ

AddaBuzz.net

AddaBuzz.net Logo AddaBuzz.net Logo

AddaBuzz.net Navigation

  • প্রোফাইল
  • প্রোফাইল এডিট করুন
  • মেসেজ
  • অপেক্ষমাণ প্রশ্ন
  • গ্রুপ
  • রেফারেল
  • অপেক্ষমাণ প্রশ্ন
  • সেরা উত্তর
  • পয়েন্ট
  • একটিভিটি
  • ব্লক লিস্ট
  • আর্থিক বিবরণী
  • টাকা উত্তোলন
  • লগ আউট
সার্চ করুন
একটি প্রশ্ন করুন

Mobile menu

Close
একটি প্রশ্ন করুন
  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

হেলাল খান

নতুন
প্রশ্ন করুন হেলাল খান
168 বার প্রদর্শিত
1 জন ফলোয়ার
17 প্রশ্ন
হোমপেজ/ হেলাল খান/উত্তর
অ্যাপ ইন্সটল করুন
  • সম্পর্কিত
  • প্রশ্ন
  • উত্তর
  • অনুরোধের প্রশ্ন
  • সেরা উত্তর
  • ফলোয়ার
  • ফলো করছেন
  • জরিপ
  • ব্লগ
  • ব্লগ মন্তব্য
  1. সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ General Question

    ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দরে কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর কেন জরুরি ভিত্তিতে ফ্লাইট ওঠানামা বন্ধ করতে হলো? এই ঘটনা কি দেশের অর্থনীতি এবং আন্তর্জাতিক সুরক্ষায় কোনো নতুন বিপদ সংকেত?

    হেলাল খান
    সেরা উত্তর
    হেলাল খান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 1 বছর আগে

    বিমানবন্দরে কেন আগুন লাগলো আর কেনই বা ফ্লাইট বন্ধ হলো? এটা কি আমাদের দেশের জন্য বড় বিপদ সংকেত? বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে (যেখানে বিদেশ থেকে আসা বা বিদেশে পাঠানোর জিনিসপত্র রাখা হয়) যে বড় আগুন লেগেছিল, তার পরপরই কেন সব প্লেন ওঠানামা বন্ধ করে দেওয়া হলো? এর পেছনে মূল কারণ ছিল মানুষের জীবন বাঁচানো এবংবিস্তারিত পড়ুন

    বিমানবন্দরে কেন আগুন লাগলো আর কেনই বা ফ্লাইট বন্ধ হলো? এটা কি আমাদের দেশের জন্য বড় বিপদ সংকেত?

    বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে (যেখানে বিদেশ থেকে আসা বা বিদেশে পাঠানোর জিনিসপত্র রাখা হয়) যে বড় আগুন লেগেছিল, তার পরপরই কেন সব প্লেন ওঠানামা বন্ধ করে দেওয়া হলো? এর পেছনে মূল কারণ ছিল মানুষের জীবন বাঁচানো এবং বড় বিপদ ঠেকানো।

    এখানে আসল কারণগুলো তুলে ধরা হলো:

    ১. কেন ফ্লাইট বন্ধ হলো? (আসলে এর পেছনের ভয়টা কী?)

    ফ্লাইট বন্ধ করার প্রধান তিনটি কারণ খুবই জরুরি ছিল:

    • ধোঁয়ায় চোখ বন্ধ: কার্গো ভিলেজের আগুন এতো জোরে জ্বলেছিল যে ঘন কালো ধোঁয়ায় রানওয়ে (যেখানে প্লেন নামে বা ওড়ে) ঢেকে গিয়েছিল। প্লেন ওড়াতে বা নামাতে গেলে পাইলটদের সবকিছু পরিষ্কার দেখতে হয়। ধোঁয়ার কারণে একটু ভুল হলেও বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত। তাই, নিরাপত্তার জন্য প্লেন চলাচল সঙ্গে সঙ্গে থামিয়ে দেওয়া হয়।
    • ভিতরে ছিল বারুদ! (বিস্ফোরণের ভয়): কার্গো ভিলেজে বিদেশ থেকে আসা এমন অনেক জিনিস থাকে, যা সহজে আগুন ধরে বা বিস্ফোরিত হতে পারে (যেমন: কিছু রাসায়নিক পদার্থ বা ব্যাটারি)। যদি আগুন সেখানে পৌঁছাত, তবে বিশাল বিস্ফোরণ ঘটতে পারত। প্লেনগুলো তখন বিপদের মুখে পড়ত। এই ঝুঁকি এড়াতেই দ্রুত সব থামিয়ে দেওয়া হয়।
    • সেনা ও ফায়ার সার্ভিসের রাস্তা পরিষ্কার: আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের ৩৭টি ইউনিট, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর বিশেষ দল কাজ করছিল। তাদের নির্বিঘ্নে কাজ করার জন্য আকাশপথ পরিষ্কার রাখা জরুরি ছিল।

    ২. এটা কি শুধু একটা ‘দুর্ঘটনা’?

    এই ঘটনাটি শুধু একটা সাধারণ আগুন নয়, এর পেছনে এমন কিছু বিষয় আছে যা আমাদের দেশের জন্য একটি বিপদ সংকেত।

    • মাত্র ক’দিন আগের সার্টিফিকেট পুড়লো: সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, মাত্র কিছুদিন আগেই আমাদের এই বিমানবন্দরটি কার্গো সুরক্ষার জন্য আন্তর্জাতিকভাবে দারুণ ভালো নম্বর পেয়েছিল! দেশ যখন গর্ব করছিল, ঠিক তার পরপরই এই সুরক্ষিত জায়গায় এত বড় আগুন লাগলো কীভাবে? এটা কি প্রমাণ করে যে, ওপরের দেখানোর নিরাপত্তা আর ভেতরের আসল সুরক্ষার মধ্যে অনেক বড় ফাঁক বা দুর্বলতা ছিল?
    • টাকার বিশাল ক্ষতি: কার্গো ভিলেজ পুড়ে যাওয়ায় কোটি কোটি টাকার আমদানি করা পণ্য নষ্ট হয়েছে। এতে ব্যবসায়ীদের অনেক ক্ষতি হলো, যা সরাসরি আমাদের দেশের অর্থনীতিতে আঘাত হানবে। আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্য আনা-নেওয়ার ক্ষেত্রেও আমাদের দেশের সুনাম ও সময়মতো সরবরাহের ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে।
    • এটা কি কোনো ষড়যন্ত্র? দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় এভাবে আগুন লাগার ঘটনাকে শুধু ‘দুর্ঘটনা’ বলে মেনে নিতে অনেকেই পারছেন না। সরকার নিজেই এই ঘটনার কারণ খুঁজে বের করতে একটি বড় তদন্ত কমিটি করেছে। জনমনে সন্দেহ তৈরি হয়েছে—এই আগুনের পেছনে কি কোনো গাফিলতি নাকি কোনো ষড়যন্ত্র আছে? কারণ, আমাদের দেশে এমন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বারবার দুর্ঘটনা ঘটাটা স্বাভাবিক নয়।

    শেষ কথা হলো: দ্রুত ফ্লাইট বন্ধের সিদ্ধান্ত হাজার হাজার মানুষের জীবন বাঁচিয়েছে। কিন্তু, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ার পরপরই এই আগুন প্রমাণ করলো, দেশের প্রধান বিমানবন্দরটি হয়তো এখন এমন কোনো বড় দুর্বলতা বা চক্রান্তের শিকার, যা জানা না গেলে ভবিষ্যতে আরও বড় বিপদ আসতে পারে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  2. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ ইতিহাস

    Prussian education system কি? Prussian education system এর প্রধান দিকগুলি কী ছিল এবং তারা কীভাবে আধুনিক শিক্ষাকে প্রভাবিত করেছিল?

    হেলাল খান
    হেলাল খান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    Prussian education system ছিল জার্মানির প্রুশিয়া অঞ্চলে 18শ এবং 19শ শতকে গড়ে ওঠা একটি শিক্ষাব্যবস্থা, যা সুশৃঙ্খল, বাধ্যতামূলক এবং সরকার-নিয়ন্ত্রিত শিক্ষার মডেল তৈরি করেছিল। এই পদ্ধতিকে আধুনিক গণশিক্ষার ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং এটি অনেক দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে। Prusবিস্তারিত পড়ুন

    Prussian education system ছিল জার্মানির প্রুশিয়া অঞ্চলে 18শ এবং 19শ শতকে গড়ে ওঠা একটি শিক্ষাব্যবস্থা, যা সুশৃঙ্খল, বাধ্যতামূলক এবং সরকার-নিয়ন্ত্রিত শিক্ষার মডেল তৈরি করেছিল। এই পদ্ধতিকে আধুনিক গণশিক্ষার ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং এটি অনেক দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে।

    Prussian education system-এর প্রধান দিকগুলি

    বাধ্যতামূলক শিক্ষা

    প্রুশিয়ার শিক্ষাব্যবস্থা প্রথম বাধ্যতামূলক শিক্ষা চালু করে। 1763 সালে ফ্রেডেরিক দ্য গ্রেট বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা কার্যকর করেন, যা নিশ্চিত করত যে সকল শিশুকে একটি নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত স্কুলে যেতে হবে।

    রাষ্ট্র-নিয়ন্ত্রিত শিক্ষা

    পুরো শিক্ষাব্যবস্থা সরাসরি সরকারের অধীনে ছিল। শিক্ষার মান নিয়ন্ত্রণ, পাঠ্যক্রম নির্ধারণ, এবং শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের দায়িত্ব সরকার পালন করত।

    বিনামূল্যে প্রাথমিক শিক্ষা

    শিক্ষাব্যবস্থা এমনভাবে গড়ে তোলা হয়েছিল যাতে সকল শিশু শিক্ষার সুযোগ পায়, এমনকি নিম্নবিত্ত পরিবারগুলিও।

    শৃঙ্খলাবদ্ধ পাঠদান পদ্ধতি

    শিক্ষাকে একটি সুনির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্যে রাখা হয়েছিল, যেখানে শৃঙ্খলা এবং আনুগত্যকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হত। শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ে ক্লাস করতে হত এবং শিক্ষকদের কঠোর নীতিতে পাঠদান করতে হয়।

    কারিগরি ও পেশাগত শিক্ষা

    শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতে কর্মক্ষেত্রের জন্য প্রস্তুত করতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। প্রুশিয়ার শিক্ষা কাঠামোতে কারিগরি দক্ষতা ও পেশাগত শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত ছিল।

    জাতীয়তাবাদ ও আনুগত্য

    শিক্ষার মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় আদর্শ এবং শাসকের প্রতি আনুগত্যের মানসিকতা তৈরির চেষ্টা করা হত।

    Prussian education system-এর প্রভাব

    আধুনিক গণশিক্ষার ভিত্তি

    প্রুশিয়ান মডেল ছিল প্রথম শিক্ষাব্যবস্থা যেখানে গণশিক্ষার ধারণা গড়ে ওঠে। এটি অন্যান্য দেশের (যেমন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, এবং জাপান) শিক্ষাব্যবস্থা প্রভাবিত করে।

    শ্রেণিকক্ষের কাঠামো

    বর্তমানের শ্রেণিকক্ষ ভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা (একজন শিক্ষক, নির্দিষ্ট সময়ে ক্লাস, নির্ধারিত পাঠ্যক্রম) মূলত প্রুশিয়ার শিক্ষা কাঠামো থেকে নেওয়া।

    শিক্ষকের পেশাগত প্রশিক্ষণ

    শিক্ষকদের সুশৃঙ্খল প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেওয়া, যা আজও শিক্ষক প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।

    বাধ্যতামূলক শিক্ষা আইন

    অনেক দেশ প্রুশিয়ার বাধ্যতামূলক শিক্ষার ধারণা গ্রহণ করে, যা নিশ্চিত করে যে প্রতিটি শিশুই একটি নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষা পায়।

    জাতীয় পরিচয় ও আনুগত্যের প্রচার

    রাষ্ট্রীয় শিক্ষার ধারণা, যেখানে শিক্ষার্থীদের মধ্যে জাতীয় পরিচয়ের বোধ তৈরি করা হয়, প্রুশিয়ান শিক্ষা থেকে এসেছে।

    আধুনিক শিক্ষায় প্রুশিয়ান শিক্ষার সীমাবদ্ধতা

    অতিরিক্ত শৃঙ্খলা এবং সৃজনশীলতার অভাব।

    শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বাধীন চিন্তার বিকাশে বাধা সৃষ্টি।

    রাষ্ট্রের প্রভাব শিক্ষাকে অতিমাত্রায় নিয়ন্ত্রণ করত।

    সংক্ষেপে, প্রুশিয়ান শিক্ষাব্যবস্থা একটি সুশৃঙ্খল শিক্ষার মডেল তৈরি করে যা আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করেছে। তবে, আজকের শিক্ষায় স্বাধীন চিন্তা এবং উদ্ভাবনী শিক্ষাদানের উপর জোর দিয়ে এই মডেলের সীমাবদ্ধতাগুলি দূর করার চেষ্টা করা হয়েছে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  3. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ ডাউনলোড

    সেরা Bangla Movie Download Site গুলোর লিস্ট চাই

    হেলাল খান
    সেরা উত্তর
    হেলাল খান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    এখানে আমি ৬টি কার্যকর ওয়েবসাইটের লিস্ট দিচ্ছি যেখানে Bangla Movie Download Site গুলো লিস্টেড আছে। এমন না যে এগুলো এড দেখায় না, কিন্তু এগুলো থেকে একটু কষ্ট করে হলেও আপনি ফ্রিতে bangladeshi movie download করতে পারবেন। 1. mlwbd.to/bangla 2. mlsbd.tv 3. moviediben.com 4. surinderfilms.com 5. flixhub.coবিস্তারিত পড়ুন

    এখানে আমি ৬টি কার্যকর ওয়েবসাইটের লিস্ট দিচ্ছি যেখানে Bangla Movie Download Site গুলো লিস্টেড আছে। এমন না যে এগুলো এড দেখায় না, কিন্তু এগুলো থেকে একটু কষ্ট করে হলেও আপনি ফ্রিতে bangladeshi movie download করতে পারবেন।

    1. mlwbd.to/bangla
    2. mlsbd.tv
    3. moviediben.com
    4. surinderfilms.com
    5. flixhub.co
    6. smmoviebazar.com

    ইনজয়! 👍

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  4. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

    থাইরয়েড এর লক্ষণ, কারণ, নিয়ন্ত্রণের উপায় ও থাইরয়েড রোগীর খাবার তালিকা

    হেলাল খান
    সেরা উত্তর
    হেলাল খান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    আপনার শরীরের গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ হলো থাইরয়েড গ্রন্থি। কিন্তু আপনি জানেন কি, থাইরয়েডের নিয়মিত মাত্রা কত (TSH এর স্বাভাবিক মাত্রা কত)? থাইরয়েডের কাজ কি এবং এটা কেন জরুরী? এই লেখায় আমরা জানাব থাইরয়েডের কাজ, লক্ষণ, কারণ এবং নিয়ন্ত্রণের উপায়। থাইরয়েডের কাজ কি? থাইরয়েড হরমোন তৈরি করে যা দেহেরবিস্তারিত পড়ুন

    আপনার শরীরের গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ হলো থাইরয়েড গ্রন্থি। কিন্তু আপনি জানেন কি, থাইরয়েডের নিয়মিত মাত্রা কত (TSH এর স্বাভাবিক মাত্রা কত)? থাইরয়েডের কাজ কি এবং এটা কেন জরুরী? এই লেখায় আমরা জানাব থাইরয়েডের কাজ, লক্ষণ, কারণ এবং নিয়ন্ত্রণের উপায়।

    থাইরয়েডের কাজ কি?

    থাইরয়েড হরমোন তৈরি করে যা দেহের মেটাবলিজম, হৃদস্পন্দন, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং অন্যান্য জটিল কাজগুলো নিয়ন্ত্রন করে। তাই থাইরয়েডের স্বাস্থ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    থাইরয়েডের লক্ষণ কী?

    -ওজন কমানো বা বেড়ে যাওয়া
    -হৃদস্পন্দনের হারের পরিবর্তন
    -ক্লান্তি বেড়ে যাওয়া
    -ডেপ্রেশন বা উৎসাহহীনতা
    -ত্বক সম্বন্ধীয় সমস্যা

    থাইরয়েড হলে কি সমস্যা হয়? জেনে নিন!

    -হৃদরোগ ঝেড়ে যেতে পারে
    -ইনফারটিলিটি হতে পারে
    -ডায়াবেটিস ঝেড়ে আসতে পারে
    -গর্ভধারণ করাটা কঠিন হতে পারে

    থাইরয়েডের কারণ কি?

    -পরিবারে থাইরয়েড রোগ থাকা
    -অতিরিক্ত ত্বক চিকিৎসা
    -অত্যধিক গরম বা ঠন্ডার প্রভাব
    -অত্যধিক তামাক সেবন
    -অত্যন্ত উচ্চ বা নিম্ন আয়ুর মানুষ

    থাইরয়েড নিয়ন্ত্রণে রাখার ৫টি উপায়

    1. হরমোন টেস্ট করান
    2. স্বাস্থ্যকর খাবার খান
    3. বেশি কালো চা বা কফি না খাওয়া
    4. তামাক, মাদক থেকে দূরে থাকা
    5. নিয়মিত কালরি চেক করা

    থাইরয়েড রোগীর জন্য পুষ্টিকর খাবার তালিকা

    -ডাল, আলু, শাক-সবজি, ফল

    -ডায়েট ও কম তৈলে রান্না করা খাবার

    -হালকা মাছ, দুধ ও ডিম

    -বাদাম, সয়াবীন ও ব্রাউন রাইস

    -জিরা, আম ও শকরকন্দ

    -জ্বালানি ছাড়া তৈরি খাবার

    থাইরয়েড রোগ নিয়ন্ত্রণের উপায়:

    -হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি

    -রেডিওআইওডিন চিকিৎসা

    -সার্জারি দ্বারা থাইরয়েডের অংশ বা সারা থাইরয়েড বাদ দেওয়া

    -অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ঔষধ

    -বেশি ক্যালসিয়াম ও আয়োডিনযুক্ত খাদ্য সেবন

    TSH এর স্বাভাবিক মাত্রা কত

    TSH-এর স্বাভাবিক মাত্রা 0.4 -4.0 mIU/L এর মধ্যে। যদি এর মাত্রা 2.0-এর বেশি হলে তাকে হাইপোথাইরয়েডিজম বলা হয় এবং মাত্রা কম হলে হাইপারথাইরয়েডিজম বলা হয়।

    এইভাবে থাইরয়েডকে নিয়ন্ত্রণ, তার সঠিক কাজ নিশ্চিত করুন এবং সুস্থ থাকুন! আমি আপনাকে থাইরয়েড সম্পর্কে আরো জানাতে পারি। স্বাস্থ্যবান থাকুন!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  5. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ Download

    Pathan full movie free download

    হেলাল খান
    হেলাল খান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    নিচের লিংক থেকে ডাউনলোড করুন Pathan মুভি

    নিচের লিংক থেকে ডাউনলোড করুন Pathan মুভি

    সংক্ষেপে দেখুন
      • -1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  6. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    কোন প্রাণী সারা জীবনে পানি পান করে না?

    হেলাল খান
    হেলাল খান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে
    উত্তরটি এডিট করা হয়েছে।

    ক্যাঙ্গারু র‌্যাট (Kangaroo Rat) বা ক্যাঙ্গারু ইঁদুর কারণ এদের পাওয়া যায় আমেরিকা বা যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পশ্চিম মরু অঞ্চলে। মরু অঞ্চলে থাকার কারণে ওরা সারা জীবন কখনো পানির দেখা পায় না! এদের পা ও লেজ অনেকটা ক্যাঙ্গারুর মতো লম্বা এবং ক্যাঙ্গারুর মতো লাফিয়ে চলে বলেই এদের এমন নাম। এদের ক্যাঙ্গারুর মতোবিস্তারিত পড়ুন

    ক্যাঙ্গারু র‌্যাট (Kangaroo Rat) বা ক্যাঙ্গারু ইঁদুর

    কারণ

    এদের পাওয়া যায় আমেরিকা বা যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পশ্চিম মরু অঞ্চলে। মরু অঞ্চলে থাকার কারণে ওরা সারা জীবন কখনো পানির দেখা পায় না!

    এদের পা ও লেজ অনেকটা ক্যাঙ্গারুর মতো লম্বা এবং ক্যাঙ্গারুর মতো লাফিয়ে চলে বলেই এদের এমন নাম। এদের ক্যাঙ্গারুর মতো একটা থলেও আছে, তবে সেটা পেটে নয় মুখের বাইরে। আর তারা এটিকে ব্যবহার করে অতিরিক্ত খাদ্য বহন করে বাসস্থানে বা গর্তে নিয়ে যাওয়ার কাজে।

    image host

    পানি পান না করে কিভাবে এরা বেঁচে থাকে

    মরু অঞ্চলের প্রাণী ও উদ্ভিদের শরীরবৃত্তীয় গঠন প্রণালী এমনভাবে সৃষ্টি যে তাদের বেঁচে থাকার জন্য খুবই সামান্য পরিমাণ পানির দরকার হয়। ঠিক একই ব্যাপার ক্যাঙ্গারু ইঁদুরের বেলায়ও প্রযোজ্য। জীবন ধারণের জন্য যে অতি সামান্য পরিমাণ পানি এদের দরকার তা এরা পেয়ে যায় এদের খাবার মরু উদ্ভিদের বীজ ও তার মূল থেকে। এগুলোতে যে অল্প পরিমাণ পানি থাকে তাই ওদের বেঁচে থাকার জন্য যথেষ্ট।

    এদের দেহে কোনো স্বেদগ্রন্থি না থাকায় ঘামের আকারে কোনো পানিকণা এদের শরীর থেকে বের হতে পারে না। নিঃশ্বাস ফেলার সময় পানিকণাকে ঠাণ্ডা করে ঘনীভূত করার মাধ্যমে দেহের মধ্যে জমা রাখা এবং একই সঙ্গে প্রায় পানিবিহীন মলত্যাগ করার মতো চমৎকার ব্যবস্থাও এদের রয়েছে। তাই পানি পান না করেই ক্যাঙ্গারু ইঁদুর তার জীবন পার করে দিতে পারে।

    সাধারণত ঝোপঝাড়ের কাছে মাটিতে গর্ত খুঁড়ে এরা বাস করে। নিশাচর জীবনযাপন তাদের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে। এরা সারাদিন গর্তে ঘুমিয়ে কাটায় আর রাতে খাবারের খোঁজে বের হয়।

    এরা খুব বেশীদিন বাঁচে না। বন্য পরিবেশে এদের গড় আয়ু মাত্র ২ থেকে ৫ বছর। জাত ভেদে এদের আকার সাধারণত ৩.৫ থেকে ৫.৫ ইঞ্চি হয়, আর গড় ওজন হয় ৩৮ গ্রাম থেকে ১৭০ গ্রাম পর্যন্ত। বর্তমানে পৃথিবীজুড়ে এদের ২২টির মতো প্রজাতি রয়েছে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  7. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    ম্যাগনাস ইফেক্ট কি?

    হেলাল খান
    হেলাল খান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    ম্যাগনাস ইফেক্ট ও রবার্তো কার্লোস! ⛹️‍♂️ একটি সফল গোলের পেছনে থাকে খেলোয়াড়ের নৈপুণ্য, এর জন্য তাকে করতে হয় প্রচুর অনুশীলন। খেলোয়াড় যখন দূর থেকে ফুটবলে কিক করে কারো কাছে পাস করে বা গোলপোস্টের দিকে ছুড়ে মারে তখন সে জেনে কিংবা না জেনে পদার্থবিজ্ঞানের চর্চা করে। কথা হলো কীভাবে কিক করলে বলকে বেশি দূর নিয়বিস্তারিত পড়ুন

    image host

    ম্যাগনাস ইফেক্ট ও রবার্তো কার্লোস! ⛹️‍♂️

    একটি সফল গোলের পেছনে থাকে খেলোয়াড়ের নৈপুণ্য, এর জন্য তাকে করতে হয় প্রচুর অনুশীলন। খেলোয়াড় যখন দূর থেকে ফুটবলে কিক করে কারো কাছে পাস করে বা গোলপোস্টের দিকে ছুড়ে মারে তখন সে জেনে কিংবা না জেনে পদার্থবিজ্ঞানের চর্চা করে।

    কথা হলো কীভাবে কিক করলে বলকে বেশি দূর নিয়ে ফেলা যাবে, কোন কৌশলে কম শক্তি খরচ করে বলকে বেশি দূরে নিয়ে ফেলা যাবে? কেউ বলতে পারে বেশি জোরে লাথি দিতে হবে, জোর হবে যত বেশি বল তত দূরে যাবে। কিন্তু তা নয়। গতি বা উড়ার ক্ষেত্রে পদার্থবিজ্ঞানের নিয়ম কাজ করে, সেখানে শুধু গায়ের জোর কাজে লাগে না, লাগে কৌশল।

    কেউ যদি সোজা সামনের দিক বরাবর ফুটবলে কিক দেয় তাহলে সেটা কিছুক্ষণ পরই অভিকর্ষ বলের প্রভাবে নিচে নেমে আসবে, শূন্যে বেশিক্ষণ থাকবে না। শূন্যে বেশিক্ষণ না থাকলে দূরত্বও অতিক্রম হবে কম। ফলে কাঙ্খিত লক্ষ্য মিস হয়ে যেতে পারে অথবা গড়াতে গড়াতে প্রতিপক্ষের কাছে চলে যাবে। কেউ আবার মনে করতে পারে বলটা বেশি সময় শূন্যে থাকলেই বেশি দূরে যাবে। সেটা ভাবলেও ভুল হবে। যদি উপরের দিকে বল ছুড়ে মারা হয় তাহলে সেটি বেশি সময় শূন্যে ভেসে থাকবে ঠিকই, কিন্তু বেশি দূর না গিয়ে কাছাকাছি কোনো জায়গায় পড়ে যাবে।

    পদার্থ বিজ্ঞান বলে, সোজা সমান্তরালে থাকে শূন্য ডিগ্রি আর খাড়া উপরের দিকে ৯০ ডিগ্রি। এ শূন্য ও ৯০ ডিগ্রির মাঝামাঝি অবস্থানে থাকে ৪৫ ডিগ্রি। যে খেলোয়াড় যত কৌশলে ৪৫ ডিগ্রির কাছাকাছি কোণে বলে কিক দিতে পারবে সে খেলোয়াড় তত দূরত্ব অতিক্রম করাতে পারবে। এর বেশি হলে অভিকর্ষের টান থাকবে বেশি, আর কম হলে উচ্চতার টান থাকবে বেশি। কিন্তু কথা হলো খেলোয়াড়রা তো আর কাঁটা-কম্পাস, স্কেল বা চাঁদা নিয়ে মাঠে নামেন না। খেলতে নেমে তো মেপে মেপে বলে কিক দেওয়া যাবে না। সেক্ষেত্রে চর্চা আর অভিজ্ঞতাই হলো খেলোয়াড়ের শক্তি। বলা হয়ে থাকে ৩০ ডিগ্রি আর ৬০ ডিগ্রির ভেতরে কিক সীমাবদ্ধ রাখলেই চলে, আর সবসময় তো বেশি দূরে বল ফেলতে হয় না। সাইন্স বী

    আমরা অনেক সময় দেখি, বলটা বাতাসে উঠে বাইরে যেতে যেতে হঠাৎ বাঁক খেয়ে গোলপোস্টে ঢুকে গেছে। এ গোলের পেছনে আছে ‘নিউটন তত্ত্ব’, বিজ্ঞানী স্যার আইজ্যাক নিউটনের এ সূত্র দিয়ে এর ব্যাখ্যা দেওয়া যেতে পারে। নিজেদের অজান্তেই হয়তো মেসি, নেইমার কিংবা রোনালদো গোল করার ক্ষেত্রে এ সূত্রের প্রয়োগ ঘটাচ্ছেন।

    বিশ্বকাপে অনেক অসামান্য গোলগুলো পদার্থবিজ্ঞানের সূত্র দিয়ে ব্যাখ্যা করা সম্ভব। কীভাবে? জানতে হলে আমাদের ‘ম্যাগনাস ইফেক্ট’ বুঝতে হবে। এটা অ্যারোডাইমিক্সের মতো জটিল কোনো তত্ত্ব নয়। এর আবিষ্কারক জার্মান পদার্থ বিজ্ঞানী হেইনরিখ গুস্তাভ ম্যাগনাস।

    মূলত ম্যাগনাস ইফেক্ট হয়ে থাকে বাতাসের চাপের তারতম্যের কারনে বলের উপর যে প্রভাব পড়ে তার জন্য। এটা হলো স্পিন আর বাতাসের খেলা। এ ব্যাপারটাই এখন ব্যাখ্যা করা যাক। ফুটবলে শট মারার পর থেকে প্রতি মুহূর্তে সেটা তীব্র বেগে ঘুরতে থাকে। এভাবে স্পিন করে বল এগিয়ে যায়, সেই গমনপথের উল্টোদিক থেকে আসে বাতাস, বাতাসের ধাক্কায় পাল্টে যেতে থাকে বলের গতিপথ। বিশ্বকাপে খেলার জন্য যে মানের ফুটবল ব্যবহার করা হয় সেগুলো গতি বদল করে বেশি। ফলে ক্রমেই তা বদলে দিতে থাকে বলের শেষ গন্তব্য। সাইন্স বী

    এর সঙ্গে যোগ হয় ‘অপ্টিক্যাল বা ভিজ্যুয়াল ইলিউশন’, বাংলায় একে বলা যেতে পারে ‘দৃষ্টি ভ্রান্তি’। এ ইলিউশনের কারণে গোলকিপার বলের গতিরেখা বুঝতে পারেন না, বরং আসল গতিপথ থেকে ভিন্ন পথে বলটিকে আসতে দেখেন। ফলে বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন প্রতিপক্ষের গোলরক্ষক। ভালো খেলোয়াড়দের দুর্দান্ত গোলের এটাই রহস্য।

    ‘পজিটিভ ম্যাগনাস ইফেক্টে’ ডান পায়ের ইনস্টেপে (পায়ের পাতার নিচের দিক) মারা শট যায় ডান দিক থেকে বাঁ দিকে, আর বাঁ পায়ের ইনস্টেপে তা যায় বাঁ দিক থেকে ডান দিকে। একইভাবে আউটস্টেপের (পায়ের পাতার বাইরের দিক) শটের ক্ষেত্রে তা রিভার্স বা উল্টো হয়ে যায়। শটের গতি বাড়তে থাকলে এবং বলের স্পিন বা ঘূর্ণন বদলে যেতে থাকলে গন্তব্যও অবিশ্বাস্যভাবে বদলে যায়। সাইন্স বী

    আর এভাবেই ‘ম্যাগনাস ইফেক্টের’ অ্যারোডাইনামিক্স মেনে বদলে যায় ফুটবলের গতিপথ। বল যত মসৃণ হয়, তত স্বাভাবিক গতিপথের উল্টো দিকে যায় বল। এ ঘটনার অনেক উদাহরণ আছে। তবে সবচেয়ে বড় ঘটনাটা দেখা গিয়েছিল ১৯৯৭ সালে ফ্রান্সের বিপক্ষে ব্রাজিলের রবার্তো কার্লোসের সেই বিখ্যাত ফ্রি কিকে। ফরাসি গোলকিপার ফাবিয়ান বার্থেজকে হতভম্ব হয়ে কেবল দাঁড়িয়েই ছিলেন, কারণ কার্লোসের শট নেওয়া বলটি গোলপোস্টের বাইরে যেতে যেতে হঠাৎ পথ বদল করে গোলে ঢুকে গিয়েছিল!

    এটা শেখার পর কিন্তু অংক করে মাঠে গোল দেওয়া যায় না। কারণ ওভাবে কিক নেওয়ার জন্য রীতিমতো অনুশীলন এবং প্রচুর অধ্যবসায় করতে হয়। গোলপোস্ট থেকে দূরত্ব বুঝে শটে গতি ও স্পিনের সংখ্যা বাড়িয়ে-কমিয়ে একটা নিয়ন্ত্রণে শট নিতে হয়, এটাই ‘ম্যাগনাস ইফেক্টের’ রহস্য।

    সূত্রঃ সায়েন্স বি

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  8. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

    গ্রামারটিক্যাল জেন্ডার কি?

    হেলাল খান
    হেলাল খান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    খুব সহজে Grammatical Gender বোঝার জন্য নিচের ভিডিও দেখে ফেলুন। গ্রামাটিক্যাল জেন্ডার বোঝা খুব সহজ হয়ে যাবে। https://youtube.com/watch?v=appSbV6nQtg&si=EnSIkaIECMiOmarE

    খুব সহজে Grammatical Gender বোঝার জন্য নিচের ভিডিও দেখে ফেলুন। গ্রামাটিক্যাল জেন্ডার বোঝা খুব সহজ হয়ে যাবে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  9. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    পদ্মা সেতু যেহেতু বাংলাদেশের নিজেদের অর্থায়নে তৈরি তাহলে টোল দিতে হয় কেন?

    হেলাল খান
    সেরা উত্তর
    হেলাল খান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    পদ্মা সেতুর সর্বশেষ স্প্যান এর পর টোল সম্পর্কিত এটা একটা বার্নিং কোশ্চেন। পৃথিবীর বহুদেশেই টোল ব্রিজ বা টোল সড়ক আছে। উইকিতে একটা তালিকা পাবেন। একটা মজার ব্যাপার হচ্ছে চিন্তা-ভাবনায় উন্নত দেশের মানুষেরা বিভিন্য ফোরামে প্রশ্ন করে "টোল ব্রিজ কী?/টোল ট্যাক্স কী? আমি কিভাবে এটা পে করতে পারি?" অন্যদিকে আমবিস্তারিত পড়ুন

    পদ্মা সেতুর সর্বশেষ স্প্যান এর পর টোল সম্পর্কিত এটা একটা বার্নিং কোশ্চেন। পৃথিবীর বহুদেশেই টোল ব্রিজ বা টোল সড়ক আছে। উইকিতে একটা তালিকা পাবেন। একটা মজার ব্যাপার হচ্ছে চিন্তা-ভাবনায় উন্নত দেশের মানুষেরা বিভিন্য ফোরামে প্রশ্ন করে “টোল ব্রিজ কী?/টোল ট্যাক্স কী? আমি কিভাবে এটা পে করতে পারি?”

    অন্যদিকে আমাদের ভারত উপমহাদেশের দেশগুলোতে এটার উলটো প্রশ্ন করা হয়। কারণ এ অঞ্চলের মানুষেরা বিশ্বাস করে তারা যে পরিমান প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কর দিচ্ছে শুধু সেটা দিয়েই লাগামহীন অর্থ কেলেঙ্কারীর এ অঞ্চলগুলোতে উন্নয়ন কাজ সম্ভব।

    প্রকৃতপক্ষে এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। কিভাবে ভুল তা নিয়ে কোন ব্যাখা বিশ্লেষণে যাবোনা, চেষ্টা করবো এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে।

    তবে এটা জানার আগে বুঝতে হবে বিভিন্য সরকারী অবকাঠামোগত প্রকল্পগুলো কিভাবে কাজ করে। আমাদের দেশে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশীপ সংক্ষেপে পিপিপি নামে একটা অথোরিটি আছে যারা প্রাইভেট ফাইন্যান্সিং নিয়ে পাবলিক ফাইনান্সিং এর সাথে সংযুক্ত করে কোন একটা প্রকল্প শুরু করে। যেমন বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্ক, ২য় পদ্মা সেতু এগুলো পিপিপি’র অন্তর্ভুক্ত।

    একই রকম ভারতে যেটা হয় সেটা BOT (Build, Operate, Transfer) ম্যাকানিজম। এখানে কর্পোরেটগুলোর কাছে সরকার পুরো দায়িত্ব দিয়ে দেয়, এরপর তারা সেটা নির্মান করে সরকারকে হস্তান্তর করে সরকারের কাছ থেকে নির্মান ব্যায় তুলে নেয় এরপর নিজেরাই টোল আদায় করে পুরো অবকাঠামোর অপারেশন এবং মেইনটেনেন্স এর দায়িত্ব নিয়ে নেয়। অনেকটা আমাদের দেশের লোকাল সড়ক বা সেতুর কাজ ঠিকাদারদের দিয়ে দেয়ার মত।

    তবে এদুটোর কোনটায় ট্যাক্স পেয়ারদের টাকায় নির্মান হয়না বিধায় এখানে টোল আদায়ের ব্যাপারটাকে সম্পূর্ণ যৌক্তিক চোখে সবাই দেখতে চাইলেও, পদ্মা সেতুর মত কোন অবকাঠামো নির্মানের ক্ষেত্রে ট্যাক্স পেয়ারদের টাকা নিলেও আবার কেন টোল দিতে হবে এই প্রশ্নের জাগরণ কে যৌক্তিক চোখে দেখলেও কেউ প্রশ্নটাকে অযৌক্তিক বলে মানতে চান না।

    প্রথম সরকার কেন ট্যাক্স এর টাকা ব্যবহার করে? এ প্রশ্নের উত্তর খোঁজার আগে খুঁজতে হবে অর্থকড়ি ছাড়া যদি সরকার দেশ চালাতে না পারে তাহলে সেই অর্থের জোগান কোথা থেকে আসে? ঋণ নিয়ে? রাষ্ট্রায়ত্ত্ব বিভিন্য বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত মুনাফা দিয়ে? না কি রাজস্ব থেকে? আসলে এই সবগুলো খাত থেকে প্রাপ্ত অর্থ দিয়েই সরকার দেশ পরিচালনা করে।

    রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে রয়েছে অনেক, মাধ্যম দুইটা। একটা প্রত্যক্ষ কর অন্যটা পরোক্ষ কর। প্রত্যক্ষ কর হচ্ছে যেটা আপনি নির্দিষ্ট সম্পদ এর জন্য সরাসরি প্রদান করছেন এবং যার জন্য আয়কর বিভাগ আপনাকে একটা ছাড়পত্র দিচ্ছে। অন্যদিকে পরোক্ষ কর যেটা আপনি সরাসরি দিচ্ছেন না বরং আপনার হয়ে কোন প্রতিষ্ঠান কর দিচ্ছে এবং সমপরিমান মূল্য আপনার থেকে সেই প্রতিষ্ঠান কর্তন করে নিচ্ছে। যেমন আপনি যখন এক লিটার তৈল কিনছেন বাজার থেকে সেই তৈলের মূল্য বাবদ যা দিচ্ছেন সেটা যদি ২০০ টাকা হয় তাহলে আমরা বোঝানোর সুবিধার্তে ধরে নিতে পারি ১৯০ টাকা মূল্য দাম এবং বাকী ১০ টাকা কর বাবদ কেটে নিচ্ছেন। অর্থ্যাৎ আয়কর বিভাগ সেই তৈল বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতি লিটারে ৫% করে শুল্ক নিচ্ছেন (যেটা প্রকৃতপক্ষে ভোক্তা প্রদান করবে) সেই ৫% শুল্ক ওই প্রতিষ্ঠান ভোক্তাদের কাছ থেকে আবার আদায় করে নিচ্ছেন। পুরো ব্যাপারটা হয়তো আরো সহজে ব্যাখা করা যেতে পারে বা আপনি ইতোমধ্যে আমার চেয়েও ভালোভাবে জানেন।

    এখন প্রশ্ন হচ্ছে এগুলোর সাথে টোলের সম্পর্ক কী? সম্পর্ক বেশ নিবিড়। এই টোল ও একধরণের ট্যাক্স যাকে টোল ট্যাক্স বলা হয়। একবার চিন্তা করে দেখেন একটা সেতু বা সড়কের রক্ষনাবেক্ষন বা পরিচালন ব্যায় আছে। সরকার আপনার কাছ থেকে ট্যাক্স নিয়েছে শুধু সেটার নির্মান ব্যায় হিসেবে, রক্ষনাবেক্ষন ব্যায় তো একটা চলমান প্রক্রিয়া। সেটার জন্য সরকার আপনার আমার কাছ থেকে কোন ট্যাক্স কিন্তু নিয়ে রাখেনি। কারণ এই ব্যায়টা ধ্রুবক নয়।

    ইতোমধ্যে জেনে থাকবেন সরকার বলেছেন পদ্মা সেতু ৩৫ বছর পর লাভের মুখ দেখতে শুরু করবে। অর্থ্যাৎ সরকার রাজস্ব খাত থেকে অর্থ নিয়ে সেতু নির্মান করতে যে অর্থ ব্যায় করেছে সেটা তুলতে ৩৫ বছর লাগতে পারে। এরপর যা টোল আদায় হবে তা সরকারের লাভের খাতায় প্রবেশ করবে। অনেকটা রাষ্ট্রায়ত্ত্ব বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের মত। এখনও প্রশ্ন থেকেই যায় রাজস্ব থেকেই তো নির্মান হলো, সেক্ষেত্রে সরকার শুধু রক্ষনাবেক্ষন ব্যায় বাবদ এত টাকা টোল কেন নেবে বা ৩৫ বছর পর কি টোল আদায় বন্ধ হয়ে যাবে? কেন নেবে এটাই তো মূল বিষয়, সেখানে যাবো। তবে তার আগে আরো কিছু জেনে নেয়া যাক। আর ৩৫ বছর পর টোল আদায় বন্ধও হয়ে যাবেনা।

    একবার চিন্তা করেন, দেশের মূল মালিক দেশের জনগণ। সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিলো পদ্মার উপর পাটুরিয়া-গোয়ালন্দ রুটে আরেকটা সেতু বানাবে। কিন্তু ১৬ কোটি মানুষের সবাইতো আর খাওয়া-পরা বাদ দিয়ে সেতু নির্মানে লেগে যাবেনা! একারণে সবাই সিদ্ধান্ত নিয়ে একটা সংঘের কাছে সেই দায়িত্ব দিয়ে দিলো। তারা হিসেব নিকেষ করে দেখলো এখানে সেতু বানাতে ৪০ হাজার কোটি টাকা লাগবে। দেশের সবাই মিলে চাঁদা তুলে ৩০ হাজার কোটি টাকা তাদের প্রদান করলেন এবং বাকিটা ম্যানেজ করে নেয়ার জন্য বললেন। ৪০ হাজার কোটি টাকা ব্যায় করে সেই সংঘ সেখানে সেতু নির্মান করে আমাদের প্রত্যেকের হাতে হস্তান্তর করলেন ১৬ কোটি দলিলে প্রত্যেকের স্বাক্ষর নিয়ে তাদের অংশীদারিত্ব বুঝিয়ে দিলেন।

    এরপর এরা দেখতে পেলেন সেই সেতুর লাইট জ্বালানো, রঙ করা, ধোয়া-মোছার জন্য তাদের নিজেদের সেখানে যেতে হচ্ছে। একারণে তারা আবার আগের সেই সঙ্ঘকে দায়িত্ব দিলেন এই কাজগুলো করার। সেই সঙ্ঘ আদায়কৃত টোলের মাধ্যমে রক্ষনাবেক্ষন খরচ ওঠানো শুরু করলেন। এক পর্যায়ে দেখা গেলো রক্ষনাবেক্ষন খরচ বাবদ যে টাকা তারা আদায় করছেন তার কিছু অংশ অবশিষ্ট থেকে যাচ্ছে, এবার সেই অবশিষ্ট অংশ ১৬ কোটি মানুষের কাছে সমান ভাগ করে তাদের ব্যাংক এ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দিচ্ছে। এই টাকাই আবার পরবর্তী কোন উন্নয়ন কাজে ১৬ কোটি মানুষ খরচ করছে। এভাবে চললে জগাখিচুড়ি হয়ে যাবে না? এগুলো যেন না হয় সেজন্যই জনগণ তাদের নিজেদের মধ্য থেকেই কোন ব্যক্তি/গোষ্ঠীকে বেছে নেয় সমস্ত কাজগুলো ম্যানেজমেন্ট এ আনার জন্য।

    একই পরিস্থিতিকে এবার ম্যানেজমেন্ট এর আওতায় আনা যাক। জনগণ থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত সেই গোষ্ঠী এবার সব সেতু আর সড়কের দেখভাল করার জন্য আলাদা আরেকটা শাখা খুললেন যার নাম দিলেন সড়ক ও সেতু বিভাগ। নতুন সড়ক/সেতু নির্মান, পুরাতন গুলোর দেখভাল করার দায়িত্ব এদের। এরা এসে দেখলো দেশে অনেক সড়ক আছে যেগুলোতে প্রতিবছর রক্ষনাবেক্ষন বাবদ অনেক টাকার প্রয়োজন হয়। তারা অর্থ বিভাগের কাছে তার জন্য টাকা চাইলো। অর্থ বিভাগ জানিয়ে দিলো জনগন তাদের যে টাকা দিয়েছে সেখান থেকে সব বিভাগের প্রয়োজন মেটানো সম্ভব না, সেকারণে সড়ক ও সেতু বিভাগকেও চাহিদা মাফিক টাকা প্রদান সম্ভব নয়। সড়ক ও সেতু বিভাগ সেই অল্প টাকা নিয়ে মাঠে নেমে পরলেও ঘাটতি টাকাটার জোগান এর ব্যবস্থা করে নিলো বড় কোন সড়ক বা সেতু থেকে আদায়কৃত টোলের মাধ্যমে।

    একই সাথে সেখান থেকে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে আর কিছু টাকা অর্থ বিভাগ থেকে নিয়ে অন্য কোথাও একটা সড়ক নির্মান করলেন যার জন্য সরকার অতিরিক্ত কোন ট্যাক্স বা কর নিলেন না। অর্থ্যাৎ সড়ক/সেতু বিভাগের প্রধানতম আয়ের উৎস হচ্ছে এই টোল ট্যাক্স যার সাথে সামগ্রিক রাজস্ব খাতের কোন সম্পর্ক নেই আবার একে সম্পূরক খাতও বলা যায়না। অর্থ্যাৎ এই টোল ট্যাক্স কখনোই সরকারের রাজস্ব হিসেবে জমা থাকেনা (সহজ অর্থে রাজকোষাগারে) বরং সড়ক এবং সেতু বিভাগ সংশ্লিষ্ট বিভিন্য কাজেই সেই অর্থের ব্যায় করে থাকে। মোটাদাগে টোলের থেকে আদায় করা অর্থ আবার আপনাকেই ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো খাতে। এবং সেসব কাজের জন্য সরকারের রাজস্ব খাত (বিশেষঃত ট্যাক্স পেয়ারদের) থেকে কোন অর্থ তারা নিচ্ছেন না।

    টোল ব্রিজের তালিকাতে সম্ভবত কানাডা শীর্ষে। যার অধিকাংশই কানাডার নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত, তবুও তারা টোল নিচ্ছেন, সেখানকার জনগণ দিচ্ছেন। কারণ তারা জানেন সরকার এভাবেই তাদের কাছ থেকে পয়সা-কড়ি নিয়ে দেশ চালাবে। তাদের দৃঢ় বিশ্বাস মুদ্রা-বৃষ্টি হয়না, অতএব সড়ক বিভাগের চলতে হলে এই এক টোল ট্যাক্সই অন্ধের ষষ্ঠী। সড়ক বিভাগকে চলতে দিন, কেন টোল দেব প্রশ্ন না করে বরং প্রশ্ন করুন “ট্যাক্স এর টাকায় নির্মিত সড়কের রক্ষনাবেক্ষন কেন এত খারাপ? বৃষ্টি হলেই সড়কে খানা খন্দে ভড়ে যায় তার জন্য আপনাদের R&D আছে? টাকা তো আমাদের গাছে ধরেণা যে আমি ছিড়ে ছিড়ে আপনাকে দেব আর আপনি তার অপচয় করবেন?”

    ধন্যবাদ!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  10. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    বিষ্ময় বালক সুবর্ণ আইজ্যাক বারি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাই। সে আসলে কী?

    হেলাল খান
    সেরা উত্তর
    হেলাল খান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে
    উত্তরটি এডিট করা হয়েছে।

    আগা গোড়া ভাউতাবাজি ছাড়া কিছুই না। এখানে একটা পিচ্ছি স্ব(পিতা)ঘোষিত প্রফেসর আছে।নাম সুবর্ণ আইজ্যাক বারী। আক্ষরিক অর্থে বাংলাদেশী বংশদ্ভূত আমেরিকান হয়েও একবার সে ইন্ডিয়ান পুনে ইউনিভার্সিটির প্রাঙ্গণে মিডিয়াকে দেওয়া এক বক্তব্যে, নিজেকে একজন গর্বিত ভারতীয় বংশদ্ভূত দাবী করে বসছিল। সে ও তার মানসিক বিকারবিস্তারিত পড়ুন

    আগা গোড়া ভাউতাবাজি ছাড়া কিছুই না।

    এখানে একটা পিচ্ছি স্ব(পিতা)ঘোষিত প্রফেসর আছে।নাম সুবর্ণ আইজ্যাক বারী।

    আক্ষরিক অর্থে বাংলাদেশী বংশদ্ভূত আমেরিকান হয়েও একবার সে ইন্ডিয়ান পুনে ইউনিভার্সিটির প্রাঙ্গণে মিডিয়াকে দেওয়া এক বক্তব্যে, নিজেকে একজন গর্বিত ভারতীয় বংশদ্ভূত দাবী করে বসছিল। সে ও তার মানসিক বিকারগ্রস্ত ফ্যামিলির একক প্রচেষ্টায় গায়‌ “আমাদের জাতীয় সঙ্গীত – আমার সোনার বাংলা ” ! গভীর খেয়াল করে দেখি, জাতীয় চেতনায় পেছনে লাল সবুজের পতাকার পরিবর্তে আমেরিকান পতাকা রেখেছে।

    আর অল্পবয়সী তো পরের কথা, সুবর্ণ আইজ্যাক বারি কোন প্রফেসরই না। তার বয়সী অন্যসব বাচ্চার মত সুবর্ণও একজন কোমলমতি ছোট বাচ্চা মাত্র। ভালো মুখস্থ করার ক্ষমতা ছাড়া ওর মধ্যে আর স্পেশাল কিছু নেই।

    পৃথিবীর কোন বিশ্ববিদ্যালয়েই সুবর্ণ আইজ্যাক বারী নামে কোন প্রফেসরের নাম নেই। সুবর্ণের কোন সেক্টরেই কোন গবেষণা নেই৷ বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যায়, সে চোখ বন্ধ করে জটিল জটিল সব অঙ্ক কষছে- এখানেও রয়েছে প্রতারণা।

    এসবের মূলে রয়েছে তার বাবা রাশিদুল বারী।

    রাশিদুল বারি নিজের সন্তানকে নিয়ে অলীক স্বপ্ন দেখে। সেই স্বপ্ন বাস্তব করতে গিয়ে এমন কোন পন্থা নেই যা সে অবলম্বন করে না।

    রাশিদুল বারি তার সন্তানের সুন্দর শৈশবটি নষ্ট করছে। এই বয়সে অন্যসব ছেলেমেয়ে যেখানে হেসে খেলে দিন কাটায়, সেখানে তার সন্তানের দিন কাটে জটিল জটিল সব গণিত মুখস্থ করে, বিভিন্ন পাতানো মিটিং, সেমিনারে অংশগ্রহণ করে।

    বড় হয়ে সুবর্ণ যখন জানবে, তার বাবা তাকে নিয়ে যে জগতে বাস করেছে, সে জগত মিথ্যা, বানানো, তখন সে বড় এক ধাক্কা খাবে।

    সে যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করবে, তখন যদি তার বন্ধুরা তাকে নিয়ে হাসাহাসি করে, সে মুহূর্তটা সুবর্ণ সহ্য করতে পারবে না। তখন সেই মেন্টাল ধাক্কাটা সুবর্ণ সামলাতে পারবে তো?

    তখন সে তার বাবাকে ক্ষমা করতে পারবে তো?

    শুনলাম আনোয়ার খান বিশ্ববিদ্যালয় এবং ডেফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় সুবর্ণকে বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ প্রফেসর হিসেবে ইনভাইট করেছে! তারা কিসের ভিত্তিতে এ কাজ করলেন? তারা কি ফ্যাক্ট চেক করারও প্রয়োজনবোধ করেননি?

    আমার এক বড়ভাই আনোয়ার খান বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রশ্ন করেছিলেন, সুবর্ণ যে সর্বকনিষ্ঠ প্রফেসর এই তথ্য তারা কোথায় পেলো?

    উক্ত বিশ্ববিদ্যালয় তখন সেই ভাইকে সময় নিউজের একটা লিংক সরবরাহ করেছিল প্রমাণস্বরূপ। অথচ আমরা জানি, মিথ্যা, পপ এবং ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচারে সময় নিউজের অনলাইন সংস্করণ এদেশে শীর্ষে!

    যদি ইতোমধ্যে উক্ত দুই বিশ্ববিদ্যালয় সুবর্ণকে ক্যাম্পাসে না নিয়ে থাকে, তবে আমি উক্ত দুই বিশ্ববিদ্যালয়কে আবারও ফ্যাক্ট চেক করতে অনুরোধ করব।

    আমি আবারও বলছি, সুবর্ণ আইজ্যাক বারি নামে পৃথিবীর কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন প্রফেসর নেই। সুবর্ণ আইজ্যাক বারি কোন বিজ্ঞানীও না, তার নামে কোন পিয়ার রিভিউ জার্নালে কোন গবেষণাপত্র নেই। তার যেসব খবর অনলাইনে ভেসে বেড়ায়, সে সবের অধিকাংশই তার বাবা অর্থের বিনিময়ে করিয়েছে, নয়ত সময় নিউজের মত করে অতি উৎসাহিত হয়ে কেউ করেছে।

    তবে শেষে একটা কথা না বললেই নয়, রাশিদুল বারি তার সন্তান সুবর্ণকে অন্ধের মত ভালোবাসে। সে ভালোবাসা এতটাই তীব্র যে, তা হিতাহিত জ্ঞানশূন্য করে ফেলেছে তাকে।

    সুবর্ণের যদি কখনো তার পিতার প্রতি তীব্র ঘৃণা জন্ম নেয়, তবে সে যেন তার পিতার এই অকৃত্রিম ভালোবাসার বিনিমিয়ে তা ক্ষমা করে দেয়।

    তাকে নিয়ে নাচা নাচিও কম হয় । কি আর পি আর ভিউয়ের জন্য তার এইসব কর্মকান্ডে মদদ দিয়ে চলেছি।

    image host

    ঈদের নামাজের সময়েও ব্ল্যাক হোলের গণিত কষাচ্ছে বাবাটি। আদর করে ছবিও তুলে রেখেছে। আবার সেটি ফেসবুক পেজেও দিয়েছে। ফিলোসফার সাজিয়ে এমন বক্তব্যও প্রদান করিয়েছে- “Loving God and loving mathematics are not two mutually Exclusive events”

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  11. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক লোন ফরম ও নিয়ম কি? কৃষি, ডাচ বাংলা ব্যাংক ও আশা এনজিও থেকে লোন পাওয়ার পদ্ধতি কি?

    হেলাল খান
    হেলাল খান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক লোন বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক বর্তমানে ৪ (চার) প্রকার লোন সুবিধা দিয়ে থাকে। এগুলো হচ্ছে- অভিবাসন ঋণ, পুনর্বাসন ঋণ, বঙ্গবন্ধু অভিবাসী বৃহৎ পরিবার ঋণ ও বিশেষ পুনর্বাসন ঋণ। চলুন এ পর্যায়ে বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের বিভিন্ন লোন সম্পর্কে বিস্তারতি জেনে নেওয়া যাক। ১) অভিবাবিস্তারিত পড়ুন

    প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক লোন

    বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক বর্তমানে ৪ (চার) প্রকার লোন সুবিধা দিয়ে থাকে। এগুলো হচ্ছে- অভিবাসন ঋণ, পুনর্বাসন ঋণ, বঙ্গবন্ধু অভিবাসী বৃহৎ পরিবার ঋণ ও বিশেষ পুনর্বাসন ঋণ।

    চলুন এ পর্যায়ে বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের বিভিন্ন লোন সম্পর্কে বিস্তারতি জেনে নেওয়া যাক।

    ১) অভিবাসন লোন

    আপনি বা আপনার পরিবারের কোন সদস্য যদি আপনার পরিচিত কারো মাধ্যমে বা কোন কোম্পানির মাধ্যমে বিদেশে চাকুরী বা কাজের জন্য বৈধ ভিসা লাভ করেন কিন্তু যাওয়া জন্য পর্যাপ্ত খরচ বহন করতে না পারেন তবে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে আপনি বিদেশ যেতে পারেন। তবে অভিবাসন ঋণ বা লোন পাওয়ার জন্য আবেদনকারীর অবশ্যই আর্থিক সচ্ছলতা থাকতে হবে। যেখানে সুদের হার শতকরা ৯ টাকা। দেশ ভেদে প্রাপ্ত ভিসার মেয়াদ অনুসারে ২ মাস/১ বছর/২ বছর বা ২২ টি মাসিক কিস্তিতে গৃহীত লোন পরিশোধ করতে হয়।

    অভিবাসন লোন পাওয়ার যোগ্যতা

    প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক অভিবাসন ঋণ পাওয়ার জন্য আবেদনকারীর নিম্নলিখিত যোগ্যতা থাকতে হবে-

    • ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী বাংলাদেশের বৈধ ও স্থায়ী নাগরিক।
    • বিদেশে চাকুরীর বৈধ ভিসা।
    • অনুপস্থিতিতে ঘনিষ্ঠ কারো ব্যাংক লোন পরিশোধ করার দায়িত্ব গ্রহণ (গ্যারান্টার)
    • লোন গ্রহনের জন্য আর্থিকভাবে সচ্ছলতা।

    অভিবাসন লোনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

    প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে অভিবাসন লোন পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসমূহঃ

    • সদ্য তোলা ০৩ কপি পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত রঙিন ছবি।
    • আবেদনকারীর ভোটার আইডি কার্ড, পাসপোর্ট, ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভার সার্টিফিকেটের সত্যায়িত ফটোকপি।
    • জামিনদারের ২ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি, ভোটার আইডি কার্ড ও ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভার সার্টিফিকেটের সত্যায়িত ফটোকপি।
    • জামিনদারদের যে কোন একজনের ব্যাংক একাউন্টের চেক এর ৩ টি পাতা। (MICR বা মিকার চেক)
    • শিক্ষাগত যোগ্যতার সত্যায়িত ফটোকপি।
    • শারীরিক যোগ্যতার সার্টিফিকেট বা মেডিকেল সার্টিফিকেটের সত্যায়িত ফটোকপি।
    • বিএমইটি কতৃক ইস্যুকৃত ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্স কার্ডের উভয় পাশের সত্যায়তি ফটোকপি।
    • কাজের অভিজ্ঞতার সার্টিফিকেটের সত্যায়িত ফটোকপি।
    • যেখান থেকে বিমান টিকেট ক্রয় করবেন সে এজেন্সি দ্বারা তারিখ সহ সত্যায়িত কপি।
    • ঋণ ফেরতের হলফনামা (ষ্ট্যাম্পে লিখিত)।
    • বিমান টিকেট ফটোকপি (প্রয়োজন হলে)

    ২) পুনর্বাসন ঋণ বা রিহ্যাবিলিটেশন লোন

    দীর্ঘদিন বিদেশে থেকে কাজ করে দেশে ফিরে চাকরি পাওয়া খুবই দুরুহ। পাশাপাশি বয়সও একটি বড় কারণ হয়ে দাড়ায় তবে বেঁচে-খেয়ে থাকার জন্য কিছু একটা করার দরকার হয়। আবার অনেক প্রবাসীকে ভিসা জটিলতা ও পররাষ্ট্রনীতির কারনে বা অসুস্থ হয়ে দেশে ফিরে আসতে হয়। দেশে এসে সবালম্বি হতে চাইলে মূলধনের প্রয়োজন হয়। বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক দীর্ঘদিন বিদেশে কাজ করে দেশে ফিরে আসা প্রবাসীদের জন্য সরল সুদে জামানত বিহীন ও জামানতসহ পুনর্বাসন লোন প্রদান করে থাকে। আপনি যদি একজন বিদেশ ফেরত প্রবাসী হয়ে থাকেন তাহলে এই লোনের জন্য আবেদন করতে পারেন।

    প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক যে সকল কাজের বা প্রকল্পের জন্য পুনর্বাসন ঋণ প্রদান করে থাকে সেগুলো হচ্ছে- কৃষি ঋণ, মাঝারী ধরণের কৃষি নির্ভর প্রকল্প, মুরগির খামার স্থাপন, মৎস্য চাষ, বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপন, সৌর জ্বালানী প্রকল্প, তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর উদ্যোক্তা, একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প, নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ লোন, গরু মোটা তাজাকরন, দুগ্ধ খমার স্থাপন।

    পুনর্বাসন ঋণ লোন যোগ্যতা

    বিদেশ ফেরত প্রবাসীদের পুনর্বাসন ঋণ পাওয়ার জন্য নিন্মলিখিত যোগ্যতা থাকতে হবেঃ

    • বাংলাদেশের বৈধ ও স্থায়ী নাগরিক।
    • বিদেশ থেকে সঠিক ভাবে ফেরত আসা ও বিদেশে কাজ করার প্রমান স্বরূপ বৈধ কাগজপত্র।
    • লোন পেতে ইচ্ছুক ব্যাক্তির নিজের বা বাবার নামে সম্পত্তি।
    • আবেদনকারীকে দেশে ফেরতের ৫ বছর বা তার কম সময়ের লোন মধ্যে আবেদন করতে হবে।

    পুনর্বাসন ঋণ লোন পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

    বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে পুনর্বাসন ঋণ সহায়তা পাওয়ার জন্য নিচের কাগজপত্র প্রয়োজন হবে-

    • আবেদনকারীর জীবন বৃত্তান্ত (পরিবারের তথ্য সহ)
    • ব্যবসায়ের ট্রেড লাইসেন্স
    • সদ্য তোলা তিন কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন সত্যায়িত ছবি।
    • ভোটার আইডি কার্ড, ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভার সার্টিফিকেটের সত্যায়িত ফটোকপি।
    • যে প্রকল্পের/ব্যবসায়ের জন্য লোন নিতে চান তার বিবরণ সহ ঠিকানা।
    • ভাড়ার চুক্তিপত্র, নিজের জমি হলে মালিকানার দলিল।
    • নতুন প্রকল্পের জন্য আগামী দুই বছরের আয় ও ব্যয় বিবরণী। আর পুরাতন প্রকল্প হলে বিগত ২ বছরের লাভ-লোকসানের হিসাব।
    • জমির দলিলপত্র সত্যায়িত কপি।
    • বিদেশ থেকে ফেরত সংক্রান্ত সকল কাগজপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি।
    • জামিনদারের ২ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি, ভোটার আইডি কার্ড ও ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভার সার্টিফিকেটের সত্যায়িত ফটোকপি।
    • আবেদনকারীর কোন কাজ জানা থাকলে সার্টিফিকেটের সত্যায়িত ফটোকপি।
    • সামাজিক ও আর্থিকভাবে প্রতিষ্ঠিত ২ জন পরিচয়দানকারীর নাম, ঠিকানা, ফোন নং।
    • লোন ফেরতের হলফনামা।

    ৩) বঙ্গবন্ধু অভিবাসী বৃহৎ পরিবার ঋণ

    আপনি বা আপনার পরিবারের কোন সদস্য ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্স কার্ড পেয়ে চাকরির উদ্দেশ্যে বিদেশে অবস্থান করলে ওই ব্যাক্তির পরিবারের যে কোন সদস্য যেমন- পিতা, মাতা, স্বামী-স্ত্রী, ভাই, বোন, সন্তান বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে সল্প সুদে সহজ শর্তে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা লোন নিতে পারবে। যে সকলে খাতের জন্য বঙ্গবন্ধু অভিবাসী বৃহৎ পরিবার ঋণ দেওয়া হয় সেগুলো হচ্ছে- কৃষি খাত, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প, ব্যবসায়-বাণিজ্য।

    বঙ্গবন্ধু অভিবাসী বৃহৎ পরিবার ঋণ পাওয়ার যোগ্যতা

    প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে বঙ্গবন্ধু অভিবাসী বৃহৎ পরিবার ঋণ পেতে চাইলে আবেদনকারীর নিম্নলিখিত যোগ্যতা থাকতে হবেঃ

    • বাংলাদেশী বৈধ নাগরিক হতে হবে।
    • আবেদনকারীর বয়স ১৮বছর বা তার বেশি থেকে ৫৫ বছর এর মধ্যে হতে হবে।
    • অভিবাসী ব্যাক্তিকে নুন্যতম ১ বছর বা তার বেশি সময় বৈধ ভাবে বিদেশে কর্মরত থাকতে হবে।
    • যে প্রকল্পের জন্য লোন নিতে ইচ্ছুক সে বিষয়ে অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
    • কোন প্রকার ঋণ খেলাপির ইতিহাস থাকা যাবে না।
    • উন্মাদ কিংবা রাষ্ট্রবিরোধী কোন কাজের সাথে সম্পৃক্ত কিংবা মামলার আসামীরা লোনের জন্য অযোগ্য বলে বিবেচিত হইবে।
    • ঋণ পেতে ইচ্ছুক ব্যাক্তির আর্থিকভাবে সচ্ছলতা ও সামাজিকে ভাবে গ্রহণযোগ্যতা।

    প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

    বঙ্গবন্ধু অভিবাসী বৃহৎ পরিবার লোনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসমূহ-

    • পরিবারের যে সদস্য প্রবাসে আছেন তার সম্পর্কিত প্রমানপত্র সহ কাগজপত্র (পাসপোর্ট বহির্গমন সিলযুক্ত পাতা সহ, ভিসা, স্মার্টকার্ড এর সত্যায়িত ফটোকপি।
    • অভিবাসী ব্যাক্তির অনুরোধ (অনুমতি) পত্র।
    • রেমিট্যান্স এর বিবরণী।
    • আবেদনকারীর সদ্য তোলা ৩ কপি রঙিন পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত ছবি।
    • ভোটার আইডি কার্ড, ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভার (চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট) সার্টিফিকেটের সত্যায়িত ফটোকপি।
    • জামিনদারের ২ কপি পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত ছবি, ভোটার আইডি কার্ড ও ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভার সার্টিফিকেটের সত্যায়িত ফটোকপি।
    • ব্যবসায় থাকলে হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্সের কপি।
    • জামানত সহ লোনের জন্য সম্পত্তির দলিল, খাজনা রশিদ, দায়মুক্ত সনদ, সিএস, আরএস, এসএ এবং বিএস পর্চার মূলকপি, ডিসি আর, মৌজা ম্যাপ, সিআইবি রিপোর্ট ও জমিজমাসহ অন্যান্য কাগজপত্রের ফটোকপি ও মূলকপি।

    ৪) বিশেষ পুনর্বাসন ঋণ

    বিশ্বব্যাপী কভিড-১৯ এ অনেকেই নানা ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন তাদের মধ্যে প্রবাসীরা অন্যতম। বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক কোভিড-১৯ এর কারনে ক্ষতিগ্রস্থ অভিবাসী কর্মী পুনর্বাসন ঋণ নীতিমালা এর আওতায় বিশেষ ঋণ সুবধা চালু করেছেন। বিশেষ করে যারা কোভিড-১৯ এর কারনে কাজ হারিয়ে দেশে ফিরে এসেছেন এবং যাদের পরিবারের কোন সদস্য বিদেশে কর্মরত অবস্থায় কোভিড-১৯ এর কারনে মৃত্যুবরন করেছেন তাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য সরল ৪% সুদে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পর্যন্ত এই বিশেষ ঋণ প্রদান করে থাকে।

    যোগ্যতা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

    প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে বিশেষ পুনর্বাসন ঋণ পেতে যে সকল কাগজপত্র ও যোগ্যতা থাকতে হবে সেগুলো হচ্ছে-

    • নুন্যতম ১৮ বছর বয়স।
    • বাংলাদেশের বৈধ ও স্থায়ী নাগরিক।
    • আবেদনকারীর পাসপোর্টের বহির্গমন ও আগমনের সীলযুক্ত পাতাসহ সত্যায়িত ফটোকপি, বৈধ পথে বিদেশ গমনের প্রমানপত্র, বৈধপথে রেমিট্যান্স প্রেরনের প্রমানপত্র।
    • প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকে ইতিপূর্বে কোন লোন থাকলে তা পূর্নপরিশোধিত হতে হবে।

    কিভাবে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক লোনের জন্য আবেদন করবেন

    প্রিয় ভিজিটর, চলুন এ পর্যায়ে বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক লোন আবেদন করার নিয়ম সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক-

    বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে আপনি যে লোন পেতে ইচ্ছুক সেই লোনের জন্য নির্ধারিত আবেদন ফর্ম পূরণ করে ব্যবস্থাপক বা পরিচালক বরাবর আবেদন করতে হবে। আপনার নিকটস্থ প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক শাখায় যোগাযোগ করে দায়িত্বপ্রাপ্ত লোন অফিসারের সাথে কথা বলুন তারা আপনাকে সর্বাত্মক সাহায্য করবে।

    প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক লোন আবেদন ফরম ডাউনলোড করুন।

    লোন আবেদন ফরম ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন।

    সূত্রঃ TipsWali

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  12. সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

    শীতের সকাল অনুচ্ছেদ রচনা ৩য় থেকে ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত

    হেলাল খান
    সেরা উত্তর
    হেলাল খান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    প্রশ্নঃ শীতের সকাল নিয়ে বাংলা অনুচ্ছেদ লিখ । উত্তরঃ শীতের সকাল অনুচ্ছেদ ১ ছয় ঋতুর বৈচিত্র্যেপূর্ণ দেশ বাংলাদেশ ছয় ঋতুর মধ্যে শীতের অবস্থান হেমন্তের পর আর বসন্তের আগে। গাছের ঝরা পাতায় ঘটে শীতের আগমন আর বসন্তের নতুন পাতা জাগিয়ে ঘটে শীতের বিদায়। শীতকাল এ দেশের প্রকৃতির অন্যরকম রূপ, যা সম্পূর্ণভাববিস্তারিত পড়ুন

    প্রশ্নঃ শীতের সকাল নিয়ে বাংলা অনুচ্ছেদ লিখ ।

    উত্তরঃ

    শীতের সকাল অনুচ্ছেদ ১

    ছয় ঋতুর বৈচিত্র্যেপূর্ণ দেশ বাংলাদেশ ছয় ঋতুর মধ্যে শীতের অবস্থান হেমন্তের পর আর বসন্তের আগে। গাছের ঝরা পাতায় ঘটে শীতের আগমন আর বসন্তের নতুন পাতা জাগিয়ে ঘটে শীতের বিদায়। শীতকাল এ দেশের প্রকৃতির অন্যরকম রূপ, যা সম্পূর্ণভাবে ধারণ করে শীতের সকাল। তেমনি শীতের একটি সকাল উপভােগ করার সুযােগ হয়েছিল এবারের শীতে। ছুটির সুবাদে স্নিগ্ধ একটি সকালের স্পর্শ অনুভব করা সম্ভব হয়েছিল। শীতের সকালে কুয়াশার চাদর পরিবেশকে মনােরম করে তুলেছিল। যখন এই কুয়াশার চাদর ভেদ করে চারদিকে রূপালি আলাে ছড়িয়ে পড়ল, তখন বাড়িঘর, গাছপালা ও প্রকৃতি ঝলমল করে ওঠল । কুয়াশার কারণে পাখিরাও নীড় ছেড়ে বের হয় না, কোলাহলে মেতে ওঠে না। চারিদিক থেকে ভেসে আসে সরষে ফুলের মধুর সৌরভ। এভাবে ব্যস্ততাহীন, ধীর লয়ে আগমন ঘটল শীতের একটি সকালের । উত্তর দিক থেকে হিম শীতল বাতাস বইতে থাকল! যেন দীর্ঘশ্বাসের মতাে গাছের পাতার ফাঁকে ফাঁকে শির শির করে এ বাতাস বয়ে যায়। এ বাতাসে পাতাগুলাে কেঁপে কেঁপে উঠল। শীতের সকালে বাড়িতে নানা ধরনের পিঠা খাওয়ার ধুম পড়ে গেল। সকাল বেলার রােদে পিঠা খাওয়ার যে আনন্দ, তা সব আনন্দকেই যেন ছাড়িয়ে যায়। এই আনন্দ চারপাশে উৎসবের সমারােহ তৈরি করলেও শীতের সকাল বেলাটা মানুষ লেপ-কাঁথার নিচেই কাটাতে ভালােবাসে। শীতের সকাল অলস আর উৎসবের আমেজে উপভােগ্য হলেও গরিবদের জন্য যে তা কতটা কষ্টের এবার সে বিষয়টি অবলােকন করলাম। গ্রামের কৃষকেরা সকাল হতেই গরু আর লাঙল নিয়ে বের হয়ে যায় মাঠে। তারা খেতে মুগ, মশুর, ছােলা, সরিষার বীজ বােনে। কয়দিন পর যখন সেগুলাের কচি পাতা মাথা উঁচু করে তখন চারদিকে বিরাজ করে এক অপূর্ব স্নিগ্ধতা, কোমলতা। শীতের সকালে গাছিরা খেজুর গাছ থেকে রসের হাড়ি নামায়। খেজুর রসের লােভনীয় মিষ্টি গন্ধে তখন সকলের মন মেতে ওঠে। ছােট ছেলেমেয়েরা সেই সকালের মিষ্টি রােদে বসে গুড় দিয়ে মুড়ি খায়। তবে বুঝতে পারলাম শহর আর গ্রামের শীতের সকালের চিত্র ভিন্ন। গ্রামের তুলনায় শহরে শীতের প্রকোপ তুলনামূলক কম। তাই শহরের মানুষ একটু দেরি করে ঘুম থেকে ওঠে। উঁচু উঁচু দালানকোঠায় বসবাসকারী শহরের মানুষ এজন্য শীতের সকালের স্নিগ্ধতা উপভােগ করতে পারে না। সূর্যের আলাের তীব্রতা বাড়লে দূর হয় শীতের সকালের আমেজ। শীতের সকাল প্রকৃতিকে এক পবিত্র সৌন্দর্যের সৃষ্টি করে, যা ছড়িয়ে থাকে সারাবেলা।

    শীতের সকাল অনুচ্ছেদ ২

    আমাদের দেশে ছয়টি ঋতু বিরাজমান। তন্মধ্যে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যে সমুজ্জ্বল শীতকাল। ঋতুচক্রের আবর্তে বাংলাদেশে শীত আসে। হেমন্তের ফসল ভরা মাঠ যখন শূন্য ও রিক্ত হয়ে পড়ে, তখনই বােঝা যায়, ঘন কুয়াশার চাদর মুড়ি দিয়ে শীত আসছে।উত্তরের হিমেল হাওয়ায় ভর করে হাড়ে কাপন লাগিয়ে সে আসে তার নিজস্ব রূপ নিয়ে। প্রকৃতি তখন তার সমস্ত আবরণ খুলে ধারণ করে দীনহীন বেশ। প্রকৃতিতে সৃষ্টি হয় এক ভিন্ন সৌন্দর্য। এ সৌন্দর্য পূর্ণতা পায় শীত সকালে। শীতের সকালে সর্বত্র ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন থাকে। সর্বত্র বিরাজ করে কনকনে ঠাণ্ডা। মাঝে মাঝে ফুয়াশা এতই ঘন থাকে যে, সূর্যরশ্মিও একে ভেদ করতে পারে না। সবকিছু ঝাপসা দেখায়। দূরের জিনিস কদাচিৎ দেখা যায়। সূর্ণ বিলম্বে উঠে বলে মনে হয়। শিশু এবং বৃদ্ধরা সকালে হাড় কাঁপানাে শীতকে ভয় পায়। খুব সকালের ঠাণ্ডা এড়াতে তারা কিছুটা দেরিতে ঘুম থেকে উঠে। সকালে সূর্য যখন উকি দেয় গাছ ও ঘাসের উপর তখন রাতের ঝরা শিশির সােনার মতাে জ্বলল করতে থাকে। শীতের সকালের এক অসাধারণ আকর্ষণ সরষে ফুলের হলুদ মাঠ। সকালের সূর্যালােক যেন তার নিপুণ হাতে প্রতিটি সরষে গাছকে নবরূপে ঢেলে সাজায়। পশু-পাখি সূর্যের আলাে দেখে আনন্দিত হয়। কৃষকরা গরু ও লাঙল নিয়ে মাঠে যায়। তাদের হাতে শােভা পায় তুঙ্কা। ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা সূর্যের মুখ দেখার জন্য বারবার জানালার ফাঁকে উঁকি মারে। কোথাও বা ছেলেমেয়েরা খড় সংগ্রহ করে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করে, আর হাসি-তামাশায় মেতে উঠে। বৃদ্ধ লােকেরা রোদ পােহায়। কিছু লােক খেজুরের রস বিক্রি করতে বের হয়। অনেকেই ঘরে তৈরি পিঠা ও খেজুরের রস খেতে পছন্দ করে। বেলা বেশি হওয়ার সাথে সাথে শীতের সকালের দৃশ্য ধীরে ধীরে মিলিয়ে যায়। বেলা বেড়ে চলে, কুয়াশা দূরীভূত হয় এবং লােকেরা তাদের নিজ নিজ কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ে।

    শীতের সকাল অনুচ্ছেদ ৩

    আমাদের দেশ ছয় ঋতুর দেশ। এ ছয় ঋতুর মধ্যে শীতকাল অন্যতম। বাংলার প্রকৃতিতে শীতের সকাল এক ভিন্নতর রূপ নিয়ে আবির্ভূত হয়।

    পৌষ ও মাঘ শীতকাল হলেও অগ্রহায়ণের শুরু থেকেই শীতের সকাল দিগন্তের পার বেয়ে গাছপালার উপরে কুয়াশার চাদর জড়িয়ে উপস্থিত হয়। তারপর ক্রমে ক্রমে দিন এগিয়ে চলে, অগ্রহায়ণ, পৌষ পেরিয়ে মাঘে এসে শীতের সকাল তার পূর্ণরূপ প্রকাশ ঘটায়। প্রচণ্ড প্রতাপশালী সূর্যটা কুয়াশার ভারী আবরণে ঢাকা পড়ে। তার লজ্জারাঙা রূপ নিয়ে পূর্ব দিগন্তে উঁকি দেয়। তখন সােনাঝরা এক চিলতে রােদ শীতার্ত শরীরে কি দুর্লভ মনে হয়। এই সময়ে খেজুরের রস, ভাপা পিঠে সবার কাছেই মজাদার হয়ে ওঠে। পেটের ক্ষুধার চেয়ে মনের ক্ষুধা ও চোখের ক্ষুই বড় হয়ে জাগে। গরম পিঠা থেকে যখন ধোঁয়ার মতাে ভাব বেরুতে থাকে, তখন কার না চোখে ক্ষুধা পায়। শীতের সকল প্রকৃতির এক যুবুথুবু মুহূর্ত হলেও খাদ্যের লােভে মনটা চাঙ্গা হয়ে ওঠে। অগ্রহায়ণের আশীর্বাদে ধনী-দরিদ্র প্রায় সবার ঘরেই খাবার থাকে। অভাবের কষ্টটা এই সময় থাকে না। তাই শীতের সকাল বাংলার প্রকৃতিতে এক মজার সময়ই বটে।

    শীতের সকাল অনুচ্ছেদ for class 3/4

    শীতের সকাল কুয়াশাচ্ছন্ন এবং ঠাণ্ডা। সর্বত্র ঘন কুয়াশা থাকে। মাঝে মাঝে কুয়াশা এতই ঘন থাকে যে, সূর্যরশ্মি একে ভেদ করতে পারে না। সবকিছু ঝাপসা দেখায়। দূরের জিনিস কদাচিৎ দেখা যায়। সূর্য বিলম্বে উঠে বলে মনে হয়। শিশু এবং বৃদ্ধরা সকালের হাড় কাঁপানাে শীতে কষ্ট ভােগ করে। রাতে শিশির পড়ে। যখন সকালে সূর্য উকি দেয়, গাছ ও ঘাসের উপর সেগুলো সােনার মতাে চিকচিক করতে থাকে। কৃষকেরা গরু ও লাঙ্গল নিয়ে মাঠে যায়। ছেলেমেয়েরা খড় সংগ্রহ করে আগুন জ্বালিয়ে তাদের গরম করে। বৃদ্ধ লােকেরা রােদ পােহায়। লােকজন চিড়া, মুড়ি, খই এবং বিভিন্ন প্রকার পিঠা খেতে পছন্দ করে। বেলা বেশি হওয়ার সাথে সাথে শীতে সকালের দৃশ্য ধীরে ধীরে মিলিয়ে যায়। বেলা বেড়ে চলে, কুয়াশা দূরীভূত হয় এবং লােকেরা তাদের নিজ নিজকাজে যেতে শুরু করে।

    শীতের সকাল অনুচ্ছেদটি কেমন হয়েছে ? নতুন কিছু সংযোজন করা যায় বা বাদ দেওয়া প্রয়োজন? কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  13. সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

    ডায়াবেটিস এর নতুন ওষুধ কোনগুলো, এগুলো খাওয়ার নিয়ম কি?

    হেলাল খান
    সেরা উত্তর
    হেলাল খান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    দেশে ডায়াবেটিস চিকিৎসায় সপ্তাহে একবার ব্যবহার উপযোগী নতুন এক ওষুধ এসেছে বাজারে। এ ওষুধের মলিকিউলের নাম ‘সিমাগ্লুটাইড’। দেড় এমএল ও তিন এমএল পরিমাপের এই ওষুধের খুচরা দাম পড়বে ১৪ হাজার ২৫৯ টাকা। চিকিৎসকের পরামর্শে এটি ব্যবহার করা যাবে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে এক অনুষ্ঠানে এই ওবিস্তারিত পড়ুন

    দেশে ডায়াবেটিস চিকিৎসায় সপ্তাহে একবার ব্যবহার উপযোগী নতুন এক ওষুধ এসেছে বাজারে। এ ওষুধের মলিকিউলের নাম ‘সিমাগ্লুটাইড’। দেড় এমএল ও তিন এমএল পরিমাপের এই ওষুধের খুচরা দাম পড়বে ১৪ হাজার ২৫৯ টাকা। চিকিৎসকের পরামর্শে এটি ব্যবহার করা যাবে।

    আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে এক অনুষ্ঠানে এই ওষুধ বাজারজাত করার কথা জানানো হয়। টাইপ-২ ডায়াবেটিস চিকিৎসায় ওষুধটি বাংলাদেশের বাজারে এনেছে নভো নরডিস্ক।

    অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির (বাডাস) সভাপতি অধ্যাপক এ কে আজাদ খান বলেন, বাংলাদেশে টাইপ–২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত অর্ধেকের বেশি রোগীর ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে নেই। তারা গড়ে সাত বছর অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস নিয়ে পরবর্তী চিকিৎসা নেওয়ার পরিবর্তে শুধু ওষুধ খাওয়ার ওপর নির্ভরশীল থাকে। তিনি বলেন, সপ্তাহে একবার সিমাগ্লুটাইড ইনজেকশনের ব্যবহার রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ, শরীরের ওজন কমানো ও হৃদ্‌যন্ত্র ভালো রাখতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে, যা ডায়াবেটিসের মতো জটিল রোগের চিকিৎসায় এক অনন্য সংযোজন।

    বাংলাদেশে নিযুক্ত ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত উইনি এসট্রাপ পিটারসন বলেন, ইন্টারন্যাশনাল ডায়াবেটিস ফেডারেশনের হিসাবে, বাংলাদেশের ৫৭ শতাংশ ডায়াবেটিস রোগী তাদের অবস্থার কথা জানে না। ৮৩ লাখ ডায়াবেটিস রোগী আছে বাংলাদেশে। অনিয়ন্ত্রিত ও ডায়াবেটিস নিয়ে সচেতনতার অভাবে রোগীরা স্বাস্থ্যগত সমস্যায় পড়ে এবং নানাভাবে ক্ষতির মুখোমুখি হয়। তিনি বলেন, ডায়াবেটিস রোগের জন্য গবেষণামূলক ও উদ্ভাবনী ওষুধ আনতে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখছে নভো নরডিস্ক। বাংলাদেশের ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ভালো মানের চিকিৎসা বাজারে আনার বিষয়টি সন্তোষজনক। টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে এ দেশের মানুষকে এটি আরও এগিয়ে নেবে।

    ডায়াবেটিক সমিতির মহাসচিব মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন বলেন, সচেতন না হলে ডায়াবেটিস রোগ ভালো হয় না। পাশাপাশি ওষুধও প্রয়োজন।

    অনুষ্ঠান থেকে বলা হয়, ডায়াবেটিস ব্যবস্থাপনায় পরিমিত খাদ্য ও নিয়মিত শারীরিক অনুশীলনের পাশাপাশি সিমাগ্লুটাইড ইনজেকশনটি অন্যান্য ওষুধের সঙ্গে নেওয়া যাবে। টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত প্রায় ১০ হাজার রোগীর ওপর ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের পর দেশের বাজারে সিমাগ্লুটাইড আনা হয়েছে। এসব ট্রায়ালে ফলাফলে দেখা গেছে, ডায়াবেটিস চিকিৎসায় অন্যান্য ওষুধের তুলনায় সিমাগ্লুটাইড আরও কার্যকরভাবে রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে আনে এবং শরীরে ওজন কমাতে সহায়ক ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি এটি হৃদ্‌যন্ত্রের জন্যও উপকারী।

    ২০১২ সাল থেকে নভো নরডিস্কের প্রযুক্তি ব্যবহার করে ‘হিউম্যান ইনসুলিন’ উৎপাদন করছে ট্রান্সকম গ্রুপের এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস। ট্রান্সকম ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড বাংলাদেশে নভো নরডিস্কের একমাত্র পরিবেশক।

    অনুষ্ঠানে নভো নরডিস্কের পরিচালক (মেডিকেল অ্যান্ড কোয়ালিটি) মাহবুবুর রহমান, পরিচালক (বিজনেস ইউনিট জিএলপি-ওয়ান অ্যান্ড ওবেসিটি) কামাল হোসেন, পাবলিক অ্যাফেয়ার্স ম্যানেজার গাজী তাওহীদ আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্রঃ প্রথম আলো

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  14. সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

    স্লিপ অ্যাপনিয়া কেন হয়? এর লক্ষণ গুলো কি এবং চিকিৎসা কিভাবে করা হয়?

    হেলাল খান
    সেরা উত্তর
    হেলাল খান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    ঘুমের উপর্যুপরি ব্যাঘাত ঘটায় স্লিপ অ্যাপনিয়া। যেকোনো মানুষের সুস্থ জীবনের জন্য পর্যাপ্ত ঘুমের বিকল্প নেই। কিন্তু যাঁদের স্লিপ অ্যাপনিয়া আছে, তাঁদের বারবার রাতের ঘুমে ব্যাঘাত ঘটে, সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর মাথাব্যথা, ক্লান্তি বা বিষণ্ন লাগে। সব কাজেই বিরক্ত লাগতে পারে। ঘুমানোর সময় খুব বেশি নাক ডাকা এ রোবিস্তারিত পড়ুন

    ঘুমের উপর্যুপরি ব্যাঘাত ঘটায় স্লিপ অ্যাপনিয়া। যেকোনো মানুষের সুস্থ জীবনের জন্য পর্যাপ্ত ঘুমের বিকল্প নেই। কিন্তু যাঁদের স্লিপ অ্যাপনিয়া আছে, তাঁদের বারবার রাতের ঘুমে ব্যাঘাত ঘটে, সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর মাথাব্যথা, ক্লান্তি বা বিষণ্ন লাগে। সব কাজেই বিরক্ত লাগতে পারে। ঘুমানোর সময় খুব বেশি নাক ডাকা এ রোগের অন্যতম লক্ষণ। আক্রান্ত ব্যক্তির রাতে বারবার ঘুম ভেঙে যায়, আর সারা দিন ঘুম ঘুম ভাব হয়। দিনের
    বেলা কাজে মনোযোগ দিতে পারেন না। এমনকি কাজের সময় বা পড়তে পড়তে ঘুমিয়েও পড়তে পারেন।

    কিন্তু স্লিপ অ্যাপনিয়া মানেই যে কেবল ঘুমের সমস্যা তা নয়; এর সঙ্গে শ্বাস–প্রশ্বাসের ব্যাঘাত ঘটে, বেড়ে যায় হৃদ্‌রোগ ও অন্যান্য জটিলতার ঝুঁকি। আসলে এটি শরীরের সব অংশের ওপরই বিরূপ প্রভাব ফেলে।

    কেন হয়

    অনেক ক্ষেত্রে রোগটির কারণ অজানা থাকতে পারে। তবে শতকরা ৯০ ভাগ ক্ষেত্রেই ঘুমের সময় শ্বাস-প্রশ্বাসে বিঘ্ন ঘটার কারণে এ রকম হয়। ঘুমানোর সময় আমাদের শ্বাসনালি শিথিল হয়ে যায়, তবে যাঁদের এই শিথিলতা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ঘটে, তাঁদের ঘুমের সময় শ্বাস-প্রশ্বাসে বিঘ্ন ঘটতে পারে। মাত্রাতিরিক্ত ওজন এই রোগের অন্যতম একটি কারণ।

    কোনো কোনো ক্ষেত্রে নাক-কান-গলার গঠনগত কিছু ত্রুটির কারণেও এ রোগ হতে পারে। আবার মস্তিষ্কের যে অংশ ঘুম নিয়ন্ত্রণ করে, সেই অংশে কোনো সমস্যা হলেও স্লিপ অ্যাপনিয়া হতে পারে।

    কীভাবে বুঝবেন

    স্লিপ অ্যাপনিয়া রোগীর সমস্যাগুলোর বিস্তারিত ইতিহাস জানাতে হবে চিকিৎসককে। রোগী তাঁর নিজের সমস্যাগুলো নিজে অনেক ক্ষেত্রে বুঝতে পারেন না। যিনি তাঁর পাশে ঘুমিয়ে থাকেন, অধিকাংশ সময় তিনিই লক্ষণগুলো খেয়াল করে থাকেন। লক্ষণ অনুযায়ী সন্দেহ হলে চিকিৎসক কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করিয়ে থাকেন।

    স্লিপ অ্যাপনিয়া নিশ্চিতভাবে নির্ণয় করার জন্য পলিসমনোগ্রাফি বা স্লিপ টেস্ট করানোর প্রয়োজন পড়ে। দেশেই এখন এই পরীক্ষা করার সুযোগ রয়েছে। এমনকি হোম-বেসড পলিসমনোগ্রাফির মাধ্যমে রোগী বাড়িতে থেকেই এই পরীক্ষা করাতে পারেন।

    আজীবনের রোগ?

    স্লিপ অ্যাপনিয়ার চিকিৎসা নির্ভর করে এর কারণের ওপর। নাক, কান ও গলার কোনো গঠনগত ত্রুটি থেকে থাকলে সেটির পুনর্গঠনমূলক অস্ত্রোপচার (রিকনস্ট্রাকটিভ সার্জারি) করিয়ে নিলে স্লিপ অ্যাপনিয়া সেরে যায়। আবার স্থূলতা বা অতিরিক্ত ওজনের কারণে স্লিপ অ্যাপনিয়া হয়ে থাকলে ওজন নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তবে এগুলো ছাড়া অন্য কারণে স্লিপ অ্যাপনিয়া হয়ে থাকলে এটি পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব হয় না, তবে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

    সি-প্যাপ নামের যন্ত্রের ব্যবহারের মাধ্যমে রোগটি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়। দিনের নির্দিষ্ট কিছু সময় (যেমন রাতে ঘুমের সময় কিংবা দিনের বেলা বেশ খানিকটা সময়) এ যন্ত্রটি লাগিয়ে রাখতে হয়, যা ঘুমের সময় রোগীর শ্বাস-প্রশ্বাসকে স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। এতে রোগের লক্ষণগুলো কমে আসে এবং রোগী স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারেন। সারা জীবন যন্ত্রটি ব্যবহার করতে হবে বলে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। এটি একটি চিকিৎসাব্যবস্থা মাত্র, যা রোগীর জীবনে স্বাচ্ছন্দ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

    রোগ নিয়ে জীবন কাটানো

    অন্যান্য সমস্যার মতোই স্লিপ অ্যাপনিয়াও একটি রোগ। এতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ার কিছু নেই, নিজেকে দুর্বল বা অক্ষম ভাবারও কিছু নেই। চিকিৎসা নিলে স্বাভাবিক জীবন যাপন করা যায়। আবার চিকিৎসা না নিলে রোগীর জীবনে নানা রকম জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। চিকিৎসা না নিয়ে রোগটি পুষে রাখলে স্লিপ অ্যাপনিয়া রোগীর উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হৃদ্রোগ, এমনকি মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের (স্ট্রোক) ঝুঁকি বাড়ে।

    তাই এমন সমস্যাকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত। এ ছাড়া কারও যদি আগে থেকেই উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হৃদ্রোগ, ফুসফুসের দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা (ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ) প্রভৃতি থেকে থাকে, তাহলে স্লিপ অ্যাপনিয়ার সঠিক চিকিৎসা না নেওয়া হলে এই রোগগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখা দুরূহ হয়ে পড়ে।

    স্লিপ অ্যাপনিয়া এড়াতে

    • ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন। উচ্চতা অনুযায়ী সঠিক ওজন মানে বিএমআই বজায় রাখুন।
    • সুষম খাদ্যাভ্যাস এবং নিয়মিত ব্যায়ামের অভ্যাস গড়ে তুলুন।
    • নাকডাকা, ঘুমের মধ্যে বারবার দম আটকে আসা, শ্বাস নিতে কষ্ট ইত্যাদি সমস্যা লক্ষ করলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

    আরও কিছু কথা

    • ঘুমের মধ্যে নাকডাকা মানেই স্লিপ অ্যাপনিয়া নয়। তবে ঘুমের মধ্যে অতিরিক্ত নাকডাকা, ঘুমে বারবার ব্যাঘাত ঘটা কিংবা বারবার ঘুম ভেঙে যাওয়ার মতো সমস্যা হলে অবশ্যই স্লিপ অ্যাপনিয়ার পরীক্ষা করিয়ে নিতে হবে।
    • নির্দিষ্ট কোনো ভঙ্গিতে শুয়ে থাকা অবস্থায় নাকডাকার সমস্যা হলে সেই ভঙ্গিতে না শোয়াই ভালো। কাত হয়ে সুবিধাজনক ভঙ্গিতে শোয়া ভালো।
    • যিনি ঘুমের মধ্যে নাক ডাকছেন, তাঁকে ডেকে বা ধাক্কা দিয়ে জাগিয়ে দেওয়া কোনো সমাধান নয়।
    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  15. সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    পুলিশ ক্লিয়ারেন্স চেক করার নিয়ম, ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নমুনা, সার্টিফিকেট মেয়াদ, পুলিশের মুভমেন্ট পাশ

    হেলাল খান
    সেরা উত্তর
    হেলাল খান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 5 বছর আগে

    পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় শর্তাবলী ১। আবেদনকারীর কমপক্ষে ৩ মাস মেয়াদ সম্পন্ন পাসপোর্ট থাকতে হবে। ২। আবেদনকারীর পাসপোর্টে উল্লেখিত স্থায়ী কিংবা বর্তমান ঠিকানার যে কোন একটি অবশ্যই সংশ্লিষ্ট মেট্রোপলিটন / জেলা পুলিশের আওতাধীন এলাকায় অবস্থিত হতে হবে এবং আবেদনকারীকে/ যার জন্য পুবিস্তারিত পড়ুন

    পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় শর্তাবলী

      1. ১। আবেদনকারীর কমপক্ষে ৩ মাস মেয়াদ সম্পন্ন পাসপোর্ট থাকতে হবে।
      1. ২। আবেদনকারীর পাসপোর্টে উল্লেখিত স্থায়ী কিংবা বর্তমান ঠিকানার যে কোন একটি অবশ্যই সংশ্লিষ্ট মেট্রোপলিটন / জেলা পুলিশের আওতাধীন এলাকায় অবস্থিত হতে হবে এবং আবেদনকারীকে/ যার জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট চাওয়া হয়েছে তাকে অবশ্যই ঐ ঠিকানার বাসিন্দা হতে হবে ।
      1. ৩। মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের (এম আর পি) এর ক্ষেত্রে যদি পাসপোর্টে ঠিকানা উল্লেখ না থাকে তবে ঠিকানার প্রমাণ স্বরূপ জাতীয় পরিচয় পত্র/জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র/স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর এর সনদপত্রের ফটোকপি ১ম শ্রেণীর সরকারী গেজেটেড কর্মকর্তা দ্বারা সত্যায়িত করে দাখিল করতে হবে ।
      1. ৪। বিদেশে অবস্থানকারী বাংলাদেশী পাসপোর্টধারী কোন ব্যক্তির পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য তিনি যে দেশে অবস্থান করছেন সে দেশে বাংলাদেশ দূতাবাস/হাইকমিশন কর্তৃক পাসপোর্টের তথ্য পাতার সত্যায়িত কপি তার পক্ষে করা আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে ।
      1. ৫। বিদেশগামী কিংবা প্রবাসী বাংলাদেশী নাগরিক এবং বাংলাদেশে বসবাস করে স্বদেশে/বিদেশে প্রত্যাবর্তনকারী বিদেশী নাগরিকদের জন্য প্রয়োজনীয় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এই অনলাইন সিস্টেমের মাধ্যমে ইস্যু করা হয়।
      ৬। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চাকুরী কিংবা অন্য কোন কাজে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট জেলা কিংবা সিটি এসবি শাখায় যোগাযোগ করুন।

    পুলিশ ক্লিয়ারেন্স চেক করার নিয়ম

    আপনার আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা জানতে PCC S এর পর আপনার আবেদনের রেফারেন্স নম্বর লিখে যেকোন মোবাইল থেকে ক্ষুদে বার্তা পাঠান 26969 নম্বরে। ফিরতি এসএমএস এ আপনার আবেদনের সর্বশেষ স্ট্যাটাস পেয়ে যাবেন।

    প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস

      1. ১। অনলাইনে যথাযথভাবে পূরণকৃত আবেদন পত্র ।
      1. ২। ১ম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা দ্বারা সত্যায়িত পাসপোর্টের তথ্য পাতার স্ক্যানকপি

     

    অথবা
      1. বিদেশে অবস্থানকারী বাংলাদেশী নাগরিকগনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশে বাংলাদেশ দূতাবাস কর্তৃক সত্যায়িত পাসপোর্টের তথ্য পাতার স্ক্যানকপি
    অথবা
      1. বিদেশী নাগরিকদের ক্ষেত্রে নিজ দেশের জাস্টিস অব পিস (Justice of Peace) কর্তৃক সত্যায়িত পাসপোর্টের তথ্য পাতার স্ক্যানকপি।
      ৩। বাংলাদেশ ব্যাংক/ সোনালী ব্যাংকের যে কোন শাখা থেকে (১-৭৩০১-০০০১-২৬৮১) কোডে করা ৫০০/- (পাঁচশত) টাকা মূল্যমানের ট্রেজারী চালান অথবা অনলাইনে ক্রেডিট/ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নির্ধারিত সার্ভিসচার্জ সহ ফি প্রদান।

    পুলিশের মুভমেন্ট পাস আবেদন এর নিয়মাবলী

    ধাপ : ১অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করে যে কেউ নিজের জন্য অথবা অন্যের পক্ষে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর জন্য আবেদন করতে পারবে। নিবন্ধন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন।

    ধাপ : ২নিবন্ধিত ব্যবহারকারী অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট সাইটে লগ-ইন করার পর Apply মেনুতে ক্লিক করে আবেদনপত্রটি যথাযথভাবে পূরণ করুন।।

    ধাপ : ৩আবেদন ফরমের প্রথম ধাপে ব্যক্তিগত বিস্তারিত তথ্য, দ্বিতীয় ধাপে বর্তমান এবং স্থায়ী ঠিকানা পূরণ করুন। আপনার বর্তমান ঠিকানা যে জেলা বা মেট্রোপলিটন এলাকায় অবস্থিত সেই ঠিকানায় পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হবে।

    ধাপ : ৪আবেদন ফরমের তৃতীয় ধাপে প্রয়োজনীয় ডকুমেণ্টসমূহের স্ক্যান কপি আপলোড করুন।

    ধাপ : ৫আবেদন ফরমের চতুর্থ ধাপে আপনার এন্ট্রিকৃত সকল তথ্য দেখানো হবে। আবেদনে কোন ভুল থাকলে তা পূর্ববর্তী ধাপসমূহে ফেরত গিয়ে পরিবর্তন করা যাবে। তবে চতুর্থ ধাপে আবেদনটি সাবমিট করার পর আর কোন পরিবর্তন করার সুযোগ থাকবে না।

    ধাপ : ৬চালানের মাধ্যেমে ফি পরিশোধের উপায় এবং পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে প্রদত্ত নির্দেশনা অনুসরণ করুন।

    এখানে ক্লিক করে অনলাইনে আবেদন করুন।

    পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স চেক, পুলিশ মুভমেন্ট পাস, পুলিশের মুভমেন্ট পাস আবেদন, পুলিশের মুভমেন্ট পাস, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স কিভাবে করব, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স চেক করার নিয়ম, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নমুনা, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স কত দিনে পাওয়া যায়, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট মেয়াদ কতদিন, পুলিশ, বাংলাদেশ পুলিশ, মুভমেন্ট পাস পুলিশ গভ বড়

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  16. সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    BRA পরার সুবিধা বা অসুবিধা কি?

    হেলাল খান
    সেরা উত্তর
    হেলাল খান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 5 বছর আগে

    আশ্চর্য জনক হলেও সত্যি যে ব্রা পরে রাতে ঘুমানো বা সারাক্ষণ ব্রা পরে থাকা ভালো না মন্দ এটা নিয়ে তর্ক-বিতর্কের শেষ নেই। অনেকেই মনে করেন চব্বিশ ঘণ্টা ব্রা পরে থাকা তাঁদের ফিগার সুন্দর রাখতে সহায়তা করে, আবার অনেকেই বলেন যে এই অভ্যাসটি স্তন ক্যান্সারের কারণ! কিন্তু আসলে কোনটা সত্য? কিংবা কাদের ক্ষেত্রে ববিস্তারিত পড়ুন

    আশ্চর্য জনক হলেও সত্যি যে ব্রা পরে রাতে ঘুমানো বা সারাক্ষণ ব্রা পরে থাকা ভালো না মন্দ এটা নিয়ে তর্ক-বিতর্কের শেষ নেই। অনেকেই মনে করেন চব্বিশ ঘণ্টা ব্রা পরে থাকা তাঁদের ফিগার সুন্দর রাখতে সহায়তা করে, আবার অনেকেই বলেন যে এই অভ্যাসটি স্তন ক্যান্সারের কারণ! কিন্তু আসলে কোনটা সত্য? কিংবা কাদের ক্ষেত্রে ব্রা পরে থাকার নিয়মটি প্রযোজ্য? জেনে নিন বিস্তারিত সুবিধা, অসুবিধা ও স্বাস্থ্য ঝুঁকির কথা…

    কেন এই সারাক্ষণ ব্রা পরিধান?

    যারা এই সারাক্ষণ, এমনকি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার সময়েই ব্রা পরে থাকেন তাঁরা প্রায় সকলেই মনে করেন যে এই কাজটি তাঁদের স্তনের আকৃতিকে সুন্দর রাখে। স্তনকে অনেক বয়স পর্যন্ত সুডৌল রাখে ও শেপ নষ্ট হতে দেয় না। কিন্তু আসলে কি তাই? ব্রা পরা না পরার সাথে আসলে স্তনের শেপ নষ্ট হবার সম্পর্ক খুবই অল্প, কেবল ক্ষেত্র বিশেষেই এটা হতে পারে। আর নারীদের স্তনের শেপ ক্রমশ নষ্ট হবার মূল কারণ হচ্ছে বয়স, গ্রাভিটি, সন্তান জন্মদান, বাড়তি ওজন ইত্যাদি। তাই কেবল স্তন সুন্দর রাখার জন্য সারাক্ষণ ব্রা পরে থাকা অনর্থক। তবে হ্যাঁ, অনেকেরই স্তনে ব্যথা হয় চাপ লাগবে বা ঘুমাতে অসুবিধা হয়। তাঁরা পরিধান করতে পারেন ব্রা ঘুমের সময়ে। তবে অবশ্যই টাইট ব্রা নয়, বরং ঢিলেঢালা আরামদায়ক ব্রা।

    স্তন ক্যান্সার হয় কি?

    সারাক্ষণ ব্রা পরে থাকলে স্তন ক্যান্সার হয়, এমন কোন নিশ্চিত প্রমাণ এখন পর্যন্ত বিজ্ঞানীদের কাছে নেই। আবার স্তন ক্যান্সার যে হয়ই না, সেটাও গ্যারান্টি দিয়ে বলা যাবে না। কিন্তু হ্যাঁ, সারাক্ষণ ব্যা পরে থাকার আরও কিছু স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে। যেমন, একই ব্রা সারাদিন পরে থাকায় স্তনে র‍্যাশ বা ত্বকের নানান রকম অসুখ হতে পারে। সারাক্ষণ ব্রা পরে থাকার ফলে ঘাম হয়, ফলে নানান রকম ফাঙ্গাল ইনফেকশন হতে পারে। ব্রায়ের ফিতায় কাঁধ ও পিঠে ত্বক ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে, কাঁধ বা পিঠে এবং বুকে ব্যথা হতে পারে টাইট ব্রা এর কারণে। কাপের নিচে কাঠি বসানো ব্রা কিংবা পুশ আপ ব্রা সারাক্ষণ পরে থাকলে স্তনে অস্থায়ী লাম্প দেখা দিতে পারে। এই লাম্পগুলো থেকে যে অন্য অসুখ হবেই না, এমন কোন নিশ্চয়তা নেই।

    পরবেন কি পরবেন না?

    কিছু ক্ষেত্রে সারাক্ষণ ব্রা পরার কোন প্রয়োজন নেই। আপনার কাপ সাইজ যদি কম হয়ে থাকে, অর্থাৎ স্তন যদি আকারে ছোট হয়ে থাকে তাহলে ব্রা পরার কোন প্রয়োজন নেই। কিন্তু অদি আপনার ব্রায়ের কাপ সাইজ হয়ে থাকে ডি বা ডি এর বেশী, অর্থাৎ যদি স্তন আকারে বড় হয়ে থাকে তাহলে ব্রা পরা আপনার জন্য ভালো। এতে স্তন শেপ হারানোর সম্ভাবনা কমবে এবং আপনি নানান রকমের অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে পরিত্রান পাবেন। তবে অবশ্যই টাইট ব্রা পরিধান করবেন না। এবং সিনথেটিক কাপড়ের ব্রা সারাক্ষণ পরিধান করে থাকবেন না। সূত্র- হাফিংটন পোষ্টে প্রকাশিত প্রবন্ধ Is Sleeping In A Bra Good Or Bad For You? অবলম্বনে

    তথ্যসূত্রঃ প্রিয়.কম

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 2
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp

Sidebar

লগ ইন করুন
  • জনপ্রিয়
  • উত্তর
  • Mithun

    নির্মাণকাজে মরুভূমির বালু কেন ব্যবহার করা হয়না?

    • 12 টি উত্তর
  • Hina Khan

    Is Telegram MOD APK safe to use? What are the ...

    • 9 টি উত্তর
  • shanto

    ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইন আবেদন, লাইসেন্সের অনলাইন কপি ডাউনলোড, লাইসেন্স হয়েছে ...

    • 8 টি উত্তর
  • Admin

    নতুন ক্যাটাগরি "SEO" যুক্ত হলো আড্ডাবাজে!

    • 7 টি উত্তর
  • Mahmudul

    একটি ঘোর লাগানো ছবি দেখাতে পারবেন কি?

    • 6 টি উত্তর
  • SA Samim
    SA Samim একটি উত্তর দিয়েছেন Bangla QR দিয়ে payment এর a to z বিস্তারিত জানতে… অক্টোবর 16, 2026, সময়ঃ 7:17 পূর্বাহ্ন
  • নুসরাত জাহান
    নুসরাত জাহান একটি উত্তর দিয়েছেন বিসিএস পরীক্ষার জন্য অনলাইনে কোচিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কয়েকটি জনপ্রিয় এবং… সেপ্টেম্বর 4, 2026, সময়ঃ 12:36 অপরাহ্ন
  • biplob
    biplob একটি উত্তর দিয়েছেন ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ শুরু হয় সাধারণত মশার কামড়ের ৪ থেকে… সেপ্টেম্বর 3, 2026, সময়ঃ 12:25 অপরাহ্ন
  • biplob
    biplob একটি উত্তর দিয়েছেন ভাই, আপনি কেন অন্যের উত্তর কপি করেছেন? নিজে রিসার্চ করে… সেপ্টেম্বর 1, 2026, সময়ঃ 8:12 অপরাহ্ন
  • Taharim Hasan Tanim
    Taharim Hasan Tanim একটি উত্তর দিয়েছেন কাকরোচ জনতা পার্টি (Cockroach Janta Party) কাকরোচ জনতা পার্টি (CJP)… সেপ্টেম্বর 1, 2026, সময়ঃ 6:27 অপরাহ্ন

জনপ্রিয় গ্রুপ

  • মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    • 4 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 117 বার প্রদর্শিত
  • Knowledge World

    Knowledge World

    • 3 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 123 বার প্রদর্শিত
  • CT Game Review

    CT Game Review

    • 3 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 1,249 বার প্রদর্শিত
  • Earn Money

    • 3 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 165 বার প্রদর্শিত
  • WordPress Themes & Plugins

    WordPress Themes & Plugins

    • 2 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 212 বার প্রদর্শিত

চলতি মাসের সেরা ইউজার

SA Samim

SA Samim

  • 13 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
এডিটর
www.id8357.pages.dev - XMR TRANSFER 18358 USDC z0p

www.id8357.pages.dev - XMR TRANSFER 18358 USDC z0p

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
www.id8357.pages.dev - XMR TRANSFER 18358 USDT flz

www.id8357.pages.dev - XMR TRANSFER 18358 USDT flz

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
www.id8357.pages.dev - ACTION REQUIRED 18358 USDC dz2

www.id8357.pages.dev - ACTION REQUIRED 18358 USDC dz2

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
www.id8357.pages.dev - ACTION REQUIRED 18358 USDC m9h

www.id8357.pages.dev - ACTION REQUIRED 18358 USDC m9h

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
লগ ইন করুন

Explore

  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

Footer

আমাদের সম্পর্কিত

  • আমাদের টিম
  • আমাদের লক্ষ্য

লিগ্যাল স্টাফ

  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions
  • Data Deletion Instructions

সাহায্য

  • Knowledge Base
  • Contact us

আমাদের ফলো করুন

© 2026 AddaBuzz. All Rights Reserved
With Love by AddaBuzz.net

✕
🔔 নোটিফিকেশন চালু করুন নতুন প্রশ্নোত্তর ও ব্লগ আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন