সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
গেটস অফ হেল কি?
‘গেটস অফ হেল’ হল কারাকুম মরুভূমিতে একটি বড় গর্ত যা ৭০ মিটার চওড়া এবং ২০ মিটার গভীর। ১৯৭১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন কারাকুম মরুভূমিতে তেলের খোঁজে খননকার্য শুরু করে। সেখানে প্রাকৃতিক গ্যাসের সন্ধান পাওয়া যায়। খননের ফলে এক বিশাল গর্তের সৃষ্টি হয়। ওই গর্ত থেকে নির্গত মিথেন গ্যাস বাতাসে ছড়িয়ে পড়লে দূষণ বাড়বে এবিস্তারিত পড়ুন
‘গেটস অফ হেল’ হল কারাকুম মরুভূমিতে একটি বড় গর্ত যা ৭০ মিটার চওড়া এবং ২০ মিটার গভীর।
১৯৭১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন কারাকুম মরুভূমিতে তেলের খোঁজে খননকার্য শুরু করে। সেখানে প্রাকৃতিক গ্যাসের সন্ধান পাওয়া যায়। খননের ফলে এক বিশাল গর্তের সৃষ্টি হয়। ওই গর্ত থেকে নির্গত মিথেন গ্যাস বাতাসে ছড়িয়ে পড়লে দূষণ বাড়বে এই আশঙ্কায় খননকারীরা গর্তে আগুন ধরিয়ে দেয়। তারা ভেবেছিল কয়েক সপ্তাহ পরই আগুন নিভে যাবে কিন্তু সেই থেকে গত পাঁচ দশক অর্থাৎ ৫০ বছর ধরে আগুন জ্বলছে।
বর্তমানে তুর্কমেনিস্তান অন্যতম একটি পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। ২০১৯ সালে রাষ্ট্রপতির একটি ভিডিয়োর ফলে গেটস অফ হেল ইন্টারনেটে ভাইরাল হয়। সেখানকার সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য এবং দেশের অর্থনীতির কথা মাথায় রেখে গর্ত বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাষ্ট্রপতি।
সংক্ষেপে দেখুনগ্রেট ডিপ্রেশন বা বিশ্বব্যাপী ‘মহা মন্দা’ কত সালে সংঘচটত হয়?
মহামন্দা ১৯৩০ এর দশকে বিশ্বব্যাপী সংগঠিত মন্দা। এই মন্দা শুরু হয় ১৯২৯ সালে এবং শেষ হয় ১৯৩৯ এর দশকের শেষের দিকে। ইহা বিংশ শতাব্দীর দীর্ঘ সময় ব্যাপী ও ব্যাপক প্রভাব বিস্তারকারী মন্দা। একবিংশ শতাব্দীতে মহামন্দাকে বিশ্ব অর্থনীতির পতনের উদাহরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
মহামন্দা ১৯৩০ এর দশকে বিশ্বব্যাপী সংগঠিত মন্দা। এই মন্দা শুরু হয় ১৯২৯ সালে এবং শেষ হয় ১৯৩৯ এর দশকের শেষের দিকে। ইহা বিংশ শতাব্দীর দীর্ঘ সময় ব্যাপী ও ব্যাপক প্রভাব বিস্তারকারী মন্দা। একবিংশ শতাব্দীতে মহামন্দাকে বিশ্ব অর্থনীতির পতনের উদাহরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
সংক্ষেপে দেখুনএরিয়া ৫১ কি?
এরিয়া ৫১ মূলত মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি সামরিক ঘাঁটি। যার আয়তন ২৬,০০০ বর্গকিলোমিটার। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেভাডা অঙ্গরাজ্যের দক্ষিণাঞ্চলে এবং লাস ভেগাস থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিম রেকেল গ্রামের কাছে অবস্থিত। খুবই গোপনীয় এই সামরিক বিমান ঘাঁটি গ্রুম হ্রদের দক্ষিণ তীরে অবস্থিত। এরবিস্তারিত পড়ুন
এরিয়া ৫১ মূলত মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি সামরিক ঘাঁটি। যার আয়তন ২৬,০০০ বর্গকিলোমিটার। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেভাডা অঙ্গরাজ্যের দক্ষিণাঞ্চলে এবং লাস ভেগাস থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিম রেকেল গ্রামের কাছে অবস্থিত। খুবই গোপনীয় এই সামরিক বিমান ঘাঁটি গ্রুম হ্রদের দক্ষিণ তীরে অবস্থিত।
এরিয়া ৫১ নামের এই সামরিক ঘাঁটি এতটাই গোপনীয় যে, ২০১৩ সালের আগ পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এর অস্তিত্ব অবধি স্বীকার করেনি।
রাশিয়া এরিয়া ৫১ নিয়ে প্রশ্ন তুললে ২০১৩ সালের আগস্টে প্রথমবার আমেরিকার সরকার স্বীকার করে নেয় যে, এরিয়া ৫১ এর অস্তিত্ব। তারা স্বীকার করে যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার দেশটির এক গোপন সামরিক পরীক্ষার স্থান হিসেবে ‘এরিয়া ৫১’ নামক জায়গাটি ব্যবহার করে।
সংক্ষেপে দেখুনইংরেজি বর্ণমালায় সর্বাধিক ব্যাবহার করা বর্ণ হলো ‘E’ সবচেয়ে কম ব্যবহার করা বর্ণ কোনটি?
ইংরেজি বর্ণমালায় সর্বাধিক ব্যবহার করা বর্ণ হলো ‘E’ এবং সবচেয়ে কম ব্যবহার করা বর্ণ হলো ‘Q'।
ইংরেজি বর্ণমালায় সর্বাধিক ব্যবহার করা বর্ণ হলো ‘E’ এবং সবচেয়ে কম ব্যবহার করা বর্ণ হলো ‘Q’।
সংক্ষেপে দেখুনঅ্যান্টার্কটিকাতে সবচেয়ে মোটা (প্রস্থে) বরফের টুকরাটির ব্যাসার্ধ কত?
চার বছর আগের করা এক গবেষণায় বরফ গলার যে হার দেখা গিয়েছিল, তা দ্বিগুণ হয়ে গেছে। আর এর ফলে বছরে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা আধা মিলিমিটার বেড়ে যাবে। ইউরোপীয় মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রের একটি মহাকাশ যান থেকে পাঠানো ছবি ও তথ্য বিশ্লেষণ করে এই পরিসংখ্যান দেওয়া হচ্ছে। ইউরোপের মহাকাশ সংস্থার ক্রাইয়োস্যাট নামেরবিস্তারিত পড়ুন
চার বছর আগের করা এক গবেষণায় বরফ গলার যে হার দেখা গিয়েছিল, তা দ্বিগুণ হয়ে গেছে। আর এর ফলে বছরে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা আধা মিলিমিটার বেড়ে যাবে। ইউরোপীয় মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রের একটি মহাকাশ যান থেকে পাঠানো ছবি ও তথ্য বিশ্লেষণ করে এই পরিসংখ্যান দেওয়া হচ্ছে। ইউরোপের মহাকাশ সংস্থার ক্রাইয়োস্যাট নামের মহাকাশযান এমন একটি রাডার ব্যবহার করেছে যা এন্টার্কটিকা মহাদেশকে ঢেকে রাখা বরফের পুরুস্তরের আকৃতি কিভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে – তার ওপর নজর রাখা এবং মাপার জন্যই তৈরি। এর সর্বশেষ পাঠানো ছবি পরীক্ষা করে বিজ্ঞানীরা এখন বলছেন, এন্টার্কটিক মহাদেশকে ঢেকে রাখা বরফের স্তর গলে যাবার গতি ক্রমশই দ্রুততর হচ্ছে, এবং প্রতিবছর এর উচ্চতা গড়ে দু সেন্টিমিটার করে কমে যাচ্ছে। বিজ্ঞানীর বিশেষত পশ্চিম এন্টার্কটিকা ভবিষ্যৎ নিয়েই বেশি উদ্বিগ্ন। কারণ এখানে যে গ্লেসিয়ার বা হিমবাহগুলো রয়েছে – যাকে বলা যেতে পারে বরফের নদী – সেগুলো কয়েক শতাব্দীর মধ্যেই একেবারে সম্পূর্ণ অদৃশ্য হয়ে যেতে পারে। ক্রাইয়োস্যাট জানাচ্ছে – অন্তত একটি হিমবাহে এখন বরফের উচ্চতা প্রতি বছর ৯ মিটার করে কমে যাচ্ছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, জলবায়ুর পরিবর্তনের কারণে বায়ু স্রোত মহাসাগরগুলো উষ্ণ পানিকে এই এলাকায় নিয়ে আসছে এবং তার সংস্পর্শে এসে এই হিমবাহগুলোর বরফ গলে যাচ্ছে। বিজ্ঞানীদের প্রকাশিত রিপোর্টগুলোর একটিতে বলা হচ্ছে, এন্টার্কটিকায় ছটি হিমবাহতে যে ভাবে বরফ গলে যাচ্ছে তা আর থামানো সম্ভব নয়। এক হিসেবে দেখা গেছে এই ছটি হিমবাহে যে পরিমাণ বরফ আছে তার সবই যদি গলে যায় তাহলে বিশ্বের সমুদ্রে পানির উচ্চতা প্রায় ১ দশমিক ২ মিটার বেড়ে যাবে – যার ফলে সাগরে তলিয়ে যেতে পারে পৃথিবীর অনেক অংশের নিচু জায়গা।
সংক্ষেপে দেখুনসাধারণ পানির তুলনায় মানুষের লালার স্ফুটনাংক কতগুণ বেশী ?
লালা হল একটি শারীরিয় তরল বস্তু যা প্রানীর মুখের লালা গ্রন্থি হতে উৎপন্ন হয়। মানব লালার ৯৯.৫% পানি সহ ইলেক্ট্রোলাইট, শ্লেষ্মা, শ্বেত লোহিত কনিকা, এপিথেলিয়াল কোষ (যা থেকে ডিএনএ বের করা যাবে), এনজাইম (যেমন এ্যামিলেস এবং লাইপেজ), এন্টিমাইক্রোবিয়াল এজেন্ট নি:সৃরক যেমন ইমিউনোগ্লোবিউলিন এ এবং লাইসোজাইমবিস্তারিত পড়ুন
লালা হল একটি শারীরিয় তরল বস্তু যা প্রানীর মুখের লালা গ্রন্থি হতে উৎপন্ন হয়। মানব লালার ৯৯.৫% পানি সহ ইলেক্ট্রোলাইট, শ্লেষ্মা, শ্বেত লোহিত কনিকা, এপিথেলিয়াল কোষ (যা থেকে ডিএনএ বের করা যাবে), এনজাইম (যেমন এ্যামিলেস এবং লাইপেজ), এন্টিমাইক্রোবিয়াল এজেন্ট নি:সৃরক যেমন ইমিউনোগ্লোবিউলিন এ এবং লাইসোজাইম।
খাদ্যকনা এবং চর্বি হজম প্রক্রিয়ার শুরুতে লালাস্থিত এনজাইমগুলো গুরুত্বপূর্ণ। এইসকল এনজাইম দাতের ফাকে আটকে থাকা খাদ্যকনাও ভাঙ্গতে সাহায্য করে যার মাধ্যমে ব্যাক্টেরিয়ার আক্রমণ হতে দাতকে সুরক্ষার কাজটিও করে থাকে। খাদ্য ভেজাতে, গিলার সুবিধা এবং মুখের অভন্ত্যরের শ্লেষাজিল্লির উপরিস্তর রক্ষার্থে লালা পিচ্ছিলকারক উপাদান হিসেবে কাজ করে।
সংক্ষেপে দেখুনকোন প্রাণীর কোনও ভোকাল কর্ড নেই?
জিরাফ প্রাণীর কোনও ভোকাল কর্ড নেই । কারণ, প্রত্যেক প্রাণীর গলায় শব্দ উৎপাদন হয় ভোকাল কর্ডের মাধ্যমে । কিন্তু জিরাফের গলায় ভোকাল কর্ড নেই । অতএব, প্রাণীজগতে জিরাফই একমাত্র প্রাণী, যার কোনও ভোকাল কর্ড নেই । সুত্রঃ ইসমাইল হোসেন
জিরাফ প্রাণীর কোনও ভোকাল কর্ড নেই । কারণ, প্রত্যেক প্রাণীর গলায় শব্দ উৎপাদন হয় ভোকাল কর্ডের মাধ্যমে । কিন্তু জিরাফের গলায় ভোকাল কর্ড নেই । অতএব, প্রাণীজগতে জিরাফই একমাত্র প্রাণী, যার কোনও ভোকাল কর্ড নেই ।
সুত্রঃ ইসমাইল হোসেন
সংক্ষেপে দেখুন