সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
২৫ ডিসেম্বরে তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং বিএনপির প্রস্তুতি কেমন?
২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে বর্তমানে সারা দেশে একটা উৎসবমুখর পরিবেশের পাশাপাশি বেশ টানটান উত্তেজনাও কাজ করছে। পত্রিকাগুলো যা বলছে তা হলো: নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরকার বিষয়টিকে অনেক গুরুত্ব দিচ্ছে। বিমানবন্দর থেকে শুরু করে ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে বাড়তি পুলিশ ও র্যাব মোতায়েন করা হচ্ছে।বিস্তারিত পড়ুন
২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে বর্তমানে সারা দেশে একটা উৎসবমুখর পরিবেশের পাশাপাশি বেশ টানটান উত্তেজনাও কাজ করছে। পত্রিকাগুলো যা বলছে তা হলো:
নিরাপত্তা ব্যবস্থা
সরকার বিষয়টিকে অনেক গুরুত্ব দিচ্ছে। বিমানবন্দর থেকে শুরু করে ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে বাড়তি পুলিশ ও র্যাব মোতায়েন করা হচ্ছে। গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে যাতে জনসমাগমের সুযোগ নিয়ে কোনো তৃতীয় পক্ষ বিশৃঙ্খলা করতে না পারে। এয়ারপোর্টের ভেতরে শুধু যাত্রী ও জরুরি লোক ছাড়া বাকিদের প্রবেশ সীমিত করার পরিকল্পনাও আছে।
বিএনপির প্রস্তুতি
বিএনপি বলছে, তারা জোর করে রাস্তা দখল করবে না। তবে নেতাকে দেখতে লাখ লাখ মানুষের ঢল নামবে, এটা মাথায় রেখে তারা কয়েক হাজার নিজস্ব ‘ভলান্টিয়ার’ বা স্বেচ্ছাসেবক ঠিক করেছে। এই স্বেচ্ছাসেবকদের কাজ হবে সাধারণ মানুষের চলাচলে যেন সমস্যা না হয় সেটা দেখা এবং ট্রাফিক পুলিশকে সাহায্য করা। দলীয়ভাবে তারা এটাকে ‘শান্তিপূর্ণ গণ-সংবর্ধনা’ হিসেবে পালন করতে চায়।
নির্বাচন ও রাজনীতি
তারেক রহমানের ফেরা মানেই বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণা আনুষ্ঠানিকভাবে পূর্ণ গতিতে শুরু হওয়া। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে সামনে রেখে তাঁর দেশে থাকাটা দলের কর্মীদের মনোবল অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে। তিনি আসার পর দলের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঠিক করার কাজ আরও গতি পাবে।
কূটনীতি
তারেক রহমানের ফেরাকে বিদেশি রাষ্ট্রদূত ও বিভিন্ন দেশ বেশ পর্যবেক্ষণে রাখছে। বিশেষ করে প্রতিবেশী ভারত ও পশ্চিমা দেশগুলো দেখছে তাঁর ফেরার পর বাংলাদেশের পরিস্থিতি কতটা স্থিতিশীল থাকে। সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হবে কি না, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা চলছে।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা
সাম্প্রতিক সময়ে ডেইলি স্টার বা প্রথম আলোর মতো বড় সংবাদপত্রের ওপর হামলা নিয়ে দেশ-বিদেশে উদ্বেগ আছে। তারেক রহমান দেশে ফেরার পর তাঁর দল এবং অন্তর্বর্তী সরকার এই হামলার ব্যাপারে কী শক্ত অবস্থান নেয়, সেটাই দেখার বিষয়। মুক্তভাবে কথা বলা বা সংবাদ প্রকাশের পরিবেশ বজায় থাকবে কি না, তা নিয়ে মানুষ অনেক আশাবাদী হতে চায়।
সহজ কথায় বলতে গেলে, তারেক রহমানের আসাটা শুধু একটি দলের নেতার ফেরা নয়, বরং আগামী দিনের রাজনীতি কোন দিকে যাবে, তার একটা বড় ইঙ্গিত।
সংক্ষেপে দেখুনশাকিব খান একটি ছবিতে কত টাকা পারিশ্রমিক নেন?
শাকিব খানের পারিশ্রমিক, বাৎসরিক আয় ও আয়ের উৎস ঢাকাই সিনেমার শীর্ষ তারকা শাকিব খান বর্তমানে প্রতিটি চলচ্চিত্রের জন্য রেকর্ড পরিমাণ পারিশ্রমিক নিচ্ছেন। নির্ভরযোগ্য সূত্র এবং গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, তার পারিশ্রমিক এখন ১ কোটি থেকে ২ কোটি টাকার মধ্যে ওঠানামা করছে। বিশেষ করে "প্রিয়তমা" ও "তুফান" এর মতবিস্তারিত পড়ুন
শাকিব খানের পারিশ্রমিক, বাৎসরিক আয় ও আয়ের উৎস
ঢাকাই সিনেমার শীর্ষ তারকা শাকিব খান বর্তমানে প্রতিটি চলচ্চিত্রের জন্য রেকর্ড পরিমাণ পারিশ্রমিক নিচ্ছেন। নির্ভরযোগ্য সূত্র এবং গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, তার পারিশ্রমিক এখন ১ কোটি থেকে ২ কোটি টাকার মধ্যে ওঠানামা করছে। বিশেষ করে “প্রিয়তমা” ও “তুফান” এর মতো ব্লকবাস্টার সাফল্যের পর তার পারিশ্রমিক উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
শাকিব খানের চলচ্চিত্র প্রতি পারিশ্রমিক:
শাকিব খানের পারিশ্রমিক ছবির বাজেট, প্রযোজনা সংস্থা এবং তার চরিত্রের গুরুত্বের ওপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়। জানা গেছে, “প্রিয়তমা” সিনেমার জন্য তিনি ৩৫ লাখ টাকা পারিশ্রমিক নিলেও, এর ব্যাপক সাফল্যের পর “রাজকুমার”-এর জন্য ৬৫ লাখ, “দরদ”-এর জন্য ৭০ লাখ এবং “তুফান”-এর জন্য ৮০ লাখ টাকা নেন। সর্বশেষ “বরবাদ” সিনেমায় তিনি প্রাথমিকভাবে ৮০ লাখ টাকা চুক্তি করলেও, ঈদের মুক্তির চুক্তিতে পারিশ্রমিক বাড়িয়ে প্রায় ৯৫ লাখ টাকা নেন। বর্তমানে “তাণ্ডব” সিনেমার জন্য তিনি ৯০ থেকে ৯৫ লাখের মধ্যে পারিশ্রমিক নিচ্ছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। কিছু সংবাদমাধ্যমের দাবি, তার পরবর্তী সিনেমার জন্য তিনি ২ কোটি টাকা পর্যন্ত পারিশ্রমিক চাইতে পারেন।
শাকিব খানের বাৎসরিক আয়:
শাকিব খানের বাৎসরিক আয়ের সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ না পেলেও, ভারতীয় গণমাধ্যম ‘টিভি নাইন বাংলা’র এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, শাকিব খানের মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ২০ মিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৩৫ কোটি ৭ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। তবে এই তথ্যের কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ নেই এবং শাকিব খান নিজে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। সিনেমা ছাড়াও অন্যান্য খাত থেকে তার আয় ভালো অঙ্কের হয়ে থাকে।
শাকিব খানের উপার্জনের খাতসমূহ:
শাকিব খানের উপার্জনের প্রধান খাতগুলো হলো:
- চলচ্চিত্রে অভিনয়: এটি তার আয়ের প্রধান উৎস। বছরে দুই থেকে তিনটি নির্বাচিত সিনেমায় কাজ করেন তিনি।
- চলচ্চিত্র প্রযোজনা: তিনি নিজস্ব প্রযোজনা সংস্থা চালান এবং বেশ কিছু সফল চলচ্চিত্র প্রযোজনা করেছেন, যার মধ্যে “হিরো: দ্য সুপারস্টার”, “পাসওয়ার্ড” এবং “বীর” উল্লেখযোগ্য।
- বিজ্ঞাপন ও ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর: বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বিজ্ঞাপন এবং শুভেচ্ছাদূত হিসেবে কাজ করেও তিনি মোটা অঙ্কের টাকা আয় করেন।
- মঞ্চ অনুষ্ঠান: দেশ-বিদেশের বিভিন্ন মঞ্চ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেও তিনি উপার্জন করেন।
- নিজের ব্যবসা: চলচ্চিত্রের বাইরেও তার অন্যান্য ব্যবসা রয়েছে বলে জানা যায়।
- গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব: একজন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব হিসেবেও তার পরিচিতি ও প্রভাব রয়েছে।
সংক্ষেপে দেখুনবিদেশে ফুল ফ্রি স্কলারশিপ পাওয়ার জন্য কী কী যোগ্যতা থাকা দরকার এবং আবেদন করার প্রক্রিয়াটি কীভাবে সম্পন্ন করতে হয়?
স্কলারশিপ বা বৃত্তি হলো শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা, যা তাদের শিক্ষার ব্যয়ভার কমাতে সাহায্য করে। এটি সাধারণত মেধা, আর্থিক প্রয়োজন, বা বিশেষ দক্ষতার ভিত্তিতে প্রদান করা হয়। বিদেশে স্কলারশিপ পাওয়ার যোগ্যতা বিদেশে স্কলারশিপ পাওয়ার জন্য সাধারণত নিম্নলিখিত যোগ্যতাগুলো প্রয়োজন: শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্বিস্তারিত পড়ুন
স্কলারশিপ বা বৃত্তি হলো শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা, যা তাদের শিক্ষার ব্যয়ভার কমাতে সাহায্য করে। এটি সাধারণত মেধা, আর্থিক প্রয়োজন, বা বিশেষ দক্ষতার ভিত্তিতে প্রদান করা হয়।
বিদেশে স্কলারশিপ পাওয়ার যোগ্যতা
বিদেশে স্কলারশিপ পাওয়ার জন্য সাধারণত নিম্নলিখিত যোগ্যতাগুলো প্রয়োজন:
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন করা।
ভাষা দক্ষতা: ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা প্রমাণের জন্য IELTS বা TOEFL স্কোর প্রয়োজন।
কাজের অভিজ্ঞতা: কিছু স্কলারশিপের জন্য পূর্ববর্তী কাজের অভিজ্ঞতা আবশ্যক।
সুপারিশপত্র: শিক্ষকদের বা কর্মক্ষেত্রের সুপারিশপত্র প্রয়োজন।
সামাজিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ: সামাজিক বা স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমে অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা।
স্কলারশিপ কিভাবে পাওয়া যায়:
স্কলারশিপ পাওয়ার জন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো অনুসরণ করতে পারেন:
1. গবেষণা: বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও তাদের স্কলারশিপ প্রোগ্রাম সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করুন।
2. আবেদন প্রস্তুতি: প্রয়োজনীয় নথি, যেমন একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট, ভাষা দক্ষতার সনদ, সুপারিশপত্র ইত্যাদি প্রস্তুত করুন।
3. আবেদন: নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে অনলাইনে আবেদন করুন।
4. সাক্ষাৎকার: কিছু স্কলারশিপের জন্য সাক্ষাৎকারের প্রয়োজন হতে পারে।
ফুল ফ্রি স্কলারশিপ ২০২৪
২০২৪ সালে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য কিছু উল্লেখযোগ্য ফুল ফ্রি স্কলারশিপের সুযোগ রয়েছে:
শেভেনিং স্কলারশিপ (যুক্তরাজ্য): এই স্কলারশিপের আওতায় সম্পূর্ণ টিউশন ফি, মাসিক বৃত্তি, ভ্রমণ ব্যয় ইত্যাদি প্রদান করা হয়। আবেদনের শেষ সময় ৫ নভেম্বর ২০২৪।
খলিফা বিশ্ববিদ্যালয় স্কলারশিপ (সংযুক্ত আরব আমিরাত): স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি প্রোগ্রামের জন্য সম্পূর্ণ টিউশন ফি, মাসিক বৃত্তি, আবাসন সুবিধা ইত্যাদি প্রদান করা হয়। আবেদনের শেষ সময় ৩০ এপ্রিল ২০২৪।
কোন দেশে সহজে স্কলারশিপ পাওয়া যায়
কিছু দেশ, যেমন চীন, জার্মানি, ফ্রান্স, নরওয়ে, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, স্পেন, চেক প্রজাতন্ত্র এবং বেলজিয়াম, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য স্কলারশিপের সুযোগ বেশি প্রদান করে থাকে।
বিদেশে স্কলারশিপ ২০২৪
২০২৪ সালে বিভিন্ন দেশ ও বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য স্কলারশিপের সুযোগ প্রদান করছে। নিয়মিতভাবে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় ও স্কলারশিপ ওয়েবসাইট পরিদর্শন করে সর্বশেষ তথ্য সংগ্রহ করা উচিত।
স্কলারশিপের জন্য আবেদন করার সময় প্রয়োজনীয় নথি, সময়সীমা এবং যোগ্যতার শর্তাবলী সম্পর্কে সচেতন থাকা গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত গবেষণা ও প্রস্তুতি আপনাকে সফলভাবে স্কলারশিপ অর্জনে সহায়তা করবে।
সংক্ষেপে দেখুনদৈনিক শিক্ষা পাঠদানের মাধ্যমে কিভাবে সন্তানের সুশিক্ষা নিশ্চিত করতে পারবো?
চলুন একটা গল্প শোনাই... জঙ্গলের রাজা বাঘ মশাই ঢাকঢোল পিটিয়ে জানিয়ে দিলো - "কোনো শিশুকে নিরক্ষর রাখা চলবে না।। সবার জন্য যথাযথ শিক্ষা সুনিশ্চিত করতে হবে।।" সব ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠাতে হবে।। পড়াশুনা শেষ হলে,, সবাইকে সার্টিফিকেট দেওয়া হবে।। শুরু হলো সর্ব শিক্ষা অভিযান!! হাতির বাচ্চা স্কুলে এলো।। বাঁবিস্তারিত পড়ুন
চলুন একটা গল্প শোনাই…
জঙ্গলের রাজা বাঘ মশাই ঢাকঢোল পিটিয়ে জানিয়ে দিলো – “কোনো শিশুকে নিরক্ষর রাখা চলবে না।। সবার জন্য যথাযথ শিক্ষা সুনিশ্চিত করতে হবে।।”
সব ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠাতে হবে।। পড়াশুনা শেষ হলে,, সবাইকে সার্টিফিকেট দেওয়া হবে।।
শুরু হলো সর্ব শিক্ষা অভিযান!!
হাতির বাচ্চা স্কুলে এলো।। বাঁদর,, মাছ,, কচ্ছপ,, বিড়াল,,উট ,, জিরাফ,, সবার বাচ্চা স্কুলে পৌঁছে গেলো।।
শুরু হলো ধুমধাম করে পড়াশোনা।।
“ফার্স্ট ইউনিট টেষ্ট” হলো।। হাতির বাচ্চা ফেল।।
– “কোন সাবজেক্টে ফেল ??” হাতি এসে প্রশ্ন করে।।
— “গাছে ওঠা” সাবজেক্টে ফেল করেছে।।”
হাতি পড়লো মহা চিন্তায়।। তার ছেলে ফেল ?? এটা কোনো ভাবেই মেনে নেওয়া যাবে না।।
শুরু হলো খোঁজাখুঁজি,, ভালো টিউটর পেতেই হবে।। সন্তানের শিক্ষার ব্যাপারে কোনো রকম কম্প্রোমাইজ করা যাবে না।।
হাতির এখন একটাই টেনশন,, যেভাবেই হোক,, ছেলেকে গাছে চড়া শেখাতে হবে !! “গাছে ওঠা’ সাবজেক্টে টপার করে তুলতে হবে।।
ফার্স্ট সেশন অতিক্রান্ত।। ফাইনাল রেজাল্ট আউট হলো।। দেখা গেলো – হাতি,, উট,, জিরাফ,, মাছ,, সবার বাচ্চা ফেল।। বাঁদরের বাচ্চা টপার হয়ে গেছে।।
প্রকাশ্য মঞ্চে বিভিন্ন গেষ্টদের আমন্ত্রিত করে,, বিরাট অনুষ্ঠান আয়োজন করা হলো।। সেখানে টপার হিসাবে বাঁদরের বাচ্চার গলায় মেডেল পরিয়ে দেওয়া হলো।।
চুড়ান্ত অপমানিত হয়ে হাতি,, উট,, জিরাফ,, নিজ নিজ সন্তানকে দারুণ পিটুনি দিলো।। এতো টিউশন,, এতো খরচ,, এর পরেও চূড়ান্ত অসম্মান!!
তারা মেনে নিতে পারলো না।।
— “ফাঁকিবাজ,, এতো চেষ্টা করেও তোর দ্বারা গাছে চড়া সম্ভব হলো না ?? নিকম্মা কোথাকার।। শিখে নে, বাঁদরের বাচ্চার কাছে শিক্ষা নে,, কিভাবে গাছে চড়তে হয়।।”
ফেল কিন্তু মাছের ছেলেও হয়ে গেছে।। সে আবার প্রত্যেক সাবজেক্টে ফেল,, কেবলমাত্র “সাঁতার” কাটা ছাড়া।।
প্রিন্সিপাল বললো — “আপনার সন্তানের এ্যটেন্ডেন্স প্রবলেম।। পাঁচ মিনিটের বেশী ক্লাসে থাকতে পারে না।।”
মাছ নিজের সন্তানের দিকে ক্রোধান্বিত হয়ে তাকিয়ে রইলো।।
বাচ্চা বলে –” মা-গো,, দম নিতে পারি না,, ভীষণ কষ্ট হয়।। আমার জন্য জলের মধ্যে কোনো স্কুল দেখলে হতো না ??”
মাছ বলে — “চুপ কর বেয়াদব।। এতো ভালো স্কুল আর কোথাও খুঁজে পাবি না।। পড়াশোনায় মন দে,, স্কুল নিয়ে তোকে ভাবতে হবে না।।”
হাতি,, উট,, জিরাফ,, নিজের নিজের ফেলিওর বাচ্চাকে পিটুনি দিতে দিতে বাড়ি ফিরে চলেছে।। পথিমধ্যে বুড়ো খেঁকশিয়ালের সঙ্গে দেখা।।
শিয়াল বলে — “কি হয়েছে সেটা তো বলো ??”
হাতি বলে — “এত বড়ো শরীর নিয়ে,, গাছে চড়তে পারলো না।। বাঁদরের ছেলে টপার হলো,, মান ইজ্জত কিছুই অবশিষ্ট থাকলো না।।”
শিয়াল অট্টহাসিতে ফেটে পড়ে।।
শিয়াল বলো — “তোমাদের গাছে চড়ার কি প্রয়োজন সেটাই তো বুঝতে পারলাম না।। শোনো হাতি,, তুমি নিজের বিশালাকার শুঁড় উঠিয়ে ধরো,, গাছের সবচেয়ে বড়ো ফলটি পেড়ে ভক্ষণ করো।। তোমার গাছে ওঠা লাগবে না।।”
— “উট ভাই,, তোমার অনেক উঁচু ঘাড় রয়েছে।। ঘাড় বাড়িয়ে দাও,, গাছের সর্বশ্রেষ্ঠ ফল,, পাতা পেড়ে খাও।।”
— “বোন মাছ,, তোমার সন্তানকে নদীর স্কুলে ভর্তি করে দাও।। ওকে মনভরে সাঁতার কাটতে শেখাও।। দেখবে,, একদিন তোমার ছেলে নদী অতিক্রম করে সমুদ্রে পাড়ি দেবে।। সাত সমুদ্র পার করে,, তোমার নাম উজ্জ্বল করে দেবো।। ওকে রাজার স্কুলে মোটেও পাঠিও না।। ও মারা যাবে।।”
মনে রাখতে হবে,, *শিক্ষা আপনার সন্তানের জন্য,, শিক্ষার জন্য আপনার সন্তান নয়*
প্রত্যেক শিশুর মধ্যেই কিছু না কিছু স্পেশালিটি আছে।
আমাদের দায়িত্ব হলো, সেটা খুঁজে বের করা। তাকে সঠিক পথ দেখিয়ে দেওয়া। তাহলেই দেখবেন,, সে নিজেই নিজের গন্তব্য খুঁজে নেবে।
আশাকরি আমার উত্তরটি বুঝতে পেরেছেন!
সংক্ষেপে দেখুনঅন্য কেউ কাতুকুতু দিলে আমরা হাসি কেন? নিজেই নিজেকে কাতুকুতু দিলে হাসি পায় না কেন?
আমাদের ত্বকের সবচেয়ে ওপরের অংশের নাম এপিডার্মিস। এই অংশটির নিচে থাকে হেয়ার ফলিকলস, ঘাম গ্রন্থি, পেশী ও বিভিন্ন নার্ভের প্রান্ত। নার্ভপ্রান্তগুলো নার্ভ ফাইবারের সঙ্গে যুক্ত থাকে। এই নার্ভ ফাইবার দিয়েই আমাদের শরীরের কেন্দ্রীয় নার্ভ সিস্টেম গঠিত। কোনো কিছু যখন আমাদেরকে স্পর্শ করে, তখন এই নার্ভপ্রান্ত আবিস্তারিত পড়ুন
আমাদের ত্বকের সবচেয়ে ওপরের অংশের নাম এপিডার্মিস। এই অংশটির নিচে থাকে হেয়ার ফলিকলস, ঘাম গ্রন্থি, পেশী ও বিভিন্ন নার্ভের প্রান্ত। নার্ভপ্রান্তগুলো নার্ভ ফাইবারের সঙ্গে যুক্ত থাকে। এই নার্ভ ফাইবার দিয়েই আমাদের শরীরের কেন্দ্রীয় নার্ভ সিস্টেম গঠিত। কোনো কিছু যখন আমাদেরকে স্পর্শ করে, তখন এই নার্ভপ্রান্ত আমাদের ব্রেনে সংকেত দেয়, যার মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারি স্পর্শিত বস্তুটি ঠাণ্ডা না গরম, কিংবা সেটির চাপ কেমন।
কাতুকুতু দেওয়ার সময় যেভাবে স্পর্শ করা হয়, সেটা খুবই মৃদু স্পর্শ। কিন্তু এই মৃদু স্পর্শ কেন আমাদেরকে হাসতে উদ্বুদ্ধ করে?মস্তিষ্কের দুটি ভিন্ন অংশ এর জন্য দায়ী। স্পর্শের ফলে যে অনুভূতি হয়, সেটা বিশ্লেষণ করে ব্রেনের সেমাটোসেন্সরি কর্টেক্স (somatosensory cortex) অংশ। একই বিষয় আবার এনটেরিয়র সিংগুলেট কর্টেক্সও (anterior cingulated cortex) বিশ্লেষণ করে। মস্তিষ্কের এই অংশটি বিভিন্ন প্লেজারেবল ফিলিংসের জন্য দায়ী। তাই স্পর্শের পর আমাদের কেমন অনুভূতি হবে, সেটা মস্তিষ্কের এই দুটি অংশের জটিল বিশ্লেষণের ফল।>>>নিজেকে কাতুকুতু দিলে হাসি আসে না কেন
এর জন্য দায়ী মস্তিষ্কের পেছনের অংশে অবস্থিত সেরেবেলাম নামক অংশ। এই অংশটি আমাদের নড়াচড়া আগে থেকে অনুমান ও পর্যবেক্ষণ করে এবং সেই অনুসারে আমাদেরকে সতর্ক করে। আমরা যখন নিজেকে কাতুকুতু দিতে যাই, তখন মস্তিষ্কের এই অংশটি আমাদের আগেই এ বিষয়ে সতর্ক করে, যার ফলে সেটা আর কাতুকুতু হয় না।
কেন মস্তিষ্ক আগে থেকেই সতর্ক করে
আমাদের মস্তিষ্ক প্রতি মুহূর্তে বহু তথ্য নিয়ে বিশ্লেষণ করে। তাই এটি অপ্রয়োজনীয় ও অগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে যতটা সম্ভব কম গুরুত্ব দেয়। এর পরিবর্তে মস্তিষ্ক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আমাদের সজাগ ও সতর্ক রাখে, যা আমাদের জীবনধারণের জন্য অপরিহার্য।
কাতুকুতু দিলে মানুষ হাসে কেন
চার্লস ডারউইন ও এওয়াল্ড হেকার উভয়ই বলেছেন কাতুকুতুতে হাসির জন্য মানসিক অবস্থা ভালো থাকতে হবে এবং মনের মধ্যে হিউমার বা হাস্যরস থাকতে হবে। এই দুটির সমন্বয় ছাড়া কাতুকুতু দিলে হাসির বিপরীতে অন্য কিছু হতে পারে। যেমন: আপনি যদি ইউটিউবে হাসির কোনো ভিডিও দেখার সময় কেউ আপনাকে কাতুকুতু দেয়, তাহলে আপনার হাসির সম্ভাবনা বেশি থাকবে। কিন্তু অফিসে বসের চাপিয়ে দেওয়া কাজের বোঝা হালকা করার সময় কেউ কাতুকুতু দিলে তার কপালে কী আছে, কে জানে!
শরীরের কোন কোন জায়গায় স্পর্শ করলে আমরা হাসি, সেটা লক্ষ্য করলেও বোঝা যাবে যে কেন আমরা কাতুকুতু দিলে হাসি।
বগলের নিচে, গলা-হাঁটুর পেছনের অংশ এবং পায়ের পাতায় স্পর্শ করলে আমরা কাতুকুতু অনুভব করি। বগলের নিচে অনেকগুলো আর্টারি আছে। গলাতেও অনেক আর্টারি আছে এবং এখানে আছে আমাদের ট্রাকিয়া। পায়ের পাতায় উচ্চ সংবেদনশীল রিসেপ্টর আছে, যেগুলো মাইজনার করপাসলস (missner corpuscles) নামে পরিচিত।
এই জায়গাগুলো খুবই স্পর্শকাতর এবং খুব সহজেই জায়গাগুলো আঘাতপ্রাপ্ত হতে পারে। জীববিজ্ঞানী ও নিউরোসায়েন্টিস্টরা বলেন, আমরা যখন হাসি, তখন এটি আমাদের আক্রমণকারীদের কাছে একরকম আত্মসমর্পণের মতো বার্তা দেয়। যেমন: কেউ যখন আপনাকে আক্রমণ করতে আসে আর আপনি যদি হেসে দেন, তাহলে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়ে যায় এবং উত্তেজনার দ্রুত অবসান হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, কাতুকুতুর ফলে হাসির কারণে মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাস অংশ উদ্দীপিত হয়। আমরা যখন কোনো কষ্টের আশঙ্কা করি, তখনও মস্তিষ্কের একই অংশই উদ্দীপিত হয়।
গরিলাকে কাতুকুতু দিলে তারা যে প্রতিক্রিয়া দেখায়, সেটাও অনেকটা মানুষের হাসির মতোই। এটা দেখে বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, কাতুকুতুর এই হাসি প্রায় ৩০-৬০ মিলিয়ন বছর পুরোনো একটি প্রতিক্রিয়া।
অন্যান্য প্রাণীর মধ্যেও কাতুকুতুর প্রতিক্রিয়ায় হাসির প্রবণতা আছে। যেমন: ইঁদুর।
সংক্ষেপে দেখুনবাংলাদেশ মেরিন একাডেমি ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২২-২০২৩, ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি যোগ্যতা
মেরিন একাডেমি ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২২-২০২৩ মেরিন একাডেমি ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২২-২০২৩ প্রকাশিত হয়েছে। ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষে মেরিন ক্যাডেট প্রশিক্ষণ কোর্সে মেরিন একাডেমিতে ভর্তি সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে নৌ-পরিবহন অধিদপ্তর (dos.gov.bd)। বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি (চট্টগ্রাম) সহ সরকারি-বেসরকারকারি মেরিটাবিস্তারিত পড়ুন
মেরিন একাডেমি ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২২-২০২৩
মেরিন একাডেমি ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২২-২০২৩ প্রকাশিত হয়েছে। ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষে মেরিন ক্যাডেট প্রশিক্ষণ কোর্সে মেরিন একাডেমিতে ভর্তি সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে নৌ-পরিবহন অধিদপ্তর (dos.gov.bd)। বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি (চট্টগ্রাম) সহ সরকারি-বেসরকারকারি মেরিটাইম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (মোট ৯টি) ভর্তির মাধ্যমে নটিক্যাল / ইঞ্জিনিয়ারিং ক্যাডেট হিসেবে যোগ দেয়া যাবে।
মেরিন একাডেমির নাম, তালিকা ও আসন সংখ্যা
আবেদনের যোগ্যতা
ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতি ও মানবণ্টন
ভর্তি পরীক্ষায় পাশ নম্বর ৫০%
অনলাইনে আবেদনের ধাপ ও নিয়ম
মেরিন একাডেমি, মেরিটাইম একাডেমি ও মেরিন ফিশারিজ একাডেমিতে অনলাইনে ভর্তি আবেদনের ধাপ ও নিয়ম (নির্দেশনা) দেওয়া হয়েছে ৯ পৃষ্ঠার এই PDF ফরমেটের গাইডলাইনে : https://doscadet.solutionart.net/media/application-guideline.pdf
ভর্তি পরীক্ষা
লিখিত ভর্তি পরীক্ষার তারিখ আবেদন জমা দেয়া প্রার্থীদের মোবাইল নাম্বারে এসএমএস পাঠিয়ে জানিয়ে দেবে কর্তৃপক্ষ।
মেরিন ক্যাডেট প্রশিক্ষণ সার্টিফিকেট
মনোনীত ক্যাডেটরা ২ বছর প্রশিক্ষণ শেষে প্রি-সি নটিক্যাল সায়েন্স অথবা প্রি-সি মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং সনদ পাবেন।
মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি ২০২২-২০২৩ – Marine academy admission circular 2022
মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের চাকরির সুযোগ কোথায়-কেমন
মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের বেতন কেমন
চাকরির শুরুতে একজন ইঞ্জিন ক্যাডেট বা ডেক ক্যাডেট দেশি জাহাজে ৩০০ মার্কিন ডলার এবং বিদেশি জাহাজে ২৫০ থেকে ৩০০ মার্কিন ডলার বেতন পান। চাকরির শুরুতে নবীন মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের বেশ কিছু অসুবিধার মুখোমুখি হতে হয়। কোর্স শেষ করে প্রথম দিকে (অভিজ্ঞতা না থাকায়) চাকরি পেতে কিছুটা সমস্যা হয়। জাহাজ মালিক কিংবা মেরিন এজেন্সির মালিকদের অধীনে কম বেতনে চাকরি করতে হয়। বিদেশি জাহাজে চাকরি হয়েছে কিন্তু ভিসা হয়নি, এমনও অনেক উদাহরণ আছে।
সংক্ষেপে দেখুন