সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
বাংলাদেশের মানুষদের মধ্যে কমন কিছু মানুষিক সমস্যা কি?
এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতনতা কিছুটা বাড়লেও, এখনো বহু মানুষ নীরবে মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। তবে মনে রাখতে হবে, মানসিক সমস্যার সঠিক নির্ণয় শুধুমাত্র বিশেষজ্ঞ মনোচিকিৎসক (Psychiatrist) বা মনোবিজ্ঞানীর (Clinical Psychologist) দ্বারাই সমবিস্তারিত পড়ুন
এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতনতা কিছুটা বাড়লেও, এখনো বহু মানুষ নীরবে মানসিক সমস্যায় ভুগছেন।
তবে মনে রাখতে হবে, মানসিক সমস্যার সঠিক নির্ণয় শুধুমাত্র বিশেষজ্ঞ মনোচিকিৎসক (Psychiatrist) বা মনোবিজ্ঞানীর (Clinical Psychologist) দ্বারাই সম্ভব।
বাংলাদেশে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে মানসিক সমস্যাগুলো তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়, তার একটি তালিকা নিচে দেওয়া হলো:
১. বিষণ্ণতা বা ডিপ্রেশন (Depression)
এটি বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে সবচেয়ে প্রচলিত মানসিক সমস্যাগুলির মধ্যে একটি। আর্থ-সামাজিক চাপ, ব্যক্তিগত ক্ষতি, বা সম্পর্কজনিত কারণে এটি সৃষ্টি হতে পারে।
২. উদ্বেগ বা অ্যাংজাইটি ডিসঅর্ডার (Anxiety Disorder)
ভবিষ্যৎ নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা, ভয় বা আতঙ্কের মধ্যে থাকা হলো অ্যাংজাইটি বা উদ্বেগজনিত সমস্যা।
৩. মানসিক চাপ ও স্ট্রেস (Stress-Related Issues)
যদিও এটি একটি রোগ নয়, তবে দীর্ঘমেয়াদী মানসিক চাপ বিভিন্ন মানসিক রোগের জন্ম দিতে পারে। বাংলাদেশে পারিবারিক কলহ, পড়াশোনার চাপ (বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে) এবং আর্থিক সংকট এর মূল কারণ।
৪. শারীরিক উপসর্গ হিসেবে মানসিক কষ্ট
অনেক সময় সামাজিক কলঙ্ক (Stigma)-এর ভয়ে মানুষজন তাদের মানসিক কষ্ট প্রকাশ করতে চান না। এর ফলে সেই কষ্টগুলি মাথাব্যথা, পেট ব্যথা, পিঠের ব্যথার মতো বিভিন্ন শারীরিক অসুস্থতা (Somatoform Symptoms) হিসেবে প্রকাশ পায়।
৫. সিজোফ্রেনিয়া ও অন্যান্য সাইকোসিস
এটি একটি গুরুতর মানসিক রোগ, যেখানে মানুষ বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এটি সব সমাজেই কম-বেশি দেখা যায়।
এই সমস্যাগুলো কেন বেশি দেখা যায়?
আপনি বা আপনার পরিচিত কেউ যদি এই ধরনের সমস্যায় ভোগেন, তবে একজন বিশেষজ্ঞ মনোচিকিৎসক বা মনোবিজ্ঞানীর পরামর্শ নেওয়া জরুরি। সাহায্য চাওয়া কোনো দুর্বলতা নয়, বরং সুস্থ থাকার জন্য এটি একটি সাহসিকতার কাজ।
সংক্ষেপে দেখুনবাংলাদেশে গুগল পে কবে নাগাদ চালু হবে? গুগল পে তে কোন ব্যাংক যুক্ত করা যাবে? বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে গুগল পে এর প্রয়োজনীয়তা কতটুকু যেখানে আগে থেকেই বিকাশ, নগদ, রকেট ইত্যাদি চালু আছে? গুগল পে কি বিকাশ, নগদ, রকেট এদের সাথে প্রতিযোগিতায় পেরে উঠবে? যেকোন পেমেন্টে গুগল পে চার্জ না নিলেও যে ব্যাংকের কার্ড আমি গুগল পে তে যুক্ত করবো সেই ব্যাংক তো চার্জ ঠিকই নিবে তাইনা?
একসাথে অনেক প্রশ্ন করে ফেলেছেন আপু! আমি প্রতিটা প্রশ্নের এক এক করে উত্তর দিচ্ছি। বাংলাদেশে গুগল পে কবে নাগাদ চালু হবে? বাংলাদেশে গুগল পে (Google Pay) চালু হওয়া নিয়ে জোর জল্পনা চলছে এবং খবর অনুযায়ী, ২৪শে জুন, ২০২৫ তারিখে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হতে যাচ্ছে। কোন ব্যাংক যুক্ত করা যাবে গুগল পে? প্রাথমিকভবিস্তারিত পড়ুন
একসাথে অনেক প্রশ্ন করে ফেলেছেন আপু! আমি প্রতিটা প্রশ্নের এক এক করে উত্তর দিচ্ছি।
বাংলাদেশে গুগল পে কবে নাগাদ চালু হবে?
বাংলাদেশে গুগল পে (Google Pay) চালু হওয়া নিয়ে জোর জল্পনা চলছে এবং খবর অনুযায়ী, ২৪শে জুন, ২০২৫ তারিখে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হতে যাচ্ছে।
কোন ব্যাংক যুক্ত করা যাবে গুগল পে?
প্রাথমিকভাবে, সিটি ব্যাংকই প্রথম ব্যাংক হিসেবে গুগল পে-এর সাথে যুক্ত হচ্ছে। সিটি ব্যাংকের ভিসা (Visa) এবং মাস্টারকার্ড (Mastercard) ব্যবহারকারীরা তাদের কার্ড গুগল ওয়ালেটে (Google Wallet) যুক্ত করে গুগল পে ব্যবহার করতে পারবেন। এটি ধীরে ধীরে দেশের অন্যান্য ব্যাংকের সাথেও যুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে গুগল পে এর প্রয়োজনীয়তা কতটুকু যেখানে আগে থেকেই বিকাশ, নগদ, রকেট ইত্যাদি চালু আছে?
বিকাশ, নগদ, রকেট – এগুলি মূলত মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস (MFS) প্ল্যাটফর্ম যা মোবাইল নম্বর-ভিত্তিক লেনদেন এবং এজেন্ট নির্ভর সিস্টেমের মাধ্যমে কাজ করে। এর বিপরীতে গুগল পে একটি ডিজিটাল ওয়ালেট, যা মূলত আপনার ক্রেডিট/ডেবিট কার্ডকে স্মার্টফোনে নিয়ে আসে এবং NFC (Near Field Communication) প্রযুক্তির মাধ্যমে দোকানে ‘ট্যাপ অ্যান্ড পে’ লেনদেন বা অনলাইনে পেমেন্টের সুবিধা দেয়।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে গুগল পে-এর প্রয়োজনীয়তা নিচে দেওয়া হলো:
গুগল পে কি বিকাশ, নগদ, রকেট এদের সাথে প্রতিযোগিতায় পেরে উঠবে?
গুগল পে এবং বিকাশ, নগদ, রকেট – এদের কাজের ধরন কিছুটা ভিন্ন।
প্রতিযোগিতায় পেরে ওঠার ক্ষেত্রে কিছু বিষয় গুরুত্বপূর্ণ:
প্রথম দিকে গুগল পে বিকাশ, নগদ, রকেটের মতো ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করতে না পারলেও, শহরাঞ্চলে এবং উচ্চবিত্ত ও মধ্যবিত্ত ব্যবহারকারীদের মধ্যে এটি একটি শক্তিশালী প্রতিযোগী হয়ে উঠতে পারে, বিশেষ করে যারা কার্ড ব্যবহার করে কেনাকাটা করেন।
যেকোন পেমেন্টে গুগল পে চার্জ না নিলেও যে ব্যাংকের কার্ড আমি গুগল পে তে যুক্ত করবো সেই ব্যাংক তো চার্জ ঠিকই নিবে তাইনা?
হ্যাঁ, আপনার অনুমান সঠিক। গুগল পে সাধারণত তার মৌলিক লেনদেনের জন্য ব্যবহারকারীর কাছ থেকে সরাসরি কোনো চার্জ নেয় না। তবে, আপনি গুগল পে-তে যে ব্যাংক কার্ডটি যুক্ত করবেন, সেই ব্যাংক আপনার লেনদেনের উপর তাদের নিজস্ব নিয়ম অনুযায়ী চার্জ নিতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনি কোনো ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করেন, তাহলে সেই কার্ডের নিয়ম অনুযায়ী অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ, ফরেক্স মার্কআপ (যদি আন্তর্জাতিক লেনদেন হয়) বা অন্য কোনো ফি প্রযোজ্য হতে পারে। অর্থাৎ, গুগল পে একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে, কিন্তু আসল লেনদেন আপনার ব্যাংক এবং বণিকের মধ্যে হবে এবং ব্যাংকের চার্জের নিয়মাবলী এক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
সংক্ষেপে দেখুনবাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য Noipunno বা Master Noipunno প্ল্যাটফর্মের মূল বৈশিষ্ট্য এবং সুবিধাগুলো কী কী?
Noipunno এবং Master Noipunno এই প্ল্যাটফর্মগুলো বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য একটি মূল্যায়ন ও ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি স্কুল প্রশাসকদের শাখা ও শিফট ব্যবস্থাপনা, সেকশন তৈরি, এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিচালনা করতে সহায়তা করে। নিবন্ধন সম্পন্ন করার পর, প্রশাসকরাবিস্তারিত পড়ুন
Noipunno এবং Master Noipunno
এই প্ল্যাটফর্মগুলো বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য একটি মূল্যায়ন ও ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি স্কুল প্রশাসকদের শাখা ও শিফট ব্যবস্থাপনা, সেকশন তৈরি, এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিচালনা করতে সহায়তা করে। নিবন্ধন সম্পন্ন করার পর, প্রশাসকরা লগইন তথ্য পেয়ে যান এবং এর মাধ্যমে তারা তাদের প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম দক্ষভাবে পরিচালনা করতে পারেন।
Evaluation Noipunno Gov BD
এই সাইটটি স্কুল মূল্যায়নের জন্য একটি পোর্টাল হিসেবে কাজ করে। এটি প্রতিষ্ঠানের কর্মক্ষমতা পর্যবেক্ষণ করে এবং নতুন শিক্ষাক্রমের সাথে সামঞ্জস্য রেখে অগ্রগতি নিরীক্ষণ করতে সহায়তা করে। ব্যবহারকারীদের লগইন করে মূল্যায়ন সংক্রান্ত বৈশিষ্ট্যগুলো, যেমন শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন এবং একাডেমিক পারফরমেন্স মনিটর করতে হয়।
Master Noipunno Gov BD Login
এই লগইন প্রক্রিয়াটি বিশেষভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রশাসকদের জন্য, যাতে তারা বিভিন্ন ব্যবস্থাপনা সরঞ্জামে প্রবেশ করতে পারেন। সঠিক তথ্য দিয়ে নিবন্ধন করার পর, ব্যবহারকারীরা একটি সিস্টেম-জেনারেটেড আইডি এবং পিন পান, যা নিরাপদ অ্যাক্সেস নিশ্চিত করে। এই প্ল্যাটফর্মটি নিশ্চিত করে যে সকল প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম সরকারী মান অনুযায়ী চলছে।
এই প্ল্যাটফর্মগুলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মূল্যায়ন এবং ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়া সুসংগঠিত করতে সাহায্য করে, যা প্রশাসনিক কাজগুলোকে সহজ করে এবং সামগ্রিক শিক্ষা মান উন্নত করে।
বিস্তারিত জানতে ভিজিট করতে পারেন
-
-
সংক্ষেপে দেখুনevaluation.noipunno.gov.bd
master.noipunno.gov.bd
শশ এর বাংলা অর্থ কি?
শশ শব্দের বাংলা অর্থ খরগোশ। শশধর, শশভৃৎ, শশলক্ষণ, শশলাঞ্ছন চন্দ্র। শশবিন্দু হিন্দুদেবতা বিষ্ণু। একজাতীয় মৃগ। চন্দ্র। শশবিষাণ, শশশৃঙ্গ খরগোশের শিং। অসম্ভব বস্তু, আকাশকুসুম কল্পনা। শশবৃত্তি খরগোশের ন্যায় পলায়ন করার বা আত্মগোপন করার মনোতবৃত্তি। শশব্যস্ত খরগোশের মতো অত্যন্ত ত্বরাযুক্ত বা ব্যস্তসমস্ত। শশবিস্তারিত পড়ুন
শশ শব্দের বাংলা অর্থ খরগোশ।
শশধর, শশভৃৎ, শশলক্ষণ, শশলাঞ্ছন চন্দ্র। শশবিন্দু হিন্দুদেবতা বিষ্ণু। একজাতীয় মৃগ। চন্দ্র। শশবিষাণ, শশশৃঙ্গ খরগোশের শিং। অসম্ভব বস্তু, আকাশকুসুম কল্পনা। শশবৃত্তি খরগোশের ন্যায় পলায়ন করার বা আত্মগোপন করার মনোতবৃত্তি। শশব্যস্ত খরগোশের মতো অত্যন্ত ত্বরাযুক্ত বা ব্যস্তসমস্ত। শশাঙ্ক চন্দ্র, চাঁদ, শশধর
সংক্ষেপে দেখুনমাউন্ট এভারেস্ট বা প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে বিমান উড়ে না কেন?
কে আপনাকে এমন নিউজ দিলো জানিনা। তবে এটি সত্য নয়। প্রতিটি প্লেন, যেগুলো ইন্ডিয়া, চায়না, জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং বেশিরভাগ এশিয়ান দেশগুলো থেকে অ্যামেরিকা, ক্যানাডা, মেক্সিকো অথবা সাউথ অ্যামেরিকার যেকোন জায়গায় যেতে প্যাসিফিক ওশান (প্রশান্ত মহাসাগর) এর উপর দিয়ে যেতে হয়। কারণ এটাই একমাত্র শর্টকাট রুট! আর হবিস্তারিত পড়ুন
কে আপনাকে এমন নিউজ দিলো জানিনা। তবে এটি সত্য নয়। প্রতিটি প্লেন, যেগুলো ইন্ডিয়া, চায়না, জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং বেশিরভাগ এশিয়ান দেশগুলো থেকে অ্যামেরিকা, ক্যানাডা, মেক্সিকো অথবা সাউথ অ্যামেরিকার যেকোন জায়গায় যেতে প্যাসিফিক ওশান (প্রশান্ত মহাসাগর) এর উপর দিয়ে যেতে হয়। কারণ এটাই একমাত্র শর্টকাট রুট!

সংক্ষেপে দেখুনআর হিমালয়ের (মাউন্ট এভারেস্ট) উপর দিয়ে তো হরহামেশাই প্লেন উড়ে চলে। আর আপনি চাইলে একটি টুরিস্ট প্লেনে করেও হিমালয়ের মাথার উপর দিয়ে উড়ে যেতে পারেন। কোন সমস্যা নেই।
টিভিতে আমরা যা দেখি সবই কি সত্যি?
না, সব সত্যি নয়। আমি নিচে একটি ছবি দিচ্ছি, ভাল করে দেখুন। ছবিতে ৩জন জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব একটি অনুষ্ঠানে আলাপচারীতা করছেন। এবার স্টেজ দেখুন, কত সুন্দর সাজানো গোছানো, উন্নত ডিজাইনের আসবাব ও ডিজিটাল ব্যাকগ্রাউন্ড দেখা যাচ্ছে। এবার নিচের ছবিটি দেখুন শুটিং এর সময়। সব উধাও! এত চাকচিক্কের ছিটেফোঁটাও নেই। পুরবিস্তারিত পড়ুন
না, সব সত্যি নয়। আমি নিচে একটি ছবি দিচ্ছি, ভাল করে দেখুন।
ছবিতে ৩জন জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব একটি অনুষ্ঠানে আলাপচারীতা করছেন। এবার স্টেজ দেখুন, কত সুন্দর সাজানো গোছানো, উন্নত ডিজাইনের আসবাব ও ডিজিটাল ব্যাকগ্রাউন্ড দেখা যাচ্ছে।
এবার নিচের ছবিটি দেখুন শুটিং এর সময়।
সব উধাও! এত চাকচিক্কের ছিটেফোঁটাও নেই। পুরো স্টেজ জুড়েই কেবল সবুজ চাদর। এটাই রিয়াল। প্রথমে এই শুটিং পর্ব ধারন করা হয়। এরপর কম্পিউটারে এডিটিং করে পুরো পরিবেশটাকেই চেঞ্জ করা হয়।
তাই মুভি, নাটক, টকশো বা সিরিয়ালে যা দেখবেন তা পুরোটা সত্যি নয়, সাজানো!
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনবিক্রয় ডট কম থেকে সবচেয়ে কম দামে মোটরসাইকেল কেনার উপায়
বিক্রয় ডট কম এর রয়েছে ১২,৫০৭+ টি নতুন এবং ব্যবহৃত মোটরসাইকেল কেনাবেচার এক বিশাল স্টোর। বিক্রয় ডট কম মোটরসাইকেল ঢাকা বিক্রির জন্য ১,৪৪৮+ মোটরসাইকেল রয়েছে ঢাকা তে বিক্রয় ডট কম মোটরসাইকেল খুলনা বিক্রির জন্য ৯৩৪+ মোটরসাইকেল রয়েছে খুলনা তে বিক্রয় ডট কম মোটরসাইকেল ঢাকা মিরপুর বিক্রির জন্য ১,২৪৫+ মোটরবিস্তারিত পড়ুন
বিক্রয় ডট কম এর রয়েছে ১২,৫০৭+ টি নতুন এবং ব্যবহৃত মোটরসাইকেল কেনাবেচার এক বিশাল স্টোর।
বিক্রয় ডট কম মোটরসাইকেল ঢাকা
বিক্রির জন্য ১,৪৪৮+ মোটরসাইকেল রয়েছে ঢাকা তে
বিক্রয় ডট কম মোটরসাইকেল খুলনা
বিক্রির জন্য ৯৩৪+ মোটরসাইকেল রয়েছে খুলনা তে
বিক্রয় ডট কম মোটরসাইকেল ঢাকা মিরপুর
বিক্রির জন্য ১,২৪৫+ মোটরসাইকেল রয়েছে মিরপুর এ
বিক্রয় ডট কম চট্টগ্রাম
বিক্রির জন্য ১,১৪৩+ মোটরসাইকেল রয়েছে চট্টগ্রাম এ
bikroy com bike dhaka
ঢাকা বিভাগের জন্য বিক্রয় ডট কম এ ১,৪৪৮+ মোটরসাইকেল রয়েছে
কম দামে মোটরসাইকেল
৩০-৪০ হাজার থেকে ৪-৫ লাখ টাকার মোটরসাইকেল কিনতে চাইলে বিক্রয় ডট কম অথবা বাংলামোটরের শফিক মটরস ঘুরে আসতে পারেন। বিক্রয় ডট কম এ তাদের স্টোর রয়েছে।
সংক্ষেপে দেখুনবিয়ের জন্য বউ সাজ কেমন হওয়া উচিত? কিছু বিয়ের বউ সাজ ছবি দেখান
নিচে বউ সাজ ছবি গুলো দিয়ে দিলাম। পছন্দ মতো বাছাই করে নিন আপনার বউ বিয়ের সাজ। ধন্যবাদ!
নিচে বউ সাজ ছবি গুলো দিয়ে দিলাম। পছন্দ মতো বাছাই করে নিন আপনার বউ বিয়ের সাজ।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিটের প্রশ্ন ব্যাংক pdf , বিষয়সমূহ, আসন সংখ্যা ও রেজাল্ট
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্নব্যাংক । DU B unit Question Bank PDF Dhaka University DU B unit Question Bank PDF with Solution. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্নব্যাংক এর পিডিএফ ভার্সনটি আমাদের ওয়েবসাইটে সংযুক্ত করা হয়েছে । আপনি যদি ঢাবি খ ইউনিট বা মানবিক বিভাগের ভর্তিচছু হোন তাহলে এই প্রশ্ন ব্যাংবিস্তারিত পড়ুন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্নব্যাংক । DU B unit Question Bank PDF
Dhaka University DU B unit Question Bank PDF with Solution. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্নব্যাংক এর পিডিএফ ভার্সনটি আমাদের ওয়েবসাইটে সংযুক্ত করা হয়েছে । আপনি যদি ঢাবি খ ইউনিট বা মানবিক বিভাগের ভর্তিচছু হোন তাহলে এই প্রশ্ন ব্যাংকটি আপনার কাজে লাগবে । তাই দেরী না করে DU B unit Question Bank PDF টি ডাউনলোড করে নিন ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্নব্যাংক
আর কয়েক মাস বাকি তারপর বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা । যাদের স্বপ্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার তাদের চোখ ঘুম নেই । কিভাবে প্রস্তুতি নিব কোন বই পড়ব কমন পড়বে কিনা এসব প্রশ্ন তো সবসময় মাথায় ঘুরছেই। বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রস্ততির ক্ষেত্রে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিগত বছরের প্রম্ন গুলো অ্যানালাইসিস করা ফরজ । কারন তুমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিবে অথচ সেটার প্রশ্ন কেমন হয় সেটা জানলে না বা বিগত বছরের প্রশ্নগুলো বিচার বিশ্লেষন করলে না তবে তো তোমার ভর্তি প্রস্তুতি বিফলে যাবে । কারন মানবিক ইউনিটে বেসিক গণিত যা কিনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসে না আবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে আসে । এখন তুমি যদি বিগত বছরের প্রশ্ন গুলো না দেখ তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার আগে গণিত নিয়ে সময় নষ্ট করবে । এত কথা বলা শুধু, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিগত বছরের প্রশ্নের গুরুত্বটা বুঝানোর জন্য ।
Dhaka University DU B unit Question Bank PDF With Solution
আজকাল এমন অনেক শিক্ষার্থী আছে যারা কিনা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রস্তুতির জন্য বাজারের সব বই কিনে ফেলে । আবার এমনও অনেক শিক্ষার্থ আছে যাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার অদম্য ইচ্ছাশক্তি আছে কিন্তু বই কেনার সামর্থ্য নেই । আর বাস্তব চিত্র হল যাদের পড়ার মত বই থাকে না বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রতিযোগিতায় টিকে থাকে। আর তাদের মত অদম্য মেধাবীদের জন্য আমরা তৈরী করছি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্ন ব্যাংক । আজকে থাকছে ঢাবি খ ইউনিট প্রশ্ন ব্যাংক ।
প্রশ্ন ব্যাংকটিতে যা থাকছে
DU B Unit Question Bank PDF
এখানে বিগত বছরের প্রশ্ন ও সমাধান গুলো দেওয়া আছে আপনি আপনার চাহিদা মত ডাউনলেড করে নিতে পারেন ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্ন ও সমাধান ২০০৭-২০০৮
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্ন ও সমাধান ২০০৮-২০০৯
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্ন ও সমাধান ২০০৯-২০১০
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্ন ও সমাধান ২০১০-২০১১
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্ন ও সমাধান ২০১১-২০১২
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্ন ও সমাধান ২০১২-২০১৩
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্ন ও সমাধান ২০১৩-২০১৪
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্ন ও সমাধান ২০১৪-২০১৫
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্ন ও সমাধান ২০১৫-২০১৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্ন ও সমাধান ২০১৬-২০১৭
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্ন ও সমাধান ২০১৭-২০১৮
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্ন ও সমাধান ২০১৯-২০২০
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্ন ও সমাধান ২০২০-২০২১
সূত্রঃ এডমিশনওয়ার
সংক্ষেপে দেখুনপৃথিবীতে প্রথম কোন ব্যক্তি বিড়ি খেয়েছিলো?
গুজরাটের গোমতীপুর নিবাসী, জব্বলপুর প্রবাসী মোহনলাল প্যাটেল আর হরগোবিন্দদাস প্যাটেল। একেবারে নিশ্চিত হয়ে বলতে পারব না, তবে স্থানকাল অর্থাৎ জিওগ্রাফিক লোকেশান, আর হিস্টোরিকাল টাইমলাইন মিলিয়ে দিতে পারব আশা করি। সেটুকুতে যদি সন্তুষ্ট থাকতে পারেন তাহলে পড়ুন, নয়ত বাকি স্কিপ করে সিধে মন্তব্যের বাক্সে গিয়েবিস্তারিত পড়ুন
গুজরাটের গোমতীপুর নিবাসী, জব্বলপুর প্রবাসী মোহনলাল প্যাটেল আর হরগোবিন্দদাস প্যাটেল।
একেবারে নিশ্চিত হয়ে বলতে পারব না, তবে স্থানকাল অর্থাৎ জিওগ্রাফিক লোকেশান, আর হিস্টোরিকাল টাইমলাইন মিলিয়ে দিতে পারব আশা করি। সেটুকুতে যদি সন্তুষ্ট থাকতে পারেন তাহলে পড়ুন, নয়ত বাকি স্কিপ করে সিধে মন্তব্যের বাক্সে গিয়ে আমার গুষ্টি-উদ্ধার করতে শুরু করুন। শুভেচ্ছা রইল।
বিড়ি কাকে বলে? পাতায় মোড়া তামাক, যা আগুনে জ্বালিয়ে, উৎপন্ন ধোঁয়া নিঃশ্বাসের সাথে টেনে নেওয়া হয়, তাই কি বিড়ি? তাহলে সিগারও কি বিড়ি পদবাচ্য?
তাই যদি হয়, তামাকক্ষেতে বসে তামাকপাতা পাকিয়ে প্রথম সিগার বানানো হয়েছিল মধ্য বা দক্ষিণ আমেরিকাতে। কে কবে সে কীর্তি স্থাপন করেছিল, সে কথাটা বুড়ো ইতিহাস ভুলে মেরে দিয়েছে। আমার কাহিনী সেক্ষেত্রে একশ’ শতাংশ ভুল।
নাকি তেন্দুপাতায় মোড়া ছাঁট তামাক হলে তবেই তা বিড়ি?
এই সংজ্ঞা ধরেই চলি আপাতত?
তাহলে প্রথম ক্লু বা সূত্র হল, তেন্দুপাতা, এবং বিড়ি ভীষণ ভাবে ভারতীয় উপমহাদেশের নিজস্ব সৃষ্টি, কিন্তু তামাক আমাদের দেশজাত নয়। বস্তুত, তামাক মধ্য-আমেরিকার ভূমিজ প্রডাক্ট – অধুনা যা ইকোয়েদর-পেরু সীমান্তবর্তী অঞ্চল, সেখানকার। সেই আমেরিকা, কলম্বাসের আবিষ্কারের আগে যার সন্ধানও জানা ছিল না! (আসলে হয়ত জানা ছিল। এ নিয়ে নানান বিতর্ক রয়েছে, কিন্তু আমেরিকা আবিষ্কার আর কলম্বাস মোটামুটি সমসাময়িক।) ইউরোপের ইতিহাসেও তামাকের চর্চা খুব প্রাচীন নয়।
তাহলে ইউরোপের হাত ঘুরে, তামাক বস্তুটির সাথে কবে ভারতীয় উপমহাদেশের পরিচয় হল, সে কথা জানতে পারলে অনেকটাই সুরাহা হয়।
ইউরোপীয় ঐতিহাসিকেরা মোটামুটিভাবে মেনে নেন যে জন হকিন্স ও তাঁর নাবিকদের থেকে ইউরোপে ১৫৬২ সাল নাগাদ তামাক সেবন চালু হয়। এই ধাপে ইউরোপে তামাক পোড়ামাটির পাইপে ভরে সেবন করা হত।
মোটামুটি এই সময়েই গোয়ার জেসুইট যাজকরা আকবর বাদশাহ(১৫৪২-১৬০৫)কে তামাকপাতা আর বীজ উপহার দেন। আকবরের চিকিৎসক আব্দুল ফতে গিলানি বাদশাহের জন্য হুঁকা নির্মাণ করে দেন। সেই হুঁকা পাওয়া গেছে কি না জানি না, কিন্তু জেডপ্রস্তর নির্মিত সম্রাট জাহাঙ্গীরের হুঁকা এখনও জাদুঘরে দেখা যায়।
মতান্তরে হুঁকা বস্তুটি আব্দুল ফতে গিলানির নিজস্ব আবিষ্কার নয়, পারস্যদেশে প্রচলিত গালিয়ান যন্ত্রের অনুকরণ মাত্র। যদিও পারস্য দেশে তখনও তামাক পাওয়া যেত না, তামাকই একমাত্র ধূম্রোৎপাদক নয়। সম্ভবত গাঞ্জা-হাশিশ ইত্যাদি সেবনের জন্য হুঁকা বা ঐ জাতীয় বস্তু ব্যবহার হত। অপিচ, আকবর বাদশাহের পূর্বেও ভারতে ছিলিমে ভরে গাঁজা টানার প্রচলনও ছিল।
সে যাই হোক, গাঁজা প্রসঙ্গ থাক। হুঁকাও থাক, আমরা আপাতত বিড়ির খোঁজে চলি।
সিটিয়ারাই(সেন্ট্রাল টোবাকো রিসার্চ ইন্সটিটিউট) এর মতে ভারতে তামাক চাষ শুরু হয় ১৬০৫ সাল নাগাদ, গুজরাটে, পর্তুগীজদের উদ্যোগে। এনারাই হয়ত আকবর বাদশাহের জন্য তামাক পাঠিয়েছিলেন। বাদশা চাষবাস শুরু করছেন না দেখে মনের দুঃখে নিজেরাই শুরু করে দেন। আর হ্যাঁ “উদ্যোগ” বলছি বটে, কিন্তু পরবর্তীকালে পূর্ব ভারতে নীলচাষের “উদ্যোগ” থেকে আমরা আঁচ করতে পারি, উদ্যোগ মানে হয়ত অত্যাচারই হবে।
অনুমান করা যেতে পারে, পর্তুগীজদের হাতে পড়ে তামাকচাষে বাধ্য হওয়া মানুষেরা একসময়ে নিজেরাও তামাক পাকিয়ে জ্বালিয়ে সেবন করতে শুরু করেছিলেন। ছিলিমে হোক বা হুঁকাতেই হোক, একটা বড় সমস্যা ছিল জাত-পাতে বিভক্ত ভারতীয় মানুষের পক্ষে আর যাই হোক, হুঁকা কি কলকে শেয়ার করে টানা অসম্ভব!
নেসেসিটি ইজ দি মাদার অফ ইনভেনশন, কাজেই শুকনো পাতায় তামাক মুড়ে টেনে ফেলা এই সময়েই শুরু। আম-কাঁঠাল-কলাপাতা ইত্যাদি দিয়ে মোড়া হলেও, সবথেকে বেশী প্রচলিত হয় কৈরালা(Bauhinia variegata) গাছের পাতা।
আর গুজরাটিদের ব্যবসাবুদ্ধি চিরকালই প্রখর, অচিরেই নিজেরা বিড়ি টানা ছড়ে দিয়ে এই পাতায়-মোড়া-তামাকের ব্যাবসা শুরু করে দিয়েছিল। তেন্দুপাতার সাথে তামাকের মেলবন্ধন কিন্তু এখনও ঘটে নি। কাজেই আমাদের সংজ্ঞা অনুযায়ী এই বস্তু এখনও বিড়ি নয়। তার আবির্ভাবের জন্য অপেক্ষা করতে হবে আরও দীর্ঘকাল।
১৮৯৯ সালে পশ্চিম ভারতে এক দুর্ভিক্ষ হয়, ফলতঃ প্রচুর গুজরাটি পরিবার ভারতের নানা স্থানে ছড়িয়ে পড়েন। এনাদের হাত ধরেই বিড়ির এই পূর্বপুরুষ এই ভারতের মহামানবের সাগরে মিশে যান।
এমত সময়ে বিয়েনার(বেঙল-নাগপুর রেলওয়ে) এর কন্ট্র্যাক্ট নিয়ে মধ্যভারতের জব্বলপুরে এসে উপনীত হন গুজরাটের মোহনলাল প্যাটেল ও তস্য ভ্রাতা হরগোবিন্দদাস প্যাটেল। উদ্যোক্তা প্যাটেল ব্রাদারস (আসলে কাজিন্স) সরকারী কাজের ফাঁকে ফাঁকে খুচরো ব্যাবসাও করতেন। জব্বলপুরের মনিহারি দোকানে আক্রাদামে বম্বে থেকে আনা গুজরাটী বিড়ি বিক্রয় হতে দেখে প্যাটেলদের মাথায় আসে লোকালি বিড়ি নির্মাণ করে সস্তায় বেচে দেওয়ার আইডিয়া।
কিন্তু হায় বিড়ির পাতা মধ্যপ্রদেশে আকাল। সহজে দমে না গিয়ে উদ্যোগীযুগল বম্বে থেকে পাতা আমদানি করে বিড়ি নির্মাণ ও বিপণন করতে থাকেন, আর ফাঁকে ফোকরে চলতে থাকে সস্তা লোকাল পাতার সন্ধান। অচিরেই আমাদের দুই নায়ক খুঁজে পান তেনদুপাতা। রেলওয়ে স্লিপারের জন্য উজাড় করে নেওয়া শালবনে বিনা প্রচেষ্টায়ই এই গাছ গজায়, আর এর পাতা পাড়বার সময় হয় তামাকপাতা পাড়ার উপযোগী হওয়ার ঠিক পরে পরেই!
ব্যস, প্যাটেল ভ্রাতৃদ্বয়ের হাতে আজকের বিড়ী পূর্ণতাপ্রাপ্ত হয়। অচিরেই আরেক গুজরাটী বিলাতী পণ্য বর্জনের আহ্বান দেন, এবং আপামর ভারতবাসী বিলিতী সিগারেট ত্যাগ করে বিড়ীতে মনোনিবেশ করে। তবে সে অন্য কাহিনী।
উৎসাহী হলে প্রণয় লালের লেখা মনোজ্ঞ নিবন্ধ পড়ে ফেলুন।
সুত্রঃ কোরা
লেখকঃ সৈকত রায় মহাশয়
সংক্ষেপে দেখুনগজনী বংশের সর্বশেষ এবং শ্রেষ্ঠ সুলতান কে ছিলেন, গজনীর বর্তমান নাম কি?
গজনী বংশের শেষ শাসক বা সুলতান ছিলেন খসরু মালিক। খসরু মালিক এর সংক্ষিপ্ত জীবনী খসরু শাহের মৃত্যুর পর তার পুত্র খসরু মালিক সিংহাসনে আরোহণ করেন। তার সময়ে ঘুরীদের শক্তি দ্রুত বৃদ্ধি পেতে থাকে। ১১৬৩ খ্রিস্টাব্দে ঘুরী রাজ্যের অধিপতি আলাউদ্দীন হুসাইন জাহানসুজের মৃত্যু হলে তার ভ্রাতুষ্পুত্র গিয়াসউদ্দীন মুহমবিস্তারিত পড়ুন
গজনী বংশের শেষ শাসক বা সুলতান ছিলেন খসরু মালিক।
খসরু মালিক এর সংক্ষিপ্ত জীবনী
খসরু শাহের মৃত্যুর পর তার পুত্র খসরু মালিক সিংহাসনে আরোহণ করেন। তার সময়ে ঘুরীদের শক্তি দ্রুত বৃদ্ধি পেতে থাকে। ১১৬৩ খ্রিস্টাব্দে ঘুরী রাজ্যের অধিপতি আলাউদ্দীন হুসাইন জাহানসুজের মৃত্যু হলে তার ভ্রাতুষ্পুত্র গিয়াসউদ্দীন মুহম্মদ বিন সাম শাসনভার গ্রহণ করেন। ১১৭৩ খ্রিস্টাব্দে তিনি গুজ তুর্কিদের গজনী থেকে তাড়িয়ে দিয়ে তা দখল করেন। গিয়াসউদ্দীন তার ছোটভাই শিহাবউদ্দীনকে গজনীর শাসনভার অর্পণ করেন। দুই ভ্রাতা তাদের রাজনীতি এবং ব্যক্তিগত সম্পর্কের মধ্যে গভীর হৃদ্যতা বজায় রেখেছিলেন। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত গিয়াসউদ্দীন তার ভাইয়ের কাছে থেকে সৌহার্দ্য এবং রাজভক্তি লাভ করেছিলেন। তিনি শিহাবউদ্দীনের প্রতি স্নেহের নির্দেশনস্বরূপ তার কাজে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দান করেছিলেন। সিংহাসনে আরোহণ করার সময় মুহম্মদ বিন সাম ‘শিহাবউদ্দীনের’ পরিবর্তে মুইজদ্দীন উপাধি গ্রহণ করেন এবং মুইজদ্দীন মুহাম্মদ বিন সাম নামে ইতিহাসে পরিচিত হন। কিন্তু ভারতের ইতিহাসে তিনি মুহম্মদ ঘুরী নামে সমধিক প্রসিদ্ধ। মুহম্মদ ঘুরীর সময় থেকে ভারতে মুসলমানদের তৃতীয় পর্যায়ের অভিযান শুরু হয় এবং তিনি গজনী থেকে ভারতে রাজ্য বিস্তারে মনোনিবেশ করেন।
সংক্ষেপে দেখুন