সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
সূর্যাস্তের পর অন্ধকার হতে কতক্ষণ সময় লাগে?
৮ মিনিট
৮ মিনিট
সংক্ষেপে দেখুনIs time travel possible, and if so, how could it hypothetically be achieved?
There is no definitive proof that time travel is possible, there are several hypothetical scenarios that have been proposed based on our current understanding of physics. One possibility is through the use of wormholes, which are theoretical passages through space-time that could potentially connectবিস্তারিত পড়ুন
There is no definitive proof that time travel is possible, there are several hypothetical scenarios that have been proposed based on our current understanding of physics.
One possibility is through the use of wormholes, which are theoretical passages through space-time that could potentially connect distant regions of the universe. If a wormhole were to exist and remain stable, it could potentially be used as a shortcut to travel through time as well as space. However, the practicality of using wormholes for time travel is still a subject of much debate and speculation.
Another possibility is through the manipulation of the space-time fabric itself. According to Einstein’s theory of relativity, the faster an object moves through space, the slower it experiences time. This is known as time dilation, and it has been observed and confirmed through experiments with high-speed particles. It is theoretically possible that if an object were to move at or near the speed of light, time would slow down so much that it would appear to travel into the future relative to a stationary observer. However, the energy required to accelerate an object to such high speeds is currently beyond our technological capabilities.
There are also theories that propose the existence of closed time-like curves, which are hypothetical paths through space-time that allow for travel back in time. However, the existence and practicality of such curves are still subject to much debate and are not widely accepted within the scientific community.
সংক্ষেপে দেখুনঠান্ডা পানির চেয়ে গরম পানি দ্রুত বরফে পরিণত হয় কেন?
এর জন্য দায়ি Mpemba effect । নামটি দেয়া হয়েছে তানজানিয়ার এক ছাত্রের নাম অনুসারে যিনি ১৯৬৩ সালে পর্যবেক্ষণ করেন যে, গরম আইসক্রিমের মিশ্রণ ঠাণ্ডা আইসক্রিমের তুলনায় দ্রুত জমে যায়। ঘটনাটি প্রথম পর্যবেক্ষণ করেন মহাজ্ঞানী এরিস্টটল খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দীতে। এরপর ফ্রান্সিস বেকন ও রেনে দেকার্তেও এই ব্যপবিস্তারিত পড়ুন
এর জন্য দায়ি Mpemba effect । নামটি দেয়া হয়েছে তানজানিয়ার এক ছাত্রের নাম অনুসারে যিনি ১৯৬৩ সালে পর্যবেক্ষণ করেন যে, গরম আইসক্রিমের মিশ্রণ ঠাণ্ডা আইসক্রিমের তুলনায় দ্রুত জমে যায়।
ঘটনাটি প্রথম পর্যবেক্ষণ করেন মহাজ্ঞানী এরিস্টটল খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দীতে। এরপর ফ্রান্সিস বেকন ও রেনে দেকার্তেও এই ব্যপারটির কথা উল্লেখ করেন। Mpemba তার পর্যবেক্ষণের উপর ভিত্তি করে ১৯৬৯ সালে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন। Mpemba effect নিয়ে বেশ কিছু থিওরি প্রচলিত ছিল। যেমন- (১)গরম পানি দ্রুত বাষ্পে পরিণত হয়ে আয়তনে কমে গিয়ে জমে যায়;(২) ঠাণ্ডা পানির উপর বরফ কণা জমে গিয়ে একে বাইরের পরিবেশ থেকে কিছুটা বিচ্ছিন্ন করে ফেলে; (৩) পানিকে গরম করার সময় আশ-পাশের বাতাসের কিছু অংশের কার্বন-ডাইঅক্সাইড দূরে সরে যায়।
সিঙ্গাপুরের Nanyang Technological University –র একদল পদার্থবিজ্ঞানী জি ঝেং এর নেতৃত্ব এই বিষয়টি নিয়ে পরীক্ষা শুরু করেন। তারা দেখেন, Mpemba effect এর মূল কারণ হচ্ছে পানির রাসায়নিক বন্ধন। পানির একটি অণুতে একটি অক্সিজেন পরমাণু দুটি হাইড্রোজেন পরমাণুর সাথে সমযোজী বন্ধনে আবদ্ধ থাকে। আবার পানির অণুগুলো নিজেদের মাঝে আবার দুর্বল হাইড্রোজেন বন্ধনে আবদ্ধ থাকে। গবেষক দলটির মতে Mpemba effect এর মূল কারণ হচ্ছে হচ্ছে পানিতে থাকা এই বিভিন্ন ধরণের রাসায়নিক বন্ধনগুলো। তারা বলেন, যখন পানির অণুগুলোকে পরস্পরের খুব কাছে নিয়ে আসা হয় তখন পানির অণুগুলোর মাঝে প্রাকৃতিকভাবে একধরণের বিকর্ষণ তৈরি হয়। এর ফলে পানির অণুগুলোর পরমাণুগুলোর মাঝে থাকা সমযোজী বন্ধনগুলো কিছুটা টানটান হয়ে যায় ও শক্তি সঞ্চয় করে। যখন তরল পানিকে গরম করা হয় তখন পানির হাইড্রোজেন বন্ধনগুলো আরো বেশি ছড়িয়ে যেতে থাকে, পানির ঘনত্ব কমতে থাকে ও পানির অণুগুলো পৃথক হয়ে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। পানির অণুগুলোর হাইড্রোজেন বন্ধন টান টান হয়ে যাওয়ায় পানির পরমাণুতে থাকা সমযোজী বন্ধনগুলো কিছুটা শিথিল ও সংকুচিত হয়ে যেতে শুরু করে। এর ফলে এদের মাঝে সঞ্চিত হওয়া শক্তি নির্গত হতে শুরু করে। আর শক্তি নির্গত হওয়ার এই প্রক্রিয়াটি আর পদার্থের শীতল হওয়ার প্রক্রিয়াটি মূলত একই। এর ফলে তাত্ত্বিকভাবে এতদিন প্রচলিত ধারণা “ ঠাণ্ডা পানির তুলনায় গরম পানি দ্রুত শীতল হয়”- প্রমাণিত হয়। গবেষকরা গাণিতিকভাবে দেখান যে, পানিতে থাকা সমযোজী বন্ধনের শিথিল হয়ে যাওয়ার বিষয়টি ঠাণ্ডা পানির চেয়ে গরম পানির ক্ষেত্রে কম সময়ে ঘটে, যেকারণে ঠাণ্ডা পানির তুলনায় গরম পানি দ্রুত জমে যায়।
সংক্ষেপে দেখুনতোতাপাখি এবং পত্রবাহক কবুতরের সংকর করলে কী হবে?
এমন এক পাখি হবে যেটি চিঠি পৌঁছে দেয়ার পথ যদি হারিয়ে ফেলে তাহলে লোকজনদের ঠিকানা জিজ্ঞেস করে গন্ত্যস্থলে পৌঁছুতে পারবে।
এমন এক পাখি হবে যেটি চিঠি পৌঁছে দেয়ার পথ যদি হারিয়ে ফেলে তাহলে লোকজনদের ঠিকানা জিজ্ঞেস করে গন্ত্যস্থলে পৌঁছুতে পারবে।
সংক্ষেপে দেখুনপৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি চকোলেট খায় কোন দেশের মানুষ?
সুইজারল্যান্ডের
সুইজারল্যান্ডের
সংক্ষেপে দেখুনপৃথিবীর সবচাইতে বড় ফুলের নাম কি?
পৃথিবীর সবচাইতে বড় ফুলের নাম হল 'রাফলেশিযম আরনোল্ডি' (Rafflesia arnoldii)। এটি ইন্দোনেশিয়ার বাকু প্রদেশে উদ্ভট হয়ে থাকে।
পৃথিবীর সবচাইতে বড় ফুলের নাম হল ‘রাফলেশিযম আরনোল্ডি’ (Rafflesia arnoldii)। এটি ইন্দোনেশিয়ার বাকু প্রদেশে উদ্ভট হয়ে থাকে।
সংক্ষেপে দেখুনসূর্য থেকে হঠাৎ আলো আসা বন্ধ হয়ে গেলে তা আমরা অনুভব করতে পারি কতক্ষণ পর?
৮ মিনিট পর।
৮ মিনিট পর।
সংক্ষেপে দেখুনবৃষ্টির ফোটা গোলাকার হয় কেন?
বৃষ্টির ফোটা গোলাকার হয় কারণ এর পার্শ্বপ্রভাবে আবহাওয়া ঘটানো হয়। জলদূষণ, পরিবেশ দুর্বলতা এবং আবহাওয়া পরিবর্তনের ফলে বৃষ্টি গোলাকার হয়।
বৃষ্টির ফোটা গোলাকার হয় কারণ এর পার্শ্বপ্রভাবে আবহাওয়া ঘটানো হয়। জলদূষণ, পরিবেশ দুর্বলতা এবং আবহাওয়া পরিবর্তনের ফলে বৃষ্টি গোলাকার হয়।
সংক্ষেপে দেখুনমৃত্যুর পর পেশি কঠিন হয়ে যাওয়ার কারন কি ?
দেহের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া এবং প্রস্তরের কারণে পেশি কঠিন হয়ে যায়।
দেহের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া এবং প্রস্তরের কারণে পেশি কঠিন হয়ে যায়।
সংক্ষেপে দেখুনমৃত্যুর পর পেশি কঠিন হয়ে যাওয়ার কারন কি ?
দেহের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া এবং প্রস্তরের কারণে পেশি কঠিন হয়ে যায়।
দেহের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া এবং প্রস্তরের কারণে পেশি কঠিন হয়ে যায়।
সংক্ষেপে দেখুনকোন স্তন্যপায়ী প্রানীর দেহে লোম থাকে না ?
তিমি একটি স্তন্যপায়ি প্রাণী । তাই বলা যায় এর গায়ে লোম নাই।
তিমি একটি স্তন্যপায়ি প্রাণী । তাই বলা যায় এর গায়ে লোম নাই।
সংক্ষেপে দেখুনকোন গাছকে সূর্যকন্যা বলা হয়?
সূর্যকন্যা বলা হয় মরিচ গাছের একটি প্রকার যার বিজ সম্পূর্ণ লাল বা হলুদ রঙের হয়। এটি ভারত, বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানে বিভিন্ন রকমের খাবারে ব্যবহার করা হয়। সূর্যকন্যা মরিচ পাতলা, দুই দিকে স্থলস্থান করে এবং উন্নয়ন করতে মাটি উষ্ণতা প্রয়োজন করে।
সূর্যকন্যা বলা হয় মরিচ গাছের একটি প্রকার যার বিজ সম্পূর্ণ লাল বা হলুদ রঙের হয়। এটি ভারত, বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানে বিভিন্ন রকমের খাবারে ব্যবহার করা হয়। সূর্যকন্যা মরিচ পাতলা, দুই দিকে স্থলস্থান করে এবং উন্নয়ন করতে মাটি উষ্ণতা প্রয়োজন করে।
সংক্ষেপে দেখুনকোন দেশে ট্রেনে চাকরি করছে পুলিশের পরির্বতে রোবট?
japan
japan
সংক্ষেপে দেখুনকোন পাখী আকাশে ডিম পাড়ে,সে ডিম মাটিতে পড়ার আগেই বাচ্চা হয়ে উড়ে যায়?
হোমা পাখি।
হোমা পাখি।
সংক্ষেপে দেখুনবিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপার কম্পিউটার কোনটি ?
বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপারকম্পিউটারের তালিকায় প্রথমে সুপারকম্পিউটারগুলোর পরিমাণ ও সম্প্রসারণের উপর ভিত্তি করে বিবেচনা করা হয়। বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ সুপারকম্পিউটারগুলোর তালিকা এইভাবে হলো: Fugaku, Japan - 7.3 পেটাফ্লপ্স (Petaflops) Summit, USA - 2.41 পেটাফ্লপ্স (Petaflops) Sierra, USA - 1.79 পবিস্তারিত পড়ুন
বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপারকম্পিউটারের তালিকায় প্রথমে সুপারকম্পিউটারগুলোর পরিমাণ ও সম্প্রসারণের উপর ভিত্তি করে বিবেচনা করা হয়। বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ সুপারকম্পিউটারগুলোর তালিকা এইভাবে হলো:
এগুলো হলো বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপারকম্পিউটারগুলো। Fugaku এখন বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপারকম্পিউটার যা 2020 সালে জাপানে উন্নয়ন করা হয়েছে। এটি 7.3 পেটাফ্লপ্স শক্তিশালী এবং প্রক্ষেপক কর্মক্ষমতায় শীর্ষ স্থান অধিকার করেছে।
এছাড়াও, শক্তিশালী সুপারকম্পিউটার বিভিন্ন শ্রেণীতে বিভক্ত হয
সংক্ষেপে দেখুনবিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর কাগুজে মুদ্রাটি কোন দেশের?
কাগজের সুন্দরতার জন্য কোন একটি দেশকে নির্দিষ্ট করা কঠিন এবং সুবিধাজনক নয়। বিভিন্ন দেশের কাগজে বিভিন্ন সুন্দরতা এবং ডিজাইন দেখা যায়। যেহেতু একটি কাগজ সুন্দর হওয়ার জন্য কাগজের মুদ্রণ প্রয়োজন, তাই মুদ্রণ প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন দেশে প্রয়োজনীয় প্রয়োগ ও উন্নয়ন করে সুন্দর কাগজ উৎপাদন করা হয়ে থাবিস্তারিত পড়ুন
কাগজের সুন্দরতার জন্য কোন একটি দেশকে নির্দিষ্ট করা কঠিন এবং সুবিধাজনক নয়। বিভিন্ন দেশের কাগজে বিভিন্ন সুন্দরতা এবং ডিজাইন দেখা যায়।
যেহেতু একটি কাগজ সুন্দর হওয়ার জন্য কাগজের মুদ্রণ প্রয়োজন, তাই মুদ্রণ প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন দেশে প্রয়োজনীয় প্রয়োগ ও উন্নয়ন করে সুন্দর কাগজ উৎপাদন করা হয়ে থাকে।
তবে, বিশ্বের কিছু দেশ যেমন সুইজারল্যান্ড, সুইডেন, নরওয়ে, জাপান, কানাডা এবং বেলজিয়াম কাগজ উৎপাদনে নেওয়া বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশ হিসাবে পরিচিত। এসব দেশের কাগজ হাইটেক মুদ্রণ প্রযুক্তি ব্যবহার করে উৎপাদিত হয় এবং তাদের কাগজে কোন প্রকার রঙের ব্যবহার না করে মাত্র শার্প লাইন এবং সিমপল ডিজাইনের সাথে মুদ্রিত হয়।
সংক্ষেপে দেখুনস্টিভ জবস (Steve Jobs) এর মৃত্যুর আগের কিছু কথা শেয়ার করবেন কি? মৃত্যুর আগে তিনি কি বলেছিলেন?
স্টিভ জবস মৃত্যুর আগের কথা গুলো কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে, তবে একটি সম্পূর্ণ নির্দিষ্ট বক্তব্য হল তিনি যে বিশ্বাস করতেন তার সমস্ত কর্ম তার আশার পুর্তস্ত হতে হবে। তিনি একটি ইমরান খান বইটি পড়ে একটি বিষয় নিয়ে তাঁর বিশ্বাস একটি কথায় সংক্ষিপ্ত করে ফেলেছিলেন - "সব কিছু একটি সুন্দর করতে হবে।" আরো কিছু উদবিস্তারিত পড়ুন
স্টিভ জবস মৃত্যুর আগের কথা গুলো কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে, তবে একটি সম্পূর্ণ নির্দিষ্ট বক্তব্য হল তিনি যে বিশ্বাস করতেন তার সমস্ত কর্ম তার আশার পুর্তস্ত হতে হবে। তিনি একটি ইমরান খান বইটি পড়ে একটি বিষয় নিয়ে তাঁর বিশ্বাস একটি কথায় সংক্ষিপ্ত করে ফেলেছিলেন – “সব কিছু একটি সুন্দর করতে হবে।”
আরো কিছু উদ্ধৃতি হলোঃ
- “আমি অবশ্যই সফল হব। আমি পরবর্তী পর্বে কি হবে তা আমি জানি না, তবে আমি বিশ্বাস করি যে আমি পর্বের সাথে যাবো।”
- “প্রথমে প্রথম দর্শন তৈরি করে নেওয়ার আশা করা যেতে পারে না এবং আপনি সেটি তৈরি করে নিতে হবে।”
- “সফলতা একটি বস্তু নয়, এটি একটি পথ। এবং আপনি সফল হতে চাইলে সেই পথ অনুসরণ করতে হবে।”
- আপনি নির্ভরশীল থাকলে আপনি সবচেয়ে বড় বিপদের সামনেও স্থিরভাবে থাকতে পারবেন।”
- “আপনি নিরাপদে থাকতে চান তাহলে আপনাকে নতুন জিনিসগুলো স্বীকার করতে হবে। আপনি আশা করে না যে আপনি সফল হবেন নিরাপদে থাকার সমস্ত মাধ্যম ব্যবহার করে।”
- “সেটি কি অসম্ভব? না, তারপরেও সেটি হবে।”
- “জীবন একটি বরফের পাহাড় নয়, জীবন আপনার তৈরি করে নিতে হয়।”
- “কিছুটা পুরাতন সমস্যা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকলে এটি অর্থহীন কাজ। আপনাকে সমস্যাটি উল্লেখ না করে নতুন সমস্যা সৃষ্টি করতে হবে।”
- “সমস্ত বিপদ সমস্যার মতোই হতে পারে কিন্তু সমস্যার একটি উপায় আছে।”
- “একটি স্বপ্ন দেখার আগে সেটি পুরো হবে না বলে মানুষের কাছে প্রতিকূল হওয়া উত্তেজিত করে। তবে যদি আপনি সেটি পুরণ করার জন্য পরিশ্রয় না দিতে না থাকেন, তাহলে আপনি সফল হতে পারবেন না।”
সংক্ষেপে দেখুনএছাড়াও, স্টিভ জবস মৃত্যুর আগে একাধিক উদ্ধার হয়েছে যে তিনি বলেছেন যে জীবনটি একটি বেশ কিছুটা কারখানা যেখানে আপনি বানানো কাজের পূর্ববর্তী কাজগুলি দেখতে পাচ্ছেন। তাই সফলতা অর্জনের জন্য আপনাকে সেই পূর্ববর্তী কাজগুলির উপর ভিত্তি করে আগামী কাজ পরিকল্পনা করতে হবে।
আরও একটি প্রসিদ্ধ স্টিভ জবস উদ্ধার হলো যে তিনি বলেছিলেন, “যদি আপনি আপনার জীবনে সুন্দর কিছু তৈরি করতে চান তাহলে আপনাকে নিখুঁতভাবে লোকদের মত না হওয়া উচিত।” এটি সুন্দর কিছু তৈরি করার প্রস্তাব হলেও, এটি সফলতার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়। স্টিভ জবস এর উক্তি অনুসারে, যদি আপনি স্বয়ংক্রিয় ও নিখুঁতভাবে কাজ করে নতুন ও
উন্নয়নশীল কিছু তৈরি করতে চান তবে আপনাকে নিখুঁতভাবে নতুন কিছু বিকল্পে চিন্তা করতে হবে এবং অহংকার থেকে দূরে থাকতে হবে।
সফলতার প্রস্তাবগুলি ছিল স্টিভ জবস এর জীবনের সাথে একটি উপরোক্ত লক্ষ্য সম্পর্কিত। তিনি প্রতিটি কাজের সাথে আগ্রহী এবং নিখুঁতভাবে চিন্তা করতেন। তিনি জীবনের প্রতিটি মুহুর্তে উপস্থিত হওয়া একজন ছিলেন এবং সফলতার পথে সাধারণত মোটামুটি সঠিক পথটি নির্দেশ দিয়েছিলেন।
আমরা সবসময় চাঁদের শুধুমাত্র একটি পৃষ্ঠ দেখতে পাই কেন? আমরা জানি চাঁদ নিজ অক্ষে আবর্তন করে তাহলে চাঁদের অপর পৃষ্ঠা কেন দেখা যায়না?
উত্তর দেয়ার আগ্রহ তৈরি করার জন্য ধন্যবাদ! সংক্ষেপে আর সহজে ব্যপারটি বোঝাতে পারবো বলে আশা রাখি। চাঁদের আবর্তন আমরা সর্বদা চাঁদের একই দিক দেখতে পাই কারণ চাঁদের অক্ষের আবর্তনের সময়কাল পৃথিবীর চারপাশে এর ঘূর্ণনের সময়কালের সমান। তাই আমরা কেবল সেই দিকটি দেখতে পাই যা আমাদের মুখোমুখি হয়। জোয়ার ভাটা আমরাবিস্তারিত পড়ুন
উত্তর দেয়ার আগ্রহ তৈরি করার জন্য ধন্যবাদ! সংক্ষেপে আর সহজে ব্যপারটি বোঝাতে পারবো বলে আশা রাখি।
চাঁদের আবর্তন
আমরা সর্বদা চাঁদের একই দিক দেখতে পাই কারণ চাঁদের অক্ষের আবর্তনের সময়কাল পৃথিবীর চারপাশে এর ঘূর্ণনের সময়কালের সমান। তাই আমরা কেবল সেই দিকটি দেখতে পাই যা আমাদের মুখোমুখি হয়।
জোয়ার ভাটা
আমরা পৃথিবীতে যে জোয়ার দেখি তার জন্য পৃথিবী এবং চাঁদের মধ্যকার মহাকর্ষীয় মিথস্ক্রিয়াও দায়ী। পৃথিবী এবং চাঁদের এই আকর্ষণকে টাইডাল লকিং (Tidal locking) বলে। চাঁদের মহাকর্ষীয় টানের ফলে পৃথিবীর মহাসাগরগুলি ফুলে উঠে যার দরুন প্রতিদিন দুটি করে জোয়ার ও ভাটা তৈরি হয়।
যদি চাঁদ তার কক্ষপথে বর্তমানের চেয়ে দ্রুত বা ধীর গতিতে ঘুরতো তাহলে আমরা এর অপর পৃষ্ঠ দেখতে পেতাম।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনOsmosis – WordPress Theme Download for FREE
Helpful for wp developers! Thanks for sharing 👍
Helpful for wp developers!
সংক্ষেপে দেখুনThanks for sharing 👍
বিশ্বের সুউচ্চ বিল্ডিং বুর্জ খলিফা কি ১০ মাত্রার ভূমিকম্পে ভেঙ্গে পড়তে পারে?
বুর্জ খলিফা বুর্জ খলিফা বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ভবন। দুবাইয়ের ৬৩ তলা বিশিষ্ট এই অবিশ্বাস্য স্ট্রাকচারটির উচ্চতা ৮৩০ মিটার (২,৭২২ ফুট, বা অর্ধ মাইলেরও বেশি)। UAE ভূমিকম্পের সাথে তেমন পরিচিত না হলেও, বুর্জ খলিফাকে ভূমিকম্পের ঝুঁকি এড়ানোর জন্য বিশেষভাবে নির্মাণ করা হয়েছিলো। বুর্জ খলিফার ফাউন্ডেশন এবং নিরাবিস্তারিত পড়ুন
বুর্জ খলিফা
বুর্জ খলিফা বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ভবন। দুবাইয়ের ৬৩ তলা বিশিষ্ট এই অবিশ্বাস্য স্ট্রাকচারটির উচ্চতা ৮৩০ মিটার (২,৭২২ ফুট, বা অর্ধ মাইলেরও বেশি)। UAE ভূমিকম্পের সাথে তেমন পরিচিত না হলেও, বুর্জ খলিফাকে ভূমিকম্পের ঝুঁকি এড়ানোর জন্য বিশেষভাবে নির্মাণ করা হয়েছিলো।
বুর্জ খলিফার ফাউন্ডেশন এবং নিরাপদ মাত্রা
বিল্ডিংয়ের ৩.৭-মিটার পুরু কংক্রিট ফাউন্ডেশন ১৯৪টি স্তম্ভ, কাস্ট-ইন-প্লেস পাইলিং দ্বারা নির্মিত। বুর্জ খলিফার ওয়েবসাইট অনুসারে, এই পাইলিংগুলির ব্যাস ১.৫ মিটার এবং দৈর্ঘ্য ৪৩ মিটার, বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ব্যবহৃত স্ট্রাকচারগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড়। এরকম কাঠামোটি ৭.০ মাত্রা পর্যন্ত ভূমিকম্প সহ্য করতে পারে।
১০ মাত্রার ভূমিকম্প কতটা শক্তিশালী
ফলস্বরূপ, ১০ মাত্রার ভূমিকম্প অত্যন্ত শক্তিশালী। মনে রাখবেন এটি একটি লগারিদমিক (বেস ১০) স্কেল। একটি ১০.০ মাত্রার ভূমিকম্প ১৯০৬ সালের সান ফ্রান্সিসকো ভূমিকম্পের চেয়ে প্রায় ১০০ গুণ বেশি শক্তিশালী হবে।
এখন পর্যন্ত রেকর্ড করা সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পটি ছিল ১৯৬০ সালে চিলির। এটি ৯.৫ মাত্রার ভূকম্পন ছিল। তারমানে ১০ মাত্রার ভূমিকম্প কয়েকগুণ বেশি এবং আরও শক্তিশালী হবে। সুতরাং, ১০ মাত্রার ভূমিকম্প প্রায় অসম্ভব বলা যায়।
১০ মাত্রার ভূমিকম্পের ফল
এরপরও যদি দুবাইতে ১০ মাত্রার ভূমিকম্প হয়, তবে বুর্জ খলিফা অবশ্যই ভেঙ্গে পড়বে। কারণ এটি ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে মানুষকে নিরাপদ রাখার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
ধন্যবাদ প্রশ্নটি করার জন্য!
সংক্ষেপে দেখুন