সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
Bangla QR (বাংলা কিউআর) দিয়ে বিকাশ ও নগদ পেমেন্ট করা যায় কি? (২০২৬)
হ্যাঁ, বাংলা কিউআর (Bangla QR) দিয়ে বিকাশ এবং নগদ দুটোতেই পেমেন্ট করা যায় — একই কোড স্ক্যান করেই। আগে একটা দোকানে গিয়ে দেখতেন বিকাশের জন্য আলাদা কিউআর, নগদের জন্য আলাদা কিউআর, রকেটের জন্য আরেকটা। কাস্টমার হিসেবে মাথা চুলকাতে হতো কোনটা স্ক্যান করব। এখন সেই ঝামেলা শেষ। বাংলা কিউআর মানেই একটাই কোড,বিস্তারিত পড়ুন
হ্যাঁ, বাংলা কিউআর (Bangla QR) দিয়ে বিকাশ এবং নগদ দুটোতেই পেমেন্ট করা যায় — একই কোড স্ক্যান করেই।
আগে একটা দোকানে গিয়ে দেখতেন বিকাশের জন্য আলাদা কিউআর, নগদের জন্য আলাদা কিউআর, রকেটের জন্য আরেকটা। কাস্টমার হিসেবে মাথা চুলকাতে হতো কোনটা স্ক্যান করব। এখন সেই ঝামেলা শেষ। বাংলা কিউআর মানেই একটাই কোড, আর সেই কোড স্ক্যান করলে আপনার বিকাশ অ্যাপ, নগদ অ্যাপ, রকেট বা যেকোনো ব্যাংকের অ্যাপ। সবগুলোই সেটা চিনতে পারবে এবং পেমেন্ট প্রসেস করতে পারবে।
মানে ধরুন আপনি একটা চায়ের দোকানে গেলেন, দোকানদারের কাছে একটাই বাংলা কিউআর টাঙ্গানো আছে। আপনার ফোনে বিকাশ থাকলে বিকাশ অ্যাপ দিয়ে স্ক্যান করবেন, বন্ধুর ফোনে নগদ থাকলে সে নগদ দিয়ে স্ক্যান করবে দুজনেই একই কোড দিয়ে পেমেন্ট করে ফেলতে পারবেন। কোনো বাড়তি চার্জ নেই, বাড়তি ঝামেলাও নেই।
যেভাবে বিকাশ/নগদ দিয়ে পে করবেন:
1. বিকাশ বা নগদ অ্যাপ ওপেন করুন
2. “Scan QR” বা “পে করুন” অপশনে যান
3. দোকানের বাংলা কিউআর কোডটি স্ক্যান করুন
4. টাকার পরিমাণ কনফার্ম করে পিন দিয়ে পেমেন্ট সম্পন্ন করুন! ব্যস, হয়ে গেল।
কোনো এক্সট্রা অ্যাপ ডাউনলোড করার দরকার নেই, আপনার হাতের বিকাশ/নগদ অ্যাপটাই যথেষ্ট।
সংক্ষেপে দেখুনprimary scholarship result 2026 kothay dekhte pari? PDF Download korbo kivabe?
আপনি যদি খুব সহজে primary scholarship result 2026 দেখতে চান, তবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অফিসিয়াল পোর্টাল ব্যবহার করাই সবচেয়ে সুবিধাজনক মাধ্যম। অনলাইনে কিভাবে primary scholarship result 2026 যাচাই করবেন, তার পূর্ণাঙ্গ নিয়ম নিচে উল্লেখ করা হলো। অনলাইনে দেখার মাধ্যম যেকোনো ওয়েব ব্রাউজার খুলে primবিস্তারিত পড়ুন
আপনি যদি খুব সহজে primary scholarship result 2026 দেখতে চান, তবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অফিসিয়াল পোর্টাল ব্যবহার করাই সবচেয়ে সুবিধাজনক মাধ্যম।
অনলাইনে দেখার মাধ্যম
ipemis.dpe.gov.bd/scholarship-resultsdpe.gov.bdধাপসমূহ ও PDF ডাউনলোড
মোবাইল মেসেজের মাধ্যমে
DPE <স্পেস> রোল নম্বরলিখে 16222 নম্বরে পাঠালে দ্রুততম সময়ে আপনার primary scholarship result 2026 এসএমএসের মাধ্যমে রিটার্ন মেসেজে জানিয়ে দেওয়া হবে।আজানের সময় কুকুর কেনো ঘেউ ঘেউ করে?
চিন্তার বিষয়!
চিন্তার বিষয়!
সংক্ষেপে দেখুনআজানের সময় কুকুর কেনো ঘেউ ঘেউ করে?
আজানের সুর শুনলে চারপাশের কুকুরগুলো হঠাৎ সমস্বরে ডেকে ওঠে। বিষয়টি আমাদের অনেকের মনেই কৌতূহল জাগায়। অনেকেই একে অলৌকিক কিছু মনে করেন, তবে এর পেছনে লুকিয়ে আছে বিজ্ঞানের চমৎকার কিছু ব্যাখ্যা। চলুন দেখা যাক, প্রকৃতির এই রহস্যময় আচরণের বৈজ্ঞানিক কারণগুলো কী: আজানের ধ্বনি আর কুকুরের চিৎকার: বিজ্ঞানের চোখেবিস্তারিত পড়ুন
আজানের সুর শুনলে চারপাশের কুকুরগুলো হঠাৎ সমস্বরে ডেকে ওঠে। বিষয়টি আমাদের অনেকের মনেই কৌতূহল জাগায়। অনেকেই একে অলৌকিক কিছু মনে করেন, তবে এর পেছনে লুকিয়ে আছে বিজ্ঞানের চমৎকার কিছু ব্যাখ্যা। চলুন দেখা যাক, প্রকৃতির এই রহস্যময় আচরণের বৈজ্ঞানিক কারণগুলো কী:
আজানের ধ্বনি আর কুকুরের চিৎকার: বিজ্ঞানের চোখে যা ঘটে
১. কুকুরের ‘সুপার পাওয়ার’ শ্রবণশক্তি
কুকুরের কান আমাদের চেয়ে বহুগুণ বেশি শক্তিশালী। মানুষ সাধারণত ২০ থেকে ২০,০০০ হার্টজ কম্পাঙ্কের শব্দ শুনতে পায়, কিন্তু কুকুর শুনতে পায় ৪৫,০০০ হার্টজ পর্যন্ত। আজানের সময় লাউডস্পিকার থেকে যে উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দ বা প্রতিধ্বনি (Echo) তৈরি হয়, তা আমাদের কানে মিষ্টি শোনালেও কুকুরের অতি-সংবেদনশীল কানে অনেক সময় তীক্ষ্ণ অস্বস্তি তৈরি করে। সেই অস্বস্তি থেকেই তারা প্রতিক্রিয়া জানায়।
২. রক্তের টান: আদিম নেকড়ে প্রবৃত্তি
কুকুর আসলে নেকড়েরই বংশধর। নেকড়েরা যখন দলবদ্ধ হয়ে থাকতে চায় বা দূর থেকে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে চায়, তখন তারা এক ধরনের দীর্ঘ ডাক (Howling) দেয়। আজানের একটানা সুরকে কুকুর অনেক সময় অন্য কোনো প্রাণীর ডাক বলে ভুল করে। তাই নিজের ‘শিকারি’ প্রবৃত্তিকে জাগিয়ে তুলতে এবং সেই শব্দের উত্তর দিতে সেও দীর্ঘ স্বরে ডাকতে শুরু করে।
৩. এলাকা দখলের লড়াই
কুকুর অত্যন্ত আঞ্চলিক প্রাণী। তারা নিজেদের এলাকা নিয়ে খুব সচেতন থাকে। যখন লাউডস্পিকার থেকে হঠাৎ কোনো জোরালো শব্দ ভেসে আসে, তখন কুকুর সেটাকে বাইরের কোনো অনুপ্রবেশকারীর হুমকি বলে মনে করতে পারে। নিজের এলাকা সুরক্ষিত আছে এবং সে যে এখানে আছে, সেটা জানান দিতেই সে পালটা ডেকে ওঠে।
৪. ‘একজন ডাকলে সবাই ডাকে’
কুকুরের মাঝে সামাজিক অনুকরণ করার প্রবল ইচ্ছা থাকে। একে বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় ‘সোশ্যাল ফ্যাসিলিটেশন’। আজানের শব্দে যদি এলাকার একটি কুকুরও সাড়া দিয়ে ডেকে ওঠে, তবে বাকিরা না বুঝেই তাকে অনুসরণ করে কোরাস গাইতে শুরু করে। এটি অনেকটা আমাদের হাই তোলার মতো সংক্রামক।
সোজা কথায় বলতে গেলে, আজানের সময় কুকুরের এই প্রতিক্রিয়া মূলত তাদের শ্রবণ ইন্দ্রিয়ের গঠন এবং হাজার বছরের পুরোনো প্রাকৃতি স্বভাবের সংমিশ্রণ। তাদের কাছে এটি এক ধরনের উচ্চ-শব্দ সংকেত, যার উত্তর তারা তাদের নিজস্ব ভাষায় দেয়।
সংক্ষেপে দেখুনফেসবুক কি বাংলাদেশে ক্ষতিকর কন্টেন্ট বন্ধ করতে ব্যর্থ? Amnesty-র সতর্কবার্তাটি কি ছিল?
হ্যাঁ, বাংলাদেশে ফেসবুকে ক্ষতিকর কন্টেন্ট মডারেশনে Meta গুরুতরভাবে ব্যর্থ হচ্ছে বলে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা Amnesty International সতর্ক করেছে। ১৬ মার্চ ২০২৬ তারিখে Amnesty International সতর্ক করেছে যে Meta যদি তার Facebook প্ল্যাটফর্মে ক্ষতিকর অনলাইন কন্টেন্টের বিরুদ্ধে সময়মতো কার্যকর ব্যবস্থবিস্তারিত পড়ুন
হ্যাঁ, বাংলাদেশে ফেসবুকে ক্ষতিকর কন্টেন্ট মডারেশনে Meta গুরুতরভাবে ব্যর্থ হচ্ছে বলে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা Amnesty International সতর্ক করেছে।
১৬ মার্চ ২০২৬ তারিখে Amnesty International সতর্ক করেছে যে Meta যদি তার Facebook প্ল্যাটফর্মে ক্ষতিকর অনলাইন কন্টেন্টের বিরুদ্ধে সময়মতো কার্যকর ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে বাংলাদেশ আরও গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের মুখে পড়তে পারে।
ঘটনার পটভূমি – কী হয়েছিল?
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর সংসদ নির্বাচনের আগে Amnesty International ও অন্যান্য সংস্থা লক্ষ্য করে যে ফেসবুকে ক্ষতিকর কন্টেন্টের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে। এর মধ্যে রাজনৈতিক দল ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে নিয়ে বিভ্রান্তিকর ও উসকানিমূলক কন্টেন্ট ছিল। এই কন্টেন্টের বেশিরভাগই এসেছিল বাংলাদেশের বাইরে থেকে, মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী মূলত ভারত থেকে।
ডেইলি স্টার ও প্রথম আলোতে হামলা – সরাসরি যোগসূত্র
২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর সোশ্যাল মিডিয়ায় The Daily Star ও Prothom Alo-কে “ভারতীয় এজেন্ট” হিসেবে চিহ্নিত করে ধ্বংস করার আহ্বান জানানো হয়। এরপর দলবদ্ধ লোকজন এই দুটি পত্রিকার অফিসে হামলা চালায়। তদন্তে অনলাইন কন্টেন্ট ও এই সহিংসতার মধ্যে সরাসরি যোগসূত্র পাওয়া যায়। বাংলাদেশ সরকার এই পোস্টগুলো সরাতে Meta-কে সতর্ক করলেও Meta দেরিতে ব্যবস্থা নেওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
Meta-র অ্যালগরিদম কীভাবে ক্ষতিকর কন্টেন্ট ছড়াচ্ছে?
যে কন্টেন্ট বেশি সাড়া ফেলে — বিতর্কিত বা উসকানিমূলক — Facebook-এর recommendation system সেই কন্টেন্টই বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়। এভাবে ক্ষতিকর কিন্তু আইনত বৈধ কন্টেন্টও মানবাধিকারের জন্য বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। সহজভাবে বললে, Facebook যত বেশি মানুষ ব্যবহার করবে, বিজ্ঞাপন থেকে Meta-র তত বেশি আয় হবে। তাই রাগ, ভয় বা ঘৃণা জাগানো কন্টেন্ট বেশি ছড়ালে Meta-র ব্যবসায়িক সুবিধা হয়।
Amnesty International কী দাবি করেছে?
Amnesty International-এর Big Tech Accountability বিভাগের প্রধান Alia Al Ghussain বলেছেন — “বাংলাদেশ এখনো মানবাধিকার সংকটে পড়েনি, কিন্তু সতর্কতার চিহ্নগুলো স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। সীমান্ত পেরিয়ে আসা ক্ষতিকর কন্টেন্ট, রাজনৈতিক উত্তেজনা, সাম্প্রদায়িক বক্তব্য এবং অ্যালগরিদমিক বিস্তার মিলে এমন একটি বিস্ফোরক পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে যা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকারকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।”
Amnesty International Meta-র কাছে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে টার্গেট করা ক্ষতিকর কন্টেন্ট সংক্রান্ত রিপোর্ট, গৃহীত ব্যবস্থা, বাংলা ভাষায় কন্টেন্ট মডারেশনে কর্মীর সংখ্যা এবং নির্বাচনের আগে জরুরি প্রতিকারমূলক ব্যবস্থার তথ্য চেয়েছিল। কিন্তু Meta নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব দেয়নি।
মিয়ানমারের রোহিঙ্গা গণহত্যার সাথে মিল
২০১৭ সালে মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে Facebook-কে ব্যবহার করে যে ঘৃণামূলক বক্তব্য ছড়ানো হয়েছিল, তা গণহত্যায় পরিণত হয়েছিল। বছরের পর বছর সতর্কবার্তা সত্ত্বেও Meta শুধু ক্ষতিকর কন্টেন্ট সরাতেই ব্যর্থ হয়নি — বরং সক্রিয়ভাবে সেটি ছড়িয়ে দিয়েছিল। Amnesty International মনে করছে, বাংলাদেশ এখন এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে দাঁড়িয়ে আছে যেখানে Meta-র সময়মতো পদক্ষেপ পরিস্থিতির অবনতি ঠেকাতে পারে।
Meta কী করতে পারে — বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ
Amnesty International Meta-কে উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে “break the glass” নামে পরিচিত জরুরি সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা চালু করার দাবি জানিয়েছে। -এর পাশাপাশি বাংলা ভাষায় দক্ষ কন্টেন্ট মডারেটরের সংখ্যা বাড়ানো, ক্রস-বর্ডার ক্ষতিকর কন্টেন্ট শনাক্ত করার ব্যবস্থা জোরদার করা এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে টার্গেট করা কন্টেন্টের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়াও দাবি করা হয়েছে।
সংক্ষেপে দেখুনবিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠালে কি ফেরত আসে?
হ্যাঁ, বিকাশ থেকে ব্যাংকে পাঠানো টাকা নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ফেরত আসে তবে সব ক্ষেত্রে একইরকম নয়। কখন ফেরত আসে আর কখন আসে না, সেটি নির্ভর করে সমস্যার ধরনের উপর। পরিস্থিতি অনুযায়ী টাকা ফেরতের নিয়ম পরিস্থিতি টাকা ফেরত আসে? কত সময়ে লেনদেন ব্যর্থ (Failed) হলে ✅ স্বয়ংক্রিয়ভাবে আসে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবিস্তারিত পড়ুন
হ্যাঁ, বিকাশ থেকে ব্যাংকে পাঠানো টাকা নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ফেরত আসে তবে সব ক্ষেত্রে একইরকম নয়। কখন ফেরত আসে আর কখন আসে না, সেটি নির্ভর করে সমস্যার ধরনের উপর।
পরিস্থিতি অনুযায়ী টাকা ফেরতের নিয়ম
পরিস্থিতি ১: লেনদেন ব্যর্থ হলে (সবচেয়ে সাধারণ ঘটনা)
বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠানোর পর যদি লেনদেন “Failed” দেখায়, তাহলে কাটা টাকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার বিকাশ অ্যাকাউন্টে ফিরে আসে। এই প্রক্রিয়ায় সাধারণত কয়েক মিনিট থেকে সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে। এই ক্ষেত্রে আলাদাভাবে কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার দরকার নেই, শুধু অপেক্ষা করুন।
পরিস্থিতি ২: টাকা পাঠানো হয়েছে কিন্তু ব্যাংকে পৌঁছায়নি
বিকাশ থেকে SMS কনফার্মেশন এলেও যদি ব্যাংকে টাকা না পৌঁছায়, তাহলে টাকা সাধারণত ৩ কার্যদিবসের মধ্যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিকাশে ফেরত চলে আসে। এরপরেও না আসলে বিকাশ হেল্পলাইন ১৬২৪৭ -এ কল করুন এবং TrxID নম্বর জানান।
পরিস্থিতি ৩: ভুল ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হলে
এটি সবচেয়ে জটিল পরিস্থিতি। ভুল অ্যাকাউন্টে টাকা গেলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফেরত আসে না। এই ক্ষেত্রে যত দ্রুত সম্ভব বিকাশ হেল্পলাইন ১৬২৪৭ -এ ফোন করুন এবং একই সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকেও যোগাযোগ করুন। লেনদেনের TrxID, তারিখ, সময় ও পরিমাণ জানান। বিকাশ কর্তৃপক্ষ প্রাপকের সাথে যোগাযোগ করে অর্থ ফেরত আনার চেষ্টা করবে।
সার্ভিস চার্জ কি ফেরত পাওয়া যায়?
লেনদেন ব্যর্থ হলে কাটা সার্ভিস চার্জও সম্পূর্ণ ফেরত আসে। তবে লেনদেন সফল হওয়ার পর কোনো কারণে টাকা ফেরতের প্রয়োজন হলে সার্ভিস চার্জ ফেরত পাওয়া যায় না।
ভবিষ্যতে এই সমস্যা এড়ানোর উপায়
টাকা পাঠানোর আগে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর দুইবার যাচাই করুন। বিকাশ অ্যাপে ব্যাংক লিংক করার সময় অ্যাকাউন্ট নম্বর সংরক্ষিত থাকে, তাই পরবর্তীতে সেখান থেকে সিলেক্ট করলে ভুলের সম্ভাবনা কমে। লেনদেনের পর কনফার্মেশন SMS সংরক্ষণ করুন। সমস্যা হলে TrxID নম্বরটি কাজে আসবে।
জরুরি যোগাযোগ
সমস্যা হলে বিকাশ হেল্পলাইন ১৬২৪৭ (সকাল ৮টা — রাত ১১টা) অথবা নিকটস্থ বিকাশ কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে যোগাযোগ করুন।
বিকাশ সম্পর্কিত আমার আরও কিছু উত্তর যা আপনার কাজে আসতে পারে:
বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা কতক্ষণে পৌঁছায়?
বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠানোর নিয়ম কী?
বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠানোর চার্জ কত ২০২৬?
সংক্ষেপে দেখুনবিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা কতক্ষণে পৌঁছায়?
বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠানোর পর সাধারণত তাৎক্ষণিকভাবে অর্থাৎ কয়েক মিনিটের মধ্যেই ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যায়। তবে কিছু ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩ কার্যদিবস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। পরিস্থিতি কত সময় লাগে স্বাভাবিক অবস্থায় তাৎক্ষণিক — ১ থেকে ৫ মিনিট নেটওয়ার্ক সমস্যা থাকলে ১৫ থেকে ৩০ মিনিট ব্যাংকের সবিস্তারিত পড়ুন
বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠানোর পর সাধারণত তাৎক্ষণিকভাবে অর্থাৎ কয়েক মিনিটের মধ্যেই ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যায়। তবে কিছু ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩ কার্যদিবস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
৩টি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
১. রাত-দিন সব সময় পাঠানো যায় — বিকাশ টু ব্যাংক সার্ভিস ২৪ ঘণ্টা, সপ্তাহের ৭ দিন চালু থাকে। তাই রাত ১২টায় পাঠালেও সাধারণত কয়েক মিনিটেই পৌঁছে যায়।
২. সরকারি ছুটির দিনেও কাজ করে — বিকাশ থেকে ব্যাংকে ট্রান্সফার ব্যাংকের সাধারণ কার্যঘণ্টার বাইরেও হয়, কারণ এটি স্বয়ংক্রিয় ডিজিটাল সিস্টেমে পরিচালিত হয়।
৩. কনফার্মেশন SMS আসে — টাকা সফলভাবে পাঠানো হলে বিকাশ থেকে আপনার মোবাইলে সঙ্গে সঙ্গে একটি নিশ্চিতকরণ SMS আসবে। এই SMS আসা মানেই টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়া সফল হয়েছে।
টাকা দেরি হওয়ার সাধারণ কারণগুলো:
বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা দেরিতে পৌঁছানোর পেছনে সাধারণত তিনটি কারণ থাকে। প্রথমত, ব্যাংকের নিজস্ব সার্ভার সাময়িকভাবে ব্যস্ত বা বন্ধ থাকলে প্রক্রিয়াকরণে দেরি হতে পারে। দ্বিতীয়ত, BEFTN (Bangladesh Electronic Funds Transfer Network) সিস্টেমে অতিরিক্ত লোড থাকলে কিছুটা সময় বেশি লাগে। তৃতীয়ত, ইন্টারনেট সংযোগ দুর্বল থাকলে লেনদেনের নিশ্চিতকরণে বিলম্ব হতে পারে।
টাকা না পৌঁছালে কী করবেন:
বিকাশ থেকে SMS আসার পরেও যদি ব্যাংকে টাকা না পৌঁছায়, তাহলে প্রথমে বিকাশ অ্যাপের “Transaction History” থেকে লেনদেনের স্ট্যাটাস চেক করুন। সেখানে “সফল” দেখালে ব্যাংকের হেল্পলাইনে যোগাযোগ করুন। আর “ব্যর্থ” দেখালে টাকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার বিকাশ অ্যাকাউন্টে ফিরে আসবে — সাধারণত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে।
সমস্যা সমাধান না হলে বিকাশের হেল্পলাইন ১৬২৪৭ নম্বরে কল করুন এবং লেনদেনের TrxID নম্বরটি জানান। বিকাশ সর্বোচ্চ ৩ কার্যদিবসের মধ্যে সমস্যার সমাধান করে দেয়।
ভুল অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠালে কী হবে:
ভুল ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হয়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে বিকাশ হেল্পলাইন ১৬২৪৭-এ ফোন করুন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংকেও অবহিত করুন। এক্ষেত্রে টাকা ফেরত পেতে কিছুটা সময় লাগতে পারে এবং ব্যাংকের সহযোগিতার উপর নির্ভর করে।
সংক্ষেপে মনে রাখুন:
বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠানোর পর কনফার্মেশন SMS পেলে নিশ্চিন্তে থাকুন — স্বাভাবিক অবস্থায় ৫ মিনিটের মধ্যেই পৌঁছে যায়। ৩ ঘণ্টার বেশি দেরি হলে তখন বিকাশকে জানান।
সংক্ষেপে দেখুনবিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠানোর নিয়ম কী?
বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠাতে হলে প্রথমে বিকাশ অ্যাপে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট লিংক করতে হবে, তারপর "ট্রান্সফার মানি" অপশন ব্যবহার করে সরাসরি ব্যাংকে টাকা পাঠানো যাবে। পুরো প্রক্রিয়াটি নিচে ধাপে ধাপে দেওয়া হলো। প্রথম ধাপ: ব্যাংক অ্যাকাউন্ট লিংক করুন (প্রথমবারের জন্য) বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠাতে হলে এবিস্তারিত পড়ুন
বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠাতে হলে প্রথমে বিকাশ অ্যাপে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট লিংক করতে হবে, তারপর “ট্রান্সফার মানি” অপশন ব্যবহার করে সরাসরি ব্যাংকে টাকা পাঠানো যাবে।
পুরো প্রক্রিয়াটি নিচে ধাপে ধাপে দেওয়া হলো।
প্রথম ধাপ: ব্যাংক অ্যাকাউন্ট লিংক করুন (প্রথমবারের জন্য)
বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠাতে হলে একবার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট লিংক করতে হয়। এটি শুধু প্রথমবার করলেই চলে।
১. বিকাশ অ্যাপ খুলুন ও লগইন করুন
২. হোম স্ক্রিনে “ট্রান্সফার মানি” বা “বিকাশ টু ব্যাংক” আইকনে ট্যাপ করুন
৩. তালিকা থেকে আপনার ব্যাংকটি বেছে নিন
৪. “অ্যাড ব্যাংক অ্যাকাউন্ট” বাটনে ট্যাপ করুন
৫. আপনার পূর্ণ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর দিন ও “এগিয়ে যান” চাপুন
৬. বিকাশ আপনার রেজিস্টার্ড নম্বরে OTP পাঠাবে — সেটি দিয়ে ভেরিফাই করুন
৭. সফল হলে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বিকাশের সাথে লিংক হয়ে যাবে
⚠️ জরুরি শর্ত: ব্যাংক অ্যাকাউন্টের নাম ও বিকাশ অ্যাকাউন্টের নাম একই হতে হবে এবং উভয়ে একই NID দিয়ে খোলা হতে হবে। ব্যাংকের সাথে যুক্ত মোবাইল নম্বরও বিকাশের নম্বরের সাথে মিলতে হবে।
দ্বিতীয় ধাপ: টাকা পাঠানো (প্রতিবার)
ব্যাংক লিংক হয়ে গেলে পরবর্তীতে মাত্র কয়েক সেকেন্ডেই টাকা পাঠানো যাবে:
১. বিকাশ অ্যাপে “ট্রান্সফার মানি” অপশনে যান
২. লিংক করা ব্যাংক অ্যাকাউন্টটি সিলেক্ট করুন
৩. পাঠানোর পরিমাণ লিখুন
৪. চার্জসহ মোট কাটার পরিমাণ দেখে নিশ্চিত করুন
৫. বিকাশ পিন দিন — টাকা সঙ্গে সঙ্গে ব্যাংক অ্যাকাউন্টে চলে যাবে
লেনদেনের সীমা (২০২৬ সালের তথ্য অনুযায়ী):
দৈনিক সর্বোচ্চ= ৫০,০০০ টাকা
মাসিক সর্বোচ্চ= ৩,০০,০০০ টাকা
একক লেনদেনের সর্বনিম্ন= ১ টাকা
কোন কোন ব্যাংকে পাঠানো যায়:
বর্তমানে বিকাশ থেকে যেসব ব্যাংকে সরাসরি টাকা পাঠানো যায়: অগ্রণী, সোনালী, ব্র্যাক, সিটি, ঢাকা ব্যাংক, পূবালী, সাউথইস্ট, MTB, EBL (ইস্টার্ন ব্যাংক), IFIC, AB ব্যাংক, NRBC, মিডল্যান্ড, প্রিমিয়ার, কমিউনিটি ব্যাংক, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।
সাধারণ সমস্যা ও সমাধান:
সমস্যা ১: ব্যাংক অ্যাকাউন্ট লিংক হচ্ছে না
সমাধান: ব্যাংকে গিয়ে আপনার NID ও মোবাইল নম্বর আপডেট করুন, তারপর আবার চেষ্টা করুন।
সমস্যা ২: OTP আসছে না
সমাধান: ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সাথে কোন নম্বর রেজিস্টার্ড আছে তা ব্যাংকে জিজ্ঞেস করুন।
সমস্যা ৩: টাকা পাঠানো হয়ে গেছে কিন্তু ব্যাংকে যাচ্ছে না
সমাধান: বিকাশের ১৬২৪৭ নম্বরে কল করুন — সাধারণত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সমাধান হয়।
বিকাশ টু ব্যাংক সার্ভিসের সুবিধা:
বিকাশ থেকে সরাসরি ব্যাংকে টাকা পাঠালে ক্যাশ আউট চার্জ (১.৮৫%) দিতে হয় না, বরং মাত্র ১% থেকে ১.২৫% চার্জ দিলেই হয়। সেবাটি ২৪ ঘণ্টা, সপ্তাহের ৭ দিন চালু থাকে এবং টাকা তাৎক্ষণিকভাবে ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যায়।
সংক্ষেপে দেখুনবিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠানোর চার্জ কত ২০২৬?
বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠানোর চার্জ ২০২৬ সালে ব্যাংকভেদে ভিন্ন — সর্বোচ্চ ১.২৫% পর্যন্ত। বিকাশের অফিশিয়াল তথ্য অনুযায়ী চার্জের বিস্তারিত নিচে দেওয়া হলো। ব্যাংকের নাম চার্জ (%) ১,০০০ টাকায় চার্জ অগ্রণী ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক ১% ১০ টাকা ব্র্যাক ব্যাংক, সিটি ব্যাংক ১% ১০ টাকা AB ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংবিস্তারিত পড়ুন
বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠানোর চার্জ ২০২৬ সালে ব্যাংকভেদে ভিন্ন — সর্বোচ্চ ১.২৫% পর্যন্ত।
বিকাশের অফিশিয়াল তথ্য অনুযায়ী চার্জের বিস্তারিত নিচে দেওয়া হলো।
দৈনিক ও মাসিক লিমিট:
বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ২৫,০০০ টাকা এবং প্রতি মাসে সর্বোচ্চ ২,০০,০০০ টাকা পাঠানো যায়।
কীভাবে টাকা পাঠাবেন — ধাপে ধাপে:
১. বিকাশ অ্যাপ খুলুন
২. “ট্রান্সফার মানি” অপশনে ট্যাপ করুন
৩. তালিকা থেকে আপনার ব্যাংকটি বেছে নিন
৪. ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর ও পরিমাণ দিন
৫. পিন দিয়ে নিশ্চিত করুন — টাকা সঙ্গে সঙ্গেই পৌঁছে যাবে
কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
– বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠানোর চার্জ ক্যাশ আউট চার্জ (১.৮৫%) থেকে কম, তাই এটি তুলনামূলক সাশ্রয়ী পদ্ধতি।
– বেশিরভাগ ব্যাংকের ক্ষেত্রে আপনার বিকাশে নিবন্ধিত নাম ও ব্যাংকের নাম মিলতে হবে।
– ২৪ ঘণ্টা, সপ্তাহের ৭ দিন এই সেবা চালু থাকে।
– টাকা পাঠানোর পর সাধারণত তাৎক্ষণিকভাবেই ব্যাংক অ্যাকাউন্টে যোগ হয়।
বর্তমানে বিকাশ থেকে যেসব ব্যাংকে টাকা পাঠানো যায়:
অগ্রণী, সোনালী, ব্র্যাক, সিটি, ঢাকা ব্যাংক, পূবালী, সাউথইস্ট, MTB, EBL, IFIC, AB ব্যাংক, NRBC, মিডল্যান্ড, প্রিমিয়ার, কমিউনিটি ব্যাংক, Bangladesh Development Bank সহ আরও অনেক ব্যাংক।
সংক্ষেপে দেখুনতুমি কি একজন খুব সফল কিন্তু সবার অপছন্দের মানুষ হতে চাও, নাকি একজন সাধারণ কিন্তু সবার অসম্ভব প্রিয় মানুষ হতে চাও?
প্রকৃত সফলতা কখনো একাকীত্বের মাঝে থাকে না। যদি আমি সবার অপছন্দের হই, তবে বড় কোনো অর্জনের পরেও মানুষ হিসেবে আমি ব্যর্থ। আমি বরং সাধারণ হয়েই সবার মাঝে থাকতে চাই, কারণ মানুষের মনে জায়গা পাওয়াটাও এক বিশাল বড় সফলতা।
প্রকৃত সফলতা কখনো একাকীত্বের মাঝে থাকে না। যদি আমি সবার অপছন্দের হই, তবে বড় কোনো অর্জনের পরেও মানুষ হিসেবে আমি ব্যর্থ। আমি বরং সাধারণ হয়েই সবার মাঝে থাকতে চাই, কারণ মানুষের মনে জায়গা পাওয়াটাও এক বিশাল বড় সফলতা।
সংক্ষেপে দেখুনকোন হাড় আমাদের শরীরে নেই?
মানুষের শরীরে Baculum (বাকুলাম), অর্থাৎ লিঙ্গের হাড়, নেই। এই হাড়টি অনেক স্তন্যপায়ী প্রাণীতে থাকে, কিন্তু মানুষের ক্ষেত্রে অনুপস্থিত।
মানুষের শরীরে Baculum (বাকুলাম), অর্থাৎ লিঙ্গের হাড়, নেই। এই হাড়টি অনেক স্তন্যপায়ী প্রাণীতে থাকে, কিন্তু মানুষের ক্ষেত্রে অনুপস্থিত।
সংক্ষেপে দেখুনকখন এবং কেন স্ক্যাভেঞ্জার হান্ট গেম উদ্ভাবিত হয়েছিল?
সাধারণত স্ক্যাভেঞ্জার হান্টের আইডিয়া প্রাচীন লোকবৈঠক ও উৎসবীয় খেলাধুলা থেকে উদ্ভূত। কিছু সূত্র এটি গ্রিক যুগের খেলা বলেও থাকে। আধুনিক পার্টি‑গেম হিসেবে এটি জনপ্রিয় করে তোলেন আমেরিকান সোশ্যালাইট ও হোস্টেস এলসা ম্যাক্সওেল (Elsa Maxwell)। তিনি ১৯২০–৩০ এর দশকে নিউইর্ক ও প্যারিসে ব্যাপকভাবে এই খেলার আয়োবিস্তারিত পড়ুন
সাধারণত স্ক্যাভেঞ্জার হান্টের আইডিয়া প্রাচীন লোকবৈঠক ও উৎসবীয় খেলাধুলা থেকে উদ্ভূত। কিছু সূত্র এটি গ্রিক যুগের খেলা বলেও থাকে। আধুনিক পার্টি‑গেম হিসেবে এটি জনপ্রিয় করে তোলেন আমেরিকান সোশ্যালাইট ও হোস্টেস এলসা ম্যাক্সওেল (Elsa Maxwell)। তিনি ১৯২০–৩০ এর দশকে নিউইর্ক ও প্যারিসে ব্যাপকভাবে এই খেলার আয়োজন করে লোকচক্ষে এনেছিলেন। মোট কথা: মূল ভিত্তি প্রাচীন, কিন্তু আজকের মানে ও জনপ্রিয়তা পাওয়ায় বড় ভূমিকা রেখেছেন এলসা ম্যাক্সওেল।
সংক্ষেপে দেখুনলেবাননের জাতীয় পতাকায় কোন গাছ আছে?
লেবাননের জাতীয় পতাকায় থাকা গাছটি হলো লেবানন সিডার (Cedrus libani)।
লেবাননের জাতীয় পতাকায় থাকা গাছটি হলো লেবানন সিডার (Cedrus libani)।
সংক্ষেপে দেখুনWD-40 কে আবিষ্কার করেন?
WD‑40-এর সূত্র 1953 সালে মার্কিন সংস্থা Rocket Chemical Company‑র জন্য উদ্ভাবন করা হয়। কারিগরিভাবে কৃতিত্ব নিয়ে দ্বিধা আছে: অনেক সূত্র Norman B. Larsen‑কে বলেন, কিন্তু ইতিহাসবিদরা Iver Norman Lawson‑কে মূল সূত্র উদ্ভাবক হিসেবে দেখান। তাই সাধারণত Norman B. Larsen বা Iver Norman Lawson—দুইজনকেই সংশ্লিবিস্তারিত পড়ুন
WD‑40-এর সূত্র 1953 সালে মার্কিন সংস্থা Rocket Chemical Company‑র জন্য উদ্ভাবন করা হয়। কারিগরিভাবে কৃতিত্ব নিয়ে দ্বিধা আছে: অনেক সূত্র Norman B. Larsen‑কে বলেন, কিন্তু ইতিহাসবিদরা Iver Norman Lawson‑কে মূল সূত্র উদ্ভাবক হিসেবে দেখান। তাই সাধারণত Norman B. Larsen বা Iver Norman Lawson—দুইজনকেই সংশ্লিষ্ট হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
সংক্ষেপে দেখুনডিজনির প্রথম পূর্ণ-রঙিন কার্টুন কী ছিল?
ডিজনি স্টুডিওসের প্রথম পূর্ণ-রঙিন কার্টুন ছিল "Flowers and Trees"। এটি ১৯৩২ সালে মুক্তি পেয়েছিল এবং এটি ডিজনি স্টুডিওসের প্রথম পূর্ণ-রঙিন অ্যানিমেটেড শর্ট ফিল্ম ছিল। এই ফিল্মটি তিন-স্ট্রিপ টেকনিকালর প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছিল, যা রঙিন চলচ্চিত্রের জন্য একটি নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছিল। "Fবিস্তারিত পড়ুন
ডিজনি স্টুডিওসের প্রথম পূর্ণ-রঙিন কার্টুন ছিল “Flowers and Trees“। এটি ১৯৩২ সালে মুক্তি পেয়েছিল এবং এটি ডিজনি স্টুডিওসের প্রথম পূর্ণ-রঙিন অ্যানিমেটেড শর্ট ফিল্ম ছিল। এই ফিল্মটি তিন-স্ট্রিপ টেকনিকালর প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছিল, যা রঙিন চলচ্চিত্রের জন্য একটি নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছিল। “Flowers and Trees” অস্কার পুরস্কার জিতেছিল, যা একটি অ্যানিমেটেড শর্ট ফিল্মের জন্য প্রথম অস্কার পুরস্কার ছিল।
সংক্ষেপে দেখুনগুগল আর্থ ডে কি?
Google Earth Day হলো প্রতি বছর ২২ এপ্রিল তারিখে উদযাপিত একটি দিন। এই দিনে মানুষের সচেতনতা বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম আয়োজন করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, গাছ লাগানো, পরিবেশ সাফাই, শিক্ষামূলক কর্মসূচী এবং পরিবেশ সংরক্ষণের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করা হয়। Google এই দিনটিতে অংশ নেয় এবং বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের মবিস্তারিত পড়ুন
Google Earth Day হলো প্রতি বছর ২২ এপ্রিল তারিখে উদযাপিত একটি দিন। এই দিনে মানুষের সচেতনতা বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম আয়োজন করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, গাছ লাগানো, পরিবেশ সাফাই, শিক্ষামূলক কর্মসূচী এবং পরিবেশ সংরক্ষণের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করা হয়।
Google এই দিনটিতে অংশ নেয় এবং বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণ সম্পর্কিত তথ্য এবং সরঞ্জাম সরবরাহ করে। Google Earth ব্যবহারকারীদের বিশ্বের বিভিন্ন অংশের ভ্রমণ এবং পরিবেশ সম্পর্কিত তথ্য পাওয়ার সুযোগ দেয়। এছাড়াও, Google এর সার্চ ইঞ্জিন এবং অন্যান্য সেবাগুলি বিশেষ ডুডল, নিবন্ধ এবং সরঞ্জাম প্রদর্শন করে, যা পরিবেশ সংরক্ষণের উপর দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
এই দিনটিতে সবাইকে পরিবেশ সংরক্ষণে অংশগ্রহণ করার জন্য উৎসাহিত করা হয়।
সংক্ষেপে দেখুনবোয়িং বিমান কেন বারেবারে বিধ্বস্ত হয়?
"বারেবারে বিধ্বস্ত হয়"—এই কথাটি পুরোপুরি সঠিক না হলেও, বোয়িংয়ের ৭৩৭ ম্যাক্স (737 MAX) মডেলের বিমানগুলো পরপর দুটি বড় দুর্ঘটনার শিকার হয়েছিল, যা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিল না, বরং একই ডিজাইনগত ত্রুটির কারণে ঘটেছিল। সম্প্রতি, বোয়িংয়ের বিমানগুলোতে উৎপাদনগত ত্রুটি বা মান নিয়ন্ত্রণের (Quality Control) অভাবজনবিস্তারিত পড়ুন
“বারেবারে বিধ্বস্ত হয়”—এই কথাটি পুরোপুরি সঠিক না হলেও, বোয়িংয়ের ৭৩৭ ম্যাক্স (737 MAX) মডেলের বিমানগুলো পরপর দুটি বড় দুর্ঘটনার শিকার হয়েছিল, যা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিল না, বরং একই ডিজাইনগত ত্রুটির কারণে ঘটেছিল।
সম্প্রতি, বোয়িংয়ের বিমানগুলোতে উৎপাদনগত ত্রুটি বা মান নিয়ন্ত্রণের (Quality Control) অভাবজনিত বিভিন্ন ঘটনা (যেমন: মাঝ আকাশে দরজা খুলে পড়া) এই উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
মূল কারণগুলোকে দুটি ভাগে ভাগ করা যায়:
১. মারাত্মক ডিজাইনগত ত্রুটি (৭৩৭ ম্যাক্স ৮ দুর্ঘটনা)
২০১৮ সালে লায়ন এয়ার (Lion Air) এবং ২০১৯ সালে ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্স (Ethiopian Airlines)—দুটি বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স ৮ বিমান উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরেই বিধ্বস্ত হয়। তদন্তে দেখা যায়, দুটি দুর্ঘটনার কারণই এক এবং তা হলো বোয়িংয়ের নিজস্ব সফ্টওয়্যারের ত্রুটি।
এই দুটি দুর্ঘটনায় ৩৪৬ জন মানুষের মৃত্যুর পর বিশ্বের সব ৭৩৭ ম্যাক্স বিমান প্রায় দুই বছরের জন্য গ্রাউন্ডেড (উড্ডয়ন নিষিদ্ধ) ছিল।
২. সাম্প্রতিক উৎপাদন ও মান নিয়ন্ত্রণের (QC) সমস্যা
৭৩৭ ম্যাক্সের ওই ঘটনার পর বোয়িং তাদের সিস্টেম ঠিক করে উড্ডয়নের অনুমতি পেলেও, তাদের উৎপাদন প্রক্রিয়ার ওপর মানুষের সন্দেহ তৈরি হয়।
মূল কারণ (Underlying Cause)
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বোয়িং একসময় প্রকৌশল ও নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিলেও, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তারা আর্থিক লাভ ও দ্রুত উৎপাদনের দিকে বেশি মনোযোগী হয়েছিল। এর ফলে তাদের সাপ্লাই চেইন এবং কারখানার মান নিয়ন্ত্রণের প্রক্রিয়াগুলো দুর্বল হয়ে পড়েছে, যার ফলাফলই হলো এই দুর্ঘটনা ও ত্রুটিগুলো।
সংক্ষেপে দেখুনইয়াহুদীরা তাওরাতকে কিভাবে বিকৃত করেছে?
🕌 ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে তাওরাত বিকৃতি মহান আল্লাহ নবী মূসা (আঃ)-এর ওপর যে মূল তাওরাত কিতাব নাযিল করেছিলেন, কালের পরিক্রমায় সেই কিতাবে মানুষেরা নিজেদের মনগড়া কথা ঢুকিয়ে দিয়েছে বা আল্লাহর বাণী পরিবর্তন করেছে। এই বিকৃতির প্রধান কয়েকটি উপায় হলো: ১. পরিবর্তন, সংযোজন ও বিয়োজন (কথা বদলে দেওয়া, নতুন কথাবিস্তারিত পড়ুন
🕌 ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে তাওরাত বিকৃতি
মহান আল্লাহ নবী মূসা (আঃ)-এর ওপর যে মূল তাওরাত কিতাব নাযিল করেছিলেন, কালের পরিক্রমায় সেই কিতাবে মানুষেরা নিজেদের মনগড়া কথা ঢুকিয়ে দিয়েছে বা আল্লাহর বাণী পরিবর্তন করেছে। এই বিকৃতির প্রধান কয়েকটি উপায় হলো:
১. পরিবর্তন, সংযোজন ও বিয়োজন (কথা বদলে দেওয়া, নতুন কথা যোগ করা বা বাদ দেওয়া):
২. অর্থ বা ব্যাখ্যা বিকৃত করা (কথার ভুল ব্যাখ্যা করা):
৩. নতুন কিতাব বা আইন তৈরি:
ধরুন, আপনার কাছে আপনার বাবার লেখা একটি চিঠি আছে। যদি সেই চিঠির কিছু কথা আপনি মুছে ফেলেন, নতুন কিছু কথা নিজের হাতে যোগ করেন, বা চিঠির আসল অর্থ গোপন করে অন্যভাবে মানুষকে বোঝান—তাহলে সেই চিঠি আর আপনার বাবার আসল চিঠি থাকবে না, বিকৃত হয়ে যাবে। ইসলাম ধর্মের মতে, ইহুদিদের দ্বারা তাওরাতের ক্ষেত্রেও অনেকটা এমনটাই ঘটেছে।
এই বিকৃতির ফলেই বর্তমানে তাদের কাছে যে ধর্মগ্রন্থ (তোরাহ/ওল্ড টেস্টামেন্ট) আছে, তা আল্লাহর পক্ষ থেকে নাযিল হওয়া মূল তাওরাত নয় বলে মুসলিমরা বিশ্বাস করে।
সংক্ষেপে দেখুনবরফ থাকা স্বত্বেও বাঙলিীরা কোন খাবারটি গরম করে খায়?
RICE মানে ভাত। অর্থাৎ ভাতের ইংরেজি Rice, এখানে Ice মানে বরফ আছে। এরপরও মানুষ গরম খায়।
RICE মানে ভাত। অর্থাৎ ভাতের ইংরেজি Rice, এখানে Ice মানে বরফ আছে। এরপরও মানুষ গরম খায়।
সংক্ষেপে দেখুনতৈরীর কাঁচামাল একই অথচ ময়দা, আটা ও সুজি আলাদা কেন?
💡 কেন একই গম থেকে তৈরি আটা, ময়দা আর সুজি আলাদা হয়? আসলে, তিনটি জিনিসই (আটা, ময়দা, সুজি) তৈরি হয় আমাদের পরিচিত গম থেকে। কিন্তু এদের মধ্যে পার্থক্য হওয়ার কারণ হলো, গমকে যখন কলে বা মেশিনে ভাঙা হয়, তখন ঠিক কোন অংশটা নেওয়া হচ্ছে এবং সেটাকে কতটা মিহি করে গুঁড়ো করা হচ্ছে—সেটাই আসল ব্যাপার। ১. আটা (Wholeবিস্তারিত পড়ুন
💡 কেন একই গম থেকে তৈরি আটা, ময়দা আর সুজি আলাদা হয়?
আসলে, তিনটি জিনিসই (আটা, ময়দা, সুজি) তৈরি হয় আমাদের পরিচিত গম থেকে। কিন্তু এদের মধ্যে পার্থক্য হওয়ার কারণ হলো, গমকে যখন কলে বা মেশিনে ভাঙা হয়, তখন ঠিক কোন অংশটা নেওয়া হচ্ছে এবং সেটাকে কতটা মিহি করে গুঁড়ো করা হচ্ছে—সেটাই আসল ব্যাপার।
১. আটা (Whole Wheat Flour)
আটা হলো এদের মধ্যে সবচেয়ে ভালো বা স্বাস্থ্যকর।
২. ময়দা (Refined Flour / Maida)
ময়দা হলো এদের মধ্যে সবচেয়ে মিহি।
৩. সুজি (Semolina / Rava)
সুজি দেখতে দানা দানা।
সহজ কথা হলো:
আপনি যদি এই তিনটি উপকরণের মধ্যে কোনটির খাবার বানালে কেমন স্বাদ হয় বা কোনটি কোন কাজে লাগে, সে সম্পর্কে জানতে চান, তবে জিজ্ঞেস করতে পারেন।
সংক্ষেপে দেখুন