সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
ব্রা (BRA) একটি সংক্ষিপ্ত রূপ। এর পূর্ণরূপ কি? ব্রা-এর বাংলা অর্থ কী?
আপনি সম্ভবত মহিলাদের পরিধেয় বস্ত্র 'ব্রা' (Bra) এর কথা বলছেন। এই প্রসঙ্গে, সঠিক তথ্য নিচে দেওয়া হলো: 🌟 ব্রা (Bra) এর পূর্ণরূপ ও অর্থ 'ব্রা' হলো একটি সংক্ষিপ্ত রূপ (Abbreviation) নয়, বরং এটি একটি ফরাসি শব্দ থেকে এসেছে যা পরে ইংরেজিতে সংক্ষিপ্ত হয়েছে। অংশ বর্ণনা শব্দ: ব্রাসিয়ার (Brassiere) পূর্ণরূপ (Fবিস্তারিত পড়ুন
আপনি সম্ভবত মহিলাদের পরিধেয় বস্ত্র ‘ব্রা’ (Bra) এর কথা বলছেন।
এই প্রসঙ্গে, সঠিক তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
🌟 ব্রা (Bra) এর পূর্ণরূপ ও অর্থ
‘ব্রা’ হলো একটি সংক্ষিপ্ত রূপ (Abbreviation) নয়, বরং এটি একটি ফরাসি শব্দ থেকে এসেছে যা পরে ইংরেজিতে সংক্ষিপ্ত হয়েছে।
বক্ষবন্ধনীর মূল কাজ হলো মহিলাদের বক্ষ বা স্তনকে ধরে রাখা, সমর্থন দেওয়া এবং আকার বা আকৃতি প্রদান করা।
সংক্ষেপে দেখুন0 প্রথম সংখ্যা নাকি ১?
ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে, "১" (এক) সংখ্যাটি "০" (শূন্য) সংখ্যার অনেক আগে এসেছে। আধুনিক গণিতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে '০', যা যোগ-বিয়োগ-গুণ ভাগের জন্য ব্যবহার করা যায়, সেটি প্রথম প্রাচীন ভারতে আবিষ্কৃত হয়। প্রাচীন ভারতীয় গণিতবিদ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী আর্যভট্ট এবং ব্রহ্মগুপ্তের কাজের মাধ্যমে (খ্বিস্তারিত পড়ুন
ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে, “১” (এক) সংখ্যাটি “০” (শূন্য) সংখ্যার অনেক আগে এসেছে।
আধুনিক গণিতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে ‘০’, যা যোগ-বিয়োগ-গুণ ভাগের জন্য ব্যবহার করা যায়, সেটি প্রথম প্রাচীন ভারতে আবিষ্কৃত হয়। প্রাচীন ভারতীয় গণিতবিদ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী আর্যভট্ট এবং ব্রহ্মগুপ্তের কাজের মাধ্যমে (খ্রিস্টাব্দ ৫ম থেকে ৭ম শতকের মধ্যে) ‘০’-কে একটি পূর্ণ সংখ্যা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়।
অক্সফোর্ডের বখশালি পান্ডুলিপির কার্বন ডেটিং অনুসারে, খ্রিস্টাব্দ ৩য় বা ৪র্থ শতকের দিকেও শূন্যের (বিন্দুর মতো) ব্যবহার দেখা গেছে।
সুতরাং, মানুষ প্রথমে “আছে” (১) এই ধারণাটি চিহ্নিত করতে শেখে, এবং এর অনেক পরে “কিছু নেই” (০) এই ধারণাটিকে একটি গাণিতিক সংখ্যা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।
সংক্ষেপে দেখুনপারমাণবিক তত্ত্বের আদি পিতা কে?
বিজ্ঞানের ইতিহাসে যখন 'পারমাণবিক তত্ত্বের জনক' বা 'উদ্ভাবক' বলা হয়, তখন জন ডাল্টন (John Dalton) কেই বোঝানো হয়, কারণ তিনি দার্শনিক ধারণাটিকে পরীক্ষামূলক বিজ্ঞানের রূপ দিয়েছিলেন। কিন্তু ডেমোক্রিটাস (Democritus) কে উপেক্ষা করার উপায় নেই। কারণ তিনি প্রথম দার্শনিক হিসেবে ধারণা দেন যে, সকল পদার্থই এমনবিস্তারিত পড়ুন
বিজ্ঞানের ইতিহাসে যখন ‘পারমাণবিক তত্ত্বের জনক’ বা ‘উদ্ভাবক’ বলা হয়, তখন জন ডাল্টন (John Dalton) কেই বোঝানো হয়, কারণ তিনি দার্শনিক ধারণাটিকে পরীক্ষামূলক বিজ্ঞানের রূপ দিয়েছিলেন। কিন্তু ডেমোক্রিটাস (Democritus) কে উপেক্ষা করার উপায় নেই। কারণ তিনি প্রথম দার্শনিক হিসেবে ধারণা দেন যে, সকল পদার্থই এমন ক্ষুদ্র, অবিভাজ্য কণা দিয়ে তৈরি, যাকে আর ভাগ করা যায় না। তিনি এই কণাগুলোর নাম দিয়েছিলেন ‘Atomos’ (যার অর্থ অবিভাজ্য, যা থেকে ইংরেজি ‘Atom’ শব্দটি এসেছে)। এটি ছিল তত্ত্বের প্রথম বীজ, তবে কোনো বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা বা প্রমাণের ওপর প্রতিষ্ঠিত ছিল না।
সংক্ষেপে দেখুনবাইবেলের আদম এবং আল কোরআনের আদম (আঃ) এর মধ্যে পার্থক্য কোথায়?
বাইবেলের 'আদম' এবং আল কোরআনের 'আদম (আঃ)' উভয়ই প্রথম মানব এবং সৃষ্টিকর্তার আদেশে পৃথিবীতে প্রেরিত। তবে, তাদের বর্ণনা এবং সেই ঘটনার ধর্মতাত্ত্বিক ব্যাখ্যায় বেশ কিছু মৌলিক পার্থক্য রয়েছে, যা সংশ্লিষ্ট ধর্মগুলোর (খ্রিস্ট ধর্ম এবং ইসলাম ধর্ম) বিশ্বাসের ভিত্তি গড়ে তুলেছে। নিচে প্রধান পার্থক্যগুলো তুলে ধরবিস্তারিত পড়ুন
বাইবেলের ‘আদম’ এবং আল কোরআনের ‘আদম (আঃ)’ উভয়ই প্রথম মানব এবং সৃষ্টিকর্তার আদেশে পৃথিবীতে প্রেরিত। তবে, তাদের বর্ণনা এবং সেই ঘটনার ধর্মতাত্ত্বিক ব্যাখ্যায় বেশ কিছু মৌলিক পার্থক্য রয়েছে, যা সংশ্লিষ্ট ধর্মগুলোর (খ্রিস্ট ধর্ম এবং ইসলাম ধর্ম) বিশ্বাসের ভিত্তি গড়ে তুলেছে।
নিচে প্রধান পার্থক্যগুলো তুলে ধরা হলো:
১. মর্যাদা ও অবস্থান (Status and Role)
২. পতনের কারণ ও প্রকৃতি (The ‘Fall’ and Sin)
৩. বংশের ফলাফল (Consequences for Descendants)
৪. পৃথিবীতে আগমন (Arrival on Earth)
এই পার্থক্যগুলোই দুটি ধর্মের মধ্যে মানব প্রকৃতি, পাপের ধারণা, এবং সৃষ্টিকর্তার প্রতি মানুষের সম্পর্কের ক্ষেত্রে মৌলিক ভিন্নতা তৈরি করেছে।
সংক্ষেপে দেখুনবাংলাদেশের বাঙ্গালী আর ভারতীয় বাংগালীরা কাদের বংশধর?
@ashadkhandaker ভাইকে ধন্যবাদ সুন্দর প্রশ্নটি করার জন্য। যদিও এর উত্তর আমরা অনেকেই জানি অথবা পাঠ্যবইয়ে পড়েছি। তবুও আমি আরও সহজ করে বুঝিয়ে দিচ্ছি। সংক্ষেপে বললে, বাংলাদেশের বাঙ্গালী এবং ভারতীয় বাঙ্গালীরা (পশ্চিমবঙ্গের বাঙ্গালী) একই জাতিগত গোষ্ঠীর মানুষ। তাদের বংশধর বা পূর্বপুরুষ একই। ১৯৪৭ সালের দেশভবিস্তারিত পড়ুন
ashad khandaker ভাইকে ধন্যবাদ সুন্দর প্রশ্নটি করার জন্য। যদিও এর উত্তর আমরা অনেকেই জানি অথবা পাঠ্যবইয়ে পড়েছি। তবুও আমি আরও সহজ করে বুঝিয়ে দিচ্ছি।
সংক্ষেপে বললে, বাংলাদেশের বাঙ্গালী এবং ভারতীয় বাঙ্গালীরা (পশ্চিমবঙ্গের বাঙ্গালী) একই জাতিগত গোষ্ঠীর মানুষ। তাদের বংশধর বা পূর্বপুরুষ একই। ১৯৪৭ সালের দেশভাগের কারণে তারা রাজনৈতিকভাবে দুটি ভিন্ন দেশের নাগরিক হয়েছেন, কিন্তু তাদের জাতিগত উৎস একই।
বাঙ্গালী জাতি কোনো একটি একক গোষ্ঠী থেকে আসেনি। এটি একটি সংকর জাতি (Mixed ethnicity), যা হাজার হাজার বছর ধরে বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মিশ্রণে তৈরি হয়েছে।
বাঙ্গালীদের পূর্বপুরুষদের প্রধানত চারটি ভাগে ভাগ করা যায়, যারা বিভিন্ন সময়ে এই ব-দ্বীপ অঞ্চলে এসে বসতি স্থাপন করেছে:
১. অস্ট্রো-এশিয়াটিক (Austro-Asiatic) বা অস্ট্রিক
এরাই বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন জনগোষ্ঠী। প্রায় পাঁচ-ছয় হাজার বছর আগে তারা এই অঞ্চলে আসে। ধারণা করা হয়, আজকের দিনের সাঁওতাল, মুন্ডা, খাসি প্রভৃতি আদিবাসীরা এই ধারার মানুষ। বাঙ্গালীর মূল ভিত্তি বা কাঠামো এই অস্ট্রিক জনগোষ্ঠীই তৈরি করেছিল।
২. দ্রাবিড় (Dravidian)
অস্ট্রিকদের পরে এই অঞ্চলে দ্রাবিড় জনগোষ্ঠীর আগমন ঘটে। সিন্ধু সভ্যতার (হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারো) পতনের পর দ্রাবিড়রা ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে, যার মধ্যে বাংলাও ছিল। অস্ট্রিকদের সাথে দ্রাবিড়দের মিশ্রণ ঘটে, যা বাঙ্গালী জাতি গঠনের দ্বিতীয় ধাপ।
৩. ইন্দো-আর্য (Indo-Aryan)
খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ১৫০০ অব্দের দিকে বা তার কিছু পরে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আর্যরা বাংলায় প্রবেশ করতে শুরু করে। আর্যরা তাদের সাথে নিয়ে আসে সংস্কৃত ভাষা, যা থেকেই পরবর্তীতে পালি, প্রাকৃত এবং অপভ্রংশের মাধ্যমে আজকের ‘বাংলা’ ভাষার জন্ম হয়েছে। আর্যরা বাংলার আদি জনগোষ্ঠীর (অস্ট্রিক ও দ্রাবিড়) সাথে মিশে যায়।
৪. তিব্বতি-বর্মী (Tibeto-Burman)
বাংলার উত্তর এবং পূর্ব দিক (হিমালয়ের পাদদেশ, মিয়ানমার) থেকে মঙ্গোলয়েড বা তিব্বতি-বর্মী গোষ্ঠীর মানুষরাও বিভিন্ন সময়ে এসে মূল বাঙ্গালী জনগোষ্ঠীর সাথে মিশেছে। চাকমা, মারমা, গারো ইত্যাদি জনগোষ্ঠী এই ধারার উদাহরণ এবং তাদের প্রভাবও মূল বাঙ্গালী জনগোষ্ঠীর মধ্যে কমবেশি দেখা যায়।
সহজ কথায়…
বাঙ্গালী জাতি হলো একটি মিশ্র জাতি। এর ভিত্তি তৈরি করেছে অস্ট্রিক ও দ্রাবিড় জনগোষ্ঠী। পরবর্তীতে এর সাথে মিশেছে উত্তর থেকে আসা ইন্দো-আর্য এবং পূর্ব থেকে আসা তিব্বতি-বর্মী জনগোষ্ঠী।
তাই, আমাদের ভাষা (বাংলা) এসেছে ইন্দো-আর্য গোষ্ঠী থেকে, কিন্তু আমাদের রক্ত বা জাতিগত পরিচয় এই চারটি প্রধান ধারার এক জটিল ও হাজার বছরের পুরোনো মিশ্রণ।
সংক্ষেপে দেখুনকিছু হাসির জোকস শোনাবেন যেন পেটে খিল লেগে যায় হাসতে হাসতে?
শীতের মজার জোকস এবং অন্যান্য হাসির জোকসগুলি বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, যেমন মজার ছোট গল্প, ছন্দ, এবং হিউমারাস পরিস্থিতি। কিছু মজার উদাহরণ হল: শীত নিয়ে মজার জোকস শীতের হাওয়া এত ঠান্ডা যে পকেটমারও ভদ্রলোকের পকেটে হাত গরম করতে যায়! মেয়েদের হাসানোর জোকস এক মেয়ে তার টিচারকে জিজ্ঞেস করলো, ‘আমার মা কি প্রবিস্তারিত পড়ুন
শীতের মজার জোকস এবং অন্যান্য হাসির জোকসগুলি বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, যেমন মজার ছোট গল্প, ছন্দ, এবং হিউমারাস পরিস্থিতি। কিছু মজার উদাহরণ হল:
শীত নিয়ে মজার জোকস
শীতের হাওয়া এত ঠান্ডা যে পকেটমারও ভদ্রলোকের পকেটে হাত গরম করতে যায়!
মেয়েদের হাসানোর জোকস
এক মেয়ে তার টিচারকে জিজ্ঞেস করলো, ‘আমার মা কি প্রেগন্যান্ট হতে পারবে?’
টিচার বললেন, ‘হ্যাঁ, পারবে।’
তারপর মেয়েটি জিজ্ঞেস করলো, ‘আমি পারবো?’
টিচার বললেন, ‘না, তুমি পারবে না।’
পাশে থাকা এক ছেলে বলল, ‘দেখলি তো? চিন্তা করার কিছু নেই!’
ছোট জোকস
ক্লাসে টিচার জিজ্ঞেস করলেন, ‘আম পাকলে আকাশের দিকে না উঠে মাটিতে পড়ে কেন?’
ছাত্র বললো, ‘আকাশে তো খাওয়ার কেউ নাই, তাই!’
রোমান্টিক হাসির জোকস
বিয়ে হলোঃ ‘যা চাও তা পাও না, যা পাও তা উপভোগ করতে পারো না, আর যা উপভোগ করো তা চিরস্থায়ী নয়!’
এগুলো ছাড়াও, বিভিন্ন ক্যাপশন এবং হাসির ছন্দও দিতে পারবো যা সহজেই আপনার মুখে হাসি ফোটাতে পারে। আপনি যদি আরও মজার বাংলা জোকস পড়তে চান, তাহলে কমেন্টে জানান।
সংক্ষেপে দেখুনমহাকাশে পাঠানো বায়ো-স্পেস ক্যাপসুল এর কাজ কি?
মুলতঃ মহাশূন্যে মানুষ পাঠানোর জন্য বায়ো-স্পেস ক্যাপসুল বানিয়েছে ইরান।
মুলতঃ মহাশূন্যে মানুষ পাঠানোর জন্য বায়ো-স্পেস ক্যাপসুল বানিয়েছে ইরান।
সংক্ষেপে দেখুনশুধু পাসপোর্ট থাকলেই কোনসব দেশে যেতে পারবেন বাংলাদেশিরা ?
শুধু পাসপোর্ট থাকলে বা ভিসা ছাড়াই যেসব দেশে যেতে পারবেন বাংলাদেশিরা ভুটান, কম্বোডিয়া, মালদ্বীপ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, পূর্ব তিমুর, বলিভিয়া, বুরুন্ডি, কেপ ভার্দে, কমোরো দ্বীপপুঞ্জ, জিবুতি, গিনি-বিসাউ, লেসোথো, মাদাগাস্কার, মৌরিতানিয়া, মোজাম্বিক, রুয়ান্ডা, সেশেলস, সিয়েরা লিওন, সোমালিয়া, গাম্বিয়া, টোগো, কেনবিস্তারিত পড়ুন
শুধু পাসপোর্ট থাকলে বা ভিসা ছাড়াই যেসব দেশে যেতে পারবেন বাংলাদেশিরা
পৃথিবীর সব কিছু সৃষ্টির মূল উপাদান কোনটি?
পৃথিবীর সকল কিছু সৃষ্টির মূল উপাদান পানি। এই মৌলিক উপাদান পৃথিবীর সকল জীবদেহের মধ্যে বিদ্যমান। এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ বলেন, وَجَعَلْنَا مِنَ الْمَاءِ كُلَّ شَيْءٍ حَيٍّ 'আর প্রাণবান সমস্ত কিছু সৃষ্টি করলাম পানি হতে (আম্বিয়া ২১/৩০)।
পৃথিবীর সকল কিছু সৃষ্টির মূল উপাদান পানি। এই মৌলিক উপাদান পৃথিবীর সকল জীবদেহের মধ্যে বিদ্যমান। এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ বলেন, وَجَعَلْنَا مِنَ الْمَاءِ كُلَّ شَيْءٍ حَيٍّ ‘আর প্রাণবান সমস্ত কিছু সৃষ্টি করলাম পানি হতে (আম্বিয়া ২১/৩০)।
সংক্ষেপে দেখুনপরিবেশবান্ধব 'গ্রিন পেন “ কি?
কাগজ দিয়ে বিশেষ একধরনের পরিবেশবান্ধব 'গ্রিন পেন' উদ্ভাবন করা হয়েছে। পরিবেশবান্ধব এ কলম লেখা শেষে মাটিতে পুঁতলেই হবে গাছ। এটি লেখার কাজ করার পাশাপাশি সবুজ বনায়নে কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে বলে জানান 'গ্রিন ইকো'র প্রতিষ্ঠাতা সঞ্জয় চৌধুরী।
কাগজ দিয়ে বিশেষ একধরনের পরিবেশবান্ধব ‘গ্রিন পেন‘ উদ্ভাবন করা হয়েছে। পরিবেশবান্ধব এ কলম লেখা শেষে মাটিতে পুঁতলেই হবে গাছ। এটি লেখার কাজ করার পাশাপাশি সবুজ বনায়নে কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে বলে জানান ‘গ্রিন ইকো’র প্রতিষ্ঠাতা সঞ্জয় চৌধুরী।
সংক্ষেপে দেখুনআমাকে এমন একটি উপদেশ দিন যা জীবনে চলার পথে অনুসরণ করা উচিত
সিংহ একটি পাথরে বসলেও সেটি সিংহাসন হয়ে যায়। তাই নিজেকে সিংহের মত তৈরি করুন, যেন আপনি যেখানে বসবেন সেটিই সিংহাসন হয়ে যায়। শুভেচ্ছা আপনাকে!
সিংহ একটি পাথরে বসলেও সেটি সিংহাসন হয়ে যায়। তাই নিজেকে সিংহের মত তৈরি করুন, যেন আপনি যেখানে বসবেন সেটিই সিংহাসন হয়ে যায়।
শুভেচ্ছা আপনাকে!
সংক্ষেপে দেখুনরাসুল (সাঃ) এর সর্বশেষ সাহাবি কত হিজরি পর্যন্ত জীবিত ছিলেন?
রাসুল (সাঃ) এর সর্বশেষ সাহাবি ছিলেন আনাস ইবনে মালিক ইবনে নাদার আল-খাজরাজ আল-আনসারি।তিনি ৯৩ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।
রাসুল (সাঃ) এর সর্বশেষ সাহাবি ছিলেন আনাস ইবনে মালিক ইবনে নাদার আল-খাজরাজ আল-আনসারি।তিনি ৯৩ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।
সংক্ষেপে দেখুনপ্রাণীজগতের উৎপত্তি ও বংশ সম্বন্ধীয় বিদ্যাকে কি বলে ?
প্রাণীজগতের উৎপত্তি ও বংশ সম্বন্ধীয় বিদ্যাকে বলা হয় জেনেটিক্স।
প্রাণীজগতের উৎপত্তি ও বংশ সম্বন্ধীয় বিদ্যাকে বলা হয় জেনেটিক্স।
সংক্ষেপে দেখুনপ্রেমিকা যদি পরিবারের অমতের অজুহাতে সম্পর্ক ভেঙে দেয়, তখন কী করা দরকার?
দারুন লিখেছেন!
দারুন লিখেছেন!
সংক্ষেপে দেখুনবাংলা টু ইংলিশ অথবা ইংলিশ টু বাংলা ট্রান্সলেট করার ক্ষেত্রে গুগল ট্রান্সলেটর কতটা সহায়ক হবে? অন্যান্য english to bengali translation app অথবা ডিকশনারি কি গুগলের থেকেও ভাল হতে পারে?
ধন্যবাদ আপু, কিন্তু আপনি উত্তরটি ব্যক্তিগত উত্তর করে রেখেছেন কেন? অন্য কেউ তো দেখতে পারবে না।
ধন্যবাদ আপু,
সংক্ষেপে দেখুনকিন্তু আপনি উত্তরটি ব্যক্তিগত উত্তর করে রেখেছেন কেন? অন্য কেউ তো দেখতে পারবে না।
ছেলে দিয়ে বংশ রক্ষা হয়, মেয়ে দিয়ে হয় না কেন?
কে বলেছে হয়না? বংশ হচ্ছে আপনার নিজের জিনের বর্ধিতকরণ। Extension of one's genes. আপনার নিজের জিন আরেকজনের শরীরে হস্তান্তর করা। আপনার পুত্র যে জিনের অধিকারী হবেন তার ৫০ ভাগ আপনার দেওয়া, বাকি ৫০ ভাগ আপনার স্ত্রীর দেওয়া। আপনার কন্যা যে জিন বহন করছে তার ৫০ ভাগ আপনার দেওয়া, বাকি ৫০ ভাগ আপনার স্ত্রীর দেওয়াবিস্তারিত পড়ুন
কে বলেছে হয়না? বংশ হচ্ছে আপনার নিজের জিনের বর্ধিতকরণ। Extension of one’s genes. আপনার নিজের জিন আরেকজনের শরীরে হস্তান্তর করা।
আপনার পুত্র যে জিনের অধিকারী হবেন তার ৫০ ভাগ আপনার দেওয়া, বাকি ৫০ ভাগ আপনার স্ত্রীর দেওয়া।
আপনার কন্যা যে জিন বহন করছে তার ৫০ ভাগ আপনার দেওয়া, বাকি ৫০ ভাগ আপনার স্ত্রীর দেওয়া।
আপনার পুত্রের পুত্র বা কন্যা এর শরীরের জিনে আপনার অংশদারিত্ব ২৫ ভাগ, আপনার কন্যার পুত্র বা কন্যার শরীরেও আপনার অংশদারিত্ব ২৫ ভাগ।
জিনের হিসেবে পুত্র ও কন্যার কোন ফারাক নাই। বংশ রক্ষায় উভয়ের অবদান ও সম্ভাবনা সমান।
পুত্র দিয়ে যেই পরিমান বংশ রক্ষা হয়, কন্যা দিয়েও একই পরিমান বংশ রক্ষা হয়।
সংক্ষেপে দেখুনছিনতাইকারীর হাতে ধরা পড়লে কিভাবে বাঁচা যায়?
আপনার ১১ নাম্বার পথ অনুসরণ করতে গেলে জীবন যাওয়ার সম্ভাবনা আছে!
আপনার ১১ নাম্বার পথ অনুসরণ করতে গেলে জীবন যাওয়ার সম্ভাবনা আছে!
সংক্ষেপে দেখুনছেলেরা বাম হাতে, মেয়েরা ডান হাতে ঘড়ি পরে কেন?
ঘড়ি পরার রীতি গড়ে উঠেছে - যে হাতে লোকেরা কম কাজ করে সেই হাতে। এই নিয়ম অনুসারে, বেশিরভাগ লোকেরা ডানহাতি হয় এবং ঘড়িটি বাম হাতে পরা হয়, যাতে ডান হাতে কাজ করা সুবিধাজনক হয়। এই কারণে পুরুষরা বাম হাতে ঘড়ি পরেন। তাহলে মেয়েদেরও বাঁহাতি হতে হবে। যদিও এখন অনেক মেয়েই বাম হাতে ঘড়ি পরে। মেয়েরা ডান হাবিস্তারিত পড়ুন
ঘড়ি পরার রীতি গড়ে উঠেছে – যে হাতে লোকেরা কম কাজ করে সেই হাতে।
এই নিয়ম অনুসারে, বেশিরভাগ লোকেরা ডানহাতি হয় এবং ঘড়িটি বাম হাতে পরা হয়, যাতে ডান হাতে কাজ করা সুবিধাজনক হয়। এই কারণে পুরুষরা বাম হাতে ঘড়ি পরেন।
তাহলে মেয়েদেরও বাঁহাতি হতে হবে। যদিও এখন অনেক মেয়েই বাম হাতে ঘড়ি পরে।
মেয়েরা ডান হাতে ঘড়ি পরছে লোক দেখানোর জন্য। বাম হাতে আংটি পরে বলে বাহাতে চুড়ি, ব্রেসলেটও পরে। খালি থাকা ডান হাতকে তখন ঘড়ির কাজে ব্যবহার করে।
যদি এটি নান্দনিকতার জন্য না হয় তাহলে বাম হাতে ঘড়িটি পরা ভাল। কারণ ডানহাতি লোকেরা তাদের ডান হাত দিয়ে বেশি কাজ করে।
সংক্ষেপে দেখুনকম্পিউটারের জনক এবং আধুনিক কম্পিউটারের জনক কে?
আধুনিক কম্পিউটারের জনক কে আমরা এখন যে কম্পিউটার দেখতে পাচ্ছি এটা কিন্তু প্রথম অবস্থায় এরকম ছিল না প্রাথমিক অবস্থায় কম্পিউটারটি ছিল অনেকটা বৃহৎ আকারের বর্তমানে যে কম্পিউটার গুলো ব্যবহার করা হয় এগুলো হচ্ছে আধুনিক সংস্করণ আধুনিক কম্পিউটারের জনক জন ভন নিউম্যান। কম্পিউটারের জনক কে পৃথিবীর উন্নয়নে যেবিস্তারিত পড়ুন
আধুনিক কম্পিউটারের জনক কে
আমরা এখন যে কম্পিউটার দেখতে পাচ্ছি এটা কিন্তু প্রথম অবস্থায় এরকম ছিল না প্রাথমিক অবস্থায় কম্পিউটারটি ছিল অনেকটা বৃহৎ আকারের বর্তমানে যে কম্পিউটার গুলো ব্যবহার করা হয় এগুলো হচ্ছে আধুনিক সংস্করণ আধুনিক কম্পিউটারের জনক জন ভন নিউম্যান।
কম্পিউটারের জনক কে
পৃথিবীর উন্নয়নে যে যন্ত্রটি অবদান সবচাইতে বেশি সেটি হচ্ছে গাণিতিক স্বাস্থ্য আর গাণিতিক স্বাস্থ্যের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার হচ্ছে কম্পিউটার আর এই কম্পিউটারের জনক হলেন চার্লস ব্যাবেজ।
সুপার কম্পিউটারের জনক কে
সুপার মাইক্রো কম্পিউটার ল্যাপটপ কম্পিউটার আবার দুই ভাগে … আধুনিক কম্পিউটারের জনক কে? Computer কম্পিউটারের জনক কে আজকের এই তথ্য প্রযুক্তির যুগে আমরা বিজ্ঞানের পুজারি ..সুপার কম্পিউটারের উদ্ভাবক কে? উত্তর : সেসুর ক্রে।
পার্সোনাল কম্পিউটারের জনক কে
আধুনিক পার্সোনাল কম্পিউটার বা ছোট কম্পিউটারের জনক বলা হয় জন ভন নিউম্যান কে। জন ভন নিউম্যান কম্পিউটারকে মানুষের ব্যবহারের জন্য একেবারে পারছনা মিনি কম্পিউটার এ পরিণত করেছে আমরা এখন যে ল্যাপটপ বা মিনি কম্পিউটার গুলো দেখতে পাই এগুলোকে পার্সোনাল কম্পিউটার বলা হয়ে থাকে।
মিনি কম্পিউটারের জনক কে
এটির উদ্ভাবক ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেড হফ, স্ট্যান মেজর, ফেডরিকো ফ্যাগিন এবং জাপানের মাসাতোশি শিমা। মিনি কম্পিউটার সংজ্ঞাটি ব্যবহার করা হত এমন একটি মেশিনকে বোঝাতে যা কম্পিউটার জগতে মধ্যম সারির, যা মাইক্রোকম্পিউটার এবং মেইনফ্রেম কম্পিউটারের মাঝে রয়েছে।
🥰🤩 ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনঈদ মোবারক শুভেচ্ছা স্ট্যাটাস ও পোস্টার ডিজাইন সাথে চমৎকার পিকচার ব্যাকগ্রাউন্ড ব্যানার
ঈদ মোবারক শুভেচ্ছা ঈদ মানেই আনন্দ, ঈদ মানেই খুশি। ঈদের দিনের নানা রকমের আয়োজনের কমতি থাকে না। প্রিয় মানুষগুলোকে ঈদের শুভেচ্ছা জানাতে মোবাইল এসএমএস একটি সুন্দর পদ্ধতি। নিচে ঈদের এসএমএস, ছবি, পিকচার, ভিডিও দেওয়া হলো: ঈদ এস এম এস বাংলা (Bangla Eid SMS) ফুলে ফুলে সাজিয়ে রেখেছি এই মন। তুমি আসলে দুজনে মিলবিস্তারিত পড়ুন
ঈদ মোবারক শুভেচ্ছা
ঈদ মানেই আনন্দ, ঈদ মানেই খুশি। ঈদের দিনের নানা রকমের আয়োজনের কমতি থাকে না। প্রিয় মানুষগুলোকে ঈদের শুভেচ্ছা জানাতে মোবাইল এসএমএস একটি সুন্দর পদ্ধতি। নিচে ঈদের এসএমএস, ছবি, পিকচার, ভিডিও দেওয়া হলো:
ঈদ এস এম এস বাংলা (Bangla Eid SMS)
ফুলে ফুলে সাজিয়ে রেখেছি এই মন।
তুমি আসলে দুজনে মিলে আনন্দ করবো সারাক্ষণ।
বন্ধু তুমি আসবে বলে দরজায় থাকি দরিয়ে।
ঈদ মোবারক, শুভ হোক তোমার ঈদের দিন।
সোনালি সকাল, রোদেলা দুপুর,
পরন্ত বিকেল, গুধোলী সন্ধা, চাদণি রাত।
সব রঙ্গে রাঙ্গিয়ে থাক
আপনার সারাটি বছর, সারাটি জীবন।
এই কামনায় “ঈদ মোবারাক”
ঈদের শুভেচ্ছা জানাই তোমাকে,
অনেক বেশি খুশি ঘিরে রাখুক তোমাকে,
সব আপনজনের মায়া মাতিয়ে রাখুক তোমাকে,
শুধু যখন সালামি পাবে মনে করিও আমাকে
এই এসএমএস, যার কাছে যাবি,
যাকে পাবি, তাকেই আমার সালাম দিবি,
লাল গোলাপের ভালোবাসা দিয়ে ঈদের দাওয়াত জানাবি,
আর মিষ্টি করে বলবি ঈদ মোবারক
বলছি আমি আমার কথা,
ঈদে থাকবে নাকো মনের ব্যাথা,
আমার জীবনে অনেক চাওয়া,
ঈদ থেকে সব পাওয়া,
ঈদের প্রতি তাই এত্ত ভালোবাসা,
তোর ইচ্ছাগুলো উড়ে বেড়াক পাখনা দুটি মেলে,
দিনগুলি তোর যাকনা কেটে এমনি হেসে খেলে।
অপূর্ণ না থাকে যেন তোর কোন সুখ,
এই কামনায় ঈদ মোবারক।
ঈদ মানে খুশি, ঈদ মানে আনন্দ,
ঈদ মানে ভুলিয়া দিতে সকল বিভেদ দ্বন্দ।
ঈদ মানে ভুলে যাওয়া যত দুঃখ-ভয়,
ঈদের মতোই তোমার জীবনটা হোক দিপ্তময়।
ঈদের শুভেচ্ছা এসএমএস (eid sms 2022)
স্বপ্ন সাজাও রঙের মেলায়,,,, জীবন ভাষাও রঙিন ভেলায়,,,,,,,। ফিরে চলো মাটির টানে, নতুন সুরে নতুন গানে। নতুন আশা জাগাও প্রানে,,,,,,, খুজেঁ নাও বাচার মানে। সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা *****ঈদ মোবারক*****।
নতুন পোশাক নতুন সাজ,,,,,, আনন্দের দিন শুরু আজ। মিষ্টি মন,,,,,,, মিস্টি হাসি,,,,, ঈদের শুভেচ্ছা জানাই রাশি রাশি। ****ঈদ মোবারক****
ঈদের মেসেজ । ঈদ মোবারক মেসেজ । EID মেসেজ
বাংলা ঈদ এসএমএস, বাংলা এস এম এস ঈদ ২০২২, ঈদ মোবারক এসএমএস, ঈদ এসএমএস, বাংলা ঈদ এস এম এস, লেখা এসএমএস, বাংলা ঈদ এসএমএস গ্রালফ্রেন্ড এস জন্য, ঈদ উল ফিতর এসএমএস, ঈদের মেসেজ, রোমান্টিক ঈদের মেসেজ, রোমান্টিক ঈদের মেসেজ, Bangla eid sms, EID sms bangla, EId mubarok sms, Eid bangla sms, eid msg, Eid er mgs, EID S M S, eid bangla mobile smsMobile eid sms.
সংক্ষেপে দেখুন