সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
নির্মাণকাজে মরুভূমির বালু কেন ব্যবহার করা হয়না?
মরুভূমির বালু দিয়ে কোনো কনস্ট্রাকশন ওয়ার্ক করা হয় না, কারণ, কনস্ট্রাকশন মজবুত হবে না। মরুভূমির বালু খুবই মসৃণ থাকে এবং অনেকটাই রাউন্ড শেপ হয়, যার ফলে, সিমেন্ট থাকা সত্বেও, জয়েন্ট শক্ত হবে না।স্ট্রং জয়েন্ট এর জন্য rough surface দরকার এবং কোণ থাকা দরকার, যাতে, পারস্পরিকভাবে দুটো তল মিশে যায় এবংবিস্তারিত পড়ুন
মরুভূমির বালু দিয়ে কোনো কনস্ট্রাকশন ওয়ার্ক করা হয় না, কারণ, কনস্ট্রাকশন মজবুত হবে না। মরুভূমির বালু খুবই মসৃণ থাকে এবং অনেকটাই রাউন্ড শেপ হয়, যার ফলে, সিমেন্ট থাকা সত্বেও, জয়েন্ট শক্ত হবে না।স্ট্রং জয়েন্ট এর জন্য rough surface দরকার এবং কোণ থাকা দরকার, যাতে, পারস্পরিকভাবে দুটো তল মিশে যায় এবং মাঝখানে ফাঁক না থাকে, বায়ু যাতে চলাচল না করতে পারে, তাহলেই জয়েন্ট শক্ত হবে।মরুভূমির বায়ু angular shape না হওয়ার জন্যই এর দ্বারা মজবুত জয়েন্ট করা সম্ভব নয়।সেজন্য, নির্মাণ কাজে একে ব্যবহার করা হয় না।
সংক্ষেপে দেখুননির্মাণকাজে মরুভূমির বালু কেন ব্যবহার করা হয়না?
মরুভূমির বালু বায়ু প্রবাহের মাধ্যমে পরস্পরের সাথে ঘর্ষনের ফলে গোলাকৃতি ধারন করে যা মানসম্পন্ন জোড়ক সামাগ্রীর উপস্থিতি স্বত্বেও কংক্রিটে প্রয়জনীয় বন্ধন সৃষ্টি করতে ব্যার্থ হয়। আর তাই নির্মান কাজে মরুভূমির বালু ব্যাবহৃত হয় না। Bhalo lagle aamay technology channel ta ghure aaste paren https://www.youtuবিস্তারিত পড়ুন
মরুভূমির বালু বায়ু প্রবাহের মাধ্যমে পরস্পরের সাথে ঘর্ষনের ফলে গোলাকৃতি ধারন করে যা মানসম্পন্ন জোড়ক সামাগ্রীর উপস্থিতি স্বত্বেও কংক্রিটে প্রয়জনীয় বন্ধন সৃষ্টি করতে ব্যার্থ হয়। আর তাই নির্মান কাজে মরুভূমির বালু ব্যাবহৃত হয় না।
Bhalo lagle aamay technology channel ta ghure aaste paren
https://www.youtube.com/allaboutsubha
সংক্ষেপে দেখুনকেন ব্রহ্মপুত্র কে নদ বলা হয়? নদ এবং নদীর মধ্যে পার্থক্য কি?
নদ’ আর ‘নদী’ এই দুইয়ের মধ্যে পার্থক্য কি? এই প্রশ্ন করা হলে বেশির ভাগ লোকই এই উত্তরটা দেন—নদীর শাখা আছে, নদের শাখা থাকে না।আসলে এটি সঠিক উত্তর নয়। নদ’ আর ‘নদী’ এই দুইয়ের মধ্যে মেইন যে পার্থক্য তা হচ্ছে ব্যাকরণগত। বাংলা, হিন্দি ও ফারসি ইত্যাদি ভাষার ক্ষেত্রে, পুরুষবাচক শব্দ সাধারণত অ-কারান্ত এবং নারীবিস্তারিত পড়ুন
নদ’ আর ‘নদী’ এই দুইয়ের মধ্যে পার্থক্য কি? এই প্রশ্ন করা হলে বেশির ভাগ লোকই এই উত্তরটা দেন—নদীর শাখা আছে, নদের শাখা থাকে না।আসলে এটি সঠিক উত্তর নয়।
নদ’ আর ‘নদী’ এই দুইয়ের মধ্যে মেইন যে পার্থক্য তা হচ্ছে ব্যাকরণগত।
বাংলা, হিন্দি ও ফারসি ইত্যাদি ভাষার ক্ষেত্রে, পুরুষবাচক শব্দ সাধারণত অ-কারান্ত এবং নারীবাচক শব্দ আ-কারান্ত বা ই, ঈ-কারান্ত হয়।
তাই যে সকল নদীর নামের শেষে প্রত্যয় অ-কারান্ত তারা নদ(পুরুষবাচক) আর যে সকল নদীর নাম আ-কারান্ত বা ঈ, ই-কারান্ত তারা নদী(নারীবাচক)
এই কারণে আড়িয়াল খাঁ, এটি পুরুষ নাম জ্ঞাপক হলেও যেহেতু শেষে আ-কার রয়েছে সে জন্য এটি নদ না হয়ে নদী। আবার নীল,ব্রহ্মপুত্র,কপতোক্ষ এদের শেষে যেহেতু অ-প্রত্যয় রয়েছে, সেই সূত্রে এগুলো নদ।
আশা করি নদ ও নদীর মূলোৎপাটন করতে পারলাম।
https://allaboutsubha.blogspot.com/
সংক্ষেপে দেখুনhttps://knoworld18.blogspot.com/
https://youtube.com/allaboutsubha/
10 best Netflix movies of satyajit ray
1. Pather Panchali 2. Aparajito 3. Parash Pathar 4. Jalsaghar 5. Apur Sansar 6. Devi 7. Teen Kanya 8. Rabindranath Tagore 9. Kanchenjungha (1962) 10. Abhijan https://allaboutsubha.blogspot.com/
1. Pather Panchali
2. Aparajito
3. Parash Pathar
4. Jalsaghar
5. Apur Sansar
6. Devi
7. Teen Kanya
8. Rabindranath Tagore
9. Kanchenjungha (1962)
10. Abhijan
https://allaboutsubha.blogspot.com/
সংক্ষেপে দেখুনপিরিয়ডের বা মাসিকের ব্যথা কমানোর ঔষধ এর লিস্ট এবং কার্যকরী ওষুধ কোনটি?
পিরিয়ডের সময় এলেই সবচেয়ে বেশি ভয় থাকে ব্যাথা নিয়ে। অনেকেই ভোগেন ডিসমেনোরিয়ায়। তলপেটে প্রচণ্ড ব্যথা ছড়িয়ে পড়ে কোমর, ঊরু ও পা পর্যন্ত। এমনকি স্তনেও ব্যাথা হয় অনেকের। রক্তক্ষরণের চেয়ে এই ব্যাথা কাবু দেয় মহিলাদের। ১২-৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হয় সেই ব্যথা। ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে প্রাইমারি ডিসমেনোরিয়ারবিস্তারিত পড়ুন
পিরিয়ডের সময় এলেই সবচেয়ে বেশি ভয় থাকে ব্যাথা নিয়ে। অনেকেই ভোগেন ডিসমেনোরিয়ায়। তলপেটে প্রচণ্ড ব্যথা ছড়িয়ে পড়ে কোমর, ঊরু ও পা পর্যন্ত। এমনকি স্তনেও ব্যাথা হয় অনেকের। রক্তক্ষরণের চেয়ে এই ব্যাথা কাবু দেয় মহিলাদের। ১২-৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হয় সেই ব্যথা। ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে প্রাইমারি ডিসমেনোরিয়ার কষ্টগুলো অনেকাংশে কমানো সম্ভব হয়।
* দৈনিক কমপক্ষে সাত-আট ঘণ্টা ঘুম চাই। * পর্যাপ্ত জল খান। বিভিন্ন ধরনের শরবত, ফলের রস, আদা-লেবু-পুদিনা পাতাযুক্ত চা পান করুন। * মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকুন। * পুষ্টিকর খাবার খান। * অতিরিক্ত চিনি-লবণযুক্ত খাবার, ক্যাফেইন, অ্যালকোহল, তামাক ইত্যাদি দূরে থাকুন। * প্রতিদিন সকালের রোদ লাগান শরীরে।
*এছাড়া পিরিয়ডের ব্যথার সময় তলপেটে কয়েক ফোঁটা ল্যাভেন্ডার তেল মালিশ করুন। ১০- ১৫ মিনিটের মধ্যে এটি আপনার ব্যথা কমিয়ে দেবে অনেকখানি। * পেটে ব্যথার সময় গরম জলের সেঁক দিতে পারেন। হট ওয়াটার ব্যাগও ব্যবহার করতে পারেন। এটি আপনার ব্যথা অনেকটা কমিয়ে দেবে। গরম জলে স্নানও করতে পারেন।
যে যে খাবার আপনার ব্যাথা অনেকটা কম করবে আদা বেশ উপকারী পিরিয়ডের ব্যথা রোধের জন্য। আদা চা পান করলে এই সময় বেশ ভালো উপকার পাওয়া যায়। এছাড়া কয়েক টুকরো আদা গরম জলে সেদ্ধ করে মধু-চিনি সহযোগে দিনে তিন-চারবার পান করতে পারেন। পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর জন্য পেঁপে খাওয়া বেশ কার্যকর। পিরিয়ডের সময় নিয়মিত কাঁচা পেঁপে খেতে পারেন। কাঁচা পেঁপে পিরিয়ডের ব্যথা কমিয়ে দেয়।
অ্যালোভেরা রসের সাথে মধু মিশিয়ে একটি জুস তৈরি করে ফেলুন। পিরিয়ডের ব্যথার সময় এটি পান করুন। দিনে কয়েকবার এটি পান করুন। ব্যথা অনেকখানি কমিয়ে দেবে এই পানীয়। গরম দুধ খেলেও উপকার পাবেন।
শরীর চর্চায় কমবে ব্যাথা মেঝেতে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে কোমর থেকে শরীরের ওপরের অংশ এমনভাবে ভাঁজ করুন, যাতে হাতসহ শরীরের ওপরের অংশ মেঝের সমান্তরালে থাকে। হাঁটু যাতে ভাঁজ না হয়। এ অবস্থায় পাঁচ সেকেন্ড থাকুন। পায়ের আঙুলের ওপর ভর করে সোজা হয়ে দাঁড়ান। এবার হাত দুটো সামনে টান টান করে প্রসারিত করুন। এ অবস্থায় পাঁচ সেকেন্ড থাকুন। হাফ স্কোয়াটিং পজিশনে বসে হাত দুটো সামনে টান টান করে প্রসারিত করুন। এ অবস্থায় পাঁচ সেকেন্ড থাকুন। মেঝেতে দুই পা ফাঁক করে দাঁড়ান। এবার ডান হাত দিয়ে বাঁ পায়ের গোড়ালি ধরার চেষ্টা করুন। এই সময় বাঁ হাত উঁচু করে বাঁ দিকে তাকানোর চেষ্টা করুন। এ অবস্থায় পাঁচ সেকেন্ড থাকুন। একইভাবে অপর হাত দিয়েও ব্যায়াম করুন।
https://allaboutsubha.blogspot.com/
সংক্ষেপে দেখুনপিরিয়ডের বা মাসিকের ব্যথা কমানোর ঔষধ এর লিস্ট এবং কার্যকরী ওষুধ কোনটি?
পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর ঔষধ viset ঔষধ খেলে ব্যথা কমবে কিন্তু পরবর্তী মাসে আবার ব্যথা হবে ৷ এটা কেবল ব্যথা কমাবে ৷ রোগ বা সমস্যা দুর করবে না ৷ তাই চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করে ঔষধ সেবন করাটাই সবচেয়ে ভালো হবে ৷ নিচে কিছু ঘরোয়া উপায় দিলাম যা ঔষধের বিকল্প হিসেবে মেনে চলতে পারেন। এতে ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিবিস্তারিত পড়ুন
পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর ঔষধ
viset ঔষধ খেলে ব্যথা কমবে কিন্তু পরবর্তী মাসে আবার ব্যথা হবে ৷ এটা কেবল ব্যথা কমাবে ৷ রোগ বা সমস্যা দুর করবে না ৷ তাই চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করে ঔষধ সেবন করাটাই সবচেয়ে ভালো হবে ৷
নিচে কিছু ঘরোয়া উপায় দিলাম যা ঔষধের বিকল্প হিসেবে মেনে চলতে পারেন। এতে ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকে বেঁচে যাবেন।
পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর ঘরোয়া উপায়
তালিকা থেকে কিছু খাবার বাদ দিন
পিরিয়ড চলাকালীন খাদ্য তালিকা থেকে কিছু খাবার বাদ দিন। বাড়তি লবণ, চা-কফি বা ক্যাফেইন জাতীয় যে কোনো পানীয়, চিনি ও দুগ্ধ জাতীয় খাবার। এতে পিরিয়ডের সময় স্তন ও তলপেট ব্যথা হতে মুক্তি পাবেন।
ব্যায়াম
অনেক মেয়েরই পিরিয়ডের আগে ও পরে স্তনে ব্যথা হয়। তাই সাবধানে ব্যায়াম করতে করতে হবে। এমন কোনো ব্যায়াম করবেন না যাতে বুকে চাপ পড়ে। এমন ব্যায়াম করুন, যেগুলো শরীরের নিচের অংশে কার্যকর। এক্ষেত্রে সাইকেল চালানো, হাঁটা, ভুল ব্যায়াম পরিস্থিতি আরও খারাপ করে দেবে।
স্তনে ব্যথা কমাবে
কিছু বিশেষ ধরনের ব্যায়াম আছে, যেগুলো এই স্তনে ব্যথা কমায়।ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলে সেই ব্যায়ামগুলো করতে পারেন। স্তনকে সাপোর্ট দেয়, এমন ব্রা পরিধান করুন। সঠিক মাপের আরামদায়ক ব্রা ব্যথা কমাতে সহায়তা করবে।
ঠাণ্ডা লাগানো যাবে না
পিরিয়ড চলাকালীন শরীরে ঠাণ্ডা লাগানো যাবে না। এ সময় ঠাণ্ডা লাগলে স্তন, হাত-পা ও কোমরের ব্যথা বেড়ে যাবে। এছাড়া পিরিয়ড চলাকালীন স্তনে কোনো প্রকার চাপ দেবেন না, এতে ব্যথা আরও বাড়বে।
গরম পানির সেক
পিরিয়ড চলাকালীন তলপেট, স্তন, কোমর, হাত ও পায়ের ব্যথা অতিরিক্ত বেড়ে গেলে গরম পানির সেঁকা দিতে পারেন। তবে হালকা গরম তেল দিয়ে ব্যথায় অংশে ম্যাসেজ পারেন। যদি ব্যথা খুব বাড়ে তবে প্যারাসিটামল বা ব্যথা জাতীয় ওষুধ খেতে পারে। তবে অতিরিক্ত ওষুধ খাওয়া যাবে না।
ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার
পিরিয়ডের ব্যথায় কমাতে ভিটামিন ই এবং বি বেশ উপকারী। পিরিয়ডের সময় যাদের তীব্র ব্যথা হয় তারা ভিটামিন ই, বি১, বি৬, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডযুক্ত খাবার খেলে উপকার পাবেন। যেমন -চিনা বাদাম, পেস্তা বাদাম, বাঁধাকপি, আম, মাছ, ওটমিল, কলা, ডিম, সবুজ শাকসবজি, গম, ডাল ইত্যাদি খাবারগুলো কেতে পারেন। এই খাবারগুলো পেশির সংকোচনজনিত পিরিয়ডের ব্যথা থেকে স্বস্তি পেতে সহায়তা করবে।
ব্যথা সারাতে মেথি
পিরিয়ডের ব্যথাসহ যে কোনো ব্যথা সারাতে ব্যথা মেথির জুড়ি নেই। মেথি একটি ভেষজ ওষুধ। এক চা চামচ পরিমাণ মেথি ভালো করে ধুয়ে নিন। এবার মেথিটুকু চিবিয়ে খেয়ে ফেলুন। দেখবেন ব্যথা থেকে মুক্তি মিলবে।
তথ্যসূত্রঃ
সংক্ষেপে দেখুনদৈনিক যুগান্তর ( https://www.jugantor.com/lifestyle/656/%E0%A6%93%E0%A6%B7%E0%A7%81%E0%A6%A7-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A7%9F )
@ এর জনক কে? @ এর বাংলা কি?
Ray Tomlinson, email inventor and selector of @ symbol, dies aged 74. Ray Tomlinson, the inventor of email and the man who picked the @ symbol for addresses, has died aged 74 https://www.youtube.com/watch?v=s5u5LAzHeMk উত্তর টি ভাল লাগলে আমার YOUTUBE CHANNEL টা ঘুরে আসতে পারেন। Allaboutsubha
Ray Tomlinson, email inventor and selector of @ symbol, dies aged 74. Ray Tomlinson, the inventor of email and the man who picked the @ symbol for addresses, has died aged 74
https://www.youtube.com/watch?v=s5u5LAzHeMk
উত্তর টি ভাল লাগলে আমার YOUTUBE CHANNEL টা ঘুরে আসতে পারেন।
Allaboutsubha
সংক্ষেপে দেখুনফেসবুক এর সার্ভার হঠাৎ ডাউন হওয়ার কারণ কি?
ফেসবুক ডাউন থাকার ঘটনা এর আগেও ঘটেছে তবে সেটা বিশেষ কিছু লোকেশন কিংবা কিছু কিছু দেশের ক্ষেত্রে। তবে এবারই প্রথমবার এই ধরনের ঘটনা ঘটল যেখানে ফেসবুকের হেডকোয়ার্টারেও সব সেবা বন্ধ ছিল। এমনকি ফেসবুকের কর্মীরা যারা অনলাইনে ওয়ার্কপ্লেসে কাজ করেন, তারাও লগইন হতে পারেননি। যাই হোক, এখবিস্তারিত পড়ুন
ফেসবুক ডাউন থাকার ঘটনা এর আগেও ঘটেছে তবে সেটা বিশেষ কিছু লোকেশন কিংবা কিছু কিছু দেশের ক্ষেত্রে। তবে এবারই প্রথমবার এই ধরনের ঘটনা ঘটল যেখানে ফেসবুকের হেডকোয়ার্টারেও সব সেবা বন্ধ ছিল। এমনকি ফেসবুকের কর্মীরা যারা অনলাইনে ওয়ার্কপ্লেসে কাজ করেন, তারাও লগইন হতে পারেননি।
যাই হোক, এখন সবার প্রশ্ন ঘটনাটা আসলে কী ঘটেছিল? এর মূল কারণ ছিল ফেসবুকের DNS (Domain Name System) সিস্টেম এর সমস্যা। সাধারণত একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেম কাজ করে কতগুলো আইপি (ইন্টারনেট প্রোটোকল) এর ওপর ভিত্তি করে। অর্থাৎ একটি কম্পিউটার যখন অন্য একটি কম্পিউটারের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে, তখন একে অপরকে চিনে থাকে আইপি অ্যাড্রেসের মাধ্যমে।
একইভাবে আমরা যখন ইন্টারনেটে কোনো ওয়েবসাইট কিংবা সার্ভারে প্রবেশ করি, তখন মূলত উক্ত সার্ভারে প্রবেশ করি তার নির্ধারিত আইপি অ্যাড্রেসের মাধ্যমে। প্রত্যেকটা সার্ভারের একটি নির্দিষ্ট ইন্টারনেট আইপি থাকে যেটা হয় ইউনিক (মোবাইল নাম্বারের মতো, অন্য কারও সাথে মিলবে না)। যেমন ফেসবুকের অনেকগুলো আইপির মধ্যে একটি হলো- 63.69.176.13, কিন্তু একজন সাধারণ মানুষের পক্ষে এত আইপি এড্রেস কখনোই মনে রাখা সম্ভব নয়, তাই এর সহজ সমাধানে ব্যবহৃত হয় DNS (Domain Name System)। যার কাজ হচ্ছে আইপি এড্রেসকে নামে কনভার্ট করা।
উদাহরণ হিসেবে আমরা যখন facebook.com লিখি, তখন এই DNS প্রযুক্তি প্রথমে খুঁজে বের করে Facebook.com এর সার্ভারের আইপি এড্রেস কি, তারপর facebook.com আর উক্ত সার্ভার আইপি এড্রেসের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে আমাদেরকে সার্ভার পর্যন্ত পৌঁছে দেয়, ঠিক একইভাবে আমরা যখনই কোনো ওয়েবসাইটে প্রবেশ করি প্রত্যেক ক্ষেত্রেই এই একই পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়, আমাদেরকে কষ্ট করে আইপি মনে রাখতে হয় না, শুধু ওয়েবসাইটের ঠিকানাটা মনে রাখলেই হয়।
এখন প্রশ্ন থাকতে পারে ফেসবুকের ডিএনএস সমস্যা হলে হোয়াটসঅ্যাপ আর ইনস্টাগ্রামেও কেন এর প্রভাব পড়বে? এর উত্তর হলো- ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপে সবার ডেটাই থাকে একটি সার্ভার সিস্টেমে এবং ব্যাকইন্ডে ডাটাবেস কানেক্টিভিটির ক্ষেত্রে সবাই ফেসবুকের ডিএনএস সিস্টেম (facebook.com) ব্যবহার করে, তাই ফেসবুকের ডিএনএস সমস্যা হওয়াতে বাকিদেরও হয়েছে।
যদিও ফেসবুক ইঞ্জিনিয়ারিং টিম থেকে একটি ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে যে “নেটওয়ার্ক রাউটিং সিস্টেম কনফিগারেশনে তারা কিছু পরিবর্তন পেয়েছে যে কারনে মুল সার্ভারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়।
সবশেষে বলা যায় নেটওয়ার্ক সিস্টেমে ত্রুটির কারণে ঘটনাটি ঘটতে পারে সেটা হতে পারে DNS ইস্যু অথবা Router ইস্যু। তবে যখন এই সমস্যাটি হয় তখন আমরা ফেসবুকের কিছু কিছু আইপিকে ping করে পেলেও facebook.com কে ping করে পাচ্ছিলাম না।
এদিকে, সামাজিকমাধ্যম ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইনস্টাগ্রামে ব্যবহারে ব্যাহত হওয়ার জন্য দুঃখপ্রকাশ করেছেন মার্ক জাকারবার্গ।
তিনি বলেন, আজকের এই বিভ্রাটের জন্য আমি দুঃখিত। আমি জানি যে যাদের প্রতি আপনি যত্নশীল, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতে এসব পরিষেবার ওপর আপনারা কতটা নির্ভরশীল।
সোমবার (৪ অক্টোবর) রাত ৯টার কিছু সময় পর থেকে এসব যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে বার্তা আদান-প্রদান বন্ধ হয়ে যায়। এতে বিপাকে পড়েন বিশ্বজুড়ে লাখো ব্যবহাকারী। রাত সাড়ে চারটার দিকে এই টুইট বার্তায় সার্ভার সচল হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।
ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপ আবার অনলাইনে ফিরে এসেছে।
মঙ্গলবার সকালে এক টুইটপোস্টে হোয়াটসঅ্যাপ জানিয়েছে, আজ যারা আমারদের পরিষেবা ব্যবহার করতে পারেননি, তাদের সবার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। ধীরে ও সতর্কতার সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপ কাজ করতে শুরু করেছে। ধৈর্য ধরার জন্য আপনাদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। এ নিয়ে সবাইকে হালনাগাদ তথ্য জানিয়ে দেওয়া হবে।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বিভ্রাটের খবরে ফেসবুকের শেয়ারের দর সোমবার এক ধাক্কায় সাড়ে ৫ শতাংশ পড়ে গেছে। প্রায় এক বছরের মধ্যে শেয়ারবাজারে সবচেয়ে বাজে দিনটি পার করছে সামাজিকমাধ্যমটি।
আর ইনডিপেনডেন্ট বলছে, ফেসবুকের ইতিহাসে এতো বড় মাত্রায় বিভ্রাটের ঘটনা একেবারেই বিরল। তবে এসব ক্ষেত্রে ফেসবুক সাধারণত খুব একটা তথ্য প্রকাশ করে না, মুখে কুলুপ এঁটে থাকে।
২০১৯ সালেও বড় পরিসরে যান্ত্রিক জটিলতায় পড়েছিল তারা। তখন রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করতে গিয়ে ওই সমস্যা দেখা হয়েছিল। ফেসবুকের সাবেক কর্মী ফ্রান্সিস হাউগেনের মার্কিন সিনেটে সাক্ষ্য দেওয়ার নির্ধারিত তারিখের ঠিক আগের দিন এই বিভ্রাটে পড়ল এ কোম্পানির সেবাগুলো।
হাউগেনের হাত দিয়ে ফাঁস হওয়া ফেসবুকের অভ্যন্তরীণ নথির কারণে ব্যাপক সমালোচনার পাশাপাশি মার্কিন সিনেটের তদন্তের মুখে পড়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।
ফেসবুকের মাসিক সক্রিয় ব্যবহারকারী এখন ২৯০ কোটি। অর্থাৎ বিশ্বব্যাপী এই পরিমাণ অ্যাকাউন্ট থেকে মাসে একবার হলেও সামাজিকমাধ্যমটিতে লগইন করা হয়। এই ব্যবহারকারীদের চার কোটি ৮০ লাখের বাস বাংলাদেশে। অপরদিকে বিশ্বব্যাপী ১২০ কোটি মানুষ হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করছেন।
https://www.youtube.com/watch?v=nSzh5BB4bvU
ভাল লাগলে আমার YOITUBE CHANNEL ঘুরে আসতে পারেন
সংক্ষেপে দেখুনhttps://www.youtube.com/allaboutsubha
চুইংগাম গিলে ফেললে কি তা হজম হয়? আমি ২ বছর আগে ভুলবশত চুইংগাম গিলে ফেলেছিলাম
ভুল করে চুইংগাম গিলে ফেলে অনেকে উদ্বিগ্ন হন। অনেকের ধারণা, চুইংগাম গিলে ফেললে তা পেটে অনেক দিন থেকে যায়। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ল্যাঙ্গোন মেডিকেল সেন্টারের গবেষণার বরাতে স্বাস্থ্য ও জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চুইংগাম ভুলবশত পেটে চলে গেলে আতঙ্কিত হবেন না। চুইংগামেরবিস্তারিত পড়ুন
ভুল করে চুইংগাম গিলে ফেলে অনেকে উদ্বিগ্ন হন। অনেকের ধারণা, চুইংগাম গিলে ফেললে তা পেটে অনেক দিন থেকে যায়। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ল্যাঙ্গোন মেডিকেল সেন্টারের গবেষণার বরাতে স্বাস্থ্য ও জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চুইংগাম ভুলবশত পেটে চলে গেলে আতঙ্কিত হবেন না।
চুইংগামের প্রভাব
চুইংগাম চিবানোর সময় যদি ভুল করে গিলে ফেলেন, তবে আতঙ্কিত হবেন না। কারণ, অন্যান্য খাবারের মতো এটিও হজম হয়। তবে হজমে একটু বেশি সময় লাগে। আমাদের পাচনতন্ত্রে অ্যাসিড ও এনজাইম রয়েছে, যা চুইংগাম হজম করতে সহায়তা করে।
হজম হতে কতক্ষণ লাগে?
সাধারণ খাবার খাওয়ার পর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে হজম হয়ে যায়। তবে চুইংগাম গিলে ফেললে তা কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সহজে হজম হয় না। হজম হতে দুই থেকে তিন দিন সময় লাগে। কারণ, সবার পাচনতন্ত্র একরকম নয়। তাই কারো পেটে এটি দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে হজম হয়। আবার কারো এটি হজম হতে আরো বেশি দিন লাগতে পারে। চুইংগাম গিলে ফেলার পর তা সর্বোচ্চ এক সপ্তাহ পর্যন্ত পেটে থাকতে পারে। এরপর তা হজম হয়ে যায় এবং শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। তাই এতে দুশ্চিন্তার কারণ নেই। তবে হ্যাঁ, আপনি চাইলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন।
ভাল লাগলে আমার YOUTUBE CHANNEL টা ঘুরে আসতে পারেন
https://www.youtube.com/allaboutsubha
সংক্ষেপে দেখুনমাইগ্রেন কি, মাইগ্রেনের ওষুধ, লক্ষণ ও প্রতিকার কি?
মাইগ্রেন বা ‘আধ কপালি’ মাথা ব্যথা বর্তমানে খুব সাধারণ একটি স্নায়বিক রোগ। বিশ্বের প্রায় ১০% মানুষ এতে ভোগেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার করা এক সমীক্ষা অনুযায়ী মাইগ্রেন ব্যাপকতায় বিশ্বে তৃতীয় সাধারণ রোগ ও অষ্টম দুর্ভোগজনক রোগ। তাই বোঝাই যাচ্ছে এই রোগের কারণ, উপসর্গ এবং তার থেকে রেহাই পাওয়ার কিছু উপায় জেনবিস্তারিত পড়ুন
মাইগ্রেন বা ‘আধ কপালি’ মাথা ব্যথা বর্তমানে খুব সাধারণ একটি স্নায়বিক রোগ। বিশ্বের প্রায় ১০% মানুষ এতে ভোগেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার করা এক সমীক্ষা অনুযায়ী মাইগ্রেন ব্যাপকতায় বিশ্বে তৃতীয় সাধারণ রোগ ও অষ্টম দুর্ভোগজনক রোগ। তাই বোঝাই যাচ্ছে এই রোগের কারণ, উপসর্গ এবং তার থেকে রেহাই পাওয়ার কিছু উপায় জেনে রাখা সকলেরই প্রয়োজন।
প্রাচীনকালে এই মাথা ব্যথাকে ‘আধ কপালি’ ব্যথা বলা হত। মাইগ্রেন শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ ‘হেমিক্রেনিয়া’ থেকে। হেমি মানে অর্ধেক আর ক্রেনিয়া মানে মাথার খুলি বা করোটি। এই ব্যথা অর্ধ মাথায় হয় বলে এর নামকরণ করা হয় হেমিক্রেনিয়া আর বাংলা ‘আধকপালি’। মাইগ্রেন মাথার যে কোনো এক পাশ থেকে শুরু হয়ে বিস্তৃত আকার ধারণ করে। মস্তিষ্কের বহিরাবরণে যে ধমনিগুলো আছে সেগুলো মাথাব্যথার প্রারম্ভে স্ফীত হয়ে ফুলে যায়। অর্থাৎ রক্তবাহী শিরাগুলো যখন মস্তিস্কে ঠিকমতো রক্ত সরবরাহ করে না। সাধারণত এই ব্যথা দপদপ (pulsating) করে, মাথাব্যথার সঙ্গে বমি এবং বমি বমি ভাবে রোগীর দৃষ্টিবিভ্রম হতে পারে। মাইগ্রেন একধরনের প্রাইমারি হেডেক, যা নিয়মিত চিকিৎসার মাধ্যমে নিরাময় সম্ভব। আর জেনে রাখা ভাল সব মাথা ব্যথা মাইগ্রেন নয় – দৃষ্টিস্বল্পতা, মস্তিষ্কের টিউমার, মাথায় অন্য সমস্যার কারণে মাথাব্যথা হতে পারে।
কিছু কিছু উপসর্গ জেনে রাখলে অন্যান্য মাথা ব্যথার সঙ্গে মাইগ্রেনের পার্থক্য করা সম্ভব। যেমন, এই ব্যথা ২ ঘণ্টা থেকে ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত হতে পারে। বমি বমি ভাব হতে পারে, আলোর দিকে তাকাতে অসুবিধে হয়, শব্দের জন্য ব্যথা বাড়তে পারে। ঘনঘন হাই ওঠা, কাজে মনোনিবেশ করতে অসুবিধে, খিটখিটে মেজাজ ব্যথা হওয়ার আগেও হতে পারে। অনেকে এই ব্যথা হওয়ার কিছু আগে আলোর ঝলকানি (aura) দেখতে পান। যাঁরা আলোর ঝলকানি দেখেন না তাঁদের ক্ষেত্রে অনেকে ৫-৪-৩-২-১ লক্ষণ দিয়ে মাইগ্রেন বোঝা যায়।
৫-৪-৩-২-১ লক্ষণটি হল –
মাইগ্রেনের কারণঃ
১। বংশগতঃ অন্যান্য অনেক রোগের মত এটিও অনেক ক্ষেত্রে বংশগত রোগ। অন্তত ৩৪-৫১ শতাংশ ক্ষেত্রে জিনগত প্রভাব থাকে এবং মাইগ্রেন হওয়ার সম্ভবনা বাড়িয়ে তোলে।
২। দুশ্চিন্তা ও অস্থিরতাঃ ‘টেনশন’ আজকের দিনে একটি অতি সাধারণ একটি বিষয়। যাঁরা সবসময় নানা কারণে চিন্তাগ্রস্ত থাকেন বা দুশ্চিন্তায় ভোগেন তাদের ক্ষেত্রে এর প্রকোপ বেশি। উচ্চ রক্তচাপ, হতাশা, নিদ্রাহীনতা ইত্যাদিও মাইগ্রেনের কারণ।
৩। হরমোনের প্রভাবঃ এটি সাধারণত মেয়েদের উপর বেশি প্রভাব ফেলে। গবেষকদের মতে মাথাব্যথার সাথে নির্দিষ্ট কিছু যৌন হরমোনের সংযোগ রয়েছে। যাদের নিয়মিত মাসিক হয় না তাদের এই মাইগ্রেনের হার বেশি। আবার অনেকের ক্ষেত্রে প্রত্যেক মাসিকের পূর্বাবস্থায় এই মাইগ্রেনের ব্যথা উঠতে পারে। অন্যদিকে যেসব মহিলারা দীর্ঘদিন জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি সেবন করেন তাদের মাঝেও এই রোগের লক্ষণ বেশি দেখা যায়।
৪। আবহাওয়ার পরিবর্তনঃ বর্তমানে পরিবেশদূষণের প্রভাব সকলের উপর পড়ছে। আর এমনই এক প্রভাবে ফলে হিসাবে সৃষ্টি হয়েছে মাইগ্রেন। সম্প্রতি এক পরিসংখ্যানে জানা গেছে, গ্রাম অঞ্চলের লোকদের চেয়ে শহর অঞ্চলের লোকদের মাঝে এর প্রভাব বেশি। তাই ধারণা করা হচ্ছে পরিবেশও মাইগ্রেনের একটা কারণ।
৫। মস্তিস্কে বিভিন্ন রাসায়নিকের পরিবর্তনঃ স্নায়বিক উদ্দীপনা এক স্নায়ু থেকে অন্য স্নায়ুতে পাঠানোর জন্য বেশ কিছু রাসায়নিক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করে, এই রাসায়নিকগুলির পরিমান কোন কারণে ( বিভিন্ন ওষুধের প্বার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, অতিরিক্ত এলকোহল, ক্যাফিন এর প্রভাব) পরিবর্তিত হলে ভারসাম্য নষ্ট হয়। এর ফলে মাইগ্রেন হতে পারে।
মাইগ্রেন প্রতিরোধের উপায়ঃ
ভাল লাগলে আমায় YOUTUBE CHANNEL টা ঘুরে আসতে পারেন
https://youtube.com/allaboutsubha
সংক্ষেপে দেখুনHow to write facebook status in hindi?
Facebook allows users to type in Hindi. Also all the mobile app users can type posts and comments from the English keyboard itself. You will not have to go to the setting of the phone to switch to a Hindi keyboard to do so. When you tap to write a post or a comment you can see a keyboard icon on theবিস্তারিত পড়ুন
Facebook allows users to type in Hindi. Also all the mobile app users can type posts and comments from the English keyboard itself. You will not have to go to the setting of the phone to switch to a Hindi keyboard to do so. When you tap to write a post or a comment you can see a keyboard icon on the lower right hand side of the screen with a Hindi alphabet on it. Just tap on it and Facebook will transliterate whatever you type into Hindi. As of now, the transliteration supports only Hindi and is not available on the desktop version.
But there is an alternate way to type in Hindi on Facebook’s desktop version. You need to go to Control Panel then click on Language and Region. Then tap on Keyboard and Languages and select Hindi Keyboard. If the Hindi keyboard option is not there, you just need to click the add button.
Please visit my youtube channel
https://youtube.com/allaboutsubha
সংক্ষেপে দেখুনবিচারক মৃত্যুদণ্ডের রায় লেখার পর কীভাবে কলমের নিব ভাঙ্গে এবং কেন ভেঙে ফেলেন? কিভাবে ভাংগেন?
ভরা কোর্ট রুমে অপরাধীকে ফাঁসির সাজা ঘোষণার পর বিচারক তাঁর পেনের নিবটা ভেঙে দিচ্ছেন- এই দৃশ্যটা আপনি নিশ্চই দেখেছেন সিনেমা বা সিরিয়ালে। বাস্তব জীবনে তো অনেকেরই এমন দৃশ্য দেখা হয়ে ওঠে না, তবে বাস্তবেও কিন্তু ঠিক ওই একই কাজ করেন যে কোন বিচারপতি। কিন্তু, প্রশ্ন হচ্ছে ফাঁসির সাজা ঘোষণার পর বিচারকরা পেনেরবিস্তারিত পড়ুন
ভরা কোর্ট রুমে অপরাধীকে ফাঁসির সাজা ঘোষণার পর বিচারক তাঁর পেনের নিবটা ভেঙে দিচ্ছেন- এই দৃশ্যটা আপনি নিশ্চই দেখেছেন সিনেমা বা সিরিয়ালে। বাস্তব জীবনে তো অনেকেরই এমন দৃশ্য দেখা হয়ে ওঠে না, তবে বাস্তবেও কিন্তু ঠিক ওই একই কাজ করেন যে কোন বিচারপতি। কিন্তু, প্রশ্ন হচ্ছে ফাঁসির সাজা ঘোষণার পর বিচারকরা পেনের নিব ভেঙে ফেলেন কেন? এর পিছনে কারণটা কী?
এই নিব ভেঙে ফেলার পিছনে নানা রকম দার্শনিক ব্যাখ্যা হয়। কিন্তু, মূলত তিনটি কারণ রয়েছে এর পিছনে। বা বলা ভাল, তিন রকম ভাবনা থেকেই বিচারকরা এই কাজ করে থাকেন। এবার তাহলে সেই কারণগুলো জেনে নেওয়া যাক-
১) কোনও একটি পেন দিয়ে একবার মৃত্যুদণ্ডের সাজা লিখে ফেলার পর বিচারকরা ওই পেন দিয়ে ভবিষ্যতে আর কোনও বিচারের কাজ করতে চান না কারণ ওই পেনটিকে (মূলত নিবটি যা দিয়ে লেখা হয়) ‘অশুচি’ বলে মনে করা হয়। আসলে কারও জীবন কেড়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তকে অশুভ ভাবা হয়।
২) আরেকটা ভাবনা হল, একবার ফাঁসির সাজা ঘোষিত হলে সেই রায়কে আর চ্যালেঞ্জ করা যায় না। তার প্রতীক হিসাবে ওই রায় লেখা হয়েছে য পেন (পেনের নিব) দিয়ে তাকে ভেঙে ফেলে ওই রায়কেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের স্বীকৃতি দেওয়া হয়। একমাত্র উচ্চতর আদালত (নিম্নতর আদালত যদি রায় দিয়ে থাকে) কেবল সেই রায়কে পুনর্বিচার করতে পারে।
৩) আবার এরকমও মনে করা হয় যে, বিচারক ‘অপরাধ বোধ’ থেকে পেনের নিব ভেঙে ফেলেন। কারণ, প্রান নেওয়ার ক্ষমতা শুধু ঈশ্বরেরই আছে বলে মনে করা হয়। তাই বিচারক পেনের নিব ভাঙার মধ্যে দিয়ে বুঝিয়ে দেন যে তিনি শুধু তাঁর পেশাদারি দায়বদ্ধতাটুকুই সারলেন।
ভাল লাগলে আমায় YOUTUBE CHANNEL টা ঘুরে আসবেন
https://youtube.com/allaboutsubha
সংক্ষেপে দেখুনমোনাস ১০ ওষুধের কাজ কি এবং এর দাম কত?
Apnakeo Apni Amar Youtube Channel Ta Ek baar ghure aaste paren https://www.youtube.com/allaboutsubha
Apnakeo
Apni Amar Youtube Channel Ta Ek baar ghure aaste paren
https://www.youtube.com/allaboutsubha
সংক্ষেপে দেখুনআরবি ভাষা বাংলায় অনুবাদ করার কোন ভালো অ্যাপ আছে কি?
Google Transelete
Google Transelete
সংক্ষেপে দেখুনমোনাস ১০ ওষুধের কাজ কি এবং এর দাম কত?
মোনাস ১০ (Monas 10) এর দাম মোনাস ১০ প্রাইস ইন বাংলাসেশ – প্রতিটি ট্যাবলেটের মূল্য: ৳ ১৬.০০ (৫ এর প্যাক: ৳ ৮০) প্রতিটি ট্যাবলেটের মূল্য: ৳ ১৬.০০ (১৫ টি প্যাক: ৳ ২৪০) প্রতিটি ট্যাবলেটের মূল্য: ৳ ১৬.০০ (৩০ এর প্যাক: ৳ ৪৮০) মোনাস ৪ এর দাম – প্রতিটি ট্যাবলেটের মূল্য: ৳ ৬ (৫ এর প্যাক: ৩০/-) প্রতিটি ট্যাবলবিস্তারিত পড়ুন
মোনাস ১০ (Monas 10) এর দাম
মোনাস ১০ প্রাইস ইন বাংলাসেশ –
প্রতিটি ট্যাবলেটের মূল্য: ৳ ১৬.০০ (৫ এর প্যাক: ৳ ৮০)
প্রতিটি ট্যাবলেটের মূল্য: ৳ ১৬.০০ (১৫ টি প্যাক: ৳ ২৪০)
প্রতিটি ট্যাবলেটের মূল্য: ৳ ১৬.০০ (৩০ এর প্যাক: ৳ ৪৮০)
মোনাস ৪ এর দাম –
প্রতিটি ট্যাবলেটের মূল্য: ৳ ৬ (৫ এর প্যাক: ৩০/-)
প্রতিটি ট্যাবলেটের মূল্য: ৳ ৬ (৩০ এর প্যাক: ১৮০/-)
ব্যবহার/ মোনাস ১০ (Monas 10) কোন রোগের ওষুধ
মোনাস ১০ (Monas 10) এর উপকারিতা
এ্যালার্জিক রাইনাইটিসের উপসর্গ নিরাময়ে, মৌসুমী এ্যালার্জিক রাইনাইটিস এবং পেরিনিয়াল এ্যালার্জিক রাইনাইটিস রোধে উপকারি
যেভাবে কাজ করে
মন্টেলুকাস্ট হল একটি সিলেক্টিভ লিউকোট্রিয়েন (leukotriene) রিসেপ্টর এন্টাগনিস্ট যা সিস্টেস্টিনাইল লিউকোট্রিন রিসেপ্টোকে কাজ করতে বাধা দেয়।
ডোজ
প্রাপ্তবয়স্ক ও ১৫ বছর বা তার বেশি বয়সী –
হাঁপানি ও অ্যালার্জিক রাইনাইটিস: ১০ মিলিগ্রাম / দিন
অনুশীলন-প্ররোচিত ব্রঙ্কনকন্ট্রিকশন: ১০ মিলিগ্রাম / দিন
৬ থেকে ১৪বছর –
হাঁপানি ও অ্যালার্জিক রাইনাইটিস: ৫ মিলিগ্রাম / দিন
ব্যায়াম-প্ররোচিত ব্রঙ্কনকন্ট্রিকশন: ৫ মিলিগ্রাম / দিন
৬ মাস থেকে ৫ বছর –
হাঁপানি ও অ্যালার্জিক রাইনাইটিস: ৪ মিলিগ্রাম / দিন
খাওয়ার নিয়ম
খাবারের আগে বা পরে বা চিকিৎসকের নির্দেশ অনুসারে ।
মিথষ্ক্রিয়া
কিছু ওষুধ আছে যা মোনাস ১০ এর সাথে নিলে সে ওষুধ বিভিন্ন বিক্রিয়ার মাধ্যমে এর কার্যকলাপ কমিয়ে দেয় বা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া বাড়ায়। এর মানে এই নয় যে আপনাকে অবশ্যই ওষুধগুলির একটি গ্রহণ বন্ধ করতে হবে; তবে, কখনও কখনও এটি করা হয়। কীভাবে ওষুধের মিথস্ক্রিয়া পরিচালনা করা উচিত সে সম্পর্কে আপনার ডাক্তারের সাথে কথা বলুন।
মোনাস ১০ এর সাথে বিক্রিয়া করতে পারে এমন সাধারণ ওষুধগুলোর মধ্যে রয়েছে:
সতর্কতা
মন্টিলুকাসের প্রতি অতিসংবেধনশীল রোগীদের ক্ষেত্রে ব্যবহার নিষেধ
গর্ভাবস্থায় মোনাস ১০
ন্টেলুকাস্ট বুকের দুধ দিয়ে বাচ্চার শরীরে প্রবেশ করে। সুতরাং যখন মন্টেলুকাস্ট কোনও নার্সিং মাকে দেওয়া হয় তখন সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
ওভারডোজের প্রভাব
পেটে ব্যথা, উদাসীনতা, তৃষ্ণা, মাথা ব্যথা, বমি ইত্যাদি।
সংরক্ষণ
৩০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের নিচে শীতল ও শুকনো জায়গায় সংরক্ষণ করুন, আলো এবং আর্দ্রতা থেকে রক্ষা করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
**স্বাস্থ্যঝুকি এড়াতে সেবনের আগে এবং সেবন বন্ধ করার পূর্বে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেবেন।
সংক্ষেপে দেখুনরোমান্টিক প্রেমের ছন্দ ও নোটবুক-Premer Chondo 2021
এই এপ কি কাজ করে?
এই এপ কি কাজ করে?
সংক্ষেপে দেখুনকোন কোন সেলিব্রেটিরা ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম ইত্যাদি সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং ব্যবহার করেন না?
Emma Stone The actress, who is set to star in the movie Cruella in 2021, has decided to stay away from any social media, at least for now. Stone confessed to Jennifer Lawrence in a conversation they had that it would not be a positive thing for her to have to deal with everything that happens on socবিস্তারিত পড়ুন
Emma Stone
The actress, who is set to star in the movie Cruella in 2021, has decided to stay away from any social media, at least for now. Stone confessed to Jennifer Lawrence in a conversation they had that it would not be a positive thing for her to have to deal with everything that happens on social media.
https://knoworld18.blogspot.com/2021/09/download-filmora-9-crack-for-life-time.html
সংক্ষেপে দেখুনমাসিক মিস হওয়ার কত দিন পর প্রেগন্যান্ট বোঝা যায়?
সংক্ষেপে দেখুনই ক্যাপ খেলে কি উপকার হয়? ই ক্যাপ ৪০০ এর দাম কত?
ই ক্যাপ আটটি ফ্যাট সলিউবল ভিটামিনের গ্রুপ দিয়ে গঠিত ভিটামিন ই অ্যান্টি অক্সিডান্টে ভরপুর যা চুলের নানা সমস্যার সমাধান করতে পারে সফলভাবে। যাঁরা চুল ওঠার সমস্যায় ভুগছেন, তাঁদের জন্য ভিটামিন ই খুবই কাজের। চলুন দেখে নেওয়া যাক নিয়মিত ভিটামিন ই ক্যাপ ব্যবহার করলে চুলের কী কী সমস্যার হাত থেকে বাঁচতে পারবেনবিস্তারিত পড়ুন
ই ক্যাপ আটটি ফ্যাট সলিউবল ভিটামিনের গ্রুপ দিয়ে গঠিত ভিটামিন ই অ্যান্টি অক্সিডান্টে ভরপুর যা চুলের নানা সমস্যার সমাধান করতে পারে সফলভাবে। যাঁরা চুল ওঠার সমস্যায় ভুগছেন, তাঁদের জন্য ভিটামিন ই খুবই কাজের। চলুন দেখে নেওয়া যাক নিয়মিত ভিটামিন ই ক্যাপ ব্যবহার করলে চুলের কী কী সমস্যার হাত থেকে বাঁচতে পারবেন।
ই ক্যাপ এর উপকারিতা
পাতলা চুল
খুসকির উপদ্রব
ডগাফাটা চুলের সমস্যায়
বিবর্ণ চুল উজ্জ্বল করতে
চুল অকালে সাদা হয়ে গেলে
এটি একটি প্রাকৃতিক হেয়ার কন্ডিশনার
রুক্ষ চুলের জন্য
চুল ওঠা বন্ধ করতে
তবে কিভাবে কত পরিমাণে ব্যবহার করবেন তা অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে ব্যবহার করবেন। আপনার মাথার ত্বক এবং চুলের ধরণ দেখে চিকিৎসক পরামর্শ দিবেন। কারণ এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকে। চলুন দেখে নেয়া যাক এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলো।
ভিটামিন ই ক্যাপ এর ক্ষতি এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
যাঁদের ত্বক খুব সেনসিটিভ বা যাঁরা সোরিয়াসিস বা কনট্যাক্ট ডার্মাটাইটিসে ভুগছেন, তাঁরা যদি সরাসরি ত্বকে ভিটামিন ই ব্যবহার করেন তা হলে কিন্তু হিতে বিপরীত হওয়ার আশঙ্কা রয়েই যায়। তার চেয়ে বরং আগে একবার আপনার ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করে নিন। আর সরাসরি না ব্যবহার করে বরং দই, মধু, ভিটামিন ই তেল আর লেবুর রস দিয়ে আপনার নিজস্ব ফেস প্যাক বানিয়ে নিন। এতে ব্রণ, ত্বকের দাগ-ছোপ তো কমবেই, সেই সঙ্গে ক্রমশ বাড়বে উজ্জ্বলতাও। পাকা পেঁপে, মধু আর লেবুর রসের মাস্কেও ভিটামিন ই ক্যাপসুলের নির্যাস মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। ভিটামিন ই তেল, টি ট্রি অয়েল, নারকেল তেল, ল্যাভেন্ডার তেল একসঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করলে মুক্তি পাবেন অ্যালার্জির হাত থেকে।
ই ক্যাপ ৪০০ এর দাম
প্রতিটি ই ক্যাপ ৪০০ ইউনিট প্রাইসঃ ৬.০৫ টাকা, ৫০ টি ট্যাবলেট এর প্যাকঃ ৩০২.৫০ টাকা।
তথ্যসূত্রঃ https://www.google.com/amp/s/m.femina.in/bengali/health/diet-and-fitness/can-you-use-vitamin-e-capsule-directly-on-skin-2741.amp
https://medex.com.bd/brands/13953/e-cap-400iu/bn
সংক্ষেপে দেখুন