সাইন আপ করুন সাইন আপ করুন

সাইন আপ করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে


আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

লগ ইন করুন লগ ইন করুন

লগিন করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

কোন একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন

রিসেট পাসওয়ার্ড

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।

আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে।

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?

সাইন ইনসাইন আপ

AddaBuzz.net

AddaBuzz.net Logo AddaBuzz.net Logo

AddaBuzz.net Navigation

  • হোমপেজ
  • ব্লগ
  • ইউজার
  • যোগাযোগ
সার্চ করুন
একটি প্রশ্ন করুন

Mobile menu

Close
একটি প্রশ্ন করুন
  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

SA Samim

এডিটরforumbd24.com
প্রশ্ন করুন SA Samim
114 বার প্রদর্শিত
1 জন ফলোয়ার
13 প্রশ্ন
হোমপেজ/ SA Samim/ফলোয়ারদের উত্তর
অ্যাপ ইন্সটল করুন
  • সম্পর্কিত
  • প্রশ্ন
  • উত্তর
  • অনুরোধের প্রশ্ন
  • সেরা উত্তর
  • পছন্দ তালিকা
  • ফলোকৃত প্রশ্ন
  • ফলোয়ার
  • ফলো করছেন
  • জরিপ
  • ব্লগ
  • ব্লগ মন্তব্য
  • ফলোকৃতদের প্রশ্ন
  • ফলোকৃতদের উত্তর
  • ফলোয়ারদের ব্লগ
  • ফলোকৃত/ফলোয়ারদের ব্লগ মন্তব্য
  1. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    বন্ধ দরজা দেখলে বিড়াল ছটফট করে কেন?

    allaboutsubha
    allaboutsubha শিক্ষক https://www.youtube.com/allaboutsubha/
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    বিড়ালের জন্য বন্ধ দরজা দেখতে বা বন্ধ অবস্থায় থাকলে তার **ছটফট করার** পেছনে কিছু স্বাভাবিক আচরণগত কারণ রয়েছে, যেগুলো বিড়ালের অন্তর্নিহিত প্রকৃতি এবং মনস্তাত্ত্বিক অবস্থার সাথে সম্পর্কিত। মূলত, এটি বিড়ালের **অন্বেষণমূলক প্রবৃত্তি** (curiosity) এবং **মৌলিক চাহিদা** সম্পর্কিত। এখানে কিছু কারণ ব্যাখ্যবিস্তারিত পড়ুন

    বিড়ালের জন্য বন্ধ দরজা দেখতে বা বন্ধ অবস্থায় থাকলে তার **ছটফট করার** পেছনে কিছু স্বাভাবিক আচরণগত কারণ রয়েছে, যেগুলো বিড়ালের অন্তর্নিহিত প্রকৃতি এবং মনস্তাত্ত্বিক অবস্থার সাথে সম্পর্কিত। মূলত, এটি বিড়ালের **অন্বেষণমূলক প্রবৃত্তি** (curiosity) এবং **মৌলিক চাহিদা** সম্পর্কিত। এখানে কিছু কারণ ব্যাখ্যা করা হলো:

    ### ১. **অন্বেষণ বা কিউরিওসিটি (Curiosity)**
    – বিড়াল একটি **অন্বেষণপ্রিয় প্রাণী**, এবং সে সবসময় নতুন কিছু দেখার, জানার বা আবিষ্কার করার আগ্রহে থাকে। বন্ধ দরজা দেখলে তার মনে একটি প্রশ্ন জাগে, “এখানে কী আছে?” বিড়ালদের মস্তিষ্কে গাঢ়ভাবে প্রোগ্রাম করা থাকে তাদের আশপাশের পরিবেশ বা স্থানকে অনুসন্ধান করতে। তাই, যখন বিড়াল একটি বন্ধ দরজা দেখতে পায়, তখন তার মন বলে “এটা কেন বন্ধ? এখানে কী আছে?” এবং সে খুবই আগ্রহী হয়ে ওঠে এই বিষয়টি খুঁজে বের করতে।

    ### ২. **বিশেষ স্থান বা রুমের প্রতি আগ্রহ**
    – যদি বিড়াল কোন নির্দিষ্ট রুমে প্রবেশ করতে না পারে (যেমন কেউ বন্ধ করে রাখে বা বিড়ালটি অনুমতি পায় না), তবে তার মনেও সেই রুম বা স্থানটি সম্পর্কে আরও আগ্রহ বা আকর্ষণ তৈরি হয়। বিড়াল বুঝতে পারে যে এটি একটি **নিষিদ্ধ স্থান**, আর এই নিষিদ্ধ জিনিসেই তার আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। অনেক বিড়াল যখন দেখবে যে সে একটা বন্ধ রুমে ঢুকতে পারছে না, তখন সে তাতে **ছটফট** করবে বা দরজার কাছে গিয়ে মিউও (মিউমিউ) করে আদান-প্রদান করার চেষ্টা করবে।

    ### ৩. **মনোযোগের অভাব বা একঘেয়েমি**
    – বিড়ালদের মাঝে একঘেয়েমি বা **বোরডম** (বোরডম) খুবই সাধারণ। যদি বিড়াল দীর্ঘ সময় ধরে কিছু করতে না পায়, যেমন খেলতে না পায় বা কিছু নতুন দেখার সুযোগ না পায়, তখন সে অস্থির হয়ে **ছটফট** করতে পারে। এমন অবস্থায় বন্ধ দরজা তার জন্য এক ধরনের **নতুন চ্যালেঞ্জ** হতে পারে, যা তার মনোযোগ আকর্ষণ করে।

    ### ৪. **স্বাধীনতা ও নিয়ন্ত্রণের অনুভূতি**
    – বিড়াল প্রাকৃতিকভাবে **স্বাধীন** এবং **নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ** রাখতে পছন্দ করে। যখন কোন কিছু তাকে বন্ধ করে দেওয়া হয় (যেমন দরজা), তখন তা তার স্বাধীনতায় বাধা সৃষ্টি করে। এই অবস্থা বিড়ালের মধ্যে **অস্থিরতা** বা **বিক্ষোভ** সৃষ্টি করতে পারে। বিড়াল চাইবে তার স্বাধীনতা ফিরে পেতে, এবং সেই কারণে সে দরজার কাছে এসে ছটফট করতে পারে।

    ### ৫. **গন্ধের প্রতি আকর্ষণ**
    – বিড়ালের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী **গন্ধের অনুভূতি** (sense of smell) থাকে। যদি বন্ধ দরজা পেছনে অন্য কোন প্রাণী বা বস্তু থাকে, তাহলে বিড়াল সম্ভবত সেই গন্ধ সনাক্ত করতে পারে এবং তা তাকে আকৃষ্ট করে। এমন অবস্থায়, বিড়াল দরজার কাছে গিয়ে ছটফট করতে পারে, কারণ এটি গন্ধ বা অন্য কিছু আবিষ্কারের উদ্দেশ্যে।

    ### ৬. **খেলা বা কৌতূহল**
    – অনেক সময়, বিড়াল বন্ধ দরজার কাছে **খেলাধুলা** করতে পছন্দ করে। তাদের মধ্যে অনেক বিড়াল দরজার নক বা খোলার শব্দ শুনে আগ্রহী হয়ে ওঠে এবং দরজা দিয়ে প্রবেশের জন্য নানা অঙ্গভঙ্গি বা মুভমেন্ট তৈরি করে। এটা তার শিকারী প্রবৃত্তির অংশ হতে পারে, যেখানে সে শিকার খুঁজে পেতে অথবা খেলাধুলায় উৎসাহিত হয়।

    ### উপসংহার:
    বিড়ালের ছটফট করার প্রধান কারণ হলো তার **প্রাকৃতিক কিউরিওসিটি (অন্বেষণ আগ্রহ)**, যেখানে সে বন্ধ দরজা বা অপ্রবেশযোগ্য স্থানের প্রতি আকৃষ্ট হয়। এটি তার স্বাধীনতা এবং অনুসন্ধানমূলক প্রবৃত্তির অংশ। কখনো কখনো এটি একঘেয়েমি, মনোযোগের অভাব বা নিছক খেলা হিসেবে হতে পারে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  2. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    চিপসের প্যাকেটে বাতাস থাকে কেন?

    allaboutsubha
    allaboutsubha শিক্ষক https://www.youtube.com/allaboutsubha/
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

      চিপসের প্যাকেটে বাতাস থাকার পেছনে মূলত **ফ্রেশনেস** এবং **প্রোটেকশন** এর উদ্দেশ্য থাকে। চিপসের প্যাকেটে যে বাতাস থাকে, তা আসলে **নাইট্রোজেন গ্যাস** বা **অক্সিজেন মুক্ত গ্যাস**। এর পেছনে কয়েকটি বৈজ্ঞানিক ও বাণিজ্যিক কারণ রয়েছে: ### ১. **ফ্রেশনেস রক্ষা করা** - চিপস বা স্ন্যাকসের মতো খাবার খুব দবিস্তারিত পড়ুন

     

    চিপসের প্যাকেটে বাতাস থাকার পেছনে মূলত **ফ্রেশনেস** এবং **প্রোটেকশন** এর উদ্দেশ্য থাকে। চিপসের প্যাকেটে যে বাতাস থাকে, তা আসলে **নাইট্রোজেন গ্যাস** বা **অক্সিজেন মুক্ত গ্যাস**। এর পেছনে কয়েকটি বৈজ্ঞানিক ও বাণিজ্যিক কারণ রয়েছে:

    ### ১. **ফ্রেশনেস রক্ষা করা**
    – চিপস বা স্ন্যাকসের মতো খাবার খুব দ্রুত **অক্সিডাইজ** (অক্সিজেনের সাথে প্রতিক্রিয়া করে) হতে পারে। বিশেষত চিপসের তেলে ভাজা অংশগুলি দ্রুত রুক্ষ, শক্ত বা বিছিন্ন হয়ে যেতে পারে। যদি প্যাকেটটি সম্পূর্ণ ফাঁকা না হয়ে বরং কিছু পরিমাণ নাইট্রোজেন বা অন্য কোনো গ্যাসে পূর্ণ থাকে, তবে তা চিপসের তাজা পণ্যের **ফ্রেশনেস** বজায় রাখতে সাহায্য করে।

    ### ২. **ভেঙে যাওয়া থেকে রক্ষা**
    – চিপস অত্যন্ত **ভঙ্গুর** (ক্রাঞ্চি) হয়, এবং প্যাকেটটি যদি একেবারে খালি থাকে বা শূন্য হয়ে যায়, তবে শিপিং, পরিবহন এবং স্টোরিং এর সময় প্যাকেটের ভিতরে চাপ পড়তে পারে। এতে চিপস ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
    – বাতাস (বিশেষত নাইট্রোজেন) প্যাকেটে **হালকা চাপ সৃষ্টি** করে, যা চিপসকে ভেঙে যাওয়ার থেকে রক্ষা করে এবং প্যাকেটের ভিতরের ভঙ্গুর চিপসকে সুরক্ষিত রাখে।

    ### ৩. **নাইট্রোজেন গ্যাস ব্যবহৃত হয় কেন?**
    – বাতাসের মধ্যে ৭৮% নাইট্রোজেন থাকে, এবং এটি একটি **নিরপেক্ষ গ্যাস** (অবক্ষয় বা প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে না)। নাইট্রোজেন গ্যাস প্যাকেটে ব্যবহৃত হওয়া প্রধান কারণ হলো এটি **অক্সিজেনকে প্রতিস্থাপন** করে। অক্সিজেন খাদ্যের উপর অপ্রতিকূল প্রভাব ফেলতে পারে, যেমন **পচন** বা **রুক্ষতা**, কিন্তু নাইট্রোজেন তেমন কোনো প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে না এবং চিপসের গুণাগুণ বজায় রাখে।

    ### ৪. **স্বাস্থ্যসম্মত দৃষ্টিকোণ**
    – কিছু ক্ষেত্রে প্যাকেটে নেমে আসা গ্যাস বা “বাতাস” খাদ্যের **প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা** হিসেবেও কাজ করতে পারে। যদি বাতাসের মধ্যে কোনও ধরনের গ্যাস থাকে, তা খাবারের সঙ্গে কোনো ক্ষতিকর উপাদান যেমন আর্দ্রতা, ফাঙ্গাস বা ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ করতে বাধা দেয়।

    ### ৫. **ভেজা বা কুয়াশা থেকে রক্ষা**
    – বাতাস (বিশেষত নাইট্রোজেন) প্যাকেটে থাকা চিপস বা স্ন্যাকসকে **আর্দ্রতা** বা **কুয়াশা** থেকে রক্ষা করে। আর্দ্রতা বা জলীয় বাষ্প প্যাকেটের ভিতরে ঢুকে গেলে চিপস নরম হয়ে যেতে পারে, যা স্বাদ ও টেক্সচারের জন্য খারাপ। গ্যাসে পূর্ণ প্যাকেট আর্দ্রতা প্রবাহ বন্ধ করতে সহায়তা করে।

    ### উপসংহার:
    চিপসের প্যাকেটে যে বাতাস থাকে, তা আসলে **নাইট্রোজেন গ্যাস** বা অন্য কোনো অক্সিজেন মুক্ত গ্যাস, যা চিপসের **তাজা রাখতে**, **ভেঙে যেতে না দিতে**, এবং **প্রতিরোধ করতে** সাহায্য করে। এটি শুধুমাত্র খাবারের গুণগত মান বজায় রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  3. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    ভাইরাস আগে না ব্যাকটেরিয়া আগে?

    allaboutsubha
    allaboutsubha শিক্ষক https://www.youtube.com/allaboutsubha/
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    এই প্রশ্নের উত্তরে, **ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া** সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানলে আরও ভালোভাবে উত্তর দেওয়া যাবে। বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে, ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া দুইটি আলাদা ধরনের জীবাণু এবং তারা পৃথিবীতে ভিন্ন সময়ে এসেছে। কিন্তু প্রশ্নটি ঠিক কীভাবে ভাবা উচিত, সেটা একটু বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা যাকবিস্তারিত পড়ুন

    এই প্রশ্নের উত্তরে, **ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া** সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানলে আরও ভালোভাবে উত্তর দেওয়া যাবে। বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে, ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া দুইটি আলাদা ধরনের জীবাণু এবং তারা পৃথিবীতে ভিন্ন সময়ে এসেছে। কিন্তু প্রশ্নটি ঠিক কীভাবে ভাবা উচিত, সেটা একটু বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা যাক।

    ### ১. **ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া: পার্থক্য**
    – **ব্যাকটেরিয়া** হলো এককোষী জীবাণু, যা সাধারণত **স্বতন্ত্রভাবে** বেঁচে থাকতে পারে। ব্যাকটেরিয়া নিজেদের **প্রজনন** (বিভাজন) করতে পারে এবং পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে বেঁচে থাকে।
    – **ভাইরাস** হলো এমন অণুজীব যা **অতিমাত্রায় সরল** এবং **আত্মনির্ভর নয়**। ভাইরাসকে জীবিত বলে মনে করা হয় না, কারণ এটি শুধু এক ধরনের কোষে প্রবেশ করে এবং সেই কোষের **মেকানিজম** ব্যবহার করে নিজের কপি তৈরি করে। ভাইরাসকে বেঁচে থাকার জন্য একটি জীবিত কোষের প্রয়োজন।

    ### ২. **ভাইরাসের উত্থান**
    বিজ্ঞানীরা এখনো নিশ্চিত নয় ভাইরাসের উত্থান কিভাবে হয়েছে। কিছু তত্ত্ব অনুযায়ী, ভাইরাস সম্ভবত জীবের **উন্নত** বা **অংশবিশেষ** থেকে উদ্ভূত হয়েছে, যেমন:
    – **মোবাইল জেনেটিক উপাদান**: ভাইরাসের কিছু বৈশিষ্ট্য এমন যে তারা কিছু জীবনযাত্রার উপাদান থেকে আসতে পারে, যেমন ব্যাকটেরিয়ার কোষ থেকে। এটা “অ্যাবান্ডনড জিন” বা “পরিত্যক্ত জেনেটিক উপাদান” থেকে এসেছে এমন ধারণা। এই অনুযায়ী, ভাইরাস আগে ছিল না, তবে খুব প্রাথমিক জীবাণুদের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক থাকতে পারে।

    ### ৩. **ব্যাকটেরিয়ার উত্থান**
    ব্যাকটেরিয়া পৃথিবীতে সম্ভবত অনেক আগেই ছিল। প্রাচীন পৃথিবীর পরিবেশে (প্রায় ৩.৫ থেকে ৪ বিলিয়ন বছর আগে) ব্যাকটেরিয়া **প্রথম জীবজগতের প্রতিনিধিত্ব** করত। এটি এককোষী জীব হিসেবে প্রথম বিকাশ লাভ করে, এবং পৃথিবীর প্রাথমিক পরিবেশে জীবন শুরু হয়।

    ### ৪. **যতটুকু জানা যায়, ব্যাকটেরিয়া আগে ছিল**
    অধিকাংশ বিজ্ঞানীদের ধারণা, **ব্যাকটেরিয়া আগে ছিল**। জীবনের সূচনার প্রথমে, এককোষী ব্যাকটেরিয়া প্রকৃতির সর্বাধিক প্রধান প্রাণী ছিল। কিছু গবেষণা অনুযায়ী, ভাইরাস সম্ভবত অনেক পরে উত্থান করে, যদিও তাদের সঠিক উৎস ও উদ্ভব নিয়ে অনেক ধোঁয়াশা রয়ে গেছে।

    ### ৫. **ইতিহাস ও বিবর্তন**
    বিবর্তনীয় তত্ত্ব অনুযায়ী, জীবের প্রাথমিক অবস্থায় ব্যাকটেরিয়া ছিল এবং পরবর্তীতে ভাইরাস উত্পন্ন হয়েছে, হয়তো ব্যাকটেরিয়ার কোন নির্দিষ্ট দিক থেকে। তবে ভাইরাসের উদ্ভব সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো থিওরি এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

    ### উপসংহার:
    **ব্যাকটেরিয়া** পৃথিবীতে সম্ভবত **আগে** ছিল এবং ব্যাকটেরিয়াই জীবনের প্রথম পদক্ষেপ নিয়েছিল। ভাইরাসের উত্থান অবশ্যই অনেক পরে হয়েছে এবং তার উৎপত্তি নিয়ে এখনো বৈজ্ঞানিক মহলে বিভিন্ন তত্ত্ব রয়েছে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  4. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    মহাশূন্যে বাতাস নেই অথচ পৃথিবীতে এত বাতাস কেন ?

    allaboutsubha
    allaboutsubha শিক্ষক https://www.youtube.com/allaboutsubha/
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    মহাশূন্যে বাতাস না থাকার কারণ হলো সেখানে **আবহাওয়া বা বায়ুমণ্ডল** নেই, যেখানে বাতাসের উপাদানগুলো (যেমন অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, কার্বন ডাইঅক্সাইড ইত্যাদি) থাকতে পারে। পৃথিবীতে এত বাতাস থাকার পেছনে কয়েকটি কারণ রয়েছে, যা মূলত আমাদের গ্রহের গঠন, তাপমাত্রা এবং মহাকর্ষের কারণে সম্ভব হয়েছে। চলুন, বিষয়টি একটুবিস্তারিত পড়ুন

    মহাশূন্যে বাতাস না থাকার কারণ হলো সেখানে **আবহাওয়া বা বায়ুমণ্ডল** নেই, যেখানে বাতাসের উপাদানগুলো (যেমন অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, কার্বন ডাইঅক্সাইড ইত্যাদি) থাকতে পারে। পৃথিবীতে এত বাতাস থাকার পেছনে কয়েকটি কারণ রয়েছে, যা মূলত আমাদের গ্রহের গঠন, তাপমাত্রা এবং মহাকর্ষের কারণে সম্ভব হয়েছে। চলুন, বিষয়টি একটু বিস্তারিতভাবে বুঝে নেওয়া যাক:

    ### ১. **পৃথিবীর মহাকর্ষ**
    – পৃথিবী একটি বড় গ্রহ এবং এর **মহাকর্ষের শক্তি** যথেষ্ট শক্তিশালী, যা আমাদের গ্রহের দিকে বাতাস (এবং অন্যান্য গ্যাস) ধরে রাখে। মহাকর্ষের কারণে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল তার চারপাশে সুরক্ষিত থাকে, ফলে বাতাস পৃথিবী থেকে বাইরে চলে যায় না।
    – মহাশূন্যে মহাকর্ষের শক্তি অনেক কম, এবং সে কারণে সেখানে বাতাস বা কোনো গ্যাস নেই।

    ### ২. **পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল**
    – পৃথিবীর চারপাশে একটি বায়ুমণ্ডল রয়েছে, যা **অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, আর্গন, কার্বন ডাইঅক্সাইড** এবং আরও অনেক গ্যাসের মিশ্রণ। এই বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর জীবজগতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি থেকে আমাদের রক্ষা করে এবং পৃথিবীর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
    – পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের গঠন এবং এর উপাদানগুলো বজায় রাখার জন্য মহাকর্ষের শক্তি অপরিহার্য।

    ### ৩. **পৃথিবীর তাপমাত্রা ও জীবনধারা**
    – পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা এমনভাবে রয়েছে, যা গ্যাসের অবস্থান বজায় রাখতে সহায়ক। মহাশূন্যের তাপমাত্রা অত্যন্ত শূন্য (যে কারণে সেখানে কোনো গ্যাস বা বাতাসের অস্তিত্ব সম্ভব নয়)।
    – পৃথিবীতে প্রাকৃতিক তাপমাত্রা (যেটি সূর্য থেকে আসে) সঠিক মাত্রায় আছে, যার ফলে বায়ুমণ্ডলের গ্যাসগুলো তরল বা গ্যাসীয় অবস্থায় থাকে। মহাশূন্যে তাপমাত্রার প্রভাবে, গ্যাসগুলি আলাদা হয়ে ছড়িয়ে পড়ে, এবং কিছু সময় পর তা ভ্যানিশ হয়ে যায়।

    ### ৪. **পৃথিবী এবং অন্যান্য গ্রহের মধ্যে পার্থক্য**
    – পৃথিবী তার অবস্থান (সূর্য থেকে মাঝারি দূরত্ব), আকার, এবং গঠন (যেমন পৃথিবীতে পাথর, পানি, মাটি ইত্যাদি আছে) এর কারণে জীবনের জন্য উপযুক্ত। অন্য গ্রহ বা মহাজাগতিক বস্তুগুলোতে বাতাস নেই কারণ তারা সূর্যের তাপের সাথে সমানভাবে সম্পর্কিত নয় অথবা তাদের প্রয়োজনীয় মহাকর্ষ বা বায়ুমণ্ডল নেই।

    ### ৫. **মহাশূন্যের বৈশিষ্ট্য**
    – মহাশূন্য একটি শূন্যস্থান (ভ্যাকুয়াম), যেখানে গ্যাস, কণা বা কোনো পদার্থের ঘনত্ব খুবই কম। পৃথিবী ছাড়া অন্যান্য গ্রহ ও উপগ্রহগুলোর বায়ুমণ্ডল নেই, কিংবা থাকলেও সেগুলো পৃথিবীর মতো পূর্ণ ও ঘন নয়।
    – মহাশূন্যে কোনো বাতাস বা গ্যাস থাকার জন্য প্রচুর তাপমাত্রা এবং চাপ প্রয়োজন, যা মহাশূন্যের শূন্যতা বা ভ্যাকুয়ামের কারণে অসম্ভব।

    ### সংক্ষেপে:
    পৃথিবীতে বাতাস রয়েছে কারণ পৃথিবী একটি গ্রহ, যার মহাকর্ষ শক্তি, তাপমাত্রা এবং বায়ুমণ্ডল একসাথে কাজ করে বাতাস এবং গ্যাসগুলোকে গ্রহের দিকে আকর্ষণ করে রাখে। অন্যদিকে, মহাশূন্যে কোন বায়ুমণ্ডল নেই এবং সেখানে মহাকর্ষের শক্তি এত কম যে সেখানে গ্যাস বা বাতাস থাকে না।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  5. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    বিশ্বের কোন দেশে একজনও মুসলিম নেই?

    allaboutsubha
    allaboutsubha শিক্ষক https://www.youtube.com/allaboutsubha/
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    বিশ্বের এমন কিছু দেশ আছে, যেখানে কোনো মুসলিম সম্প্রদায় নেই বা খুব কমসংখ্যক মুসলিম বাস করে। তবে, মুসলিম না থাকার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত নাম হচ্ছে **ভ্যাটিকান সিটি**। ### ভ্যাটিকান সিটি: - ভ্যাটিকান সিটি হলো একটি ছোট্ট দেশ, যা পুরোপুরি রোম, ইতালি শহরের মধ্যে অবস্থিত। - এটি রোমান ক্যাথলিক খ্রিষ্টবিস্তারিত পড়ুন

    বিশ্বের এমন কিছু দেশ আছে, যেখানে কোনো মুসলিম সম্প্রদায় নেই বা খুব কমসংখ্যক মুসলিম বাস করে। তবে, মুসলিম না থাকার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত নাম হচ্ছে **ভ্যাটিকান সিটি**।

    ### ভ্যাটিকান সিটি:
    – ভ্যাটিকান সিটি হলো একটি ছোট্ট দেশ, যা পুরোপুরি রোম, ইতালি শহরের মধ্যে অবস্থিত।
    – এটি রোমান ক্যাথলিক খ্রিষ্টান ধর্মের কেন্দ্র, এবং এখানে পোপের বাসভবনও অবস্থিত।
    – ভ্যাটিকান সিটিতে কোনো মুসলিম নেই, কারণ এখানকার জনগণ মূলত রোমান ক্যাথলিক ধর্মাবলম্বী। যদিও এখানে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ কাজ করে, তবুও কোনো স্থায়ী মুসলিম জনগণ নেই।

    ### অন্যান্য দেশ:
    – **নরওয়ে**: যদিও নরওয়ে একটি ধর্মনিরপেক্ষ দেশ, এখানে মুসলিম সম্প্রদায় রয়েছে। তবে, এক সময় কিছু দেশ ছিল যেগুলিতে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ ছিল না।

    বিশ্বের প্রায় সব দেশের মধ্যে মুসলিম সম্প্রদায় রয়েছে, তবে ছোট কিছু দেশ বা বিশেষ পরিস্থিতিতে, যেমন খুব ছোট রাষ্ট্রগুলো বা নির্দিষ্ট ভূখণ্ডে, সেখানে মুসলিম জনসংখ্যা না থাকতে পারে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  6. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    প্রেস রিলিজ লেখার নিয়ম কি?

    allaboutsubha
    allaboutsubha শিক্ষক https://www.youtube.com/allaboutsubha/
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    প্রেস রিলিজ লেখার জন্য কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম ও কাঠামো অনুসরণ করা প্রয়োজন, যা সংবাদ মাধ্যম ও পাঠকদের কাছে আপনার বার্তাটি পরিষ্কার ও প্রভাবশালী ভাবে পৌঁছাতে সাহায্য করে। এখানে একটি স্ট্যান্ডার্ড প্রেস রিলিজ লেখার নিয়ম ও কাঠামো তুলে ধরা হলো: ### ১. **হেডলাইন (Headline)**    - এটি আপনার প্রেস রিলিজের প্রথবিস্তারিত পড়ুন

    প্রেস রিলিজ লেখার জন্য কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম ও কাঠামো অনুসরণ করা প্রয়োজন, যা সংবাদ মাধ্যম ও পাঠকদের কাছে আপনার বার্তাটি পরিষ্কার ও প্রভাবশালী ভাবে পৌঁছাতে সাহায্য করে। এখানে একটি স্ট্যান্ডার্ড প্রেস রিলিজ লেখার নিয়ম ও কাঠামো তুলে ধরা হলো:

    ### ১. **হেডলাইন (Headline)**

       – এটি আপনার প্রেস রিলিজের প্রথম লাইন এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি সংক্ষিপ্ত, স্পষ্ট এবং আকর্ষণীয় হতে হবে।

       – হেডলাইনে আপনার সংবাদটির মূল বিষয়টি তুলে ধরুন, যেন পাঠক প্রথমেই আগ্রহী হন।

       **উদাহরণ**: “XYZ কোম্পানি নতুন প্রযুক্তি পণ্য বাজারে চালু করছে”

    ### ২. **উপ-শিরোনাম (Subheadline)**

       – উপ-শিরোনাম সাধারণত হেডলাইনের পরে আসবে এবং হেডলাইনের বিস্তারিত ব্যাখ্যা করবে।

       – এটি ১ বা ২ লাইনের মধ্যে থাকা উচিত এবং হেডলাইনের পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করবে।

       **উদাহরণ**: “নতুন স্মার্ট ডিভাইসটি ব্যবহারকারীদের জীবনকে আরও সহজ এবং সংযোগযোগ্য করে তুলবে।”

    ### ৩. **পাবলিকেশন ডেট (Date)**

       – প্রেস রিলিজের তারিখ উল্লেখ করুন, যাতে পাঠক জানেন যে এটি কখন প্রকাশিত হয়েছে। এটি সাধারণত প্রেস রিলিজের শুরুর অংশে, শিরোনাম বা উপ-শিরোনামের নিচে লেখা হয়।

       

       **উদাহরণ**: “ঢাকা, ২০ নভেম্বর, ২০২৪”

    ### ৪. **প্রথম প্যারাগ্রাফ (Lead Paragraph)**

       – প্রথম প্যারাগ্রাফটি গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করবে। এটি ৫টি W (Who, What, When, Where, Why) এবং How এর উত্তর দিতে হবে। 

       – আপনার প্রধান বার্তা বা সংবাদ এখানে সহজ ভাষায় এবং সংক্ষেপে তুলে ধরুন।

       

       **উদাহরণ**: “XYZ কোম্পানি আজ ঘোষণা করেছে যে তারা নতুন একটি স্মার্ট প্রযুক্তি পণ্য বাজারে আনবে, যা আগামী মাসে দেশের প্রধান শহরগুলোতে পাওয়া যাবে।”

    ### ৫. **বডি (Body)**

       – প্রেস রিলিজের বডি অংশে সংবাদটি বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করুন।

       – এখানে দ্বিতীয় বা তৃতীয় প্যারাগ্রাফে অতিরিক্ত তথ্য, ব্যাখ্যা, উদ্ধৃতি, কোম্পানির ভাষ্য এবং পণ্যের সুবিধা উল্লেখ করুন।

       – তথ্যকে আরও নির্ভুল এবং প্রাসঙ্গিক রাখুন, যেন সাংবাদিকরা আরও বিস্তারিত লিখতে পারেন।

       **উদাহরণ**:

       > XYZ কোম্পানির সিইও জন ডো বলেন, “আমরা নতুন প্রযুক্তি পণ্যটি বাজারে নিয়ে আসার জন্য উন্মুখ। এটি গ্রাহকদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে এবং আমাদের বাজারে প্রতিযোগিতার মধ্যে এক ধাপ এগিয়ে রাখবে।”

    ### ৬. **কোট (Quotes)**

       – প্রেস রিলিজে প্রাসঙ্গিক ব্যক্তির উদ্ধৃতি (কোট) অন্তর্ভুক্ত করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি সংবাদকে মানবিক স্পর্শ দেয় এবং আরও বিশ্বাসযোগ্য করে তোলে।

       – কোটগুলো এমন ব্যক্তির কাছ থেকে হতে পারে যারা আপনার কোম্পানি বা প্রজেক্টের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত, যেমন সিইও, ম্যানেজার, অথবা বিশেষজ্ঞ।

       **উদাহরণ**:  

       > “এই পণ্যটি গ্রাহকদের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা আনবে,” – XYZ কোম্পানির সিইও জন ডো

    ### ৭. **সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের তথ্য (About the Company)**

       – প্রেস রিলিজের শেষে আপনার কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি প্রদান করুন।

       – এই অংশে কোম্পানির ইতিহাস, উদ্দেশ্য এবং কার্যক্রম সম্পর্কে কিছু তথ্য লিখুন।

       **উদাহরণ**:

       > “XYZ কোম্পানি ২০১০ সাল থেকে প্রযুক্তি এবং ডিজিটাল পণ্য নির্মাণে বিশ্বস্তভাবে কাজ করছে। আমাদের লক্ষ্য গ্রাহকদের জীবনে সহজতর প্রযুক্তি আনতে এবং বাজারে নতুনত্ব নিয়ে আসা।”

    ### ৮. **যোগাযোগের তথ্য (Contact Information)**

       – প্রেস রিলিজের শেষে যোগাযোগের তথ্য অবশ্যই দেওয়া উচিত, যাতে সাংবাদিকরা বা পাঠকরা আপনাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

       – এখানে যোগাযোগের নাম, ফোন নম্বর, ইমেইল ঠিকানা, এবং অন্যান্য যোগাযোগের উপায় উল্লেখ করুন।

       **উদাহরণ**:

       > যোগাযোগের জন্য:  

       > জন ডো  

       > যোগাযোগ: +৮৮ ০১৭ ১২৩৪ ৫৬৭৮  

       > ইমেইল: johndoe@xyzcompany.com

    —

    ### প্রেস রিলিজের লেখার কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস:

    1. **সংক্ষিপ্ত এবং সুসংহত হোন**: প্রেস রিলিজটি ৪০০-৫০০ শব্দের মধ্যে রাখুন। অত্যাধিক দীর্ঘ প্রেস রিলিজ পাঠক এবং সাংবাদিকদের মনোযোগ হারাতে পারে।

    2. **স্পষ্টতা বজায় রাখুন**: তথ্য এবং বার্তা পরিষ্কারভাবে এবং প্রাসঙ্গিকভাবে উপস্থাপন করুন।

    3. **তথ্য নির্ভুল রাখুন**: ভুল তথ্য বা অস্পষ্টতা দিয়ে প্রেস রিলিজ লিখবেন না, কারণ এটি আপনার প্রতিষ্ঠানের ইমেজের ক্ষতি করতে পারে।

    4. **যতটা সম্ভব বিশ্লেষণাত্মক ভাষা এড়িয়ে চলুন**: প্রেস রিলিজের ভাষা সরল এবং প্রকৃত তথ্য প্রদানকারী হওয়া উচিত।

    এই নিয়মগুলি অনুসরণ করলে, আপনার প্রেস রিলিজ মিডিয়া ও পাঠকদের কাছে আরও প্রভাবশালী এবং কার্যকরী হবে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  7. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    দুনিয়ার সব দেশে ১২ মাসে বছর গণনা করা হলেও বিশ্বের কোন দেশে বছর গণনা করা হয় ১৩ মাসে?

    allaboutsubha
    allaboutsubha শিক্ষক https://www.youtube.com/allaboutsubha/
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    বিশ্বের একমাত্র দেশ, যেখানে ১৩ মাসে বছর গণনা করা হয়, তা হলো **ইথিওপিয়া**। ইথিওপিয়া তাদের নিজস্ব ক্যালেন্ডার অনুসরণ করে, যা "ইথিওপিয়ান ক্যালেন্ডার" নামে পরিচিত। এই ক্যালেন্ডারে মোট ১৩টি মাস থাকে — ১২টি মাসের দৈর্ঘ্য ৩০ দিন, এবং ১টি মাসে (পেগমেন) ৫ বা ৬ দিন হয় (অ leap year-এ)। এটি গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডবিস্তারিত পড়ুন

    বিশ্বের একমাত্র দেশ, যেখানে ১৩ মাসে বছর গণনা করা হয়, তা হলো **ইথিওপিয়া**। ইথিওপিয়া তাদের নিজস্ব ক্যালেন্ডার অনুসরণ করে, যা “ইথিওপিয়ান ক্যালেন্ডার” নামে পরিচিত। এই ক্যালেন্ডারে মোট ১৩টি মাস থাকে — ১২টি মাসের দৈর্ঘ্য ৩০ দিন, এবং ১টি মাসে (পেগমেন) ৫ বা ৬ দিন হয় (অ leap year-এ)। এটি গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের থেকে প্রায় ৭-৮ বছর পিছিয়ে থাকে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  8. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ অ্যাপ (অ্যান্ড্রয়েড ও IOS)

    100, 000 Stars, Faces of Facebook, Sneeze the Dragon, Eelslap, Omg! Laser Guns!, Pew Pew Pew, A Soft MurMur, Omfgdogs, Zoomquilt, Pixel Thoughts, Giphy এগুলো কি?

    allaboutsubha
    allaboutsubha শিক্ষক https://www.youtube.com/allaboutsubha/
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    আপনি যে নামগুলো উল্লেখ করেছেন, সেগুলো সবই ইন্টারনেট সংস্কৃতির অংশ হিসেবে পরিচিত কিছু ওয়েবসাইট, অ্যাপ্লিকেশন, বা অনলাইন প্রজেক্ট। এগুলোর মধ্যে বেশ কিছু ভিজ্যুয়াল বা ইন্টারেক্টিভ প্রজেক্ট, কিছু মিম বা সাইটের নাম, এবং কিছু সৃজনশীল ডিজিটাল এক্সপেরিমেন্ট হতে পারে। চলুন, একে একে এগুলোর ব্যাপারে কিছু তথ্যবিস্তারিত পড়ুন

    আপনি যে নামগুলো উল্লেখ করেছেন, সেগুলো সবই ইন্টারনেট সংস্কৃতির অংশ হিসেবে পরিচিত কিছু ওয়েবসাইট, অ্যাপ্লিকেশন, বা অনলাইন প্রজেক্ট। এগুলোর মধ্যে বেশ কিছু ভিজ্যুয়াল বা ইন্টারেক্টিভ প্রজেক্ট, কিছু মিম বা সাইটের নাম, এবং কিছু সৃজনশীল ডিজিটাল এক্সপেরিমেন্ট হতে পারে। চলুন, একে একে এগুলোর ব্যাপারে কিছু তথ্য দেওয়া যাক:

    1. **100,000 Stars**: এটি একটি ইন্টারঅ্যাকটিভ ওয়েবসাইট যা মহাবিশ্বের মডেল প্রদর্শন করে। এখানে আপনি বিভিন্ন তারার অবস্থান, তাদের আকার এবং দূরত্ব দেখতে পারেন। এটি NASA বা অন্যান্য মহাকাশ সম্পর্কিত প্রকল্পের মতো জ্ঞানমূলক উপাদান দিয়ে তৈরি।

    2. **Faces of Facebook**: এটি একটি সাইট যেখানে ফেসবুকের ইউজারদের ছবি এবং তাদের সম্পর্কিত কিছু তথ্য প্রদর্শিত হয়। সাধারণত এটি ফেসবুকের তথ্য নিয়ে কাজ করা একটি প্রজেক্ট, যা ফেসবুকের অ্যাকাউন্টগুলোর ছবি বা প্রোফাইল প্রদর্শন করতে ব্যবহৃত হতে পারে।

    3. **Sneeze the Dragon**: এটি একটি হালকা মজার ইন্টারেক্টিভ ওয়েবসাইট বা গেম যেখানে আপনি একটি ড্রাগনকে স্নিজ (হাঁচি) করাতে পারবেন।

    4. **Eelslap**: এটি একটি ইন্টারনেট মিম বা গেম যেখানে আপনি একটি ভার্চুয়াল চরিত্রকে একটি তেলাপিয়া মাছ দিয়ে স্ল্যাপ (থাপ্পড়) করতে পারবেন। এটা সাধারণত হাস্যকর এবং মজার কারণে জনপ্রিয়।

    5. **Omg! Laser Guns!**: এটি একটি মজার এবং অকারণ হাস্যকর ওয়েবসাইট যা আপনাকে ভয়েস বা মাউস ক্লিকের মাধ্যমে লেজার গান দিয়ে শুটিং করতে দেয়। মজা এবং অদ্ভুততার জন্য এটি জনপ্রিয়।

    6. **Pew Pew Pew**: এটি একটি ওয়েবসাইট বা সাউন্ড ইফেক্ট, যেখানে ক্লিক করলে “Pew Pew Pew” আওয়াজ শুনতে পাওয়া যায়। এটি মূলত এক ধরনের মিম এবং গেমিং সংস্কৃতির অংশ।

    7. **A Soft MurMur**: এটি একটি ওয়েবসাইট যা শান্ত এবং প্রশান্তির জন্য তৈরি করা হয়েছে, যেখানে আপনি নানা ধরনের সাউন্ড (যেমন বৃষ্টির শব্দ, ঝরনার শব্দ, পাখির ডাক) শুনতে পারেন। এটি মনোযোগ বা মাইন্ডফুলনেস প্র্যাকটিসের জন্য ভালো।

    8. **Omfgdogs**: এটি একটি ওয়েবসাইট যা বিশাল সংখ্যক কিউট এবং হাস্যকর কুকুরের ছবি এবং অ্যানিমেশন দেখানোর জন্য পরিচিত। সাধারণত এটি একটি টাইম-পাস সাইট।

    9. **Zoomquilt**: এটি একটি ইন্টারঅ্যাকটিভ জুমিং অ্যানিমেশন প্রজেক্ট যেখানে আপনি একটি বিশাল ডিজিটাল চিত্রের মধ্যে জুম ইন করতে পারেন এবং প্রতিটি পর্যায়ে নতুন নতুন দৃশ্য দেখতে পান।

    10. **Pixel Thoughts**: এটি একটি সাইট যা সাইট ভিজিটরদের জন্য একটি ধ্যানের অভিজ্ঞতা প্রদান করে। একটি ব্ল্যাক স্ক্রীনে একে একে ছোট ছোট পিক্সেল দৃশ্য প্রদর্শিত হয় যা ধ্যান বা মননশীলতার জন্য সাহায্যকারী হতে পারে।

    11. **Giphy**: Giphy একটি জনপ্রিয় গিফ (GIF) প্ল্যাটফর্ম, যেখানে ব্যবহারকারীরা শর্ট অ্যানিমেটেড ইমেজ বা মুভি ক্লিপ শেয়ার করতে পারেন। এটি সামাজিক মাধ্যম এবং মেসেজিং প্ল্যাটফর্মে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

    এই সমস্ত সাইটগুলো সাধারণত বিনোদনমূলক, কিছু সৃজনশীল এবং অন্যরা হাস্যকর বা চিন্তা-উদ্রেককারী অভিজ্ঞতা প্রদান করে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  9. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিনোদন

    পৃথিবীর সবথেকে বেশি অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত সংগীত তারকা কে?

    allaboutsubha
    allaboutsubha শিক্ষক https://www.youtube.com/allaboutsubha/
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত সংগীত তারকা হলেন **গ্যার্থ ব্রুকস (Garth Brooks)**। তিনি একজন প্রখ্যাত কান্ট্রি মিউজিক শিল্পী, যিনি তাঁর সংগীত কেরিয়ারে অসংখ্য অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন। গ্যার্থ ব্রুকস ১৯৮০ এবং ১৯৯০ দশকে কান্ট্রি মিউজিকের একটি বিপ্লবের জন্ম দেন এবং তাঁকে বলা হয় কান্ট্রি মিউজিকের কিং।বিস্তারিত পড়ুন

    পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত সংগীত তারকা হলেন **গ্যার্থ ব্রুকস (Garth Brooks)**। তিনি একজন প্রখ্যাত কান্ট্রি মিউজিক শিল্পী, যিনি তাঁর সংগীত কেরিয়ারে অসংখ্য অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন।

    গ্যার্থ ব্রুকস ১৯৮০ এবং ১৯৯০ দশকে কান্ট্রি মিউজিকের একটি বিপ্লবের জন্ম দেন এবং তাঁকে বলা হয় কান্ট্রি মিউজিকের কিং। তিনি **গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড**, **American Music Awards**, **Billboard Music Awards** সহ আরও অসংখ্য পুরস্কার পেয়েছেন। তাঁর নাম গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে রেকর্ড করা হয়েছে সর্বাধিক অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত সংগীত তারকা হিসেবে।

    তবে, যদি “সবথেকে বেশি অ্যাওয়ার্ড” বলতে সম্মাননা বা পুরস্কারের মোট সংখ্যা বুঝানো হয়, তবে **মাইকেল জ্যাকসন**ও (Michael Jackson) একটি উল্লেখযোগ্য নাম, যিনি একাধিক বার গ্র্যামি, আমেরিকান মিউজিক অ্যাওয়ার্ডসহ নানা আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছেন। তিনি “কিং অফ পপ” নামে পরিচিত, এবং তাঁর মোট পুরস্কারের সংখ্যা ৮০০ এরও বেশি।

    তবে, **গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস** অনুযায়ী, গ্যার্থ ব্রুকসকে সবচেয়ে বেশি পুরস্কৃত সংগীত শিল্পী হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  10. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

    ছাত্ররা পরীক্ষায় চিটিং বা টুকলি করে কেন?

    allaboutsubha
    allaboutsubha শিক্ষক https://www.youtube.com/allaboutsubha/
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    ছাত্ররা পরীক্ষায় চিটিং বা টুকলি করার বেশ কয়েকটি কারণ থাকতে পারে, এবং এগুলো ব্যক্তিগত, সামাজিক এবং পরিবেশগত নানা ফ্যাক্টরের ওপর নির্ভর করে। কিছু সাধারণ কারণের মধ্যে: ### ১. **আত্মবিশ্বাসের অভাব** অনেক ছাত্রই পরীক্ষায় ভালো ফল করার জন্য নিজেদের ওপর যথেষ্ট আত্মবিশ্বাস অনুভব করেন না। তাদের মনে থাকে যে, তবিস্তারিত পড়ুন

    ছাত্ররা পরীক্ষায় চিটিং বা টুকলি করার বেশ কয়েকটি কারণ থাকতে পারে, এবং এগুলো ব্যক্তিগত, সামাজিক এবং পরিবেশগত নানা ফ্যাক্টরের ওপর নির্ভর করে। কিছু সাধারণ কারণের মধ্যে:

    ### ১. **আত্মবিশ্বাসের অভাব**
    অনেক ছাত্রই পরীক্ষায় ভালো ফল করার জন্য নিজেদের ওপর যথেষ্ট আত্মবিশ্বাস অনুভব করেন না। তাদের মনে থাকে যে, তারা পড়াশোনা করতে পারেননি বা পুরোপুরি প্রস্তুতি নিতে পারেননি। ফলে তারা পরীক্ষায় চিটিং করে নিজের ফলাফল ভালো করার চেষ্টা করে।

    ### ২. **অতিরিক্ত চাপ বা দুশ্চিন্তা**
    বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল বা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে ভালো ফলাফল অর্জনের জন্য ছাত্রদের ওপর অনেক চাপ থাকে। কিছু ছাত্র এই চাপ সামলাতে না পেরে, বা ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করে চিটিংয়ের মাধ্যমে নিজেদের ফলাফল উন্নত করতে চায়।

    ### ৩. **অধ্যয়ন পদ্ধতির সমস্যা**
    যে ছাত্ররা নিয়মিত পড়াশোনা করে না বা ভুল পদ্ধতিতে পড়াশোনা করে, তারা পরীক্ষার আগে চাপ অনুভব করে এবং মনে করে যে, পড়াশোনা ছাড়া তারা কোনোভাবে পরীক্ষায় ভালো করতে পারবে না। এই ধরনের ছাত্রেরা চিটিং করার পন্থা খুঁজে নেন।

    ### ৪. **প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ**
    অনেক সময় ছাত্ররা বন্ধুদের বা সহপাঠীদের তুলনায় পিছিয়ে পড়ার ভয় পেয়ে চিটিং করতে পারে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রচুর প্রতিযোগিতা থাকলে, ছাত্ররা মনে করে যে, পরীক্ষায় ভালো ফল না করলে তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।

    ### ৫. **অনুশীলন বা মনোযোগের অভাব**
    কিছু ছাত্র পরীক্ষার আগে শেষ মুহূর্তে প্রস্তুতি নেয়, কিন্তু তারা পর্যাপ্ত সময় বা মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করতে পারে না। ফলে তারা টুকলি বা চিটিংয়ের মাধ্যমে সময় বাঁচানোর চেষ্টা করে।

    ### ৬. **শিক্ষকের বা পরীক্ষার পরিবেশের দুর্বলতা**
    যদি পরীক্ষার পরিবেশ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে অবহেলা থাকে, যেমন শিক্ষক বা পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা যথাযথভাবে নজরদারি না করেন, তখন ছাত্ররা চিটিংয়ের সুযোগ পেয়ে যায়। কিছু পরীক্ষায় এমন পরিবেশ তৈরি হয় যেখানে ছাত্রদের চিটিং করা সহজ হয়ে যায়।

    ### ৭. **নৈতিক মূল্যবোধের অভাব**
    কিছু ছাত্রের নৈতিক মূল্যবোধ বা শৃঙ্খলা কম হতে পারে। তারা মনে করে যে, চিটিং করে যদি ভালো ফল পাওয়া যায়, তবে এটি তাদের জন্য ক্ষতিকর হবে না। এই ধরনের ছাত্রদের মধ্যে নিজেদের কর্তব্য বা সঠিক পথ অনুসরণের প্রতি আগ্রহ কম হতে পারে।

    ### ৮. **বিশ্বস্ততার অভাব**
    অন্য একটি কারণ হতে পারে শিক্ষাপদ্ধতিতে আস্থা বা বিশ্বাসের অভাব। ছাত্ররা যদি মনে করেন যে, পরীক্ষায় ভালো ফলাফল শুধুমাত্র সঠিকভাবে পড়াশোনা করলেই পাওয়া যায় না, বা মূল্যায়ন পদ্ধতি যথাযথ নয়, তবে তারা মনে করে যে চিটিং করলেই ফলাফল ভালো হবে।

    ### ৯. **অনুশীলনের জন্য উপযুক্ত উৎসের অভাব**
    কিছু ছাত্রের কাছে প্রয়োজনীয় শিক্ষণ উপকরণ বা গাইড বই না থাকলে, তারা হয়তো বাইরে থেকে কপি বা টুকলি করে নিজের প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে চায়।

    ### সমাধান:
    পরীক্ষায় চিটিংয়ের প্রবণতা কমানোর জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির উচিত:
    – শিক্ষার্থীদের প্রতি সহানুভূতির মনোভাব পোষণ করা এবং তাদের সমস্যা বুঝে সমাধান করা।
    – সঠিক পড়াশোনার পদ্ধতি শেখানো এবং চাপ কমানোর জন্য মানসিক সহায়তা প্রদান।
    – পরীক্ষার পরিবেশ সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ রাখা।
    – নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধের ওপর গুরুত্ব দেওয়া।

    বিশ্ববিদ্যালয় বা স্কুল পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের কাছে সঠিক গাইডলাইন এবং অভ্যন্তরীণ সহায়তার মাধ্যমে চিটিংয়ের প্রবণতা কমানো সম্ভব।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  11. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘ সোজা রাস্তা কোথায় অবস্থিত?

    allaboutsubha
    allaboutsubha শিক্ষক https://www.youtube.com/allaboutsubha/
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘ সোজা রাস্তা **পৃথিবী-বাংলাদেশে অবস্থিত**, যা **"দ্য হুইট স্যান্ড ড্রাইভ" (The Highway 10)** নামে পরিচিত। এটি অস্ট্রেলিয়ার একটি বিস্তৃত ও প্রাচীন সোজা রাস্তা যা **হুইট স্যান্ড ড্রাইভ** নামে পরিচিত।

    পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘ সোজা রাস্তা **পৃথিবী-বাংলাদেশে অবস্থিত**, যা **”দ্য হুইট স্যান্ড ড্রাইভ” (The Highway 10)** নামে পরিচিত। এটি অস্ট্রেলিয়ার একটি বিস্তৃত ও প্রাচীন সোজা রাস্তা যা **হুইট স্যান্ড ড্রাইভ** নামে পরিচিত।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • -1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  12. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    প্যাঁচার সবথেকে বিশাল বড় প্রজাতি কোনটি?

    allaboutsubha
    allaboutsubha শিক্ষক https://www.youtube.com/allaboutsubha/
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    প্যাঁচার (Eagle) সবথেকে বিশাল বড় প্রজাতি হলো **স্টেলারস্ সিজার (Steller's Sea Eagle)** (নতুন প্রজাতি হিসেবে Haliaeetus pelagicus)। এটি একটি বিশাল আকারের সামুদ্রিক প্যাঁচা এবং এটি পৃথিবীর সবচেয়ে ভারী প্যাঁচা হিসেবে পরিচিত। **স্টেলারস্ সিজার** সাধারণত উত্তরপূর্ব এশিয়া, বিশেষ করে রাশিয়া, জাপান এবং কোরিবিস্তারিত পড়ুন

    প্যাঁচার (Eagle) সবথেকে বিশাল বড় প্রজাতি হলো **স্টেলারস্ সিজার (Steller’s Sea Eagle)** (নতুন প্রজাতি হিসেবে Haliaeetus pelagicus)। এটি একটি বিশাল আকারের সামুদ্রিক প্যাঁচা এবং এটি পৃথিবীর সবচেয়ে ভারী প্যাঁচা হিসেবে পরিচিত।

    **স্টেলারস্ সিজার** সাধারণত উত্তরপূর্ব এশিয়া, বিশেষ করে রাশিয়া, জাপান এবং কোরিয়া অঞ্চলে বাস করে। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ১১৫ থেকে ১২০ সেন্টিমিটার (৪৫ থেকে ৪৭ ইঞ্চি), এবং পাখিটির ডানা প্রসারিত হয়ে ২.৪ থেকে ২.৫ মিটার (৮ থেকে ৮.৫ ফুট) পর্যন্ত হতে পারে। এর ওজন প্রায় ৭-৯ কেজি (১৫-২০ পাউন্ড)।

    স্টেলারস্ সিজার প্যাঁচাটি তার শক্তিশালী পা, বড় ও ধারালো ঠোঁট, এবং মাছ, সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী, ছোট পশু এবং পাখি শিকার করার ক্ষমতার জন্য পরিচিত। এটি অতি দুর্লভ এবং বিশ্বে তার সংখ্যা দ্রুত কমে যাচ্ছে, ফলে এটি এখন একটি বিপন্ন প্রজাতি হিসেবে তালিকাভুক্ত।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  13. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    জল এবং চায়ের পর পৃথিবীতে তৃতীয় জনপ্রিয় পানীয় কোনটি?

    allaboutsubha
    allaboutsubha শিক্ষক https://www.youtube.com/allaboutsubha/
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    জল এবং চায়ের পর পৃথিবীতে তৃতীয় সবচেয়ে জনপ্রিয় পানীয় হল **কফি**। কফি বিশ্বের অনেক দেশের সংস্কৃতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি নানা প্রকারে প্রস্তুত করা হয়, যেমন কালো কফি, ল্যাটে, ক্যাপুচিনো ইত্যাদি। কফি বিশ্বের প্রায় সব অঞ্চলে জনপ্রিয় এবং এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক পণ্যও, বিশেষবিস্তারিত পড়ুন

    জল এবং চায়ের পর পৃথিবীতে তৃতীয় সবচেয়ে জনপ্রিয় পানীয় হল **কফি**।

    কফি বিশ্বের অনেক দেশের সংস্কৃতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি নানা প্রকারে প্রস্তুত করা হয়, যেমন কালো কফি, ল্যাটে, ক্যাপুচিনো ইত্যাদি। কফি বিশ্বের প্রায় সব অঞ্চলে জনপ্রিয় এবং এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক পণ্যও, বিশেষ করে ব্রাজিল, ভিয়েতনাম, কলম্বিয়া এবং ইথিওপিয়া সহ অনেক দেশ কফি উৎপাদনে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে।

    বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অফিস, ক্যাফে থেকে বাড়ি—কফি প্রায় সবখানেই পানীয় হিসেবে জনপ্রিয়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  14. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

    আমাদের সংখ্যা তত্ত্বে শূন্যের গুরুত্ব কতটা আমরা সেটি সবাই জানি, কিন্তু জানেন কি এই শূন্য আবিষ্কার করেছিলেন কে?

    allaboutsubha
    allaboutsubha শিক্ষক https://www.youtube.com/allaboutsubha/
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    শূন্যের ধারণাটি এক সময় মানব সভ্যতার জন্য এক অজানা ও রহস্যময় বিষয় ছিল, তবে শূন্যের আবিষ্কার একক কোনো ব্যক্তির কাজ নয়, বরং এটি একটি দীর্ঘপ্রক্রিয়ার ফলস্বরূপ। তবে শূন্যের ব্যবহারের প্রথম পরিচিত উদাহরণ পাওয়া যায় ভারতীয় গণিতজ্ঞদের কাছ থেকে। **ভারতীয় গণিতজ্ঞ ব্রাহ্মগুপ্ত (Brahmagupta)**, যিনি ৭ম শতকে (৭৮৮বিস্তারিত পড়ুন

    শূন্যের ধারণাটি এক সময় মানব সভ্যতার জন্য এক অজানা ও রহস্যময় বিষয় ছিল, তবে শূন্যের আবিষ্কার একক কোনো ব্যক্তির কাজ নয়, বরং এটি একটি দীর্ঘপ্রক্রিয়ার ফলস্বরূপ। তবে শূন্যের ব্যবহারের প্রথম পরিচিত উদাহরণ পাওয়া যায় ভারতীয় গণিতজ্ঞদের কাছ থেকে।

    **ভারতীয় গণিতজ্ঞ ব্রাহ্মগুপ্ত (Brahmagupta)**, যিনি ৭ম শতকে (৭৮৮-৬৫৮ খ্রিস্টাব্দ) ভারতীয় গণিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন, শূন্যকে একটি পূর্ণসংখ্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন এবং এর জন্য বিশেষ গণনা বিধি তৈরি করেছিলেন। তিনি শূন্যকে শুধু একটি ‘সংখ্যা’ হিসেবে না, বরং একটি গাণিতিক অপারেশন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন। ব্রাহ্মগুপ্তের লেখা “ব্রাহ্মগুপ্ত সূত্র” গ্রন্থে শূন্যের বিভিন্ন গাণিতিক ব্যবহার ও নীতি বর্ণিত আছে, যেমন শূন্যের সাথে যোগ এবং গুণের নিয়ম।

    তবে, শূন্যের ধারণার উন্নতি অনেক আগে থেকেই ভারতীয় গণিতজ্ঞদের মধ্যে চলে আসছিল। ভারতীয় গণিতের ইতিহাসে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক, কারণ শূন্যের ধারণা গাণিতিক বিশ্লেষণ ও গণনা পদ্ধতিতে বিপ্লব ঘটায়।

    এছাড়া, **অ্যারাবিয়ান গণিতবিদদের (যেমন আল-খাওয়ারিজমি)** মাধ্যমে শূন্যের ধারণা পাশ্চাত্যে পৌঁছায়, এবং পরে এটি আধুনিক গণিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

    অতএব, শূন্যের আবিষ্কার এককভাবে কোনো এক ব্যক্তির কাজ নয়, এটি একটি সাংস্কৃতিক এবং গাণিতিক উন্নতির অংশ ছিল, যেখানে ভারতীয় গণিতবিদেরা প্রথম শূন্যের প্রকৃত গাণিতিক ব্যবহার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  15. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    প্রেস রিলিজ লেখার নিয়ম কি?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    প্রায়ই বন্ধুবান্ধব বা পরিচিতরা ফোন করে জিজ্ঞেস করেন “প্রেস রিলিজের কোনও ফরম্যাট আছে” কিনা। এদের অনেকেই কমিউনিকেশন এক্সপার্ট নন, কারণ কমিউনিকেশন এক্সপার্ট হলে তো প্রেস রিলিজ লিখতে পারার কথা। অনেকেই আছেন, শুধু ফরম্যাট বলে দিলেই তাদের হয় না, আবার একটা বা দুটো স্যাম্পল প্রেস রিলিজও তাদের দিয়ে দিতে হযবিস্তারিত পড়ুন

    প্রায়ই বন্ধুবান্ধব বা পরিচিতরা ফোন করে জিজ্ঞেস করেন “প্রেস রিলিজের কোনও ফরম্যাট আছে” কিনা। এদের অনেকেই কমিউনিকেশন এক্সপার্ট নন, কারণ কমিউনিকেশন এক্সপার্ট হলে তো প্রেস রিলিজ লিখতে পারার কথা। অনেকেই আছেন, শুধু ফরম্যাট বলে দিলেই তাদের হয় না, আবার একটা বা দুটো স্যাম্পল প্রেস রিলিজও তাদের দিয়ে দিতে হয় যাতে তারা সেটা দেখে একটা ধারণা পেতে পারেন কিভাবে প্রেস রিলিজ লিখতে হয়। সুতরাং, এই লেখাটা মুলত তাদের কথা মাথায় রেখে লেখা। তবে আমি মনে করি যারা এমনিতেই প্রচুর প্রেস রিলিজ লেখেন বা প্রেস রিলিজ ভালো লিখতে পারেন, তারাও এখান থেকে কিছু শিখতে পারবেন। আমি নিজে এক সময় সাংবাদিক ছিলাম, প্রচুর প্রেস রিলিজ আমার হাত দিয়ে ছাপা হয়েছে। সাংবাদিকতা ছাড়ার পর নিজেও প্রচুর প্রেস রিলিজ লিখেছি। সুতরাং, কিভাবে প্রেস রিলিজ লিখলে সেটা ছাপা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি, সেটা আমার ভালোই শেখা হয়েছে।

    প্রেস রিলিজ লেখার নিয়ম-কানুন নিয়ে আলোচনা করার জন্য আমাকে কিছু উদাহরণের সাহায্য নিতে হবে। এই উদাহরণগুলো আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই নেয়া। তবে আসল প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম উল্লেখ করতে চাই না, তাই একটি কাল্পনিক প্রতিষ্ঠানের নাম এখানে ব্যবহার করবো। ধরা যাক, প্রতিষ্ঠানটির নাম এবিসি ফাউন্ডেশন, অফিস ঢাকার বনানী ১১ নম্বর রোডে।

    প্রথম নিয়ম হলো, প্রেস রিলিজটা প্রতিষ্ঠানের লেটারহেড বা প্যাডে হতে হবে। একেক প্রতিষ্ঠানের লেটারহেড একেকরকম হয়ে থাকে। কারোটা simplistic কারোটা আবার artistic কারোটা আবার minimalistic হয়ে থাকে।

    • প্রেস রিলিজ অবশ্যই আপনার প্রতিষ্ঠানের লেটারহেড বা প্যাডে দিতে হবে।
    • শুরুতে পৃষ্ঠার বাঁ দিকে (লেটারহেডের ঠিক নিচে এবং হেডলাইনের ওপরে) “প্রেস রিলিজ” কথাটা লেখা থাকবে। একই লাইনে পৃষ্ঠার ডান দিকে তারিখ দিতে হবে। এক্ষেত্রে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড-এর “রাইট ট্যাব” অপশনটা ব্যবহার করতে পারেন। তারিখটা হতে হবে সেদিনের যেদিন প্রেস রিলিজটা ছাড়া হবে। তারিখের আগে অনেকেই একটা “ঢাকা” জুড়ে দেন। যদি আপনার লেটারহেডে প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা লেখা থাকে (এই স্যাম্পলে যেমন নিচে আছে) তাহলে জায়গার নাম লেখাটা অপ্রয়োজনীয়। অবশ্য যদি আপনি ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়ার জন্য প্রেস রিলিজ লেখেন, তাহলে শহরের নামটা দিতে পারেন।
    • তার ঠিক পরপরই থাকবে হেডলাইন। তারিখের লাইন এবং হেডলাইনের মাঝে ২ লাইনের গ্যাপ থাকতে হবে, অর্থাৎ, কিবোর্ডে দুবার এন্টার চাপতে হবে। “এবিসি ফাউন্ডেশনের গবেষণাপত্র প্রকাশ” বা “এবিসি ফাউন্ডেশনের বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ” – এ ধরণের হেডলাইন বর্জন করতে হবে। পত্রিকায় যেভাবে হেডলাইন লেখা হয়, সেভাবে দিতে হবে, সর্বোচ্চ ১০-১২ শব্দে হতে হবে এবং দুই বা তিন লাইনে ভাগ করে দিতে হবে। হেডলাইনের ফন্ট সাইজ বাকি প্রেস রিলিজের ফন্ট সাইজের চেয়ে ২ বা ৩ পয়েন্ট বেশি হতে হবে। অবশ্যই হেডলাইন বোল্ড করে দিতে হবে। প্রয়োজনে কমা, ড্যাশ, হাইফেন, ইনভার্টেড কমা, অ্যাপস্ট্রফি থাকতে পারে কিন্তু সেমিকোলন বা ফুলস্টপ অথবা দাড়ি ব্যবহার করা যাবে না।
    • হেডলাইনের পরে দুই লাইনের গ্যাপ দিয়ে (অর্থাৎ কিবোর্ডে দুবার এন্টার চেপে) তারপর প্রেস রিলিজের মূল “বডি” শুরু করতে হবে।
    • প্রেস রিলিজের প্রথম লাইনটা অর্থাৎ “টপলাইন” সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই লাইনটা কত ভালোভাবে লেখা হচ্ছে তার ওপর নির্ভর করে এটা নিউজ হিসেবে ছাপা হবে কিনা। খটোমটো এবং অনেক অনেক সংখ্যায় ভরপুর টপলাইন না লেখাই ভালো। একজন সাংবাদিকের মতো করে চিন্তা করতে হবে: “আমি এই তথ্যগুলো পেলে প্রথম লাইনটা কিভাবে লিখতাম” – এরকম করে চিন্তা করতে হবে। এর একটা সহজ উপায় হলো হেডলাইনে যা লেখা হচ্ছে, সেটাই একটু বিস্তারিত আকারে বা elaborate করে লেখা যেতে পারে।
    • টপলাইনটা কখনোই খুব লম্বা করা যাবে না। শব্দ সংখ্যা নির্দিষ্ট করে দেয়া সম্ভব না। Common sense প্রয়োগ করতে হবে। “গত শনিবার অনুষ্ঠিত হলো এবিসি ফাউন্ডেশনের বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশনা অনুষ্ঠান” – এ ধরণের বাক্য দিয়ে টপলাইন না লেখাই ভালো। ওই অনুষ্ঠানে যারা কথা বলেছেন বা সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন, তাদের কথা থেকে যে কোনো একটা গুরুত্বপূর্ণ লাইন দিয়ে প্রথম লাইন লেখা যেতে পারে। অথবা, যেমনটা আমাদের উদাহরণে আছে, কোন গবেষণা বা research-এর প্রকাশনা যদি হয়, সেক্ষেত্রে সেই গবেষণার interesting কোন একটা finding দিয়েও টপলাইন বা হেডলাইন করা যেতে পারে। তবে এক্ষেত্রে, আরো একটা বিষয় মাথায় রাখতে হবে: “অমুক বলেছেন…” – এই ধরনের expression টপলাইনে ব্যবহার না করাই ভালো।
    • দ্বিতীয় এবং তৃতীয় প্যারা মিলিয়ে অবশ্যই 5W এবং 1H এর উত্তর থাকতে হবে।5W মানে হলো what, where, when, who, why এবং 1H মানে হলো how – অর্থাৎ বিষয় “কি”, ঘটনার জায়গাটা “কোথায়”, হলো “কবে”, উপস্থিত ছিলো “কে কে”, অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য “কি” এবং অনুষ্ঠানটা হলো “কিভাবে” (আমাদের উদাহরণে যেমন “অনলাইনে”; যদি কোনও অডিটরিয়ামে হয়, তার নামটা লিখতে হবে)। তবে, সবগুলো প্রশ্নের উত্তর একটা বাক্যে দিতে গেলে লাইনটা খুব বড় হয়ে যাবে এবং তথ্যগত বা grammatical ভুল হতে পারে। তাই, ২-৩ লাইনে ভাগ করে এগুলো লেখা ভালো।
    • সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা মন্তব্যগুলো প্রথম তিন প্যারার মধ্যেই দিয়ে দিতে পারলে ভালো।
    • একটি ভালো প্রেস রিলিজে অন্তত ৪-৫টি প্যারা থাকতে হবে। প্যারাগুলো খুব লম্বা করা যাবে না, সর্বোচ্চ ৪-৫ লাইনের হওয়া ভালো। কারো বক্তব্য বা quote দিতে হলে তা আলাদা প্যারা করে দিতে হবে। এক্ষেত্রেও একই নিয়ম: কোনভাবেই যেন quote ৩-৪ লাইনের বেশি না হয়।
    • প্রেস রিলিজের শেষের দিকে অবশ্যই প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে অন্তত একটা প্যারা রাখতে হবে। সেখানে খুব অল্প কথায় প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিতে হবে।
    • একটি ভালো প্রেস রিলিজ কখনোই এক পৃষ্ঠার বেশি হওয়া উচিৎ না। এক পৃষ্ঠার বেশি হলে বুঝতে হবে অতিরিক্ত কথা লেখা হয়েছে যা মিডিয়া কখনোই ছাপাবে না। যদি অতিরিক্ত তথ্য দেয়ার প্রয়োজন হয়, তাহলে আলাদা করে প্রেস রিলিজের সাথে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট শেয়ার করতে পারেন। আমাদের উদাহরণের ক্ষেত্রে যেমন গবেষণা প্রতিবেদনটি। অথবা যদি অনুষ্ঠানে কেউ কোনও প্রেজেন্টেশন দিয়ে থাকেন, তাহলে সেই স্লাইডগুলো দিয়ে দিতে পারেন।
    • প্রেস রিলিজের শেষে অবশ্যই – এবং অতি অবশ্যই – প্রতিষ্ঠানের মিডিয়া ম্যানেজার বা কমিউনিকেশন ম্যানেজার বা কমিউনিকেশন/মিডিয়া ফোকাল পার্সনের নাম, পদবী, ফোন নম্বর দিতে হবে।
    • প্রেস রিলিজ সম্বলিত ইমেইলটা সাংবাদিক বা মিডিয়া হউজগুলোতে পাঠানোর ক্ষেত্রেও কিছু নিয়ম মানতে হবে।“Dear Bhai, please find, thanks” – এ ধরণের কথা দিয়ে মেইল করা যাবে না। মেইলের বডিতে খুব সংক্ষেপে লিখতে হবে কি উপলক্ষ্যে এই মেইলটা পাঠানো হচ্ছে। মেইলের সাবজেক্ট লাইনে অবশ্যই প্রেস রিলিজের বিষয়টা সংক্ষেপে সুন্দর করে এমনভাবে লিখতে হবে যাতে নিউজ এডিটর বা চিফ রিপোর্টার সাবজেক্ট দেখেই সেটার বিষয়ে আগ্রহ বোধ করেন।
    • প্রেস রিলিজ সম্বলিত মেইলের বডিতে গোটা প্রেস রিলিজটা কপি পেস্ট না করাই ভালো।
    • প্রতিটা প্রেস রিলিজ ওয়ার্ডে টাইপ করে অবশ্যই পিডিএফ করে দিতে হবে। এবং অবশ্যই পিডিএফের পাশাপাশি, ওয়ার্ড ফাইলটিও মেইলে অ্যাটাচ করে দিতে হবে।
    • প্রেস রিলিজের দুটো ভার্সন থাকা ভালো – একটা বাংলা, আরেকটা ইংরেজি।বাংলা প্রত্রিকায় ইংরেজি প্রেস রিলিজ পাঠানো যাবে না। ইংরেজি পত্রিকায় বাংলা প্রেস রিলিজ পাঠানো যাবে না।

    এখনো অনেকেই বিজয় কিবোর্ড ব্যবহার করে সুতন্নি ফন্টে বাংলায় প্রেস রিলিজ লেখেন। এই অভ্যাস ত্যাগ করে ইউনিকোডে টাইপ করা শুরু করুন। বাংলাদেশের সব মিডিয়া হাউজ এখন ইউনিকোড ফন্ট ব্যবহার করে। সুতন্নিতে টাইপ করার সমস্যা হলো, মিডিয়া হাউজগুলোতে পাঠানোর পর, সেখানে কাউকে দিয়ে ওটাকে হয় নতুন করে ইউনিকোডে টাইপ করাতে হবে, নয়তো কনভার্ট করাতে হবে। এটা একটা back-dated, বিরক্তিকর এবং অপ্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া। কোন মিডিয়া হাউজে যদি নতুন করে টাইপ করার বা কনভার্ট করার লোক না থাকে তাহলে হয়তো প্রেস রিলিজটা বাদই পড়ে যাবে। তারচেয়ে প্রেস রিলিজটা যদি ইউনিকোডেই লেখা হয় তাহলে সেখানে থেকে সাংবাদিকরা সরাসরি কপি পেস্ট করে নিতে পারবেন।

    • কোনো ইভেন্টের অন্তত দুই দিন আগে একটা প্রেস রিলিজের পূর্ণাঙ্গ draft তৈরি করে ফেলতে হবে। ইভেন্টের সময় অবশ্যই কাউকে দায়িত্ব দিতে হবে যেন সে গুরুত্বপূর্ণ যেসব আলোচনা বা প্রশ্নোত্তর হচ্ছে সেখান থেকে নোট নেয়। ইভেন্ট শেষ হওয়ার পরপরই, নোট দেখে প্রেস রিলিজ আপডেট করে ফেলতে হবে। ধরা যাক ইভেন্ট লাঞ্চের আগে শেষ হলো। সেক্ষেত্রে, যার নোট নেয়ার দায়িত্ব, সে কখনোই লাঞ্চে বসে যাবে না। ইভেন্ট শেষ হওয়ার পর তার প্রথম কাজ হলো নোট-এর উপর ভিত্তি করে প্রেস রিলিজের ড্রাফট আপডেট করা। এবং সম্ভব হলে, লাঞ্চ শেষ হওয়ার আগেই সেটা ফাইনাল করে, যেসব সাংবাদিকরা ইভেন্ট কাভার করতে এসেছেন এবং লাঞ্চ করছেন, তাদের হাতে সেই প্রেস রিলিজের একটা প্রিন্টআউট দিয়ে দেয়া।
    • প্রেস রিলিজ অবশ্যই বিকাল ৪টার মধ্যে মিডিয়া হাউজ এবং সাংবাদিকদের মেইল করে দিতে হবে। দৈনিক পত্রিকায় প্রেস রিলিজের নিউজ সাধারণত ভেতরের পাতাগুলোতে ছাপা হয়। এই ভেতরের পাতাগুলোতে কি কি নিউজ যাবে তা সাধারণত বিকাল ৫টার মধ্যে ঠিক হয়ে যায়। প্রথম পাতা, তৃতীয় পাতা বা পেছনের পাতাগুলোই শুধু রাতের দিকে ফাইনাল হয়। প্রেস রিলিজ পাঠাতে দেরি হলে ছাপা হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।

    প্রেস রিলিজ তো লেখা হলো, এবার ছাপাবেন কিভাবে? আগে এক সময় প্রেস রিলিজ ফ্যাক্স করে দেয়া হতো। সেই ফ্যাক্স থাকতো মিডিয়া হাউজের চিফ রিপোর্টার বা নিউজ এডিটরের ডেস্কে। তিনি ফ্যাক্স থেকে বের হওয়া প্রেস রিলিজ দেখে সিদ্ধান্ত নিতেন সেটা ছাপা হবে কি না। ইদানিং অবশ্য কেউ আর ফ্যাক্স করে না। সরাসরি মেইল করে দেয়া হয়। এখন প্রশ্ন হলো মেইলটা করবেন কাকে? মেইলটা অবশ্যই করতে হবে চিফ রিপোর্টারকে। পাশাপাশি, আপনার যদি ওই মিডিয়া হাউজের অন্য কোনও সাংবাদিকের সাথে পরিচয় থাকে, তাহলে তাকেও মেইলের সিসি-তে রাখতে পারেন। সেক্ষেত্রে আপনার পরিচিত সাংবাদিকের মাধ্যমে খোঁজ নিতে পারবেন সেটা ছাপা হবে কিনা। আরেকটা বিষয় হলো, চিফ রিপোর্টার যদি আপনার ইমেইল না খোলেন? সুতরাং, বিভিন্ন মিডিয়া হাউজের চিফ রিপোর্টারদের সাথে যতখানি সম্ভব ব্যক্তিগত পরিচয় তৈরি করে নিতে হবে। তাদের মোবাইলে আপনার ফোন নম্বরটা যেন store করা থাকে, সেটা নিশ্চিত করতে পারলেই অনেকটা কাজ হবে। আপনার ইমেইল অ্যাড্রেসটা যেন তিনি চেনেন তার ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রেস রিলিজটা মেইল করার পর চিফ রিপোর্টারকে অবশ্যই একটা ফোন দিয়ে নিশ্চিত হয়ে নেবেন যে তিনি আপনার মেইলটা পেয়েছেন কিনা।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  16. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    বাংলাদেশে পাসপোর্ট করার পুরো প্রক্রিয়া

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    ১. আবেদন ফরম পূরণ - *অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ*: প্রথমে পাসপোর্ট বিভাগের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে  (e-passport.gov.bd) গিয়ে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে। - *আবেদন ফরম প্রিন্ট*: ফরম পূরণের পর আবেদন ফরম প্রিন্ট করতে হবে। ২. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র 📄 - *জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি*: ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি এবং মূল জাতীয়বিস্তারিত পড়ুন

    ১. আবেদন ফরম পূরণ
    – *অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ*: প্রথমে পাসপোর্ট বিভাগের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে  (e-passport.gov.bd) গিয়ে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে।
    – *আবেদন ফরম প্রিন্ট*: ফরম পূরণের পর আবেদন ফরম প্রিন্ট করতে হবে।
    ২. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র 📄
    – *জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি*: ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি এবং মূল জাতীয় পরিচয় পত্র সাথে নিবেন অবশ্যই।
    – *জন্ম নিবন্ধন সনদের ফটোকপি*: জন্ম নিবন্ধন সনদের ফটোকপি।
    – *পাসপোর্ট সাইজ ছবি*: ১ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি।
    – *পূর্বের পাসপোর্টের ফটোকপি* (যদি থাকে)।
    – *অন্যান্য ডকুমেন্ট*: যদি আবেদনকারী সরকারী চাকুরিজীবী হন, তবে এনওসি (NOC) প্রয়োজন হতে পারে।
    ৩. ফি জমা
    – *ফি*: পাসপোর্ট ফি অনলাইনে বা নির্দিষ্ট ব্যাংকের মাধ্যমে জমা দিতে হবে।
    – *ফি রসিদ*: ফি জমা দেওয়ার পর রসিদটি সংরক্ষণ করতে হবে।
    ৪. আবেদন জমা
    – *আবেদন জমা*: নিকটস্থ পাসপোর্ট অফিসে নির্দিষ্ট সময়ে গিয়ে আবেদন ফরম ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে।
    ৫. বায়োমেট্রিক তথ্য প্রদান
    – *ফিঙ্গারপ্রিন্ট এবং ছবি*: পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে আঙ্গুলের ছাপ এবং ছবি তোলা হবে।
    ৬. পাসপোর্ট সংগ্রহ
    -এসএমএস বা ইমেইল*: আবেদন গৃহীত হলে এবং পাসপোর্ট প্রস্তুত হলে এসএমএস বা ইমেইল পাওয়া যাবে।
    – *সংগ্রহ*: নির্দিষ্ট পাসপোর্ট অফিস থেকে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে।
    এছাড়া আরও বিস্তারিত তথ্যের জন্য পাসপোর্ট অফিসের ওয়েবসাইট দেখতে পারেন অথবা সরাসরি পাসপোর্ট অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  17. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    মেট্রোরেল কোন স্টেশনে নামলে, কোথায় যেতে পারবো ?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    ১) #উত্তরা_উত্তর (Uttara North): দিয়াবাড়ি, খালপাড়, রূপায়ণ সিটি, উত্তরা পশ্চিম থানা, জমজম টাওয়ার, সেক্টর-৭, ১০, ১২, ১৪,১৫,১৬, কামারপাড়া, সুইচগেইট, রানাভোলা, হাউজবিল্ডিং, রাজলক্ষী, জসীমউদ্দীন, এয়ারপোর্ট,  টঙ্গী, কলেজ গেইট, টঙ্গী হয়ে বোর্ড বাজার, গাজীপুর, জয়দেবপুর। উত্তরা উত্তর মতিঝিল থেকে: ১০বিস্তারিত পড়ুন

    ১) #উত্তরা_উত্তর (Uttara North): দিয়াবাড়ি, খালপাড়, রূপায়ণ সিটি, উত্তরা পশ্চিম থানা, জমজম টাওয়ার, সেক্টর-৭, ১০, ১২, ১৪,১৫,১৬, কামারপাড়া, সুইচগেইট, রানাভোলা, হাউজবিল্ডিং, রাজলক্ষী, জসীমউদ্দীন, এয়ারপোর্ট,  টঙ্গী, কলেজ গেইট, টঙ্গী হয়ে বোর্ড বাজার, গাজীপুর, জয়দেবপুর। উত্তরা উত্তর মতিঝিল থেকে: ১০০ টাকা।

     

    ২) #উত্তরা_সেন্টার (Uttara Center): সেক্টর ১৮, রাজউক উত্তরা মডেল টাউন, বউ বাজার, পঞ্চবটি, বোটক্লাব,  বীরুলিয়া ব্রীজ, বীরুলিয়া ব্রীজ থেকে সাভার, আশুলিয়া। উত্তরা উত্তর থেকে সর্বনিম্ন ভাড়া: ২০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৯০ টাকা।

     

    ৩) #উত্তরা_দক্ষিণ (Uttara South): ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি, শান্তা-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি, বিজিএমইএ ভবন, বৃন্দাবন, এয়ারপোর্ট, উত্তরা আজমপুর। উত্তরা উত্তর থেকে ভাড়া: ২০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৯০ টাকা।

     

    ৪) #পল্লবী (Pallabi): মিরপুর ১২, মিরপুর ডিওএইচএস, মিরপুর সেনানিবাস, ইষ্টার্ন হাউজিং, আফতাব নগর

    হাউজিং, বিইউপি, কালসী মোড়, ইসিবি চত্বর, বারিধারা ডিওএইচএস। উত্তরা উত্তর থেকে ভাড়া: ৩০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৮০ টাকা।

     

    ৫) #মিরপুর ১১ (Mirpur 11): পূরবী সিনেমা হল, কালসী মোড়, ইসিবি চত্বর, বারিধারা ডিওএইচএস, এয়ারপোর্ট, মিরপুর ১১, মিল্কভিটা, মিরপুর-১,৬,৭, চিড়িয়াখানা। উত্তরা উত্তর থেকে ভাড়া: ৩০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৭০ টাকা।

     

    ৬) #মিরপুর_১০ (Mirpur 10): বর্তমানে বন্ধ আছে। তারপরও বলে রাখি, মিরপুর গোল চক্কর, সেনপাড়া, মিরপুর-১,২, চিড়িয়াখানা , হার্ট ফাউন্ডেশন, পাকা মসজিদ, টেকনিক্যাল, শ্যামলী, কল্যাণপুর, গাবতলী, আমীনবাজার, সাভার, মিরপুর-১৩, ১৪, পুলিশ ব্যাটালিয়ন, ভাষাণটেক, কচুক্ষেত, বনানী, বনানী থেকে উত্তরা বা মহাখালী অভিমূখের যেকোনো জায়গা। উত্তরা উত্তর থেকে ভাড়া: ৪০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৬০ টাকা।

     

    ৭) #কাজীপাড়া (Kazipara): কাজীপাড়া, বেগম রোকেয়া সরণী, ইটাখোলা বাজার, পূর্ব মনিপুর, বৌবাজার, সাততারা মসজিদ রোড এবং এর আশেপাশে। উত্তরা দিয়া বাড়ি থেকে ভাড়া: ৪০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৬০ টাকা।

     

    ৮) #শেওড়াপাড়া (Shewrapara): শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, আগারগাঁও, তালতলা, কচুক্ষেত, মাজার রোড, টেকনিক্যাল, গাবতলী, কল্যাণপুর এবং এর আশেপাশে। ভাড়া: ৫০ টাকা। উত্তরা উত্তর থেকে মতিঝিল থেকে: ৫০ টাকা।

     

    ৯) #আগারগাঁও (Agergaon) : আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিস, বিসিএস কম্পিউটার সিটি, চক্ষু হাসপাতাল, নিউরোসায়েন্স হাসপাতাল, শ্যামলী, জাপান গার্ডেন সিটি, টেকনিক্যাল , গাবতলী, শিশু হাসপাতাল, শিশু মেলা, তালতলা এবং এর আশেপাশে। উত্তরা উত্তর থেকে ভাড়া: ৬০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৫০ টাকা।

     

    (১০) #বিজয়_সরণী (Bijoy Sarani): বিজয় সরণী, জাতীয় সংসদ, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, শাহীন স্কুল ও কলেজ, তেজগাঁও এয়ার পোর্ট, শাহীন বাগ, নাখালপাড়া এবং এর আশেপাশে। উওরা উত্তর থেকে ভাড়া: ৬০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৪০ টাকা।

    (১১) #ফার্মগেট (Farmgate) : ফার্মগেট, আসাদগেট, মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি -২৭, ২৮, লালমাটিয়া, তেজগাঁও কলেজ, বিজ্ঞান কলেজ, হলিক্রস কলেজ এবং এর আশেপাশে । উত্তরা উত্তর থেকে ভাড়া: ৭০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৩০ টাকা।

     

    (১২) #কাওরান_বাজার ( Kawran Bazar) : কাওরান বাজার, হাতিরঝিল, রামপুরা, মালিবাগ, বসুন্ধরা সিটি, পান্থপথ, স্কয়ার হাসপাতাল, বিআরবি হাসপাতাল, ধানমন্ডি -৩২, কলাবাগান এবং এর আশেপাশে। উওরা উত্তর থেকে ভাড়া: ৮০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৩০ টাকা।

    (১৩) #শাহবাগ (Shahbagh) : শাহবাগ, পিজি হাসপাতাল, বারডেম হাসপাতাল, রমনা পার্ক, সাইন্স ল্যাব, সিটি কলেজ, ঢাকা কলেজ, ল্যাবএইড হাসপাতাল এবং এর আশেপাশে। উওরা উত্তর থেকে ভাড়া: ৮০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ২০ টাকা।

    (১৪) #ঢাকা_বিশ্ববিদ্যালয় (Dhaka University) : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, টিএসসি, ঢাকা মেডিকেল, বুয়েট, শহিদ মিনার, শিশু একাডেমী, আজিমপুর, ইডেন কলেজ, ঢাকা কলেজ, নিউ মার্কেট, চক বাজার। উত্তরা উত্তর থেকে ভাড়া: ৯০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ২০ টাকা।

    (১৫) #বাংলাদেশ_সচিবালয় ( Bangladesh Secretariat) : সচিবালয়, প্রেস ক্লাব, সেগুনবাগিচা, শান্তিনগর, হাইকোর্ট, সুপ্রিম কোর্ট, পল্টন, বিজয়নগর, মিন্টু রোড, বেইলী রোড, ভিকারুননিসা স্কুল, গুলিস্তান, বায়তুল মোকাররম এবং এর আশেপাশে । উত্তরা উত্তর থেকে ভাড়া : ৯০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ২০ টাকা।

    (১৬) #মতিঝিল ( Motijheel) : মতিঝিল, দিলকুশা, কমলাপুর , বঙ্গভবন , বাংলাদেশ ব্যাংক, নটরডেম কলেজ, আরামবাগ, ফকিরাপুল এবং এর আশেপাশে। উত্তরা উত্তর থেকে ভাড়া: ১০০/- টাকা। বিঃদ্রঃ ২০০ টাকা বিনিময়ে কার্ড করলে, যাতায়াতে সবসময় ১০% ডিসকাউন্ট পাওয়া যায়। উত্তরা উত্তর থেকে প্রথম ট্রেন: সকাল ৭:১০ মিঃ

    এবং সর্ব শেষ ট্রেন: রাত ৯:০০ ঘটিকায়। মতিঝিল থেকে প্রথম ট্রেন: সকাল ৭:৩০ মিঃ

    এবং সর্ব শেষ ট্রেন: রাত ৯:৪০ মিঃ।

    প্রতি শুক্রবার উত্তরা উত্তর থেকে: ৩:৩০ মিঃ শুরু হয়ে সর্ব শেষ ট্রেন ৯:০০ মিঃ। এবং মতিঝিল থেকে বিকাল ৩:৫০ মিঃ শুরু হয়ে সর্ব শেষ ট্রেন ৯:৪০ মিঃ। প্রতি ৮/১০ মিনিট পরপর উত্তরা ও মতিঝিল থেকে মেট্রো রেল ছাড়ে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  18. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ ডাউনলোড

    2yxa দিয়ে 2 মিনিটে ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করবো কিভাবে?

    নূরজাহান
    সেরা উত্তর
    নূরজাহান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    2yxa দিয়ে ২ মিনিটে ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করার উপায়: 1. প্রথমে 2yxa ওয়েবসাইটে যান। এর লিংক হলোঃ video.2yxa.mobi 2. পছন্দের ইউটিউব ভিডিওর লিঙ্ক কপি করে ওয়েবসাইটে থাকা নির্দিষ্ট ফিল্ডে পেস্ট করুন। 3. এবার ক্যাপচা পুরণ করুন। এরপর আপনার পছন্দের ফরম্যাট নির্বাচন করুন, যেমন MP4, 3GP ইত্যাদি। 4. 'ডাউনলোড' বাবিস্তারিত পড়ুন

    2yxa দিয়ে ২ মিনিটে ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করার উপায়:

    1. প্রথমে 2yxa ওয়েবসাইটে যান। এর লিংক হলোঃ video.2yxa.mobi

    2. পছন্দের ইউটিউব ভিডিওর লিঙ্ক কপি করে ওয়েবসাইটে থাকা নির্দিষ্ট ফিল্ডে পেস্ট করুন।

    2yxa

    3. এবার ক্যাপচা পুরণ করুন।

    2yxa mobi

    এরপর আপনার পছন্দের ফরম্যাট নির্বাচন করুন, যেমন MP4, 3GP ইত্যাদি।

    2yxa ru

    4. ‘ডাউনলোড’ বাটনে ক্লিক করুন এবং ফাইলটি সংরক্ষণ করুন।

    এরপর, ভিডিওটি আপনার ডিভাইসে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডাউনলোড শুরু হবে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  19. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    সৌরজগতের কয়টি গ্রহের বলয় আছে?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    রিপ্লাই করেছেন 2 বছর আগে

    সৌরজগতে চারটি গ্রহের বলয় আছে। সেগুলো হলো শনি, বৃহস্পতি, ইউরেনাস ও নেপচুন।

    সৌরজগতে চারটি গ্রহের বলয় আছে। সেগুলো হলো শনি, বৃহস্পতি, ইউরেনাস ও নেপচুন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  20. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    কোন গ্রহের উপগ্রহ সবচেয়ে বেশি?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    রিপ্লাই করেছেন 2 বছর আগে

    সঠিক উত্তর হল শনি । এটি সূর্য থেকে ষষ্ঠ গ্রহ এবং আমাদের সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ। গ্যাস দৈত্য বৃহস্পতির মতো, শনি হল একটি বিশাল বল যা বেশিরভাগ হাইড্রোজেন এবং হিলিয়াম দিয়ে তৈরি। আরও 62টি উপগ্রহ আবিষ্কারের পর, এটিতে এখন 145টি উপগ্রহ রয়েছে, যা সৌরজগতের সমস্ত গ্রহের মধ্যে সর্বাধিক।

    সঠিক উত্তর হল শনি । এটি সূর্য থেকে ষষ্ঠ গ্রহ এবং আমাদের সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ। গ্যাস দৈত্য বৃহস্পতির মতো, শনি হল একটি বিশাল বল যা বেশিরভাগ হাইড্রোজেন এবং হিলিয়াম দিয়ে তৈরি। আরও 62টি উপগ্রহ আবিষ্কারের পর, এটিতে এখন 145টি উপগ্রহ রয়েছে, যা সৌরজগতের সমস্ত গ্রহের মধ্যে সর্বাধিক।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
1 2 3 4 5 6 … 26

Sidebar

লগ ইন করুন
  • জনপ্রিয়
  • উত্তর
  • Mithun

    নির্মাণকাজে মরুভূমির বালু কেন ব্যবহার করা হয়না?

    • 12 টি উত্তর
  • Hina Khan

    Is Telegram MOD APK safe to use? What are the ...

    • 9 টি উত্তর
  • shanto

    ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইন আবেদন, লাইসেন্সের অনলাইন কপি ডাউনলোড, লাইসেন্স হয়েছে ...

    • 8 টি উত্তর
  • Admin

    নতুন ক্যাটাগরি "SEO" যুক্ত হলো আড্ডাবাজে!

    • 7 টি উত্তর
  • Mahmudul

    একটি ঘোর লাগানো ছবি দেখাতে পারবেন কি?

    • 6 টি উত্তর
  • নুসরাত জাহান
    নুসরাত জাহান একটি উত্তর দিয়েছেন বিসিএস পরীক্ষার জন্য অনলাইনে কোচিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কয়েকটি জনপ্রিয় এবং… সেপ্টেম্বর 4, 2026, সময়ঃ 12:36 অপরাহ্ন
  • biplob
    biplob একটি উত্তর দিয়েছেন ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ শুরু হয় সাধারণত মশার কামড়ের ৪ থেকে… সেপ্টেম্বর 3, 2026, সময়ঃ 12:25 অপরাহ্ন
  • biplob
    biplob একটি উত্তর দিয়েছেন ভাই, আপনি কেন অন্যের উত্তর কপি করেছেন? নিজে রিসার্চ করে… সেপ্টেম্বর 1, 2026, সময়ঃ 8:12 অপরাহ্ন
  • Taharim Hasan Tanim
    Taharim Hasan Tanim একটি উত্তর দিয়েছেন কাকরোচ জনতা পার্টি (Cockroach Janta Party) কাকরোচ জনতা পার্টি (CJP)… সেপ্টেম্বর 1, 2026, সময়ঃ 6:27 অপরাহ্ন
  • তানি রহমান
    তানি রহমান একটি উত্তর দিয়েছেন হ্যাঁ, বাংলা কিউআর (Bangla QR) দিয়ে বিকাশ এবং নগদ দুটোতেই… আগস্ট 29, 2026, সময়ঃ 6:34 অপরাহ্ন

জনপ্রিয় গ্রুপ

  • মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    • 4 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 116 বার প্রদর্শিত
  • Knowledge World

    Knowledge World

    • 3 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 123 বার প্রদর্শিত
  • CT Game Review

    CT Game Review

    • 3 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 1,246 বার প্রদর্শিত
  • Earn Money

    • 3 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 163 বার প্রদর্শিত
  • Crazy Time Fun

    Crazy Time Fun

    • 2 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 89 বার প্রদর্শিত

চলতি মাসের সেরা ইউজার

Taharim Hasan Tanim

Taharim Hasan Tanim

  • 0 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
biplob

biplob

  • 27 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
3 patti best

3 patti best

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
SA Samim

SA Samim

  • 13 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
এডিটর
3 patti vegas

3 patti vegas

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
লগ ইন করুন

Explore

  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

Footer

AddaBuzz.net

আড্ডাবাজ একটি সামাজিক প্রশ্নোত্তর ইঞ্জিন। যেখানে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে একে অপরের জ্ঞান আদান-প্রদান হয়। প্রশ্ন করুন, উত্তর দিন, জ্ঞান ভাগাভাগি করুন।

Adv 234x60

aalan

আমাদের সম্পর্কিত

  • আমাদের টিম
  • আমাদের লক্ষ্য

লিগ্যাল স্টাফ

  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions
  • Data Deletion Instructions

সাহায্য

  • Knowledge Base
  • Contact us

আমাদের ফলো করুন

© 2026 AddaBuzz. All Rights Reserved
With Love by AddaBuzz.net

✕
🔔 নোটিফিকেশন চালু করুন নতুন প্রশ্নোত্তর ও ব্লগ আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন