সাইন আপ করুন সাইন আপ করুন

সাইন আপ করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে


আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

লগ ইন করুন লগ ইন করুন

লগিন করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

কোন একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন

রিসেট পাসওয়ার্ড

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।

আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে।

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?

সাইন ইনসাইন আপ

AddaBuzz.net

AddaBuzz.net Logo AddaBuzz.net Logo

AddaBuzz.net Navigation

  • হোমপেজ
  • ব্লগ
  • ইউজার
  • যোগাযোগ
সার্চ করুন
একটি প্রশ্ন করুন

Mobile menu

Close
একটি প্রশ্ন করুন
  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

srity

পণ্ডিত
প্রশ্ন করুন srity
222 বার প্রদর্শিত
2 ফলোয়ার
21 প্রশ্ন
হোমপেজ/ srity/প্রশ্ন
অ্যাপ ইন্সটল করুন
  • সম্পর্কিত
  • প্রশ্ন
  • উত্তর
  • অনুরোধের প্রশ্ন
  • সেরা উত্তর
  • পছন্দ তালিকা
  • ফলোকৃত প্রশ্ন
  • ফলোয়ার
  • ফলো করছেন
  • জরিপ
  • ব্লগ
  • ব্লগ মন্তব্য
  • ফলোকৃতদের প্রশ্ন
  • ফলোকৃতদের উত্তর
  • ফলোয়ারদের ব্লগ
  • ফলোকৃত/ফলোয়ারদের ব্লগ মন্তব্য

AddaBuzz.net Latest প্রশ্ন

srity
srityপণ্ডিত
সময়ঃ 2 দিন আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের সাম্প্রতিক আবিষ্কারগুলো মহাকাশ বিজ্ঞানকে কতটা বদলে দিয়েছে?

  1. SA Samim
    SA Samim এডিটর Sa samim
    উত্তর দিয়েছেন 1 দিন আগে

    James Webb Space Telescope (JWST) সত্যিই আধুনিক মহাকাশ বিজ্ঞানে এক বিপ্লব ঘটিয়েছে—এটাকে “টাইম মেশিন” বলা হয় কারণ এটি এত দূরের গ্যালাক্সি দেখতে পারে যে আমরা আসলে মহাবিশ্বের অতীত (বিলিয়ন বছর আগে) দেখছি। প্রথমত, JWST মহাবিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন গ্যালাক্সিগুলোর ছবি তুলেছে, যা Big Bang-এর পরপরই গঠিত হয়েছিলবিস্তারিত পড়ুন

    James Webb Space Telescope (JWST) সত্যিই আধুনিক মহাকাশ বিজ্ঞানে এক বিপ্লব ঘটিয়েছে—এটাকে “টাইম মেশিন” বলা হয় কারণ এটি এত দূরের গ্যালাক্সি দেখতে পারে যে আমরা আসলে মহাবিশ্বের অতীত (বিলিয়ন বছর আগে) দেখছি।

    প্রথমত, JWST মহাবিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন গ্যালাক্সিগুলোর ছবি তুলেছে, যা Big Bang-এর পরপরই গঠিত হয়েছিল। এর ফলে বিজ্ঞানীরা এখন বুঝতে পারছেন যে গ্যালাক্সি গঠন আগের ধারণার চেয়ে অনেক দ্রুত ঘটেছে। এই তথ্য মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও বিবর্তন নিয়ে আমাদের পুরনো তত্ত্বগুলোকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে।

    দ্বিতীয়ত, এটি এক্সোপ্ল্যানেট বা সৌরজগতের বাইরের গ্রহগুলোর বায়ুমণ্ডল বিশ্লেষণ করতে পারছে। JWST ইতোমধ্যে কিছু গ্রহের বায়ুমণ্ডলে পানি বাষ্প, কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং মিথেনের মতো উপাদান শনাক্ত করেছে। এগুলো ভিনগ্রহে প্রাণের সম্ভাবনা খুঁজে বের করার ক্ষেত্রে বিশাল অগ্রগতি, কারণ এই উপাদানগুলো জীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করতে পারে।

    তৃতীয়ত, এটি নক্ষত্র ও গ্রহের জন্ম প্রক্রিয়াও নতুনভাবে দেখাচ্ছে। আগে যেসব ধূলিকণা মেঘের ভিতরে কী হচ্ছে তা দেখা যেত না, JWST তার ইনফ্রারেড প্রযুক্তির মাধ্যমে সেসব অঞ্চলের ভেতরেও স্পষ্টভাবে পর্যবেক্ষণ করতে পারছে। ফলে “তারার জন্ম” সম্পর্কে আমাদের ধারণা অনেক বেশি পরিষ্কার হয়েছে।

    সব মিলিয়ে, JWST শুধু নতুন তথ্যই দিচ্ছে না—এটি আমাদের পুরনো ধারণা, মডেল ও তত্ত্বকে চ্যালেঞ্জ করছে। মহাবিশ্বের আদিম রহস্য উন্মোচন থেকে শুরু করে ভিনগ্রহে প্রাণের সম্ভাবনা খোঁজা—সব ক্ষেত্রেই এটি এক নতুন যুগের সূচনা করেছে। তাই বলা যায়, জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ সত্যিই মহাকাশ বিজ্ঞানের ইতিহাস নতুনভাবে লিখতে শুরু করেছে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 10 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
srity
srityপণ্ডিত
সময়ঃ 10 মাস আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

ইয়ারওয়ার্মস কি? এটি কেন হয়? এর থেকে মুক্তির উপায় কি?

ইয়ারওয়ার্মস কি? এটি কেন হয়? এর থেকে মুক্তির উপায় কি?
  1. কুসুম কেয়া
    সেরা উত্তর
    কুসুম কেয়া নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 10 মাস আগে

    মনে গান বাজছে তো? এটা স্বাভাবিক ঘটনা আপনার মনে সারাক্ষণ কোনো গান বাজতে থাকে? হয়তো সুরটি বারবার ফিরে আসে, কিংবা গানের একটি অংশই ঘুরছে মাথার ভেতরে? এই অনুভূতিটি অস্বাভাবিক নয়, বরং দারুণ পরিচিত একটি ঘটনা। চিকিৎসা পরিভাষায় একে বলা হয় ইনভলান্টারি মিউজিক্যাল ইমেজারি (Involuntary Musical Imagery - INMI)। তবিস্তারিত পড়ুন

    মনে গান বাজছে তো? এটা স্বাভাবিক ঘটনা

    আপনার মনে সারাক্ষণ কোনো গান বাজতে থাকে? হয়তো সুরটি বারবার ফিরে আসে, কিংবা গানের একটি অংশই ঘুরছে মাথার ভেতরে? এই অনুভূতিটি অস্বাভাবিক নয়, বরং দারুণ পরিচিত একটি ঘটনা। চিকিৎসা পরিভাষায় একে বলা হয় ইনভলান্টারি মিউজিক্যাল ইমেজারি (Involuntary Musical Imagery – INMI)। তবে সহজভাবে একে আমরা ইয়ারওয়ার্মস (Earworms) বলি।


    কেন এমন হয়?

    ঠিক কেন আমাদের মনে এই গানের সুরগুলো আটকে যায়, তার কয়েকটি কারণ আছে:

    • গানের যাদু: কিছু গানই এমনভাবে তৈরি হয় যে সেগুলো সহজেই মনে গেঁথে যায়। একই সুরের বারবার আসা, সহজ ছন্দ বা আকর্ষক তাল এই ধরনের গানের বৈশিষ্ট্য।
    • সম্প্রতি শোনা গান: আপনি যদি সম্প্রতি কোনো গান বারবার শোনেন, তবে সেটি আপনার মনে বাজতে শুরু করতে পারে। ব্রেন এই সুরকে আঁকড়ে ধরে রাখে।
    • মস্তিষ্কের খেলার ছলে: আমাদের মস্তিষ্ক প্যাটার্ন খুঁজে বের করতে ভালোবাসে। যখন কোনো সুরের প্যাটার্ন মস্তিষ্কের কাছে ধরা পড়ে, তখন সেটি নিজের মতো করে বাজিয়ে চলে।
    • মনোযোগের অভাব: যখন আমাদের মন কোনো নির্দিষ্ট কাজে পুরোপুরি ব্যস্ত থাকে না, তখন মস্তিষ্ক হয়তো এই গানের টুকরোগুলো বাজিয়ে নিজের মনোযোগ ধরে রাখে।
    • স্মৃতি ও আবেগ: কোনো গান যদি আপনার কোনো বিশেষ স্মৃতি বা অনুভূতির সাথে যুক্ত থাকে, তবে সেই গানটি আপনার মনে বারবার ফিরে আসতে পারে।

    এটা কি শুধু আমারই হয়?

    না, একদমই না। আপনার মনে গান বাজার এই অভিজ্ঞতাটি পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষেরই হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ সপ্তাহে অন্তত একবার এই ধরনের ইয়ারওয়ার্মসের অভিজ্ঞতা পান। কারও কারও ক্ষেত্রে তো প্রতিদিনই এমনটা হতে পারে। তাই আপনার এই অনুভূতিটি বেশ সাধারণ।


    বিরক্ত লাগছে? কী করবেন?

    ইয়ারওয়ার্মস সাধারণত ক্ষতিকর নয়, তবে মাঝে মাঝে বিরক্তিকর হতে পারে। যদি মুক্তি পেতে চান, কিছু সহজ উপায় আছে:

    • পুরো গানটি শুনুন: যে গানটি মনে বাজছে, সেটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত শুনলে অনেক সময় ব্রেন সেটি “ছেড়ে” দেয়।
    • অন্য কিছুতে মন দিন: একটি বই পড়ুন, কোনো ধাঁধার সমাধান করুন, বা এমন কোনো কাজ করুন যেখানে আপনার পুরো মনোযোগ প্রয়োজন।
    • চুইংগাম চিবান: কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, চুইংগাম চিবানো ইয়ারওয়ার্মস কমাতে সাহায্য করতে পারে।
    • নতুন গান শুনুন: একটি নতুন বা সম্পূর্ণ ভিন্ন ধাঁচের গান শুনুন। এটি আগের সুরটিকে মন থেকে সরিয়ে দিতে পারে।

    আপনার কি কোনো নির্দিষ্ট ধরনের গান মনে বেশি বাজে?

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 17 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
srity
srityপণ্ডিত
সময়ঃ 10 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

পাঠাও (Pathao) বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কতটা নিরাপদ?

  1. কুসুম কেয়া
    সেরা উত্তর
    কুসুম কেয়া নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 10 মাস আগে

    দূরের যাত্রার জন্য পাঠাও কি নিরাপদ? দূরের যাত্রায় পাঠাও কি কাজে লাগে? সাধারণত, ছোট বা মাঝারিপথের জন্য পাঠাও বেশ ভালো। তবে যখন আপনি অনেক দূরে যাবেন, তখন কিছু জিনিস খেয়াল রাখা দরকার। পাঠাও-এর কিছু সুবিধা আছে যা দূরের যাত্রায়ও কাজে দেবে: অ্যাকসিডেন্টের ক্ষতিপূরণ: ধরেন, যদি অ্যাকসিডেন্ট হয়, তাহলে চিকিৎসবিস্তারিত পড়ুন

    দূরের যাত্রার জন্য পাঠাও কি নিরাপদ?

    দূরের যাত্রায় পাঠাও কি কাজে লাগে?

    সাধারণত, ছোট বা মাঝারিপথের জন্য পাঠাও বেশ ভালো। তবে যখন আপনি অনেক দূরে যাবেন, তখন কিছু জিনিস খেয়াল রাখা দরকার।

    পাঠাও-এর কিছু সুবিধা আছে যা দূরের যাত্রায়ও কাজে দেবে:

    • অ্যাকসিডেন্টের ক্ষতিপূরণ: ধরেন, যদি অ্যাকসিডেন্ট হয়, তাহলে চিকিৎসার খরচ বা কিছু আর্থিক সাহায্য পাওয়া যায়। এটা কিন্তু দূরের পথেও কাজ করবে।
    • কোথায় আছেন, জানিয়ে দিন: দূরের যাত্রায় এটা খুব কাজের। আপনার লাইভ লোকেশন আপনি বন্ধু বা পরিবারকে জানাতে পারবেন। এতে তারা জানতে পারবে আপনি কোথায় আছেন আর আপনার যাত্রাটা নিরাপদ হচ্ছে কি না।
    • চালকের রেটিং দেখা: চালকের রেটিং দেখে আপনি বুঝতে পারবেন চালক কেমন। ভালো রেটিং দেখে চালক নিলে নিরাপত্তা কিছুটা বাড়ে।
    • চালকের যাচাই-বাছাই: পাঠাও চালক নেওয়ার আগে তাদের লাইসেন্স আর কাগজপত্র সব যাচাই করে দেখে। এতে চালকের ওপর ভরসা করা যায়।
    • ২৪ ঘণ্টা সাপোর্ট: কোনো সমস্যা হলে বা দরকার পড়লে পাঠাওয়ের কল সেন্টারে ফোন করতে পারবেন।

    দূরের যাত্রার জন্য কিছু জরুরি টিপস:

    • গাড়ি ভাড়া করা: পাঠাওয়ের একটা ‘পাঠাও কার রেন্টাল’ সার্ভিস আছে। এটা দূরের যাত্রার জন্য খুব ভালো। এখানে আপনি একদিন বা তার বেশি দিনের জন্য গাড়ি ভাড়া করতে পারবেন। গাড়ি আর চালক নিজেও বেছে নিতে পারবেন। আর ভাড়াও আগে থেকে ঠিক করা থাকে, তাই কোনো ঝামেলা হয় না। দূরের যাত্রার জন্য এটা অনেক বেশি নিরাপদ হতে পারে।
    • সরাসরি কথা বলে রাইড নেবেন না: অনেকে অ্যাপ ব্যবহার না করে সরাসরি চালকের সাথে কথা বলে ভাড়ার চুক্তি করে। এটা কিন্তু অনেক বেশি বিপজ্জনক। কারণ তখন পাঠাওয়ের কোনো নিরাপত্তা বা ট্র্যাকিং থাকে না। কোনো সমস্যা হলে পাঠাও আপনার দায়িত্ব নেবে না।
    • বাইকের চেয়ে গাড়ি ভালো: যদি অনেক দূরে যেতে চান, বাইকের চেয়ে গাড়ি (পাঠাও কার বা পাঠাও কার রেন্টাল) তুলনামূলক বেশি নিরাপদ। বাইকে খোলা পরিবেশে থাকেন, আর লম্বা পথে ক্লান্তি বা অন্য বিপদ বাইকে বেশি হতে পারে।
    • দিনের বেলায় যাত্রা: রাতের বেলা দূরের যাত্রা একটু বেশি ঝুঁকির হয়। যদি সম্ভব হয়, দিনের বেলায় যাওয়ার চেষ্টা করবেন।
    • চালকের বিশ্রাম: লম্বা পথে চালক ক্লান্ত হয়ে যেতে পারে। চালককে যদি ক্লান্ত মনে হয়, তাহলে তাকে একটু বিশ্রাম নিতে বলুন।

    যাইহোক, দূরের যাত্রার জন্য পাঠাও ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে একটু বেশি সতর্ক থাকতে হবে। যদি ‘পাঠাও কার রেন্টাল’ আপনার জন্য সুবিধাজনক হয়, তাহলে সেটাই ভালো হবে। আর সবচেয়ে জরুরি হলো, সবসময় অ্যাপের মাধ্যমে রাইড বুক করবেন এবং নিজের নিরাপত্তার জন্য সব সুবিধা (যেমন লাইভ লোকেশন শেয়ার) ব্যবহার করবেন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 26 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
srity
srityপণ্ডিত
সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কতগুলি উপন্যাস লিখেছিলেন এবং তাদের মধ্যে আপনার কোনটি সবচেয়ে পছন্দের?

  1. Adnan bin zaman
    সেরা উত্তর
    Adnan bin zaman পণ্ডিত ...................................
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রধান উপন্যাসগুলি এবং তাদের সম্পর্কে তথ্য নিম্নে দেওয়া হলো: বাংলা ভাষায় উপন্যাস: 1. দুর্গেশনন্দিনী 2. কপালকুণ্ডলা 3. মৃণালিনী 4.বিষবৃক্ষ 5. ইন্দিরা 6. যুগলাঙ্গুরীয় 7. চন্দ্রশেখর 8. রাধারানী 9. রজনী 10. কৃষ্ণকান্তের উইল 11. রাজসিংহ 12. আনন্দমঠ 13. দেবী চৌধুরানী 14. সীতাবিস্তারিত পড়ুন

    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রধান উপন্যাসগুলি এবং তাদের সম্পর্কে তথ্য নিম্নে দেওয়া হলো:

    বাংলা ভাষায় উপন্যাস:

    1. দুর্গেশনন্দিনী

    2. কপালকুণ্ডলা

    3. মৃণালিনী

    4.বিষবৃক্ষ

    5. ইন্দিরা

    6. যুগলাঙ্গুরীয়

    7. চন্দ্রশেখর

    8. রাধারানী

    9. রজনী

    10. কৃষ্ণকান্তের উইল

    11. রাজসিংহ

    12. আনন্দমঠ

    13. দেবী চৌধুরানী

    14. সীতারাম

    ইংরেজি ভাষায় উপন্যাস:

    Rajmohan’s Wife (রাজমোহনের স্ত্রী)

    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের এই উপন্যাসগুলি ভারতীয় সাহিত্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসাবে পরিচিত এবং তাঁর ধর্মীয় উপন্যাস “আনন্দমঠ” তাঁর সবচেয়ে প্রশংসিত উপন্যাসের মধ্যে অসংখ্য প্রশংসা পেয়েছে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 47 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
srity
srityপণ্ডিত
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

আমাদের সৌরজগৎ কিভাবে মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি পরিভ্রমণ করে?

  1. ashad khandaker
    সেরা উত্তর
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    আমাদের গ্যালাকটিক হোম হল মিল্কিওয়ে বা আকাশগঙ্গা, যার মধ্যে অবস্থান করছে সূর্য এবং পুরো সৌরজগৎ পরিবার। মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির বয়স প্রায় ১৩.৬ বিলিয়ন বছর। আর মহাবিশ্বের বয়স প্রায় ১৪ বিলিয়ন বছর। তাই মহাবিশ্বের বয়স যখন খুব অল্প ছিল, তখনই মিল্কিওয়ের উদ্ভব হয়। মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির আচরণ অনেকটা ‘বিস্তারিত পড়ুন

    আমাদের গ্যালাকটিক হোম হল মিল্কিওয়ে বা আকাশগঙ্গা, যার মধ্যে অবস্থান করছে সূর্য এবং পুরো সৌরজগৎ পরিবার। মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির বয়স প্রায় ১৩.৬ বিলিয়ন বছর। আর মহাবিশ্বের বয়স প্রায় ১৪ বিলিয়ন বছর। তাই মহাবিশ্বের বয়স যখন খুব অল্প ছিল, তখনই মিল্কিওয়ের উদ্ভব হয়। মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির আচরণ অনেকটা ‘রাক্ষসের’ মত বলে মনে করেন অনেক বিজ্ঞানী। কেননা মিল্কিওয়ে গঠনের সময় এটি অনেক ছোট ছোট গ্যালাক্সি গ্রাস করে ফেলেছিল। এভাবে মিল্কিওয়ে বিস্তৃত হয়ে আজকের আকারে এসেছে। ১০০-৪০০ বিলিয়ন নক্ষত্রের মিল্কিওয়ে সৃষ্টির ইতিহাস কেমন? কী কী বৈশিষ্ট্য রয়েছে এই গ্যালাক্সির? চলুন জেনে নেই আমাদের সৌরজগতের আশ্রয়স্থল এই মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি সম্পর্কে।

    শিল্পীর তুলিতে চিত্রিত মিল্কিওয়ে।

    লাইব্রেরি অফ কংগ্রেসের মতে, অ্যারিস্টটলের সময়ে ধারণা করা হত “Milkyway is such a spot where the celestial spheres came into contact with the terrestrial spheres.” অর্থাৎ ‘মিল্কিওয়ে এমন একটি জায়গা যেখানে মহাজাগতিক বস্তুরা পার্থিব বস্তুর সংস্পর্শে এসে মিলিত হয়।’ কিন্তু মিল্কিওয়ে বা আকাশগঙ্গার আসল পরিচয় উদঘাটন করতে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের ২০ শতক পর্যন্ত সময় লেগে যায় এবং তারা খুঁজে পান আকাশের অসংখ্য গ্যালাক্সির মধ্যে আকাশগঙ্গাও একটি! মহাবিশ্বের একদম শুরুর দিকে কোনো গ্যালাক্সি বা নক্ষত্র ছিল না। বিগ ব্যাঙের পর মহাবিশ্ব ছিল অত্যন্ত উত্তপ্ত – তখন ছিল না কোনো পদার্থের অস্তিত্ব। ধীরে ধীরে মহাবিশ্ব শীতল হতে থাকে ও চারদিকে গ্যাস বিস্তৃত হতে থাকে। এর মধ্যে কিছু কিছু জায়গায় গ্যাস বেশি পরিমাণে সমবেত হতে থাকে এবং গ্যাসের গোলা তৈরি করতে থাকে। এক পর্যায়ে নক্ষত্রের উদ্ভব হয় ও নক্ষত্রগুলো একে অপরকে মহাকর্ষীয় বলে আকর্ষণ করে প্রকাণ্ড গুচ্ছের মত গঠন করে। এভাবে সৃষ্টি হয় একেকটি গ্যালাক্সি। শুরুর দিকের এমন নক্ষত্রের গুচ্ছকে বলা হয় Globular cluster (বর্তুলাকার স্তবক বা গ্লোবুলার স্তবক)। ধারণা করা হয়, মিল্কিওয়ের কিছু কিছু ক্লাস্টার একদম প্রাথমিক মহাবিশ্বে গঠিত হয়েছিল। অনেকগুলো ক্লাস্টার গ্যালাক্সির কোর গঠন করার পরেই মিল্কিওয়ে গঠিত হয়েছিল। এগুলোর দ্রুত ঘূর্ণনগতির ফলে মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি একটি চ্যাপ্টা ডিস্কের মত আকৃতি ধারণ করে। অর্থাৎ সময়ের সাথে সাথে দুটি কাঠামোর উদ্ভব হয় – প্রথমত গোলাকার ‘হ্যালো’ ও পরবর্তীতে ঘন, উজ্জ্বল ডিস্ক। আমাদের সৌরজগতের অবস্থান এই ডিস্কের ভেতর। রাতের আকাশে মিল্কিওয়ের প্রান্তে যে দুধের মত সাদা ব্যান্ডটি দেখা যায় তা আসলে অসংখ্য অগণিত তারার সমষ্টি। আমাদের এই গ্যালাক্সিকে রোমানরা ‘Via Lactea’ বলতো যার অর্থ ‘The road of milk’। এমনকি দুধের গ্রীক পারিভাষিক শব্দ থেকে গ্যালাক্সি শব্দের উদ্ভব। যদিও এর পেছনে কোনো জোরালো প্রমাণ নেই যে ঠিক এই কারণেই মিল্কিওয়ের এমন নামকরণ করা হয়েছিল।

    মিল্কিওয়ের সবচেয়ে পুরোনো নক্ষত্রগুলির অবস্থান হল গ্যালাকটিক হ্যালোর ভেতরে এবং তুলনামূলক নতুন নক্ষত্রগুলোর অবস্থান ডিস্কের মধ্যে। এটি প্রমাণ করে যে মিল্কিওয়ে যখন ভর অর্জন করতে থাকে তখন নক্ষত্রগুলোর এই দুই ধরণের অবস্থানের কারণে পারস্পারিক কক্ষপথের সৃষ্টি হয় এবং গ্যালাক্সির ঘূর্ণনের ওপর তা প্রভাব ফেলে। ফলে মিল্কিওয়ে একটি সর্পিল আকৃতি লাভ করে। এজন্য মিল্কিওয়েকে ‘Barred Spiral Galaxy’ বলা হয়। মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির ৪টি মুখ্য স্পাইরাল বাহু রয়েছে – নরমা এবং সিগন্যাস, সাজিটারিয়াস, স্কিউটাম-ক্রাক্স, পারসিয়াস। স্পাইরাল বাহু এটি গ্যালাক্সির নতুন নক্ষত্র উৎপাদনের প্রধান জায়গা। স্পাইরাল বাহু নতুন, নীলাভ, উজ্জ্বল নক্ষত্র ও নেবুলা দ্বারা সজ্জিত থাকায় স্পষ্টত দৃশ্যমান। এই গ্যালাক্সিতে বছরে ৭টার বেশি নক্ষত্রের জন্ম হয়। এর কেন্দ্রে একটি সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাকহোল Sagittarius A* বিদ্যমান।

    মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির ব্যাস প্রায় ১০০০০০ আলোকবর্ষ এবং সূর্য এর কেন্দ্র থেকে প্রায় ২৬০০০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত। সূর্য তার পরিবারসহ গ্যালাক্সির দুটো মুখ্য স্পাইরাল বাহু পারসিয়াস ও সাজিটারিয়াস বাহুর মধ্যবর্তী গৌণ অরিয়ন-সিগন্যাস বাহুর ভেতরের প্রান্তে অবস্থিত। সূর্যের প্রায় ২২৫-২৫০ মিলিয়ন বছর লাগে গ্যালাক্সির চারদিকে একবার ঘুরে আসতে। ধারণা করা হয়, প্রোটোস্টার (খুব অল্প বয়সী তারকা) অবস্থা থেকে অর্থাৎ সূর্যের জন্মলগ্ন থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র ২০ বার এই গ্যালাক্সি ভ্রমণ করেছে। তাই কসমিক ইয়ার অনুযায়ী সূর্যের বয়স মাত্র ২০ বছর!

     

    জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের গবেষণায় দেখা গিয়েছে মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি বহু বছর পূর্বে একটি বড়সড় সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছিল, যার ফলে এতে অনেক পরিবর্তন সাধিত হয়। এটি ‘Gaia Sausage’ নামে পরিচিত। গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ৮-১০ বিলিয়ন বছর আগে মিল্কিওয়ের সাথে একটি বামন গ্যালাক্সির সংঘর্ষ হয় এবং বামন গ্যালাক্সিটি এই সংঘর্ষে টিকে থাকতে পারে নি। ফলে এর ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে পড়ে পুরো মিল্কিওয়ের মধ্যে। সসেজ আকৃতির হওয়ায় এটিকে বলা হয় ‘Sausage’ গ্যালাক্সি যার সর্বমোট ভর ছিল সূর্যের ভরের ১০ বিলিয়ন গুণেরও বেশি। বিজ্ঞানীদের সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা যায় অন্তত ৮টি বৃহদাকার ক্লাস্টার মিল্কিওয়েতে এসেছে Sausage গ্যালাক্সি থেকে। মনে করা হয়, Sausage গ্যালাক্সি থেকে যেসব অবজেক্ট মিল্কিওয়েতে এসেছে সেগুলো মিল্কিওয়ের ভর ১০% বাড়িয়ে দিয়েছে। এই সংঘর্ষের ফলে মিল্কিওয়ের ডিস্কের ব্যাপক পরিবর্তন হয়। এর ফলে গ্যালাকটিক ডিস্কটির দুটি অংশ সৃষ্টি হয়। একটি পাতলা ডিস্ক ও আরেকটি পুরু ডিস্ক। পুরু ডিস্কের নক্ষত্রগুলো গ্যালাকটিক সমতলের সাপেক্ষে পাতলা ডিস্কের নক্ষত্রগুলোর চেয়ে  গড়ে ২০ কিলোমিটার/সেকেন্ড বেশি গতিসম্পন্ন। প্রায় ১০ বিলিয়ন বছরের পুরনো নক্ষত্রগুলোর অবস্থান পুরু ডিস্কে, অন্যদিকে তুলনামূলক কম বয়সী নক্ষত্রগুলোর অবস্থান পাতলা ডিস্কে।

    European Space Agency-র একটি স্পেস অবজারভেটরি হল ‘Gaia satellite’ যা মিল্কিওয়ের নক্ষত্রগুলোর ম্যাপিং ও খুঁটিনাটি বৈশিষ্ট্য নির্ণয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

    মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির সাধারণ বৈশিষ্ট্য ও এর আদি অবস্থা সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা অনেক তথ্যই দিয়েছেন। তবে মিল্কিওয়ের অনেক অজানা ঘটনা ও ১৩.৬ বিলিয়ন বছর আগে ঠিক কীভাবে শুরু হয়েছিল মিল্কিওয়ের যাত্রা সেসব রহস্য উদ্ধার করা একটি চ্যালেঞ্জের বিষয়। এখন পর্যন্ত সেই ‘কসমিক ডার্ক এইজ’- যখন মহাবিশ্বে কোনো স্টার বা গ্যালাক্সি ছিল না, তা পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয়নি। অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতির সাহায্যে ও বিজ্ঞানের আরও অগ্রযাত্রার সাথে সাথে আমরা হয়ত ভবিষ্যতে মিল্কিওয়ের একদম শুরুর দিকের অবস্থা জানতে পারব!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 71 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
srity
srityপণ্ডিত
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

অন্য কেউ কাতুকুতু দিলে আমরা হাসি কেন? নিজেই নিজেকে কাতুকুতু দিলে হাসি পায় না কেন?

  1. Jasim
    সেরা উত্তর
    Jasim নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    আমাদের ত্বকের সবচেয়ে ওপরের অংশের নাম এপিডার্মিস। এই অংশটির নিচে থাকে হেয়ার ফলিকলস, ঘাম গ্রন্থি, পেশী ও বিভিন্ন নার্ভের প্রান্ত। নার্ভপ্রান্তগুলো নার্ভ ফাইবারের সঙ্গে যুক্ত থাকে। এই নার্ভ ফাইবার দিয়েই আমাদের শরীরের কেন্দ্রীয় নার্ভ সিস্টেম গঠিত। কোনো কিছু যখন আমাদেরকে স্পর্শ করে, তখন এই নার্ভপ্রান্ত আবিস্তারিত পড়ুন

    আমাদের ত্বকের সবচেয়ে ওপরের অংশের নাম এপিডার্মিস। এই অংশটির নিচে থাকে হেয়ার ফলিকলস, ঘাম গ্রন্থি, পেশী ও বিভিন্ন নার্ভের প্রান্ত। নার্ভপ্রান্তগুলো নার্ভ ফাইবারের সঙ্গে যুক্ত থাকে। এই নার্ভ ফাইবার দিয়েই আমাদের শরীরের কেন্দ্রীয় নার্ভ সিস্টেম গঠিত। কোনো কিছু যখন আমাদেরকে স্পর্শ করে, তখন এই নার্ভপ্রান্ত আমাদের ব্রেনে সংকেত দেয়, যার মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারি স্পর্শিত বস্তুটি ঠাণ্ডা না গরম, কিংবা সেটির চাপ কেমন।

    কাতুকুতু দেওয়ার সময় যেভাবে স্পর্শ করা হয়, সেটা খুবই মৃদু স্পর্শ। কিন্তু এই মৃদু স্পর্শ কেন আমাদেরকে হাসতে উদ্বুদ্ধ করে?মস্তিষ্কের দুটি ভিন্ন অংশ এর জন্য দায়ী। স্পর্শের ফলে যে অনুভূতি হয়, সেটা বিশ্লেষণ করে ব্রেনের সেমাটোসেন্সরি কর্টেক্স (somatosensory cortex) অংশ। একই বিষয় আবার এনটেরিয়র সিংগুলেট কর্টেক্সও (anterior cingulated cortex) বিশ্লেষণ করে। মস্তিষ্কের এই অংশটি বিভিন্ন প্লেজারেবল ফিলিংসের জন্য দায়ী। তাই স্পর্শের পর আমাদের কেমন অনুভূতি হবে, সেটা মস্তিষ্কের এই দুটি অংশের জটিল বিশ্লেষণের ফল।>>>নিজেকে কাতুকুতু দিলে হাসি আসে না কেন

    এর জন্য দায়ী মস্তিষ্কের পেছনের অংশে অবস্থিত সেরেবেলাম নামক অংশ। এই অংশটি আমাদের নড়াচড়া আগে থেকে অনুমান ও পর্যবেক্ষণ করে এবং সেই অনুসারে আমাদেরকে সতর্ক করে। আমরা যখন নিজেকে কাতুকুতু দিতে যাই, তখন মস্তিষ্কের এই অংশটি আমাদের আগেই এ বিষয়ে সতর্ক করে, যার ফলে সেটা আর কাতুকুতু হয় না।

    কেন মস্তিষ্ক আগে থেকেই সতর্ক করে

    আমাদের মস্তিষ্ক প্রতি মুহূর্তে বহু তথ্য নিয়ে বিশ্লেষণ করে। তাই এটি অপ্রয়োজনীয় ও অগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে যতটা সম্ভব কম গুরুত্ব দেয়। এর পরিবর্তে মস্তিষ্ক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আমাদের সজাগ ও সতর্ক রাখে, যা আমাদের জীবনধারণের জন্য অপরিহার্য।

    image host

    কাতুকুতু দিলে মানুষ হাসে কেন

    চার্লস ডারউইন ও এওয়াল্ড হেকার উভয়ই বলেছেন কাতুকুতুতে হাসির জন্য মানসিক অবস্থা ভালো থাকতে হবে এবং মনের মধ্যে হিউমার বা হাস্যরস থাকতে হবে। এই দুটির সমন্বয় ছাড়া কাতুকুতু দিলে হাসির বিপরীতে অন্য কিছু হতে পারে। যেমন: আপনি যদি ইউটিউবে হাসির কোনো ভিডিও দেখার সময় কেউ আপনাকে কাতুকুতু দেয়, তাহলে আপনার হাসির সম্ভাবনা বেশি থাকবে। কিন্তু অফিসে বসের চাপিয়ে দেওয়া কাজের বোঝা হালকা করার সময় কেউ কাতুকুতু দিলে তার কপালে কী আছে, কে জানে!

    শরীরের কোন কোন জায়গায় স্পর্শ করলে আমরা হাসি, সেটা লক্ষ্য করলেও বোঝা যাবে যে কেন আমরা কাতুকুতু দিলে হাসি।

    বগলের নিচে, গলা-হাঁটুর পেছনের অংশ এবং পায়ের পাতায় স্পর্শ করলে আমরা কাতুকুতু অনুভব করি। বগলের নিচে অনেকগুলো আর্টারি আছে। গলাতেও অনেক আর্টারি আছে এবং এখানে আছে আমাদের ট্রাকিয়া। পায়ের পাতায় উচ্চ সংবেদনশীল রিসেপ্টর আছে, যেগুলো মাইজনার করপাসলস (missner corpuscles) নামে পরিচিত।

    এই জায়গাগুলো খুবই স্পর্শকাতর এবং খুব সহজেই জায়গাগুলো আঘাতপ্রাপ্ত হতে পারে। জীববিজ্ঞানী ও নিউরোসায়েন্টিস্টরা বলেন, আমরা যখন হাসি, তখন এটি আমাদের আক্রমণকারীদের কাছে একরকম আত্মসমর্পণের মতো বার্তা দেয়। যেমন: কেউ যখন আপনাকে আক্রমণ করতে আসে আর আপনি যদি হেসে দেন, তাহলে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়ে যায় এবং উত্তেজনার দ্রুত অবসান হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, কাতুকুতুর ফলে হাসির কারণে মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাস অংশ উদ্দীপিত হয়। আমরা যখন কোনো কষ্টের আশঙ্কা করি, তখনও মস্তিষ্কের একই অংশই উদ্দীপিত হয়।

    গরিলাকে কাতুকুতু দিলে তারা যে প্রতিক্রিয়া দেখায়, সেটাও অনেকটা মানুষের হাসির মতোই। এটা দেখে বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, কাতুকুতুর এই হাসি প্রায় ৩০-৬০ মিলিয়ন বছর পুরোনো একটি প্রতিক্রিয়া।

    অন্যান্য প্রাণীর মধ্যেও কাতুকুতুর প্রতিক্রিয়ায় হাসির প্রবণতা আছে। যেমন: ইঁদুর।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 49 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
srity
srityপণ্ডিত
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

বাংলাদেশ রেলওয়ে টিকিট বুকিং করা যায় কিভাবে? আর টিকিট মূল্য কত?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 22 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
srity
srityপণ্ডিত
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

ডাইনোসর কি আদৌ পৃথিবীতে কখনো ছিলো?

  1. mokbul
    সেরা উত্তর
    mokbul পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    বেশি না, শুধু নিচের ছবিটি ডাইনোসর দের পৃথিবীতে অস্তিত্বের প্রমাণ হতে পারে। যদিও পৃথিবীতে শত শত ফসিল পাওয়া গেছে ডাইনোসরদের। কিন্তু এরকম একটিও নেই। ২০১৭ সালে কানাডার আলবার্টায় এক খনিতে শ্রমিকরা অক্ষত ত্বক এবং বর্মবিশিষ্ট এক ডাইনোসরের মমি খুঁজে পায়। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এটা নেসোডার প্রজাতির ডাইনোসর এবংবিস্তারিত পড়ুন

    বেশি না, শুধু নিচের ছবিটি ডাইনোসর দের পৃথিবীতে অস্তিত্বের প্রমাণ হতে পারে। যদিও পৃথিবীতে শত শত ফসিল পাওয়া গেছে ডাইনোসরদের। কিন্তু এরকম একটিও নেই।

    image host

    ২০১৭ সালে কানাডার আলবার্টায় এক খনিতে শ্রমিকরা অক্ষত ত্বক এবং বর্মবিশিষ্ট এক ডাইনোসরের মমি খুঁজে পায়। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এটা নেসোডার প্রজাতির ডাইনোসর এবং এরা ১১ কোটি বছর আগে পৃথিবীতে বসবাস করতো। এটা এখন কানাডার আলবার্টার রয়্যাল টাইরেল মিউজিয়াম অফ প্যালিওন্টজিতে সংরক্ষিত আছে। এর ত্বক এবং বর্মগুলো এতোটাই অক্ষত যে, জীবাশ্মবিদরা একে ফসিল না বলে মমি বলার পক্ষে। জীবাশ্মবিদরা বলছেন যে, এটাই পৃথিবীতে এ পর্যন্ত প্রাপ্ত ডাইনোসরের সবচেয়ে ভালো সংরক্ষিত নমুনা।

    আশাকরি আর প্রমাণ করার প্রয়োজন হবে না।

    ধন্যবাদ!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 2 টি উত্তর
  • 53 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
srity
srityপণ্ডিত
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মোবাইল (অ্যান্ড্রয়েড ও IOS)

iphone 13 pro max, iphone 12 pro max, iphone 11, iphone 14 pro max price in bangladesh

iphone 13 pro max, iphone 12 pro max, iphone 11, iphone 14 pro max price in bangladesh
  1. পলক
    সেরা উত্তর
    পলক পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    iphone 13 pro max price in bangladesh 128 GB - ৳162,999 256 GB - ৳176,999 iphone 12 pro max price in bangladesh 128 GB - ৳161,999 256 GB- ৳1,75,999 iphone 11 price in bangladesh 64 GB - ৳87,999 128 GB - ৳93,999 256 GB - ৳99,999 iphone x price in bangladesh 64 GB - ৳84,999 256 GB - ৳120,500 iphone 14বিস্তারিত পড়ুন

    iphone 13 pro max price in bangladesh

    128 GB – ৳162,999
    256 GB – ৳176,999

    iphone 12 pro max price in bangladesh

    128 GB – ৳161,999
    256 GB- ৳1,75,999

    iphone 11 price in bangladesh

    64 GB – ৳87,999
    128 GB – ৳93,999
    256 GB – ৳99,999

    iphone x price in bangladesh

    64 GB – ৳84,999
    256 GB – ৳120,500

    iphone 14 pro max price in bangladesh

    Price – Not Announced

    iphone 14 pro price in bangladesh

    Price – Not Announced

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 53 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
srity
srityপণ্ডিত
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

আজকের ডলারের দাম কত? আজকে ১ ডলার সমান কত টাকা?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 54 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
srity
srityপণ্ডিত
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

Asthma vaccine in california, priority and asthma symptoms

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 67 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
srity
srityপণ্ডিত
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

daraz customer care number for online shopping Bangladesh

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    Contact Daraz customer care staff/ Daraz hotline number by calling at 16492

    Contact Daraz customer care staff/ Daraz hotline number by calling at 16492

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 72 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
srity
srityপণ্ডিত
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

জাপানীরা দীর্ঘায়ু হয় কেন এবং কিভাবে?

  1. Khandaker Ashaduzzaman
    সেরা উত্তর
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    জাপানি রা যেমন কর্মঠ তেমন তাদের সুশৃঙ্খল জীবন যাপন। তাদের খাদ্য তালিকা বেশ চমৎকার এবং নিয়মতান্ত্রিক। একজন জাপানী সুস্থ শরীর আর মজবুত হাড় নিয়ে বেঁচে থাকে প্রায় ৮৪ বছরের বেশি সময়। এদের শরীরে মেদের চিহ্ন প্রায় নেই বললেই চলে। কিন্তু কেন? পর্যবেক্ষণে ধরা পড়েছে, জাপানীরা স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে শুধু খাবার নিয়বিস্তারিত পড়ুন

    জাপানি রা যেমন কর্মঠ তেমন তাদের সুশৃঙ্খল জীবন যাপন। তাদের খাদ্য তালিকা বেশ চমৎকার এবং নিয়মতান্ত্রিক।

    একজন জাপানী সুস্থ শরীর আর মজবুত হাড় নিয়ে বেঁচে থাকে প্রায় ৮৪ বছরের বেশি সময়। এদের শরীরে মেদের চিহ্ন প্রায় নেই বললেই চলে। কিন্তু কেন? পর্যবেক্ষণে ধরা পড়েছে, জাপানীরা স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে শুধু খাবার নিয়ন্ত্রণ করে বিষয়টা এমন না। বরং তাদের জীবনযাপনের নিয়ম কানুন, অভ্যাস সব মিলিয়েই তাদের সুস্বাস্থ্য।

    মোটা জাপাানী খুঁজে পাওয়া কঠিন;

    জাপানের ওকিনোয়া দ্বীপের নাগরিকদের গড় আয়ু ৮৪ নয়, বরং বেশিরভাগ মানুষ এখানে শতবর্ষ পার করেছেন। এই দ্বীপকে বলা হয়ে থাকে ‘দ্য ল্যান্ড অফ ইমমর্টালস’।

    জাপানীরা তিনটি আদর্শ মেনে চলে। তারা প্রচুর হাঁটাহাঁটি করে, জীবনযাত্রায় সাইকেলের ব্যবহার লক্ষ্যণীয়। অফিস আদালত, স্কুল কলেজে যাবার ক্ষেত্রে এই দুটি মাধ্যমকেই তারা বেছে নেয়। জেনে অবাক হতে হয়, জাপানে ৭২মিলিয়ন মানুষ বাইসাইকেল ব্যবহার করে নিয়মিত এবং বাইসাইকেল ব্যবহারের ক্ষেত্রে নেদারল্যান্ড আর ডেনমার্কের পরই জাপানের নাম উঠে আসে। এছাড়া, তারা সবসময় পরিমিত পরিমাণ খাবার খায়। ছুটি উদযাপনেও পাহাড় ডিঙানো বা হাইকিং তাদের মাঝে ভীষণ জনপ্রিয়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 71 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
srity
srityপণ্ডিত
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

মৃগী রোগ বিশেষজ্ঞ এবং এর সেরা চিকিৎসা কোথায় পেতে পারি?

  1. rakib
    সেরা উত্তর
    rakib নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    মৃগী স্নায়ুতন্ত্রের জটিলতাজনিত একটি রোগ। ৪০টিরও বেশি নিউরোলজিক্যাল রোগের মধ্যে সাধারণ একটি লক্ষণ হলো খিঁচুনি। সাধারণত, মস্তিষ্কের কোষগুলো একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে সচল রাখে। কোনো কারণে মানবদেহের কার্য পরিচালনাকারী মস্তিষ্কের স্নায়ুতন্ত্রের উদ্দীপক ও নিবৃত্তিকারক অংশদ্বয়েরবিস্তারিত পড়ুন

    মৃগী স্নায়ুতন্ত্রের জটিলতাজনিত একটি রোগ। ৪০টিরও বেশি নিউরোলজিক্যাল রোগের মধ্যে সাধারণ একটি লক্ষণ হলো খিঁচুনি। সাধারণত, মস্তিষ্কের কোষগুলো একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে সচল রাখে। কোনো কারণে মানবদেহের কার্য পরিচালনাকারী মস্তিষ্কের স্নায়ুতন্ত্রের উদ্দীপক ও নিবৃত্তিকারক অংশদ্বয়ের কার্যপ্রণালির ভারসাম্য নষ্ট হয়ে গেলে মৃগীরোগের লক্ষণ দেখা দিতে পারে

    যখন এ ধরনের হাজার থেকে লক্ষাধিক বৈদ্যুতিক শক্তি একই সময়ে ঘটে এবং যা মস্তিষ্কে অস্বাভাবিক অবস্থার সৃষ্টি করে, তার ফলাফল হতে পারে খিঁচুনি।
    সুস্থ–স্বাভাবিক একজন ব্যক্তি যদি হঠাৎ অস্বাভাবিকভাবে কাঁপুনি বা খিঁচুনির শিকার হন, চোখ-মুখ উল্টে ফেলে কিংবা কোনো শিশুর চোখের পাতা স্থির হয়ে যায়, একদৃষ্টিতে চেয়ে থাকে অথবা মানসিকভাবে সুস্থ কোনো ব্যক্তি যদি অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করেন, তবে তাঁকে মৃগীরোগী হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। বিশ্বে পাঁচ কোটি মানুষের মৃগী রোগ আছে, যার শতকরা ৮০ ভাগ মানুষই থাকে মধ্যম ও নিম্ন আয়ের দেশে।

    মৃগীর প্রধান চ্যালেঞ্জ

    মৃগীরোগের ক্ষেত্রে রোগ নির্ণয় একটি বিষয়। এখানেই এই অবস্থাকে ঘিরে সামাজিক বিষয় বা নিষিদ্ধ, কল্পকাহিনিসহ অনেক ভুল ধারণা রয়েছে। কখনো কখনো এই অবস্থার চিকিৎসা নির্ণয় সঠিক নয়, যা ভুল বা বিলম্বিত চিকিৎসার কারণে সমস্যার কারণ হতে পারে।

    অনেক সময় বলা হয়, এটা ভূতপ্রেত বা দুষ্ট আত্মা দ্বারা সৃষ্ট। এটা সত্য নয়। এর সঙ্গে অতীত জীবনের কোনো সম্পর্ক নেই। এটি একটি বৈজ্ঞানিক স্নায়বিক বিষয়, যা সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে।

    এপিডেমিওলজিক্যাল স্টাডি অব এপিলেপ্সি নির্দেশ করে যে সামগ্রিকভাবে মৃগীরোগের প্রকোপ নারীদের তুলনায় পুরুষদের মধ্যে সামান্য বেশি।

    মৃগীরোগ যে কারণে হয়

    মৃগীরোগ হওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ নেই এবং শতকরা ৭০ ভাগের ক্ষেত্রে কোনো কারণ বের করা সম্ভব হয়নি। তবে নিম্নোক্ত কারণগুলো থেকে মৃগীরোগ হওয়ার আশঙ্কা থাকে:
    • জন্মের আগে বা জন্মের সময় বা পরে মস্তিষ্কে আঘাত।
    • আঘাত এবং মস্তিষ্কে পর্যাপ্ত অক্সিজেনের অভাব।
    • সংক্রমণ যা মস্তিষ্কের ক্ষতি করে।
    • মস্তিষ্কে রক্ত চলাচলে প্রতিবন্ধকতা (স্ট্রোক বা অন্যান্য সমস্যা)।
    • মেহজমের সমস্যা বা পুষ্টির অভাব।
    • মস্তিষ্কের টিউমার।
    • অধিক মাত্রার জ্বর।
    • মস্তিষ্কে প্রদাহ।
    • এ ছাড়া অন্যান্য রোগ।

    ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ মৃগীরোগ জেনেটিক প্রবণতা দ্বারা সৃষ্ট। উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত মৃগীরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রথম পর্যায়ের আত্মীয়দের মৃগীরোগের ঝুঁকি দুই থেকে চার গুণ বেড়ে যায়।

    মৃগীরোগের লক্ষণ

    ৪০ ধরনের মৃগীরোগ হতে পারে। মৃগী রোগীর মধ্যে নিম্নলিখিত যেকোনো একটি বা একাধিক লক্ষণ দেখা দিতে পারে:
    • হঠাৎ শরীরের কোনো অংশে খিঁচুনি শুরু হওয়া ও পর্যায়ক্রমে তা সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়া।
    • হঠাৎ নমনীয়ভাবে ঢলে পড়া।
    • শরীর শক্ত হয়ে গিয়ে হঠাৎ পড়ে যাওয়া।
    • হঠাৎ জ্ঞান হারানো।
    • ঘন ঘন কাজে অমনোযোগী হয়ে পড়া।
    • ছোট বাচ্চাদের শরীর হঠাৎ ঝাঁকি খাওয়া।
    • হঠাৎ মাথা বা পিঠ কিংবা পুরো শরীর সামনে ঝুঁকে আসা।
    • হাত থেকে হঠাৎ করে কিছু ছিটকে পড়া।
    • হঠাৎ অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করা এবং হাত, পা ও মুখের অস্বাভাবিক নড়াচড়া শুরু হওয়া।
    • হঠাৎ শরীরের কোনো অংশে ভিন্ন ধরনের অনুভূতি সৃষ্টি হওয়া।
    মৃগীরোগের ডায়াগনোসিস
    • রোগী এবং প্রত্যক্ষকারীর বিস্তারিত ইতিহাস।
    • রক্ত পরীক্ষা।
    • ইইজি।
    • মস্তিষ্কের এমআরএই এবং সিটি স্ক্যান।
    • সিএসএফ পরীক্ষা।
    খিঁচুনির সময় যা করা যাবে না
    • আতঙ্কিত বা ভীত হওয়া যাবে না।
    • খিঁচুনির সময় কোনোরূপ বাধা সৃষ্টি বা রোগীকে আঁকড়ে ধরার চেষ্টা করা যাবে না; এতে রোগী ও সাহায্যকারী উভয়ই আহত হতে পারে।
    • রোগীর মুখে চামড়ার জুতো বা চামড়ার তৈরি অন্য কিছু, লোহার শিক ইত্যাদি চেপে ধরা উচিত হবে না। এতে রোগীর উপকারের চেয়ে ক্ষতি বেশি হয়ে থাকে।
    • রোগী পুরোপুরি সচেতন না হওয়া পর্যন্ত পানি বা অন্য কোনো পানীয় দেওয়া যাবে না।
    • সাধারণত খিঁচুনি দুই মিনিটের বেশি স্থায়ী হয় না এবং এরপর রোগী গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে।

    কখন চিকিৎসার প্রয়োজন

    নিম্নলিখিত লক্ষণগুলো দেখা দিলে রোগীকে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
    • খিঁচুনির স্থায়িত্ব পাঁচ মিনিটের বেশি হলে।
    • রোগীর শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা হলে।
    • রোগী একনাগাড়ে অনেকক্ষণ ধরে বিভ্রান্ত হয়ে থাকলে কিংবা অচেতন থাকলে।
    • খিঁচুনির সময়ে রোগী কোনোভাবে আহত হলে।
    • রোগী প্রথমবারের মতো মৃগীতে আক্রান্ত হলে বিস্তারিত জানার জন্য নিকটস্থ হাসপাতালের নিউরোলজি বিভাগ বা কোনো নিউরোলজিস্টের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।

    মৃগীরোগের চিকিৎসা

    মৃগীরোগের চিকিৎসা প্রধানত কয়েকটি বিষয়ের ওপর নির্ভরশীল; যেমন:
    অ্যান্টি-এপিলেপটিক ওষুধ
    অ্যান্টি-এপিলেপটিক ওষুধগুলোর সাধারণত পছন্দসই চিকিৎসাব্যবস্থা। প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে, ৭০ শতাংশ ঘটনায় ওষুধ দিয়েই উপসর্গগুলো বা খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণ বা নিরাময় করা গিয়েছে। মস্তিষ্ক থেকে নিঃসৃত হওয়া রাসায়নিকগুলোর পরিমাণ পরিবর্তন করে এই ওষুধগুলো খিঁচুনির তীব্রতা ও পুনরাবৃত্তির হার হ্রাস করতে সাহায্য করে। যদিও এই ওষুধগুলো মৃগীরোগের নিরাময় করতে পারে না, কিন্তু নিয়মিত চিকিৎসায় খিঁচুনির ঘটনার পুনরাবৃত্তির হার হ্রাস করে। এই ওষুধগুলো বিভিন্ন ধরনের পাওয়া যায়।

    চিকিৎসার শুরুতে ওষুধ অল্প মাত্রায় প্রয়োগ করা হয় এবং খিঁচুনির ঘটনা না থামা পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে ধীরে ধীরে ওষুধের মাত্রা বৃদ্ধি করা হয়। কোনো অর্থপূর্ণ প্রতিক্রিয়া বা উন্নতি না দেখা গেলে চিকিৎসক ওষুধ পরিবর্তন করতে পারেন। মৃগীরোগের ধরনের ওপরে ওষুধের ধরন নির্ভর করে এবং শুধু একজন চিকিৎসকই এই ওষুধগুলো প্রেসক্রাইব করতে পারেন। রোগী যদি অন্য কোনো ওষুধ নিতে থাকেন, তাহলে ডাক্তারকে তা জানাতে হবে।

    কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে তৎক্ষণাৎ তা ডাক্তারকে জানাতে হবে। সুতরাং যেভাবে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, ওষুধগুলো ঠিক সেইভাবেই সেবন করতে হবে। ওষুধের মাত্রা পরিবর্তন করার আগে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলে নিতে হবে। ডাক্তারের অনুমতি ছাড়া ওষুধ বন্ধ করা যাবে না। রোগীর মেজাজের কোনো পরিবর্তন লক্ষ করলে ডাক্তারকে তা জানাতে হবে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অধিকাংশ অ্যান্টি-এপিলেপটিক ওষুধই বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং রোগী কোনো উপসর্গ ছাড়াই বাঁচতে পারবেন।

    শল্য চিকিৎসা

    ওষুধে খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণে না এলে অথবা বেশ কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে শল্য চিকিৎসা করার পরামর্শ দেওয়া হতে পারে। অস্ত্রোপচারের সময় মস্তিষ্কের প্রভাবিত অংশ বাদ দেওয়া হয়। অস্ত্রোপচার তখনই করা হয়, যখন মস্তিষ্কের খুব ছোট এলাকা প্রভাবিত হয় এবং সেই এলাকা শরীরের কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ, যেমন: বাক্‌শক্তি, শ্রবণশক্তি, চলাফেরা, অঙ্গপ্রত্যঙ্গের নড়াচড়া ও সমন্বয় ইত্যাদির কোনো ক্ষতি করে না।
    এ ছাড়া কিটো-জেনিক ডায়েট, ইপিলেপসি সার্জারি, ভেগাল নার্ভ স্টিমুলেশন (ভিএনএস), রেসপন্সিভ নার্ভ স্টিমুলেশন (আরএনএস) স্টেরিওট্যাকটিক সার্জারি ইত্যাদির মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়। এসব চিকিৎসা সাধারণত উন্নত বিশ্বে হয়ে থাকে।

    জীবনধারার ব্যবস্থাপনা

    খিঁচুনির নিয়ন্ত্রণ জরুরি কারণ এটি বিপজ্জনক এবং জটিল সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।
    • নিয়মিত ওষুধ সেবন করা। ডাক্তারের অনুমতি ছাড়া ওষুধ বন্ধ কর যাবে না।
    • খিঁচুনি বা মৃগীরোগ শুরুর কারণ খুঁজে বের করুন। খুব সাধারণ কারণগুলো হলো নিয়মিত ওষুধ না খাওয়া, মানসিক চাপ, খাওয়াদাওয়ায় অনিয়ম, মদ্যপান, অনিদ্রা, উজ্জ্বল আলো, জোরে আওয়াজ ইত্যাদি খিঁচুনি সৃষ্টি করে।
    • খিঁচুনি কবে ও কখন শুরু হলো, এর তীব্রতা কত, কতক্ষণ ধরে হয়েছে এবং তার সঙ্গে খিঁচুনি শুরুর আগে আপনি কী করছিলেন, তা বিস্তারিত লিখে রাখুন।
    • খিঁচুনি শুরুর কারণগুলোকে মোকাবিলা করার চেষ্টা করার নিয়ম—
    ১. নিয়মিত ওষুধ সেবন করা।
    ২. খাওয়াদাওয়া সময়মতো করা।
    ৩. ঘুমানোর জন্য তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়ার চেষ্টা করা।
    ৪. শ্বাসের হালকা ব্যায়াম করা।
    ৫. মদ্যপান না করা।
    ৬. নেশাজাতীয় ওষুধ সেবন না করা।

    • খিঁচুনি খুব ঘন ঘন হলে গাড়ি চালানো, সাঁতার কাটা এবং রান্না করা যাবে না। কারণ, এগুলো করার সময় খিঁচুনি হলে তা খুবই ক্ষতিকারক হবে।
    • বাড়ির আসবাবপত্রগুলোর কোণ মসৃণ হতে হবে।
    • স্নান করার সময় স্নানঘরের দরজা বন্ধ করা যাবে না।
    • বাথটাবে স্নান করার বদলে শাওয়ার ব্যবহার করতে হবে। এতে খিঁচুনি শুরু হলে বাথটাবে ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে না।
    • সাঁতার কাটার সময় এমন সঙ্গী সঙ্গে রাখুন, যিনি আপনার খিঁচুনি শুরু হলে আপনাকে উদ্ধার করতে পারবেন।
    • ঘরের বাইরে কোনো খেলাধুলার সময় মাথায় হেলমেট ব্যবহার করতে হবে।
    খিঁচুনিতে আক্রান্ত রোগের প্রাথমিক চিকিৎসা
    • আক্রান্ত রোগীকে মেঝেতে শুইয়ে দিতে হবে এবং গায়ের কাপড় খুলে দিতে হবে।
    • আশপাশের ধারালো জিনিসপত্র সরিয়ে ফেলতে হবে।
    • রোগীকে একপাশে করে শোয়াতে হবে যাতে করে লালা বা থুতু মুখ থেকে বেরিয়ে আসতে পারে।
    • মাথার নিচে নরম কাপড় ভাঁজ করে দিতে হবে।
    • রোগীর মুখে কোনো কিছু দেওয়া যাবে না।
    • খিঁচুনির পরে রোগীকে কিছুক্ষণ বিশ্রাম বা ঘুমাতে দিতে হবে।
    মৃগীরোগে আক্রান্ত বেশির ভাগ মানুষ সঠিক চিকিৎসা এবং স্বাস্থ্যসেবা নিলে সুস্থ এবং স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারবেন।

    লেখক: সিনিয়র কনসালট্যান্ট নিউরোলজিস্ট, এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকা

    সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 1,104 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
srity
srityপণ্ডিত
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

অপরিচিত নাম্বার থেকে কল আসলে কিভাবে তার পরিচয় বের করতে পারি? আর অপরিচিত নাম্বার থেকে কল আসা বন্ধ করার কোন উপায় আছে কি?

  1. ashad khandaker
    সেরা উত্তর
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    ধান ৩টি উপায়ের মধ্যে প্রথমটি হচ্ছে, বিভিন্ন এপস বা ওয়েবসাইট থেকে অচেনা মোবাইল নাম্বারের পরিচয় বের করার মাধ্যম। এপস বা ওয়েবসাইট দিয়ে পরিচয় বের করতে চাইলে, সেক্ষেত্রে True Caller খুবই জনপ্রিয় একটি এপস। আপনারা হয়তো অনেকে এটার নাম জানেন। তবুও যারা জানেন না, তাদের জন্য আবার বলব আজ। True Caller ছাড়াও আরওবিস্তারিত পড়ুন

    ধান ৩টি উপায়ের মধ্যে প্রথমটি হচ্ছে, বিভিন্ন এপস বা ওয়েবসাইট থেকে অচেনা মোবাইল নাম্বারের পরিচয় বের করার মাধ্যম। এপস বা ওয়েবসাইট দিয়ে পরিচয় বের করতে চাইলে, সেক্ষেত্রে True Caller খুবই জনপ্রিয় একটি এপস। আপনারা হয়তো অনেকে এটার নাম জানেন। তবুও যারা জানেন না, তাদের জন্য আবার বলব আজ।

    True Caller ছাড়াও আরও ৫টি এপস বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে মোবাইল নাম্বার দিয়ে পরিচয় বের করতে পারবেন। ইন্টারনেট কানেকশন দিয়ে একদম ফ্রিতেই পরিচয় বের করা সম্ভব। আসুন এপস/ওয়েবসাইটগুলোর নাম ও কাজ সম্পর্কে জানা যাক।

    ট্রু কলার এপ (True Caller)

    True Caller হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল নাম্বার ট্রাকিং এপসগুলোর মধ্যে একটি। এই এপসটি কেনো এত জনপ্রিয়? আসুন সংক্ষেপে জানা যাক।

    ধরুন, আপনি কারো মোবাইল নাম্বার জানার জন্য এপসটি ডাউনলোড করলেন। তারা আপনাকে ফ্রি সার্ভিসের মাধ্যমে মোবাইল নাম্বার থেকে অচেনা লোকটির নাম জানিয়ে দিল। কিন্তু দুনিয়ায় কি কেউ ফ্রি ফ্রি কাজ করে দেয়? নিশ্চয়ই না। তাহলে ট্রু-কলার কেনো দিল? কারণ, তারা আপনাকে মোবাইল নাম্বার থেকে পরিচয় জানানোর বিনিময়ে, আপনার ফোনের সব মোবাইল নাম্বার তাদের সার্ভারে সেইভ করে নিয়েছে।

    আসল রহস্য আসা করি বুঝেছেন। বর্তমানে তাদের ৮৮+ মিলিয়ন ব্যবহারকারী আছে। তাহলে তাদের কাছে কতগুলো মোবাইল নাম্বার সেইভ করা আছে, একটু ভাবুন।

    যাই হোক, আপনি True Caller দিয়ে অচেনা নাম্বার সহজে বের করতে পারবেন। এটা ছাড়াও আরও কিছু এপসের কথা নিচে বলছি, তবে একটা কথা। ট্রু-কলার নামানোর আগে, বন্ধু-বান্ধবির নাম্বারগুলো সুন্দরভাবে সেভ করে নিন। নইলে সবার নাম্বার কুত্তা-বিলাই নামে অটোমেটিক সেইভ হয়ে যাবে তাদের সার্ভারে। গুগল প্লে স্টোরে এপসটি সহজেই পেয়ে যাবেন।

    মোবাইল নাম্বার লোকেটর (Mobile Number Locator)

    Mobile Number Locator হচ্ছে মোবাইল নাম্বার জানার ও তার অবস্থান জানার একটি এপস। বিশেষ করে ট্রাকিং এর জন্য এটির জনপ্রিয়তা অনেক বেশি। এই এপসটি Incoming & Outgoing Call এর সময়, মোবাইল নাম্বারের পরিচয় জানিয়ে দিতে পারে অনেকসময়। অর্থাৎ, অচেনা কেউ কল দিলেই তারনাম স্ক্রিনে ভেসে উঠতে পারে।

    আর সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, এটি চালাতে প্রায়ই সময় ইন্টারনেট সংযোগ প্রয়োজন হয়না। তবে Google MAP এর মাধ্যমে এই এপস থেকে মোবাইল নাম্বারের লোকেশন জানতে অবশ্যই ডাটা কানেকশন লাগবে

    হুসকল (Whoscall)

    Whoscall হচ্ছে True Caller এর মত ২য় এপস। ২০১৯ সালে মার্কেটে এসেও, এদের বর্তমান ব্যবহারকারী প্রায় ৭০+ মিলিয়ন। অর্থাৎ খুবই জনপ্রিয় একটি এপস। এটি আপনারা গুগল প্লে-স্টোরে পেয়ে যাবেন।এই Whoscall এপসটি Spam Call কে সহজেই Block করে দিতে পারে। এছাড়াও এর আলাদা কিছু ফিচার আছে। এপস নামালেই বুঝতে পারবেন।

    ফাইন্ড এড ট্রেস (Find And Trace)

    Find and Trace একটি ওয়েবসাইট, এটি কোন App নয়। এই ওয়েবসাইটটি শুধু মোবাইল নাম্বারই নয়; পাশাপাশি গাড়ি, ল্যান্ডলাইন, STD, ISD Code সহ ইত্যাদি খুব সহজেই খুঁজে দিতে পারে।

    এই ওয়েবসাইটে ঢুকে আপনাকে বিরক্ত করা অচেনা মোবাইল নাম্বারটি লিখে সার্চ করলেই কাংখিত তথ্য পেয়ে যেতে পারেন। তবে এটি আগের দুটি এপস এর মত জনপ্রিয় না। তাই অনেকসময় অচেনা নাম্বারের তথ্য নাও পেতে পারেন।

    এই এপস বা ওয়েবসাইটগুলো ছাড়াও আরো কিছু এপস এর মধ্যে রয়েছে Call App, Eyecon, Sync ইত্যাদি। তবে বাংলাদেশি অনেকে Eyecon ব্যবহার করে থাকেন।

    সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে পরিচয় বের করু

    অনেকসময় সামাজিক যোগাযোগ এর মাধ্যমেও খুব সহজেই পরিচয় বের করা যায়। কারণ, এসবে একাউন্ত খুলতে মোবাইল নাম্বারের প্রয়োজন হয়। সেক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য এপসগুলো হচ্ছে – Facebook, IMO, Vibre, Telegram, Whatsapp ইত্যাদি।

    Facebook এর মাধ্যমে পরিচয় তেমন জানা যায়না, তবুও সার্চ করে দেখতে পারেন। অনেকসময় অনেকে নাম্বার হাইড করে রাখেনা। সেক্ষেত্রে আপনি সহজেই তাকে প্রোফাইলসহ গ্রেফতার করতে পারবেন, মানে পরিচয় জানতে পারবেন।
    IMO তে পরিচয় জানা খুবই সহজ।

    কারণ, বিশ্বের প্রায় ৪ (চার) কোটি মানুষ ইমো ব্যবহার করেন। তার মানে পৃথিবীর ৪ কোটি মানুষের নাম্বার ইমোতে সেভ করা আছে। তাও আবার ছবিসহ। আপনি যে নাম্বারটির পরিচয় জানতে চান, সেটিকে ইমোতে সার্চ করুন এবং পরিচয় ছবিসহ জেনে নিন।

    Vibre, Telegram, Whatsapp এ মোবাইল নাম্বার জানতে হলে, অচেনা মোবাইল নাম্বারটি যেকোনো নামে মোবাইলে সেইভ করুন। সেই অচেনা নাম্বারে যদি সেসব একাউন্ট থাকে, তাহলে আপনি তার পরিচয় জেনে নিতে পারবেন।

    ডিবি পুলিশ এর সরনাপন্ন হোন অথবা থানায় যান

    যদি আপনাকে কেউ অতিরিক্ত বিরক্ত করে, তাহলে সোজা পুলিশের কাছে চলে যান। দেশের মধ্যে একমাত্র পুলিশই মোবাইল নাম্বারের পরিচয়সহ লোকেশন বের করতে ১০০% সক্ষম। তাই থানায় গিয়ে তাদেরকে আপনার সমস্যার কথা বলুন। তারা সর্বোচ্চ ৩ দিনের মধ্যেই অপরিচিত ব্যাক্তিকে শনাক্ত করতে সক্ষম হবে।

    আর আপনাকে যদি ফোনে কেউ হুমকি দেয়, তাহলেও আপনি থানায় গিয়ে জিডি করতে পারেন। জিডি খরচ একদম ‘ফ্রি’।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 48 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
srity
srityপণ্ডিত
সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

প্রতিদিন ভাবি, যে কাল থেকে পড়ালেখা করবো। কিন্তু তারপর আর শুরু করা হয় না। নিজের কাছেই খুব খারাপ লাগে। এখন আমার কী করা উচিৎ? কিভাবে মনোযোগী হতে পারি লেখাপড়ায়?

  1. Sumaiya Rahman
    Sumaiya Rahman নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    স্মরণশক্তি কিংবা মুখস্ত করার যোগ্যতা মহান আল্লাহ তাআলা অনেক বড় নেয়ামত। কেউ চাইলে যেমন কোনো কিছু স্মরণ রাখতে পারে না আবার চাইলে যে কেউ কোনো কিছু মুখস্ত রাখতে পারে না। মুখস্ত করা বা স্মরণ রাখার জন্য আল্লাহর সাহায্য ও অনুগ্রহ সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। যুগে যুগে অনেক কম সময়ে ছোট থেকে বড় মানুষরাও পবিত্র কুরআনবিস্তারিত পড়ুন

    স্মরণশক্তি কিংবা মুখস্ত করার যোগ্যতা মহান আল্লাহ তাআলা অনেক বড় নেয়ামত। কেউ চাইলে যেমন কোনো কিছু স্মরণ রাখতে পারে না আবার চাইলে যে কেউ কোনো কিছু মুখস্ত রাখতে পারে না। মুখস্ত করা বা স্মরণ রাখার জন্য আল্লাহর সাহায্য ও অনুগ্রহ সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।

    যুগে যুগে অনেক কম সময়ে ছোট থেকে বড় মানুষরাও পবিত্র কুরআনুল কারিম মুখস্ত করেছেন। হজরত ইমাম শাফেঈ রাহমাতুল্লাহি আলাইহি থেকে শুরু করে ৪ বছরের শিশুও রয়েছে এ তালিকায়। মুখস্ত শক্তি বা স্মরণশক্তি নিঃসন্দেহে মহান আল্লাহ তাআলার নেয়ামত।

    কুরআনুল কারিম মুখস্ত রাখার কৌশল তথা স্মরণশক্তি বাড়াতে আল্লাহ তাআলা প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে নসিহত পেশ করেছেন এবং দোয়া শিখিয়েছেন। যা উম্মতে মুসলিমার জন্য নসিহত ও উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

    হজরত জিবরিল আলাইহিস সালাম যখন ওহি নিয়ে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাসের কাছে আসতেন। ওহি নাজিল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তা মুখস্ত করার চেষ্টা করতেন। আর তা ছিল বিশ্বনবির জন্য অনেক কষ্টসাধ্য কাজ।

    তখন আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারিমের একটি আয়াত নাজিল করে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে উপদেশ দিলেন এবং একটি দোয়া শিখিয়ে দিলেন।

    এ নসিহত এবং দোয়ার বরকতেই কুরআন আয়ত্ব করতে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কষ্ট দূর হয়ছিল। আর তাতে তিনি কুরআনের ওহি আয়ত্ব করেও প্রশান্তি লাভ করেন।

    আর এ দোয়া ও নসিহতের আমলেই মানুষের মুখস্ত শক্তি ও স্মরণশক্তি দ্রুত বেড়ে যায়। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে উদ্দেশ্য করে আল্লাহ তাআলা বলেন-فَتَعَالَى اللَّهُ الْمَلِكُ الْحَقُّ وَلَا تَعْجَلْ بِالْقُرْآنِ مِن قَبْلِ أَن يُقْضَى إِلَيْكَ وَحْيُهُ ‘সত্যিকার মালিক হচ্ছে মহান আল্লাহ তাআলা। আপনার কাছে আল্লাহর ওহি সম্পুর্ণ হওয়ার আগে আপনি কুরআন আয়ত্বের জন্য তাড়াহুড়া করবেন না।’

    [আয়াতের প্রথমাংশে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ওহি আসার পর তা মুখস্ত করার বিষয়ে তাড়াহুড়ে করতে নিষেধ করেছেন। বরং ধীরস্থিরতা অবলম্বনের উপদেশ দিয়েছেন।]

    অতপর কুরআন আয়ত্ব করতে আয়াতের শেষাংশে এ দোয়া করতে বলেছেন-وَقُل رَّبِّ زِدْنِي عِلْمًا‘আর বলুন- হে আমার প্রভু! আমার জ্ঞান বাড়িয়ে দিন।’ (সুরা ত্বাহা : আয়াত ১১৪)

    রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেয়া এ উপদেশ ও দোয়াই মানুষের মুখস্ত শক্তি বাড়ানোর অন্যতম উপায়।

    সুতরাং মানুষের উচিত, যে কোনো পরিস্থিতিতে তাড়াহুড়ো নয়, বরং ধীরস্থিরভাবে মহান আল্লাহর সাহায্য নিয়ে তা আয়ত্ব করার প্রচেষ্টা করা আর আল্লাহর কাছে একান্ত মনে এ দোয়া করা-رَبِّ زِدْنِي عِلْمًا উচ্চারণ : ‘রাব্বি যিদনি ইলমা।’অর্থ : ‘হে আমার প্রভু! আমার জ্ঞান (মুখস্ত বা স্মরণ শক্তি) বাড়িয়ে দিন।’

    আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে কুরআনের নসিহত ও দোয়ার মাধ্যমে মুখস্ত শক্তি বাড়িয়ে তোলার তাওফিক দান করুন। কুরআন-সুন্নাহ উপর যথাযথ আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

    সূত্রঃ জাগো নিউজ

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 49 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
srity
srityপণ্ডিত
সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

Ticket price range of us bangla, novo air and bangladesh biman

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 19 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
srity
srityপণ্ডিত
সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

পদ্মা সেতুর বর্তমান অবস্থা, মোট স্প্যান এবং টোল নির্ধারণ

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 32 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
srity
srityপণ্ডিত
সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

ই পাসপোর্ট ফর্ম কিভাবে পূরণ করবো, ই পাসপোর্ট অধিদপ্তর কোথায়, ই পাসপোর্ট নবায়ন ফর্ম কোথায় পাওয়া যাবে?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 28 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
srity
srityপণ্ডিত
সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

পল্লী বিদ্যুৎ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি কোথায় পাবো?

  1. ভবের হাট 🤘
    সেরা উত্তর
    ভবের হাট 🤘 পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 5 বছর আগে

    আপনি নিচের লিংকে গিয়ে দেখে নিন। http://www.reb.gov.bd/site/page/b659f5e0-3eea-4e4d-bde6-dfc74c19df4c/-

    আপনি নিচের লিংকে গিয়ে দেখে নিন।

    http://www.reb.gov.bd/site/page/b659f5e0-3eea-4e4d-bde6-dfc74c19df4c/-

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 69 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
আরও প্রশ্ন লোড করুন

Sidebar

লগ ইন করুন
  • জনপ্রিয়
  • উত্তর
  • Mithun

    নির্মাণকাজে মরুভূমির বালু কেন ব্যবহার করা হয়না?

    • 12 টি উত্তর
  • Hina Khan

    Is Telegram MOD APK safe to use? What are the ...

    • 9 টি উত্তর
  • shanto

    ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইন আবেদন, লাইসেন্সের অনলাইন কপি ডাউনলোড, লাইসেন্স হয়েছে ...

    • 8 টি উত্তর
  • Admin

    নতুন ক্যাটাগরি "SEO" যুক্ত হলো আড্ডাবাজে!

    • 7 টি উত্তর
  • Mahmudul

    একটি ঘোর লাগানো ছবি দেখাতে পারবেন কি?

    • 6 টি উত্তর
  • SA Samim
    SA Samim একটি উত্তর দিয়েছেন NASA-এর Artemis II মিশনকে শুধু একটি সাধারণ চন্দ্রাভিযান হিসেবে দেখলে… এপ্রিল 1, 2026, সময়ঃ 5:46 অপরাহ্ন
  • সুমনা
    সুমনা একটি উত্তর দিয়েছেন পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম সফল মানব ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়েছিল গরু… এপ্রিল 1, 2026, সময়ঃ 11:09 পূর্বাহ্ন
  • সুমনা
    সুমনা একটি উত্তর দিয়েছেন কোয়ান্টাম কম্পিউটিংকে বলা হচ্ছে ভবিষ্যতের প্রযুক্তির সবচেয়ে বড় বিপ্লব। এটি… এপ্রিল 1, 2026, সময়ঃ 10:57 পূর্বাহ্ন
  • SA Samim
    SA Samim একটি উত্তর দিয়েছেন James Webb Space Telescope (JWST) সত্যিই আধুনিক মহাকাশ বিজ্ঞানে এক… এপ্রিল 1, 2026, সময়ঃ 8:28 পূর্বাহ্ন
  • rana
    rana একটি উত্তর দিয়েছেন বাংলাদেশে বসবাসকারী প্রত্যেক করযোগ্য নাগরিকের জন্য নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আয়কর… মার্চ 30, 2026, সময়ঃ 3:23 অপরাহ্ন

জনপ্রিয় গ্রুপ

  • মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    • 4 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 104 বার প্রদর্শিত
  • Earn Money

    • 3 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 154 বার প্রদর্শিত
  • Knowledge World

    Knowledge World

    • 3 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 116 বার প্রদর্শিত
  • CT Game Review

    CT Game Review

    • 3 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 1,003 বার প্রদর্শিত
  • Crazy Time Fun

    Crazy Time Fun

    • 2 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 74 বার প্রদর্শিত

চলতি মাসের সেরা ইউজার

SA Samim

SA Samim

  • 10 প্রশ্ন
  • 4 পয়েন্ট
এডিটর
সুমনা

সুমনা

  • 19 প্রশ্ন
  • 3 পয়েন্ট
নতুন
srity

srity

  • 21 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
পণ্ডিত
লগ ইন করুন

Explore

  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

Footer

AddaBuzz.net

আড্ডাবাজ একটি সামাজিক প্রশ্নোত্তর ইঞ্জিন। যেখানে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে একে অপরের জ্ঞান আদান-প্রদান হয়। প্রশ্ন করুন, উত্তর দিন, জ্ঞান ভাগাভাগি করুন।

Adv 234x60

aalan

আমাদের সম্পর্কিত

  • আমাদের টিম
  • আমাদের লক্ষ্য

লিগ্যাল স্টাফ

  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions
  • Data Deletion Instructions

সাহায্য

  • Knowledge Base
  • Contact us

আমাদের ফলো করুন

© 2026 AddaBuzz. All Rights Reserved
With Love by AddaBuzz.net

✕
🔔 নোটিফিকেশন চালু করুন নতুন প্রশ্নোত্তর ও ব্লগ আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন