সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
ফিতরা কত টাকা ২০২৬?
২০২৬ সালে (১৪৪৭ হিজরি) বাংলাদেশে ফিতরার হার জনপ্রতি সর্বনিম্ন ১১০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ২,৮০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ইসলামিক ফাউন্ডেশন জাতীয় সাদাকাতুল ফিতর নির্ধারণ কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। খাদ্যপণ্য পরিমাণ ফিতরার হার গম বা আটা ১ কেজি ৬৫০ গ্রাম (আধা সা') ১১০ টাবিস্তারিত পড়ুন
২০২৬ সালে (১৪৪৭ হিজরি) বাংলাদেশে ফিতরার হার জনপ্রতি সর্বনিম্ন ১১০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ২,৮০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ইসলামিক ফাউন্ডেশন জাতীয় সাদাকাতুল ফিতর নির্ধারণ কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
মুসলমানরা নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী উল্লিখিত যেকোনো একটি পণ্য বা তার বাজারমূল্য দিয়ে সাদাকাতুল ফিতর আদায় করতে পারবেন।
ফিতরা কার উপর ওয়াজিব:
সদকাতুল ফিতর প্রত্যেক এমন মুসলমানের ওপর ওয়াজিব, যিনি ঈদুল ফিতরের দিন অর্থাৎ ১ শাওয়াল ভোরে নিজের মৌলিক প্রয়োজন ও ব্যবহার্য জিনিসপত্রের বাইরে এমন পরিমাণ সম্পদের মালিক হন, যার মূল্য সাড়ে বায়ান্ন তোলা রুপার দামের সমান বা তার বেশি।
সহজ কথায় – নিজের ও পরিবারের মৌলিক চাহিদা মেটানোর পর ঈদের দিন যার কাছে অতিরিক্ত সম্পদ আছে, তার উপর ফিতরা ওয়াজিব। এই সম্পদ নগদ টাকা, সোনা, রুপা বা যেকোনো ধরনের হতে পারে।
পরিবারের ফিতরা হিসাব করার নিয়ম:
পরিবারের প্রতিটি সদস্যের জন্য আলাদাভাবে ফিতরা আদায় করতে হয়। পরিবারের কর্তা নিজের এবং নাবালক সন্তানদের পক্ষ থেকে ফিতরা আদায় করবেন। পরিবারের সকলের পক্ষ থেকে যদি একই পণ্যের মূল্যে ফিতরা দেওয়া সম্ভব না হয়, তাহলে কারো পক্ষ থেকে খেজুরের মূল্যে এবং কারো পক্ষ থেকে আটার মূল্যে দিলেও আদায় হয়ে যাবে।
ফিতরা কখন দিতে হবে:
ঈদের নামাজের পূর্বেই ফিতরার টাকা পরিশোধ করতে হয়। তবে রমজানের শেষ দিকে আদায় করলে দরিদ্ররা ঈদের আগেই টাকা পেয়ে যান, যা ইসলামের মূল উদ্দেশ্য। ঈদের নামাজের পর দিলে ফিতরা হিসেবে গণ্য হয় না, সাধারণ সদকা হিসেবে গণ্য হয়।
ফিতরা কাকে দেওয়া যাবে:
ফিতরা ওই সব মানুষকে দেওয়া যাবে যারা নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক নন। addabuzz গরিব আত্মীয়, প্রতিবেশী, মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন যারা নিসাবের মালিক নন — তাদের দেওয়া যাবে। সম্পদশালী ব্যক্তি, মা-বাবা, সন্তান, স্বামী-স্ত্রীকে ফিতরা দেওয়া যাবে না।
স্থানীয় বাজারমূল্যে দিলেও চলবে:
ইসলামিক ফাউন্ডেশন স্পষ্ট জানিয়েছে যে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পণ্যগুলোর খুচরা বাজার মূল্যের তারতম্য থাকতে পারে। আপনার স্থানীয় বাজারের বর্তমান মূল্য অনুযায়ী হিসাব করে ফিতরা দিলেও তা আদায় হয়ে যাবে। CEIC
সংক্ষেপে মনে রাখুন:
✅ সর্বনিম্ন ফিতরা: ১১০ টাকা (আটা হিসাবে)
সংক্ষেপে দেখুন✅ সর্বোচ্চ ফিতরা: ২,৮০৫ টাকা (পনির হিসাবে)
✅ ৫ সদস্যের পরিবারে সর্বনিম্ন: ১১০ × ৫ = ৫৫০ টাকা
✅ আদায়ের সময়: ঈদের নামাজের আগেই দিতে হবে
✅ সামর্থ্য অনুযায়ী: যেকোনো একটি পণ্যের হিসাবে দিলেই আদায় হবে
তফসিল কি এবং এটি বাংলাদেশের সংবিধানে কয়টি? এবং বাংলাদেশে তফসিলি ব্যাংক বলতে কি বুঝায়, বর্তমানে তফসিলি ব্যাংক কয়টি ও তাদের নাম কি কি?
তফসিল কি? সাধারণ ভাষায় তফসিল কি বা তফসিল বলতে কোনো আইনের শেষে সংযুক্ত তালিকা, নির্ঘণ্ট বা সময়সূচিকে বোঝায়। এটি মূলত কোনো মূল দলিলের (যেমন সংবিধান বা আইন) বিস্তারিত ব্যাখ্যামূলক অংশ। যেমন: নির্বাচনের ক্ষেত্রে 'তফসিল' বলতে নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ সময়সূচিকে বোঝায়, আবার সংবিধান বা ব্যাংকিং খাতে এটি একটি নিবিস্তারিত পড়ুন
তফসিল কি?
সাধারণ ভাষায় তফসিল কি বা তফসিল বলতে কোনো আইনের শেষে সংযুক্ত তালিকা, নির্ঘণ্ট বা সময়সূচিকে বোঝায়। এটি মূলত কোনো মূল দলিলের (যেমন সংবিধান বা আইন) বিস্তারিত ব্যাখ্যামূলক অংশ। যেমন: নির্বাচনের ক্ষেত্রে ‘তফসিল’ বলতে নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ সময়সূচিকে বোঝায়, আবার সংবিধান বা ব্যাংকিং খাতে এটি একটি নির্দিষ্ট তালিকা হিসেবে কাজ করে।
সংবিধানের তফসিল: বাংলাদেশের সংবিধানের তফসিল কয়টি?
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন হলো সংবিধান। এই সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি ও নিয়মাবলি রয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশের সংবিধানের তফসিল কয়টি—এর উত্তর হলো ৭টি। অর্থাৎ, সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল সংযুক্ত আছে, যেখানে বিভিন্ন ক্রান্তিকালীন বিধান, শপথনামা এবং ঐতিহাসিক ভাষণ (যেমন ৭ই মার্চের ভাষণ) অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
তফসিলি ব্যাংক: সংজ্ঞা ও সংখ্যা
তফসিলি ব্যাংক বলতে কি বুঝায়?
সহজ কথায়, তফসিলি ব্যাংক হলো সেই সব ব্যাংক, যেগুলো ‘বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২’-এর ৩৭(২) (পি) ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংকের তালিকাভুক্ত। এই ব্যাংকগুলোকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ম মেনে চলতে হয় এবং আমানতের একটি নির্দিষ্ট অংশ (CRR ও SLR) কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখতে হয়। যারা এই তালিকায় নেই, তাদের ‘নন-শিডিউলড’ বা অতফসিলি ব্যাংক বলা হয়।
তফসিলি ব্যাংক কয়টি ও কি কি?
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশে তফসিলি ব্যাংক কয়টি—এর উত্তর হলো ৬১টি। এই তফসিলি ব্যাংকগুলোকে মালিকানা ও কার্যক্রমের ওপর ভিত্তি করে প্রধানত ৪টি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। নিচে তফসিলি ব্যাংক কয়টি ও কি কি তার ধারণা দেওয়া হলো:
১. রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক (৬টি):
সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (বিডিবিএল)।
২. বিশেষায়িত ব্যাংক (৩টি):
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক এবং প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।
৩. বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক (৯টি):
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, এইচএসবিসি (HSBC), সিটি ব্যাংক এনএ, কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন, হাবিব ব্যাংক, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া, উরি ব্যাংক, ব্যাংক আল-ফালাহ এবং ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান।
৪. বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক (৪৩টি):
এটি সবচেয়ে বড় খাত। এর মধ্যে প্রচলিত ধারার এবং ইসলামী শরিয়াহ্ ভিত্তিক ব্যাংক রয়েছে। উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো:
-
-
সংক্ষেপে দেখুনইসলামী ধারার: ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক এবং স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক।
প্রচলিত ধারার (কনভেনশনাল): পূবালী ব্যাংক, উত্তরা ব্যাংক, এবি ব্যাংক, দি সিটি ব্যাংক, আইএফআইসি, ইউসিবি, ইস্টার্ন ব্যাংক (EBL), এনসিসি ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, ওয়ান ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, এনআরবি ব্যাংক, এনআরবিসি ব্যাংক, মধুমতি ব্যাংক, মেঘনা ব্যাংক, মিডল্যান্ড ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক, সীমান্ত ব্যাংক, সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার ব্যাংক, সিটিজেনস ব্যাংক, বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক এবং কমিউনিটি ব্যাংক।
তফসিল অনুযায়ী, জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট ঠিক কবে অনুষ্ঠিত হবে?
জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটের নির্দিষ্ট তারিখ এখনো জানা যায়নি। খবরে বলা হয়েছে, আগামী ১১ ডিসেম্বর এই নির্বাচনের ও গণভোটের তফসিল (সময়সূচি) ঘোষণা করা হবে। তফসিল ঘোষণার পরই জানা যাবে ভোটগ্রহণ ঠিক কবে অনুষ্ঠিত হবে। গণভোট কি বা গণভোট বলতে কি বুঝায়? সহজ কথায়, গণভোট কি বা গণভোট বলতে কি বুঝায় তা হলোবিস্তারিত পড়ুন
জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটের নির্দিষ্ট তারিখ এখনো জানা যায়নি। খবরে বলা হয়েছে, আগামী ১১ ডিসেম্বর এই নির্বাচনের ও গণভোটের তফসিল (সময়সূচি) ঘোষণা করা হবে। তফসিল ঘোষণার পরই জানা যাবে ভোটগ্রহণ ঠিক কবে অনুষ্ঠিত হবে।
গণভোট কি বা গণভোট বলতে কি বুঝায়?
সহজ কথায়, গণভোট কি বা গণভোট বলতে কি বুঝায় তা হলো রাষ্ট্রের কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, সংবিধান পরিবর্তন বা বিশেষ কোনো নীতিমালার বিষয়ে জনগণের সরাসরি মতামত যাচাই করার একটি পদ্ধতি। সাধারণ নির্বাচনে জনগণ যেমন তাদের প্রতিনিধি বা নেতা নির্বাচন করেন, গণভোটে তেমনি কোনো একটি নির্দিষ্ট প্রস্তাবের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ বা বিপক্ষে ‘না’ ভোট দেন। অর্থাৎ, এটি হলো কোনো বিষয়ে জনগণের রায় নেওয়ার প্রক্রিয়া।
গণভোট কিভাবে হয়?
এখন প্রশ্ন হলো, গণভোট কিভাবে হয়? এটি মূলত সাধারণ নির্বাচনের মতোই নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত হয়।
১. প্রথমে সরকার বা সংসদ একটি নির্দিষ্ট প্রস্তাব বা প্রশ্ন ঠিক করে।
২. এরপর নির্বাচন কমিশন সারা দেশে ভোটকেন্দ্র স্থাপন করে।
৩. ভোটাররা কেন্দ্রে গিয়ে সেই নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তরে ব্যালট পেপারে বা ইভিএমে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ ভোট দিয়ে তাদের মতামত জানান।
৪. সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামত (অর্ধেকের বেশি ভোট) যেদিকে যায়, রাষ্ট্র সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
বাংলাদেশে কতবার গণভোট অনুষ্ঠিত হয়?
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এ পর্যন্ত মোট তিনবার জাতীয় পর্যায়ে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।
১. ১৯৭৭ সালে: সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় (আস্থা যাচাইয়ের জন্য)।
২. ১৯৮৫ সালে: সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদের সময় (তার শাসনের পক্ষে জনমত যাচাইয়ের জন্য)।
৩. ১৯৯১ সালে: দ্বাদশ সংশোধনী পাসের মাধ্যমে সংসদীয় গণতন্ত্রে ফিরে যাওয়ার প্রশ্নে (তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন আহমদের সময়)।
সংক্ষেপে দেখুনদ্রুততম সামুদ্রিক প্রাণী কোনটি?
দ্রুততম সামুদ্রিক প্রাণী হলো ব্ল্যাক মার্লিন (Black Marlin)। এটি ঘণ্টায় প্রায় ১৩২ কিলোমিটার (৮২ মাইল) পর্যন্ত গতিতে সাঁতার কাটতে পারে। ব্ল্যাক মার্লিনের মসৃণ দেহ এবং শক্তিশালী পাখনা এটিকে দ্রুত গতিতে সাঁতার কাটতে সাহায্য করে। এর গতি এটিকে সমুদ্রে শিকার ধরার এবং শিকারী প্রাণীদের থেকে বাঁচতে সাহায্যবিস্তারিত পড়ুন
দ্রুততম সামুদ্রিক প্রাণী হলো ব্ল্যাক মার্লিন (Black Marlin)। এটি ঘণ্টায় প্রায় ১৩২ কিলোমিটার (৮২ মাইল) পর্যন্ত গতিতে সাঁতার কাটতে পারে।
ব্ল্যাক মার্লিনের মসৃণ দেহ এবং শক্তিশালী পাখনা এটিকে দ্রুত গতিতে সাঁতার কাটতে সাহায্য করে। এর গতি এটিকে সমুদ্রে শিকার ধরার এবং শিকারী প্রাণীদের থেকে বাঁচতে সাহায্য করে।
যদিও অন্যান্য সামুদ্রিক প্রাণী যেমন সেলফিশ (ঘণ্টায় প্রায় ১১০ কিমি বা ৬৮ মাইল) এবং সোর্ডফিশ (ঘণ্টায় প্রায় ৯৭ কিমি বা ৬০ মাইল) খুব দ্রুত, ব্ল্যাক মার্লিনই দ্রুততম সামুদ্রিক প্রাণী হিসেবে পরিচিত।
সংক্ষেপে দেখুনশরীরের জৈব রসায়নগার বলে কোন অঙ্গকে?
শরীরের জৈব রসায়নগার বলা হয় যকৃৎ (Liver) কে। এর কারণ হলো, যকৃতে অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়া প্রতিনিয়ত সংঘটিত হয় যা দেহের বিপাক প্রক্রিয়ায় (metabolism) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এখানে প্রায় ৫০০-এরও বেশি জৈবনিক কাজ সম্পন্ন হয়ে থাকে, যেমন: পিত্তরস উৎপাদন: যা খাদ্য পরিপবিস্তারিত পড়ুন
শরীরের জৈব রসায়নগার বলা হয় যকৃৎ (Liver) কে।
এর কারণ হলো, যকৃতে অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়া প্রতিনিয়ত সংঘটিত হয় যা দেহের বিপাক প্রক্রিয়ায় (metabolism) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এখানে প্রায় ৫০০-এরও বেশি জৈবনিক কাজ সম্পন্ন হয়ে থাকে, যেমন:
এইসব বহুমুখী ও জটিল জৈব রাসায়নিক কার্যকলাপের কারণেই যকৃৎকে মানবদেহের জৈব রসায়নগার বা রাসায়নিক পরীক্ষাগার বলা হয়।
সংক্ষেপে দেখুনপৃথিবীর সবচেয়ে খারাপ মানুষ কে?
পৃথিবীর সবচেয়ে খারাপ মানুষঃ পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে খারাপ বা "অত্যন্ত মন্দ" মানুষ হিসেবে সাধারণভাবে অ্যাডলফ হিটলারের নামই সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য। তিনি ১৯৩৩ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত নাৎসি জার্মানির একনায়ক ছিলেন এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা ও হলোকাস্টের জন্য সরাসরি দায়ী। অ্যাডলফ হিটলারের অপরাধসমূহ হলবিস্তারিত পড়ুন
পৃথিবীর সবচেয়ে খারাপ মানুষঃ
পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে খারাপ বা “অত্যন্ত মন্দ” মানুষ হিসেবে সাধারণভাবে অ্যাডলফ হিটলারের নামই সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য। তিনি ১৯৩৩ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত নাৎসি জার্মানির একনায়ক ছিলেন এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা ও হলোকাস্টের জন্য সরাসরি দায়ী।
অ্যাডলফ হিটলারের অপরাধসমূহ
হলোকাস্ট: হিটলারের নেতৃত্বে প্রায় ৬০ লক্ষ ইহুদি এবং আরও কয়েক লক্ষ রোমা, সমকামী, প্রতিবন্ধী ও রাজনৈতিক বিরোধীকে হত্যা করা হয়। এই গণহত্যা ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘন।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা: ১৯৩৯ সালে পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে হিটলার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু করেন, যার ফলে প্রায় ৭ কোটি মানুষ প্রাণ হারায়।
জাতিগত বিদ্বেষ ও বর্ণবাদ: হিটলারের আদর্শে “আর্য জাতি”কে শ্রেষ্ঠ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীকে “অবাঞ্ছিত” হিসেবে চিহ্নিত করে নিধনযজ্ঞ চালানো হয়।
রাজনৈতিক দমন-পীড়ন: তিনি বিরোধী রাজনৈতিক দল ও মতাদর্শের বিরুদ্ধে কঠোর দমননীতি গ্রহণ করেন, যার ফলে বহু মানুষ কারাবন্দি বা নিহত হন।
অন্যান্য উল্লেখযোগ্য খলনায়ক
জোসেফ স্টালিন
সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতা, যিনি গণহত্যা, গুলাগ ক্যাম্প, দুর্ভিক্ষ ও রাজনৈতিক শুদ্ধিকরণের মাধ্যমে কোটি কোটি মানুষের মৃত্যু ঘটান।
মাও সেতুং
চীনের কমিউনিস্ট নেতা, যাঁর “গ্রেট লিপ ফরোয়ার্ড” ও “কালচারাল রেভল্যুশন” নীতির ফলে কয়েক কোটি মানুষ প্রাণ হারান।
পল পট
কম্বোডিয়ার খেমার রুজ নেতা, যাঁর শাসনামলে প্রায় ২০ লক্ষ মানুষ নিহত হন, যা দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-চতুর্থাংশ।
কিং লিওপোল্ড II
বেলজিয়ামের রাজা, যিনি কঙ্গোতে উপনিবেশিক শাসনের নামে প্রায় ১ কোটি মানুষের মৃত্যু ঘটান।
ইভান দ্য টেরিবল
রাশিয়ার প্রথম জার, যিনি নিষ্ঠুরতা ও গণহত্যার জন্য পরিচিত ছিলেন।
“সবচেয়ে খারাপ মানুষ” নির্ধারণ করা একটি জটিল ও বিতর্কিত বিষয়, তবে অ্যাডলফ হিটলারের অপরাধের মাত্রা, পরিসর ও প্রভাবের কারণে ইতিহাসবিদদের মধ্যে তিনি সাধারণত এই তালিকার শীর্ষে থাকেন। তাঁর শাসনামল মানব ইতিহাসের অন্যতম অন্ধকার অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়।
এই বিষয়ে আরও জানতে, আপনি উত্তরের সাথে এটাচড ভিডিওটি দেখে নিতে পারেন।
সংক্ষেপে দেখুনHSC ICT ফুল কোর্স করার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান কোনগুলো?
HSC ICT full course করার নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান HSC ICT full course করার নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান আমি খুঁজে পাইনি। কিছু ওয়েবসাইট আছে যারা hsc ict ফুল কোর্স এর অধ্যায়গুলো নিয়ে আলোচনা করে। তেমন কিছু সাইট হলো- hscict.org, edupointbd.com, udvash.com ইত্যাদি। তবে এদের কাউকেই আমি নির্ভরযোগ্য বলতে পারছিনা। আবিস্তারিত পড়ুন
HSC ICT full course করার নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান
HSC ICT full course করার নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান আমি খুঁজে পাইনি। কিছু ওয়েবসাইট আছে যারা hsc ict ফুল কোর্স এর অধ্যায়গুলো নিয়ে আলোচনা করে। তেমন কিছু সাইট হলো- hscict.org, edupointbd.com, udvash.com ইত্যাদি। তবে এদের কাউকেই আমি নির্ভরযোগ্য বলতে পারছিনা। আপনাকেই বুঝে নিতে হবে।
HSC ICT full course বই
আমার মনেহয় বই কিনে পড়াটা ভাল হবে। যদিও কোর্স করার আলাদা সুবিধা আছে। আপনি rokomari.com থেকে বই কিনে পড়তে পারেন।
সংক্ষেপে দেখুনখালেদা জিয়া কোন অসুখে ভুগছেন?
বেগম খালেদা জিয়া আর্থ্রাইটিস রোগে ভুগছেন। তার হাঁটুতে হাড়ের ক্ষয় এর কারণে উনি হাটতে পারেন না। হাঁটুতে বেশ কয়েকবার অস্ত্রোপচার হয়েছে, কিন্তু সমস্যা সমাধান হয়নি।
বেগম খালেদা জিয়া আর্থ্রাইটিস রোগে ভুগছেন।
সংক্ষেপে দেখুনতার হাঁটুতে হাড়ের ক্ষয় এর কারণে উনি হাটতে পারেন না। হাঁটুতে বেশ কয়েকবার অস্ত্রোপচার হয়েছে, কিন্তু সমস্যা সমাধান হয়নি।
পুরস্কারের প্রলোভন দেখিয়ে যে ভুয়া ইমেইল গুলো আসে এগুলো থেকে বাঁচার উপায় কি?
অপরিচিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পাঠানো ইমেইল খোলার সময় সতর্ক থাকতে বলেছে গুগল। অপরিচিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পাঠানো মেইলগুলো খোলার সময় প্রেরকের পরিচয় ভালোভাবে যাচাই করতে হবে। কখনোই টাকার ফাঁদে পা দেবেন না। না জেনে মেইলে থাকা লিংক অথবা কোন ছবি, ফাইল ইত্যাদি ডাউনলোড করবেন না। সাবস্ক্রাইব করেননি এমনবিস্তারিত পড়ুন
অপরিচিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পাঠানো ইমেইল খোলার সময় সতর্ক থাকতে বলেছে গুগল। অপরিচিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পাঠানো মেইলগুলো খোলার সময় প্রেরকের পরিচয় ভালোভাবে যাচাই করতে হবে। কখনোই টাকার ফাঁদে পা দেবেন না। না জেনে মেইলে থাকা লিংক অথবা কোন ছবি, ফাইল ইত্যাদি ডাউনলোড করবেন না। সাবস্ক্রাইব করেননি এমন ইমেইল বার বার আসলে মার্ক করে স্পাম করে দিন। যেন একই ইমেইল এড্রেস থেকে আরও মেইল পাঠাতে না পারে। এরকম কমনসেন্স কাজে লাগিয়ে স্প্যাম, ফিশিং অথবা ভাইরাস ইমেইল থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারেন।
সংক্ষেপে দেখুনকেন ইলন মাস্ক পরাগ আগারওয়াল কে টুইটার থেকে সরিয়ে দিলেন?
ভালই লিখেছেন। আমারও এরকমই মনে হয়। 👍
ভালই লিখেছেন। আমারও এরকমই মনে হয়। 👍
সংক্ষেপে দেখুনবাংলাদেশের সর্ব প্রথম প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন? বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ প্রধানমন্ত্রী কে?
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীদের তালিকা সাথে তাঁদের জন্ম, মৃত্যু, দায়িত্ব গ্রহণ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও রাজনৈতিক দলের তালিকা দেয়া হলো নাম দায়িত্ব গ্রহণ দায়িত্ব হস্তান্তর রাজনৈতিক দল তাজউদ্দীন আহমেদ (১৯২৫-১৯৭৫) ১১ এপ্রিল ১৯৭১ ১২ জানুয়ারি ১৯৭২ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ শেখ মুজিবুর রহমান (১৯২০-১৯৭৫) ১২ জানুয়ারি ১বিস্তারিত পড়ুন
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীদের তালিকা সাথে তাঁদের জন্ম, মৃত্যু, দায়িত্ব গ্রহণ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও রাজনৈতিক দলের তালিকা দেয়া হলো
(১৯২৫-১৯৭৫)
(১৯২০-১৯৭৫)
(১৯১৯-১৯৭৫)
(১৯২৪-১৯৭৯)
জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী
(১৯২৫-১৯৮৮)
(পদচ্যুত)
(১৯০৭-১৯৯১)
(১৯২৮-২০০৬)
(১৯৪০–২০২১)
(১৯৩৯-২০১৫)
(১৯৪৪–)
(১৯২৮–২০১৪)
প্রধান উপদেষ্টা
(১৯৪৭–)
(১৯৩৬–)
প্রধান উপদেষ্টা
(১৯৪৪–)
(১৯৩১–২০১২)
রাষ্ট্রপতি এবং প্রধান উপদেষ্টা
(১৯৩৮–)
ভারপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টা
(১৯৪০–)
প্রধান উপদেষ্টা
(১৯৪৭–)
উপকৃত হলে আমাকে ফলো করতে ভুলবেন না! ☺️
সংক্ষেপে দেখুনআমাদের দেশে দর্জিকে খলিফা বলা হয় কেন?
ইংরেজ ডাকাতের দল যখন ভারত লুট করতে আসলো তখন তারা ক্ষমতা দখল করে মুসলিম শাসকদের থেকে। তখন স্বভাবতই মুসলিমরা হয় তাদের প্রধান শত্রু। সেই শত্রুতা থেকে তারা মুসলিমদের নানা ভাবে হেয় করার চেষ্টা করতে লাগল। মুসলিম বিশ্বের রাষ্ট্র প্রধানকে বলা হত খলিফা। ইংরেজরা মুসলিমদের হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে দর্জিদেবিস্তারিত পড়ুন
ইংরেজ ডাকাতের দল যখন ভারত লুট করতে আসলো তখন তারা ক্ষমতা দখল করে মুসলিম শাসকদের থেকে। তখন স্বভাবতই মুসলিমরা হয় তাদের প্রধান শত্রু। সেই শত্রুতা থেকে তারা মুসলিমদের নানা ভাবে হেয় করার চেষ্টা করতে লাগল। মুসলিম বিশ্বের রাষ্ট্র প্রধানকে বলা হত খলিফা। ইংরেজরা মুসলিমদের হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে দর্জিদের উপহাস করে বলত `খলিফা` আর ইসলামি রাষ্ট্রের প্রধান বিচারপতি `কাজী` শব্দটি তারা প্রয়োগ করা শুরু করল বিবাহ রেজিস্ট্রারের ক্ষেত্রে।
এখন প্রশ্ন জাগতে পারে, শুধু মুসলিম দর্জিদের খলিফা ডাকলে হিন্দু দর্জিদের কি ডাকত! এইখানে এসে আমরা জানতে পারি, উপমহাদেশে সেলাই করা কাপড় পরিধান করার প্রচলন শুরু হয় মুসলিম শাসনামল থেকে। আর হিন্দুদের মধ্যে এ রকম ধারণা ছিল যে, সেলাই করা কাপড় পরলে পাপ হয়। যেহেতু হিন্দু ধর্মের মানুষ সেলাই করা কাপড় পরত না, তাই তাদের থেকে তেমন কেউ দর্জি পেশায় আসেনি।
বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গল্প হচ্ছে সৈয়দ মুজতবা আলীর `পাদটীকা` গল্পটিতে আমরা পণ্ডিত মশাইয়ের চরিত্রে দেখতে পাই, নিষ্ঠাবান পণ্ডিত কখনো সেলাই করা কাপড় পরিধান করেননি। আর যখনই গেঞ্জি পরিধান করলেন তখনই শুরু হলো চুলকানি। এ থেকে বুঝা যায়, আগে হিন্দুরা কেউ সেলাই করা কাপড় পরত না।
এখন আমরা যদি রবীন্দ্রনাথের লেখার দিকে তাকাই সেখানে দেখি মুসলিম দর্জি। বিভিন্ন সিনেমা নাটকেও দেখেছি দাড়ি পাকা বয়স্ক দর্জি। একটা ধারণাই এমন যে, দর্জি মানে দাড়ি পাকা টুপিওয়ালা মুরুব্বি। যার গলায় ফিতা ঝুলানো।
আপনারা যদি অক্ষয় কুমারের Jolly LLB 2 ছবিটা দেখেন সেখানেও দাড়ি পাকা মাথায় টুপিওয়ালা দর্জি দেখতে পাবেন।
খলিফা শব্দটা ইংরেজ চালু করলেও মুসলিমরা কিভাবে ব্যবহার করা শুরু করছে তা জানা নেই। আমার ধারণা, ইংরেজরা ব্যবহার করা শুরু করলে হিন্দু এবং মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ই ব্যবহার শুরু করে।
ইবনে খালদুন বলেছেন, বিজয়ীর আচার-ব্যবহার বিজিত অনুসরণ করে।
সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া
সংক্ষেপে দেখুনএকটি ঘোর লাগানো ছবি দেখাতে পারবেন কি?
অবিশ্বাস্য হলেও এটাই সত্যি যে, এটা আঁকা ছবি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের মাস্টার্সের ছাত্র হেলাল শাহ, ২০১৯ সালে বাৎসরিক আর্ট এক্সিবিশনে 'মিডিয়া বেস্ট অ্যাওয়ার্ড' জিতেছিলেন তাঁর আঁকা ছবির মাধ্যমে। ছবির বিষয় পুরনো ঢাকার শাঁখারিবাজার। সুত্রঃ কোরা
অবিশ্বাস্য হলেও এটাই সত্যি যে, এটা আঁকা ছবি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের মাস্টার্সের ছাত্র হেলাল শাহ, ২০১৯ সালে বাৎসরিক আর্ট এক্সিবিশনে ‘মিডিয়া বেস্ট অ্যাওয়ার্ড’ জিতেছিলেন তাঁর আঁকা ছবির মাধ্যমে। ছবির বিষয় পুরনো ঢাকার শাঁখারিবাজার।
সুত্রঃ কোরা
সংক্ষেপে দেখুনGhoori learning থেকে কি আসলেই কিছু শেখা যায়? কম খরচে ঘুড়ি লার্নিং কোর্স শেখার জন্য coupon code পাওয়া যাবে কি?
ঘুড়ি লার্নিং ওয়েবসাইট থেকে হঠাৎ করেই কোর্সের দাম কমিয়ে দেয়া হয়েছে। এত কমদামে কোর্স করানো হলে সেই কোর্সের মান নিয়ে সন্দেহ আছে। Ghoori Learning থেকে আমি কোন কোর্স করিনি, তাই এক্সাক্ট করে কিছুই বলতে পারছিনা। তবে আমার মনেহয় শুধু বেসিক ধারণা নেয়ার জন্য কোর্সগুলো করা যেতে পারে। প্রোফেশনাল কাজ শেখার জন্য এবিস্তারিত পড়ুন
ঘুড়ি লার্নিং ওয়েবসাইট থেকে হঠাৎ করেই কোর্সের দাম কমিয়ে দেয়া হয়েছে। এত কমদামে কোর্স করানো হলে সেই কোর্সের মান নিয়ে সন্দেহ আছে। Ghoori Learning থেকে আমি কোন কোর্স করিনি, তাই এক্সাক্ট করে কিছুই বলতে পারছিনা।
তবে আমার মনেহয় শুধু বেসিক ধারণা নেয়ার জন্য কোর্সগুলো করা যেতে পারে। প্রোফেশনাল কাজ শেখার জন্য এরচেয়ে আরও বেটার অপশন আছে। যেমন Udemy থেকে এডভান্স লেভেলের কোর্স করতে পারেন। অনেক কাজে আসবে।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুন