সাইন আপ করুন সাইন আপ করুন

সাইন আপ করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে


আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

লগ ইন করুন লগ ইন করুন

লগিন করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

কোন একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন

রিসেট পাসওয়ার্ড

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।

আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে।

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?

সাইন ইনসাইন আপ

AddaBuzz.net

AddaBuzz.net Logo AddaBuzz.net Logo

AddaBuzz.net Navigation

  • হোমপেজ
  • ব্লগ
  • ইউজার
  • যোগাযোগ
সার্চ করুন
একটি প্রশ্ন করুন

Mobile menu

Close
একটি প্রশ্ন করুন
  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

sumi

নতুন
প্রশ্ন করুন sumi
96 বার প্রদর্শিত
2 ফলোয়ার
20 প্রশ্ন
হোমপেজ/ sumi/প্রশ্ন
অ্যাপ ইন্সটল করুন
  • সম্পর্কিত
  • প্রশ্ন
  • উত্তর
  • অনুরোধের প্রশ্ন
  • সেরা উত্তর
  • পছন্দ তালিকা
  • ফলোকৃত প্রশ্ন
  • ফলোয়ার
  • ফলো করছেন
  • জরিপ
  • ব্লগ
  • ব্লগ মন্তব্য
  • ফলোকৃতদের প্রশ্ন
  • ফলোকৃতদের উত্তর
  • ফলোয়ারদের ব্লগ
  • ফলোকৃত/ফলোয়ারদের ব্লগ মন্তব্য

AddaBuzz.net Latest প্রশ্ন

sumi
sumiনতুন
সময়ঃ 1 ঘন্টা আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

বাংলাদেশে বিয়ের গহনার দাম কত ২০২৬? বাজেট গাইড ও সম্পূর্ণ তালিকা

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 1 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
sumi
sumiনতুন
সময়ঃ 2 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

মহিলাদের ঈদের নামাজ পড়ার বিধান কী?

  1. Jesmin
    সেরা উত্তর
    Jesmin নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 2 মাস আগে

    হ্যাঁ, মহিলারা ঈদের নামাজ পড়তে পারবেন এবং ঈদগাহে যেতে পারবেন। হাদিসের নির্দেশনা থেকে প্রমাণিত যে নারীরা ঈদের জামাতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন, দোয়ায় শরিক হতে পারবেন এবং তাকবির পড়বেন। তবে মাজহাব ও পরিস্থিতিভেদে বিধানে কিছুটা পার্থক্য আছে। হাদিসের দলিল: উম্মে আতিয়া (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন — রাসূলবিস্তারিত পড়ুন

    হ্যাঁ, মহিলারা ঈদের নামাজ পড়তে পারবেন এবং ঈদগাহে যেতে পারবেন। হাদিসের নির্দেশনা থেকে প্রমাণিত যে নারীরা ঈদের জামাতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন, দোয়ায় শরিক হতে পারবেন এবং তাকবির পড়বেন। তবে মাজহাব ও পরিস্থিতিভেদে বিধানে কিছুটা পার্থক্য আছে।

    হাদিসের দলিল:

    উম্মে আতিয়া (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন — রাসূলুল্লাহ (সা.) আমাদেরকে আদেশ করেছেন আমরা যেন মহিলাদের ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহায় সালাতের জন্য বের করে দেই — পরিণত বয়স্কা, ঋতুবতী ও গৃহবাসিনীসহ সকলকেই। কিন্তু ঋতুবতী মেয়েরা সালাত আদায় থেকে বিরত থাকবে। (সহিহ মুসলিম: ২০৯৩)

    পরিস্থিতি বিধান করণীয়
    সাধারণ মহিলা ✅ জায়েজ ও সুন্নত পর্দার সাথে ঈদগাহে যেতে পারবেন
    ঋতুবতী মহিলা ⚠️ নামাজ পড়বেন না ঈদগাহে গিয়ে দোয়া ও তাকবিরে অংশ নিতে পারবেন
    ঘরে একা নামাজ পড়া ✅ আদায় হবে ঈদগাহে যেতে না পারলে ঘরেও পড়া যাবে
    বৃদ্ধা বা অসুস্থ মহিলা ✅ ঘরে পড়া উত্তম ঘরে পড়লেও পূর্ণ সওয়াব পাবেন

    মহিলাদের ঈদের নামাজের নিয়ত (বাংলা উচ্চারণ):

    নাওয়াইতু আন উসাল্লিয়া লিল্লাহি তায়ালা রাকয়াতা সালাতি ঈদিল ফিতর, মায়া ছিত্তাতি তাকবীরাতি ওয়াজিবুল্লাহি তায়ালা ইকতাদাইতু বিহাযাল ইমাম, মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।

    অর্থ: আমি কিবলামুখী হয়ে এই ইমামের পেছনে আল্লাহর জন্য ছয় তাকবিরসহ ঈদুল ফিতরের দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ আদায়ের নিয়ত করছি — আল্লাহু আকবার।

    মহিলাদের ঈদের নামাজের পদ্ধতি:

    মহিলাদের ঈদের নামাজের পদ্ধতি পুরুষদের মতোই, তবে কয়েকটি পার্থক্য আছে।

    প্রথম রাকাত:

    নিয়ত করে তাকবিরে তাহরিমা বলুন (আল্লাহু আকবার), তারপর ছানা পড়ুন। এরপর অতিরিক্ত তিনটি তাকবির বলুন — প্রতিটি তাকবিরের মাঝে তিন তাসবিহ পরিমাণ চুপ থাকুন। তারপর সূরা ফাতিহা ও অন্য একটি সূরা পড়ে স্বাভাবিক নিয়মে রুকু-সিজদা করুন।

    দ্বিতীয় রাকাত:

    সূরা ফাতিহা ও সূরা পড়ার পর রুকুর আগে অতিরিক্ত তিনটি তাকবির বলুন। চতুর্থ তাকবির বলে রুকুতে যান। তারপর স্বাভাবিক নিয়মে নামাজ শেষ করুন।

    মহিলাদের বিশেষ পার্থক্য: মহিলারা রুকুতে সামান্য ঝুঁকবেন, পুরুষের মতো গভীরভাবে নয়। সিজদায় পেট উরুর সাথে মিলিয়ে রাখবেন। তাকবিরের সময় হাত কান পর্যন্ত তুলবেন না — বুকের কাছে রাখবেন।

    ঋতুবতী মহিলাদের করণীয়:

    রাসুল (সা.)-এর যুগে ঈদগাহে আসার অনুমতি ছিল — নারীরা যাতে ঈদের দিনের যাবতীয় শরয়ি বিধান ও মাসয়ালা-মাসায়েল শিখে নিতে পারেন সে জন্য। Iamrohit তাই ঋতুবতী মহিলারা নামাজের স্থান থেকে একটু সরে থেকে দোয়া, তাকবির ও জিকিরে অংশ নেবেন।

    ঘরে ঈদের নামাজ পড়ার বিধান:

    মহিলাদের জন্য ঈদগাহে বা মসজিদে গিয়ে জামাতে নামাজ পড়া মাকরূহ নয় — তবে পর্দার সাথে গেলে আদায় হয়ে যাবে। যারা ঈদগাহে যেতে পারবেন না তারা ঘরে একাকী বা পরিবারের নারীদের নিয়ে জামাতে পড়তে পারবেন। ঘরে পড়লে খুতবা শোনার বাধ্যবাধকতা নেই।

    ✅ মহিলারা ঈদের নামাজ পড়তে পারবেন — জায়েজ ও সুন্নত
    ✅ ঈদগাহে যেতে পারবেন — পর্দার সাথে
    ✅ ঘরেও পড়া যাবে — সম্পূর্ণ আদায় হবে
    ✅ ঋতুবতী মহিলা — নামাজ নয়, দোয়া ও তাকবিরে অংশ নিন
    ✅ নামাজের পদ্ধতি — পুরুষের মতোই, শুধু শারীরিক ভঙ্গিতে পার্থক্য

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 2 টি উত্তর
  • 33 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
sumi
sumiনতুন
সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

সানস্ক্রিন ক্রিম কোনটা ভালো?

  1. rana
    সেরা উত্তর
    rana পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 1 বছর আগে

    সানস্ক্রিন ক্রিম ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি (UV রে) থেকে রক্ষা করে, যা ত্বকের বার্ধক্য, সানবার্ন এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। সানস্ক্রিন ক্রিম কোনটা ভালো প্রশ্নের উত্তর দেয়ার আগে এর সম্পর্কে আরও কিছু বিষয় জেনে নেয়া যাক। তাহলে আপনি নিজেই বাজারের ভালো বা খারাপ সানস্ক্রিন ক্রিম বেছে নিতে পারবিস্তারিত পড়ুন

    সানস্ক্রিন ক্রিম ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি (UV রে) থেকে রক্ষা করে, যা ত্বকের বার্ধক্য, সানবার্ন এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। সানস্ক্রিন ক্রিম কোনটা ভালো প্রশ্নের উত্তর দেয়ার আগে এর সম্পর্কে আরও কিছু বিষয় জেনে নেয়া যাক। তাহলে আপনি নিজেই বাজারের ভালো বা খারাপ সানস্ক্রিন ক্রিম বেছে নিতে পারবেন।

    সঠিক সানস্ক্রিন নির্বাচন এবং সঠিকভাবে ব্যবহার করা ত্বকের সুস্থতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    সানস্ক্রিন ক্রিমের উপকারিতা

    • UV রশ্মি থেকে সুরক্ষা: সানস্ক্রিন ত্বককে UVA ও UVB রশ্মি থেকে রক্ষা করে।
    • ত্বকের বার্ধক্য প্রতিরোধ: নিয়মিত সানস্ক্রিন ব্যবহার ত্বকের বলিরেখা ও দাগ কমায়।
    • ত্বকের ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস: সানস্ক্রিন ব্যবহারে ত্বকের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে।

    সানস্ক্রিন ক্রিমের অপকারিতা

    • এলার্জি প্রতিক্রিয়া: কিছু সানস্ক্রিনে থাকা রাসায়নিক উপাদান ত্বকে অ্যালার্জি সৃষ্টি করতে পারে।
    • অ্যাকনে সমস্যা: তৈলাক্ত ত্বকে কিছু সানস্ক্রিন ব্যবহারে ব্রণের সমস্যা বাড়তে পারে।

    সানস্ক্রিন ক্রিম ব্যবহারের নিয়ম

    • প্রতিদিন ব্যবহার: ঘরে বা বাইরে, প্রতিদিন সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত।
    • বের হওয়ার আগে প্রয়োগ: বাইরে যাওয়ার ১৫-২০ মিনিট আগে সানস্ক্রিন লাগান।
    • পুনরায় প্রয়োগ: প্রতি ২-৩ ঘণ্টা পরপর সানস্ক্রিন পুনরায় প্রয়োগ করুন, বিশেষ করে ঘাম বা পানি লাগার পর।

    ত্বকের ধরন অনুযায়ী সানস্ক্রিন নির্বাচন

    • তৈলাক্ত ত্বক: জেল বা ওয়াটার-বেজড সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন, যা নন-কমেডোজেনিক এবং ত্বকে তেল জমতে দেয় না।
    • শুষ্ক ত্বক: ময়েশ্চারাইজিং উপাদানযুক্ত ক্রিম-বেজড সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন, যা ত্বককে আর্দ্র রাখে।

    এসপিএফ ৫০ সানস্ক্রিন

    • উচ্চ সুরক্ষা: SPF ৫০ যুক্ত সানস্ক্রিন ত্বককে ৯৮% UVB রশ্মি থেকে রক্ষা করে।
    • দীর্ঘস্থায়ী সুরক্ষা: বেশি সময় ধরে সুরক্ষা প্রদান করে, তবে নিয়মিত পুনরায় প্রয়োগ করা উচিত।

    সানস্ক্রিন ক্রিমের দাম

    বাংলাদেশে সানস্ক্রিনের দাম ব্র্যান্ড ও উপাদানের উপর নির্ভর করে। উদাহরণস্বরূপ, W.Skin Laboratory ট্রিপল কেয়ার সান ক্রিম (৬০ মি.লি.) এর দাম প্রায় ১,০৯৩ টাকা। ​​

    সঠিক সানস্ক্রিন নির্বাচন ত্বকের ধরন ও প্রয়োজন অনুযায়ী করা উচিত। নিয়মিত ও সঠিকভাবে সানস্ক্রিন ব্যবহার ত্বকের সুস্থতা ও সৌন্দর্য বজায় রাখতে সহায়ক।​​

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 58 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
sumi
sumiনতুন
সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

বিকাশ রেফারেন্স নাম্বার দেয়ার প্রয়োজন আছে কি?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 35 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
sumi
sumiনতুন
সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

সকালে খালি পেটে কি খেলে মোটা হওয়া যায়?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 48 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
sumi
sumiনতুন
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ জীবন দর্শন

বিয়ে হওয়াকে কেন প্রেমের শুভ পরিণতি হিসেবে ধরা হয়?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 10 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
sumi
sumiনতুন
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

এন্টিভাইরাস কি? কম্পিউটার অথবা মোবাইলের জন্য এন্টিভাইরাস কতটা জরুরী?

  1. Mithun
    সেরা উত্তর
    Mithun পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    ভাইরাস ও এন্টিভাইরাস কি : এন্টিভাইরাস মুলত একটি প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার যা এক বা একাধিক ডিভাইসকে (কম্পিউটার, মোবাইল) ভাইরাসের আক্রমণ থেকে সুরক্ষিত রাখে। আর পিসি বা মোবাইলে যে প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার ক্ষতি সাধন করে সেগুলোকে ভাইরাস বলা হয়। ভাইরাস সাধারণত প্রয়োজনীয় ফাইল ডিলিট করে অথবা ব্যক্তিগত তথ্য (যেমবিস্তারিত পড়ুন

    ভাইরাস ও এন্টিভাইরাস কি :

    এন্টিভাইরাস মুলত একটি প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার যা এক বা একাধিক ডিভাইসকে (কম্পিউটার, মোবাইল) ভাইরাসের আক্রমণ থেকে সুরক্ষিত রাখে। আর পিসি বা মোবাইলে যে প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার ক্ষতি সাধন করে সেগুলোকে ভাইরাস বলা হয়। ভাইরাস সাধারণত প্রয়োজনীয় ফাইল ডিলিট করে অথবা ব্যক্তিগত তথ্য (যেমন, পাসওয়ার্ড, ব্যাংক ইনফরমেশন ইত্যাদি) চুরি করে, আবার সফটওয়্যার এমনকি হার্ডওয়্যার অচল করে দেয়। এরকম বিভিন্ন পন্থায় ক্ষতি করে।

    জনপ্রিয় এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার :

    সারা বিশ্বে জনপ্রিয়তার উপর ভিত্তি করে কিছু এন্টিভাইরাসের রেটিং নিচে দেয়া হলো।


    Rating: 9.9


    Rating: 9.8


    Rating: 9.1


    Rating: 8.8


    Rating: 8.4


    Rating: 8.2


    Rating: 7.9


    Rating: 7.6


    Rating: 7.3

    এন্টিভাইরাস কতটা জরুরী :

    এন্টিভাইরাস অবশ্যই জরুরী তবে, যদি তা সিস্টেমের পার্ফরমেন্স দুর্বল করে তোলে তাহলে লাভের চেয়ে ক্ষতিই হয় বেশি। আমার মতে উইন্ডোজের (Windows 10,11) নিজস্ব যে Virus & Threat Protection এবং Firewall & Network Protection আছে সেটা একটিভ রাখা আর উইন্ডোজ আপডেট রাখাই যথেষ্ট। এতে পিসি স্লো হয়ে যাবেনা।

    এছাড়াও আপনি নিজেই ডেটা সুরক্ষিত রাখতে পারেন কিছু একটিভিটি নজরে রাখতে পারলে। আপনার ইমেইলে কোন অপরিচিত মেইল আসলে সেটা ওপেন করা থেকে বিরত থাকুন। যদি ওপেন করেই ফেলেন তাহলে মেইলে দেয়া উষ্কানিমূলক লিংকে ক্লিক করবেন না। সাধারণত টাকা পয়সার প্রলোভন থাকে এসব মেইলে। আবার অশ্লীল ছবিসহ লিংক থাকে। প্লিজ ডাউনলোড না করে সোজা স্পাম ফোল্ডারে পাঠিয়ে দিন।

    কেন আপনার এক্সট্রা এন্টিভাইরাস ইউজ করার দরকার নাই তার ব্যাখ্যা নিচে দিলাম।

    • পিসি স্লো হয়ে যায়
    • সম্পূর্ণ সুরক্ষা দিতে পারেনা
    • অতিরিক্ত মাত্রায় ভাইরাস ডেটাবেজ আপডেটের ঝামেলা
    • আপডেটের আগেই সর্বনাশ হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল

    এরপরও যদি আপনার মনেহয় থার্ডপার্টি এন্টিভাইরাস ইউজ করবেন, তাহলে আপনাকে ঠেকাবে কে! আপনার ইচ্ছা।

    শুভকামনা

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 58 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
sumi
sumiনতুন
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

কেন ইলন মাস্ক পরাগ আগারওয়াল কে টুইটার থেকে সরিয়ে দিলেন?

  1. Yousuf
    সেরা উত্তর
    Yousuf নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে। কারণ এইলন মাস্ক একজন ধান্দাবাজ মানুষ! টুইটার কেনার ঘোষনা ও চুক্তি করে জাস্ট নিজেকে ও নিজেকে প্রতিষ্ঠানকে ভাইরাল করতে চেয়েছিলো এবং করছেও! কারণ সে পরবর্তীতে টুটা কেনা থেকে পল্টি মারে! তাই টুটারের সিইও পরাগ ও অন্যরা মিরে মাস্কের বিরুদ্ধে চুক্তি ভঙ্গের মামলা করে! ধুন্দর মাস্ক দেখেবিস্তারিত পড়ুন

    ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে। কারণ এইলন মাস্ক একজন ধান্দাবাজ মানুষ! টুইটার কেনার ঘোষনা ও চুক্তি করে জাস্ট নিজেকে ও নিজেকে প্রতিষ্ঠানকে ভাইরাল করতে চেয়েছিলো এবং করছেও! কারণ সে পরবর্তীতে টুটা কেনা থেকে পল্টি মারে! তাই টুটারের সিইও পরাগ ও অন্যরা মিরে মাস্কের বিরুদ্ধে চুক্তি ভঙ্গের মামলা করে! ধুন্দর মাস্ক দেখে যে টুইটার না কিনলে সে কেসে হেরে যাবে আর সাথে জরিমানাও গুনতে হবে যেটা তার ও তার কোম্পানীর রেপুটেশনের জন্য খুবই খারাপ! তাই সে বাধ্য হয়ে টুইটার কেনে বা বলতে পারেন পরাগের কেসের জন্য সে টুইটার কিনতে বাধ্য হয়! আর এজন্য তাকে ১৩ বিলিওন ডলার ঋণও করতে হয়! তাই সে টুইটার কেনার পর সঙ্গে সঙ্গে পরাগসহ আরও কয়েকজন সিনিয়র কর্মকর্তাকে ফারায় করে…!!!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 1
  • 3 টি উত্তর
  • 61 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
sumi
sumiনতুন
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

বিজ্ঞানীরা বলছেন, শূন্য থেকে “কোয়ান্টাম ফ্লাকচুয়েশন” এর মাধ্যমে আমাদের মহাবিশ্বের উৎপত্তি হয়েছে। এটা কী করে সম্ভব? শূন্য থেকে হুট করে আমাদের এ মহাবিশ্ব তৈরি হয়ে গেল।

  1. Mahmudul
    সেরা উত্তর
    Mahmudul নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    জ্বি, স্রেফ "শুন্য" থেকেই আমাদের এই আশ্চর্যরকম সুন্দর মহাবিশ্বের উৎপত্তি হয়েছে। কিন্তু তা কী করে সম্ভব? চলুন দেখা যাক। তবে প্রথমেই বলে রাখি, আপনার হাতে যদি মিনিমাম ১০ মিনিট সময় ও অসাধারণ এ বিষয়টি নিয়ে মোটামুটি ধারণা নেওয়ার আগ্রহ থাকে তাহলেই কেবল পড়বেন। এখানে মূল পড়া খুব বেশি নয়। কিন্তু সকলের বোঝার উবিস্তারিত পড়ুন

    জ্বি, স্রেফ “শুন্য” থেকেই আমাদের এই আশ্চর্যরকম সুন্দর মহাবিশ্বের উৎপত্তি হয়েছে। কিন্তু তা কী করে সম্ভব? চলুন দেখা যাক।

    তবে প্রথমেই বলে রাখি, আপনার হাতে যদি মিনিমাম ১০ মিনিট সময় ও অসাধারণ এ বিষয়টি নিয়ে মোটামুটি ধারণা নেওয়ার আগ্রহ থাকে তাহলেই কেবল পড়বেন। এখানে মূল পড়া খুব বেশি নয়। কিন্তু সকলের বোঝার উপযোগী ও একটুখানি “রস” দ্বারা লিখতে গিয়ে একে দীর্ঘায়িত করে রীতিমতো একটা “প্রবন্ধ” বানিয়ে ফেলেছি!! পাঠকরা তাই একে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

    উত্তরটিতে যা যা আলোচনা করেছি –

    1. প্রথমে ব্যাকগ্রাউন্ড স্টাডি হিসেবে “শুন্যতা” ও “কণা-প্রতিকণার” ধারণা।
    2. তারপর “কোয়ান্টাম ফ্লাকচুয়েশন” এর ধারণা।
    3. অতঃপর “কোয়ান্টাম ফ্লাকচুয়েশন” এর বিখ্যাত দুটো প্রমান।
    4. এবং পরিশেষে একটি অমীমাংসিত প্রশ্নের উল্লেখ।

    যথেষ্ট আগ্রহ ও শেখার মানসিকতা নিয়ে মনোযোগ সহকারে পড়লে “বোরিং” লাগবেনা আশা করি। শুভকামনা রইল। ধন্যবাদ।

     imgbox

    ছবি ১ঃ “শূন্য” থেকে মহাবিশ্ব সৃষ্টির ইতিহাস

    মানুষের হাজার হাজার বছরের ঐতিহাসিক প্রশ্ন –

    আমরা কে? আমাদের চারপাশে যে গাছপালা আর পশুপাখি, দূর আকাশে জ্বলন্ত ওই নক্ষত্র আর তারকারাজি, মহাকাশে ছুটে চলা ধূমকেতু আর উল্কারাজি-কোথা থেকে এলো এতকিছু? কেনই বা আমরা এখানে অবস্থান করছি?

    এমন কোনো মানুষ এই ধরণীর বুকে খুঁজে পাওয়া যাবে না, যাকে এ প্রশ্নগুলো একটিবারও ভাবায়নি।ছোট্ট খোকা একটুখানি বড় হতেই প্রশ্ন করে- মাগো! বলোনা,এলাম আমি কোথা থেকে? মা তখন ছেলেকে বুকে তুলে নিয়ে রূপকথার গল্প শোনায়। সে গল্প শুনতে শুনতে খোকার চোখ ঝিমিয়ে আসে।সেই সাথে খোকা হারিয়ে যেতে থাকে স্বপ্নের অতল গহ্বরে।

    আদিম মানুষরা যখন ঐ দূর আকাশটার পানে তাকিয়ে তাকিয়ে নির্বাক হয়ে ভাবতো, কল্পনা তখন তাদেরও তীব্রভাবে আচ্ছন্ন করে রাখতো। আর সেই কল্পদেশেই তারা বুনে বেড়াতো অসাধারণ সব রূপকথার মায়া ছড়ানো কল্পজাল।

    কিন্তু বিজ্ঞান কি আর কল্পলোকের এরূপ দাসত্ব করতে পারে? বিজ্ঞান তো এমন এক বিদ্রোহী সত্ত্বা যার “এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আরেক হাতে রণতুর্য”। সত্যকে সে যেমন করে অভিনন্দিত করতে জানে,মিথ্যেকেও সে তেমনিভাবে চূর্ণ-বিচূর্ণ করতে জানে।তাইতো বিজ্ঞান শত সহস্র বছরের রুপকথাকে এক তুড়িতে ছিটকে ফেলে উন্মোচন করেছে আসল সত্যের,যে সত্য দিয়েছে সকল প্রশ্নের সমাধান,করেছে সকল চিন্তার অবসান।

    কিন্তু কী সেই সত্য জানতে চাও? শুনে নাও তবে জগত কাঁপানো সেই নির্ভেজাল সত্যঃ-

    “চন্দ্র সূর্য গ্রহ তারকা

    কোথা হতে সব সৃষ্ট,

    শুন্য হইতে আসিয়াছে এ

    নিরন্তর মহাবিশ্ব।“

    কথাটি দেখে হয়তো অনেকে ভুরু কুঁচকে ভাবছে-এ আবার কেমন কথা? জিরো মানে তো অ্যাবসলিউট জিরো। সেখানে আবার অন্য কিছু আসবে কী করে? ০=১ কি হয় কখনো?জ্বি না,তা হয়না।তবে নির্মম হলেও সত্য যে স্রেফ শুন্য থেকেই এসেছে এ জগত সংসারের সবকিছু । কিন্তু কেমন করে তা সম্ভব?

    চলুন,ব্যাপারটা আরেকটু খোলাসা করা যাক।

    “শুন্যতা” আসলে কীঃ
    প্রথমেই যে শব্দ আমাদের সবচেয়ে বেশি ভাবিয়ে তোলে সেটি হলো “শুন্য” কথাটি। আচ্ছা “শুন্য” শব্দটার মানে কি? অথবা শূন্যতা বলতেই বা কি বুঝায়? সাধারণভাবে আমরা বুঝি যে কোন কিছু না থাকার অর্থই শুন্যতা। পদার্থ বিজ্ঞানের ভাষায় সেখানে কোন প্রকার বাহ্যিক কনিকা থাকতে পারবে না। যেমন টরিসেলির পরীক্ষায় নলের ভেতরে পারদের উপরতলে সৃষ্টি হওয়া খালি জায়গাটিই হচ্ছে শূন্যস্থান। অথবা কোন একটি খালি কাচপাত্র থেকে পাম্পের মাধ্যমে এর ভেতরের সমস্ত বায়ু বের করে নেয়া হলে কাচপাত্রের ভেতরটাকে বলা হবে শূন্যস্থান বা ভ্যাকুয়াম। কিন্তু এই শুন্যস্থানে কোনো কণিকা না থাকলেও সর্বদা শক্তি উপস্থিত থাকে। কোয়ান্টাম তত্ত্ব অনুসারে যেটাকে বলা হয় “কোয়ান্টাম শূন্যতা”।

    আমাদের এই মহাবিশ্বের অধিকাংশ স্থানই শূন্যস্থান। একটি হাইড্রোজেন পরমাণুর ৯৯.৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯৬% অংশই হলো এই শূন্যস্থান বা ভ্যাকুয়াম। এছাড়া আমাদের চারপাশে কী পরিমান শূন্যস্থান আছে,একটা উদাহরনে তা বোঝা যাবে। যেমন আমরা যদি পৃথিবীর সকল পরমাণুর ভেতর হতে সমস্ত শূন্যস্থান বের করে বাকি অংশগুলোকে একত্র করি তাহলে পুরো পৃথিবী একটি আপেলের মত আকার ধারন করবে। যদিও তার ভর থাকবে অপরিবর্তিত।

    আচ্ছা পাঠক তাহলে কেন শুধু শুধু এত “জায়গা” অপচয়? কেন একটা হাইড্রোজেন পরমাণুর ৯৯.৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯৬% অংশই শূন্যস্থান দখল করে আছে? শুন্যতা না থাকলেই বা ক্ষতি কি ছিলো?

    জি,শুন্যতা না থাকলে যেটা হত সেটা সম্ভবত হত মহাকালের সবচেয়ে বড় ক্ষতি! আর আমাদের জন্য হত সবচেয়ে বড় দুর্ভাগ্য! কারন শূন্যতা না থাকলে হয়ত আমাদের সুন্দর-সুশীতল মায়া-জড়ানো এ মহাবিশ্ব সৃষ্টি সম্ভব হতোনা। আর এখানেই লুকিয়ে আছে আসল রহস্য! শূন্যতাকে আমরা যতটা সাধারণ ভাবে চিন্তা করি বাস্তবে কিন্তু এতটা সাধারণ সে নয়। শূন্যতাকে বাইরে থেকে দেখতে যতটা “ইনোসেন্ট” আর ভদ্র মনে হোক না কেন, সে কিন্তু ভিতরে ভিতরে তার চেয়েও বেশি অভদ্র। কারণ তার প্রতিটা সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম স্তরে সবসময়ই ঘটে চলেছে নানান প্রক্রিয়া। কিন্তু কী সেই নানান কর্মকান্ড যা কিনা শূন্যতাকে প্রতিনিয়ত এতটা অশান্ত করে রেখেছে?

    ব্যাপারটা বোঝার জন্য প্রথমে প্রতিকণার বিষয়টি ক্লিয়ার করা যাক।

    কণা-প্রতিকণার ধারণাঃ
    সময়টা গত শতকের তৃতীয় দশকের দিকে। বিজ্ঞানীরা তখন অতি ক্ষুদ্র কিন্তু আলোর বেগের কাছাকাছি গতিশীল কনার আচরণ ব্যাখ্যা করতে মরিয়া। তাদের হাতে ছিল দুটি জনপ্রিয় তত্ত্ব। একটি আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব আর অন্যটি প্লাঙ্কের বিখ্যাত কোয়ান্টাম তত্ত্ব। কিন্তু বিজ্ঞানীরা কিছুতেই এ দুটোকে এক করে সেই কণাগুলোর আচরণ ব্যাখ্যা করতে পারছিলেন না। এমন সময় অসাধারণ এক সমাধান নিয়ে হাজির হন পল ডিরাক নামক এক বিজ্ঞানী যেটা কিনা তেমনি একটি কণা ইলেকট্রনের আচরণ সম্পূর্ণ রূপে ব্যাখ্যা করতে সক্ষম। সমীকরণ টি দেখতে এরকম-
    imgbox
    কিম্ভূতকিমাকার এই সমীকরণটি দেখে আঁতকে ওঠার কিছু নেই। শুধু কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকুন।

    এ এমন এক রহস্যময় সমীকরণ যেটি কিনা এমন এক কণার ভবিষ্যৎবানী করে যা তখনকার কোনো মানুষের কল্পনাতেও ছিল না।এই সমীকরণটি বলছে যে প্রকৃতিতে এমন এক কণার অস্তিত্ব আছে যা আমাদের পরিচিত কণা ইলেকট্রনের সম্পূর্ণ বিপরীত।আর একটি কনাকে আমরা অন্য একটি কণার বিপরীত তখনই বলি যখন তাদের মধ্যকার ভর সমান কিন্তু চার্জ পরস্পরের বিপরীত। অর্থাৎ ইলেকট্রনের ক্ষেত্রে এর বিপরীত কণিকাটি হবে ধনাত্মক চার্জ বিশিষ্ট। তাহলে কি সেটি প্রোটন? না। প্রোটন আর ইলেকট্রনের ভর তো সমান নয়।তাহলে কী সেই কণিকা?

    পল ডিরাক যদিও বেশ একটা আমলে নেন নি বিষয়টি। কিন্তু বিজ্ঞানীরা এর গুরুত্ব বুঝে উঠে পড়ে লাগলেন সেই কনিকার খোঁজে।

    অতঃপর 1932 সালের দিকে কার্ল দি এন্ডারসন নামের এক বিজ্ঞানী সন্ধান দিলেন সেই রহস্যময় কণিকার তথা প্রতি-ইলেকট্রনের। [এখানে বাংলায় “প্রতি” উপসর্গটি ব্যবহার করা হয় কোন কিছুর বিপরীত বুঝানোর জন্য। যেমন কারো নাম যদি কুদ্দুস হয় তাহলে তার বিপরীত মানুষটির নাম হবে “প্রতি-কুদ্দুস”।] বিজ্ঞানীরা এই প্রতি-ইলেকট্রনের নাম রাখলেন পজিট্রন। এই পজিট্রন এর ভর ইলেক্ট্রন এর একদম হুবহু সমান কিন্তু চার্জ বিপরীত তথা ধনাত্মক। এই মহান কাজের জন্য নোবেল কমিটি 1936 সালে তাকে নোবেল পুরুস্কারের জন্য মনোনীত করে।

    কিন্তু এই পজিট্রন আবিষ্কার হওয়ার পর আরও একটি বিষয় বিজ্ঞানীদের সামনে চলে আসে।এই যে ইলেক্ট্রন কে আমরা দেখি পরমানুতে নিউক্লিয়াসের চারদিকে ঘুরতে, তাহলে প্রতি-ইলেকট্রন তথা পজিট্রন ঘুরে কার চারদিকে? নিশ্চয়ই তার ঘোরার জন্যও অন্য কিছু থাকবে।

    বিজ্ঞানীরা তখন ধারণা করে নিলেন যে ইলেকট্রনের ঘুরার জন্য যেমন পরমাণু আছে, ঠিক তেমনি প্রতি-ইলেক্ট্রনের ঘুরার জন্যও নিশ্চয়ই প্রতিপরমানু বা প্রতিকণা আছে। যেই প্রতিকণার কেন্দ্রে থাকবে প্রতি-প্রোটন ও প্রতি-নিউট্রনের সমন্বয়ে গঠিত প্রতি-নিউক্লিয়াস এবং এর চারপাশে ঘুরবে প্রতি-ইলেক্ট্রন তথা পজিট্রন। কিন্তু এই অনুমান নিয়ে বিজ্ঞানীদের বেশিদিন থাকতে হলোনা। কারন পজিট্রন আবিষ্কার হওয়ার কয়েক দশকের মধ্যেই বিজ্ঞানীরা প্রতি-প্রোটন ও প্রতি-নিউট্রন আবিষ্কার করে ফেলেন যারা মিলিতভাবে জন্ম দেয় প্রতিকণার।
    imgbox
    এই প্রতিকণার একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য আছে,একে যদি কোনো কণার সংস্পর্শে নিয়ে আসা হয় তাহলে এটি সেই কণার সাথে মিলিত হয়ে উভয়কে ধ্বংস করে দেয় এবং বিনিময়ে তাদের ভরের সমতুল্য পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন করে।(আইনস্টাইনের বিখ্যাত সমীকরণ E=mc^2 অনুসারে)

    [ প্রক্রিয়াটি নিচের ছবিতে দেখুন। ]
    imgbox
    ছবিঃ কণা-প্রতিকণার পারস্পরিক ধ্বংস ও বিনিময়ে শক্তি উৎপাদন । [ কণা = (+),প্রতিকণা = (-) ]

    তাই ল্যাবরেটরিতে প্রতিকণা উৎপাদন ও সংরক্ষণ বেশ কষ্টসাধ্য কাজ। কারণ আমাদের ল্যাবরেটরির সবকিছুই কণা দিয়ে তৈরি। ফলে উৎপন্ন প্রতিকণা যদি কোনোভাবে ল্যাবরেটরির কোনো কিছুর সংস্পর্শে আসে তাহলে মুহূর্তেই তা কণার সাথে বিক্রিয়া করে শক্তিতে পরিণত হয়ে যাবে।

    কোয়ান্টাম ফ্লাকচুয়েশন কীঃ
    এবার চলুন আবার সেই শুন্যস্থানের কাছে ফিরে যাই। আমরা জেনেছিলাম,শুন্যস্থানে কোনো কণিকা না থাকলেও সর্বদা শক্তি উপস্থিত থাকে। বিজ্ঞানীরা বলছেন,শুন্যস্থানের সূক্ষ্মস্তরে প্রতিনিয়ত সেই শক্তি ও ভরের অদল-বদল ঘটছে। এবং এর ফলে সেখানে প্রতি মুহূর্তে শক্তি রুপান্তরিত হচ্ছে ভরে তথা কণায়।
    imgbox
    ছবি ৪ঃ “শূন্য” থেকেই কণা-প্রতিকণা সৃষ্টি

    পদার্থবিজ্ঞানে শূন্যস্থান হতে কণা সৃষ্টির এই বিষয়টাকে বলা হয় “কোয়ান্টাম ফ্লাকচুয়েশন” বা “ভ্যাকুয়াম ফ্লাকচুয়েশন”। বাংলায় বললে “শূন্যতার অস্থিরতা”। কিন্তু এই কণা স্থায়ী হতে পারে না,সাথে সাথে ধ্বংস হয়ে গিয়ে আবার শক্তিতে পরিণত হয় ও শুন্যতার সাথে মিশে যায়। কারণ শূন্যস্থান থেকে যখন কণা সৃষ্টি হয় তখন সে কখনোই একলা একলা উৎপন্ন হতে পারে না। তার সাথে প্রতিকণাও যুগপৎ ভাবে উৎপন্ন হয়।

    অর্থাৎ তাদের মধ্যে সম্পর্কটা হচ্ছে “বাঁচা-মরা একই সাথে” সম্পর্ক। তারা উৎপন্ন হবে একসাথে আবার পরস্পর মিলে ধ্বংসও হবে একইসাথে। 0 থেকে যেমন +x ও -x হয় আবার এরা মিলে (-x)+x=0 হয়ে যায়,কণা-প্রতিকনার ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা ঠিক সেরকম। কণা যদি হয় +x তবে প্রতিকণা হবে –x।একইভাবে উল্টোটিও সঠিক।
    imgbox
    imgbox
    কিন্তু এ যে কেবল তাত্ত্বিকভাবে সম্ভব তা কিন্তু নয়। বিজ্ঞানীরা হাতে কলমেই এর ব্যবহারিক প্রমান দেখিয়েছেন। তার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দুটি প্রমাণ হল “ল্যাম্ব শিফট ” এবং বিখ্যাত “কাসিমিরের প্রভাব”।

    কোয়ান্টাম ফ্লাকচুয়েশন এর প্রমান-১ঃ
    ল্যাম্ব শিফটঃ
    আমরা আগেই জেনেছি যে, পরমাণুর অধিকাংশ স্থানই ফাঁকা, উদাহরণস্বরূপ আমরা দেখেছি,হাইড্রোজেন পরমাণুর ৯৯.৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯৬% স্থানই হল শূন্যস্থান।আচ্ছা যদি সেখানে এত শূন্যস্থান থাকে তাহলে তো সেখানে অবশ্যই কোয়ান্টাম ফ্লাকচুয়েশন ঘটার কথা, আর যদি তা ঘটেই থাকে তাহলে কি এর ফলে নতুনভাবে সৃষ্ট কণা-প্রতিকণা গুলো নিউক্লিয়াসের চারদিকে গতিশীল ইলেকট্রনের গতিপথে খানিকটা হলেও বিঘ্নতা সৃষ্টি করবে না? এর ফলে কি ইলেকট্রনগুলো তাদের কক্ষপথ হতে খানিকটা হলেও বিচ্যুত হবে না? হবে এবং হয়ও।আমেরিকান বিজ্ঞানী উইলিয়ামস ল্যাম্বস এই বিষয়টিই প্রমাণ করে দেখান।আর এই বিচ্যুতিই প্রমান করে যে, শূন্যস্থনে কোয়ান্টাম ফ্লাকচুয়েশন ঘটে আর সেই সাথে সৃষ্টি হয় নতুন কনা-প্রতিকনা ।এ হলো একদম সরলীকৃত ভাষায় ল্যাম্ব শিফটের ধারনা।
    imgbox
    ছবি ৫ ঃ লাম্ব শিফটের ফলে ইলেকট্রনের শক্তিস্তরে খানিকটা পার্থক্য সৃষ্টি হয়

    কোয়ান্টাম ফ্লাকচুয়েশন এর প্রমান-২ঃ
    কাসিমিরের প্রভাবঃ
    সবচেয়ে বড় যে প্রমাণ পাওয়া যায় সেটি হল বিখ্যাত “কাসিমিরের প্রভাব” থেকে।১৯৪৮ সালে ডাচ পদার্থবিদ হেনরিখ কাসিমির বলেন যে, যদি কোয়ান্টাম ফ্লাকচুয়েশন সত্যি হয়ে থাকে তাহলে দুটো ধাতব পাত খুব কাছাকাছি আনা হলে তারা একে অপরকে ধীরে ধীরে আকর্ষণ করবে। কারণ তখন ধাতবদ্বয়ের মধ্যবর্তী সংকীর্ণ স্থানটিতে কোয়ান্টাম ফ্লাকচুয়েশন ঘটার ফলে এক প্রকার উচ্চ কম্পাংকের তড়িৎ চুম্বকীয় “মোড” এর উৎপত্তি ঘটে। আর উদ্ভুত সেই “মোড” ই পাতদ্বয়কে পরস্পরের দিকে আকর্ষণে বাধ্য করে। এই অসাধারণ বিষয়টিই পরবর্তীতে মার্কস স্পারনে,স্টিভ লেমোরাক্স প্রমুখ বিজ্ঞানীরা পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণ করেন। এবং এর মাধ্যমে ভ্যাকুয়াম ফ্লাকচুয়েশন সবচেয়ে শক্তভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
    imgbox
    অতএব আমরা বুঝলাম যে শূন্যস্থানে কোয়ান্টাম ফ্লাকচুয়েশন ঘটার ফলে স্রেফ শূন্য হতেই স্বতঃস্ফূর্তভাবে কণা-প্রতিকণা সৃষ্টি হয়। গবেষকদের ধারণা,সৃষ্টির আদিতে মহাজাগতিক শূন্যতায় কোয়ান্টাম ফ্লাকচুয়েশনের ফলে যেসকল কণার সৃষ্টি হয়েছিল,সেগুলিই গঠন করেছে আমাদের আজকের এই মহাবিশ্ব।

    পরিশেষে একটি “অমীমাংসিত” প্রশ্নঃ

    আচ্ছা সুপ্রিয় পাঠক, একটা বিষয় কি লক্ষ্য করেছেন? শূন্য থেকে সমপরিমাণ কনা ও প্রতিকনা সৃষ্টি হয়ে যদি আবার তারা পরস্পরকে ধ্বংস করে দিয়ে শূন্য হয়ে যায় তাহলে তো কোনো কণা অবশিষ্ট থাকার কথা নয়! তাহলে এতকিছু এলো কোত্থেকে? কেন আমরা আজ চারপাশে এত কিছু দেখছি? এখানে তো থাকার কথা ছিল নিরব নিস্তব্ধ এক প্রগাঢ় শূন্যতা! কিন্তু সেই শূন্যতা না থেকে বরং কেন এত কিছু আছে?

    গবেষকরা বলছেন,প্রকৃতি কখনোই শূন্যতাকে পছন্দ করে না। শূন্যতা হলো প্রকৃতির জন্য একটি অস্থির অবস্থা। শুধু প্রকৃতি কেন, এই মহাবিশ্বের কোনকিছুই শূন্যতাকে পছন্দ করো না। কোন বিজ্ঞানী,গবেষক,দার্শনিক,কবি-সাহিত্যিক,মুনি-ঋষি হতে বর্তমান আধুনিক কালের আইয়ুব বাচ্চু পর্যন্ত কারোই শূন্যতা কাম্য নয়। আইয়ুব বাচ্চুর কন্ঠেই তা স্পষ্ট-

    “শূন্যতায় ডুবে গেছি আমি ,আমাকে তুমি ফিরিয়ে নাও”

    শূন্যতা থেকে মুক্তি পাবার সে কি ব্যাকুল আকাঙ্ক্ষা! একটুখানি ভালবাসা পাবার সে কি আকুল প্রার্থনা! সৃষ্টির আদিতে প্রকৃতি বোধ হয় এমন করেই মহাজাগতিক শূন্যতা হতে মুক্তি প্রার্থনায় বিভোর ছিল।

    মিঃ আইয়ুব বাচ্চু সেই ভালোবাসা পেয়েছেন কিনা জানি না। তবে প্রকৃতি কিন্তু ঠিকই পেয়েছিল। কারণ গবেষকরা বলছেন, প্রকৃতিকে কেউ শূন্য থাকতে দেয়নি, সৃষ্টির আদি মুহূর্তে অতি ক্ষুদ্র অনুপাতে কিছু (প্রায় 1 বিলিয়নে মাত্র 1 টি) কনা “মরিতে চাহিনা আমি সুন্দর ভুবনে” স্লোগান দিয়ে টিকে থাকতে পেরেছিল এবং সেই বিপ্লবী কনা গুলোই প্রকৃতির সঙ্গী হয়ে আমাদের আজকের মহাবিশ্ব তৈরি করেছে।

    কিন্তু সেটি কীভাবে সম্ভব হয়েছিল? কে তাদের শিখিয়ে দিয়েছিল এমন বিপ্লবী স্লোগান? কে-ই বা তাদের বুলিয়ে দিয়েছিল সেই এক্টুখানি ভালবাসার পরশ?
    imgbox
    ছবি ৬ঃ মহাজাগতিক শূন্যতায় কণা-প্রতিকণার অসমতা।

    এই প্রশ্নের উত্তর কনা পদার্থবিদদের কাছে এখনো প্রায় অজানা। তবে বিজ্ঞানীরা এখনো গবেষণা করে যাচ্ছেন এবং ইতোমধ্যে সমাধানের অনেক ইঙ্গিতও আসতে শুরু করেছে।তবে সেগুলোর কোনোটিই এখনও পর্যন্ত পরীক্ষালব্ধ ফলাফল দ্বারা সুপ্রতিষ্ঠিত নয় এবং সর্বজন স্বীকৃতও নয়।

    এখনও এই প্রশ্নটি তাই উইকিপিডিয়ায় পদার্থবিজ্ঞান এর অমীমাংসিত প্রশ্ন গুলোর তালিকায় অতি উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো জ্বলজ্বল করে জ্বলছে।।

    সূত্রঃ সরাসরি কোরা থেকে কপি পেস্ট
    লেখকঃ মোহাম্মদ সাহিদুল ইসলাম

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 47 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
sumi
sumiনতুন
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

লিনাক্স একটি ওপেনসোর্স বা ফ্রি অপারেটিং সিস্টেম হলেও বেশিরভাগ মানুষ কেন উইন্ডোজ ব্যবহার করে? যেখানে উইন্ডোজের কোন কিছুই ফ্রি তে পাওয়া যায়না!

  1. Mahmudul
    Mahmudul নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    প্রথমেই বলে রাখি প্রশ্নটি সঠিক নয়। দিন দিন লিনাক্স নির্ভর অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে লিনাক্স নির্ভর অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হচ্ছে। নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বললে, গত ৪-৫ বছরে (২০১৫-২০২০) আমার ল্যাপটপে লিনাক্স দেখেও ১০বিস্তারিত পড়ুন

    প্রথমেই বলে রাখি প্রশ্নটি সঠিক নয়। দিন দিন লিনাক্স নির্ভর অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে লিনাক্স নির্ভর অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হচ্ছে। নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বললে, গত ৪-৫ বছরে (২০১৫-২০২০) আমার ল্যাপটপে লিনাক্স দেখেও ১০-১২ জন উইন্ডোজ বাদ দিয়েছে। যাকগে, প্রশ্নের উত্তরে আসা যাক। ব্যবহারকারী বলতে সাধারণ ব্যবহারকারী বোঝাতে চেয়েছেন তাই বুঝে নিয়ে উত্তর লিখলাম।

    ফ্রী এবং নিরাপদ হওয়া সত্ত্বেও ব্যবহারকারীরা লিনাক্স ব্যবহার না করে উইন্ডোজ ব্যবহার করে কেন?

    অনেকগুলো কারণ রয়েছে। প্রধান চারটি কারণ নিয়ে কথা বলা যেতে পারে। আরো কিছু কারণ অবশ্য আলোচনার মধ্যেই এসে যাবে।

    ১. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উইন্ডোজ।
    ২. অফিস আদালতে উইন্ডোজ।
    ৩. গ্রাফিক ডিজাইন এ উইন্ডোজ।
    ৪. গেমসের ক্ষেত্রে উইন্ডোজ।

    ১. স্কুল-কলেজে উইন্ডোজ:

    লক্ষ্য করে দেখুন আমাদের স্কুল-কলেজ কিংবা বিশ্ব বিদ্যালয়ে পরিধিতে যেখানে ছোট্ট শিশু থেকে শুরু করে ধারি যুবকদের পড়ানো হয়, সব ক্ষেত্রে সে শিক্ষাটা আসে উইন্ডোজের মাধ্যমে। দেখবেন ছাত্র ছাত্রীদের জন্য উইন্ডোজ সব সময়ই বিশেষ কিছু সুবিধা দিয়ে থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় উইন্ডোজের পক্ষ থেকে আমরা তাদের একটি ইমেইল এবং ক্লাউড স্টোরেজে এক টেরা বাইট পেয়েছিলাম। এরপর বিভিন্ন সফটওয়্যারের ক্ষেত্রেও শিক্ষার্থী দের জন্য বিশেষ সুবিধা বরাদ্দ থাকে। এবং উইন্ডোজ ব্যবহারকারী শিক্ষকগণও তাদের শিক্ষার্থীদের এটা ব্যবহারে অনুপ্রাণিত করেন। তো শিক্ষা জীবনের এত বছর একটি অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করার পর অন্য অপারেটিং সিস্টেমে স্থানান্তরিত হবার মানসিকতা খুব কম মানুষেরই থাকে। এটা যে কতটা ক্ষতিকর তা আস্তে আস্তে মানুষ বুঝতে পারছে। স্কুল কলেজে কোন সফটওয়্যারে যখন কেউ আসক্ত হয়ে যায়, যেমন মাইক্রোসফট অফিস, তো এটা ছাড়া সে কাজই করতে পারে না। সেক্ষেত্রে ভবিষ্যতে টাকা দিয়ে কিনে হলেও তাকে এটা ব্যবহার করতে হয়।

    [আমাদের দেশে যদিও টাকা দিয়ে সফটওয়্যার কেনার কথা কেউ চিন্তাই করি না, কিন্তু দেশটা আর একটু উন্নত হলেই দেখা যাবে সব কিনতে হবে। উইন্ডোজে ফ্রি বলে কিছু নেই বললেই চলে। ]

    ২. অফিস আদালতে উইন্ডোজ:

    স্কুল কলেজ থেকে উইন্ডোজের উপর দক্ষতা নিয়ে বের হয়ে যখন চাকরির দিগন্তে কেউ পা রাখে তখনও উইন্ডোজ এসে সামনে দাঁড়ায়। বিভিন্ন অফিস তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী বেশ কিছু উইন্ডোজ সফটওয়্যারের ব্যবহার করে, তো সাধারণ চাকুরিজীবী রা কীভাবে আর অন্য অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করবে? উইন্ডোজ কেনার নাম করে সরকারি আমলারা কোটি কোটি টাকা লোপাটের সুযোগ তো আর লিনাক্স ব্যবহার করলে পাবে না। এটিও একটি কারণ।

    ৩. গ্রাফিক ডিজাইন এ উইন্ডোজ:

    ফটোশপ এবং গ্রাফিক্স ডিজাইনের জন্য এডোবির বিভিন্ন সফটওয়্যার রয়েছে, যা উইন্ডোজে জন্য বিখ্যাত। এবং ফ্রি ল্যান্সিং এর জগতে অনেক ক্রেতা উল্লেখ করে দেয় তার কাজটি কোন সফটওয়্যার দিয়ে করতে হবে, সেক্ষেত্রে দেখা যায় উইন্ডোজ ব্যবহার করা টা বেশ প্রয়োজনীয় হয়ে যায়!

    ৪. গেমসের ক্ষেত্রে উইন্ডোজ

    বহুল প্রচলিত বিষয়, উইন্ডোজ হল গেমারদের স্বর্গরাজ্য। যদিও সম্পূর্ণ সঠিক নয়, তবে খুব বেশি মিথ্যাও নয়। বিভিন্ন ডেভেলাপেরা উইন্ডোজের কথা চিন্তা করেই গেম বানায়। তো গেমারদের উইন্ডোজ ব্যবহার করাটা অনস্বীকার্য হয়ে যায়!

    উপসংহার: উইন্ডোজ, লিনাক্স, ম্যাক, যাই বলিনা কেন। অপারেটিং সিস্টেমের কাজ শুধু হার্ডওয়ার বা কম্পিউটারের মূল সত্তাকে অপারেট করা এবং বিভিন্ন সফটওয়্যার কে পরিচালনা করা। আর যাবতীয় কাজ করে থাকে সফটওয়্যার। যেমন ধরুন “শেয়ার ইট”, এটা দিয়ে মোবাইল ফোনে বিভিন্ন ফাইল আদান প্রদান করা হয়। তো উইন্ডোজে এই শেয়ারইট সফটওয়্যারটি পেয়ে যাবেন অবলীয়ায়, কিন্তু লিনাক্সে পাবেন না। হ্যাঁ, একই কাজের জন্য অন্য নামে অন্য কোন সফটওয়্যার অবশ্যই পাবেন।

    আর সাধারণ ব্যবহারকারীরা এ ঝামেলা পছন্দ করে না। তারা সবাই যা ব্যবহার করে তাই ব্যবহার করতে চায়। তাই তারা উইন্ডোজে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।

    আবার কম্পিউটার কেনার সময় বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান বিনামূল্যে উইন্ডোজ ইনস্টল করে দেয়। আবার যেহেতু লিনাক্সের অনেক আগে থেকেই উইন্ডোজ প্রচলিত এবং জনপ্রিয়তা পেয়েছে, তাই অধিকাংশ পিসিতে উইন্ডোজ দেখা যায়, আর এটাতে কোন সমস্যা হলে অনেক বেশি পরিমাণে সহায়তা পাওয়া যায় বন্ধুদের কাছ থেকে, যা লিনাক্সে পাওয়া যায় না। সমস্যা হলে ইন্টারনেট ঘাঁটাঘাঁটি করে নিজেকেই সমাধান করতে হয়। আর এই সমস্যা সমাধানের মানসিকতাই অনেকের মধ্যে থাকে না। তাদের উইন্ডোজ ব্যবহার করা ছাড়া অন্য কোন উপায়ও নেই!

    সূত্রঃ ইন্টারনেট

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 43 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
sumi
sumiনতুন
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

বাংলাদেশে ৫০,০০০ -১,০০,০০০ টাকা বেতনে কী কাজ করা যাবে?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 34 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
sumi
sumiনতুন
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

আমরা ২.৩০ কে কেন আড়াইটা বলি? সাড়ে দুই বলিনা কেন?

  1. allaboutsubha
    allaboutsubha শিক্ষক https://www.youtube.com/allaboutsubha/
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে
    উত্তরটি এডিট করা হয়েছে।

    ঘড়ির কাঁটায় নানা সংখ্যার মধ্যে দুটি হল ১.৩০ এবং ২.৩০। অথবা দেড়টা বা আড়াইটাও বলা হয়। কিন্তু এই সংখ্যা দুটির বেলার সাড়ে শব্দটা ব্যবহার হয় না, এই বিষয়ে ছোটবেলা থেকেই সবাই জেনে এসেছে। তবে কেন ব্যবহার করা হয় না, তা অনেকেরই অজানা। ৩.৩০ টে থেকে বাকি সময় বলার সময় প্রতিক্ষেত্রে ব্যবহার হয় 'সাড়ে' শব্দ। কিন্তুবিস্তারিত পড়ুন

    ঘড়ির কাঁটায় নানা সংখ্যার মধ্যে দুটি হল ১.৩০ এবং ২.৩০। অথবা দেড়টা বা আড়াইটাও বলা হয়। কিন্তু এই সংখ্যা দুটির বেলার সাড়ে শব্দটা ব্যবহার হয় না, এই বিষয়ে ছোটবেলা থেকেই সবাই জেনে এসেছে। তবে কেন ব্যবহার করা হয় না, তা অনেকেরই অজানা।

    ৩.৩০ টে থেকে বাকি সময় বলার সময় প্রতিক্ষেত্রে ব্যবহার হয় ‘সাড়ে’ শব্দ। কিন্তু আলাদা শুধু এই দুটি ক্ষেত্র। ছোটবেলা থেকেই একাধিকবার এই প্রশ্ন মনে এলেও তার উত্তর সঠিকভাবে পাননি কেউ।

    শুধুমাত্র সময়ের ক্ষেত্রেই নয়, টাকা-পয়সা গণনা বা লেনদেনে এবং অন্যান্য গণনার ক্ষেত্রেও একই কথা বলা হয়ে থাকে। দেড়শ টাকা বা আড়াইশ টাকা, এবং একইভাবে দেড় কিলো, আড়াই কিলো, দেড় মিটার, আড়াই মিটার, দেড় লিটার, আড়াই লিটার ইত্যাদি বলা হয়। কিন্তু সেভাবে চিন্তা করলে দেখা যাবে এই শব্দের ব্যবহার মূলত ভারতীয়রাই করে থাকেন।
    আসলে ভারতে দেড়, আড়াই ও ত্রৈমাসিক গণনা পদ্ধতি চালু রয়েছে। এই শব্দগুলি ভগ্নাংশের হিসাব বর্ণনা করে থাকে। প্রাচীন ভারতে এই শব্দগুলি ব্যবহার করে ভগ্নাংশ হিসাব করা হত, যার চল এখনও রয়ে গিয়েছে।
    ভগ্নাংশ হল একটি সংখ্যা যা পূর্ণ সংখ্যার একটি অংশ বা অংশকে বর্ণনা করে। অর্থাৎ দুটি পূর্ণ সংখ্যার ভাগফল হল ভগ্নাংশ। যেমন ৩ কে ২ দিয়ে ভাগ করলে পাওয়া যায় ১.৫। অর্থাৎ ১ এবং ১-এর অর্ধেক। তাই এখানে অর্ধেক অংশটিকে ‘দেড়’ বলে উচ্চারণ করা হয়েছে। ভারতের মতোই বিভিন্ন দেশে ভগ্নাংশ লেখার বিভিন্ন নিয়ম রয়েছে।
    বেশ কিছু পুরনো তথ্য থেকে জানা যায়, প্রাচীনকালে আমাদের দেশে এক চতুর্থাংশ, পৌনে দুই ও আড়াই পর্যন্ত নামতা পড়ানো হতো। সেই ভগ্নাংশগুলি এখনও জ্যোতিষশাস্ত্রে ব্যবহৃত হয়। ভারতে, ওজন এবং সময় ভগ্নাংশে পরিমাপ করা হয়। প্রথম থেকেই ভারতের মৌলিক গণিতের যে শব্দগুলির ব্যবহার করা হয়েছিল তা আজও প্রচলিত রয়েছে অপরিবর্তিতভাবে।
    ভাষাবিদরা বলেন, প্রাচীন ভারতে সব থেকে বেশি প্রচলিত ছিল ১-এর অর্ধেক ও ২-এর অর্ধেক অংকের ব্যবহার। তাই তখনকার মানুষ ‘সাড়ে একটা’ এবং ‘সাড়ে দুটো’ শব্দের বদলে শব্দ দ্রুত উচ্চারণ করার জন্য ‘দেড়’ ও ‘আড়াই’ শব্দের সৃষ্টি করেছিলেন।
    আরো পড়ুন
    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 93 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
sumi
sumiনতুন
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

জাফরান খাওয়ার নিয়ম, বাংলাদেশে জাফরান এর দাম এবং জাফরান তেল ব্যবহারের নিয়ম

জাফরান খাওয়ার নিয়ম, বাংলাদেশে জাফরান এর দাম এবং জাফরান তেল ব্যবহারের নিয়ম
  1. Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    জাফরান কি ভাতের মতো খাওয়া শুরু করবেন? জি না, জাফরান খাওয়ার কিছু নিয়ম রয়েছে। চলুন জাফরান খাওয়ার নিয়মগুলো জেনে নেওয়া যাক জাফরান খাওয়ার সবচেয়ে উত্তম সময় হচ্ছে রাত। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে দুধের সাথে মিশিয়ে পান করুন। অবশ্যই অরিজিনাল জাফরান থেতে হবে। ১ কাপ খাঁটি গরুর দুধ, অবশ্যই গুড়ো দুধ নয়। ১ চিমটি জাফরাবিস্তারিত পড়ুন

    জাফরান কি ভাতের মতো খাওয়া শুরু করবেন? জি না, জাফরান খাওয়ার কিছু নিয়ম রয়েছে। চলুন জাফরান খাওয়ার নিয়মগুলো জেনে নেওয়া যাক জাফরান খাওয়ার সবচেয়ে উত্তম সময় হচ্ছে রাত। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে দুধের সাথে মিশিয়ে পান করুন। অবশ্যই অরিজিনাল জাফরান থেতে হবে। ১ কাপ খাঁটি গরুর দুধ, অবশ্যই গুড়ো দুধ নয়। ১ চিমটি জাফরান, ১ চামচ কিসমিস বাটা বা আস্ত কিসমিস, এবং ১ চা চামচ অরগানিক বা খাঁটি মধু।

    আগে ভালো ভাবে দুধ ফুটিয়ে নিন। ফুটানো দুধের সাথে জাফরান দিয়ে ২-৩ মিনিট ফুটিয়ে চুলা বন্ধ করে দিন। এর মধ্যে বাটা বা আস্ত কিসমিস দিয়ে দিন। এরপর ঢাকনা দিয়ে ৫ মিনিট রেখে দিন। কুসুম গরম দুধের সাথে ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে ধীরে ধীরে পান করুন। অবশ্যই দুধ ঠাণ্ডা হওয়ার আগে পান করুন। স্বাস্থের জন্য ভাল।

    জাফরান কি ভাতের মতো খাওয়া শুরু করবেন? জি না, জাফরান খাওয়ার কিছু নিয়ম রয়েছে। চলুন জাফরান খাওয়ার নিয়মগুলো জেনে নেওয়া যাক জাফরান খাওয়ার সবচেয়ে উত্তম সময় হচ্ছে রাত। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে দুধের সাথে মিশিয়ে পান করুন। অবশ্যই অরিজিনাল জাফরান থেতে হবে। ১ কাপ খাঁটি গরুর দুধ, অবশ্যই গুড়ো দুধ নয়। ১ চিমটি জাফরান, ১ চামচ কিসমিস বাটা বা আস্ত কিসমিস, এবং ১ চা চামচ অরগানিক বা খাঁটি মধু।

    আগে ভালো ভাবে দুধ ফুটিয়ে নিন। ফুটানো দুধের সাথে জাফরান দিয়ে ২-৩ মিনিট ফুটিয়ে চুলা বন্ধ করে দিন। এর মধ্যে বাটা বা আস্ত কিসমিস দিয়ে দিন। এরপর ঢাকনা দিয়ে ৫ মিনিট রেখে দিন। কুসুম গরম দুধের সাথে ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে ধীরে ধীরে পান করুন। অবশ্যই দুধ ঠাণ্ডা হওয়ার আগে পান করুন। স্বাস্থের জন্য ভাল।

    এক কাপ দুধে এক চিমটি জাফরান এবং ২ চামচ চিনি মিশিয়ে ভালো করে ফুটিয়ে নিন। আপনার প্রতিদিনের রুটিনে রাখুন জাফরান দুধ চা, এটি স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। জাফরান ঘণ কমলা রঙের জলে মিশে যায় এমন এক ধরনের ক্যারোটিন থাকে, যাকে ক্রোসিন বলা হয়। এই ক্রোসিনের জন্যই খাবারে জাফরান ব্যবহার করলে একটা উজ্জ্বল সোনালি রং হয় খাবারে।

    বাংলাদেশের সব মানুষ জাফরান ব্যবহার করে না বা তারা জাফরানের ব্যবহার সম্পর্কে জানে না। ১ গ্রাম জাফরানের দাম বাংলাদেশে ৩০০ টাকা। ১ গ্রাম জাফরানের জন্য ১৫০টি ফুল দরকার। প্রতি কেজি ফুল থেকে মাত্র ৭২ গ্রাম জাফরান পাওয়া যায়। ১ কেজি জাফরানের জন্য প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার ফুলের প্রয়োজন হয়। আপনারা ৫০০ গ্রাম জাফরান কিনতে পারবেন ১৫০০০০ টাকা দিয়ে। ১০০ গ্রাম জাফরান বিক্রি করা হয় ৩০,০০০ টাকায়। জাফরানের দাম অনেক বেশি। তাই এটি গ্রাম আকারে বিক্রি করা হয়। খুব কম মানুষ কেজিতে জাফরান কিনে থাকে। ১ কেজি জাফরানের দাম ৩০০০০০ টাকা। এটি বাংলাদেশি মূল্য। এছাড়া জাফরানের গুনগত মানের উপর ভিত্তি করে এর দাম নির্ধারন করা হয়। সাধারণ মানের প্রতি কেজি জাফরানের মূল্য ২৫০০০০ টাকা পর্যন্ত। অনেক জাফরান ২২০০০০ টাকায় কিনতে পাওয়া যায়। যদি অরজিনাল জাফরান কিনতে চান, তাহলে এর দাম নিবে ৩ লাখ টাকা।

    * উপকারিতা

    জাফরানের যেমন দাম তেমনি এর উপকারিতা। এই মশলাটির রয়েছে বহুমাত্রিক গুণাবলি ও উপকারিতা। এক নজরে জাফরানের উপকারিতাগুলো জেনে নেওয়া যাক মুল্যবান এই মশলাটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ম্যাঙ্গানিজ, কপার, আয়রন, ভিটামিন সি সহ ১৫০ টি উপাদান যা কিনা মানব শরীরের অনেক উপকারে আসে।জাফরানে রয়েছে ক্রোসিন যা কিনা শুধুমাত্র খাবারের রংই পরিবর্তন করে না। এই ক্রোসিন মানব শরীরের বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারের কোষ যেমন- ওভারিয়ান, কাসিনোমা, লিউকেময়া প্রভৃতি ধবংস করতে সহয়তা করে থাকে। আর জাফরানে এক প্রকার ক্যারোটিন থাকে যা কে ক্রোসিন বলা হয়ে থাকে।

     

    * স্মৃতিশক্তি

    স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে জাফরানের রয়েছে দারুন কার্যকরিতা। সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় উঠে এসেছে জাফরান মানুষের স্মৃতি শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। আর অনেক আগে থেকেই স্মৃতিশক্তি এবং পারকিনসন হাড়িয়ে যাওয়া লোকদের চিকিৎসায় জাপানে জাফরান ব্যবহারের প্রচলন রয়েছে।স্মৃতিশক্তি বাড়াতে জাফরান এর বিশ্বজোড়া খ্যাতি রয়ছে।

     ভাইটালিটি

    ভাইটালিটি বাড়াতে জাফরান ও দুধ পান করা যেতে পারে। খুবই উপকারি এটি। প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস পরিমান দুধ ও এক চিমটে পরিমান জাফরান মিশিয়ে পান করুন আপনার শরীরের ভাইটালিটি বেড়ে যাবে।

     

    * শারীরিক উন্নতি

    যেসকল মেয়েদের দেখতে দেখলে রোগা রোগা লাগে ওই সকল মেয়েদের জন্য জাফরান খুবই কার্যকরি । তারা প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক চামচ দুধ+জাফরান মিশিয়ে খেতে পারেন। এটি আপনার শরীরে হরমোন উদ্দীপ্ত করে তুলবে। এবং নিয়মিত পান করলে বেশ কিছু দিনের মধ্যেই এর কার্যকরীতা আপনি নিজেই টের পাবেন।

    * গর্ভাবস্থায় জাফরান

    গর্ভবতী নারীদের জাফরান খাওয়ার প্রচলন অনেক আগে থেকেই। গর্ভবতী মায়েদের গর্ভকালীন নানা সমস্যা ও রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। চলুন গর্ভাবস্থায় জাফরান খাওয়ার উপকারিতা কি জেনে নেওয়া যাক

     

    * রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ

    রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে জাফরান বিশেষ উপকারি। গর্ভকালিন সময়ে অনেক গর্ভবতী মায়েদের রক্তচাপ বেড়ে ও কমে যায়। খাদ্য তালিকায় জাফরান ও ভিটামিন জাতীয় ফলমূল, সবুজ শাক -সবজি রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রনে সাহায্য করে থাকে।

     

    * অস্বস্তি ও ক্লান্তি দূর

    নিয়মিত জাফরান খেলে অস্বস্তি ও ক্লান্তি দূর হয়। ব্যাথা নিরাময়ে জাফরান বেশ কার্যকরী। বাচ্চা বড় হওয়ার সাথে সাথে টার নড়াচড়ার মাত্রা বেড়ে যায়। এবং মায়ের পেশিগুলোও বাচ্চার জন্য স্থান প্রসরিত করে সামঞ্জস্য করে নেয়। এই প্রক্রিয়া চলাকালীন সময় মায়েরা পেটে ব্যাথা অনুভব করে। গর্ভবতী কালিন সময়ে জাফরান গ্রহন করলে এই ব্যাথার মাত্রা কিছুটা কম অনুভব হয়।

    * শরীরে আয়রনের স্তর বাড়ায়

    গর্ভাবস্থায় রক্তস্বল্পতা দেখা দেওয়া একটি কম সমস্যা। যা কিনা অনেকের মধ্যেই দেখা যায়। এই সময়ে বেশি পরিমান আয়রন সমৃদ্ধ খাবার গ্রহনের পরামর্শ দেওয়া হয়। নিয়মিত খাবার তালিকায় জাফরান রাখলে এটি আপনার শরীরে আয়রন ও হিমোগ্লোবিনের স্তর বজায় রাখতে সাহায্য করে। এছাড়াও ক্র্যাম্পস থেকে মুক্তি দেয়, হার্টের অসুখ থেকে রক্ষা করে, শ্বাসযন্ত্রের অসুস্থতা নিরাময় করে; মাড়িতে ব্যাথা নিরাময়ে সাহায্য করে, উন্নত ও স্বাস্থ্যকর হাড় গঠন করে।

    .

    জাফরান তেল ব্যবহারের নিয়ম

    নানান ধরণের গুনাগুন সম্পন্ন একটি প্রাকৃতিক উপাদান হল জাফরান। আমাদের দৈনন্দিন জীবনের নানান ধরণের ক্ষেত্রে রয়েছে জাফরানের ভূমিকা। কিন্তু আপনি জানেন কি শুধুমাত্র একটি খাবার আইটেম হিসেবে জাফরান সমাদৃত তা কিন্তু নয় ,বরং জাফরান থেকে তৈরিকৃত এক ধরণের তেল উৎপন্ন হয়ে থাকে যার রয়েছে নানান ধরণের উপকারিতা। জফরানের থেকে তৈরিকৃত এই তেল সকলের কাছে বেশ জনপ্রিয় একটি তেল। কিন্তু আপনি কি জানেন জফরান তেল ব্যবহারের নিয়ম সম্পর্কে।চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক জাফরান তেল ব্যবহারের নিয়ম সম্পর্কে

    নারীর সৌন্দর্যের ক্ষেত্রে চুলের ভূমিকা সবার উর্ধে। কালো ,সুন্দর এবং ঝলমলে চুল কে না পছন্দ করে বলেন ?সুস্থ এবং সুন্দর চুল সকলের পছন্দ।কিন্তু আমাদের প্রত্যাহিক জীবনযাত্রার কারণে আমরা আমাদের চুলের স্বাভাবিক সৌন্দর্য হারিয়ে ফেলতে বসেছি। দূষিত পানি,অপুষ্টিকর খাবার ,ধুমপান, মদ্যপান, নেশাজাতীয় দ্রব্য গ্রহণ কিংবা অনিয়নতান্ত্রিক জীবনযাপনের কারণে আমরা আমাদের চুলের স্বাভাবিক সৌন্দর্য হারিয়ে যেতে বসেছি।

    আজকাল তাই চুল পড়া ,টাক হওয়া ,খুশকির মতো এইসকল সমস্যা আমাদের চুলের একটি নিত্যনৈমিত্তিক সঙ্গী। কিন্তুআমরা চাইলে আমাদের চুলের স্বাভাবিক সৌন্দর্য খুব সজজে ফিরিয়ে আনতে পারি। আপনি যদি আপনার চুলের স্বাভাবিক সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতে চান এবং আপনি যদি আপনার নিষ্প্রাণ চুলকে প্রাণ দিতে চান তাহলে আপনি ব্যবহার করতে পারেন জাফরান অয়েল। এটি আপনার চুলকে সুস্থ এবং স্বাভাবিক করে চুলের সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে বেশ ভূমিকা পালন করবে। চলুন  তাহলে জেনে নেওয়া যাক জাফরান তেল ব্যবহারের নিয়ম সম্পর্কে

    ·         খুশকির প্রাদুর্ভাব কমাতে

    খুশকি একটি চর্মরোগ হলেও আমাদের চুলের প্রধান সমস্যা। খুশকির প্রাদুর্ভাব হলে আমাদের আমাদের চুলের স্বাবাবিক সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যায়। তাই আপনি চুলে খুশকির প্রাদুর্ভাব কমাতে ব্যবহার করতে পারেন জাফরানের তেল।

    প্রথমে একটি স্টিলের বাটিতে জাফরানের তেল ঢেলে তার সাথে খানিকটা গোলমরিচ গুঁড়ো করে মিশিয়ে আপনি অল্প আঁচে চুলার নিচে গরম করুন। হালকা গরম হলে চুলের মধ্যে আপনি ভালোভাবে বিলি কেটে পুরো চুলে মিশিয়ে নিন। নিয়মিত এই তেল ব্যবহারের ফলে, বেশ অল্প সময়ের মধ্যে আপনি আপনার চুল থেকে খুশকির সমস্যা দূর করতে পারবেন।

    ·         চুলের আগা ফাটা রোধে

    চুলের আগা ফাঁটা সমস্যা সমাধানে বেশ ম্যাজিকের মতো কাজ করে থাকে জাফরানের তেল। জাফরান আমাদের চুলের আগা ফাটা সমস্যা সমাধানে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

    ব্যবহারবিধি:

    চুলের আগা ফাটা সমস্যা সমাধানে আপনি ব্যবহার করতে পারেন জাফরান অয়েল। প্রথমে আপনি খানিকটা জাফরান অয়েলের সাথে অলিভ অয়েল মিশিয়ে আপনি আপনি  চাইলে  ব্যবহার করতে পারেন আপনার চুলের যত্নে। নিয়মিত এই উপায়ে জাফরান তেল ব্যবহারের ফলে আপনি খুব সহজে আপনার চুলের আগা ফাটা প্রতিরোধ করতে পারবেন।

    ·         চুল পড়ার হার কমাতে

    • জাফরান হেয়ার অয়েল আমাদের চুলের বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বেশ উপকার করে থাকে। জাফরানের মধ্যে বিদ্যমান রয়েছে এন্টিঅক্সিডেন্ট নামক এমন এক ধরণের উপাদান যা আমাদের হেয়ার হেয়ার ফল রিডিউস করতে বেশ সাহায্য করে।
    • ব্যবহারবিধি:
    • প্রথমে একটু বাদাম পেস্টের সাথে সামান্য জাফরান অয়েল হেয়ার ওয়েলর সাথে মিশিয়ে আপনি ব্যবহার করতে পারেন আপনার চুলে। নিয়মিত এই নিয়মে জাফরান তেল ব্যবহার করলে আপনি খুব সহজে আপনার হেয়ার অয়েল ম্যাসাজ করলে আপনি খুব সহজে হেয়ার ফলের পরিমান কমাতে পারবেন।

     

    জাফরান হেয়ার অয়েল🌿
    🍃জাফরান অয়েল ব্যবহারের সুবিধা🍃
    🌱অল্প কিছু দিনে ব্যবহারেই চুল পড়া সম্পূর্ন বন্ধ করে
    🌱চুল শক্ত ও মজবুত করে।
    🌱নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।
    🌱চুল দ্রুত লম্বা হতে সাহায্য করে।
    🌱চুল সিল্কি ও ঝলমলে করে।
    ☘জাফরান হেয়ার অয়েল জাফরানের নির্যাসসহ ১০টি বিরল অসাধারন ভেষজ উপাদান দিয়ে তৈরী হয় যা চুলের জন্য খুবই কার্যকর। ভেষজ উপাদানের মধ্যে আয়রন এবং জিঙ্ক থাকে যা স্ক্যাল্পে অক্সিজেন প্রবাহ করে এবং নতুন টিস্যু তৈরি করে এবং চুল পড়া বন্ধ করে এবং চুল দ্রুত বাড়াতে সহায়তা করে।
    এই ভেষজ উপাদানগুলি দ্রুত এবং সহজেই চুল এবং চুলের উপাদানগুলিতে প্রবেশ করে এবং চুল এবং মাথার ত্বকের প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে।এটি চুলকে ভেতর থেকে শক্ত করে, চুলে পুষ্টি সরবরাহ করে ফলে চুল পড়া বন্ধ হয়ে যায়।
    💐তাই চুল পড়া বন্ধ করতে এবং চুল সতেজ, ঘন, কাল ও উজ্জল করতে জাফরান হেয়ার অয়েল ব্যবহার করুন।
    🌸মেইড ইন কাশ্মীর, পাকিস্তান
    🍀কিভাবে ব্যবহার করবেন
    সপ্তাহে যেকোনো তিনদিন ঘুমোতে যাওয়ার আগে জাফরান হেয়ার অয়েল এর সাথে নারকেল তেল অথবা অলিভ অয়েল সামান্য গরম করে মাথার ত্বকে আলতোভাবে ম্যাসাজ করুন। আপনার চুলের গোঁড়া শক্ত হবে, চুলের গোঁড়ায় রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পাবে এবং চুল ঝরঝরে হবে।
    🎋বি:দ্র: নিয়ম করে চুলে তেল ব্যবহার করুন। কারণ তেল চুলের প্রয়োজনীয় পুষ্টি যোগায়। তেলের অভাবে চুল ভেঙ্গে যায় এবং চুল পড়া শুরু হয়।
    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 61 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
sumi
sumiনতুন
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

আলবার্ট আইনস্টাইন এর সাথে যদি কখনো আপনার কথা হতো তাহলে তাকে আপনি কি জিজ্ঞেস করতেন?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 21 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
sumi
sumiনতুন
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স চেক করার নিয়ম, ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নমুনা, সার্টিফিকেট মেয়াদ, পুলিশের মুভমেন্ট পাশ

  1. হেলাল খান
    সেরা উত্তর
    হেলাল খান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় শর্তাবলী ১। আবেদনকারীর কমপক্ষে ৩ মাস মেয়াদ সম্পন্ন পাসপোর্ট থাকতে হবে। ২। আবেদনকারীর পাসপোর্টে উল্লেখিত স্থায়ী কিংবা বর্তমান ঠিকানার যে কোন একটি অবশ্যই সংশ্লিষ্ট মেট্রোপলিটন / জেলা পুলিশের আওতাধীন এলাকায় অবস্থিত হতে হবে এবং আবেদনকারীকে/ যার জন্য পুবিস্তারিত পড়ুন

    পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় শর্তাবলী

      1. ১। আবেদনকারীর কমপক্ষে ৩ মাস মেয়াদ সম্পন্ন পাসপোর্ট থাকতে হবে।
      1. ২। আবেদনকারীর পাসপোর্টে উল্লেখিত স্থায়ী কিংবা বর্তমান ঠিকানার যে কোন একটি অবশ্যই সংশ্লিষ্ট মেট্রোপলিটন / জেলা পুলিশের আওতাধীন এলাকায় অবস্থিত হতে হবে এবং আবেদনকারীকে/ যার জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট চাওয়া হয়েছে তাকে অবশ্যই ঐ ঠিকানার বাসিন্দা হতে হবে ।
      1. ৩। মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের (এম আর পি) এর ক্ষেত্রে যদি পাসপোর্টে ঠিকানা উল্লেখ না থাকে তবে ঠিকানার প্রমাণ স্বরূপ জাতীয় পরিচয় পত্র/জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র/স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর এর সনদপত্রের ফটোকপি ১ম শ্রেণীর সরকারী গেজেটেড কর্মকর্তা দ্বারা সত্যায়িত করে দাখিল করতে হবে ।
      1. ৪। বিদেশে অবস্থানকারী বাংলাদেশী পাসপোর্টধারী কোন ব্যক্তির পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য তিনি যে দেশে অবস্থান করছেন সে দেশে বাংলাদেশ দূতাবাস/হাইকমিশন কর্তৃক পাসপোর্টের তথ্য পাতার সত্যায়িত কপি তার পক্ষে করা আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে ।
      1. ৫। বিদেশগামী কিংবা প্রবাসী বাংলাদেশী নাগরিক এবং বাংলাদেশে বসবাস করে স্বদেশে/বিদেশে প্রত্যাবর্তনকারী বিদেশী নাগরিকদের জন্য প্রয়োজনীয় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এই অনলাইন সিস্টেমের মাধ্যমে ইস্যু করা হয়।
      ৬। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চাকুরী কিংবা অন্য কোন কাজে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট জেলা কিংবা সিটি এসবি শাখায় যোগাযোগ করুন।

    পুলিশ ক্লিয়ারেন্স চেক করার নিয়ম

    আপনার আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা জানতে PCC S এর পর আপনার আবেদনের রেফারেন্স নম্বর লিখে যেকোন মোবাইল থেকে ক্ষুদে বার্তা পাঠান 26969 নম্বরে। ফিরতি এসএমএস এ আপনার আবেদনের সর্বশেষ স্ট্যাটাস পেয়ে যাবেন।

    প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস

      1. ১। অনলাইনে যথাযথভাবে পূরণকৃত আবেদন পত্র ।
      1. ২। ১ম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা দ্বারা সত্যায়িত পাসপোর্টের তথ্য পাতার স্ক্যানকপি

     

    অথবা
      1. বিদেশে অবস্থানকারী বাংলাদেশী নাগরিকগনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশে বাংলাদেশ দূতাবাস কর্তৃক সত্যায়িত পাসপোর্টের তথ্য পাতার স্ক্যানকপি
    অথবা
      1. বিদেশী নাগরিকদের ক্ষেত্রে নিজ দেশের জাস্টিস অব পিস (Justice of Peace) কর্তৃক সত্যায়িত পাসপোর্টের তথ্য পাতার স্ক্যানকপি।
      ৩। বাংলাদেশ ব্যাংক/ সোনালী ব্যাংকের যে কোন শাখা থেকে (১-৭৩০১-০০০১-২৬৮১) কোডে করা ৫০০/- (পাঁচশত) টাকা মূল্যমানের ট্রেজারী চালান অথবা অনলাইনে ক্রেডিট/ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নির্ধারিত সার্ভিসচার্জ সহ ফি প্রদান।

    পুলিশের মুভমেন্ট পাস আবেদন এর নিয়মাবলী

    ধাপ : ১অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করে যে কেউ নিজের জন্য অথবা অন্যের পক্ষে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর জন্য আবেদন করতে পারবে। নিবন্ধন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন।

    ধাপ : ২নিবন্ধিত ব্যবহারকারী অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট সাইটে লগ-ইন করার পর Apply মেনুতে ক্লিক করে আবেদনপত্রটি যথাযথভাবে পূরণ করুন।।

    ধাপ : ৩আবেদন ফরমের প্রথম ধাপে ব্যক্তিগত বিস্তারিত তথ্য, দ্বিতীয় ধাপে বর্তমান এবং স্থায়ী ঠিকানা পূরণ করুন। আপনার বর্তমান ঠিকানা যে জেলা বা মেট্রোপলিটন এলাকায় অবস্থিত সেই ঠিকানায় পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হবে।

    ধাপ : ৪আবেদন ফরমের তৃতীয় ধাপে প্রয়োজনীয় ডকুমেণ্টসমূহের স্ক্যান কপি আপলোড করুন।

    ধাপ : ৫আবেদন ফরমের চতুর্থ ধাপে আপনার এন্ট্রিকৃত সকল তথ্য দেখানো হবে। আবেদনে কোন ভুল থাকলে তা পূর্ববর্তী ধাপসমূহে ফেরত গিয়ে পরিবর্তন করা যাবে। তবে চতুর্থ ধাপে আবেদনটি সাবমিট করার পর আর কোন পরিবর্তন করার সুযোগ থাকবে না।

    ধাপ : ৬চালানের মাধ্যেমে ফি পরিশোধের উপায় এবং পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে প্রদত্ত নির্দেশনা অনুসরণ করুন।

    এখানে ক্লিক করে অনলাইনে আবেদন করুন।

    পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স চেক, পুলিশ মুভমেন্ট পাস, পুলিশের মুভমেন্ট পাস আবেদন, পুলিশের মুভমেন্ট পাস, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স কিভাবে করব, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স চেক করার নিয়ম, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নমুনা, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স কত দিনে পাওয়া যায়, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট মেয়াদ কতদিন, পুলিশ, বাংলাদেশ পুলিশ, মুভমেন্ট পাস পুলিশ গভ বড়

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 47 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
sumi
sumiনতুন
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

আপনি কোন শ্রেণীতে বা ক্লাসে পড়েন?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 104 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
sumi
sumiনতুন
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ অ্যাপ (অ্যান্ড্রয়েড ও IOS)

কিভাবে ওয়াটারমার্ক ছাড়া sss টিকটক ভিডিও ডাউনলোড করবো? How to download tiktok video without watermark?

  1. Mahmudul
    সেরা উত্তর
    Mahmudul নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    নিচে একটি অ্যাপসের ডাউনলোড লিংক দিচ্ছি যেটা দিয়ে অনায়াসেই Watermark ছাড়াই tiktok ভিডিও ডাউনলোড করতে পারবেন। Download tiktok video without watermark

    নিচে একটি অ্যাপসের ডাউনলোড লিংক দিচ্ছি যেটা দিয়ে অনায়াসেই Watermark ছাড়াই tiktok ভিডিও ডাউনলোড করতে পারবেন।

    Download tiktok video without watermark

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 338 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
sumi
sumiনতুন
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসা কেমন হওয়া উচিৎ সারাজীবন?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 41 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
sumi
sumiনতুন
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

কিডনির ব্যথা কোথায় হয়? কিডনি ব্যথার লক্ষণ কি কি?

  1. Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    কিডনিজনিত ব্যথা সাধারণত মেরুদণ্ড থেকে একটু দূরে ডান বা বাম পাশে হয়। এটি পেছনের পাঁজরের নিচের অংশে অনুভূত হওয়ার কথা। এই ব্যথা নড়াচড়া করে এবং কোমরের দুই পাশেও যেতে পারে। এই ব্যথা থেকে থেকে আসে, শোয়া-বসা বা কোনো কিছুতেই আরাম মেলে না। আমাদের কোমরে কোন ব্যথা হলেই আমরা চিন্তায় পরে যাই , এটা কি কিডনিবিস্তারিত পড়ুন

    কিডনিজনিত ব্যথা সাধারণত মেরুদণ্ড থেকে একটু দূরে ডান বা বাম পাশে হয়। এটি পেছনের পাঁজরের নিচের অংশে অনুভূত হওয়ার কথা। এই ব্যথা নড়াচড়া করে এবং কোমরের দুই পাশেও যেতে পারে। এই ব্যথা থেকে থেকে আসে, শোয়া-বসা বা কোনো কিছুতেই আরাম মেলে না।

    আমাদের কোমরে কোন ব্যথা হলেই আমরা চিন্তায় পরে যাই , এটা কি কিডনি ব্যথা নাকি কোমর ব্যথা  অন্য কোন সমস্যা । সাধারনত আমাদের শরীরের ডান পাশে , বাম পাশে  বুকের পাজর এবং কোমরের হাড়েরর মাঝখানে কিডনি থাকে । তাই এই জায়গায় ব্যথা হলে ধরে নিতে পারেন কিডনি সমস্যা । কিডনি সমস্যা সন্দেহ হলে আপনার নিকটবর্তী চিকিৎসক দেখানো জরুরি । চিকিৎসক যদি আপনাকে কিডনি বিশেষজ্ঞের কাছে রেফার করে , সেইক্ষেত্রে অবশ্যই কিডনি বিশেষজ্ঞের কাছে যাবেন । তবে কিডনি ব্যথার জন্য কোন ব্যথার ওষুধ না খেয়ে আপনি বাসায় কিছু নিয়ম ফলো করতে পারেন । সেই ক্ষেত্রে অবশ্যই উপকার পাবেন ।

    ১। প্রচুর পানি খেতে হবে

    কিডনি ব্যথা কমানোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন উপায় পর্যাপ্ত পানি খাওয়া । একজন সুস্থ মানুষের প্রতিদিন ২-৩ লিটার পানি খাওয়া উচিত । আপনার যদি কিডনি পাথর থাকে সেইক্ষেত্রে আরো বেশি পানি পান করতে হবে , যাতে প্রস্রাবের সাথে পাথর বের হয়ে যায় । কিডনি পাথর ছোট হলে , বিশেষ করে ৪ মিমি এর কম হলে পাথর প্রস্রাবের সাথে এমনিতেই বের হয়ে যায় । এছাড়া প্রস্রাব কম হলে বা প্রস্রাব থলিতে প্রস্রাব জমা হয়ে থাকলে প্রস্রাবে ইনফেকশন হতে পারে , তাই পর্যাপ্ত পানি খেতে হবে যাতে  প্রচুর প্রস্রাব হয় । ভালভাবে প্রস্রাব হলে ইনফেকশন হওয়ার সুযোগ নেই , ফলে সব জীবানু প্রস্রাবের সাথে বের হয়ে যাচ্ছে ।   এছাড়া চা কফি এবং কোলা এইসব পানীয় কম খেতে হবে ।

    ২। পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে হবে

    কিডনি ব্যথা দূর করার জন্য বিশ্রাম অনেক সময় অনেক উপকারি । বিশেষ করে কিডনি পাথর বা কিডনি ইনজুরি হলে অতিরিক্ত হাঁটাচলা , কাজকর্ম এবং বেশি  এক্সারসাইজ করলে ব্লিডিং বাড়তে পারে । তাই ব্যথা হলে রেস্ট নেওয়াই উত্তম । যেইভাবে শুইলে ভাল লাগে কিডনি ব্যথা কম হয় , সেইভাবে শুয়ে থাকতে হবে ।

    ৩। গরম সেঁক দিতে পারেন

    গরম সেঁক ব্যথা কমানোর জন্য অনেক ভাল একটা উপায় । ব্যথার জায়গায় হালকা গরম সেঁক দিতে পারেন । গরম সেঁক দিলে রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি পায় , নার্ভের সেনসেশন কমে । ফলে আরাম অনুভব হয় । তবে গরম সেঁক দেওয়ার সময় সাবধানে দিতে হবে , যাতে পুড়ে না যায় ।

     

    ৪।  চিকিৎসকের পরামর্শে এন্টিবায়োটিক নিতে হবে

    চিকিৎসকের পরামর্শে প্রস্রাবে ইনফেকশনের ক্ষেত্রে এন্টিবায়োটিক নেওয়া যেতে পারে । তবে অবশ্যই শুধু এন্টিবায়োটিকে কাজ হবে না , আপনি অবশ্যই পর্যাপ্ত পানি খেতে হবে এবং বাসায় বেশ কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে । বাসায় ঘরোয়াভাবে প্রস্রাবে ইনফেশন দূর করার  উপায়,  জন্য ভিডিও দেখতে পারেন  ।

     

    ৫। ভিটামিন সি কম  খেতে হবে

    ভিটামিন সি  শরীরের  জন্য অত্যান্ত প্রয়োজনীয় জিনিস । বিশেষ করে ভিটামিন সি হাড়ের গঠনের জন্য এবং শরীরে  ঘা বা ক্ষত শুকানোর   খুবই উপকারী ।  কিন্তু কিডনি ব্যথার ক্ষেত্রে বেশি পরিমান ভিটামিন সি  খেলে সমস্যা হতে পারে , কারন অতিরিক্ত ভিটামিন সি খেলে সেটা কিডনিতে অক্সালেটে পরিনত হয় , পরে এই  অক্সালেট কিডনি পাথরে পরিনত হয় । তাই কিডনি পাথরের সমস্যা হলে , ভিটামিন সি কম খাওয়াই উত্তম ।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 124 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
sumi
sumiনতুন
সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

চিড়ার পোলাও রান্নার সহজ রেসিপি

  1. Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    বাঙালির রান্নাঘরে চিঁড়ের পোলাও বেশ জনপ্রিয় একটি খাবার। সকালের জলখাবার হোক বা বিকেলের টিফিন, চিঁড়ের পোলাও যেকোনও সময়েই খাওয়া যেতে পারে। এটি খেতেও অত্যন্ত সুস্বাদু হয়, আর বানাতেও বেশি সময় লাগে না। তাহলে আসুন দেখে নেওয়া যাক চিঁড়ের পোলাও তৈরির রেসিপি - চিঁড়ের পোলাও তৈরির পদ্ধতি ১) সর্বপ্রথমে চিঁড়েবিস্তারিত পড়ুন

    বাঙালির রান্নাঘরে চিঁড়ের পোলাও বেশ জনপ্রিয় একটি খাবার। সকালের জলখাবার হোক বা বিকেলের টিফিন, চিঁড়ের পোলাও যেকোনও সময়েই খাওয়া যেতে পারে। এটি খেতেও অত্যন্ত সুস্বাদু হয়, আর বানাতেও বেশি সময় লাগে না। তাহলে আসুন দেখে নেওয়া যাক চিঁড়ের পোলাও তৈরির রেসিপি –

    চিঁড়ের পোলাও তৈরির পদ্ধতি ১) সর্বপ্রথমে চিঁড়ে ভাল করে ধুয়ে জল ঝরিয়ে নিন। এরপর কড়াইতে তেল গরম করে বাদাম ভেজে তুলে নিন, তারপর আলু সেদ্ধ ভাজুন। ২) এবার সর্ষে, শুকনো লঙ্কা ফোড়ন দিয়ে তাতে পেঁয়াজ ও আদা কুচি দিয়ে ভাজুন। ৩) তারপর কড়াইতে আলু, কাঁচা লঙ্কা কুচি ও হলুদ গুঁড়ো দিয়ে ভালভাবে নাড়াচাড়া করুন। ৪) এবার তাতে চিড়ে দিয়ে মেশান ভাল করে। ৫) এরপর নুন, চিনি, বাদাম দিয়ে একটু নাড়াচাড়া করে রান্না করুন। তারপর নামিয়ে নিন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 64 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন

Sidebar

লগ ইন করুন
  • জনপ্রিয়
  • উত্তর
  • Mithun

    নির্মাণকাজে মরুভূমির বালু কেন ব্যবহার করা হয়না?

    • 12 টি উত্তর
  • Hina Khan

    Is Telegram MOD APK safe to use? What are the ...

    • 9 টি উত্তর
  • shanto

    ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইন আবেদন, লাইসেন্সের অনলাইন কপি ডাউনলোড, লাইসেন্স হয়েছে ...

    • 8 টি উত্তর
  • Admin

    নতুন ক্যাটাগরি "SEO" যুক্ত হলো আড্ডাবাজে!

    • 7 টি উত্তর
  • Mahmudul

    একটি ঘোর লাগানো ছবি দেখাতে পারবেন কি?

    • 6 টি উত্তর
  • Jesmin
    Jesmin একটি উত্তর দিয়েছেন HSC ২০২৬ পরীক্ষা শুরু হতে মাত্র কয়েক সপ্তাহ বাকি। ২… এপ্রিল 27, 2026, সময়ঃ 2:01 অপরাহ্ন
  • Sinclair
    Sinclair একটি উত্তর দিয়েছেন When shopping for best sex dolls, most buyers tend to… এপ্রিল 17, 2026, সময়ঃ 3:10 পূর্বাহ্ন
  • ভবের হাট 🤘
    ভবের হাট 🤘 একটি উত্তর দিয়েছেন হ্যাঁ, Bestchange.com থেকে নিশ্চিতভাবে আয় করা সম্ভব। এটি মূলত একটি… এপ্রিল 15, 2026, সময়ঃ 2:13 অপরাহ্ন
  • ভবের হাট 🤘
    ভবের হাট 🤘 একটি উত্তর দিয়েছেন প্রশ্নোত্তর প্রদানের মাধ্যমে অনলাইনে আয় করার বিষয়টি বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়… এপ্রিল 14, 2026, সময়ঃ 2:11 পূর্বাহ্ন
  • সুমনা
    সুমনা একটি উত্তর দিয়েছেন এসইও (SEO) এর ক্ষেত্রে ব্যাকলিংক একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।… এপ্রিল 14, 2026, সময়ঃ 1:59 পূর্বাহ্ন

জনপ্রিয় গ্রুপ

  • মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    • 4 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 106 বার প্রদর্শিত
  • Knowledge World

    Knowledge World

    • 3 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 116 বার প্রদর্শিত
  • CT Game Review

    CT Game Review

    • 3 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 1,048 বার প্রদর্শিত
  • Earn Money

    • 3 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 155 বার প্রদর্শিত
  • Crazy Time Fun

    Crazy Time Fun

    • 2 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 77 বার প্রদর্শিত

চলতি মাসের সেরা ইউজার

Iyasha

Iyasha

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
SA Samim

SA Samim

  • 13 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
এডিটর
sumi

sumi

  • 20 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
লগ ইন করুন

Explore

  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

Footer

AddaBuzz.net

আড্ডাবাজ একটি সামাজিক প্রশ্নোত্তর ইঞ্জিন। যেখানে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে একে অপরের জ্ঞান আদান-প্রদান হয়। প্রশ্ন করুন, উত্তর দিন, জ্ঞান ভাগাভাগি করুন।

Adv 234x60

aalan

আমাদের সম্পর্কিত

  • আমাদের টিম
  • আমাদের লক্ষ্য

লিগ্যাল স্টাফ

  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions
  • Data Deletion Instructions

সাহায্য

  • Knowledge Base
  • Contact us

আমাদের ফলো করুন

© 2026 AddaBuzz. All Rights Reserved
With Love by AddaBuzz.net

✕
🔔 নোটিফিকেশন চালু করুন নতুন প্রশ্নোত্তর ও ব্লগ আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন