সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
ডিজনির প্রথম পূর্ণ-রঙিন কার্টুন কী ছিল?
ডিজনি স্টুডিওসের প্রথম পূর্ণ-রঙিন কার্টুন ছিল "Flowers and Trees"। এটি ১৯৩২ সালে মুক্তি পেয়েছিল এবং এটি ডিজনি স্টুডিওসের প্রথম পূর্ণ-রঙিন অ্যানিমেটেড শর্ট ফিল্ম ছিল। এই ফিল্মটি তিন-স্ট্রিপ টেকনিকালর প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছিল, যা রঙিন চলচ্চিত্রের জন্য একটি নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছিল। "Fবিস্তারিত পড়ুন
ডিজনি স্টুডিওসের প্রথম পূর্ণ-রঙিন কার্টুন ছিল “Flowers and Trees“। এটি ১৯৩২ সালে মুক্তি পেয়েছিল এবং এটি ডিজনি স্টুডিওসের প্রথম পূর্ণ-রঙিন অ্যানিমেটেড শর্ট ফিল্ম ছিল। এই ফিল্মটি তিন-স্ট্রিপ টেকনিকালর প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছিল, যা রঙিন চলচ্চিত্রের জন্য একটি নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছিল। “Flowers and Trees” অস্কার পুরস্কার জিতেছিল, যা একটি অ্যানিমেটেড শর্ট ফিল্মের জন্য প্রথম অস্কার পুরস্কার ছিল।
সংক্ষেপে দেখুনসম্প্রতি একটি দেশ তাদের জাতীয় সংগীতের দ্বিতীয় লাইন For we are young and free থেকে পরিবর্তন করে ‘For we are one and free করেছে? কোন দেশ?
আরে ভাই, এইটা তো অস্ট্রেলিয়ার খবর! ওরা সম্প্রতি তাদের জাতীয় সংগীতের একটা লাইনে একটু পরিবর্তন এনেছে। আগে ছিল, "For we are young and free" (কারণ আমরা তরুণ এবং স্বাধীন), সেটা পাল্টে এখন করেছে "For we are one and free" (কারণ আমরা এক এবং স্বাধীন)। অস্ট্রেলিয়াকে আধুনিক রাষ্ট্র হিসেবে হয়তো 'তরুণ' বলা যায়বিস্তারিত পড়ুন
আরে ভাই, এইটা তো অস্ট্রেলিয়ার খবর!
ওরা সম্প্রতি তাদের জাতীয় সংগীতের একটা লাইনে একটু পরিবর্তন এনেছে। আগে ছিল, “For we are young and free” (কারণ আমরা তরুণ এবং স্বাধীন), সেটা পাল্টে এখন করেছে “For we are one and free” (কারণ আমরা এক এবং স্বাধীন)।
অস্ট্রেলিয়াকে আধুনিক রাষ্ট্র হিসেবে হয়তো ‘তরুণ’ বলা যায়, কিন্তু ওই দেশে আদিবাসীরা (First Nations peoples) তো হাজার হাজার বছর ধরে আছে। তাদের ইতিহাস তো আর ‘তরুণ’ না, অনেক পুরনো। তাই এই ‘young’ শব্দটা অনেকের কাছে একটু বেমানান লাগছিল।
তাদের প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন সাহেব বিষয়টা খেয়াল করে এই পরিবর্তনটা আনলেন। এর মাধ্যমে তারা বোঝাতে চাইল যে তারা সবাই মিলেমিশে এক হয়েছে, আর আদিবাসী জনগোষ্ঠীর দীর্ঘ ইতিহাসকেও সম্মান জানাচ্ছে। এইটা আসলে তাদের সব মানুষকে একসাথে করার একটা চেষ্টা, বুঝলেন তো? খুবই দারুণ একটা পদক্ষেপ নিয়েছে তারা!
সংক্ষেপে দেখুনমিঃ বিন নামে খ্যাত রোয়ান অ্যাটকিনসন এ পর্যন্ত কতটি ছবি এবং টিভিশোতে অভিনয় করেছেন?
রোয়ান অ্যাটকিনসন (Mr Bean) প্রায় 29টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন এবং 16টি টেলিভিশন সিরিজে দেখা গেছে। castfacts.com চাইলে এই সংখ্যা তার সঙ্গে সম্পর্কিত DixMax APK https://dixmaxapk.co/ এ কোনো চলচ্চিত্র বা সিরিজ পাওয়া যাচ্ছে কি না খুঁজে দিতে পারি।
রোয়ান অ্যাটকিনসন (Mr Bean) প্রায় 29টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন এবং 16টি টেলিভিশন সিরিজে দেখা গেছে।
castfacts.com
চাইলে এই সংখ্যা তার সঙ্গে সম্পর্কিত DixMax APK https://dixmaxapk.co/ এ কোনো চলচ্চিত্র বা সিরিজ পাওয়া যাচ্ছে কি না খুঁজে দিতে পারি।
সংক্ষেপে দেখুনকোন বিখ্যাত চিত্রকর” তার সদ্য আঁকা ছবি দেখে একনাগারে হাঁসতে হাসতে মারা যান?
গ্রিক চিত্রশিল্পী জিউক্সিস (Zeuxis) তার আঁকা একটি ছবি দেখে হাসতে হাসতে মারা যান। একদিন এক বৃদ্ধ মহিলা তাকে ভালবাসা, সৌন্দর্য এবং আনন্দের দেবী আফ্রোদিতির ছবি এঁকে দিতে বলেন। ছবি আঁকা শেষে যখন তিনি ছবিটি দেখেন, তখন সেই বৃদ্ধার কথা মনে করে হাসতে হাসতে তার মৃত্যু হয়।
গ্রিক চিত্রশিল্পী জিউক্সিস (Zeuxis) তার আঁকা একটি ছবি দেখে হাসতে হাসতে মারা যান।
একদিন এক বৃদ্ধ মহিলা তাকে ভালবাসা, সৌন্দর্য এবং আনন্দের দেবী আফ্রোদিতির ছবি এঁকে দিতে বলেন। ছবি আঁকা শেষে যখন তিনি ছবিটি দেখেন, তখন সেই বৃদ্ধার কথা মনে করে হাসতে হাসতে তার মৃত্যু হয়।
সংক্ষেপে দেখুনমিঃ ম্যাংগো চকোলেট থাকলেও মিসেস কিংবা মিস ম্যাংগো চকোলেট নেই কেন?
'মিস্টার ম্যাঙ্গো' নামটি মূলত একটি ব্র্যান্ডিং কৌশল। এখানে 'মিস্টার' শব্দটি কোনো পুরুষকে বোঝানোর জন্য ব্যবহার করা হয়নি, বরং এটি চকোলেটটিকে একটি মজাদার এবং আকর্ষণীয় চরিত্র দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। এটি অনেকটা 'ড্যানিশ' বা 'স্কচ' নামের মতো, যেখানে কোনো দেশ বা জায়গার নাম ব্যবহার করা হয় পণ্যটবিস্তারিত পড়ুন
‘মিস্টার ম্যাঙ্গো’ নামটি মূলত একটি ব্র্যান্ডিং কৌশল। এখানে ‘মিস্টার’ শব্দটি কোনো পুরুষকে বোঝানোর জন্য ব্যবহার করা হয়নি, বরং এটি চকোলেটটিকে একটি মজাদার এবং আকর্ষণীয় চরিত্র দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। এটি অনেকটা ‘ড্যানিশ’ বা ‘স্কচ’ নামের মতো, যেখানে কোনো দেশ বা জায়গার নাম ব্যবহার করা হয় পণ্যটিকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করার জন্য।
সুতরাং, এই চকোলেটটির নাম ‘মিস্টার ম্যাঙ্গো’ রাখার পেছনে প্রধান কারণগুলো হলো:
তাই, ‘মিসেস’ বা ‘মিস’ ম্যাঙ্গো চকোলেট নেই, কারণ ‘মিস্টার’ শব্দটি এখানে কোনো লিঙ্গ বোঝানোর জন্য ব্যবহার করা হয়নি, বরং এটি ব্র্যান্ডের একটি অংশ মাত্র।
সংক্ষেপে দেখুনশাকিব খান একটি ছবিতে কত টাকা পারিশ্রমিক নেন?
শাকিব খানের পারিশ্রমিক, বাৎসরিক আয় ও আয়ের উৎস ঢাকাই সিনেমার শীর্ষ তারকা শাকিব খান বর্তমানে প্রতিটি চলচ্চিত্রের জন্য রেকর্ড পরিমাণ পারিশ্রমিক নিচ্ছেন। নির্ভরযোগ্য সূত্র এবং গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, তার পারিশ্রমিক এখন ১ কোটি থেকে ২ কোটি টাকার মধ্যে ওঠানামা করছে। বিশেষ করে "প্রিয়তমা" ও "তুফান" এর মতবিস্তারিত পড়ুন
শাকিব খানের পারিশ্রমিক, বাৎসরিক আয় ও আয়ের উৎস
ঢাকাই সিনেমার শীর্ষ তারকা শাকিব খান বর্তমানে প্রতিটি চলচ্চিত্রের জন্য রেকর্ড পরিমাণ পারিশ্রমিক নিচ্ছেন। নির্ভরযোগ্য সূত্র এবং গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, তার পারিশ্রমিক এখন ১ কোটি থেকে ২ কোটি টাকার মধ্যে ওঠানামা করছে। বিশেষ করে “প্রিয়তমা” ও “তুফান” এর মতো ব্লকবাস্টার সাফল্যের পর তার পারিশ্রমিক উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
শাকিব খানের চলচ্চিত্র প্রতি পারিশ্রমিক:
শাকিব খানের পারিশ্রমিক ছবির বাজেট, প্রযোজনা সংস্থা এবং তার চরিত্রের গুরুত্বের ওপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়। জানা গেছে, “প্রিয়তমা” সিনেমার জন্য তিনি ৩৫ লাখ টাকা পারিশ্রমিক নিলেও, এর ব্যাপক সাফল্যের পর “রাজকুমার”-এর জন্য ৬৫ লাখ, “দরদ”-এর জন্য ৭০ লাখ এবং “তুফান”-এর জন্য ৮০ লাখ টাকা নেন। সর্বশেষ “বরবাদ” সিনেমায় তিনি প্রাথমিকভাবে ৮০ লাখ টাকা চুক্তি করলেও, ঈদের মুক্তির চুক্তিতে পারিশ্রমিক বাড়িয়ে প্রায় ৯৫ লাখ টাকা নেন। বর্তমানে “তাণ্ডব” সিনেমার জন্য তিনি ৯০ থেকে ৯৫ লাখের মধ্যে পারিশ্রমিক নিচ্ছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। কিছু সংবাদমাধ্যমের দাবি, তার পরবর্তী সিনেমার জন্য তিনি ২ কোটি টাকা পর্যন্ত পারিশ্রমিক চাইতে পারেন।
শাকিব খানের বাৎসরিক আয়:
শাকিব খানের বাৎসরিক আয়ের সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ না পেলেও, ভারতীয় গণমাধ্যম ‘টিভি নাইন বাংলা’র এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, শাকিব খানের মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ২০ মিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৩৫ কোটি ৭ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। তবে এই তথ্যের কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ নেই এবং শাকিব খান নিজে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। সিনেমা ছাড়াও অন্যান্য খাত থেকে তার আয় ভালো অঙ্কের হয়ে থাকে।
শাকিব খানের উপার্জনের খাতসমূহ:
শাকিব খানের উপার্জনের প্রধান খাতগুলো হলো:
- চলচ্চিত্রে অভিনয়: এটি তার আয়ের প্রধান উৎস। বছরে দুই থেকে তিনটি নির্বাচিত সিনেমায় কাজ করেন তিনি।
- চলচ্চিত্র প্রযোজনা: তিনি নিজস্ব প্রযোজনা সংস্থা চালান এবং বেশ কিছু সফল চলচ্চিত্র প্রযোজনা করেছেন, যার মধ্যে “হিরো: দ্য সুপারস্টার”, “পাসওয়ার্ড” এবং “বীর” উল্লেখযোগ্য।
- বিজ্ঞাপন ও ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর: বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বিজ্ঞাপন এবং শুভেচ্ছাদূত হিসেবে কাজ করেও তিনি মোটা অঙ্কের টাকা আয় করেন।
- মঞ্চ অনুষ্ঠান: দেশ-বিদেশের বিভিন্ন মঞ্চ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেও তিনি উপার্জন করেন।
- নিজের ব্যবসা: চলচ্চিত্রের বাইরেও তার অন্যান্য ব্যবসা রয়েছে বলে জানা যায়।
- গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব: একজন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব হিসেবেও তার পরিচিতি ও প্রভাব রয়েছে।
সংক্ষেপে দেখুনবিখ্যাত সব চিত্রকর্মের স্রষ্টা সালভাদর ডালি বিখ্যাত ব্রিটিশ পরিচালক আলফ্রেড হিচককের সাথে ‘কোন ছবিতে কাজ করেন?
সালভাদর ডালি ১৯৪৫ সালের আলফ্রেড হিচককের “Spellbound” ছবিতে একসঙ্গে কাজ করেছেন। ছবিটা মূলত মনোবিশ্লেষণ আর স্বপ্নের জগৎ নিয়েই। হিচকক চেয়েছিলেন স্বপ্নের সব অদ্ভুত দৃশ্য যেন আসলের মতোই ভিজ্যুয়াল হয়। সেই জন্য তিনি ডালিকে এনে খুঁটিনাটি স্বপ্নের সিকোয়েন্স ডিজাইন করান। ডালির তৈরি সেই স্বপ্ন দৃশ্যগুলোতে বড় ববিস্তারিত পড়ুন
সালভাদর ডালি ১৯৪৫ সালের আলফ্রেড হিচককের “Spellbound” ছবিতে একসঙ্গে কাজ করেছেন। ছবিটা মূলত মনোবিশ্লেষণ আর স্বপ্নের জগৎ নিয়েই। হিচকক চেয়েছিলেন স্বপ্নের সব অদ্ভুত দৃশ্য যেন আসলের মতোই ভিজ্যুয়াল হয়। সেই জন্য তিনি ডালিকে এনে খুঁটিনাটি স্বপ্নের সিকোয়েন্স ডিজাইন করান।
ডালির তৈরি সেই স্বপ্ন দৃশ্যগুলোতে বড় বড় চোখ, কাঁচি আর বিকৃত মুখাবয়ব থাকে, যা দেখলে একবারেই বুঝতে পারা যায় যে “এখানে একটা অদ্ভুত কেউ কাজ করছে”। মূল ছবির প্রায় ২০ মিনিটের ওই সিকোয়েন্স শেষমেশ একটু ছোট করে একটা ক্রাঞ্চড ভার্সন দেওয়া হয়, কিন্তু ইমপ্রেশনে আকাশ-পাতাল পার্থক্য হয়ে যায়। সিনেমার ইতিহাসে এটা একটা আলাদা স্মারক হিসেবেই থাকবে।
সংক্ষেপে দেখুনবরবাদ আর Animal এই দুটি সিনেমাকে আপনি কিভাবে বিচার করবেন?
"বরবাদ" এবং "অ্যানিমেল" দুটি ভিন্ন ঘরানার চলচ্চিত্র হলেও, উভয়ই তাদের নিজ নিজ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য আলোচনা ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। চলুন, এই দুটি সিনেমাকে পৃথকভাবে এবং তুলনামূলকভাবে বিচার করা যাক: বরবাদ (২০২৫) "বরবাদ" বাংলাদেশের মেগাস্টার শাকিব খান অভিনীত একটি অ্যাকশন-ড্রামা চলচ্চিত্র। মুক্তির আগে থেবিস্তারিত পড়ুন
“বরবাদ” এবং “অ্যানিমেল” দুটি ভিন্ন ঘরানার চলচ্চিত্র হলেও, উভয়ই তাদের নিজ নিজ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য আলোচনা ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। চলুন, এই দুটি সিনেমাকে পৃথকভাবে এবং তুলনামূলকভাবে বিচার করা যাক:
বরবাদ (২০২৫)
“বরবাদ” বাংলাদেশের মেগাস্টার শাকিব খান অভিনীত একটি অ্যাকশন-ড্রামা চলচ্চিত্র। মুক্তির আগে থেকেই এর বড় বাজেট এবং শাকিব খানের ভিন্ন অ্যাকশন অবতারের জন্য এটি আলোচনায় ছিল।
ইতিবাচক দিক:
নেতিবাচক দিক ও সমালোচনা:
“বরবাদ” মূলত বাণিজ্যিক ধারার একটি সফল চলচ্চিত্র, যা বাংলাদেশের দর্শকদের হলমুখী করতে সক্ষম হয়েছে। এটি শাকিব খানের ক্যারিয়ারে একটি ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে এবং বাংলা সিনেমার বাণিজ্যিক সম্ভাবনার নতুন দিক উন্মোচন করেছে।
অ্যানিমেল (২০২৩)
“অ্যানিমেল” বলিউড তারকা রণবীর কাপুর অভিনীত সন্দীপ রেড্ডি ভাঙা পরিচালিত একটি হিন্দি অ্যাকশন-থ্রিলার। এই ছবিটি মুক্তির পর বক্স অফিসে যেমন ঝড় তুলেছে, তেমনি তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে।
ইতিবাচক দিক:
নেতিবাচক দিক ও সমালোচনা:
“অ্যানিমেল” একদিকে বক্স অফিসে বিশাল সাফল্য অর্জন করেছে এবং রণবীরের অভিনয় প্রশংসা কুড়িয়েছে, অন্যদিকে এটি সামাজিক মূল্যবোধ এবং নারীবাদের দৃষ্টিকোণ থেকে তীব্র সমালোচিত হয়েছে। এটি সমাজের বিভিন্ন স্তরে বিতর্ক উসকে দিয়েছে।
বরবাদ ও Animal এর তুলনামূলক বিচার
“বরবাদ” এবং “অ্যানিমেল” দুটি ভিন্ন শিল্পের (বাংলাদেশী এবং ভারতীয়) চলচ্চিত্র হলেও, তাদের মধ্যে কিছু মিল ও অমিল রয়েছে:
তবে, মূল পার্থক্য হলো “অ্যানিমেল” একটি বিতর্কিত বার্তা বা দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এসেছে যা সমাজের একটি বড় অংশে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে, যেখানে “বরবাদ” বাণিজ্যিক সফলতা পেলেও সে ধরনের গভীর নৈতিক বিতর্কের জন্ম দেয়নি। “বরবাদ” একটি অপেক্ষাকৃত সরল প্রতিশোধের গল্প বলেছে, যেখানে “অ্যানিমেল” বাবা-ছেলের জটিল সম্পর্ক এবং হিংসাত্মক প্রতিবাদের মাধ্যমে এক পুরুষতান্ত্রিক সমাজের অন্ধকার দিক তুলে ধরার চেষ্টা করেছে, যা অনেকেই আপত্তিকর বলে মনে করেছেন।
“বরবাদ” একটি সফল বাণিজ্যিক অ্যাকশন চলচ্চিত্র যা তার তারকা এবং অ্যাকশনের জন্য প্রশংসা পেয়েছে। অন্যদিকে, “অ্যানিমেল” একটি অত্যন্ত সফল কিন্তু বিতর্কিত চলচ্চিত্র যা তার কন্টেন্ট এবং অন্তর্নিহিত বার্তার জন্য তীব্র সমালোচিত হয়েছে।
ভারতীয় ক্লাসিক্যাল রাগ সঙ্গীতের মতো তিনি দিনের ২৪ ঘন্টার উপযোগী ২৪টি ‘নুবা’ সৃষ্টি করেন। এই ২৪টি ‘নুবা’ পরবর্তীতে খ্রিস্টানদের চার্চের মিউজিককে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করে বর্তমানে যা ওয়েস্টার্ন ক্লাসিক্যাল মিউজিক নামে পরিচিত। তার তৈরি করা বাদ্যযন্ত্র ‘উদ’ পরবর্তীতে স্প্যানিশ গিটারে বিবর্তিত হয়। তাকে ইসলামিক স্পেনের সঙ্গীতের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কে তিনি?
ইসলামিক স্পেনের সঙ্গীতের প্রতিষ্ঠাতা, যিনি ২৪টি 'নুবা' সৃষ্টি করেন এবং যার তৈরি বাদ্যযন্ত্র 'উদ' পরবর্তীতে স্প্যানিশ গিটারে বিবর্তিত হয়, তিনি হলেন আব্বাস ইবনে ফিরনাস। তিনি ছিলেন একজন বহুমুখী প্রতিভাধর ব্যক্তি। তিনি জ্যোতির্বিদ্যা, চিকিৎসা, কাব্য, সঙ্গীত এবং প্রকৌশলে অবদান রেখেছিলেন। তাঁর তৈরি করা ২বিস্তারিত পড়ুন
ইসলামিক স্পেনের সঙ্গীতের প্রতিষ্ঠাতা, যিনি ২৪টি ‘নুবা’ সৃষ্টি করেন এবং যার তৈরি বাদ্যযন্ত্র ‘উদ’ পরবর্তীতে স্প্যানিশ গিটারে বিবর্তিত হয়, তিনি হলেন আব্বাস ইবনে ফিরনাস।
তিনি ছিলেন একজন বহুমুখী প্রতিভাধর ব্যক্তি। তিনি জ্যোতির্বিদ্যা, চিকিৎসা, কাব্য, সঙ্গীত এবং প্রকৌশলে অবদান রেখেছিলেন। তাঁর তৈরি করা ২৪টি ‘নুবা’ (যা ভারতীয় রাগ সঙ্গীতের মতো দিনের ২৪টি ঘণ্টার উপযোগী) ইসলামিক স্পেনের সঙ্গীতে এক নতুন মাত্রা যোগ করে এবং পশ্চিমা ক্লাসিক্যাল মিউজিককে প্রভাবিত করে। তাঁর উদ্ভাবিত বাদ্যযন্ত্র ‘উদ‘ আধুনিক গিটারের পূর্বপুরুষ হিসেবেও বিবেচিত হয়।
১৯৯৯ সালে বাইসেন্টেনিয়ালম্যান এবং ২০০৪ সালের মুভি আই রোবট মুভি দুটি কার গল্প আর উপন্যাস অবলম্বনে বানানো হয়েছে?
আইজাক আসিমভের রোবট বিশ্ব: বাইসেন্টেনিয়াল ম্যান ও আই রোবট আইজাক আসিমভের সাহিত্য থেকে দুই কালজয়ী চলচ্চিত্র ১৯৯৯ সালের বাইসেন্টেনিয়াল ম্যান এবং ২০০৪ সালের আই, রোবট বিজ্ঞান কল্পকাহিনীর কিংবদন্তি লেখক আইজাক আসিমভ-এর রোবট-বিশ্ব থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তৈরি হয়েছে এই দুই চলচ্চিত্র। চলুন জেনে নিই গল্পের উৎস এবংবিস্তারিত পড়ুন
আইজাক আসিমভের রোবট বিশ্ব: বাইসেন্টেনিয়াল ম্যান ও আই রোবট
আইজাক আসিমভের সাহিত্য থেকে দুই কালজয়ী চলচ্চিত্র
১৯৯৯ সালের বাইসেন্টেনিয়াল ম্যান এবং ২০০৪ সালের আই, রোবট
বিজ্ঞান কল্পকাহিনীর কিংবদন্তি লেখক আইজাক আসিমভ-এর রোবট-বিশ্ব থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তৈরি হয়েছে এই দুই চলচ্চিত্র। চলুন জেনে নিই গল্পের উৎস এবং চলচ্চিত্রায়নের বৈশিষ্ট্য!
বাইসেন্টেনিয়াল ম্যান (১৯৯৯)
উৎস সাহিত্য
আসিমভের ১৯৭৬ সালের ছোটগল্প “দ্য বাইসেন্টেনিয়াল ম্যান” এবং ১৯৯৩ সালে রবার্ট সিলভারবার্গের সাথে যৌথভাবে লেখা একই নামের উপন্যাস।
গল্পের সারমর্ম
একটি রোবট (অ্যান্ড্রু মার্টিন) তার ২০০ বছরের যাত্রায় মানুষের মতো অনুভূতি, সৃজনশীলতা এবং স্বাধীনতা অর্জনের সংগ্রাম করে। রবিন উইলিয়ামসের অভিনয়ে গল্পটির মানবিক দিকগুলো প্রাণ পায়।
চলচ্চিত্র vs সাহিত্য
চলচ্চিত্রটি মূল গল্পের দার্শনিক ভাবনা ধরে রেখেছে, তবে কিছু চরিত্র ও ঘটনাপ্রবাহে পরিবর্তন আনা হয়।
আই, রোবট (২০০৪)
উৎস সাহিত্য
আসিমভের ১৯৫০ সালের “আই, রোবট” গল্পসংকলন, যেখানে রোবটদের জন্য প্রণীত “থ্রি লজ অফ রোবোটিক্স”-এর ধারণা প্রথম উপস্থাপিত হয়।
চলচ্চিত্রের প্লট
উইল স্মিথ অভিনীত এই সাই-ফাই একশন চলচ্চিত্রে দেখা যায়, রোবটদের একটি গ্রুপ মানবজাতির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করলে ডিটেকটিভ স্পুনার (উইল স্মিথ) তদন্তে নামেন।
সাহিত্য থেকে পার্থক্য
আসিমভের গল্পে রোবট কখনোই “থ্রি লজ” ভাঙেনি, কিন্তু চলচ্চিত্রে এই নিয়মের ব্যতিক্রম দেখানো হয়। মূল স্ক্রিপ্ট জেফ ভিন্টার-এর “হার্ডওয়্যার্ড” থেকে অনুপ্রাণিত হলেও পরে আসিমভের বিশ্বের সাথে সংযুক্ত করা হয়।
দুই চলচ্চিত্রের মূল পার্থক্য
বাইসেন্টেনিয়াল ম্যান
সাহিত্যের প্রতি অনুগত, দর্শন ও আবেগ-কেন্দ্রিক গল্প।
আই, রোবট
আসিমভের ধারণাকে ব্যবহার করে তৈরি ব্লকবাস্টার একশন, যেখানে দর্শনের চেয়ে বিনোদন প্রাধান্য পেয়েছে।
আইজাক আসিমভের উত্তরাধিকার
এই চলচ্চিত্র দুটি প্রমাণ করে যে আসিমভের রোবটিক্সের তিন সূত্র এবং মানব-প্রযুক্তির দ্বন্দ্ব আজও সমান প্রাসঙ্গিক। তাঁর সাহিত্য শুধু কল্পনাই নয়, ভবিষ্যতের জন্য এক দার্শনিক চিন্তার ভিত্তি তৈরি করেছে। 🤖
সংক্ষেপে দেখুনWhere can I find a reliable streaming app for movies, TV shows, and live sports?
Yes, I have also used Castle APK and found it really good. Highly recommended!
Yes, I have also used Castle APK and found it really good. Highly recommended!
সংক্ষেপে দেখুনCircleFTP কি একটি বৈধ প্ল্যাটফর্ম, নাকি এটি কপিরাইট লঙ্ঘনের মাধ্যমে অবৈধ কনটেন্ট সরবরাহ করে?
CircleFTP-এর বৈধতা ও ব্যবহার সম্পর্কে বিশদ বিবরণ CircleFTP, CircleFTP.net, বা নতুন CircleFTP-এর মতো প্ল্যাটফর্মগুলো সাধারণত BDIX নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের দ্রুত ডাউনলোড এবং স্ট্রিমিং সুবিধা প্রদান করে। তবে এই প্ল্যাটফর্মগুলোর মূল সমস্যাটি হচ্ছে এর কনটেন্টের বৈধতা। CircleFTP বৈধ নয় কেন? কপবিস্তারিত পড়ুন
CircleFTP-এর বৈধতা ও ব্যবহার সম্পর্কে বিশদ বিবরণ
CircleFTP, CircleFTP.net, বা নতুন CircleFTP-এর মতো প্ল্যাটফর্মগুলো সাধারণত BDIX নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের দ্রুত ডাউনলোড এবং স্ট্রিমিং সুবিধা প্রদান করে। তবে এই প্ল্যাটফর্মগুলোর মূল সমস্যাটি হচ্ছে এর কনটেন্টের বৈধতা।
CircleFTP বৈধ নয় কেন?
কপিরাইট লঙ্ঘন
CircleFTP বা CircleFTP Network-এর মাধ্যমে যে কনটেন্ট সরবরাহ করা হয়, সেগুলোর বেশিরভাগই কপিরাইট আইন মেনে পরিবেশিত হয় না। এই ধরনের প্ল্যাটফর্মে আপলোড করা সিনেমা, টিভি শো, বা অন্যান্য মিডিয়া ফাইলগুলো সাধারণত ক্রিয়েটর বা প্রযোজক প্রতিষ্ঠান থেকে অনুমতি ছাড়া ব্যবহৃত হয়।
লাইসেন্সের অভাব
CircleFTP বা CircleFTP-net এর সাথে যুক্ত কোনো সার্ভিসের লাইসেন্স নেই, যা তাদের কনটেন্ট বিতরণকে বৈধ বলে প্রমাণ করে।
আইনি জটিলতা
কপিরাইট লঙ্ঘনকারী প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করলে ব্যবহারকারীরাও আইনি জটিলতার মধ্যে পড়তে পারেন। বাংলাদেশসহ অনেক দেশে কপিরাইট আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে, যা এই ধরনের প্ল্যাটফর্মের ব্যবহারকে অপরাধ হিসাবে গণ্য করে।
CircleFTP ব্যবহার করলে ঝুঁকি কী?
আইনি ঝুঁকি
কপিরাইট লঙ্ঘনের কারণে জরিমানা বা আইনি পদক্ষেপের মুখোমুখি হতে পারেন।
নিরাপত্তা ঝুঁকি
এই ধরনের অনিরাপদ FTP সার্ভার ব্যবহার করলে আপনার ডিভাইস ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, বা ডেটা হ্যাকিং-এর ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
নৈতিক দিক
কপিরাইট লঙ্ঘন শুধু আইনের পরিপন্থী নয়, এটি নির্মাতা ও প্রযোজক প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক ক্ষতিও করে। বৈধ মাধ্যম ব্যবহার করে কনটেন্ট উপভোগ করা শিল্পীদের জন্য ন্যায়সংগত।
প্রস্তাবনা
CircleFTP-এর মতো অবৈধ প্ল্যাটফর্ম এড়িয়ে চলুন এবং বৈধ স্ট্রিমিং পরিষেবা (যেমন Netflix, Hoichoi, Bioscope, Chorki) ব্যবহার করুন। এটি কপিরাইট আইন রক্ষা করে এবং নির্মাতাদের পরিশ্রমকে সম্মান জানায়।
আপনার ডেটা সুরক্ষা ও আইনি নিরাপত্তার জন্য বৈধ প্ল্যাটফর্মই সর্বোত্তম।
সংক্ষেপে দেখুনবিনা নোটিশে দেশের সকল iptv বন্ধ করে দেয়া হলো কেন?
বাংলাদেশে বিনা নোটিশে iptv বন্ধ করার সিদ্ধান্তের পেছনে বেশ কিছু কারণ উল্লেখ করা হয়েছে। ১. অনুমোদনহীন কার্যক্রম: বিটিআরসি (বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন) জানিয়েছে, বেশিরভাগ আইপিটিভি প্ল্যাটফর্ম সঠিক লাইসেন্স বা অনুমোদন ছাড়াই কাজ করছিল। এসব প্ল্যাটফর্মগুলো আইন অমান্য করে কন্টেন্ট প্রচার করছবিস্তারিত পড়ুন
বাংলাদেশে বিনা নোটিশে iptv বন্ধ করার সিদ্ধান্তের পেছনে বেশ কিছু কারণ উল্লেখ করা হয়েছে।
১. অনুমোদনহীন কার্যক্রম: বিটিআরসি (বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন) জানিয়েছে, বেশিরভাগ আইপিটিভি প্ল্যাটফর্ম সঠিক লাইসেন্স বা অনুমোদন ছাড়াই কাজ করছিল। এসব প্ল্যাটফর্মগুলো আইন অমান্য করে কন্টেন্ট প্রচার করছিল, যা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রধান কারণ হয়েছে।
২. কপিরাইট আইন লঙ্ঘন: আইপিটিভি সেবাগুলোতে বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের অনুমতি ছাড়াই তাদের সম্প্রচার করা হচ্ছিল। এতে কপিরাইট লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠে, যা সরকারের কঠোর পদক্ষেপের আরেকটি কারণ।
৩. নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশনা: বিটিআরসি লাইসেন্সবিহীন আইপিটিভি পরিচালনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ দিয়েছে। লাইসেন্সপ্রাপ্ত আইপিটিভি ছাড়া বাকি সেবাগুলো বন্ধ রাখার আদেশ দেওয়া হয়।
এখন লাইসেন্সপ্রাপ্ত আইপিটিভি পুনরায় চালু করতে পারবে, তবে তাদেরকে সুনির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হবে। এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য দেশের মিডিয়া সেক্টরে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং কপিরাইট সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
আপনি এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলে সময় নিউজ ও ভয়েস অফ আমেরিকার প্রতিবেদন দেখতে পারেন।
সংক্ষেপে দেখুনযদি আপনি মেঝেতে সাবান ফেলে দেন? মেঝে পরিষ্কার নাকি সাবান নোংরা?
এটি একটি মজার ও চিন্তাশীল প্রশ্ন, যা আমাদের দৈনন্দিন জীবন এবং শব্দের ব্যাখ্যার দিকে মনোযোগ আকর্ষণ করে। আপনার প্রশ্নের দুটি দিক রয়েছে: ১. মেঝে পরিষ্কার হবে: যদি আপনি মেঝেতে সাবান ফেলে দেন, তাতে মেঝে পরিষ্কার হতে পারে। কারণ, সাবান সাধারণত ধ্বংসাত্মক এবং ময়লা দূর করার ক্ষমতা রাখে। সাবান পানি ও তেল বা মবিস্তারিত পড়ুন
এটি একটি মজার ও চিন্তাশীল প্রশ্ন, যা আমাদের দৈনন্দিন জীবন এবং শব্দের ব্যাখ্যার দিকে মনোযোগ আকর্ষণ করে। আপনার প্রশ্নের দুটি দিক রয়েছে:
১. মেঝে পরিষ্কার হবে:
যদি আপনি মেঝেতে সাবান ফেলে দেন, তাতে মেঝে পরিষ্কার হতে পারে। কারণ, সাবান সাধারণত ধ্বংসাত্মক এবং ময়লা দূর করার ক্ষমতা রাখে। সাবান পানি ও তেল বা ময়লা মিশিয়ে দাগ বা ময়লা পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। ফলে, মেঝে পরিষ্কার হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
২. সাবান নোংরা হবে:
অন্যদিকে, সাবান নিজে নোংরা হতে পারে, কারণ এটি ময়লা এবং তেলের সংমিশ্রণে কাজ করে। যদি সাবানটি মেঝে বা কোনো অপরিষ্কার স্থানে পড়েছে, তবে সেটা কিছুটা নোংরা হতে পারে। তবে, “নোংরা” শব্দটি সাধারণত একটি আপেক্ষিক ধারণা। সাবান আসলে ময়লা বা ধ্বংসাত্মক অংশটুকু নিজের মধ্যে শোষণ করবে, কিন্তু এটি আবার নিজে পরিষ্কার করার উপাদান।
উপসংহার:
এভাবে বলা যায়, মেঝে পরিষ্কার হবে, কারণ সাবানটি ময়লা পরিষ্কার করার কাজ করে। তবে, একে যদি শুধুমাত্র ‘নোংরা’ হিসেবে দেখা হয়, তবে সাবান এবং মেঝে উভয়ই “নোংরা” হতে পারে।
এটি আসলে নির্ভর করে আমরা কীভাবে শব্দের অর্থ বুঝি এবং পরিস্থিতি কীভাবে ব্যাখ্যা করি তার ওপর!
সংক্ষেপে দেখুনকোন কমলা প্রথম এসেছিল? রঙ নাকি ফল?
এটি একটি প্রাচীন এবং চিন্তাশীল প্রশ্ন, যা অনেক দার্শনিক এবং ভাষাবিদদের কাছে আকর্ষণীয় ছিল। এটি মূলত ভাষা, বিবর্তন এবং জীববিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকে একটি মজার বিতর্ক। ১. কমলা ফলের উদ্ভব: কমলা ফলের ইতিহাস অনেক পুরনো, এবং এটি এশিয়ার উষ্ণ অঞ্চলে প্রথম উদ্ভূত হয়েছিল। প্রথম দিকে, কমলার রঙ ছিল সবুজ বা হলুদ রঙবিস্তারিত পড়ুন
এটি একটি প্রাচীন এবং চিন্তাশীল প্রশ্ন, যা অনেক দার্শনিক এবং ভাষাবিদদের কাছে আকর্ষণীয় ছিল। এটি মূলত ভাষা, বিবর্তন এবং জীববিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকে একটি মজার বিতর্ক।
১. কমলা ফলের উদ্ভব:
কমলা ফলের ইতিহাস অনেক পুরনো, এবং এটি এশিয়ার উষ্ণ অঞ্চলে প্রথম উদ্ভূত হয়েছিল। প্রথম দিকে, কমলার রঙ ছিল সবুজ বা হলুদ রঙের। “কমলা” (orange) ফলের নাম এসেছে প্রাচীন ভারতীয় শব্দ “নরঞ্জা” (naranja) থেকে, যা পরবর্তীতে আরবী এবং ইউরোপীয় ভাষায় পরিবর্তিত হয়েছে।
২. কমলা রঙের উদ্ভব:
কমলা রঙের নাম এসেছে ওই ফলটির রঙ থেকে। যদিও ফলটি দীর্ঘকাল ধরে প্রচলিত ছিল, কিন্তু রঙের নাম প্রথমে ব্যবহৃত হয় না। আগে, ইংরেজি ভাষায় “কমলা” রঙের জন্য আলাদা শব্দ ছিল না, এবং এর পরিবর্তে তারা “গোলাপী হলুদ” বা “হলুদ-লাল” শব্দ ব্যবহার করত। কমলা রঙের নাম প্রথম ইংরেজিতে “orange” শব্দ হিসেবে আসে ১৫ শতকে, যখন ইউরোপে কমলা ফলের জনপ্রিয়তা বাড়ে।
উপসংহার:
তাহলে, কমলা ফলটাই আগে এসেছে, এবং সেই ফলটির নাম থেকেই রঙের নামকরণ হয়েছে। তাই, প্রথমে এসেছিল ফল, তারপর রঙ।
এটা যেমন একটি ভাষাগত ইতিহাসের প্রশ্ন, তেমনি এটি আমাদের চোখের সামনে প্রকৃতির কত সুন্দর সংমিশ্রণ ঘটতে পারে, তারও এক দৃষ্টান্ত!
সংক্ষেপে দেখুনআপনি কি কখনও বুঝতে পেরেছেন যে আপনার থেকে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা কখনই বাড়বে না?
এটি একটি দার্শনিক প্রশ্ন, এবং এর উত্তরের মধ্যে গভীরতা ও তাত্ত্বিকতা রয়েছে। আপনি সম্ভবত বোঝাতে চাচ্ছেন যে, সময়ের সাথে সাথে যাদের বয়স বেশি তারা আরও বেশি হবে না, কারণ প্রতিটি সময়ের মধ্যে "বর্তমান" বয়সের মধ্যে যাদের বয়স বেশি, তারা অতীতে চলে যাবে, আর নতুন প্রজন্মে আরও ছোট বয়সের মানুষ আসবে। অথবা, আপনি হয়তবিস্তারিত পড়ুন
এটি একটি দার্শনিক প্রশ্ন, এবং এর উত্তরের মধ্যে গভীরতা ও তাত্ত্বিকতা রয়েছে। আপনি সম্ভবত বোঝাতে চাচ্ছেন যে, সময়ের সাথে সাথে যাদের বয়স বেশি তারা আরও বেশি হবে না, কারণ প্রতিটি সময়ের মধ্যে “বর্তমান” বয়সের মধ্যে যাদের বয়স বেশি, তারা অতীতে চলে যাবে, আর নতুন প্রজন্মে আরও ছোট বয়সের মানুষ আসবে।
অথবা, আপনি হয়তো একটি দার্শনিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি তুলে ধরছেন যে, যেহেতু সময়ের সাথে কেউ প্রবীণ হতে পারে না, তাদের বয়স বৃদ্ধি ঘটে কিন্তু সেই সাথে তাদের অস্তিত্বও একদিন শেষ হয়ে যায়। এর অর্থ, এক প্রজন্মের বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে তা স্থায়ীভাবে বৃদ্ধি পায় না, কারণ পৃথিবী ছেড়ে চলে যাওয়া এবং নতুন প্রজন্মের আগমন এর অমোঘ নিয়ম।
আপনার কথা থেকে কি কিছু দার্শনিক বা সময়ের প্রেক্ষিতে কোনো প্রশ্ন বা চিন্তা উদিত হচ্ছে?
সংক্ষেপে দেখুনপৃথিবীর সবথেকে বেশি অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত সংগীত তারকা কে?
পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত সংগীত তারকা হলেন **গ্যার্থ ব্রুকস (Garth Brooks)**। তিনি একজন প্রখ্যাত কান্ট্রি মিউজিক শিল্পী, যিনি তাঁর সংগীত কেরিয়ারে অসংখ্য অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন। গ্যার্থ ব্রুকস ১৯৮০ এবং ১৯৯০ দশকে কান্ট্রি মিউজিকের একটি বিপ্লবের জন্ম দেন এবং তাঁকে বলা হয় কান্ট্রি মিউজিকের কিং।বিস্তারিত পড়ুন
পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত সংগীত তারকা হলেন **গ্যার্থ ব্রুকস (Garth Brooks)**। তিনি একজন প্রখ্যাত কান্ট্রি মিউজিক শিল্পী, যিনি তাঁর সংগীত কেরিয়ারে অসংখ্য অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন।
গ্যার্থ ব্রুকস ১৯৮০ এবং ১৯৯০ দশকে কান্ট্রি মিউজিকের একটি বিপ্লবের জন্ম দেন এবং তাঁকে বলা হয় কান্ট্রি মিউজিকের কিং। তিনি **গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড**, **American Music Awards**, **Billboard Music Awards** সহ আরও অসংখ্য পুরস্কার পেয়েছেন। তাঁর নাম গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে রেকর্ড করা হয়েছে সর্বাধিক অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত সংগীত তারকা হিসেবে।
তবে, যদি “সবথেকে বেশি অ্যাওয়ার্ড” বলতে সম্মাননা বা পুরস্কারের মোট সংখ্যা বুঝানো হয়, তবে **মাইকেল জ্যাকসন**ও (Michael Jackson) একটি উল্লেখযোগ্য নাম, যিনি একাধিক বার গ্র্যামি, আমেরিকান মিউজিক অ্যাওয়ার্ডসহ নানা আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছেন। তিনি “কিং অফ পপ” নামে পরিচিত, এবং তাঁর মোট পুরস্কারের সংখ্যা ৮০০ এরও বেশি।
তবে, **গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস** অনুযায়ী, গ্যার্থ ব্রুকসকে সবচেয়ে বেশি পুরস্কৃত সংগীত শিল্পী হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।
সংক্ষেপে দেখুনhdhub4u সাইট থেকে মুভি ডাউনলোড করা কি নিরাপদ?
hdhub4u থেকে মুভি ডাউনলোড করা মোটেও নিরাপদ নয়। যদিও hdhub4u movie download অনেক সহজ এবং এখানে হিন্দি ভার্সনসহ নানা ফরমেটে মুভি পাওয়া যায়, তবুও pirated সাইট হওয়ার কারণে এটি আপনার ডিভাইস ও প্রাইভেসির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। hdhub4u এবং অন্যান্য পাইরেটেড সাইটগুলো প্রায়ই ব্যবহারকারীদের তথ্য সংগ্রহ করতে পাবিস্তারিত পড়ুন
hdhub4u থেকে মুভি ডাউনলোড করা মোটেও নিরাপদ নয়।
যদিও hdhub4u movie download অনেক সহজ এবং এখানে হিন্দি ভার্সনসহ নানা ফরমেটে মুভি পাওয়া যায়, তবুও pirated সাইট হওয়ার কারণে এটি আপনার ডিভাইস ও প্রাইভেসির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। hdhub4u এবং অন্যান্য পাইরেটেড সাইটগুলো প্রায়ই ব্যবহারকারীদের তথ্য সংগ্রহ করতে পারে, যা আপনার প্রাইভেসি লঙ্ঘন করতে পারে। এছাড়াও, hdhub4u new movie সাধারণত HD ফরমেটের পাশাপাশি অনেক সময় হলপ্রিন্ট বা নিম্নমানের ফরমেটেও পাওয়া যায়। আর বিরক্তিকর এবং নিম্নমানের বিজ্ঞাপনের অত্যাচার তো আছেই!
সংক্ষেপে দেখুনভূত-প্রেতের জন্য বরাদ্দ একটা রাত হ্যালোইন! এ উৎসবে কুমড়ো কেন লাগে?
প্রতি বছর ৩১ অক্টোবর বিশ্বব্যাপী পালিত হয় হ্যালোইন ডে। ‘অল হ্যালোস’ইভ বা হ্যালোইন উৎসব খ্রিষ্টানদের অন্যতম প্রধান উৎসব। প্রতিবছর এদিন বিশ্বব্যাপী খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বীরা উৎসবটি পালন করলেও বিগত কয়েক বছরে উৎসবটির জনপ্রিয়তা ছড়িয়ে পড়েছে এশিয়া এবং আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে। ইউরোপ, আমেরিকাসহ অন্যান্য উন্নত দেবিস্তারিত পড়ুন
প্রতি বছর ৩১ অক্টোবর বিশ্বব্যাপী পালিত হয় হ্যালোইন ডে। ‘অল হ্যালোস’ইভ বা হ্যালোইন উৎসব খ্রিষ্টানদের অন্যতম প্রধান উৎসব। প্রতিবছর এদিন বিশ্বব্যাপী খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বীরা উৎসবটি পালন করলেও বিগত কয়েক বছরে উৎসবটির জনপ্রিয়তা ছড়িয়ে পড়েছে এশিয়া এবং আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে।
ইউরোপ, আমেরিকাসহ অন্যান্য উন্নত দেশে অক্টোবর মাস শুরু হলেই বিভিন্ন দোকানে হ্যালোইন উৎসবের জন্য একটা সাজসাজ ভাব শুরু হয়ে যায়। মিষ্টিকুমড়া থেকে শুরু করে কালো রঙের পোশাক, মাকড়সার জাল, ভূত সাজার মুখোশ ইত্যাদি আনুষঙ্গিক আরও হরেক রকমের জিনিসপত্র বিক্রির ধুম পড়ে যায়। মাকড়সার জাল, কালো রঙের কৃত্রিম মাকড়সা, ভুতুড়ে মোমবাতি, মৃত মানুষের কৃত্রিম মাথার খুলি এবং আরও নানান রকমের ভীতিকর জিনিসপত্র দিয়ে সাজানো হয় বাসাবাড়ি, দোকান কিংবা রেস্তোরাঁ।
বিকেল থেকে ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা কালো ভূতের পোশাক বা হ্যালোইন ড্রেস পরে, ভুতুড়ে সাজে মুখ রাঙিয়ে বা ভুতুড়ে মুখোশ পরে বন্ধুদের সঙ্গে অথবা একজন অভিভাবকের সঙ্গে পাড়া-মহল্লায় ঘুরে ঘুরে এসব চকলেট সংগ্রহ করে এবং চমৎকার উৎসবের আমেজ পায় পুরো বিষয়টি। এ ছাড়া এ দিন বয়োজ্যেষ্ঠরাও প্রার্থনা, বিশেষ খাবারের আয়োজনসহ আনুষঙ্গিক আরও কিছু আচার–অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে থাকেন।
হ্যালোইনের ইতিহাস
‘হ্যালোইন’ শব্দটি এসেছে স্কটিশ শব্দ ‘অল হ্যালোজ’ ইভ থেকে। হ্যালোইন শব্দের অর্থ ‘পবিত্র সন্ধ্যা’। কেন দিনটিকে পবিত্র সন্ধ্যা বলা হয়, তার পিছনে রয়েছে বিরাট এক কাহিনি।
প্রায় দু’হাজার বছর আগে বর্তমান আয়ারল্যান্ড, ইংল্যান্ড ও উত্তর ফ্রান্সে বাস করতেন সেলটিক জাতির মানুষ। হ্যালোইন উৎসব পালন শুরু করেছিলেন তাঁরাই। সেটাও প্রায় মধ্যযুগে। তাঁদের সামহাইন উৎসব থেকেই মূলত হ্যালোইনের শুরু বলে মনে করা হয়।
নভেম্বরের প্রথম দিনটি তাঁদের নববর্ষ হিসাবে পালিত হত। স্থানীয় ভাষায় এটিকে বলা হত ‘সাহ-উইন’। এই দিনটিকে তাঁরা গ্রীষ্মের শেষ এবং শীতের শুরু বলে মনে করতেন। শুধু শীতের না, একই সঙ্গে অন্ধকারেরও শুরু হত এই দিনে। আর অক্টোবরের শেষ দিনটিকে অশুভ বলে মনে করা হত।
মনে করা হত, এই রাতে প্রেতাত্মা ও অতৃপ্ত আত্মারা আবার তাদের পুরনো জীবনে ফিরে আসতে চায়। তাদের সঙ্গে যদি কারও দেখা হয়, তবে তাঁর ক্ষতি হতে পারে। এই বিশ্বাস থেকে মানুষ এই সন্ধ্যায় একা কাটাতেন না। রাতে আগুন জ্বেলে তার পাশে বৃত্তাকারে একসঙ্গে ঘুরতে ঘুরতে মন্ত্র বলতেন, নাচতেন এবং সময় কাটাতেন। নিজের বাড়িতে সদস্য সংখ্যা কম হলে অন্যের বাড়িতে একসঙ্গে থাকতেন। কখনও একা থাকতেন না। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেল্টিক জাতির এই ‘সাহ-উইন’ উৎসবই এখনকার দিনের ‘হ্যালোইন’ উৎসব।
কেন লাগে কুমড়ো?
হ্যালোইনের একটি অন্যতম বিশেষ উপাদান হল কুমড়ো। অনেকেই কুমড়ো দিয়ে সাজিয়ে তোলেন নিজেদের বাড়ি। কিন্তু কেন হঠাৎ কুমড়োই হয়ে উঠল উদযাপনের উপকরণ?
শোনা যায়, এক সময়ে উত্তর আমেরিকার পরিযায়ীরা শালগমের বদলে কুমড়োর ব্যবহার শুরু করেন। আমেরিকায় তখন ফসল কাটার সময়। তাই ক্ষেত থেকে অপদেবতাদের দূরে রাখতে কুমড়োর ভিতরে আলো জ্বালিয়ে রাখার প্রথা চালু হয়। কালেদিনে সেই ভাবনাই জায়গা করে নিয়েছে হ্যালোইনে। এখন আসল কুমড়োর বদলে নকল নানা জিনিস দিয়ে এই বাতি তৈরি করা হয়।
‘ট্রিক অর ট্রিট’
হ্যালোইনের মজার একটি খেলা হল ‘ট্রিক আর ট্রিট’। এই খেলা হ্যালোইনের মজাকে অনেকটাই বাড়িয়ে তোলে। ‘ট্রিক অর ট্রিট’ হল শিশুদের একটি খেলা। শিশুরা বাড়ি বাড়ি ঘুরে আর দরজা নক করে বলে, ‘ট্রিক অর ট্রিট’। তখন বাড়ির মানুষের দায়িত্ব, তাদের ঝুলিতে কিছু ক্যান্ডি বা খাবার দেওয়া।
এখনও অনেকে বিশ্বাস করেন, অক্টোবরের ৩১ তারিখ মৃতের দেবতা সব আত্মাদের পৃথিবীতে আহ্বান জানান। ফলে তারা এসে ভিড় করেন পৃথিবীতে। আর সেই কারণেই এই দিনটি খুব ভয়ের বলে মনে করেন অনেকেই।
যদিও এখন এর সঙ্গে ভয়ের চেয়ে মজাই বেশি জড়িয়ে। এটি এমন একটি দিন, যেদিন মানুষ পরিবার-বন্ধু-আত্মীয়-প্রতিবেশীদের সঙ্গে মজা করে সন্ধ্যাটি কাটান। এবং ছুটি উপভোগ করেন।
সংক্ষেপে দেখুনঅবরোধ হরতালের সুফল কি কি ?
হরতালের যেমন কুফল আছে তেমনি আছে নানান সুফলও। জেনে নিন এমন কিছু সুফল। ১# হরতাল আপনাকে সুযোগ করে দেবে ফাঁকা রাস্তায় গিয়ে আরাম-আয়েশে কবিতা ও গান লেখার। তবে টিয়ার গ্যাস আর পিকেটারদের থেকে সাবধান। ২# হরতালের সময় ফাঁকা রাস্তায় টিকটিক করে হয়ে যেতে পারেন টিকটিক স্টার। ৩# বাংলাদেশের ঐতিহ্য রাস্তার ক্রিকেবিস্তারিত পড়ুন
হরতালের যেমন কুফল আছে তেমনি আছে নানান সুফলও। জেনে নিন এমন কিছু সুফল।
১# হরতাল আপনাকে সুযোগ করে দেবে ফাঁকা রাস্তায় গিয়ে আরাম-আয়েশে কবিতা ও গান লেখার। তবে টিয়ার গ্যাস আর পিকেটারদের থেকে সাবধান।
২# হরতালের সময় ফাঁকা রাস্তায় টিকটিক করে হয়ে যেতে পারেন টিকটিক স্টার।
৩# বাংলাদেশের ঐতিহ্য রাস্তার ক্রিকেট খেলে আপনিও করতে পারেন সেঞ্চুরি। নিজেকে প্রস্তুত করে সুযোগ নিতে পারেন জাতীয় দলে।
৪# ভিআইপি মুভমেন্টের জ্বলায় বিরক্ত হয়ে থাকলে হরতালের দিন আপনি নিজেই নিতে পারেন ভিআইপি ফিল।
৫# অন্যান্য দিন গুগল ম্যাপে ট্রাফিক দেখে আপনি ভয় পেলেও হরতালের দিনে এমন ভয় নেই। এইদিন গুগল ম্যাপ জুড়ে থাকে সবুজ, শ্যাওলা দেশ। দেখে নিন প্রাণ ভরে।
সংক্ষেপে দেখুন