সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
general-question
ভুলে পানি খেলে কি রোজা ভাঙে?
না, ভুলে পানি খেলে রোজা ভাঙে না। রোজা রাখার কথা ভুলে গিয়ে পানি বা খাবার খেয়ে ফেললে রোজা সম্পূর্ণ বহাল থাকে, কোনো কাজা বা কাফফারা দিতে হবে না। স্মরণ হওয়ার সাথে সাথে খাওয়া বন্ধ করে বাকি রোজা পূর্ণ করতে হবে। হাদিসের দলিল হযরত আবু হুরাইরা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন — "যে ব্যক্তি ভুলবিস্তারিত পড়ুন
না, ভুলে পানি খেলে রোজা ভাঙে না। রোজা রাখার কথা ভুলে গিয়ে পানি বা খাবার খেয়ে ফেললে রোজা সম্পূর্ণ বহাল থাকে, কোনো কাজা বা কাফফারা দিতে হবে না। স্মরণ হওয়ার সাথে সাথে খাওয়া বন্ধ করে বাকি রোজা পূর্ণ করতে হবে।
হাদিসের দলিল
হযরত আবু হুরাইরা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন — “যে ব্যক্তি ভুলে আহার করল বা পান করল, সে যেন তার রোজা পূর্ণ করে। কারণ আল্লাহই তাকে পানাহার করিয়েছেন।” (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১/২০২)
আরেকটি হাদিসে এসেছে — “যে রমজান মাসে ভুলে পানাহার করল, তার ওপর কোনো কাজা নেই, কোনো কাফফারাও নেই।” (ইবনে হিব্বান, হাদিস: ০৮/২৮৮)
পরিস্থিতি অনুযায়ী বিস্তারিত বিধান
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে ভুলটি অনেকে করেন
ভুলে পানাহার করার পর যদি কেউ মনে করে তার রোজা ভেঙে গেছে এবং এরপর আবার কিছু খায় বা পান করে — তাহলে তার রোজা ভেঙে যাবে এবং পরবর্তীকালে এই রোজাটি কাজা করতে হবে। তাই এই ভুলটি থেকে সাবধান থাকুন।
অন্যকে রোজাদারকে ভুলে খেতে দেখলে কী করবেন?
রোজা পালনকারীকে কিছু খেতে দেখলে তাকে স্মরণ করিয়ে দিতে হবে। এটি একজন মুসলিমের দায়িত্ব।
সংক্ষেপে মনে রাখার নিয়ম
ভুলে খেয়ে ফেললে → মনে হওয়ামাত্র থামুন → রোজা চালিয়ে যান → কোনো চিন্তা নেই।
সংক্ষেপে দেখুনমনে হওয়ার পরও খেলে → কাজা দিতে হবে।
ইচ্ছে করে খেলে → কাজা + কাফফারা দুটোই দিতে হবে।
আমার নিজের নামে কয়টি মোবাইল আছে?
এই একটি প্রশ্নের উত্তর দেয়ার আগে আরও অনেকগুলো প্রশ্ন এসে যায়। তাই একটি একটি করে উত্তর দিচ্ছি। ১. NEIR কী এবং এটি কেন চালু করা হয়েছে? NEIR (National Equipment Identity Register) হলো বিটিআরসি-র একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেজ, যেখানে বাংলাদেশের সব বৈধ মোবাইল ফোনের তথ্য জমা থাকে। কেন চালু করা হয়েছে: অবৈধ বা চোরবিস্তারিত পড়ুন
এই একটি প্রশ্নের উত্তর দেয়ার আগে আরও অনেকগুলো প্রশ্ন এসে যায়। তাই একটি একটি করে উত্তর দিচ্ছি।
১. NEIR কী এবং এটি কেন চালু করা হয়েছে?
NEIR (National Equipment Identity Register) হলো বিটিআরসি-র একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেজ, যেখানে বাংলাদেশের সব বৈধ মোবাইল ফোনের তথ্য জমা থাকে।
কেন চালু করা হয়েছে: অবৈধ বা চোরাই মোবাইল ফোন বন্ধ করা, সরকারের ট্যাক্স ফাঁকি রোধ করা এবং মোবাইলের মাধ্যমে অপরাধ কমানো এর প্রধান উদ্দেশ্য।
২. আমার মোবাইল ফোনটি বৈধ কি না তা কীভাবে যাচাই করব?
আপনি নতুন বা পুরাতন ফোন কেনার আগে এটি পরীক্ষা করতে পারেন:
নতুন ফোনের জন্য: ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে লিখুন KYD <স্পেস> ১৫ ডিজিটের IMEI নম্বর (যেমন: KYD 123456789012345) এবং পাঠিয়ে দিন ১৬০০২ নম্বরে। ফিরতি মেসেজে ফোনের বৈধতা জানতে পারবেন।
ব্যবহৃত ফোনের জন্য: ফোনের ডায়াল প্যাড থেকে *১৬১৬১# ডায়াল করে অথবা neir.btrc.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে ফোনের বর্তমান অবস্থা দেখতে পারবেন।
৩. আমার এনআইডি (NID)-র অধীনে অনেকগুলো ফোন নিবন্ধিত দেখাচ্ছে কেন? এতে কি কোনো ভয় আছে?
অনেকে ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখছেন তাদের নামে ৩০-৪০টি বা তারও বেশি ফোন নিবন্ধিত।
কারণ: এটি মূলত একটি কারিগরি বিষয়। আপনি অতীতে আপনার এনআইডি দিয়ে কেনা সিম যেসব ফোনে ব্যবহার করেছেন, সিস্টেম সেই সব ফোনের তথ্য আপনার নামে দেখাচ্ছে।
করণীয়: বিটিআরসি জানিয়েছে এতে ভয়ের কিছু নেই। তারা বর্তমানে ব্যবহৃত ফোনগুলো রেখে বাকি পুরোনো তথ্যগুলো আর্কাইভ করার কাজ করছে। কিছুদিনের মধ্যে এটি ঠিক হয়ে যাবে।
৪. বিদেশ থেকে আনা বা উপহার পাওয়া ফোনের ক্ষেত্রে নিয়ম কী?
বিদেশ থেকে নিজে সাথে করে ফোন আনলে বা কেউ পাঠালে সেটি বৈধ করতে হবে:
neir.btrc.gov.bd পোর্টালে গিয়ে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট খুলে আবেদন করতে হবে। এজন্য পাসপোর্টের কপি, ভিসার তথ্য বা ক্রয়ের রসিদ আপলোড করতে হবে। ব্যাগেজ রুলস অনুযায়ী নির্দিষ্ট সংখ্যক ফোন ফ্রিতে বা ট্যাক্স দিয়ে নিবন্ধন করা যায়।
৫. বর্তমানে আমি যে ‘আন-অফিশিয়াল’ ফোনটি ব্যবহার করছি, সেটি কি বন্ধ হয়ে যাবে?
১ জানুয়ারি ২০২৬-এর আগে থেকে নেটওয়ার্কে সচল থাকা সব ফোন (অফিশিয়াল বা আন-অফিশিয়াল) স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হয়ে গেছে। অর্থাৎ, আপনার বর্তমান ফোনটি যদি সচল থাকে, তবে এটি বন্ধ হবে না। তবে ভবিষ্যতে নতুন কোনো অবৈধ বা স্মাগলিং করা ফোন কিনলে সেটি সিম ঢোকানোর পর আর চলবে না।
৬. ফোন চুরি হয়ে গেলে NEIR দিয়ে কী সুবিধা পাব?
যদি আপনার ফোনটি নিবন্ধিত থাকে এবং চুরি হয়ে যায়, তবে আপনি বিটিআরসি-র মাধ্যমে ফোনটি ব্লক করে দিতে পারবেন। এর ফলে চোর বা অন্য কেউ ওই ফোনে কোনো সিম ব্যবহার করতে পারবে না, যা ফোন চুরির প্রবণতা কমিয়ে দেবে।
সংক্ষেপে দেখুন২৫ ডিসেম্বরে তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং বিএনপির প্রস্তুতি কেমন?
২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে বর্তমানে সারা দেশে একটা উৎসবমুখর পরিবেশের পাশাপাশি বেশ টানটান উত্তেজনাও কাজ করছে। পত্রিকাগুলো যা বলছে তা হলো: নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরকার বিষয়টিকে অনেক গুরুত্ব দিচ্ছে। বিমানবন্দর থেকে শুরু করে ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে বাড়তি পুলিশ ও র্যাব মোতায়েন করা হচ্ছে।বিস্তারিত পড়ুন
২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে বর্তমানে সারা দেশে একটা উৎসবমুখর পরিবেশের পাশাপাশি বেশ টানটান উত্তেজনাও কাজ করছে। পত্রিকাগুলো যা বলছে তা হলো:
নিরাপত্তা ব্যবস্থা
সরকার বিষয়টিকে অনেক গুরুত্ব দিচ্ছে। বিমানবন্দর থেকে শুরু করে ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে বাড়তি পুলিশ ও র্যাব মোতায়েন করা হচ্ছে। গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে যাতে জনসমাগমের সুযোগ নিয়ে কোনো তৃতীয় পক্ষ বিশৃঙ্খলা করতে না পারে। এয়ারপোর্টের ভেতরে শুধু যাত্রী ও জরুরি লোক ছাড়া বাকিদের প্রবেশ সীমিত করার পরিকল্পনাও আছে।
বিএনপির প্রস্তুতি
বিএনপি বলছে, তারা জোর করে রাস্তা দখল করবে না। তবে নেতাকে দেখতে লাখ লাখ মানুষের ঢল নামবে, এটা মাথায় রেখে তারা কয়েক হাজার নিজস্ব ‘ভলান্টিয়ার’ বা স্বেচ্ছাসেবক ঠিক করেছে। এই স্বেচ্ছাসেবকদের কাজ হবে সাধারণ মানুষের চলাচলে যেন সমস্যা না হয় সেটা দেখা এবং ট্রাফিক পুলিশকে সাহায্য করা। দলীয়ভাবে তারা এটাকে ‘শান্তিপূর্ণ গণ-সংবর্ধনা’ হিসেবে পালন করতে চায়।
নির্বাচন ও রাজনীতি
তারেক রহমানের ফেরা মানেই বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণা আনুষ্ঠানিকভাবে পূর্ণ গতিতে শুরু হওয়া। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে সামনে রেখে তাঁর দেশে থাকাটা দলের কর্মীদের মনোবল অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে। তিনি আসার পর দলের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঠিক করার কাজ আরও গতি পাবে।
কূটনীতি
তারেক রহমানের ফেরাকে বিদেশি রাষ্ট্রদূত ও বিভিন্ন দেশ বেশ পর্যবেক্ষণে রাখছে। বিশেষ করে প্রতিবেশী ভারত ও পশ্চিমা দেশগুলো দেখছে তাঁর ফেরার পর বাংলাদেশের পরিস্থিতি কতটা স্থিতিশীল থাকে। সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হবে কি না, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা চলছে।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা
সাম্প্রতিক সময়ে ডেইলি স্টার বা প্রথম আলোর মতো বড় সংবাদপত্রের ওপর হামলা নিয়ে দেশ-বিদেশে উদ্বেগ আছে। তারেক রহমান দেশে ফেরার পর তাঁর দল এবং অন্তর্বর্তী সরকার এই হামলার ব্যাপারে কী শক্ত অবস্থান নেয়, সেটাই দেখার বিষয়। মুক্তভাবে কথা বলা বা সংবাদ প্রকাশের পরিবেশ বজায় থাকবে কি না, তা নিয়ে মানুষ অনেক আশাবাদী হতে চায়।
সহজ কথায় বলতে গেলে, তারেক রহমানের আসাটা শুধু একটি দলের নেতার ফেরা নয়, বরং আগামী দিনের রাজনীতি কোন দিকে যাবে, তার একটা বড় ইঙ্গিত।
সংক্ষেপে দেখুনতফসিল কি এবং এটি বাংলাদেশের সংবিধানে কয়টি? এবং বাংলাদেশে তফসিলি ব্যাংক বলতে কি বুঝায়, বর্তমানে তফসিলি ব্যাংক কয়টি ও তাদের নাম কি কি?
তফসিল কি? সাধারণ ভাষায় তফসিল কি বা তফসিল বলতে কোনো আইনের শেষে সংযুক্ত তালিকা, নির্ঘণ্ট বা সময়সূচিকে বোঝায়। এটি মূলত কোনো মূল দলিলের (যেমন সংবিধান বা আইন) বিস্তারিত ব্যাখ্যামূলক অংশ। যেমন: নির্বাচনের ক্ষেত্রে 'তফসিল' বলতে নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ সময়সূচিকে বোঝায়, আবার সংবিধান বা ব্যাংকিং খাতে এটি একটি নিবিস্তারিত পড়ুন
তফসিল কি?
সাধারণ ভাষায় তফসিল কি বা তফসিল বলতে কোনো আইনের শেষে সংযুক্ত তালিকা, নির্ঘণ্ট বা সময়সূচিকে বোঝায়। এটি মূলত কোনো মূল দলিলের (যেমন সংবিধান বা আইন) বিস্তারিত ব্যাখ্যামূলক অংশ। যেমন: নির্বাচনের ক্ষেত্রে ‘তফসিল’ বলতে নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ সময়সূচিকে বোঝায়, আবার সংবিধান বা ব্যাংকিং খাতে এটি একটি নির্দিষ্ট তালিকা হিসেবে কাজ করে।
সংবিধানের তফসিল: বাংলাদেশের সংবিধানের তফসিল কয়টি?
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন হলো সংবিধান। এই সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি ও নিয়মাবলি রয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশের সংবিধানের তফসিল কয়টি—এর উত্তর হলো ৭টি। অর্থাৎ, সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল সংযুক্ত আছে, যেখানে বিভিন্ন ক্রান্তিকালীন বিধান, শপথনামা এবং ঐতিহাসিক ভাষণ (যেমন ৭ই মার্চের ভাষণ) অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
তফসিলি ব্যাংক: সংজ্ঞা ও সংখ্যা
তফসিলি ব্যাংক বলতে কি বুঝায়?
সহজ কথায়, তফসিলি ব্যাংক হলো সেই সব ব্যাংক, যেগুলো ‘বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২’-এর ৩৭(২) (পি) ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংকের তালিকাভুক্ত। এই ব্যাংকগুলোকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ম মেনে চলতে হয় এবং আমানতের একটি নির্দিষ্ট অংশ (CRR ও SLR) কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখতে হয়। যারা এই তালিকায় নেই, তাদের ‘নন-শিডিউলড’ বা অতফসিলি ব্যাংক বলা হয়।
তফসিলি ব্যাংক কয়টি ও কি কি?
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশে তফসিলি ব্যাংক কয়টি—এর উত্তর হলো ৬১টি। এই তফসিলি ব্যাংকগুলোকে মালিকানা ও কার্যক্রমের ওপর ভিত্তি করে প্রধানত ৪টি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। নিচে তফসিলি ব্যাংক কয়টি ও কি কি তার ধারণা দেওয়া হলো:
১. রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক (৬টি):
সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (বিডিবিএল)।
২. বিশেষায়িত ব্যাংক (৩টি):
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক এবং প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।
৩. বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক (৯টি):
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, এইচএসবিসি (HSBC), সিটি ব্যাংক এনএ, কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন, হাবিব ব্যাংক, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া, উরি ব্যাংক, ব্যাংক আল-ফালাহ এবং ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান।
৪. বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক (৪৩টি):
এটি সবচেয়ে বড় খাত। এর মধ্যে প্রচলিত ধারার এবং ইসলামী শরিয়াহ্ ভিত্তিক ব্যাংক রয়েছে। উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো:
-
-
সংক্ষেপে দেখুনইসলামী ধারার: ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক এবং স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক।
প্রচলিত ধারার (কনভেনশনাল): পূবালী ব্যাংক, উত্তরা ব্যাংক, এবি ব্যাংক, দি সিটি ব্যাংক, আইএফআইসি, ইউসিবি, ইস্টার্ন ব্যাংক (EBL), এনসিসি ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, ওয়ান ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, এনআরবি ব্যাংক, এনআরবিসি ব্যাংক, মধুমতি ব্যাংক, মেঘনা ব্যাংক, মিডল্যান্ড ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক, সীমান্ত ব্যাংক, সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার ব্যাংক, সিটিজেনস ব্যাংক, বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক এবং কমিউনিটি ব্যাংক।
তফসিল অনুযায়ী, জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট ঠিক কবে অনুষ্ঠিত হবে?
জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটের নির্দিষ্ট তারিখ এখনো জানা যায়নি। খবরে বলা হয়েছে, আগামী ১১ ডিসেম্বর এই নির্বাচনের ও গণভোটের তফসিল (সময়সূচি) ঘোষণা করা হবে। তফসিল ঘোষণার পরই জানা যাবে ভোটগ্রহণ ঠিক কবে অনুষ্ঠিত হবে। গণভোট কি বা গণভোট বলতে কি বুঝায়? সহজ কথায়, গণভোট কি বা গণভোট বলতে কি বুঝায় তা হলোবিস্তারিত পড়ুন
জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটের নির্দিষ্ট তারিখ এখনো জানা যায়নি। খবরে বলা হয়েছে, আগামী ১১ ডিসেম্বর এই নির্বাচনের ও গণভোটের তফসিল (সময়সূচি) ঘোষণা করা হবে। তফসিল ঘোষণার পরই জানা যাবে ভোটগ্রহণ ঠিক কবে অনুষ্ঠিত হবে।
গণভোট কি বা গণভোট বলতে কি বুঝায়?
সহজ কথায়, গণভোট কি বা গণভোট বলতে কি বুঝায় তা হলো রাষ্ট্রের কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, সংবিধান পরিবর্তন বা বিশেষ কোনো নীতিমালার বিষয়ে জনগণের সরাসরি মতামত যাচাই করার একটি পদ্ধতি। সাধারণ নির্বাচনে জনগণ যেমন তাদের প্রতিনিধি বা নেতা নির্বাচন করেন, গণভোটে তেমনি কোনো একটি নির্দিষ্ট প্রস্তাবের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ বা বিপক্ষে ‘না’ ভোট দেন। অর্থাৎ, এটি হলো কোনো বিষয়ে জনগণের রায় নেওয়ার প্রক্রিয়া।
গণভোট কিভাবে হয়?
এখন প্রশ্ন হলো, গণভোট কিভাবে হয়? এটি মূলত সাধারণ নির্বাচনের মতোই নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত হয়।
১. প্রথমে সরকার বা সংসদ একটি নির্দিষ্ট প্রস্তাব বা প্রশ্ন ঠিক করে।
২. এরপর নির্বাচন কমিশন সারা দেশে ভোটকেন্দ্র স্থাপন করে।
৩. ভোটাররা কেন্দ্রে গিয়ে সেই নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তরে ব্যালট পেপারে বা ইভিএমে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ ভোট দিয়ে তাদের মতামত জানান।
৪. সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামত (অর্ধেকের বেশি ভোট) যেদিকে যায়, রাষ্ট্র সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
বাংলাদেশে কতবার গণভোট অনুষ্ঠিত হয়?
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এ পর্যন্ত মোট তিনবার জাতীয় পর্যায়ে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।
১. ১৯৭৭ সালে: সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় (আস্থা যাচাইয়ের জন্য)।
২. ১৯৮৫ সালে: সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদের সময় (তার শাসনের পক্ষে জনমত যাচাইয়ের জন্য)।
৩. ১৯৯১ সালে: দ্বাদশ সংশোধনী পাসের মাধ্যমে সংসদীয় গণতন্ত্রে ফিরে যাওয়ার প্রশ্নে (তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন আহমদের সময়)।
সংক্ষেপে দেখুনফ্রান্সের রাফাল, রাশিয়ার SU-57,চীনের J-20,16,10 ও বিশ্বের অন্যান্য যুদ্ধবিমানগুলোর মধ্যে পার্থক্য কি?
যুদ্ধবিমানগুলোর মধ্যে পার্থক্য বোঝার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো সেগুলোকে প্রজন্ম (Generation) অনুযায়ী ভাগ করে নেওয়া। একটি বিমানের প্রজন্ম যত উন্নত হয়, তার প্রযুক্তি, রাডার এবং শত্রুর কাছে অদৃশ্য থাকার ক্ষমতা তত বেশি হয়। এই প্রধান যুদ্ধবিমানগুলোর পার্থক্য নিচে সহজ ভাষায় তুলে ধরা হলো: যুদ্ধবিমানগুলোর মূল পারবিস্তারিত পড়ুন
যুদ্ধবিমানগুলোর মধ্যে পার্থক্য বোঝার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো সেগুলোকে প্রজন্ম (Generation) অনুযায়ী ভাগ করে নেওয়া। একটি বিমানের প্রজন্ম যত উন্নত হয়, তার প্রযুক্তি, রাডার এবং শত্রুর কাছে অদৃশ্য থাকার ক্ষমতা তত বেশি হয়।
এই প্রধান যুদ্ধবিমানগুলোর পার্থক্য নিচে সহজ ভাষায় তুলে ধরা হলো:
যুদ্ধবিমানগুলোর মূল পার্থক্য: প্রজন্মের ভিত্তিতে
আধুনিক যুদ্ধবিমানগুলোকে সাধারণত ৪.৫ প্রজন্ম এবং ৫ প্রজন্ম, এই দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
১. ৪.৫ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান (Rafale, J-16, J-10)
এই প্রজন্মের বিমানগুলো শক্তিশালী, বহুমুখী এবং এদের রাডার প্রযুক্তি অত্যন্ত উন্নত। এরা সরাসরি ৫ প্রজন্মের বিমানের মতো পুরোপুরি অদৃশ্য না হলেও, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ পরিচালনায় দারুণ দক্ষ।
২. ৫ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান (SU-57, J-20)
৫ প্রজন্মের বিমানগুলো হলো ভবিষ্যতের যুদ্ধাস্ত্র। এদের প্রধান ও সবচেয়ে বড় পার্থক্য হলো ‘অদৃশ্যতা’ বা স্টেপথ (Stealth) প্রযুক্তি।
অন্যান্য বিখ্যাত যুদ্ধবিমানগুলোর সাথে মূল পার্থক্য
বিশ্বের অন্যান্য বিখ্যাত বিমানগুলো (যেমন আমেরিকান F-22 Raptor, F-35 Lightning II, বা ইউরোপীয় Eurofighter Typhoon) এই প্রজন্মগুলোর মধ্যে পড়ে:
সংক্ষেপে প্রধান পার্থক্যগুলো
সুতরাং, যখন আপনি একটি বিমানকে অন্যটির চেয়ে আলাদা করবেন, তখন তার অদৃশ্য থাকার ক্ষমতা এবং এর মধ্যে থাকা সেন্সর ও কম্পিউটার সিস্টেমের দিকে নজর দিতে হবে।
সংক্ষেপে দেখুনএমন কোন দেশ আছে কি যেখানে ভূমিকম্প হয়না?
আমার মনেহয় এমন কোন দেশ পৃথিবীতে নেই, যেখানে ভূমিকম্প না হওয়ার শতভাগ নিশ্চয়তা দেওয়া যায়। কারণ পৃথিবীর ভূত্বক (Tectonic Plates) সবসময় গতিশীল, এবং এই প্লেটগুলোর সংঘর্ষ, সঞ্চালন বা স্থানচ্যুতির ফলেই ভূমিকম্প সৃষ্টি হয়। এমনকি যে অঞ্চলগুলো টেকটোনিক প্লেটের সীমানা থেকে অনেক দূরে, সেখানেও অভ্যন্তরীণ প্লেটেবিস্তারিত পড়ুন
আমার মনেহয় এমন কোন দেশ পৃথিবীতে নেই, যেখানে ভূমিকম্প না হওয়ার শতভাগ নিশ্চয়তা দেওয়া যায়।
কারণ পৃথিবীর ভূত্বক (Tectonic Plates) সবসময় গতিশীল, এবং এই প্লেটগুলোর সংঘর্ষ, সঞ্চালন বা স্থানচ্যুতির ফলেই ভূমিকম্প সৃষ্টি হয়। এমনকি যে অঞ্চলগুলো টেকটোনিক প্লেটের সীমানা থেকে অনেক দূরে, সেখানেও অভ্যন্তরীণ প্লেটে (Intraplate) বিরল ভূমিকম্প হতে পারে।
তবে এমন অনেক দেশ আছে, যা প্রধান ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল (যেমন প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অফ ফায়ার’) থেকে অনেক দূরে অবস্থিত এবং সেখানে ভূমিকম্পের ঝুঁকি অত্যন্ত কম বা কম্পন হলেও তার মাত্রা খুব কম থাকে।
কম ঝুঁকিপূর্ণ এমন কয়েকটি দেশ হলো:
১. আফ্রিকার কিছু দেশ
চাদ (Chad): এই দেশটি একটি স্থিতিশীল মহাদেশীয় প্লেটের কেন্দ্রে অবস্থিত এবং প্রধান ফল্ট লাইন থেকে অনেক দূরে।
নাইজার (Niger)
আইভরি কোস্ট (Côte d’Ivoire)
বুরকিনা ফাসো (Burkina Faso)
২. ইউরোপের কিছু দেশ
এই দেশগুলো স্থিতিশীল ইউরেশিয়ান প্লেটের প্রাচীন অংশের ওপর অবস্থিত:
ডেনমার্ক (Denmark): এখানে বছরে খুব কম ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয় এবং সেগুলোর মাত্রা সাধারণত খুবই কম থাকে।
ফিনল্যান্ড (Finland)
আইসল্যান্ড (Ireland)
ল্যাটভিয়া (Latvia)
৩. মধ্যপ্রাচ্য ও অন্যান্য এলাকা
কাতার (Qatar): এটি সাধারণত প্রাকৃতিক দুর্যোগের দিক থেকে সবচেয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে গণ্য হয়।
অস্ট্রেলিয়া (Australia): এই মহাদেশটি একটি বৃহৎ ও স্থিতিশীল প্লেটের কেন্দ্রে অবস্থিত।
বাহামা দ্বীপপুঞ্জ (The Bahamas): প্রধান ফল্ট লাইন থেকে তুলনামূলকভাবে দূরে অবস্থিত হওয়ায় এখানে বড় ধরনের কম্পন বিরল।
সুতরাং, ভূমিকম্প হয় না এমন দেশ না থাকলেও, উপরে উল্লেখিত দেশগুলোতে ভূমিকম্পের ঝুঁকি সবচেয়ে কম।
সংক্ষেপে দেখুনইসরায়েলের নেতানিয়াহুকে কেন ক্রাইম মিনিষ্টার বলা হয়?
নিচে নেতানিয়াহুকে কেন "ক্রাইম মিনিষ্টার" বলা হয়, তা দুটি প্রধান কারণে সরল করে দেওয়া হলো: ১. 🚨 আন্তর্জাতিক আদালতের চোখে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ (গাজার ঘটনা) বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় এবং সাম্প্রতিক অভিযোগটি এসেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (ICC) থেকে। অভিযোগ কী? আদালত মনে করছে, ইসরায়েল প্রবিস্তারিত পড়ুন
নিচে নেতানিয়াহুকে কেন “ক্রাইম মিনিষ্টার” বলা হয়, তা দুটি প্রধান কারণে সরল করে দেওয়া হলো:
১. 🚨 আন্তর্জাতিক আদালতের চোখে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ (গাজার ঘটনা)
বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় এবং সাম্প্রতিক অভিযোগটি এসেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (ICC) থেকে।
অভিযোগ কী? আদালত মনে করছে, ইসরায়েল প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু গাজায় যুদ্ধ চলার সময় কিছু গুরুতর অপরাধ করেছেন। এটিকে সহজভাবে যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধ বলা হচ্ছে।
মূল অপরাধ: নেতানিয়াহু ইচ্ছা করে গাজার সাধারণ মানুষকে তাদের বেঁচে থাকার জন্য অত্যাবশ্যকীয় জিনিসপত্র (খাবার, পানীয় জল, ওষুধ, বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি) থেকে বঞ্চিত করেছেন।
ফল কী? আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, একটি দেশের সাধারণ মানুষকে এভাবে না খাইয়ে বা প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বন্ধ করে দেওয়া একটি মারাত্মক অপরাধ। এই অপরাধের জন্য ICC তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে।
সহজ কথায়: তিনি যুদ্ধ চলাকালীন গাজার বেসামরিক মানুষকে ইচ্ছাকৃতভাবে কষ্ট দিয়েছেন এবং না খাইয়ে মেরেছেন—আন্তর্জাতিক আদালত এই অভিযোগ এনে তাকে অপরাধী হিসেবে দেখছে।
২. 💰 ইসরায়েলের ভেতরে দুর্নীতির মামলা
নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে তার নিজের দেশ ইসরায়েলেও বেশ কয়েকটি দুর্নীতির মামলা চলছে।
প্রধান অভিযোগ:
ঘুষ নেওয়া: অভিযোগ আছে যে, তিনি বিভিন্ন ধনী ব্যবসায়ী এবং মিডিয়া মোগলদের (বড় সংবাদমাধ্যমের মালিক) কাছ থেকে বেআইনিভাবে উপহার ও অর্থের সুবিধা নিয়েছেন।
ক্ষমতার অপব্যবহার: এই সুবিধাগুলোর বিনিময়ে তিনি তাদের বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধা দিয়েছেন বা তাদের নিজেদের ব্যবসায়িক স্বার্থ রক্ষা করেছেন।
মিডিয়াতে সুবিধা: তিনি একটি বড় সংবাদমাধ্যমকে সরকারি সুবিধা দেওয়ার বিনিময়ে সেই মিডিয়াতে তার পক্ষে ইতিবাচক খবর প্রকাশ করার জন্য চাপ দিয়েছেন।
সহজ কথায়: প্রধানমন্ত্রী হয়েও তিনি অনেক ধনী লোকের কাছ থেকে ঘুষ নিয়েছেন এবং নিজের প্রভাব খাটিয়ে তাদের অবৈধ সুযোগ করে দিয়েছেন, যা ইসরায়েলের আইনে গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত।
এই দুটি বড় কারণেই—একটি আন্তর্জাতিক (যুদ্ধাপরাধ) এবং অন্যটি অভ্যন্তরীণ (দুর্নীতি)—নেতানিয়াহুকে তার সমালোচকরা এবং অনেকে উপহাস করে “ক্রাইম মিনিষ্টার” বা “অপরাধী মন্ত্রী” বলে থাকে।
সংক্ষেপে দেখুনলেবাননের জাতীয় পতাকায় কোন গাছ আছে?
লেবাননের জাতীয় পতাকায় থাকা গাছটি হলো লেবানন সিডার (Cedrus libani)।
লেবাননের জাতীয় পতাকায় থাকা গাছটি হলো লেবানন সিডার (Cedrus libani)।
সংক্ষেপে দেখুনWhy Mahindra Lifespaces Whitefield Is Making Headlines?
Whitefield’s growth as a tech and lifestyle hub mirrors trends in celebrity living, where prime locations combine convenience, amenities, jonas mogensen kone and prestige, attracting professionals and investors seeking vibrant, well-connected communities.
এন্ড্রয়েড সফটওয়্যার
দিয়ে দিলাম পেছনের ছবি। দেখেন তো ঠিক আছে কিনা?
দিয়ে দিলাম পেছনের ছবি। দেখেন তো ঠিক আছে কিনা?

সংক্ষেপে দেখুনফেসবুক ভিডিও ডাউনলোড করবো কিভাবে? ফেসবুক সম্পর্কে আরও গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য
নিচের লিংক থেকে এই সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করুন : https://getsnap.link/3FvaHLD99Vh?share_arg3=com.whatsapp
নিচের লিংক থেকে এই সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করুন :
সংক্ষেপে দেখুনhttps://getsnap.link/3FvaHLD99Vh?share_arg3=com.whatsapp
কিভাবে আমার ফেসবুক একাউন্ট ব্লু ভেরিফিকেশন দিয়ে মেটা ভেরিফাই করবো?
হেল্প মি
হেল্প মি
সংক্ষেপে দেখুনসব ভূমিকম্পের পর সুনামি হয় না কেন?
সব ভূমিকম্পের পর সুনামি হয় না। সুনামি ঘটতে হলে কিছু বিশেষ পরিস্থিতি পূরণ করতে হয়। সুনামি সাধারণত সমুদ্রের তলদেশে ঘটে যাওয়া ভূমিকম্পের কারণে হয়। যখন সমুদ্রের তলদেশে একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প ঘটে, তখন তলদেশ থেকে একটি বিশাল পরিমাণ পানি উঠে আসে এবং সে পানি সমুদ্রের উপকূলের দিকে ঝাঁকিয়ে পড়ে। এই পানিবিস্তারিত পড়ুন
সব ভূমিকম্পের পর সুনামি হয় না। সুনামি ঘটতে হলে কিছু বিশেষ পরিস্থিতি পূরণ করতে হয়। সুনামি সাধারণত সমুদ্রের তলদেশে ঘটে যাওয়া ভূমিকম্পের কারণে হয়। যখন সমুদ্রের তলদেশে একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প ঘটে, তখন তলদেশ থেকে একটি বিশাল পরিমাণ পানি উঠে আসে এবং সে পানি সমুদ্রের উপকূলের দিকে ঝাঁকিয়ে পড়ে। এই পানি সমুদ্রের উপকূলের দিকে তীব্র বেগে চলতে থাকে এবং সুনামি সৃষ্টি করে।
সুনামি ঘটার জন্য নিম্নলিখিত কিছু শর্ত পূরণ করতে হয়:
ভূমিকম্পের শক্তি
ভূমিকম্পের মাত্রা 7.0 বা তার বেশি হতে হবে।
ভূমিকম্পের গভীরতা
ভূমিকম্পের কেন্দ্র সমুদ্রের তলদেশের নিকটবর্তী হতে হবে, সাধারণত 20 কিলোমিটার বা তার কম গভীরতা।
ভূমিকম্পের ধরন
ভূমিকম্পটি সাধারণত থ্রাস্ট বা রিভার্স ফল্টের ধরনের হতে হবে, যা সমুদ্রের তলদেশে পানি উঠে আসতে সাহায্য করে।
যদি এই শর্তগুলি পূরণ না হয়, তাহলে ভূমিকম্পের পর সুনামি ঘটবে না।
সংক্ষেপে দেখুনবোয়িং বিমান কেন বারেবারে বিধ্বস্ত হয়?
"বারেবারে বিধ্বস্ত হয়"—এই কথাটি পুরোপুরি সঠিক না হলেও, বোয়িংয়ের ৭৩৭ ম্যাক্স (737 MAX) মডেলের বিমানগুলো পরপর দুটি বড় দুর্ঘটনার শিকার হয়েছিল, যা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিল না, বরং একই ডিজাইনগত ত্রুটির কারণে ঘটেছিল। সম্প্রতি, বোয়িংয়ের বিমানগুলোতে উৎপাদনগত ত্রুটি বা মান নিয়ন্ত্রণের (Quality Control) অভাবজনবিস্তারিত পড়ুন
“বারেবারে বিধ্বস্ত হয়”—এই কথাটি পুরোপুরি সঠিক না হলেও, বোয়িংয়ের ৭৩৭ ম্যাক্স (737 MAX) মডেলের বিমানগুলো পরপর দুটি বড় দুর্ঘটনার শিকার হয়েছিল, যা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিল না, বরং একই ডিজাইনগত ত্রুটির কারণে ঘটেছিল।
সম্প্রতি, বোয়িংয়ের বিমানগুলোতে উৎপাদনগত ত্রুটি বা মান নিয়ন্ত্রণের (Quality Control) অভাবজনিত বিভিন্ন ঘটনা (যেমন: মাঝ আকাশে দরজা খুলে পড়া) এই উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
মূল কারণগুলোকে দুটি ভাগে ভাগ করা যায়:
১. মারাত্মক ডিজাইনগত ত্রুটি (৭৩৭ ম্যাক্স ৮ দুর্ঘটনা)
২০১৮ সালে লায়ন এয়ার (Lion Air) এবং ২০১৯ সালে ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্স (Ethiopian Airlines)—দুটি বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স ৮ বিমান উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরেই বিধ্বস্ত হয়। তদন্তে দেখা যায়, দুটি দুর্ঘটনার কারণই এক এবং তা হলো বোয়িংয়ের নিজস্ব সফ্টওয়্যারের ত্রুটি।
এই দুটি দুর্ঘটনায় ৩৪৬ জন মানুষের মৃত্যুর পর বিশ্বের সব ৭৩৭ ম্যাক্স বিমান প্রায় দুই বছরের জন্য গ্রাউন্ডেড (উড্ডয়ন নিষিদ্ধ) ছিল।
২. সাম্প্রতিক উৎপাদন ও মান নিয়ন্ত্রণের (QC) সমস্যা
৭৩৭ ম্যাক্সের ওই ঘটনার পর বোয়িং তাদের সিস্টেম ঠিক করে উড্ডয়নের অনুমতি পেলেও, তাদের উৎপাদন প্রক্রিয়ার ওপর মানুষের সন্দেহ তৈরি হয়।
মূল কারণ (Underlying Cause)
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বোয়িং একসময় প্রকৌশল ও নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিলেও, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তারা আর্থিক লাভ ও দ্রুত উৎপাদনের দিকে বেশি মনোযোগী হয়েছিল। এর ফলে তাদের সাপ্লাই চেইন এবং কারখানার মান নিয়ন্ত্রণের প্রক্রিয়াগুলো দুর্বল হয়ে পড়েছে, যার ফলাফলই হলো এই দুর্ঘটনা ও ত্রুটিগুলো।
সংক্ষেপে দেখুনইবলিশ শয়তানের জন্ম কখন ও কিভাবে হয়?
ইবলিশ (যা পরে শয়তান নামে পরিচিত হয়) মানুষের জন্মের আগেই সৃষ্টি হয়েছিল। তার সৃষ্টি এবং শয়তান হওয়ার ঘটনাটি নিচে সাজিয়ে দেওয়া হলো: ১. ইবলিশের সৃষ্টি ও পরিচয় উপাদান: আল্লাহ ইবলিশকে 'আগুন' বা 'ধোঁয়াবিহীন অগ্নি' থেকে সৃষ্টি করেছেন। (অন্যদিকে, ফেরেশতাদের নূর বা আলো থেকে এবং মানুষকে মাটি থেকে সৃষ্টবিস্তারিত পড়ুন
ইবলিশ (যা পরে শয়তান নামে পরিচিত হয়) মানুষের জন্মের আগেই সৃষ্টি হয়েছিল।
তার সৃষ্টি এবং শয়তান হওয়ার ঘটনাটি নিচে সাজিয়ে দেওয়া হলো:
১. ইবলিশের সৃষ্টি ও পরিচয়
২. ইবলিশের পতন ও ‘শয়তান’ হয়ে ওঠার ঘটনা
ইবলিশের জন্ম কোনো নির্দিষ্ট তারিখ বা ঘটনা দিয়ে চিহ্নিত নয়, বরং তার পতন বা অভিশাপপ্রাপ্ত হওয়ার ঘটনাই তাকে ‘শয়তান’ বানিয়েছে। এই ঘটনাটি মানবজাতির আদি পিতা হজরত আদম (আ.)-কে সৃষ্টির পরে ঘটেছিল:
ক. আল্লাহর আদেশ
আল্লাহ যখন নিজ হাতে মানুষ বা হজরত আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করলেন এবং তাকে বিশেষ মর্যাদা দিলেন, তখন আল্লাহ সকল ফেরেশতা ও ইবলিশকে নির্দেশ দিলেন—আদম (আ.)-কে সিজদা বা মাথা নত করতে।
খ. অহংকার ও অস্বীকার
গ. অভিশাপ
ইবলিশের এই অহংকার ও সরাসরি আল্লাহর আদেশ অমান্য করার কারণে, আল্লাহ তাকে অভিশাপ দিলেন এবং তাকে চিরতরে বেহেশত (জান্নাত) থেকে বের করে দিলেন। এই সময় থেকেই ইবলিশ ‘শয়তান’ বা পথভ্রষ্টকারী হিসেবে পরিচিত হয়।
সংক্ষেপে, ইবলিশের জন্ম হয়েছিল আগুন থেকে এবং সে তার অহংকার এবং আল্লাহর আদেশ অমান্য করার ফলে শয়তানে পরিণত হয়েছিল।
সংক্ষেপে দেখুনবজ্রপাতে কোন প্রাণী সবচেয়ে বেশি মারা যায়?
সাধারণত গরু এবং মহিষ বেশি মারা যাওয়ার খবর পাওয়া যায়, বিশেষ করে হাওর অঞ্চল ও চরাঞ্চলে, যেখানে তারা খোলা মাঠে চরে বেড়ায়। যেহেতু বাংলাদেশেও প্রচুর গবাদি পশু পালন করা হয় এবং বজ্রপাতের হার বেশি, তাই মানুষের পাশাপাশি এসব পশুর মৃত্যুর ঘটনাও অনেক বেশি। কিন্তু একক কোন প্রাণী বেশি মারা যায় এরকম কথা শুনিনি।
সাধারণত গরু এবং মহিষ বেশি মারা যাওয়ার খবর পাওয়া যায়, বিশেষ করে হাওর অঞ্চল ও চরাঞ্চলে, যেখানে তারা খোলা মাঠে চরে বেড়ায়। যেহেতু বাংলাদেশেও প্রচুর গবাদি পশু পালন করা হয় এবং বজ্রপাতের হার বেশি, তাই মানুষের পাশাপাশি এসব পশুর মৃত্যুর ঘটনাও অনেক বেশি। কিন্তু একক কোন প্রাণী বেশি মারা যায় এরকম কথা শুনিনি।
সংক্ষেপে দেখুনখিচুড়ি কোন দেশের জাতীয় খাবার?
খিচুড়িকে সাধারণত ভারতের একটি জাতীয় খাবার হিসেবে ধরা হয়।
খিচুড়িকে সাধারণত ভারতের একটি জাতীয় খাবার হিসেবে ধরা হয়।
সংক্ষেপে দেখুনইয়াহুদীরা তাওরাতকে কিভাবে বিকৃত করেছে?
🕌 ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে তাওরাত বিকৃতি মহান আল্লাহ নবী মূসা (আঃ)-এর ওপর যে মূল তাওরাত কিতাব নাযিল করেছিলেন, কালের পরিক্রমায় সেই কিতাবে মানুষেরা নিজেদের মনগড়া কথা ঢুকিয়ে দিয়েছে বা আল্লাহর বাণী পরিবর্তন করেছে। এই বিকৃতির প্রধান কয়েকটি উপায় হলো: ১. পরিবর্তন, সংযোজন ও বিয়োজন (কথা বদলে দেওয়া, নতুন কথাবিস্তারিত পড়ুন
🕌 ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে তাওরাত বিকৃতি
মহান আল্লাহ নবী মূসা (আঃ)-এর ওপর যে মূল তাওরাত কিতাব নাযিল করেছিলেন, কালের পরিক্রমায় সেই কিতাবে মানুষেরা নিজেদের মনগড়া কথা ঢুকিয়ে দিয়েছে বা আল্লাহর বাণী পরিবর্তন করেছে। এই বিকৃতির প্রধান কয়েকটি উপায় হলো:
১. পরিবর্তন, সংযোজন ও বিয়োজন (কথা বদলে দেওয়া, নতুন কথা যোগ করা বা বাদ দেওয়া):
২. অর্থ বা ব্যাখ্যা বিকৃত করা (কথার ভুল ব্যাখ্যা করা):
৩. নতুন কিতাব বা আইন তৈরি:
ধরুন, আপনার কাছে আপনার বাবার লেখা একটি চিঠি আছে। যদি সেই চিঠির কিছু কথা আপনি মুছে ফেলেন, নতুন কিছু কথা নিজের হাতে যোগ করেন, বা চিঠির আসল অর্থ গোপন করে অন্যভাবে মানুষকে বোঝান—তাহলে সেই চিঠি আর আপনার বাবার আসল চিঠি থাকবে না, বিকৃত হয়ে যাবে। ইসলাম ধর্মের মতে, ইহুদিদের দ্বারা তাওরাতের ক্ষেত্রেও অনেকটা এমনটাই ঘটেছে।
এই বিকৃতির ফলেই বর্তমানে তাদের কাছে যে ধর্মগ্রন্থ (তোরাহ/ওল্ড টেস্টামেন্ট) আছে, তা আল্লাহর পক্ষ থেকে নাযিল হওয়া মূল তাওরাত নয় বলে মুসলিমরা বিশ্বাস করে।
সংক্ষেপে দেখুনবরফ থাকা স্বত্বেও বাঙলিীরা কোন খাবারটি গরম করে খায়?
RICE মানে ভাত। অর্থাৎ ভাতের ইংরেজি Rice, এখানে Ice মানে বরফ আছে। এরপরও মানুষ গরম খায়।
RICE মানে ভাত। অর্থাৎ ভাতের ইংরেজি Rice, এখানে Ice মানে বরফ আছে। এরপরও মানুষ গরম খায়।
সংক্ষেপে দেখুন