সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
Question related on history should be listed here.
বাঙালী জাতি কিভাবে গড়ে উঠেছিলো? কি সেই ইতিহাস?
বাঙালি জাতি গড়ে উঠেছে অস্ট্রিক, দ্রাবিড়, ও আর্য জাতীর সংমিশ্রনে। তবে এর প্রধান অংশটুকু গড়ে উঠে অস্ট্রিক জাতি থেকে। অস্ট্রিক জাতিকে আদি অস্ট্রেলিও বা অস্ট্রালয়েডও বলা হয়। প্রাচীন সাহিত্যে এদের “নিষাদ” নামে উল্লেখ পাওয়া যায়। বাঙালি জাতিকে প্রাক আর্য বা অনার্য জনগোষ্ঠি এবং আর্য জনগোষ্ঠি এই দুই ভাগে ভাগবিস্তারিত পড়ুন
বাঙালি জাতি গড়ে উঠেছে অস্ট্রিক, দ্রাবিড়, ও আর্য জাতীর সংমিশ্রনে। তবে এর প্রধান অংশটুকু গড়ে উঠে অস্ট্রিক জাতি থেকে। অস্ট্রিক জাতিকে আদি অস্ট্রেলিও বা অস্ট্রালয়েডও বলা হয়। প্রাচীন সাহিত্যে এদের “নিষাদ” নামে উল্লেখ পাওয়া যায়।
বাঙালি জাতিকে প্রাক আর্য বা অনার্য জনগোষ্ঠি এবং আর্য জনগোষ্ঠি এই দুই ভাগে ভাগ করা যায়। আর্যপূর্ব জনগোষ্ঠি প্রাধানত চার ভাগে বিভক্ত যথাঃ ১. নেগ্রিটো ২. অস্ট্রিক ৩. দ্রাবিড় ৪. মঙ্গোলীয় বা ভোটচীনীয়।
বিভিন্ন জাতি মিলে মিশে হাজার বছরে আমাদের বাঙালি জাতি তৈরি হয়েছে। তাই বাঙালি জাতিকে সংকর জাতি বলা হয়।
সংক্ষেপে দেখুনবাংলাদেশের বাঙ্গালী আর ভারতীয় বাংগালীরা কাদের বংশধর?
@ashadkhandaker ভাইকে ধন্যবাদ সুন্দর প্রশ্নটি করার জন্য। যদিও এর উত্তর আমরা অনেকেই জানি অথবা পাঠ্যবইয়ে পড়েছি। তবুও আমি আরও সহজ করে বুঝিয়ে দিচ্ছি। সংক্ষেপে বললে, বাংলাদেশের বাঙ্গালী এবং ভারতীয় বাঙ্গালীরা (পশ্চিমবঙ্গের বাঙ্গালী) একই জাতিগত গোষ্ঠীর মানুষ। তাদের বংশধর বা পূর্বপুরুষ একই। ১৯৪৭ সালের দেশভবিস্তারিত পড়ুন
ashad khandaker ভাইকে ধন্যবাদ সুন্দর প্রশ্নটি করার জন্য। যদিও এর উত্তর আমরা অনেকেই জানি অথবা পাঠ্যবইয়ে পড়েছি। তবুও আমি আরও সহজ করে বুঝিয়ে দিচ্ছি।
সংক্ষেপে বললে, বাংলাদেশের বাঙ্গালী এবং ভারতীয় বাঙ্গালীরা (পশ্চিমবঙ্গের বাঙ্গালী) একই জাতিগত গোষ্ঠীর মানুষ। তাদের বংশধর বা পূর্বপুরুষ একই। ১৯৪৭ সালের দেশভাগের কারণে তারা রাজনৈতিকভাবে দুটি ভিন্ন দেশের নাগরিক হয়েছেন, কিন্তু তাদের জাতিগত উৎস একই।
বাঙ্গালী জাতি কোনো একটি একক গোষ্ঠী থেকে আসেনি। এটি একটি সংকর জাতি (Mixed ethnicity), যা হাজার হাজার বছর ধরে বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মিশ্রণে তৈরি হয়েছে।
বাঙ্গালীদের পূর্বপুরুষদের প্রধানত চারটি ভাগে ভাগ করা যায়, যারা বিভিন্ন সময়ে এই ব-দ্বীপ অঞ্চলে এসে বসতি স্থাপন করেছে:
১. অস্ট্রো-এশিয়াটিক (Austro-Asiatic) বা অস্ট্রিক
এরাই বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন জনগোষ্ঠী। প্রায় পাঁচ-ছয় হাজার বছর আগে তারা এই অঞ্চলে আসে। ধারণা করা হয়, আজকের দিনের সাঁওতাল, মুন্ডা, খাসি প্রভৃতি আদিবাসীরা এই ধারার মানুষ। বাঙ্গালীর মূল ভিত্তি বা কাঠামো এই অস্ট্রিক জনগোষ্ঠীই তৈরি করেছিল।
২. দ্রাবিড় (Dravidian)
অস্ট্রিকদের পরে এই অঞ্চলে দ্রাবিড় জনগোষ্ঠীর আগমন ঘটে। সিন্ধু সভ্যতার (হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারো) পতনের পর দ্রাবিড়রা ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে, যার মধ্যে বাংলাও ছিল। অস্ট্রিকদের সাথে দ্রাবিড়দের মিশ্রণ ঘটে, যা বাঙ্গালী জাতি গঠনের দ্বিতীয় ধাপ।
৩. ইন্দো-আর্য (Indo-Aryan)
খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ১৫০০ অব্দের দিকে বা তার কিছু পরে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আর্যরা বাংলায় প্রবেশ করতে শুরু করে। আর্যরা তাদের সাথে নিয়ে আসে সংস্কৃত ভাষা, যা থেকেই পরবর্তীতে পালি, প্রাকৃত এবং অপভ্রংশের মাধ্যমে আজকের ‘বাংলা’ ভাষার জন্ম হয়েছে। আর্যরা বাংলার আদি জনগোষ্ঠীর (অস্ট্রিক ও দ্রাবিড়) সাথে মিশে যায়।
৪. তিব্বতি-বর্মী (Tibeto-Burman)
বাংলার উত্তর এবং পূর্ব দিক (হিমালয়ের পাদদেশ, মিয়ানমার) থেকে মঙ্গোলয়েড বা তিব্বতি-বর্মী গোষ্ঠীর মানুষরাও বিভিন্ন সময়ে এসে মূল বাঙ্গালী জনগোষ্ঠীর সাথে মিশেছে। চাকমা, মারমা, গারো ইত্যাদি জনগোষ্ঠী এই ধারার উদাহরণ এবং তাদের প্রভাবও মূল বাঙ্গালী জনগোষ্ঠীর মধ্যে কমবেশি দেখা যায়।
সহজ কথায়…
বাঙ্গালী জাতি হলো একটি মিশ্র জাতি। এর ভিত্তি তৈরি করেছে অস্ট্রিক ও দ্রাবিড় জনগোষ্ঠী। পরবর্তীতে এর সাথে মিশেছে উত্তর থেকে আসা ইন্দো-আর্য এবং পূর্ব থেকে আসা তিব্বতি-বর্মী জনগোষ্ঠী।
তাই, আমাদের ভাষা (বাংলা) এসেছে ইন্দো-আর্য গোষ্ঠী থেকে, কিন্তু আমাদের রক্ত বা জাতিগত পরিচয় এই চারটি প্রধান ধারার এক জটিল ও হাজার বছরের পুরোনো মিশ্রণ।
সংক্ষেপে দেখুন1952 এর ভাষা আন্দোলন, 1969 এর গন আন্দোলন, 1971 এর স্বাধীনতা আন্দোলন, 2024 এর ফ্যাসিবাদী আন্দোলন এগুলোর মধ্যে একটি অদ্ভূত মিল রয়েছে। মিলটি কি?
প্রতিটি আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল ছাত্রসমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ, এবং এগুলো স্বৈরশাসন ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে জনগণের প্রতিরোধের প্রতিফলন। ১৯৫২ সালে আমরা আমাদের মাতৃভাষার অধিকার রক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের সাহস দেখেছি। ১৯৬৯ সালে আবার সেই একই ছাত্রসমাজ পাকিস্তানের স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে মাইলের পরবিস্তারিত পড়ুন
প্রতিটি আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল ছাত্রসমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ, এবং এগুলো স্বৈরশাসন ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে জনগণের প্রতিরোধের প্রতিফলন।
১৯৫২ সালে আমরা আমাদের মাতৃভাষার অধিকার রক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের সাহস দেখেছি। ১৯৬৯ সালে আবার সেই একই ছাত্রসমাজ পাকিস্তানের স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে মাইলের পর মাইল পথে অবস্থান করে গণআন্দোলন গড়ে তোলে। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করা মুক্তিযোদ্ধাদের অনেকেই তখনও কলেজের বা বিশ্ববিদ্যালয়েরই শিক্ষার্থী ছিল। আর ২০২৪ সালে “ফ্যাসিবাদ” বা স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভও শুরু হয়েছিল ছাত্রদের কোটা সংস্কারের দাবি থেকে, যা দ্রুত দেশের প্রায় সব শ্রেণিপেশার মানুষের আন্দোলনে পরিণত হয়।
সংক্ষেপে দেখুনপার্ল হারবার আক্রমনের মূল পরিকল্পনাকারী কে?
পার্ল হারবার আক্রমণের মাস্টার মাইন্ড ছিলেন জাপানের নৌবাহিনীর অ্যাডমিরাল ইসোরোকু ইয়ামামোতো। ১৯৪১ সালের শীতের এক সকালে তিনি সিদ্ধান্ত নেন, প্রশান্ত মহাসাগরে আমেরিকার নৌবলকে এক ঝলকেই দমন করে জাপানের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় পদচারণা মসৃণ করতে হবে। ইয়ামামোতোজির ভেতরে এই ভাবনাটা মাথার মধ্যে ঘুরপাক খেতেই থাকে।বিস্তারিত পড়ুন
পার্ল হারবার আক্রমণের মাস্টার মাইন্ড ছিলেন জাপানের নৌবাহিনীর অ্যাডমিরাল ইসোরোকু ইয়ামামোতো। ১৯৪১ সালের শীতের এক সকালে তিনি সিদ্ধান্ত নেন, প্রশান্ত মহাসাগরে আমেরিকার নৌবলকে এক ঝলকেই দমন করে জাপানের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় পদচারণা মসৃণ করতে হবে। ইয়ামামোতোজির ভেতরে এই ভাবনাটা মাথার মধ্যে ঘুরপাক খেতেই থাকে।
কিন্তু শুধু আইডিয়া দিয়ে কি কাজ হয়? তার জন্য দরকার সেই আইডিয়াকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার কারিগর। সেই ভূমিকায় ছিলেন ক্যাপ্টেন মিনোরু গেন্ডা। সেনানিবাসীয় কাগজে-কলমে যুদ্ধের কৌশল থেকে শুরু করে, বিমানবাহী জাহাজ থেকে টর্পেডো ছোঁড়া পর্যন্ত সবকিছুর প্ল্যান বানিয়েছেন তিনি। তার চাওয়াই ছিল হঠাৎ আক্রমণ, যাতে প্রতিপক্ষের পা ছুটে যায়, কোনরকম প্রস্তুতিও যেন তাদের না থাকে।
ইতিহাসের এই দুই জনের টিমওয়ার্কের কারণেই একেবারে আকাশ-সমুদ্র লড়াইয়ে আমেরিকার নৌবল হাবুডুবু খেয়েছিলো।
সংক্ষেপে দেখুনবিশ্ববিখ্যাত সংবাদ সংস্থা রয়টার্স প্রথম বিশেষ কোন খবর প্রকাশের জন্য বিখ্যাত হয়ে যায়?
রয়টার্স বিশ্ববিখ্যাত হয়ে ওঠার পেছনে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনা ছিল ১৮৬৫ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের হত্যাকাণ্ডের খবর দ্রুততার সাথে বৈশ্বিকভাবে প্রচার করা। এই ঘটনায় রয়টার্স তার টেলিগ্রাফ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইউরোপ ও আমেরিকার মধ্যে সংবাদ প্রেরণে বিপ্লব ঘটায়। লিংকনের মৃত্যুর খবরটি প্রথমে যুকবিস্তারিত পড়ুন
রয়টার্স বিশ্ববিখ্যাত হয়ে ওঠার পেছনে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনা ছিল ১৮৬৫ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের হত্যাকাণ্ডের খবর দ্রুততার সাথে বৈশ্বিকভাবে প্রচার করা। এই ঘটনায় রয়টার্স তার টেলিগ্রাফ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইউরোপ ও আমেরিকার মধ্যে সংবাদ প্রেরণে বিপ্লব ঘটায়। লিংকনের মৃত্যুর খবরটি প্রথমে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে প্রেরণ করতে সক্ষম হয়েছিল এই সংবাদ সংস্থা, যা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের কাছে একটি মাইলফলক হিসেবে স্বীকৃত। এই সাফল্যের পর থেকে রয়টার্স রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও জরুরি ঘটনাবলির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানের রিপোর্টিংয়ের জন্য পরিচিতি পায়। বর্তমানেও এটি ১৬টি ভাষায় ২০০টির বেশি স্থানীয় ব্যুরো থেকে সংবাদ পরিবেশন করে।
সংক্ষেপে দেখুনপৃথিবীর সবচেয়ে খারাপ মানুষ কে?
পৃথিবীর সবচেয়ে খারাপ মানুষঃ পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে খারাপ বা "অত্যন্ত মন্দ" মানুষ হিসেবে সাধারণভাবে অ্যাডলফ হিটলারের নামই সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য। তিনি ১৯৩৩ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত নাৎসি জার্মানির একনায়ক ছিলেন এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা ও হলোকাস্টের জন্য সরাসরি দায়ী। অ্যাডলফ হিটলারের অপরাধসমূহ হলবিস্তারিত পড়ুন
পৃথিবীর সবচেয়ে খারাপ মানুষঃ
পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে খারাপ বা “অত্যন্ত মন্দ” মানুষ হিসেবে সাধারণভাবে অ্যাডলফ হিটলারের নামই সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য। তিনি ১৯৩৩ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত নাৎসি জার্মানির একনায়ক ছিলেন এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা ও হলোকাস্টের জন্য সরাসরি দায়ী।
অ্যাডলফ হিটলারের অপরাধসমূহ
হলোকাস্ট: হিটলারের নেতৃত্বে প্রায় ৬০ লক্ষ ইহুদি এবং আরও কয়েক লক্ষ রোমা, সমকামী, প্রতিবন্ধী ও রাজনৈতিক বিরোধীকে হত্যা করা হয়। এই গণহত্যা ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘন।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা: ১৯৩৯ সালে পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে হিটলার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু করেন, যার ফলে প্রায় ৭ কোটি মানুষ প্রাণ হারায়।
জাতিগত বিদ্বেষ ও বর্ণবাদ: হিটলারের আদর্শে “আর্য জাতি”কে শ্রেষ্ঠ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীকে “অবাঞ্ছিত” হিসেবে চিহ্নিত করে নিধনযজ্ঞ চালানো হয়।
রাজনৈতিক দমন-পীড়ন: তিনি বিরোধী রাজনৈতিক দল ও মতাদর্শের বিরুদ্ধে কঠোর দমননীতি গ্রহণ করেন, যার ফলে বহু মানুষ কারাবন্দি বা নিহত হন।
অন্যান্য উল্লেখযোগ্য খলনায়ক
জোসেফ স্টালিন
সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতা, যিনি গণহত্যা, গুলাগ ক্যাম্প, দুর্ভিক্ষ ও রাজনৈতিক শুদ্ধিকরণের মাধ্যমে কোটি কোটি মানুষের মৃত্যু ঘটান।
মাও সেতুং
চীনের কমিউনিস্ট নেতা, যাঁর “গ্রেট লিপ ফরোয়ার্ড” ও “কালচারাল রেভল্যুশন” নীতির ফলে কয়েক কোটি মানুষ প্রাণ হারান।
পল পট
কম্বোডিয়ার খেমার রুজ নেতা, যাঁর শাসনামলে প্রায় ২০ লক্ষ মানুষ নিহত হন, যা দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-চতুর্থাংশ।
কিং লিওপোল্ড II
বেলজিয়ামের রাজা, যিনি কঙ্গোতে উপনিবেশিক শাসনের নামে প্রায় ১ কোটি মানুষের মৃত্যু ঘটান।
ইভান দ্য টেরিবল
রাশিয়ার প্রথম জার, যিনি নিষ্ঠুরতা ও গণহত্যার জন্য পরিচিত ছিলেন।
“সবচেয়ে খারাপ মানুষ” নির্ধারণ করা একটি জটিল ও বিতর্কিত বিষয়, তবে অ্যাডলফ হিটলারের অপরাধের মাত্রা, পরিসর ও প্রভাবের কারণে ইতিহাসবিদদের মধ্যে তিনি সাধারণত এই তালিকার শীর্ষে থাকেন। তাঁর শাসনামল মানব ইতিহাসের অন্যতম অন্ধকার অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়।
এই বিষয়ে আরও জানতে, আপনি উত্তরের সাথে এটাচড ভিডিওটি দেখে নিতে পারেন।
সংক্ষেপে দেখুনহজরত ওমরের কথার পর পবিত্র আল কোরআনে কতটি আয়াত নাজিল হয়েছিল ?
ওমর রা. নিজেই তার সেই সৌভাগ্য হাসিলের বর্ণনা দিয়েছেন। আমরা এখানে তার সেই বর্ণনা হুবহু তুলে ধরছি। ওমর রা. বলেছেন– তিনটি বিষয়ে আমার অভিমত আমার রবের ওহীর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়েছিল। আমি বলেছিলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমরা যদি ‘মাকামে ইবরাহীম’কে নামাজের স্থান বানাতে পারতাম। তখন এই আয়াত নাযিল হয়– وَ اتَّخِذবিস্তারিত পড়ুন
ওমর রা. নিজেই তার সেই সৌভাগ্য হাসিলের বর্ণনা দিয়েছেন। আমরা এখানে তার সেই বর্ণনা হুবহু তুলে ধরছি।
ওমর রা. বলেছেন– তিনটি বিষয়ে আমার অভিমত আমার রবের ওহীর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়েছিল। আমি বলেছিলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমরা যদি ‘মাকামে ইবরাহীম’কে নামাজের স্থান বানাতে পারতাম।
তখন এই আয়াত নাযিল হয়–
وَ اتَّخِذُوْا مِنْ مَّقَامِ اِبْرٰهٖمَ مُصَلًّی.
তোমরা ‘মাকামে ইবরাহীম’কে নামাযের স্থান বানাও। –সূরা বাকারা (০২) : ১২৫
(দ্বিতীয় হল,) পর্দার আয়াত। আমি বলেছিলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ, আপনি যদি আপনার স্ত্রীদেরকে পর্দার আদেশ করতেন। কারণ, ভালো-মন্দ সবাই তাদের সঙ্গে কথা বলে। তখন পর্দার আয়াত নাযিল হয়।
(তৃতীয়) আরেকবার নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রীগণ নবীজীর ওপর অভিমানবশত পরস্পর একতাবদ্ধ হয়েছিল। তখন আমি তাদেরকে বলেছিলাম, রাসূল যদি তোমাদেরকে তালাক দেন, তবে আল্লাহ তাআলা তোমাদের পরিবর্তে রাসূলকে তোমাদের চেয়েও উত্তম স্ত্রী দান করবেন। পরবর্তীতে সে কথাই আয়াত হিসেবে নাযিল হয়। (সহিহ বুখারি, হাদিস ৪০২)
আরেক বর্ণনায় ওমর রা. বদর যুদ্ধবন্দিদের ঘটনাটি উল্লেখ করেছেন। ঘটনাটি ছিল এরকম, বদর যুদ্ধে আল্লাহ তাআলার সাহায্যে মুসলমানরা বিজয় লাভ করে। কাফেররা শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়। তাদের ৭০ জন লোক মুসলমানদের হাতে বন্দি হয়। এ বন্দিদের ব্যাপারে কী ফয়সালা হবে– সে বিষয়ে নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদের কাছে পরামর্শ চাইলেন।
আবু বকর রা. বিভিন্ন দিক বিবেচনা করে তাদের থেকে মুক্তিপণ নেওয়ার পরামর্শ দিলেন। অপরদিকে ওমর রা. কাফেরদেরকে হত্যা করে ফেলার অভিমত ব্যক্ত করলেন।
রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবু বকর রা.-এর পরামর্শ অনুযায়ী ফয়সালা করলেন। পরবর্তীতে ওমর রা.-এর মতামতকে সমর্থন করে কুরআন কারীমে আয়াত নাযিল হল।
আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করলেন– ভূপৃষ্ঠে ব্যাপকভাবে শত্রুনিধন না হওয়া পর্যন্ত কোনো নবীর জন্য শত্রুদের বন্দি হিসেবে রেখে দেওয়া সমীচীন নয়। তোমরা চাও পার্থিব সম্পদ আর আল্লাহ চান আখেরাতের কল্যাণ। আল্লাহ পরাক্রমশালী, অতি প্রজ্ঞাবান। আল্লাহর পূর্ব বিধান না থাকলে তোমরা যা গ্রহণ করেছ, তার জন্য তোমাদের ওপর মহা শাস্তি আপতিত হত। অতএব এখন তোমরা যা গনীমত লাভ করেছ, তা বৈধ এবং কল্যাণকর হিসেবে গ্রহণ করো। আল্লাহকে ভয় করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ পরম ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু। –সূরা আনফাল (০৮) : ৬৭-৬৯ (দ্র. সহিহ মুসলিম, হাদিস ১৭৬৩)
আরেকবারের ঘটনা। সেই ঘটনার বিবরণও ওমর ইবনুল খাত্তাব রা. নিজেই শুনিয়েছেন। তিনি বলেন, (মুনাফিক সর্দার) আবদুল্লাহ ইবনে উবাই ইবনে সালূল যখন মারা যায়, তখন রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জানাজার নামাজের জন্য ডাকা হল। রাসূল জানাজার জন্য উঠে দাঁড়ালে আমি দ্রুত গিয়ে রাসূলকে বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ, আপনি ইবনে উবাইয়ের জানাযা পড়বেন, অথচ সে অমুক অমুক দিন এটা এটা বলেছে? আমি রাসূলকে তার উক্তিগুলো একে একে শোনাতে লাগলাম।
রাসূল মুচকি হেসে বললেন, ওমর, সরে যাও। কিন্তু আমি বারবার আপত্তি করতে থাকলে রাসূল একপর্যায়ে বললেন, আমাকে আল্লাহর পক্ষ থেকে সুযোগ দেওয়া হয়েছে। আমি তা গ্রহণ করেছি। আমি যদি জানতাম যে, সত্তরবারের অধিক ইস্তিগফার করলে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেবেন, তবে আমি তাই করতাম।
এরপর রাসূল তার জানাজার নামায আদায় করে ফিরে এলেন। কিছুদিনের মধ্যেই সূরা বারাআর দুটি আয়াত নাযিল হল–
মুনাফিকদের কেউ মারা গেলে তুমি কখনোই তাদের জানাযার নামায আদায় করবে না। তারা তো আল্লাহ ও তার রাসূলের সঙ্গে কুফরী করেছে এবং পাপিষ্ঠ অবস্থায় মারা গেছে। –সূরা তাওবা (০৯) : ৮৪
ওমর রা. বলেন, পরবর্তীতে আমি রাসূলের সামনে আমার সেদিনকার দুঃসাহসিক আচরণের জন্য নিজের প্রতি আশ্চর্যবোধ করছিলাম। আল্লাহ এবং আল্লাহর রাসূলই সবচেয়ে ভালো জানেন। –সহিহ বুখারী, হাদিস ১৩৬৬
এছাড়াও আরও বিভিন্ন প্রসঙ্গে ওমর রা.-এর চিন্তা ও বক্তব্যের সাথে কুরআনের আয়াত মিলে গিয়েছিল। এজন্য রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওমর রা. সম্পর্কে মন্তব্য করেছিলেন– তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতের মাঝে ইলহামপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ ছিলেন। আমার এই উম্মতের মধ্যে যদি কেউ থাকে, তবে সে ওমর ইবনুল খাত্তাব। –সহিহ বুখারী, হাদিস ৩৪৬৯
সোর্সঃ দৈনিক যুগান্তর
সংক্ষেপে দেখুনPrussian education system কি? Prussian education system এর প্রধান দিকগুলি কী ছিল এবং তারা কীভাবে আধুনিক শিক্ষাকে প্রভাবিত করেছিল?
Prussian education system ছিল জার্মানির প্রুশিয়া অঞ্চলে 18শ এবং 19শ শতকে গড়ে ওঠা একটি শিক্ষাব্যবস্থা, যা সুশৃঙ্খল, বাধ্যতামূলক এবং সরকার-নিয়ন্ত্রিত শিক্ষার মডেল তৈরি করেছিল। এই পদ্ধতিকে আধুনিক গণশিক্ষার ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং এটি অনেক দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে। Prusবিস্তারিত পড়ুন
Prussian education system ছিল জার্মানির প্রুশিয়া অঞ্চলে 18শ এবং 19শ শতকে গড়ে ওঠা একটি শিক্ষাব্যবস্থা, যা সুশৃঙ্খল, বাধ্যতামূলক এবং সরকার-নিয়ন্ত্রিত শিক্ষার মডেল তৈরি করেছিল। এই পদ্ধতিকে আধুনিক গণশিক্ষার ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং এটি অনেক দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে।
Prussian education system-এর প্রধান দিকগুলি
বাধ্যতামূলক শিক্ষা
প্রুশিয়ার শিক্ষাব্যবস্থা প্রথম বাধ্যতামূলক শিক্ষা চালু করে। 1763 সালে ফ্রেডেরিক দ্য গ্রেট বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা কার্যকর করেন, যা নিশ্চিত করত যে সকল শিশুকে একটি নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত স্কুলে যেতে হবে।
রাষ্ট্র-নিয়ন্ত্রিত শিক্ষা
পুরো শিক্ষাব্যবস্থা সরাসরি সরকারের অধীনে ছিল। শিক্ষার মান নিয়ন্ত্রণ, পাঠ্যক্রম নির্ধারণ, এবং শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের দায়িত্ব সরকার পালন করত।
বিনামূল্যে প্রাথমিক শিক্ষা
শিক্ষাব্যবস্থা এমনভাবে গড়ে তোলা হয়েছিল যাতে সকল শিশু শিক্ষার সুযোগ পায়, এমনকি নিম্নবিত্ত পরিবারগুলিও।
শৃঙ্খলাবদ্ধ পাঠদান পদ্ধতি
শিক্ষাকে একটি সুনির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্যে রাখা হয়েছিল, যেখানে শৃঙ্খলা এবং আনুগত্যকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হত। শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ে ক্লাস করতে হত এবং শিক্ষকদের কঠোর নীতিতে পাঠদান করতে হয়।
কারিগরি ও পেশাগত শিক্ষা
শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতে কর্মক্ষেত্রের জন্য প্রস্তুত করতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। প্রুশিয়ার শিক্ষা কাঠামোতে কারিগরি দক্ষতা ও পেশাগত শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত ছিল।
জাতীয়তাবাদ ও আনুগত্য
শিক্ষার মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় আদর্শ এবং শাসকের প্রতি আনুগত্যের মানসিকতা তৈরির চেষ্টা করা হত।
Prussian education system-এর প্রভাব
আধুনিক গণশিক্ষার ভিত্তি
প্রুশিয়ান মডেল ছিল প্রথম শিক্ষাব্যবস্থা যেখানে গণশিক্ষার ধারণা গড়ে ওঠে। এটি অন্যান্য দেশের (যেমন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, এবং জাপান) শিক্ষাব্যবস্থা প্রভাবিত করে।
শ্রেণিকক্ষের কাঠামো
বর্তমানের শ্রেণিকক্ষ ভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা (একজন শিক্ষক, নির্দিষ্ট সময়ে ক্লাস, নির্ধারিত পাঠ্যক্রম) মূলত প্রুশিয়ার শিক্ষা কাঠামো থেকে নেওয়া।
শিক্ষকের পেশাগত প্রশিক্ষণ
শিক্ষকদের সুশৃঙ্খল প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেওয়া, যা আজও শিক্ষক প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।
বাধ্যতামূলক শিক্ষা আইন
অনেক দেশ প্রুশিয়ার বাধ্যতামূলক শিক্ষার ধারণা গ্রহণ করে, যা নিশ্চিত করে যে প্রতিটি শিশুই একটি নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষা পায়।
জাতীয় পরিচয় ও আনুগত্যের প্রচার
রাষ্ট্রীয় শিক্ষার ধারণা, যেখানে শিক্ষার্থীদের মধ্যে জাতীয় পরিচয়ের বোধ তৈরি করা হয়, প্রুশিয়ান শিক্ষা থেকে এসেছে।
আধুনিক শিক্ষায় প্রুশিয়ান শিক্ষার সীমাবদ্ধতা
অতিরিক্ত শৃঙ্খলা এবং সৃজনশীলতার অভাব।
শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বাধীন চিন্তার বিকাশে বাধা সৃষ্টি।
রাষ্ট্রের প্রভাব শিক্ষাকে অতিমাত্রায় নিয়ন্ত্রণ করত।
সংক্ষেপে, প্রুশিয়ান শিক্ষাব্যবস্থা একটি সুশৃঙ্খল শিক্ষার মডেল তৈরি করে যা আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করেছে। তবে, আজকের শিক্ষায় স্বাধীন চিন্তা এবং উদ্ভাবনী শিক্ষাদানের উপর জোর দিয়ে এই মডেলের সীমাবদ্ধতাগুলি দূর করার চেষ্টা করা হয়েছে।
সংক্ষেপে দেখুন1905 সালে বঙ্গভঙ্গের কারণ কী এবং তা বাস্তবায়নের দায়িত্ব কার?
1905 সালে বঙ্গভঙ্গের কারণ ১৯০৫ সালে ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জন কর্তৃক বঙ্গভঙ্গ কার্যকর হয়, যা বাংলার ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। বঙ্গভঙ্গের পেছনে প্রধানত প্রশাসনিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং ধর্মীয় কারণসমূহ বিদ্যমান ছিল। প্রশাসনিক কারণ বাংলা প্রদেশের আয়তন ছিল প্রায় ১,৮৯,০০০বিস্তারিত পড়ুন
1905 সালে বঙ্গভঙ্গের কারণ
১৯০৫ সালে ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জন কর্তৃক বঙ্গভঙ্গ কার্যকর হয়, যা বাংলার ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। বঙ্গভঙ্গের পেছনে প্রধানত প্রশাসনিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং ধর্মীয় কারণসমূহ বিদ্যমান ছিল।
প্রশাসনিক কারণ
বাংলা প্রদেশের আয়তন ছিল প্রায় ১,৮৯,০০০ বর্গমাইল এবং জনসংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৮৫ লাখ। এত বৃহৎ প্রদেশের কার্যকর প্রশাসন ব্রিটিশ সরকারের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। পূর্বাঞ্চল ভৌগোলিকভাবে পশ্চিমাঞ্চল থেকে বিচ্ছিন্ন ছিল এবং যাতায়াত ব্যবস্থার অভাব ছিল। এই প্রশাসনিক অসুবিধা দূরীকরণের লক্ষ্যে বঙ্গভঙ্গের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
রাজনৈতিক কারণ
ব্রিটিশ সরকার ‘Divide and Rule’ (ভাগ কর, শাসন কর) নীতি অনুসরণ করে বঙ্গভঙ্গের মাধ্যমে হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করে। এছাড়া, বাঙালি হিন্দু মধ্যবিত্ত শ্রেণী জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছিল, যা ব্রিটিশ শাসকদের জন্য উদ্বেগের কারণ ছিল। বঙ্গভঙ্গের মাধ্যমে এই আন্দোলনকে দুর্বল করার প্রচেষ্টা করা হয়।
অর্থনৈতিক কারণ
পূর্ব বাংলার অর্থনীতি ছিল মূলত কৃষিভিত্তিক এবং শিল্প ও বাণিজ্যিক উন্নয়ন ছিল সীমিত। কলকাতা ছিল ব্রিটিশ ভারতের প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র, যা পশ্চিমবঙ্গের হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য সুবিধাজনক ছিল। বঙ্গভঙ্গের মাধ্যমে পূর্ব বাংলার অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি করার পরিকল্পনা করা হয়।
সামাজিক কারণ
ব্রিটিশ শাসনামলে মুসলমান সম্প্রদায় সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে ছিল। বঙ্গভঙ্গের ফলে পূর্ব বাংলায় মুসলমানদের জন্য নতুন প্রদেশ গঠিত হয়, যার রাজধানী হয় ঢাকা। এটি মুসলমানদের মধ্যে আশার সঞ্চার করে এবং তারা বঙ্গভঙ্গকে সমর্থন জানায়।
ধর্মীয় কারণ
অবিভক্ত বাংলার পূর্বাংশে মুসলমান এবং পশ্চিমাংশে হিন্দু সম্প্রদায় সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে দুটি সম্প্রদায়ের জন্য দুটি প্রদেশ গঠনের চেষ্টা করা হয়, যা ব্রিটিশ সরকারের ‘Divide and Rule’ নীতির অংশ ছিল।
উপরোক্ত কারণসমূহের সমন্বয়ে ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ কার্যকর হয়, যা পরবর্তীতে বাংলার রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনে গভীর প্রভাব ফেলে।
বঙ্গভঙ্গ বাস্তবায়নের দায়িত্ব কার ছিল
১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ বাস্তবায়নের দায়িত্ব ছিল ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জন-এর উপর। লর্ড কার্জন এই বিভাজনের প্রস্তাব করেন এবং তা বাস্তবায়ন করেন।
তাঁর প্রশাসনিক যুক্তি ছিল, বাংলা প্রদেশ ছিল অত্যন্ত বড় এবং জনসংখ্যা ছিল বিপুল, যা পরিচালনা করা কঠিন হয়ে উঠেছিল। তবে এর পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যও ছিল, বিশেষ করে বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে দুর্বল করা এবং হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা।
লর্ড কার্জন ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করেন, যা বাংলাকে দুই ভাগে বিভক্ত করে:
1. পূর্ব বাংলা ও আসাম (মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল)।
2. পশ্চিম বাংলা (হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল)।
তবে বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে বাঙালিদের তীব্র আন্দোলনের মুখে ১৯১১ সালে এটি বাতিল করা হয়।
সংক্ষেপে দেখুনইতিহাসের সবচেয়ে বুদ্ধিমান অপরাধী কে? তার কি অপরাধ ছিল?
ইতিহাসের সবচেয়ে বুদ্ধিমান অপরাধী ইতিহাসে অনেক বুদ্ধিমান অপরাধী ছিল, তবে তাদের মধ্যে অন্যতম হিসেবে বিবেচনা করা হয় ব্রুস রেনল্ডস কে। তিনি বিখ্যাত "দ্য গ্রেট ট্রেন রবারি"র (1963) মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন। এই চুরিতে তিনি ও তার দল চলন্ত রয়্যাল মেইল ট্রেন থেকে প্রায় £2.6 মিলিয়ন (আজকের দিনে প্রায় £50 মিলবিস্তারিত পড়ুন
ইতিহাসের সবচেয়ে বুদ্ধিমান অপরাধী
ইতিহাসে অনেক বুদ্ধিমান অপরাধী ছিল, তবে তাদের মধ্যে অন্যতম হিসেবে বিবেচনা করা হয় ব্রুস রেনল্ডস কে। তিনি বিখ্যাত “দ্য গ্রেট ট্রেন রবারি“র (1963) মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন। এই চুরিতে তিনি ও তার দল চলন্ত রয়্যাল মেইল ট্রেন থেকে প্রায় £2.6 মিলিয়ন (আজকের দিনে প্রায় £50 মিলিয়ন) ডাকাতি করেছিলেন। রেনল্ডসের বুদ্ধিমত্তার অন্যতম উদাহরণ হলো, কীভাবে তিনি ট্রেনের সিগন্যাল পরিবর্তন করে ট্রেন থামিয়ে তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছিলেন। যদিও চুরির পর তার দল ধরা পড়ে, রেনল্ডস প্রায় ৫ বছর লুকিয়ে ছিলেন, যা তাকে একটি কৌশলী অপরাধী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
আরেকজন বিখ্যাত অপরাধী পাবলো এসকোবার। তিনি কলম্বিয়ার মাদক সম্রাট হিসেবে পরিচিত ছিলেন। এসকোবারের অপরাধসমূহের মধ্যে ছিল বিশাল মাদক সাম্রাজ্য তৈরি করা, যেখানে তার প্রশিক্ষিত সৈন্য ও বিশাল সম্পত্তির অধিকারী ছিলেন। এসকোবার সাধারণ মানুষের ভালোবাসা অর্জন করতে বিপুল অর্থ খরচ করে গরিবদের সহায়তা করতেন, যার ফলে তিনি “রবিনহুড” উপাধি পান। তার কৌশলী বুদ্ধির মাধ্যমে তিনি অনেকদিন ধরে তার সাম্রাজ্য বজায় রাখতে পেরেছিলেন।
সংক্ষেপে দেখুনসক্রেটিস এর মৃত্যুর কারণ কি ছিল? সক্রেটিসের কিছু উক্তি বলবেন কি?
সক্রেটিস এর মৃত্যুর কারণ সক্রেটিসের মৃত্যু একটি বিতর্কিত ঘটনা। প্রাচীন গ্রিসের এথেন্সে, খ্রিস্টপূর্ব ৩৯৯ সালে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। তার বিরুদ্ধে দুটি প্রধান অভিযোগ ছিল—ধর্মের অবমাননা এবং যুবকদের বিপথগামী করা। এই অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে হেমলক বিষ পান করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে বাধ্য করা হয়। যদিওবিস্তারিত পড়ুন
সক্রেটিস এর মৃত্যুর কারণ
সক্রেটিসের মৃত্যু একটি বিতর্কিত ঘটনা। প্রাচীন গ্রিসের এথেন্সে, খ্রিস্টপূর্ব ৩৯৯ সালে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। তার বিরুদ্ধে দুটি প্রধান অভিযোগ ছিল—ধর্মের অবমাননা এবং যুবকদের বিপথগামী করা। এই অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে হেমলক বিষ পান করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে বাধ্য করা হয়। যদিও সক্রেটিস নিজে বিশ্বাস করতেন, তিনি কোনো ভুল করেননি এবং যুক্তি ও দর্শনের মাধ্যমে সত্যের সন্ধান করে যাচ্ছিলেন। তার মৃত্যুর পেছনে রাজনীতির ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য, কারণ সে সময় এথেন্সের শাসকগণ তার চিন্তাধারাকে বিপজ্জনক বলে মনে করেছিলেন।
সক্রেটিসের কিছু বিখ্যাত উক্তি
1. “আমি জানি যে আমি কিছুই জানি না।”
2. “নিজেকে জানো।”
3. “যদি তুমি সুখী হতে চাও, তাহলে যতটা সম্ভব কম প্রত্যাশা রাখ।”
4. “বিজ্ঞতার লক্ষণ হলো সত্যপ্রীতি।”
5. “যে সৎ ব্যক্তি অসৎ ব্যক্তির সঙ্গে মিশে থাকে, সে সত্যিই করুণার পাত্র।”
দার্শনিক হিসেবে সক্রেটিস এর জনপ্রিয়তার কারণ
সক্রেটিস দার্শনিক হিসেবে এত জনপ্রিয় হওয়ার কারণ তার চিন্তাশক্তি এবং যুক্তির ব্যবহার। তিনি কোনো লিখিত বই রেখে যাননি, বরং ছাত্রদের সঙ্গে আলাপচারিতা এবং প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে দর্শন শেখাতেন। তার ‘মায়েউটিক মেথড’ নামে পরিচিত পদ্ধতি, যেখানে তিনি প্রশ্ন করে মানুষকে নিজের অজ্ঞানতা উপলব্ধি করতে সাহায্য করতেন, আজও শিক্ষা এবং দর্শনে আলোচিত হয়। তার চিন্তাধারা, বিশেষত সত্য ও ন্যায়ের প্রতি তার অঙ্গীকার, তাকে বিশ্ববিখ্যাত করেছে।
সংক্ষেপে দেখুনমানুষ কখন ও কেন কথা বলতে শিখলো? কী বলেছিল প্রথমে?
https://www.bbc.com/bengali/news-48757640
https://www.bbc.com/bengali/news-48757640
সংক্ষেপে দেখুনখ্রিস্টান ধর্ম কখন এবং কেন খতনা প্রথা ত্যাগ করেছে?
https://www.bbc.com/bengali/articles/cldgxx2wv3vo
https://www.bbc.com/bengali/articles/cldgxx2wv3vo
সংক্ষেপে দেখুনবাংলা ভাষায় এত ফারসি শব্দ কীভাবে এলো?
মনজুর। তার মতে, বাংলা ভাষায় ফারসি শব্দ বেশি ঢুকেছে মধ্যযুগের শেষদিকে, অর্থাৎ ১৭শ থেকে ১৮শ সালের দিকে। সেসময় পলাশীর যুদ্ধ এবং সিপাহী বিদ্রোহে হেরে যাবার পর রাজনীতিতে ক্ষমতা হারায় মুসলমানরা। “মুসলমান প্রধান এই অঞ্চলের মানুষ চেয়েছে তার ভাষা দিয়ে স্বকীয়তা, জাতিবোধ ও স্বাজত্যবোধ প্রকাশ করার জন্য।
মনজুর। তার মতে, বাংলা ভাষায় ফারসি শব্দ বেশি ঢুকেছে মধ্যযুগের শেষদিকে, অর্থাৎ ১৭শ থেকে ১৮শ সালের দিকে। সেসময় পলাশীর যুদ্ধ এবং সিপাহী বিদ্রোহে হেরে যাবার পর রাজনীতিতে ক্ষমতা হারায় মুসলমানরা। “মুসলমান প্রধান এই অঞ্চলের মানুষ চেয়েছে তার ভাষা দিয়ে স্বকীয়তা, জাতিবোধ ও স্বাজত্যবোধ প্রকাশ করার জন্য।
সংক্ষেপে দেখুন৩০শে ফেব্রুয়ারি – যে দিনটি ইতিহাসে মাত্র একবারই এসেছিল কবে?
২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি অবশ্যই বিশেষ একটি দিন। তবে অবাক করা বিষয় হলো, ইতিহাসে একবার '৩০ ফেব্রুয়ারি' এসেছিল। বিবিসি বাংলার খবরে বলা হয়, সুইডেন একটি ডাবল লিপ ইয়ারের অংশ হিসেবে ১৭১২ সালের ক্যালেন্ডারে '৩০ ফেব্রুয়ারি' দিনটি যুক্ত করা হয়েছিল।
২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি অবশ্যই বিশেষ একটি দিন। তবে অবাক করা বিষয় হলো, ইতিহাসে একবার ‘৩০ ফেব্রুয়ারি‘ এসেছিল। বিবিসি বাংলার খবরে বলা হয়, সুইডেন একটি ডাবল লিপ ইয়ারের অংশ হিসেবে ১৭১২ সালের ক্যালেন্ডারে ‘৩০ ফেব্রুয়ারি‘ দিনটি যুক্ত করা হয়েছিল।
সংক্ষেপে দেখুনইতালিতে কমলা দিয়ে লড়াইয়ের উৎসবের ইতিহাস কি ?
ইতালিয় ভাষায় বলা হয় Carnevale di Ivrea। এই উৎসবে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন দলে সংঘটিত হয়ে পরস্পরের প্রতি কমলা নিক্ষেপ করে। এটি ইতালির সর্ববৃহৎ প্রতীকী `খাদ্য যুদ্ধ' বা `ফুড ফাইট', যা শাসকের স্বেচ্ছাচারিতার বিরূদ্ধে সাধারণ মানুষের প্রতিবাদের প্রতীক।
ইতালিয় ভাষায় বলা হয় Carnevale di Ivrea। এই উৎসবে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন দলে সংঘটিত হয়ে পরস্পরের প্রতি কমলা নিক্ষেপ করে। এটি ইতালির সর্ববৃহৎ প্রতীকী `খাদ্য যুদ্ধ’ বা `ফুড ফাইট’, যা শাসকের স্বেচ্ছাচারিতার বিরূদ্ধে সাধারণ মানুষের প্রতিবাদের প্রতীক।
সংক্ষেপে দেখুনপারিসের নটরডেম ক্যাথেড্রাল তৈরিতে কত বছর সময় লেগেছিল ?
পারিসের নটরডেম ক্যাথেড্রাল তৈরিতে সময় লেগেছিল ২০০ বছরেরও বেশি।
পারিসের নটরডেম ক্যাথেড্রাল তৈরিতে সময় লেগেছিল ২০০ বছরেরও বেশি।
সংক্ষেপে দেখুনকবে থেকে বাংলা ভাষায় ফারসি শব্দের আধিপত্য শুরু হয় ?
কথ্য ভাষায় ফারসি শব্দের ব্যবহারকে অনেক বেশি মনস্তাত্ত্বিক বলে মনে করেন ড. মনজুর। তার মতে, বাংলা ভাষায় ফারসি শব্দ বেশি ঢুকেছে মধ্যযুগের শেষদিকে, অর্থাৎ ১৭শ থেকে ১৮শ সালের দিকে।
কথ্য ভাষায় ফারসি শব্দের ব্যবহারকে অনেক বেশি মনস্তাত্ত্বিক বলে মনে করেন ড. মনজুর। তার মতে, বাংলা ভাষায় ফারসি শব্দ বেশি ঢুকেছে মধ্যযুগের শেষদিকে, অর্থাৎ ১৭শ থেকে ১৮শ সালের দিকে।
সংক্ষেপে দেখুনকীভাবে হয় লিপ ইয়ার ? এর ইতিহাস কী, ফেব্রুয়ারিতেই কেন লিপ ইয়ার?
লিপ ইয়ার বা অধিবর্ষ, মানে যে বছরে থাকে একটা অতিরিক্ত দিন। কিন্তু পুরোপুরি জ্যোর্তিবিজ্ঞানের কারণেই ২৯ ফেব্রুয়ারি ‘লিপ ডে’ হলেও, এ নিয়ে বৈজ্ঞানিক আগ্রহ বেশ কমই দেখা যায়। কীভাবে হয় লিপ ইয়ার, এর ইতিহাস কী, আর ফেব্রুয়ারিতেই কেন? এই একটি দিন ঘিরে আছে এমন নানা প্রশ্ন। সে সবের উত্তর খোঁজা যাক- ১. লিপ ইয়বিস্তারিত পড়ুন
লিপ ইয়ার বা অধিবর্ষ, মানে যে বছরে থাকে একটা অতিরিক্ত দিন। কিন্তু পুরোপুরি জ্যোর্তিবিজ্ঞানের কারণেই ২৯ ফেব্রুয়ারি ‘লিপ ডে’ হলেও, এ নিয়ে বৈজ্ঞানিক আগ্রহ বেশ কমই দেখা যায়।
কীভাবে হয় লিপ ইয়ার, এর ইতিহাস কী, আর ফেব্রুয়ারিতেই কেন? এই একটি দিন ঘিরে আছে এমন নানা প্রশ্ন। সে সবের উত্তর খোঁজা যাক-
১. লিপ ইয়ারের অতিরিক্ত দিনটা জরুরি আমাদের সৌরজগতের ‘বিশৃঙ্খল’ অবস্থার জন্যই। কারণ এক বছরে পৃথিবী সূর্যের চারপাশে একটা সম্পূর্ণ কক্ষপথ ঘুরে আসতে কিন্তু ঠিক পুরোপুরি ৩৬৫ দিন লাগে না। বরং সব মিলে সময়টা ৩৬৫.২৪২২ দিনের মতো। ফলে প্রতি বছর আসলে এক দিনের চার ভাগের প্রায় এক ভাগ সময় যোগ হয়। যা প্রতি চার বছরে একটা বাড়তি দিন যোগ করে।
২. জুলিয়াস সিজার রোমের ক্ষমতায় আসার আগে পর্যন্ত ৩৫৫ দিনে বছর, এমন ক্যালেন্ডারই সবাই মেনে চলত – যেখানে প্রতি ২ বছর পরপর একটা অতিরিক্ত ২২ দিনের মাস যুক্ত হতো। কিন্তু এটা আসলে সমস্যার একটা জটিল সমাধান ছিল এবং উৎসবের দিনগুলো ভিন্ন ভিন্ন ঋতুতে যেতে শুরু করে। তাই সিজার তার জ্যোতির্বিজ্ঞানী সোসিজেনেসকে বিষয়টি সহজ করার নির্দেশ দেন।
সোসিজেনেস তখন ৩৬৫ দিনে বছর করে যে অতিরিক্ত ৬ ঘণ্টার মতো থেকে যায় সেটা মিলিয়ে নিতে ৪ বছর পরপর একটা অতিরিক্ত দিন ক্যালেন্ডারে যুক্ত করেন। আর এভাবেই ২৯শে ফেব্রুয়ারির জন্ম। যা পরবর্তীতে পোপ ত্রয়োদশ গ্রেগরি সূক্ষ্ম পরিমার্জন করেন।
৩. আঙুলের হিসেবে প্রতি ৪ বছর পরপর আসে লিপ ইয়ার বা অধিবর্ষ। কিন্তু কথা এখানেই শেষ না। যেই বছরটাকে ১০০ দিয়ে ভাগ করা যায় কিন্তু আবার ৪০০ দিয়ে করা যায় না, সেটা লিপ ইয়ার নয়। সে কারণেই গ্রেগরিয়ান পঞ্জিকাবর্ষ অনুযায়ী আমরা ২০০০ সালে লিপ ইয়ার পেয়েছি, ১৬০০ সালে লিপ ইয়ার ছিল, কিন্তু আবার ১৭০০, ১৮০০ ও ১৯০০ লিপ ইয়ার নয়।
৪. ফেব্রুয়ারির ২৯ই কেন? অন্য সব মাসেই আছে ৩০ বা ৩১ দিন করে, কিন্তু ইয়ান স্টুয়ার্ট জানাচ্ছেন রোমান সম্রাট সিজার অগাস্টাসের ব্যক্তিগত ইচ্ছের কাছে বলি হয়েছে ফেব্রুয়ারি।
জুলিয়াস সিজারের অধীনে কিন্তু ফেব্রুয়ারি ৩০ দিনের মাস ছিল। কিন্তু সিজার অগাস্টাস যখন সম্রাট হন, তখন তিনি তার নিজের নামাঙ্কিত মাস আগস্ট ২৯ দিনের হওয়ায় খানিকটা বিরক্ত হন। কারণ তার আগের সম্রাট জুলিয়াসের নামাঙ্কিত মাস – জুলাই – ছিল ৩১ দিনের।
৫. লিপ ইয়ারের রাজধানী বলে স্বীকৃত টেক্সাসের অ্যান্থনি শহর। ১৯৮৮ সালে এই শহরের বাসিন্দা ও লিপ ইয়ারে জন্ম নেয়া ম্যারি অ্যান ব্রাউন চেম্বার অফ কমার্সের কাছে যান শহরে একটা লিপ ইয়ার উৎসবের আবেদন নিয়ে। তার সেই আবেদন গ্রহণ করা হয় এবং অ্যান্থনিকে ঘোষণা দেয়া হয় বিশ্বের লিপ ইয়ার রাজধানী হিসেবে। তার পর থেকে প্রতি বছর সারা বিশ্বের লিপাররা টেক্সাসের এই শহরে জড়ো হয়ে প্যারেডে অংশ নেন, একসাথে বার্থডে ডিনার, নাচানাচি এবং হট এয়ার বেলুনে চড়েন সবাই।
সংক্ষেপে দেখুনলিপ ইয়ার কেন আসে?
কারণ এক বছরে পৃথিবী সূর্যের চারপাশে একটা সম্পূর্ণ কক্ষপথ ঘুরে আসতে কিন্তু ঠিক পুরোপুরি ৩৬৫ দিন লাগে না। বরং সব মিলে সময়টা ৩৬৫.২৪২২ দিনের মতো। ফলে প্রতি বছর আসলে এক দিনের চার ভাগের প্রায় এক ভাগ সময় যোগ হয়। যা প্রতি চার বছরে একটা বাড়তি দিন যোগ করে।
কারণ এক বছরে পৃথিবী সূর্যের চারপাশে একটা সম্পূর্ণ কক্ষপথ ঘুরে আসতে কিন্তু ঠিক পুরোপুরি ৩৬৫ দিন লাগে না। বরং সব মিলে সময়টা ৩৬৫.২৪২২ দিনের মতো। ফলে প্রতি বছর আসলে এক দিনের চার ভাগের প্রায় এক ভাগ সময় যোগ হয়। যা প্রতি চার বছরে একটা বাড়তি দিন যোগ করে।
সংক্ষেপে দেখুন