ঐতিহাসিক কিছু তথ্য অনুসারে, ‘Tear Catcher’ ( যে বোতলে চোখের জল রাখা হতো) এর ব্যবহার প্রায় ৩ হাজার বছরেরও বেশি পুরনো, প্রাচীন রোমেও এটির বেশ প্রচলন ছিল।
এই বোতল শোক/ দুঃখের পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হত এবং আর যখন সেই বোতলের চোখের পানি বাষ্পীভূত হয়ে একেবারে উড়ে যাবে, এর মানে হলো যে ব্যাক্তির দূর্ঘটনা বা মৃত্যুর জন্য শোক করা হচ্ছিল। তাকে নিয়ে শোক/ দুঃখ করার সমাপ্তি হয়েছে।

একটি ‘Tear Catcher’ বোতল
‘Tear Catcher’ এর ব্যবহার মাঝখানে শতবছর ধরে অপ্রচলিত থাকলে তা ভিক্টোরিয়ান যুগে এসে পুনরায় প্রচলন শুরু হয়। সেসময় বেশিদিন শোক পালনের জন্য অনেকে টিয়ার দীর্ঘ সময়ের জন্য কালো পোশাক পরিধান করতো।

কালো কাপড় পড়ে শোক পালন
মৃত ব্যাক্তির জন্য শোক পালন করার সময় তারা সূক্ষ্ণ কাঁচের বোতল ব্যবহার করতো। তারা শোক পালনের সময় মৃত ব্যাক্তির জন্য যতটুকু চোখের জল ফেলতো সেটাকে সেই কাঁচের বোতলে রেখে দিতো।
এই বোতল টি সেসময় মানুষজনের কাছে ‘Tear Catcher’ নাম ছাড়াও ‘Lachrymatory’ নামে বেশ প্রচলিত ছিল।

বিভিন্ন ডিজাইনের ‘Tear Catcher’
ভিক্টোরিয়ানরা ছাড়াও, প্রাচীন মিশর এবং রোমের বাসিন্দারাও টিয়ার বোতল ব্যবহার করত। তখন প্রচলিত বিশ্বাস ছিল, যে ব্যাক্তির চোখের জল বেশি পরিমাণ হবে এর মানে হলো মৃত ব্যক্তি বেঁচে থাকাকালীন তার কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
The Ancient Origins ওয়েবসাইটের তথ্য মতে,
“ যে যত বেশি চোখের জল বোতলে সংরক্ষণ করতো,সেই ব্যক্তিটি তত বেশি সম্মানিত হতো।”
কিছু ‘আমেরিকার গৃহযুদ্ধের’ গল্পেও উল্লেখ করা হয়েছে, যে যুদ্ধে যাওয়া সৈন্যদের কিছু স্ত্রী ‘Tear Catcher’বেতলে তাদের চোখের জল জমাতেন যতদিন না তাদের স্বামীরা ঘরে ফিরে আসে। আর যদি স্বামী যুদ্ধে মারা যেতো, যখন বিধবা তাদের মৃত্যুর প্রথম বার্ষিকীতে স্বামীর কবরে তার চোখের জল ছিটিয়ে দিতো।
‘Tear Catcher’ বোতলে কি সত্যিই চোখের জল ছিল নাকি শুধুমাত্র সুগন্ধি বোতল ছিল?
বছরের পর বছর ধরে, কিছু ইতিহাসবিদ কাঁচের বোতলগুলিতে আসলেই অশ্রু ছিল কিনা তা নিয়ে তারা বিভিন্ন মতামত দিয়েছেন। অনেকেই এই ব্যাপারগুলো সহজভাবে নিতে পারেন না।
সত্যি বলতে ‘Tear Catcher’ আসলেই চোখের জল রাখার জন্য ব্যবহার হতো কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ অবশ্যই রয়েছে।
এই বোতলগুলিতে রাসায়নিক পরীক্ষা করে, কিছু বিজ্ঞানী দাবি করেছেন যে বোতলগুলিতে সুগন্ধি রয়েছে, যদিও সেসকল বিজ্ঞানীরা এই সত্যটি অস্বীকার করেছেন যে সেগুলি চোখের জল সংগ্রহ করতে ব্যবহৃত হয়েছিল।
এই বোতলগুলি সম্পর্কে সেসময়কার লেখা কোনো বিশ্বাসযোগ্য নথি পাওয়া যায় না। বর্তমানে আমরা জানি তা হয়তো অর্ধসত্য বা পুরোপুরি সত্য কিংবা অন্য কিছু।
ভিক্টোরিন যুগে ‘Tear Catcher’ এর ব্যবহার সম্পর্কে যথেষ্ট সন্দেহের জায়গা থাকলেও, এটি নিয়ে সন্দেহ নেই যে ভিক্টোরিয়ান যুগে বোতলগুলির বেশ গুরুত্বপূর্ণতা ছিল।











মনজুর। তার মতে, বাংলা ভাষায় ফারসি শব্দ বেশি ঢুকেছে মধ্যযুগের শেষদিকে, অর্থাৎ ১৭শ থেকে ১৮শ সালের দিকে। সেসময় পলাশীর যুদ্ধ এবং সিপাহী বিদ্রোহে হেরে যাবার পর রাজনীতিতে ক্ষমতা হারায় মুসলমানরা। “মুসলমান প্রধান এই অঞ্চলের মানুষ চেয়েছে তার ভাষা দিয়ে স্বকীয়তা, জাতিবোধ ও স্বাজত্যবোধ প্রকাশ করার জন্য।
মনজুর। তার মতে, বাংলা ভাষায় ফারসি শব্দ বেশি ঢুকেছে মধ্যযুগের শেষদিকে, অর্থাৎ ১৭শ থেকে ১৮শ সালের দিকে। সেসময় পলাশীর যুদ্ধ এবং সিপাহী বিদ্রোহে হেরে যাবার পর রাজনীতিতে ক্ষমতা হারায় মুসলমানরা। “মুসলমান প্রধান এই অঞ্চলের মানুষ চেয়েছে তার ভাষা দিয়ে স্বকীয়তা, জাতিবোধ ও স্বাজত্যবোধ প্রকাশ করার জন্য।
সংক্ষেপে দেখুন