বাজারভর্তি মাছ। সব যে টাটকা নয় তা আর বলে দিতে হবে না। টাটকা মাছ কিনতে গিয়ে অনেকে বাসি-পঁচা মাছ বেশি দাম দিয়ে কিনে আনেন। কেউ কেউ তো অভিযোগ করেন, ইলিশের সেই স্বাদ কি আর আছে? সাগর ও নদী থেকে ইলিশ মাছ সংগ্রহ করা হয় এবং এই দুই উৎসস্থলের মধ্যে নদীর ইলিশই বেশি সুস্বাদু। অভিজ্ঞরা তো বলেন উজ্জ্বল রুপালি ইলিশবিস্তারিত পড়ুন
বাজারভর্তি মাছ। সব যে টাটকা নয় তা আর বলে দিতে হবে না। টাটকা মাছ কিনতে গিয়ে অনেকে বাসি-পঁচা মাছ বেশি দাম দিয়ে কিনে আনেন। কেউ কেউ তো অভিযোগ করেন, ইলিশের সেই স্বাদ কি আর আছে?

সাগর ও নদী থেকে ইলিশ মাছ সংগ্রহ করা হয় এবং এই দুই উৎসস্থলের মধ্যে নদীর ইলিশই বেশি সুস্বাদু। অভিজ্ঞরা তো বলেন উজ্জ্বল রুপালি ইলিশ কিনতে পারলেই হবে। সে যাই হোক। আপনার যদি টাটকা ইলিশ কেনার ইচ্ছে থাকে তাহলে এই কটি কৌশল মাথায় রাখুন।
ইলিশ মাছটি পর্যবেক্ষণ করুন
ইলিশ মাছ অত্যন্ত নরম হলে বুঝবেন মাছটি পুরোনো। অনেক সময় তা বোঝা নাও যেতে পারে। সেক্ষেত্রে দেখুন হাতে নেওয়ার পর যদি মাছের মাথা ও লেজ ঝুলে যায় বুঝবেন ইলিশ টাটকা নয়।
কানকো দেখে নেবেন
মাছের কানকো দেখলেই বোঝা যায় সেটি তাজা কি না। ইলিশের ক্ষেত্রেও এমনটা সত্য। কানকো লাল থাকলে বুঝবেন তা টাটকা। আজকাল কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কানকোতে রঙ করেন। সেটা নিশ্চিত হবেন। কানকো বাদামি কিংবা ধূসর হলে বুঝবেন মাছ বেশ পুরোনো।
সরু মুখের ইলিশ কিনুন
যে ইলিশ মাছের মুখ সরু তার স্বাদ ভালো হয়। অর্থাৎ মাছের মাথা যত সরু তার স্বাদ তত বেশি। এজন্যে বাজারে সরু মাথার ইলিশ কিনবেন।
মাছের চোখ দেখুন
ইলিশের চোখ স্বচ্ছ, নীল কিংবা উজ্জ্বল হলে কিনে ফেলতে পারেন। এগুলো তাজা ইলিশের লক্ষণ। ইলিশ মাছ অনেক সময় হিমঘরে রাখা হয়। এদের স্বাদ ভাল হয় না। হিমঘরের মাছ চিনবেন কিভাবে? দেখুন ইলিশের চোখ ভেতরের দিকে ঢুকে আছে কিনা।
ইলিশের গন্ধ
ইলিশ মাছ কেনার সময় তাতে তীব্র গন্ধ আছে কি না তা যাচাই করে দেখতে হবে। গন্ধ দিয়েও ইলিশ তাজা কি না বিচার করা সম্ভব।








"ভালোবাসা কোনো বাধা মানে না"—এই কথাটির পেছনে আসলে গভীর কিছু মনস্তাত্ত্বিক কারণ আছে। "আচ্ছা, কখনো কি ভেবে দেখেছেন—যেখানে মানুষ সামান্য বিপদে পড়লে পিছিয়ে আসে, সেখানে ভালোবাসার টানে মানুষ কেন দুনিয়ার সব নিয়ম ভাঙতে রাজি হয়ে যায়? কেন রক্তচক্ষু আর সামাজিক বাধাগুলো ভালোবাসার কাছে হার মেনে যায়? চলুন আজ মানুবিস্তারিত পড়ুন
“ভালোবাসা কোনো বাধা মানে না”—এই কথাটির পেছনে আসলে গভীর কিছু মনস্তাত্ত্বিক কারণ আছে।
ভালোবাসা কোনো বাধা মানে না কেন?
১. আবেগ যখন যুক্তির চেয়ে শক্তিশালী হয়:
আমাদের মস্তিষ্ক সাধারণত যুক্তি দিয়ে কাজ করে, কিন্তু আমরা যখন কারো প্রেমে পড়ি বা কাউকে ভালোবাসছি, তখন মস্তিষ্কের ‘ইমোশনাল সেন্টার’ বা আবেগীয় অংশটি অনেক বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে। তখন মানুষ “লাভ-ক্ষতি” বা “সমাজ কী বলবে” এসব যুক্তির চেয়ে নিজের অনুভূতিকে বেশি প্রাধান্য দেয়।
২. হরমোনের খেলা:
ভালোবাসলে মানুষের শরীরে ‘ডোপামিন’ এবং ‘অক্সিটোসিন’ নামের কিছু হরমোন নিঃসরণ হয়, যা মানুষকে এক ধরণের সুখ বা নেশার মতো অনুভূতি দেয়। এই অনুভূতির কারণে মানুষ এতটাই সাহসী হয়ে ওঠে যে, যেকোনো কঠিন পরিস্থিতি বা সামাজিক বাধাকে সে তুচ্ছ মনে করতে শুরু করে।
৩. বিদ্রোহী সত্তা (Psychological Reactance):
মানুষের মনস্তত্ত্ব হলো—তাকে যা করতে নিষেধ করা হয়, সে সেটি করার জন্য আরও বেশি আগ্রহী হয়ে ওঠে। যখন সমাজ বা পরিবার ভালোবাসার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তখন সেই ভালোবাসা অর্জনের জেদ আরও বেড়ে যায়। বাধা তখন দেয়াল না হয়ে বরং জেদ হিসেবে কাজ করে।
৪. গভীর বিশ্বাস ও নির্ভরতা:
ভালোবাসার মানুষের ওপর যখন অগাধ বিশ্বাস তৈরি হয়, তখন মানুষ মনে করে—”দুনিয়া একদিকে আর আমরা দুজন একদিকে থাকলে সব জয় করা সম্ভব।” এই মানসিক শক্তিই তাকে সব ধরণের বাধা ডিঙানোর সাহস দেয়।
ভালোবাসা কোনো বাধা মানে না কারণ এটি মানুষের মনের এমন এক আদিম এবং শক্তিশালী অনুভূতি, যা ভয় বা সামাজিক নিয়মের চেয়েও অনেক বড়। যখন মনের টান যুক্তির চেয়ে বড় হয়ে যায়, তখনই মানুষ সব বাধা উপেক্ষা করে সামনে এগিয়ে যায়।
আরেকটি সহজ উদাহরণ দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করছি।
ভালোবাসার শক্তির একটি উদাহরণ
কল্পনা করুন গ্রামের সাধারণ এক ছেলে আর মধ্যবিত্ত পরিবারের এক মেয়ের কথা। তাদের পরিবার, সমাজ আর আর্থিক অবস্থার মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য। চারপাশ থেকে সবাই বলছে, “এই সম্পর্ক টিকবে না,” “তোমরা সুখে হবে না।”
কিন্তু তারা যখন একে অপরের হাত ধরে, তখন তারা কোনো বাধা দেখে না। কেন জানেন? কারণ, তাদের কাছে সেই মুহূর্তের ‘মানসিক শান্তি’ বাকি দুনিয়ার সব যুক্তির চেয়ে বড়। সমাজ দেখে তাদের ‘অযোগ্যতা’, কিন্তু তারা একে অপরের মধ্যে খুঁজে পায় ‘পূর্ণতা’।
বিজ্ঞান বলে, যখন আমরা কাউকে গভীরভাবে ভালোবাসি, তখন আমাদের মস্তিষ্ক অন্য সব ভয়কে ছোট করে দেখায়। ঠিক যেমন একজন মা তার সন্তানকে বাঁচাতে নিজের জীবনের তোয়াক্কা না করে আগুনের ভেতর ঝাঁপিয়ে পড়তে পারেন। সেখানে কোনো যুক্তি কাজ করে না, কাজ করে কেবল টান। ভালোবাসা যখন জেদ আর ত্যাগে রূপ নেয়, তখন পাহাড়সম বাধাও বালির বাঁধের মতো ভেঙে যায়।
সংক্ষেপে দেখুন