সাইন আপ করুন সাইন আপ করুন

সাইন আপ করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে


আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

লগ ইন করুন লগ ইন করুন

লগিন করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

কোন একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন

রিসেট পাসওয়ার্ড

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।

আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?

সাইন ইনসাইন আপ

AddaBuzz.net

AddaBuzz.net Logo AddaBuzz.net Logo

AddaBuzz.net Navigation

  • হোমপেজ
  • ব্লগ
  • ইউজার
  • যোগাযোগ
সার্চ করুন
একটি প্রশ্ন করুন

Mobile menu

Close
একটি প্রশ্ন করুন
  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

মনস্তাত্ত্বিক

Psychological questions

শেয়ার করুন
  • Facebook
5 ফলোয়ার
89 উত্তর
273 প্রশ্ন
হোমপেজ/মনস্তাত্ত্বিক/Page 2
অ্যাপ ইন্সটল করুন
  • সাম্প্রতিক প্রশ্ন
  • সর্বাধিক উত্তর
  • উত্তর
  • অনুত্তরিত
  • সর্বাধিক দেখা
  • সর্বাধিক পছন্দকৃত
  • এলোমেলো

AddaBuzz.net Latest প্রশ্ন

ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

আপনি যদি নিজেকে খুব জোরে ঘুসি মেরে ব্যাথ্যা পান তাহলে আপনি কি দুর্বল না শক্তিশালী?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 23 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

মানুষের শরীরের ভিতর কোন জায়গায় রাগ জমে থাকে ?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 12 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

তাজমহলের শ্রমিকদের হাত কি সত্যি সত্যিই কেটে নিয়েছিলেন সম্রাট শাহজাহান?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 13 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

পুরুষবিদ্বেষ বা মিস্যান্ড্রি: কী এবং কেন?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    কল্পচিত্র- এক বিয়ের ব্যাপারে চরম অনাগ্রহী ফারজানা। অফিসে সহকর্মীদের বিবাহিত জীবনের গল্পে তাকে কালেভদ্রে পাওয়া যায়, আর সবসময়ই বিরক্তিসূচক প্রতিক্রিয়া দেন ফারজানা। তবে লক্ষণীয় দিক হচ্ছে, ফারজানার বিরক্তির সবটা জুড়েই থাকে বর মশাইটি! অর্থাৎ দম্পতির পুরুষ সদস্যের প্রতিই তার যত বিতৃষ্ণা, বিরূপ মনোভাব। সবকবিস্তারিত পড়ুন

    কল্পচিত্র- এক

    বিয়ের ব্যাপারে চরম অনাগ্রহী ফারজানা। অফিসে সহকর্মীদের বিবাহিত জীবনের গল্পে তাকে কালেভদ্রে পাওয়া যায়, আর সবসময়ই বিরক্তিসূচক প্রতিক্রিয়া দেন ফারজানা। তবে লক্ষণীয় দিক হচ্ছে, ফারজানার বিরক্তির সবটা জুড়েই থাকে বর মশাইটি! অর্থাৎ দম্পতির পুরুষ সদস্যের প্রতিই তার যত বিতৃষ্ণা, বিরূপ মনোভাব। সবকিছুতে পুরুষ জাতটাকে শাপ-শাপান্ত না করলে তার শান্তি হয় না।

    কল্পচিত্র- দুই

    ওদিকে মায়াকে নিয়ে তার পরিবারের মানুষজন ভীষণ বিপাকে পড়ে আছে। মায়ার কথাবার্তা, আচরণে সর্বদা ছেলেদের প্রতি কটাক্ষ স্পষ্ট থাকে! একই কাজে কোনো মেয়ে ভুল করলে মায়ার কাছ থেকে স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়। কিন্তু কোনো ছেলে যদি ঐ কাজে সামান্য ভুল করে বসে, মায়া তাকে কথা শোনাতে ছাড়বেই না! এই আচরণের কোনো ব্যাখ্যা খুঁজে পাচ্ছে না মায়ার ঘরের মানুষেরা। কিন্তু তারা বুঝতে চাচ্ছে, মেয়ের সমস্যাটা ঠিক কোথায়। কেন এমন আচরণ তার ছেলেদের প্রতি?

    কল্পচিত্র- তিন

    নীরা সদ্য বিবাহিত। পারিবারিকভাবে সম্বন্ধ করেই বিয়ে হয়েছে তার। নীরার বর নীরাকে বুঝে উঠতে পারছে না। কেন কথায় কথায় নীরা তাকে কটাক্ষ করছে, তার কাজকে নিজের কাজের তুলনায় তুচ্ছজ্ঞান করছে, কোনো প্রশ্নেরই উত্তর মিলছে না! বেচারা বর হিমশিম খেয়ে যাচ্ছে নতুন বৌয়ের হাবভাব বুঝতে।

    পুরুষজাতির প্রতি নারীর এই বিরূপ মনোভাব, ঘৃণা, তীব্র নেতিবাচকতা, এগুলো কি খুব স্বাভাবিক বিষয়?

    পুরুষবিদ্বেষ বা মিস্যান্ড্রি

    উপরের কল্পচিত্রগুলোর পেছনে কারণটা অহেতুক ভালো না লাগা নয়। আরেকটু বেশি কিছু। আর সেটা হতে পারে পুরুষের প্রতি বিদ্বেষ , যা চরম অপছন্দ অথবা ঘৃণার সম পর্যায়ের।

    পুরুষের প্রতি বিদ্বেষ, কেন?

    পুরুষজাতির উপর বিদ্বেষ, ব্যাপারটা ঠিক কী? সেটা জানার আগে মনে করিয়ে দেয়া যাক, বিপরীতে আরেকটা ব্যাপার রয়েছে ‘নারীবিদ্বেষ’ বলে, আর এটা বেশ জানাশোনা একটা ব্যাপার। নারীবিদ্বেষী বা নারীর প্রতি বিদ্বেষ নিয়ে আলোচনার খাতা যতটা পরিপূর্ণ, উল্টোটা সেই তুলনায় অনেক পিছিয়ে আছে বলতে হয়।

    সাইকোলজি টুডের এক প্রতিবেদনে এই ঘৃণার কিছু কারণ ব্যাখ্যা করা হয়েছে, যার মধ্য থেকে কয়েকটি কারণ এখানে তুলে ধরা হলো। ভিনদেশ বা ভিন্ন সময়ের প্রেক্ষিতে হলেও এই কারণগুলো বেশ জোরদার, যা পুরুষবিদ্বেষের বিষয়টাকে বুঝতে সাহায্য করবে।

    ক্রিয়ার ফল প্রতিক্রিয়া

    বাস্তবিকভাবে এটা বলা হচ্ছে যে নারীবিদ্বেষ তার বিপরীতে পুরুষের প্রতি বিদ্বেষ জন্ম দেয়। বিষয়টা অনেকটা নিউটনের তৃতীয় সূত্রের মতো। আপনি আপনার কাজের সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া অবশ্যই পাবেন। আর তাই আপনার আচরণে যদি নারীবিদ্বেষ থাকে, তবে সেটা আর কারো মনে আপনার প্রতি বিদ্বেষ জন্মাতে যথেষ্ট। হতে পারে আপনার খুব কাছের একজন নারীও ধীরে ধীরে আপনার প্রতি অতিরিক্ত বিরূপ মনোভাব পুষতে আরম্ভ করেছে এবং সেটা তার মনে অন্যান্য পুরুষের জন্যও ঘৃণার সূত্রপাত ঘটাচ্ছে। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা অত্যন্ত বড় একটা কারণ, যেকোনো বাজে অনুভূতির পেছনেই এটা বড় প্রভাবক হিসেবে কাজ করে। এছাড়া সবচেয়ে বড় যে ক্রিয়ার প্রতিক্রিয়া এটি হতে পারে, ক্রমশ নারীকে গৃহবাসী করে ফেলা, নারীকে মনোরঞ্জনের বস্তু হিসেবে দেখা ও উপস্থাপন করা, নারীর মানবসত্তাকে দীর্ঘদিন পাথরচাপা করে রাখা ইত্যাদি তার মনে যে ক্ষোভের সৃষ্টি করে, সেগুলো হয়তো একটা সময় তীব্র পুরুষবিদ্বেষে রূপ নেয়।

    নারীবিদ্বেষ ও পুরুষবিদ্বেষ, ক্রিয়া এবং প্রতিক্রিয়া

    ইতিহাসের পাঠগ্রহণ

    আমরা ইতিহাস পড়ি, জানি, একই তথ্য গ্রহণ করি কিন্তু সেটার অন্তর্নিহিত পাঠ? মানুষভেদে সে পাঠ পাল্টায় বটে। কারো কাছে ওসামা বিন লাদেন বীর, কারো কাছে সন্ত্রাসী। হিটলারের বেলায়ও একই কথা খাটে, তাকে অপছন্দ করা বহু মানুষের বিপরীতে পছন্দ করা মানুষও আছে পৃথিবীতে। বিশ্বের যুদ্ধবিগ্রহের যত ইতিহাস, তার বেশিরভাগেই খলচরিত্র পুরুষের। আর এটা খুব বড় একটা কারণ হতে পারে অনেক নারীর মনে পুরুষের প্রতি ঘৃণা জন্মানোর। অথচ, খলনায়কদের ভিড়ে বীরদের সংখ্যাও এখানে অনেক! কিন্তু অনেকেই খারাপটাকে যতটা গভীরভাবে অনুভব করে, মনে রাখে বা নিজের ভেতর ধরে রাখে, ভালোটাকে সেভাবে মনে রাখে না। পুরুষদের প্রতি বিরূপ মনোভাব হবার পেছনে এই আচরণকেও কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে এখানে।

    সমসাময়িক অরাজকতা

    সমসাময়িক দুর্ঘটনা নির্দিষ্ট সময় নির্দেশ করে দেখানো হয়েছে যে ঘটমান সিংহভাগ হত্যাকাণ্ড, অরাজকতা পুরুষদের দ্বারা সংঘটিত হয়। এফবিআই এর মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায়ও পুরুষজাতির সরব উপস্থিতি। পুরুষবিদ্বেষের সূত্রপাত ঘটাতে এসব বিষয় প্রভাবক হিসেবে কাজ করতে পারে। কিন্তু, অনেকটা ক্ষার ও ক্ষারকের চিরচেনা সেই বাক্যের মতো এটাও সত্য যে, সব হত্যাকারী পুরুষ হতে পারে কিন্তু তাতে সব পুরুষ  হত্যাকারী হয়ে যাচ্ছে না!

    অরাজকতায় পুরুষের সম্পৃক্ততা বেশি

    ব্যক্তিজীবনের তিক্ততা

    যেটা নারীবিদ্বেষী হবার পেছনেও বড় একটা কারণ, ব্যক্তিজীবনের দুঃসহ অভিজ্ঞতা, সেটাই পুরুষবিদ্বেষী হবার জন্য বড় কারণ বটে। একজন নারী যদি ব্যক্তিজীবনে পুরুষের দ্বারা বাজেভাবে আক্রান্ত হয়ে থাকে, শারীরিক এবং মানসিকভাবেও, সে পরবর্তীতে পুরুষবিদ্বেষী হতেই পারে। ভালোবাসার মানুষটা, নিকটাত্মীয়, সহকর্মী কিংবা যেকোনো অচেনা পুরুষ, একজন নারী যে কারো দ্বারাই তিক্ত অভিজ্ঞতার শিকার হতে পারে। এবং তারপর তার কাছে সমগ্র পুরুষ জাতিই মন্দ হয়ে যায়! এখানে বিষয়টা এরকম, দোষ একজনই করছে, কিন্তু তার ফলস্বরূপ ঐ জাতির সবাই নারীর কাছে দোষী হয়ে থাকলো।

    ব্যক্তিগত তিক্ততা বাজে অনুভূতির জন্ম দেয়

    সাইকোলজি টুডের একটি প্রতিবেদনে একজন নারীবিদ্বেষীর কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হয়েছিলো, তার আলোকে বিপরীতভাবে পুরুষবিদ্বেষীর কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্য আলোচনা করা হয়েছে আরেকটি প্রতিবেদনে।

    পুরুষ অপছন্দ করা একজন নারী প্রাথমিকভাবে কোনো পুরুষের প্রতি মোহনীয় আচরণ করতে পারে। সে চাইতে পারে পুরুষটি তার প্রতি আকৃষ্ট হোক এবং তার অধীনস্থ হয়ে পড়ুক। এবং তারপর ধীরে ধীরে ঐ নারী নিজের কর্তৃত্ব ফলাতে থাকবে, সে প্রায় সবকিছুতেই তার সঙ্গীকে শাসন করার মনোভাব দেখাবে। সঙ্গীকে অসম্মান করার মতো ভাষাও ব্যবহার করবে যখন ইচ্ছা।

    পুরুষকে দেয়া কথা রাখার ব্যাপারে এমন একজন নারী উদাসীন থাকবে। এবং তাতেও সে পুরুষকেই দায়বদ্ধ রাখার চেষ্টা করবে। বিষয়টা হাস্যকর বটে! এমন নারী নিজের পুরুষ সঙ্গীকে দেখা করার জন্য অযথা অপেক্ষা করাবে এবং আগে থেকে ঠিক করে রাখা পরিকল্পনা বাতিলও করবে, হতে পারে একদম শেষ মুহূর্তে। এইসব আচরণের পেছনে কারণ সেটাই, পুরুষকে অপদস্থ করা। একজন পুরুষবিদ্বেষী নারীর ভেতরে এই জিনিসগুলো থাকা বেশ স্বাভাবিক।

    পুরুষকে অপদস্থ করাই যখন উদ্দেশ্য

    অপ্রাসঙ্গিক পরিস্থিতিতেও একজন পুরুষবিদ্বেষী নারী নিজেকে কোনো পুরুষের কাছে অরক্ষিত, বিপদগ্রস্ত মনে করবে। এবং সেটা সে প্রকাশ করতেও পারে। কর্মক্ষেত্রে একজন পুরুষকর্মীকে সমতার নজরে দেখাটা তার কাছে স্বাভাবিক হবে না। পুরুষকে মাত্রাতিরিক্ত কাজ চাপিয়ে দেয়াটা বরং অতি সাধারণ তার কাছে। প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে এরকম একজন নারী নিজের অধীনস্ত পুরুষকর্মীদের অধিক শাসনে রাখতে পছন্দ করবে, তাদের জরুরি ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত গ্রহণের জায়গায় রাখতে চাইবে না।

    পুরুষসঙ্গী যদি তাকে একভাবে দখে, সে তার বিপরীতটা চাইবে। অধিক মনোযোগ দেখালে সে চাইবে সেটা কম হোক, আর পুরুষ কম মনোযোগী হলে সেটাকেই ঢাল বানাবে পুরুষের বিপক্ষে। অর্থাৎ সবকিছুতে পুরুষের বিরুদ্ধাচরণ করাই তার উদ্দেশ্য হবে। পুরুষের বিরোধিতা করাটা ধীরে ধীরে এমন নারীর অভ্যাসে পরিণত হবে এবং এই কাজটি সে উপভোগ করবে।

    পুরুষকে অকারণে ‘মেয়েলি’ বলে তাচ্ছিল্য করা, পুরুষের আবেগ দেখানোর স্বভাবকে বিচ্ছিরি বলে অভিহিত করা, একজন পুরুষ ঘরোয়া স্বভাবের হলে তাকে হাসিঠাট্টা করা এসবই পুরুষবিদ্বেষের লক্ষণ। নারীবিদ্বেষীর মতোই পুরুষবিদ্বেষীর সংখ্যাও নিতান্তই কম নয়। খুঁজে দেখলে আশেপাশেই দেখা মিলতে পারে এ স্বভাবের কোনো নারীর, পুরুষরা যার লক্ষ্যে থাকে নিগ্রহ করার বিষয় হিসেবে। এবং বলাই বাহুল্য, বিদ্বেষের এই জিনিসখানা সর্বক্ষেত্রেই খারাপ, হোক তা নারীর প্রতি আর হোক, আর তা পুরুষের প্রতি।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 61 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

মশা কেন কানের কাছেই বেশী ঘোরে ? কারনটা কি?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 13 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

মহিলাদের জন্য সেরা পরামর্শটি কী হতে পারে?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    ক্যামস্ক্যাম থেকে সাবধান থাকুন। চেঞ্জিং রুমে ঢোকার আগে কোথাও কোনও লুকানো ক্যামেরা আছে কিনা তা একবার পরীক্ষা করে দেখে নিন। আপনার কয়েকটি তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তই আপনার গোপনীয়তা সুরক্ষিত করতে পারে। আপনারা হামেশাই শুনে থাকবেন কী  রকম করে কিছু ঘৃণ্য মানসিকতার লোকেরা উঁকি ঝুঁকি মেরে মেয়েদের গোপনীয়তা নষ্ট কবিস্তারিত পড়ুন

    ক্যামস্ক্যাম থেকে সাবধান থাকুন। চেঞ্জিং রুমে ঢোকার আগে কোথাও কোনও লুকানো ক্যামেরা আছে কিনা তা একবার পরীক্ষা করে দেখে নিন।

    আপনার কয়েকটি তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তই আপনার গোপনীয়তা সুরক্ষিত করতে পারে। আপনারা হামেশাই শুনে থাকবেন কী  রকম করে কিছু ঘৃণ্য মানসিকতার লোকেরা উঁকি ঝুঁকি মেরে মেয়েদের গোপনীয়তা নষ্ট করে। তাই এই ব্যাপারটি সবসময় গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করুন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 48 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

বিয়ের আংটি সবসময় অনামিকা আংগুলে পড়ানো হয় কেন?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 6 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

অবসর সময় কিভাবে কাটানো যায়?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    প্রায়ই অবসর সময়ে বসে আমরা ভাবি,“কী করা যায়?” করার মতো নির্দিষ্ট কিছু খুঁজে না পেয়ে দেখা যায় যে, শুয়ে-বসেই কেটে যায় অবসরটা। কিন্ত এই অবসর সময়টাকে যদি স্মার্টভাবে কাজে লাগানো যায়, তাহলে মন্দ হয় না। চলুন দেখা যাক কীভাবে কাজে লাগাতে পারেন আপনার অবসরটাকে। ১। নতুন নতুন ভাষা শিখুন পড়াশোনা আর চাকরির সুবাদেবিস্তারিত পড়ুন

    প্রায়ই অবসর সময়ে বসে আমরা ভাবি,“কী করা যায়?” করার মতো নির্দিষ্ট কিছু খুঁজে না পেয়ে দেখা যায় যে, শুয়ে-বসেই কেটে যায় অবসরটা। কিন্ত এই অবসর সময়টাকে যদি স্মার্টভাবে কাজে লাগানো যায়, তাহলে মন্দ হয় না। চলুন দেখা যাক কীভাবে কাজে লাগাতে পারেন আপনার অবসরটাকে।

    ১। নতুন নতুন ভাষা শিখুন

    পড়াশোনা আর চাকরির সুবাদে আমাদের প্রায় সবারই কম-বেশি ইংরেজি ভাষা জানা আছে। সেই সাথে আপনার যদি আরও কয়েকটি ভাষা জানা থাকে, তাহলে বিভিন্ন সময়ে আপনার কাজে লাগতে পারে আর সেই সাথে নিজের আত্মবিশ্বাসটাও বাড়বে অনেকখানি।

    সেক্ষেত্রে যে ভাষাটি শিখতে চাচ্ছেন, সে ভাষার সাবটাইটেলসহ সিনেমা দেখলে ভাষাটি অনেক সহজেই আয়ত্বে আনতে পারবেন। এছাড়া ভাষা শেখার জন্য বিভিন্ন ধরনের অ্যাপ রয়েছে; যেমন- মেম্‌রাইজ (memrise.com), ডুওলিঙ্গো (duolingo.com) এবং হ্যালোটক (hellotalk.com)।

    নিজের পছন্দের অথবা প্রয়োজন হতে পারে এমন নতুন নতুন ভাষা শিখুন

    ২। ডকুমেন্টারি দেখুন

    নতুন কিছু সম্পর্কে সহজেই এবং কম সময়ে জানার জন্য ডকুমেন্টারি দেখার তুলনা নেই। কারণ কোনো কিছু দেখে শেখার বা জানার অভিজ্ঞতাটাই অন্যরকম! ধরুন, আপনি ইস্তানবুল শহর সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন। সেক্ষেত্রে আপনি ডকুমেন্টারি দেখে খুব সহজেই পরিষ্কার ধারণা পেয়ে যাবেন এবং এই দেখে জানতে পারা ও শেখা থেকেই ইস্তানবুল শহর সম্পর্কে আপনার ধারণাটা একেবারে মনে গেঁথে যাবে। আপনার ল্যাপটপ, ট্যাব অথবা মোবাইলে ডাউনলোড করে রাখলে জ্যামে অযথা বসে না থেকে ডকুমেন্টারিগুলো দেখতে পারবেন এবং সময়টাকে কাজে লাগাতে পারবেন।

    পছন্দের কোনো বিষয় সম্পর্কে জানতে দেখে নিতে পারেন ডকুমেন্টারি

    ৩। লিস্টে রাখতে পারেন অডিও বুক

    বইপ্রেমীদের জন্য দারুণ একটি জিনিস হলো এই অডিও বুক। একবার ভেবে দেখুন তো, আপনি যে বইটি পছন্দ করেন, তা যদি চোখ বন্ধ করে ঘুমাতে যাবার সময় শুনে নিতে পারেন, তাহলে কেমন হয়? হ্যাঁ, আপনার এই ইচ্ছাটি বাস্তবে আসলেই সম্ভব! আর আপনার এই ইচ্ছাটি পূরণ করবে অডিও বুক! নিশ্চয় জানতে চাচ্ছেন যে, কোথায় পাবেন এই অডিও বুকগুলো? তাহলে দেখে নিন অডিও বুকের কয়েকটি সাইটের লিংক:

    • openculture.com/freeaudiobooks
    • thoughtaudio.com
    • scribl.com/info/podiobooks-now-scribl
    • learnoutloud.com/Audio-Books
    • loyalbooks.com
    • storynory.com
    • digitalbook.io

    অডিও বুক সাথে থাকলে চলাফেরায়ও উপভোগ করতে পারবেন আপনার প্রিয় বইটি

    ৪। বিভিন্ন ধরনের ইন্সট্রুমেন্ট বাজানো শিখুন

    বক্তা হিসেবে টেড টকে গবেষক আনিতা কলিন্স বলেছেন, “গান শোনার সময় আপনার মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশ সাড়া দেয় ও কাজ করা শুরু করে। কিন্তু আপনি যখন কোনো ইন্সট্রুমেন্ট বাজান, তখন আপনার পুরো শরীর মস্তিষ্কের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে কাজ করে।”

    তাই আপনি আপনার পছন্দের যেকোনো ইন্সট্রুমেন্ট বাজানো শিখে ফেলতে পারেন অবসরে। এতে করে যে আপনার সময়টাই শুধু ভালো কাটবে তা-ই নয়, বরং মস্তিষ্কও কাজ করবে ভিন্নভাবে! নির্দিষ্ট কোনো ইন্সট্রুমেন্ট নয়, শিখে নিতে পারেন যেকোনো ধরনের ইন্সট্রুমেন্ট। কোথাও কোর্স না করেও বাসায় বসে ইউটিউবে বিভিন্ন টিউটোরিয়াল দেখেও শিখে নিতে পারেন আপনার প্রিয় ইন্সট্রুমেন্ট বাজানোর পদ্ধতি!

    ইউটিউবে টিউটোরিয়াল দেখে বা কোর্স করে শিখে ফেলুন যেকোনো ইন্সট্রুমেন্ট বাজানো

    ৫। মেডিটেশন করুন

    মেডিটেশন বা ধ্যান করার শুধু একটি, দুটি নয় বরং অনেক সুবিধা রয়েছে। মেডিটেশন আপনার মনোযোগ বাড়াবে, উদ্বেগ কমাবে, আবেগ নিয়ন্ত্রণ করবে। আপনি আরও সচেতন হবেন এবং ভেতর থেকে আপনি একটি অন্যরকম অনুভূতি পাবেন। কাজের চাপে অনেক সময় চিন্তা ভাবনাগুলো এলোমেলো হয়ে যায় যা থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য মেডিটেশন আপনার জন্য ম্যাজিকের মতো কাজ করবে। আপনার ঘরের খোলা জায়গায় যেখানে আলো বাতাস আছে সেখানে, কোনো একটি রুমের কর্নারে এবং যেখানে লোকের চলাফেরা কম সেই জায়গাটি মেডিটেশনের জন্য বেছে নিন। মেডিটেশনের জন্য মনোযোগ ধরে রাখা খুব জরুরী। তাই আপনার ঘরের শান্ত জায়গাটিই বেছে নিন এর জন্য!

    ঘরে বসেই ইউটিউবে অথবা বিভিন্ন সাইট; যেমন- meditationoasis.com, openyourheart.ws, onlinemeditation.org/ থেকে শিখতে পারেন এবং এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে পারেন।

    মেডিটেশন আপনার ভেতর থেকে নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা বাড়াবে

    ৬। পার্সোনাল ডায়েরি লিখুন

    স্কুল-কলেজে থাকতে অনেকেরই ডায়েরি লেখার অভ্যাসটা থাকে। কিন্তু আস্তে আস্তে কাজের চাপে আর ব্যস্ততায় হারিয়ে যায় এই শখটি। ডায়েরি লেখার বিষয়টি আপনাকে অনেকভাবে উপকৃত করবে। নিয়মিত ডায়েরি লিখলে আপনি সেখানে ‘টু ডু লিস্ট’ লিখতে পারবেন যা পরবর্তীতে আপনার কাজের স্মৃতি হয়ে থাকবে।

    বিশেষ মুহূর্তগুলো সম্পর্কে লিখে তার কিছু ছবিও সাথে রাখতে পারবেন, আপনার সাফল্য ও ব্যর্থতার কথা লিখে রাখবেন যা পরবর্তীতে আপনার সেলফ্‌ ডেভেলপমেন্ট হিসেবে কাজ করবে। আর লেখালেখির অভ্যাসটা গড়ে উঠলে আপনার লেখার চর্চা ঝালাই হবে, লেখা ও বানানের ভুল সংশোধন করতে পারবেন এবং রাইটিং স্কিলও বাড়বে। এছাড়া পার্সোনাল ডায়েরি লেখার অভ্যাসটি আপনার থেরাপি হিসেবে কাজ করবে এবং আপনার মনও হালকা হবে।

    নিয়মিত পার্সোনাল ডায়েরি লেখা আপনার ব্যক্তিত্বকে প্রকাশ করে

    ৭। নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস গড়ে তুলুন

    মোটা অংকের টাকা খরচ করে জিমে না যেয়ে হাঁটার অভ্যাস করুন। এতে করে আপনি শুধু ফিটনেসই পাবেন না, বরং এর চেয়েও বেশি কিছু পাবেন। হাঁটলে আপনার মন-মেজাজ ভালো থাকবে, আপনি সৃজনশীল হবেন, ব্ল্যাড সার্কুলেশন বাড়বে, শরীর সুস্থ থাকবে এবং যৌবনটাকেও ধরে রাখতে পারবেন। এছাড়া হাঁটলে আপনার মস্তিষ্ক সচল থাকে এবং ঘুম না হওয়ার সমস্যাটাও আর থাকে না। তাই নিয়ম করে প্রতিদিন বাসার আশেপাশে কোনো পার্ক থাকলে সেখানে অথবা যেখানে আপনার ভালো লাগে সেখানে হাঁটার চেষ্টা করুন।

    প্রতিদিন হাঁটার অভ্যাস করলে আপনার শরীর ও মন মানসিকতা ভালো হবে

    ৮। কাছাকাছি কোথাও ঘুরে আসুন

    কম-বেশি আমরা সবাই জানি যে, ঘোরাঘুরি করলে মনটা শুধু ফ্রেশই হয় না, বরং জ্ঞানও বাড়ে। কিন্তু অলসতা আমাদের এই সুন্দর অভ্যাসটি থেকে দূরে রাখে অনেক সময়েই। সম্ভব হলেই বেরিয়ে পড়ুন আর ঘুরে আসুন আশেপাশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বা ঐতিহাসিক জায়গা থেকে।  বাইরে কোথাও ঘুরে আসলে আপনার একঘেয়েমি কাটবে এবং জ্ঞানও বাড়বে

    ৯। ক্রাফটিং শিখুন এবং করুন

    ক্রাফটিং শিখে আপনি নিজেই নিজের পছন্দের ডিজাইন অনুযায়ী পেন্সিল ব্যাগ, পেন স্ট্যান্ড, ফুলদানি সহ আরও অনেক কিছু বানাতে পারবেন। সেক্ষেত্রে ইউটিউবে বিভিন্ন চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করতে পারেন যেখানে নিয়মিত ক্রাফটিং-এর টিউটোরিয়াল আপলোড করা হয় অথবা যে বিষয়ে শিখতে চাচ্ছেন তা গুগলে সার্চ করলে হাতে-কলমে শেখার মতো অনেক লিংক পাবেন। নিজের পছন্দমতো জিনিস তৈরি করে ব্যবহার করার মজাই আলাদা

    প্রিয় কয়েকটি জায়গার লিস্ট তৈরি করে রাখতে পারেন

    ১০। বাগান করুন

    আপনার বাসার ছাদে অথবা ঘরের ভেতর ছোট ছোট টবে বিভিন্ন ধরনের গাছ লাগাতে পারেন। জানালার পাটাতনে, ড্রেসিং টেবিলে অথবা ঘরের বিভিন্ন কর্নারে ছোট ছোট টবে পাতাবাহার, বনসাই, মানিপ্ল্যান্ট ছাড়াও বিভিন্ন রকমের গাছ রাখতে পারেন। চারপাশে গাছপালা থাকলে আপনার মন যে শুধু প্রফুল্ল হবে তা-ই নয়, বরং এতে করে আপনি পরিবেশের অনেকটা কাছাকাছিও চলে যাবেন।

    বাসায় বাগান করলে আপনার মনটাও ভালো লাগবে আর পরিবেশটাও সুন্দর থাকবে

    এই সবকিছুর বাইরেও আপনার পছন্দসই যেকোনো কাজ আপনি করতে পারেন আপনার অবসরে। তাহলে আজ থেকে অবসর সময়টা আর অযথা নষ্ট না করে স্মার্টভাবে কাজে লাগানো শুরু করে দিন। বেছে নিন এবং চর্চা করুন আপনার পছন্দের বিষয়টি, হয়ে উঠুন আরো স্মার্ট!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 75 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 9 মাস আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

ষোড়শ শতকে সম্রাট বাবরের সাথে ইব্রাহীম লোদীর পানিপথের যুদ্ধে ময়দানে 2 লক্ষ সৈন্য হাজির ছিলো? যুদ্ধে দই পক্ষের 20 হাজার অশ্বারোহী, 20 হাজার তীরন্দাজ এবং 20 হাজার সাধারণ সৈন্য নিহত হল। তাহলে এখন কতজন সৈন্য বেঁচে আছে?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 20 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

emptiness or nothingness theory কি? এটি কোনসময়ে নিষিদ্ধ ছিলো?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 9 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

তাজমহলের তালাবন্ধ ঘরগুলোতে সত্যিই কি কোনো রহস্য লুকিয়ে রয়েছে?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 30 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

নারীর চুড়ি পরার পিছনের রহস্য কি?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    চুড়ি ছাড়া বাঙালি নারীর হাতের সৌন্দর্য যেন ফুটেই ওঠে না। তবে কখনো কি ভেবে দেখেছেন? নারীরা শুধু সাজসজ্জার জন্যই চুড়ি পড়ে নাকি এর পিছনে রয়েছে কোনো রহস্য! প্রাচীনকাল থেকে এমন অনেক রীতি চলে আসছে যা নিয়ে সাধারণত কোনো প্রশ্ন তোলা হয় না। ঠিক যেমন, মেয়েরা হাতে চুড়ি পরে। বিশেষত বিবাহিত মেয়েদের ক্ষেত্রে হাত খাবিস্তারিত পড়ুন

    চুড়ি ছাড়া বাঙালি নারীর হাতের সৌন্দর্য যেন ফুটেই ওঠে না। তবে কখনো কি ভেবে দেখেছেন? নারীরা শুধু সাজসজ্জার জন্যই চুড়ি পড়ে নাকি এর পিছনে রয়েছে কোনো রহস্য!
    প্রাচীনকাল থেকে এমন অনেক রীতি চলে আসছে যা নিয়ে সাধারণত কোনো প্রশ্ন তোলা হয় না। ঠিক যেমন, মেয়েরা হাতে চুড়ি পরে। বিশেষত বিবাহিত মেয়েদের ক্ষেত্রে হাত খালি রাখার নিয়ম নেই। অর্থাৎ দুই হাত ভর্তি করে চুড়ি পরাই নিয়ম।

    এই রীতি কবে থেকে চলে আসছে তার কোনো ঠিক নেই। কারও হাতে কাঁচের চুড়ি, কারও আবার স্বর্ণ বা ইমিটেশনের। অর্থাৎ হাতে কিছু পরে থাকাটা জরুরি। কিন্তু কেন এই নিয়ম? কেন চুড়ি পরতে হয় মেয়েদের?

    প্রাচীন এই রীতির পিছনেও রয়েছে কিছু বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা। বলা হয় আগে সাধারণত পুরুষেরা জমি ও জঙ্গলে কাজ করত। যাতে তাদের পেশীর কাজ অনেক বেশি হত।

    আর মেয়েরা সাধারণত বাড়ির কাজকর্ম করত। খুব শক্ত কোনো কাজ মেয়েদের করতে হত না। পরিশ্রমও হত অপেক্ষাকৃত কম।

    আর এই কম শারীরিক কাজই বাড়ায় রক্তচাপ। যাতে মানুষ অধৈর্য হয়ে পড়ে। আর সেই চাপ কমাতেই নারীদের চুড়ি পরতে বলা হত।

    তবে চুড়ির সঙ্গে রক্তচাপের কি সম্পর্ক? আমরা জানি পালস রেট মাপার জন্য কবজিতে চাপ দিয়ে দেখা হয়। সবসময় হাতে চুড়ির চাপ থাকলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।

    আরও বলা হয়, শরীর থেকে আধ্যাত্মিকতা বাইরের দিকে যেতে চাইলে, চুড়ির জন্য সেটা আবার ফিরে আসে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 49 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

কুকুর কেন এত বিশ্বস্ত!

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 16 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

ট্রাকের সামনের অংশ হলুদরঙা হয় কেন?

  1. mokbul
    mokbul পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    আমাদের দেশে বেশির ভাগ ট্রাক রাতের বেলায় পণ্য পরিবহন করে থাকে। ট্রাকের সামনের অংশ হলুদরঙা হওয়ার কারণে বিপরীত দিক থেকে আসা গাড়ির চালক স্পষ্টভাবে ট্রাকের গতিবিধি বুঝতে পারেন। কারণ এটা দূর থেকেও নজরে পড়ে। হলুদ রঙ কে ইংরেজিতে বলে Most visible color at dark । দিনের বেলায় আমাদের চোখে সবচেয়ে বেশি মাত্রায় ধরবিস্তারিত পড়ুন

    আমাদের দেশে বেশির ভাগ ট্রাক রাতের বেলায় পণ্য পরিবহন করে থাকে। ট্রাকের সামনের অংশ হলুদরঙা হওয়ার কারণে বিপরীত দিক থেকে আসা গাড়ির চালক স্পষ্টভাবে ট্রাকের গতিবিধি বুঝতে পারেন। কারণ এটা দূর থেকেও নজরে পড়ে। হলুদ রঙ কে ইংরেজিতে বলে Most visible color at dark ।
    ট্রাকের সামনের অংশ হলুদরঙা করা হয়
    দিনের বেলায় আমাদের চোখে সবচেয়ে বেশি মাত্রায় ধরা দেয় সবুজ রং কিন্তু রাতের অন্ধকারে সবুজের চেয়ে হলুদ রং বেশ দ্রুত আমাদের চোখে ধরা পড়ে। কারণ সূর্যের আলোতে সবুজ আলোর ফ্রিকোয়েন্সি (তরঙ্গ দৈর্ঘ্য) বেশি। অন্যদিকে রাতের কৃত্রিম আলোতে হলুদ রঙের ফ্রিকোয়েন্সি বেশি মাত্রায় ধরা দেয়। রাতে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়াতে ট্রাকের সামনের অংশ হলুদরঙা করা হয়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 51 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 10 মাস আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

বাগদানের ক্ষেত্রে হীরার আংটির বিষয়টি কোথা থেকে এলো?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 11 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

পুরুষের চেয়ে নারীর মাথা বেশি গরম, কারণ কী?

  1. কাসেম খান
    কাসেম খান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 1 বছর আগে

    পুরুষদের তুলনায় নারীদের মাথা নাকি বেশি গরম, এর কারণ কি? আসলে, বিজ্ঞান বলছে নারীদের ব্রেইনের গড় তাপমাত্রা পুরুষদের তুলনায় সামান্য বেশি থাকতে পারে। কিন্তু এইটা 'গরম হওয়া' বলতে আমরা যেটা বুঝি, সেই রাগ বা টেনশন টাইপ গরম হওয়া না। তো, মজার কারণগুলো কী হতে পারে? মাল্টিটাস্কিংয়ের ক্ষমতা: দেখেন, নারীরা একইসবিস্তারিত পড়ুন

    পুরুষদের তুলনায় নারীদের মাথা নাকি বেশি গরম, এর কারণ কি?

    আসলে, বিজ্ঞান বলছে নারীদের ব্রেইনের গড় তাপমাত্রা পুরুষদের তুলনায় সামান্য বেশি থাকতে পারে। কিন্তু এইটা ‘গরম হওয়া’ বলতে আমরা যেটা বুঝি, সেই রাগ বা টেনশন টাইপ গরম হওয়া না।

    তো, মজার কারণগুলো কী হতে পারে?

    • মাল্টিটাস্কিংয়ের ক্ষমতা: দেখেন, নারীরা একইসাথে দশটা কাজ করতে পারে! ঘর সামলানো, বাচ্চা সামলানো, অফিস করা, রান্নাবান্না, শপিং—সবকিছু একসাথে সামলাতে গিয়ে ব্রেইনটা একটু বেশিই খাটে। এত খাটাখাটনির পর ব্রেইন তো একটু হিট হবেই, তাই না? যেন একটা হাই-পারফরম্যান্স প্রসেসর, যা সারাক্ষণ ওভারটাইম করছে!
    • হরমোনের খেল: নারীদের শরীরে হরমোনগুলো তো রোলার কোস্টারের মতো ওঠানামা করে। ইস্ট্রোজেন, প্রোজেস্টেরন—এরা সারাক্ষণ ডিউটিতে থাকে। এই হরমোনগুলোর আনাগোনা ব্রেইনের থার্মোস্টেটকে একটু নড়বড়ে করে দেয়। ব্যস, হয়ে গেল হালকা গরম! পুরুষদের হরমোন তো মোটামুটি একই লাইনে চলে, তাই ব্রেইনে এত আপ-ডাউন হয় না।
    • পৃথিবীর বোঝা: আচ্ছা, সব সমস্যা, সব চিন্তা, সব দায়িত্বের বোঝাটা যেন নারীরাই বেশি নিজেদের কাঁধে নিয়ে নেয়। পরিবার, সমাজ, ভবিষ্যৎ—সবকিছু নিয়ে এত দুশ্চিন্তা করতে করতে ব্রেইন তো এমনিতেই গরম হবে! যেন ব্রেইনের ভেতর ২৪/৭ একটা টেনশন-ফ্যাক্টরি চলছে।
    • আবেগপ্রবণতা: নারীরা সাধারণত একটু বেশি আবেগপ্রবণ হন। অল্পতেই খুশি, অল্পতেই দুঃখী, অল্পতেই রেগে যান, আবার দ্রুতই নরম হয়ে যান। এই যে এত আবেগের ঢেউ ব্রেইনের ভেতর দিয়ে যায়, তাতে তো একটু তাপ উৎপন্ন হবেই! পুরুষরা তো সব ইমোশন ভেতরে চাপা দিয়ে রাখে, তাই তাদের ব্রেইন ততটা ওয়ার্কআউট পায় না।

    তো ভাই, ব্যাপারটা আসলে সিরিয়াস কিছু না। নারীদের ব্রেইনের এই সামান্য বেশি তাপমাত্রা একটা স্বাভাবিক ব্যাপার। আর যদি ‘মাথা গরম’ বলতে রাগকে বোঝান, তাহলে বলতে হয়, এত দায়িত্ব আর চাপ সামলাতে গিয়ে একটু গরম তো হতেই পারে, তাই না? বরং এটা তাদের ক্ষমতারই একটা অংশ! 😉

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 36 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

মগের মুল্লুক’ এই প্রবচনের মানে বিশৃঙ্খল অবস্থা, অরাজক দেশ, তাই তো? এতে আবার নতুন করে কী বলার আছে? কিন্তু বলুন তো এই ‘মগ’ কী জিনিস? আর মুলুকটা মগেদেরই বা কেন হলো?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 8 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

ফাঁসি দেওয়ার আগে অপরাধীর শেষ ইচ্ছা জানতে চাওয়া হয় কেন?

  1. পলক
    পলক পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 1 বছর আগে

    ফাঁসি কার্যকর করার আগে অপরাধীর শেষ ইচ্ছা জানতে চাওয়া একটি দীর্ঘদিনের প্রথা, যা মানবিক, সামাজিক এবং আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ। ১. মানবিক সম্মান ও মর্যাদা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির শেষ ইচ্ছা জানতে চাওয়া তার প্রতি একটি মানবিক সম্মান প্রদর্শনের উপায়। এটি তাকে তার জীবনের শেষ মুহূর্তে কিছু নিয়বিস্তারিত পড়ুন

    ফাঁসি কার্যকর করার আগে অপরাধীর শেষ ইচ্ছা জানতে চাওয়া একটি দীর্ঘদিনের প্রথা, যা মানবিক, সামাজিক এবং আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ।

    ১. মানবিক সম্মান ও মর্যাদা

    মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির শেষ ইচ্ছা জানতে চাওয়া তার প্রতি একটি মানবিক সম্মান প্রদর্শনের উপায়। এটি তাকে তার জীবনের শেষ মুহূর্তে কিছু নিয়ন্ত্রণের সুযোগ দেয়, যা তার আত্মমর্যাদা বজায় রাখতে সহায়তা করে। অনেক সময় অপরাধীরা তাদের পরিবারকে বিদায় জানানো, ক্ষমা প্রার্থনা বা ধর্মীয় আচার পালন করতে চান, যা তাদের মানসিক শান্তি এনে দেয়।

    ২. আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব

    বিভিন্ন দেশের কারাগার নীতিমালায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আগে অপরাধীর শেষ ইচ্ছা জানতে চাওয়া বাধ্যতামূলক। উদাহরণস্বরূপ, ভারতের তিহার জেলে নির্ভয়া কেসের চার আসামিকে ফাঁসির আগে তাদের শেষ ইচ্ছা জানতে চাওয়া হয়েছিল, যদিও তারা কোনো ইচ্ছা প্রকাশ করেননি ।

    ৩. আত্মসমালোচনা ও ক্ষমা প্রার্থনার সুযোগ

    শেষ ইচ্ছা প্রকাশের মাধ্যমে অপরাধীরা তাদের অপরাধের জন্য অনুশোচনা প্রকাশ করতে পারেন এবং ভুক্তভোগীদের পরিবারের কাছে ক্ষমা চাইতে পারেন। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, টেক্সাসে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের শেষ বক্তব্যে ৩৩% অপরাধী ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন, যা তাদের অনুশোচনার প্রকাশ হিসেবে বিবেচিত হয় ।

    ৪. ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক প্রস্তুতি

    অনেক অপরাধী মৃত্যুর আগে ধর্মীয় আচার পালন করতে চান, যেমন প্রার্থনা, ধর্মীয় গ্রন্থ পাঠ বা ধর্মীয় নেতার সঙ্গে সাক্ষাৎ। এটি তাদের আধ্যাত্মিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।

    ৫. সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রথা

    শেষ ইচ্ছা জানতে চাওয়া একটি সামাজিক প্রথা, যা সমাজের নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধের প্রতিফলন। এটি সমাজকে স্মরণ করিয়ে দেয় যে, যদিও অপরাধীর শাস্তি নিশ্চিত, তবুও তার প্রতি মানবিক আচরণ বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

    ফাঁসির আগে অপরাধীর শেষ ইচ্ছা জানতে চাওয়া অপরাধীর আত্মসম্মান রক্ষা, অনুশোচনা প্রকাশ, ধর্মীয় প্রস্তুতি এবং সমাজের নৈতিক মূল্যবোধ বজায় রাখতে সহায়তা করে। এটি শুধুমাত্র একটি প্রথা নয়, বরং মানবিকতার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 44 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

নিদ্রাহীনতা সমাধানের ভিন্নধর্মী পন্থা ক্যানাবিস কি সত্যিই কাজ করে?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    সারাদিনের কর্মব্যস্ততার পর আমাদের মন আর শরীর দুটোই ক্লান্ত থাকে, প্রয়োজন হয় বিশ্রামের। বাসায় ফেরার পর সবচেয়ে আপন করে নিতে ইচ্ছা হয় পরিপাটি করে গোছানো বিছানাটাকেই। খাওয়া-দাওয়া করে এরপর ঘুমের রাজ্যে আমাদের প্রবেশ ঘটে। দৈনন্দিন জীবনে পরিশ্রমের পর আমাদের প্রত্যেকেরই একটা নির্দিষ্ট সময় ঘুমের প্রয়োজন হয়।বিস্তারিত পড়ুন

    সারাদিনের কর্মব্যস্ততার পর আমাদের মন আর শরীর দুটোই ক্লান্ত থাকে, প্রয়োজন হয় বিশ্রামের। বাসায় ফেরার পর সবচেয়ে আপন করে নিতে ইচ্ছা হয় পরিপাটি করে গোছানো বিছানাটাকেই। খাওয়া-দাওয়া করে এরপর ঘুমের রাজ্যে আমাদের প্রবেশ ঘটে। দৈনন্দিন জীবনে পরিশ্রমের পর আমাদের প্রত্যেকেরই একটা নির্দিষ্ট সময় ঘুমের প্রয়োজন হয়। যখন এই গুরুত্বপূর্ণ ঘুমেরই সমস্যা হয়, তখন তো আমাদের নড়েচড়ে বসতেই হয়। তবে সমস্যা সমাধানের জন্য আমরা সবসময়ই কি যৌক্তিক কিছু করি অথবা যা করি তা কি আদৌ চিরস্থায়ী সুফল বয়ে আনে?

    ঘুমের সমস্যা বলতে সাধারণত ঘুমের স্বাভাবিক ধারা ব্যাহত হওয়াকেই বোঝানো হয়। এগুলোর মাঝে সবচেয়ে প্রচলিত সমস্যাটি হল ইনসমনিয়া বা নিদ্রাহীনতা। স্লিপ অ্যাপনিয়াতে আক্রান্ত ব্যক্তিরা ঘুমের সময় সঠিকভাবে শ্বাস নিতে পারেন না। কেউ কেউ আবার ঘুমের মাঝে পা এক জায়গায় স্থির রাখতে পারেন না। একে রেস্টলেস লেগস সিনড্রোম (RLS) বলে। পায়ে এক ধরনের অস্বস্তি বা মৃদু খোঁচা খাওয়ার অনুভূতির কারণে এমন সমস্যা দেখা দেয়। কিন্তু সমস্যাটা পায়ে না, স্নায়ুতন্ত্রে। স্নায়ুতন্ত্রের যে অংশ ঘুম নিয়ন্ত্রণ করে সেখানে বিশৃঙ্খলার কারণে এই সমস্যার উদ্ভব হয়। আবার অনেকের নার্কোলেপসির কারণে দিনের বেলায় হুট করেই অস্বাভাবিক রকমের ঘুম পায়।

    এতসব ঘুমের সমস্যার সাথে মাদকের সম্পর্কটা ঠিক কেমন? সেটা নিয়েই আমাদের আজকের আয়োজন।

    কর্মব্যস্ত দিনের পর দরকার পরিমিত ঘুম; Source: renkligaste.com

    প্রাপ্তবয়স্কদের মাঝে নিদ্রাহীনতায় ভুগছেন এমন অনেকের সাথে কথা বলে দেখা গেছে যে, তাদের অনেকেই সমাধানের পথ হিসেবে মারিজুয়ানা বা ক্যানাবিস (গাঁজা) সেবনকে বেছে নিচ্ছেন। এই চর্চাটা এখন প্রতিফলিত হচ্ছে বিভিন্ন ওষুধ প্রস্তুতির ক্ষেত্রে। ক্যানাবিসকে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করে বিভিন্ন ওষুধ যেমন ন্যাবিলোন, ড্রোনাবিনল এবং ম্যারিনল ইত্যাদি প্রস্তুত হচ্ছে। এছাড়াও ক্যানাবিস সেবনকারীদের অনেকেই মেডিক্যাল মারিজুয়ানা কার্ড নিয়ে থাকেন।

    ক্যানাবিস পাতা; Source: commons.wikimedia.org

    প্রশ্ন হলো- ঘুমের সমস্যা সমাধানে ক্যানাবিস কতটা কার্যকরী? বিভিন্ন রোগীর মাঝে এর ব্যবহার থেকে প্রাপ্ত ফলাফল কখনোই ঢালাওভাবে কোনো উত্তরকে সরাসরি সমর্থন করে না। অর্থাৎ নিদ্রাহীনতার সমাধান হিসেবে মারিজুয়ানা বা ক্যানাবিসের ব্যবহার বহুলাংশেই স্বতন্ত্র। ঘুমের সমস্যা সমাধানে মারিজুয়ানা সেবন করা কতটা কার্যকর হবে সেটা নির্ভর করে ব্যক্তি বিশেষের উপর, মারিজুয়ানার পরিমাণ এবং এর সেবনের মাত্রার উপর।

    সমস্যা সমাধানে ক্যানাবিস বা মারিজুয়ানা

    কিছু কিছু গবেষণায় দেখে গেছে, ক্যানাবিস আক্ষরিক অর্থেই ঘুমে সাহায্য করে। নিদ্রাহীনতায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের উপর এর প্রভাব বিভিন্ন রকম। কারও কারও ক্ষেত্রে এর ব্যবহার যথেষ্ট কার্যকরী। কার্যকরী এই অর্থে যে তারা খুব দ্রুতই ঘুমিয়ে পড়তে পারছেন এবং ভাল ঘুমও হচ্ছে। আবার কেউ কেউ হয়তো খুব দ্রুত ঘুমাতে পারছেন না, কিন্তু তাদের ঘুমের গভীর পর্যায়টা বেশ দীর্ঘায়িত হচ্ছে। তবে যখনই ক্যানাবিস সেবন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, তখন স্পষ্টতই ঘুম চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

    বিভিন্ন গবেষণা থেকে এটা প্রমাণিত যে, ক্যানাবিস ঘুমের মান এবং সময়কাল নিয়ন্ত্রণে যথেষ্ট কার্যকরী ভূমিকা রাখছে। ক্যানাবিস থেকে প্রাপ্ত ক্যানাবিনয়েডসমূহের মাঝে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি হলো টেট্রাহাইড্রোক্যানাবিনল (THC), যা নিদ্রাহীনতা দূর করতে দারুণ কার্যকর। গবেষণায় দেখা গেছে, টেট্রাহাইড্রোক্যানাবিনল সেবনকারীদের মাঝে দ্রুত ঘুমিয়ে পড়ার হার, যারা সেবন করছেন না তাদের চেয়ে অনেকংশেই বেশি। এছাড়াও গভীর রাতে হঠাৎ ঘুমে ভেঙে দীর্ঘ সময় ধরে জেগে থাকার সমস্যাটাও টেট্রাহাইড্রোক্যানাবিনল এর মাধ্যমে দূর করা যায়।

    Tetrahydrocannabinol; Source: Wikimedia Commons

    প্রাণীদের উপর চালানো এক গবেষণায় (অ্যানিমেল ট্রায়াল) সংশ্লেষিত একটি ক্যানাবিনয়েডের (টেট্রাহাইড্রোক্যানাবিনলের অনুরূপ) ব্যবহার, সেরোটোনিন- প্রণোদিত অ্যাপনিয়ার সমাধানে আশাব্যঞ্জক ফলাফল এনে দিয়েছে। ক্যানাবিনয়ডের ব্যবহারের ফলে চিবুক এবং মুখের কিছু পেশীর শিথিলতা আসে এবং এর মাধ্যমেই অ্যাপনিয়া থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। গবেষণায় আরও দেখা গেছে, পোস্ট ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিজঅর্ডারে (PTSD) আক্রান্ত সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তাদের দুঃস্বপ্নের চিকিৎসায় ক্যনাবিনয়েডসমূহ বেশ কার্যকরী ভূমিকা রাখতে সক্ষম।

    ঘুম এবং ক্যানাবিস; Source: semprequestione.com

    টেট্রাহাইড্রোক্যানাবিনল এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ক্যনাবিনয়েডের সমন্বয়ে গঠিত একটি ওষুধ হচ্ছে ক্যানাবিডাইঅল (CBD), যেটি ঘুমের সমস্যা সমাধানে বেশ গুরুত্বপূর্ণ বলে প্রমাণিত হয়েছে। এছাড়াও তীব্র ক্যানাবিডাইঅল ব্যবহারের মাধ্যমে সার্বিকভাবে ঘুমের সময় বাড়িয়ে দেওয়া সম্ভব।

    Cannabidiol; Source: chicagonow.com

    ঢালাওভাবে মারিজুয়ানা বা ক্যানাবিস নামগুলো সমার্থক হিসেবে ব্যবহার করা হলেও ঘুমের সমস্যা সমাধানে এদের কাজ করার পদ্ধতি  কিন্তু এক নয়। ক্যানাবিসের অসংখ্য প্রজাতিগুলোর মাঝে পার্থক্যের কারণ টেট্রাহাইড্রোক্যানাবিনল এবং ক্যানাবিডাইঅলের পরিমাণ। ক্যানাবিসের কিছু প্রজাতি আছে যেগুলোতে টেট্রাহাইড্রোক্যানাবিনলের উপস্থিতি অত্যন্ত বেশি। মারিজুয়ানারও এরকম কিছু প্রজাতিতে ক্যানাবিডাইঅলের পরিমাণ কম, আবার অন্যগুলোতে তুলনামূলকভাবে বেশি।

    ঘুম চক্রে ক্যানাবিসের প্রভাব

    ঘুমের মাঝে র‍্যাপিড আই মুভমেন্ট (REM ) নামক একটি পর্যায় আছে। ঘুমের এই চূড়ান্ত পর্যায়ে আমরা স্বপ্ন দেখি। ঘুমের আগে ক্যানাবিস সেবনের ফলে REM পর্যায়ে ব্যায়িত সময়ের পরিমাণ কমে আসে। ফলে ঘন ঘন স্বপ্ন দেখা অনেকটাই কমে যায়। তবে দীর্ঘদিনের অভ্যস্ততার পর হুট করে ক্যানাবিস সেবন বন্ধ করে দিলে REM এর পুনরাবৃত্তি হওয়ার বেশ ভাল রকমের ঝুঁকি থেকে যায়।

    ঘুমের বিভিন্ন পর্যায়; Source: quora.com

    কিছু সতর্কতা

    ক্যানাবিস গ্রহণের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল, দীর্ঘকাল সেবনের পর হুট করে ক্যানাবিসকে বিদায় জানানো যাবে না। বেশ লম্বা একটা সময় ধরে ক্যানাবিস সেবনের ফলে একজন মানুষের ঘুমের অভ্যাস বা ধরণ পরিবর্তিত হয়, এক ধরণের নির্ভরতা তৈরী হয়। হঠাৎ করেই যদি অভ্যস্ততায় ব্যাঘাত ঘটে, তখন এর প্রতিক্রিয়াস্বরূপ বিভিন্ন সমস্যার উদ্ভব হয়। দেখা যায় যে, একজন ব্যক্তি হয়তো সারাদিনই ক্লান্ত অনুভব করছেন অথবা ঘুম থেকে উঠার পরও তার মনে হচ্ছে যে ঘুম ঠিকভাবে হয় নি। এছাড়াও অপ্রাপ্তবয়স্কদের মাঝে কখনোই ক্যানাবিস ব্যবহারের অভ্যাস তৈরি করা উচিত নয়। সুনির্দিষ্ট করে বলতে গেলে ১৫ বছর বয়সের আগে ক্যানাবিস অনেক সময় তারুণ্যের পুরোটা জুড়েই নিদ্রাহীনতা ডেকে আনে।

    মেডিক্যাল মারিজুয়ানার বিশেষত্ব

    মজার ব্যপার হচ্ছে, ঘুমের সমস্যা ছাড়াও আরও অনেক অসুখের চিকিৎসা হিসেবে মেডিক্যাল মারিজুয়ানা বহুলভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। যেমন-·

    •  অ্যাটেনশন ডেফিসিট হাইপার অ্যাকটিভিটি ডিজঅর্ডার
    • অ্যানোরেক্সিয়া
    • দুশ্চিন্তা
    • আর্থ্রাইটিস
    • অ্যাজমা
    • ক্যান্সার
    • বিষণ্ণতা
    • মৃগীরোগ
    • গ্লুকোমা
    • মাইগ্রেন
    • পোস্ট ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিজঅর্ডার ইত্যাদি।

    এখন পর্যন্ত সমগ্র বিশ্বে ক্যানাবিস বা মারিজুয়ানার এসব উপকারী দিক সর্বজন স্বীকৃত নয়। হ্যাঁ, এ কথা অস্বীকার করা যাবে না যে চিকিৎসাক্ষেত্রে মেডিক্যাল মারিজুয়ায়ানা ব্যবহারের সাফল্য অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। তবে মানুষের উপর এর প্রভাব তেমন ভাল নয়। তাই এখনও বিস্তর গবেষণা চলছে এর ভূমিকা নিয়ে। এতসব অসুখের সমাধান হিসেবে যদি একটি প্রাকৃতিক উপাদান সাফল্যের পথ দেখাতে পারে, সেটা নিঃসন্দেহে স্বস্তির বার্তা বয়ে আনবে রোগী ও তার স্বজনদের জন্য।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 53 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 10 মাস আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

অনলাইন জুয়ার আসক্তি কতটা ভয়াবহ?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 6 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
আরও প্রশ্ন লোড করুন

Sidebar

লগ ইন করুন
  • জনপ্রিয়
  • উত্তর
  • Mithun

    নির্মাণকাজে মরুভূমির বালু কেন ব্যবহার করা হয়না?

    • 12 টি উত্তর
  • Hina Khan

    Is Telegram MOD APK safe to use? What are the ...

    • 9 টি উত্তর
  • shanto

    ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইন আবেদন, লাইসেন্সের অনলাইন কপি ডাউনলোড, লাইসেন্স হয়েছে ...

    • 8 টি উত্তর
  • Admin

    নতুন ক্যাটাগরি "SEO" যুক্ত হলো আড্ডাবাজে!

    • 7 টি উত্তর
  • Mahmudul

    একটি ঘোর লাগানো ছবি দেখাতে পারবেন কি?

    • 6 টি উত্তর
  • jahanur
    jahanur একটি উত্তর দিয়েছেন You can definitely use Instagram downloaders on both your phone… জুলাই 26, 2026, সময়ঃ 1:11 অপরাহ্ন
  • ঝুমুর হাসান
    ঝুমুর হাসান একটি উত্তর দিয়েছেন কাকরোচ জনতা পার্টি (Cockroach Janta Party) কাকরোচ জনতা পার্টি (CJP)… জুলাই 22, 2026, সময়ঃ 12:58 অপরাহ্ন
  • Fist Name
    Fist Name একটি উত্তর দিয়েছেন https://jojoji.com এই লিংক থেকে পোস্ট বা প্রশ্ন উত্তর করে সহজেই… জুলাই 13, 2026, সময়ঃ 1:50 পূর্বাহ্ন
  • mar7w7
    mar7w7 একটি উত্তর দিয়েছেন great post! জুন 15, 2026, সময়ঃ 2:56 পূর্বাহ্ন
  • M Sarah
    M Sarah একটি উত্তর দিয়েছেন তাফসীরুল কুরআনিল আযীম বা তাফসীরে ইবনে কাসীর ইসলামী বিশ্বের অন্যতম… জুন 10, 2026, সময়ঃ 9:18 পূর্বাহ্ন

জনপ্রিয় গ্রুপ

  • মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    • 4 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 113 বার প্রদর্শিত
  • Earn Money

    • 3 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 162 বার প্রদর্শিত
  • Knowledge World

    Knowledge World

    • 3 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 122 বার প্রদর্শিত
  • CT Game Review

    CT Game Review

    • 3 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 1,177 বার প্রদর্শিত
  • Crazy Time Fun

    Crazy Time Fun

    • 2 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 82 বার প্রদর্শিত

চলতি মাসের সেরা ইউজার

Harridoyle

Harridoyle

  • 2 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
www.transfer403.pages.dev - BTC TRANSFER 93979 USDC 6xz

www.transfer403.pages.dev - BTC TRANSFER 93979 USDC 6xz

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
www.transfer403.pages.dev - YOUR BALANCE 97538 USDT h52

www.transfer403.pages.dev - YOUR BALANCE 97538 USDT h52

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
www.transfer403.pages.dev - YOUR BALANCE 96291 USDC v57

www.transfer403.pages.dev - YOUR BALANCE 96291 USDC v57

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
Dolgushin

Dolgushin

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
লগ ইন করুন

Explore

  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

Footer

AddaBuzz.net

আড্ডাবাজ একটি সামাজিক প্রশ্নোত্তর ইঞ্জিন। যেখানে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে একে অপরের জ্ঞান আদান-প্রদান হয়। প্রশ্ন করুন, উত্তর দিন, জ্ঞান ভাগাভাগি করুন।

Adv 234x60

aalan

আমাদের সম্পর্কিত

  • আমাদের টিম
  • আমাদের লক্ষ্য

লিগ্যাল স্টাফ

  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions
  • Data Deletion Instructions

সাহায্য

  • Knowledge Base
  • Contact us

আমাদের ফলো করুন

© 2026 AddaBuzz. All Rights Reserved
With Love by AddaBuzz.net

✕
🔔 নোটিফিকেশন চালু করুন নতুন প্রশ্নোত্তর ও ব্লগ আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন