গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মনোগ্রামে ৪টি তারকা চিহ্ন রয়েছে।
AddaBuzz.net Latest প্রশ্ন
-
প্রশ্নোত্তর প্রদানের মাধ্যমে অনলাইনে আয় করার বিষয়টি বর্তমানে বেশ জনপ্রিয় এবং এটি নির্ভর করে আপনার দক্ষতার ওপর। যেহেতু আপনি বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি নিয়ে লেখালেখি করেন, আপনার জন্য বেশ কিছু প্ল্যাটফর্ম বেশ উপযোগী হতে পারে। নিচে সেরা কয়েকটি প্ল্যাটফর্মের তালিকা দেওয়া হলো: ১. শিক্ষামূলক এবং টিউটোরিং সাইট Cবিস্তারিত পড়ুন
প্রশ্নোত্তর প্রদানের মাধ্যমে অনলাইনে আয় করার বিষয়টি বর্তমানে বেশ জনপ্রিয় এবং এটি নির্ভর করে আপনার দক্ষতার ওপর। যেহেতু আপনি বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি নিয়ে লেখালেখি করেন, আপনার জন্য বেশ কিছু প্ল্যাটফর্ম বেশ উপযোগী হতে পারে।
নিচে সেরা কয়েকটি প্ল্যাটফর্মের তালিকা দেওয়া হলো:
১. শিক্ষামূলক এবং টিউটোরিং সাইট
-
Chegg: সাবজেক্ট ম্যাটার এক্সপার্টদের জন্য এটি অন্যতম সেরা সাইট। এখানে পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন বা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মতো বিষয়ের প্রশ্নের উত্তর দিয়ে আয় করা যায়।
-
Studypool: এখানে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন অ্যাসাইনমেন্ট বা প্রশ্ন পোস্ট করে। আপনি আপনার দক্ষতা অনুযায়ী সেগুলোর সমাধান দিয়ে বিড করতে পারেন।
২. প্রফেশনাল এবং বিশেষজ্ঞ কনসাল্টিং
-
JustAnswer: এখানে আপনাকে একজন ভেরিফাইড প্রফেশনাল হিসেবে কাজ করতে হবে। প্রকৌশলী বা কারিগরি বিশেষজ্ঞদের জন্য এটি বেশ লাভজনক সাইট।
-
Wonder: এটি একটি রিসার্চ-ভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম। বিভিন্ন কোম্পানি তাদের গবেষণার জন্য জটিল সব প্রশ্ন করে থাকে এবং গভীর অনুসন্ধানী উত্তর দেওয়ার জন্য এখানে বেশ ভালো পেমেন্ট পাওয়া যায়।
৩. বিশেষায়িত টেকনিক্যাল সাপোর্ট
-
6ya: আপনি যদি গ্যাজেট বা ইলেকট্রনিক্স পণ্যের সমস্যা সমাধানে দক্ষ হন, তবে ফোন কল বা চ্যাটের মাধ্যমে টিপস দিয়ে এখান থেকে আয় করতে পারেন।
-
Maven: এটি একটি মাইক্রো-কনসাল্টিং সাইট যেখানে বিশেষজ্ঞ হিসেবে আপনি বিভিন্ন সার্ভে বা টেলিফোনিক আলোচনায় অংশ নিয়ে আয় করতে পারবেন।
সফল হওয়ার কিছু টিপস:
-
প্রমাণপত্র সংগ্রহে রাখুন: ভালো পেমেন্ট দেয় এমন সাইটগুলো সাধারণত আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা বা কাজের অভিজ্ঞতার সার্টিফিকেট যাচাই করবে।
-
রেটিং বজায় রাখা: শুরুতে আয় কিছুটা কম হলেও আপনার উত্তর যদি সঠিক এবং মানসম্মত হয়, তবে রেটিং বাড়ার সাথে সাথে আয়ের পরিমাণও বাড়বে।
-
সতর্কতা: কোনো সাইট যদি জয়েন করার জন্য শুরুতেই টাকা দাবি করে, তবে সেগুলো এড়িয়ে চলাই ভালো। নির্ভরযোগ্য সাইটগুলো আপনার কাজের আয় থেকে কমিশন নেয়, আগে থেকে টাকা নেয় না।
-
-
যা কিছু আমরা প্রথম দেখি সবগুলোই অদ্ভুত লাগে। সাগর অনেক গভীর। এর যত গভীরে যাবেন তাপমাত্রা ততই কমবে আর চাপ বাড়বে। তাই সেখানে টিকে থাকতে হলে প্রাণিদের বৈশিষ্ট্য আলাদা হতে হয়। আর আমরা গভীর সাগরের প্রাণিদের তেমন দেখতে পাইনা বিধায় আমাদের কাছে সেগুলোকে অদ্ভুত লাগে।
যা কিছু আমরা প্রথম দেখি সবগুলোই অদ্ভুত লাগে। সাগর অনেক গভীর। এর যত গভীরে যাবেন তাপমাত্রা ততই কমবে আর চাপ বাড়বে। তাই সেখানে টিকে থাকতে হলে প্রাণিদের বৈশিষ্ট্য আলাদা হতে হয়। আর আমরা গভীর সাগরের প্রাণিদের তেমন দেখতে পাইনা বিধায় আমাদের কাছে সেগুলোকে অদ্ভুত লাগে।
সংক্ষেপে দেখুন
-
ভাই, আপনি কি এটা মজা নেয়ার জন্য লিখছেন নাকি? মেয়েদের সম্পর্কে আপনি কি বেশি জানেন? নাকি মেয়েদের নিয়ে আপনি পিএইচডি করছেন? যদি জানার জন্য করে থাকেন তাহলে সমস্যা নাই। আমার মনেহয় একেকজনের সেক্স একেক রকম। কারও সাথে কারওটা মেলার কথা না।
ভাই, আপনি কি এটা মজা নেয়ার জন্য লিখছেন নাকি? মেয়েদের সম্পর্কে আপনি কি বেশি জানেন? নাকি মেয়েদের নিয়ে আপনি পিএইচডি করছেন? যদি জানার জন্য করে থাকেন তাহলে সমস্যা নাই। আমার মনেহয় একেকজনের সেক্স একেক রকম। কারও সাথে কারওটা মেলার কথা না।
সংক্ষেপে দেখুন
-
shanto ভিআইপিউত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে
শুরুতে টমের নাম ছিল জাসপার আর জেরির নাম ছিলো জিঙ্কস।
শুরুতে টমের নাম ছিল জাসপার আর জেরির নাম ছিলো জিঙ্কস।
সংক্ষেপে দেখুন
-
Mustafizur Rahman-কে ঘিরে Kolkata Knight Riders (KKR) বিতর্ক এবং পরবর্তীতে Indian Premier League (IPL)-এ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টি শুধুমাত্র একটি ক্রীড়া ইস্যু নয়—এটি বৃহত্তর কূটনৈতিক সম্পর্কের দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণভাবে দেখা যেতে পারে। প্রথমত, ক্রীড়া বিশেষ করে ক্রিকেট দীর্ঘদিন ধরেই Bangladesh ওবিস্তারিত পড়ুন
Mustafizur Rahman-কে ঘিরে Kolkata Knight Riders (KKR) বিতর্ক এবং পরবর্তীতে Indian Premier League (IPL)-এ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টি শুধুমাত্র একটি ক্রীড়া ইস্যু নয়—এটি বৃহত্তর কূটনৈতিক সম্পর্কের দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণভাবে দেখা যেতে পারে।
সংক্ষেপে দেখুন
প্রথমত, ক্রীড়া বিশেষ করে ক্রিকেট দীর্ঘদিন ধরেই Bangladesh ও India-র মধ্যে “soft diplomacy” বা নরম কূটনীতির একটি কার্যকর মাধ্যম। যখন কোনো বাংলাদেশি খেলোয়াড় IPL-এর মতো বড় মঞ্চে সুযোগ পায়, তখন তা দুই দেশের সম্পর্কের একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করে।
দ্বিতীয়ত, যদি সত্যিই কোনো বিতর্ক বা নিষেধাজ্ঞার পর তা প্রত্যাহার করা হয়, তাহলে সেটিকে এক ধরনের “de-escalation” বা উত্তেজনা কমানোর পদক্ষেপ হিসেবে ধরা যায়। এটি ইঙ্গিত দিতে পারে যে উভয় পক্ষই সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখতে আগ্রহী এবং ক্রীড়াকে রাজনৈতিক বা দ্বিপাক্ষিক টানাপোড়েন থেকে আলাদা রাখতে চায়।
তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—এ ধরনের সিদ্ধান্ত সবসময় সরাসরি রাজনৈতিক সম্পর্কের প্রতিফলন নয়। অনেক ক্ষেত্রে বোর্ড, ফ্র্যাঞ্চাইজি এবং টুর্নামেন্ট পরিচালনাকারী সংস্থার নিজস্ব সিদ্ধান্তও বড় ভূমিকা রাখে। তাই এটিকে সরাসরি বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক “পুনরুদ্ধার” হয়েছে বলে বলা একটু অতিরঞ্জিত হতে পারে।
সবশেষে বলা যায়, IPL নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারকে একটি ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখা যেতে পারে, যা দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা ও সুসম্পর্ক বজায় রাখার ইচ্ছা প্রকাশ করে। কিন্তু এটিকে সম্পূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের প্রমাণ হিসেবে না দেখে, বরং ক্রীড়া-ভিত্তিক সৌহার্দ্যের একটি অংশ হিসেবে মূল্যায়ন করাই বেশি…
-
সেরা উত্তর
যারা ৯০এর দশকে স্কুলে পড়েছেন তারা সকলেই জানেন আমাদের সৌরজগতে অন্যান্য গ্রহগুলোর মত প্লুটো একটি গ্রহ। কিন্তু ঠিক কি কারণে ২০০৬ সালে এসে প্লুটোকে গ্রহের তালিকা থেকে বাদ দেয়া হল? সেটি জানার আগে চলুন প্লুটো সম্পর্কে একটু জেনে নেয়া যাক। প্লুটো প্লুটো আবিষ্কার হয় ১৯৩০ সালে। ১৯৩১ সালে প্লুটো ভর নির্ণয় করাবিস্তারিত পড়ুন
যারা ৯০এর দশকে স্কুলে পড়েছেন তারা সকলেই জানেন আমাদের সৌরজগতে অন্যান্য গ্রহগুলোর মত প্লুটো একটি গ্রহ। কিন্তু ঠিক কি কারণে ২০০৬ সালে এসে প্লুটোকে গ্রহের তালিকা থেকে বাদ দেয়া হল?
সেটি জানার আগে চলুন প্লুটো সম্পর্কে একটু জেনে নেয়া যাক।
প্লুটো
প্লুটো আবিষ্কার হয় ১৯৩০ সালে। ১৯৩১ সালে প্লুটো ভর নির্ণয় করা হয় পৃথিবীর ভরের কাছাকাছি। পরবর্তীতে আরো সূক্ষ মাপে এর ভর কমে আসে এবং মঙ্গল গ্রহের কাছাকাছি নির্নীত হয়। ১৯৭৬ সালে প্লুটোর বর্ণালী পর্যবেক্ষণ করে ধারনা করা হয় এর ভর পৃথিবীর ভরের ১ শতাংশের বেশী হবে না।
১৯৭৮ সালে প্লুটোর চাঁদ শ্যারন আবিষ্কৃত হলে এর ভর যথাযথভাবে নির্ণয় করার পথ খুলে যায়। বিভিন্ন হিসেবে দেখা যায় এর ভর হবে পৃথিবীর ভরের মাত্র ০.২ শতাংশ। এত সামান্য ভর নিয়ে প্লুটোর পক্ষে ইউরেনাস গ্রহের কক্ষপথে প্রভাব বিস্তার করা দুষ্কর।

প্লুটোর আকার ও অস্ট্রেলিয়ার আকারের তুলনাপ্লুটো ২৪৮ বছরে একবার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। এর কক্ষপথের বৈশিষ্ট অন্যান্য গ্রহের তুলনায় যথেষ্ট পৃথক। প্লুটো ব্যাতীত অন্য আটটি গ্রহ সূর্যকে একই সমতলে থেকে প্রদক্ষিণ করে, অপরদিকে প্লুটো অন্য গ্রহগুলোর ব্যতিক্রম হিসেবে এই সমতলের সাথে ১৭ ডিগ্রি কোণ করে সুর্যকে প্রদক্ষিণ করে। তাছাড়া অন্যান্য গ্রহগুলোর কক্ষপথ প্রায় গোলাকার, আর প্লুটো কক্ষপথ কিছুটা উপবৃত্তাকার। এই বৈশিষ্ট্যের কারণে প্লুটোর কক্ষপথ নেপচুনের কক্ষ পথের সাথে সাংঘর্ষিক। তবে তারপরও প্লুটো নেপচুনের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয় না এর কারণ হচ্ছে প্লুটো এবং নেপচুনের বৃত্তাকার গতি ঐক্যতানে আছে (enharmonic)। নেপচুনের প্রতি দুটি আবর্তনের সাথে সাথে প্লুটোর যথাযথভাবে তিনটি আবর্তন সম্পন্ন করে এবং এভাবেই সারাজীবন চলতে থাকবে যদি এখানে বাহ্যিক কোনো কিছুর প্রভাব না পড়ে।

প্লুটোর কক্ষপথ অন্য গ্রহগুলোর কক্ষপথের একই সমতলে নয়, বরং ১৭ ডিগ্রি তীর্যকমতপার্থক্যের সূচনা
১৯৯২ সাল হতে বিভিন্ন সময়ে প্লুটোর এলাকায়, অর্থাৎ এটি সূর্য থেকে যে দূরত্বে অবস্থান করে সেখানে আরো কিছু বস্তু আবিষ্কৃত হতে থাকে যেগুলো আকার আকৃতিতে প্লুটোর সাথে তুলনীয়। এই বস্তুগুলো সমেত অঞ্চলটিকে এখন কুইপার বেল্ট নামে ডাকা হয়। এধরনের আবিষ্কারের ফলে গ্রহ হিসেবে প্লুটোর মর্যাদা বিতর্কিত হয়ে পড়ে। অনেকেই প্রশ্ন রাখেন প্লুটোর মতো আরো বিভিন্ন বস্তু যেহেতু পাওয়া যাচ্ছে সেহেতু এটি ওই বস্তুরগুলো হতে আলাদা করা ঠিক হবে কিনা। প্লুটোকে যদি গ্রহ মর্যাদা দেওয়া হয় তাহলে সেই বস্তুগুলোকেও তো মর্যাদা দিতে হয়। এই সময়টিতে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষনা ছাড়াই অনেকক্ষেত্রে জাদুঘর কিংবা পর্যবেক্ষণকেন্দ্রের পরিচালকগণ প্লুটোকে গ্রহের মডেলের বাইরে রেখে বিতর্কের জন্ম দেন।
২০০০ সালের মধ্যে কুইপার বেল্টে বেশ কিছু বস্তু আবিষ্কৃত হয়ে যায়। এর মধ্যে রয়েছে সেরেস, প্যালাস, জুনো এবং ভেস্তা যেগুলোকে শুরুতে গ্রহ হিসেবে ভাবার পরও পরবর্তীতে আরো বিভিন্ন গ্রহাণু আবিষ্কৃত হয়ে যাওয়ায় শেষ পর্যন্ত আর গ্রহের মর্যাদা দেওয়া হয় নি। অনেকেই প্লুটোকেও একই পরিণতি ভোগ করার পক্ষ অবলম্বন করেন। ২০৫ এর জুলাইয়ের ২৯ তারিখে নেপচুনের বাইরে প্লুটোর চেয়েও বড় ভরের বস্তু এরিস আবিষ্কৃত হয়। এটি ১৮৪৬ সালে শনির উপগ্রহ টাইটানের পর আবিষ্কৃত সৌরজগতের সবচেয়ে বড় বস্তু। এর আবিষ্কারগণ এবং গণমাধ্যম এটিকে শুরুতে দশম গ্রহ হিসেবে পরিচিত করিয়ে দেয় যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে এটিকে কখনো গ্রহ তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করা হয়নি বা এ নিয়ে কোনো আলোচনাও হয় নি।
প্লুটো গ্রহ নয় কেন
এহেন পরিস্থিতিতে কোন বস্তুটিকে গ্রহ এবং কোন বস্তুটিকে গ্রহ বলা হবে না তা নির্ধারণ করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। এর আগে গ্রহের কোনো সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা ছিলো না। তাই বেশ কিছু গ্রহসদৃশ বস্তুকে নিয়ে বিতর্ক লেগেই ছিলো। এই অবস্থার অবসানের জন্য ২০০৬ সালে ২৪ আগষ্ট জ্যোতির্বিদদের একটি সম্মেলনে IAU resolution অনুযায়ী গ্রহের সংজ্ঞা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। এই শর্তপত্রের আওতায় সৌরজগতের একটি বস্তুকে গ্রহ হতে হলে:
১. একে সূর্যের চারপাশে ঘুরতে হবে।
২. একে যথেষ্ট পরিমান ভারী হতে হবে যেন নিজের মাধ্যাকর্ষণের টানে এটি গোলাকার ধারন করতে পারে। আরো যথাযথভাবে, এর নিজস্ব মাধ্যাকর্ষন এটিকে এমন আকৃতিতে পরিণত করতে হবে যেন তা ‘হাইড্রোস্ট্যাটিক সাম্যাবস্থা’য় থাকে।
৩. এর কক্ষপথটি অন্যান্য গ্রহের কক্ষপথ হতে পৃথক হতে হবে। যদি দুটি বস্তুর কক্ষপথ পৃথক না হয় বা একটির কক্ষপথ অপরটির ভেতর ঢুকে পড়ে তাহলে অপেক্ষাকৃত বেশী ভরের বস্তুটিই গ্রহের মর্যাদা পাবে।
প্লুটো এই তিনটি শর্তের মধ্যে তৃতীয়টি পূরণ করতে ব্যর্থ হয়। প্লুটোর কক্ষপথ স্বতন্ত্র নয়, বরং এটি এর কক্ষে আবর্তনকালে নেপচুনের কক্ষের মধ্যে ঢুকে পড়ে। অর্থাৎ কক্ষপথে আবর্তনকালের এক পর্যায় এটি নেপচুনের চেয়ে সুর্যের কাছাকাছি অবস্থান করে। এবং এর অবস্থান হয় নেপচুনের আগে। কিন্তু নেপচুনের ভরের তুলনায় প্লুটোর ভর অনেক অনেক কম হওয়ায় গ্রহ মর্যাদা নেপচুনেরই পাওয়ার কথা। প্লুটোর নয়।

প্লুটোর কক্ষপথ স্বতন্ত্র নয় বরং নেপচুনের কক্ষপথের সাথে ছেদ করে। ফলে এটি আবর্তনের একপর্যায়ে নেপচুনের তুলনায় সূর্যের কাছে থাকে।AIU আরো নির্ধারণ করে দেয় যে প্লুটোর মতো অন্য যেসব বস্তু কেবল গ্রহের সংজ্ঞার ১ ও ২ নং শর্ত পূরণ করতে পারবে তাদের বামন গ্রহ বলা হবে। ২০০৬ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর AIU প্লুটো, এরিস এবং এর উপগ্রহ ডিসনোমিয়াকে গৌণ গ্রহের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে এবং আনুষ্ঠানিক ভাবে গৌণ গ্রহের মর্যাদা দেয়। যার ফলে প্লুটোর নাম হয় “(১৩৪৩৪০) প্লুটো”।

গত বছর নিউ হরাইজন প্লুটের কাছে গিয়ে ডানপাশের ছবিটি তুলে পাঠায়। তার আগ পর্যন্ত প্লুটোর সবচেয়ে অনুপূঙ্খ ছবি ছিলো বাম পাশের টি।গ্রহের এই পুনঃশ্রেনীবিন্যাস অনেক জ্যোতির্বিদ সহজ ভাবে গ্রহণ করতে পারেন নি। কিছুদিন আগে নাসার প্লুটোর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া নিউ হরাইজন মিশনের প্রধান গবেষক অ্যালান স্টার্ন গ্রহের এই শর্ত মেনে নিতে অস্বীকার করেন। তিনি বলেন “বেশ কিছু কৌশলগত কারণে এই শর্তাবলী যন্ত্রনাদায়ক”। স্টার্নের মতে নতুন শর্ত অনুযায়ী পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি এবং নেপচুন যেহেতু তাদের কক্ষপথ গ্রহাণুসমুহের সাথে শেয়ার করে তাই এই গ্রহগুলোকে তালিকা হতে বাদ দিতে হবে। তিনি বলেন আমাদের চাঁদ সহ সব বড় বড় গোলাকার উপগ্রহগুলো একইভাবে গ্রহ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। তিনি আরো বলেন সমগ্র বিশ্বের কেবলমাত্র পাঁচ শতাংশ জ্যোতির্বিদ যেহেতু এই শর্তাবলীর পক্ষে ভোট দিয়েছে কাজেই এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ জ্যোতির্বিদ সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করে না। লয়েল অবজারভেটরিতে কর্মরত মার্ক. ডব্লিও বুই তাঁর ওয়েব সাইটের মাধ্যমে নতুন এই শর্তাবলীর বিরুদ্ধাচরণ করেন এবং এই সংজ্ঞার বিরুদ্ধে পিটিশন জারি করেন। তবে অন্যান্য অনেকেই AIU’র সিদ্ধান্ত সমর্থন করেন। এরিসের আবিষ্কর্তা মাইক ব্রাউন এই প্রসঙ্গে বলেন, “আমাদের সামনে অনেক সময় পড়ে আছে। কোনো না কোনো ভাবে সঠিক উত্তরটি প্রতিষ্ঠিত হবেই। বিজ্ঞান নিজেকে প্রতিনিয়ত সংশোধন করে চলে। খুব বড় ধরনের আবেগ জড়িত থাকলেও সে তার ধার ধারে না।”
সংক্ষেপে দেখুন
-
বিস্তারিততে আপনার উত্তর দেখে ভাল লাগলো। কিন্তু আমার কিছু প্রশ্ন ছিলঃ ১. আমার ফোনটি যদি *১৬১৬১# ডায়াল করার পর 'অবৈধ' বা 'নিবন্ধিত নয়' দেখায়, তাহলে আমার করণীয় কী? আমার ফোনটি কি বন্ধ হয়ে যাবে? ২. আমি যদি বিদেশ থেকে একটি ফোন এনে থাকি বা উপহার পেয়ে থাকি, সেটি নিবন্ধন করার প্রক্রিয়া কী? ৩. neir.btrcবিস্তারিত পড়ুন
বিস্তারিততে আপনার উত্তর দেখে ভাল লাগলো। কিন্তু আমার কিছু প্রশ্ন ছিলঃ
১. আমার ফোনটি যদি *১৬১৬১# ডায়াল করার পর ‘অবৈধ’ বা ‘নিবন্ধিত নয়’ দেখায়, তাহলে আমার করণীয় কী? আমার ফোনটি কি বন্ধ হয়ে যাবে?
২. আমি যদি বিদেশ থেকে একটি ফোন এনে থাকি বা উপহার পেয়ে থাকি, সেটি নিবন্ধন করার প্রক্রিয়া কী?
৩. neir.btrc.gov.bd ওয়েবসাইটের ‘সিটিজেন পোর্টাল’ ব্যবহার করে কীভাবে ফোনের নিবন্ধন অবস্থা যাচাই বা নিবন্ধন করা যায়?
৪. আমার ব্যবহৃত পুরোনো বাটন ফোনটিও কি এই প্রক্রিয়ায় যাচাই করতে হবে?
আশাকরি আপনার কাছ থেকে উত্তর পাবো।
সংক্ষেপে দেখুন
-
১) #উত্তরা_উত্তর (Uttara North): দিয়াবাড়ি, খালপাড়, রূপায়ণ সিটি, উত্তরা পশ্চিম থানা, জমজম টাওয়ার, সেক্টর-৭, ১০, ১২, ১৪,১৫,১৬, কামারপাড়া, সুইচগেইট, রানাভোলা, হাউজবিল্ডিং, রাজলক্ষী, জসীমউদ্দীন, এয়ারপোর্ট, টঙ্গী, কলেজ গেইট, টঙ্গী হয়ে বোর্ড বাজার, গাজীপুর, জয়দেবপুর। উত্তরা উত্তর মতিঝিল থেকে: ১০বিস্তারিত পড়ুন
১) #উত্তরা_উত্তর (Uttara North): দিয়াবাড়ি, খালপাড়, রূপায়ণ সিটি, উত্তরা পশ্চিম থানা, জমজম টাওয়ার, সেক্টর-৭, ১০, ১২, ১৪,১৫,১৬, কামারপাড়া, সুইচগেইট, রানাভোলা, হাউজবিল্ডিং, রাজলক্ষী, জসীমউদ্দীন, এয়ারপোর্ট, টঙ্গী, কলেজ গেইট, টঙ্গী হয়ে বোর্ড বাজার, গাজীপুর, জয়দেবপুর। উত্তরা উত্তর মতিঝিল থেকে: ১০০ টাকা।
২) #উত্তরা_সেন্টার (Uttara Center): সেক্টর ১৮, রাজউক উত্তরা মডেল টাউন, বউ বাজার, পঞ্চবটি, বোটক্লাব, বীরুলিয়া ব্রীজ, বীরুলিয়া ব্রীজ থেকে সাভার, আশুলিয়া। উত্তরা উত্তর থেকে সর্বনিম্ন ভাড়া: ২০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৯০ টাকা।
৩) #উত্তরা_দক্ষিণ (Uttara South): ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি, শান্তা-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি, বিজিএমইএ ভবন, বৃন্দাবন, এয়ারপোর্ট, উত্তরা আজমপুর। উত্তরা উত্তর থেকে ভাড়া: ২০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৯০ টাকা।
৪) #পল্লবী (Pallabi): মিরপুর ১২, মিরপুর ডিওএইচএস, মিরপুর সেনানিবাস, ইষ্টার্ন হাউজিং, আফতাব নগর
হাউজিং, বিইউপি, কালসী মোড়, ইসিবি চত্বর, বারিধারা ডিওএইচএস। উত্তরা উত্তর থেকে ভাড়া: ৩০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৮০ টাকা।
৫) #মিরপুর ১১ (Mirpur 11): পূরবী সিনেমা হল, কালসী মোড়, ইসিবি চত্বর, বারিধারা ডিওএইচএস, এয়ারপোর্ট, মিরপুর ১১, মিল্কভিটা, মিরপুর-১,৬,৭, চিড়িয়াখানা। উত্তরা উত্তর থেকে ভাড়া: ৩০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৭০ টাকা।
৬) #মিরপুর_১০ (Mirpur 10): বর্তমানে বন্ধ আছে। তারপরও বলে রাখি, মিরপুর গোল চক্কর, সেনপাড়া, মিরপুর-১,২, চিড়িয়াখানা , হার্ট ফাউন্ডেশন, পাকা মসজিদ, টেকনিক্যাল, শ্যামলী, কল্যাণপুর, গাবতলী, আমীনবাজার, সাভার, মিরপুর-১৩, ১৪, পুলিশ ব্যাটালিয়ন, ভাষাণটেক, কচুক্ষেত, বনানী, বনানী থেকে উত্তরা বা মহাখালী অভিমূখের যেকোনো জায়গা। উত্তরা উত্তর থেকে ভাড়া: ৪০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৬০ টাকা।
৭) #কাজীপাড়া (Kazipara): কাজীপাড়া, বেগম রোকেয়া সরণী, ইটাখোলা বাজার, পূর্ব মনিপুর, বৌবাজার, সাততারা মসজিদ রোড এবং এর আশেপাশে। উত্তরা দিয়া বাড়ি থেকে ভাড়া: ৪০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৬০ টাকা।
৮) #শেওড়াপাড়া (Shewrapara): শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, আগারগাঁও, তালতলা, কচুক্ষেত, মাজার রোড, টেকনিক্যাল, গাবতলী, কল্যাণপুর এবং এর আশেপাশে। ভাড়া: ৫০ টাকা। উত্তরা উত্তর থেকে মতিঝিল থেকে: ৫০ টাকা।
৯) #আগারগাঁও (Agergaon) : আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিস, বিসিএস কম্পিউটার সিটি, চক্ষু হাসপাতাল, নিউরোসায়েন্স হাসপাতাল, শ্যামলী, জাপান গার্ডেন সিটি, টেকনিক্যাল , গাবতলী, শিশু হাসপাতাল, শিশু মেলা, তালতলা এবং এর আশেপাশে। উত্তরা উত্তর থেকে ভাড়া: ৬০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৫০ টাকা।
(১০) #বিজয়_সরণী (Bijoy Sarani): বিজয় সরণী, জাতীয় সংসদ, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, শাহীন স্কুল ও কলেজ, তেজগাঁও এয়ার পোর্ট, শাহীন বাগ, নাখালপাড়া এবং এর আশেপাশে। উওরা উত্তর থেকে ভাড়া: ৬০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৪০ টাকা।
(১১) #ফার্মগেট (Farmgate) : ফার্মগেট, আসাদগেট, মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি -২৭, ২৮, লালমাটিয়া, তেজগাঁও কলেজ, বিজ্ঞান কলেজ, হলিক্রস কলেজ এবং এর আশেপাশে । উত্তরা উত্তর থেকে ভাড়া: ৭০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৩০ টাকা।
(১২) #কাওরান_বাজার ( Kawran Bazar) : কাওরান বাজার, হাতিরঝিল, রামপুরা, মালিবাগ, বসুন্ধরা সিটি, পান্থপথ, স্কয়ার হাসপাতাল, বিআরবি হাসপাতাল, ধানমন্ডি -৩২, কলাবাগান এবং এর আশেপাশে। উওরা উত্তর থেকে ভাড়া: ৮০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৩০ টাকা।
(১৩) #শাহবাগ (Shahbagh) : শাহবাগ, পিজি হাসপাতাল, বারডেম হাসপাতাল, রমনা পার্ক, সাইন্স ল্যাব, সিটি কলেজ, ঢাকা কলেজ, ল্যাবএইড হাসপাতাল এবং এর আশেপাশে। উওরা উত্তর থেকে ভাড়া: ৮০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ২০ টাকা।
(১৪) #ঢাকা_বিশ্ববিদ্যালয় (Dhaka University) : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, টিএসসি, ঢাকা মেডিকেল, বুয়েট, শহিদ মিনার, শিশু একাডেমী, আজিমপুর, ইডেন কলেজ, ঢাকা কলেজ, নিউ মার্কেট, চক বাজার। উত্তরা উত্তর থেকে ভাড়া: ৯০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ২০ টাকা।
(১৫) #বাংলাদেশ_সচিবালয় ( Bangladesh Secretariat) : সচিবালয়, প্রেস ক্লাব, সেগুনবাগিচা, শান্তিনগর, হাইকোর্ট, সুপ্রিম কোর্ট, পল্টন, বিজয়নগর, মিন্টু রোড, বেইলী রোড, ভিকারুননিসা স্কুল, গুলিস্তান, বায়তুল মোকাররম এবং এর আশেপাশে । উত্তরা উত্তর থেকে ভাড়া : ৯০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ২০ টাকা।
(১৬) #মতিঝিল ( Motijheel) : মতিঝিল, দিলকুশা, কমলাপুর , বঙ্গভবন , বাংলাদেশ ব্যাংক, নটরডেম কলেজ, আরামবাগ, ফকিরাপুল এবং এর আশেপাশে। উত্তরা উত্তর থেকে ভাড়া: ১০০/- টাকা। বিঃদ্রঃ ২০০ টাকা বিনিময়ে কার্ড করলে, যাতায়াতে সবসময় ১০% ডিসকাউন্ট পাওয়া যায়। উত্তরা উত্তর থেকে প্রথম ট্রেন: সকাল ৭:১০ মিঃ
এবং সর্ব শেষ ট্রেন: রাত ৯:০০ ঘটিকায়। মতিঝিল থেকে প্রথম ট্রেন: সকাল ৭:৩০ মিঃ
এবং সর্ব শেষ ট্রেন: রাত ৯:৪০ মিঃ।
প্রতি শুক্রবার উত্তরা উত্তর থেকে: ৩:৩০ মিঃ শুরু হয়ে সর্ব শেষ ট্রেন ৯:০০ মিঃ। এবং মতিঝিল থেকে বিকাল ৩:৫০ মিঃ শুরু হয়ে সর্ব শেষ ট্রেন ৯:৪০ মিঃ। প্রতি ৮/১০ মিনিট পরপর উত্তরা ও মতিঝিল থেকে মেট্রো রেল ছাড়ে।
সংক্ষেপে দেখুন
-
বাংলাদেশে পাসপোর্ট তৈরি করার পুরো প্রক্রিয়া নিম্নরূপ: ### ১. **প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সংগ্রহ** পাসপোর্ট আবেদন করতে হলে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টস প্রয়োজন: - **জাতীয় পরিচয়পত্র** (NID) বা জন্ম সনদ। - **পাসপোর্টের জন্য ছবি** (সাধারণত ৩.৫ × ৪.৫ সেমি সাইজ, সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডে ২টি ছবি)। - **অতিরিক্ত কোনোবিস্তারিত পড়ুন
বাংলাদেশে পাসপোর্ট তৈরি করার পুরো প্রক্রিয়া নিম্নরূপ:
### ১. **প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সংগ্রহ**
পাসপোর্ট আবেদন করতে হলে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টস প্রয়োজন:
– **জাতীয় পরিচয়পত্র** (NID) বা জন্ম সনদ।
– **পাসপোর্টের জন্য ছবি** (সাধারণত ৩.৫ × ৪.৫ সেমি সাইজ, সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডে ২টি ছবি)।
– **অতিরিক্ত কোনো ডকুমেন্ট** (যেমন শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, এনরোলমেন্ট/পত্রিকা বা অন্যান্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট)।
– **বয়স প্রমাণের সনদ** (যদি বয়স ১৮ এর নিচে থাকে)।
– **ভোটার আইডি** (যদি কোনো ব্যক্তি ভোটার আইডি নম্বর প্রদান করেন, তাও দাখিল করা যাবে)।### ২. **অনলাইন নিবন্ধন**
পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে হলে প্রথমে **বাংলাদেশ পাসপোর্ট অধিদপ্তরের** (www.psa.gov.bd) অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইনে নিবন্ধন করতে হবে।
– ওয়েবসাইটে গিয়ে পাসপোর্ট আবেদন ফর্ম পূরণ করুন।
– ফর্ম পূরণ শেষে ছবি আপলোড এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য যুক্ত করুন।### ৩. **আবেদন ফি প্রদান**
অনলাইনে আবেদন করার পর পাসপোর্টের ফি জমা দিতে হবে। ফি পরিশোধের দুটি মাধ্যম:
– **অনলাইন ব্যাংকিং** (ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড বা মোবাইল ব্যাংকিং)
– **টাকা প্রদান সিস্টেম** (যেমন পেটিএম/বিকাশ)### ৪. **নির্ধারিত পাসপোর্ট অফিসে গমন**
ফি পরিশোধ এবং আবেদন জমা দেওয়ার পর আপনাকে নির্ধারিত পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করতে হবে। সাধারণত ঢাকার পাসপোর্ট অফিস (পূর্বপাশের ধানমন্ডি) বা আপনার নিকটস্থ জেলা অফিসে যেতে হবে।
– **এখানে আপনাকে আপনার ছবি, এনআইডি এবং অন্যান্য ডকুমেন্টস যাচাই করা হবে।**
– **ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন** সম্পন্ন হবে।### ৫. **পাসপোর্ট সংগ্রহ**
প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর আপনাকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে। পাসপোর্ট সাধারণত ৭-১০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রস্তুত হয়ে যায়, তবে জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত পাসপোর্টও পাওয়া যেতে পারে (যদি যথাযথ প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়)।### ৬. **জরুরি পাসপোর্ট**
যদি কোনো জরুরি ভিত্তিতে পাসপোর্ট প্রয়োজন হয় (যেমন বিদেশ যাত্রার জন্য হঠাৎ প্রয়োজন), তাহলে **জরুরি পাসপোর্ট** আবেদন করা যেতে পারে। এর জন্য আপনাকে সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিসে যেয়ে অতিরিক্ত ফি প্রদান করতে হবে।### পাসপোর্টের ধরণ
১. **মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট** (MRP): সাধারণ পাসপোর্ট।
২. **ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট** (e-passport): আধুনিক নিরাপত্তা ফিচারসহ পাসপোর্ট।### ৭. **পাসপোর্টের সময়সীমা**
– সাধারণত পাসপোর্টের মেয়াদ **৫ বছর** থাকে, তবে পরবর্তীতে সেটি **১০ বছর** মেয়াদী হতে পারে।এভাবে পাসপোর্ট আবেদন ও সংগ্রহের পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
সংক্ষেপে দেখুন



বিস্তারিত কিছু লিখলে ভালো হতো। আমার মোবাইলে এত এম্বি নাই। তাই ইউটিউব ভিডিও রান করতে পারছি না।
বিস্তারিত কিছু লিখলে ভালো হতো। আমার মোবাইলে এত এম্বি নাই। তাই ইউটিউব ভিডিও রান করতে পারছি না।
সংক্ষেপে দেখুন