আপডেট: ০২ মে, ২০২৬ | বিভাগ: প্রাইভেট সেক্টর জব সার্কুলার বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী যমুনা গ্রুপ (Jamuna Group) সম্প্রতি তাদের অন্যতম সহযোগী প্রতিষ্ঠান যমুনা ইলেকট্রনিক্স এন্ড অটোমোবাইলস লিমিটেড-এর জন্য একটি উচ্চপদস্থ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এই বিজ্ঞপ্তিতে “জেনারেল ম্যানেজার – অডিট” ...
তাফসীরুল কুরআনিল আযীম বা তাফসীরে ইবনে কাসীর ইসলামী বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য তাফসীরগ্রন্থ। এর রচয়িতা বিশ্ববিখ্যাত মুহাদ্দিস ও মুফাসসির ইমাম আবুল ফিদা ইসমাইল ইবনে কাসীর। যুগের পর যুগ আলিম-উলামা, গবেষক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহ এ গ্রন্থকে নির্ভরযোগ্য রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করে আসছেনবিস্তারিত পড়ুন
তাফসীরুল কুরআনিল আযীম বা তাফসীরে ইবনে কাসীর ইসলামী বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য তাফসীরগ্রন্থ। এর রচয়িতা বিশ্ববিখ্যাত মুহাদ্দিস ও মুফাসসির ইমাম আবুল ফিদা ইসমাইল ইবনে কাসীর। যুগের পর যুগ আলিম-উলামা, গবেষক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহ এ গ্রন্থকে নির্ভরযোগ্য রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করে আসছেন। আল্লামা সুয়ূতী (রহ.) এ তাফসীরের প্রশংসা করে বলেছেন, এ ধরনের তাফসীর আর কেউ রচনা করতে পারেননি। এ কারণেই তাফসীরে ইবনে কাসীরকে অনেকেই “উম্মুত তাফসীর” বলে অভিহিত করেন।
রিওয়ায়াতভিত্তিক এই তাফসীরে কুরআনের ব্যাখ্যা প্রথমে কুরআনের মাধ্যমেই করা হয়েছে, এরপর হাদীস, সাহাবীদের আসার এবং তাবেয়ীদের বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়েছে। হাদীসের মান ও গ্রহণযোগ্যতা উল্লেখ করার পাশাপাশি বিভিন্ন ফিকহি মাসআলাও এতে আলোচনা করা হয়েছে। মূল আরবি গ্রন্থটি চার খণ্ডে রচিত, যা ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ কর্তৃক বাংলায় অনূদিত হয়েছে। কুরআনের সঠিক মর্মবাণী ও শিক্ষা অনুধাবনের ক্ষেত্রে তাফসীরে ইবনে কাসীর এক অনন্য ও অমূল্য অবদান।
আপনি যদি তাফসীর ইবনে কাসীর PDF (সকল খন্ড) পেতে চান লিংকে দেখুন এবং ডাউনলোড করুন ৷
সংক্ষেপে দেখুন
রাস্তায় মোটরসাইকেল বা ব্যক্তিগত গাড়ির মামলা ছাড়ানোর জন্য, প্রথমে আপনাকে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের কারণে দায়ের হওয়া মামলার কারণ ও বিস্তারিত জানতে হবে। এরপর, মামলার বিবরণ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও প্রমাণাদি সংগ্রহ করে, সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগের সাথে যোগাযোগ করে পরবর্তী কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। জবিস্তারিত পড়ুন
রাস্তায় মোটরসাইকেল বা ব্যক্তিগত গাড়ির মামলা ছাড়ানোর জন্য, প্রথমে আপনাকে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের কারণে দায়ের হওয়া মামলার কারণ ও বিস্তারিত জানতে হবে। এরপর, মামলার বিবরণ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও প্রমাণাদি সংগ্রহ করে, সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগের সাথে যোগাযোগ করে পরবর্তী কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। জরিমানা পরিশোধ করে অথবা আদালতের মাধ্যমে মামলার নিষ্পত্তি করে মামলা ছাড়াতে পারেন।
মামলা ছাড়ানোর জন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো নিতে পারেন:
মামলার কারণ ও বিবরণ জানা:
প্রথমে, যে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের কারণে মামলা হয়েছে, তার কারণ ও বিস্তারিত জানতে হবে।
সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগ অথবা আদালতের মাধ্যমে মামলার বিবরণ সংগ্রহ করুন।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ:
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও প্রমাণাদি সংগ্রহ করুন।যেমন: ড্রাইভিং লাইসেন্স, গাড়ির রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট, ফিটনেস সার্টিফিকেট, ট্যাক্স টোকেন, ইনস্যুরেন্স ইত্যাদি।যদি কোনো দুর্ঘটনার কারণে মামলা হয়ে থাকে, তবে দুর্ঘটনার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির বিবরণও সংগ্রহ করুন।
জরিমানা পরিশোধ:
যদি মামলার কারণ জরিমানাযোগ্য হয়ে থাকে, তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জরিমানা পরিশোধ করুন।
ট্রাফিক বিভাগের নির্দিষ্ট করা ব্যাংক অথবা অনলাইন পোর্টালে জরিমানা পরিশোধ করা যেতে পারে।
জরিমানা পরিশোধের রশিদ বা প্রমাণপত্র সংগ্রহ করে রাখুন।
আদালতের মাধ্যমে নিষ্পত্তি:
কিছু ক্ষেত্রে, মামলা নিষ্পত্তির জন্য আদালতের শরণাপন্ন হতে হতে পারে।
এক্ষেত্রে, একজন আইনজীবীর সহায়তা নিয়ে আদালতের কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।
আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, জরিমানা পরিশোধ বা অন্য কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হতে পারে।
ট্রাফিক বিভাগের সাথে যোগাযোগ:
মামলা সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে ট্রাফিক বিভাগের সাথে যোগাযোগ করে বিস্তারিত তথ্য জেনে নিন।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও প্রমাণাদি জমা দিয়ে মামলার পরবর্তী কার্যক্রম সম্পন্ন করুন।
প্রয়োজনে, ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে মামলার নিষ্পত্তির জন্য সহযোগিতা চাইতে পারেন।
আইন ও বিধি মেনে চলুন:
ভবিষ্যতে ট্রাফিক আইন ও বিধি মেনে চলুন, যাতে আর কোনো মামলার সম্মুখীন না হতে হয়।
হেলমেট পরিধান করা, সিগন্যাল মেনে চলা, দ্রুত গতিতে গাড়ি না চালানো ইত্যাদি বিষয়গুলো নিশ্চিত করুন।
মনে রাখবেন, ট্রাফিক আইন অমান্য করা একটি গুরুতর অপরাধ এবং এর জন্য জরিমানা ও শাস্তির বিধান রয়েছে। তাই, সবসময় ট্রাফিক আইন মেনে চলা উচিত।
সংক্ষেপে দেখুন