'জিরো ওয়াট' মানে হয় কোনও ওয়াটই নয়। তার মানে হল, কোন বিদ্যুৎ পুড়বেনা ('জিরো ওয়াট তো) অথচ হালকা আলো জ্বলবে।ব্যাপারটা কাঁঠালের আমসত্ত্ব বা সোনার পাথরবাটি মনে হচ্ছে না কি? কোন শক্তি খরচ হবে না, অথচ আলোর শক্তি পাওয়া যাবে।'কিছু না' থেকে 'কিছু' পাওয়া যাবে। এটা একদম অবৈজ্ঞানিক যুক্তি! তাহলে যুক্তিটা কি? প্যবিস্তারিত পড়ুন
‘জিরো ওয়াট’ মানে হয় কোনও ওয়াটই নয়। তার মানে হল, কোন বিদ্যুৎ পুড়বেনা (‘জিরো ওয়াট তো) অথচ হালকা আলো জ্বলবে।ব্যাপারটা কাঁঠালের আমসত্ত্ব বা সোনার পাথরবাটি মনে হচ্ছে না কি? কোন শক্তি খরচ হবে না, অথচ আলোর শক্তি পাওয়া যাবে।’কিছু না’ থেকে ‘কিছু’ পাওয়া যাবে। এটা একদম অবৈজ্ঞানিক যুক্তি!
তাহলে যুক্তিটা কি?

প্যাকেটগুলো লক্ষ্য করুন— কি লেখা আছে? দোকানদারেররা ‘নাইট ল্যাম্প’গুলোকে বলে (আমরাও বিশ্বাস করি), ‘জিরো ওয়াটের’ বাল্ব। তার মানে হল, কোন বিদ্যুৎ পুড়বেনা (‘জিরো ওয়াট তো) অথচ হালকা আলো জ্বলবে। কিন্তু বড় কোম্পানিগুলো( এখানে ছবিতে বর্ণিত ফিলিপস) এই ‘নাইট ল্যাম্প’গুলোকে ‘জিরো ওয়াট’ বলে দাবি করেনা। বাল্বের কার্টনে পরিষ্কার লিখে দেয় 15 W , মানে, একটি ‘জিরো ওয়াট’ বাল্ব, ঘন্টায় ১৫ ওয়াট বিদ্যুৎ পোড়ায়।
এইবারে একটু গভীরে যাওয়া যাক।এইরকম একটি ‘জিরো ওয়াটের’ বাল্ব কত ইউনিট (একক) বিদ্যুৎ খরচ করে? ধরে নেওয়া যাক, বাল্বটি প্রতিদিন ৬ ঘন্টা করে জ্বলে। তাহলে একটু অঙ্ক কষা দরকার, সহজ পাটিগণিত।
সময় : ৬ ঘন্টা;পাওয়ার : ১৫ ওয়াট (প্রতি ঘন্টায় ১৫ ওয়াট বিদ্যুৎ পোড়ায়।);প্রতিদিনের মোট বিদ্যুৎ খরচ (ছয় ঘন্টার হিসেবে) : ১৫ x ৬ = ৯০ ওয়াট-ঘন্টা (Watt-hour, সংক্ষেপে Wh)
বিদ্যুতের ইউনিট এক কিলো ওয়াট-ঘন্টা (kWh)। মানে এক ওয়াট-ঘন্টার হাজার গুণ।
তাহলে, প্রতিদিনের বিদ্যুৎ খরচা = ৯০ / ১০০০ = ০.০৯ কিলো ওয়াট-ঘন্টা (kilowatt-hour, kWh)
= ০.০৯ ইউনিট (এক ইউনিটও না)
মাসিক (৩০ দিন) বিদ্যুৎ খরচা = ৩০ x ০.০৯ =০.২৭ ইউনিট (তা-ও এক ইউনিট হলনা)
তাহলে দেখতে পাচ্ছি, এই বাল্বগুলো খুবই কম বিদ্যুৎ পোড়ায় কিন্তু আক্ষরিক অর্থে ‘০’ নয়, তাহলে বাল্ব কোম্পানিরা এগুলোকে ‘জিরো ওয়াট’ বলে কেন? এটা একটা বাণিজ্যিক চালাকি, যদিও এই চালাকিতে আপনি বিশেষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন না। বিদ্যুৎ পুড়ছে, আপনি ইলেকট্রিক বিল মেটাচ্ছেন, কিন্তু আপনি সেটা জানছেন না, ব্যস- এইটুকুই।
চালাকি কি আদৌ ধরা গেলো? না, এইটা বুঝতে একটু বাবরের আমলের একধরণের মিটারের দিকে তাকাতে হবে, তাহলেই যুক্তি আর বিজ্ঞানের গোঁজামিলটা ধরতে পারবেন। এজন্য দেখবেন, আজকাল ডিজিটাল মিটার বসানো হচ্ছে।
বাবরের আমলের মিটার কেমন ছিল মনে আছে? এখনো অনেক বাড়ীতেই আছে। দেখুন-

এই ধরনের মিটারের একটা টেকনিক্যাল নাম আছে, একে বলে ইলেকট্রোমেকানিকল টাইপ মিটার(Electromechanical Induction type)এইসব মিটারে, চাকাটা ৬০০ বার ঘুরলে তবে ডায়ালে এক ইউনিট (1 kWh) বিদ্যুৎ খরচা হয়েছে দেখাত।
এইবারে, এই প্রযুক্তিতে একটা ‘জিরো ওয়াটের’ বাল্ব, প্রতিদিন ৬ ঘন্টা জ্বললে যে বিদ্যুৎ খরচা হয় সেটা এইরকম পুরোনো মিটারে কত দেখাবে ? হিসেব করা যাক :
১ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচা = ১ পাক (৬০০ পাকে এক ইউনিট হয়।)
তাহলে, ০.২৭ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচা = ০.২৭ x ৬০০ = ১৬২ পাক
এদিকে মিটারের চাকা ৬০০ পাক না ঘুরলে, মিটারের ডায়াল ১ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচা দেখাবে না (কেমন করে দেখাবে? এক ইউনিট দেখাতে গেলে চাকাকে ৬০০ পাক খেতে হবে। এখানে চাকা পাক খেয়েছে ১৬২ টি)। মানেটা কী দাঁড়াল? মানেটা হল এই যে, একটা মিটারে একটিমাত্র ‘জিরো ওয়াটের’ বাল্ব যদি একমাসও জ্বলে, তাহলেও এনার্জি মিটার কোন ইউনিট দেখাবে না তাহলে ‘জিরো ওয়াটের বাল্ব’ই তো হল। যুক্তিতে হল, বিজ্ঞানে হলনা।
এই ফাঁকি রুখতেই এখন নতুন মিটারগুলো এইরকম আসছে-

এই ডিজিটাল মিটারগুলো, ৬৪০০ পালস্ হলে এক ইউনিট দেখায়। কম হলে কম ইউনিট (একমাত্র মিটার বন্ধ থাকলেই শূন্য দেখাবে)। তাহলে, একটা ‘জিরো ওয়াটের বাল্ব, একমাস, দিনে ৬ ঘন্টা করে জ্বললে ০.২৭ ইউনিট বিদ্যুৎ পোড়ায় (আমরা তো হিসেব করে দেখলাম)। পুরোনো মিটারগুলোতে তো এক ইউনিটও দেখাচ্ছে না। ডিজিটাল মিটারে কত দেখাবে ? ০.২৭ x ৬,৪০০ = ১,৭২৮ পালস্। মানে এক ইউনিটের এক চতুর্থাংশের একটু বেশি (শূন্য নয়)।
তাহলে গোটা ব্যাপারটা কি দাঁড়ালো? ডিজিটাল এনার্জি মিটারে পরীক্ষা করলে ‘জিরো ওয়াটের বাল্ব’ আর ‘জিরো ওয়াট’ রইলনা। ‘কিছু ওয়াট’ হোল।
একেই বলে চোরের ওপর বাটপারি!
মূলঃ কোরা
সংক্ষেপে দেখুন




হস্তমৈথুন ভাল না খারাপ কোন জিনিস যখন খুব বেশি করা হয়, সেটা অবশ্যই খারাপ। হস্তমৈথুনও তাই। চিকিৎসকদের মতে সপ্তাহে ১ থেকে ৩ বার হস্তমৈথুন মোটেও দোষের কিছু নয়। বরং এতে মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে। হস্তমৈথুন করতেই হবে এমন কোন কথা নেই, তবে সপ্তাহে ২/৩ বার করলে দোষের কিছুই নেই। তবে হ্যাঁ, কেউ যদি দৈনিক হস্তবিস্তারিত পড়ুন
হস্তমৈথুন ভাল না খারাপ
কোন জিনিস যখন খুব বেশি করা হয়, সেটা অবশ্যই খারাপ। হস্তমৈথুনও তাই। চিকিৎসকদের মতে সপ্তাহে ১ থেকে ৩ বার হস্তমৈথুন মোটেও দোষের কিছু নয়। বরং এতে মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে। হস্তমৈথুন করতেই হবে এমন কোন কথা নেই, তবে সপ্তাহে ২/৩ বার করলে দোষের কিছুই নেই।
তবে হ্যাঁ, কেউ যদি দৈনিক হস্তমৈথুন করেন, কিংবা দিনে একাধিকবার করতে থাকেন, বিষয়টি নিঃসন্দেহে তার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক।
হস্তমৈথুন করার অপকারিতা
বেশি বেশি হস্ত মৈথুন করলে বেশ কিছু সমস্যার মুখোমুখি হতে পারেন আপনি। জেনে নিন দৈনিক একাধিকবার হস্তমৈথুন করার অপকারিতা।
যেহেতু বীর্য তৈরি হয় অন্ডকোষে, তাই বেশি হস্তমৈথুনের ফলে, অণ্ডকোষে বীর্যরস তৈরিতে ব্যাঘাত ঘটতে পারে।
বাড়তি বীর্য তৈরির চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে পারে অণ্ডকোষ। ফলে অণ্ডথলিতে ব্যাথা হওয়া অস্বাভাবিক নয়।
অতিরিক্ত হস্তমৈথুনে মস্তিষ্কে বীর্য তৈরির হরমোনের ঘাটতিও দেখা দিতে পারে। সেক্ষেত্রে মস্তিষ্কের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে। ফলে মাথাব্যাথা সহ মস্তিষ্কের নানা সাময়িক ত্রুটি দেখা দিতে পারে।
ঘন ঘন হস্তমৈথুনে বীর্য পাতলা হয়ে যায় খুব স্বাভাবিকভাবেই। যদি ক্রমাগত ব্যাপারটা চালিয়ে যেতে থাকেন, স্বাস্থ্য সমস্যা তৈরি হবে।
তাছাড়া অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে যৌনাঙ্গে ব্যাথা ও আংশিক বিকৃতি ঘটতে পারে।
শরীর চড়া অবস্থায় হস্তমৈথুন করলে, প্রসাবে জালাপোড়া বেড়ে যায় খুব বেশিমাত্রায়। তাই হস্তমৈথুন নিয়ন্ত্রিত ও সতর্কতার সাথে করা উচিত।
খুব বেশি হস্তমৈথুনে স্বাস্থ্যের প্রতি প্রভাব পড়ে। বিশেষ করে উঠতি বয়সী তরুণদের বাড়ন্ত সময়ে অতিরিক্ত হস্তমৈথুন ভালো নয়।
হস্তমৈথুনে অভ্যস্ত অনেক পুরুষই পরবর্তী যৌন জীবনে সুখী হতে পারেন না। কারণ এই হস্তমৈথুন তাঁদের অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায় আর এটাতেই তাঁরা স্বস্তি বোধ করেন।
মনে রাখবেন, যৌন বিষয়ক কোনো সমস্যা যদি দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকে তখন অবহেলা না করে একজন যৌনরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া অবশ্যই উচিত।
হস্তমৈথুন একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, তবে একে অতিরিক্ত পর্যায়ে নেয়া মোটেও ভালো নয়। হ্যাঁ, এটা আপনার পুরুষত্ব নষ্ট হবে না ঠিকই, তবে নানা রকম শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।
তথ্যসূত্রঃ bdtimes365
সংক্ষেপে দেখুন