সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
মানুষ কখন ও কেন কথা বলতে শিখলো? কী বলেছিল প্রথমে?
https://www.bbc.com/bengali/news-48757640
https://www.bbc.com/bengali/news-48757640
সংক্ষেপে দেখুনতুরস্ক দেশের নাম পরিবর্তন করে তুর্কিয়ে কেন করা হয়েছে ?
তুরস্কের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জাতিসংঘ 'তুর্কিয়ে' নামটি গ্রহণ করেছে। এখন অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থাতেও একই ধরনের পরিবর্তন আনতে বলবে তুরস্ক। দেশটির প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইয়েপ এরদোয়ান গত বছর থেকে তুরস্ককে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেবার অংশ হিসেবে 'তুর্কিয়ে' রাখার প্রচারণা শুরুবিস্তারিত পড়ুন
তুরস্কের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জাতিসংঘ ‘তুর্কিয়ে‘ নামটি গ্রহণ করেছে। এখন অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থাতেও একই ধরনের পরিবর্তন আনতে বলবে তুরস্ক। দেশটির প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইয়েপ এরদোয়ান গত বছর থেকে তুরস্ককে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেবার অংশ হিসেবে ‘তুর্কিয়ে‘ রাখার প্রচারণা শুরু করেন।
সংক্ষেপে দেখুনখ্রিস্টান ধর্ম কখন এবং কেন খতনা প্রথা ত্যাগ করেছে?
https://www.bbc.com/bengali/articles/cldgxx2wv3vo
https://www.bbc.com/bengali/articles/cldgxx2wv3vo
সংক্ষেপে দেখুনবাংলা ভাষায় এত ফারসি শব্দ কীভাবে এলো?
মনজুর। তার মতে, বাংলা ভাষায় ফারসি শব্দ বেশি ঢুকেছে মধ্যযুগের শেষদিকে, অর্থাৎ ১৭শ থেকে ১৮শ সালের দিকে। সেসময় পলাশীর যুদ্ধ এবং সিপাহী বিদ্রোহে হেরে যাবার পর রাজনীতিতে ক্ষমতা হারায় মুসলমানরা। “মুসলমান প্রধান এই অঞ্চলের মানুষ চেয়েছে তার ভাষা দিয়ে স্বকীয়তা, জাতিবোধ ও স্বাজত্যবোধ প্রকাশ করার জন্য।
মনজুর। তার মতে, বাংলা ভাষায় ফারসি শব্দ বেশি ঢুকেছে মধ্যযুগের শেষদিকে, অর্থাৎ ১৭শ থেকে ১৮শ সালের দিকে। সেসময় পলাশীর যুদ্ধ এবং সিপাহী বিদ্রোহে হেরে যাবার পর রাজনীতিতে ক্ষমতা হারায় মুসলমানরা। “মুসলমান প্রধান এই অঞ্চলের মানুষ চেয়েছে তার ভাষা দিয়ে স্বকীয়তা, জাতিবোধ ও স্বাজত্যবোধ প্রকাশ করার জন্য।
সংক্ষেপে দেখুনআরব বিশ্বের বাইরে কোন দেশে সবচেয়ে বেশি ফিলিস্তিনি বসবাস করে ?
গাজা বা পশ্চিম তীর থেকে দূরত্ব ১৩ হাজার কিলোমিটারের বেশি হবে। কিন্তু আরব বিশ্বের বাইরে যে দেশটিতে সর্বোচ্চ সংখ্যক ফিলিস্তিনি থাকেন সেটি হল দক্ষিণ আমেরিকার দেশ চিলি - যেখানে প্রায় পাঁচ লাখের মতো ফিলিস্তিনি বসবাস করেন।
গাজা বা পশ্চিম তীর থেকে দূরত্ব ১৩ হাজার কিলোমিটারের বেশি হবে। কিন্তু আরব বিশ্বের বাইরে যে দেশটিতে সর্বোচ্চ সংখ্যক ফিলিস্তিনি থাকেন সেটি হল দক্ষিণ আমেরিকার দেশ চিলি – যেখানে প্রায় পাঁচ লাখের মতো ফিলিস্তিনি বসবাস করেন।
সংক্ষেপে দেখুনজানেন কি যে বছরটাকে ১০০ দিয়ে ভাগ করা যায় কিন্তু আবার ৪০০ দিয়ে করা যায় না, সেটা লিপ ইয়ার নয়। রহস্য কি ?
যেই বছরটাকে ১০০ দিয়ে ভাগ করা যায় কিন্তু আবার ৪০০ দিয়ে করা যায় না, সেটা লিপ ইয়ার নয়। সে কারণেই গ্রেগরিয়ান পঞ্জিকাবর্ষ অনুযায়ী আমরা ২০০০ সালে লিপ ইয়ার পেয়েছি, ১৬০০ সালে লিপ ইয়ার ছিল, কিন্তু আবার ১৭০০, ১৮০০ ও ১৯০০ লিপ ইয়ার নয়।
যেই বছরটাকে ১০০ দিয়ে ভাগ করা যায় কিন্তু আবার ৪০০ দিয়ে করা যায় না, সেটা লিপ ইয়ার নয়। সে কারণেই গ্রেগরিয়ান পঞ্জিকাবর্ষ অনুযায়ী আমরা ২০০০ সালে লিপ ইয়ার পেয়েছি, ১৬০০ সালে লিপ ইয়ার ছিল, কিন্তু আবার ১৭০০, ১৮০০ ও ১৯০০ লিপ ইয়ার নয়।
সংক্ষেপে দেখুন৩০শে ফেব্রুয়ারি – যে দিনটি ইতিহাসে মাত্র একবারই এসেছিল কবে?
২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি অবশ্যই বিশেষ একটি দিন। তবে অবাক করা বিষয় হলো, ইতিহাসে একবার '৩০ ফেব্রুয়ারি' এসেছিল। বিবিসি বাংলার খবরে বলা হয়, সুইডেন একটি ডাবল লিপ ইয়ারের অংশ হিসেবে ১৭১২ সালের ক্যালেন্ডারে '৩০ ফেব্রুয়ারি' দিনটি যুক্ত করা হয়েছিল।
২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি অবশ্যই বিশেষ একটি দিন। তবে অবাক করা বিষয় হলো, ইতিহাসে একবার ‘৩০ ফেব্রুয়ারি‘ এসেছিল। বিবিসি বাংলার খবরে বলা হয়, সুইডেন একটি ডাবল লিপ ইয়ারের অংশ হিসেবে ১৭১২ সালের ক্যালেন্ডারে ‘৩০ ফেব্রুয়ারি‘ দিনটি যুক্ত করা হয়েছিল।
সংক্ষেপে দেখুনইতালিতে কমলা দিয়ে লড়াইয়ের উৎসবের ইতিহাস কি ?
ইতালিয় ভাষায় বলা হয় Carnevale di Ivrea। এই উৎসবে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন দলে সংঘটিত হয়ে পরস্পরের প্রতি কমলা নিক্ষেপ করে। এটি ইতালির সর্ববৃহৎ প্রতীকী `খাদ্য যুদ্ধ' বা `ফুড ফাইট', যা শাসকের স্বেচ্ছাচারিতার বিরূদ্ধে সাধারণ মানুষের প্রতিবাদের প্রতীক।
ইতালিয় ভাষায় বলা হয় Carnevale di Ivrea। এই উৎসবে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন দলে সংঘটিত হয়ে পরস্পরের প্রতি কমলা নিক্ষেপ করে। এটি ইতালির সর্ববৃহৎ প্রতীকী `খাদ্য যুদ্ধ’ বা `ফুড ফাইট’, যা শাসকের স্বেচ্ছাচারিতার বিরূদ্ধে সাধারণ মানুষের প্রতিবাদের প্রতীক।
সংক্ষেপে দেখুনপারিসের নটরডেম ক্যাথেড্রাল তৈরিতে কত বছর সময় লেগেছিল ?
পারিসের নটরডেম ক্যাথেড্রাল তৈরিতে সময় লেগেছিল ২০০ বছরেরও বেশি।
পারিসের নটরডেম ক্যাথেড্রাল তৈরিতে সময় লেগেছিল ২০০ বছরেরও বেশি।
সংক্ষেপে দেখুনকবে থেকে বাংলা ভাষায় ফারসি শব্দের আধিপত্য শুরু হয় ?
কথ্য ভাষায় ফারসি শব্দের ব্যবহারকে অনেক বেশি মনস্তাত্ত্বিক বলে মনে করেন ড. মনজুর। তার মতে, বাংলা ভাষায় ফারসি শব্দ বেশি ঢুকেছে মধ্যযুগের শেষদিকে, অর্থাৎ ১৭শ থেকে ১৮শ সালের দিকে।
কথ্য ভাষায় ফারসি শব্দের ব্যবহারকে অনেক বেশি মনস্তাত্ত্বিক বলে মনে করেন ড. মনজুর। তার মতে, বাংলা ভাষায় ফারসি শব্দ বেশি ঢুকেছে মধ্যযুগের শেষদিকে, অর্থাৎ ১৭শ থেকে ১৮শ সালের দিকে।
সংক্ষেপে দেখুনকীভাবে হয় লিপ ইয়ার ? এর ইতিহাস কী, ফেব্রুয়ারিতেই কেন লিপ ইয়ার?
লিপ ইয়ার বা অধিবর্ষ, মানে যে বছরে থাকে একটা অতিরিক্ত দিন। কিন্তু পুরোপুরি জ্যোর্তিবিজ্ঞানের কারণেই ২৯ ফেব্রুয়ারি ‘লিপ ডে’ হলেও, এ নিয়ে বৈজ্ঞানিক আগ্রহ বেশ কমই দেখা যায়। কীভাবে হয় লিপ ইয়ার, এর ইতিহাস কী, আর ফেব্রুয়ারিতেই কেন? এই একটি দিন ঘিরে আছে এমন নানা প্রশ্ন। সে সবের উত্তর খোঁজা যাক- ১. লিপ ইয়বিস্তারিত পড়ুন
লিপ ইয়ার বা অধিবর্ষ, মানে যে বছরে থাকে একটা অতিরিক্ত দিন। কিন্তু পুরোপুরি জ্যোর্তিবিজ্ঞানের কারণেই ২৯ ফেব্রুয়ারি ‘লিপ ডে’ হলেও, এ নিয়ে বৈজ্ঞানিক আগ্রহ বেশ কমই দেখা যায়।
কীভাবে হয় লিপ ইয়ার, এর ইতিহাস কী, আর ফেব্রুয়ারিতেই কেন? এই একটি দিন ঘিরে আছে এমন নানা প্রশ্ন। সে সবের উত্তর খোঁজা যাক-
১. লিপ ইয়ারের অতিরিক্ত দিনটা জরুরি আমাদের সৌরজগতের ‘বিশৃঙ্খল’ অবস্থার জন্যই। কারণ এক বছরে পৃথিবী সূর্যের চারপাশে একটা সম্পূর্ণ কক্ষপথ ঘুরে আসতে কিন্তু ঠিক পুরোপুরি ৩৬৫ দিন লাগে না। বরং সব মিলে সময়টা ৩৬৫.২৪২২ দিনের মতো। ফলে প্রতি বছর আসলে এক দিনের চার ভাগের প্রায় এক ভাগ সময় যোগ হয়। যা প্রতি চার বছরে একটা বাড়তি দিন যোগ করে।
২. জুলিয়াস সিজার রোমের ক্ষমতায় আসার আগে পর্যন্ত ৩৫৫ দিনে বছর, এমন ক্যালেন্ডারই সবাই মেনে চলত – যেখানে প্রতি ২ বছর পরপর একটা অতিরিক্ত ২২ দিনের মাস যুক্ত হতো। কিন্তু এটা আসলে সমস্যার একটা জটিল সমাধান ছিল এবং উৎসবের দিনগুলো ভিন্ন ভিন্ন ঋতুতে যেতে শুরু করে। তাই সিজার তার জ্যোতির্বিজ্ঞানী সোসিজেনেসকে বিষয়টি সহজ করার নির্দেশ দেন।
সোসিজেনেস তখন ৩৬৫ দিনে বছর করে যে অতিরিক্ত ৬ ঘণ্টার মতো থেকে যায় সেটা মিলিয়ে নিতে ৪ বছর পরপর একটা অতিরিক্ত দিন ক্যালেন্ডারে যুক্ত করেন। আর এভাবেই ২৯শে ফেব্রুয়ারির জন্ম। যা পরবর্তীতে পোপ ত্রয়োদশ গ্রেগরি সূক্ষ্ম পরিমার্জন করেন।
৩. আঙুলের হিসেবে প্রতি ৪ বছর পরপর আসে লিপ ইয়ার বা অধিবর্ষ। কিন্তু কথা এখানেই শেষ না। যেই বছরটাকে ১০০ দিয়ে ভাগ করা যায় কিন্তু আবার ৪০০ দিয়ে করা যায় না, সেটা লিপ ইয়ার নয়। সে কারণেই গ্রেগরিয়ান পঞ্জিকাবর্ষ অনুযায়ী আমরা ২০০০ সালে লিপ ইয়ার পেয়েছি, ১৬০০ সালে লিপ ইয়ার ছিল, কিন্তু আবার ১৭০০, ১৮০০ ও ১৯০০ লিপ ইয়ার নয়।
৪. ফেব্রুয়ারির ২৯ই কেন? অন্য সব মাসেই আছে ৩০ বা ৩১ দিন করে, কিন্তু ইয়ান স্টুয়ার্ট জানাচ্ছেন রোমান সম্রাট সিজার অগাস্টাসের ব্যক্তিগত ইচ্ছের কাছে বলি হয়েছে ফেব্রুয়ারি।
জুলিয়াস সিজারের অধীনে কিন্তু ফেব্রুয়ারি ৩০ দিনের মাস ছিল। কিন্তু সিজার অগাস্টাস যখন সম্রাট হন, তখন তিনি তার নিজের নামাঙ্কিত মাস আগস্ট ২৯ দিনের হওয়ায় খানিকটা বিরক্ত হন। কারণ তার আগের সম্রাট জুলিয়াসের নামাঙ্কিত মাস – জুলাই – ছিল ৩১ দিনের।
৫. লিপ ইয়ারের রাজধানী বলে স্বীকৃত টেক্সাসের অ্যান্থনি শহর। ১৯৮৮ সালে এই শহরের বাসিন্দা ও লিপ ইয়ারে জন্ম নেয়া ম্যারি অ্যান ব্রাউন চেম্বার অফ কমার্সের কাছে যান শহরে একটা লিপ ইয়ার উৎসবের আবেদন নিয়ে। তার সেই আবেদন গ্রহণ করা হয় এবং অ্যান্থনিকে ঘোষণা দেয়া হয় বিশ্বের লিপ ইয়ার রাজধানী হিসেবে। তার পর থেকে প্রতি বছর সারা বিশ্বের লিপাররা টেক্সাসের এই শহরে জড়ো হয়ে প্যারেডে অংশ নেন, একসাথে বার্থডে ডিনার, নাচানাচি এবং হট এয়ার বেলুনে চড়েন সবাই।
সংক্ষেপে দেখুনবাংলায় সবচেয়ে বেশি বিদেশি শব্দ কোনটি?
'বাংলায় সবচেয়ে বেশি বিদেশি শব্দ ফারসির'ভাষাবিদ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ তার 'বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত' বইতে প্রথমবারের মতো দাবি করেন যে বাংলায় সবচেয়ে বেশি আছে ফারসি ভাষার শব্দ।
‘বাংলায় সবচেয়ে বেশি বিদেশি শব্দ ফারসির’ভাষাবিদ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ তার ‘বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত’ বইতে প্রথমবারের মতো দাবি করেন যে বাংলায় সবচেয়ে বেশি আছে ফারসি ভাষার শব্দ।
সংক্ষেপে দেখুনসুপারম্যান বা স্পাইডারম্যান- কীভাবে এলো এই সুপার হিরোরা?
সুপার পাওয়ার বা অতি মানবীয় শক্তি অর্জনের স্বপ্ন কি কেউ দেখেনি? আসলে এমন ইচ্ছা মানুষের একেবারে শুরু থেকেই রয়ে গেছে। সুপারহিরো বলতে সবাই হয়তো সুপারম্যান, স্পাইডারম্যান বা ওয়ান্ডারওম্যানের মত জনপ্রিয়, পরিচিত চরিত্রদেরই বোঝেন। কিন্তু হাজার বছর আগে গ্রীক, রোমান ও নরওয়েজিয়ান মানুষেরা তাদের নিজস্ববিস্তারিত পড়ুন
সুপার পাওয়ার বা অতি মানবীয় শক্তি অর্জনের স্বপ্ন কি কেউ দেখেনি? আসলে এমন ইচ্ছা মানুষের একেবারে শুরু থেকেই রয়ে গেছে।
সুপারহিরো বলতে সবাই হয়তো সুপারম্যান, স্পাইডারম্যান বা ওয়ান্ডারওম্যানের মত জনপ্রিয়, পরিচিত চরিত্রদেরই বোঝেন।
কিন্তু হাজার বছর আগে গ্রীক, রোমান ও নরওয়েজিয়ান মানুষেরা তাদের নিজস্ব সুপারহিরোদের তৈরি করেছিল অতিমানবীয় শক্তি দিয়ে।
এই পৌরাণিক মহাশক্তিধরদের এখনকার মার্ভেল এবং ডিসি ফুটিয়ে তুলেছে মানুষের সামনে
সংক্ষেপে দেখুনলিপ ইয়ার কেন আসে?
কারণ এক বছরে পৃথিবী সূর্যের চারপাশে একটা সম্পূর্ণ কক্ষপথ ঘুরে আসতে কিন্তু ঠিক পুরোপুরি ৩৬৫ দিন লাগে না। বরং সব মিলে সময়টা ৩৬৫.২৪২২ দিনের মতো। ফলে প্রতি বছর আসলে এক দিনের চার ভাগের প্রায় এক ভাগ সময় যোগ হয়। যা প্রতি চার বছরে একটা বাড়তি দিন যোগ করে।
কারণ এক বছরে পৃথিবী সূর্যের চারপাশে একটা সম্পূর্ণ কক্ষপথ ঘুরে আসতে কিন্তু ঠিক পুরোপুরি ৩৬৫ দিন লাগে না। বরং সব মিলে সময়টা ৩৬৫.২৪২২ দিনের মতো। ফলে প্রতি বছর আসলে এক দিনের চার ভাগের প্রায় এক ভাগ সময় যোগ হয়। যা প্রতি চার বছরে একটা বাড়তি দিন যোগ করে।
সংক্ষেপে দেখুনবাংলাদেশের প্রথম পতাকা তৈরি করেন কে?
শিবনারায়ণ দাস বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার অন্যতম এবং মূল নকশাকার। তিনি একজন ছাত্রনেতা ও স্বভাব আঁকিয়ে ছিলেন। ১৯৭০ সালের ৬ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকবাল হলের (বর্তমান শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল) ১১৬ নং কক্ষে রাত এগারটার পর পুরো পতাকার নকশা সম্পন্ন করেন।
শিবনারায়ণ দাস বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার অন্যতম এবং মূল নকশাকার। তিনি একজন ছাত্রনেতা ও স্বভাব আঁকিয়ে ছিলেন। ১৯৭০ সালের ৬ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকবাল হলের (বর্তমান শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল) ১১৬ নং কক্ষে রাত এগারটার পর পুরো পতাকার নকশা সম্পন্ন করেন।
সংক্ষেপে দেখুন৭ মার্চের পূর্ণাঙ্গ ভাষণ লিখিত রচনা pdf download
৭ মার্চের পূর্ণাঙ্গ ভাষণের লিখিত রূপ ভায়েরা আমার- এসেছিলেন, আলোচনা করলেন। বলে গেলেন যে, আলোচনার দরজা বন্ধ না, আরো আলোচনা হবে। তারপরে পশ্চিম পাকিস্তানের জামায়েত ইসলামীর নেতা নুরানি সাহেবের সঙ্গে আলাপ হল, মুফতি মাহমুদ সাহেবের সঙ্গে আলাপ হল, তারপরে অন্যান্য নেতৃবৃন্দ তাদের সঙ্গে আলাপ করলাম- আসুন বসি, জবিস্তারিত পড়ুন
৭ মার্চের পূর্ণাঙ্গ ভাষণের লিখিত রূপ
ভায়েরা আমার-
এসেছিলেন, আলোচনা করলেন। বলে গেলেন যে, আলোচনার দরজা বন্ধ না, আরো আলোচনা হবে। তারপরে পশ্চিম পাকিস্তানের জামায়েত ইসলামীর নেতা নুরানি সাহেবের সঙ্গে আলাপ হল, মুফতি মাহমুদ সাহেবের সঙ্গে আলাপ হল, তারপরে অন্যান্য নেতৃবৃন্দ তাদের সঙ্গে আলাপ করলাম- আসুন বসি, জনগণ আমাকে ভোট দিয়েছে ৬ দফা ১১ দফার মাধ্যমে শাসনতন্ত্র করতে, একে পরিবর্তন-পরিবর্ধন করার ক্ষমতা আমার নাই। আপনারা আসুন, বসুন, আমরা আলাপ করে শাসনতন্ত্র তৈয়ার করি। তিনি বললেন, পশ্চিম পাকিস্তানের মেম্বাররা যদি এখানে আসে তাহলে আমাদের, আমাদের উপরে তিনি দোষ দিলেন এখানে আসলে কসাইখানা হবে অ্যাসেম্বলি। তিনি বললেন, আমি ডাবল হোস্টেজ হতে চাই না। তিনি বললেন, যে যাবে তাকে মেরে ফেলে দেওয়া হবে, যদি কেউ অ্যাসেম্বলিতে আসে তাহলে পেশোয়ার থেকে করাচি পর্যন্ত দোকান জোর করে বন্ধ করা হবে। তারপরেও যদি কেউ আসে তাকে ছান-নাছার করা হবে। আমি বললাম, অ্যাসেম্বলি চলবে। তারপরে হঠাৎ ১ তারিখে অ্যাসেম্বলি বন্ধ করে দেওয়া হল।
ইয়াহিয়া খান প্রেসিডেন্ট হিসাবে অ্যাসেম্বলি ডেকেছিলেন। আমি বললাম যে, আমি যাবো। ভুট্টো সাহেব বললেন, তিনি যাবেন না। ৩৫ জন সদস্য পশ্চিম পাকিস্তান থেকে এখানে আসলেন। তারপরে হঠাত্ বন্ধ করে দেওয়া হল, দোষ দেওয়া হল বাংলার মানুষকে, দোষ দেওয়া হল আমাকে যে, “আমার অনমনীয় মনোভাবের জন্য তিনি তা করতে পারলেন না।” তারপরে বন্ধ করে দেওয়ার পরে এ দেশের মানুষ প্রতিবাদমুখর হয়ে উঠল।
আমি বললাম, শান্তিপূর্ণভাবে আপনারা হরতাল পালন করেন। আমি বললাম, আপনারা কল-কারখানা সবকিছু বন্ধ করে দ্যান। জনগণ সাড়া দিল। আপন ইচ্ছায় জনগণ রাস্তায় বেরিয়ে পড়ল, তারা শান্তিপূর্ণভাবে সংগ্রাম চালিয়ে যাবার জন্য স্থির প্রতিজ্ঞবদ্ধ হল। কী পেলাম আমরা? আমাদের যাদের অস্ত্র নাই আমাদের হাতে। যা- আমার পয়সা দিয়ে অস্ত্র কিনেছি বহিঃশত্রুর আক্রমণ থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য, আজ সেই অস্ত্র ব্যবহার হচ্ছে আমার দেশের গরিব-দুঃখী নিরস্ত্র মানুষের বিরুদ্ধে- তার বুকের উপরে হচ্ছে গুলি। আমরা পাকিস্তানের সংখ্যাগুরু, আমরা পাকিস্তানের সংখ্যাগুরু- আমরা বাঙালিরা যখনই ক্ষমতায় যাবার চেষ্টা করেছি, যখনই এ দেশের মালিক হবার চেষ্টা করেছি তখনই তারা আমাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। তারা আমাদের ভাই, আমি বলেছি তাদের কাছে এ কথা যে, আপনারা কেন আপনার ভায়ের বুকে গুলি মারবেন? আপনাদের রাখা হয়েছে যদি বহিঃশত্রু আক্রমণ করে তা থেকে দেশটাকে রক্ষা করার জন্য।
তারপরে তিনি বললেন, যে আমার নামে বলেছেন, আমি নাকি বলে স্বীকার করেছি যে ১০ই তারিখে রাউন্ড-টেবল কনফারেন্স হবে। আমি তাকে এ কথা বলে দিবার চাই, আমি তাকে তা বলি নাই, টেলিফোনে আমার সঙ্গে তাঁর কথা হয়। তাঁকে আমি বলেছিলাম, “জনাব ইয়াহিয়া খান সাহেব, আপনি পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট, দেখে যান ঢাকায় আসেন কীভাবে আমার গরিবের উপরে, আমার বাংলার মানুষের বুকের উপর গুলি করা হয়েছে। কী করে আমার মায়ের কোল খালি করা হয়েছে, কী করে মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, আপনি আসুন, দেখুন, বিচার করুন। তারপরে আপনি ঠিক করুন” আমি এই কথা বলেছিলাম।
তিনি বললেন আমি নাকি তাকে, তিনি নাকি খবর পেয়েছিলেন নাকি আমি তাকে আরটিসিতে বসব। আমি তো অনেক আগেই বলে দিয়েছি কীসের আরটিসি, কার আরটিসি, কার সঙ্গে বসব? যারা আমার মানুষের বুকের রক্ত নিয়েছে, তাদের সঙ্গে বসব? আপনি আসুন, দেখুন জাতীয় পরিষদের জন্য আমার যারা রক্ত দিয়েছে সত্য কথা কিন্তু তা কি আপনারা দেখেছেন? তারপরে তিনি আজকে, আজকে আমার দেশ অ্যাসেম্বলির- আহা বসেন আপনারা, সিট ডাউন। অ্যাসেম্বলির তিনি ২৫ তারিখে অ্যাসেম্বলি, এরপরে আপনারা জানেন আমি গেলাম, আমি গেলাম পল্টন ময়দানে, আমি বললাম সবকিছু বন্ধ। সরকারি অফিস বন্ধ, আহা ভাইরা আপনার স্টপ প্লিজ। আমি বললাম, আমার কথা সকলে মানল, সকলে আমাকে বলল এবং আপনারা আমাকে যে সে নেতৃত্ব দিয়েছেন। আপনারা, আমি বললাম কোনো সরকারি অফিস চলবে না, কোনো কিছু চলবে না। আমি কিছু কিছু জনগণের কষ্ট হয় সেটা স্লাক করলাম। যে এই এই জিনিস চলবে, ঠিক সেভাবে চলল। হঠাত্ আমার সঙ্গে পরামর্শ না করে বা আমাদের সঙ্গে আলোচনা না করে, পাঁচ ঘণ্টা গোপনে বৈঠক করে যে বক্তৃতা তিনি করেছেন এবং যে বক্তৃতা করে অ্যাসেম্বলি করেছেন- সমস্ত দোষ তিনি আমার উপরে দিয়েছেন, বাংলার মানুষের উপরে দিয়েছেন। আমরা গুলি খাই, দোষ আমাদের। তিনি বাধা দিলেন যে আসতে পারবা না, গোলমাল হল না পশ্চিম পাকিস্তানে, গুলি করে মারা হল আমার বাংলার মানুষকে। আমি পরিষ্কার মিটিংয়ে বলেছি, “এবারের সংগ্রাম আমার মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।”
হিন্দু-মুসলমান, বাঙালি, নন-বাঙালি যারা আছে তারা আমাদের ভাই। তাদের রক্ষার দায়িত্ব আপনাদের উপরে, আমাদের যেন বদনাম না হয়। মনে রাখবেন, দ্বিতীয় কথা হল এই যে, যদি আবার কোনো রকমের কোনো আঘাত আসে, আমি যদি হুকুম দেওয়ার না পারি, আমার সহকর্মীরা হুকুম দেওয়ার না পারে, মনে রাখবেন আরেকটা কথা অনুরোধ করছি রেলওয়ে চলবে সত্য কথা। কিন্তু সামরিক বাহিনীর লোকদের কোনো জায়গা থেকে, এক জাগা আরেক জাগা নেবার চেষ্টা করবেন না। তাহলে দুর্ঘটনা ঘটলে আমি দায়ী হব না। প্রোগ্রামটা বলছি আমি, শোনেন, রেডিও, টেলিভিশন, নিউজ পেপার। মনে রাখবেন রেডিও-টেলিভিশনের কর্মচারীরা যদি রেডিওতে আমাদের কথা না শোনে তাহলে কোনো বাঙালি রেডিও স্টেশনে যাবেন না। যদি টেলিভিশন আমাদের নিউজ না দেয়, কোনো বাঙালি টেলিভিশনে যাবেন না। রেডিও যদি আমাদের নিউজ না দেওয়ার দেয় কোনো বাঙালি রেডিও স্টেশনে যাবেন না। টেলিভিশনে যদি আমাদের নিউজ না দেওয়া হয়, কোনো বাঙালি টেলিভিশন অফিসে যাবেন না। ২ ঘণ্টার মতো ব্যাক খোলা থাকবে, যাতে মানুষ তাদের মাইনা-পত্র নিবার পারে। কিন্তু পূর্ববাংলা থেকে পশ্চিম পাকিস্তানে এক পয়সাও চালান হতে পারবে না। টেলিফোন, টেলিগ্রাম আমাদের এই পূর্ব বাংলায় চলবে এবং বিদেশের সঙ্গে নিউজ পাঠাতে হলে আপনারা চালাবেন। কিন্তু যদি এই দেশের মানুষকে খতম করার চেষ্টা করা হয়, বাঙালিরা বুঝে-শুনে কাজ করবেন। আমার কিছু বলার থাকবে না, দরকার হয় চাকা বন্ধ করে দেওয়া হবে।
ভায়েরা আমার-
আমার কাছে, এখনই শুনলাম আমার এই বক্তৃতা রিলে করা বন্ধ করে দিয়েছে। আমি আপনারা আমার প্লেয়ার চালায়ে দেন, কারো হুকুম মানতে পারবেন না। তবে আমি অনুরোধ করছি আপনারা আমাদের ভাই, আপনারা দেশকে একেবারে জাহান্নামে ধ্বংস করে দিয়েন না। জীবনে আর কোনো দিন আপনাদের মুখ দেখাদেখি হবে না। যদি আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের ফায়সালা করতে পারি তাহলে অন্ততপক্ষে ভাই, ভাই হিসাবে বাস করার সম্ভাবনা আছে। সেইজন্য আপনাদের অনুরোধ করছি, আমার এই দেশে আপনারা মিলিটারি শাসন চালাবার চেষ্টা আর করবেন না। দ্বিতীয় কথা প্রত্যেক গ্রামে, প্রত্যেক মহল্লায়, প্রত্যেক ইউনিয়নে, প্রত্যেক সাব-ডিবি-সনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোলো। এবং তোমাদের যা কিছু আছে, তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকো। মনে রাখবা, রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দেব। এই দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব ইনশাআল্লাহ্। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।
ভায়েরা আমার-
যেভাবে আপনাদের, আপনারা ঠাণ্ডা হবেন না, ঠাণ্ডা হয়ে গেলে জালেম আত্মা আরম্ভ করবে আক্রমণ করতে। আপনারা হুঁশিয়ার থাকবেন এবং প্রস্তুত থাকবেন। পজিশন চলবে, কিন্তু মনে রাখবেন, ডিসিপ্লিন সোলজার ছাড়া, ডিসিপ্লিন ছাড়া কোনো জাতি জিততে পারে না। আপনারা আমার উপরে বিশ্বাস নিশ্চয়ই রাখেন, জীবনে আমার রক্তের বিনিময়েও আপনাদের সঙ্গে বেঈমানি করি নাই। প্রধানমন্ত্রিত্ব দিয়ে আমাকে নিতে পারে নাই, ফাঁসি-কাষ্ঠের আসামি দিয়ে আমাকে নিতে পারে নাই। যে রক্ত দিয়ে আপনারা একদিন আমাকে জেলে থেকে বের করে নিয়ে এসেছিলেন, এই রেসকোর্স ময়দানে আমি বলেছিলাম, “আমার রক্ত দিয়ে, আমি রক্তের ঋণ শোধ করব।” মনে আছে? আমি রক্ত দেওয়ার জন্য প্রস্তুত, আমাদের মিটিং এখানেই শেষ। আস্-সালামো ওয়ালাই-কুম।
জয় বাংলা
সূত্র: নাসার আহমেদ চৌধুরী কর্তক ধারণকৃত ভাষণের টেপ ও ভিডিও টেপ
সংগ্রাহক: মমতাজুল ফেরদৌস জোয়ার্দার- বঙ্গবন্ধু গবেষক; তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক
সংক্ষেপে দেখুনঅল ইউরোপিয়ান বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন ও জার্মান বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন
ওজন কমানোর জন্য কমেট ৫০০ খাওয়া কি ঠিক হবে? comet 500 কি কাজ করে?
কমেট ৫০০ আপনার ক্ষুধা হ্রাস করে এবং আপনার শরীরের ইনসুলিনের সংবেদনশীলতা বাড়ায়, এইভাবে, আপনার রক্ত দ্বারা শোষিত গ্লুকোজের পরিমাণ হ্রাস করে। ইনসুলিনের বর্ধিত সংবেদনশীলতাও কলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয় এবং ওজন কমানোর জন্য সহায়তা করে। কিন্তু যেহেতু comet 500 ডায়াবেটিস এর ঔষধ তাই এটি সেবনের পূর্বে অবিস্তারিত পড়ুন
কমেট ৫০০ আপনার ক্ষুধা হ্রাস করে এবং আপনার শরীরের ইনসুলিনের সংবেদনশীলতা বাড়ায়, এইভাবে, আপনার রক্ত দ্বারা শোষিত গ্লুকোজের পরিমাণ হ্রাস করে। ইনসুলিনের বর্ধিত সংবেদনশীলতাও কলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয় এবং ওজন কমানোর জন্য সহায়তা করে। কিন্তু যেহেতু comet 500 ডায়াবেটিস এর ঔষধ তাই এটি সেবনের পূর্বে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে, তা নাহলে নানান জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। যেকোন ঔষধ সেবনের পূর্বে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন।
সংক্ষেপে দেখুনবিশ্বজুড়ে দাপটে রাজত্ব করা আমেরিকান কমিক্সকে বাজার থেকে হটিয়ে দিয়েছে কোন কমিক্স কোম্পানী ?
বিশ্বজুড়ে দাপটে রাজত্ব করা আমেরিকান কমিক্সকে বাজার থেকে হটিয়ে দিয়েছে জাপানিজ মাঙ্গা'র বিশাল দুনিয়া।
বিশ্বজুড়ে দাপটে রাজত্ব করা আমেরিকান কমিক্সকে বাজার থেকে হটিয়ে দিয়েছে জাপানিজ মাঙ্গা’র বিশাল দুনিয়া।
সংক্ষেপে দেখুনদিল্লিকা লাড্ডু জো খায়া ও পস্তায়ে, জো নেহি খায়া ও ভি পস্তায়ে …. কারণ ?
কারণ দিল্লির লাড্ডুর অসাধারণ স্বাদ। তাই যে খায়নি সে তো পস্তাবেই। কিন্তু যদি কেউ খেয়ে ফেলে তাহলে এর অনন্য স্বাদের জন্য অনেক লাড্ডু খেয়ে ফেলবে। ফলে পেটে সমস্যা দেখা দিবে। ঘন ঘন বাথরুম যেতে হতে পারে। এজন্যই বলাহয়, দিল্লির লাড্ডু যে খাবে সে পস্তাবে আর যে খাবেনা সেও পস্তাবে।
কারণ দিল্লির লাড্ডুর অসাধারণ স্বাদ। তাই যে খায়নি সে তো পস্তাবেই। কিন্তু যদি কেউ খেয়ে ফেলে তাহলে এর অনন্য স্বাদের জন্য অনেক লাড্ডু খেয়ে ফেলবে। ফলে পেটে সমস্যা দেখা দিবে। ঘন ঘন বাথরুম যেতে হতে পারে। এজন্যই বলাহয়, দিল্লির লাড্ডু যে খাবে সে পস্তাবে আর যে খাবেনা সেও পস্তাবে।
সংক্ষেপে দেখুনHawa full movie download and watch 2022 হাওয়া মুভি ডাউনলোড
হাওয়া মুভি লাইভ দেখতে এই লিংকে ক্লিক করুন। হাওয়া মুভি ফ্রি দেখুন
হাওয়া মুভি লাইভ দেখতে এই লিংকে ক্লিক করুন।
হাওয়া মুভি ফ্রি দেখুন
সংক্ষেপে দেখুন