সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
এন্ড্রয়েড সফটওয়্যার
দিয়ে দিলাম পেছনের ছবি। দেখেন তো ঠিক আছে কিনা?
দিয়ে দিলাম পেছনের ছবি। দেখেন তো ঠিক আছে কিনা?

সংক্ষেপে দেখুনইসরাইল ও ফিলিস্তিন যুদ্ধের শেষ কোথায়?
ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের যুদ্ধের শেষ কোথায়? এ প্রশ্নের উত্তর আজও অস্পষ্ট। দীর্ঘদিনের ভূমি, ধর্ম এবং ক্ষমতার লড়াই অসংখ্য প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে। গাজায় শিশুর কান্না, ধ্বংসস্তূপে হারিয়ে যাওয়া পরিবার—এ যেন মানবতার করুণ চিত্র। একদিকে ইসরায়েলের নিরাপত্তার দাবি, অন্যদিকে ফিলিস্তিনিদের স্বাধীনতার সংগ্রাম। তবিস্তারিত পড়ুন
ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের যুদ্ধের শেষ কোথায়? এ প্রশ্নের উত্তর আজও অস্পষ্ট। দীর্ঘদিনের ভূমি, ধর্ম এবং ক্ষমতার লড়াই অসংখ্য প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে। গাজায় শিশুর কান্না, ধ্বংসস্তূপে হারিয়ে যাওয়া পরিবার—এ যেন মানবতার করুণ চিত্র। একদিকে ইসরায়েলের নিরাপত্তার দাবি, অন্যদিকে ফিলিস্তিনিদের স্বাধীনতার সংগ্রাম। তবু, শান্তির পথ আজও অজানা। হয়তো সত্যিকারের সংলাপ আর সমঝোতাই এই রক্তক্ষয়ী ইতিহাসের শেষ অধ্যায় হতে পারে। আরও পড়ুনঃ ইসরাইল ফিলিস্তিন যুদ্ধের বর্তমান অবস্থা কি?
সংক্ষেপে দেখুনইসরাইল ফিলিস্তিন যুদ্ধের বর্তমান অবস্থা কি?
ইসরাইল ফিলিস্তিন যুদ্ধের বর্তমান অবস্থা ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের মূল কারণ হলো ভূমি, রাজনৈতিক ক্ষমতা এবং ধর্মীয় বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে উভয় পক্ষের দাবিদাওয়া। ১৯৪৮ সালে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই সংঘাত শুরু হয়, যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে তীব্র আকার ধাবিস্তারিত পড়ুন
ইসরাইল ফিলিস্তিন যুদ্ধের বর্তমান অবস্থা
ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের মূল কারণ হলো ভূমি, রাজনৈতিক ক্ষমতা এবং ধর্মীয় বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে উভয় পক্ষের দাবিদাওয়া। ১৯৪৮ সালে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই সংঘাত শুরু হয়, যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে তীব্র আকার ধারণ করেছে।
সর্বশেষ সংঘাতের সূত্রপাত ঘটে সাম্প্রতিক সময়ে, যখন হামাস (সাথে হিজবুল্লাহ) ইসরাইলের ওপর আকস্মিক আক্রমণ চালায়। এর প্রতিক্রিয়ায় ইসরাইল গাজা উপত্যকায় ব্যাপক বিমান হামলা শুরু করে। এই সংঘাতে উভয় পক্ষের হাজার হাজার মানুষ নিহত ও আহত হয়েছেন।
বর্তমানে, ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় মানবিক পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটাপন্ন। ইসরাইলের অবরোধের কারণে খাদ্য, পানি, ওষুধসহ জরুরি সামগ্রীর তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থা এই পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে চলমান এই সংঘাতের সমাধান খুঁজে বের করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বিভিন্ন প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে, উভয় পক্ষের মধ্যে আস্থা ও সমঝোতার অভাবে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা এখনো সম্ভব হয়নি।
এই সংঘাতের মূল কারণগুলো হলো:
ভূমি নিয়ে বিরোধ: উভয় পক্ষই জেরুজালেমসহ কিছু নির্দিষ্ট এলাকা নিজেদের বলে দাবি করে।
রাজনৈতিক ক্ষমতা: ফিলিস্তিনিরা স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করছে, যেখানে ইসরাইল তাদের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সচেষ্ট।
ধর্মীয় বিশ্বাস: জেরুজালেম শহরটি ইহুদি, খ্রিস্টান ও মুসলমানদের জন্য পবিত্র স্থান হওয়ায় এখানে নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ রয়েছে।
ফিলিস্তিনের বর্তমান অবস্থা অত্যন্ত জটিল ও সংকটাপন্ন। গাজা উপত্যকায় অবকাঠামো ধ্বংস, অর্থনৈতিক অবরোধ এবং মানবিক সহায়তার অভাবে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়েছে। পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতি স্থাপন ও নিরাপত্তা চৌকির কারণে ফিলিস্তিনিদের চলাচল ও অর্থনৈতিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
ইসরাইল ফিলিস্তিন যুদ্ধের বর্তমান অবস্থা নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উদ্বিগ্ন। স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য উভয় পক্ষের মধ্যে সংলাপ ও সমঝোতা অপরিহার্য। তবে, দীর্ঘদিনের অবিশ্বাস ও বিরোধের কারণে এই প্রক্রিয়া অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং।
সংক্ষেপে দেখুনHistacin Tablet (হিস্টাসিন ট্যাবলেট) বেশি খেলে কি ক্ষতি হতে পারে?
Histacin Tablet এর কাজ কি? হিস্টাসিন (Histacin) একটি অ্যান্টিহিস্টামিন যা নাকে প্রদাহ, সর্দি, চোখের লালচে ভাব এবং অ্যালার্জি সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যায় ব্যবহৃত হয়। এটি বিশেষ করে আর্টিকেরিয়া, কীট-পতঙ্গের কামড়, এবং ওষুধের প্রতিক্রিয়ায় চুলকানি ও ব্যথার ক্ষেত্রে কার্যকরী। এছাড়া, ঠাণ্ডা, কাশি, এবংবিস্তারিত পড়ুন
Histacin Tablet এর কাজ কি?
হিস্টাসিন (Histacin) একটি অ্যান্টিহিস্টামিন যা নাকে প্রদাহ, সর্দি, চোখের লালচে ভাব এবং অ্যালার্জি সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যায় ব্যবহৃত হয়। এটি বিশেষ করে আর্টিকেরিয়া, কীট-পতঙ্গের কামড়, এবং ওষুধের প্রতিক্রিয়ায় চুলকানি ও ব্যথার ক্ষেত্রে কার্যকরী। এছাড়া, ঠাণ্ডা, কাশি, এবং জ্বরের সময়ও হিস্টাসিন ব্যবহৃত হয়।
হিস্টাসিন ট্যাবলেট খাওয়ার নিয়ম কি?
প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য হিস্টাসিন ট্যাবলেটের ডোজ হলো ৪ মিগ্রা প্রতি ৪-৬ ঘণ্টা পর পর, সর্বোচ্চ ২৪ মিগ্রা দৈনিক। শিশুদের জন্য ডোজ তাদের বয়স অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। ৬-১২ বছরের শিশুদের জন্য ২ মিগ্রা প্রতি ৪-৬ ঘণ্টা পর পর, সর্বোচ্চ ১২ মিগ্রা দৈনিক দেওয়া হয়।
হিস্টাসিন বেশি খেলে কি হয়?
হিস্টাসিন অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে ঝিমুনি, পেশীর দুর্বলতা, এবং হজমের সমস্যাসহ অন্যান্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে। তাই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী নির্ধারিত ডোজ অনুযায়ী হিস্টাসিন গ্রহণ করা উচিত।
হিস্টাসিন ট্যাবলেট এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলো কি?
হিস্টাসিনের সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে ঝিমুনি, পেশীর দুর্বলতা, এবং হজমের সমস্যা। এগুলো সাধারণত সহনীয় হলেও মাঝে মাঝে আরও গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে, তাই সতর্ক থাকা জরুরি।
হিস্টাসিন ট্যাবলেট খেলে কি ঘুম হয়?
হ্যাঁ, হিস্টাসিন ট্যাবলেট খাওয়ার ফলে ঝিমুনি এবং ঘুম আসতে পারে। এটি মস্তিষ্কের সেই অংশকে সক্রিয় করে যা ঘুম নিয়ন্ত্রণ করে, ফলে এটি ঘুম আনার ক্ষেত্রে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।
সংক্ষেপে দেখুনএকটি ছোট পরিসরে ওয়েভ সাইট তৈরি করতে চাই ? কত টাকা খরচ হবে ডিজাইটনিং সহ
ওয়েবসাইট এর ধরন, এবং ফাংশনালিটির উপর ভিত্তি করে একটি নতুন ওয়েবসাইট তৈরির খরচ বিভিন্ন রকম হতে পারে। জনপ্রিয় ৫ ধরনের ওয়েবসাইটগুলো হলো ই-কমার্স ওয়েবসাইট পার্সোনাল ওয়েবসাইট পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট বিজনেস ওয়েবসাইট ব্লগ ওয়েবসাইট ওয়েবসাইট বানাতে যা যা লাগে ডোমেইন হোস্টিং থিম/ওয়েব ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট ওয়েবসাবিস্তারিত পড়ুন
ওয়েবসাইট এর ধরন, এবং ফাংশনালিটির উপর ভিত্তি করে একটি নতুন ওয়েবসাইট তৈরির খরচ বিভিন্ন রকম হতে পারে।
জনপ্রিয় ৫ ধরনের ওয়েবসাইটগুলো হলো
ওয়েবসাইট বানাতে যা যা লাগে
ডোমেইন বাবদ খরচ
ওয়েবসাইট এর ঠিকানা (URL) বা নামকেই ডোমেইন বলা হয়ে থাকে। ডোমেইন এর এক্সটেনশন বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। যেমনঃ .com, .org, .info, .xyz, .io সহ ইত্যাদি। তবে গুরুত্বের উপর ভিত্তি করে ডট কম ডোমেইনকে টপ লেভেল ডোমেইন হিসাবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে। এবং ডোমেইন এর ধরনভেদে দামেও কিছুটা পার্থক্য আছে। ধরনভেদে ডোমেইন এর দাম 0.35$ (৩০ টাকা) থেকে শুরু করে 15$ (১২০০ টাকা) পর্যন্ত হয়ে থাকে। তবে মোট হিসাবকে সহজ করার জন্য আমরা গড় হিসাবে ডোমেইন এর দাম ধরতে পারি ৯০০৳ টাকা।
হোস্টিং বাবদ খরচ
হোস্টিং হলো কোন ওয়েবসাইট এর স্টোরেজ বা পরিচালনার উৎস। কেননা যেকোন ওয়েবসাইটকে ইন্টারনেটে দৃশ্যমান করার জন্য যাবতীয় কন্টেন্ট হোস্টিং এর মাধ্যমে পরিচালনা হয়ে থাকে। অর্থাৎ হোস্টিংকে বলতে পারেন আপনার ওয়েবসাইট এর সিপিইউ (CPU)। হোস্টিং এর ফিচার ও ডাটা প্রসেসিং ক্ষমতার উপর ভিত্তি করে হোস্টিং এর দাম নির্ভর করে। তাই আপনার ওয়েবাসইট এর ধরন এবং প্রয়োনীয়তার উপর ভিত্তি করে আপনাকে বেছে নিতে হবে আপনার কেমন কনফিগারেশনের হোস্টিং দরকার।
তবে দাম যদি জানতে চান, এক্ষেত্রে মোটামুটি মানের কোন হোস্টিং কিনতে আপানাকে দেশীয় টাকায় ৩৫০০ টাকা গুনতে হতে পারে। আর ভালোর তো শেষ নাই, যত গুড় ঢালবেন তত মিষ্টি হবে।
থিম/ ওয়েব ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট খরচঃ
ওয়েবসাইট থিম হলো যেকোন ওয়েবসাইট এর ফাউন্ডেশন বা কমপ্লিট ডিজাইন। অর্থাৎ আপনার ওয়েবসাইটটি দেখতে কেমন হবে তার পূর্নাঙ্গ দৃশ্যমান ধারনা। একটি ওয়েবাসইটকে আপনি কোন থিমের মাধ্যমেও হুবুহু তৈরি করতে পারেন আবার কাস্টম ডিজাইন এর মাধ্যমেও ডেভেলপ করতে পারেন। থিমের মাধ্যমে ওয়েবসাইট তৈরিতে তুলনামুলক খরচ কম এবং কাস্টম ডিজাইনের ক্ষেত্রে খানিকটা বেশি। কেননা বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট থিম ফ্রিতেও পাওয়া যায়। তবে প্রিমিয়াম থিমগুলোর গড় দাম 59$ ডালার বা বাংলাদেশী টাকায় ৫০০০ টাকা থেকে শুরু হয়ে থাকে।
আর যদি আপনি আপনার ওয়েবসাইট এর ডিজাইন নিজের মতো করে নিতে চান সেক্ষেত্রে আপনাকে কাস্টম ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট করে নিতে হবে। এক্ষেত্রে আপনার খরচ শুরু হতে পারে আনুমানিক ১০ হাজার টাকা থেকে, সেটি আবার কোন ধরনের ওয়েবসাইট তার উপর ভিত্তি করে।
যেমন, বিজনেস ওয়েবসাইট, পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট, পার্সোনাল ওয়েবসাইট অথবা সাধারন ব্লগ ওয়েবসাইট হলে ১০/১৫ হাজার থেকে শুরু, এবং ই-কমার্স ওয়েবাসইট হলে ২০/২৫ হাজার টাকা থেকে শুরু।
ওয়েবসাইট কন্টেন্ট রাইটিং বাবদ খরচ
ওয়েবসাইট কন্টেন্ট হলো ওয়েবসাইট এর বিভিন্ন ধরনের টেক্সট, অডিও, ভিডিও এবং ছবি যার মাধ্যমে আমরা ওয়েবসাইটে আগত ভিজিটরদের সাথে মিথস্ক্রিয়া স্থাপন করতে পারি বা আমাদের উদ্দেশ্যগুলো বোঝাতে পারি। অথবা এভাবে বলা যেতে পারে, ওয়েব কন্টেন্ট হলো ওয়েবসাইট এর সাথে ওয়েব ট্রাফিক এর যোগাযোগকারী। অর্থাৎ আপনার ওয়েবসাইট এর কন্টেন্ট আপনি যত ভালোভাবে উপস্থাপন করতে পারবেন আপনার ইউজারদের এক্সপেরিয়েন্স তত ভালো হবে এবং তাতে আপনার উদ্দেশ্য সফলের হার ততটাই বেড়ে যাবে।
আপনি হয়তবা ইতিমধ্যেই অনেক শুনেছেন Content Is The King (কন্টেন্টই সর্বেসর্বা)। তবে ওয়েবসাইট এর কিং কে তৈরি করতে মোটামুটি ভালো মানের একটা বাজেট ধরে রাখতে হবে। অথবা আপনি যদি প্লান করে থাকেন নিজের উদ্দেশ্যকে আপনি নিজেই প্রতিফলন ঘটাবেন ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে সেটিও করতে পারেন। তাই নিজে যদি কন্টেন্ট ম্যানেজ করতে পারেন অলাদা কোন খরচ নাই এবং যদি কারো দ্বারা বা কোন ফ্রিল্যান্সার দ্বারা লিখে নিতে চান সেক্ষেত্রে ভালোই খরচা আছে বস।
বাংলা এবং ইংলিশ কন্টেন্টভেদে বাজেট এর অনেকটাই তফাৎ থাকবে। মাঝারি সাইজের কোন ওয়েবসাইটে আনুমানিক ১০ হাজার ওয়ার্ড কন্টেন্ট লাগতে পারে (ব্লগ কন্টেন্ট বাদে)। এবং প্রতি হাজার বাংলা কন্টেন্ট এর জন্য আপনার খরচ হতে পারে ২০০ থেকে ৭০০ টাকা। এবং প্রতি হাজার ইংরেজি কন্টেন্ট রাইটিং এর জন্য আপনার খরচ হতে পারে ৫০০ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত।
ধরন ভেদে ওয়েবসাইট তৈরির খরচ
এতক্ষন তো আমরা আলোচনা করলাম ওয়েবসাইট তৈরির আবশ্যিক ব্যয়গুলো নিয়ে, যে ব্যয়গুলো আমাদের কোনভাবেই এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। এবার আলোচনা করবো ধরন এর ভিত্তি করে কোন একটি নতুন ওয়েবসাইট বানাতে কত টাকা লাগে? অর্থাৎ, ই-কমার্স ওয়েবসাইট, বিজনেস ওয়েবসাইট, পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট এবং ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরি করতে কেমন খরচ হয়।
ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরির খরচ
ই-কমার্স (e-commerce) শব্দের অর্থ হলো ইলেক্ট্রনিক বাণিজ্য। অর্থাৎ, ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া বা ইন্টারনেট এর মাধ্যমে যে ব্যবসা করা হয়, তাকে ই কমার্স বলে। মোটকাথা আমরা অনলাইনে যেসব ওয়েবসাইটগুলোতে কেনাকাটা করতে পারি সেগুলোই ই-কমার্স ওয়েবাসইট। যেমনঃ দারাজ ডট কম, পিকাবো ডট কম, চাল ডাল ডট কম ইত্যাদি। এখন যদি আপনার প্রশ্ন হয়, দারাজ ডট কমের মত ওয়েবসাইট তৈরির খরচ কেমন তাহলে কিন্তু মুশকিল বস। কেননা এগুলো মাল্টি-ভেন্ডর ই-কমার্স ওয়েবসাইট আর দারাজ ডট কম একদিনে এমন হয় নাই। বছরের পর বছর ডেভেলপমেন্ট এর মাধ্যমে এবং প্রয়োজন অনুসারে বিভিন্ন ফিচার প্রতিনিয়ত যুক্ত করে আজকের এই পর্যায়ে। তবে খরচ এর হিসাব করলে কয়েক মিলয়ন ডলার ধরতে পারেন।
তবে আজকে আমরা হিসাব দিব ব্যক্তি পর্যায়ে পরিচালনার জন্য একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট বানাতে কত টাকা লাগে। তাহলে এবার আগের আনুমানিক হিসাবগুলো যোগ বিয়োগ করে সিম্পল একটা ম্যাথ করে ফেলুন। যেমনঃ ডোমেইন আনুমানিক ৯০০ টাকা + হোস্টিং আনুমানিক ৩০০০ টাকা + ওয়েব ডিজাইন ডেভেলপমেন্ট ২০০০০ টাকা + কন্টেন্ট ৫০০০ টাকা। অর্থাৎ কাস্টম ডিজাইন একটি ই-কমার্স ওয়েসাইট তৈরি করতে খরচ শুরু হবে আনুমানিক ২৫০০০ হাজার থেকে।
পার্সোনাল ওয়েবসাইট তৈরির খরচ
নিজের সম্পর্কে বিশ্বকে জানাতে এবং নিজের অ্যাকটিভিটি সম্পর্কে ডেইলি আপডেট দেওয়ার জন্য যে ওয়েবসাইট মেইনটেইন করা হয় সেগুলোই আসলে পার্সোনাল ওয়েবসাইট। পার্সোনাল ওয়েবসাইটে তেমন কোন বিশেষ ফিচার থাকেনা তাই খরচও তুলনামূলক অনেক কম। তাই একটি পার্সোনাল ওয়েবসাইট তৈরির খরচ শুরু হতে পারে আনুমানিক ১০ হাজার টাকা থেকে।
পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট তৈরির খরচ
কোন ব্যক্তির সম্পূর্নকৃত কাজ এর অনলাইন রিপ্রেজেন্টেশন এবং মেধা ও দক্ষতা যে ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে তুলে ধরা হয় তাকে পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট বলে। সাধারনত ফ্রিল্যান্সার এবং বিভিন্ন পেশাভিত্তিক মানুষ যারা অনলাইন এর মাধ্যমে তাদের স্কিল, সার্ভিস উপস্থাপন এবং বিক্রি করতে চায় তারা পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট ব্যবহার করে। এধরনের ওয়েবসাইট তৈরির বাজেট নির্ধারন হয়ে থাকে বিভিন্ন ফিচার এর নির্ভর করে। তবে পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট তৈরির বাজেট ১৫ হাজার টাকা থেকে শুরু হতে পারে।
বিজনেস ওয়েবসাইট তৈরির খরচ
বিজনেস ওয়েবসাইট বলতে সাধারনত এমন ধরনের ওয়েবসাইটকে বোঝায় যে ওয়েবসাইটে কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা কোন কোম্পানির সকল ধরনের তথ্য উপস্থাপিত থাকে। বিজনেস ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে কোন কোম্পানি বা প্রতিষ্টান তাদের পন্য বা সেবা বিক্রয় করে থাকে। অর্থাৎ বিজনেস ওয়েবসাইট হলো ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে সেবা প্রদানের একটি ডাইরেক্ট গেটওয়ে।
অনেক সময় কোন কোন বিজনেস ওয়েবসাইটে ই-কমার্সও সংবলিত থাকে। এবং অন্যান্য ওয়েবসাইট এর চেয়ে ফিচারও একটু বেশি থাকে, তাই বিজনেস ওয়েবসাইট তৈরির খরচও একটু বেশি হয়। মোটামুটি মানের একটি বিজনেস ওয়েবসাইট শুরু করতে আপানার বাজেট রাখতে হবে আনুমানিক ২০ হাজার টাকার মতো।
ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরির খরচ
ব্লগ ওয়েবসাইট বলতে এমন ধরনের ওয়েবসাইটগুলোকে বোঝায় যেসব ওয়েবসাইটে যেকোন ধরনের বিষয় নিয়ে ইনফরমেশনাল কন্টেন্ট পাবলিশি করা হয়ে থাকে। সেগুলো হতে পারে সমসাময়িক খবর, বিভিন্ন ধরনের তথ্যমুলক টিপস, নিউজ ইত্যাদি। এধরনের ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে অনলাইনে কন্টেন্ট পাবলিশ করে বিভিন্ন ধরনের অ্যাড পাবলিশার কোম্পানি যেমনঃ গুগল অ্যাসেন্স, ইজোয়িক ইত্যাদির দ্বারা কন্টেন্টকে মনিটাইজ করে আয় করা হয়ে থাকে।
এবার আসা যাক ব্লগিং ওয়েবাসইট তৈরি করতে কত টাকা লাগে? সাধারনত এই ধরনের ওয়েবসাইট ডোমেইন এবং হোস্টিং কিনে কোন একটা ফ্রি থিম ইনস্টল করে কন্টেন্ট পরিবর্তন করেই কাজ শুরু করা যায়। সেক্ষেত্রে আলাদা কোন খরচ পড়েনা ডোমেইন এবং হোস্টিং এর খরচ ছাড়া। তবে ভবিষ্যতে যাতে কোন ধরনের সিকিউরিটি ইস্যুতে পড়তে না হয় তাই কাস্টম ডেপেলপ করে নেওয়াই ভালো। এধরনের একটি কাস্টম ডিজাইন ওয়েবসাইট তৈরির খরচ শুরু হতে পারে ১৫ হাজার টাকা থেকে।
অনেক হোস্টিং প্রোভাইডার অনেক কম মূল্যে ডোমেইন হোস্টিং প্রোভাইড করার কথা বলে। কিন্তু অবশ্যই ভেবে চিনতে রেপুটেড কোম্পানি থেকে ডোমেইন/হোস্টিং কিনবেন। সবচেয়ে ভাল হয় ইন্টারন্যাশনাল প্রোভাইডার যেমন bluehost, godaddy, namecheap ইত্যাদি থেকে ডোমেইন হোস্টিং নেয়া।
সংক্ষেপে দেখুনআমরা স্বপ্ন রঙীন না দেখে সাদাকালো কেন দেখি?
স্বপ্নের রং আসলে যে কি এটা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণা হয়ে আসছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হয়ে বলা যায়নি স্বপ্নের রং। শুরুর দিকে করা স্টাডিগুলোর রিপোর্টে বলা হত যে স্বপ্ন খুব সম্ভবত সাদা কালো। কিন্তু নতুন করা স্টাডিগুলোর রিপোর্টে বলা হচ্ছে মানুষ যে শুধু সাদা কালো স্বপ্নই দেখে তা নয়, মানুষ রঙিন স্বপ্নবিস্তারিত পড়ুন
স্বপ্নের রং আসলে যে কি এটা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণা হয়ে আসছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হয়ে বলা যায়নি স্বপ্নের রং। শুরুর দিকে করা স্টাডিগুলোর রিপোর্টে বলা হত যে স্বপ্ন খুব সম্ভবত সাদা কালো। কিন্তু নতুন করা স্টাডিগুলোর রিপোর্টে বলা হচ্ছে মানুষ যে শুধু সাদা কালো স্বপ্নই দেখে তা নয়, মানুষ রঙিন স্বপ্নও দেখতে পারে।
সাধারনত স্বপ্নের ব্যাপারে তথ্য যোগাড় করা হয়ে থাকে আরেকজনের কাছ থেকে তার স্বপ্নের কথা শুনে অথবা তার ব্রেইন এক্টিভিটি মনিটর করে। এগুলো করা সম্ভব। কিন্তু স্বপ্নটা সে কি রঙিন স্বপ্ন না সাদাকালো অথবা ধূসর দেখছে এটা বলা সত্যিই একটু কঠিন বটে। অন্যের মাথার মধ্যে ঢুকে তো আর দেখা যায়না ব্যাটা কি স্বপ্ন দেখছে! তারপরেও বিজ্ঞান প্রতিনিয়ত এগিয়ে চলেছে আপন গতিতে। কে জানে হয়তো অদূর ভবিষ্যতে “ইনসেপশন” মুভিটার মতই স্বপ্নকে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে!
সংক্ষেপে দেখুনভিটামিন ডি আপনার শরীরের জন্য অপরিহার্য কেন?
ভিটামিন ডি: আপনার শরীরের অপরিহার্য অংশ কতজন জানেন যে ভিটামিন ডি আপনার শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ? এটি কেবল আপনার হাড় এবং দাঁতের স্বাস্থ্য নিরাপদ রাখতে সাহায্য করেনা, বরং এটি আপনার ইমিউন সিস্টেম, মনোবৈজ্ঞানিক স্বাস্থ্য এবং আরও অনেক কিছু নিয়ন্ত্রণ করে। বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ ভিটামিন ডি-এর অভবিস্তারিত পড়ুন
ভিটামিন ডি: আপনার শরীরের অপরিহার্য অংশ
কতজন জানেন যে ভিটামিন ডি আপনার শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ? এটি কেবল আপনার হাড় এবং দাঁতের স্বাস্থ্য নিরাপদ রাখতে সাহায্য করেনা, বরং এটি আপনার ইমিউন সিস্টেম, মনোবৈজ্ঞানিক স্বাস্থ্য এবং আরও অনেক কিছু নিয়ন্ত্রণ করে।
বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ ভিটামিন ডি-এর অভাবে ভুগেন। আমাদের দেশে সূর্যালোক প্রচুর না থাকা, নিম্নমানের খাবার গ্রহণ করা, দীর্ঘসময় ব্যায়াম না করা – এসব কারণেই অধিকাংশ মানুষ ভিটামিন ডি-এর অভাবে ভুগেন।
আজকের লেখায় আমরা জেনে নেবো ভিটামিন ডি এর অভাব কেন ঘটে, তার লক্ষণ কী এবং তা থেকে কিভাবে বাঁচা যায়। এর পাশাপাশি, আমরা জানব ভিটামিন ডি-র উৎস কোথায় এবং তা থেকে আমাদের শরীর কি প্রকার সুফল লাভ করতে পারে। এতে স্বাস্থ্যবিষয়ক কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস পাবেন। আশা করি এটি আপনাকে সাহায্য করবে!
ভিটামিন ডি অভাবের কারণ
সূর্যালোকের অভাব
সূর্যালোকের সংস্পর্শে আসলে আমাদের ত্বক ভিটামিন ডি তৈরি করে। কিন্তু বাংলাদেশে বছরভর্তি বৃষ্টির কারণে আমরা সূর্যালোকের প্রভাব কম পাই।
নিম্নমাত্রায় খাবার
ভিটামিন ডি পেতে খাদ্যে মাংস, ডেইরি পণ্য ও মাছ খাওয়া দরকার। কিন্তু দরিদ্রতার কারণে অধিকাংশ মানুষ এই খাবার খেতে পারে না।
বেশিরভাগই বাসার ভেতরে অতিবাহিত সময় কাটান
বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষই দৈনন্দিন কর্মসৃষ্টির জন্য বেশিরভাগ সময় বাসার ভেতরে কাটায়। এতে সূর্যালোকের পর্যাপ্ত প্রভাব পাওয়া যায় না এবং ফলে ত্বক থেকে ভিটামিন ডি তৈরি হয় না।
অলস জীবনধারা
অধিকাংশ বাংলাদেশি মানুষই কম ব্যায়ামের জীবনযাপন করেন। যারা অফিসকর্মী, তাদের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে এটি প্রভাবিত করে। ভিটামিন ডি তৈরির জন্য ব্যায়াম ও সূর্যের প্রভাব প্রয়োজনীয়।
কালো চর্মের মানুষদের ক্ষেত্রে
কালো চর্মের ব্যক্তিরা সূর্যের প্রভাব পেতে বেশি সময় লাগে তাদের ত্বক থেকে ভিটামিন ডি তৈরি করার জন্য। তাই তারা অন্য কোনো কারণেই যদি সূর্যালোক না পায় তবে ভিটামিন ডি-এর অভাব দেখা দিতে পারে।
ভিটামিন ডি-এর অভাবের লক্ষণ
ভিটামিন ডি-এর অভাবের লক্ষণ হলো
– দুর্বল ও ভঙ্গুর হাড়
– পিঠে, শরীরে ব্যাথা
– মাথাব্যথা
– রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার কমতি
– অস্থির মনোভাব
এসব লক্ষণ দেখা দিলে তার কারণ হিসেবে ভিটামিন ডি-এর অভাব নির্ণয় করা যায়। তবে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত।
ভিটামিন ডি এর অভাবের জন্য চিকিৎসা
ভিটামিন ডি-এর অভাব থেকে বেঁচে থাকার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসরণ করা উচিত:
– ডাক্তারের নির্দেশনায় ভিটামিন ডি গ্রহণ করা
– সূর্যালোকে বেশি সময় অবস্থান
– মাংস, ডেয়ারি, মাছ ও অন্যান্য ভিটামিন ডি যুক্ত খাদ্য গ্রহণ
– নিয়মিত ব্যায়াম
আরো ভিটামিন ডি পাওয়ার উপায়
চিকিৎসকের পরামর্শ মতে নিজেকে সুস্বাস্থ্য রাখার জন্য আরো কিছু উপায় রয়েছে:
– প্রতিদিন 15-30 মিনিট রোদে বের হওয়া
– দীর্ঘসময় কমপোশাকে বের হওয়া
– নিয়মিত ব্যায়াম ও মেডিটেশন
– স্বাস্থ্য সম্পর্কিত অ্যাপে ট্র্যাক করা
– খাবার তালিকায় ভিটামিন ডি যুক্ত খাবার রাখা
এসব অনুসরণ করে আপনি নিজেকে ভিটামিন ডি-এর অভাব থেকে রক্ষা করতে পারবেন এবং সুস্থ থাকবেন। চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন এবং নিয়মিত পরীক্ষা করান।
ভিটামিন ডি যুক্ত খাবারের তালিকা
ভিটামিন ডি-র সূত্র হিসেবে উল্লেখ করা যায় মাংস, ডেয়ারি ও মাছ। তবে এসব সবাই খেতে পারছে না। এছাড়াও ভিটামিন ডি পেতে আরও কিছু স্বাভাবিক খাবার রয়েছে, যেমন-
– ডাল, চাউল – এতে ভিটামিন বি ১২ ও ভিটামিন ডি থাকে।
– শাকসবজি, যেমন পালঙ্গ, ফলি – এতে ভিটামিন ডি থাকে।
– তৈলাক্ত মাছ, যেমন ইলিশ – এতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এয়ার্ড ও ভিটামিন ডি থাকে।
এগুলো খেয়েও ভিটামিন ডি-র অভাব পূরণ করা যায়। তবে অতি গুরুত্বপূর্ণ হলে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে ভিটামিন ডি ক্যাপসুল বা ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট নিতে পারেন।
ভিটামিন ডি অভাবের লক্ষণ দেখা দিলে তার কারণ নির্ণয়ের জন্য ডাক্তারের কাছে যাওয়াই ভালো। তবে খাবার পরিবর্তন করে এবং সূর্যালোকে বেশি সময় কাটানো ভিটামিন ডি-এর অভাব থেকে আপনাকে দূরে রাখতে পারে।
সংক্ষেপে দেখুনCold, Wind, Swirling Mist, Charming Lannai একটি ছবির নাম। এই ছবিটি কে একেছিলো?
ছবির নামের মাঝখানে এত কমা কেন? যে লম্বা ঐতিহাসিক নাম আপনি লিখেছেন ওরকম নামে কোন ছবি পৃথিবীতে কেউ আঁকেনি। ভবিষ্যতেও কেউ আঁকবে না, আর আঁকলেও এমন বিদঘুটে নাম কেউ দিবেনা। 🤣
ছবির নামের মাঝখানে এত কমা কেন? যে লম্বা ঐতিহাসিক নাম আপনি লিখেছেন ওরকম নামে কোন ছবি পৃথিবীতে কেউ আঁকেনি। ভবিষ্যতেও কেউ আঁকবে না, আর আঁকলেও এমন বিদঘুটে নাম কেউ দিবেনা। 🤣
সংক্ষেপে দেখুনবিশ্বের কোন দেশে রাস্তায় কোন ডাষ্টবিন থাকেনা ?
জাপানের রাস্তায় কোন ডাস্টবিন থাকে না! এমনকি দেশটির কোথাও অন্যান্য দেশের মত বর্জ্যের ভাঁগাড় পর্যন্ত দেখতে পাবেন না। কেন জানেন? জাপানিরা ওইসব সবরকম বর্জ্য রিসাইকেল করে ফেলে! যেগুলো রিসাইকেল করা সম্ভব না সেগুলো খুব নিপূণভাবে একটি পদ্ধতির মধ্য দিয়ে ধ্বংস করে ফেলা হয়।
জাপানের রাস্তায় কোন ডাস্টবিন থাকে না! এমনকি দেশটির কোথাও অন্যান্য দেশের মত বর্জ্যের ভাঁগাড় পর্যন্ত দেখতে পাবেন না।


সংক্ষেপে দেখুনকেন জানেন? জাপানিরা ওইসব সবরকম বর্জ্য রিসাইকেল করে ফেলে!
যেগুলো রিসাইকেল করা সম্ভব না সেগুলো খুব নিপূণভাবে একটি পদ্ধতির মধ্য দিয়ে ধ্বংস করে ফেলা হয়।
শাকুরা বা চেরী ফুল কোন দেশের জাতীয় ফুল?
চেরি ফুল জাপানের জাতীয় ফুল হিসেবে স্বীকৃত।
চেরি ফুল জাপানের জাতীয় ফুল হিসেবে স্বীকৃত।
সংক্ষেপে দেখুনজিরো ওয়াটের বাল্ব কি সত্যি কোন বিদ্যুৎ ব্যবহার করেনা? কেন জিরো ওয়াট লেখা হয়?
'জিরো ওয়াট' মানে হয় কোনও ওয়াটই নয়। তার মানে হল, কোন বিদ্যুৎ পুড়বেনা ('জিরো ওয়াট তো) অথচ হালকা আলো জ্বলবে।ব্যাপারটা কাঁঠালের আমসত্ত্ব বা সোনার পাথরবাটি মনে হচ্ছে না কি? কোন শক্তি খরচ হবে না, অথচ আলোর শক্তি পাওয়া যাবে।'কিছু না' থেকে 'কিছু' পাওয়া যাবে। এটা একদম অবৈজ্ঞানিক যুক্তি! তাহলে যুক্তিটা কি? প্যবিস্তারিত পড়ুন
‘জিরো ওয়াট’ মানে হয় কোনও ওয়াটই নয়। তার মানে হল, কোন বিদ্যুৎ পুড়বেনা (‘জিরো ওয়াট তো) অথচ হালকা আলো জ্বলবে।ব্যাপারটা কাঁঠালের আমসত্ত্ব বা সোনার পাথরবাটি মনে হচ্ছে না কি? কোন শক্তি খরচ হবে না, অথচ আলোর শক্তি পাওয়া যাবে।’কিছু না’ থেকে ‘কিছু’ পাওয়া যাবে। এটা একদম অবৈজ্ঞানিক যুক্তি!
তাহলে যুক্তিটা কি?
প্যাকেটগুলো লক্ষ্য করুন— কি লেখা আছে? দোকানদারেররা ‘নাইট ল্যাম্প’গুলোকে বলে (আমরাও বিশ্বাস করি), ‘জিরো ওয়াটের’ বাল্ব। তার মানে হল, কোন বিদ্যুৎ পুড়বেনা (‘জিরো ওয়াট তো) অথচ হালকা আলো জ্বলবে। কিন্তু বড় কোম্পানিগুলো( এখানে ছবিতে বর্ণিত ফিলিপস) এই ‘নাইট ল্যাম্প’গুলোকে ‘জিরো ওয়াট’ বলে দাবি করেনা। বাল্বের কার্টনে পরিষ্কার লিখে দেয় 15 W , মানে, একটি ‘জিরো ওয়াট’ বাল্ব, ঘন্টায় ১৫ ওয়াট বিদ্যুৎ পোড়ায়।
এইবারে একটু গভীরে যাওয়া যাক।এইরকম একটি ‘জিরো ওয়াটের’ বাল্ব কত ইউনিট (একক) বিদ্যুৎ খরচ করে? ধরে নেওয়া যাক, বাল্বটি প্রতিদিন ৬ ঘন্টা করে জ্বলে। তাহলে একটু অঙ্ক কষা দরকার, সহজ পাটিগণিত।
সময় : ৬ ঘন্টা;পাওয়ার : ১৫ ওয়াট (প্রতি ঘন্টায় ১৫ ওয়াট বিদ্যুৎ পোড়ায়।);প্রতিদিনের মোট বিদ্যুৎ খরচ (ছয় ঘন্টার হিসেবে) : ১৫ x ৬ = ৯০ ওয়াট-ঘন্টা (Watt-hour, সংক্ষেপে Wh)
বিদ্যুতের ইউনিট এক কিলো ওয়াট-ঘন্টা (kWh)। মানে এক ওয়াট-ঘন্টার হাজার গুণ।
তাহলে, প্রতিদিনের বিদ্যুৎ খরচা = ৯০ / ১০০০ = ০.০৯ কিলো ওয়াট-ঘন্টা (kilowatt-hour, kWh)
= ০.০৯ ইউনিট (এক ইউনিটও না)
মাসিক (৩০ দিন) বিদ্যুৎ খরচা = ৩০ x ০.০৯ =০.২৭ ইউনিট (তা-ও এক ইউনিট হলনা)
তাহলে দেখতে পাচ্ছি, এই বাল্বগুলো খুবই কম বিদ্যুৎ পোড়ায় কিন্তু আক্ষরিক অর্থে ‘০’ নয়, তাহলে বাল্ব কোম্পানিরা এগুলোকে ‘জিরো ওয়াট’ বলে কেন? এটা একটা বাণিজ্যিক চালাকি, যদিও এই চালাকিতে আপনি বিশেষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন না। বিদ্যুৎ পুড়ছে, আপনি ইলেকট্রিক বিল মেটাচ্ছেন, কিন্তু আপনি সেটা জানছেন না, ব্যস- এইটুকুই।
চালাকি কি আদৌ ধরা গেলো? না, এইটা বুঝতে একটু বাবরের আমলের একধরণের মিটারের দিকে তাকাতে হবে, তাহলেই যুক্তি আর বিজ্ঞানের গোঁজামিলটা ধরতে পারবেন। এজন্য দেখবেন, আজকাল ডিজিটাল মিটার বসানো হচ্ছে।
বাবরের আমলের মিটার কেমন ছিল মনে আছে? এখনো অনেক বাড়ীতেই আছে। দেখুন-
এই ধরনের মিটারের একটা টেকনিক্যাল নাম আছে, একে বলে ইলেকট্রোমেকানিকল টাইপ মিটার(Electromechanical Induction type)এইসব মিটারে, চাকাটা ৬০০ বার ঘুরলে তবে ডায়ালে এক ইউনিট (1 kWh) বিদ্যুৎ খরচা হয়েছে দেখাত।
এইবারে, এই প্রযুক্তিতে একটা ‘জিরো ওয়াটের’ বাল্ব, প্রতিদিন ৬ ঘন্টা জ্বললে যে বিদ্যুৎ খরচা হয় সেটা এইরকম পুরোনো মিটারে কত দেখাবে ? হিসেব করা যাক :
১ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচা = ১ পাক (৬০০ পাকে এক ইউনিট হয়।)
তাহলে, ০.২৭ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচা = ০.২৭ x ৬০০ = ১৬২ পাক
এদিকে মিটারের চাকা ৬০০ পাক না ঘুরলে, মিটারের ডায়াল ১ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচা দেখাবে না (কেমন করে দেখাবে? এক ইউনিট দেখাতে গেলে চাকাকে ৬০০ পাক খেতে হবে। এখানে চাকা পাক খেয়েছে ১৬২ টি)। মানেটা কী দাঁড়াল? মানেটা হল এই যে, একটা মিটারে একটিমাত্র ‘জিরো ওয়াটের’ বাল্ব যদি একমাসও জ্বলে, তাহলেও এনার্জি মিটার কোন ইউনিট দেখাবে না তাহলে ‘জিরো ওয়াটের বাল্ব’ই তো হল। যুক্তিতে হল, বিজ্ঞানে হলনা।
এই ফাঁকি রুখতেই এখন নতুন মিটারগুলো এইরকম আসছে-
এই ডিজিটাল মিটারগুলো, ৬৪০০ পালস্ হলে এক ইউনিট দেখায়। কম হলে কম ইউনিট (একমাত্র মিটার বন্ধ থাকলেই শূন্য দেখাবে)। তাহলে, একটা ‘জিরো ওয়াটের বাল্ব, একমাস, দিনে ৬ ঘন্টা করে জ্বললে ০.২৭ ইউনিট বিদ্যুৎ পোড়ায় (আমরা তো হিসেব করে দেখলাম)। পুরোনো মিটারগুলোতে তো এক ইউনিটও দেখাচ্ছে না। ডিজিটাল মিটারে কত দেখাবে ? ০.২৭ x ৬,৪০০ = ১,৭২৮ পালস্। মানে এক ইউনিটের এক চতুর্থাংশের একটু বেশি (শূন্য নয়)।
তাহলে গোটা ব্যাপারটা কি দাঁড়ালো? ডিজিটাল এনার্জি মিটারে পরীক্ষা করলে ‘জিরো ওয়াটের বাল্ব’ আর ‘জিরো ওয়াট’ রইলনা। ‘কিছু ওয়াট’ হোল।
একেই বলে চোরের ওপর বাটপারি!
মূলঃ কোরা
সংক্ষেপে দেখুনbluetooth headphones কেনার আগে কোন কোন বিষয় খেয়াল রাখা দরকার?
ব্লুটুথ হেডফোন কেনার আগে সেন্সিটিভিটি, ড্রাইভারের আকার, রেজিস্ট্যান্ট দেখে কেনা উচিত। স্বাভাবিক কাজের জন্য সাধারণত ১০২ ডেসিবলে এককের কাছাকাছি থাকা উচিত। তবে কমপক্ষে ৯০dB/mW থেকে ১১৫dB/mW রেঞ্জ ফ্রিকোয়েন্সি উৎপাদনে সক্ষম, এমন bluetooth headphones কেনা উচিত। এক্ষেত্রে আপনার পছন্দ অনুযায়ী নিতে পারেন। সবিস্তারিত পড়ুন
ব্লুটুথ হেডফোন কেনার আগে সেন্সিটিভিটি, ড্রাইভারের আকার, রেজিস্ট্যান্ট দেখে কেনা উচিত।
স্বাভাবিক কাজের জন্য সাধারণত ১০২ ডেসিবলে এককের কাছাকাছি থাকা উচিত। তবে কমপক্ষে ৯০dB/mW থেকে ১১৫dB/mW রেঞ্জ ফ্রিকোয়েন্সি উৎপাদনে সক্ষম, এমন bluetooth headphones কেনা উচিত। এক্ষেত্রে আপনার পছন্দ অনুযায়ী নিতে পারেন।
সাধারণত ৯ থেকে ১৬ মিলিমিটার ব্যাসের ড্রাইভার বিশিষ্ট ব্লুটুথ হেডফোন নেয়া উচিত। এতে গান মোটামুটি ভালো ভাবেই উপভোগ করতে পারবেন।
bluetooth headphones ভলিউম রেঞ্জ বিবেচনার ক্ষেত্রে সাধারণ মাপকাঠি হলো ৩০ ওহম। ভলিউম রেঞ্জ সর্বনিম্ন ১০ হার্জ থেকে সর্বোচ্চ ২৫ হাজার হার্জ এর মধ্যে থাকা সবচেয়ে ভাল। এর বেশিও নিতে পারেন।
ইম্পিডেন্স ভ্যালু কম হলে বেশি জোরে আওয়াজ শোনা যাবে সেই হেডফোনে। যদিও মাথায় রাখা প্রয়োজন হাই ইম্পিডেন্স হেডফোনের নিজস্ব সুবিধা রয়েছে। এই ব্লুটুথ হেডফোনে জোরে আওয়াজ দিলেও আওয়াজ ফেটে যাওয়ার সুযোগ কম। প্রফেশানাল অডিও মিক্সিং এর জন্য হাই ইম্পিডেন্স হেডফোন বেশি ভালো। সব সময় এসব বিষয় বিবেচনা করে হেডফোন কেনার চেষ্টা করুন।
ইদানিং অনেক কম দামেই ভালো মানের ব্লুটুথ হেডফোন বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। সর্বনিম্ন ৫০০ থেকে ৭০০০ টাকার মধ্যেই ভালো কোয়ালিটির ব্লুটুথ হেডফোন পেতে পারেন। তবে ওয়্যারেন্টির বিষয়টি মাথায় রাখবেন।
সংক্ষেপে দেখুনসাগর, উপসাগর ও হৃদ কী?
সাগর - মহাসাগরে চেয়ে ছোট বিস্তীর্ন জলরাশিকে সাগর বলে। উপসাগর - যে সাগরে তিনদিক স্থল সীমানা দ্বারা পরিবেষ্টিত তাকে উপসাগর বলে। হ্রদ এবং সাগরের মধ্যে পার্থক্য কী? হ্রদ হলো চারদিকে স্থলভাগ দ্বারা পরিবেষ্টিত বিশাল জলরাশি।
সাগর – মহাসাগরে চেয়ে ছোট বিস্তীর্ন জলরাশিকে সাগর বলে। উপসাগর – যে সাগরে তিনদিক স্থল সীমানা দ্বারা পরিবেষ্টিত তাকে উপসাগর বলে। হ্রদ এবং সাগরের মধ্যে পার্থক্য কী? হ্রদ হলো চারদিকে স্থলভাগ দ্বারা পরিবেষ্টিত বিশাল জলরাশি।
সংক্ষেপে দেখুন‘Talk’ এবং ‘Tell’-এর মধ্যে পার্থক্য কী?
"Talk" এবং "Tell" উভয় ক্রিয়াপদ, কিন্তু তাদের সামান্য ভিন্ন অর্থ এবং ব্যবহার রয়েছে। "Talk" বলতে সাধারণত কথ্য শব্দের মাধ্যমে যোগাযোগের কাজকে বোঝায়, যখন "Tell" বিশেষভাবে কাউকে তথ্য বা নির্দেশাবলী জানানোর অর্থ। উদাহরণস্বরূপ, আপনি বলতে পারেন "I need to talk to my boss about my vacation time" অথবা "Leবিস্তারিত পড়ুন
“Talk” এবং “Tell” উভয় ক্রিয়াপদ, কিন্তু তাদের সামান্য ভিন্ন অর্থ এবং ব্যবহার রয়েছে।
“Talk” বলতে সাধারণত কথ্য শব্দের মাধ্যমে যোগাযোগের কাজকে বোঝায়, যখন “Tell” বিশেষভাবে কাউকে তথ্য বা নির্দেশাবলী জানানোর অর্থ। উদাহরণস্বরূপ, আপনি বলতে পারেন “I need to talk to my boss about my vacation time” অথবা “Let’s talk about our plans for the weekend.”
বিপরীতে, আপনি বলতে পারেন “I told my boss about my vacation plans” বা “Please tell me what you want for dinner.”
এছাড়াও, “talk” আরও অনানুষ্ঠানিক এবং যেকোনো ধরনের কথোপকথনে ব্যবহার করা যেতে পারে, যেখানে “tell” আরও আনুষ্ঠানিক এবং গুরুতর বা অফিসিয়াল কথোপকথনে ব্যবহৃত হয়।
মনেহয় বোঝাতে পেরেছি।
সংক্ষেপে দেখুন‘মক্ষিকা বৃত্তি’ কাকে বলা হয়?
সাধারণ মাছির (মক্ষি) মত কিছু মানুষ অন্যের দুর্বলতা, ক্ষত, দুঃখ, ভুল ত্রুটি গুলিই খুঁজে বেড়ায় এবং তা ঘাঁটা ঘাঁটি করে আনন্দ পায়। একে বলা হয় মক্ষিকা বৃত্তি। তাদের মনে আর বিশেষ ভালো কিছু থাকে না। অন্যের দোষ ত্রুটি, ক্ষত, দুর্বলতা খোঁজা তাদের স্বভাবে পরিনত হয়। এটাকেই বলা হয় মক্ষিকা বৃত্তি। সমাজের ক্ষেত্রবিস্তারিত পড়ুন
সাধারণ মাছির (মক্ষি) মত কিছু মানুষ অন্যের দুর্বলতা, ক্ষত, দুঃখ, ভুল ত্রুটি গুলিই খুঁজে বেড়ায় এবং তা ঘাঁটা ঘাঁটি করে আনন্দ পায়। একে বলা হয় মক্ষিকা বৃত্তি। তাদের মনে আর বিশেষ ভালো কিছু থাকে না। অন্যের দোষ ত্রুটি, ক্ষত, দুর্বলতা খোঁজা তাদের স্বভাবে পরিনত হয়। এটাকেই বলা হয় মক্ষিকা বৃত্তি। সমাজের ক্ষেত্রে যারা মক্ষিকা বৃত্তি করে তাদের দ্বারা বিশেষ ভালো কিছু হয় না।
অন্যদিকে মধু মাছি, ভ্রমর চরিত্র তথা ভালো ও সৎ সভাবের মানুষ অন্যের শুভ চিন্তা ভাবনা কামনা করে, শুভ সংবাদ বয়ে আনে। কারো ক্ষত দেখে পরিহাস করে না বরং নিজে কাছে গিয়ে প্রলেপ লাগিয়ে দিতে চাই। দেখা যায় মানুষও সেই সব মধু মক্ষি, মৌমাছি চরিত্রবানদের পাশে এসে বসতে চাই, থাকতে চাই, সময় কাটাতে চাই যাতে নিজের মনের বিস্তার ঘটে তথা সৎ স্বভাব, শুভ চিন্তা ভাবনার অগ্রগতি হয়।
তাই বলা যায় মানুষকে মক্ষিকা বৃত্তির মত সভাব চরিত্র বর্জন করে মৌমাছির মত হতে হবে। অন্য দিকে যারা সমাজে মক্ষিকা বৃত্তি করে বেড়াই তাদের থেকে দূরে থাকাই উত্তম কাজ।
সংক্ষেপে দেখুনঘুম কমানোর উপায় কি? দিনে কত ঘন্টা ঘুমানো উচিত?
ঘুম কমানো ভালো কাজ নয়। এতে স্বাস্থ্যের বিভিন্ন রকম ক্ষতি হয়। আবার বেশি ঘুম স্বাস্থ্যের পক্ষে খারাপ। রাত ১১-২ টা পর্যন্ত ঘুমালে হবে। ডেল্টা স্লিপ কী? রাত ১১ টা থেকে ২ টা পর্যন্ত সময়ের ঘুমকে ডেল্টা স্লিপ বলে। এই ঘুম যদি কেউ না পায় তাহলে বাকি ২৪ ঘন্টায় ২০ ঘন্টা ঘুমালেও ঘুমের আসল তৃপ্তি পাওয়া যায় নবিস্তারিত পড়ুন
ঘুম কমানো ভালো কাজ নয়। এতে স্বাস্থ্যের বিভিন্ন রকম ক্ষতি হয়। আবার বেশি ঘুম স্বাস্থ্যের পক্ষে খারাপ।
রাত ১১-২ টা পর্যন্ত ঘুমালে হবে।
ডেল্টা স্লিপ কী?
রাত ১১ টা থেকে ২ টা পর্যন্ত সময়ের ঘুমকে ডেল্টা স্লিপ বলে। এই ঘুম যদি কেউ না পায় তাহলে বাকি ২৪ ঘন্টায় ২০ ঘন্টা ঘুমালেও ঘুমের আসল তৃপ্তি পাওয়া যায় না। আর ডেল্টা স্লিপ না পাওয়ার ফলে ব্রেনের কার্যক্ষমতা কমে যাওয়া শুরু করে। পড়তে, খেতে এবং যেকোনো কাজ করতে আলসেমি অনূভুত হয়।
ডা. জিয়াউল হক স্যার।
সূত্রঃ ইন্টার্নেট
সংক্ষেপে দেখুনঅনেক ক্রিকেটারকে দেখি মুখে ও ঠোঁটে সাদা পাউডার বা লিপস্টিক টাইপের কিছু ব্যবহার করে। ওইটা কী এবং কেন ব্যবহার করে?
এগুলো খেলোয়াড়রা ব্যাবহার করে নিজেদের ত্বক রক্ষা করার জন্যে। এই পাউডার কে জিংক পাউডার বলা হয়। এই পাউডার ইউভি - এ আর ইউভি- বি রশ্মি থেকে ত্বক কে রক্ষা করে।এই পাউডার খেলোয়াড়রা দিনের মাচেই ব্যাবহার করে রোদের আলো থেকে ত্বককে রক্ষা করার জন্যে। আর ঠোটে অনেকসময় জার্সির সাথে মিল রেখে সৌন্দর্য বর্ধনের জবিস্তারিত পড়ুন
এগুলো খেলোয়াড়রা ব্যাবহার করে নিজেদের ত্বক রক্ষা করার জন্যে। এই পাউডার কে জিংক পাউডার বলা হয়। এই পাউডার ইউভি – এ আর ইউভি- বি রশ্মি থেকে ত্বক কে রক্ষা করে।এই পাউডার খেলোয়াড়রা দিনের মাচেই ব্যাবহার করে রোদের আলো থেকে ত্বককে রক্ষা করার জন্যে। আর ঠোটে অনেকসময় জার্সির সাথে মিল রেখে সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য একই কালারের ক্রিম ব্যাবহার করে।
বিশেষ করে টেস্ট ম্যাচে সারাদিন ফিল্ডিং করা লাগে,তখন এই পাউডার ব্যাবহার না করলে ,কিছুটা নিম্নোক্ত ব্যাক্তির মত চেহারার হাল হবার আশঙ্কা আছে..
ধন্যবাদ!
সূত্রঃ ইন্টার্নেট
সংক্ষেপে দেখুন