সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
ইসরাইল ও ফিলিস্তিন যুদ্ধের শেষ কোথায়?
ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের যুদ্ধের শেষ কোথায়? এ প্রশ্নের উত্তর আজও অস্পষ্ট। দীর্ঘদিনের ভূমি, ধর্ম এবং ক্ষমতার লড়াই অসংখ্য প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে। গাজায় শিশুর কান্না, ধ্বংসস্তূপে হারিয়ে যাওয়া পরিবার—এ যেন মানবতার করুণ চিত্র। একদিকে ইসরায়েলের নিরাপত্তার দাবি, অন্যদিকে ফিলিস্তিনিদের স্বাধীনতার সংগ্রাম। তবিস্তারিত পড়ুন
ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের যুদ্ধের শেষ কোথায়? এ প্রশ্নের উত্তর আজও অস্পষ্ট। দীর্ঘদিনের ভূমি, ধর্ম এবং ক্ষমতার লড়াই অসংখ্য প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে। গাজায় শিশুর কান্না, ধ্বংসস্তূপে হারিয়ে যাওয়া পরিবার—এ যেন মানবতার করুণ চিত্র। একদিকে ইসরায়েলের নিরাপত্তার দাবি, অন্যদিকে ফিলিস্তিনিদের স্বাধীনতার সংগ্রাম। তবু, শান্তির পথ আজও অজানা। হয়তো সত্যিকারের সংলাপ আর সমঝোতাই এই রক্তক্ষয়ী ইতিহাসের শেষ অধ্যায় হতে পারে। আরও পড়ুনঃ ইসরাইল ফিলিস্তিন যুদ্ধের বর্তমান অবস্থা কি?
সংক্ষেপে দেখুনইসরাইল ফিলিস্তিন যুদ্ধের বর্তমান অবস্থা কি?
ইসরাইল ফিলিস্তিন যুদ্ধের বর্তমান অবস্থা ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের মূল কারণ হলো ভূমি, রাজনৈতিক ক্ষমতা এবং ধর্মীয় বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে উভয় পক্ষের দাবিদাওয়া। ১৯৪৮ সালে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই সংঘাত শুরু হয়, যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে তীব্র আকার ধাবিস্তারিত পড়ুন
ইসরাইল ফিলিস্তিন যুদ্ধের বর্তমান অবস্থা
ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের মূল কারণ হলো ভূমি, রাজনৈতিক ক্ষমতা এবং ধর্মীয় বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে উভয় পক্ষের দাবিদাওয়া। ১৯৪৮ সালে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই সংঘাত শুরু হয়, যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে তীব্র আকার ধারণ করেছে।
সর্বশেষ সংঘাতের সূত্রপাত ঘটে সাম্প্রতিক সময়ে, যখন হামাস (সাথে হিজবুল্লাহ) ইসরাইলের ওপর আকস্মিক আক্রমণ চালায়। এর প্রতিক্রিয়ায় ইসরাইল গাজা উপত্যকায় ব্যাপক বিমান হামলা শুরু করে। এই সংঘাতে উভয় পক্ষের হাজার হাজার মানুষ নিহত ও আহত হয়েছেন।
বর্তমানে, ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় মানবিক পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটাপন্ন। ইসরাইলের অবরোধের কারণে খাদ্য, পানি, ওষুধসহ জরুরি সামগ্রীর তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থা এই পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে চলমান এই সংঘাতের সমাধান খুঁজে বের করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বিভিন্ন প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে, উভয় পক্ষের মধ্যে আস্থা ও সমঝোতার অভাবে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা এখনো সম্ভব হয়নি।
এই সংঘাতের মূল কারণগুলো হলো:
ভূমি নিয়ে বিরোধ: উভয় পক্ষই জেরুজালেমসহ কিছু নির্দিষ্ট এলাকা নিজেদের বলে দাবি করে।
রাজনৈতিক ক্ষমতা: ফিলিস্তিনিরা স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করছে, যেখানে ইসরাইল তাদের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সচেষ্ট।
ধর্মীয় বিশ্বাস: জেরুজালেম শহরটি ইহুদি, খ্রিস্টান ও মুসলমানদের জন্য পবিত্র স্থান হওয়ায় এখানে নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ রয়েছে।
ফিলিস্তিনের বর্তমান অবস্থা অত্যন্ত জটিল ও সংকটাপন্ন। গাজা উপত্যকায় অবকাঠামো ধ্বংস, অর্থনৈতিক অবরোধ এবং মানবিক সহায়তার অভাবে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়েছে। পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতি স্থাপন ও নিরাপত্তা চৌকির কারণে ফিলিস্তিনিদের চলাচল ও অর্থনৈতিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
ইসরাইল ফিলিস্তিন যুদ্ধের বর্তমান অবস্থা নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উদ্বিগ্ন। স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য উভয় পক্ষের মধ্যে সংলাপ ও সমঝোতা অপরিহার্য। তবে, দীর্ঘদিনের অবিশ্বাস ও বিরোধের কারণে এই প্রক্রিয়া অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং।
সংক্ষেপে দেখুনHistacin Tablet (হিস্টাসিন ট্যাবলেট) বেশি খেলে কি ক্ষতি হতে পারে?
Histacin Tablet এর কাজ কি? হিস্টাসিন (Histacin) একটি অ্যান্টিহিস্টামিন যা নাকে প্রদাহ, সর্দি, চোখের লালচে ভাব এবং অ্যালার্জি সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যায় ব্যবহৃত হয়। এটি বিশেষ করে আর্টিকেরিয়া, কীট-পতঙ্গের কামড়, এবং ওষুধের প্রতিক্রিয়ায় চুলকানি ও ব্যথার ক্ষেত্রে কার্যকরী। এছাড়া, ঠাণ্ডা, কাশি, এবংবিস্তারিত পড়ুন
Histacin Tablet এর কাজ কি?
হিস্টাসিন (Histacin) একটি অ্যান্টিহিস্টামিন যা নাকে প্রদাহ, সর্দি, চোখের লালচে ভাব এবং অ্যালার্জি সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যায় ব্যবহৃত হয়। এটি বিশেষ করে আর্টিকেরিয়া, কীট-পতঙ্গের কামড়, এবং ওষুধের প্রতিক্রিয়ায় চুলকানি ও ব্যথার ক্ষেত্রে কার্যকরী। এছাড়া, ঠাণ্ডা, কাশি, এবং জ্বরের সময়ও হিস্টাসিন ব্যবহৃত হয়।
হিস্টাসিন ট্যাবলেট খাওয়ার নিয়ম কি?
প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য হিস্টাসিন ট্যাবলেটের ডোজ হলো ৪ মিগ্রা প্রতি ৪-৬ ঘণ্টা পর পর, সর্বোচ্চ ২৪ মিগ্রা দৈনিক। শিশুদের জন্য ডোজ তাদের বয়স অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। ৬-১২ বছরের শিশুদের জন্য ২ মিগ্রা প্রতি ৪-৬ ঘণ্টা পর পর, সর্বোচ্চ ১২ মিগ্রা দৈনিক দেওয়া হয়।
হিস্টাসিন বেশি খেলে কি হয়?
হিস্টাসিন অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে ঝিমুনি, পেশীর দুর্বলতা, এবং হজমের সমস্যাসহ অন্যান্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে। তাই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী নির্ধারিত ডোজ অনুযায়ী হিস্টাসিন গ্রহণ করা উচিত।
হিস্টাসিন ট্যাবলেট এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলো কি?
হিস্টাসিনের সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে ঝিমুনি, পেশীর দুর্বলতা, এবং হজমের সমস্যা। এগুলো সাধারণত সহনীয় হলেও মাঝে মাঝে আরও গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে, তাই সতর্ক থাকা জরুরি।
হিস্টাসিন ট্যাবলেট খেলে কি ঘুম হয়?
হ্যাঁ, হিস্টাসিন ট্যাবলেট খাওয়ার ফলে ঝিমুনি এবং ঘুম আসতে পারে। এটি মস্তিষ্কের সেই অংশকে সক্রিয় করে যা ঘুম নিয়ন্ত্রণ করে, ফলে এটি ঘুম আনার ক্ষেত্রে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।
সংক্ষেপে দেখুনভিটামিন ডি আপনার শরীরের জন্য অপরিহার্য কেন?
ভিটামিন ডি: আপনার শরীরের অপরিহার্য অংশ কতজন জানেন যে ভিটামিন ডি আপনার শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ? এটি কেবল আপনার হাড় এবং দাঁতের স্বাস্থ্য নিরাপদ রাখতে সাহায্য করেনা, বরং এটি আপনার ইমিউন সিস্টেম, মনোবৈজ্ঞানিক স্বাস্থ্য এবং আরও অনেক কিছু নিয়ন্ত্রণ করে। বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ ভিটামিন ডি-এর অভবিস্তারিত পড়ুন
ভিটামিন ডি: আপনার শরীরের অপরিহার্য অংশ
কতজন জানেন যে ভিটামিন ডি আপনার শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ? এটি কেবল আপনার হাড় এবং দাঁতের স্বাস্থ্য নিরাপদ রাখতে সাহায্য করেনা, বরং এটি আপনার ইমিউন সিস্টেম, মনোবৈজ্ঞানিক স্বাস্থ্য এবং আরও অনেক কিছু নিয়ন্ত্রণ করে।
বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ ভিটামিন ডি-এর অভাবে ভুগেন। আমাদের দেশে সূর্যালোক প্রচুর না থাকা, নিম্নমানের খাবার গ্রহণ করা, দীর্ঘসময় ব্যায়াম না করা – এসব কারণেই অধিকাংশ মানুষ ভিটামিন ডি-এর অভাবে ভুগেন।
আজকের লেখায় আমরা জেনে নেবো ভিটামিন ডি এর অভাব কেন ঘটে, তার লক্ষণ কী এবং তা থেকে কিভাবে বাঁচা যায়। এর পাশাপাশি, আমরা জানব ভিটামিন ডি-র উৎস কোথায় এবং তা থেকে আমাদের শরীর কি প্রকার সুফল লাভ করতে পারে। এতে স্বাস্থ্যবিষয়ক কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস পাবেন। আশা করি এটি আপনাকে সাহায্য করবে!
ভিটামিন ডি অভাবের কারণ
সূর্যালোকের অভাব
সূর্যালোকের সংস্পর্শে আসলে আমাদের ত্বক ভিটামিন ডি তৈরি করে। কিন্তু বাংলাদেশে বছরভর্তি বৃষ্টির কারণে আমরা সূর্যালোকের প্রভাব কম পাই।
নিম্নমাত্রায় খাবার
ভিটামিন ডি পেতে খাদ্যে মাংস, ডেইরি পণ্য ও মাছ খাওয়া দরকার। কিন্তু দরিদ্রতার কারণে অধিকাংশ মানুষ এই খাবার খেতে পারে না।
বেশিরভাগই বাসার ভেতরে অতিবাহিত সময় কাটান
বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষই দৈনন্দিন কর্মসৃষ্টির জন্য বেশিরভাগ সময় বাসার ভেতরে কাটায়। এতে সূর্যালোকের পর্যাপ্ত প্রভাব পাওয়া যায় না এবং ফলে ত্বক থেকে ভিটামিন ডি তৈরি হয় না।
অলস জীবনধারা
অধিকাংশ বাংলাদেশি মানুষই কম ব্যায়ামের জীবনযাপন করেন। যারা অফিসকর্মী, তাদের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে এটি প্রভাবিত করে। ভিটামিন ডি তৈরির জন্য ব্যায়াম ও সূর্যের প্রভাব প্রয়োজনীয়।
কালো চর্মের মানুষদের ক্ষেত্রে
কালো চর্মের ব্যক্তিরা সূর্যের প্রভাব পেতে বেশি সময় লাগে তাদের ত্বক থেকে ভিটামিন ডি তৈরি করার জন্য। তাই তারা অন্য কোনো কারণেই যদি সূর্যালোক না পায় তবে ভিটামিন ডি-এর অভাব দেখা দিতে পারে।
ভিটামিন ডি-এর অভাবের লক্ষণ
ভিটামিন ডি-এর অভাবের লক্ষণ হলো
– দুর্বল ও ভঙ্গুর হাড়
– পিঠে, শরীরে ব্যাথা
– মাথাব্যথা
– রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার কমতি
– অস্থির মনোভাব
এসব লক্ষণ দেখা দিলে তার কারণ হিসেবে ভিটামিন ডি-এর অভাব নির্ণয় করা যায়। তবে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত।
ভিটামিন ডি এর অভাবের জন্য চিকিৎসা
ভিটামিন ডি-এর অভাব থেকে বেঁচে থাকার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসরণ করা উচিত:
– ডাক্তারের নির্দেশনায় ভিটামিন ডি গ্রহণ করা
– সূর্যালোকে বেশি সময় অবস্থান
– মাংস, ডেয়ারি, মাছ ও অন্যান্য ভিটামিন ডি যুক্ত খাদ্য গ্রহণ
– নিয়মিত ব্যায়াম
আরো ভিটামিন ডি পাওয়ার উপায়
চিকিৎসকের পরামর্শ মতে নিজেকে সুস্বাস্থ্য রাখার জন্য আরো কিছু উপায় রয়েছে:
– প্রতিদিন 15-30 মিনিট রোদে বের হওয়া
– দীর্ঘসময় কমপোশাকে বের হওয়া
– নিয়মিত ব্যায়াম ও মেডিটেশন
– স্বাস্থ্য সম্পর্কিত অ্যাপে ট্র্যাক করা
– খাবার তালিকায় ভিটামিন ডি যুক্ত খাবার রাখা
এসব অনুসরণ করে আপনি নিজেকে ভিটামিন ডি-এর অভাব থেকে রক্ষা করতে পারবেন এবং সুস্থ থাকবেন। চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন এবং নিয়মিত পরীক্ষা করান।
ভিটামিন ডি যুক্ত খাবারের তালিকা
ভিটামিন ডি-র সূত্র হিসেবে উল্লেখ করা যায় মাংস, ডেয়ারি ও মাছ। তবে এসব সবাই খেতে পারছে না। এছাড়াও ভিটামিন ডি পেতে আরও কিছু স্বাভাবিক খাবার রয়েছে, যেমন-
– ডাল, চাউল – এতে ভিটামিন বি ১২ ও ভিটামিন ডি থাকে।
– শাকসবজি, যেমন পালঙ্গ, ফলি – এতে ভিটামিন ডি থাকে।
– তৈলাক্ত মাছ, যেমন ইলিশ – এতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এয়ার্ড ও ভিটামিন ডি থাকে।
এগুলো খেয়েও ভিটামিন ডি-র অভাব পূরণ করা যায়। তবে অতি গুরুত্বপূর্ণ হলে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে ভিটামিন ডি ক্যাপসুল বা ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট নিতে পারেন।
ভিটামিন ডি অভাবের লক্ষণ দেখা দিলে তার কারণ নির্ণয়ের জন্য ডাক্তারের কাছে যাওয়াই ভালো। তবে খাবার পরিবর্তন করে এবং সূর্যালোকে বেশি সময় কাটানো ভিটামিন ডি-এর অভাব থেকে আপনাকে দূরে রাখতে পারে।
সংক্ষেপে দেখুনজিরো ওয়াটের বাল্ব কি সত্যি কোন বিদ্যুৎ ব্যবহার করেনা? কেন জিরো ওয়াট লেখা হয়?
'জিরো ওয়াট' মানে হয় কোনও ওয়াটই নয়। তার মানে হল, কোন বিদ্যুৎ পুড়বেনা ('জিরো ওয়াট তো) অথচ হালকা আলো জ্বলবে।ব্যাপারটা কাঁঠালের আমসত্ত্ব বা সোনার পাথরবাটি মনে হচ্ছে না কি? কোন শক্তি খরচ হবে না, অথচ আলোর শক্তি পাওয়া যাবে।'কিছু না' থেকে 'কিছু' পাওয়া যাবে। এটা একদম অবৈজ্ঞানিক যুক্তি! তাহলে যুক্তিটা কি? প্যবিস্তারিত পড়ুন
‘জিরো ওয়াট’ মানে হয় কোনও ওয়াটই নয়। তার মানে হল, কোন বিদ্যুৎ পুড়বেনা (‘জিরো ওয়াট তো) অথচ হালকা আলো জ্বলবে।ব্যাপারটা কাঁঠালের আমসত্ত্ব বা সোনার পাথরবাটি মনে হচ্ছে না কি? কোন শক্তি খরচ হবে না, অথচ আলোর শক্তি পাওয়া যাবে।’কিছু না’ থেকে ‘কিছু’ পাওয়া যাবে। এটা একদম অবৈজ্ঞানিক যুক্তি!
তাহলে যুক্তিটা কি?
প্যাকেটগুলো লক্ষ্য করুন— কি লেখা আছে? দোকানদারেররা ‘নাইট ল্যাম্প’গুলোকে বলে (আমরাও বিশ্বাস করি), ‘জিরো ওয়াটের’ বাল্ব। তার মানে হল, কোন বিদ্যুৎ পুড়বেনা (‘জিরো ওয়াট তো) অথচ হালকা আলো জ্বলবে। কিন্তু বড় কোম্পানিগুলো( এখানে ছবিতে বর্ণিত ফিলিপস) এই ‘নাইট ল্যাম্প’গুলোকে ‘জিরো ওয়াট’ বলে দাবি করেনা। বাল্বের কার্টনে পরিষ্কার লিখে দেয় 15 W , মানে, একটি ‘জিরো ওয়াট’ বাল্ব, ঘন্টায় ১৫ ওয়াট বিদ্যুৎ পোড়ায়।
এইবারে একটু গভীরে যাওয়া যাক।এইরকম একটি ‘জিরো ওয়াটের’ বাল্ব কত ইউনিট (একক) বিদ্যুৎ খরচ করে? ধরে নেওয়া যাক, বাল্বটি প্রতিদিন ৬ ঘন্টা করে জ্বলে। তাহলে একটু অঙ্ক কষা দরকার, সহজ পাটিগণিত।
সময় : ৬ ঘন্টা;পাওয়ার : ১৫ ওয়াট (প্রতি ঘন্টায় ১৫ ওয়াট বিদ্যুৎ পোড়ায়।);প্রতিদিনের মোট বিদ্যুৎ খরচ (ছয় ঘন্টার হিসেবে) : ১৫ x ৬ = ৯০ ওয়াট-ঘন্টা (Watt-hour, সংক্ষেপে Wh)
বিদ্যুতের ইউনিট এক কিলো ওয়াট-ঘন্টা (kWh)। মানে এক ওয়াট-ঘন্টার হাজার গুণ।
তাহলে, প্রতিদিনের বিদ্যুৎ খরচা = ৯০ / ১০০০ = ০.০৯ কিলো ওয়াট-ঘন্টা (kilowatt-hour, kWh)
= ০.০৯ ইউনিট (এক ইউনিটও না)
মাসিক (৩০ দিন) বিদ্যুৎ খরচা = ৩০ x ০.০৯ =০.২৭ ইউনিট (তা-ও এক ইউনিট হলনা)
তাহলে দেখতে পাচ্ছি, এই বাল্বগুলো খুবই কম বিদ্যুৎ পোড়ায় কিন্তু আক্ষরিক অর্থে ‘০’ নয়, তাহলে বাল্ব কোম্পানিরা এগুলোকে ‘জিরো ওয়াট’ বলে কেন? এটা একটা বাণিজ্যিক চালাকি, যদিও এই চালাকিতে আপনি বিশেষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন না। বিদ্যুৎ পুড়ছে, আপনি ইলেকট্রিক বিল মেটাচ্ছেন, কিন্তু আপনি সেটা জানছেন না, ব্যস- এইটুকুই।
চালাকি কি আদৌ ধরা গেলো? না, এইটা বুঝতে একটু বাবরের আমলের একধরণের মিটারের দিকে তাকাতে হবে, তাহলেই যুক্তি আর বিজ্ঞানের গোঁজামিলটা ধরতে পারবেন। এজন্য দেখবেন, আজকাল ডিজিটাল মিটার বসানো হচ্ছে।
বাবরের আমলের মিটার কেমন ছিল মনে আছে? এখনো অনেক বাড়ীতেই আছে। দেখুন-
এই ধরনের মিটারের একটা টেকনিক্যাল নাম আছে, একে বলে ইলেকট্রোমেকানিকল টাইপ মিটার(Electromechanical Induction type)এইসব মিটারে, চাকাটা ৬০০ বার ঘুরলে তবে ডায়ালে এক ইউনিট (1 kWh) বিদ্যুৎ খরচা হয়েছে দেখাত।
এইবারে, এই প্রযুক্তিতে একটা ‘জিরো ওয়াটের’ বাল্ব, প্রতিদিন ৬ ঘন্টা জ্বললে যে বিদ্যুৎ খরচা হয় সেটা এইরকম পুরোনো মিটারে কত দেখাবে ? হিসেব করা যাক :
১ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচা = ১ পাক (৬০০ পাকে এক ইউনিট হয়।)
তাহলে, ০.২৭ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচা = ০.২৭ x ৬০০ = ১৬২ পাক
এদিকে মিটারের চাকা ৬০০ পাক না ঘুরলে, মিটারের ডায়াল ১ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচা দেখাবে না (কেমন করে দেখাবে? এক ইউনিট দেখাতে গেলে চাকাকে ৬০০ পাক খেতে হবে। এখানে চাকা পাক খেয়েছে ১৬২ টি)। মানেটা কী দাঁড়াল? মানেটা হল এই যে, একটা মিটারে একটিমাত্র ‘জিরো ওয়াটের’ বাল্ব যদি একমাসও জ্বলে, তাহলেও এনার্জি মিটার কোন ইউনিট দেখাবে না তাহলে ‘জিরো ওয়াটের বাল্ব’ই তো হল। যুক্তিতে হল, বিজ্ঞানে হলনা।
এই ফাঁকি রুখতেই এখন নতুন মিটারগুলো এইরকম আসছে-
এই ডিজিটাল মিটারগুলো, ৬৪০০ পালস্ হলে এক ইউনিট দেখায়। কম হলে কম ইউনিট (একমাত্র মিটার বন্ধ থাকলেই শূন্য দেখাবে)। তাহলে, একটা ‘জিরো ওয়াটের বাল্ব, একমাস, দিনে ৬ ঘন্টা করে জ্বললে ০.২৭ ইউনিট বিদ্যুৎ পোড়ায় (আমরা তো হিসেব করে দেখলাম)। পুরোনো মিটারগুলোতে তো এক ইউনিটও দেখাচ্ছে না। ডিজিটাল মিটারে কত দেখাবে ? ০.২৭ x ৬,৪০০ = ১,৭২৮ পালস্। মানে এক ইউনিটের এক চতুর্থাংশের একটু বেশি (শূন্য নয়)।
তাহলে গোটা ব্যাপারটা কি দাঁড়ালো? ডিজিটাল এনার্জি মিটারে পরীক্ষা করলে ‘জিরো ওয়াটের বাল্ব’ আর ‘জিরো ওয়াট’ রইলনা। ‘কিছু ওয়াট’ হোল।
একেই বলে চোরের ওপর বাটপারি!
মূলঃ কোরা
সংক্ষেপে দেখুনbluetooth headphones কেনার আগে কোন কোন বিষয় খেয়াল রাখা দরকার?
ব্লুটুথ হেডফোন কেনার আগে সেন্সিটিভিটি, ড্রাইভারের আকার, রেজিস্ট্যান্ট দেখে কেনা উচিত। স্বাভাবিক কাজের জন্য সাধারণত ১০২ ডেসিবলে এককের কাছাকাছি থাকা উচিত। তবে কমপক্ষে ৯০dB/mW থেকে ১১৫dB/mW রেঞ্জ ফ্রিকোয়েন্সি উৎপাদনে সক্ষম, এমন bluetooth headphones কেনা উচিত। এক্ষেত্রে আপনার পছন্দ অনুযায়ী নিতে পারেন। সবিস্তারিত পড়ুন
ব্লুটুথ হেডফোন কেনার আগে সেন্সিটিভিটি, ড্রাইভারের আকার, রেজিস্ট্যান্ট দেখে কেনা উচিত।
স্বাভাবিক কাজের জন্য সাধারণত ১০২ ডেসিবলে এককের কাছাকাছি থাকা উচিত। তবে কমপক্ষে ৯০dB/mW থেকে ১১৫dB/mW রেঞ্জ ফ্রিকোয়েন্সি উৎপাদনে সক্ষম, এমন bluetooth headphones কেনা উচিত। এক্ষেত্রে আপনার পছন্দ অনুযায়ী নিতে পারেন।
সাধারণত ৯ থেকে ১৬ মিলিমিটার ব্যাসের ড্রাইভার বিশিষ্ট ব্লুটুথ হেডফোন নেয়া উচিত। এতে গান মোটামুটি ভালো ভাবেই উপভোগ করতে পারবেন।
bluetooth headphones ভলিউম রেঞ্জ বিবেচনার ক্ষেত্রে সাধারণ মাপকাঠি হলো ৩০ ওহম। ভলিউম রেঞ্জ সর্বনিম্ন ১০ হার্জ থেকে সর্বোচ্চ ২৫ হাজার হার্জ এর মধ্যে থাকা সবচেয়ে ভাল। এর বেশিও নিতে পারেন।
ইম্পিডেন্স ভ্যালু কম হলে বেশি জোরে আওয়াজ শোনা যাবে সেই হেডফোনে। যদিও মাথায় রাখা প্রয়োজন হাই ইম্পিডেন্স হেডফোনের নিজস্ব সুবিধা রয়েছে। এই ব্লুটুথ হেডফোনে জোরে আওয়াজ দিলেও আওয়াজ ফেটে যাওয়ার সুযোগ কম। প্রফেশানাল অডিও মিক্সিং এর জন্য হাই ইম্পিডেন্স হেডফোন বেশি ভালো। সব সময় এসব বিষয় বিবেচনা করে হেডফোন কেনার চেষ্টা করুন।
ইদানিং অনেক কম দামেই ভালো মানের ব্লুটুথ হেডফোন বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। সর্বনিম্ন ৫০০ থেকে ৭০০০ টাকার মধ্যেই ভালো কোয়ালিটির ব্লুটুথ হেডফোন পেতে পারেন। তবে ওয়্যারেন্টির বিষয়টি মাথায় রাখবেন।
সংক্ষেপে দেখুনঘুম কমানোর উপায় কি? দিনে কত ঘন্টা ঘুমানো উচিত?
ঘুম কমানো ভালো কাজ নয়। এতে স্বাস্থ্যের বিভিন্ন রকম ক্ষতি হয়। আবার বেশি ঘুম স্বাস্থ্যের পক্ষে খারাপ। রাত ১১-২ টা পর্যন্ত ঘুমালে হবে। ডেল্টা স্লিপ কী? রাত ১১ টা থেকে ২ টা পর্যন্ত সময়ের ঘুমকে ডেল্টা স্লিপ বলে। এই ঘুম যদি কেউ না পায় তাহলে বাকি ২৪ ঘন্টায় ২০ ঘন্টা ঘুমালেও ঘুমের আসল তৃপ্তি পাওয়া যায় নবিস্তারিত পড়ুন
ঘুম কমানো ভালো কাজ নয়। এতে স্বাস্থ্যের বিভিন্ন রকম ক্ষতি হয়। আবার বেশি ঘুম স্বাস্থ্যের পক্ষে খারাপ।
রাত ১১-২ টা পর্যন্ত ঘুমালে হবে।
ডেল্টা স্লিপ কী?
রাত ১১ টা থেকে ২ টা পর্যন্ত সময়ের ঘুমকে ডেল্টা স্লিপ বলে। এই ঘুম যদি কেউ না পায় তাহলে বাকি ২৪ ঘন্টায় ২০ ঘন্টা ঘুমালেও ঘুমের আসল তৃপ্তি পাওয়া যায় না। আর ডেল্টা স্লিপ না পাওয়ার ফলে ব্রেনের কার্যক্ষমতা কমে যাওয়া শুরু করে। পড়তে, খেতে এবং যেকোনো কাজ করতে আলসেমি অনূভুত হয়।
ডা. জিয়াউল হক স্যার।
সূত্রঃ ইন্টার্নেট
সংক্ষেপে দেখুনঅনেক ক্রিকেটারকে দেখি মুখে ও ঠোঁটে সাদা পাউডার বা লিপস্টিক টাইপের কিছু ব্যবহার করে। ওইটা কী এবং কেন ব্যবহার করে?
এগুলো খেলোয়াড়রা ব্যাবহার করে নিজেদের ত্বক রক্ষা করার জন্যে। এই পাউডার কে জিংক পাউডার বলা হয়। এই পাউডার ইউভি - এ আর ইউভি- বি রশ্মি থেকে ত্বক কে রক্ষা করে।এই পাউডার খেলোয়াড়রা দিনের মাচেই ব্যাবহার করে রোদের আলো থেকে ত্বককে রক্ষা করার জন্যে। আর ঠোটে অনেকসময় জার্সির সাথে মিল রেখে সৌন্দর্য বর্ধনের জবিস্তারিত পড়ুন
এগুলো খেলোয়াড়রা ব্যাবহার করে নিজেদের ত্বক রক্ষা করার জন্যে। এই পাউডার কে জিংক পাউডার বলা হয়। এই পাউডার ইউভি – এ আর ইউভি- বি রশ্মি থেকে ত্বক কে রক্ষা করে।এই পাউডার খেলোয়াড়রা দিনের মাচেই ব্যাবহার করে রোদের আলো থেকে ত্বককে রক্ষা করার জন্যে। আর ঠোটে অনেকসময় জার্সির সাথে মিল রেখে সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য একই কালারের ক্রিম ব্যাবহার করে।
বিশেষ করে টেস্ট ম্যাচে সারাদিন ফিল্ডিং করা লাগে,তখন এই পাউডার ব্যাবহার না করলে ,কিছুটা নিম্নোক্ত ব্যাক্তির মত চেহারার হাল হবার আশঙ্কা আছে..
ধন্যবাদ!
সূত্রঃ ইন্টার্নেট
সংক্ষেপে দেখুন