সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
সূর্য বা সূর্যের আলোর দিকে কিছুক্ষন তাকিয়ে থাকলে হাঁচি আসে কেনো?
সরাসরি দিনের আকাশের দিকে তাকালে কিংবা সূর্যের দিকে তাকালে কি আপনার হাঁচি হয়? এক তৃতীয়াংশ লোকে বলবে হ্যাঁ হয়, বাকিরাও চিন্তায় পরে যাবে। আলো দেখে এভাবে হাঁচি দেয়াকে বলে ফোটিক স্নিজ রিফ্লেক্স। এই প্রশ্নটি অনেক মহাজ্ঞানীকেও ভাবিয়েছে। এরিস্টটল মনে করতেন নাকের উপর সূর্যের তাপ এজন্য দায়ী। আবার ইংরেজ দার্শনবিস্তারিত পড়ুন
সরাসরি দিনের আকাশের দিকে তাকালে কিংবা সূর্যের দিকে তাকালে কি আপনার হাঁচি হয়? এক তৃতীয়াংশ লোকে বলবে হ্যাঁ হয়, বাকিরাও চিন্তায় পরে যাবে। আলো দেখে এভাবে হাঁচি দেয়াকে বলে ফোটিক স্নিজ রিফ্লেক্স।

এই প্রশ্নটি অনেক মহাজ্ঞানীকেও ভাবিয়েছে। এরিস্টটল মনে করতেন নাকের উপর সূর্যের তাপ এজন্য দায়ী। আবার ইংরেজ দার্শনিক ফ্রান্সিস বেকন ভেবেছিলেন সূর্যের আলোয় যে চোখের পানি হয়, তা নাকে গিয়ে হাঁচির উদ্রেক করে। কিন্তু ফিজিওলজি বা শারীরবিদ্যা অনুযায়ী তা সম্ভব নয়।
নতুন বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা অনুযায়ী, হাঁচির স্টিমুলেশন বহন করে ট্রাইজেমিনাল নার্ভ। ব্রেইনের ভেতর তা অপটিক বা চোখের নার্ভের কাছাকাছি থাকে। তীব্র আলোর অনুভূতি অপটিক নার্ভ দিয়ে বাহিত হবার সময় তা ট্রাইজেমিনাল নার্ভকেও স্টিমুলেট করে, ফলে হাঁচি হয়।
কিন্তু কোন অসুস্থতার সাথে সম্পর্ক না থাকায় এই বিষয়টি নিয়ে তেমন গবেষণা হয় নি। তবুও, ১৯৬০ সালের এক গবেষণায় দেখা যায় এই বৈশিষ্ট্য আমাদের জিন বা বংশগতি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত, এবং এটি অটোজোমাল প্রকট বৈশিষ্ট্য। তাই বাবা বা মা যে কোন একজনের থাকলে অর্ধেক সন্তানে এই বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পাবে।
সংক্ষেপে দেখুনআমের আঁটি সাদা এবং তুলনামূলক দৃঢ় কেনো হয়?
যেসব কোষে সূর্যের আলো পোঁছায় না তাদের মধ্যে লিউকোপ্লাস্ট দেখা দেয়। আলোর সংস্পর্শে আসলে লিউকোপ্লাস্ট ক্লোরোফিলে পরিনত হয়। আমের আটিতে যেহেতু সূর্যের আলো পোঁছায় না তাই আমের আঁটিতে লিউকোপ্লাস্ট থাকার কারণে সাদা দেখায়। আম একটি আবৃতবিজী উদ্ভিদ। সেক্ষেত্রে আমের আটির শক্ত হবার জন্য তো ট্রাকিড দায়ী। ধন্যবিস্তারিত পড়ুন
যেসব কোষে সূর্যের আলো পোঁছায় না তাদের মধ্যে লিউকোপ্লাস্ট দেখা দেয়। আলোর সংস্পর্শে আসলে লিউকোপ্লাস্ট ক্লোরোফিলে পরিনত হয়। আমের আটিতে যেহেতু সূর্যের আলো পোঁছায় না তাই আমের আঁটিতে লিউকোপ্লাস্ট থাকার কারণে সাদা দেখায়।
আম একটি আবৃতবিজী উদ্ভিদ। সেক্ষেত্রে আমের আটির শক্ত হবার জন্য তো ট্রাকিড দায়ী।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনবাংলাদেশের মিনি কক্সবাজার কোথায় অবস্থিত?
মিনি কক্সবাজার : ঢাকার দোহার উপজেলার পশ্চিম প্রান্ত ঘেঁষে বয়ে যাওয়া পদ্মা নদীর কোলে মৈনট ঘাট। এই মৈনট ঘাটকে মিনি কক্সবাজার বলা হয়। দোহার থেকে দূরত্ব প্রায় ৮ কিলোমিটার। নদীর ওপারে ফরিদপুরের চরভদ্রাসন। ঢাকার গুলিস্তান থেকে ঘাট পর্যন্ত সরাসরি পাকা রাস্তা রয়েছে। ঢাকার খুব কাছাকাছি হওয়ায় দুই ঘণ্টারবিস্তারিত পড়ুন
মিনি কক্সবাজার :
ঢাকার দোহার উপজেলার পশ্চিম প্রান্ত ঘেঁষে বয়ে যাওয়া পদ্মা নদীর কোলে মৈনট ঘাট। এই মৈনট ঘাটকে মিনি কক্সবাজার বলা হয়।


দোহার থেকে দূরত্ব প্রায় ৮ কিলোমিটার। নদীর ওপারে ফরিদপুরের চরভদ্রাসন। ঢাকার গুলিস্তান থেকে ঘাট পর্যন্ত সরাসরি পাকা রাস্তা রয়েছে।
ঢাকার খুব কাছাকাছি হওয়ায় দুই ঘণ্টার মধ্যেই আপনি এই মিনি কক্সবাজার পৌঁছে যেতে পারেন।
কেন যাবেন মিনি কক্সবাজার :
সারি সারি বাহারি রঙের ছাতার তলায় হেলানো চেয়ার সাজানো। দূরে তাকালে সমুদ্রের বেলাভূমির দৃশ্য। পদ্মার উত্তাল ঢেউ আপনার দিকে বারবার এগিয়ে আসবে।

সংক্ষেপে দেখুনসেখানকার সূর্যাস্তের দৃশ্য আপনার সারাজীবন মনে থাকবে।
গোল্ডেন টেকনিক কি?
পৃথিবীর মাদক প্রাচারের জন্য বিখ্যাত এলাকাগুলোকে বলা হয় গোল্ডেন টেকনিক।
পৃথিবীর মাদক প্রাচারের জন্য বিখ্যাত এলাকাগুলোকে বলা হয় গোল্ডেন টেকনিক।
সংক্ষেপে দেখুনSave ও Save As এর মধ্যে পার্থক্য কী?
Save ও Save As দুটোর কাজ একই তা হলো সংরক্ষণ করা। তবে এখানে Save As একটু ভিন্ন কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। এক্ষেত্রে পূর্বে Save কৃত ফাইল ভিন্ন নামে বা ভিন্ন লোকেশনে অথবা ভিন্ন এক্সটেনশনে সংরক্ষণ করার জন্য Save As ব্যবহৃত হয়। ধন্যবাদ!
Save ও Save As দুটোর কাজ একই তা হলো সংরক্ষণ করা। তবে এখানে Save As একটু ভিন্ন কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। এক্ষেত্রে পূর্বে Save কৃত ফাইল ভিন্ন নামে বা ভিন্ন লোকেশনে অথবা ভিন্ন এক্সটেনশনে সংরক্ষণ করার জন্য Save As ব্যবহৃত হয়।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনSoftware এবং App এর মধ্যে পার্থক্য কি?
কম্পিউটারে ব্যবহারের জন্য কোন প্রোগ্রাম তৈরি করা হলে সেটাকে সফটওয়্যার (Software) বলা হয়। আর মোবাইলের জন্য কোন প্রোগ্রাম তৈরি হলে সেটাকে অ্যাপ (App) বলা হয়। ভিন্ন ভিন্ন অপারেটিং সিস্টেমের সফটওয়্যার এক্সটেনশন আলাদা হয়ে থাকে তেমনি ভিন্ন মোবাইল প্লাটফর্মের জন্য অ্যাপ এক্সটেনশন ভিন্ন হয়ে থাকে। তবে সফটওয়্বিস্তারিত পড়ুন
কম্পিউটারে ব্যবহারের জন্য কোন প্রোগ্রাম তৈরি করা হলে সেটাকে সফটওয়্যার (Software) বলা হয়। আর মোবাইলের জন্য কোন প্রোগ্রাম তৈরি হলে সেটাকে অ্যাপ (App) বলা হয়।
ভিন্ন ভিন্ন অপারেটিং সিস্টেমের সফটওয়্যার এক্সটেনশন আলাদা হয়ে থাকে তেমনি ভিন্ন মোবাইল প্লাটফর্মের জন্য অ্যাপ এক্সটেনশন ভিন্ন হয়ে থাকে। তবে সফটওয়্যার ও অ্যাপের কাজ একই। এগুলো এমন প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি যা একটি ডিভাইসের হার্ডওয়্যারগুলো পরিচালনা করে।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনগাড়ির এয়ারব্যাগ কিভাবে কাজ করে?
কীভাবে এয়ারব্যাগ কাজ করে ১। যখন গাড়ি কোন কিছুর সাথে ধাক্কা খায় তখন খুব দ্রুত বেগে গাড়ির গতি কমে যায়। ২। অ্যাকসিলরোমিটার গতি পরিবর্তনের ব্যাপারটি নির্দিষ্ট করে ও তথ্য প্রেরণ করে। অ্যাকসিলরোমিটার হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রোনিক চিপ যা গতির ত্বরণ পরিমাপ করে। ৩। যদি গাড়ির গতি ঠিকভাবে কমানো যায়, তাহলে অ্যাকসিবিস্তারিত পড়ুন
কীভাবে এয়ারব্যাগ কাজ করে
১। যখন গাড়ি কোন কিছুর সাথে ধাক্কা খায় তখন খুব দ্রুত বেগে গাড়ির গতি কমে যায়।
২। অ্যাকসিলরোমিটার গতি পরিবর্তনের ব্যাপারটি নির্দিষ্ট করে ও তথ্য প্রেরণ করে। অ্যাকসিলরোমিটার হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রোনিক চিপ যা গতির ত্বরণ পরিমাপ করে।
৩। যদি গাড়ির গতি ঠিকভাবে কমানো যায়, তাহলে অ্যাকসিলরোমিটারের ট্রিগার, এয়ারব্যাগের সার্কিটকে দ্রুত কমায় । যা সাধারণ ব্রেকে অতটা শক্তি উৎপাদন সম্ভব হয়না।
৪। এয়ারব্যাগের সার্কিটটি তাপ উৎপাদনকারী কোন উপাদানের ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ করায়। টোস্টারের ভেতরে যেমন তার থাকে ঠিক তেমন তার এই বিদ্যুৎ প্রবাহের জন্য ব্যবহার করা হয়।
৫। তাপ উৎপাদনকারী উপাদানটি একটি রাসায়নিক বিস্ফোরন ঘটায়। পুরানো এয়ারব্যাগগুলোতে বিস্ফোরণের জন্য সোডিয়াম অ্যাজাইড ব্যবহার করা হতো। নতুন এয়ারব্যাগগুলোতে অন্য রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়।
৬। যখন বিস্ফোরণ ঘটে তখন অনেক গ্যাস উৎপাদিত হয়। গ্যাসগুলো ক্ষতিকর নয়। সাধারণত নাইট্রোজেন বা অ্যার্গন গ্যাস উৎপাদিত হয়। আর সেই গ্যাসগুলো স্টিয়ারিং হুইলের পেছনে একটি নাইলনের ব্যাগে জমা হয়।
৭। যখন এয়ারব্যাগটি খুলতে শুরু করে, তখন প্লাস্টিকের কভারের ভেতরে গ্যাস জমা হয় আর ড্রাইভারের ঠিক সামনে যেখানে স্টিয়ারিং হুইল থাকে সেখানে ঢেকে ফেলে। আর এই ব্যাগটি খোলার জন্য এক ধরনের চকের গুড়া জাতীয় পদার্থ ব্যবহার করা হয় , যাতে সহজেই ব্যাগটি খোলে।
৮। সামনের দিকে চলার কারনে (গতির সূত্রানুযায়ী) ড্রাইভার ব্যাগটিকে বিপরীত দিকে ধাক্কা দেয়। এই ধাক্কার মাধ্যমে ব্যাগের ভেতরে থাকা গ্যাসটি ব্যাগটি ফুলে উঠে। তখন ব্যাগের চারপাশে থাকা ছোট ছিদ্র গুলোর মাধ্যমে সম্পূর্ণ ব্যাগটি বের হয়ে যায় । এবং যখন গাড়িটি থামে তখন সম্পূর্ণভাবে ব্যাগটি খুলে যায়।
সংক্ষেপে দেখুনচাঁদের অন্ধকার দিকটি কতটা ঠান্ডা?
চাঁদের অন্ধকার পৃষ্ঠের তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে ১৫৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস (-১৫৩ ডিগ্রি সে.) বা -২৪৩ ডিগ্রি ফারেনহাইটে পৌঁছায়।
চাঁদের অন্ধকার পৃষ্ঠের তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে ১৫৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস (-১৫৩ ডিগ্রি সে.) বা -২৪৩ ডিগ্রি ফারেনহাইটে পৌঁছায়।
সংক্ষেপে দেখুনচীন কেন তাইওয়ান কে আক্রমণ করতে চায়?
না, চীন তাইওয়ান আক্রমণ করবে না। চীন কেন তাইওয়ান আক্রমণ করবে না ঃ চীন আগে থেকেই হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছে সাই ইং-ওয়েন যদি স্পিকার কেভিন ম্যাকার্থির সঙ্গে বৈঠক করেন, তবে এর প্রতিশোধ হবে কঠোরতম। প্রেসিডেন্ট সাই ইংয়ের সাথে ম্যাকার্থির বৈঠকের পরই চীনের সামরিক বাহিনী তাইওয়ানকে ঘিরে শুরু করে তিন দিনের রণপ্রস্বিস্তারিত পড়ুন
না, চীন তাইওয়ান আক্রমণ করবে না।
চীন কেন তাইওয়ান আক্রমণ করবে না ঃ
চীন আগে থেকেই হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছে সাই ইং-ওয়েন যদি স্পিকার কেভিন ম্যাকার্থির সঙ্গে বৈঠক করেন, তবে এর প্রতিশোধ হবে কঠোরতম। প্রেসিডেন্ট সাই ইংয়ের সাথে ম্যাকার্থির বৈঠকের পরই চীনের সামরিক বাহিনী তাইওয়ানকে ঘিরে শুরু করে তিন দিনের রণপ্রস্তুতি মহড়া। গত বছর আগস্টে যখন মার্কিন হাউজ স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি তাইওয়ান সফর করেন, তখনও চীন তেমনই প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিল। এরই জের ধরে শুরু হয় চীন-যুক্তরাষ্ট্র চিপ যুদ্ধ।
চীন কেন তাইওয়ান আক্রমণ করবে না ঃ
বিশ্লেষকরা মনে করছেন- চীনের তাইওয়ান আক্রমণ নিকটবর্তী তা বলা যাবে না। দীর্ঘমেয়াদে হয়তো চীন তাইওয়ানে আক্রমণ করতে পারে, কিন্তু অদূর ভবিষ্যতে চীনের কৌশলগত ও নীতিগত অবস্থান তাইওয়ানে আক্রমণের দিকে নিয়ে যেতে পারে, এমন ধারণার বিপরীত মত বিশ্লেষকদের।
চীন এমন একটি বিশ্বব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে যাচ্ছে যেখানে শুধু উন্নত দেশের নেতৃত্ব থাকবে না, বরং থাকবে উন্নয়নশীল দেশের নেতৃত্বও। উন্নয়নশীল দেশের উন্নয়নে চীনের বন্ধুরূপে আবির্ভাব, করোনা মহামারীর সময়ে চীনের মাস্ক ডিপ্লোম্যাসির দ্বারা দেশগুলোর পাশে দাঁড়ানো ইত্যাদি চীনের শক্ত সফট পাওয়ার কৌশল নির্দেশ করে।
তাছাড়া চীন বোঝাতে চায় যে তার নেতৃত্বাধীন বিশ্বব্যবস্থায় বন্ধু দেশের সরকারব্যবস্থায় চীন নাক গলাবে না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যেমন গণতন্ত্র চাপিয়ে দিতে চায়, চীনের ভাষ্যমতে তারা এটি করবে না। রাশিয়া যেমন ইউক্রেনকে ন্যাটোতে যোগ দেয়ায় নিরাপত্তা হুমকি মনে করে আক্রমণ করে, সেদিক থেকে চীন একটু ভিন্ন। বরং চীন মনে করে- তাইওয়ান তাদের অংশ, বিচ্ছিন্নতাবাদী কর্মকাণ্ড তারা বন্ধ করবে।
তাইওয়ান পৃথিবীর ৯০ শতাংশ সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন করে। চীনের তাইওয়ান আক্রমণ সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনে বাধা সৃষ্টি করলে তা ক্রেতা দেশে চীনের সুনাম নষ্ট করবে। চীনের সাথে তাইওয়ানের বাণিজ্যিক সম্পর্কও রয়েছে। তাইওয়ানের মোট আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ২৬ শতাংশ হয় চীনের সাথে। চীনের পণ্যের একটি বড় ক্রেতা তাইওয়ান। যুক্তরাষ্ট্রের মতো চীনও তাইওয়ানের সেমিকন্ডাক্টরের অন্যতম ক্রেতা রাষ্ট্র। চীনের বর্তমানে সেমিকন্ডাক্টর ক্রয়ের পরিমাণ তেল ক্রয়ের পরিমাণকেও ছাড়িয়ে গেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, চীনা বিশ্বব্যবস্থায় কোনো দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা হবে সুপারপাওয়ারের প্রভাবমুক্ত, অর্থাৎ দেশটি হতে পারে রাজতন্ত্র, সমাজতন্ত্র আবার গণতন্ত্র। আবার চীনের নেতৃত্বের বিশ্বে এশিয়ায় মার্কিন প্রভাব থাকবে না। এখন চীন যদি তাইওয়ান আক্রমণ করে, তাহলে তার জন্য ভুল সিদ্ধান্ত হবে এই কারণে, তাইওয়ান একটি গণতান্ত্রিক দেশ, মার্কিন প্রভাব বলয়ের একটি দেশ।
তাই বলা যায়, অদূর ভবিষ্যতে চীন তাইওয়ান আক্রমণ করবে না। কিন্তু ভবিষ্যতে চীনের তাইওয়ান আক্রমণের সম্ভাব্যতা বাড়ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকরা।
সংক্ষেপে দেখুনছাপার অক্ষরে প্রথম বাংলা বইয়ের নাম কি?
বাংলা বই প্রথম ছাপা হয়েছিল আজ থেকে ২২৩ বছর আগে ১৮০০ সালের ১৮ মার্চ। বাঙালিরা তখন বাংলা ভাষায় কথা বলে বটে, কিন্তু কিছু চিঠিপত্রের কথা বাদ দিলে, গদ্য ভাষা লিখতে জানে না। ১৮০০ সালের, ১৮ মার্চ শ্রীরামপুর মিশনের ছাপার মেশিনে ছাপা হয় দুই খণ্ডের বাংলা বাইবেল।
বাংলা বই প্রথম ছাপা হয়েছিল আজ থেকে ২২৩ বছর আগে ১৮০০ সালের ১৮ মার্চ। বাঙালিরা তখন বাংলা ভাষায় কথা বলে বটে, কিন্তু কিছু চিঠিপত্রের কথা বাদ দিলে, গদ্য ভাষা লিখতে জানে না। ১৮০০ সালের, ১৮ মার্চ শ্রীরামপুর মিশনের ছাপার মেশিনে ছাপা হয় দুই খণ্ডের বাংলা বাইবেল।
সংক্ষেপে দেখুনবোন গ্রহ আমাদের সৌরজগতের গ্রহগুলোর উল্টো দিকে ঘোরে?
আমাদের সৌরজগৎ এর সমস্ত গ্রহই ঘড়ির কাঁটার বিপরীতদিকে (Anti Clockwise) সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। কিন্তু শুক্র ও ইউরেনাস গ্রহ উল্টো দিকে অর্থাৎ ঘড়ির কাঁটার দিকে (Clockwise) সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে, যা Retrograde Rotation নামে পরিচিত। দ্রঃ প্রশ্নটি হবে "কোন গ্রহ আমাদের সৌরজগতের গ্রহগুলোর উল্টো দিকে ঘোরে?"।বিস্তারিত পড়ুন
আমাদের সৌরজগৎ এর সমস্ত গ্রহই ঘড়ির কাঁটার বিপরীতদিকে (Anti Clockwise) সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। কিন্তু শুক্র ও ইউরেনাস গ্রহ উল্টো দিকে অর্থাৎ ঘড়ির কাঁটার দিকে (Clockwise) সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে, যা Retrograde Rotation নামে পরিচিত।
দ্রঃ প্রশ্নটি হবে “কোন গ্রহ আমাদের সৌরজগতের গ্রহগুলোর উল্টো দিকে ঘোরে?“। ঠিক করে নেবেন।
সংক্ষেপে দেখুনপৃথিবীর ভূপৃষ্ঠের আকার কত বর্গ মাইল ?
পৃথিবীর মোট পৃষ্ঠতলের আকার হল প্রায় ৫১০ মিলিয়ন বর্গ কি.মি. (বা ১৯৭ মিলিয়ন বর্গ মাইল)
পৃথিবীর মোট পৃষ্ঠতলের আকার হল প্রায় ৫১০ মিলিয়ন বর্গ কি.মি. (বা ১৯৭ মিলিয়ন বর্গ মাইল)
সংক্ষেপে দেখুনবিশ্বে কত প্রজাতির ঘাস আছে ?
এখন পর্যন্ত প্রায় প্রায় ১০ হাজার প্রজাতির ঘাসের সন্ধান পাওয়া গেছে। কিন্তু আমাজনের রেইনফরেস্টে এখনও অনেক ঘাসের প্রজাতি অনাবিষ্কৃত রয়ে গেছে।
এখন পর্যন্ত প্রায় প্রায় ১০ হাজার প্রজাতির ঘাসের সন্ধান পাওয়া গেছে।
কিন্তু আমাজনের রেইনফরেস্টে এখনও অনেক ঘাসের প্রজাতি অনাবিষ্কৃত রয়ে গেছে।
সংক্ষেপে দেখুনচিঠিতে জিপ কোডের ব্যবহার শুরু হয় কোথায় ও কত সালে ?
চিঠিতে জিপ কোডের ব্যবহার আমেরিকার ডাকবিভাগের দ্বারা শুরু হয় ১৯৬৩ সালে।
চিঠিতে জিপ কোডের ব্যবহার আমেরিকার ডাকবিভাগের দ্বারা শুরু হয় ১৯৬৩ সালে।
সংক্ষেপে দেখুনএন্টিভাইরাস কি? কম্পিউটার অথবা মোবাইলের জন্য এন্টিভাইরাস কতটা জরুরী?
ভাইরাস ও এন্টিভাইরাস কি : এন্টিভাইরাস মুলত একটি প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার যা এক বা একাধিক ডিভাইসকে (কম্পিউটার, মোবাইল) ভাইরাসের আক্রমণ থেকে সুরক্ষিত রাখে। আর পিসি বা মোবাইলে যে প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার ক্ষতি সাধন করে সেগুলোকে ভাইরাস বলা হয়। ভাইরাস সাধারণত প্রয়োজনীয় ফাইল ডিলিট করে অথবা ব্যক্তিগত তথ্য (যেমবিস্তারিত পড়ুন
ভাইরাস ও এন্টিভাইরাস কি :
এন্টিভাইরাস মুলত একটি প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার যা এক বা একাধিক ডিভাইসকে (কম্পিউটার, মোবাইল) ভাইরাসের আক্রমণ থেকে সুরক্ষিত রাখে। আর পিসি বা মোবাইলে যে প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার ক্ষতি সাধন করে সেগুলোকে ভাইরাস বলা হয়। ভাইরাস সাধারণত প্রয়োজনীয় ফাইল ডিলিট করে অথবা ব্যক্তিগত তথ্য (যেমন, পাসওয়ার্ড, ব্যাংক ইনফরমেশন ইত্যাদি) চুরি করে, আবার সফটওয়্যার এমনকি হার্ডওয়্যার অচল করে দেয়। এরকম বিভিন্ন পন্থায় ক্ষতি করে।
জনপ্রিয় এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার :
সারা বিশ্বে জনপ্রিয়তার উপর ভিত্তি করে কিছু এন্টিভাইরাসের রেটিং নিচে দেয়া হলো।
Rating: 9.9
Rating: 9.8
Rating: 9.1
Rating: 8.8
Rating: 8.4
Rating: 8.2
Rating: 7.9
Rating: 7.6
Rating: 7.3
এন্টিভাইরাস কতটা জরুরী :
এন্টিভাইরাস অবশ্যই জরুরী তবে, যদি তা সিস্টেমের পার্ফরমেন্স দুর্বল করে তোলে তাহলে লাভের চেয়ে ক্ষতিই হয় বেশি। আমার মতে উইন্ডোজের (Windows 10,11) নিজস্ব যে Virus & Threat Protection এবং Firewall & Network Protection আছে সেটা একটিভ রাখা আর উইন্ডোজ আপডেট রাখাই যথেষ্ট। এতে পিসি স্লো হয়ে যাবেনা।
এছাড়াও আপনি নিজেই ডেটা সুরক্ষিত রাখতে পারেন কিছু একটিভিটি নজরে রাখতে পারলে। আপনার ইমেইলে কোন অপরিচিত মেইল আসলে সেটা ওপেন করা থেকে বিরত থাকুন। যদি ওপেন করেই ফেলেন তাহলে মেইলে দেয়া উষ্কানিমূলক লিংকে ক্লিক করবেন না। সাধারণত টাকা পয়সার প্রলোভন থাকে এসব মেইলে। আবার অশ্লীল ছবিসহ লিংক থাকে। প্লিজ ডাউনলোড না করে সোজা স্পাম ফোল্ডারে পাঠিয়ে দিন।
কেন আপনার এক্সট্রা এন্টিভাইরাস ইউজ করার দরকার নাই তার ব্যাখ্যা নিচে দিলাম।
এরপরও যদি আপনার মনেহয় থার্ডপার্টি এন্টিভাইরাস ইউজ করবেন, তাহলে আপনাকে ঠেকাবে কে! আপনার ইচ্ছা।
শুভকামনা
সংক্ষেপে দেখুনকম্পিউটার কি-বোর্ড কয়টি key থাকে ?
কম্পিউটারের কী-বোর্ডে ৮৪ থেকে ১০১ টি বা কোন কোন কী-বোর্ডে ১০৪ টি কী আছে। ব্যবহারের সুবিধার জন্য কী-বোর্ডের কম বেশি কী বা বোতামের সমাহার দেখা যায়।
কম্পিউটারের কী–বোর্ডে ৮৪ থেকে ১০১ টি বা কোন কোন কী-বোর্ডে ১০৪ টি কী আছে। ব্যবহারের সুবিধার জন্য কী-বোর্ডের কম বেশি কী বা বোতামের সমাহার দেখা যায়।
সংক্ষেপে দেখুনonline pinboard সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং site কোনটি ?
Pinterest হলো অনলাইন পিনবোর্ড সাইট।
Pinterest হলো অনলাইন পিনবোর্ড সাইট।
সংক্ষেপে দেখুনভাইরাস কে আবিস্কার করেন ?
বিজ্ঞানী Edward Jenner (এডওয়ার্ড জেনার) ১৭৯৬ সালে প্রথম ভাইরাসঘটিত বসন্ত রোগের কথা উল্লেখ করেন। Adolf Mayer ১৮৮৬ সালে তামাক গাছের পাতার ছোপ ছোপ দাগবিশিষ্ট রোগকে টোবাকো মোজাইক রোগ হিসেবে উল্লেখ করেন। পরে ১৮৯২ সালে রাশিয়ান বিজ্ঞানী Dmitri Ivanovsky (দিমিত্রি আইভানোভসকি) প্রমাণ করেন যে, রোগাক্রান্ত তবিস্তারিত পড়ুন
নয়, আবার জড় রাসায়নিক বস্তুও নয়। জীবীয় ও জড় বস্তুর মধ্যবর্তী পর্যায়ের কোনো একটি কিছু।
সূত্রঃ 10minuteschool
সংক্ষেপে দেখুনবিগবেন ঘড়িটি কোন দেশে অবস্থিত এবং এর ওজন কত ?
লন্ডনের ওয়েস্টমিনস্টার এলাকার সংসদ ভবনের উত্তরাংশের ক্লক টাওয়ারে অবস্থিত সুবিশাল ঘণ্টাকে বিগ বেন (Big Ben) নামে ডাকা হয়। যা সময়ে সময়ে বেজে উঠে। আনুষ্ঠানিকভাবে টাওয়ারটি ক্লক টাওয়ার কিংবা প্যালেস অব ওয়েস্টমিনস্টার নামে পরিচিত। লন্ডনের নাগরিকদের অধিকাংশই টাওয়ারটিকে বিগ বেন নামে শখ করে ডেকে থাকেবিস্তারিত পড়ুন
লন্ডনের ওয়েস্টমিনস্টার এলাকার সংসদ ভবনের উত্তরাংশের ক্লক টাওয়ারে অবস্থিত সুবিশাল ঘণ্টাকে বিগ বেন (Big Ben) নামে ডাকা হয়। যা সময়ে সময়ে বেজে উঠে। আনুষ্ঠানিকভাবে টাওয়ারটি ক্লক টাওয়ার কিংবা প্যালেস অব ওয়েস্টমিনস্টার নামে পরিচিত। লন্ডনের নাগরিকদের অধিকাংশই টাওয়ারটিকে বিগ বেন নামে শখ করে ডেকে থাকেন। কেননা, ঘণ্টাটি খুবই বৃহৎ আকৃতির। সর্বসাকুল্যে এর ওজন প্রায় ১৩ টন।
তবে ১৮৫৬ সালে প্রথম ঘণ্টাটি বিনষ্ট করা হয়েছিল মূলতঃ ভুল হিসাব প্রদানের জন্যে। বর্তমানের বিগ বেন ঘণ্টাটি দ্বিতীয় বারের মতো প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।
সংক্ষেপে দেখুনপৃখিবীর প্রথম মোবাইল কবে আবিষ্কার হয়? তার নাম ও মূল্য কত?
ডঃ মার্টিন কুপার এবং জন ফ্রান্সিস মিচেলকে মোটোরোলা কোম্পানিতে কর্মরত থাকা অবস্থায় প্রথম মোবাইল ফোন উদ্ভাবন করেন। তাঁরা ১৯৭৩ সালের এপ্রিলে প্রথম সফলভাবে প্রায় ২ কেজি (৪.৪ পাউন্ড) ওজনের হাতে ধরা ফোনের মাধ্যমে কল করতে সক্ষম হন। তবে ফোনের প্রথম বাণিজ্যিক সংস্করণ বাজারে আসে ১৯৮৩ সালে। ফোনটির নাম ছিল মোটবিস্তারিত পড়ুন
ডঃ মার্টিন কুপার এবং জন ফ্রান্সিস মিচেলকে মোটোরোলা কোম্পানিতে কর্মরত থাকা অবস্থায় প্রথম মোবাইল ফোন উদ্ভাবন করেন। তাঁরা ১৯৭৩ সালের এপ্রিলে প্রথম সফলভাবে প্রায় ২ কেজি (৪.৪ পাউন্ড) ওজনের হাতে ধরা ফোনের মাধ্যমে কল করতে সক্ষম হন। তবে ফোনের প্রথম বাণিজ্যিক সংস্করণ বাজারে আসে ১৯৮৩ সালে। ফোনটির নাম ছিল মোটোরোলা ডায়না টিএসি ৮০০০এক্স (DynaTAC 8000x)। মোবাইলটির দাম রাখা হয়েছিল ৩৯৯৫ ডলার যা প্রায় ২,৯৫,০০০ টাকা।
সংক্ষেপে দেখুন