সাইন আপ করুন সাইন আপ করুন

সাইন আপ করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে


আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

লগ ইন করুন লগ ইন করুন

লগিন করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

কোন একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন

রিসেট পাসওয়ার্ড

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।

আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে।

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?

সাইন ইনসাইন আপ

AddaBuzz.net

AddaBuzz.net Logo AddaBuzz.net Logo

AddaBuzz.net Navigation

  • হোমপেজ
  • ব্লগ
  • ইউজার
  • যোগাযোগ
সার্চ করুন
একটি প্রশ্ন করুন

Mobile menu

Close
একটি প্রশ্ন করুন
  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

hossain

নতুন
প্রশ্ন করুন hossain
12 বার প্রদর্শিত
0 ফলোয়ার
0 প্রশ্ন
হোমপেজ/ hossain/ফলোয়ারদের উত্তর
অ্যাপ ইন্সটল করুন
  • সম্পর্কিত
  • প্রশ্ন
  • উত্তর
  • অনুরোধের প্রশ্ন
  • সেরা উত্তর
  • পছন্দ তালিকা
  • ফলোকৃত প্রশ্ন
  • ফলোয়ার
  • ফলো করছেন
  • জরিপ
  • ব্লগ
  • ব্লগ মন্তব্য
  • ফলোকৃতদের প্রশ্ন
  • ফলোকৃতদের উত্তর
  • ফলোয়ারদের ব্লগ
  • ফলোকৃত/ফলোয়ারদের ব্লগ মন্তব্য
  1. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    আমার বিয়ে কবে হবে? স্বপ্নে বিয়ে দেখলে কি হয়? আমি দেখেছি!

    নূরজাহান
    সেরা উত্তর
    নূরজাহান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    পুরুষ কিংবা নারী উভয়ের ক্ষেত্রেই বিবাহ জীবনের একটি বিশেষ সন্ধিক্ষণ। কিন্তু কেউই জানতে পারেন না, বিয়ে হবে কবে। কারণ জন্ম - মৃত্যু - বিয়ে তিন বিধাতা নিয়ে। বিয়ে ব্যাপারটা সবটাই ভবিতব্য(Destiny)। কিন্তু জানেন কি আমাদের হাতেই লেখা থাকে বিয়ের বয়স। সেখানে লেখা থাকে ঠিক কোন সময়ে ঘটতে চলেছে আপনার জীববিস্তারিত পড়ুন

    পুরুষ কিংবা নারী উভয়ের ক্ষেত্রেই বিবাহ জীবনের একটি বিশেষ সন্ধিক্ষণ। কিন্তু কেউই জানতে পারেন না, বিয়ে হবে কবে। কারণ জন্ম – মৃত্যু – বিয়ে তিন বিধাতা নিয়ে। বিয়ে ব্যাপারটা সবটাই ভবিতব্য(Destiny)। কিন্তু জানেন কি আমাদের হাতেই লেখা থাকে বিয়ের বয়স। সেখানে লেখা থাকে ঠিক কোন সময়ে ঘটতে চলেছে আপনার জীবনের এই শ্রেষ্ঠতম ঘটনাটি।

    কীভাবে বুঝবেন কোন বয়সে বিয়ে হবে? কীভাবেই বা বুঝবেন আপনার বিয়ে সুখের হবে নাকি সমস্যাবহুল ভুল হবে?

    তাহলে চিনে নিন আপনার হাতের রেখা ( palm astrology)। যে রেখা সুচিত করবে আপনার বিয়ে। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, যে রেখা বিবাহ সূচিত করে তার নাম বিবাহ রেখা।

    লেখাটির অবস্থান ঠিক হাতের তালুর উপরিভাগে থাকে না । থাকে হাতের পাশে কনিষ্ঠার নিচে। বিবাহ রেখা একটি নয় একাধিক হতে পারে।

    বিবাহ রেখা যদি ছোট মাপের হয় আর তা যদি থাকে কনিষ্ঠার কাছাকাছি, তাহলে বিয়ে দেরিতে হওয়ার সম্ভাবনা। যাদের হাতে এই ধরনের রেখা থাকে তাদের তাদের একটু বেশি বয়সে বিয়ে সম্ভাবনা থাকে। ৪০ বছর পর্যন্ত তাদের অপেক্ষা করতেই হয় । চল্লিশে আশে পাশে গিয়ে এদের বিয়ে হয়।

    যাদের ক্ষেত্রে বিবাহ রেখা কনিষ্ঠা থেকে বেশ দূরে হয় তাদের বিয়ে খুব তাড়াতাড়ি হয়ে যায় । মোটামুটি কুড়ি বছরের কাছাকাছি। আর ওই রেখা যদি মাঝামাঝি দূরত্বে থাকে তাহলে বিয়ের সম্ভাবনা ৩০ বছরের কাছাকাছি।

    এতো গেল রেখার অবস্থান দেখে বিয়ের বয়স নির্ধারণ। কিন্তু বিবাহিত জীবন সুখের হবে নাকি কণ্টকময় হবে তা কি করে জানবেন? যদি বিবাহ রেখার উপর দিয়ে আরো একটি রেখা সেই সম্পর্কে ভাঙ্গন ধরার সম্ভাবনা থাকে। আর যদি দেখা যায় বিবাহ রেখায় শিকলের মত একটি চিহ্ন, তাহলে বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  2. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মোবাইল (অ্যান্ড্রয়েড ও IOS)

    iphone 13 pro max, iphone 12 pro max, iphone 11, iphone 14 pro max price in bangladesh

    পলক
    সেরা উত্তর
    পলক পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    iphone 13 pro max price in bangladesh 128 GB - ৳162,999 256 GB - ৳176,999 iphone 12 pro max price in bangladesh 128 GB - ৳161,999 256 GB- ৳1,75,999 iphone 11 price in bangladesh 64 GB - ৳87,999 128 GB - ৳93,999 256 GB - ৳99,999 iphone x price in bangladesh 64 GB - ৳84,999 256 GB - ৳120,500 iphone 14বিস্তারিত পড়ুন

    iphone 13 pro max price in bangladesh

    128 GB – ৳162,999
    256 GB – ৳176,999

    iphone 12 pro max price in bangladesh

    128 GB – ৳161,999
    256 GB- ৳1,75,999

    iphone 11 price in bangladesh

    64 GB – ৳87,999
    128 GB – ৳93,999
    256 GB – ৳99,999

    iphone x price in bangladesh

    64 GB – ৳84,999
    256 GB – ৳120,500

    iphone 14 pro max price in bangladesh

    Price – Not Announced

    iphone 14 pro price in bangladesh

    Price – Not Announced

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  3. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং জিয়াউর রহমানের একসাথে কোনো ছবি আছে কি?

    সুমনা
    সেরা উত্তর
    সুমনা নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    কি যে বলেন ভাই! নিন চারটি ছবি দিয়ে দিলাম। আমার কাছে এই ছবিগুলো অমূল্য। তখনকার রাজনীতি আর এখানকার রাজনীতির আকাশ পাতাল তফাৎ। আমি যদিও রাজনীতি তেমন বুঝিনা, কিন্তু ছবিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং শহীদ জিয়াউর রহমান কে পাশাপাশি দেখলে মনটা ভরে যায়। এরকম আরও অনেক ছবি গুগল করলে পেয়ে যাবেন।   ধন্যববিস্তারিত পড়ুন

    কি যে বলেন ভাই! নিন চারটি ছবি দিয়ে দিলাম। আমার কাছে এই ছবিগুলো অমূল্য। তখনকার রাজনীতি আর এখানকার রাজনীতির আকাশ পাতাল তফাৎ। আমি যদিও রাজনীতি তেমন বুঝিনা, কিন্তু ছবিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং শহীদ জিয়াউর রহমান কে পাশাপাশি দেখলে মনটা ভরে যায়। এরকম আরও অনেক ছবি গুগল করলে পেয়ে যাবেন।

     
    image host
    image host
    image host

    ধন্যবাদ!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  4. সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    কিভাবে একজন ভাল মানুষ হওয়া যায়?

    নূরজাহান
    সেরা উত্তর
    নূরজাহান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    কিভাবে একজন ভাল মানুষ হওয়া যায় মানবজীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন কী হতে পারে? প্রভূত অর্থ-সম্পত্তির মালিক হওয়া? বিশ্বব্যাপী খ্যাতি ছড়িয়ে পড়া? কঠিনতম স্বপ্নগুলোও পূরণ করতে পারা? এগুলোর কোনোটির গুরুত্বই কম নয়। কিন্তু আমরা যেহেতু মানুষ, তাই আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জনটি হলো একজন 'ভালো মানুষ' হয়ে ওঠা। অর্থাৎবিস্তারিত পড়ুন

    কিভাবে একজন ভাল মানুষ হওয়া যায়

    মানবজীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন কী হতে পারে? প্রভূত অর্থ-সম্পত্তির মালিক হওয়া? বিশ্বব্যাপী খ্যাতি ছড়িয়ে পড়া? কঠিনতম স্বপ্নগুলোও পূরণ করতে পারা? এগুলোর কোনোটির গুরুত্বই কম নয়। কিন্তু আমরা যেহেতু মানুষ, তাই আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জনটি হলো একজন ‘ভালো মানুষ’ হয়ে ওঠা। অর্থাৎ এমন একজন মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলা, যার নিজের ব্যাপারে মনে কোনো খেদ থাকবে না, আবার অন্যরাও নির্দ্বিধায় বলে দেবে, “হ্যাঁ, তুমি একজন ভালো মানুষ।”

    কিন্তু কীভাবে হওয়া যায় একজন সত্যিকারের ভালো মানুষ? কিংবা সত্যিকারের ভালো মানুষ হওয়া কি আদৌ সম্ভব? অনেকেরই হয়তো মনে হতে পারে, না, আজকের দিনে আর পরিপূর্ণ ভালো মানুষ হওয়া সম্ভব নয়, ভালো মানুষ হয়ে এই সমাজ সংসারে টিকে থাকা অসম্ভব। কিন্তু না, ভালো মানুষ হওয়া অতটাও কঠিন কিছু নয়। চাইলেই হয়ে ওঠা যায় একজন ভালো মানুষ। কোন কোন বৈশিষ্ট্যগুলো নিজের মধ্যে ধারণ করলে একজন ভালো মানুষ, কিংবা নিদেনপক্ষে পূর্বাপেক্ষা শ্রেয়তর একজন মানুষে পরিণত করা যায় নিজেকে, সেগুলোই তুলে ধরা হবে আজ।

    ভালোবাসতে হবে নিজেকে

    প্রথম পয়েন্টটি দেখেই হয়তো চমকে উঠছেন অনেকে। ভাবছেন, এ-ও কী সম্ভব! কারণ এতদিন জেনে এসেছেন, ভালো মানুষেরা নিজেকে নিয়ে ভাবে না। তারা নিজেদের জীবনকে উৎসর্গ করে পরের তরে। সে কথা অবশ্যই সত্য। কিন্তু মূল বিষয়টা হলো, সবসময় পরোপকার করতে হবে মানে এই নয় যে নিজেকে অবহেলা করতে হবে। বরং নিজেকে ভালোবাসতে পারাই হলো ভালো মানুষ হয়ে ওঠার প্রথম সোপান।

    মানুষ হিসেবে আমরা সবসময়ই চাই, অন্যরা যেন আমাদের ভালোবাসে, আমাদের প্রশংসা করে। কিন্তু অনেক সময় এরকম চাইতে চাইতে আমরা অন্যের অনুমোদনের উপর অনেক বেশি নির্ভরশীল হয়ে উঠি। যখনই আমরা আমাদের কাজের প্রাপ্য সম্মান পাই না, লোকের ভালোবাসা পাই না, তখন আমরা হতোদ্যম হয়ে যাই। ফলে হারিয়ে ফেলি কাজ চালিয়ে যাওয়া কিংবা নিজেদের লক্ষ্যে অবিচল থাকার মতো দৃঢ় মনোভাব।

    ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যাবে, অধিকাংশ অপরাধীই অপরাধপ্রবণ হয়ে উঠেছে শৈশবে বা জীবনের কোনো পর্যায়ে অবহেলা কিংবা ভালোবাসাহীনতার শিকার হয়ে। তাই তারা চেয়েছে অন্যদের জীবনও একইভাবে বিষিয়ে দিতে। তারা যেহেতু তাদের জীবনে সুখ-আনন্দের স্বাদ পায়নি, অন্য কেউও যেন তা না পায়।

    অথচ ভেবে দেখুন, তারা যদি নিজেরাই নিজেদেরকে সর্বোচ্চ ভালোবাসত, তাহলে অবশ্যই তাদের মধ্যে এই উপলব্ধিটাও জন্মাত যে আশেপাশের মানুষদের ভালোবাসা বা সম্মানও তেমন একটা জরুরি নয়, যদি নিজের কাছে নিজে ভালো থাকা যায়, সবচেয়ে ভালোবাসার পাত্র হিসেবে বিবেচিত হওয়া যায়। তাই আমাদের প্রথম কর্তব্য হলো, নিজেদেরকে ভালোবাসা। যেকোনো ভালো কাজের পর নিজেরাই নিজেদের পিঠ চাপড়ে দেয়া, প্রশংসা করা, এবং ভবিষ্যতেও একই ধরনের ভালো কাজ চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে সংকল্পবদ্ধ হওয়া।

    নিজের দুর্বলতাগুলোকে স্বীকার করতে হবে

    কথায় আছে, যেকোনো সমস্যা সমাধানের জন্য প্রথম প্রয়োজন সমস্যাটি শনাক্ত করা, এবং সেটি যে আসলেই একটি সমস্যা, তা স্বীকার করে নেয়া। কারণ আমরা যতই কোনো সমস্যার কারণে কষ্ট পাই না কেন, ওই সমস্যার মূলটা যদি খুঁজে না পাই, কিংবা খুঁজে পাওয়ার পরও মন থেকে তা মানতে না চাই, তাহলে তো সমাধানের পথ বের করাও অসম্ভব হয়ে পড়ে।

    ঠিক একই কথা প্রযোজ্য কোনো মানুষের ব্যক্তিত্বের ক্ষেত্রেও। এ কথা অনস্বীকার্য যে মানুষ হিসেবে আমরা কেউই শতভাগ পারফেক্ট নই। আমাদের সকলের মাঝেই অনেক দুর্বলতা আছে, খামতি আছে। এখন আমরা যদি চাই সেগুলো কাটিয়ে উঠতে, তাহলে সেগুলোকে অস্বীকার করে বা গোপন করে তো কোনো লাভ নেই। একটি অঙ্কের হিসাব যদি না মেলে, তাহলে খাতা খুলে বারবার হিসাব মেলানোর চেষ্টা চালিয়ে যেতে হয়। বইখাতা বন্ধ করে ফেলে রাখলে হিসাব জীবনেও মেলে না। সুতরাং আমাদের ব্যক্তিজীবনের দুর্বলতাগুলোকেও আমাদের চিহ্নিত করতে হবে, এবং সেগুলো কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা শুরু করতে হবে।

    হয়তো আমরা কেউ কথায় কথায় মিথ্যা বলে ফেলি। কোনো কাজে সফল হওয়ার জন্য অসৎ পন্থা অবলম্বন করি। সবসময় নীতি-নৈতিকতার বুলি আওড়ালেও, নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় ঠিকই অনৈতিক কাজে লিপ্ত হই। অন্যের ক্ষতি করে বসতেও দ্বিধা করি না। এরকম আসলে কমবেশি সকলেই করে। এতে অস্বাভাবিকতা কিছু নেই। অস্বাভাবিকতার শুরু তখন, যখন আমরা এগুলো করেও দাবি করতে থাকি যে আমরা এগুলো করি না। এতে করে আমাদের নিজেদেরকে শুধরানো আর হয় না। তাই নিজেদের চারিত্রিক দুর্বলতাগুলোকে অস্বীকার না করে, নিজে নিজে কিংবা আশেপাশের কারো সহায়তায় এগুলো কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা শুরু করাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।

    করতে হবে ইতিবাচকতার চর্চা

    মন থেকে ইতিবাচক হওয়ার কোনো বিকল্প নেই। আমরা যদি মনে মনে সবসময় নেতিবাচকতাকে ধারণ করি, যেকোনো ক্ষেত্রে কেবল নেতিবাচকতাই খুঁজে বেড়াই, অর্থাৎ ছিদ্রান্বেষী হয়ে উঠি, তাতে মনে মনে কষ্ট পাব নিজেরাই।

    ধরুন, আমার সাথে এমন কোনো একটি ঘটনা ঘটল, যে কারণে আমার উচিত খুশি হওয়া, সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞ হওয়া, সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখা। অথচ তা না করে আমি যদি জোর করে ওই ভালো ঘটনার মাঝেও মন্দ কিছু খোঁজার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাই, এবং কোনো মন্দ একটি দিক অনেক কষ্টে পেয়েও যাই, তাতে ক্ষতিটা আসলে কার হবে? আমারই হবে। কারণ ভালো একটি ঘটনা ঘটায় আমার আনন্দলাভের কথা ছিল। তার বদলে আমাকে এখন কষ্ট পেতে হবে, প্রবল মানসিক যন্ত্রণায় বিদ্ধ হতে হবে।

    সুতরাং, অবশ্যই আমাদেরকে ইতিবাচক হতে হবে। তার মানে এই নয় যে খারাপ কাজের মাঝেও ইতিবাচকতা খুঁজতে হবে। যেটি খারাপ, সেটি তো সবসময়ই খারাপ ও নিন্দনীয়। সেরকম কাজকে অবশ্যই ধিক্কার জানাতে হবে, সেগুলোকে বর্জন করতে হবে। এটুকুই শুধু মাথায় রাখতে হবে যে, যেখানে কোনো খারাপের চিহ্ন নেই, জোর করে যেন তার ভিতরেও খারাপ খুঁজতে না যাই।

    এবং এই ইতিবাচকতার বহিঃপ্রকাশ দৈনন্দিন জীবনে আমাদের আচার-আচরণেও ঘটাতে হবে। কেউ যদি এমন কাজ করে থাকে যার জন্য সে প্রশংসার দাবিদার, একটু প্রশংসা তার প্রাপ্য, তাহলে অবশ্যই মন খুলে তার প্রশংসা করতে হবে, তাকে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য অনুপ্রেরণা দিতে হবে। পাশাপাশি গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে যেসব ক্ষেত্রে তার আরো উন্নতির জায়গা আছে, সেগুলোও তাকে ধরিয়ে দিতে হবে।

    রাগ দমন করতে হবে

    রাগ একটি খুবই বাজে জিনিস, যা একটু একটু করে আমাদেরকে ধ্বংস করে দেয়। যখন আমাদের সাথে খুব খারাপ কিছু ঘটে, যা আমাদের প্রত্যাশা ছিল না, কিংবা যখন আমরা কারো কাছ থেকে খুব বাজে ব্যবহারের সম্মুখীন হই, তখন খুব স্বাভাবিকভাবেই আমরা অনেক রেগে যাই, ক্রোধান্বিত হয়ে পড়ি। রাগের মাথায় এমন কিছু একটা করে বসি, যাতে মানুষ হিসেবে নিজেরাই অনেক ছোট হয়ে যাই, এবং অনেক অনর্থক বিপদও ডেকে আনি। তাই রাগকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে।

    খুবই নেতিবাচক এই মানসিক অনুভূতি থেকে বাঁচার প্রধান উপায় হলো ক্ষমাশীল হয়ে ওঠা। আমার সাথে কেউ খুব বাজে কাজ করেছে? তাই আমি তার উপর মনে মনে রাগ পুষে রাখব? সুযোগ খুঁজব তার কাজের প্রতিশোধ নেয়ার, তাকে উচিত শিক্ষা দেয়ার? এ ধরনের মানসিকতা যদি আমি পোষণ করি, তাতে আমি নিজেই নিজের সবচেয়ে বড় ক্ষতিটা করব। কেননা প্রতিহিংসাপরায়ণ মনোভাব আমার রাতের ঘুম কেড়ে নেবে, মনের যাবতীয় ইতিবাচক অনুভূতিগুলোকে অকেজো করে দেবে। তাই আমার জন্য সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত কাজ হবে তার উপর প্রতিশোধ নেয়ার চেষ্টা না করে, তাকে ক্ষমা করে দেয়া, এবং এর মাধ্যমে নিজের মনকে কলুষতার হাত থেকে রক্ষা করা।

    তবে এটিও খুবই সত্যি যে এ ধরনের কথা বলা যতটা সহজ, নিজেদের জীবনে তার বাস্তব প্রয়োগ ঘটানো ঠিক ততটাই কঠিন। কিন্তু তাই বলে তো আর আমরা হাল ছেড়ে দিতে পারি না। নিজেদের মনের নিয়ন্ত্রণ অন্য কারো হাতে তুলে দিতে পারি না। সেটি হবে মানুষ হিসেবে আমাদের নিজেদের পরাজয়। তাই যত কষ্টকরই হোক না কেন, আমাদেরকে মনের সাথে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। মনকে ধীর-স্থির-শান্ত করে তুলতে হবে। দরকারে বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিতে হবে।

    পরমতসহিষ্ণু হতে হবে

    আমাদের একটি বড় সমস্যা হলো, আমরা বিপক্ষ মতকে একেবারেই সহ্য করতে পারি না। আমাদের প্রত্যেকের নিজস্ব আদর্শ, মূল্যবোধ, নৈতিকতার জায়গা থাকে, এবং আমরা সবসময় সেগুলোকেই আঁকড়ে ধরে রাখতে চাই। এতে কোনোই সমস্যা ছিল না, যদি না আমরা আমাদের আদর্শ, মূল্যবোধ, নৈতিকতার বিরোধী কারো উপর অকারণে আগ্রাসী হয়ে না উঠতাম।

    খুব সহজ একটি উদাহরণই দেয়া যাক। ফুটবল খেলায় আমি এক দলকে পছন্দ করি। অন্য কেউ অন্য কোনো দলকে পছন্দ করে। এটি তো হতেই পারে, তাই না? প্রত্যেকেরই নিজ নিজ ভালো লাগা-মন্দ লাগা, পছন্দ-অপছন্দের জায়গা থাকবে। তার ওই ভীষণ ব্যক্তিগত জায়গাগুলোকে আমাদের অবশ্যই উচিত সম্মান করা। তা না করে আমরা যদি মারমুখী হয়ে যাই যে কেন সে-ও আমার মতো একই দলকে সমর্থন করে না, কেন সে ‘ভুল’ দলকে সমর্থন করে, সেটি হবে আমার তরফ থেকে খুবই অযৌক্তিক আচরণ।

    সঠিক-ভুল এগুলো তো খুবই আপেক্ষিক বিষয়। আমার কাছে যা সঠিক, অন্যের কাছে তা ভুল লাগতেই পারে। আবার অন্যের সঠিককেও আমার কাছে ভুল মনে হতে পারে। এর কারণ, তার আর আমার মানসিকতার পার্থক্য। এখন আমি তো চাইলেই তাকে আমার মতো মানসিকতার অধিকারী করে তুলতে পারি না। তাই সেটি নিয়ে আমার বাড়াবাড়িও করাও উচিত না। আমি সর্বোচ্চ যেটি পারি, তা হলো একটি গঠনমূলক বিতর্কের ক্ষেত্র তৈরি করা। অর্থাৎ এমন একটি আবহ তৈরি করা, যেখানে আমিও আমার মতটা তুলে ধরতে পারব, আবার সে-ও তার মতটা তুলে ধরতে পারবে।

    নিজেদের অবস্থানকে এভাবে আমরা তুলে ধরতে পারি। কিন্তু কখনো বিষয়টা এমন হওয়া যাবে না যে শুধু আমি একাই কথা বলে যাব, অপর পক্ষকে শুধু শুনে যেতে হবে। নিজের কথা বলার পাশাপাশি আরো বেশি মনোযোগ দিয়ে আমাদেরকে অন্যের কথা শুনতে হবে। আবার এমনটিও নয় যে বিতর্ক শেষে কোনো একটি পক্ষকে হার মানতেই হবে। কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জায়গায় না পৌঁছেও বিতর্ক করা যেতে পারে, যা সবাইকে সমান সুযোগ দেয় নিজ নিজ অবস্থান ব্যাখ্যা করার। এই সুযোগটি আমাদের অবশ্যই সবাইকে দিতে হবে, এবং একটি মত যতই আমাদের অপছন্দ হোক না কেন, সেটিকে প্রকাশ করতে দিতেই হবে।

    হতে হবে বিনয়ী ও মার্জিত

    আমরা অন্যকে যা বলি বা অন্যের সাথে যা করি, সেগুলো আসলে আমাদের নিজেদের ব্যক্তিত্বেরই প্রতিনিধিত্ব করে। ধরুন কেউ আমার সাথে খুব বাজে ব্যবহার করল। কিন্তু তা সত্ত্বেও আমি যথাসম্ভব বিনয়ের সাথে তার কথার প্রত্যুত্তর দিলাম। এতে কিন্তু এটা প্রমাণ হয় না যে ওই মানুষটির অবস্থান আমার চেয়ে অনেক উপরে, তাই আমি ভয় পেয়ে তাকে অনেক সম্মান দেখাচ্ছি। ভয় থেকেই যে সবসময় সম্মান উৎসারিত হয়, এ আমাদের খুবই ভুল ধারণা। আমি অন্যের সাথে বিনয়ী আচরণ করতে পারি, বিনয়ী হতে পারি এ কারণেও যে, আমি নিজে একজন ভালো মনের মানুষ, তাই অন্য কেউ আমাকে সম্মান না করলেও আমি তাকে ঠিকই সম্মান করি।

    অনেকে আবার এমনটিও মনে করে যে, বিনয় কিংবা মার্জিত আচরণ বোধহয় মানুষের দুর্বলতা। যদি একজন মানুষ সবল হতো, তাহলে তার সবসময় এত বিনয়ী হওয়ার প্রয়োজন পড়ত না। এটিও আসলে একটি ভুল ধারণা। আমি যদি সবসময় কারো প্রতি বিনয়ী থাকি, মার্জিত আচরণ করি, সেটিই বরং আমার সবচেয়ে বড় শক্তিমত্তার জায়গা। শক্তিমত্তা এ কারণে যে, আমার আচরণ অন্যের দ্বারা প্রভাবিত নয়। আমি নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি।

    একজন আমাকে একটি গালি দিলে আমি তাকে উল্টো দুটি গালি যদি দিই, তাতে আমি আসলে জিতব না। বরং এটিই প্রমাণিত হবে যে আমার ব্যক্তিত্ব একদমই ভঙ্গুর ও পলকা, আমাকে খুব সহজেই প্ররোচিত করা যায়। অথচ আমাকে একজন দশটি গালি দিলেও যদি আমি তার প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করি, এটি দিনের আলোর মতো প্রমাণ হয়ে যাবে যে আমি আসলেই একজন ভালো মানুষ, আমার ভালোমানুষি কোনো আপেক্ষিক বিষয় নয়।

    অন্যের সাহায্য করতে হবে

    আমি যদি একা একাই সফলতার সিঁড়ি বেয়ে এগিয়ে যাই, আমার আশেপাশের সবাইকে অনেক পেছনে ফেলে দিই, তাতে কি খুব বেশি লাভ আছে? নেই। কারণ তখন আমি হয়তো অনেক খ্যাতি-সম্মান-প্রতিপত্তির মালিক হবো ঠিকই, কিন্তু আমার আপনজনদের সাথে আমার অনেক বড় একটি দূরত্ব তৈরি হয়ে যাবে। সেই দূরত্ব অতিক্রম করে না আমি পারব তাদের কাছে ফিরে যেতে, না তারা পারবে আমার কাছে পৌঁছাতে। তাই দিনশেষে দেখা যাবে, সাফল্যের শিখরে পৌঁছেও আমি বড্ড একা, নিঃসঙ্গ, নির্বান্ধব। সাফল্যমণ্ডিত ওই জীবনও খুব হতাশার, অবসাদের।

    এ কারণেই, শুধু নিজেকে নিয়ে পড়ে থাকা কোনো কাজের কথা নয়। সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে হবে আশেপাশের সবার দিকে। এমন নয় যে আমাদের পক্ষে সম্ভব সবার জন্যই কিছু না কিছু করা। কারণ মানুষ হিসেবে অবশ্যই আমাদের অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। কিন্তু আমরা চেষ্টা তো অন্তত করতে পারি। দশজন যদি আমাদের কাছে সাহায্য চায়, এবং তার মধ্যে একজনকেও সাহায্য করতে পারি, সেটি নেহাত কম কিছু নয়। আর যে বাকি নয়জনকে সাহায্য করতে পারলাম না নিজেদের সীমাবদ্ধতা বা অপারগতার কারণে, তাদেরকেও আমরা মুখে অন্তত সান্ত্বনা দিতে পারি, সুন্দর ভবিষ্যতের অনুপ্রেরণা দিতে পারি।

    তাছাড়া আরেকটি বিষয়ও মনে রাখা জরুরি যে আমরা কাউকে সাহায্য করছি মানে তার খুব নিঃস্বার্থ উপকার করে ফেলছি তা কিন্তু নয়। আজ আমরা যাকে সাহায্য করছি, সে হয়তো আমাদের সাহায্যের কথা মনে রাখবে। এবং ভবিষ্যতে কোনোদিন যদি আমাদেরও কোনো সাহায্যের প্রয়োজন হয়, সে আমাদের পাশে এসে দাঁড়াবে। এ কথা অবশ্যই সত্য যে ঢালাওভাবে সবাইকে কৃতজ্ঞ বলা যায় না। কেউ কেউ হয়তো আমাদের উপকারের কথা মনে রাখবে না, আমাদেরকে ভুলে যাবে। তবু কিছু মানুষকে তো আমরা নিশ্চিতভাবেই আমাদের প্রয়োজনে পাশে পাব। সেটিই বা কম কী!

    কাটিয়ে উঠতে হবে পরশ্রীকাতরতা

    অন্যের উন্নতি বা ভালো দেখলে স্বভাবতই আমাদের অনেকের মনে একধরনের হাহাকার জেগে ওঠে। কেউ কেউ আবার সূক্ষ্ম ঈর্ষাবোধও করি। কিংবা ভাবি, “আমি যা করতে পারিনি বা হতে পারিনি, ও কীভাবে তা পারল!” অর্থাৎ নিজেদের সাথে তুলনা করে যখন আমরা উপলব্ধি করি যে কেউ আমাদের চেয়ে এগিয়ে গেছে, তখন আমরা মানসিক যাতনায় ভুগি, অস্থির হয়ে পড়ি।

    অথচ এই ধরনের হিংসা কখনোই আমাদের জন্য মঙ্গল বয়ে আনে না। অন্য কারো ভালো দেখলেই যদি আমরা মনে মনে জ্বলেপুড়ে মরতে থাকি, তাতে করে আমাদের শুভবুদ্ধি লোপ পায়। অন্যের ভালো দেখে কষ্ট পাওয়ার পাশাপাশি নিজেরাও হীনম্মন্যতায় ভুগতে থাকি। নিজেদের কাছেই নিজেরা অনেক বেশি ছোট ও তুচ্ছ হয়ে যাই। নিজেদের জীবনকে অনেক অর্থহীন মনে হয়।

    কিন্তু ভেবে দেখুন, অন্যের অবস্থা থেকে মনে নেতিবাচক শক্তি উৎপাদনের পরিবর্তে আমরা যদি নিজেদের যা যা ভালো আছে, সেগুলো নিয়ে ভাবতাম, সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতাম, তাহলে কি আমাদের মনে শান্তি ফিরে আসত না? আবার অন্য কেউ অনেক উন্নতি করেছে মানে তো আর এমন নয় যে আমরা কোনোদিন ওই ধরনের উন্নতি করতে পারব না। আমাদের প্রত্যেকের মাঝেই লুকিয়ে রয়েছে অপার সম্ভাবনা। যারা উন্নতি করে, তারা সেই সম্ভাবনাগুলোর সদ্ব্যবহার করে। আমরাও যদি তা করতে পারি, তাহলে আমরাও পারব উন্নতির শীর্ষাসনে আরোহণ করতে। আর যদি আমাদের মনে হয় আমরা যাবতীয় চেষ্টা-চরিত্র করে যাচ্ছি তবু এখনো সফল হতে পারছি না, সেক্ষেত্রে বুঝতে হবে যে কোথাও নিশ্চয়ই কোনো খামতি থেকে যাচ্ছে।

    সুতরাং আমাদের উচিত হবে অন্যের ভালো দেখে কষ্ট পাওয়ার বদলে, নিজেদের মূল্যবান সময়কে কাজে লাগানো নিজেদের খামতিগুলোকে খুঁজে বের করার পেছনে। পাশাপাশি কীভাবে, কোন কোন জায়গায় আমাদের আরো বেশি শ্রম দেয়ার অবকাশ রয়েছে, সেগুলোও আমরা ভাবতে পারি। সর্বোপরি, অন্যের উন্নতি দেখে যদি আমরা ঈর্ষান্বিত বা হতাশ না হয়ে বরং নিজেরাও সেগুলো থেকে অনুপ্রেরণা খোঁজার চেষ্টা করি, তাহলে আখেরে লাভটা হবে আমাদেরই।

    হতে হবে সহানুভূতিশীল

    আমরা অনেকেই হয়তো কেবল নিজেদের দুঃখ-কষ্টগুলোকেই বড় করে দেখি। আমাদের আশেপাশে আরো অনেকেই যে দুঃসহ দিনাতিপাত করছে, তা আমরা ভাবি না। কারণ আমরা মনে করি, “আরে, ও আর এমন কী খারাপ আছে! ওর চেয়ে তো আমি বেশি খারাপ দিন কাটাচ্ছি!”

    এখানে দুটি বিষয় খেয়াল করা দরকার। প্রথমত, আপনি-আমি খুব খারাপ আছি বলে কিন্তু অন্য কোনো মানুষের খারাপ থাকাটা মিথ্যা হয়ে যায় না। সব জায়গায় এমন তুলনা করাও উচিত না। হ্যাঁ, হতেই পারে যে আমরা অনেক বেশি খারাপ আছি। তারপরও, অন্য কেউ খারাপ থাকলে, তার খারাপ থাকাটাও সমান স্বীকৃতির দাবিদার। আপনি-আমি বেশি খারাপ আছি বলে অন্য কারো খারাপ থাকাকে উড়িয়ে দেয়া, অস্বীকার করা খুবই বাজে কাজ। এর মাধ্যমে আমরা নিজেদের অজান্তেই অনেককে কষ্ট দিয়ে ফেলি। আর দ্বিতীয় কথাটি হলো, অন্য কারো খারাপ থাকাকে যদি আমরা গুরুত্ব দিই, এতে করে আমাদের নিজেদের খারাপ থাকাটাও মিথ্যা হয়ে যায় না। কিংবা বিষয়টি এমনও দাঁড়ায় না যে আমরা অন্যের খারাপ থাকাকে স্বীকার করে নিচ্ছি বলে আমাদের নিজেদের খারাপ থাকার অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ফলে এরপরও যদি আমরা নিজেদের খারাপ থাকার প্রসঙ্গ কখনো তুলি, সেটি ধোপে টিকবে না!

    আসলে বর্তমান সমাজটাই কেমন যেন প্রতিযোগিতানির্ভর হয়ে উঠেছে। প্রতিটি পদে পদেই প্রতিযোগিতা। এমনকি কে কার চেয়ে বেশি খারাপ আছে, এ নিয়েও প্রতিযোগিতা! ভাবখানা এমন যেন সব জায়গায় নিজেদেরকে এগিয়ে রাখতে পারলেই জীবনটা সার্থক হয়ে যাবে। আমাদেরকে এই ধরনের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। অন্যদের আবেগ-অনুভূতির দিকে অবশ্যই যত্নশীল হতে হবে। তাদের আবেগ-অনুভূতিকে তাদের অবস্থা-পরিস্থিতি-পারিপার্শ্বিকতা থেকেই উপলব্ধি করার চেষ্টা হবে। সব জায়গায় শুধু নিজেদের উদাহরণ বা তুলনা টানলে চলবে না। কেবল তাহলেই আমরা সত্যিকারের সহানুভূতিশীল হয়ে উঠতে পারব। অন্য কারো দুঃখ-কষ্টকে তখন আমাদের তুচ্ছ বা সামান্য বলেও মনে হবে না। বরং তাদেরকে সঠিকভাবে সান্ত্বনা দিয়ে তাদের মন কিছুটা হলেও ভালো করতে পারব।

    কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে হবে

    প্রাত্যহিক জীবনে আমরা অনেকের দ্বারাই উপকৃত হই। কিন্তু খুব কম ক্ষেত্রেই আমরা এই কৃতজ্ঞতাটা প্রকাশ করি। যেমন: গ্রীষ্মকালে প্রখর রোদের ভিতরও হয়তো রিকশাওয়ালা আমাদেরকে কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছে দিলেন। কিংবা রেস্টুরেন্টে খেতে গেলে ওয়েটার আমাদেরকে একটি ভালো টেবিলে নিয়ে বসালেন। আমরা ভাবি, রিকশাওয়ালা তো এই কাজ করছেন ভাড়ার জন্য। আবার ওয়েটার এমন করছেন কিছু বাড়তি টিপসের জন্য। এভাবেই সব জায়গায় আমরা টাকা-পয়সার প্রসঙ্গ টেনে আনি। অথচ ভেবে দেখি না, কোনো কাজের উদ্দেশ্য কেবল টাকা-পয়সাই নয়। কিংবা তা যদি হয়ও, আমরা নিজেরা যে উপকৃত হচ্ছি, সেটি কখনোই মিথ্যা হয়ে যায় না।

    আমাদের উচিত জীবনে চলার পথে সকল ক্ষেত্রে কৃতজ্ঞ হওয়া, এবং সেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা। কেউ যদি এমন সামান্যতম কোনো কাজও করে থাকে, যার ফলে আমরা কিছুটা হলেও উপকৃত হয়েছি, তাহলে অবশ্যই আমাদের উচিত তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা, তাকে তার প্রাপ্য সম্মানটুকু দেয়া। আমাদের মনোভাব এমন হওয়া যাবে না যে কারো প্রতি কৃতজ্ঞ হলে বা কাউকে একটু সম্মান দিলে আমাদের নিজেদের কৃতিত্ব হ্রাস পাবে। কৃতজ্ঞতাবশত কাউকে সম্মান দেখালে কখনোই আমাদের নিজেদের কৃতিত্ব খাটো হয়ে যায় না, বরং এটিই প্রমাণ হয় যে আমরা উপকারীর উপকারকে কখনো ভুলি না, তাদের উপকার আমাদের স্মরণে থাকে।

    অজুহাত দেয়া যাবে না

    কোনো কাজ যদি ভুল হয়ে যায়, আমরা সবার আগে যা করি তা হলো অজুহাত দেয়া। অর্থাৎ কীভাবে অন্য কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা ঘটনার উপর আমাদের ভুলের দায়টা চাপিয়ে দেয়া যায়। এই প্রবণতা বর্জন করতে হবে। অজুহাত দেয়ার পরিবর্তে আমাদেরকে নিজেদের ভুলগুলো স্বীকার করে নিতে হবে, সেগুলো থেকে শিক্ষা নিতে হবে।

    আমাদের মনে রাখা প্রয়োজন, ভুলগুলো সবসময়ই দৃশ্যমান, কিন্তু অজুহাত সবসময় বিশ্বাসযোগ্য নয়। অর্থাৎ আমরা যদি কোনো ভুল করে বসি, সেটি সকলের নজরে পড়বে ঠিকই। অথচ আমরা যদি কোনো অজুহাত দিই, তাতে খুব কম মানুষই কর্ণপাত করবে, আরো অনেক কম মানুষ সেটিকে সত্য বলে বিশ্বাস করবে। মাঝখান থেকে আমাদের নিজেদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হবে। লোকে ধরে নেবে, আমরা এমনই দুর্বল ব্যক্তিত্বের অধিকারী যে নিজেদের ভুল স্বীকার করে নেয়ার মতো মানসিক শক্তি আমাদের নেই।

    তাই এখন থেকে আমাদের অবশ্যই চেষ্টা করতে হবে কোনো কাজে যদি ভুল হয়েই যায়, চোখে পড়া মাত্র সেই ভুল স্বীকার করে নেয়া। পাশাপাশি কী কারণে ভুলটি হলো, তা-ও নিজে নিজেই খতিয়ে দেখতে হবে, এবং সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে, যাতে করে ভবিষ্যতে একই ধরনের ভুলের পুনরাবৃত্তি না হয়।

    ভালোবাসা ছড়িয়ে দিতে হবে

    শুরুটা করেছিলাম ভালোবাসার কথা দিয়ে। শেষটাও করব ভালোবাসা দিয়ে। কিন্তু শুরুর সেই ভালোবাসা নিজের প্রতি হলেও, এবারের ভালোবাসা সকলের প্রতি।

    ‘ভালোবাসা’ কথাটিকে নেহাত রোমান্টিকতায় সীমাবদ্ধ না রেখে, একে আমাদের দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত করতে হবে। প্রতিনিয়ত ভালোবাসার অনুশীলন করতে হবে। নিজেকে তো ভালোবাসতে হবেই, পাশাপাশি ভালোবাসতে হবে আশেপাশের প্রতিটি মানুষকে। আর শুধু মানুষই বা কেন, ভালোবাসতে হবে সকল জীবকে। প্রাণ আছে এমন প্রত্যেককে ভালোবাসতে হবে, তাদেরকে ভালো রাখতে হবে।

    যখন আমরা আমাদের পরিবার, সমাজ, দেশ বা বিশ্বের সকলকে ভালোবাসব, তখন আশেপাশের সবার প্রতি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিরও আমূল পরিবর্তন ঘটবে। আগে হয়তো আমরা সবকিছুতেই কেবল সমস্যা খুঁজে পেতাম। কিন্তু যখন আমরা ভালোবাসার চোখ দিয়ে আমাদের পরিপার্শ্বকে দেখব, তখন তাদের প্রতি আমাদের মমত্ববোধও আরো বেড়ে যাবে, এবং তাদের প্রতি মনের নেতিবাচকতাও দূর হবে। আশেপাশের যারা ভালো, তাদেরকে আগলে রাখতে চাইব, এবং যারা হয়তো আমাদের দৃষ্টিতে খারাপ, তাদেরকেও ঘৃণা করার বদলে, সংশোধনের আপ্রাণ চেষ্টা চালাব, তাদেরকেও একটি সুন্দর জীবন উপহার দিতে চাইব।

    সূত্রঃ রোর মিডিয়া

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  5. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    কোরবানির গরু ছবি দেখে কিনতে চাই, কিছু গরুর ছবি দিন

    নূরজাহান
    সেরা উত্তর
    নূরজাহান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে
    উত্তরটি এডিট করা হয়েছে।

    কোরবানির গরু ছবি দেখে কিনতে নিচের গরুগুলোর বিস্তারিত দেখে কিনে নিন লাল এবং সাদা হলস্টেইন  লাল এবং সাদা হলস্টেইন গরু মূলত আমেরিকা এবং কানাডাতে প্রথম পাওয়া যায়। জাত হিসেবে একেবারেই নতুন, ১৯৬৪ তে একে আলাদা জাত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। দুধ এবং মাংস – দুই কারণেই এটি পছন্দের তালিকায় থাকে। গাভীর ওজন ৬০০-৭০০বিস্তারিত পড়ুন

    কোরবানির গরু ছবি দেখে কিনতে নিচের গরুগুলোর বিস্তারিত দেখে কিনে নিন

    লাল এবং সাদা হলস্টেইন 

    লাল এবং সাদা হলস্টেইন গরু মূলত আমেরিকা এবং কানাডাতে প্রথম পাওয়া যায়। জাত হিসেবে একেবারেই নতুন, ১৯৬৪ তে একে আলাদা জাত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। দুধ এবং মাংস – দুই কারণেই এটি পছন্দের তালিকায় থাকে। গাভীর ওজন ৬০০-৭০০ কেজির মত হয়ে থাকে এবং ষাঁড়ের ওজন গাভী থেকে বেশি। যেকোন পরিবেশের সাথে মানিয়ে চলার দক্ষতার কারণে এই জাত বেশ জনপ্রিয়। দুধ উৎপাদনে এর পারফর্মেন্স ও বেশ সন্তোষজনক।

    image host

    নওরেজিয়ান রেড 

    নওরেজিয়ান রেড জাতটি নরওয়ে থেকে উৎপন্ন, জনপ্রিয় ডুয়াল পারপাস (দুধ ও মাংস) ব্রিড। মাঝারি থেকে বৃহৎ সাইজের এই জাতের ষাঁড়ের গড় ওজন ১৩০০ কেজির মত। গরুর ক্ষেত্রে যেটা গড়ে ৬০০ কেজি। লাল, লালা-সাদা, লাল-সাদা-কালো সংকর – যেকোন রঙয়ের ই হতে পারে। এই জাতের গরুর জীবনকাল অন্য জাতের চেয়ে অনেক বেশি। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং যেকোন পরিবেশে মানিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা বিবেচনায় এটি অন্যতম সেরা একটি জাত। এটি সাধারণত এক ল্যাকটেশনে ১০,০০০ লিটার এর মত দুধ দিয়ে থাকে। ফলে এক্ষেত্রেও এটি প্রণিধানযোগ্য।

    image host

    নরম্যান্ডি ক্যাটল 

    নরম্যান্ডি ক্যাটল জাতটি উৎপন্ন হয়েছে ফ্রান্সের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল হতে। এটি একটি  ডুয়াল পারপাস (দুধ ও মাংস) ব্রিড। সাদার মধ্যে বাদামি-কালো ছোপ এই ব্রিডের বৈশিষ্ট্য। বাদামি চুলের আধিক্যের কারণে অনেক সময় বাঘের ছাপের মত দেখায়। মাঝারি থেকে বৃহৎ সাইজের এই জাতের ষাঁড়ের গড় ওজন ১১০০ কেজির মত। গরুর ক্ষেত্রে যেটা গড়ে ৭০০ কেজি। এরা বেশ শান্ত প্রকৃতির গরু হওয়ায় ব্যবস্থাপনা সহজ। এই জাতের গরু থেকে এক ল্যাকটেশনে ৬০০০ লিটার পর্যন্ত দুধ পাওয়া যেতে পারে, দিনপ্রতি ২০ লিটার এর মত। দুধ প্রোটিন এবং বাটারফ্যাট এর পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ।

    image host

    আমেরিকান মিল্কিং ডেভন 

    আমেরিকান মিল্কিং ডেভন একটি ট্রিপল পারপাস ব্রিড অর্থাৎ এটিকে দুধ, মাংস এবং ভারী মালামাল বহনের কাজে ব্যবহৃত হয়। এই ব্রিডের উৎপত্তি ইংল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে এবং আমেরিকায় আনা হয় সপ্তদশ শতাব্দীতে। এটি মাংসের জন্য ব্যবহৃত প্রাচীনতম জাতগুলোর একটি। এর গায়ের রঙ মূলত লাল, লাল এর বিভিন্ন শেড দৃশ্যমান এর গায়ের বিভিন্ন অংশে। গাভীর ওজন গড়ে ৫০০ কেজি, ষাঁড়ের ক্ষেত্রে যা ৭০০ কেজির মত হয়। উচ্চ তাপমাত্রায় খুব সহজেই মানিয়ে নিতে পারা, উচ্চ ফলনশীলতা, প্রজননে সহজতা – এসব কারণে এই জাতটি বেশ জনপ্রিয়। মাংসের জন্য এটি বেশ উপযোগী, ভারবহনে সক্ষম এবং দুধের ক্ষেত্রেও বেশ উৎপাদনশীল। এক ল্যাকটেশনে ৫০০০-৫৫০০ লিটার দুধ দেয়, দৈনিক প্রায় ২৩ লিটার এর মত।

    image host

    মিল্কিং শর্টহর্ন

    ১৭৮০ সালের দিকে এই জাত প্রবেশ করে যুক্তরাষ্ট্রে। এটি লাল, সাদা হয়ে থাকে। আকারে মূলত মাঝারি হয়। ইংল্যান্ডের উত্তর-পূর্ব দিকের টিস নদীর অববাহিকায় এদের জন্মস্থান। এদের সঙ্গে মিল আছে সুইডিস রেড গরু, ইলাওরা গরু যা অস্ট্রেলিয়ার। এটি একটি ডুয়াল পারপাস (দুধ ও মাংস) ব্রিড কিন্তু প্রধানত দুধের জন্য ব্যবহৃত হয়। রুক্ষ প্রকৃতির সাথে মিলিয়ে নিতে পারা এই মাঝারি আকৃতির গরুর ওজন ৬৪০-৬৮০ কেজির মত হয়। মূলত বাদামি লাল বর্ণের এ গরুর গায়ে সাদা সাদা ছোপ থাকতে পারে। এক ল্যাকটেশনে বছরে প্রায় ৭০০০ লিটার দুধ দিতে পারে এ গরু।

    image host

    ব্রাউন সুইস 

    এটিই গৃহপালিত গরুর মধ্যে সবচেয়ে পুরনো জাত। এরা ধূসর বাদামি বর্ণের। এদের আদি নিবাস সুইজারল্যান্ড। ডেইরি গবেষকদের মতে দুধ দেওয়া প্রজাতির মধ্যে এই জাতটিই সবচেয়ে পুরনো। এদের ব্যাপারে মজার তথ্য হলো, গ্রীষ্মের সময় এরা পাহাড়ের উঁচু দিকে চলে যেতে পারে। তাই এদের গলায় ঘণ্টা পরানো হয় যাতে কৃষকেরা তাদের খুঁজে পায়। বিশুদ্ধ বাদামি বর্ণের (অত্যন্ত গাঢ় বা হালকা) হয়ে থাকে। পিছনের অংশ ও নাকের চারপাশের অংশ অন্যান্য অংশের তুলনায় বেশি গাঢ়। এটি একটি বিশাল গরু যার ওজন প্রায় ৬০০-৮০০ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। সদ্য জন্মগ্রহণ করা বাছুরের ওজন ৪৫-৪৮ কেজি। গর্ভকাল দীর্ঘ। শান্ত ও সহজে উত্তেজিত হয়না। দৈনিক দুধ উৎপাদন প্রায় ২১-২৮ কেজি। দুধে ফ্যাটের পরিমাণ ৩.৬-৪.৪% ও প্রোটিন ৩.৫% প্রায়।

    image host

    গারনেসি 

    ইংল্যান্ড এবং ফ্রান্সের দুই দ্বীপের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত, ইংলিশ চ্যানেলের আইল অফ গারনেসি নামক স্থানে এই জাতের উৎপত্তি। মাথা বড়, সামনের দিকে উত্থিত শিং, মাঝারি আকৃতি এই গরুতে সোনালি হলুদ ছোপ থাকে। লোমবিহীন অংশ হালকা গোলাপী রঙয়ের হয়ে থাকে। হলুদাভ দুধে৫% এর মত ফ্যাট থাকে, ৪০০০ লিটার এর মত দুধ দেয় এক ল্যাকটেশনে মানে এই পরিমাণ দুধ এক বাছুর থেকে প্রাপ্ত করা যেতে পারে। এক বছরে হায়েস্ট ১৩,৫০০ লিটার দুধ দেয়ার রেকর্ড আছে এক ল্যাকটেশনে । কিন্তু ডুয়াল পারপাস ব্রিড (দুধ ও মাংস) না হওয়ায় এই জাতটা প্রতিযোগিতায় পিছনে পড়ে যাচ্ছে।

    image host

    আয়ারশায়ার 

    সাদা শরীরে লালচে বাদামি ছোপের এই গরুগুলো আকারে মাঝারি। স্কটল্যান্ডের আইর দ্বীপপুঞ্জে তাদের আদি জন্মস্থান। এদের শিং-এর জন্য এরা বিখ্যাত। এরা লম্বায় অনেক সময় কয়েক ফুট হতে পারে। বাহ্যত, এই গরু একটি অনুপাতিক শারীরিক সঙ্গে, বেশ শক্তিশালী গঠিত হয়।এই গরু খুব ভাল ঠান্ডা সহ্য, কিন্তু গরম অবস্থায় তারা ধীরে ধীরে চলন্ত। বয়ঃসন্ধিকালে গরুর ওজন 420-500 কেজি, এবং একটি ষাঁড়, 700-800 কেজি হতে পারে। বাছুর ছোট, 25-30 কেজি প্রতিটি জন্ম হয়। আয়ারশায়ার গরুর পুরো সময়কালে 4-4.3% চর্বিযুক্ত 4000-5000 কেজি দুধ এক বাছুর থেকে প্রাপ্ত করা যেতে পারে।

    image host

    জার্সি 

    বড় বড় চোখ আর বাদামি রঙের জন্য জার্সি গরুগুলো বিখ্যাত। এর দুধও ঘন ননিযুক্ত। এটি কয়েক রকমের হয়ে থাকে। কোনোটি হালকা বাদামি হয়, কোনোটি আবার ধূসর থেকে কালো রঙেরও হয়ে থাকে। এগুলো আকারে খুব বড় হয় না। বড় মুখে মাঝারি চোখ, দীর্ঘ চোখের পাপড়িযুক্ত জাতের গরুগুলো সবার কাছেই প্রিয়। এদের আদিনিবাস জার্সির দ্বীপপুঞ্জে যা ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জ নামে পরিচিত। বর্তমানে এ জাতটি ইংল্যান্ড, আমেরিকাসহ বিশ্বের প্রায় সব দেশেই পাওয়া যায়। গায়ের রং লাল বা মেহগনি হয়। পূর্ণবয়স্ক গাভীর ওজন ৪০০-৫০০ কেজির মতো এবং ষাঁড়ের ওজন ৫৪০-৮২০ কেজি হয়ে থাকে। সদ্যোজাত বাছুরের ওজন ২৫-২৭ কেজি।

    image host

    হলস্টেইন ফ্রিজিয়ান  

    গৃহপালিত গরুর জাতের মধ্যে সাদা-কালো ছোপযুক্ত এই গরুটি সবচেয়ে পরিচিত। এরা আকারে বড় হয়।  দুটো গরুর ছোপ দাগগুলো কখনো একই রকম হয় না। শীতপ্রধান অঞ্চলের এ জাতের গরুর উৎপত্তিস্থল হল্যান্ডের ফ্রিজল্যান্ড প্রদেশে। এরা দুধের জন্য বেশ বিখ্যাত। দৈনিক ৪০ লিটার পর্যন্ত দুধ দিতে সক্ষম। গায়ের চামড়া ছোট-বড় কালো ছাপযুক্ত। এমনকি পুরোপুরি সাদা ও কালোও হতে পারে। গাভীর ওজন হয় প্রায় ৫৫০-৬৫০ কেজির মত এবং ষাঁড়ের ওজন হয় ৮০০-৯০০ কেজি পর্যন্ত। ১৮-২৪ মাস বয়সে প্রথম গর্ভধারণ করে। সদ্যজাত বাছুরের গড় ওজন হয় ৩০-৩৬ কেজির মতো।

    image host

    ধন্যবাদ!

    সূত্রঃ ইন্টারনেট

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  6. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    আনসার ভিডিপি নিয়োগ, ফলাফল, সার্কুলার

    পলক
    সেরা উত্তর
    পলক পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    সাধারণ আনসার নিয়োগ ২০২২ সার্কুলার (২০২২-২০২৩ অর্থবছরের ১ম ধাপ) প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (আনসার ভিডিপি)। সাধারণ আনসার পদে দেশব্যাপী লোকবল (পুরুষ) নিয়োগ দেবে আনসার ভিডিপি । উল্লেখ্য, অঙ্গীভূত আনসারের চাকরি স্থায়ী সরকারি নয় বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। সাধারণ আনসারবিস্তারিত পড়ুন

    সাধারণ আনসার নিয়োগ ২০২২ সার্কুলার (২০২২-২০২৩ অর্থবছরের ১ম ধাপ) প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (আনসার ভিডিপি)।

    সাধারণ আনসার পদে দেশব্যাপী লোকবল (পুরুষ) নিয়োগ দেবে আনসার ভিডিপি । উল্লেখ্য, অঙ্গীভূত আনসারের চাকরি স্থায়ী সরকারি নয় বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

    সাধারণ আনসার পদে চাকরির জন্য আবেদন করতে হবে অনলাইনের (http://ansarvdp.gov.bd) মাধ্যমে ১৯ জুন থেকে ২৫ জুন ২০২২ তারিখ রাত ১১.৫৯টার মধ্যে।

    সাধারণ আনসার পদে চাকরি

    প্রতিষ্ঠান/সংস্থার নাম : বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী
    পদের নাম : সাধারণ আনসার
    আবেদনের যোগ্যতা : ন্যূনতম জেএসসি বা সমমান
    আবেদনের তারিখ : ১৯ জুন থেকে ২৫ জুন ২০২২
    প্রার্থীর ধরন : পুরুষ
    বেতন ও ভাতা : ১৬,২০০ টাকা (সমতল), ১৭,৪০০ টাকা (পার্বত্য),
    প্রতি বছর ৯৭৫০ টাকা করে ২টি উৎসব ভাতা।
    অনলাইনে আবেদনের লিংক : http://ansarvdp.gov.bd

    সাধারণ আনসার পদে আবেদনের যোগ্যতা

    • ১। ন্যূনতম জেএসসি বা সমমান পাশ হতে হবে।
    • ২। উচ্চতা কমপক্ষে ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি হতে হবে।
    • ৩। বুকের মাপ ৩০/৩২ ইঞ্চি হতে হবে।
    • ৪। দৃষ্টি শক্তি ৬/৬।
    • ৫। বয়সসীমা : ১৮-৩০ বছর। ১৯-৬-২০২২ তারিখে সর্বনিম্ন ১৮ বছর ও ২৫-৬-২০২২ তারিখে সর্বোচ্চ ৩০ বছর।

    সাধারণ আনসার পদে আবেদনের তারিখ, ফি ও লিংক

    • অনলাইনে আবেদন করার লিংক : http://ansarvdp.gov.bd
    • আবেদন ফি : ২০০ টাকা (বিকাশ/রকেট/মোবিক্যাশের মাধ্যমে জমা দিতে হবে)
    • আবেদনের শেষ তারিখ : ২৫ জুন ২০২২

    সাধারণ আনসার পদের বেতন ও সুযোগ সবিধা

    • প্রশিক্ষণ শেষে অঙ্গীভূত হলে মাসিক বেতন সমতল এলাকার জন্য ১৩০৫০ টাকা, পার্বত্য এলাকায় ১৪২০০ টাকা।
    • প্রতি বছর উৎসব ভাতা (৯৭৫০ টাকা) পাওয়া যাবে ২ বার।
    • রেশন ও আর্থিক সহায়তা।

     

    আনসার ভিডিপি নিয়োগ পরীক্ষা

    দেশের ৪টি রেঞ্জের (রংপুর, বরিশাল, রাজশাহী, কুমিল্লা) অধীনে ২৮টি জেলার নির্বাচন কেন্দ্রে প্রার্থীদের বাছাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

    আনসার ভিডিপি নিয়োগ ২০২২ ৬ষ্ঠ ধাপের সার্কুলার – Ansar VDP job circular 2021

    2021

    <img class="i-amphtml-intrinsic-sizer" style="max-width: 100%; display: block !important;" role="presentation" src="data:;base64,” alt=”” aria-hidden=”true” />General ansar job circular 2022 - ansarvdp.gov.bdGeneral ansar job circular 2022 – ansarvdp.gov.bd

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  7. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    Power 30 ট্যাবলেট খাওয়ার নিয়ম, কার্যকারিতা, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও দাম

    পলক
    সেরা উত্তর
    পলক পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    এটি হলো লিঙ্গ উত্থানজনিত সমস্যা সমাধানের ঔষধ যাকে ইরেক্টাইল ডিসফাংশনাল বলে যা মানুসিক আরকি, যাদের লিঙ্গ উত্থান হয় না, তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, সুতারং এসব ঔষধ আপনার প্রয়োজন হলে আপনার ডাক্তারের সাথে আলোচনা করুন ও সঠিক ডোজ গ্রহণ করুন।। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ গ্রহণ করবেন না। এরকম ওষুধ হৃদরোগ এবং জটবিস্তারিত পড়ুন

    এটি হলো লিঙ্গ উত্থানজনিত সমস্যা সমাধানের ঔষধ যাকে ইরেক্টাইল ডিসফাংশনাল বলে যা মানুসিক আরকি, যাদের লিঙ্গ উত্থান হয় না, তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, সুতারং এসব ঔষধ আপনার প্রয়োজন হলে আপনার ডাক্তারের সাথে আলোচনা করুন ও সঠিক ডোজ গ্রহণ করুন।।

    ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ গ্রহণ করবেন না। এরকম ওষুধ হৃদরোগ এবং জটিল স্বাস্থ্য সমস্যা তৈরি করে।

    ধন্যবাদ।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  8. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঘ ইউনিট প্রশ্ন ব্যাংক pdf, বিষয় সমূহ, মানবন্টন, রেজাল্ট এবং ভর্তি নির্দেশিকা

    নূরজাহান
    নূরজাহান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঘ ইউনিট প্রশ্নব্যাংক পিডিএফ । ঢাবি ঘ ইউনিট এর বিগত ১০ বছরের প্রশ্নের সমন্বয়ে আমরা তৈরি করেছি “DU D Unit Question Bank PDF” । আমাদের ওয়েবসাইট থেকে আপনি প্রতি বছরের প্রশ্ন আলাদা আলাদা এবং সম্পূর্ণ প্রশ্নব্যাংক একসাথে পিডিএফ আাকারে ডাউনলোড করতে পারবেন । তাই আর দেরি না করে ডাউনলোড করেবিস্তারিত পড়ুন

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঘ ইউনিট প্রশ্নব্যাংক পিডিএফ । ঢাবি ঘ ইউনিট এর বিগত ১০ বছরের প্রশ্নের সমন্বয়ে আমরা তৈরি করেছি “DU D Unit Question Bank PDF” । আমাদের ওয়েবসাইট থেকে আপনি প্রতি বছরের প্রশ্ন আলাদা আলাদা এবং সম্পূর্ণ প্রশ্নব্যাংক একসাথে পিডিএফ আাকারে ডাউনলোড করতে পারবেন । তাই আর দেরি না করে ডাউনলোড করে নিন নিন ঢাবি ঘ ইউনিট প্রশ্নব্যাংক (Dhaka University Gha Unit Question Bank PDF)

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঘ ইউনিট প্রশ্নব্যাংক পিডিএফ

    ঘ ইউনিট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার সমন্বিত ইউনিট । অর্থ্যাৎ যেকোন বিভাগের শিক্ষার্থীরাই এই এই ইউনিটে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারেন । ঘ ইউনিটে ৫৫ টি বিভাগের অধীনে মোট ১৫৬০ টি আসন রয়েছে । বিভিন্ন বিভাগের জন্য আলাদা আলাদা আসন বরাদ্দ রয়েছে । ঘ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ১০০ নম্বরে অনুষ্ঠিত হয় । ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষ থেকে এমসিকিউ এর পাশাপাশি লিখিত পরীক্ষাও যুক্ত করা হয় ।

    ঘ ইউনিট এর নতুন মানবন্টন

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মানবন্টনে পরিবর্তন আনা হয়েছে । ঢাবি ঘ ইউনিটে ২০০ নম্বরের পরিবর্তে ১০০ নম্বর করা হয়েছে । যার মধ্যে ৬০ নম্বর এমসিকিউ, ৪০ নম্বর লিখিত এবং ২০ নম্বর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফলের উপর ভিত্তি করে ।

    ঢাবি ঘ ইউনিট প্রশ্নব্যাংক

    ঢাকা বিশ্বদ্যিালয় ঘ ইউনিট ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহনের পূর্বে অবশ্যই ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীকে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন ও মানবন্টন সম্পর্কে জানতে হবে । কারন প্রশ্নের মান বন্টন ও বিষয়ের উপর প্রস্তুতি নির্ভর করে । তাই ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নের মান , ধরন ও বিষয় সম্পর্কে সম্যক ধারণা নিতে হলে আপনাকে অবশ্যই বিগত বছরের প্রশ্নগুলো দেখতে হবে । আর ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের কথা মাথায় রেখেই আমরা তৈরি করেছি “DU D Unit Question Bank PDF Version” । এতে করে আপনি সহজেই প্রশ্নপত্র গুলো দেখতে পারছেন এবং ডাউনলোড করে নিতে পারছেন । নিচে ঢাবি ঘ ইউনিট এর ১০ বছরের প্রশ্ন পিডিএফ আকারে দেওয়া হল । আপনার চাহিদামত ডাউনলোড করে নিন ।

    DU D Unit Question Bank PDF

    DU D Unit Question Bank 2020-2021 Download
    DU D Unit Question Bank 2019-2020 Download
    DU D Unit Question Bank 2018-2019 Download
    DU D Unit Question Bank 2017-2018 Download
    DU D Unit Question Bank 2016-2017 Download
    DU D Unit Question Bank 2015-2016 Download
    DU D Unit Question Bank 2014-2015 Download
    DU D Unit Question Bank 2013-2014 Download
    DU D Unit Question Bank 2012-2013 Download
    DU D Unit Question Bank 2011-2012 Download

    ধন্যবাদ!

    সূত্রঃ admissionwar

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  9. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

    জিংক বি ট্যাবলেট ও বাচ্চাদের জিংক সিরাপ এর উপকারিতা কি? zinc 20 mg b tablet এর কাজ কি?

    পলক
    পলক পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    নির্দেশনা ইহা জিংক এবং বি ভিটামিন সমূহের ঘাটতি পূরণে এবং প্রতিরোধমূলক চিকিৎসায় নির্দেশিত। ফার্মাকোলজি জিংক অনেক বায়োলজিক্যাল ফাংশন যেমন-রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, ক্ষত সারানো, পরিপাক, প্রজনন, শারীরিক বৃদ্ধি এবং মানসিক বিকাশের জন্য অপরিহার্য। জিংক গর্ভাবস্থায়, শৈশব এবং কৈশোরে স্বাভাবিক বৃদ্ধি এবংবিস্তারিত পড়ুন

    নির্দেশনা

    ইহা জিংক এবং বি ভিটামিন সমূহের ঘাটতি পূরণে এবং প্রতিরোধমূলক চিকিৎসায় নির্দেশিত।

    ফার্মাকোলজি

    জিংক অনেক বায়োলজিক্যাল ফাংশন যেমন-রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, ক্ষত সারানো, পরিপাক, প্রজনন, শারীরিক বৃদ্ধি এবং মানসিক বিকাশের জন্য অপরিহার্য। জিংক গর্ভাবস্থায়, শৈশব এবং কৈশোরে স্বাভাবিক বৃদ্ধি এবং গঠনে সহায়তা করে। জিংক এর কিছু এন্টিঅক্সিডেন্ট ক্ষমতাও রয়েছে। শিশুদের এডিএইচডি (এটেনশন ডেফিসিট হাইপার-অ্যাকটিভিটি ডিসঅর্ডার) চিকিৎসায়ও জিংক ব্যবহৃত হয়। প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে জিংক এর অভাবে ক্ষুধামান্দ্য, স্বাদ এবং ঘ্রাণ গ্রহণের ক্ষমতা কমে যাওয়া, বিষণ্ণতার প্রবনতা, নখে সাদা দাগ, ঘন ঘন ইনফেকশন, দূর্বল প্রজনন ক্ষমতা, প্রস্টেট এর সমস্যা, মানসিক সমস্যা, দেরিতে ঘা শুকানো, দূর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, ডায়রিয়া, মানসিক দূর্বলতা, অমসৃন ত্বক ও ওজন হ্রাস হতে পারে।

    বি-ভিটামিন খাদ্য থেকে শক্তি তৈরীতে প্রয়োজনীয়। শিশু ও বয়স্কদের সুস্থ মস্তিষ্ক ও স্নায়ুর সঠিক কার্যকারিতা বজায় রাখতে এবং সুগঠিত লোহিত রক্ত কণিকা তৈরীতে বি ভিটামিনগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে শিশুর সঠিক বৃদ্ধি ও বিকাশে এটি বিশেষভাবে প্রয়োজনীয়। বি ভিটামিনের অভাবে প্রাপ্তবয়স্কদের গভীর অবসন্নতা এবং বিভিন্ন ধরনের স্নায়বিক সমস্যা যেমন- দূর্বলতা, ভারসাম্যহীনতা, দ্বিধাগ্রস্ততা, বিরক্তিভাব, স্মৃতিভ্রম, ভীতি, হাত-পা এ শির শির ভাব এবং সমন্বয়হীনতা দেখা দিতে পারে। এছাড়া বি-ভিটমিনের অভাবে নিদ্রা সমস্যা, বমি বমি ভাব, ক্ষুধামান্দ্য, ঘন ঘন ইনফেকশন এবং চর্মরোগ দেখা দেয়।
    মাত্রা ও সেবনবিধি

    সিরাপ

    প্রাপ্ত বয়স্ক: দৈনিক ১০ মিঃলিঃ (২ চা-চামচ করে), ২-৩ বার বা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী।
    বাচ্চা: দৈনিক ১০ মিঃলিঃ (২ চা-চামচ করে), ১-৩ বার বা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী।
    শিশু: দৈনিক ৫ মিঃলিঃ (১ চা-চামচ করে), ১-২ বার বা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী।

    ট্যাবলেট

    প্রাপ্ত বয়স্ক এবং শিশু যাদের ওজন ৩০ কেজি এর উপরে: ১ থেকে ২ টি ট্যাবলেট প্রতিদিন ২ থেকে ৩ বার বা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী।

    * চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক ঔষধ সেবন করুন’

    সূত্রঃ MedEx

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  10. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    কোন দেশের মেয়েরা সবচেয়ে বেশি সুন্দরী হয়? বিশ্ব সুন্দরী দের ছবি

    পলক
    সেরা উত্তর
    পলক পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    আমি কোন তর্কে যাবো না। প্রত্যেক দেশেই সুন্দরী রমণী রয়েছে। তবে যে দেশগুলোতে বেশিরভাগ মেয়েরা সুন্দরী সেইসব দেশগুলোর রমণীদের কিছু ছবি তুলে ধরছি। তবে ১ম, ২য় এমন স্তরে সাজাইনি। আপনি চাইলে নিচে কমেন্ট করে কোন দেশের নারী আপনার বেশি সুন্দরী মনে হয়েছে তা জানাতে পারেন। ভেনিজুয়েলা সুন্দরী লুথেনিয়া সুন্দরী রাশিবিস্তারিত পড়ুন

    আমি কোন তর্কে যাবো না। প্রত্যেক দেশেই সুন্দরী রমণী রয়েছে। তবে যে দেশগুলোতে বেশিরভাগ মেয়েরা সুন্দরী সেইসব দেশগুলোর রমণীদের কিছু ছবি তুলে ধরছি। তবে ১ম, ২য় এমন স্তরে সাজাইনি। আপনি চাইলে নিচে কমেন্ট করে কোন দেশের নারী আপনার বেশি সুন্দরী মনে হয়েছে তা জানাতে পারেন।

    ভেনিজুয়েলা সুন্দরী

    imgbox

    লুথেনিয়া সুন্দরী

    imgbox

    রাশিয়ান সুন্দরী

    imgbox

    ইতালীয় সুন্দরী

    imgbox
    সার্বিয়ান সুন্দরী

    imgbox

    এবার আপনি বলুন, কোন দেশের সুন্দরী কে আপনার বেস্ট মনে হয়েছে। কমেন্টে জানান।

    ধন্যবাদ!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  11. সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    বিসিএস ক্যাডার চয়েস লিস্ট, bcs syllabus আর bcs seat plan বের করার প্রকৃয়া

    নূরজাহান
    নূরজাহান নতুন
    রিপ্লাই করেছেন 5 বছর আগে

    ওয়াও, সত্যি অনেক কষ্ট করে সময় নিয়ে পরিপূর্ণ লেখা! 😍🤩

    ওয়াও, সত্যি অনেক কষ্ট করে সময় নিয়ে পরিপূর্ণ লেখা! 😍🤩

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  12. সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    বাসর রাতে বিড়াল মারা এটার মানে কী?

    পলক
    পলক পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 5 বছর আগে

    ফার্সী ভাষা বাংলা ভাষার চেয়ে অনেক প্রাচীন ভাষা । বাসর রাতে বিড়াল মারার ঘটনা- এটি মূলত ফার্সীর প্রাচীনকালীন প্রবাদ হিসেবে প্রসিদ্ধ । সুতরাং সহজেই বোঝা যায়, এই ঘটনাটি যদি ফার্সিতে লেখা কোন ডকুমেন্ট থেকে নেয়া হয় তাহলে সেটি অধিক বিশুদ্ধ হবে । এবার বলি আসল ঘটনা । ফার্সীতে প্রসিদ্ধ প্রবাদটি হলো : گربবিস্তারিত পড়ুন

    ফার্সী ভাষা বাংলা ভাষার চেয়ে অনেক প্রাচীন ভাষা । বাসর রাতে বিড়াল মারার ঘটনা- এটি মূলত ফার্সীর প্রাচীনকালীন প্রবাদ হিসেবে প্রসিদ্ধ ।

    সুতরাং সহজেই বোঝা যায়, এই ঘটনাটি যদি ফার্সিতে লেখা কোন ডকুমেন্ট থেকে নেয়া হয় তাহলে সেটি অধিক বিশুদ্ধ হবে ।

    এবার বলি আসল ঘটনা ।

    ফার্সীতে প্রসিদ্ধ প্রবাদটি হলো : گربہ کشتن شب اول (গুরবা কুশতান শবে আওয়াল) অর্থাৎ প্রথম রাত্রে বিড়াল মারা ।

    ফার্সী কিতাবে ঘটনাটি যেভাবে বর্ণিত হয়েছে— (সংক্ষেপে শুধু মূল ঘটনাটি বলবো) —

    এক লোক বিয়ে করার পর প্ল্যান করতে থাকে যে, স্ত্রীকে কীভাবে শুরুতেই বাগে আনা যায়, এমন ভাবে যে, সারা জীবন যেন সে একদম দাসীর মত কথা মানে । পরে সে একটা বুদ্ধি বের করে । সে গোপনে তার বিড়ালটাকে 🐈 বাসর ঘরে খাটের এক কোনায় বেঁধে রাখে । আর বিছানার নিচে একটি তলোয়ার লুকিয়ে রাখে । নতুন বৌ এই ব্যাপারে কিছুই জানতো না ।

    যখন দরজা আটকে একসাথে বিছানায় যায় দুজন তখন বিড়ালটি 🐱 খুব বেশি চ্যাউম্যাউ শুরু করে দেয় । লোকটি বারবার সতর্ক করতে থাকে- “এই বিড়াল চুপ হয়ে যা” । কিন্তু বিড়াল কি একথা শোনে ?

    বিড়াল 🐱 জোরে জোরে চ্যাউম্যাউ করে করতে থাকে । লোকটি একবার-দুবার, এমন করে কয়েকবার মানা করে ।

    কিন্তু বিড়ালের চ্যাউম্যাউ বাড়তেই থাকে । একপর্যায়ে লোকটি খুব রাগ হয় লাফ দিয়ে বিছানার নিচ থেকে এক ঝটকায় তলোয়ার বের করে এক কোপে বিড়ালটিকে দু’টুকরো করে ফেলে । এরপর বিড়ালটিকে বাইরে ফেলে দেয় । আর রক্তমাখা তলোয়ারটি আগের জায়গায় রেখে দেয় ।

    এতে সেই নতুন বউ একদম ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে । এরপর থেকে সেই বউ সারা জীবন একটি বারের জন্যও সেই স্বামীর মুখের উপর কোনদিন একটি টু শব্দও করে নি ।

    একটু অনুমানের ভিত্তিতে বলতে পারি

    এখানে দুটি অর্থে এই প্রবাদটির ব্যবহার হয়।

    ১. স্ত্রীর কাছে নিজেকে জাহের করা। নিজেকে শক্তিশালী ও পরাক্রমশালী প্রমান করা।

    ২. বাসর রাতেই স্ত্রীকে শারীরিক মিলনের মাধ্যমে তৃৃপ্ত করা যাতে স্ত্রী সারাজীবন স্বামীর অনুগত থাকে।

    ফুটনোটঃ কোরা

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  13. সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    হস্তমৈথুন ভাল না খারাপ

    পলক
    সেরা উত্তর
    পলক পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 5 বছর আগে

    হস্তমৈথুন ভাল না খারাপ কোন জিনিস যখন খুব বেশি করা হয়, সেটা অবশ্যই খারাপ। হস্তমৈথুনও তাই। চিকিৎসকদের মতে সপ্তাহে ১ থেকে ৩ বার হস্তমৈথুন মোটেও দোষের কিছু নয়। বরং এতে মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে। হস্তমৈথুন করতেই হবে এমন কোন কথা নেই, তবে সপ্তাহে ২/৩ বার করলে দোষের কিছুই নেই। তবে হ্যাঁ, কেউ যদি দৈনিক হস্তবিস্তারিত পড়ুন

    হস্তমৈথুন ভাল না খারাপ

    কোন জিনিস যখন খুব বেশি করা হয়, সেটা অবশ্যই খারাপ। হস্তমৈথুনও তাই। চিকিৎসকদের মতে সপ্তাহে ১ থেকে ৩ বার হস্তমৈথুন মোটেও দোষের কিছু নয়। বরং এতে মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে। হস্তমৈথুন করতেই হবে এমন কোন কথা নেই, তবে সপ্তাহে ২/৩ বার করলে দোষের কিছুই নেই।
    তবে হ্যাঁ, কেউ যদি দৈনিক হস্তমৈথুন করেন, কিংবা দিনে একাধিকবার করতে থাকেন, বিষয়টি নিঃসন্দেহে তার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক।

    হস্তমৈথুন করার অপকারিতা

    বেশি বেশি হস্ত মৈথুন করলে বেশ কিছু সমস্যার মুখোমুখি হতে পারেন আপনি। জেনে নিন দৈনিক একাধিকবার হস্তমৈথুন করার অপকারিতা।

    যেহেতু বীর্য তৈরি হয় অন্ডকোষে, তাই বেশি হস্তমৈথুনের ফলে, অণ্ডকোষে বীর্যরস তৈরিতে ব্যাঘাত ঘটতে পারে।
    বাড়তি বীর্য তৈরির চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে পারে অণ্ডকোষ। ফলে অণ্ডথলিতে ব্যাথা হওয়া অস্বাভাবিক নয়।

    অতিরিক্ত হস্তমৈথুনে মস্তিষ্কে বীর্য তৈরির হরমোনের ঘাটতিও দেখা দিতে পারে। সেক্ষেত্রে মস্তিষ্কের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে। ফলে মাথাব্যাথা সহ মস্তিষ্কের নানা সাময়িক ত্রুটি দেখা দিতে পারে।

    ঘন ঘন হস্তমৈথুনে বীর্য পাতলা হয়ে যায় খুব স্বাভাবিকভাবেই। যদি ক্রমাগত ব্যাপারটা চালিয়ে যেতে থাকেন, স্বাস্থ্য সমস্যা তৈরি হবে।

    তাছাড়া অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে যৌনাঙ্গে ব্যাথা ও আংশিক বিকৃতি ঘটতে পারে।

    শরীর চড়া অবস্থায় হস্তমৈথুন করলে, প্রসাবে জালাপোড়া বেড়ে যায় খুব বেশিমাত্রায়। তাই হস্তমৈথুন নিয়ন্ত্রিত ও সতর্কতার সাথে করা উচিত।

    খুব বেশি হস্তমৈথুনে স্বাস্থ্যের প্রতি প্রভাব পড়ে। বিশেষ করে উঠতি বয়সী তরুণদের বাড়ন্ত সময়ে অতিরিক্ত হস্তমৈথুন ভালো নয়।

    হস্তমৈথুনে অভ্যস্ত অনেক পুরুষই পরবর্তী যৌন জীবনে সুখী হতে পারেন না। কারণ এই হস্তমৈথুন তাঁদের অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায় আর এটাতেই তাঁরা স্বস্তি বোধ করেন।

    মনে রাখবেন, যৌন বিষয়ক কোনো সমস্যা যদি দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকে তখন অবহেলা না করে একজন যৌনরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া অবশ্যই উচিত।

    হস্তমৈথুন একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, তবে একে অতিরিক্ত পর্যায়ে নেয়া মোটেও ভালো নয়। হ্যাঁ, এটা আপনার পুরুষত্ব নষ্ট হবে না ঠিকই, তবে নানা রকম শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।

    তথ্যসূত্রঃ bdtimes365

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  14. সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

    পিরিয়ডের বা মাসিকের ব্যথা কমানোর ঔষধ এর লিস্ট এবং কার্যকরী ওষুধ কোনটি?

    নূরজাহান
    নূরজাহান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 5 বছর আগে

    পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর ঔষধ viset ঔষধ খেলে ব্যথা কমবে কিন্তু পরবর্তী মাসে আবার ব্যথা হবে ৷ এটা কেবল ব্যথা কমাবে ৷ রোগ বা সমস্যা দুর করবে না ৷ তাই চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করে ঔষধ সেবন করাটাই সবচেয়ে ভালো হবে ৷ নিচে কিছু ঘরোয়া উপায় দিলাম যা ঔষধের বিকল্প হিসেবে মেনে চলতে পারেন। এতে ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিবিস্তারিত পড়ুন

    পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর ঔষধ

    viset ঔষধ খেলে ব্যথা কমবে কিন্তু পরবর্তী মাসে আবার ব্যথা হবে ৷ এটা কেবল ব্যথা কমাবে ৷ রোগ বা সমস্যা দুর করবে না ৷ তাই চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করে ঔষধ সেবন করাটাই সবচেয়ে ভালো হবে ৷

    নিচে কিছু ঘরোয়া উপায় দিলাম যা ঔষধের বিকল্প হিসেবে মেনে চলতে পারেন। এতে ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকে বেঁচে যাবেন।

    পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর ঘরোয়া উপায়

    তালিকা থেকে কিছু খাবার বাদ দিন

    পিরিয়ড চলাকালীন খাদ্য তালিকা থেকে কিছু খাবার বাদ দিন। বাড়তি লবণ, চা-কফি বা ক্যাফেইন জাতীয় যে কোনো পানীয়, চিনি ও দুগ্ধ জাতীয় খাবার। এতে পিরিয়ডের সময় স্তন ও তলপেট ব্যথা হতে মুক্তি পাবেন।

    ব্যায়াম

    অনেক মেয়েরই পিরিয়ডের আগে ও পরে স্তনে ব্যথা হয়। তাই সাবধানে ব্যায়াম করতে করতে হবে। এমন কোনো ব্যায়াম করবেন না যাতে বুকে চাপ পড়ে। এমন ব্যায়াম করুন, যেগুলো শরীরের নিচের অংশে কার্যকর। এক্ষেত্রে সাইকেল চালানো, হাঁটা, ভুল ব্যায়াম পরিস্থিতি আরও খারাপ করে দেবে।

    স্তনে ব্যথা কমাবে

    কিছু বিশেষ ধরনের ব্যায়াম আছে, যেগুলো এই স্তনে ব্যথা কমায়।ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলে সেই ব্যায়ামগুলো করতে পারেন। স্তনকে সাপোর্ট দেয়, এমন ব্রা পরিধান করুন। সঠিক মাপের আরামদায়ক ব্রা ব্যথা কমাতে সহায়তা করবে।

    ঠাণ্ডা লাগানো যাবে না

    পিরিয়ড চলাকালীন শরীরে ঠাণ্ডা লাগানো যাবে না। এ সময় ঠাণ্ডা লাগলে স্তন, হাত-পা ও কোমরের ব্যথা বেড়ে যাবে। এছাড়া পিরিয়ড চলাকালীন স্তনে কোনো প্রকার চাপ দেবেন না, এতে ব্যথা আরও বাড়বে।

    গরম পানির সেক

    পিরিয়ড চলাকালীন তলপেট, স্তন, কোমর, হাত ও পায়ের ব্যথা অতিরিক্ত বেড়ে গেলে গরম পানির সেঁকা দিতে পারেন। তবে হালকা গরম তেল দিয়ে ব্যথায় অংশে ম্যাসেজ পারেন। যদি ব্যথা খুব বাড়ে তবে প্যারাসিটামল বা ব্যথা জাতীয় ওষুধ খেতে পারে। তবে অতিরিক্ত ওষুধ খাওয়া যাবে না।

    ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার

    পিরিয়ডের ব্যথায় কমাতে ভিটামিন ই এবং বি বেশ উপকারী। পিরিয়ডের সময় যাদের তীব্র ব্যথা হয় তারা ভিটামিন ই, বি১, বি৬, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডযুক্ত খাবার খেলে উপকার পাবেন। যেমন -চিনা বাদাম, পেস্তা বাদাম, বাঁধাকপি, আম, মাছ, ওটমিল, কলা, ডিম, সবুজ শাকসবজি, গম, ডাল ইত্যাদি খাবারগুলো কেতে পারেন। এই খাবারগুলো পেশির সংকোচনজনিত পিরিয়ডের ব্যথা থেকে স্বস্তি পেতে সহায়তা করবে।

    ব্যথা সারাতে মেথি

    পিরিয়ডের ব্যথাসহ যে কোনো ব্যথা সারাতে ব্যথা মেথির জুড়ি নেই। মেথি একটি ভেষজ ওষুধ। এক চা চামচ পরিমাণ মেথি ভালো করে ধুয়ে নিন। এবার মেথিটুকু চিবিয়ে খেয়ে ফেলুন। দেখবেন ব্যথা থেকে মুক্তি মিলবে।

    তথ্যসূত্রঃ
    দৈনিক যুগান্তর ( https://www.jugantor.com/lifestyle/656/%E0%A6%93%E0%A6%B7%E0%A7%81%E0%A6%A7-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A7%9F )

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  15. সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ SEO

    নতুন ক্যাটাগরি “SEO” যুক্ত হলো আড্ডাবাজে!

    সুমনা
    সুমনা নতুন
    রিপ্লাই করেছেন 5 বছর আগে

    হ্যা

    হ্যা

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  16. সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ SEO

    নতুন ক্যাটাগরি “SEO” যুক্ত হলো আড্ডাবাজে!

    সুমনা
    সুমনা নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 5 বছর আগে

    আমি তো এটার কিছুই বুঝিনা... 😪🥴

    আমি তো এটার কিছুই বুঝিনা… 😪🥴

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  17. সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ অ্যাপ (অ্যান্ড্রয়েড ও IOS)

    রোমান্টিক প্রেমের ছন্দ ও নোটবুক-Premer Chondo 2021

    নূরজাহান
    নূরজাহান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 5 বছর আগে

    এই এপ কি কাজ করে?

    এই এপ কি কাজ করে?

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  18. সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

    ই ক্যাপ খেলে কি উপকার হয়? ই ক্যাপ ৪০০ এর দাম কত?

    নূরজাহান
    সেরা উত্তর
    নূরজাহান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 5 বছর আগে

    ই ক্যাপ আটটি ফ্যাট সলিউবল ভিটামিনের গ্রুপ দিয়ে গঠিত ভিটামিন ই অ্যান্টি অক্সিডান্টে ভরপুর যা চুলের নানা সমস্যার সমাধান করতে পারে সফলভাবে। যাঁরা চুল ওঠার সমস্যায় ভুগছেন, তাঁদের জন্য ভিটামিন ই খুবই কাজের। চলুন দেখে নেওয়া যাক নিয়মিত ভিটামিন ই ক্যাপ ব্যবহার করলে চুলের কী কী সমস্যার হাত থেকে বাঁচতে পারবেনবিস্তারিত পড়ুন

    ই ক্যাপ আটটি ফ্যাট সলিউবল ভিটামিনের গ্রুপ দিয়ে গঠিত ভিটামিন ই অ্যান্টি অক্সিডান্টে ভরপুর যা চুলের নানা সমস্যার সমাধান করতে পারে সফলভাবে। যাঁরা চুল ওঠার সমস্যায় ভুগছেন, তাঁদের জন্য ভিটামিন ই খুবই কাজের। চলুন দেখে নেওয়া যাক নিয়মিত ভিটামিন ই ক্যাপ ব্যবহার করলে চুলের কী কী সমস্যার হাত থেকে বাঁচতে পারবেন।

    ই ক্যাপ এর উপকারিতা

    পাতলা চুল
    খুসকির উপদ্রব
    ডগাফাটা চুলের সমস্যায়
    বিবর্ণ চুল উজ্জ্বল করতে
    চুল অকালে সাদা হয়ে গেলে
    এটি একটি প্রাকৃতিক হেয়ার কন্ডিশনার
    রুক্ষ চুলের জন্য
    চুল ওঠা বন্ধ করতে

    তবে কিভাবে কত পরিমাণে ব্যবহার করবেন তা অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে ব্যবহার করবেন। আপনার মাথার ত্বক এবং চুলের ধরণ দেখে চিকিৎসক পরামর্শ দিবেন। কারণ এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকে। চলুন দেখে নেয়া যাক এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলো।

    ভিটামিন ই ক্যাপ এর ক্ষতি এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

    যাঁদের ত্বক খুব সেনসিটিভ বা যাঁরা সোরিয়াসিস বা কনট্যাক্ট ডার্মাটাইটিসে ভুগছেন, তাঁরা যদি সরাসরি ত্বকে ভিটামিন ই ব্যবহার করেন তা হলে কিন্তু হিতে বিপরীত হওয়ার আশঙ্কা রয়েই যায়। তার চেয়ে বরং আগে একবার আপনার ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করে নিন। আর সরাসরি না ব্যবহার করে বরং দই, মধু, ভিটামিন ই তেল আর লেবুর রস দিয়ে আপনার নিজস্ব ফেস প্যাক বানিয়ে নিন। এতে ব্রণ, ত্বকের দাগ-ছোপ তো কমবেই, সেই সঙ্গে ক্রমশ বাড়বে উজ্জ্বলতাও। পাকা পেঁপে, মধু আর লেবুর রসের মাস্কেও ভিটামিন ই ক্যাপসুলের নির্যাস মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। ভিটামিন ই তেল, টি ট্রি অয়েল, নারকেল তেল, ল্যাভেন্ডার তেল একসঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করলে মুক্তি পাবেন অ্যালার্জির হাত থেকে।

    ই ক্যাপ ৪০০ এর দাম

    প্রতিটি ই ক্যাপ ৪০০ ইউনিট প্রাইসঃ ৬.০৫ টাকা, ৫০ টি ট্যাবলেট এর প্যাকঃ ৩০২.৫০ টাকা।

    তথ্যসূত্রঃ https://www.google.com/amp/s/m.femina.in/bengali/health/diet-and-fitness/can-you-use-vitamin-e-capsule-directly-on-skin-2741.amp

    https://medex.com.bd/brands/13953/e-cap-400iu/bn

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
1 … 3 4 5

Sidebar

লগ ইন করুন
  • জনপ্রিয়
  • উত্তর
  • Mithun

    নির্মাণকাজে মরুভূমির বালু কেন ব্যবহার করা হয়না?

    • 12 টি উত্তর
  • Hina Khan

    Is Telegram MOD APK safe to use? What are the ...

    • 9 টি উত্তর
  • shanto

    ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইন আবেদন, লাইসেন্সের অনলাইন কপি ডাউনলোড, লাইসেন্স হয়েছে ...

    • 8 টি উত্তর
  • Admin

    নতুন ক্যাটাগরি "SEO" যুক্ত হলো আড্ডাবাজে!

    • 7 টি উত্তর
  • Mahmudul

    একটি ঘোর লাগানো ছবি দেখাতে পারবেন কি?

    • 6 টি উত্তর
  • jahanur
    jahanur একটি উত্তর দিয়েছেন You can definitely use Instagram downloaders on both your phone… জুলাই 26, 2026, সময়ঃ 1:11 অপরাহ্ন
  • ঝুমুর হাসান
    ঝুমুর হাসান একটি উত্তর দিয়েছেন কাকরোচ জনতা পার্টি (Cockroach Janta Party) কাকরোচ জনতা পার্টি (CJP)… জুলাই 22, 2026, সময়ঃ 12:58 অপরাহ্ন
  • Fist Name
    Fist Name একটি উত্তর দিয়েছেন https://jojoji.com এই লিংক থেকে পোস্ট বা প্রশ্ন উত্তর করে সহজেই… জুলাই 13, 2026, সময়ঃ 1:50 পূর্বাহ্ন
  • mar7w7
    mar7w7 একটি উত্তর দিয়েছেন great post! জুন 15, 2026, সময়ঃ 2:56 পূর্বাহ্ন
  • M Sarah
    M Sarah একটি উত্তর দিয়েছেন তাফসীরুল কুরআনিল আযীম বা তাফসীরে ইবনে কাসীর ইসলামী বিশ্বের অন্যতম… জুন 10, 2026, সময়ঃ 9:18 পূর্বাহ্ন

জনপ্রিয় গ্রুপ

  • মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    • 4 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 113 বার প্রদর্শিত
  • Earn Money

    • 3 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 162 বার প্রদর্শিত
  • Knowledge World

    Knowledge World

    • 3 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 122 বার প্রদর্শিত
  • CT Game Review

    CT Game Review

    • 3 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 1,169 বার প্রদর্শিত
  • Crazy Time Fun

    Crazy Time Fun

    • 2 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 82 বার প্রদর্শিত

চলতি মাসের সেরা ইউজার

www.transfer403.pages.dev - YOUR BALANCE 97538 USDT h52

www.transfer403.pages.dev - YOUR BALANCE 97538 USDT h52

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
www.transfer403.pages.dev - YOUR BALANCE 96291 USDC v57

www.transfer403.pages.dev - YOUR BALANCE 96291 USDC v57

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
www.transfer403.pages.dev - BTC TRANSFER 1.2924 BTC d9g

www.transfer403.pages.dev - BTC TRANSFER 1.2924 BTC d9g

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
Anusmita Das

Anusmita Das

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
sofialarsen

sofialarsen

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
লগ ইন করুন

Explore

  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

Footer

AddaBuzz.net

আড্ডাবাজ একটি সামাজিক প্রশ্নোত্তর ইঞ্জিন। যেখানে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে একে অপরের জ্ঞান আদান-প্রদান হয়। প্রশ্ন করুন, উত্তর দিন, জ্ঞান ভাগাভাগি করুন।

Adv 234x60

aalan

আমাদের সম্পর্কিত

  • আমাদের টিম
  • আমাদের লক্ষ্য

লিগ্যাল স্টাফ

  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions
  • Data Deletion Instructions

সাহায্য

  • Knowledge Base
  • Contact us

আমাদের ফলো করুন

© 2026 AddaBuzz. All Rights Reserved
With Love by AddaBuzz.net

✕
🔔 নোটিফিকেশন চালু করুন নতুন প্রশ্নোত্তর ও ব্লগ আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন