সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
জীবনের কঠিন সত্যিগুলি কী কী?
জীবনের কঠিন সত্য পর্ন, সিনেমা, সামাজিক মিডিয়া কোনো কিছুই খারাপ না যদি না আপনি ইহার প্রতি আসক্ত হয়ে যান। সিনেমার অভিনেতা/অভিনেত্রী কেবলমাত্র আপনার জীবনের বিনোদনের অংশ, রিয়েল হিরো আপনার পিতা-মাতা ও দেশের সৈনিক। আপনার সৌন্দর্য, আপনার অর্থ, আপনার সমাজ ও রাজনৈতিক প্রভাব আপনার জীবনের ৯৮.৯৯% নিয়ন্ত্রণ করবিস্তারিত পড়ুন
জীবনের কঠিন সত্য
- পর্ন, সিনেমা, সামাজিক মিডিয়া কোনো কিছুই খারাপ না যদি না আপনি ইহার প্রতি আসক্ত হয়ে যান।
- সিনেমার অভিনেতা/অভিনেত্রী কেবলমাত্র আপনার জীবনের বিনোদনের অংশ, রিয়েল হিরো আপনার পিতা-মাতা ও দেশের সৈনিক।
- আপনার সৌন্দর্য, আপনার অর্থ, আপনার সমাজ ও রাজনৈতিক প্রভাব আপনার জীবনের ৯৮.৯৯% নিয়ন্ত্রণ করে।
- ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম, কোরা ইত্যাদি ফলোয়াররা আপনার ফুলটাইম রিয়েল লাইফ ফ্রেন্ড নয়।
- মায়ের ভালবাসার আক্ষরিক দৈর্ঘ্য মহাবিশ্বের ব্যাসার্ধ্যের সমান (অর্থাৎ ইনফাইনাইট ও বেড়েই চলছে, ১/০) এবং তা কোনও চুক্তি ছাড়াই।
- আপনার নিজের অগ্রাধিকারগুলি বুঝুন এবং তার উপর আরও প্রাধান্য দিন।
- বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আমাদের দুঃখ / সমস্যাগুলি আমাদের প্রত্যাশা এবং অনুমানের কারণে হয়।
- জীবনকে অনেক বেশি সিরিয়াস করবেন না, শুধু ভালো থাকার চেষ্টা করুন, জীবনকে উপভোগ করুন এবং উদযাপন করুন।
- ইতিবাচক এবং আশাবাদী হোন কারণ মনোভাব (মাইন্ডসেট) হ’ল সবকিছু।
- সমাজে আপনি যে ট্যাটাস এ আছেন, তা খুব দ্রুত মেনে নিন। তবেই আপনার জন্য জীবনযাপন অনেক সহজ হবে ও খুব তাড়াতাড়ি উন্নতি করতে পারবেন।
সংক্ষেপে দেখুনইউক্লিড কে?
ইউক্লিড ছিলেন একজন প্রখ্যাত গ্রিক গণিতজ্ঞ। জন্ম খ্রিস্টপূর্ব 330 অব্দে। তার মৃত্যু হয় খ্রিস্টপূর্ব 225 অব্দে। অঙ্কশাস্ত্রে ইউক্লিডের অবদান অসামান্য। তাঁর রচনা এলিমেন্টস।
ইউক্লিড ছিলেন একজন প্রখ্যাত গ্রিক গণিতজ্ঞ। জন্ম খ্রিস্টপূর্ব 330 অব্দে। তার মৃত্যু হয় খ্রিস্টপূর্ব 225 অব্দে। অঙ্কশাস্ত্রে ইউক্লিডের অবদান অসামান্য। তাঁর রচনা এলিমেন্টস।
সংক্ষেপে দেখুনN.B. কথাটির মানে কী এবং কেন মানুষ এই কথাটি ব্যবহার করেন?
কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে জোর দেওয়ার জন্য N.B. ব্যবহৃত হয়। N.B. is An abbreviation for the Latin phrase "nota bene", meaning “note well.” It is used to emphasize an important point. বাংলায় আমরা একে বলি, "বি. দ্র." ।
কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে জোর দেওয়ার জন্য N.B. ব্যবহৃত হয়। N.B. is An abbreviation for the Latin phrase “nota bene“, meaning “note well.” It is used to emphasize an important point. বাংলায় আমরা একে বলি, “বি. দ্র.” ।
সংক্ষেপে দেখুনও’ , এ-এর মাত্রা থাকে না কেন?
বাংলা বর্ণমালায় মাত্রা হল- স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণের মাথায় সোজা দাগ। বাংলা ভাষায় এমন ২ টি বর্ণ রয়েছে যখন সেগুলোর উপর মাত্রা থাকে না তখন সেগুলো স্বরধ্বনি চিহ্নিত করে। আবার যখন সেগুলোর উপর মাত্রা থাকে তখন সেগুলো ব্যঞ্জনধ্বনি চিহ্নিত করে। এ দুটো বর্ণ হলো ‘এ’ এবং ‘ও’। স্বরবর্ণ ‘এ’ কিংবা ‘ও’-এর মাথায় দবিস্তারিত পড়ুন
বাংলা বর্ণমালায় মাত্রা হল- স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণের মাথায় সোজা দাগ। বাংলা ভাষায় এমন ২ টি বর্ণ রয়েছে যখন সেগুলোর উপর মাত্রা থাকে না তখন সেগুলো স্বরধ্বনি চিহ্নিত করে। আবার যখন সেগুলোর উপর মাত্রা থাকে তখন সেগুলো ব্যঞ্জনধ্বনি চিহ্নিত করে। এ দুটো বর্ণ হলো ‘এ’ এবং ‘ও’।
স্বরবর্ণ ‘এ’ কিংবা ‘ও’-এর মাথায় দাগ নেই । তাই ‘এ’ এবং ‘ও’ হল মাত্রাহীন বর্ণ। আবার ‘এ’ এবং ‘ও’ -এর মাথায় দাগ দিয়ে দিলে (মাত্রা দিলে) তা হয়ে যায় যুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণ ‘ত্র’ (ত+র = ত-য়ে র-ফলা) আর ‘ত্ত’ (ত+ত= ত -য়ে ত)।
উপরের বর্ণ দুটি সহ বাংলা বর্ণমালায় মোট ১০ টি মাত্রাহীন বর্ণ রয়েছে। সেগুলো যথাক্রমে এ, ঐ, ও, ঔ, ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, এবং ঁ ।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনমানুষের বেঁচে থাকার জন্য মৌমাছি কেন অপরিহার্য?
মৌমাছি বিভিন্ন কারণে মানুষের বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি হল তারা সমস্ত পৃথিবীর খাদ্য শস্যের একটি উল্লেখযোগ্য অংশের পরাগায়নের জন্য দায়ী। মৌমাছি ছাড়া, আমরা পুষ্টির জন্য নির্ভরশীল অনেক ফল, শাকসবজি এবং বাদাম বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবো না। এর মধ্যে রয়েছে বাদাম, আপেল, অ্যাভোকাডোস,বিস্তারিত পড়ুন
মৌমাছি বিভিন্ন কারণে মানুষের বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি হল তারা সমস্ত পৃথিবীর খাদ্য শস্যের একটি উল্লেখযোগ্য অংশের পরাগায়নের জন্য দায়ী।
মৌমাছি ছাড়া, আমরা পুষ্টির জন্য নির্ভরশীল অনেক ফল, শাকসবজি এবং বাদাম বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবো না। এর মধ্যে রয়েছে বাদাম, আপেল, অ্যাভোকাডোস, ব্লুবেরি, ক্যান্টালুপস, শসা এবং আরও অনেক ফসল। প্রকৃতপক্ষে, এটি অনুমান করা হয় যে মৌমাছিরা আমরা যত খাবার খাই তার এক তৃতীয়াংশের পরাগায়ন করে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হল তারা জীববৈচিত্র্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তারা বিভিন্ন উদ্ভিদ প্রজাতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরাগায়নকারী, যা ঘুরে ঘুরে বন্যপ্রাণীর বিস্তৃত পরিসরকে সমর্থন করে। এর মধ্যে রয়েছে পোকামাকড়, পাখি এবং স্তন্যপায়ী প্রাণী যারা খাদ্য এবং বাসস্থানের জন্য উদ্ভিদের উপর নির্ভর করে। মৌমাছি ছাড়া, এই প্রজাতির অনেকগুলি বেঁচে থাকার জন্য সংগ্রাম করবে, যা সমগ্র বাস্তুতন্ত্রের উপর প্রভাব ফেলবে।
আমাদের মাটির স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্যও মৌমাছি অপরিহার্য। তারা গাছের বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় পরাগ এবং মধু বিতরণ করতে সাহায্য করে, যা ফলস্বরূপ মাটিকে সমৃদ্ধ করতে সাহায্য করে। তারা তাদের মোম দিয়ে মাটি ধরে রেখে মাটির ক্ষয় রোধ করতেও সাহায্য করে। এটি আমাদের জমির উর্বরতা বজায় রাখার জন্য এবং মাটির ক্ষয় রোধ করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ, যা মরুকরণ এবং জমির ক্ষয় হতে পারে।
সবশেষে, মৌমাছি মানুষের বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য কারণ তারা বিশ্ব অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মৌমাছি দ্বারা উত্পাদিত মধু এবং মোম প্রসাধনী থেকে শুরু করে খাদ্য থেকে শিল্প পণ্য পর্যন্ত বিভিন্ন পণ্যে ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও, মৌমাছি শিল্প প্রতি বছর বিলিয়ন ডলার আয়ের জন্য দায়ী। মৌমাছি ছাড়া, এই গুরুত্বপূর্ণ শিল্পটি ধসে পড়বে, যার ফলে উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক ক্ষতি হবে।
যাইহোক, বাসস্থানের ক্ষতি, কীটনাশক এবং বিভিন্ন রোগের কারণে মৌমাছির সংখ্যা উদ্বেগজনকভাবে হ্রাস পাচ্ছে। এটি মানুষের বেঁচে থাকার জন্য একটি গুরুতর উদ্বেগের বিষয়। কারণ আমরা খাদ্য নিরাপত্তা, জীববৈচিত্র্য এবং অর্থনৈতিক বৃদ্ধির জন্য মৌমাছির উপর নির্ভর করি। মৌমাছি এবং তাদের আবাসস্থলগুলিকে রক্ষা করার জন্য অবিলম্বে পদক্ষেপ নেওয়া আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যাতে তারা আমাদের বেঁচে থাকার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
মৌমাছিদের প্রাকৃতিক আবাসস্থল রক্ষা ও সংরক্ষণ, কীটনাশক ব্যবহার হ্রাস এবং মৌমাছি পালনের অনুশীলন প্রচার করা যেতে পারে। উপরন্তু, আমরা ব্যক্তিগতভাবে বিভিন্ন ধরনের ফুলের গাছ রোপণ করে, কীটনাশক ব্যবহার এড়িয়ে এবং স্থানীয় মৌমাছি পালন সংস্থাকে সহায়তা করার মাধ্যমে মৌমাছিকে রক্ষা করার পদক্ষেপ নিতে পারি।
মৌমাছি ছাড়া, আমাদের পৃথিবী অনেক ভিন্ন এবং কম সমৃদ্ধ জায়গা হবে। মৌমাছি এবং তাদের আবাসস্থল রক্ষা ও সংরক্ষণ করা আমাদের দায়িত্ব। যাতে তারা আমাদের বেঁচে থাকার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
সংক্ষেপে দেখুনকোন বিজ্ঞানকে মাঝে মাঝে ‘কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান’ বলা হয়?
রসায়নকে প্রায়শই কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান হিসাবে উল্লেখ করা হয় কারণ এটি পদার্থবিদ্যা এবং গণিত, জীববিজ্ঞান এবং ওষুধ এবং পৃথিবী এবং পরিবেশ বিজ্ঞানকে একত্রিত করে। জীব বিজ্ঞানে সালোকসংশ্লেষণ ও শ্বসন প্রক্রিয়ায় যে বিক্রিয়া ঘটে তা রসায়নের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। দেহের কোষ, ডিএনএ, আরএনএ গঠন রসায়ন সম্পর্কিত। চবিস্তারিত পড়ুন
রসায়নকে প্রায়শই কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান হিসাবে উল্লেখ করা হয় কারণ এটি পদার্থবিদ্যা এবং গণিত, জীববিজ্ঞান এবং ওষুধ এবং পৃথিবী এবং পরিবেশ বিজ্ঞানকে একত্রিত করে।
জীব বিজ্ঞানে সালোকসংশ্লেষণ ও শ্বসন প্রক্রিয়ায় যে বিক্রিয়া ঘটে তা রসায়নের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। দেহের কোষ, ডিএনএ, আরএনএ গঠন রসায়ন সম্পর্কিত। চিকিৎসা বিজ্ঞানে রোগ নির্ণয় ও নিরাময় রসায়ন যুক্ত। সকল বস্তু অনু পরমাণু নামক ক্ষুদ্র কণা দ্বারা গঠিত। এই বস্তু নিয়ে পদার্থবিজ্ঞান কাজ করে। তাছাড়া কম্পিউটারের মেমোরি তৈরিতে সেমিকন্ডাকটর হিসেবে সিলিকন, জার্মেনিয়াম ইত্যাদি ব্যবহার করা হয় যা রসায়নের সঙ্গে সম্পর্কিত। অনু-পরমানু, পদার্থের পরিমাণ সম্পর্কিত বিভিন্ন হিসাব-নিকাশ গণিতের সাথে সম্পর্কিত। অর্থাৎ বিজ্ঞানের সকল শাখার সঙ্গে রসায়নের সম্পর্ক রয়েছে।
সংক্ষেপে দেখুনবাতাসে কোন গ্যাসের উপস্থিতির কারণে পিতল বিবর্ণ হয়ে যায়?
হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাসের উপস্থিতির কারণে পিতল বিবর্ণ হয় বা পিতলের রঙ নষ্ট হয়।
হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাসের উপস্থিতির কারণে পিতল বিবর্ণ হয় বা পিতলের রঙ নষ্ট হয়।
সংক্ষেপে দেখুনকিছু মাসে 31 দিন, অন্যদের 30 দিন, কিন্তু কয়টি 28 দিন আছে?
প্রত্যেক মাসেই ২৮ দিন আছে।
প্রত্যেক মাসেই ২৮ দিন আছে।
সংক্ষেপে দেখুনকিভাবে একটি মেয়ে ঘুম ছাড়া 25 দিন যেতে পারে?
শুধু ২৫ দিন কেন? আজীবন দিনে না ঘুমিয়ে কাটিয়ে দিতে পারবে। শুধু রাতে ঠিকঠাক ঘুমোতে হবে।
শুধু ২৫ দিন কেন? আজীবন দিনে না ঘুমিয়ে কাটিয়ে দিতে পারবে। শুধু রাতে ঠিকঠাক ঘুমোতে হবে।
সংক্ষেপে দেখুনযদি একটি বানর, একটি কাঠবিড়ালি এবং একটি পাখি একটি নারকেল গাছের শীর্ষে দৌড়ে যায়, তাহলে কে প্রথমে কলা পাবে?
তার আগে আমার প্রশ্নের উত্তর দিন। নারিকেল গাছে কি কলা ধরে?
তার আগে আমার প্রশ্নের উত্তর দিন। নারিকেল গাছে কি কলা ধরে?
সংক্ষেপে দেখুন. মিঃ স্মিথের ময়ূর যদি মিস্টার জোন্সের উঠোনে একটি ডিম পাড়ে তবে ডিমটির মালিক কে?
দুঃক্ষিত, ময়ূর ডিম পারে না। তবে ময়ূরী বা স্ত্রী ময়ূর ডিম পাড়ে। প্রশ্নটিতে যেহেতু ময়ূর বলা হয়েছে তাই তার ডিম পাড়ার প্রশ্নই ওঠেনা। ডিমের মালিক তো পরের কথা!
দুঃক্ষিত, ময়ূর ডিম পারে না। তবে ময়ূরী বা স্ত্রী ময়ূর ডিম পাড়ে। প্রশ্নটিতে যেহেতু ময়ূর বলা হয়েছে তাই তার ডিম পাড়ার প্রশ্নই ওঠেনা। ডিমের মালিক তো পরের কথা!
সংক্ষেপে দেখুনযদি একটি বৈদ্যুতিক ট্রেন 100mph বেগে উত্তর দিকে চলে এবং 10mph বেগে পশ্চিমে বাতাস প্রবাহিত হয়, তবে ধোঁয়া কোন দিকে প্রবাহিত হয়?
সম্ভবত বৈদ্যুতিক ট্রেনে ধোঁয়া থাকে না। তাই ট্রেনের গতি আর বাতাসের বেগ এখানে কোন কাজেই আসবে না।
সম্ভবত বৈদ্যুতিক ট্রেনে ধোঁয়া থাকে না। তাই ট্রেনের গতি আর বাতাসের বেগ এখানে কোন কাজেই আসবে না।
সংক্ষেপে দেখুনমেডিকেল -এর লোগো তে সাপ কেন থাকে?
গ্রীক চিকিৎসার দেবতা অ্যাসক্লেপিয়াসের হাতে এই সর্প দণ্ড থাকতো, তাই এটাকে স্বাস্থ্য-পরিষেবার সাথে জড়িত পেশাদারদের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। সেই কালে Dracunculus medinensis নামক বিশেষ এক ধরনের চর্মভেদী কৃমিকে এইভাবে কাঠি দিয়ে ক্ষত হতে তোলা হত, তাই চিকিৎসার সাথেও এটা সামঞ্জস্যপূর্ণ। ভুল করে অনেবিস্তারিত পড়ুন
গ্রীক চিকিৎসার দেবতা অ্যাসক্লেপিয়াসের হাতে এই সর্প দণ্ড থাকতো, তাই এটাকে স্বাস্থ্য-পরিষেবার সাথে জড়িত পেশাদারদের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
সেই কালে Dracunculus medinensis নামক বিশেষ এক ধরনের চর্মভেদী কৃমিকে এইভাবে কাঠি দিয়ে ক্ষত হতে তোলা হত, তাই চিকিৎসার সাথেও এটা সামঞ্জস্যপূর্ণ।
ভুল করে অনেকে Caduceusকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের প্রতীক বলে মনে করেন। Caduceusএ দুই ডানা-বিশিষ্ট একটি দণ্ডকে বেষ্টিত করে থাকে দুইটি সাপ।
এটি দেবতাদের দূত হার্মেস বা মারকিউরির প্রতীক; তিনি আবার ঠগ-জোচ্চর এবং রাস্তায় খেলা দেখানো যাদুকরদেরও দেবতা, তাই এটা তাদের প্রতীক হতে পারে, চিকিৎসকদের নয়।
সংক্ষেপে দেখুনআঠার বতলে আঠা লেগে যায় না কেন?
সাদা আঠা পলিমার নামক বিভিন্ন রাসায়নিক থেকে তৈরি। এই পলিমারগুলি দীর্ঘ স্ট্র্যান্ড যা স্টিকি বা প্রসারিত হতে পারে। আঠা উত্পাদনকারীদের সেরা আঠা বের করতে স্টিকি এবং স্ট্রেচি পলিমারগুলির কেবলমাত্র সঠিক সংমিশ্রণটি খুঁজে পেতে হবে। সাদা আঠালোতে রয়েছে জল। জল দ্রাবক হিসাবে কাজ করে যা আঠাকে তরল রাখে যতক্ষণ নবিস্তারিত পড়ুন
সাদা আঠালোতে রয়েছে জল। জল দ্রাবক হিসাবে কাজ করে যা আঠাকে তরল রাখে যতক্ষণ না আপনি এটি আটকে রাখতে চান।
আপনি যখন কোন কাগজের টুকরোতে আঠা রাখবেন তখন দ্রাবক – জল – বায়ুতে প্রকাশিত হয়। জল অবশেষে বাষ্পীভবন হয় (তরল থেকে গ্যাসে পরিবর্তিত হয়)। জল বাষ্পীভূত হওয়ার সাথে সাথে আঠালো শুকিয়ে যায় এবং শক্ত হয়। যা বাকি থাকে তা হ’ল স্টিকি পলিমার যা জিনিসকে এক সাথে রাখে।
তাহলে সাদা আঠালো বোতলটির অভ্যন্তরে আটকে থাকে না কেন? সাদা আঠা বোতলটির ভিতরে থাকলে, বোতলটির ভিতরে পর্যাপ্ত বাতাস থাকে না়। মূলত, বোতলটি বাতাস থেকে আঠাকে রক্ষা করে এবং আঠাকে সচল রাখে। আপনি যদি কিছুক্ষণের জন্য আঠা বোতলটির শীর্ষে ছেড়ে যান তবে আপনি লক্ষ্য কবেন যে, দুর্ভাগ্যক্রমে, আঠাটি শুকিয়ে গেছে!
সুপার গ্লু সম্পর্কে কি? আপনি লক্ষ্য কবেন যে সুপার গ্লু সাদা আঠার চেয়ে আরও দ্রুত শুকিয়ে যায়।
সুপার গ্লু সাদা আঠা থেকে আলাদাভাবে কাজ করে। সাদা আঠার পলিমারের পরিবর্তে, সুপার গ্লু Cyanoacrylate নামক রাসায়নিক দ্বারা তৈরি করা হয়। যখন এই বাতাসে জলীয় বাষ্পের সাথে প্রতিক্রিয়া ঘটে তখন এই রাসায়নিকগুলিকে একত্রে বন্ধন করে।
বায়ু যতই শুষ্ক মনে হয় না কেন, বায়ুতে সবসময় কিছু জলীয় বাষ্প থাকে। তাই যেকোনো অবস্থাতেই গ্লু শুকিয়ে যায়। আঠাকে শুকিতে না দেয়ার জন্য তার ধারকটিকে শক্তভাবে সিল করে রাখতে হবে।
সুতরাং আপনি সাদা আঠা বা সুপার গ্লু যার কথাই বলছেন না কেন, জলই মূল।
মাঠে খেলোয়াড়রা হাত দিয়ে মুখ আড়াল করে কথা বলে কেন?
ধন্যবাদ
ধন্যবাদ
সংক্ষেপে দেখুনমাঠে খেলোয়াড়রা হাত দিয়ে মুখ আড়াল করে কথা বলে কেন?
বিভিন্ন কারণে প্লেয়াররা মুখে হাত দিয়ে কথা বলে। ১। খেলোয়াড়রা মাঠে যখন কথা বলে তখন তাদের ব্যক্তিগত ব্যাপার নিয়ে আলোচনা করে।ফ্যামিলি নিয়ে আলোচনা করে,ক্লাব নিয়ে আলোচনা করে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করে যেগুলো মিডিয়ার কাছ থেকে এড়িয়ে চলতে চায়। ২। মাঠে খেলার সময় ট্যাকটিস আলোচনা করতে পারে। প্রতবিস্তারিত পড়ুন
বিভিন্ন কারণে প্লেয়াররা মুখে হাত দিয়ে কথা বলে।
১। খেলোয়াড়রা মাঠে যখন কথা বলে তখন তাদের ব্যক্তিগত ব্যাপার নিয়ে আলোচনা করে।ফ্যামিলি নিয়ে আলোচনা করে,ক্লাব নিয়ে আলোচনা করে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করে যেগুলো মিডিয়ার কাছ থেকে এড়িয়ে চলতে চায়।
২। মাঠে খেলার সময় ট্যাকটিস আলোচনা করতে পারে। প্রতিপক্ষ যাতে না বুঝে সেই কারণেও মুখে হাত দিয়ে আলোচনা করতে পারে।
৩। এটি অভ্যাসগত বা ভালো লাগার কারণেও হতে পারে।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনঐতিহাসিক ৭ই মার্চের এর ভাষণ লিখিত pdf ও এই ভাষণের গুরুত্ব লিখ
৭ই মার্চের ভাষণ ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ ঢাকার রমনায় অবস্থিত রেসকোর্স ময়দানে (যা বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নামে পরিচিত) অনুষ্ঠিত জনসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক দেয়া এক ঐতিহাসিক ভাষণ। উক্ত ভাষণ বিকেল ২টা ৪৫ মিনিটে শুরু করে বিকেল ৩টা ৩ মিনিটে শেষ হয়। ভাষণটি ১৮ মিনবিস্তারিত পড়ুন
৭ই মার্চের ভাষণ
ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ ঢাকার রমনায় অবস্থিত রেসকোর্স ময়দানে (যা বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নামে পরিচিত) অনুষ্ঠিত জনসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক দেয়া এক ঐতিহাসিক ভাষণ। উক্ত ভাষণ বিকেল ২টা ৪৫ মিনিটে শুরু করে বিকেল ৩টা ৩ মিনিটে শেষ হয়। ভাষণটি ১৮ মিনিট স্থায়ী হয়।
৭ মার্চের ভাষণ রচনা
ভূমিকা
১৯৭০ সালের পাকিস্তানের প্রথম জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ 167 আসনে বিজয়ী হয়। বাঙালিরা নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করলেও সেই সময় ক্ষমতায় আসতে পারেনি। পাকিস্তানীরা বাঙ্গালীদের উপর ক্ষমতা হস্তান্তরের অস্বীকৃতি জানালে সেই সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে।
পহেলা মার্চ আকস্মিকভাবে জেনারেল ইয়াহিয়া খান সমগ্র জাতিকে স্তম্ভিত করে জাতীয় পরিষদের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করে দেয়। এই ঘোষণার বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ ও আক্রোশে ফেটে পড়ে বাঙালিরা। তখনই বাঙালিরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দিকে তাকিয়ে থাকে। অবশেষে 7 এই মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার ঐতিহাসিক ভাষণ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বর্তমান সরোয়ারদী উদ্যানে বক্তব্য দেন।
ভাষণের বিষয়বস্তু
7 মার্চের রেসকোর্স ময়দানের ঐতিহাসিক ভাষণ শোনার জন্য রেসকোর্স ময়দান জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছিল। সেদিন নিউজ উইক ম্যাগাজিনের ভাষায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাজনীতির কবি উপাধি দিয়েছিল। সেদিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙ্গালীদের একটি স্বপ্নের কথা বলতে নয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেদিন এসেছিলেন নির্দেশের অপেক্ষায় রত উত্তাল বাঙালি জনসমুদ্র কে স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র সংগ্রামের আহ্বান জানাতে।
বঙ্গবন্ধু তাঁর সংক্ষিপ্ত অথচ তেজস্বী ভাষণে পাকিস্তানের ২৩ বছরের রাজনীতি ও বাঙালিদের বঞ্চনার ইতিহাসের ব্যাখ্যা, পাকিস্তান রাষ্ট্রের সঙ্গে বাঙালিদের দ্বন্দ্বের স্বরূপ উপস্থাপন, অসহযোগ আন্দোলনের পটভূমি বিশ্লেষণ ও বিস্তারিত কর্মসূচি ঘোষণা, শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমস্যা সমাধানে তাঁর সর্বাত্মক চেষ্টা, সারা বাংলায় প্রতিরোধ গড়ে তোলার নির্দেশ, প্রতিরোধ সংগ্রাম শেষাবধি মুক্তিযুদ্ধে রূপ নেওয়ার ইঙ্গিত, শত্রুর মোকাবিলায় গেরিলাযুদ্ধের কৌশল অবলম্বন, যেকোনো উসকানির মুখে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার পরামর্শদান ইত্যাদি বিষয় তুলে ধরার পর ঘোষণা করেন:
‘ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলো। তোমাদের যা কিছু আছে, তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করতে হবে। রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরও দেব। এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব, ইনশা আল্লাহ।…এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। জয় বাংলা।’
৭ই মার্চের ভাষণের ভাষণের গুরুত্ব ও তাৎপর্য
বঙ্গবন্ধুর 7 ই মার্চের ভাষণ ছিল একজন দক্ষ কৌশলীর সুনিপুণ বক্তব্য। তিনি সেদিন মূলত কৌশলে বাঙ্গালীদের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। প্রকৃত স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেদিন। কিন্তু সেই স্বাধীনতার ঘোষণাটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৌশলে দিয়ে গেছেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সেদিন কের কৌশল ছিল সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালিরা সংখ্যালঘিষ্ঠ পশ্চিম পাকিস্তানিদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হবে কেন? বরংচ সংখ্যালঘিষ্ঠ পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙ্গালীদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাক।
সেদিনের সেই ঐতিহাসিক ভাষণের পর এই বাঙালিরা স্বাধীনতার জন্য উদ্বুদ্ধ হয়ে ওঠে। বাঙ্গালীদের মনে সেদিন স্বাধীনতার পূর্ণ স্বাদ নেওয়ার ইচ্ছা আরো উজ্জীবিত হয়। এর ফলশ্রুতিতে 25 শে মার্চ যখন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সম্পূর্ণরূপে স্বাধীনতার ডাক দেন তখন বাঙালিরা সেই ডাকে সাড়া দিয়ে নয় মাস রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলার স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনে।
৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিরস্ত্র বাঙালিদের সশস্ত্র করে তোলে। তিনি বলেছিলেন তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে। সেই ভাষণ এর ফলে মুক্তিযোদ্ধারা অকাতরে যুদ্ধক্ষেত্রে প্রাণ দিতে কোন পিছুপা হয়নি।
বলা যায়, এই একটি ভাষণ একটি জাতিরাষ্ট্র, বাংলাদেশ সৃষ্টি করেছে, যা বিশ্বে নজিরবিহীন। জাতিসংঘ সংস্থা ইউনেসকো এ ভাষণকে ৩০ অক্টোবর ২০১৭ বিশ্ব–ঐতিহ্য সম্পদ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে ‘দ্য ইন্টারন্যাশনাল মেমোরি অব ওয়ার্ল্ড রেজিস্টার’–এ অন্তর্ভুক্ত করেছে।
উপসংহার
মূলত 7 মার্চ কি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা বলে বিবেচনা করা হয়। কারণ এই দিন শেখ মুজিবুর রহমান পরোক্ষভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেদিন নিরস্ত্র নিরীহ বাঙ্গালীদের মনে স্বাধীনতার মূলমন্ত্র গ্রহণ করার জন্য ইচ্ছা জাগ্রত করে দিয়েছিলেন। সেই ঘোষণার ফলে বাঙালিরা রাতারাতি সশস্ত্র হয়ে ওঠে। সমগ্র বাংলাদেশকে একটি অগ্নি গোলায় পরিণত করে। তাই সাথে মার্চ ঐতিহাসিক ভাষণ বাঙালির জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন।
৭ই মার্চের ভাষণ লিখিত pdf
৭ই মার্চের ভাষণ লিখিত pdf ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন
সংক্ষেপে দেখুনবাংলাদেশ থেকে নেটফ্লিক্স কত টাকা আয় করে?
হিসাবটা ২০১৮ সালের। সেসময় নেটফ্লিক্স বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর ২০০ কোটি টাকা আয় করেছে। বর্তমানে বাংলাদেশে নেটফ্লিক্স ব্যবহারকারী ৩ লক্ষ পেরিয়ে গেছে। সাম্প্রতিক আয়ের তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। তবে বাংলাদেশের অনলাইন স্ট্রিমিং অ্যাপ পিছিয়ে পড়ার কারণ হচ্ছে মানহীন কন্টেন্ট। কিছু ভালো কাজ থাকে। কিন্তু বেশিরভাগইবিস্তারিত পড়ুন
হিসাবটা ২০১৮ সালের। সেসময় নেটফ্লিক্স বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর ২০০ কোটি টাকা আয় করেছে। বর্তমানে বাংলাদেশে নেটফ্লিক্স ব্যবহারকারী ৩ লক্ষ পেরিয়ে গেছে। সাম্প্রতিক আয়ের তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।
তবে বাংলাদেশের অনলাইন স্ট্রিমিং অ্যাপ পিছিয়ে পড়ার কারণ হচ্ছে মানহীন কন্টেন্ট। কিছু ভালো কাজ থাকে। কিন্তু বেশিরভাগই উন্নত কন্টেন্ট নয়। বছরে একটা ভালো কাজ দেখা যায় এবং সেটাকে পুঁজি করে মার্কেটে টিকে থাকার চেষ্টা করা হয়।
অন্যদিকে নেটফ্লিক্স নিজস্ব অর্থায়নে প্রতিটি সিরিজ বা মুভি একেকটা মাস্টারপিস হিসেবে তৈরি করে।
তাই তারা যে টাকা আয় করে তা যৌক্তিক। নেটফ্লিক্স ইউজারদের সেরা এক্সপেরিয়েন্স দেয় গুনগত মানের গল্প, ছবি ও শব্দের সমন্বয়ে।
সংক্ষেপে দেখুনদাঁত শিরশির এবং ব্যাথায় ভালো কোন ঔষধ অথবা ট্যাবলেট এর নাম বলতে পারেন কি?
দাঁত ব্যথার ঔষধ সাধারণ দাঁত ব্যথার ওষুধের গ্রুপ হলো Etoricoxib বি.দ্রঃ চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত যেকোন ঔষধ আপনার ক্ষতির কারণ হতে পারে এছাড়া আপনি লবঙ্গ খেতে পারেন। পেয়ারা পাতা সিদ্ধ পানি দিয়ে কুলি করতে পারেন। দাঁত ব্যথায় করণীয় ১ গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ১ টেবিল চামুচ লবণ মিশিয়ে মুখে নিয়ে ১ মিনিট রাখুন।বিস্তারিত পড়ুন
দাঁত ব্যথার ঔষধ
সাধারণ দাঁত ব্যথার ওষুধের গ্রুপ হলো Etoricoxib
বি.দ্রঃ চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত যেকোন ঔষধ আপনার ক্ষতির কারণ হতে পারে
এছাড়া আপনি লবঙ্গ খেতে পারেন। পেয়ারা পাতা সিদ্ধ পানি দিয়ে কুলি করতে পারেন।
দাঁত ব্যথায় করণীয়
১ গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ১ টেবিল চামুচ লবণ মিশিয়ে মুখে নিয়ে ১ মিনিট রাখুন। এভাবে দিনে ৩ বার করে গুলি করুন ব্যথা কমে যায়।
এ ছাড়াও ১ টেবিল চামুচ লবণ অল্প সরিষার তেলের সঙ্গে অথবা লেবুর রসের সঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে মাড়িতে ম্যাসাজ করুন কয়েক মিনিট। তারপর কুসুম গরম পানি দিয়ে কুলি করে নিন। এভাবে ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হবে।
লবণে অ্যান্টিসেপ্টিক ও অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান আছে। এটি মুখের ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি ব্যাহত করে প্রদাহ কমায়।
দাঁতের ব্যথার জন্য যত শিগগিরই ডেন্টিস্টের কাছে যাওয়া যায় ততই মঙ্গল।
সূত্রঃ দৈনিক যুগান্তর
সংক্ষেপে দেখুনরবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ কী?
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ বনফুল। ধন্যবাদ!
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ বনফুল।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুন