সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
এমন কোন দেশ আছে কি যেখানে ভূমিকম্প হয়না?
আমার মনেহয় এমন কোন দেশ পৃথিবীতে নেই, যেখানে ভূমিকম্প না হওয়ার শতভাগ নিশ্চয়তা দেওয়া যায়। কারণ পৃথিবীর ভূত্বক (Tectonic Plates) সবসময় গতিশীল, এবং এই প্লেটগুলোর সংঘর্ষ, সঞ্চালন বা স্থানচ্যুতির ফলেই ভূমিকম্প সৃষ্টি হয়। এমনকি যে অঞ্চলগুলো টেকটোনিক প্লেটের সীমানা থেকে অনেক দূরে, সেখানেও অভ্যন্তরীণ প্লেটেবিস্তারিত পড়ুন
আমার মনেহয় এমন কোন দেশ পৃথিবীতে নেই, যেখানে ভূমিকম্প না হওয়ার শতভাগ নিশ্চয়তা দেওয়া যায়।
কারণ পৃথিবীর ভূত্বক (Tectonic Plates) সবসময় গতিশীল, এবং এই প্লেটগুলোর সংঘর্ষ, সঞ্চালন বা স্থানচ্যুতির ফলেই ভূমিকম্প সৃষ্টি হয়। এমনকি যে অঞ্চলগুলো টেকটোনিক প্লেটের সীমানা থেকে অনেক দূরে, সেখানেও অভ্যন্তরীণ প্লেটে (Intraplate) বিরল ভূমিকম্প হতে পারে।
তবে এমন অনেক দেশ আছে, যা প্রধান ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল (যেমন প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অফ ফায়ার’) থেকে অনেক দূরে অবস্থিত এবং সেখানে ভূমিকম্পের ঝুঁকি অত্যন্ত কম বা কম্পন হলেও তার মাত্রা খুব কম থাকে।
কম ঝুঁকিপূর্ণ এমন কয়েকটি দেশ হলো:
১. আফ্রিকার কিছু দেশ
চাদ (Chad): এই দেশটি একটি স্থিতিশীল মহাদেশীয় প্লেটের কেন্দ্রে অবস্থিত এবং প্রধান ফল্ট লাইন থেকে অনেক দূরে।
নাইজার (Niger)
আইভরি কোস্ট (Côte d’Ivoire)
বুরকিনা ফাসো (Burkina Faso)
২. ইউরোপের কিছু দেশ
এই দেশগুলো স্থিতিশীল ইউরেশিয়ান প্লেটের প্রাচীন অংশের ওপর অবস্থিত:
ডেনমার্ক (Denmark): এখানে বছরে খুব কম ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয় এবং সেগুলোর মাত্রা সাধারণত খুবই কম থাকে।
ফিনল্যান্ড (Finland)
আইসল্যান্ড (Ireland)
ল্যাটভিয়া (Latvia)
৩. মধ্যপ্রাচ্য ও অন্যান্য এলাকা
কাতার (Qatar): এটি সাধারণত প্রাকৃতিক দুর্যোগের দিক থেকে সবচেয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে গণ্য হয়।
অস্ট্রেলিয়া (Australia): এই মহাদেশটি একটি বৃহৎ ও স্থিতিশীল প্লেটের কেন্দ্রে অবস্থিত।
বাহামা দ্বীপপুঞ্জ (The Bahamas): প্রধান ফল্ট লাইন থেকে তুলনামূলকভাবে দূরে অবস্থিত হওয়ায় এখানে বড় ধরনের কম্পন বিরল।
সুতরাং, ভূমিকম্প হয় না এমন দেশ না থাকলেও, উপরে উল্লেখিত দেশগুলোতে ভূমিকম্পের ঝুঁকি সবচেয়ে কম।
সংক্ষেপে দেখুনচীন সরকারের মতানুযায়ৗ করোনা মোকাবিলায় সব থেকে কার্যকরী ওষুধ হলো “ Tan Re Qing ” এটি কি দিয়ে তৈরী?
আপনি হয়তো ভাল্লুকের পিন্ড বা ছাগলের শিং এর কথা বলছেন। তবে আমি আরও যে উপাদান আছে সেগুলো নিয়ে আলোচনা করছি। চীন সরকার কর্তৃক কোভিড-১৯ মোকাবিলায় অত্যন্ত কার্যকরী হিসেবে বিবেচিত "Tan Re Qing" নামক ঐতিহ্যবাহী চীনা ওষুধটি মূলত কয়েকটি ভেষজ উপাদান দিয়ে তৈরি। এর প্রধান উপাদানগুলো হলো: Scutellariae Radix (হুয়বিস্তারিত পড়ুন
আপনি হয়তো ভাল্লুকের পিন্ড বা ছাগলের শিং এর কথা বলছেন। তবে আমি আরও যে উপাদান আছে সেগুলো নিয়ে আলোচনা করছি।
চীন সরকার কর্তৃক কোভিড-১৯ মোকাবিলায় অত্যন্ত কার্যকরী হিসেবে বিবেচিত “Tan Re Qing” নামক ঐতিহ্যবাহী চীনা ওষুধটি মূলত কয়েকটি ভেষজ উপাদান দিয়ে তৈরি। এর প্রধান উপাদানগুলো হলো:
Scutellariae Radix (হুয়াং কিন): এটি একটি চীনা ভেষজ, যা এর প্রদাহ-বিরোধী গুণাবলীর জন্য পরিচিত।
Bear Bile Powder (ভাল্লুকের পিত্ত): এটি বিতর্কিত একটি উপাদান, যা ভাল্লুকের পিত্ত থেকে তৈরি হয়। এর মধ্যে থাকা উরসোডেক্সিকোলিক অ্যাসিড (Ursodeoxycholic acid) লিভারের রোগে ব্যবহৃত হয়, তবে কোভিড-১৯ এর চিকিৎসায় এর কার্যকারিতা নিয়ে বৈজ্ঞানিক প্রমাণ সীমিত। এর ব্যবহার নিয়ে প্রাণী অধিকার কর্মীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
Caprae Hircus Cornu (ছাগলের শিং): এটি ছাগলের শিং থেকে প্রাপ্ত একটি উপাদান।
Lonicerae japonicae Flos (জিনিয়েনহুয়া বা বুনো মধুমল্লিকা ফুল): এর মধ্যে ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড এবং ক্যাফেইক অ্যাসিডের মতো উপাদান থাকে, যা অ্যান্টি-ভাইরাল এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি গুণাবলীর জন্য পরিচিত।
Forsythiae Fructus (লিয়ানকিয়াও): এটি ফরসিথিয়া গাছের ফল, যা ঐতিহ্যগত চীনা ওষুধে ব্যবহৃত হয়।
চীনা ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসাবিদ্যা (Traditional Chinese Medicine – TCM) অনুযায়ী, এই উপাদানগুলো সম্মিলিতভাবে শরীর থেকে “তাপ দূর করতে”, “বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে”, “কফ কমাতে” এবং “কাশি দমন করতে” সাহায্য করে। এর কিছু উপাদানের মধ্যে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিভাইরাল, জ্বর কমানো, কাশি কমানো এবং কফ বের করার মতো বৈশিষ্ট্যও দেখা গেছে।
উল্লেখ্য, আধুনিক পশ্চিমা চিকিৎসা পদ্ধতির পরিপ্রেক্ষিতে এই ওষুধের কার্যকারিতা এবং নিরাপত্তা নিয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন। বিশেষ করে ভাল্লুকের পিত্তের ব্যবহার নৈতিকভাবে বিতর্কিত এবং অনেক বিজ্ঞানী এর কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
সংক্ষেপে দেখুনকীভাবে "শূন্য" একটি সংখ্যা হয়ে দাঁড়ায়, যখন কোনো সংখ্যা নেই, তবুও এটি গাণিতিকভাবে গাণিতিক অবস্থান ধারণ করে?
"শূন্য" (০) একটি বিশেষ সংখ্যা যা গণিতের ইতিহাসে গভীর অর্থ বহন করে। এটি এমন একটি ধারণা, যা একদিকে সংখ্যা না থাকার প্রতীক, আবার অন্যদিকে গাণিতিক জগতে অপরিহার্য একটি ভিত্তি। শূন্য কীভাবে একটি সংখ্যা হয়ে দাঁড়ায় এবং তার গাণিতিক অবস্থান কীভাবে ব্যাখ্যা করা যায়, তা নিচে বিশদভাবে আলোচনা করা হলো: ১. শূন্যেরবিস্তারিত পড়ুন
“শূন্য” (০) একটি বিশেষ সংখ্যা যা গণিতের ইতিহাসে গভীর অর্থ বহন করে। এটি এমন একটি ধারণা, যা একদিকে সংখ্যা না থাকার প্রতীক, আবার অন্যদিকে গাণিতিক জগতে অপরিহার্য একটি ভিত্তি। শূন্য কীভাবে একটি সংখ্যা হয়ে দাঁড়ায় এবং তার গাণিতিক অবস্থান কীভাবে ব্যাখ্যা করা যায়, তা নিচে বিশদভাবে আলোচনা করা হলো:
১. শূন্যের উৎপত্তি: সংখ্যা না থাকার প্রতীক
প্রাচীনকালে মানুষ “শূন্য” বলতে বুঝত “কিছুই নেই।” এটি প্রথমে কেবল একটি ধারণা ছিল, যেমন কোনও কিছু না থাকার চিহ্ন।
শূন্য প্রথম ব্যবহৃত হয় ভারতীয় গণিতে, যেখানে এটি একটি সংখ্যা হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
উদাহরণ: ৫ শতকের বিখ্যাত ভারতীয় গণিতবিদ ব্রহ্মগুপ্ত প্রথম শূন্যকে একটি পূর্ণসংখ্যা হিসেবে চিহ্নিত করেন।
২. শূন্য গাণিতিকভাবে কীভাবে সংখ্যা হলো?
1. স্থানমূল্য পদ্ধতির ভিত্তি
শূন্য স্থানমূল্য পদ্ধতিতে অপরিহার্য। এটি দেখায় একটি সংখ্যা কত বড় বা ছোট।
উদাহরণ: ২০৫ এবং ২৫-এর মধ্যে শূন্যের কারণে মান পরিবর্তিত হয়।
2. গণনার সহজতা
শূন্য গণনায় যুক্ত হয় সংখ্যা হিসেবে, যেমন:
০ + ৫ = ৫
৫ – ০ = ৫
3. সংখ্যা না থাকার চিহ্ন
শূন্য দেখায় যে কোনো বস্তু বা পরিমাণ নেই। এটি শূন্য এবং অনন্তের মধ্যে সংযোগ তৈরি করে।
4. গাণিতিক অবস্থান
শূন্য হলো একটি নিরপেক্ষ সংখ্যা। এটি পজিটিভ এবং নেগেটিভ সংখ্যার মধ্যে একটি সীমারেখা।
৩. শূন্যের গাণিতিক অবস্থান
যোগ ও বিয়োগের ক্ষেত্রে:
শূন্য যোগ বা বিয়োগ করলে কোনো সংখ্যার মান পরিবর্তন হয় না।
গুণ ও ভাগের ক্ষেত্রে:
শূন্যকে কোনো সংখ্যার সাথে গুণ করলে ফলাফল হয় শূন্য।
উদাহরণ: শূন্য দিয়ে ভাগ করা অসম্ভব, কারণ এটি অসীমের ধারণা সৃষ্টি করে।
অঙ্কের বিন্যাসে ভূমিকা:
শূন্য ছাড়া বড় সংখ্যাগুলো লিখা অসম্ভব।
উদাহরণ: ইত্যাদি শূন্যের ব্যবহার ছাড়া অচিন্তনীয়।
৪. শূন্যের দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গি
অস্তিত্ব ও শূন্যতা
শূন্য মানে কোনো কিছু না থাকা। তবে, শূন্য থেকেই অসীম সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়।
উদাহরণ: মহাবিশ্ব শূন্য থেকে সৃষ্টি হয়েছে বলে কিছু তত্ত্বে দাবি করা হয়।
শূন্য ও অসীমের সম্পর্ক
শূন্য একটি সীমাবদ্ধতা বোঝায়, কিন্তু তার মধ্যেই অসীম সংখ্যার সম্ভাবনা লুকিয়ে থাকে।
উপসংহার
শূন্য একটি সংখ্যা, কারণ এটি শুধু “কিছুই নেই” বোঝায় না, এটি একটি গাণিতিক অবস্থান এবং কার্যকলাপের ভিত্তি। এটি স্থানমূল্য পদ্ধতিতে অপরিহার্য এবং জটিল গণিতের জন্য মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। শূন্যের গাণিতিক বৈশিষ্ট্য এবং দার্শনিক ব্যাখ্যা প্রমাণ করে, এটি কোনো সাধারণ সংখ্যা নয়; বরং এটি গণিতের অন্যতম মৌলিক এবং গুরুত্বপূর্ণ ধারণা।
সংক্ষেপে দেখুনআমরা কেন স্বপ্ন দেখি, এবং এগুলি কীভাবে সত্যি হতে পারে?
স্বপ্ন দেখা মানুষের মস্তিষ্কের একটি রহস্যময় এবং অত্যন্ত আকর্ষণীয় প্রক্রিয়া। এটি আমাদের অবচেতন মন এবং মস্তিষ্কের কাজের একটি প্রকাশ। স্বপ্ন কেন দেখা হয় এবং সেগুলো কীভাবে সত্যি হতে পারে, তা জানার জন্য বিজ্ঞানের পাশাপাশি দর্শনের কিছু ব্যাখ্যা দেওয়া যায়। আমরা স্বপ্ন কেন দেখি? ১. মস্তিষ্কের বিশ্রাম ও পুনরবিস্তারিত পড়ুন
স্বপ্ন দেখা মানুষের মস্তিষ্কের একটি রহস্যময় এবং অত্যন্ত আকর্ষণীয় প্রক্রিয়া। এটি আমাদের অবচেতন মন এবং মস্তিষ্কের কাজের একটি প্রকাশ। স্বপ্ন কেন দেখা হয় এবং সেগুলো কীভাবে সত্যি হতে পারে, তা জানার জন্য বিজ্ঞানের পাশাপাশি দর্শনের কিছু ব্যাখ্যা দেওয়া যায়।
আমরা স্বপ্ন কেন দেখি?
১. মস্তিষ্কের বিশ্রাম ও পুনর্গঠন
ঘুমের REM (Rapid Eye Movement) পর্যায়ে মস্তিষ্ক সক্রিয় থাকে এবং আমাদের অভিজ্ঞতা, স্মৃতি, ও চিন্তাগুলোকে প্রক্রিয়াকরণ করে।
স্বপ্ন হল এই প্রক্রিয়ার একটি অংশ। এটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অনুভূতি এবং স্মৃতির পুনর্গঠন করে।
২. আবেগের নিয়ন্ত্রণ
স্বপ্ন আমাদের আবেগগত চাপে সাহায্য করে।
আমরা যে জিনিসগুলো সম্পর্কে গভীরভাবে চিন্তা করি বা ভয় পাই, সেগুলো স্বপ্নে প্রতিফলিত হতে পারে। এটি এক ধরনের মানসিক প্রশান্তি আনতে সাহায্য করে।
৩. সৃজনশীলতার উৎস
স্বপ্ন মস্তিষ্কের সৃজনশীল অংশকে সক্রিয় করে। অনেক বিখ্যাত বিজ্ঞানী ও শিল্পী তাঁদের সমস্যার সমাধান বা সৃষ্টিশীল ধারণা স্বপ্ন থেকে পেয়েছেন।
উদাহরণ: মেন্ডেলেভ তার পর্যায় সারণির ধারণা স্বপ্নে পেয়েছিলেন।
৪. অবচেতনের বার্তা
স্বপ্ন কখনো আমাদের অবচেতন মন থেকে আসা সংকেত হতে পারে। এটি আমাদের গভীর ইচ্ছা, ভয় বা আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন।
স্বপ্ন কীভাবে সত্যি হতে পারে?
১. আত্মপ্রেরণা (Self-fulfilling Prophecy)
কোনো স্বপ্ন আমাদের ভেতরে গভীর বিশ্বাস বা অনুপ্রেরণা তৈরি করতে পারে। আমরা যদি সেই স্বপ্নের প্রতি মনোযোগ দিয়ে কাজ করি, এটি বাস্তবে পরিণত হতে পারে।
উদাহরণ: কেউ স্বপ্নে বড় কোনো লক্ষ্য দেখার পরে সেটি অর্জনের জন্য কঠোর পরিশ্রম করতে শুরু করে।
২. অবচেতনের প্রভাব
স্বপ্নে দেখা জিনিসগুলো আমাদের অবচেতনে কাজ করে এবং আমাদের দৈনন্দিন সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলে। এইভাবে, স্বপ্ন আমাদের জীবনকে গঠন করতে পারে।
৩. প্রাক-মনস্তাত্ত্বিক সংকেত (Precognitive Dreams)
কিছু মানুষ দাবি করেন যে তাঁদের স্বপ্ন ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ইঙ্গিত দেয়। যদিও এটি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত নয়, তবুও এমন অভিজ্ঞতার গল্প প্রচুর।
উদাহরণ: ভবিষ্যতের বিপদ বা কোনো বিশেষ ঘটনার পূর্বাভাস স্বপ্নে দেখা।
৪. সংযোগের মাধ্যম
কোনো স্বপ্ন আমাদের এমন সমস্যার সমাধান দিতে পারে, যা আমরা জেগে থাকার সময় বুঝতে পারি না। এটি স্বপ্নকে বাস্তবায়িত হওয়ার একটি মাধ্যম হিসেবে কাজ করতে সাহায্য করে।
স্বপ্ন সত্যি হওয়ার সম্ভাবনা কী?
স্বপ্ন একটি জটিল এবং রহস্যময় প্রক্রিয়া যা আমাদের মস্তিষ্কের কাজের প্রতিফলন। এগুলো আমাদের অবচেতন মনের বার্তা, স্মৃতির পুনর্গঠন, এবং সৃজনশীলতার উৎস হতে পারে। যদিও সব স্বপ্ন সত্যি হয় না, কিছু স্বপ্ন আমাদের জীবনের দিক নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি আমাদের আশা, কাজ, এবং মনোযোগ দিয়ে বাস্তবায়িত করার ওপর নির্ভর করে।
সংক্ষেপে দেখুনস্বপ্নে এক সাপ আরেক সাপকে খেতে দেখলে কি হয়। স্বপ্নটি ভোর রাতে সেহেরী খাওয়ার আগে দেখেছি। দয়া করে তাড়াতাড়ি জানাবেন
এখানে আপনি ২টি প্রশ্ন করেছেন। ১. ভোরবেলা সাপের স্বপ্ন দেখা ২. এক সাপ আরেক সাপকে খেয়ে ফেলছে ইসলামের দৃষ্টিতে স্বপ্নে সাপ দেখা খারাপ ইঙ্গিত। তবে সব সময় এটা খারাপ নয়। সাপ সংক্রান্ত বিভিন্ন স্বপ্ন বিশ্লেষণ করে আমি যা জেনেছি সেই আলোকে উত্তর দেয়ার চেষ্টা করছি। ভোরবেলা সাপের স্বপ্ন দেখলে কি হয় স্বপ্নে সাপবিস্তারিত পড়ুন
এখানে আপনি ২টি প্রশ্ন করেছেন।
১. ভোরবেলা সাপের স্বপ্ন দেখা
২. এক সাপ আরেক সাপকে খেয়ে ফেলছে
ইসলামের দৃষ্টিতে স্বপ্নে সাপ দেখা খারাপ ইঙ্গিত। তবে সব সময় এটা খারাপ নয়। সাপ সংক্রান্ত বিভিন্ন স্বপ্ন বিশ্লেষণ করে আমি যা জেনেছি সেই আলোকে উত্তর দেয়ার চেষ্টা করছি।
ভোরবেলা সাপের স্বপ্ন দেখলে কি হয়
স্বপ্নে সাপ ধরা বা দেখা মূলত ভয় ও আতঙ্কের প্রতি ইশারা হতে পারে। এটি ব্যক্তির ভীতি, চিন্তা, বা কোনও ভয়ানক ঘটনা সম্পর্কে ইশারা করতে পারে। যেমন কারো কোনও শত্রু আছে। সে তাকে ক্ষতি করতে পারে। অথবা সে কাজ করছে সেখানে তাকে কঠিন শত্রুতার মুখোমুখি হতে পারে। আর ভোরবেলার সাপ দেখলে হযরত ইবনে সিরিন রহ. থেকে এ ব্যাখ্যাই পাওয়া যায়, তিনি বলেন, ‘যদি কেউ স্বপ্নে সাপ দেখে যে,তার পিছু পিছু ছুটছে,তাহলে এর অর্থ হল,ঐ ব্যক্তির শত্রুরা তার সাথে শত্রুতা করা জন্য চেষ্টা করছে।আর যদি কেউ দেখে যে তার হাতের সামনে বা তার আশপাশে সাপ ঘুর ঘুর করছে,তাহলে এর অর্থ হলো,ঐ ব্যক্তির শত্রুরা তার পাশেই রয়েছে ঘনিষ্ঠজনদের মধ্যে।’ (তাফসিরুল আহলাম-ইবনে সিরিন-২/৪)
এক সাপ আরেক সাপকে খেয়ে ফেলছে
আমি দেখেছি স্বপ্নে সাপের ক্ষতি হচ্ছে এরকম দেখলে আমাদের জন্য সেটা ভাল। কারণ ইসলামে সাপ অশুভ শক্তি বা শত্রুর ইঙ্গিত বহন করে। এক সাপ অন্য সাপকে খেয়ে ফেলছে, তারমানে আপনার শত্রুদের নিজেদের মধ্যে কোন্দল তৈরি হয়েছে। এটা আপনার জন্য ভাল। অর্থাৎ আপনার শত্রুরা নিজেদের মধ্যেই শত্রুতা বা মারামারিতে লিপ্ত হয়েছে। এটা নিতান্তই আমার নিজস্ব মতামত।
তবে যাই-ই হোকনা কেন নিজেকে শক্ত রাখতে হবে। বেশি বেশি ইবাদত করতে হবে এবং আল্লাহর কাছে সবকিছুর জন্য ক্ষমা চাইতে হবে।
সংক্ষেপে দেখুনকচুরিপানা বাংলায় এসেছিল অভিশাপ হয়ে ! কি সেই অভিশাপ ?
কচুরিপানার বাংলায় আগমন কচুরিপানার বাংলায় আগমন ঘটেছিল ১৮৮৪ সালে। তবে এই আগমনের ইতিহাস নিয়ে নানা রকম তথ্য পাওয়া যায়। জাতীয় জ্ঞানকোষ বাংলাপিডিয়া বলছে, ১৮শ শতকের শেষভাগে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ব্রাজিল থেকে কচুরিপানা নিয়ে আসা হয়েছিল। মূলত আমাজন জঙ্গলের জলাশয়ে থাকা উদ্ভিদ এটি। কচুরিপানার হালকা বেগুনি রঙের অরবিস্তারিত পড়ুন
কচুরিপানার বাংলায় আগমন
কচুরিপানার বাংলায় আগমন ঘটেছিল ১৮৮৪ সালে। তবে এই আগমনের ইতিহাস নিয়ে নানা রকম তথ্য পাওয়া যায়।
জাতীয় জ্ঞানকোষ বাংলাপিডিয়া বলছে, ১৮শ শতকের শেষভাগে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ব্রাজিল থেকে কচুরিপানা নিয়ে আসা হয়েছিল।
মূলত আমাজন জঙ্গলের জলাশয়ে থাকা উদ্ভিদ এটি।
কচুরিপানার হালকা বেগুনি রঙের অর্কিড-সদৃশ ফুলের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে জর্জ মরগান নামে এক স্কটিশ ব্যবসায়ী ব্রাজিল থেকে বাংলায় কচুরিপানা নিয়ে আসেন।
অন্য আরেকটি গবেষণায় বলা হয়েছে, নারায়ণগঞ্জের একজন পাট ব্যবসায়ী অস্ট্রেলিয়া থেকে এই কচুরিপানা বাংলায় এনেছিলেন।
কচুরিপানা প্রকৃতগতভাবে খুবই সহনশীল এবং দ্রুত বর্ধনশীল এক উদ্ভিদ। উপযুক্ত পরিবেশ পেলে এই একটিমাত্র উদ্ভিদ যা মাত্র পঞ্চাশ দিনে তিন হাজারের বেশি সংখ্যায় বিস্তৃত এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে যেতে পারে।
এ উদ্ভিদ পানিতে ঘণ্টায় তিন মাইল গতিতে ভ্রমণ করতে পারে। বিভিন্ন প্রজাতির জলচর পাখি এদের বিস্তারে সাহায্য করে।
বিস্ময়কর এসব বৈশিষ্ট্যের সাথে সাথে, বাংলায় আগমনের পর কচুরিপানা এ অঞ্চলে বহু ভোগান্তি আর যন্ত্রনাও জন্ম দিয়েছে।
১৯২০ সালের মধ্যে প্রায় প্রতিটি নদ-নদী, খাল-বিল কচুরিপানায় ছেয়ে যায়। যা সেসময় কৃষিখাতে দুর্দশা ডেকে আনে।
এতে বড় ধাক্কা লাগে তৎকালীন পূর্ব বাংলার অর্থনীতিতে।
প্রতিবছর শুধুমাত্র কচুরিপানার কারণে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ আমন ধান নষ্ট হয়।
সেসময়ে পণ্য আনা-নেয়া বা বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান রুট ছিল নদী পথ, অথচ কচুরিপানার কারণে অনেক সময়ই জলাশয়ে চলাচলও দুঃসাধ্য হয়ে ওঠে।
আবার কচুরিপানা পচে পানির নীচে বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়তো, এর ফলে পানিতে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা যায়।
এতে একদিকে পানির নিচের জলজ উদ্ভিদ মরতে শুরু করে, সেইসাথে প্রচুর মাছও মরে যায়।
মানুষের জন্য এই পানি ব্যবহার করা অনিরাপদ হয়ে উঠেছিল।
জেলেরাও কচুরিপানার জন্য জাল ফেলতে পারতেন না। এসব কারণে তখনকার গণমাধ্যমে কচুরিপানাকে ‘বিউটিফুল ব্লু ডেভিল’ এবং ‘বেঙ্গল টেরর’ বলে আখ্যা দেয়া হয়েছিল।
সংক্ষেপে দেখুনবিউটিফুল ব্লু ডেভিল' এবং 'বেঙ্গল টেরর' কিসের নাম?
১৯২৬ সালের এক কৃষি প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রতিবছর শুধুমাত্র কচুরিপানার কারণে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ আমন ধান নষ্ট হয়। সেসময়ে পণ্য আনা-নেয়া বা বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান রুট ছিল নদী পথ, অথচ কচুরিপানার কারণে অনেক সময়ই জলাশয়ে চলাচলও দুঃসাধ্য হয়ে ওঠে। আবার কচুরিপানা পচে পানির নীচে বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়তো, এর ফলে পবিস্তারিত পড়ুন
১৯২৬ সালের এক কৃষি প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রতিবছর শুধুমাত্র কচুরিপানার কারণে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ আমন ধান নষ্ট হয়।
সেসময়ে পণ্য আনা-নেয়া বা বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান রুট ছিল নদী পথ, অথচ কচুরিপানার কারণে অনেক সময়ই জলাশয়ে চলাচলও দুঃসাধ্য হয়ে ওঠে।
আবার কচুরিপানা পচে পানির নীচে বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়তো, এর ফলে পানিতে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা যায়।
এতে একদিকে পানির নিচের জলজ উদ্ভিদ মরতে শুরু করে, সেইসাথে প্রচুর মাছও মরে যায়।
মানুষের জন্য এই পানি ব্যবহার করা অনিরাপদ হয়ে উঠেছিল।
জেলেরাও কচুরিপানার জন্য জাল ফেলতে পারতেন না।
এসব কারণে তখনকার গণমাধ্যমে কচুরিপানাকে ‘বিউটিফুল ব্লু ডেভিল’ এবং ‘বেঙ্গল টেরর’ বলে আখ্যা দেয়া হয়েছিল।
সংক্ষেপে দেখুন২০২৪ সালের রমজান মাসের ক্যালেন্ডার, বাংলাদেশ
সমগ্র বাংলাদেশে ২০২৪ সালের রমজান মাসের সময়সূচি, ক্যালেন্ডার (ঢাকা ও ঢাকার বাইরের জেলা) Ramadan Calendar 2024 সকল জেলার ইফতার ও সাহরির সময় সূচি ২০২৪, Ramadan Calendar 2024 PDF and JPG Free Download. ২০২৪ সালে, ১১ মার্চ সোমবার সন্ধ্যায় তারাবির নামাজ পড়তে হবে। মঙলবার ১২ মার্চ রোজা রাখার প্রথম দিন।বিস্তারিত পড়ুন
সমগ্র বাংলাদেশে ২০২৪ সালের রমজান মাসের সময়সূচি, ক্যালেন্ডার (ঢাকা ও ঢাকার বাইরের জেলা) Ramadan Calendar 2024
সকল জেলার ইফতার ও সাহরির সময় সূচি ২০২৪, Ramadan Calendar 2024 PDF and JPG Free Download.
২০২৪ সালে, ১১ মার্চ সোমবার সন্ধ্যায় তারাবির নামাজ পড়তে হবে। মঙলবার ১২ মার্চ রোজা রাখার প্রথম দিন।
সোমবার ০৭ এপ্রিল লায়লাতুল কদরের রাত।
বুধবার ১০ এপ্রিল, ২০২৪ শেষ রোজা।
১১ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হবে।
*** বাংলাদেশ ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক ঘোষিত ২০২৪ সালের রমজানের সময়সূচি অনুযায়ী প্রথম রোজা ১২ মার্চ। সেক্ষেত্রে ১১ মার্চ সন্ধ্যায় পড়তে হবে তারাবিহ। শেষ রাতে সাহরি খেতে হবে। সাহরির শেষ সময় ভোর ৪:৫১ মিনিট আর ইফতার হবে ৬:১০ মিনিটে।
সকল জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৪
বাংলাদেশের রাজধানী যেহেতু ঢাকা, তাই ঢাকার সাথে তাল মিলিয়ে আমরা বিভিন্ন জেলা শহর এবং বিভাগীয় শহরের মানুষ জন সেহরি এবং ইফতার করে থাকি। পৃথিবীর আহ্নিক গতির ফলে পৃথিবীর স্থানগুলোর মধ্যে সময়ের পার্থক্য দেখা যায়। স্থানভেদে এই পার্থক্য অনেক বেশি থেকে কম সময়ের ব্যবধানে হয়ে থাকে।
তাই সেহরি এবং ইফতার এক এক স্থানে এক এক সময়ে হয়ে থাকে। নির্দিষ্ট সময়ে যেহেতু সেহরি এবং ইফতার করতে হয় তাই সেহরি ও ইফতারের সময়সূচী মেনে চলা একান্ত জরুরী।
উপরে আমরা ঢাকার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি দিয়েছি এবং নিচে বিভিন্ন জেলার সময়ের পার্থক্য দিলাম, আপনারা ঢাকার সময়ের সাথে আপনাদের নিকটবর্তী এলাকার সময়ের সাথে কমিয়ে বা বাড়িয়ে নিবেন।
রোজার নিয়ত ও সাহরি এবং ইফতারের দোয়া
রোজা পালনে সাহরি ও ইফতারের যেমন গুরুত্ব রয়েছে তেমনি রোজার নিয়ত ও ইফতারের দোয়ার রয়েছে যথেষ্ট গুরুত্ব। সাহরি খাওয়ার পর রোজা নিয়ত করা জরুরি।
রোজার নিয়ত
نَوَيْتُ اَنْ اُصُوْمَ غَدًا مِّنْ شَهْرِ رَمْضَانَ الْمُبَارَكِ فَرْضَا لَكَ يَا اللهُ فَتَقَبَّل مِنِّى اِنَّكَ اَنْتَ السَّمِيْعُ الْعَلِيْم
আরবি নিয়তঃ নাওয়াইতু আন আছুম্মা গাদাম মিন শাহরি রমাজানাল মুবারাকি ফারদাল্লাকা, ইয়া আল্লাহু ফাতাকাব্বাল মিন্নি ইন্নিকা আনতাস সামিউল আলিম।
বাংলায় নিয়তঃ হে আল্লাহ! আমি আগামীকাল পবিত্র রমজানের তোমার পক্ষ থেকে নির্ধারিত ফরজ রোজা রাখার ইচ্ছা পোষণ (নিয়্যত) করলাম। অতএব তুমি আমার পক্ষ থেকে (আমার রোযা তথা পানাহার থেকে বিরত থাকাকে) কবুল কর, নিশ্চয়ই তুমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী।
ইফতারের আগ মুহূর্তে বেশি বেশি ইসতেগফার পড়া
আসতাগফিরুল্লাহাল আজিম, আল্লাজি লা ইলাহা ইল্লাহু আল-হাইয়্যুল ক্বাইয়্যুম, ওয়া আতুবু ইলাইহি লা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আজিম।
ইফতারের দোয়া
اَللَّهُمَّ لَكَ صُمْتُ وَ عَلَى رِزْقِكَ وَ اَفْطَرْتُ بِرَحْمَتِكَ يَا اَرْحَمَ الرَّاحِيْمِيْن
উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া আলা রিযক্বিকা ওয়া আফতারতু বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমিন।
অর্থঃ হে আল্লাহ! আমি তোমারই সন্তুষ্টির জন্য রোজা রেখেছি এবং তোমারই দেয়া রিযিক্বের মাধ্যমে ইফতার করছি।
রোজার গুরুত্ব
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِينَ مِنْ قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ
‘হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের ওপর ফরজ করা হয়েছিল; যেন তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।’ – সুরা বাকারা, আয়াত: ১৮৩
রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে সওয়াবের প্রত্যাশায় রমজানে রোজা পালন করবে, তার অতীতের গুনাহগুলো ক্ষমা করে দেওয়া হয়।’ – সহিহ বুখারি, হাদিস: ৩৮
আল্লাহ তাআলা সকল মুসলিম উম্মাহকে সঠিক নিয়মে রোজা রাখার তাওফিক দান করুন। আমিন।
সংক্ষেপে দেখুনব্যাঙের সবচেয়ে বড় জাতটির নাম কি?
গোলিয়াথ ফ্রগ ঃ বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রজাতির ব্যাঙ "গোলিয়াথ ফ্রগ"। এদের ওজন তিন কিলোগ্রামের বেশি হতে পারে। মধ্য-পশ্চিম আফ্রিকার ক্যামেরুনের স্যানাঙ্গা ও নিরক্ষীয় গিনির বেনিতো নদীর অববাহিকা অঞ্চলে এদের পাওয়া যায়। এদের গায়ের রং সবুজাভ বাদামি। পেটের অংশ হলদে সবুজ। জলজ উদ্ভিদ ও কীটপতঙ্গ এদের প্রধান খাদ্য।বিস্তারিত পড়ুন
গোলিয়াথ ফ্রগ ঃ
বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রজাতির ব্যাঙ “গোলিয়াথ ফ্রগ“। এদের ওজন তিন কিলোগ্রামের বেশি হতে পারে। মধ্য-পশ্চিম আফ্রিকার ক্যামেরুনের স্যানাঙ্গা ও নিরক্ষীয় গিনির বেনিতো নদীর অববাহিকা অঞ্চলে এদের পাওয়া যায়।
এদের গায়ের রং সবুজাভ বাদামি। পেটের অংশ হলদে সবুজ। জলজ উদ্ভিদ ও কীটপতঙ্গ এদের প্রধান খাদ্য।
উচ্চমূল্য পাওয়ার লোভে স্থানীয়রা চিড়িয়াখানা ও পোষার জন্য এ ব্যাঙ ধরে সরবরাহ করে। খাওয়ার জন্যও জেলেরা ধরে নিয়ে যায়। তাই আইইউসিএন গোলিয়াথ ফ্রগকে বিপন্ন প্রাণী হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে।
সংক্ষেপে দেখুনইউরোপীয় ভাষার জননী কোন ভাষা ?
ইন্দো ইউরোপীয় ভাষা কোনো একটি বিশেষ ভাষা নয়। সংস্কৃত, কেলটিক, গ্রথিক, প্রভৃতি ভাষার সমষ্টি কে বলা হয় ইন্দো ইউরোপীয় ভাষা বলা হয়। ইন্দো ইউরোপীয় ভাষায় আর্যরা কথা বলতেন। ভারতে আগত আর্যদের ভাষা ছিল সংস্কৃত।
ইন্দো ইউরোপীয় ভাষা কোনো একটি বিশেষ ভাষা নয়। সংস্কৃত, কেলটিক, গ্রথিক, প্রভৃতি ভাষার সমষ্টি কে বলা হয় ইন্দো ইউরোপীয় ভাষা বলা হয়। ইন্দো ইউরোপীয় ভাষায় আর্যরা কথা বলতেন। ভারতে আগত আর্যদের ভাষা ছিল সংস্কৃত।
সংক্ষেপে দেখুনলাল ও সবুজ গ্যাসের ট্রাফিক সিগন্যাল বাতির ব্যাবহার প্রথম কবে শুরু হয় এবং কোথায় ?
লন্ডন শহরের গ্রেট জর্জ জংশন ও ব্রিজ স্ট্রিটে ১৯৬৮ সালের ১০ ডিসেম্বর লাল, সবুজ, হলুদ ট্রাফিক সিগন্যাল বাতির এই ব্যবস্থা চালু করা হয়। প্রথম দিকে দিনের বেলা ট্রাফিক পুলিশ হাতের সাহায্যে ট্রফিক নিয়ন্ত্রণ করত। আর রাতের বেলা লাল ও সবুজ বাতির সাহায্যে নিয়ন্ত্রণ করা হত। এটিই ছিল রাস্তায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণেরবিস্তারিত পড়ুন
লন্ডন শহরের গ্রেট জর্জ জংশন ও ব্রিজ স্ট্রিটে ১৯৬৮ সালের ১০ ডিসেম্বর লাল, সবুজ, হলুদ ট্রাফিক সিগন্যাল বাতির এই ব্যবস্থা চালু করা হয়। প্রথম দিকে দিনের বেলা ট্রাফিক পুলিশ হাতের সাহায্যে ট্রফিক নিয়ন্ত্রণ করত। আর রাতের বেলা লাল ও সবুজ বাতির সাহায্যে নিয়ন্ত্রণ করা হত। এটিই ছিল রাস্তায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন রংয়ের বাতির প্রথম ব্যবহার।
তবে ১৯৩০ সালের দিকে নিরবচ্ছিন্নভাবে ট্রেন চলাচলের জন্য বিভিন্ন দেশের রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ রংয়ের ব্যবহার শুরু করেছিল। ট্রেন চালকের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে তারা এর ব্যবহার করত।
সংক্ষেপে দেখুনবিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী বোমার নাম কি?
জার বোম্বা (রুশ: Царь-бомба): পৃথিবীর সবচেয়ে বৃহৎ ও শক্তিশালী পারমাণবিক বোমারূপে বিবেচিত। এএন৬০২ হাইড্রোজেন বোমার সংক্ষিপ্ত নাম এটি। ১৯৫৩ সালে এটি তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের রাশিয়ায় আবিষ্কৃত হয়।
জার বোম্বা (রুশ: Царь-бомба): পৃথিবীর সবচেয়ে বৃহৎ ও শক্তিশালী পারমাণবিক বোমারূপে বিবেচিত।

সংক্ষেপে দেখুনএএন৬০২ হাইড্রোজেন বোমার সংক্ষিপ্ত নাম এটি। ১৯৫৩ সালে এটি তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের রাশিয়ায় আবিষ্কৃত হয়।
সারা শরীর ঘুরে আসতে একটি রক্ত কোষের কত সময় লাগে ?
একটি কনিকা মানব দেহের ভিতর প্রায় ১১ হাজার কিলোমিটার পথ পরিভ্রমণ করে। একেকটি কনিকা প্রতি মিনিটে একবার সমগ্র দেহ ঘুরে আসে।
একটি কনিকা মানব দেহের ভিতর প্রায় ১১ হাজার কিলোমিটার পথ পরিভ্রমণ করে। একেকটি কনিকা প্রতি মিনিটে একবার সমগ্র দেহ ঘুরে আসে।
সংক্ষেপে দেখুনঅর্থসহ ছেলেদের ১০,০০০ টি ইসলামিক নাম ২০২৩
ম দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, স দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম অর্থসহ, আ দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, র দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম অর্থসহ, ত দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, s দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, জ দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, ন দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, স দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, স দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নবিস্তারিত পড়ুন
ম দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, স দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম অর্থসহ, আ দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, র দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম অর্থসহ, ত দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, s দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, জ দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, ন দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, স দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, স দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম অর্থসহ ২০২১, ফ দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, ই দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, ম দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম অর্থসহ ২০২১, শ দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, র দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নামের তালিকা, হ দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, ম দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম অর্থসহ, র দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, দুই অক্ষরের ছেলেদের ইসলামিক নাম অর্থসহ, ল দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, ক দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, স দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম অর্থসহ ২০২২, র দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম অর্থসহ ২০২১, ব দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, ছেলেদের ইসলামিক নাম অর্থসহ pdf, আ দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম অর্থসহ, অ দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, a দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, আ দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম অর্থসহ ২০২১
ছেলেদের ইসলামিক নামের অর্থসহ সম্পূর্ণ তালিকা এই PDF ফাইলে পেয়ে যাবেন। এখানে ক্লিক করে ডাউনলোড করুন।
সংক্ষেপে দেখুনফ্লুগাল ১৫০ ট্যাবলেট এর কাজ কি? flugal 50 এর দাম কত?
এটি দাদ (দাউদ) এবং চুলকানির ওষুধ। ফ্লুগাল ১৫০ ট্যাবলেট এর প্রতিটির দাম প্রায় ২২ টাকা। flugal 150 সহ যেকোন ওষুধ কেনার ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রেসক্রিপশন সাথে থাকতে হবে। বি.দ্রঃ যেকোন ওষুধ সেবন করার পূর্বে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করবেন।
এটি দাদ (দাউদ) এবং চুলকানির ওষুধ। ফ্লুগাল ১৫০ ট্যাবলেট এর প্রতিটির দাম প্রায় ২২ টাকা। flugal 150 সহ যেকোন ওষুধ কেনার ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রেসক্রিপশন সাথে থাকতে হবে।
বি.দ্রঃ যেকোন ওষুধ সেবন করার পূর্বে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করবেন।
সংক্ষেপে দেখুনপৃথিবীর কেন্দ্রের তাপমাত্রা কত?
পৃথিবীর কেন্দ্রের তাপমাত্রার সঠিক পরিমাপ করা যায়নি। তবে পৃথিবীর কেন্দ্র সম্পর্কিত তথ্যগুলির বেশিরভাগই ভূমিকম্পের তরঙ্গ এবং চৌম্বকীয় ক্ষেত্র বিশ্লেষণ থেকে তৈরি করা হয়। পৃথিবীর কেন্দ্রের তাপমাত্রা পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ কেন্দ্রীয় পৃষ্ঠের তাপমাত্রা আনুমানিক 5,700 কেলভিন (5,430 ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড) বা 9806°বিস্তারিত পড়ুন
পৃথিবীর কেন্দ্রের তাপমাত্রার সঠিক পরিমাপ করা যায়নি। তবে পৃথিবীর কেন্দ্র সম্পর্কিত তথ্যগুলির বেশিরভাগই ভূমিকম্পের তরঙ্গ এবং চৌম্বকীয় ক্ষেত্র বিশ্লেষণ থেকে তৈরি করা হয়।
পৃথিবীর কেন্দ্রের তাপমাত্রা
পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ কেন্দ্রীয় পৃষ্ঠের তাপমাত্রা আনুমানিক 5,700 কেলভিন (5,430 ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড) বা 9806° ফারেনহাইট, যা সূর্যের পৃষ্ঠের তাপমাত্রার প্রায় সমান।
সংক্ষেপে দেখুনড. অ্যালেন ফ্রান্সিসের এই বইটি বহুল বিক্রিত ও আলোচিত । বইটি একটি বিশেষ কারনে ? কারনটি কি?
ভাই, আপনার প্রশ্নটি বুঝিনি। আপনি আসলে কোন বইয়ের কথা বলছেন? বইটির নাম বলেন আগে, এরপর দেখি কিরকম বিক্রি হয়েছে।
ভাই, আপনার প্রশ্নটি বুঝিনি। আপনি আসলে কোন বইয়ের কথা বলছেন? বইটির নাম বলেন আগে, এরপর দেখি কিরকম বিক্রি হয়েছে।
সংক্ষেপে দেখুনদিনেমার বলা হয় কোন দেশ কে এবং কেন?
ডেনমার্কের অধিবাসীরা বাংলাদেশে দিনেমার নামে পরিচিত। ডেনমার্ক যখন এদেশ শাসন করে তখন অনেক সম্পদ শোষন করেছিল, তাই তাদের বাঙালি পরিভাষায় দিনেমার বলা হতো।
ডেনমার্কের অধিবাসীরা বাংলাদেশে দিনেমার নামে পরিচিত। ডেনমার্ক যখন এদেশ শাসন করে তখন অনেক সম্পদ শোষন করেছিল, তাই তাদের বাঙালি পরিভাষায় দিনেমার বলা হতো।
সংক্ষেপে দেখুনপাসওয়ার্ড আবিষ্কার করেন কে?
ফার্নান্দো কর্বাতো কম্পিউটার অগ্রদূত ফার্নান্দো কর্বাতো কে পাসওয়ার্ডের আবিষ্কাকারক বলা হয়ে থাকে
ফার্নান্দো কর্বাতো
কম্পিউটার অগ্রদূত ফার্নান্দো কর্বাতো কে পাসওয়ার্ডের আবিষ্কাকারক বলা হয়ে থাকে
সংক্ষেপে দেখুনউড়ন্ত মাকু কে আবিষ্কার করেন?
উড়ন্ত মাকু আবিষ্কার করেন জন কে।
উড়ন্ত মাকু আবিষ্কার করেন জন কে।
সংক্ষেপে দেখুন