ই ক্যাপ আটটি ফ্যাট সলিউবল ভিটামিনের গ্রুপ দিয়ে গঠিত ভিটামিন ই অ্যান্টি অক্সিডান্টে ভরপুর যা চুলের নানা সমস্যার সমাধান করতে পারে সফলভাবে। যাঁরা চুল ওঠার সমস্যায় ভুগছেন, তাঁদের জন্য ভিটামিন ই খুবই কাজের। চলুন দেখে নেওয়া যাক নিয়মিত ভিটামিন ই ক্যাপ ব্যবহার করলে চুলের কী কী সমস্যার হাত থেকে বাঁচতে পারবেনবিস্তারিত পড়ুন
ই ক্যাপ আটটি ফ্যাট সলিউবল ভিটামিনের গ্রুপ দিয়ে গঠিত ভিটামিন ই অ্যান্টি অক্সিডান্টে ভরপুর যা চুলের নানা সমস্যার সমাধান করতে পারে সফলভাবে। যাঁরা চুল ওঠার সমস্যায় ভুগছেন, তাঁদের জন্য ভিটামিন ই খুবই কাজের। চলুন দেখে নেওয়া যাক নিয়মিত ভিটামিন ই ক্যাপ ব্যবহার করলে চুলের কী কী সমস্যার হাত থেকে বাঁচতে পারবেন।
ই ক্যাপ এর উপকারিতা
পাতলা চুল
খুসকির উপদ্রব
ডগাফাটা চুলের সমস্যায়
বিবর্ণ চুল উজ্জ্বল করতে
চুল অকালে সাদা হয়ে গেলে
এটি একটি প্রাকৃতিক হেয়ার কন্ডিশনার
রুক্ষ চুলের জন্য
চুল ওঠা বন্ধ করতে
তবে কিভাবে কত পরিমাণে ব্যবহার করবেন তা অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে ব্যবহার করবেন। আপনার মাথার ত্বক এবং চুলের ধরণ দেখে চিকিৎসক পরামর্শ দিবেন। কারণ এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকে। চলুন দেখে নেয়া যাক এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলো।
ভিটামিন ই ক্যাপ এর ক্ষতি এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
যাঁদের ত্বক খুব সেনসিটিভ বা যাঁরা সোরিয়াসিস বা কনট্যাক্ট ডার্মাটাইটিসে ভুগছেন, তাঁরা যদি সরাসরি ত্বকে ভিটামিন ই ব্যবহার করেন তা হলে কিন্তু হিতে বিপরীত হওয়ার আশঙ্কা রয়েই যায়। তার চেয়ে বরং আগে একবার আপনার ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করে নিন। আর সরাসরি না ব্যবহার করে বরং দই, মধু, ভিটামিন ই তেল আর লেবুর রস দিয়ে আপনার নিজস্ব ফেস প্যাক বানিয়ে নিন। এতে ব্রণ, ত্বকের দাগ-ছোপ তো কমবেই, সেই সঙ্গে ক্রমশ বাড়বে উজ্জ্বলতাও। পাকা পেঁপে, মধু আর লেবুর রসের মাস্কেও ভিটামিন ই ক্যাপসুলের নির্যাস মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। ভিটামিন ই তেল, টি ট্রি অয়েল, নারকেল তেল, ল্যাভেন্ডার তেল একসঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করলে মুক্তি পাবেন অ্যালার্জির হাত থেকে।
ই ক্যাপ ৪০০ এর দাম
প্রতিটি ই ক্যাপ ৪০০ ইউনিট প্রাইসঃ ৬.০৫ টাকা, ৫০ টি ট্যাবলেট এর প্যাকঃ ৩০২.৫০ টাকা।
https://medex.com.bd/brands/13953/e-cap-400iu/bn
সংক্ষেপে দেখুন

চালের পোকা তাড়াবেন কী করে? শুকনো লঙ্কা: চালের পাত্রে ৭-৮টি আস্ত শুকনো লঙ্কা রেখে দিন। এতে চাল অনেক দিন পোকা মুক্ত থাকবে। দু’সপ্তাহ পরে পুরনো লঙ্কাগুলি সরিয়ে ফেলে নতুন লঙ্কা দিন। পুরনো লঙ্কা রান্নার কাজে ব্যবহার করে নিতেও পারেন। এতে পোকা দূরে থাকবে। এয়ারটাইট পাত্র: পলিথিন বা প্লাস্টিকের পাত্রে চাল রবিস্তারিত পড়ুন
চালের পোকা তাড়াবেন কী করে?
শুকনো লঙ্কা: চালের পাত্রে ৭-৮টি আস্ত শুকনো লঙ্কা রেখে দিন। এতে চাল অনেক দিন পোকা মুক্ত থাকবে। দু’সপ্তাহ পরে পুরনো লঙ্কাগুলি সরিয়ে ফেলে নতুন লঙ্কা দিন। পুরনো লঙ্কা রান্নার কাজে ব্যবহার করে নিতেও পারেন। এতে পোকা দূরে থাকবে।
এয়ারটাইট পাত্র: পলিথিন বা প্লাস্টিকের পাত্রে চাল রাখবেন না। এতে পোকা ধরার আশঙ্কা বাড়ে। চাল এয়ারটাইট পাত্রে রাখুন। এতে চাল দীর্ঘ দিন পোকার হাত থেকে বাঁচবে।
গোলমরিচ: এর ঝাঁজও চালকে সুরক্ষিত রাখে। চালে পোকা হতে দেয় না। গোলমরিচের সুবিধা হল, এটি পাল্টেও দিতে হয় না। দীর্ঘ দিন রেখে দেওয়া যায়।
নিমপাতা: নিমপাতা পোকা তাড়াতে দারুণ কাজে লাগে। পাত্রে চাল রাখার পরে তাতে কিছুটা নিমপাতা দিয়ে দিন। এতে চাল অনেক দিন নিরাপদ থাকবে। তবে মাসে এক বার করে পাতা বদলে দেবেন।
তেজপাতা: নিমপাতা না থাকলে তেজপাতাও দিতে পারেন চালের মধ্যে। তাতেও দূরে থাকবে পোকা। এই পাতার গন্ধ চাল সুরক্ষিত রাখবে।
ফ্রিজ: অনেক সময়ে তাপের কারণেও পোকার বংশবৃদ্ধি হয়। তাই এয়ারটাইট পাত্রে ভরে চাল কয়েক দিনের জন্য ফ্রিজে রেখে দিতে পারেন। তাতে পোকা মরে যাবে।
সংক্ষেপে দেখুন