সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
লাইলাতুল কদর কোন রাতে? ২০২৬ সালের সম্ভাব্য তারিখ ও আমল
লাইলাতুল কদর ২০২৬ সালে ১৬ মার্চ, সোমবার দিবাগত রাতে পালিত হবে, যা রমজানের ২৭তম রাত। তবে কুরআন-হাদিসের আলোকে লাইলাতুল কদর কেবল ২৭ রমজানে সীমাবদ্ধ নয়। এটি রমজানের শেষ দশকের যেকোনো বিজোড় রাতে হতে পারে। রমজানের রাত ইংরেজি তারিখ সম্ভাবনা ২১তম রাত ১০ মার্চ (মঙ্গলবার দিবাগত) ⭐ সম্ভব ২৩তম রাত ১২ মার্চ (বৃবিস্তারিত পড়ুন
লাইলাতুল কদর ২০২৬ সালে ১৬ মার্চ, সোমবার দিবাগত রাতে পালিত হবে, যা রমজানের ২৭তম রাত। তবে কুরআন-হাদিসের আলোকে লাইলাতুল কদর কেবল ২৭ রমজানে সীমাবদ্ধ নয়। এটি রমজানের শেষ দশকের যেকোনো বিজোড় রাতে হতে পারে।
কুরআনে লাইলাতুল কদরের বর্ণনা:
আল্লাহতায়ালা পবিত্র কুরআনে বলেছেন — “নিশ্চয়ই আমি কুরআন নাজিল করেছি কদর রজনিতে। আপনি কি জানেন মহিমান্বিত কদর রজনি কী? কদর রজনি হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম। সে রাতে ফেরেশতারা জিবরাইল (আ.)-সহ অবতরণ করেন — সব বিষয়ে শান্তির বার্তা নিয়ে, এ শান্তির ধারা অব্যাহত থাকে উষার উদয় পর্যন্ত।” (সূরা কদর, আয়াত: ১-৫)
হাদিসের দলিল:
সাহাবি উবাই ইবনে কাব (রা.) কসম খেয়ে বলতেন, ২৭তম রাতটি লাইলাতুল কদর। (মুসলিম: ২৬৬৮)
শবে কদর বা লাইলাতুল কদর কোন রাতের সম্ভাবনা কতটুকু — আলেমদের মত:
অধিকতর সম্ভাবনার দিক দিয়ে প্রথম হলো ২৭ রমজান, দ্বিতীয় ২৫ রমজান, তৃতীয় ২৯ রমজান, চতুর্থ ২১ রমজান এবং পঞ্চম ২৩ রমজান।
ইমাম মালিক, আহমদ, ইসহাক, সুফিয়ান সাওরি, ইবনু তাইমিয়্যাহ, ইমাম নববি, ইবনু হাজার, ইবনু উসাইমিন (রহ.) সহ বড় ইমামদের মত হলো – লাইলাতুল কদর শেষ দশ রাতের যেকোনো রাতে হতে পারে, তবে তা প্রতি বছর নির্দিষ্ট একটি দিনে নয়, বিভিন্ন বছরে ভিন্ন ভিন্ন দিনে হয়।
লাইলাতুল কদর চেনার আলামত:
হাদিস শরিফে কদরের রাত চেনার কিছু আলামতের কথা বলা হয়েছে। রাতটি গভীর অন্ধকারে ছেয়ে যাবে না। রাতটি নাতিশীতোষ্ণ – অধিক ঠান্ডা বা গরম নয়। মৃদু বাতাস প্রবাহিত থাকবে। সে রাতে ইবাদত করে মানুষ অপেক্ষাকৃত বেশি তৃপ্তিবোধ করবে। এছাড়া পরদিন সকালে সূর্য অধিক উজ্জ্বল হয়ে উদয় হবে।
শবে কদরের রাতে কী আমল করবেন:
কদরের রাতে নির্দিষ্ট কোনো ওয়াজিব বা সুন্নত নামাজ নেই। মানুষ ইচ্ছামতো নফল নামাজ পড়তে পারবে। তবে নামাজ পড়াকে আবশ্যকীয় মনে করা যাবে না।
এই রাতে যা করবেন:
১. বিশেষ দোয়া পড়ুন: হযরত আয়েশা (রা.) রাসুল (সা.)-কে জিজ্ঞেস করেছিলেন, কদরের রাতে কী দোয়া পড়ব? তিনি বললেন এই দোয়া পড়তে:
আরবি: اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন, তুহিব্বুল আফওয়া, ফাফু আন্নি।
অর্থ: হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই তুমি ক্ষমাশীল, ক্ষমা করতে ভালোবাসো — অতএব আমাকে ক্ষমা করে দাও। (তিরমিযি)
২. নফল নামাজ পড়ুন — তাহাজ্জুদ, সালাতুত তাসবিহ
৩. কুরআন তিলাওয়াত করুন — বিশেষত সূরা কদর বারবার পড়ুন
৪. বেশি বেশি ইস্তেগফার করুন — “আস্তাগফিরুল্লাহ” পড়তে থাকুন
৫. পরিবারকে জাগান — হাদিসে বর্ণিত, লাইলাতুল কদরের রজনীতে যে আল্লাহর আরাধনায় মুহ্যমান থাকবে, আল্লাহ তার ওপর থেকে দোজখের আগুন হারাম করে দেবেন।
সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ কোনটি:
শবে কদর রমজানের শেষ দশকের যেকোনো বিজোড় রাতে হতে পারে। তাই একজন প্রকৃত মুসলিমের উচিত শেষ দশকের প্রতিটি রাতেই ইবাদত করা। শুধু ২৭ রমজানের রাত ধরে বসে না থেকে প্রতিটি বিজোড় রাতেই পূর্ণ ইবাদত করুন, এটাই নবীজি (সা.)-এর আদর্শ ছিল।
সংক্ষেপেঃ
✅ ২০২৬ সালে সরকারিভাবে শবে কদর: ১৬ মার্চ (২৭ রমজান)
✅ সম্ভাব্য সব রাত: ১০, ১২, ১৪, ১৬, ১৮ মার্চ (২১, ২৩, ২৫, ২৭, ২৯ রমজান)
✅ সেরা আমল: আয়েশা (রা.)-এর শেখানো দোয়া, নফল নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত
✅ সবচেয়ে জরুরি কথা: শুধু একটি রাত নয়, শেষ দশকের সব বিজোড় রাতেই ইবাদত করুন
ভালোলাগলে আপভোট দিন। কোন মতামত থাকলে এখানে মন্তব্য করে ফেলুন, আমি উত্তর দেয়ার চেষ্টা করবো। ✌️
সংক্ষেপে দেখুনইকেবানা মানে কি?
ইকেবানা (Ikebana) আসলে জাপানিদের ফুল সাজানোর একটা সুন্দর শিল্প। সহজভাবে বললে, এটা শুধু ফুলদানিতে ফুল গুছিয়ে রাখার মতো নয়। ইকেবানার মাধ্যমে জাপানিরা ফুল, গাছের ডাল, পাতা আর অন্যান্য প্রাকৃতিক জিনিসপত্র দিয়ে এমনভাবে সাজায় যেন এর মধ্যে প্রকৃতির সৌন্দর্য, মানুষের অনুভূতি আর মহাবিশ্বের একটা ছন্দ ফুটেবিস্তারিত পড়ুন
ইকেবানা (Ikebana) আসলে জাপানিদের ফুল সাজানোর একটা সুন্দর শিল্প।
সহজভাবে বললে, এটা শুধু ফুলদানিতে ফুল গুছিয়ে রাখার মতো নয়। ইকেবানার মাধ্যমে জাপানিরা ফুল, গাছের ডাল, পাতা আর অন্যান্য প্রাকৃতিক জিনিসপত্র দিয়ে এমনভাবে সাজায় যেন এর মধ্যে প্রকৃতির সৌন্দর্য, মানুষের অনুভূতি আর মহাবিশ্বের একটা ছন্দ ফুটে ওঠে।
তারা মনে করে, এর মাধ্যমে ফুল বা গাছকে নতুন জীবন দেওয়া হয়, আর তাই এর নাম “ফুলকে জীবন্ত রাখা“। এটা অনেকটা ছবি আঁকা বা গান গাওয়ার মতোই একটা শিল্প, যেখানে প্রকৃতির জিনিস দিয়ে নিজেদের ভাবনা প্রকাশ করা হয়।
জাপানে এটাকে “ফুলের পথ“ও বলা হয়, কারণ এটা শুধু সাজানো নয়, এটা একটা আধ্যাত্মিক যাত্রাও বটে।
সংক্ষেপে দেখুনবাঙালীদের কোন জনপ্রিয় খাবারটি নভোচারী সুনিতা উইলিয়ামস মহাকাশে নিয়ে গিয়েছিলেন?
নভোচারী সুনিতা উইলিয়ামস মহাকাশে সামোসা (Samosa) নিয়ে গিয়েছিলেন। যদিও সামোসা ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে এবং বাংলাদেশ সহ অন্যান্য দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোতে জনপ্রিয়, এটিকে তিনি তার ভারতীয় ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে নিয়ে গিয়েছিলেন। মহাকাশে সাধারণত ডিহাইড্রেটেড বা প্যাকেটজাত খাবার নেওয়া হয়, যা সহজে সংরক্ষণ করাবিস্তারিত পড়ুন
নভোচারী সুনিতা উইলিয়ামস মহাকাশে সামোসা (Samosa) নিয়ে গিয়েছিলেন। যদিও সামোসা ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে এবং বাংলাদেশ সহ অন্যান্য দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোতে জনপ্রিয়, এটিকে তিনি তার ভারতীয় ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে নিয়ে গিয়েছিলেন।
মহাকাশে সাধারণত ডিহাইড্রেটেড বা প্যাকেটজাত খাবার নেওয়া হয়, যা সহজে সংরক্ষণ করা যায় এবং শূন্য অভিকর্ষে খাওয়া যায়। সামোসা এই ধরনের খাবারের জন্য উপযুক্ত একটি জনপ্রিয় স্ন্যাক্স।
সংক্ষেপে দেখুনগুগলের নতুন কর্মচারীদের কি নামে ডাকা হয়?
গুগলের নতুন কর্মীদের "নুগলারস" নামে ডাকা হয় এবং কাজের প্রথম শুক্রবারে তাদেরকে প্রপেলার বিনি নামক এক ধরণের টুপি পরিধান করতে দেয়া হয়।
গুগলের নতুন কর্মীদের “নুগলারস” নামে ডাকা হয় এবং কাজের প্রথম শুক্রবারে তাদেরকে প্রপেলার বিনি নামক এক ধরণের টুপি পরিধান করতে দেয়া হয়।
সংক্ষেপে দেখুনইবলিস শয়তানের জন্ম হয়েছে কীভাবে?
ইসলামের ঐতিহ্য অনুযায়ী, ইবলিসকে শয়তান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। তাঁর সৃষ্টির পেছনের মূল বিষয়গুলো নিম্নরূপ: সৃষ্টির উপাদান: কুরআনে উল্লেখ আছে যে, জ্বীনজাত সৃষ্টির উপাদান হলো অগ্নির নিখুঁত শিখা। ইবলিসও এই উপাদান থেকে সৃষ্টি হয়েছেন। ফলে, তিনি দেবদূতের মতো আলোকিত সৃষ্টি নয়, বরং অগ্নি থেকে উৎপন্ন একটি সতবিস্তারিত পড়ুন
ইসলামের ঐতিহ্য অনুযায়ী, ইবলিসকে শয়তান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। তাঁর সৃষ্টির পেছনের মূল বিষয়গুলো নিম্নরূপ:
কুরআনে উল্লেখ আছে যে, জ্বীনজাত সৃষ্টির উপাদান হলো অগ্নির নিখুঁত শিখা। ইবলিসও এই উপাদান থেকে সৃষ্টি হয়েছেন। ফলে, তিনি দেবদূতের মতো আলোকিত সৃষ্টি নয়, বরং অগ্নি থেকে উৎপন্ন একটি সত্তা।
যখন আল্লাহ আদম সৃষ্টি করেন এবং সমস্ত ফেরেশতাদের আদমকে সজদা করতে আদেশ দেন, তখন ইবলিস (যিনি জ্বীনের মধ্যে একজন ছিলেন) তাঁর অহংকার ও ঈর্ষার কারণে আদমকে সজদা করতে অস্বীকার করেন। এই অযথার্থ আচরণের ফলে, তিনি আল্লাহর নিকট থেকে নিন্দিত হন এবং শয়তানের মর্যাদা লাভ করেন।
ইসলামিক বিশ্বাসে, ইবলিসের সৃষ্টির ঘটনা ও তাঁর পতনের প্রক্রিয়া মানবজাতির পরীক্ষার অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। তাঁর অস্বীকার ও ঈর্ষা মানবজাতির জন্য এক ধরনের সতর্কবার্তা হিসেবে চিহ্নিত, যাতে ঈমান ও বিনয় বজায় রাখা যায়।
ইবলিসকে অগ্নির নিখুঁত শিখা থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে এবং তাঁর অহংকারের কারণে আদমের সম্মুখে সজদা অস্বীকার করার ফলে তিনি শয়তানের মর্যাদা পান।
সংক্ষেপে দেখুনজীন জাতিকে দেখা যায় না কেন?
জ্বীন জাতিকে দেখা যায় না কারণ তারা একটি ভিন্নতর সৃষ্টি, যা মানুষের চেয়ে ভিন্ন এক পদার্থ থেকে তৈরি। ইসলামিক মতে, আল্লাহ জ্বীনদের অগ্নির নিখুঁত শিখা (smokeless fire) থেকে সৃষ্টি করেছেন, যা মানুষের মাটির সৃষ্টি থেকে আলাদা। জ্বীনদের অদৃশ্য থাকার কারণ: সৃষ্টির উপাদান: কুরআনে বলা হয়েছে: "আর জিনদের সৃষ্টিবিস্তারিত পড়ুন
জ্বীন জাতিকে দেখা যায় না কারণ তারা একটি ভিন্নতর সৃষ্টি, যা মানুষের চেয়ে ভিন্ন এক পদার্থ থেকে তৈরি। ইসলামিক মতে, আল্লাহ জ্বীনদের অগ্নির নিখুঁত শিখা (smokeless fire) থেকে সৃষ্টি করেছেন, যা মানুষের মাটির সৃষ্টি থেকে আলাদা।
জ্বীনদের অদৃশ্য থাকার কারণ:
“আর জিনদের সৃষ্টি করেছি আমি অগ্নির শুষ্ক শিখা হতে।” (সূরা আর-রহমান, আয়াত ১৫)
মানুষের দেহ কঠিন পদার্থ (মাটি) দিয়ে তৈরি, কিন্তু জ্বীনরা সূক্ষ্ম ও হালকা উপাদান থেকে গঠিত, যা সাধারণ চোখে দেখা সম্ভব নয়।
তবে কিছু ক্ষেত্রে দেখা যেতে পারে:
সংক্ষেপে, জ্বীনদের অদৃশ্য থাকার কারণ হলো তাদের সূক্ষ্ম ও ভিন্নতর সৃষ্টি, যা মানুষের চোখে ধরা পড়ে না, তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে তাদের দেখা সম্ভব হতে পারে।
সংক্ষেপে দেখুনপ্রকৃতি কীভাবে নিজের অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণ করে, যখন প্রতিটি ঘটনা অনিবার্যভাবে সংঘটিত হয়?
প্রকৃতি নিজের অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণ করে একটি জটিল ও স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে, যা বিজ্ঞানীরা সাম্যাবস্থা (Equilibrium) এবং প্রতিক্রিয়া-প্রতিরোধ ব্যবস্থা (Feedback Mechanisms) বলে ব্যাখ্যা করেন। প্রতিটি ঘটনা যদিও অনিবার্যভাবে সংঘটিত হয়, প্রকৃতি এটিকে সামঞ্জস্য করার পথ খুঁজে নেয়। ১. প্রতিক্রিয়া-প্বিস্তারিত পড়ুন
প্রকৃতি নিজের অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণ করে একটি জটিল ও স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে, যা বিজ্ঞানীরা সাম্যাবস্থা (Equilibrium) এবং প্রতিক্রিয়া-প্রতিরোধ ব্যবস্থা (Feedback Mechanisms) বলে ব্যাখ্যা করেন। প্রতিটি ঘটনা যদিও অনিবার্যভাবে সংঘটিত হয়, প্রকৃতি এটিকে সামঞ্জস্য করার পথ খুঁজে নেয়।
১. প্রতিক্রিয়া-প্রতিরোধ ব্যবস্থা
প্রকৃতিতে অনেক প্রক্রিয়া এমনভাবে চলে যেখানে একটি পরিবর্তন অন্য আরেকটি প্রক্রিয়াকে সক্রিয় করে, যা ভারসাম্য পুনঃস্থাপন করতে সাহায্য করে।
উদাহরণ:
গ্লোবাল ওয়ার্মিং। পৃথিবীর তাপমাত্রা বেড়ে গেলে সমুদ্র বেশি জলীয় বাষ্প সৃষ্টি করে। মেঘ গঠন হয় এবং এটি সূর্যের আলো প্রতিফলিত করে, ফলে তাপমাত্রা কিছুটা কমে।
২. সাম্যাবস্থা পুনঃস্থাপন
প্রকৃতির প্রতিটি সিস্টেম একটি ভারসাম্যের দিকে কাজ করে।
উদাহরণ:
যখন কোনো এলাকায় কার্বন ডাই-অক্সাইড বেশি হয়, গাছপালা সেটি শোষণ করে এবং অক্সিজেন উৎপন্ন করে, যা পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখে।
৩. প্রাকৃতিক ধ্বংস ও পুনর্জন্ম
প্রকৃতি মাঝে মাঝে ধ্বংসের মধ্য দিয়েও নিজের ভারসাম্য রক্ষা করে।
উদাহরণ:
একটি বনভূমি যদি আগুনে পুড়ে যায়, তবে নতুন গাছপালা জন্মায়, যা মাটির উর্বরতা বাড়ায় এবং বাস্তুতন্ত্র পুনর্গঠন করে।
৪. অরাজকতা থেকে সামঞ্জস্য
প্রাকৃতিক বিপর্যয় যেমন ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুত্পাত, বা ঝড় প্রকৃতির অস্থিরতার উদাহরণ। এগুলো পৃথিবীর ভেতরের চাপ এবং শক্তি মুক্ত করে দেয়, যা দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীলতা আনে।
৫. সময় ও জৈবিক অভিযোজন
প্রকৃতি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ধীরে ধীরে নিজেকে নতুন পরিস্থিতিতে অভিযোজিত করে।
উদাহরণ:
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে প্রাণীরা নতুন পরিবেশে খাপ খাইয়ে নেয়, যেমন কিছু প্রাণী গরম তাপমাত্রায় টিকে থাকার জন্য দেহের বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন করে।
প্রকৃতির এই নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আমাদের শেখায় যে প্রতিটি অস্থিরতা একটি বৃহত্তর সামঞ্জস্যের অংশ। যদিও ঘটনাগুলো অনিবার্য, প্রকৃতি তার নিজস্ব প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ধীরে ধীরে ভারসাম্য ফিরিয়ে আনে।
সংক্ষেপে দেখুনএমন কোনো পদার্থ কি আছে যা কখনোই ধ্বংস হতে পারে না?
সংক্ষিপ্ত উত্তরঃ না। এমন কোনো পদার্থ নেই যা একেবারে ধ্বংস হতে পারে না। তবে পদার্থের মৌলিক গঠন উপাদান, যেমন প্রোটন, নিউট্রন এবং ইলেকট্রন, নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে পরিবর্তিত হলেও পুরোপুরি ধ্বংস হয় না। এটি বিজ্ঞানী আইনস্টাইনের ভর-শক্তি সংরক্ষণ সূত্র (E=mc²) থেকে বোঝা যায়, যা বলে যে ভর এবং শক্তি ধ্বংস হযবিস্তারিত পড়ুন
সংক্ষিপ্ত উত্তরঃ না। এমন কোনো পদার্থ নেই যা একেবারে ধ্বংস হতে পারে না। তবে পদার্থের মৌলিক গঠন উপাদান, যেমন প্রোটন, নিউট্রন এবং ইলেকট্রন, নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে পরিবর্তিত হলেও পুরোপুরি ধ্বংস হয় না। এটি বিজ্ঞানী আইনস্টাইনের ভর-শক্তি সংরক্ষণ সূত্র (E=mc²) থেকে বোঝা যায়, যা বলে যে ভর এবং শক্তি ধ্বংস হয় না, শুধু এক রূপ থেকে অন্য রূপে রূপান্তরিত হয়।
উদাহরণস্বরূপ:
যদি আপনি একটি বস্তু পুড়িয়ে দেন, সেটি ধ্বংসপ্রাপ্ত মনে হলেও আসলে এটি বিভিন্ন গ্যাস এবং শক্তিতে পরিণত হয়।
এমনকি পারমাণবিক বিক্রিয়ায় (nuclear reaction), যেখানে পদার্থের ভর কমে শক্তিতে রূপান্তরিত হয়, সেখানেও এটি ধ্বংস হয় না।
তবে তাত্ত্বিকভাবে, কোয়ান্টাম ফিজিক্সে কিছু মৌলিক কণা, যেমন ফোটন বা নির্দিষ্ট ভারহীন কণাগুলো, সময়ের সীমাবদ্ধতার বাইরে থাকতে পারে। এগুলোও সরাসরি ধ্বংস না হয়ে অন্য কোনো শক্তিতে মিশে যায়।
সুতরাং, পদার্থ ধ্বংস হয় না, শুধু তার রূপ পরিবর্তন হয়।
সংক্ষেপে দেখুনইংরেজি এ "পড়াশোনা" এর অনুবাদ
ইংরেজি তে “পড়াশোনা” এর অনুবাদ Study. তবে আপনি এরকম প্রশ্ন এখানে না করলেও পারতেন। কারণ ডিকশনারি তে অথবা গুগল ট্রান্সলেটরে দেখে নিলেই হতো।
ইংরেজি তে “পড়াশোনা” এর অনুবাদ Study.
তবে আপনি এরকম প্রশ্ন এখানে না করলেও পারতেন। কারণ ডিকশনারি তে অথবা গুগল ট্রান্সলেটরে দেখে নিলেই হতো।
সংক্ষেপে দেখুনবাঘ আর সিংহের মিলনে কোন প্রাণীর জন্ম হয় ?
লাইগার পুরুষ সিংহ এবং স্ত্রী বাঘের সংকরায়নে উৎপন্ন প্রাণী লাইগার (Liger)। এরা দেখতে বিশাল আকৃতির সিংহের মতো, যার শরীরে বাঘের গায়ের ডোরাকাটা দাগগুলো হালকাভাবে থাকে। লাইগার হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় আকারের বিড়াল প্রজাতির প্রাণী। টাইগন পুরুষ বাঘ ও স্ত্রী সিংহের সংকরায়নে উৎপন্ন প্রজাতি টাইগন (Tigon)বিস্তারিত পড়ুন
লাইগার
পুরুষ সিংহ এবং স্ত্রী বাঘের সংকরায়নে উৎপন্ন প্রাণী লাইগার (Liger)। এরা দেখতে বিশাল আকৃতির সিংহের মতো, যার শরীরে বাঘের গায়ের ডোরাকাটা দাগগুলো হালকাভাবে থাকে। লাইগার হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় আকারের বিড়াল প্রজাতির প্রাণী।
টাইগন
পুরুষ বাঘ ও স্ত্রী সিংহের সংকরায়নে উৎপন্ন প্রজাতি টাইগন (Tigon)। মা সিংহীর কাছ থেকে পাওয়া ছোট ছোট স্পট আর বাবা বাঘের কাছ থেকে পাওয়া হালকা ডোরা কাটা দাগ এদের শরীরে দেখতে পাওয়া যায়। এক বিশেষ জিনগত কারণে টাইগন রা বাঘ বা সিংহের তুলনায় ছোট হয়।

সংক্ষেপে দেখুনকোন পাখি জীবনে একবার ডিম পাড়ে?
এই প্রশ্নের উত্তরে অনেকেই বলবে ঈগলের কথা। কিন্তু এটি সত্য নয়। আর এমন কোন প্রমাণ নেই যে একটি সুস্থ ঈগল বয়স বাড়ার সাথে সাথে ডিম পাড়া কম করে দেয়। ঈগল গড়ে ২৫ বছর বাঁচে। এবং প্রতি বছর ২টি করে ডিম দেয়। সাধারণত এরা ৫ বছর বয়সের মধ্যেই বাসা বাঁধতে শেখে এবং ডিম পাড়ে। সুতরাং পরবর্তী ২০ বছরে এরা ৪০টি ডিম দেয়বিস্তারিত পড়ুন
এই প্রশ্নের উত্তরে অনেকেই বলবে ঈগলের কথা। কিন্তু এটি সত্য নয়। আর এমন কোন প্রমাণ নেই যে একটি সুস্থ ঈগল বয়স বাড়ার সাথে সাথে ডিম পাড়া কম করে দেয়।

ঈগল গড়ে ২৫ বছর বাঁচে। এবং প্রতি বছর ২টি করে ডিম দেয়। সাধারণত এরা ৫ বছর বয়সের মধ্যেই বাসা বাঁধতে শেখে এবং ডিম পাড়ে। সুতরাং পরবর্তী ২০ বছরে এরা ৪০টি ডিম দেয় তাদের জীবদ্দশায়।
সত্যি বলতে এমন কোন পাখি নেই যারা জীবদ্দশায় শুধুমাত্র একবার ডিম দেয়।
সংক্ষেপে দেখুনমানসিক কষ্ট
আমার মনেহয় বিস্তারিত তথ্যটি আপনার প্রশ্ন হওয়া উচিৎ ছিলো। 🤔
আমার মনেহয় বিস্তারিত তথ্যটি আপনার প্রশ্ন হওয়া উচিৎ ছিলো। 🤔
সংক্ষেপে দেখুনহোয়াটসঅ্যাপ এর মাধ্যমে কি আমার ফোনে ভাইরাস ঢুকতে পারে?
হ্যা, এটা সম্ভব! আমার মোবাইলেও কিছুদিন আগে হোয়াটস অ্যাপে একজন একটি লিংক দিয়েছিলো। তাতে একটি অফার ছিলো আর আমি নাকি একটি আইফোন জিতেছি। আমি আগে থেকেই জানতাম এগুলো স্ক্যাম। এই লিংক গুলো সাধারণত কোন ভাইরাসের লিংক হয়ে থাকে। তাই আমি ক্লিক করিনি আর কাউকে পাঠাইনি। এগুলো থেকে আমাদের সাবধান হওয়া উচিত। ধন্যবাদ!
হ্যা, এটা সম্ভব! আমার মোবাইলেও কিছুদিন আগে হোয়াটস অ্যাপে একজন একটি লিংক দিয়েছিলো। তাতে একটি অফার ছিলো আর আমি নাকি একটি আইফোন জিতেছি। আমি আগে থেকেই জানতাম এগুলো স্ক্যাম। এই লিংক গুলো সাধারণত কোন ভাইরাসের লিংক হয়ে থাকে। তাই আমি ক্লিক করিনি আর কাউকে পাঠাইনি। এগুলো থেকে আমাদের সাবধান হওয়া উচিত।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনআমারো পরানো যাহা চায় গানটির ফুল লিরিক্স উত্তরে দিন
আমার পরান যাহা চায়তুমি তাই, তুমি তাই গোআমার পরান যাহা চায়তোমা ছাড়া আর এ জগতেমোর কেহ নাই, কিছু নাই গোআমার পরান যাহা চায় তুমি সুখ যদি নাহি পাওযাও সুখের সন্ধানে যাওআমি তোমারে পেয়েছি হৃদয়মাঝেআর কিছু নাহি চাই গো আমার পরান যাহা চায় আমি তোমার বিরহে রহিব বিলীনতোমাতে করিব বাসদীর্ঘ দিবস, দীর্ঘ রজনী, দীর্ঘ বরষবিস্তারিত পড়ুন
তুমি তাই, তুমি তাই গো
আমার পরান যাহা চায়
তোমা ছাড়া আর এ জগতে
মোর কেহ নাই, কিছু নাই গো
আমার পরান যাহা চায়
যাও সুখের সন্ধানে যাও
আমি তোমারে পেয়েছি হৃদয়মাঝে
আর কিছু নাহি চাই গো
তোমাতে করিব বাস
দীর্ঘ দিবস, দীর্ঘ রজনী, দীর্ঘ বরষ-মাস
যদি আর ফিরে নাহি আস
তবে তুমি যাহা চাও, তাই যেন পাও
আমি যত দুখ পাই গো
তুমি তাই, তুমি তাই গো
আমার পরান যাহা চায়
যখন একজন সেলিব্রিটি জানতে পারে যে তার মৃত্যু হতে চলেছে তাহলে সে কি করতে পারে?
সত্যি অসাধারণ একজন সেলিব্রিটি সম্পর্কে জানলাম আজ। জীবনকে নতুন করে ভাবার অনুপ্রেরণা দেয় এমন ঘটনাগুলো। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ!
সত্যি অসাধারণ একজন সেলিব্রিটি সম্পর্কে জানলাম আজ। জীবনকে নতুন করে ভাবার অনুপ্রেরণা দেয় এমন ঘটনাগুলো। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনসেক্সে বিশ্ব রেকর্ড কার দখলে?
সেক্সে বিশ্ব রেকর্ড কিন্তু গিনেস বুক রেকর্ডে অন্যান্য বিভিন্ন রেকর্ড এর পাশাপাশি সেক্সে বিশ্ব রেকর্ড ও উঠে এসেছে। গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড পৃথিবীর বিভিন্ন মেধাবী ব্যক্তিদের বিভিন্ন ধরনের রেকর্ডের স্বীকৃতি প্রদান করে থাকে। তারই অংশ হিসেবে সেক্সে বিশ্ব রেকর্ড কারীদের কেও স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। একদিনে সবিস্তারিত পড়ুন
সেক্সে বিশ্ব রেকর্ড
কিন্তু গিনেস বুক রেকর্ডে অন্যান্য বিভিন্ন রেকর্ড এর পাশাপাশি সেক্সে বিশ্ব রেকর্ড ও উঠে এসেছে। গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড পৃথিবীর বিভিন্ন মেধাবী ব্যক্তিদের বিভিন্ন ধরনের রেকর্ডের স্বীকৃতি প্রদান করে থাকে। তারই অংশ হিসেবে সেক্সে বিশ্ব রেকর্ড কারীদের কেও স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
একদিনে সবচেয়ে বেশিবার অর্গাজম
অর্গাজম বলতে বোঝানো হয় মেয়েদের বীর্য স্খলন কে। পুরুষরা যেমন হস্তমৈথুন বা যৌনসঙ্গম এর মাধ্যমে তাদের বীর্যস্খলন করে থাকে তেমনি মেয়েদের বীর্য স্খলন অর্গাজম নামে পরিচিত। আমাদের দেশের মেয়েরা অর্গাজম এর সাথে খুবই কম পরিচিত।
কিন্তু উন্নত দেশে অর্গাজম একটা মামুলি ব্যাপার মাত্র। স্বাভাবিকভাবে মেয়েদের অর্গাজম হতে অনেক বেশি সময় লাগে। কিন্তু ব্রিটিশ এক নাগরিক একদিনে ৫০০ বার অর্গাজম করে সেক্সে বিশ্ব রেকর্ড করেছেন। তার নাম যারা জারা রিচার্ডসন। তিনি এক ধরনের যৌন রোগে আক্রান্ত যার কারণে তার অর্গাজম খুব দ্রুত হয়। আর এরই সুবিধা নিয়ে তিনি গিনেস বুক অব রেকর্ডে একদিনে সবচেয়ে বেশিবার অর্গাজম করে রেকর্ড করে ফেলেছেন।
সংক্ষেপে দেখুনফজর নামাজের সময় ও শেষ সময় কখন? আজকের নামাজের সময়সূচী
ফজর, যোহর, আসর, মাগরিব ও এশা নামাজ এবং সেহরি সারা বছরের পরিপূর্ণ সময়সূচি জানতে চিরস্থায়ী সময়সূচী ক্যালেন্ডার টি ডাউনলোড করে নিন। নামাজের চিরস্থায়ী ক্যালেন্ডার ডাউনলোড এক ক্যালেন্ডারেই সারা বছরের নামাজ ও সেহরির সময়সূচি পাবেন। ধন্যবাদ!
ফজর, যোহর, আসর, মাগরিব ও এশা নামাজ এবং সেহরি সারা বছরের পরিপূর্ণ সময়সূচি জানতে চিরস্থায়ী সময়সূচী ক্যালেন্ডার টি ডাউনলোড করে নিন।
নামাজের চিরস্থায়ী ক্যালেন্ডার ডাউনলোড
এক ক্যালেন্ডারেই সারা বছরের নামাজ ও সেহরির সময়সূচি পাবেন।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনমনের ভাব প্রকাশের ক্ষেত্রে বাংলায় এমন কোনো বিশেষ জিনিস আছে যা ইংরেজিতে নেই?
মুহাম্মদ জাফর ইকবাল স্যারের একটি লেখায় পড়েছি, ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ একটি খুব সুন্দর কথা বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন প্রত্যেক মানুষের তিনটি করে মা থাকে। একটি জন্মদাত্রী মা, একটি মাতৃভাষা এবং আরেকটি হচ্ছে মাতৃভূমি। এটি ফেব্রুয়ারী মাস, একুশে ফেব্রুয়ারী শুধু আমাদের নয়, এখন সারা পৃথিবীর মাতৃভাষা-দিবস। আমাবিস্তারিত পড়ুন
মুহাম্মদ জাফর ইকবাল স্যারের একটি লেখায় পড়েছি,
ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ একটি খুব সুন্দর কথা বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন প্রত্যেক মানুষের তিনটি করে মা থাকে। একটি জন্মদাত্রী মা, একটি মাতৃভাষা এবং আরেকটি হচ্ছে মাতৃভূমি। এটি ফেব্রুয়ারী মাস, একুশে ফেব্রুয়ারী শুধু আমাদের নয়, এখন সারা পৃথিবীর মাতৃভাষা-দিবস। আমাদের মাতৃভাষাটি কত মধুর সেটি জানতে চাও? খুব সহজ একটা উদাহরণ দিয়ে তোমাদের মনে করিয়ে দিতে পারি। আমাদের জাতীয় সঙ্গীতের প্রথম লাইনটি হচ্ছে, ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’। এর শেষ তিনটি শব্দ দিয়েও একটি বাক্য হতে পারে, সেটি হচ্ছে, ‘আমি তোমায় ভালোবাসি’। এই তিনটি শব্দ দিয়ে পারমুটেশান করে সব মিলিয়ে আমরা ছয়ভাবে বাক্যটি লিখতে পারি:
তোমরা কী লক্ষ্য করেছ, এই ছয়টি বাক্যের প্রতিটি কিন্তু শুদ্ধ বাক্য?
এবারে ইংরেজীর সাথে তুলনা করি? I Love you এটাকে কী অন্য কোনোভাবে বলা সম্ভব? I you love? Love I you কিংবা Love you I? কিংবা You I love? You love I? চেষ্টা করে দেখো, মূল বাক্যটি ছাড়া অন্য কোনোটি কিন্তু গ্রহণযোগ্য নয়! এই ছোট উদাহরণটি দিয়েই কিন্তু তোমরা বুঝতে পারবে, আমাদের মাতৃভাষা কতো সাবলীল, কতো ছন্দময়। (সে কারণে আমার মনে হয় বাঙ্গালি তরুণ তরুণীদের মাঝে কবি সবচেয়ে বেশি!) এরকম অনেক উদাহরণ দেয়া সম্ভব। তোমরা নিজেরাই সেগুলো খুঁজে বের করতে পারবে। ইংরেজী ভাষার আগ্রাসনে আমরা যখন ব্যতিব্যস্ত, তখন ভাষার মাসে প্রিয় মাতৃভাষার জন্যে কী আমরা একটুখানি ভালোবাসা প্রকাশ করতে পারি না?
সংক্ষেপে দেখুনএ গুলো গুগুলে search করলে পুলিস আপনাকে জেলে নিয়ে জেতে পারে।
এখানে কিছু জানালেন না কেন?
এখানে কিছু জানালেন না কেন?
সংক্ষেপে দেখুনPORN dekha bhalo na kharap?
অতিমাত্রায় পর্ন দেখলে ধীরে ধীরে আপনার একাধিক অভ্যাস পরিবর্তন করে দিতে পারে। একটা সময় হ্যালুসিনেশনের মাত্রা বেড়ে যায় এতে মস্তিষ্কের গ্রহণ ক্ষমতা কমে যেতে পারে।এছাড়া সঙ্গীর সঙ্গে দূরত্ব, স্মৃতিশক্তির সমস্যাসহ বিভিন্ন ধরনের শারীরিক ক্ষতি হতে পারে। পর্ন দেখার কারণে আপনার শরীরে কী পরিবর্তন ঘটে, জানেন কি?বিস্তারিত পড়ুন
অতিমাত্রায় পর্ন দেখলে ধীরে ধীরে আপনার একাধিক অভ্যাস পরিবর্তন করে দিতে পারে। একটা সময় হ্যালুসিনেশনের মাত্রা বেড়ে যায় এতে মস্তিষ্কের গ্রহণ ক্ষমতা কমে যেতে পারে।এছাড়া সঙ্গীর সঙ্গে দূরত্ব, স্মৃতিশক্তির সমস্যাসহ বিভিন্ন ধরনের শারীরিক ক্ষতি হতে পারে।
পর্ন দেখার কারণে আপনার শরীরে কী পরিবর্তন ঘটে, জানেন কি? আসুন জেনে নেই পর্ন দেখলে যেসব শারীরিক ক্ষতি হয়?
মস্তিষ্ক গ্রহণ ক্ষমতা
পর্ন দেখলে প্রথমেই তার প্রভাব পড়ে দর্শকের মস্তিষ্কে। অতিরিক্ত পর্ন দেখা আসক্তির পর্যায়ে চলে যায়, যা মাদকাসক্তির চেয়ে কোনো অংশে কম নয়।নিয়মিত ও অতিমাত্রায় পর্ন দেখলে ধীরে ধীরে আপনার একাধিক অভ্যাস পরিবর্তন করে দিতে পারে। একটা সময় হ্যালুসিনেশনের মাত্রা বেড়ে যায় এতে মস্তিষ্কের গ্রহণ ক্ষমতা কমে যেতে পারে।
সঙ্গীর সঙ্গে দূরত্ব
পর্নে অনেক কিছুই অতিরিক্ত দেখানো হয়, বাস্তবতার সঙ্গে যার মিল নেই। অতিরিক্ত পর্ন দেখলে আপনিও আপনার সঙ্গীকে অন্যভাবে কল্পনা করতে শুরু করবেন। সে ক্ষেত্রে আপনার সঙ্গীর সঙ্গে আপনার দূরত্ব তৈরি হবে।
স্মৃতিশক্তি
পর্ন দেখার প্রবণতা আপনার স্মৃতিশক্তির ওপর খুবই নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। ফলে অনেক কিছুই আপনি খুব সহজেই ভুলে যেতে শুরু করবেন।
শরীর ও মন
নিয়মিত পর্ন দেখার কারণে একটা নির্ভরশীলতা তৈরি করে। ফলে শারীরিক চাহিদা তৈরি হলেও কোনো একটা নির্দিষ্ট সময়ে আপনার শরীর উত্তেজিত হতে চাইবে। এটা আপনার মধ্যে এমন একটা অভ্যাস তৈরি করবে, যার ফলে শরীর ও মনকে সহজে বশে রাখতে পারবেন না।
তথ্যসূত্রঃ দৈনিক যুগান্তর
সংক্ষেপে দেখুন