সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
পৃথিবীতে প্রথম কোন ব্যক্তি বিড়ি খেয়েছিলো?
গুজরাটের গোমতীপুর নিবাসী, জব্বলপুর প্রবাসী মোহনলাল প্যাটেল আর হরগোবিন্দদাস প্যাটেল। একেবারে নিশ্চিত হয়ে বলতে পারব না, তবে স্থানকাল অর্থাৎ জিওগ্রাফিক লোকেশান, আর হিস্টোরিকাল টাইমলাইন মিলিয়ে দিতে পারব আশা করি। সেটুকুতে যদি সন্তুষ্ট থাকতে পারেন তাহলে পড়ুন, নয়ত বাকি স্কিপ করে সিধে মন্তব্যের বাক্সে গিয়েবিস্তারিত পড়ুন
গুজরাটের গোমতীপুর নিবাসী, জব্বলপুর প্রবাসী মোহনলাল প্যাটেল আর হরগোবিন্দদাস প্যাটেল।
একেবারে নিশ্চিত হয়ে বলতে পারব না, তবে স্থানকাল অর্থাৎ জিওগ্রাফিক লোকেশান, আর হিস্টোরিকাল টাইমলাইন মিলিয়ে দিতে পারব আশা করি। সেটুকুতে যদি সন্তুষ্ট থাকতে পারেন তাহলে পড়ুন, নয়ত বাকি স্কিপ করে সিধে মন্তব্যের বাক্সে গিয়ে আমার গুষ্টি-উদ্ধার করতে শুরু করুন। শুভেচ্ছা রইল।
বিড়ি কাকে বলে? পাতায় মোড়া তামাক, যা আগুনে জ্বালিয়ে, উৎপন্ন ধোঁয়া নিঃশ্বাসের সাথে টেনে নেওয়া হয়, তাই কি বিড়ি? তাহলে সিগারও কি বিড়ি পদবাচ্য?
তাই যদি হয়, তামাকক্ষেতে বসে তামাকপাতা পাকিয়ে প্রথম সিগার বানানো হয়েছিল মধ্য বা দক্ষিণ আমেরিকাতে। কে কবে সে কীর্তি স্থাপন করেছিল, সে কথাটা বুড়ো ইতিহাস ভুলে মেরে দিয়েছে। আমার কাহিনী সেক্ষেত্রে একশ’ শতাংশ ভুল।
নাকি তেন্দুপাতায় মোড়া ছাঁট তামাক হলে তবেই তা বিড়ি?
এই সংজ্ঞা ধরেই চলি আপাতত?
তাহলে প্রথম ক্লু বা সূত্র হল, তেন্দুপাতা, এবং বিড়ি ভীষণ ভাবে ভারতীয় উপমহাদেশের নিজস্ব সৃষ্টি, কিন্তু তামাক আমাদের দেশজাত নয়। বস্তুত, তামাক মধ্য-আমেরিকার ভূমিজ প্রডাক্ট – অধুনা যা ইকোয়েদর-পেরু সীমান্তবর্তী অঞ্চল, সেখানকার। সেই আমেরিকা, কলম্বাসের আবিষ্কারের আগে যার সন্ধানও জানা ছিল না! (আসলে হয়ত জানা ছিল। এ নিয়ে নানান বিতর্ক রয়েছে, কিন্তু আমেরিকা আবিষ্কার আর কলম্বাস মোটামুটি সমসাময়িক।) ইউরোপের ইতিহাসেও তামাকের চর্চা খুব প্রাচীন নয়।
তাহলে ইউরোপের হাত ঘুরে, তামাক বস্তুটির সাথে কবে ভারতীয় উপমহাদেশের পরিচয় হল, সে কথা জানতে পারলে অনেকটাই সুরাহা হয়।
ইউরোপীয় ঐতিহাসিকেরা মোটামুটিভাবে মেনে নেন যে জন হকিন্স ও তাঁর নাবিকদের থেকে ইউরোপে ১৫৬২ সাল নাগাদ তামাক সেবন চালু হয়। এই ধাপে ইউরোপে তামাক পোড়ামাটির পাইপে ভরে সেবন করা হত।
মোটামুটি এই সময়েই গোয়ার জেসুইট যাজকরা আকবর বাদশাহ(১৫৪২-১৬০৫)কে তামাকপাতা আর বীজ উপহার দেন। আকবরের চিকিৎসক আব্দুল ফতে গিলানি বাদশাহের জন্য হুঁকা নির্মাণ করে দেন। সেই হুঁকা পাওয়া গেছে কি না জানি না, কিন্তু জেডপ্রস্তর নির্মিত সম্রাট জাহাঙ্গীরের হুঁকা এখনও জাদুঘরে দেখা যায়।
মতান্তরে হুঁকা বস্তুটি আব্দুল ফতে গিলানির নিজস্ব আবিষ্কার নয়, পারস্যদেশে প্রচলিত গালিয়ান যন্ত্রের অনুকরণ মাত্র। যদিও পারস্য দেশে তখনও তামাক পাওয়া যেত না, তামাকই একমাত্র ধূম্রোৎপাদক নয়। সম্ভবত গাঞ্জা-হাশিশ ইত্যাদি সেবনের জন্য হুঁকা বা ঐ জাতীয় বস্তু ব্যবহার হত। অপিচ, আকবর বাদশাহের পূর্বেও ভারতে ছিলিমে ভরে গাঁজা টানার প্রচলনও ছিল।
সে যাই হোক, গাঁজা প্রসঙ্গ থাক। হুঁকাও থাক, আমরা আপাতত বিড়ির খোঁজে চলি।
সিটিয়ারাই(সেন্ট্রাল টোবাকো রিসার্চ ইন্সটিটিউট) এর মতে ভারতে তামাক চাষ শুরু হয় ১৬০৫ সাল নাগাদ, গুজরাটে, পর্তুগীজদের উদ্যোগে। এনারাই হয়ত আকবর বাদশাহের জন্য তামাক পাঠিয়েছিলেন। বাদশা চাষবাস শুরু করছেন না দেখে মনের দুঃখে নিজেরাই শুরু করে দেন। আর হ্যাঁ “উদ্যোগ” বলছি বটে, কিন্তু পরবর্তীকালে পূর্ব ভারতে নীলচাষের “উদ্যোগ” থেকে আমরা আঁচ করতে পারি, উদ্যোগ মানে হয়ত অত্যাচারই হবে।
অনুমান করা যেতে পারে, পর্তুগীজদের হাতে পড়ে তামাকচাষে বাধ্য হওয়া মানুষেরা একসময়ে নিজেরাও তামাক পাকিয়ে জ্বালিয়ে সেবন করতে শুরু করেছিলেন। ছিলিমে হোক বা হুঁকাতেই হোক, একটা বড় সমস্যা ছিল জাত-পাতে বিভক্ত ভারতীয় মানুষের পক্ষে আর যাই হোক, হুঁকা কি কলকে শেয়ার করে টানা অসম্ভব!
নেসেসিটি ইজ দি মাদার অফ ইনভেনশন, কাজেই শুকনো পাতায় তামাক মুড়ে টেনে ফেলা এই সময়েই শুরু। আম-কাঁঠাল-কলাপাতা ইত্যাদি দিয়ে মোড়া হলেও, সবথেকে বেশী প্রচলিত হয় কৈরালা(Bauhinia variegata) গাছের পাতা।
আর গুজরাটিদের ব্যবসাবুদ্ধি চিরকালই প্রখর, অচিরেই নিজেরা বিড়ি টানা ছড়ে দিয়ে এই পাতায়-মোড়া-তামাকের ব্যাবসা শুরু করে দিয়েছিল। তেন্দুপাতার সাথে তামাকের মেলবন্ধন কিন্তু এখনও ঘটে নি। কাজেই আমাদের সংজ্ঞা অনুযায়ী এই বস্তু এখনও বিড়ি নয়। তার আবির্ভাবের জন্য অপেক্ষা করতে হবে আরও দীর্ঘকাল।
১৮৯৯ সালে পশ্চিম ভারতে এক দুর্ভিক্ষ হয়, ফলতঃ প্রচুর গুজরাটি পরিবার ভারতের নানা স্থানে ছড়িয়ে পড়েন। এনাদের হাত ধরেই বিড়ির এই পূর্বপুরুষ এই ভারতের মহামানবের সাগরে মিশে যান।
এমত সময়ে বিয়েনার(বেঙল-নাগপুর রেলওয়ে) এর কন্ট্র্যাক্ট নিয়ে মধ্যভারতের জব্বলপুরে এসে উপনীত হন গুজরাটের মোহনলাল প্যাটেল ও তস্য ভ্রাতা হরগোবিন্দদাস প্যাটেল। উদ্যোক্তা প্যাটেল ব্রাদারস (আসলে কাজিন্স) সরকারী কাজের ফাঁকে ফাঁকে খুচরো ব্যাবসাও করতেন। জব্বলপুরের মনিহারি দোকানে আক্রাদামে বম্বে থেকে আনা গুজরাটী বিড়ি বিক্রয় হতে দেখে প্যাটেলদের মাথায় আসে লোকালি বিড়ি নির্মাণ করে সস্তায় বেচে দেওয়ার আইডিয়া।
কিন্তু হায় বিড়ির পাতা মধ্যপ্রদেশে আকাল। সহজে দমে না গিয়ে উদ্যোগীযুগল বম্বে থেকে পাতা আমদানি করে বিড়ি নির্মাণ ও বিপণন করতে থাকেন, আর ফাঁকে ফোকরে চলতে থাকে সস্তা লোকাল পাতার সন্ধান। অচিরেই আমাদের দুই নায়ক খুঁজে পান তেনদুপাতা। রেলওয়ে স্লিপারের জন্য উজাড় করে নেওয়া শালবনে বিনা প্রচেষ্টায়ই এই গাছ গজায়, আর এর পাতা পাড়বার সময় হয় তামাকপাতা পাড়ার উপযোগী হওয়ার ঠিক পরে পরেই!
ব্যস, প্যাটেল ভ্রাতৃদ্বয়ের হাতে আজকের বিড়ী পূর্ণতাপ্রাপ্ত হয়। অচিরেই আরেক গুজরাটী বিলাতী পণ্য বর্জনের আহ্বান দেন, এবং আপামর ভারতবাসী বিলিতী সিগারেট ত্যাগ করে বিড়ীতে মনোনিবেশ করে। তবে সে অন্য কাহিনী।
উৎসাহী হলে প্রণয় লালের লেখা মনোজ্ঞ নিবন্ধ পড়ে ফেলুন।
সুত্রঃ কোরা
লেখকঃ সৈকত রায় মহাশয়
সংক্ষেপে দেখুনগজনী বংশের সর্বশেষ এবং শ্রেষ্ঠ সুলতান কে ছিলেন, গজনীর বর্তমান নাম কি?
গজনী বংশের শেষ শাসক বা সুলতান ছিলেন খসরু মালিক। খসরু মালিক এর সংক্ষিপ্ত জীবনী খসরু শাহের মৃত্যুর পর তার পুত্র খসরু মালিক সিংহাসনে আরোহণ করেন। তার সময়ে ঘুরীদের শক্তি দ্রুত বৃদ্ধি পেতে থাকে। ১১৬৩ খ্রিস্টাব্দে ঘুরী রাজ্যের অধিপতি আলাউদ্দীন হুসাইন জাহানসুজের মৃত্যু হলে তার ভ্রাতুষ্পুত্র গিয়াসউদ্দীন মুহমবিস্তারিত পড়ুন
গজনী বংশের শেষ শাসক বা সুলতান ছিলেন খসরু মালিক।
খসরু মালিক এর সংক্ষিপ্ত জীবনী
খসরু শাহের মৃত্যুর পর তার পুত্র খসরু মালিক সিংহাসনে আরোহণ করেন। তার সময়ে ঘুরীদের শক্তি দ্রুত বৃদ্ধি পেতে থাকে। ১১৬৩ খ্রিস্টাব্দে ঘুরী রাজ্যের অধিপতি আলাউদ্দীন হুসাইন জাহানসুজের মৃত্যু হলে তার ভ্রাতুষ্পুত্র গিয়াসউদ্দীন মুহম্মদ বিন সাম শাসনভার গ্রহণ করেন। ১১৭৩ খ্রিস্টাব্দে তিনি গুজ তুর্কিদের গজনী থেকে তাড়িয়ে দিয়ে তা দখল করেন। গিয়াসউদ্দীন তার ছোটভাই শিহাবউদ্দীনকে গজনীর শাসনভার অর্পণ করেন। দুই ভ্রাতা তাদের রাজনীতি এবং ব্যক্তিগত সম্পর্কের মধ্যে গভীর হৃদ্যতা বজায় রেখেছিলেন। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত গিয়াসউদ্দীন তার ভাইয়ের কাছে থেকে সৌহার্দ্য এবং রাজভক্তি লাভ করেছিলেন। তিনি শিহাবউদ্দীনের প্রতি স্নেহের নির্দেশনস্বরূপ তার কাজে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দান করেছিলেন। সিংহাসনে আরোহণ করার সময় মুহম্মদ বিন সাম ‘শিহাবউদ্দীনের’ পরিবর্তে মুইজদ্দীন উপাধি গ্রহণ করেন এবং মুইজদ্দীন মুহাম্মদ বিন সাম নামে ইতিহাসে পরিচিত হন। কিন্তু ভারতের ইতিহাসে তিনি মুহম্মদ ঘুরী নামে সমধিক প্রসিদ্ধ। মুহম্মদ ঘুরীর সময় থেকে ভারতে মুসলমানদের তৃতীয় পর্যায়ের অভিযান শুরু হয় এবং তিনি গজনী থেকে ভারতে রাজ্য বিস্তারে মনোনিবেশ করেন।
সংক্ষেপে দেখুনবেস্ট কিছু পর্ণ সাইট এর নাম বল যেখান থেকে আমি ফ্রি তে বাংলা পর্ণ Download করতে পারব।
কি দরকার ভাই? এটা কি খুব ভালো জিনিষ? পর্ণ দেখা অথবা সংগ্রহ করা আমাদের জন্য খারাপ কাজ। আসুন আমরা পর্ণ বিষয়ক যেকোন কিছু থেকে বিরত থাকি।
কি দরকার ভাই? এটা কি খুব ভালো জিনিষ? পর্ণ দেখা অথবা সংগ্রহ করা আমাদের জন্য খারাপ কাজ। আসুন আমরা পর্ণ বিষয়ক যেকোন কিছু থেকে বিরত থাকি।
সংক্ষেপে দেখুনহ্যাক করুন যে কোন WhatsApp
হোয়াটস অ্যাপ হ্যাক করা সাধারণ কাজ নয়। তবুও কিছু টাকা খরচ করেও হ্যাক করা যায়। এক্ষেত্রে Mspy ওয়েবসাইট টি কাজে আসবে। এদের অ্যাপ ডাউনলোড করে আপনি যেকোন ফোন মডেল ও কিছু সেটিংস পরিবর্তন করে যে কারও হোয়াটস অ্যাপ হ্যাক করতে পারেন। বিস্তারিত জানতে এই সাইটটি ঘুরে আসতে পারেন। ধন্যবাদ!
হোয়াটস অ্যাপ হ্যাক করা সাধারণ কাজ নয়। তবুও কিছু টাকা খরচ করেও হ্যাক করা যায়। এক্ষেত্রে Mspy ওয়েবসাইট টি কাজে আসবে। এদের অ্যাপ ডাউনলোড করে আপনি যেকোন ফোন মডেল ও কিছু সেটিংস পরিবর্তন করে যে কারও হোয়াটস অ্যাপ হ্যাক করতে পারেন।
বিস্তারিত জানতে এই সাইটটি ঘুরে আসতে পারেন।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনপতিতালয়ে গিয়ে SEX করা কি উচিৎ?
পতিতালয় যাবেন কি যাবেন না সেটা আপনার ব্যাক্তিগত বিষয়।তবে পতিতাবৃত্তি সব ধর্মেই নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এখানে ধর্ম ব্যাপারটা জড়িয়ে রয়েছে। এছাড়া পতিতাদের সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের কারণে বিভিন্ন যৌন রোগ হতে পারে। এমনকি এইডস হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। এরচেয়ে ভালো হয় আপনি বিয়ে করে ফেলুন।
পতিতালয় যাবেন কি যাবেন না সেটা আপনার ব্যাক্তিগত বিষয়।তবে পতিতাবৃত্তি সব ধর্মেই নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এখানে ধর্ম ব্যাপারটা জড়িয়ে রয়েছে। এছাড়া পতিতাদের সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের কারণে বিভিন্ন যৌন রোগ হতে পারে। এমনকি এইডস হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। এরচেয়ে ভালো হয় আপনি বিয়ে করে ফেলুন।
সংক্ষেপে দেখুনবীরশ্রেষ্ঠ সাতজনের নাম, ছবি, সেক্টর, পদবী এবং মুক্তিযুদ্ধে তাদের অবদান কি ছিলো?
বীরশ্রেষ্ঠদের সংক্ষিপ্ত পরিচয় ০১। বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর জন্ম : ৭ মার্চ ১৯৪৯। জন্মস্থান : বাবুগঞ্জ, বরিশাল, পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমানঃ বাংলাদেশ)। পড়াশোনা : ১৯৬৪ সালে মুলাদি মাহমুদ জান পাইলট হাইস্কুল থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি এবং ১৯৬৬ সালে বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে এইচএসসি পাশবিস্তারিত পড়ুন
বীরশ্রেষ্ঠদের সংক্ষিপ্ত পরিচয়
০১। বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর
জন্ম : ৭ মার্চ ১৯৪৯। জন্মস্থান : বাবুগঞ্জ, বরিশাল, পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমানঃ বাংলাদেশ)। পড়াশোনা : ১৯৬৪ সালে মুলাদি মাহমুদ জান পাইলট হাইস্কুল থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি এবং ১৯৬৬ সালে বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন। পিতার নাম : আব্দুল মোতালেব হাওলাদার ছিলেন কৃষক মাতার নাম : মা সাফিয়া বেগম ছিলেন গৃহিণী।
পদমর্যাদা : ক্যাপ্টেন,৭নং সেক্টর-এর মহোদিপুর সাব-সেক্টর। মৃত্যু : ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ বারঘরিয়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ। পুরস্কার : বীর শ্রেষ্ঠ।
০২। বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী হামিদুর রহমান
জন্ম : ২ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৩। জন্মস্থান : যশোর জেলার (বর্তমানে ঝিনাইদহ জেলা) মহেশপুর উপজেলার খর্দ্দ খালিশপুর গ্রামে। পড়াশোনা : শৈশবে তিনি খালিশপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং পরবর্তীকালে স্থানীয় নাইট স্কুলে সামান্য লেখাপড়া করেন।
পিতার নাম : আক্কাস আলী মন্ডল। মাতার নাম : মোসাম্মাৎ কায়মুন্নেসা। পদমর্যাদা : ৪নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন (সৈনিক নাম্বার ৩৯০৪৩০১)। মৃত্যু : অক্টোবর ২৮, ১৯৭১ ধলই, শ্রীমঙ্গল, সিলেট। পুরস্কার : বীর শ্রেষ্ঠ।
০৩। বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল
জন্ম : ১৬ ডিসেম্বর ১৯৪৭ । জন্মস্থান : ভোলা জেলার দৌলতখান থানার পশ্চিম হাজীপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পড়াশোনা : পড়াশোনা বেশিদূর করতে পারেননি। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পর উচ্চ বিদ্যালয়ে দু-এক বছর অধ্যয়ন করেন। পিতার নাম : হাবিবুর রহমান সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত হাবিলদার।
পদমর্যাদা : ৪ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট কুমিল্লায়,সেক্টরঃ ২ নং। মৃত্যু : এপ্রিল ১৭, ১৯৭১ আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া, বাংলাদেশ । পুরস্কার : বীর শ্রেষ্ঠ।
০৪। বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন
জন্ম : ১৯৩৫ সালের জুন মাস। জন্মস্থান : জেলা: নোয়াখালী,উপজেলা: সোনাইমুড়ি, গ্রাম: বাঘপাঁচড়া। পড়াশোনা : বাঘচাপড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষ করে আমিষাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। এসএসসি পাশ করে ১৯৫৩ সালে জুনিয়র মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে পাকিস্তান নৌবাহিনীতে যোগদান করেন।
পিতার নাম : আজহার পাটোয়ারী। মাতার নাম : জোলেখা খাতুন। পদমর্যাদা : স্কোয়াড্রন ইঞ্জিনিয়ার, ১০নং সেক্টর। মৃত্যু : ১০ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সাল। পুরস্কার : বীর শ্রেষ্ঠ।
০৫। বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেঃ মতিউর রহমান
জন্ম : ২৯ অক্টোবর ১৯৪১। জন্মস্থান : পুরান ঢাকার ১০৯, আগা সাদেক রোডের “মোবারক লজ”-এ। পড়াশোনা : ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল থেকে ষষ্ঠ শ্রেণী পাস করার পর সারগোদায় পাকিস্তান বিমান বাহিনী পাবলিক স্কুলে ভর্তি হন। ডিস্টিংকশনসহ মেট্রিক পরীক্ষায় সাফল্যের সাথে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। পিতার নাম : মৌলভী আবদুস সামাদ। মাতার নাম : সৈয়দা মোবারকুন্নেসা খাতুন।
পদমর্যাদা : ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট,নম্বর. ২ স্কোয়াড্রন। মৃত্যু : ২০ আগস্ট ১৯৭১ (বয়স ২৯) থাট্টা, পশ্চিম পাকিস্তান। পুরস্কার : বীর শ্রেষ্ঠ।
০৬। বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ
জন্ম : ১ মে, ১৯৪৩। জন্মস্থান : জেলা: ফরিদপুর, উপজেলা: মধুখালী, গ্রাম: সালামতপুর। পড়াশোনা : ১৯৫৫ সালে তাঁর পিতার মৃত্যুর পর তিনি বেশিদূর লেখাপড়া করতে পারেন নি। সংসারের হাল ধরতে অষ্টম শ্রেণিতে লেখাপড়া ছেড়ে দিয়ে ১৯৬৩ সালের ৮ মে আব্দুর রউফ যোগ দেন ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলসে। পিতার নাম : মুন্সি মেহেদি হাসান ছিলেন স্থানীয় মসজিদের ইমাম। মাতার নাম : মুকিদুন্নেসা।
পদমর্যাদা : ল্যান্স নায়েক। সেক্টরঃ ১ নং। মৃত্যু : ৮ এপ্রিল, ১৯৭১ বুড়িঘাট, মহালছড়ি। পুরস্কার : বীর শ্রেষ্ঠ।
০৭। বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ
জন্ম : ২৬শে ফেব্রুয়ারি ১৯৩৬। জন্মস্থান : যশোর জেলার অর্ন্তঃগত নড়াইল মহকুমার মহিষখোলা গ্রামে।পড়াশোনা : স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের লেখাপড়া শেষ করে উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। সপ্তম শ্রেণীর পর আর পড়াশোনা করেননি।
পিতার নাম : মোহাম্মদ আমানত শেখ। মাতার নাম : জেন্নাতুন্নেসা। পদমর্যাদা : ল্যান্স নায়েক , কর্মস্থলঃ ইপিআর । সেক্টরঃ ৮ নং। মৃত্যু : ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ (বয়স ৩৫) গোয়ালহাটি, যশোর। পুরস্কার : বীর শ্রেষ্ঠ।
সাত বীরশ্রেষ্ঠ দের নাম মনে রাখার সহজ উপায়ঃ
★ সাত হাজার মোম আন ★
সাত= বীরশেষ্ঠ সাত জন
হা= হামিদুর রহমান
জা= জাহাঙ্গীর
র= রুহুল আমীন
মো= মোস্তফা কামাল
ম= মতিউর রহমান
আ= আঃ রউফ
ন= নূর মোহাম্মদ শেখ
বীরশ্রেষ্ঠদের পদবী এবং শহীদ হবার তারিখ
বীরশ্রেষ্ঠদের পদবী, সেক্টর এবং শহীদ হবার তারিখ
সাতজন বীরশ্রেষ্ঠের ছবি
সাতজন বীরশ্রেষ্ঠের ছবি
ধন্যবাদ!
উত্তরটি ভালো লেগে থাকলে পছন্দ করে রাখতে পারেন।
আপনার অভিমত কমেন্ট করে জানাতে পারেন।
বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন!
সংক্ষেপে দেখুন