সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
সমুদ্র
জীবন ধারণের জন্য পানির বিকল্প নেই। পৃথিবীপৃষ্ঠের ৭১ শতাংশই পানি। তবে এর মাত্র ৩ দশমিক ৫ শতাংশ পানযোগ্য। এই গ্রহের মোট পানির ৯৬ শতাংশেরও বেশি সমুদ্রের লবণাক্ত পানি। যাতে লবণের পরিমাণ এতটাই বেশি যে মানুষের পক্ষে পান করা সম্ভব নয়। লবণাক্ত পানি তৃষ্ণা নিবারণ করে না। খুব বেশি পান করলে ডিহাইড্রেশন হয়ে মৃতবিস্তারিত পড়ুন
জীবন ধারণের জন্য পানির বিকল্প নেই। পৃথিবীপৃষ্ঠের ৭১ শতাংশই পানি। তবে এর মাত্র ৩ দশমিক ৫ শতাংশ পানযোগ্য। এই গ্রহের মোট পানির ৯৬ শতাংশেরও বেশি সমুদ্রের লবণাক্ত পানি। যাতে লবণের পরিমাণ এতটাই বেশি যে মানুষের পক্ষে পান করা সম্ভব নয়। লবণাক্ত পানি তৃষ্ণা নিবারণ করে না। খুব বেশি পান করলে ডিহাইড্রেশন হয়ে মৃত্যুও হতে পারে। লবণাক্ত পানি পান করতে না পারার কারণ খুব সহজ।
আমাদের কিডনি পরিচানলায় সমস্যা সৃষ্টি করে এই লবণাক্ত পানি। কিডনি শরীরে লবণের মাত্রা ঠিক রাখে। আপনি যখন প্রচুর পরিমাণে লবণাক্ত পানি পান করবেন তখন কিডনির কাজও বেড়ে যাবে। যা আসলে ক্ষতিকারক। কিডনি প্রস্রাবের মাধ্যমে অতিরিক্ত পানি বের করে দেয়। লবণাক্ত পানি পান করলে কিডনি কাজ করা বন্ধ করে দেওয়ার মতো বিপদও ঘটতে পারে। ন্যাশনাল ওশেনিক অ্যান্ড অ্যাটমোস্ফিয়ারিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এনওএএ) তথ্যমতে যদি সমুদ্রের সমস্ত লবণ অপসারণ করে পৃথিবীর সকল স্থলভাগে ছড়িয়ে দেওয়া হয় তাহলে প্রায় ৫০০ ফুটের বেশি উঁচু লবণের স্তর হয়ে যাবে, যা একটি ৪০ তলা অফিস ভবনের সমান। তবে অনেক প্রাণী আছে যারা সমুদ্রের পানি পান করতে পারে।
অ্যালবাট্রস, গুল ও পেঙ্গুইনের মতো সামুদ্রিক পাখিগুলো লবণাক্ত পানি পান করে থাকে। কারণ অতিরিক্ত লবণ পরিশোধন করার জন্য তাদের বিশেষ লবণগ্রন্থি রয়েছে। এ ছাড়া তিমি, ডলফিন এবং সিলের মতো সামুদ্রিক প্রাণীরা এই পরিবেশের সাথে নিজেদের খাপ খাইয়ে নিয়েছে। আমেরিকান মিউজিয়াম অব ন্যাচারাল হিস্ট্রির স্যাকলার ইনস্টিটিউট ফর কম্পারেটিভ জিনোমিক্সের কিউরেটর রব ডিসাল বলেছেন, সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী প্রাণীরা বিশেষ এনজাইমের মাধ্যমে অতিরিক্ত লবণ শরীর থেকে বের করে দিতে পারে। যা একধরনের সুপার কিডনি।
সংক্ষেপে দেখুনসমুদ্র
জীবন ধারণের জন্য পানির বিকল্প নেই। পৃথিবীপৃষ্ঠের ৭১ শতাংশই পানি। তবে এর মাত্র ৩ দশমিক ৫ শতাংশ পানযোগ্য। এই গ্রহের মোট পানির ৯৬ শতাংশেরও বেশি সমুদ্রের লবণাক্ত পানি। যাতে লবণের পরিমাণ এতটাই বেশি যে মানুষের পক্ষে পান করা সম্ভব নয়। লবণাক্ত পানি তৃষ্ণা নিবারণ করে না। খুব বেশি পান করলে ডিহাইড্রেশন হয়ে মৃতবিস্তারিত পড়ুন
জীবন ধারণের জন্য পানির বিকল্প নেই। পৃথিবীপৃষ্ঠের ৭১ শতাংশই পানি। তবে এর মাত্র ৩ দশমিক ৫ শতাংশ পানযোগ্য। এই গ্রহের মোট পানির ৯৬ শতাংশেরও বেশি সমুদ্রের লবণাক্ত পানি। যাতে লবণের পরিমাণ এতটাই বেশি যে মানুষের পক্ষে পান করা সম্ভব নয়। লবণাক্ত পানি তৃষ্ণা নিবারণ করে না। খুব বেশি পান করলে ডিহাইড্রেশন হয়ে মৃত্যুও হতে পারে। লবণাক্ত পানি পান করতে না পারার কারণ খুব সহজ।
আমাদের কিডনি পরিচানলায় সমস্যা সৃষ্টি করে এই লবণাক্ত পানি। কিডনি শরীরে লবণের মাত্রা ঠিক রাখে। আপনি যখন প্রচুর পরিমাণে লবণাক্ত পানি পান করবেন তখন কিডনির কাজও বেড়ে যাবে। যা আসলে ক্ষতিকারক। কিডনি প্রস্রাবের মাধ্যমে অতিরিক্ত পানি বের করে দেয়। লবণাক্ত পানি পান করলে কিডনি কাজ করা বন্ধ করে দেওয়ার মতো বিপদও ঘটতে পারে। ন্যাশনাল ওশেনিক অ্যান্ড অ্যাটমোস্ফিয়ারিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এনওএএ) তথ্যমতে যদি সমুদ্রের সমস্ত লবণ অপসারণ করে পৃথিবীর সকল স্থলভাগে ছড়িয়ে দেওয়া হয় তাহলে প্রায় ৫০০ ফুটের বেশি উঁচু লবণের স্তর হয়ে যাবে, যা একটি ৪০ তলা অফিস ভবনের সমান। তবে অনেক প্রাণী আছে যারা সমুদ্রের পানি পান করতে পারে।
অ্যালবাট্রস, গুল ও পেঙ্গুইনের মতো সামুদ্রিক পাখিগুলো লবণাক্ত পানি পান করে থাকে। কারণ অতিরিক্ত লবণ পরিশোধন করার জন্য তাদের বিশেষ লবণগ্রন্থি রয়েছে। এ ছাড়া তিমি, ডলফিন এবং সিলের মতো সামুদ্রিক প্রাণীরা এই পরিবেশের সাথে নিজেদের খাপ খাইয়ে নিয়েছে। আমেরিকান মিউজিয়াম অব ন্যাচারাল হিস্ট্রির স্যাকলার ইনস্টিটিউট ফর কম্পারেটিভ জিনোমিক্সের কিউরেটর রব ডিসাল বলেছেন, সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী প্রাণীরা বিশেষ এনজাইমের মাধ্যমে অতিরিক্ত লবণ শরীর থেকে বের করে দিতে পারে। যা একধরনের সুপার কিডনি।
সংক্ষেপে দেখুনমরুভূমি
মরুভূমি হচ্ছে অত্যন্ত শুস্ক, বৃষ্টিবিরল ও অধিকাংশ ক্ষেত্রে বালি দিয়ে আবৃত অঞ্চল। মরুভূমি বসবাসের জন্য অত্যন্ত অনুপযোগী। মরুভূমির দিন ও রাতের তাপমাত্রার মধ্যে পার্থক্য অনেক বেশি হয়। দিনে তাপমাত্রা অনেক বৃদ্ধি পায় রাতে সেই তাপমাত্রা অনেক কমে যায়। একসময় মরুভূমিগুলোতে বড় বড় পাথরের অস্তিত্ব ছিল। দবিস্তারিত পড়ুন
মরুভূমি হচ্ছে অত্যন্ত শুস্ক, বৃষ্টিবিরল ও অধিকাংশ ক্ষেত্রে বালি দিয়ে আবৃত অঞ্চল। মরুভূমি বসবাসের জন্য অত্যন্ত অনুপযোগী। মরুভূমির দিন ও রাতের তাপমাত্রার মধ্যে পার্থক্য অনেক বেশি হয়। দিনে তাপমাত্রা অনেক বৃদ্ধি পায় রাতে সেই তাপমাত্রা অনেক কমে যায়। একসময় মরুভূমিগুলোতে বড় বড় পাথরের অস্তিত্ব ছিল। দিন ও রাতের মধ্যে তাপমাত্রার এই ব্যাপক তারতম্যের ফলে এসব পাথর প্রতিদিনই সংকোচন ও প্রসারিত হতে থাকে এবং গায়ে ফাটল দেখা দেয়। লক্ষ লক্ষ বছর ধরে এই প্রক্রিয়া চলতে থাকলে বড় পাথরখন্ডগুলো আস্তে আস্তে ভেঙে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত হয়ে বালুকণার আকার ধারণ করে।
সংক্ষেপে দেখুনসাহারা মরুভূমি হল পৃথিবীর বৃহত্তম মরু এলাকা।
গাড়ি স্টার্ট না হলে কি কি চেক করবেন❓❓
১। সর্ব প্রথম দেখবেন ক্লাস্টার মিটার বা ডিসপ্লেতে কোনো Warning সাইন আছে কিনা। ২।গাড়িতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ফুয়েল আছে কিনা তা চেক করুন। ৩। ইঞ্জিন হুডটি খুলে সবকিছুর উপর একবার নজর দিয়ে দেখবেন সব সংযোগ ঠিক আছে কিনা। ৪।ফিউজ বক্স খুলে সবগুলো ফিউজ ভালোভাবে লাগানো আছে কিনা চেক করুন। ৫।প্রয়োজনে রিলে টি খুলে আববিস্তারিত পড়ুন
১। সর্ব প্রথম দেখবেন ক্লাস্টার মিটার বা ডিসপ্লেতে কোনো Warning সাইন আছে কিনা।
সংক্ষেপে দেখুন২।গাড়িতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ফুয়েল আছে কিনা তা চেক করুন।
৩। ইঞ্জিন হুডটি খুলে সবকিছুর উপর একবার নজর দিয়ে দেখবেন সব সংযোগ ঠিক আছে কিনা।
৪।ফিউজ বক্স খুলে সবগুলো ফিউজ ভালোভাবে লাগানো আছে কিনা চেক করুন।
৫।প্রয়োজনে রিলে টি খুলে আবার লাগান।
৬। যদি ব্যাটারির ডাউন হয়ে যায় তবে জাম্প স্টার্ট দিতে হবে। বর্তমানে কিছু পাওয়ার ব্যাংক পাওয়া যায় তা কিনে গাড়িতে রাখতে পারেন।
৭। যেসব গাড়িতে সেল্ফ স্টার্টার আছে সেটির উপর গাড়িতে থাকা হুইল লিভার দিয়ে হালকা বাড়ি দিয়ে দেখতে পারেন। প্রধানত শীতকালে সেল্ফ স্টার্টার বসে যায় বা অনেক দিন গাড়ি স্টার্ট না দিলে হয়।
৮। সর্বদা গাড়ির চেক-আপ করুন যাতে রাস্তায় আপনাকে সমস্যার সম্মুখীন না হতে হয়।
সাইলেন্ট করা মোবাইল হারিয়ে ফেললে কীভাবে তা খুঁজে পাবেন?
১. প্রথমে অন্য কোনও মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে গুগল-এর ওয়েবসাইটে যান। ২. সেখানে সার্চ বারে লিখুন ‘ফাইন্ড মাই ফোন’। ৩. তারপর গুগল অ্যাকাউন্ট বা জিমেইল অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করুন। ৪. নিজের মোবাইলের লোকেশন দেখতে পাবেন গুগল-এ। ৫. এরপর আপনার সামনে অপশন আসবে, যেটির মাধ্যমে আপনি আপনার ফোনের অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসবিস্তারিত পড়ুন
১. প্রথমে অন্য কোনও মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে গুগল-এর ওয়েবসাইটে যান।
সংক্ষেপে দেখুন২. সেখানে সার্চ বারে লিখুন ‘ফাইন্ড মাই ফোন’।
৩. তারপর গুগল অ্যাকাউন্ট বা জিমেইল অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করুন।
৪. নিজের মোবাইলের লোকেশন দেখতে পাবেন গুগল-এ।
৫. এরপর আপনার সামনে অপশন আসবে, যেটির মাধ্যমে আপনি আপনার ফোনের অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস ম্যানেজারটি ‘অন’ করে দিতে পারবেন।
৬. এবার ‘রিং’ অপশনটিকে সিলেক্ট করুন।
৭. আপনার ফোন সাইলেন্ট মোডে থাকলেও সেটি ফুল ভলিউমে রিং হতে শুরু করবে এবং যতক্ষণ না আপনি ফোনটিকে খুঁজে বের করে তার পাওয়ার বাটনটি চেপে ধরছেন, ততক্ষণ ফোন রিং হতেই থাকবে। এবার সেই আওয়াজ অনুসরণ করে ফোনটিকে খুঁজে বের করা কোনও ব্যাপারই নয়।
আব্রাহাম লিংকন( Abraham Lincoln) আর জন এফ. কেনেডি( John F. Kennedy) মধ্যে অদ্ভুদ মিল কোথায়?
আব্রাহাম লিংকন কনগ্রেসে মনোনীত হয় ১৮৪৬ সালে জন কেনেডি কনগ্রেসে মনোনীত হয় ১৯৪৬ সালে °°° আব্রাহাম লিংকন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয় ১৮৬০ সালে জন কেনেডি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয় ১৯৬০ সালে °°° দু'জনেই বিশেষভাবে গণঅধিকার নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন °°° দু'জনের স্ত্রী হোয়াইট হাউজে থাকাকালীন তাদের একটি সন্তান হারান °বিস্তারিত পড়ুন
আব্রাহাম লিংকন কনগ্রেসে মনোনীত হয় ১৮৪৬ সালে
জন কেনেডি কনগ্রেসে মনোনীত হয় ১৯৪৬ সালে
°°°
আব্রাহাম লিংকন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয় ১৮৬০ সালে
জন কেনেডি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয় ১৯৬০ সালে
°°°
দু’জনেই বিশেষভাবে গণঅধিকার নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন
°°°
দু’জনের স্ত্রী হোয়াইট হাউজে থাকাকালীন তাদের একটি সন্তান হারান
°°°
দু’জনেই শুক্রবারে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন
°°°
দু’জনেরই মাথায় গুলি লেগেছিল।
এখন নিশ্চয় ব্যাপারটা ভূতুড়ে ঠেকছে
লিংকনের সেক্রেটারির নাম ছিল কেনেডি
কেনেডির সেক্রেটারির নাম ছিল লিংকন
°°°
দু’জনেই দক্ষিণাঁচলবাসী কর্তৃক গুপ্তহত্যার স্বীকার
দু’জনের উত্তরাধিকারীই ছিলেন দক্ষিণাঁচলবাসী
°°°
দু’জন প্রেসিডেন্টের উত্তরাধিকারীর নাম-ই ছিল জন্সন্(Johnson)
°°°
লিংকনের উত্তরাধিকারী Andrew Johnson জন্মগ্রহণ করেছিলেন ১৮০৮ সালে
কেনেডির উত্তরাধিকারী Lyndon Johnson জন্মগ্রহণ করেছিলেন ১৯০৮ সালে
°°°
লিংকনের গুপ্তঘাতক John Wilkes Booth জন্মগ্রহণ করেছিলেন ১৮৩৯ সালে
কেনেডির গুপ্তঘাতক Lee Harvey Oswald জন্মগ্রহণ করেছিলেন ১৯৩৯ সালে
°°°
দু’জন গুপ্তঘাতক তাদের নামের তিনটি অংশ দ্বারা-ই পরিচিত ছিল
দু’জনের নামের বর্ণের সংখ্যাই ১৫ টি
না, না, উঠবেন না। বসুন,আরো আছে…
লিংকন যে থিয়েটারে গুলিবিদ্ধ হয়েছিল সেটার নাম “Ford”
কেনেডি যে গাড়িতে চলাকালীন গুলিবিদ্ধ হয়েছিল সেই গাড়ির নাম “Lincoln” যা “Ford” কোম্পানি কর্তৃক তৈরি
°°°
Booth ( লিংকনের গুপ্তঘাতক)-কে গুলি করা হয় এবং ট্রায়ালের আগেই পুলিশ কাস্টাডি মারা যায়
Oswald ( কেনেডির গুপ্তঘাতক)-কেও গুলি করা হয় এবং ট্রায়ালের আগেই পুলিশ কাস্টাডি মারা যায়
°°°
লিংকনের দুই ছেলে ছিল; রবার্ট এবং এডওয়ার্ড। এডওয়ার্ড ছোটবেলায় মারা যায়; রবার্ট বাঁচে
কেনেডির দুই ভাই ছিল; রবার্ট এবং এডওয়ার্ড। রবার্ট ছোটবেলায় মারা যায়; এডওয়ার্ড বাঁচে
°°°
লিংকন গুলিবিদ্ধ হওয়ার এক সপ্তাহ আগে Monroe,Maryland-এ ছিলেন
কেনেডি গুলিবিদ্ধ হওয়ার এক সপ্তাহ আগে Marilyn Monroe -এর সাথে ছিলেন
লিংকন থিয়েটার গুলিবিদ্ধ হয় এবং গুপ্তঘাতক একটি গুদামঘরে পলায়ন করে
কেনেডিকে গুদামঘর থেকে গুলি করা হয় এবং গুপ্তঘাতক থিয়েটারে পলায়ন করে
তাহলে? কী মনে হচ্ছে আপনার?
এটা শুধু একটা কাকতালীয় ব্যাপার?
সংক্ষেপে দেখুননাকি অন্যকিছু!?
ইংরেজি ভাষায় সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত অক্ষর কোনটি?
E
E
সংক্ষেপে দেখুনইংরেজি ভাষার সবচেয়ে দীর্ঘতম শব্দ কোনটি?
Pneumonoultramicroscopicsilicovolcanoconiosis
Pneumonoultramicroscopicsilicovolcanoconiosis
সংক্ষেপে দেখুনপ্যানগিয়া আর প্যানথ্যালাসা কি?
৩০০ মিলিয়ন বছর আগে বর্তমান কালের মতো সাতটি মহাদেশ উপস্থিত ছিল না । তখন ছিল একটি ,'সুপার কন্টিনেন্ট 'যা ছিল বিশাল আকারের এবং তার নাম ছিল "প্যানগিয়া' আর সেটি একটি একক সমুদ্র দ্বারা বেষ্টিত ছিল যার নাম 'প্যানথ্যালাসা'।
৩০০ মিলিয়ন বছর আগে বর্তমান কালের মতো সাতটি মহাদেশ উপস্থিত ছিল না । তখন ছিল একটি ,’সুপার কন্টিনেন্ট ‘যা ছিল বিশাল আকারের এবং তার নাম ছিল “প্যানগিয়া’ আর সেটি একটি একক সমুদ্র দ্বারা বেষ্টিত ছিল যার নাম ‘প্যানথ্যালাসা’।
সংক্ষেপে দেখুনপৃথিবীর গভীরতম ডাকবাক্সটি কোথায় অবস্থিত?
জাপান দেশের সুসামি খাঁড়িতে অবস্থিত এবং এই ডাকবাক্সটি জলের দশ মিটার অতলে রয়েছে।
জাপান দেশের সুসামি খাঁড়িতে অবস্থিত এবং এই ডাকবাক্সটি জলের দশ মিটার অতলে রয়েছে।
সংক্ষেপে দেখুন২০১৮ সালের ক্যালেন্ডারটি আরও কয় বছর ব্যবহার করতে পারবেন?
3 বছর আর সেই বছরগুলি হল ২০২৯, ২০৩৫ এবং ২০৪৫।
3 বছর আর সেই বছরগুলি হল ২০২৯, ২০৩৫ এবং ২০৪৫।
সংক্ষেপে দেখুনগ্রীক এবং রোমানরা স্কিনকেয়ার হিসাবে ব্যবহার করত কি জানেন ?
গ্রীক এবং রোমানরা কুমিরের গোবর স্কিনকেয়ার হিসাবে ব্যবহার করত
গ্রীক এবং রোমানরা কুমিরের গোবর স্কিনকেয়ার হিসাবে ব্যবহার করত
সংক্ষেপে দেখুনমানুষের বয়স বাড়ার সাথে সাথে তার দেহের কোন রঙটি হালকা হতে থাকে?
মানুষের বয়স বাড়ার সাথে সাথে তার চোখের রঙ হালকা হতে থাকে
মানুষের বয়স বাড়ার সাথে সাথে তার চোখের রঙ হালকা হতে থাকে
সংক্ষেপে দেখুনপ্রসাধনী সামগ্রীর অন্যতম জনপ্রিয় লিপস্টিক তৈরী হয় কি দিয়ে ?
বেশির ভাগই উৎপাদন হয় মাছের আঁশ দিয়ে
বেশির ভাগই উৎপাদন হয় মাছের আঁশ দিয়ে
সংক্ষেপে দেখুনকলা খেয়ে মশা আছে এমন জায়গায় বসলে কি হবে জানেন?
জানলে অবাক হবেন ;তবে তথ্যটি সত্য! যে সবে মাত্র কলা খায় তার প্রতি মশার আকর্ষণ বেশী থাকে।
জানলে অবাক হবেন ;তবে তথ্যটি সত্য! যে সবে মাত্র কলা খায় তার প্রতি মশার আকর্ষণ বেশী থাকে।
সংক্ষেপে দেখুনড্রাগন ট্রায়াঙ্গেল (Dragon Triangle)
এটি জাপানের দক্ষিণে টোকিও থেকে ১০০ কি.মি দূরে এই রহস্যময় স্থান অবস্থিত। সে সময়ে বেশকিছু বড় বড় জাহাজ এ অঞ্চলের কাছে আসতেই অদৃশ্য হয়ে যায়। ১৯৫০ থেকে ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত প্রশান্ত মহাসাগরে সব মিলিয়ে ৯টি জাহাজ হারিয়ে যায়। অথচ সব ক’টি জাহাজেই রেডিও ট্রান্সমিটার ছিল। কিন্তু কোনোটা থেকেই কোনো রকম বার্তা আসেনি।বিস্তারিত পড়ুন
এটি জাপানের দক্ষিণে টোকিও থেকে ১০০ কি.মি দূরে এই রহস্যময় স্থান অবস্থিত। সে সময়ে বেশকিছু বড় বড় জাহাজ এ অঞ্চলের কাছে আসতেই অদৃশ্য হয়ে যায়। ১৯৫০ থেকে ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত প্রশান্ত মহাসাগরে সব মিলিয়ে ৯টি জাহাজ হারিয়ে যায়। অথচ সব ক’টি জাহাজেই রেডিও ট্রান্সমিটার ছিল। কিন্তু কোনোটা থেকেই কোনো রকম বার্তা আসেনি। জাপান সরকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কাইয়ো মারু নামের একটি জাহাজ পাঠায় ওই অঞ্চলে,সেখানে নাকি বিজ্ঞানীরাও ছিলেন। কিন্তু সেটিও আর ফিরে আসেনি, অনেকটা বারমুড়ার নাইটিন ফ্লাইটের মতই। অনেক পরে সেই জাহাজের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু জাহাজে থাকা ৩১ জন নাবিকের কোনো সন্ধান মেলেনি। কী কারণে ওই অঞ্চলে জাহাজ বা বিমান অদৃশ্য হয়, তা অবশ্য সঠিকভাবে জানা যায়নি আজও। তবে তড়িচ্চৌম্বকীয় তরঙ্গের তত্ত্বই এখনো পর্যন্ত জোরালো। যা বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের ক্ষেত্রেও বলা হয়ে থাকে। পাশাপাশি নানা মিথ তৈরির পেছনে আসল ঘটনা ঢাকা পড়ে যায়, যার কারণে প্রকৃত কারণ মানুশষ বিশ্বাস করতে ইচ্ছুক নয়। সেই পঞ্চাশের দশক থেকেই নাকি এখানে অসংখ্য জাহাজ উধাও হয়ে গেছে। খোঁজ করতে গিয়েও নাকি ফিরে আসেননি কেউ। তাই এ অঞ্চলকে এশিয়ার বারমুডা ট্রায়াঙ্গলও বলা হয়ে থাকে। স্বাভাবিকভাবেই ঘটনাগুলোর পর থেকে জায়গাটি ঘিরে আতঙ্কের রেশ ক্রমে বাড়তে থাকে। পাশাপাশি শুরু হয় ড্রাগন ট্রায়াঙ্গেলর ভুতুড়ে কাণ্ডের ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা। কেউ বলেছেন, তড়িচ্চৌম্বকীয় তরঙ্গের কথা। কেউ কেউ আবার সময় ভ্রমণের তত্ত্ব হাজির করে ওই অঞ্চলে টাইম লুপ খুঁজে পেয়েছেন। জাপানের রাজধানী টোকিও থেকে ১০০ কিমি দূরে মিয়াকের কাছেই নাকি আজব সব ঘটনা ঘটে। সেই পঞ্চাশের দশক থেকেই নাকি এখানে অসংখ্য জাহাজ উধাও হয়ে গেছে। খোঁজ করতে গিয়েও আর নাকি ফিরে আসেননি কেউ। তাই এশিয়ার বারমুডা ট্রায়াঙ্গলও বলা হয়ে থাকে জাপানের এই ডেভিল সি-কে। জাপান ও ফিলিপিন্সের সীমান্তে জাপানের ইয়োকাহামা থেকে ফিলিপিন্সের গুয়াম পর্যন্ত, গুয়াম থেকে মারিয়ানা, আবার সেখান থেকে ইয়োকাহামা পর্যন্ত এই -মা নো উমি- বা ডেভিল সি-র ড্রাগন ট্রায়াঙ্গলে নাকি অশুভ আত্মারা রয়েছে, অনেকেই এমনটা বলে থাকেন। ১৯৫২-১৯৫৪ সালে নাকি পরপর বেশ কয়েকটি জাহাজ হারিয়ে যাওয়ার সময় প্রায় ৭০০ জন সেনাও গায়েব হয়ে যান। কারও নাকি আর খোঁজই মেলেনি। এ ছাড়া দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ও নাকি ৫০০টি বিমান, ১০টি যুদ্ধজাহাজ, ১০টি নৌ-যান ওই এলাকাতেই ধ্বংস হয় বা হারিয়ে যায়। আবহাওয়া একেবারেই প্রতিকূল ছিল না, তাও নাকি ওই এলাকার আশপাশে এলেই জাহাজ নিখোঁজ হয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু রেডিও সিগন্যালে নাকি বার্তা পাওয়া যায়নি। -এর রহস্য নিয়ে চলেছে বিস্তর আলোচনা। নানা ব্যাখ্যা। পক্ষে-বিপক্ষে রয়েছে নানা যুক্তি। ৩১ জন বিজ্ঞানীর খোঁজ না মেলার কথা রটে যাওয়ার পর থেকেই অনেকেই বলতে থাকেন সমুদ্রের তলদেশে নাকি ড্রাগন রয়েছে। সেই থেকে নাম ড্রাগন ট্রায়াঙ্গল। তবে ঠিক কবে থেকে ডেভিল সি-র এই অংশকে ড্রাগনস ট্রায়াঙ্গল বলা শুরু হল, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। ১৯৫২-৫৪ সাল নাগাদ নাকি পরপর বেশ কয়েকটি জাহাজ হারিয়ে যায়। এ সময় প্রায় ৭০০ সৈন্যও গায়েব হয়ে যান। কারও নাকি আর খোঁজই মেলেনি। এ ছাড়া দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ও নাকি ৫০০টি বিমান, ১০টি যুদ্ধজাহাজ, ১০টি নৌযান ওই এলাকায়ই ধ্বংস হয় বা হারিয়ে যায়। রহস্য সন্ধানে কায়ো মারু নামে একটি জাহাজ পাঠিয়েছিল জাপান। সেখানে নাকি বিজ্ঞানীরাও ছিলেন। কিন্তু রহস্যভেদ করতে গিয়েও তারাও আর ফিরে আসেননি। ড্রাগন ট্রায়াঙ্গল – এর রহস্য নিয়ে চলেছে বিস্তর আলোচনা, নানা ব্যাখ্যা। পক্ষে-বিপক্ষে রয়েছে নানা যুক্তি। ৩১ জন বিজ্ঞানীর খোঁজ না মেলার কথা রটে যাওয়ার পর থেকে অনেকেই বলতে থাকেন, সমুদ্রের তলদেশে নাকি ড্রাগন রয়েছে। সেই থেকে নাম ড্রাগন ট্রায়াঙ্গল।এমনটাও বলা হয়, কুবলাই খাঁ নাকি ১২০০ সালে ওই এলাকা দিয়ে জাহাজ নিয়ে যাচ্ছিলেন, তারপর নাকি জাহাজের ৪০ হাজার আরোহী সমুদ্রেই নিখোঁজ হয়ে যায়। ১৮০০ সালে এক রহস্যময়ী নারীকে নাকি ওই এলাকায় জাহাজ চালিয়ে নিয়ে যেতে দেখা গেছে। এরপর আরও নানা মিথ রটতে থাকে কয়েক দশক ধরে। ১৯৮৯ সালে চার্লস বার্লিৎজ নামে এক লেখক দ্য ড্রাগনস ট্রায়াঙ্গল বইয়ে লেখেন পঞ্চাশের দশকে জাহাজডুবি ও সেনা নিখোঁজের কথা। ১৯৯৫ সালে ল্যারি কুশে নামে এক লেখক বলেন, কায়ো মারু ১৯৫২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর ধ্বংস হয়। পরে ধ্বংসাবশেষ মিলেছিল। ল্যারিই বলেন, এই অঞ্চলে মৎস্যজীবীদের নৌকা নিখোঁজ হয়েছিল, জাহাজ নয়। ল্যারি বলেন, অগ্ন্যুৎপাত ছাড়াও ভূমিকম্পের প্রবণতাও রয়েছে এই সব এলাকায়। সব মিলেই অশুভ আত্মার কথা রটে গিয়েছিল। আর ছোট মাছ ধরার নৌকা গভীর সমুদ্রে হারিয়ে যাওয়ার ঘটনা খুবই স্বাভাবিক। ইভান টি স্যান্ডারসন বলেন, এটি বিশ্বের ১২টি ভাইল ভর্টেক্সের অন্যতম। ১৯৭২ সালে লন্ডনের সাগা ম্যাগাজিনে প্রকাশিত দ্য টুয়েলভ ডেভিলস গ্রেভ ইয়ার্ডস অ্যারাউন্ড দ্য ওয়ার্ল্ড বলছে, পৃথিবীতে মোট ১২টি জায়গায় তীব্র চৌম্বকীয় আকর্ষণ অনুভূত হয়। আর ডেভিলস সি ড্রাগন ট্রায়াঙ্গলও তাই। সায়েন্টিফিক আমেরিকানের তথ্য অনুযায়ী, ড্রাগন ট্রায়াঙ্গলের এই স্থানটিতে প্রায় ৩৭ হাজার মাইল এলাকা জুড়ে গভীর সামুদ্রিক খাদ রয়েছে এবং এখানে প্রচুর পরিমাণে গরম লাভা ও কার্বন ডাই অক্সাইড রয়েছে। এছাড়াও ৫০-এর দশকে রেডিও সিগন্যাল ব্যবস্থা শক্তিশালী ছিল না। তাই ওই ঘটনাগুলো রটে যায়। [নোটঃ ল্যারিই, ইভানের মতই আরো কিছু বিজ্ঞানী আছেন যারা পৃথিবীকেও প্ল্যাট মনে করেন, উল্লেখ্য যে ঐ খানে হারিয়ে যাওয়া সৈন্যবহর, জাহাজ, বিমান ইত্যাদির কথা উপেক্ষা করে তিনি কিছু তুচ্ছ ঘটনাকে ব্যাখা করেছেন যা মোটেই ডেভিল-সির সাথে সামঞ্জস্য নয়]। তবে বারমুডা ট্রায়াঙ্গলের মতো ড্রাগন ট্রায়াঙ্গল নিয়ে বিপরীত মতও রয়েছে। যারা ভিন্নমত পোষণ করেন তাদের দাবি এগুলো আসলে কাল্পনিক। যদিও সব ঘটনার ব্যাখ্যা এখনও মেলেনি, তবুও ড্রাগনস ট্রায়াঙ্গল নিয়ে তৈরি নানা মিথের সদুত্তর এ বার পাওয়া যাবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
সংক্ষেপে দেখুনশয়তানদের পাহাড়
শয়তানদের পাহাড় বা ডেভিলস টাওয়ার হ’ল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম জাতীয় স্মৃতিসৌধ , যা 24 সেপ্টেম্বর 1906 সালে রাষ্ট্রপতি থিওডোর রুজভেল্ট দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল । ক্রুক কাউন্টি, ওয়াইমিং , মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র । শয়তানদের পাহাড় (Devils Tower) ল্যাকোলিথ আগ্নের শিলা দ্বারা গঠিত
শয়তানদের পাহাড় বা ডেভিলস টাওয়ার হ’ল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম জাতীয় স্মৃতিসৌধ , যা 24 সেপ্টেম্বর 1906 সালে রাষ্ট্রপতি থিওডোর রুজভেল্ট দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল । ক্রুক কাউন্টি, ওয়াইমিং , মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র । শয়তানদের পাহাড় (Devils Tower) ল্যাকোলিথ আগ্নের শিলা দ্বারা গঠিত
সংক্ষেপে দেখুনকারোশী
কারোশী একটি জাপানী শব্দ। এর মানে অতিরিক্ত কাজের চাপে মৃত্যু। জাপানে প্রতিবছর গড়ে প্রায় 10,000 মানুষের অতিরিক্ত কাজের চাপের কারনে মৃত্যু ঘটে। ডাক্তারী রিপোর্টে তাদের মৃত্যুর কারন হিসেবে লিখা হয় কারোশী।
কারোশী একটি জাপানী শব্দ। এর মানে অতিরিক্ত কাজের চাপে মৃত্যু। জাপানে প্রতিবছর গড়ে প্রায় 10,000 মানুষের অতিরিক্ত কাজের চাপের কারনে মৃত্যু ঘটে। ডাক্তারী রিপোর্টে তাদের মৃত্যুর কারন হিসেবে লিখা হয় কারোশী।
সংক্ষেপে দেখুনহেলথ ইঞ্জিনিয়ার কি?
জাপানের আবর্জনা ক্লিনারদের বলে হেলথ ইঞ্জিনিয়ার
জাপানের আবর্জনা ক্লিনারদের বলে
হেলথ ইঞ্জিনিয়ার
সংক্ষেপে দেখুনজাপান কয়টি দ্বীপ এর সমন্বয়ে গঠিত?
প্রধান 4 টি আর 6,800 ছোট ছোট দ্বীপের স্বমন্বয়ে গঠিত জাপান।
প্রধান 4 টি আর 6,800 ছোট ছোট দ্বীপের স্বমন্বয়ে গঠিত জাপান।
সংক্ষেপে দেখুন