সাইন আপ করুন সাইন আপ করুন

সাইন আপ করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে


আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

লগ ইন করুন লগ ইন করুন

লগিন করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

কোন একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন

রিসেট পাসওয়ার্ড

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।

আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে।

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?

সাইন ইনসাইন আপ

AddaBuzz.net

AddaBuzz.net Logo AddaBuzz.net Logo

AddaBuzz.net Navigation

  • হোমপেজ
  • ব্লগ
  • ইউজার
  • যোগাযোগ
সার্চ করুন
একটি প্রশ্ন করুন

Mobile menu

Close
একটি প্রশ্ন করুন
  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

Khandaker Ashaduzzaman

সবজান্তা
প্রশ্ন করুন Khandaker Ashaduzzaman
328 বার প্রদর্শিত
3 ফলোয়ার
919 প্রশ্ন
হোমপেজ/ Khandaker Ashaduzzaman/উত্তর
অ্যাপ ইন্সটল করুন
  • সম্পর্কিত
  • প্রশ্ন
  • উত্তর
  • অনুরোধের প্রশ্ন
  • সেরা উত্তর
  • পছন্দ তালিকা
  • ফলোকৃত প্রশ্ন
  • ফলোয়ার
  • ফলো করছেন
  • জরিপ
  • ব্লগ
  • ব্লগ মন্তব্য
  • ফলোকৃতদের প্রশ্ন
  • ফলোকৃতদের উত্তর
  • ফলোয়ারদের ব্লগ
  • ফলোকৃত/ফলোয়ারদের ব্লগ মন্তব্য
  1. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

    জাফরান খাওয়ার নিয়ম, বাংলাদেশে জাফরান এর দাম এবং জাফরান তেল ব্যবহারের নিয়ম

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    জাফরান কি ভাতের মতো খাওয়া শুরু করবেন? জি না, জাফরান খাওয়ার কিছু নিয়ম রয়েছে। চলুন জাফরান খাওয়ার নিয়মগুলো জেনে নেওয়া যাক জাফরান খাওয়ার সবচেয়ে উত্তম সময় হচ্ছে রাত। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে দুধের সাথে মিশিয়ে পান করুন। অবশ্যই অরিজিনাল জাফরান থেতে হবে। ১ কাপ খাঁটি গরুর দুধ, অবশ্যই গুড়ো দুধ নয়। ১ চিমটি জাফরাবিস্তারিত পড়ুন

    জাফরান কি ভাতের মতো খাওয়া শুরু করবেন? জি না, জাফরান খাওয়ার কিছু নিয়ম রয়েছে। চলুন জাফরান খাওয়ার নিয়মগুলো জেনে নেওয়া যাক জাফরান খাওয়ার সবচেয়ে উত্তম সময় হচ্ছে রাত। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে দুধের সাথে মিশিয়ে পান করুন। অবশ্যই অরিজিনাল জাফরান থেতে হবে। ১ কাপ খাঁটি গরুর দুধ, অবশ্যই গুড়ো দুধ নয়। ১ চিমটি জাফরান, ১ চামচ কিসমিস বাটা বা আস্ত কিসমিস, এবং ১ চা চামচ অরগানিক বা খাঁটি মধু।

    আগে ভালো ভাবে দুধ ফুটিয়ে নিন। ফুটানো দুধের সাথে জাফরান দিয়ে ২-৩ মিনিট ফুটিয়ে চুলা বন্ধ করে দিন। এর মধ্যে বাটা বা আস্ত কিসমিস দিয়ে দিন। এরপর ঢাকনা দিয়ে ৫ মিনিট রেখে দিন। কুসুম গরম দুধের সাথে ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে ধীরে ধীরে পান করুন। অবশ্যই দুধ ঠাণ্ডা হওয়ার আগে পান করুন। স্বাস্থের জন্য ভাল।

    জাফরান কি ভাতের মতো খাওয়া শুরু করবেন? জি না, জাফরান খাওয়ার কিছু নিয়ম রয়েছে। চলুন জাফরান খাওয়ার নিয়মগুলো জেনে নেওয়া যাক জাফরান খাওয়ার সবচেয়ে উত্তম সময় হচ্ছে রাত। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে দুধের সাথে মিশিয়ে পান করুন। অবশ্যই অরিজিনাল জাফরান থেতে হবে। ১ কাপ খাঁটি গরুর দুধ, অবশ্যই গুড়ো দুধ নয়। ১ চিমটি জাফরান, ১ চামচ কিসমিস বাটা বা আস্ত কিসমিস, এবং ১ চা চামচ অরগানিক বা খাঁটি মধু।

    আগে ভালো ভাবে দুধ ফুটিয়ে নিন। ফুটানো দুধের সাথে জাফরান দিয়ে ২-৩ মিনিট ফুটিয়ে চুলা বন্ধ করে দিন। এর মধ্যে বাটা বা আস্ত কিসমিস দিয়ে দিন। এরপর ঢাকনা দিয়ে ৫ মিনিট রেখে দিন। কুসুম গরম দুধের সাথে ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে ধীরে ধীরে পান করুন। অবশ্যই দুধ ঠাণ্ডা হওয়ার আগে পান করুন। স্বাস্থের জন্য ভাল।

    এক কাপ দুধে এক চিমটি জাফরান এবং ২ চামচ চিনি মিশিয়ে ভালো করে ফুটিয়ে নিন। আপনার প্রতিদিনের রুটিনে রাখুন জাফরান দুধ চা, এটি স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। জাফরান ঘণ কমলা রঙের জলে মিশে যায় এমন এক ধরনের ক্যারোটিন থাকে, যাকে ক্রোসিন বলা হয়। এই ক্রোসিনের জন্যই খাবারে জাফরান ব্যবহার করলে একটা উজ্জ্বল সোনালি রং হয় খাবারে।

    বাংলাদেশের সব মানুষ জাফরান ব্যবহার করে না বা তারা জাফরানের ব্যবহার সম্পর্কে জানে না। ১ গ্রাম জাফরানের দাম বাংলাদেশে ৩০০ টাকা। ১ গ্রাম জাফরানের জন্য ১৫০টি ফুল দরকার। প্রতি কেজি ফুল থেকে মাত্র ৭২ গ্রাম জাফরান পাওয়া যায়। ১ কেজি জাফরানের জন্য প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার ফুলের প্রয়োজন হয়। আপনারা ৫০০ গ্রাম জাফরান কিনতে পারবেন ১৫০০০০ টাকা দিয়ে। ১০০ গ্রাম জাফরান বিক্রি করা হয় ৩০,০০০ টাকায়। জাফরানের দাম অনেক বেশি। তাই এটি গ্রাম আকারে বিক্রি করা হয়। খুব কম মানুষ কেজিতে জাফরান কিনে থাকে। ১ কেজি জাফরানের দাম ৩০০০০০ টাকা। এটি বাংলাদেশি মূল্য। এছাড়া জাফরানের গুনগত মানের উপর ভিত্তি করে এর দাম নির্ধারন করা হয়। সাধারণ মানের প্রতি কেজি জাফরানের মূল্য ২৫০০০০ টাকা পর্যন্ত। অনেক জাফরান ২২০০০০ টাকায় কিনতে পাওয়া যায়। যদি অরজিনাল জাফরান কিনতে চান, তাহলে এর দাম নিবে ৩ লাখ টাকা।

    * উপকারিতা

    জাফরানের যেমন দাম তেমনি এর উপকারিতা। এই মশলাটির রয়েছে বহুমাত্রিক গুণাবলি ও উপকারিতা। এক নজরে জাফরানের উপকারিতাগুলো জেনে নেওয়া যাক মুল্যবান এই মশলাটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ম্যাঙ্গানিজ, কপার, আয়রন, ভিটামিন সি সহ ১৫০ টি উপাদান যা কিনা মানব শরীরের অনেক উপকারে আসে।জাফরানে রয়েছে ক্রোসিন যা কিনা শুধুমাত্র খাবারের রংই পরিবর্তন করে না। এই ক্রোসিন মানব শরীরের বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারের কোষ যেমন- ওভারিয়ান, কাসিনোমা, লিউকেময়া প্রভৃতি ধবংস করতে সহয়তা করে থাকে। আর জাফরানে এক প্রকার ক্যারোটিন থাকে যা কে ক্রোসিন বলা হয়ে থাকে।

     

    * স্মৃতিশক্তি

    স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে জাফরানের রয়েছে দারুন কার্যকরিতা। সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় উঠে এসেছে জাফরান মানুষের স্মৃতি শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। আর অনেক আগে থেকেই স্মৃতিশক্তি এবং পারকিনসন হাড়িয়ে যাওয়া লোকদের চিকিৎসায় জাপানে জাফরান ব্যবহারের প্রচলন রয়েছে।স্মৃতিশক্তি বাড়াতে জাফরান এর বিশ্বজোড়া খ্যাতি রয়ছে।

     ভাইটালিটি

    ভাইটালিটি বাড়াতে জাফরান ও দুধ পান করা যেতে পারে। খুবই উপকারি এটি। প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস পরিমান দুধ ও এক চিমটে পরিমান জাফরান মিশিয়ে পান করুন আপনার শরীরের ভাইটালিটি বেড়ে যাবে।

     

    * শারীরিক উন্নতি

    যেসকল মেয়েদের দেখতে দেখলে রোগা রোগা লাগে ওই সকল মেয়েদের জন্য জাফরান খুবই কার্যকরি । তারা প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক চামচ দুধ+জাফরান মিশিয়ে খেতে পারেন। এটি আপনার শরীরে হরমোন উদ্দীপ্ত করে তুলবে। এবং নিয়মিত পান করলে বেশ কিছু দিনের মধ্যেই এর কার্যকরীতা আপনি নিজেই টের পাবেন।

    * গর্ভাবস্থায় জাফরান

    গর্ভবতী নারীদের জাফরান খাওয়ার প্রচলন অনেক আগে থেকেই। গর্ভবতী মায়েদের গর্ভকালীন নানা সমস্যা ও রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। চলুন গর্ভাবস্থায় জাফরান খাওয়ার উপকারিতা কি জেনে নেওয়া যাক

     

    * রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ

    রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে জাফরান বিশেষ উপকারি। গর্ভকালিন সময়ে অনেক গর্ভবতী মায়েদের রক্তচাপ বেড়ে ও কমে যায়। খাদ্য তালিকায় জাফরান ও ভিটামিন জাতীয় ফলমূল, সবুজ শাক -সবজি রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রনে সাহায্য করে থাকে।

     

    * অস্বস্তি ও ক্লান্তি দূর

    নিয়মিত জাফরান খেলে অস্বস্তি ও ক্লান্তি দূর হয়। ব্যাথা নিরাময়ে জাফরান বেশ কার্যকরী। বাচ্চা বড় হওয়ার সাথে সাথে টার নড়াচড়ার মাত্রা বেড়ে যায়। এবং মায়ের পেশিগুলোও বাচ্চার জন্য স্থান প্রসরিত করে সামঞ্জস্য করে নেয়। এই প্রক্রিয়া চলাকালীন সময় মায়েরা পেটে ব্যাথা অনুভব করে। গর্ভবতী কালিন সময়ে জাফরান গ্রহন করলে এই ব্যাথার মাত্রা কিছুটা কম অনুভব হয়।

    * শরীরে আয়রনের স্তর বাড়ায়

    গর্ভাবস্থায় রক্তস্বল্পতা দেখা দেওয়া একটি কম সমস্যা। যা কিনা অনেকের মধ্যেই দেখা যায়। এই সময়ে বেশি পরিমান আয়রন সমৃদ্ধ খাবার গ্রহনের পরামর্শ দেওয়া হয়। নিয়মিত খাবার তালিকায় জাফরান রাখলে এটি আপনার শরীরে আয়রন ও হিমোগ্লোবিনের স্তর বজায় রাখতে সাহায্য করে। এছাড়াও ক্র্যাম্পস থেকে মুক্তি দেয়, হার্টের অসুখ থেকে রক্ষা করে, শ্বাসযন্ত্রের অসুস্থতা নিরাময় করে; মাড়িতে ব্যাথা নিরাময়ে সাহায্য করে, উন্নত ও স্বাস্থ্যকর হাড় গঠন করে।

    .

    জাফরান তেল ব্যবহারের নিয়ম

    নানান ধরণের গুনাগুন সম্পন্ন একটি প্রাকৃতিক উপাদান হল জাফরান। আমাদের দৈনন্দিন জীবনের নানান ধরণের ক্ষেত্রে রয়েছে জাফরানের ভূমিকা। কিন্তু আপনি জানেন কি শুধুমাত্র একটি খাবার আইটেম হিসেবে জাফরান সমাদৃত তা কিন্তু নয় ,বরং জাফরান থেকে তৈরিকৃত এক ধরণের তেল উৎপন্ন হয়ে থাকে যার রয়েছে নানান ধরণের উপকারিতা। জফরানের থেকে তৈরিকৃত এই তেল সকলের কাছে বেশ জনপ্রিয় একটি তেল। কিন্তু আপনি কি জানেন জফরান তেল ব্যবহারের নিয়ম সম্পর্কে।চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক জাফরান তেল ব্যবহারের নিয়ম সম্পর্কে

    নারীর সৌন্দর্যের ক্ষেত্রে চুলের ভূমিকা সবার উর্ধে। কালো ,সুন্দর এবং ঝলমলে চুল কে না পছন্দ করে বলেন ?সুস্থ এবং সুন্দর চুল সকলের পছন্দ।কিন্তু আমাদের প্রত্যাহিক জীবনযাত্রার কারণে আমরা আমাদের চুলের স্বাভাবিক সৌন্দর্য হারিয়ে ফেলতে বসেছি। দূষিত পানি,অপুষ্টিকর খাবার ,ধুমপান, মদ্যপান, নেশাজাতীয় দ্রব্য গ্রহণ কিংবা অনিয়নতান্ত্রিক জীবনযাপনের কারণে আমরা আমাদের চুলের স্বাভাবিক সৌন্দর্য হারিয়ে যেতে বসেছি।

    আজকাল তাই চুল পড়া ,টাক হওয়া ,খুশকির মতো এইসকল সমস্যা আমাদের চুলের একটি নিত্যনৈমিত্তিক সঙ্গী। কিন্তুআমরা চাইলে আমাদের চুলের স্বাভাবিক সৌন্দর্য খুব সজজে ফিরিয়ে আনতে পারি। আপনি যদি আপনার চুলের স্বাভাবিক সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতে চান এবং আপনি যদি আপনার নিষ্প্রাণ চুলকে প্রাণ দিতে চান তাহলে আপনি ব্যবহার করতে পারেন জাফরান অয়েল। এটি আপনার চুলকে সুস্থ এবং স্বাভাবিক করে চুলের সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে বেশ ভূমিকা পালন করবে। চলুন  তাহলে জেনে নেওয়া যাক জাফরান তেল ব্যবহারের নিয়ম সম্পর্কে

    ·         খুশকির প্রাদুর্ভাব কমাতে

    খুশকি একটি চর্মরোগ হলেও আমাদের চুলের প্রধান সমস্যা। খুশকির প্রাদুর্ভাব হলে আমাদের আমাদের চুলের স্বাবাবিক সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যায়। তাই আপনি চুলে খুশকির প্রাদুর্ভাব কমাতে ব্যবহার করতে পারেন জাফরানের তেল।

    প্রথমে একটি স্টিলের বাটিতে জাফরানের তেল ঢেলে তার সাথে খানিকটা গোলমরিচ গুঁড়ো করে মিশিয়ে আপনি অল্প আঁচে চুলার নিচে গরম করুন। হালকা গরম হলে চুলের মধ্যে আপনি ভালোভাবে বিলি কেটে পুরো চুলে মিশিয়ে নিন। নিয়মিত এই তেল ব্যবহারের ফলে, বেশ অল্প সময়ের মধ্যে আপনি আপনার চুল থেকে খুশকির সমস্যা দূর করতে পারবেন।

    ·         চুলের আগা ফাটা রোধে

    চুলের আগা ফাঁটা সমস্যা সমাধানে বেশ ম্যাজিকের মতো কাজ করে থাকে জাফরানের তেল। জাফরান আমাদের চুলের আগা ফাটা সমস্যা সমাধানে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

    ব্যবহারবিধি:

    চুলের আগা ফাটা সমস্যা সমাধানে আপনি ব্যবহার করতে পারেন জাফরান অয়েল। প্রথমে আপনি খানিকটা জাফরান অয়েলের সাথে অলিভ অয়েল মিশিয়ে আপনি আপনি  চাইলে  ব্যবহার করতে পারেন আপনার চুলের যত্নে। নিয়মিত এই উপায়ে জাফরান তেল ব্যবহারের ফলে আপনি খুব সহজে আপনার চুলের আগা ফাটা প্রতিরোধ করতে পারবেন।

    ·         চুল পড়ার হার কমাতে

    • জাফরান হেয়ার অয়েল আমাদের চুলের বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বেশ উপকার করে থাকে। জাফরানের মধ্যে বিদ্যমান রয়েছে এন্টিঅক্সিডেন্ট নামক এমন এক ধরণের উপাদান যা আমাদের হেয়ার হেয়ার ফল রিডিউস করতে বেশ সাহায্য করে।
    • ব্যবহারবিধি:
    • প্রথমে একটু বাদাম পেস্টের সাথে সামান্য জাফরান অয়েল হেয়ার ওয়েলর সাথে মিশিয়ে আপনি ব্যবহার করতে পারেন আপনার চুলে। নিয়মিত এই নিয়মে জাফরান তেল ব্যবহার করলে আপনি খুব সহজে আপনার হেয়ার অয়েল ম্যাসাজ করলে আপনি খুব সহজে হেয়ার ফলের পরিমান কমাতে পারবেন।

     

    জাফরান হেয়ার অয়েল🌿
    🍃জাফরান অয়েল ব্যবহারের সুবিধা🍃
    🌱অল্প কিছু দিনে ব্যবহারেই চুল পড়া সম্পূর্ন বন্ধ করে
    🌱চুল শক্ত ও মজবুত করে।
    🌱নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।
    🌱চুল দ্রুত লম্বা হতে সাহায্য করে।
    🌱চুল সিল্কি ও ঝলমলে করে।
    ☘জাফরান হেয়ার অয়েল জাফরানের নির্যাসসহ ১০টি বিরল অসাধারন ভেষজ উপাদান দিয়ে তৈরী হয় যা চুলের জন্য খুবই কার্যকর। ভেষজ উপাদানের মধ্যে আয়রন এবং জিঙ্ক থাকে যা স্ক্যাল্পে অক্সিজেন প্রবাহ করে এবং নতুন টিস্যু তৈরি করে এবং চুল পড়া বন্ধ করে এবং চুল দ্রুত বাড়াতে সহায়তা করে।
    এই ভেষজ উপাদানগুলি দ্রুত এবং সহজেই চুল এবং চুলের উপাদানগুলিতে প্রবেশ করে এবং চুল এবং মাথার ত্বকের প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে।এটি চুলকে ভেতর থেকে শক্ত করে, চুলে পুষ্টি সরবরাহ করে ফলে চুল পড়া বন্ধ হয়ে যায়।
    💐তাই চুল পড়া বন্ধ করতে এবং চুল সতেজ, ঘন, কাল ও উজ্জল করতে জাফরান হেয়ার অয়েল ব্যবহার করুন।
    🌸মেইড ইন কাশ্মীর, পাকিস্তান
    🍀কিভাবে ব্যবহার করবেন
    সপ্তাহে যেকোনো তিনদিন ঘুমোতে যাওয়ার আগে জাফরান হেয়ার অয়েল এর সাথে নারকেল তেল অথবা অলিভ অয়েল সামান্য গরম করে মাথার ত্বকে আলতোভাবে ম্যাসাজ করুন। আপনার চুলের গোঁড়া শক্ত হবে, চুলের গোঁড়ায় রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পাবে এবং চুল ঝরঝরে হবে।
    🎋বি:দ্র: নিয়ম করে চুলে তেল ব্যবহার করুন। কারণ তেল চুলের প্রয়োজনীয় পুষ্টি যোগায়। তেলের অভাবে চুল ভেঙ্গে যায় এবং চুল পড়া শুরু হয়।
    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  2. সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    বাচ্চাদের দুধ খাওয়ানোর পদ্ধতি কি?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    শিশুর যথাযথ পুষ্টির জন্য মায়ের বুকের দুধের কোন বিকল্প নেই।শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা,বুদ্ধি- বৃদ্ধি ও মানসিক বিকাশের জন্য মায়ের দুধ হচ্ছে শিশুর শ্রেষ্ঠ খাদ্য।তাছাড়া বুকের দুধ খাওয়ানোর মাধ্যমে মা ও শিশুর মধ্যে গড়ে উঠে এক স্বর্গীয় নিবিড় সম্পর্ক। শিশুকে দুধ খাওয়ানোর মধ্য দিয়ে মা তার মাতৃত্ব পুরোপুরি উপবিস্তারিত পড়ুন

    শিশুর যথাযথ পুষ্টির জন্য মায়ের বুকের দুধের কোন বিকল্প নেই।শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা,বুদ্ধি- বৃদ্ধি ও মানসিক বিকাশের জন্য মায়ের দুধ হচ্ছে শিশুর শ্রেষ্ঠ খাদ্য।তাছাড়া বুকের দুধ খাওয়ানোর মাধ্যমে মা ও শিশুর মধ্যে গড়ে উঠে এক স্বর্গীয় নিবিড় সম্পর্ক। শিশুকে দুধ খাওয়ানোর মধ্য দিয়ে মা তার মাতৃত্ব পুরোপুরি উপভোগ করেন।

    শিশুকে পর্যাপ্ত পরিমাণে বুকের দুধ খাওয়ানোর জন্য দুধ পানের সঠিক পদ্ধতি অবলম্বন করা একান্ত জরুরি। মা শিশুকে নিয়ে কীভাবে বসেছেন, কী পদ্ধতিতে খাওয়াচ্ছেন তা সঠিক হওয়া দরকার।

    শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানোর সঠিক পদ্ধতি

    শিশুর পরিপূর্ণ বিকাশের জন্য চাই মাতৃদুগ্ধ। শিশুকে পর্যাপ্ত পরিমাণে বুকের দুধ খাওয়ানোর জন্য দুধ পানের সঠিক পদ্ধতি অবলম্বন করা একান্ত দরকার। যেসব পদ্ধতি সমূহ অবলম্বন করা উচিত:

    ১. মায়ের আরামদায়ক অবস্থান

    বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় মাকে কোন আরামদায়ক স্থানে বসা উচিত। ঘরে যদি কোনো  সোফা-কুশন না থাকে, তবে কোনো চৌকি বা  ইজি চেয়ারে বসেও মা দুধ শিশুকে দুধ খাওয়ানোর ব্যবস্থা করতে পারেন। এছাড়া দেয়ালে বা বালিশে হেলান দিয়ে বসে অথবা শুয়ে বুকের দুধ খাওয়ানো যেতে পারে।যদি মা বসা অবস্থায় থাকেন, তাহলে  পিঠ সোজা রাখতে হবে, কাঁধ উঁচু করে রাখা যাবে না। মায়ের আরাম নিশ্চিত হলে এক ধরনের শিথিলতা আসে যাতে দুধ নিঃসরণে সুবিধা হয়।

    ২. বসে দুধ খাওয়ানোর সঠিক নিয়মঃ

    মা যদি বসে শিশুকে দুধ খাওয়াতে চান, তাহলে মাকে সোজা হয়ে পিঠের পেছনে একটি বালিশ দিয়ে বসলে ভালো হয় যাতে কোমর বাঁকা না হয় । হাতের নিচে একটি বালিশ দিলে হাত ঝুলে থাকবে না। যদি বালিশ পিছনে না রাখা হয়, তাহলে মা বেশিক্ষণ সঠিকভাবে বসে থাকতে পারবেন না, তাতে দুধ দেওয়া বাধা প্রাপ্ত হতে পারে। সব সময় লক্ষ্য রাখতে হবে, যাতে শিশু সম্পূর্ণ দুধ খেতে পারে। কারণ দুধ থেকে গেলে পরবর্তী দুধ জমতে বাধা প্রাপ্ত হয়।

    ৩. দুধ খাওয়ানোর সময় শিশুকে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে রাখা:

    মা শিশুকে যে পদ্ধতিতে বা ভঙ্গিতে দুধ খাওয়ান না কেন, সবসময় খেয়াল রাখতে হবে যেন শিশুর দৃষ্টি মায়ের মুখের দিকে থাকে। শিশুর ঘাড় যেন গুঁজে না থাকে।  মায়ের দিকে শিশুকে এমনভাবে রাখতে হবে যেন স্তনের বোঁটার দিকে শিশুর মুখ থাকে। শিশুর মাথাটি থাকতে হবে মায়ের হাতের ভাঁজের উপর। শিশুর শরীর ও মায়ের বুকের মাঝে কোনো ফাঁক যেন না থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। শিশুর শরীর যেন মায়ের বুকের সঙ্গে মিশে থাকে । শিশু সবসময় যেন মায়ের শরীরের  ঘনিষ্ঠ ছোঁয়া পায় সেটি নিশ্চিত করতে হবে।  শিশু যদি খাওয়ার সময় ঘনিষ্ঠ ছোঁয়া পায়, তাহলে মা-শিশু দু-জনেরই খুব আরাম ও আনন্দ হয়। শিশু নিজেকে খুব নিরাপদ মনে করতে থাকে।

    ৪. পর্যায় ক্রম অনুসরণ করা

    দু’দিকের স্তন থেকেই শিশুকে পর্যায়ক্রমে দুধ খাওয়ানো দরকার। কোন কোন মায়েদের যে কোন একদিকের (ডান বা বাম) দুধ খাওয়াতে সুবিধা মনে হয়। তাই একদিকের দুধ বেশি খাওয়ান। অপরদিকে স্তন থেকে কম খাওয়ানোর ফলে সেটিতে দুধ তৈরি ও সরবরাহ ব্যাহত হয় এবং শিশুটিও একদিকের দুধ খেতে অভ্যস্ত হয়ে পড়ে। তবে প্রতিবারে দু’দিকের স্তন থেকে দুধ খাওয়ানোর প্রয়োজন নাও হতে পারে। একদিকের স্তন থেকে শিশুর পেট ভরে গেলে অপরটি পরবর্তী সময়ে খাওয়াতে হয়। শিশুর পেট ভরেছে কিনা বোঝার উপায় হলো : পেট ভরে গেলে শিশু আপনা আপনি দুধ খাওয়া ছেড়ে দেয়, তাছাড়া অপর বুকে দেয়ার পরেও শিশু আর খেতে চায় না।

    ৫. শিশুকে দুধ খাওয়ানোর সময় মায়ের পোশাক যেমন হওয়া উচিত:

    শিশুকে দুধ খাওয়ানোর সময় মাকে তার পোশাকের ব্যাপারে বিশেষ দৃষ্টি রাখা উচিত। টাইট, ভারি পোশাক এড়িয়ে চলাই উচিত। এসময়টা শিশুকে বুকের দুধ খওয়ানোর বিষয়টা মাথায় রেখে মাকে হালকা, কম ঘাম হয়,আরামদায়ক কাপড় (যেমন: নাইট গাউন, বোতাম দেয়া শার্ট,সুতির গ্যাঞ্জি, নার্সিং ব্রা ইত্যাদি) পোশাক পড়া উচিত।  মায়ের এমন পোশাক পড়া উচিত নয় যাতে শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াতে কষ্ট হয়। সামনে খোলা রাখা যায় এমন জামা পরলে দুধ খাওয়াতে মায়ের সুবিধা হয় সে কথা মাথায় রেখেই জামা কাপড় পছন্দ করা উচিত।

    ৬ . কর্মজীবী মায়েদের শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো:

    কর্মজীবী মাকে সন্তান প্রসবের কিছুদিন পরেই কর্মক্ষেত্রে যোগ দিতে হয়। সেসব মায়েদের পক্ষে সময়মত বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ানো সম্ভব হয়ে উঠে না। তারা ব্রেস্ট পাম্পের সাহায্যে বুকের দুধ সংগ্রহ করে রাখতে পারেন। পরবর্তীতে বাড়ির অন্য কোন সদস্য ফিডারের সাহায্যে বাচ্চাকে সেই দুধ খাওয়াতে পারেন।এই দুধ ৬-৮ ঘণ্টা ভাল থাকে আর যদি ফ্রীজে রাখেন তবে ২৪ ঘণ্টা ভাল থাকবে। যদি বিশেষ সুবিধা থাকে তবে কর্মক্ষেত্রে শিশুকে নিয়ে যাওয়ার কথা ভাবতে পারেন।

    ৭ . প্রচুর পানি পান করা:

    বাচ্চাকে বুকের খাওয়ালে মায়ের ডিহাইড্রেশন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এজন্য মাকে প্রতিদিন কমপক্ষে ৩ লিটার পানি পান করা উচিত।এতে বুকের দুধের পরিমান বাড়ে এবং দুধের সরবরাহ নিয়মিত থাকে। এছাড়া ও মাকে পানি বা তরল জাতীয় জিনিস, ঝোল জাতীয় জিনিস, দুধ ইত্যাদি ও বেশি পরিমানে খেতে হবে। ফলে বাচ্চা অনায়াসে বুকে দুধ পাবে।

    ৮. ঘড়ির দিকে না তাকিয়ে বাচ্চার দিকে নজর দিনঃ

    অসংখ্য  তথ্যের ভিড়ে আজকাল অনেক মা-ই ভুল করেন। অনেকেই মনে করেন যে ঘড়ি ধরে মেপে মেপে বাচ্চাকে দুধ খাওয়ালেই বাচ্চা ছোট বেলা থেকেই একটা নিয়মের মাঝে গেঁথে যাবে-যা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। ঘড়ির দিকে নজর না দিয়ে বাচ্চার সুবিধা-অসুবিধার প্রতি যত্নবান হন।সময় ও পরিস্থিতিই আপনার ও বাচ্চার জীবনের ছন্দ তৈরি করে দিবে।

    ৯। ধৈর্য রাখুনঃ

    শিশু যদি মায়ের দুধ খেতে অনীহা দেখায় তবে জোরাজুরি করবেন না, নিরিবিলিতে শিশুকে নিয়ে বসে বাচ্চাকে গান শুনাতে শুনাতে মাথায় হাত বুলিয়ে খাওয়াতে চেষ্টা করুন।অনেক সময় মায়ের বুকে দুধ বেশি জমে গেলে স্তন ভারী হয়ে শক্ত হয়ে যায়। এক্ষেত্রে হাত দিয়ে আস্তে আস্তে চেপে দুধ বের করতে হবে এবং নরম হয়ে আসলে বাচ্চাকে দুধ দিতে চেষ্টা করতে হবে। এছাড়া ঠাণ্ডা বা গরম পানিতে কাপড় ভিজিয়ে সেক নিলেও উপকার পাওয়া যাবে।

    ১০। পর্যাপ্ত ঘুম এবং সুষম খাবার:

    মায়ের পর্যাপ্ত ঘুম এবং সুষম খাবার শিশুর পর্যাপ্ত বুকের দুধ পেতে সাহায্য করে। প্রচুর খাওয়ার দরকার নেই। আপনার শরীরের চাহিদার প্রতি খেয়াল রাখুন এবং খিদে লাগলে খান। তবে স্বাস্থ্যকর খাবার খান। প্রচুর শাকসবজি, ফলমূল, মাছ (সামুদ্রিক মাছ নয়), এবং উপকারি চর্বিযুক্ত খাবার খান। আপনার শিশু ঘন ঘন বুকের দুধ খেলেও আপনি বাড়তি ক্যালরির চাহিদা একটা কলা বা আপেল অথবা পিনাট বাটার দিয়ে এক স্লাইস রুটি খেয়েও মেটাতে পারেন।

    পরিশিষ্ট:

    বুকের দুধ খাওয়াতে চাইলেই যে সব মা প্রথমেই সহজে সফলভাবে তা করতে পারবেন সেটা নাও হতে পারে। এ ব্যাপারে প্রয়োজন মায়ের যথেষ্ট আত্মবিশ্বাস, বুকের দুধ খাওয়ানোর ইচ্ছা, কখন কী করতে হবে তা জানা।

    মায়ের দুধে রয়েছে শিশুর জন্য পর্যাপ্ত পুষ্টি, রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা এবং বুকের দুধ খাওয়ানোর মাধ্যমে মা ও শিশুর মাঝে গড়ে ওঠে নিবিড় সম্পর্ক। অতএব শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানোর মধ্য দিয়ে মা তার মাতৃত্ব পুরোপুরি উপভোগ করতে পারেন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  3. সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    আজ দেশের কোন মার্কেট বন্ধ আর রাজধানীর কোন মার্কেট খোলা?

    Khandaker Ashaduzzaman
    সেরা উত্তর
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    ঢাকায় থাকলেও সবার পক্ষে এই তালিকা মুখস্থ রাখাও সম্ভব না। তাই কেনাকাটার উদ্দেশ্যে বের হবার আগে একবার চোখ বুলিয়ে নিন মার্কেট বন্ধের তালিকায়। শুক্রবার পূর্ণ ও শনিবার অর্ধদিবস বন্ধ এলাকার নাম: বাংলাবাজার, পাটুয়াটুলী, ফরাশগঞ্জ, শ্যামবাজার, জুরাইন, করিমউল্লাহবাগ, পোস্তগোলা, শ্যামপুর, মীরহাজীরবাগ, দোলাইপাড়বিস্তারিত পড়ুন

    ঢাকায় থাকলেও সবার পক্ষে এই তালিকা মুখস্থ রাখাও সম্ভব না। তাই কেনাকাটার উদ্দেশ্যে বের হবার আগে একবার চোখ বুলিয়ে নিন মার্কেট বন্ধের তালিকায়।

    শুক্রবার পূর্ণ ও শনিবার অর্ধদিবস বন্ধ

    এলাকার নাম: বাংলাবাজার, পাটুয়াটুলী, ফরাশগঞ্জ, শ্যামবাজার, জুরাইন, করিমউল্লাহবাগ, পোস্তগোলা, শ্যামপুর, মীরহাজীরবাগ, দোলাইপাড়, টিপু সুলতান রোড, ধূপখোলা, গেণ্ডারিয়া, দয়াগঞ্জ, স্বামীবাগ, ধোলাইখাল, জয়কালী মন্দির, যাত্রাবাড়ীর দক্ষিন-পশ্চিম অংশ, ওয়ারী, আহসান মঞ্জিল, লালবাগ, কোতোয়ালী থানা, বংশাল, নবাবপুর, সদরঘাট, তাঁতীবাজার, লক্ষ্মীবাজার, শাঁখারী বাজার, চাঙ্খারপুল, গুলিস্থানের দক্ষিণ অংশ।

    মার্কেটের নাম: বাংলাবাজার বইয়ের দোকানগুলো, ফরাশগঞ্জ কাঠের আড়ত, শ্যামবাজার কাঁচামালের পাইকারি বাজার, বুড়িগঙ্গা সেতু মার্কেট, আলম সুপার মার্কেট, সামাদ সুপার মার্কেট, রহমানিয়া সুপার মার্কেট, ইদ্রিস সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ বাজার, ধূপখোলা মাঠবাজার, দয়াগঞ্জ সিটি করপোরেশন মার্কেট, কাপ্তান বাজার, ঠাটারিবাজার, রাজধানী সুপার মার্কেট, চকবাজার, মৌলভীবাজার, ইমামগঞ্জ মার্কেট, বাবুবাজার, নয়াবাজার, ইসলামপুরের কাপড়ের বাজার, পাটুয়াটুলী ইলেকট্রনিকস ও অপটিক্যাল মার্কেট, নয়ামাটি এক্সেসরিস মার্কেট, শরিফ ম্যানশন, ছোট ও বড় কাটরা পাইকারি মার্কেট, বেগমবাজার, তাঁতীবাজার, নবাবপুর রোড ও নর্থসাউথ রোডের দোকানপাট, আজিমপুর সুপার মার্কেট, ফুলবাড়িয়া মার্কেট, সান্দ্রা সুপার মার্কেট, গুলিস্তান হকার্স মার্কেট ও সুন্দরবন স্কোয়ার মার্কেট।

    রোববার পূর্ণ ও সোমবার অর্ধ দিবস বন্ধ

    এলাকার নাম: আগারগাঁ, তালতলা, শেরে বাংলা নগর, শ্যাওড়া পাড়া, কাজী পাড়া, পল্লবী, মিরপুর-১০, মিরপুর-১১, মিরপুর-১২, মিরপুর-১৩, মিরপুর-১৪, ইব্রাহীমপুর, কচুখেত, কাফরুল, মহাখালী, নিউ ডিওএসএইচ, ওল্ড ডিওএসএইচ, কাকলী, তেজগাঁও ওল্ড এয়ারপোর্ট এরিয়া, তেজগাঁ ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল এরিয়া, ক্যান্টনমেন্ট, গুলসান-১, ২, বনানী, মহাখালী কমার্শিয়াল এরিয়া, নাখালপাড়া, মহাখালী ইন্টার সিটি বাস টার্মিনাল এরিয়া, রামপুরা, বনশ্রী, খিলগাঁ, গোড়ান, মালিবাগের একাংশ, বাসাবো, ধলপুর, সায়েদাবাদ, মাদারটেক, মুগদা, কমলাপুরের একাংশ, যাত্রাবাড়ী একাংশ, শনির আখড়া, দনিয়া, রায়েরবাগ, সানারপাড়।

    মার্কেটের নাম: এসকল এলাকার মার্কেটগুলো রোববার পুরোদিন ও সোমবার অর্ধেক দিন বন্ধ থাকে। উল্লেখযোগ্য মার্কেটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিসিএস কম্পিউটার সিটি, পল্লবী সুপার মার্কেট, মিরপুর বেনারসী পল্লী, ইব্রাহীমপুর বাজার, ইউএই মৈত্রী কমপ্লেক্স, বনানী সুপার মার্কেট, ডিসিসি মার্কেট গুলশান-১ ও ২, গুলশান পিংক সিটি, মোল্লা টাওয়ার, আল-আমিন সুপার মার্কেট, রামপুরা সুপার মার্কেট, মালিবাগ সুপার মার্কেট, তালতলা সিটি কর্পোরেশন মার্কেট, কমলাপুর স্টেডিয়াম মার্কেট, গোরান বাজার, আবেদিন টাওয়ার, ঢাকা শপিং সেন্টার, আয়েশা মোশারফ শপিং কমপ্লেক্স, মিতালী অ্যান্ড ফ্রেন্ড সুপার মার্কেট।

    মঙ্গলবার পূর্ণ ও বুধবার  অর্ধদিবস বন্ধ

    এলাকার নাম: কাঁঠালবাগান, হাতিরপুল, মানিক মিয়া এভিনিউ, রাজাবাজার, মণিপুরিপাড়া, তেজকুনীপাড়া, ফার্মগেট, কাওয়ান বাজার, নীলক্ষেত, কাঁটাবন, এলিফ্যান্ট রোড, শুক্রাবাদ, সোবহানবাগ, ধানমন্ডি, হাজারীবাগ, জিগাতলা, রায়েরবাজার, পিলখানা, লালমাটিয়া।

    মার্কেটের নাম : এ অঞ্চলের উল্লেখযোগ্য বিপণিবিতান: হাতিরপুল বাজার, মোতালেব প্লাজা, ইস্টার্ন প্লাজা, বসুন্ধরা সিটি শপিং মল, গ্রিন সুপার মার্কেট, ফার্মভিউ সুপার মার্কেট, সৌদিয়া সুপার মার্কেট, সেজান পয়েন্ট, লায়ন শপিং সেন্টার, নিউমার্কেট, চন্দ্রিমা মার্কেট,

    নিউ সুপার মার্কেট, গাউছিয়া মার্কেট, চাঁদনি চক, নূর ম্যানশন, বাকুশাহ মার্কেট, ইসলামিয়া মার্কেট, ধানমন্ডি হকার্স মার্কেট, ইস্টার্ন মল্লিকা, গ্লোব শপিং, বদরুদ্দোজা মার্কেট, নূরজাহান মার্কেট, প্রিয়াঙ্গন শপিং সেন্টার, গাউসুল আযম মার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড, রাইফেল স্কয়ার, এআরএ শপিং সেন্টার, অরচার্ড পয়েন্ট, ক্যাপিটাল মার্কেট, ধানমন্ডি প্লাজা, মমতাজ প্লাজা, মেট্রো শপিং মল, প্লাজা এআর, প্রিন্স প্লাজা, রাপা প্লাজা, অর্কিড প্লাজা, কেয়ারি প্লাজা, আনাম র্যাংগস প্লাজা, কারওয়ান বাজার ডিআইটি মার্কেট, কাব্যকস সুপার মার্কেট ও কিচেন মার্কেট।

    বুধবার পূর্ণ দিবস ও বৃহস্পতিবার অর্ধদিবস বন্ধ

    এলাকার নাম: বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, মধ্য ও উত্তর বাড্ডা, জগন্নাথপুর, বারিধারা, সাতারকুল, শাহাজাদপুর, নিকুঞ্জ-১, ২, কুড়িল, খিলখেত, উত্তরখান, দক্ষিণখান, জোয়ার সাহারা, আশকোনা, বিমানবন্দর সড়ক ও উত্তরা থেকে টঙ্গী সেতু।

    মার্কেটের নাম : এ অঞ্চলের উল্লেখযোগ্য বিপণিবিতানগুলো: লুত্ফন শপিং টাওয়ার, হাকিম টাওয়ার, হল্যান্ড সেন্টার, নুরুন্নবী সুপার মার্কেট, সুবাস্তু নজরভ্যালি, যমুনা ফিউচার পার্ক, রাজলক্ষ্মী কমপ্লেক্স, রাজউক সেন্টার, একতা প্লাজা, মান্নান প্লাজা, বন্ধন প্লাজা, কুশল সেন্টার, এবি সুপার মার্কেট, আমীর কমপ্লেক্স, মাসকাট প্লাজা, এস আর টাওয়ার, পুলিশ কো-অপারেটিভ মার্কেট ও রাজউক কসমো।

    বৃহস্পতিবার পূর্ণ ও শুক্রবার অর্ধদিবস বন্ধ

    এলাকার নাম: মোহাম্মাদপুর, আদাবর, শ্যামলী, গাবতলী, মিরপুর স্টেডিয়াম, চিড়িয়াখানা, টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, আসাদগেট, ইস্কাটন, মগবাজার, বেইলি রোড, সিদ্ধেশ্বরী, মালিবাগের একাংশ, শাজাহানপুর, শান্তিনগর, শহীদবাগ, শান্তিবাগ, ফকিরেরপুল, পল্টন, মতিঝিল, টিকাটুলি, আরামবাগ, কাকরাইল, বিজয়নগর, সেগুনবাগিচা, হাইকোর্ট ভবন এলাকা, রমনা শিশু পার্ক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা।

    মার্কেটের নাম: মোহাম্মাদপুর টাউন হল মার্কেট, কৃষি মার্কেট, আড়ং, বিআড়টিসি মার্কেট, শ্যামলী হল মার্কেট, মুক্তিযোদ্ধা সুপার মার্কেট, মাজার কর্পোরেট মার্কেট, মুক্ত বাংলা শপিং কমপ্লেক্স, শাহ্ আলী সুপার মার্কেট, মিরপুর স্টেডিয়াম মার্কেট, মৌচাক মার্কেট, আনারকলি মার্কেট, আয়েশা শপিং কমপ্লেক্স, কর্নফুলি গার্ডেন সিটি, কনকর্ড টুইং টাওয়ার, ইস্টার্ন প্লাস, সিটি হার্ট, জোনাকি সুপার মার্কেট, গাজী ভবন, পল্টন সুপার মার্কেট, স্টেডিয়াম মারকেত-১, এবং ২, গুলিস্থান কমপ্লেক্স, রমনা ভবন, খাদ্দার মার্কেট, পীর ইয়ামেনি মার্কেট, বাইতুল মুকাররম মার্কেট, আজিজ কোওপারেটিভ মার্কেট, সাকুরা মার্কেট।

     

     

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  4. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    ইয়াবার পূর্বের ইতিহাস সম্পর্কে কি জানেন?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    ইয়াবার পেছনের ইতিহাস শুরুটা ১৯১৯ সালে। জাপানিরা ওষুধ হিসেবে ইয়াবা তৈরির পরিকল্পনা করে। মূলত জীবন বাঁচানোর জন্যই তাদের এ আবিস্কার। এর পরবর্তী সময়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন জার্মান প্রেসিডেন্ট এডলফ হিটলার তার মেডিকেল চিফকে আদেশ দিলেন দীর্ঘ সময় ব্যাপি যুদ্ধক্ষেত্রের সেনাদের যাতে ক্লান্তি না আসেবিস্তারিত পড়ুন

    ইয়াবার পেছনের ইতিহাস শুরুটা ১৯১৯ সালে। জাপানিরা ওষুধ হিসেবে ইয়াবা তৈরির পরিকল্পনা করে। মূলত জীবন বাঁচানোর জন্যই তাদের এ আবিস্কার। এর পরবর্তী সময়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন জার্মান প্রেসিডেন্ট এডলফ হিটলার তার মেডিকেল চিফকে আদেশ দিলেন দীর্ঘ সময় ব্যাপি যুদ্ধক্ষেত্রের সেনাদের যাতে ক্লান্তি না আসে এবং উদ্দীপনায় যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারে বা বিমানের পাইলটের নিদ্রাহীনতা, মনকে উৎফুল, চাঙ্গা রাখার জন্য একটা কিছু আবিস্কার করতে। টানা ৫ মাস রসায়নবিদগণ চেষ্টা চালিয়ে মিথাইল অ্যামফিটামিন ও ক্যাফেইনের সংমিশ্রনে তৈরি করলেন ইয়াবা।

    ব্যাস! হিটলারের উদ্দেশ্য সফল। সেনারা মানসিক শক্তিতে বলিয়ান হল। মিয়ানমারে ওয়া এবং কোকাং নামের আদিবাসী সম্প্রদায় ইয়াবা এর সবচেয়ে বড় উৎপাদনকারী। পরবর্তী সময়ে অন্যান্য দেশের যুদ্ধ ক্ষেত্রে দেশ মাতৃকার স্বার্থে অনেক সেনা প্রধান ইয়াবা ব্যবহার করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইয়াবার প্রভাব এত দূত ছড়িয়ে পড়বে ভাবতে পারেনি কেউ।

    বাংলাদেশের টেকনাফ বর্ডার দিয়ে মাদক হিসেবে ইয়াবা প্রথম প্রবেশ করে ১৯৯৭ সালে। কিন্তু এর আগে ইয়াবার নানা উপাদানকে প্রাণরাকারী ওষুধ হিসেবে ব্যবহারের পরামর্শ দিতেন ডাক্তার। ২০০১ এ বাংলাদেশের অভিজাত এলাকাগুলোতে ইয়াবা তরুণ-তরুণীদের মানিব্যাগে স্থান করে নেয়। এখন এ নেশাদ্রব্য ছড়িয়ে পড়েছে রাজধানীর অলিগলির মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেমেয়েদের মাঝেও। নেশা গ্রহণকারীদের তালিকায় স্কুল ও কলেজ পড়ুয়া ছেলেমেয়ে, ব্যবসায়ী, গ্লামারজগতের বাসিন্দা থেকে শুরু করে গৃহবধূ পর্যন্ত।

    শুধুই ক্ষতি ইয়াবায় উত্তেজক এম সিটামিন এবং ক্যাফেইন রয়েছে৷ ইয়াবা খেলে সাময়িক আনন্দ ও উত্তেজনা, অনিদ্রা, খিটখিটে ভাব ও আগ্রাসী প্রবণতা বা মারামারি করার ইচ্ছা, ক্ষুধা কমে যাওয়া ও বমি ভাব, ঘাম, কান-মুখ লাল হয়ে যাওয়া এবং শারীরিক সঙ্গের ইচ্ছা বেড়ে যায়। তবে এ সবই অল্প কয়েক দিনের বিষয়। বাড়ে হূৎস্পন্দনের গতি, রক্তচাপ, শ্বাস-প্রশ্বাস এবং শরীরের তাপমাত্রা। মস্তিষ্কের সূক্ষ রক্তনালিগুলোর ক্ষতি হতে থাকে এবং কারও কারও এগুলো ছিঁড়ে রক্তক্ষরণ শুরু হয়ে যায়। কিছুদিন পর থেকে ইয়াবাসেবীর হাত-পা কাঁপে, হ্যালুসিনেশন হয়, পাগলামি ভাব দেখা দেয়, প্যারানয়া হয়।

    কারও কারও শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যায়, খিঁচুনি হয়। খিটখিটে ভাব, অহেতুক রাগারাগি, ভাঙচুর, নার্ভাসনেসে ভুগতে থাকে ইয়াবা আসক্ত ব্যক্তিরা। স্ম্বরনশক্তি কমে যায়, সিদ্ধান্তহীনতা শুরু হয় এবং কারও কারও সিজোফ্রেনিয়ার লক্ষণ দেখা দেয়। অনেকে পাগল হয়ে যায়। লেখাপড়ায় খারাপ হয়ে একসময় ডিপ্রেশন বা হতাশাজনিত নানা রকম অপরাধ প্রবণতা, এমনকি আত্মহত্যাও করে থাকে।

    হার্টের ভেতরে ইনফেকশন হয়ে বা মস্তিষ্কের রক্তনালি ছিঁড়ে অনেকে মারা যায়। অনেকে মরে রাস্তায় দুর্ঘটনায় পতিত হয়ে। কেউ কেউ টানা সাত থেকে ১০ দিন জেগে থাকে, তারপর ড্রাগ ওভার ডোজেও মরে যায়। তারুণ্যের শতকরা ২৫ ভাগই ইয়াবা আসক্ত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, এই মুহূর্তে দেশে মাদক নিরাময় কেন্দ্রগুলোয় প্রায় ১২,৩০৪ জন মাদকাসক্ত রোগী চিকিত্‍সা নিচ্ছেন৷ তাদের বড় একটি অংশ হলো ইয়াবা ট্যাবলেটে আসক্ত৷ পর্যবেক্ষণে দেখা যাচ্ছে দিন দিন ইয়াবা আসক্তের সংখ্যা বাড়ছে৷ ইয়াবা একধরনের সিনথেটিক এমফেটামাইন ড্রাগস। বাংলাদেশে মাদকাসক্তের শতকরা ২৫ ভাগ এখন ইয়াবা ট্যাবলেটে আসক্ত৷ পরিবহন এবং সেবন সহজ হওয়ায় দ্রুত এর থাবা বিস্তৃত হচ্ছে৷ ঢাকার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং উচ্চ ও মধ্যবিত্ত তরুণ-তরুণীরা ইয়াবা ব্যবসায়ীদের প্রধান টার্গেট৷ ধারণা করা হয়, বাংলাদেশে এখন মাদকাসক্তের সংখ্যা ৫০ লাখ৷ এই মাদকাসক্তের বড় অংশ গাঁজা, হোরোইন এবং ফেনসিডিল-এ আসক্ত হলেও পরিস্থিতির নতুন মাত্রা আতঙ্কের৷ মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে সারা দেশ থেকে ১ লাখ ২৫ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট আটক করেছে৷ এর বাইরে ব়্যাব, পুলিশ এবং সীমান্ত এলাকায় বিজিবি এর আরো তিনগুণ ইয়াবা আটক করেছে৷ ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা বিভাগ শুক্রবার ভোররাত পর্যন্ত টানা দু’দিনের অভিযান চালিয়ে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার এবং চোরাচালান ও অবৈধ ব্যবসা সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে এক নারীসহ ছয় জনকে রাজধানী থেকে আটক করেছে৷ মিডিয়া মেইলকে সূত্র জানায়, এই ইয়াবা মূলত মিয়ানমার থেকে কক্সবাজার এবং টেকনাফ সীমান্ত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে৷ এসব পরিবহনের জন্য নারী ছাড়াও নানা কৌশল অবলম্বন করা হয়৷ আরো জানা গেছে, ঢাকায় ইয়াবা মাদকের অন্তত ২০টি চক্র সক্রিয় আছে৷ এইসব চক্রের সঙ্গে নানা পেশা ও শ্রেণির লোক জড়িত৷ এমনকি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ছাত্রদের জড়িত থাকার তথ্যও রয়েছে তাদের কাছে৷ গোয়েন্দা তথ্যনুসারে, একটি সেলফোনের কভারের মধ্যে কমপক্ষে ৩০০ পিস ইয়াবা পরবিহন করা যায়৷ ট্যাবলেট হওয়ায় সহজে কেউ সন্দেহও করে না৷ ইয়াবা বিভিন্ন রঙ এবং ফ্লেভারে পাওয়া যায়৷ এর বিক্রি এবং সেবন উভয়ই সহজ৷ ফলে মাদকাসক্ত তরুণরা এখন ইয়াবার দিকেই ঝুঁকছে৷ পাইকারি এক পিস ইয়াবার দাম ১২০ টাকা হলেও, খুচরা ২৪০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে৷ তাই এখনই জনসচেতনতা গড়ে তোলা প্রয়োজন৷ পাশাপাশি দরকার এর চোরাচালার বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া৷

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  5. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

    আপনি কি ভাল মত পড়ালেখা করতে চান ???? আপনার জন্য সঠিক নিয়মে পড়ালেখা করার উপায় + পড়া মনে রাখার সহজ উপায়

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    টেকনোলজি ভালোবাসি বেশি বেশি টেকনোলজিকাল পোস্ট চাই. আসসালামুয়ালাইকুম,আশা করি ভাল আছেন। আমি একজন ছাত্র, তাই পরালেখা করাই আমার কাজ। আর পরালেখা করার কিছু নিয়ম পালন করা উচিত। আপনি হয়ত আপনার জীবন কে আর সুন্দর করতে পারেন ভাল মত লেখাপরা করে। আর তাই আমি আপনাদের জন্য আনলাম পরালেখা করার অনেক গুল টিপ্স,আপনিবিস্তারিত পড়ুন

    টেকনোলজি ভালোবাসি বেশি বেশি টেকনোলজিকাল পোস্ট চাই. আসসালামুয়ালাইকুম,আশা করি ভাল আছেন। আমি একজন ছাত্র, তাই পরালেখা করাই আমার কাজ। আর পরালেখা করার কিছু নিয়ম পালন করা উচিত। আপনি হয়ত আপনার জীবন কে আর সুন্দর করতে পারেন ভাল মত লেখাপরা করে। আর তাই আমি আপনাদের জন্য আনলাম পরালেখা করার অনেক গুল টিপ্স,আপনি হয়ত আপনার পরালেখা করার সিস্টেম কে আর সুন্দর করতে চান,তাই এই টিপস গুল আপনার জন্য।

    জি,আপনার জন্যই এই আয়জন………………… void(1); িভাবে সঠিক নিয়মে পড়ালেখা করা যায়? ১. পড়তে বসার আগে একটু চিন্তা করুন- কী পড়বেন, কেন পড়বেন, কতক্ষণ ধরে পড়বেন। প্রত্যেকবার পড়ার আগে কিছু টার্গেট ঠিক করে নিন। যেমন, এত পৃষ্ঠা বা এতগুলো অনুশীলনী। ২. বিষয়ের বৈচিত্র্য রাখুন। নিত্য নতুন পড়ার কৌশল চিন্তা করুন।

    ৩. এনার্জি লেভেলের সঙ্গে আগ্রহের একটা সম্পর্ক আছে। এনার্জি যত বেশি মনোযোগ নিবদ্ধ করার ক্ষমতা তত বেশি হয়। আর অধিকাংশ ছাত্রছাত্রীর দিনের প্রথমভাগেই এনার্জি বেশি থাকে। তাদের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, যে পড়াটা দিনে ১ ঘন্টায় পড়তে পারছে সেই একই পড়া পড়তে রাতে দেড় ঘণ্টা লাগছে। তাই কঠিন, বিরক্তিকর ও একঘেয়ে বিষয়গুলো সকালের দিকেই পড়ুন।

    পছন্দের বিষয়গুলো পড়ুন পরের দিকে। তবে যদি উল্টোটা হয়, অর্থাৎ রাতে পড়তে আপনি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, তাহলে সেভাবেই সাজান আপনার রুটিন। ৪. একটানা না পড়ে বিরতি দিয়ে পড়বেন। কারণ গবেষণায় দেখা গেছে, একটানা ২৫ মিনিটের বেশি একজন মানুষ মনোযোগ দিতে পারে না। তাই একটানা মনোযোগের জন্যে মনের ওপর বল প্রয়োগ না করে প্রতি ৫০ মিনিট পড়ার পর ৫ মিনিটের একটা ছোট্ট বিরতি নিতে পারেন।

    কিন্তু এ বিরতির সময় টিভি, মোবাইল বা কম্পিউটার নিয়ে ব্যস্ত হবেন না যা হয়তো ৫ মিনিটের নামে দুঘণ্টা নিয়ে নিতে পারে। ৫. মনোযোগের জন্যে আপনি কোন ভঙ্গিতে বসছেন সেটি গুরুত্বপূর্ণ। সোজা হয়ে আরামে বসুন। অপ্রয়োজনীয় নড়াচড়া বন্ধ করুন। চেয়ারে এমনভাবে বসুন যাতে পা মেঝেতে লেগে থাকে।

    টেবিলের দিকে একটু ঝুঁকে বসুন। আপনার চোখ থেকে টেবিলের দূরত্ব অন্তত দু ফুট হওয়া উচিৎ। ৬. পড়তে পড়তে মন যখন উদ্দেশ্যহীনতায় ভেসে বেড়াচ্ছে জোর করে তখন বইয়ের দিকে তাকিয়ে না থেকে দাঁড়িয়ে পড়ুন। তবে রুম ছেড়ে যাবেন না। কয়েকবার এ অভ্যাস করলেই দেখবেন আর অন্যমনস্ক হচ্ছেন না।

    ৭. প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে পড়তে বসুন এবং পড়তে বসার আগে কোনো অসমাপ্ত কাজে হাত দেবেন না বা সেটার কথা মনে এলেও পাত্তা দেবেন না। চিন্তাগুলোকে বরং একটা কাগজে লিখে ফেলুন। ৮. টার্গেট মতো পড়া ঠিকঠাক করতে পারলে নিজেকে পুরস্কৃত করুন, তা যত ছোটই হোক কিভাবে স্মৃতিশক্তির যত্ন নিবেন? তিবাচক চিন্তা করুন নেতিবাচক চিন্তা মন থেকে ঝেড়ে ফেলুন। সন্দেহবাতিক মন মস্তিষ্কের ক্ষতি করে। মনের সঙ্গে মস্তিষ্কের যোগাযোগটা খুব গভীর।

    তাই মনের পরিচর্যা করুন। নিজেকে নিয়োজিত রাখুন সৃষ্টিশীল কাজে। ্রোধ নিয়ন্ত্রণ করুন ক্রোধ বা রাগ মন ও মস্তিষ্কের শত্রু। আমরা যখন রেগে যাই তখন শরীরে নিঃসৃত হয় বিশেষ এক ধরনের রাসায়নিক যৌগ যা আমাদের মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয়। েডিটেশন করুন নিয়ম করে দিনের কিছু সময় মেডিটেশন করুন।

    যোগ ব্যায়াম করতে পারেন। সম্ভব না হলে অন্তত সকাল-সন্ধ্যা খোলা ময়দানে হাঁটুন। এ অভ্যাসগুলো মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। মস্তিষ্কের তথ্য ধারণ ক্ষমতা বাড়ায়। স্মরণশক্তি মূলত নির্ভর করে আমাদের চিন্তা করার ক্ষমতার ওপর।

    মেডিটেশন আমাদের চিন্তা করার ক্ষমতা বাড়ায়। র্যাপ্ত বিশ্রাম নিন সারাক্ষণ কাজ আমাদের মস্তিষ্ককে ক্লান্ত করে তোলে। ক্লান্তি মস্তিষ্কের কাজ করার ক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়। তাই পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন। প্রতিদিন গড়ে ছয়-সাত ঘণ্টা ঘুমান।

    দীর্ঘ কাজের ফাঁকে একটু ব্রেক দিন। কাজে মনোনিবেশ করা সহজ হবে। ড়া মনে রাখার উপায়ঃ . আত্মবিশ্বাস: আত্মবিশ্বাস যেকোনো কাজে সফল হওয়ার প্রথম ও প্রধান শর্ত। মনকে বোঝাতে হবে পড়াশোনা অনেক সহজ বিষয় আমি পারব, আমাকে পারতেই হবে। তাহলে অনেক কঠিন পড়াটাও সহজ মনে হবে।

    কোনো বিষয়ে ভয় ঢুকে গেলে সেটা মনে রাখা বেশ কঠিন। আর পড়ালেখা করার উত্তম সময় হচ্ছে ভোর। সকালে মস্তিষ্ক ফ্রেশ থাকে। . কনসেপ্ট ট্রি পড়া মনে রাখার ভালো কৌশল হলো ‘কনসেপ্ট ট্রি’। এ পদ্ধতিতে কোনো একটি বিষয়ে শেখার আগে পুরো অধ্যায়টি সাতটি অংশে ভাগ করে প্রতিটি অংশের জন্য এক লাইনে একটি করে সারমর্ম লিখতে হবে।

    তারপর খাতায় একটি গাছ এঁকে সাতটি সারমর্মকে গাছের একেকটি পাতায় লিখে রাখতে হবে। পাতাগুলোতে প্রতিদিন চোখ বোলালেই অধ্যায়টি সম্পর্কে একটি পূর্ণাঙ্গ ধারণা পাওয়া যাবে। এটি একটি পরীক্ষিত বৈজ্ঞানিক ধারণা। বাংলা ও ভূগোলের জন্য এ কৌশলটি বেশি কার্যকর। . কি ওয়ার্ড যেকোনো বিষয়ের কঠিন অংশগুলো ছন্দের আকারে খুব সহজে মনে রাখা যায়।

    যেমন: রংধনুর সাত রং মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ‘বেনীআসহকলা’ শব্দটি মনে রাখা। প্রতিটি রঙের প্রথম অক্ষর রয়েছে শব্দটিতে। এমনিভাবে ত্রিকোণমিতির সূত্র মনে রাখতে ‘সাগরে লবণ আছে, কবরে ভূত আছে, ট্যারা লম্বা ভূত’ ছড়াটি মনে রাখা যেতে পারে। এর অর্থ দাঁড়ায়, সাইন=লম্ব/অতিভুজ (সাগরে লবণ আছে), কস=ভূমি/অতিভুজ (কবরে ভূত আছে), ট্যান=লম্ব/ভূমি (ট্যারা লম্বা ভূত)। . কালরেখা ইতিহাস মনে রাখায় এ কৌশলটি কাজে দেবে।

    বইয়ের সব অধ্যায় সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা নিয়ে গত ৪০০ বছরের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিদের তালিকা বানাতে হবে। সেখান থেকে কে, কখন, কেন উল্লেখযোগ্য ছিলেন, সেটা সাল অনুযায়ী খাতায় লিখতে হবে। প্রতিদিন একবার করে খাতায় চোখ বোলালে খুব সহজে পুরো বই সম্পর্কে একটি ধারণা তৈরি হবে। ফলে ভুলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে না। কিন্তু আলাদা আলাদাভাবে ইতিহাস মনে রাখাটা কষ্টকরই বটে! . উচ্চঃস্বরে পড়া পড়া মুখস্থ করার সময় উচ্চঃস্বরে পড়তে হবে।

    এই পদ্ধতিতে কথাগুলো কানে প্রতিফলিত হওয়ার কারণে সহজে আয়ত্ত করা যায়। শব্দহীনভাবে পড়ালেখা করলে একসময় পড়ার গতি কমে গিয়ে শেখার আগ্রহ হারিয়ে যায়। আর আগ্রহ না থাকলে পড়া শেখার কিছুক্ষণ পরই তা মস্তিষ্ক থেকে বিলুপ্ত হয়ে যায়। শেখা হয়ে যাওয়ার পর বারবার সেটার পুনরাবৃত্তি করতে হবে। এটাও পড়া মনে রাখার ক্ষেত্রে অনেক সাহায্য করে।

    . নিজের পড়া নিজের মতো ক্লাসে মনোযোগী হতে হবে। স্যারদের লেকচার ও পাঠ্যবইয়ের সাহায্য নিয়ে নিজে নিজে নোট করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। একটি প্রশ্নের উত্তর কয়েকভাবে লেখার চর্চা করতে হবে। নিজের তৈরি করা পড়া নিজের কাছে অনেক সহজ মনে হবে। পরবর্তী সময়ে নিজের লেখাটি দু-একবার পড়লে অনায়াসেই সেটি আয়ত্ত হয়ে যাবে এবং নিজের মতো করে লেখা যাবে।

    আর এভাবে পড়লে ভুলে যাওয়ার আশঙ্কাও কম থাকে। . নতুন-পুরনোর সংমিশ্রণ নতুন কিছু শেখার সময় একই রকম আরো বিষয় মিলিয়ে নিতে হবে। কারণ একেবারে নতুন কোনো তথ্য ধারণ করতে মস্তিষ্কের বেগ পেতে হয়। কিন্তু পুরনো তথ্যের সঙ্গে নতুন তথ্য সংযোজন করতে পারে খুব সহজে। উদাহরণস্বরূপ, ‘সিডি’ শব্দটি শেখার ক্ষেত্রে পুরনো দিনের কলের গানের কথা মনে রাখলে শব্দটা সহজেই মনে থাকবে।

    শুধু মনে রাখতে হবে, শব্দ দুটোর মধ্যে পার্থক্যটা কী। ফিজিক্সের নতুন কোনো সূত্র শেখার সময় মনে করে দেখতে হবে, এ ধরনের সূত্র আগে পড়া কোনো সূত্রের সঙ্গে মেলে কি না। . কেনর উত্তর খোঁজা এ নিয়মটা প্রধানত বিজ্ঞানের ছাত্রদের জন্য প্রযোজ্য। তাদের মনে সব সময় নতুন বিষয় জানার আগ্রহ প্রবল হতে হবে। অনুসন্ধানী মন নিয়ে কোনো কিছু শিখতে চাইলে সেটা মনে থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

    আর কোনো অধ্যায় পড়ার পর সেটা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ল্যাবে ব্যবহারিক ক্লাস করতে হবে। তবেই বিজ্ঞানের সূত্র ও সমাধানগুলো সহজে আয়ত্ত করা যাবে। . কল্পনায় ছবি আঁকা বিষয়সদৃশ একটি ছবি আঁকতে হবে মনে। গল্পের প্রতিটি চরিত্রকে আশপাশের মানুষ বা বস্তুর সঙ্গে মিলিয়ে নিতে হবে। তারপর সেই বিষয়টি নিয়ে পড়তে বসলে মানুষ কিংবা বস্তুটি কল্পনায় চলে আসবে।

    এ পদ্ধতিতে কোনো কিছু শিখলে সেটা ভুলে যাওয়ার আশঙ্কা কম থাকে। আর মস্তিষ্ককে যত বেশি ব্যবহার করা যায়, তত ধারালো হয় ও পড়া বেশি মনে থাকে। ০. পড়ার সঙ্গে লেখা কোনো বিষয় পাঠ করার সঙ্গে সঙ্গে সেটি খাতায় লিখতে হবে। একবার পড়ে কয়েকবার লিখলে সেটা সবচেয়ে বেশি কার্যকর হয়। পড়া ও লেখা একসঙ্গে হলে সেটা মুখস্থ হবে তাড়াতাড়ি।

    পরবর্তী সময়ে সেই প্রশ্নটির উত্তর লিখতে গেলে অনায়াসে মনে আসে। এ পদ্ধতির আরেকটি সুবিধা হচ্ছে হাতের লেখা দ্রুত করতে সাহায্য করে। পড়া মনে রাখতে হলে শেখার সঙ্গে সঙ্গে বেশি বেশি লেখার অভ্যাস করতে হবে। ১. অর্থ জেনে পড়া ইংরেজি পড়ার আগে শব্দের অর্থটি অবশ্যই জেনে নিতে হবে। ইংরেজি ভাষা শেখার প্রধান শর্ত হলো শব্দের অর্থ জেনে তা বাক্যে প্রয়োগ করা।

    বুঝে না পড়লে পুরোটাই বিফলে যাবে। সৃজনশীল পদ্ধতিতে ইংরেজি বানিয়ে লেখার চর্চা করা সব থেকে জরুরি। কারণ পাঠ্যবইয়ের যেকোনো জায়গা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে। ইংরেজি শব্দের অর্থভাণ্ডার সমৃদ্ধ হলে কোনো পড়া ভুলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে না। ২. গল্পের ছলে পড়া যেকোনো বিষয় ক্লাসে পড়ার পর সেটা আড্ডার সময় বন্ধুদের সঙ্গে গল্পের মতো করে উপস্থাপন করতে হবে।

    সেখানে প্রত্যেকে প্রত্যেকের মনের ভাবগুলো প্রকাশ করতে পারবে। সবার কথাগুলো একত্র করলে অধ্যায়টি সম্পর্কে ধারণাটা স্বচ্ছ হয়ে যায়। কোনো অধ্যায় খণ্ড খণ্ড করে না শিখে আগে পুরো ঘটনাটি সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা নিতে হবে। পরে শেখার সময় আলাদাভাবে মাথায় নিতে হবে। তাহলে যেকোনো বিষয় একটা গল্পের মতো মনে হবে।

    ৩. মুখস্থ বিদ্যাকে ‘না’ বলা মুখস্থ বিদ্যা চিন্তাশক্তিকে অকেজো করে দেয়, পড়াশোনার আনন্দও মাটি করে দেয়। কোনো কিছু না বুঝে মুখস্থ করলে সেটা বেশিদিন স্মৃতিতে ধরে রাখা যায় না। কিন্তু তার মানে এই নয়, সচেতনভাবে কোনো কিছু মুখস্থ করা যাবে না। টুকরো তথ্য, যেমন: সাল, তারিখ, বইয়ের নাম, ব্যক্তির নাম ইত্যাদি মনে রাখতে হবে। কী মনে রাখছেন, এর সঙ্গে অন্যান্য বিষয়ের কী সম্পর্ক তা খুঁজে বের করতে হবে।

    এ ছাড়া বিজ্ঞানের কোনো সূত্র কিংবা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আয়ত্ত করতে সেটা আগে বুঝে তারপর মুখস্থ করতে হবে। আশা করি ভাল লেগেছে,আমাকে জানাবেন কেমন লাগল। ভাল থাকবেন ঠিক মত পরালেখা করবেন। আমার জন্য দোয়া করবেন। আসসালামুয়ালিকুম।

    সসালামুয়ালাইকুম,আশা করি ভাল আছেন। আমি একজন ছাত্র, তাই পরালেখা করাই আমার কাজ। আর পরালেখা করার কিছু নিয়ম পালন করা উচিত। আপনি হয়ত আপনার জীবন কে আর সুন্দর করতে পারেন ভাল মত লেখাপরা করে। আর তাই আমি আপনাদের জন্য আনলাম পরালেখা করার অনেক গুল টিপ্স,আপনি হয়ত আপনার পরালেখা করার সিস্টেম কে আর সুন্দর করতে চান,তাই এই টিপস গুল আপনার জন্ন।

    জি,আপনার জন্যই এই আয়জন………………… িভাবে সঠিক নিয়মে পড়ালেখা করা যায়? ১. পড়তে বসার আগে একটু চিন্তা করুন- কী পড়বেন, কেন পড়বেন, কতক্ষণ ধরে পড়বেন। প্রত্যেকবার পড়ার আগে কিছু টার্গেট ঠিক করে নিন। যেমন, এত পৃষ্ঠা বা এতগুলো অনুশীলনী। ২. বিষয়ের বৈচিত্র্য রাখুন। নিত্য নতুন পড়ার কৌশল চিন্তা করুন।

    ৩. এনার্জি লেভেলের সঙ্গে আগ্রহের একটা সম্পর্ক আছে। এনার্জি যত বেশি মনোযোগ নিবদ্ধ করার ক্ষমতা তত বেশি হয়। আর অধিকাংশ ছাত্রছাত্রীর দিনের প্রথমভাগেই এনার্জি বেশি থাকে। তাদের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, যে পড়াটা দিনে ১ ঘন্টায় পড়তে পারছে সেই একই পড়া পড়তে রাতে দেড় ঘণ্টা লাগছে। তাই কঠিন, বিরক্তিকর ও একঘেয়ে বিষয়গুলো সকালের দিকেই পড়ুন।

    পছন্দের বিষয়গুলো পড়ুন পরের দিকে। তবে যদি উল্টোটা হয়, অর্থাৎ রাতে পড়তে আপনি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, তাহলে সেভাবেই সাজান আপনার রুটিন। ৪. একটানা না পড়ে বিরতি দিয়ে পড়বেন। কারণ গবেষণায় দেখা গেছে, একটানা ২৫ মিনিটের বেশি একজন মানুষ মনোযোগ দিতে পারে না। তাই একটানা মনোযোগের জন্যে মনের ওপর বল প্রয়োগ না করে প্রতি ৫০ মিনিট পড়ার পর ৫ মিনিটের একটা ছোট্ট বিরতি নিতে পারেন।

    কিন্তু এ বিরতির সময় টিভি, মোবাইল বা কম্পিউটার নিয়ে ব্যস্ত হবেন না যা হয়তো ৫ মিনিটের নামে দুঘণ্টা নিয়ে নিতে পারে। ৫. মনোযোগের জন্যে আপনি কোন ভঙ্গিতে বসছেন সেটি গুরুত্বপূর্ণ। সোজা হয়ে আরামে বসুন। অপ্রয়োজনীয় নড়াচড়া বন্ধ করুন। চেয়ারে এমনভাবে বসুন যাতে পা মেঝেতে লেগে থাকে।

    টেবিলের দিকে একটু ঝুঁকে বসুন। আপনার চোখ থেকে টেবিলের দূরত্ব অন্তত দু ফুট হওয়া উচিৎ। ৬. পড়তে পড়তে মন যখন উদ্দেশ্যহীনতায় ভেসে বেড়াচ্ছে জোর করে তখন বইয়ের দিকে তাকিয়ে না থেকে দাঁড়িয়ে পড়ুন। তবে রুম ছেড়ে যাবেন না। কয়েকবার এ অভ্যাস করলেই দেখবেন আর অন্যমনস্ক হচ্ছেন না।

    ৭. প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে পড়তে বসুন এবং পড়তে বসার আগে কোনো অসমাপ্ত কাজে হাত দেবেন না বা সেটার কথা মনে এলেও পাত্তা দেবেন না। চিন্তাগুলোকে বরং একটা কাগজে লিখে ফেলুন। ৮. টার্গেট মতো পড়া ঠিকঠাক করতে পারলে নিজেকে পুরস্কৃত করুন, তা যত ছোটই হোক কিভাবে স্মৃতিশক্তির যত্ন নিবেন? তিবাচক চিন্তা করুন নেতিবাচক চিন্তা মন থেকে ঝেড়ে ফেলুন। সন্দেহবাতিক মন মস্তিষ্কের ক্ষতি করে। মনের সঙ্গে মস্তিষ্কের যোগাযোগটা খুব গভীর।

    তাই মনের পরিচর্যা করুন। নিজেকে নিয়োজিত রাখুন সৃষ্টিশীল কাজে। ্রোধ নিয়ন্ত্রণ করুন ক্রোধ বা রাগ মন ও মস্তিষ্কের শত্রু। আমরা যখন রেগে যাই তখন শরীরে নিঃসৃত হয় বিশেষ এক ধরনের রাসায়নিক যৌগ যা আমাদের মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয়। েডিটেশন করুন নিয়ম করে দিনের কিছু সময় মেডিটেশন করুন।

    যোগ ব্যায়াম করতে পারেন। সম্ভব না হলে অন্তত সকাল-সন্ধ্যা খোলা ময়দানে হাঁটুন। এ অভ্যাসগুলো মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। মস্তিষ্কের তথ্য ধারণ ক্ষমতা বাড়ায়। স্মরণশক্তি মূলত নির্ভর করে আমাদের চিন্তা করার ক্ষমতার ওপর।

    মেডিটেশন আমাদের চিন্তা করার ক্ষমতা বাড়ায়। র্যাপ্ত বিশ্রাম নিন সারাক্ষণ কাজ আমাদের মস্তিষ্ককে ক্লান্ত করে তোলে। ক্লান্তি মস্তিষ্কের কাজ করার ক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়। তাই পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন। প্রতিদিন গড়ে ছয়-সাত ঘণ্টা ঘুমান।

    দীর্ঘ কাজের ফাঁকে একটু ব্রেক দিন। কাজে মনোনিবেশ করা সহজ হবে। ড়া মনে রাখার উপায়ঃ . আত্মবিশ্বাস: আত্মবিশ্বাস যেকোনো কাজে সফল হওয়ার প্রথম ও প্রধান শর্ত। মনকে বোঝাতে হবে পড়াশোনা অনেক সহজ বিষয় আমি পারব, আমাকে পারতেই হবে। তাহলে অনেক কঠিন পড়াটাও সহজ মনে হবে।

    কোনো বিষয়ে ভয় ঢুকে গেলে সেটা মনে রাখা বেশ কঠিন। আর পড়ালেখা করার উত্তম সময় হচ্ছে ভোর। সকালে মস্তিষ্ক ফ্রেশ থাকে। . কনসেপ্ট ট্রি পড়া মনে রাখার ভালো কৌশল হলো ‘কনসেপ্ট ট্রি’। এ পদ্ধতিতে কোনো একটি বিষয়ে শেখার আগে পুরো অধ্যায়টি সাতটি অংশে ভাগ করে প্রতিটি অংশের জন্য এক লাইনে একটি করে সারমর্ম লিখতে হবে।

    তারপর খাতায় একটি গাছ এঁকে সাতটি সারমর্মকে গাছের একেকটি পাতায় লিখে রাখতে হবে। পাতাগুলোতে প্রতিদিন চোখ বোলালেই অধ্যায়টি সম্পর্কে একটি পূর্ণাঙ্গ ধারণা পাওয়া যাবে। এটি একটি পরীক্ষিত বৈজ্ঞানিক ধারণা। বাংলা ও ভূগোলের জন্য এ কৌশলটি বেশি কার্যকর। . কি ওয়ার্ড যেকোনো বিষয়ের কঠিন অংশগুলো ছন্দের আকারে খুব সহজে মনে রাখা যায়।

    যেমন: রংধনুর সাত রং মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ‘বেনীআসহকলা’ শব্দটি মনে রাখা। প্রতিটি রঙের প্রথম অক্ষর রয়েছে শব্দটিতে। এমনিভাবে ত্রিকোণমিতির সূত্র মনে রাখতে ‘সাগরে লবণ আছে, কবরে ভূত আছে, ট্যারা লম্বা ভূত’ ছড়াটি মনে রাখা যেতে পারে। এর অর্থ দাঁড়ায়, সাইন=লম্ব/অতিভুজ (সাগরে লবণ আছে), কস=ভূমি/অতিভুজ (কবরে ভূত আছে), ট্যান=লম্ব/ভূমি (ট্যারা লম্বা ভূত)। . কালরেখা ইতিহাস মনে রাখায় এ কৌশলটি কাজে দেবে।

    বইয়ের সব অধ্যায় সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা নিয়ে গত ৪০০ বছরের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিদের তালিকা বানাতে হবে। সেখান থেকে কে, কখন, কেন উল্লেখযোগ্য ছিলেন, সেটা সাল অনুযায়ী খাতায় লিখতে হবে। প্রতিদিন একবার করে খাতায় চোখ বোলালে খুব সহজে পুরো বই সম্পর্কে একটি ধারণা তৈরি হবে। ফলে ভুলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে না। কিন্তু আলাদা আলাদাভাবে ইতিহাস মনে রাখাটা কষ্টকরই বটে! . উচ্চঃস্বরে পড়া পড়া মুখস্থ করার সময় উচ্চঃস্বরে পড়তে হবে।

    এই পদ্ধতিতে কথাগুলো কানে প্রতিফলিত হওয়ার কারণে সহজে আয়ত্ত করা যায়। শব্দহীনভাবে পড়ালেখা করলে একসময় পড়ার গতি কমে গিয়ে শেখার আগ্রহ হারিয়ে যায়। আর আগ্রহ না থাকলে পড়া শেখার কিছুক্ষণ পরই তা মস্তিষ্ক থেকে বিলুপ্ত হয়ে যায়। শেখা হয়ে যাওয়ার পর বারবার সেটার পুনরাবৃত্তি করতে হবে। এটাও পড়া মনে রাখার ক্ষেত্রে অনেক সাহায্য করে।

    . নিজের পড়া নিজের মতো ক্লাসে মনোযোগী হতে হবে। স্যারদের লেকচার ও পাঠ্যবইয়ের সাহায্য নিয়ে নিজে নিজে নোট করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। একটি প্রশ্নের উত্তর কয়েকভাবে লেখার চর্চা করতে হবে। নিজের তৈরি করা পড়া নিজের কাছে অনেক সহজ মনে হবে। পরবর্তী সময়ে নিজের লেখাটি দু-একবার পড়লে অনায়াসেই সেটি আয়ত্ত হয়ে যাবে এবং নিজের মতো করে লেখা যাবে।

    আর এভাবে পড়লে ভুলে যাওয়ার আশঙ্কাও কম থাকে। . নতুন-পুরনোর সংমিশ্রণ নতুন কিছু শেখার সময় একই রকম আরো বিষয় মিলিয়ে নিতে হবে। কারণ একেবারে নতুন কোনো তথ্য ধারণ করতে মস্তিষ্কের বেগ পেতে হয়। কিন্তু পুরনো তথ্যের সঙ্গে নতুন তথ্য সংযোজন করতে পারে খুব সহজে। উদাহরণস্বরূপ, ‘সিডি’ শব্দটি শেখার ক্ষেত্রে পুরনো দিনের কলের গানের কথা মনে রাখলে শব্দটা সহজেই মনে থাকবে।

    শুধু মনে রাখতে হবে, শব্দ দুটোর মধ্যে পার্থক্যটা কী। ফিজিক্সের নতুন কোনো সূত্র শেখার সময় মনে করে দেখতে হবে, এ ধরনের সূত্র আগে পড়া কোনো সূত্রের সঙ্গে মেলে কি না। . কেনর উত্তর খোঁজা এ নিয়মটা প্রধানত বিজ্ঞানের ছাত্রদের জন্য প্রযোজ্য। তাদের মনে সব সময় নতুন বিষয় জানার আগ্রহ প্রবল হতে হবে। অনুসন্ধানী মন নিয়ে কোনো কিছু শিখতে চাইলে সেটা মনে থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

    আর কোনো অধ্যায় পড়ার পর সেটা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ল্যাবে ব্যবহারিক ক্লাস করতে হবে। তবেই বিজ্ঞানের সূত্র ও সমাধানগুলো সহজে আয়ত্ত করা যাবে। . কল্পনায় ছবি আঁকা বিষয়সদৃশ একটি ছবি আঁকতে হবে মনে। গল্পের প্রতিটি চরিত্রকে আশপাশের মানুষ বা বস্তুর সঙ্গে মিলিয়ে নিতে হবে। তারপর সেই বিষয়টি নিয়ে পড়তে বসলে মানুষ কিংবা বস্তুটি কল্পনায় চলে আসবে।

    এ পদ্ধতিতে কোনো কিছু শিখলে সেটা ভুলে যাওয়ার আশঙ্কা কম থাকে। আর মস্তিষ্ককে যত বেশি ব্যবহার করা যায়, তত ধারালো হয় ও পড়া বেশি মনে থাকে। ০. পড়ার সঙ্গে লেখা কোনো বিষয় পাঠ করার সঙ্গে সঙ্গে সেটি খাতায় লিখতে হবে। একবার পড়ে কয়েকবার লিখলে সেটা সবচেয়ে বেশি কার্যকর হয়। পড়া ও লেখা একসঙ্গে হলে সেটা মুখস্থ হবে তাড়াতাড়ি।

    পরবর্তী সময়ে সেই প্রশ্নটির উত্তর লিখতে গেলে অনায়াসে মনে আসে। এ পদ্ধতির আরেকটি সুবিধা হচ্ছে হাতের লেখা দ্রুত করতে সাহায্য করে। পড়া মনে রাখতে হলে শেখার সঙ্গে সঙ্গে বেশি বেশি লেখার অভ্যাস করতে হবে। ১. অর্থ জেনে পড়া ইংরেজি পড়ার আগে শব্দের অর্থটি অবশ্যই জেনে নিতে হবে। ইংরেজি ভাষা শেখার প্রধান শর্ত হলো শব্দের অর্থ জেনে তা বাক্যে প্রয়োগ করা।

    বুঝে না পড়লে পুরোটাই বিফলে যাবে। সৃজনশীল পদ্ধতিতে ইংরেজি বানিয়ে লেখার চর্চা করা সব থেকে জরুরি। কারণ পাঠ্যবইয়ের যেকোনো জায়গা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে। ইংরেজি শব্দের অর্থভাণ্ডার সমৃদ্ধ হলে কোনো পড়া ভুলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে না। ২. গল্পের ছলে পড়া যেকোনো বিষয় ক্লাসে পড়ার পর সেটা আড্ডার সময় বন্ধুদের সঙ্গে গল্পের মতো করে উপস্থাপন করতে হবে।

    সেখানে প্রত্যেকে প্রত্যেকের মনের ভাবগুলো প্রকাশ করতে পারবে। সবার কথাগুলো একত্র করলে অধ্যায়টি সম্পর্কে ধারণাটা স্বচ্ছ হয়ে যায়। কোনো অধ্যায় খণ্ড খণ্ড করে না শিখে আগে পুরো ঘটনাটি সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা নিতে হবে। পরে শেখার সময় আলাদাভাবে মাথায় নিতে হবে। তাহলে যেকোনো বিষয় একটা গল্পের মতো মনে হবে।

    ৩. মুখস্থ বিদ্যাকে ‘না’ বলা মুখস্থ বিদ্যা চিন্তাশক্তিকে অকেজো করে দেয়, পড়াশোনার আনন্দও মাটি করে দেয়। কোনো কিছু না বুঝে মুখস্থ করলে সেটা বেশিদিন স্মৃতিতে ধরে রাখা যায় না। কিন্তু তার মানে এই নয়, সচেতনভাবে কোনো কিছু মুখস্থ করা যাবে না। টুকরো তথ্য, যেমন: সাল, তারিখ, বইয়ের নাম, ব্যক্তির নাম ইত্যাদি মনে রাখতে হবে। কী মনে রাখছেন, এর সঙ্গে অন্যান্য বিষয়ের কী সম্পর্ক তা খুঁজে বের করতে হবে।

    এ ছাড়া বিজ্ঞানের কোনো সূত্র কিংবা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আয়ত্ত করতে সেটা আগে বুঝে তারপর মুখস্থ করতে হবে। আশা করি ভাল লেগেছে,আমাকে জানাবেন কেমন লাগল। ভাল থাকবেন ঠিক মত পরালেখা করবেন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  6. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    কাউকে আবাল বলার আগে জানেন কি "আবাল" অর্থ কী

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    প্রথমত "আবাল" কোন মৌলিক শব্দ নয়। এটি একটি সাধিত শব্দ। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, সাধিত শব্দ গঠিত হয় ৫ উপায়ে ১। সন্ধির মাধ্যমে ২। অনুসর্গ যোগে ৩। উপসর্গ যোগে ৪। প্রত্যয় যোগে ৫। সমাসের মাধ্যমে কোন উপায়ে "আবাল" শব্দটি গঠিত হয়েছে এইটা নিয়ে ব্যকরণবিদদের মধ্যে ২ টি ভিন্ন মত আছে। ১। "বাল" মূলশব্দের সাথে বাংলা "বিস্তারিত পড়ুন

    প্রথমত “আবাল” কোন মৌলিক শব্দ নয়। এটি একটি সাধিত শব্দ। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, সাধিত শব্দ গঠিত হয় ৫ উপায়ে ১। সন্ধির মাধ্যমে ২। অনুসর্গ যোগে ৩। উপসর্গ যোগে ৪। প্রত্যয় যোগে ৫। সমাসের মাধ্যমে কোন উপায়ে “আবাল” শব্দটি গঠিত হয়েছে এইটা নিয়ে ব্যকরণবিদদের মধ্যে ২ টি ভিন্ন মত আছে। ১। “বাল” মূলশব্দের সাথে বাংলা “আ” উপসর্গ যুক্ত হয়েছে নেতিবাচক অর্থে ২। এটি সমাস সাধিত শব্দ। ব্যাসবাক্য হল : আবাল—–নাই বাল যার —-নঞ বহুব্রীহি উৎপত্তি যাই হোক না কেন এটা পরিষ্কার যে শাব্দিক অর্থে আবাল বলতে অপ্রাপ্তবয়স্ক পোলাপান বুঝায়। যদিও প্রায়োগিক অর্থে “আবাল” শব্দটি বোধ-বুদ্ধিহীনতা বা বিচার-বিবেচনার ক্ষমতার অভাব বুঝাতেই বেশি ব্যবহৃত হয়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  7. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    জেব্রাদের গায়ে কি কালোর ওপর সাদা দাগ কাটা, নাকি সাদার ওপর কালো?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    আসলে জেব্রার গায়ের রঙ কালো। এর লোমের উপরেই ছোপ ছোপ দাগ ।

    আসলে জেব্রার গায়ের রঙ কালো। এর লোমের উপরেই ছোপ ছোপ দাগ ।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  8. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    কখন বুজবেন আপনারে জিহ্বায় ব্যাকটেরিয়া জমেছে?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    আয়নার সামনে গিয়ে জিহ্বা বের করে দেখুন। জিহ্বার রঙ যদি গোলাপি হয় তাহলে বুঝা যাবে জিহ্বায় কোনো জীবাণু নেই। আর যদি সাদা হয়, তাহলে ব্যাকটেরিয়া জমেছে।

    আয়নার সামনে গিয়ে জিহ্বা বের করে দেখুন। জিহ্বার রঙ যদি গোলাপি হয় তাহলে বুঝা যাবে জিহ্বায় কোনো জীবাণু নেই। আর যদি সাদা হয়, তাহলে ব্যাকটেরিয়া জমেছে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  9. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    টাইটানিক জাহাজ ও টাইটানিক সিনেমা মধ্যে পার্থক্য কী?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    টাইটানিক জাহাজ বানাতে খরচ হয়েছিল সাত মিলিয়ন বা ৭০ লাখ ডলার। অর্থাৎ প্রায় সাড়ে ৫২ কোটি টাকা। আর দুনিয়াজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টিকারী ‘টাইটানিক’ সিনেমা বানাতে খরচ হয়েছে ২০০ মিলিয়ন ডলার, মানে ১৫০০ কোটি টাকারও বেশি।

    টাইটানিক জাহাজ বানাতে খরচ হয়েছিল সাত মিলিয়ন বা ৭০ লাখ ডলার। অর্থাৎ প্রায় সাড়ে ৫২ কোটি টাকা। আর দুনিয়াজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টিকারী ‘টাইটানিক’ সিনেমা বানাতে খরচ হয়েছে ২০০ মিলিয়ন ডলার, মানে ১৫০০ কোটি টাকারও বেশি।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  10. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    আলোর গতি আমাদের জানা আছে তাহলে অন্ধকারের গতি কত?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    আলোর গতির থেকে একটু বেশি. যেখানে আলোও পৌঁছাতে পারে না সেখানে অন্ধকার আগেই পৌঁছে যায়।

    আলোর গতির থেকে একটু বেশি. যেখানে আলোও পৌঁছাতে পারে না সেখানে অন্ধকার আগেই পৌঁছে যায়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  11. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    বাংলাদেশে কোন টাকা তৈরিতে কত খরচ হয় ?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে ১ টাকার একটি কয়েন তৈরি করতে ৯৫ পয়সা খরচ হয়। ২ টাকা কয়েনে ১ টাকা ২০ পয়সা খরচ হয়। আর ৫ টাকার একটি কয়েন তৈরিতে খরচ পড়ে ১ টাকা ৯৫ পয়সা। কয়েনের মান বেশি হলে সে তুলনায় খরচ অনেক কম পড়ে। বাজারে প্রচলিত সবচেয়ে বড় নোট ১ হাজার টাকা। এই মূল্যমানের একটি নোট ছাপাতে প্রায় ৭ টাকা খরচ হয়। ৫০বিস্তারিত পড়ুন

    বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে ১ টাকার একটি কয়েন তৈরি করতে ৯৫ পয়সা খরচ হয়। ২ টাকা কয়েনে ১ টাকা ২০ পয়সা খরচ হয়। আর ৫ টাকার একটি কয়েন তৈরিতে খরচ পড়ে ১ টাকা ৯৫ পয়সা। কয়েনের মান বেশি হলে সে তুলনায় খরচ অনেক কম পড়ে। বাজারে প্রচলিত সবচেয়ে বড় নোট ১ হাজার টাকা। এই মূল্যমানের একটি নোট ছাপাতে প্রায় ৭ টাকা খরচ হয়। ৫০০ টাকার নোট ছাপাতে খরচ পড়ে ৬ টাকার মতো। ১০০ টাকার নোট ছাপাতে খরচ পড়ে সাড়ে ৪ টাকা।

    এছাড়া ৫০ টাকা ও ২০ টাকার একটি নোট ছাপাতে আড়াই টাকা, ১০ টাকার নোট ছাপাতে ২ টাকা ২০ পয়সা এবং ৫ টাকার নোট ছাপাতে খরচ হয় ২ টাকার মতো। আর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়াই সবচেয়ে ছোট কাগুজে নোটে পরিণত হওয়া ২ টাকার নোট ছাপানোতে খরচ পড়ে দেড় টাকা।

    কাগুজে নোটগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান টাঁকশাল বা দ্য সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন (বাংলাদেশ) লিমিটেড থেকে ছাপানো হয়। এই টাঁকশাল গাজীপুরে অবস্থিত। তবে নোট ছাপানোর যাবতীয় উপকরণ কাগজ, কালি, রঙ, নিরাপত্তা সুতা ইত্যাদি বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র নির্বাহী পরিচালক শুভঙ্কর সাহা জানান, ব্যবহারকারীদের ইচ্ছা বা অনিচ্ছায় টাকা ছেঁড়ে, পোড়ে কিংবা রঙ পরিবর্তন করে। ফলে এক সময় তা ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ে। তখন বাংলাদেশ ব্যাংক সেসব টাকা পুড়িয়ে ফেলে। এরপর নতুন করে সে টাকা ছাপতে সরকারকে খরচ করতে হয় মোটা অঙ্কের টাকা।

    বিশ্বের অন্যান্য দেশের মূল্যবান মুদ্রার বান্ডিলে পিন কিংবা সুতা লাগানো হয় না। কিন্তু বাংলাদেশে প্রতিনিয়ত এই পদ্ধতি অবলম্বন করায় রাষ্ট্রের অনেক টাকা গচ্চা যাচ্ছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

    দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিয়াউদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘প্রতিবছরই টাকা তৈরিতে খরচ বাড়ছে। এর অধিকাংশ কাঁচামালই আমদানি করতে হয়। কাঁচামালের দাম বাড়ায় উৎপাদন খরচ বেড়ে যায়। একই সঙ্গে অন্যান্য খরচও বাড়ছে।’

    তিনি আরো বলেন, ‘মানুষের অসচেতনতার কারণে অপচয় হচ্ছে দেশের কোটি কোটি টাকা । বহনকারীরা একটু সচেতন হলেও আমাদের অনেক টাকা বেঁচে যায়।’

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  12. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    বাংলাদেশে কোন টাকা তৈরিতে কত খরচ হয় ?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে ১ টাকার একটি কয়েন তৈরি করতে ৯৫ পয়সা খরচ হয়। ২ টাকা কয়েনে ১ টাকা ২০ পয়সা খরচ হয়। আর ৫ টাকার একটি কয়েন তৈরিতে খরচ পড়ে ১ টাকা ৯৫ পয়সা। কয়েনের মান বেশি হলে সে তুলনায় খরচ অনেক কম পড়ে। বাজারে প্রচলিত সবচেয়ে বড় নোট ১ হাজার টাকা। এই মূল্যমানের একটি নোট ছাপাতে প্রায় ৭ টাকা খরচ হয়। ৫০বিস্তারিত পড়ুন

    বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে ১ টাকার একটি কয়েন তৈরি করতে ৯৫ পয়সা খরচ হয়। ২ টাকা কয়েনে ১ টাকা ২০ পয়সা খরচ হয়। আর ৫ টাকার একটি কয়েন তৈরিতে খরচ পড়ে ১ টাকা ৯৫ পয়সা। কয়েনের মান বেশি হলে সে তুলনায় খরচ অনেক কম পড়ে। বাজারে প্রচলিত সবচেয়ে বড় নোট ১ হাজার টাকা। এই মূল্যমানের একটি নোট ছাপাতে প্রায় ৭ টাকা খরচ হয়। ৫০০ টাকার নোট ছাপাতে খরচ পড়ে ৬ টাকার মতো। ১০০ টাকার নোট ছাপাতে খরচ পড়ে সাড়ে ৪ টাকা।

    এছাড়া ৫০ টাকা ও ২০ টাকার একটি নোট ছাপাতে আড়াই টাকা, ১০ টাকার নোট ছাপাতে ২ টাকা ২০ পয়সা এবং ৫ টাকার নোট ছাপাতে খরচ হয় ২ টাকার মতো। আর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়াই সবচেয়ে ছোট কাগুজে নোটে পরিণত হওয়া ২ টাকার নোট ছাপানোতে খরচ পড়ে দেড় টাকা।

    কাগুজে নোটগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান টাঁকশাল বা দ্য সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন (বাংলাদেশ) লিমিটেড থেকে ছাপানো হয়। এই টাঁকশাল গাজীপুরে অবস্থিত। তবে নোট ছাপানোর যাবতীয় উপকরণ কাগজ, কালি, রঙ, নিরাপত্তা সুতা ইত্যাদি বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র নির্বাহী পরিচালক শুভঙ্কর সাহা জানান, ব্যবহারকারীদের ইচ্ছা বা অনিচ্ছায় টাকা ছেঁড়ে, পোড়ে কিংবা রঙ পরিবর্তন করে। ফলে এক সময় তা ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ে। তখন বাংলাদেশ ব্যাংক সেসব টাকা পুড়িয়ে ফেলে। এরপর নতুন করে সে টাকা ছাপতে সরকারকে খরচ করতে হয় মোটা অঙ্কের টাকা।

    বিশ্বের অন্যান্য দেশের মূল্যবান মুদ্রার বান্ডিলে পিন কিংবা সুতা লাগানো হয় না। কিন্তু বাংলাদেশে প্রতিনিয়ত এই পদ্ধতি অবলম্বন করায় রাষ্ট্রের অনেক টাকা গচ্চা যাচ্ছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

    দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিয়াউদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘প্রতিবছরই টাকা তৈরিতে খরচ বাড়ছে। এর অধিকাংশ কাঁচামালই আমদানি করতে হয়। কাঁচামালের দাম বাড়ায় উৎপাদন খরচ বেড়ে যায়। একই সঙ্গে অন্যান্য খরচও বাড়ছে।’

    তিনি আরো বলেন, ‘মানুষের অসচেতনতার কারণে অপচয় হচ্ছে দেশের কোটি কোটি টাকা । বহনকারীরা একটু সচেতন হলেও আমাদের অনেক টাকা বেঁচে যায়।’

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  13. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    “উট” সম্পর্কে জানা-অজানা বিস্ময়কর তথ্যগুলো কি?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    ১) উট প্রকৃতির এক মহাবিস্ময়, এটি ৫৩ ডিগ্রি গরম এবং মাইনাস-১ ডিগ্রি শীতেও টিকে থাকে। ২) মরুভূমির উত্তপ্ত বালুর উপর ঘণ্টার পর ঘণ্টা পা ফেলে রাখে। ৩) কোনো পানি পান না করে মাসের পর মাস চলে। ৪) মরুভূমির বড় বড় কাঁটাসহ ক্যাকটাস খেয়ে ফেলে। ৫) দেড়শ কেজি ওজন পিঠে নিয়ে শত মাইল হেঁটে পার হয়। উটের মত এত অসাধারণবিস্তারিত পড়ুন

    ১) উট প্রকৃতির এক মহাবিস্ময়, এটি ৫৩ ডিগ্রি গরম এবং মাইনাস-১ ডিগ্রি শীতেও টিকে থাকে।

    ২) মরুভূমির উত্তপ্ত বালুর উপর ঘণ্টার পর ঘণ্টা পা ফেলে রাখে।

    ৩) কোনো পানি পান না করে মাসের পর মাস চলে।

    ৪) মরুভূমির বড় বড় কাঁটাসহ ক্যাকটাস খেয়ে ফেলে।

    ৫) দেড়শ কেজি ওজন পিঠে নিয়ে শত মাইল হেঁটে পার হয়।

    উটের মত এত অসাধারণ ডিজাইনের প্রাণী প্রাণীবিজ্ঞানীদের কাছে এক মহাবিস্ময়।

    মানুষসহ বেশিরভাগ স্তন্যপায়ী প্রাণীর দেহের তাপমাত্রা সাধারণত ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের (৯৮ ডিগ্রি ফারেনহাইট) এর আশেপাশে থাকে। যদি দেহের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা বেড়ে ৩৮.৫ ডিগ্রির (১০২ ফা) বেশি হয়ে যায়, তখন অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলোর ক্ষতি হতে থাকে। ৪০ ডিগ্রির (১০৪ ফা) বেশি হয়ে গেলে লিভার, কিডনি, মস্তিষ্ক, খাদ্যতন্ত্র ব্যাপক ক্ষতি হয়। ৪১ ডিগ্রি (১০৫ ফা) তাপমাত্রায় শরীরের কোষ মরে যেতে শুরু করে।

    একারণেই যখন স্তন্যপায়ী প্রাণীদের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে বেড়ে যায়, তখন শরীর ঘেমে বাড়তি তাপ বের করে দিয়ে ঠাণ্ডা হয়ে যায়।

    কিন্তু উটের জন্য এভাবে পানি অপচয় করা বিলাসিতা। কারণ মরুভূমিতে সবচেয়ে দুর্লভ সম্পদ হচ্ছে পানি। একারণে উটের শরীরে এক বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে। ভোরবেলা এর শরীরের তাপমাত্রা ৩৪ ডিগ্রি থাকে। তারপর আবহাওয়া যখন প্রচণ্ড গরম হয়ে যায়, তখন অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা বেড়ে ৪১ ডিগ্রি (১০৪ ফা) পর্যন্ত ওঠে। এর পর থেকে এটি ঘামা শুরু করে। এর আগে পর্যন্ত এটি পানি ধরে রাখে। এভাবে প্রতিদিন উট স্বাভাবিক তাপমাত্রা থেকে প্রচণ্ড জ্বরের তাপমাত্রা পর্যন্ত সহ্য করে।

    এর শরীরের ভেতরে ব্যবস্থা রাখা আছে, যেন তা দিনের পর দিন ভীষণ জ্বর সহ্য করার পরেও অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলোর বড় ধরনের ক্ষতি না হয়। উটের রক্ত বিশেষভাবে তৈরি প্রচুর পরিমাণে পানি ধরে রাখার জন্য।

    উট যখন একবার পানি পান করা শুরু করে, তখন এটি প্রায় ১৩০ লিটার পানি, প্রায় তিনটি গাড়ির ফুয়েল ট্যাঙ্কের সমান পানি, ১০ মিনিটের মধ্যে পান করে ফেলতে পারে।

    এই বিপুল পরিমাণের পানি অন্য কোনো প্রাণী পান করলে রক্তে মাত্রাতিরিক্ত পানি গিয়ে অভিস্রবণ চাপের কারণে রক্তের কোষ ফুলে ফেঁপে ফেটে যেত।

    কিন্তু উটের রক্তের কোষে এক বিশেষ আবরণ আছে, যা অনেক বেশি চাপ সহ্য করতে পারে। এই বিশেষ রক্তের কারণেই উটের পক্ষে একবারে এত পানি পান করা সম্ভব হয়।

    উটের কুজ হচ্ছে চর্বির আধার। চর্বি উটকে শক্তি এবং পুষ্টি যোগায়। আর পানি শরীরের যাবতীয় আভ্যন্তরীণ কাজকর্ম সচল রাখে, শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখে।

    একবার যথেষ্ট খাবার এবং পানি নেওয়ার পর একটি উট ছয় মাস পর্যন্ত কোনো খাবার বা পানি পান না করে টিকে থাকতে পারে।

    উট হচ্ছে মরুভূমির জাহাজ। এটি ১৭০-২৭০ কেজি পর্যন্ত ভর নিয়েও হাসিমুখে চলাফেরা করে।

    এই বিশাল, শক্তিশালী প্রাণীটির মানুষের প্রতি শান্ত, অনুগত হওয়ার কোনোই কারণ ছিল না।

    বরং এরকম স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রাণীর হিংস্র হওয়ার কথা, যেন কেউ তাকে ঘাঁটানোর সাহস না করে। বিবর্তনবাদীদের বানানো বহু নিয়ম ভঙ্গ করে এই প্রাণীটি কোনো কারণে নিরীহ, শান্ত, মানুষের প্রতি অনুগত হয়ে গেছে।

    আল্লাহ যদি উটকে মানুষের জন্য উপযোগী করে না বানাতেন, তাহলে মরুভূমিতে মানুষের পক্ষে সভ্যতা গড়ে তোলা অসম্ভব হয়ে যেত।

    উটের আরেকটি উল্লেখযোগ্য ক্ষমতা হলো কাটা যুক্ত গাছপালা চিবানোর ক্ষমতা, যা অন্য কোনো প্রাণীর নেই। বড় বড় কাঁটাসহ ক্যাকটাস এটি সাবাড় করে দিতে পারে।

    অন্য কোনো প্রাণী হলে ক্যাকটাসের কাঁটার আঘাতে মাড়ি, গাল, জিভ ক্ষতবিক্ষত হয়ে যেত। কিন্তু উটের কিছুই হয় না।

    উটের মুখের ভেতরে এক বিস্ময়কর ব্যবস্থা রয়েছে। এর মুখের ভেতরের দিকটাতে অজস্র ছোট ছোট শক্ত আঙ্গুলের মত ব্যবস্থা রয়েছে, যা কাটার আঘাত থেকে একে রক্ষা করে। এমন এক জিভ আছে যা কাঁটা ফুটো করতে পারে না।

    উটের চোখে দুই স্তর পাপড়ি রয়েছে। যার কারণে মরুভূমিতে ধূলিঝড়ের মধ্যেও তা চোখ খোলা রাখতে পারে। এই বিশেষ পাপড়ির ব্যবস্থা সানগ্লাসের কাজ করে মরুভূমির প্রখর রোদের থেকে চোখকে রক্ষা করে এবং চোখের আদ্রতা ধরে রাখে।

    একইসাথে এটি বিশেষভাবে বাঁকা করা যেন তা ধুলোবালি আটকে দিতে পারে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  14. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    ছিনতাইকারীর হাতে ধরা পড়লে কিভাবে বাঁচা যায়?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    হয় নিজেকে অত্যন্ত দুর্বল করে ফেলুন(মানে আপনার কাছে তেমন কিছু নেই)অথবা নিজের ক্ষমতা জাহির করুন। প্রথমে ছিনতাইকারীকে কনভিন্স করার চেষ্টা করুন। ছিনতাইকারীর মনোভাব এবং আচার-আচরণ বোঝার চেষ্টা করুন। ছিনতাইকারীর চোখে চোখ রাখুন। কোনভাবেই ভীত হওয়ার অভিনয় করা যাবে না। আত্মবিশ্বাসী এবং স্বাভাবিক ভঙ্গিতে ছিনবিস্তারিত পড়ুন

    1. হয় নিজেকে অত্যন্ত দুর্বল করে ফেলুন(মানে আপনার কাছে তেমন কিছু নেই)অথবা নিজের ক্ষমতা জাহির করুন।
    2. প্রথমে ছিনতাইকারীকে কনভিন্স করার চেষ্টা করুন।
    3. ছিনতাইকারীর মনোভাব এবং আচার-আচরণ বোঝার চেষ্টা করুন।
    4. ছিনতাইকারীর চোখে চোখ রাখুন।
    5. কোনভাবেই ভীত হওয়ার অভিনয় করা যাবে না।
    6. আত্মবিশ্বাসী এবং স্বাভাবিক ভঙ্গিতে ছিনতাইকারীকে ডিল করুন।
    7. ছিনতাইকারীকে বুঝিয়ে দিন যে আপনার কিছু হলে চিন্তাইকারী ধরা খেয়ে যাবে এবং বড়-সড় বিপদে পড়বে।
    8. দিনশেষে ছিনতাইকারীও কিন্তু একজন মানুষ। ছিনতাইকারীর কবলে পড়লেও কিছু টেকনিক এর মাধ্যমে আপনি অবশ্যই রক্ষা পেয়ে যাবেন।
    9. আশেপাশের পরিবেশ ও পরিস্থিতির উপর সর্বদা নজর রেখে চলাফেরা করুন।
    10. সর্বদা বিচক্ষণ এবং চটপটে থাকুন। ছিনতাইকারী তাহলে ভুলেও আপনার ধারে কাছে আসবে না।
    11. ছিনতাইকারীর কবলে অথবা খপ্পরে পড়লে সাথে সাথেই ট্রিপল নাইনে কল করুন অথবা সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করুন।
    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  15. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিনোদন

    উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের জীবনের কোন দিকগুলো আজও সেভাবে কেউ জানে না?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    ১# শেক্সপিয়র ১৮ বছর বয়সে বিয়ে করেন তাঁর চেয়ে ৮ বছরের বড় অ্যানা হ্যাথাওয়াকে । ভদ্রমহিলার পেটে তখন তিন মাসের বাচ্চা। ২# শেক্সপিয়র-অ্যানা দম্পতির জমজ সন্তান হয়েছিল। নাম জুডিথ এবং হ্যামনেট। ৩# ইংরেজি অভিধানের প্রায় ১৭০০ থেকে ৩০০০ শব্দ শেক্সপিয়ারের একার! শেক্সপিয়ারের নাটক থেকে অনেক অপমান সূচক কথা দৈনন্দিবিস্তারিত পড়ুন

    ১# শেক্সপিয়র ১৮ বছর বয়সে বিয়ে করেন তাঁর চেয়ে ৮ বছরের বড় অ্যানা হ্যাথাওয়াকে । ভদ্রমহিলার পেটে তখন তিন মাসের বাচ্চা।

    ২# শেক্সপিয়র-অ্যানা দম্পতির জমজ সন্তান হয়েছিল। নাম জুডিথ এবং হ্যামনেট।

    ৩# ইংরেজি অভিধানের প্রায় ১৭০০ থেকে ৩০০০ শব্দ শেক্সপিয়ারের একার! শেক্সপিয়ারের নাটক থেকে অনেক অপমান সূচক কথা দৈনন্দিন জীবনে চলে এসেছে। যেমন:
    “Thou art like a toad; ugly and venomous.”, “You scullion! You rampallian! You fustilarian! I’ll tickle your catastrophe!”
    “Thou clay-brained guts, thou knotty-pated fool, thou whoreson obscene greasy tallow-catch!”

    ৪# বর্তমানে শেক্সপিয়রের কোন উত্তরসূরী নেই। শেক্সপিয়রের তিন সন্তান ছিল। এক ছেলে, দুই মেয়ে। ছেলে অল্প বয়সে মারা যায়। শেক্সপিয়রের একমাত্র নাতনী এলিজাবেথ ১৬৭০ সালে নিঃসন্তান অবস্থায় মারা যান।

    ৫# হয়তো আমরা শেক্সপিয়রের নামের বানান ঠিকভাবে লিখি না! কারণ তাঁর নামের আশির চেয়ে বেশি রকমের বানান পাওয়া যায়! কিছু অরিজিনাল বানান: “Willm Shaksp,” “William Shakespe,” “Wm Shakspe,” “William Shakspere,” ”Willm Shakspere,” and “William Shakspeare”. কোথাও ‘William Shakespeare’ নাই!

    ৬# আজ শেক্সপিয়র সারাবিশ্বে সমাদৃত। কিন্তু প্রথম জীবনে তিনিও কড়া সমালোচনা পেয়েছিলেন। নাট্য সমালোচক রবার্ট গ্রীনি যেমন শেক্সপিয়ার সম্পর্কে বলেছিলেন, “upstart crow, beautified with our feathers”!

    ৭# আজকের দিনে শেক্সপিয়র নাটকগুলো লিখলে হয়তো আত্মহত্যায় উৎসাহ দেওয়ার জন্য তাঁর জেল খাটতে হতো। তাঁর নাটকে মোট ১৩ বার আত্মহত্যার ঘটনা আছে!

    ৮# ‘I am a weakish speller’ এর অ্যানাগ্রাম হলো William Shakespeare।

    ৯# ১৫৮৫ থেকে ১৫৯২, এই বছরগুলোতে শেক্সপিয়রের কাজের কোন হদিস পাওয়া যায় না। তাই ঐতিহাসিকরা এই বছরগুলোকে তাঁর জীবনের ‘হারানো বছর’ আখ্যা দিয়েছে।

    ১০# শেক্সপিয়রের নাটকের সবচেয়ে দীর্ঘ শব্দ “honorificabilitudinitatibus,” যার অর্থ “invincible glorious honorableness”. শেক্সপিয়র কখনো বিশ্ববিদ্যালয়ে যাননি এবং তিনি ছাড়া তাঁর পরিবারের কেউই পড়ালেখা জানতো না!

    ১১# তাঁর ‘রোমিও এন্ড জুলিয়েট’-এ ‘লাভ’ শব্দটা এসেছে ১৫০ বার!

    ১২# তাঁর সমাধিতে লেখা ছিল, ‘যে আমার হাড়গোড় সরাবে সে অভিশপ্ত হবে।’ কবর থেকে হাড়গোড় চুরি ঠেকানোর জন্য এই ব্যবস্থা!

    ১৩# তিনি কখনোই তাঁর নাটক প্রকাশ করেন নি। নাটকের স্ক্রিপ্ট আকারে লেখা হতো। সেগুলো তাঁর দুই বন্ধু সংরক্ষণ করে প্রকাশ করেন।

    ১৪# করোনাভাইরাসের মতো আরেকটি মহামারি ছিল প্লেগ। এ সময় শেক্সপিয়ারের মঞ্চ নাটকের কোম্পানি বন্ধ ছিল। নাটকের চাহিদা না থাকায় মূলত এই সময় তিনি সনেট লেখা শুরু করেন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  16. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    বিষ্ময় বালক সুবর্ণ আইজ্যাক বারি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাই। সে আসলে কী?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    আক্ষরিক অর্থে বাংলাদেশী বংশদ্ভূত আমেরিকান হয়েও একবার সে ইন্ডিয়ান পুনে ইউনিভার্সিটির প্রাঙ্গণে মিডিয়াকে দেওয়া এক বক্তব্যে, নিজেকে একজন গর্বিত ভারতীয় বংশদ্ভূত দাবী করে বসছিল। সে ও তার মানসিক বিকারগ্রস্ত ফ্যামিলির একক প্রচেষ্টায় গায়‌"আমাদের জাতীয় সঙ্গীত - আমার সোনার বাংলা " ! গভীর খেয়াল করে দেখি, জাতীবিস্তারিত পড়ুন

    আক্ষরিক অর্থে বাংলাদেশী বংশদ্ভূত আমেরিকান হয়েও একবার সে ইন্ডিয়ান পুনে ইউনিভার্সিটির প্রাঙ্গণে মিডিয়াকে দেওয়া এক বক্তব্যে, নিজেকে একজন গর্বিত ভারতীয় বংশদ্ভূত দাবী করে বসছিল। সে ও তার মানসিক বিকারগ্রস্ত ফ্যামিলির একক প্রচেষ্টায় গায়‌”আমাদের জাতীয় সঙ্গীত – আমার সোনার বাংলা ” ! গভীর খেয়াল করে দেখি, জাতীয় চেতনায় পেছনে লাল সবুজের পতাকার পরিবর্তে আমেরিকান পতাকা রেখেছে।

    আর অল্পবয়সী তো পরের কথা, সুবর্ণ আইজ্যাক বারি কোন প্রফেসরই না। তার বয়সী অন্যসব বাচ্চার মত সুবর্ণও একজন কোমলমতি ছোট বাচ্চা মাত্র। ভালো মুখস্থ করার ক্ষমতা ছাড়া ওর মধ্যে আর স্পেশাল কিছু নেই।

    পৃথিবীর কোন বিশ্ববিদ্যালয়েই সুবর্ণ আইজ্যাক বারি নামে কোন প্রফেসরের নাম নেই। সুবর্ণের কোন সেক্টরেই কোন গবেষণা নেই৷ বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যায়, সে চোখ বন্ধ করে জটিল জটিল সব অঙ্ক কষছে- এখানেও রয়েছে প্রতারণা।

    এসবের মূলে রয়েছে তার বাবা রাশিদুল বারি। সে একজন মানসিক বিকারগস্ত মানুষ। সে হ্যালুসিনেশন, ডিলিউশন ইত্যাদিতে ভোগে। এলএসডির মত কোন হ্যালুসিনেটিং ড্রাগেও আসক্ত থাকতে পারে সে।

    রাশিদুল বারি নিজের সন্তানকে নিয়ে অলীক স্বপ্ন দেখে। সেই স্বপ্ন বাস্তব করতে গিয়ে এমন কোন পন্থা নেই যা সে অবলম্বন করে না।

    রাশিদুল বারি তার সন্তানের সুন্দর শৈশবটি নষ্ট করছে। এই বয়সে অন্যসব ছেলেমেয়ে যেখানে হেসে খেলে দিন কাটায়, সেখানে তার সন্তানের দিন কাটে জটিল জটিল সব গণিত মুখস্থ করে, বিভিন্ন পাতানো মিটিং, সেমিনারে অংশগ্রহণ করে।

    বড় হয়ে সুবর্ণ যখন জানবে, তার বাবা তাকে নিয়ে যে জগতে বাস করেছে, সে জগত মিথ্যা, বানানো, তখন সে বড় এক ধাক্কা খাবে।

    সে যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করবে, তখন যদি তার বন্ধুরা তাকে নিয়ে হাসাহাসি করে, সে মুহূর্তটা সুবর্ণ সহ্য করতে পারবে না। তখন সেই মেন্টাল ধাক্কাটা সুবর্ণ সামলাতে পারবে তো?

    তখন সে তার বাবাকে ক্ষমা করতে পারবে তো?

    শুনলাম আনোয়ার খান বিশ্ববিদ্যালয় এবং ডেফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় সুবর্ণকে বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ প্রফেসর হিসেবে ইনভাইট করেছে! তারা কিসের ভিত্তিতে এ কাজ করলেন? তারা কি ফ্যাক্ট চেক করারও প্রয়োজনবোধ করেননি?

    আমার এক বড়ভাই আনোয়ার খান বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রশ্ন করেছিলেন, সুবর্ণ যে সর্বকনিষ্ঠ প্রফেসর এই তথ্য তারা কোথায় পেলো?

    উক্ত বিশ্ববিদ্যালয় তখন সেই ভাইকে সময় নিউজের একটা লিংক সরবরাহ করেছিল প্রমাণস্বরূপ। অথচ আমরা জানি, মিথ্যা, পপ এবং ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচারে সময় নিউজের অনলাইন সংস্করণ এদেশে শীর্ষে!

    যদি ইতোমধ্যে উক্ত দুই বিশ্ববিদ্যালয় সুবর্ণকে ক্যাম্পাসে না নিয়ে থাকে, তবে আমি উক্ত দুই বিশ্ববিদ্যালয়কে আবারও ফ্যাক্ট চেক করতে অনুরোধ করব।

    আমি আবারও বলছি, সুবর্ণ আইজ্যাক বারি নামে পৃথিবীর কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন প্রফেসর নেই। সুবর্ণ আইজ্যাক বারি কোন বিজ্ঞানীও না, তার নামে কোন পিয়ার রিভিউ জার্নালে কোন গবেষণাপত্র নেই। তার যেসব খবর অনলাইনে ভেসে বেড়ায়, সে সবের অধিকাংশই তার বাবা অর্থের বিনিময়ে করিয়েছে, নয়ত সময় নিউজের মত করে অতি উৎসাহিত হয়ে কেউ করেছে।

    তবে শেষে একটা কথা না বললেই নয়, রাশিদুল বারি তার সন্তান সুবর্ণকে অন্ধের মত ভালোবাসে। সে ভালোবাসা এতটাই তীব্র যে, তা হিতাহিত জ্ঞানশূন্য করে ফেলেছে তাকে।

    সুবর্ণের যদি কখনো তার পিতার প্রতি তীব্র ঘৃণা জন্ম নেয়, তবে সে যেন তার পিতার এই অকৃত্রিম ভালোবাসার বিনিমিয়ে তা ক্ষমা করে দেয়।

    তাকে নিয়ে নাচা নাচিও কম হয় । কি আর পি আর ভিউয়ের জন্য তার এইসব কর্মকান্ডে মদদ দিয়ে চলেছি।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  17. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

    হাজার কথাটি বোঝাতে “k” শব্দটি কেন ব্যবহার করা হয়?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    T দ্বারা Tera (টেরা) বুজায়, 1T = 1000000000000 K দ্বারা Kilo (কিলো) বুজায়, 1K = 1000 এমন আরো আছে যেমনঃ যেমন আমরা 1KG (কেজি) বলতে 1 Kilo Gram =1000 Gram 1KM (কিমি) বলতে 1 Kilo Meter = 1000 Meter এছাড়া “T” দ্বারা tesla (টেসলা) = SI unit of magnetic flux density বুজায়। তাই “T” দ্বারা থাউস্যান্ড না বুজিবিস্তারিত পড়ুন

    T দ্বারা Tera (টেরা) বুজায়, 1T = 1000000000000

    K দ্বারা Kilo (কিলো) বুজায়, 1K = 1000

    এমন আরো আছে যেমনঃ

    যেমন আমরা 1KG (কেজি) বলতে 1 Kilo Gram =1000 Gram

    1KM (কিমি) বলতে 1 Kilo Meter = 1000 Meter

    এছাড়া “T” দ্বারা tesla (টেসলা) = SI unit of magnetic flux density বুজায়।

    তাই “T” দ্বারা থাউস্যান্ড না বুজিয়ে “K” দ্বারা থাউস্যান্ড বুজানো হয়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  18. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    ইসলাম-পূর্ব আরবে আল্লাহ শব্দটি কী অর্থে ব্যবহার হতো?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    মূলত ইসলাম পূর্ব আরবে পৌত্তলিক, ইহুদী ও খ্রিষ্টানরা বসবাস করত। আমরা জানি যে হিব্রু, আরামিক, আরবী এগুলো সেমেটিক ভাষা। তো হিব্রু ভাষাতেও 'এলাহ' বা 'এলোহিম' শব্দ দ্বারা আল্লাহকে ডাকা হত। আবার আরামিক 'আলাহা' শব্দ দিয়েও আল্লাহকে ডাকা হত, মানে এই শব্দগুলো দিয়ে ইংরেজি ''God' শব্দের অর্থ বোঝায় সাধারণত। তবেবিস্তারিত পড়ুন

    মূলত ইসলাম পূর্ব আরবে পৌত্তলিক, ইহুদী ও খ্রিষ্টানরা বসবাস করত। আমরা জানি যে হিব্রু, আরামিক, আরবী এগুলো সেমেটিক ভাষা। তো হিব্রু ভাষাতেও ‘এলাহ’ বা ‘এলোহিম’ শব্দ দ্বারা আল্লাহকে ডাকা হত। আবার আরামিক ‘আলাহা’ শব্দ দিয়েও আল্লাহকে ডাকা হত, মানে এই শব্দগুলো দিয়ে ইংরেজি ”God’ শব্দের অর্থ বোঝায় সাধারণত। তবে ব্যবহারিকভাবে একক সত্ত্বা প্রভু বলতেই এসব শব্দ ব্যবহৃত হয়। ইসলাম পূর্ব আরবে ‘আল্লাহ’ শব্দ ব্যবহৃত হত সকল ‘দেবতাদের দেবতা’ হিসেবে; আবার সকল ‘দেবতাদের পিতা’ বা ‘দেবতাদের স্রষ্টা’ হিসেবে। এক কথায় আল্লাহ পৌত্তলিকদের কাছে এমন সত্ত্বা হিসেবে বিবেচিত হত যিনি ছিলেন অদৃশ্য, সকল কিছুর স্রষ্টা ও পরিচালক এবং যিনি দেবতাদের মধ্যে সবচেয়ে উচুু পর্যায়ে। এক কথায় বলতে গেলে আল্লাহ শব্দটি তৎকালীন আরবীয় ইহুদী-খ্রিস্টান-পৌত্তলিকরা তাদের স্রষ্টা ও পরিচালক হিসেবে ব্যবহার করত। কিন্তু পৌত্তলিকরা আল্লাহকে সর্ব্বোচ হিসেবে মানলেও সাথে সাথে অন্য দেবতা/দেবীদের পূজা করত, যেটা ইসলামিক/ইহুদী/খ্রিষ্টান একেশ্বরবাদী ধারণার পরিপন্থী।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  19. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    ‘লে-হালুয়া’ কথাটি কোন অর্থে ব্যবহার করা হয়? এই কথার উৎস কী?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    'লে হালুয়া' একটা স্ল্যাং। সময়ের পরিসরে ভাষা পরিবর্তন হয়। পুরনো কিছু শব্দ অতীতের গর্ভে হারিয়ে যায়, নতুন শব্দের অনুপ্রবেশ ঘটে। মানুষ যখন সৃজনশীলতায় তাদের নিজের মনের ভাব প্রকাশ করতে চায়, মজা করতে চায়, আবেগ প্রকাশ করতে চায়, বন্ধুবান্ধবকে ক্ষ্যাপাতে চায়, মানসিক দুরাবস্থার কথা প্রকাশ করতে চায় তবিস্তারিত পড়ুন

    ‘লে হালুয়া’ একটা স্ল্যাং। সময়ের পরিসরে ভাষা পরিবর্তন হয়। পুরনো কিছু শব্দ অতীতের গর্ভে হারিয়ে যায়, নতুন শব্দের অনুপ্রবেশ ঘটে।

    মানুষ যখন সৃজনশীলতায় তাদের নিজের মনের ভাব প্রকাশ করতে চায়, মজা করতে চায়, আবেগ প্রকাশ করতে চায়, বন্ধুবান্ধবকে ক্ষ্যাপাতে চায়, মানসিক দুরাবস্থার কথা প্রকাশ করতে চায় তখন নতুন নতুন স্ল্যাং ব্যবহার করতে থাকে।

    স্ল্যাং উৎপত্তি হয়, সিনেমা টেলিভিশন সিরিজ থেকে, নাটক, নভেল, সিনেমা, রেডিও এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের ভাষা থেকে। র‌্যপ এবং হিপ হপ ধরনের সংগীত থেকেও এ ধরনের শব্দ তৈরি হয়। ইদানিং ইন্টারনেট অগ্রনী ভুমিকা নিয়েছে।

    কোথায় কখন কোন স্ল্যাং চালু হবে তা আগেভাগে বলা যায়না। শামীম ওসমানের ‘এবার খেলা হবে’ স্ল্যাং‌ দেশের সীমানা ছাড়িয়ে গত ইলেকশনে পশ্চিম বাংলায় জায়গা করে নিয়েছিল। কাকলি ফার্নিচার প্রায় নতুন স্ল্যাং হিসাবে জন্ম নিতে বসেছিল।

    ‘আবার জিগায়’ বেশকিছুদিন মার্কেটে চালু আছে। ইদানিং, পশ্চিম বাংলায় মেয়েদেরকে অবমাননামূলক শব্দ আইটেম নামে অভিহিত করা হয়। বাংলাদেশেও তা আমদানি হতে চলছে। বাংলাদেশে বাসের হেলপারদের কল্যাণে সেডান গাড়ির নাম হচ্ছে প্লাস্টিক।

    বেশিরভাগ স্ল্যাংয়ের সুনির্দিষ্ট উৎস খুঁজে পাওয়া যায় না। সেভাবে অনেক প্রবাদ উপকথা, রূপকথা কে কখন শুরু করেছিল তার হদিস পাওয়া যায় না।

    বাংলাদেশের হালুয়া

    তবে লে হালুয়া স্ল্যাং যে হালুয়া থেকে আসেনি তা বলা যায়। হালুয়া আমাদের দেশের একটা মিষ্টির নাম। আরবদেশে বলে হালুয়া কিংবা হালুভা সব ধরনের মিষ্টির সাধারণ নাম। আমরা যেমন বলি মাছ ভাত, হিন্দি উর্দুভাষীরা বলেন হালুয়া-রুটি।

    আরবদেশের হালুয়া মধ্যে পেস্তা বাদাম

    লে হালুয়া অর্থ বিপর্যস্ত অবস্থা।‌ এত জনপ্রিয় মিষ্টিকে বিপর্যয়ের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে বলে মনে করা যায় না। হয়তো কোন সিনেমা নাটকের গল্পে, ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের মত কৌতুক অভিনেতার ব্যবহৃত স্ল্যাং মার্কেটে ঢুকে পড়েছে।

    হালুয়া ভিত্তিক স্ল্যাং, একটা ইংরেজি শব্দ সাহায্য নিয়ে অন্য আরেকটি স্ল্যাংয়ের জন্ম দিয়েছে–হালুয়া টাইট অর্থাৎ বিপদজনক অবস্থায় পড়া। এ পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে অন্য একটি স্ল্যাং চিপার মধ্যে পড়া। বাংলাদেশের একটি নদী বন্দর হালুয়াঘাট কি কারনে এই নামটির ধারণ করে আছে তা জানা যায়নি। ‌ ধারণা করা হয় এখানে ভালো মানের হালুয়া বিক্রি করা হয়।

    নামের উৎস না খুঁজে আমরা জনপ্রিয় মিষ্টি হালুয়া খুঁজে রসনাস্বাদনের দিকে মনোযোগ দিতে পারি।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  20. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    বিশ্বের সবচেয়ে দামি পারফিউম গুলোতে নাকি বিড়ালের মল ব্যবহার করা হয়-কথাটি কতটুকু সত্য? আর এটা ব্যবহার করে কেন?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    বেড়ালের মল নয় - Civet নামে এক ধরণের বেড়াল আছে, যাদের পুরুষ বেড়ালের perineal gland( অণ্ডকোষ ও মলদ্বারের মাঝের অঞ্চলে থাকা এক গ্রন্থি) থেকে নিসৃত রস কে Civet musk বলা হয়। এটি কস্তূরীর মতই একরকম সুগন্ধি। বর্তমানে পশু হিংসা বন্ধ করার জন্য সুগন্ধি দ্রব্যে আর প্রায় ব্যবহারই হয় না। অত্যন্ত দুর্মূল্য। তাই এবিস্তারিত পড়ুন

    বেড়ালের মল নয় – Civet নামে এক ধরণের বেড়াল আছে, যাদের পুরুষ বেড়ালের perineal gland( অণ্ডকোষ ও মলদ্বারের মাঝের অঞ্চলে থাকা এক গ্রন্থি) থেকে নিসৃত রস কে Civet musk বলা হয়। এটি কস্তূরীর মতই একরকম সুগন্ধি। বর্তমানে পশু হিংসা বন্ধ করার জন্য সুগন্ধি দ্রব্যে আর প্রায় ব্যবহারই হয় না। অত্যন্ত দুর্মূল্য। তাই এরই মতন গন্ধের রাসায়নিক আজকাল সুগন্ধি দ্রব্যে ব্যবহার করা হয়। আর ” তিমির বমি” বলে যা বলা হচ্ছে তা হচ্ছে ambergris . Sperm Whale স্কুইড বা ক্যাটেল ফিশ খেলে তাদের ধারালো ঠোঁট ইত্যাদি হজম হয় না। এবং পাকস্থলীতেই এইগুলোর চারপাশে দেহনির্গত নানারসের একটা আবরণ জন্মায়। একসময় সেটা দেহ থেকে মলের সঙ্গে বেরিয়ে যেতে পারে কিম্বা তিমিতির মৃত্যু হলে দেহ থেকে বেরতে পারে। এই ambergris সমুদ্রের জল,বাতাস ইত্যাদির সঙ্গে বিক্রিয়া করে ধীরে ধীরে বদলে যেতে থাকে। এটা মুলত তিন রকম রঙ ও অবস্থায় পাওয়া যায়। কালো ( সদ্য নির্গত), খয়েরি ( বেশ কিছুটা পরিণত) এবং ছাই ( সর্বাপেক্ষা পরিনত)। এর একটি নিজস্ব গন্ধ আছে। কস্তূরীর মতই। এটিও অত্যন্ত দুর্মূল্য। এর বদলে যে রাসায়নিকগুলি আজকের সুগন্ধি দ্রব্যে ব্যবহার করা হয় তাদের একটি হল Ambroxan.

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
1 2 3 4 5

Sidebar

লগ ইন করুন
  • জনপ্রিয়
  • উত্তর
  • Mithun

    নির্মাণকাজে মরুভূমির বালু কেন ব্যবহার করা হয়না?

    • 12 টি উত্তর
  • Hina Khan

    Is Telegram MOD APK safe to use? What are the ...

    • 9 টি উত্তর
  • shanto

    ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইন আবেদন, লাইসেন্সের অনলাইন কপি ডাউনলোড, লাইসেন্স হয়েছে ...

    • 8 টি উত্তর
  • Admin

    নতুন ক্যাটাগরি "SEO" যুক্ত হলো আড্ডাবাজে!

    • 7 টি উত্তর
  • Mahmudul

    একটি ঘোর লাগানো ছবি দেখাতে পারবেন কি?

    • 6 টি উত্তর
  • M Sarah
    M Sarah একটি উত্তর দিয়েছেন তাফসীরুল কুরআনিল আযীম বা তাফসীরে ইবনে কাসীর ইসলামী বিশ্বের অন্যতম… জুন 10, 2026, সময়ঃ 9:18 পূর্বাহ্ন
  • rakib
    rakib একটি উত্তর দিয়েছেন ২০২৬ সালে বাংলাদেশে বিয়ের গহনার দাম নির্ভর করে সোনার ক্যারেট,… মে 3, 2026, সময়ঃ 10:32 পূর্বাহ্ন
  • Jesmin
    Jesmin একটি উত্তর দিয়েছেন HSC ২০২৬ পরীক্ষা শুরু হতে মাত্র কয়েক সপ্তাহ বাকি। ২… এপ্রিল 27, 2026, সময়ঃ 2:01 অপরাহ্ন
  • Sinclair
    Sinclair একটি উত্তর দিয়েছেন When shopping for best sex dolls, most buyers tend to… এপ্রিল 17, 2026, সময়ঃ 3:10 পূর্বাহ্ন
  • ভবের হাট 🤘
    ভবের হাট 🤘 একটি উত্তর দিয়েছেন হ্যাঁ, Bestchange.com থেকে নিশ্চিতভাবে আয় করা সম্ভব। এটি মূলত একটি… এপ্রিল 15, 2026, সময়ঃ 2:13 অপরাহ্ন

জনপ্রিয় গ্রুপ

  • মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    • 4 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 106 বার প্রদর্শিত
  • CT Game Review

    CT Game Review

    • 3 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 1,093 বার প্রদর্শিত
  • Earn Money

    • 3 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 156 বার প্রদর্শিত
  • Knowledge World

    Knowledge World

    • 3 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 117 বার প্রদর্শিত
  • Crazy Time Fun

    Crazy Time Fun

    • 2 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 79 বার প্রদর্শিত

চলতি মাসের সেরা ইউজার

M Sarah

M Sarah

  • 0 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
wwwqrb.transfer702.pages.dev - WITHDRAW FUNDS 1.2809 BTC d

wwwqrb.transfer702.pages.dev - WITHDRAW FUNDS 1.2809 BTC d

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
wwwgsb.transfer702.pages.dev - BTC TRANSFER 94858 USDT m

wwwgsb.transfer702.pages.dev - BTC TRANSFER 94858 USDT m

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
wwwisr.transfer702.pages.dev - YOUR BALANCE 90353 USDC p

wwwisr.transfer702.pages.dev - YOUR BALANCE 90353 USDC p

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
wwwkeb.transfer702.pages.dev - CHECK BALANCE 1.2315 BTC z

wwwkeb.transfer702.pages.dev - CHECK BALANCE 1.2315 BTC z

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
লগ ইন করুন

Explore

  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

Footer

AddaBuzz.net

আড্ডাবাজ একটি সামাজিক প্রশ্নোত্তর ইঞ্জিন। যেখানে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে একে অপরের জ্ঞান আদান-প্রদান হয়। প্রশ্ন করুন, উত্তর দিন, জ্ঞান ভাগাভাগি করুন।

Adv 234x60

aalan

আমাদের সম্পর্কিত

  • আমাদের টিম
  • আমাদের লক্ষ্য

লিগ্যাল স্টাফ

  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions
  • Data Deletion Instructions

সাহায্য

  • Knowledge Base
  • Contact us

আমাদের ফলো করুন

© 2026 AddaBuzz. All Rights Reserved
With Love by AddaBuzz.net

✕
🔔 নোটিফিকেশন চালু করুন নতুন প্রশ্নোত্তর ও ব্লগ আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন