সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
কিছু মর্মস্পর্শী ছবি বা ঘটনা জানাবেন কি?
কংকালগুলো ৪০০০ বছরের পুরনো। দুটো ছবির ক্ষেত্রেই একজন মা তার সন্তানকে রক্ষা করার চেষ্টা করছেন ২০০০ খৃষ্টপূর্বাব্দে চায়নায় ঘটে যাওয়া একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের হাত থেকে। এটি এতটাই শক্তিশালী ভূকম্পন ছিলো যে এর ফলে বিশাল বন্যার সৃষ্টি হয়। এমন একটি ঘটনা যাকে কখনও কখনও 'চীনের পম্পেই' হিসাবে উল্লেখ করা হয়।বিস্তারিত পড়ুন
কংকালগুলো ৪০০০ বছরের পুরনো।

দুটো ছবির ক্ষেত্রেই একজন মা তার সন্তানকে রক্ষা করার চেষ্টা করছেন ২০০০ খৃষ্টপূর্বাব্দে চায়নায় ঘটে যাওয়া একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের হাত থেকে। এটি এতটাই শক্তিশালী ভূকম্পন ছিলো যে এর ফলে বিশাল বন্যার সৃষ্টি হয়। এমন একটি ঘটনা যাকে কখনও কখনও ‘চীনের পম্পেই’ হিসাবে উল্লেখ করা হয়।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনআপনি এমন কী জানেন, যা বেশিরভাগ লোকই জানেন না?
ছবির ছেলেটাকে চেনেন? মাঝখানের জনকে? বলতে গেলে ঢাকার সবচেয়ে বড় লোক পরিবারের ছেলে ছিল। তখনকার দিনে যখন ১ম শ্রেণীর অফিসারের বেতন ছিল খুব বেশি হলে ৫০০-৬০০ টাকা, সে এলভিস প্রিসলির গান শোনার জন্য এক ধাক্কায় ১০০০ টাকার রেকর্ড কিনে আনতো। তাদের বাড়িতে হরিণ ছিল, সরোবরে সাঁতার কাটত ধবল রাজহাঁস, মশলার বাগান থেকবিস্তারিত পড়ুন
ছবির ছেলেটাকে চেনেন? মাঝখানের জনকে?
বলতে গেলে ঢাকার সবচেয়ে বড় লোক পরিবারের ছেলে ছিল। তখনকার দিনে যখন ১ম শ্রেণীর অফিসারের বেতন ছিল খুব বেশি হলে ৫০০-৬০০ টাকা, সে এলভিস প্রিসলির গান শোনার জন্য এক ধাক্কায় ১০০০ টাকার রেকর্ড কিনে আনতো। তাদের বাড়িতে হরিণ ছিল, সরোবরে সাঁতার কাটত ধবল রাজহাঁস, মশলার বাগান থেকে ভেসে আসত দারুচিনির গন্ধ(ডাকে পাখি খোলো আঁখি, এই গানটার শুটিং হয়েছিল তাদের বাড়িতে)।
জ্বী হ্যা, আমি মাগফার উদ্দিন চৌধুরী আজাদ এর কথা বলছি।
আজাদ ক্লাস সিক্সে পড়ে, সেন্ট গ্রেগরি। ১৯৬০ এর দশক। আজাদের বাবা আরেকটা বিয়ে করবেন। আজাদের মা বললেন, তুমি বিয়ে করবে না, যদি করো, আমি একমাত্র ছেলে আজাদকে নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাব। আজাদের বাবা আরেকটা বিয়ে করলে আজাদের মা সাফিয়া তার বালকপুতের হাত ধরে ওই রাজপ্রাসাদ পরিত্যাগ করেন এবং একটা পর্ণকুটীরে আশ্রয় নেন। ছেলেকে লেখাপড়া শেখান। আজাদ ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্ন্তজাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে মাস্টার্স পাস করে।
তার বন্ধুরা যোগ দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধে, ফিরে এসেছে আগরতলা থেকে, ট্রেনিং নিয়ে। তার ঢাকায় গেরিলা অপারেশন করে। বন্ধুরা আজাদকে বলল, চল, আমাদের সাথে, অপারেশন করবি। তুই তো বন্দুক পিস্তল চালাতে জানিস। তোর আব্বার তো বন্দুক আছে, পিস্তল আছে, তুই সেগুলো দিয়ে অনেকবার শিকার করেছিস।
আজাদ বলল, এই জগতে মা ছাড়া আমার কেউ নেই, আর মায়েরও আমি ছাড়া আর কেউ নেই। মা অনুমতি দিলেই কেবল আমি যুদ্ধে যেতে পারি।
মাকে আজাদ বলল, মা, আমি কি যুদ্ধে যেতে পারি?
মা বললেন, নিশ্চয়ই, তোমাকে আমার প্রয়োজনের জন্য মানুষ করিনি, দেশ ও দশের জন্যই তোমাকে মানুষ করা হয়েছে।
আজাদ যুদ্ধে গেল।
দুটো অপারেশনে অংশ নিল। তাদের বাড়িতে অস্ত্র লুকিয়ে রাখা হলো। গেরিলারা আশ্রয় নিল।
১৯৭১ সালের ৩০ আগস্ট। ধরা পড়ে ক্র্যাক প্লাটুনের একদল সাহসী মুক্তিযোদ্ধা। সেসময় আজাদকেও আটক করা হয়। তাকে ধরে নিয়ে রাখা হলো রমনা থানা সংলগ্ন ড্রাম ফ্যাক্টরি সংলগ্ন এম.পি হোস্টেলের মিলিটারি টর্চার সেলে।
গরাদের ওপারে দাড়িয়ে থাকা আজাদকে তার মা চিনতে পারেন না। প্রচণ্ড মারের চোটে চোখমুখ ফুলে গেছে, ঠোঁট কেটে ঝুলছে, ভুরুর কাছটা কেটে গভীর গর্ত হয়ে গেছে।
–“মা, কি করব? এরা তো খুব মারে। স্বীকার করতে বলে সব। সবার নাম বলতে বলে।“
–“বাবা, তুমি কারোর নাম বলোনি তো?
–না মা, বলি নাই। কিন্তু ভয় লাগে, যদি আরও মারে, যদি বলে দেই…
–বাবারে, যখন মারবে, তুমি শক্ত হয়ে থেকো। সহ্য করো। কারো নাম বলো না।
–আচ্ছা মা। ভাত খেতে ইচ্ছে করে। দুইদিন ভাত খাই না। কালকে ভাত দিয়েছিল, আমি ভাগে পাই নাই।
–আচ্ছা, কালকে যখন আসব, তোমার জন্য ভাত নিয়ে আসব।
সাফিয়া বেগমের ভেতরটা দুমড়ে-মুচড়ে যায়। গায়ে হাত তোলা তো দূরে থাক, ছেলের গায়ে একটা ফুলের টোকা লাগতে দেননি কোনোদিন। সেই ছেলেকে ওরা এভাবে মেরেছে… এভাবে…
মুরগির মাংস, ভাত, আলুভর্তা আর বেগুনভাজি টিফিন ক্যারিয়ারে ভরে পরদিন সারারাত রমনা থানায় দাড়িয়ে থাকেন সাফিয়া বেগম, কিন্তু আজাদকে আর দেখতে পাননি। তেজগাঁও থানা, এমপি হোস্টেল, ক্যান্টনমেন্ট-সব জায়গায় খুজলেন, হাতে তখন টিফিন ক্যারিয়ার ধরা, কিন্তু আজাদকে আর খুঁজে পেলেন না।
ছেলে একবেলা ভাত খেতে চেয়েছিলেন। মা পারেননি ছেলের মুখে ভাত তুলে দিতে। সেই কষ্ট-যাতনা থেকে পুরো ১৪টি বছর ভাত মুখে তুলেন নি মা! তিনি অপেক্ষায় ছিলেন ১৪ টা বছর ছেলেকে ভাত খাওয়াবেন বলে। বিশ্বাস ছিলো তাঁর আজাদ ফিরবে। ছেলের অপেক্ষায় শুধু ভাতই নয়, ১৪বছর তিনি কোন বিছানায় শোন নি। শানের মেঝেতে শুয়েছেন শীত গ্রীষ্ম কোন কিছুতেই তিনি পাল্টান নি তার এই পাষাণ শয্যা। আর এর মুল কারণ আজাদ রমনা থানায় আটককালে বিছানা পায়নি।
প্রজন্ম কিংবদন্তি আজাদদের চিনেনা, চিনে হলিউডের অ্যাকশন চলচ্চিত্র।
ভালো থাকুক জীবনের প্রেমগুলো। ভালো থেকো কিংবদন্তী।”
[লেখাটি প্রিয় লেখক ‘আনিসুল হক’ এর “মা” বই থেকে নেওয়া হয়েছে।]
সৌজন্যে—লেখক আনিসুল হকের ফেসবুক পেজ
সংক্ষেপে দেখুনসূর্যমুখী ফুল সবসময় সূর্যের দিকে মুখ ঘুরিয়ে থাকে কেন ?
গাছের বৃদ্ধি ও শারীরিক কার্যকলাপের জন্য বিভিন্ন ধরণের হরমোন সাহায্য করে। এমনি একটি হরমোন হল অক্সিন। অক্সিন হরমোনের নানা ধরণের কাজের মধ্য রয়েছে কান্ড ও পাতার বৃদ্ধি। এই অক্সিন হরমোনই আবার ফটোট্রপিক ক্রিয়ার জন্য দায়ী। আলোর সাথে উদ্ভিদের যে ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া তাই-ই হল ফটোট্রপিক ক্রিয়া। অক্সিন হরমোনের যবিস্তারিত পড়ুন
গাছের বৃদ্ধি ও শারীরিক কার্যকলাপের জন্য বিভিন্ন ধরণের হরমোন সাহায্য করে। এমনি একটি হরমোন হল অক্সিন। অক্সিন হরমোনের নানা ধরণের কাজের মধ্য রয়েছে কান্ড ও পাতার বৃদ্ধি। এই অক্সিন হরমোনই আবার ফটোট্রপিক ক্রিয়ার জন্য দায়ী। আলোর সাথে উদ্ভিদের যে ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া তাই-ই হল ফটোট্রপিক ক্রিয়া।
অক্সিন হরমোনের যে পাশে সূর্যের আলো পড়েনা অর্থাৎ যে পাশে ছায়া থাকে সে পাশে দ্রুত বৃদ্ধি পায়। এটি উদ্ভিদের যে অংশে থাকে সেখানে pH এর পরিমান কমিয়ে দেয়। ফলে এর সেলুলোজ কোষগুলো ফেটে যায়। ফলে অতিরিক্ত চাপের সৃষ্টি হয়। এই চাপই সূর্যমুখী ফুলকে সূর্যের দিকে ঘুরতে বাধ্য করে। পরিপূর্ণ সূর্যমুখী ফুল কিন্তু ঘুরে না, পূর্বদিকে মুখ করে রাখে।
সংক্ষেপে দেখুনঅরিগ্যামি মানে কি?
অরিগামি (জাপানি: 折り紙) হলো কাগজের এক ধরনের কাজ, যা জাপানি সংস্কৃতির সাথে জড়িত। তবে আধুনিক ব্যবহারে "অরিগামি" শব্দটি কাগজের কাজসহ এরকম সকল কাজকেই বোঝানো হয়। অরিগামির কাজ হলো কাগজকে বিভিন্ন প্রক্রিয়াতে নানান রূপ দেওয়া। অতীতে অরিগামি কাগজ কেটে বানানো হলেও বর্তমানে আঠা, কাঁচি ব্যবহার নিরুৎসাহিত করা হবিস্তারিত পড়ুন
অরিগামি (জাপানি: 折り紙) হলো কাগজের এক ধরনের কাজ, যা জাপানি সংস্কৃতির সাথে জড়িত।

সংক্ষেপে দেখুনতবে আধুনিক ব্যবহারে “অরিগামি” শব্দটি কাগজের কাজসহ এরকম সকল কাজকেই বোঝানো হয়। অরিগামির কাজ হলো কাগজকে বিভিন্ন প্রক্রিয়াতে নানান রূপ দেওয়া। অতীতে অরিগামি কাগজ কেটে বানানো হলেও বর্তমানে আঠা, কাঁচি ব্যবহার নিরুৎসাহিত করা হয়।
সূত্রঃ উইকিপিডিয়া
আরও ভালোভাবে বুঝতে চাইলে নিচের ভিডিওটি দেখতে পারেন।
কলাগাছ কে কেনো গাছ বলা যায়না?
কলা গাছ রাইজোম জাতীয় উদ্ভিদ। এর কান্ড আদা বা হলুদের মত মাটির নিচে থাকে। আমরা যেটা দেখি সেটা মূলত পাতা যা জাড়াজড়ি করে উপরে উঠে কান্ডের ন্যায় ধারণ করে। তাই কলা গাছ গাছ না, পাতা। আর বলাই বাহুল্য কলার পাতাই পৃথিবীর সবথেকে লম্বা পাতা।
কলা গাছ রাইজোম জাতীয় উদ্ভিদ। এর কান্ড আদা বা হলুদের মত মাটির নিচে থাকে। আমরা যেটা দেখি সেটা মূলত পাতা যা জাড়াজড়ি করে উপরে উঠে কান্ডের ন্যায় ধারণ করে। তাই কলা গাছ গাছ না, পাতা। আর বলাই বাহুল্য কলার পাতাই পৃথিবীর সবথেকে লম্বা পাতা।
সংক্ষেপে দেখুনএকটা গাছে একটা ফলই ধরে এবং ফল দিয়ে গাছটি মারা যায়? কোন গাছ
একটা গাছে একটা ফল ধরে এমন গাছ সম্ভবত আনারস। কিন্তু আপনি প্রশ্নটিতে সম্ভবত "একবার ফল ধরে" এরকম বলতে চেয়েছিলেন। যদি সেটাই হয় তাহলে এর উত্তর হবে আনারস। প্রশ্ন করার আগে একবার যাচাই করে নিলে ভালো হতো। ধন্যবাদ!
একটা গাছে একটা ফল ধরে এমন গাছ সম্ভবত আনারস। কিন্তু আপনি প্রশ্নটিতে সম্ভবত “একবার ফল ধরে” এরকম বলতে চেয়েছিলেন। যদি সেটাই হয় তাহলে এর উত্তর হবে আনারস। প্রশ্ন করার আগে একবার যাচাই করে নিলে ভালো হতো।
সংক্ষেপে দেখুনধন্যবাদ!
আমাদের দেশে “বাসর রাতে বিড়াল মারা” বলে একটা প্রবাদ প্রচলিত আছে এটি মানে কি?
বাসর রাতে বিড়াল মারা বলতে স্ত্রীকে বশ করা (আরো সোজা কথায় স্ত্রীর সাথে বাসর রাতে শাররীক মিলন করা) বুঝায়। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ছেলেকে তার সমবয়সী বিবাহিত বন্ধুরা বিড়াল মারার নানান বুদ্ধি ফ্রি তে দান করে থাকে। অপর দিকে মেয়ের বড় বোন/ভাবী/দাদী শ্রেনীর আত্মীয়রা বিড়ালনা মেরে বাঘ/স্বামী মহাশয়কে কিবিস্তারিত পড়ুন
বাসর রাতে বিড়াল মারা বলতে স্ত্রীকে বশ করা (আরো সোজা কথায় স্ত্রীর সাথে বাসর রাতে শাররীক মিলন করা) বুঝায়। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ছেলেকে তার সমবয়সী বিবাহিত বন্ধুরা বিড়াল মারার নানান বুদ্ধি ফ্রি তে দান করে থাকে। অপর দিকে মেয়ের বড় বোন/ভাবী/দাদী শ্রেনীর আত্মীয়রা বিড়ালনা মেরে বাঘ/স্বামী মহাশয়কে কি করে ধরাশায়ী করা যায় তার কুট-কৌশল শিক্ষা দিয়ে থাকেন।
কথার ধরনে অবশ্যই অনুমান করতে পারছেন এটি যেন একপ্রকার যুদ্ধ-যুদ্ধ পরিস্থিতি!
সংক্ষেপে দেখুনবাংলা স্বরবর্ণ থেকে ৯-এর মতো দেখতে ‘লি’-কে কেন বাদ দেওয়া হয়েছে? কেনই বা ছিলো?
১৭৬৮ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত হালেদের বইয়ে স্বরবর্ণের সংখ্যা ছিল ১৬। পরবর্তী প্রায় একশত বছর মদনমোহনের শিশুশিক্ষা প্রথম ভাগ পর্যন্ত স্বরবর্ণের সংখ্যা ১৬টিই ছিল। এগুলো হলো অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, ৠ, ঌ, ৡ, এ, ঐ, ও, ঔ, অ০, অঃ। বিদ্যাসাগর এই সংখ্যা কমিয়ে ১২তে নামালেন। তিনি ভূমিকায় লিখলেন: "বহূকালাবধি বর্ণমবিস্তারিত পড়ুন
১৭৬৮ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত হালেদের বইয়ে স্বরবর্ণের সংখ্যা ছিল ১৬। পরবর্তী প্রায় একশত বছর মদনমোহনের শিশুশিক্ষা প্রথম ভাগ পর্যন্ত স্বরবর্ণের সংখ্যা ১৬টিই ছিল। এগুলো হলো অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, ৠ, ঌ, ৡ, এ, ঐ, ও, ঔ, অ০, অঃ। বিদ্যাসাগর এই সংখ্যা কমিয়ে ১২তে নামালেন। তিনি ভূমিকায় লিখলেন:
“বহূকালাবধি বর্ণমালা ষোল স্বর ও চৌত্রিশ ব্যঞ্জন এই পঞ্চাশ অক্ষরে পরিগণিত ছিল। কিন্তু বাঙ্গালা ভাষায় দীর্ঘ ৠ-কার ও দীর্ঘ ৡ-কারের প্রয়োজন নাই। এই নিমিত্ত ঐ দুই বর্ণ পরিত্যক্ত হইয়াছে। আর সবিশেষ অনুধাবন করিয়া দেখিলে অনুস্বার ও বিসর্গ স্বরবর্ণ মধ্যে পরিগণিত হইতে পারে না। এই নিমিত্ত ঐ দুই বর্ণ ব্যঞ্জনবর্ণ মধ্যে পঠিত হইয়াছে। আর চন্দ্রবিন্দুকে ব্যঞ্জনবর্ণস্থলে এক স্বতন্ত্র বর্ণ বলিয়া গণনা করা গিয়াছে। “ড, ঢ, য এই তিন ব্যঞ্জনবর্ণ পদের মধ্যে অথবা পদের অন্তে থাকিলে, ড়, ঢ়, য় হয়।
বিদ্যাসাগরের এই মৌলিক সংস্কারের ১২৫ বছর পর স্বরবর্ণে মাত্র আর একটি সংস্কার ঘটেছে, তাহলো ঌ বর্ণটি বাদ দেওয়া। এখন স্বরবর্ণ ১১টি। ব্যঞ্জনবর্ণ ছিল ৩৪টি। বিদ্যাসাগর তাতে নতুনভাবে ছয়টি বর্ণ যুক্ত করেন। অনুস্বার ও বিসর্গকে স্বরবর্ণ থেকে ব্যঞ্জনবর্ণে নিয়ে এসে চন্দ্রবিন্দুকেও যোগ করে দিলেন। ড, ঢ, য-এর দ্বিবিধ উচ্চারণের ক্ষেত্রে নিচে ফুটকি বা শুন্য দিয়ে নতুন তিনটি ব্যঞ্জন অক্ষর আবিষ্কার করলেন। তা ছাড়া বিদ্যাসাগর দেখলেন, “বাঙ্গালা ভাষায় একারের ত, ত্ এই দ্বিবিধ কলেবর প্রচলিত আছে।” তাই এটিকেও ব্যঞ্জনবর্ণে যুক্ত করেছেন। আর ক্ষ যেহেতু ক ও ষ মিলে হয় “সুতরাং উহা সংযুক্তবর্ণ, এ জন্য অসংযুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণ গণনাস্থলে পরিত্যক্ত হইয়াছে।” এভাবে তার হাতে ব্যঞ্জনবর্ণ হলো ৪০টি। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ঌ-এর মতই শুধু অন্তঃস্থ ‘ব’ বর্ণটি বাদ যায়। এখন ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি।
সূত্রঃ উইকিপিডিয়া
সংক্ষেপে দেখুনএকজন বিখ্যাত কবি এবং নাট্যকার ইংরেজি ভাষায় ১,০০০ এরও বেশি শব্দ যোগ করেছেন, কে তিনি?
উইলিয়াম শেক্সপিয়র ইংরেজি ভাষায় ১,০০০ এরও বেশি শব্দ যোগ করেছেন। আমাদের মধ্যে প্রায় সবাই উইলিয়াম শেক্সপিয়র সম্পর্কে জানেন। শেক্সপিয়র হলেন ষোড়শ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত কবি এবং নাট্যকার।
উইলিয়াম শেক্সপিয়র ইংরেজি ভাষায় ১,০০০ এরও বেশি শব্দ যোগ করেছেন। আমাদের মধ্যে প্রায় সবাই উইলিয়াম শেক্সপিয়র সম্পর্কে জানেন। শেক্সপিয়র হলেন ষোড়শ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত কবি এবং নাট্যকার।
সংক্ষেপে দেখুননতুন কলম দিয়ে কিছু লিখতে বললে ৮০% লোক প্রথম কি লিখবে?
নিজের নাম লিখবে।
নিজের নাম লিখবে।
সংক্ষেপে দেখুনআল কুরআনের সর্ব প্রথম হাফিজ কে?
প্রথম কুরআনের হাফেজ ছিলেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)।
প্রথম কুরআনের হাফেজ ছিলেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)।
সংক্ষেপে দেখুনবাইরে থেকে শক্ত। কিন্তু ভিতর থেকে নরম। আমার নাম ইংরেজির “c” অক্ষর দিয়ে শুরু হয়ে শেষ হয় ইংরেজির “t” অক্ষর দিয়ে। কে আমি বলুন দেখি?
এর উত্তর ডাব অর্থাৎ Coconut হবে।
এর উত্তর ডাব অর্থাৎ Coconut হবে।
সংক্ষেপে দেখুনআমি লম্বা এবং শক্ত। ভিতরে কিন্তু নরম। আর গায়ের রং হলকা সবুজ। কে আমি বলতে পারেন? উত্তর: শসা।
উত্তর তো আপনি দিয়েই দিলেন! 🤣🤣😂
উত্তর তো আপনি দিয়েই দিলেন! 🤣🤣😂
সংক্ষেপে দেখুননিরানব্বই টাকা নিয়ে বাজারে গেলো । চল্লিশ টাকা খরচ হলো। হাতে কত টাকা রইলো?
এখানে যেহেতু "নিরানব্বই টাকা নিয়ে গেল" বলা হয়েছে তাহলে টাকাটা কেউ না কেউ নিয়ে বাজারে গিয়েছে। তাই নিরা কে আলাদা করলে একটি নাম হয় আর সে-ই নব্বই টাকা নিয়ে বাজারে গিয়েছে। সুতরাং নিরা যদি নব্বই টাকা নিয়ে বাজারে গিয়ে চল্লিশ টাকা খরচ করে ফেলে তাহলে হাতে পঞ্চাশ টাকা থাকার কথা। অর্থাৎ "৫০" টাকা রইলো।
এখানে যেহেতু “নিরানব্বই টাকা নিয়ে গেল” বলা হয়েছে তাহলে টাকাটা কেউ না কেউ নিয়ে বাজারে গিয়েছে। তাই নিরা কে আলাদা করলে একটি নাম হয় আর সে-ই নব্বই টাকা নিয়ে বাজারে গিয়েছে। সুতরাং নিরা যদি নব্বই টাকা নিয়ে বাজারে গিয়ে চল্লিশ টাকা খরচ করে ফেলে তাহলে হাতে পঞ্চাশ টাকা থাকার কথা। অর্থাৎ “৫০” টাকা রইলো।
সংক্ষেপে দেখুনএকটি দোয়েলের দাম দুই টাকা হলে তিনটি হরিণের দাম কত?
২ টাকার নোটে ১টি দোয়েল । ১ টাকার নোটে তিনটি হরিন আছে। তাই দোয়েলের মূল্য ২ টাকা হলে তিনটি হরিনের মূল্য ১ টাকা।
২ টাকার নোটে ১টি দোয়েল । ১ টাকার নোটে তিনটি হরিন আছে। তাই দোয়েলের মূল্য ২ টাকা হলে তিনটি হরিনের মূল্য ১ টাকা।
সংক্ষেপে দেখুনযখন ওকে দেখে হাসি, সে ও হাসে আমাকে দেখে। আমি চোখ মারলে, সে-ও মারে। আবার আমি তাকে চুমু খেলে সে-ও আমায় সমান আগ্রহে চুমু খায়। কে সে বলতে পারেন?
আয়নায় আমার প্রতিবিম্ব এমনটাই করবে। যদিও আমি এরকম ভঙ্গি কখনোই করবো না। 😜
আয়নায় আমার প্রতিবিম্ব এমনটাই করবে। যদিও আমি এরকম ভঙ্গি কখনোই করবো না। 😜
সংক্ষেপে দেখুনছেলেদের প্যান্টে এমন কী থাকে, যা মেয়েদের ড্রেসে থাকে না?
উত্তর হবে পকেট। তবে এখন মেয়েদের জিন্সগুলোতে পকেট থাকে। তাই এ ধাঁধা অনেক পুরনো হয়ে গেছে।
উত্তর হবে পকেট। তবে এখন মেয়েদের জিন্সগুলোতে পকেট থাকে। তাই এ ধাঁধা অনেক পুরনো হয়ে গেছে।
সংক্ষেপে দেখুনPHP কেন শিখবো?
PHP এর জন্মলগ্ন থেকেই জনপ্রিয় একটি ল্যাংগুয়েজ। PHP শেখার অনেকগুলো কারণ রয়েছে। তবে আমি সেগুলোর কিছু অংশ তুলে ধরছি এখানে। এরফলে যদি পিএইচপি শেখার ব্যপারে আপনাকে উৎসাহী করে তুলতে পারি তাহলেই আমি সার্থক! চলুন শুরু করা যাক... PHP ওপেনসোর্স। যেকোন সাধারণ মানের এডিটরে লেখা সম্ভব। Facebook, Flickr, Yahoo, Mবিস্তারিত পড়ুন
PHP এর জন্মলগ্ন থেকেই জনপ্রিয় একটি ল্যাংগুয়েজ। PHP শেখার অনেকগুলো কারণ রয়েছে। তবে আমি সেগুলোর কিছু অংশ তুলে ধরছি এখানে। এরফলে যদি পিএইচপি শেখার ব্যপারে আপনাকে উৎসাহী করে তুলতে পারি তাহলেই আমি সার্থক! চলুন শুরু করা যাক…
PHP ওপেনসোর্স। যেকোন সাধারণ মানের এডিটরে লেখা সম্ভব।
Facebook, Flickr, Yahoo, MailChimp এবং Wikipedia সহ আজকের সবচেয়ে বড় ওয়েব প্ল্যাটফর্মগুলি তাদের এন্ড-টু-এন্ড কম্পিউটিং পরিকাঠামোতে PHP ব্যবহার করে।
PHP শেখা অন্যান্য প্রোগ্রামিং লেংগুয়েজ গুলোর তুলনায় সহজ। এটি খুবই দ্রুতগতিতে প্রোগ্রাম রান করতে পারে।
PHP-এর চাহিদা বাড়ার সাথে সাথে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানগুলো একটি নিখুঁত ওয়েব অ্যাপ ডেভলপের জন্য নতুন PHP ওয়েব ডেভেলপার খুঁজছে।
PHP এর ব্যবহার ওয়েবে প্রায় সর্বত্র। অনুমান করা হয় যে PHP একটি স্বীকৃত সার্ভার-সাইড প্রোগ্রামিং ভাষা যা সমস্ত ওয়েবসাইটগুলির 79.1% পিএইচপি ব্যবহার করে।
স্ট্যাটিক এবং ডাইনামিক উভয় ওয়েব পেজ এবং ওয়েব-ভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পিএইচপি ব্যবহার করা যেতে পারে।
পিএইচপি বিভিন্ন ডাটাবেস যেমন ওরাকল, মাইএসকিউএল, এবং এমএস অ্যাক্সেস সমর্থন করে এবং প্রোটোকল যেমন HTTP, LDAP, POP3, IMAP, NNTP, SNM এবং COM ব্যবহার করে অন্যান্য পরিষেবাগুলির সাথে যোগাযোগ করার জন্য একে ডিজাইন করা হয়েছে।
PHP দ্বারা পরিচালিত কিছু সেরা ওয়েব কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (CMS) হল ওয়ার্ডপ্রেস এবং এর প্লাগইন, ড্রুপাল, জুমলা, ফেসবুক, মিডিয়াউইকি, সিলভারস্ট্রাইপ এবং ডিগ-এর ইউজার ইন্টারফেস।
যেকোন ইকমার্স ওয়েবসাইট অনায়াসেই PHP দিয়ে তৈরি করা সম্ভব। Magento, OpenCart, Zen Cart, PrestaShop, AgoraCart, এবং Ubercart এর মত জনপ্রিয় ইকমার্স প্ল্যাটফর্মগুলি হল PHP-এর ব্যবহারিক অ্যাপ্লিকেশন।
পিএইচপি-এর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার হতে পারে ডেস্কটপ গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস (GUI) ভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশন তৈরির জন্য।
Imagine, GD Library এবং Image Magic এর মতো বিভিন্ন ইমেজ প্রসেসিং লাইব্রেরিগুলিকে পিএইচপি অ্যাপ্লিকেশনগুলির সাথে একীভূত করা যেতে পারে যাতে ইমেজ প্রক্রিয়াকরণ বৈশিষ্ট্যগুলির একটি বিস্তৃত পরিসরের অনুমতি দেওয়া যায়, যার মধ্যে রয়েছে রোটেটিং, ক্রপিং, রিসাইজ, ওয়াটারমার্ক যোগ করা, থাম্বনেইল ছবি তৈরি করা এবং অনেক ফর্ম্যাটে আউটপুট ছবি তৈরি করা। আউটপুট চিত্রগুলির বিভিন্ন ফরমেট jpeg, gif, wbmp, xpm এবং png হতে পারে। শক্তিশালী ওয়েবসাইট এবং ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন তৈরির জন্য এটি একটি অপরিহার্য পূর্বশর্ত।
চার্ট, গ্রাফ ইত্যাদি তৈরিতে PHP সাবলীলভাবে ব্যবহারযোগ্য। এই বৈশিষ্ট্যটি সাধারণত ক্লায়েন্ট-সাইড ইকমার্স ওয়েবসাইট, ডেস্কটপ অ্যাপ্লিকেশন এবং অন্যান্য বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন জুড়ে ব্যবহৃত হয় যেখানে ডেটা সংক্ষিপ্তভাবে এবং গ্রাফিকভাবে উপস্থাপন করতে হয়।
পিডিএফ ফাইল তৈরি করা পিএইচপি এর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা। PDFLib নামক একটি বিল্ট-ইন লাইব্রেরি টুল পিএইচপি ব্যবহার করে পিডিএফ ফাইল তৈরি এবং ম্যানিপুলেট পারে। এটি একটি অনলাইন ইনভয়েসিং সিস্টেম তৈরি করতে সাহায্য করে যেখানে আমরা PDF (পোর্টেবল ডকুমেন্ট ফরম্যাট) ফাইলে একটি HTML-চালিত চালান তৈরি করতে পারি।
এইচটিএমএল এর সাথে পিএইচপি এম্বেড করা যায় এটি নতুন প্রোগ্রামারদের জন্য আরেকটি সুবিধা।
এবার আপনি আমাকে বলুন কেন আপনি PHP শিখবেন না?
আপনাকে ধন্যবাদ আমাকে উত্তর দেয়ার আগ্রহ তৈরি করানোর জন্য!
সংক্ষেপে দেখুনবন্ধুর কাছে টাকা পাই। বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও কাজ হচ্ছে না। কিভাবে টাকা ফেরত পেতে পারি ?
বিপদে আপদে একে অন্যের পাশে দাঁড়াবে, এটাই মনুষ্যত্বের ধর্ম। এই দাবি রক্ষার্থেই অন্যের বিপদে আমরা ঝাঁপিয়ে পড়ি। অন্যকে সাহায্য করতে গিয়ে নিজে বিপদে পড়ার ঘটনাও আজকাল অহরহই ঘটছে। এই যেমন মনে করুন- কাছের বন্ধু বা সহকর্মীর প্রয়োজনে টাকা ধার দিয়েছেন, সময়মতো শোধ করবে সে নিশ্চয়তাও পেয়েছেন; কিন্তু শোধেরবিস্তারিত পড়ুন
বিপদে আপদে একে অন্যের পাশে দাঁড়াবে, এটাই মনুষ্যত্বের ধর্ম। এই দাবি রক্ষার্থেই অন্যের বিপদে আমরা ঝাঁপিয়ে পড়ি। অন্যকে সাহায্য করতে গিয়ে নিজে বিপদে পড়ার ঘটনাও আজকাল অহরহই ঘটছে। এই যেমন মনে করুন- কাছের বন্ধু বা সহকর্মীর প্রয়োজনে টাকা ধার দিয়েছেন, সময়মতো শোধ করবে সে নিশ্চয়তাও পেয়েছেন; কিন্তু শোধের তারিখ যতই ঘনিয়ে আসছে, বন্ধুর চেহারা ততই পাল্টে যাচ্ছে।
১. এসব ব্যাপারে একদমই লজ্জা করতে নেই
লজ্জা ভুলে যদি আপনার বন্ধু টাকা চাইতে পারে, সে টাকা ফেরত নেয়ার জন্য আপনি কেন লজ্জা পাবেন! পাওনা টাকা ফেরত চাওয়ার ক্ষেত্রে লজ্জাকে পাত্তা দেবেন না।
২. নির্ধারিত সময়ের আগেই শোধের কথা মনে করিয়ে দিন
পাওনা টাকা হাতে পাওয়ার জন্য এটি একটি কার্যকরী উপায়। যে তারিখে টাকা শোধ দেয়ার কথা সেই তারিখের কিছু আগে বন্ধু বা সহকর্মীকে রিমাইন্ডার দিন। বলে দিন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই টাকা আপনার প্রয়োজন।
৩. সম্পর্ক ভাঙবেন না, টাকাও ছাড়বেন না
প্রিয় বন্ধু বা সহকর্মী অথবা নিকট কোনো আত্মীয়ের ক্ষেত্রে দেখা যায়, পাওনা টাকা চাওয়া কিংবা নির্ধারিত সময়ের আগে টাকা শোধের কথা মনে করিয়ে দেওয়াকে তারা ভালো চোখে দেখেন না। অনেকে তো সম্পর্ক বাঁচাতে টাকার আশাই ছেড়ে দেন। এক্ষেত্রে একটু কৌশলী আচরণ করুন। খোলাখুলি কথা বলুন। টাকাটা আপনার প্রয়োজন এ কথা বোঝাতে পারলে পাওনাদার বিবেচনা করবে বলে আশা করা যায়।
৪. পরিস্থিতি বুঝে সুযোগ দিতে পারেন
একসময় আপনি আবিষ্কার করলেন, বন্ধু বা সহকর্মীকে ধার দেয়াই ভুল হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে কীভাবে কৌশলের টাকা আদায় করবেন আসুন জেনে নিই।
৫. ফেরত দাও অল্প অল্প করে
ধারের টাকা যদি একসাথে ফেরত দেওয়া পাওনাদারের পক্ষে সম্ভব না হয়, সেক্ষেত্রে অল্প অল্প করে শোধ করার সুযোগ দিন। এতে করে লাভ কিন্তু আপনারই হচ্ছে। যে লোক একেবারে টাকা দেয়ার সামর্থ্য রাখে না, তার থেকে এভাবেই আদায় করতে হয়। নয়তো পুরো টাকাই মার যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে।
৬. নিজের প্রয়োজনকে প্রাধান্য দিন
যেহেতু আপনি টাকা দান করে দেননি, ধার দিয়েছেন; যতটুকু সম্ভব ছাড় দেয়ার পর নিজের প্রয়োজনকে উপরে রাখুন। হতে পারে আপনি অন্য কারো কাছ থেকে ধার করে দিয়েছেন কিংবা কোনো জরুরি কাজের টাকা বন্ধুকে দিয়েছেন। এখন বন্ধুকে সুযোগ দিতে গিয়ে অন্যের কাছে তো নিজে ছোট হতে পারেন না। নিজেকে অন্যের কাছে খোটার পাত্র বানাবেন না। আপনার প্রয়োজনের কথা স্পষ্ট তাকে জানান এবং টাকা ফেরত দেওয়ার ব্যাপারে জোর চাপ দিন। প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারেন।
সংক্ষেপে দেখুনজীবনের কিছু অলিখিত নিয়ম কী কী?
@mokbul ভাই কে ধন্যবাদ এমন প্রশ্ন করার জন্য। আপনার প্রশ্নটি ছিল জীবনের কিছু অলিখিত নিয়মগুলো কি এর উত্তরে আমি কিছু বিষয় তুলে ধরলাম। ১। মন উজাড় করে ভালবাসলেই যে, "প্রেম" টিকে যাবে, নিশ্চয়তা নেই। ২। বিপদে পড়লেই, যে নিজের ঘনিষ্ঠ লোকজন উদ্ধার করতে এগিয়ে আসবেন, নিশ্চয়তা নেই। ৩। চেষ্টা করলেই যে, নিজের "উদ্বিস্তারিত পড়ুন
mokbul ভাই কে ধন্যবাদ এমন প্রশ্ন করার জন্য।
আপনার প্রশ্নটি ছিল জীবনের কিছু অলিখিত নিয়মগুলো কি
এর উত্তরে আমি কিছু বিষয় তুলে ধরলাম।
১। মন উজাড় করে ভালবাসলেই যে, “প্রেম” টিকে যাবে, নিশ্চয়তা নেই।
২। বিপদে পড়লেই, যে নিজের ঘনিষ্ঠ লোকজন উদ্ধার করতে এগিয়ে আসবেন, নিশ্চয়তা নেই।
৩। চেষ্টা করলেই যে, নিজের “উদ্দেশ্য” বা “স্বপ্ন” বাস্তবায়িত হবে, নিশ্চয়তা নেই।
৪। নিজের ক্ষতি করে, অন্যের উপকার করলেও যে, কৃতজ্ঞতা স্বীকার হবে, নিশ্চয়তা নেই।
৫। দেখে শুনে, হিসাব নিকাশ করে, জীবনসঙ্গিনী নির্বাচন করলেই যে, সংসার টিকে যাবে নিশ্চয়তা নেই।
৬। সম্পূর্ণ সুস্থ থেকেও যে, নিজের তাৎক্ষণিক মৃত্যুকে রুখে দেয়া যাবে, নিশ্চয়তা নেই।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুন