সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
পাইলস কি? পাইলস এর লক্ষণ ও চিকিৎসা কোথায় করলে ভালো হয়?
পাইলস, যাকে অর্শ্বরোগও বলা হয়। বৃহদান্ত্রের শেষাংশে রেকটামের ভেতরে ও বাইরে থাকা কুশনের মতো একটি রক্তশিরার জালিকা থাকে, যা প্রয়োজন সাপেক্ষে সংকুচিত ও প্রসারিত হয় যা আমরা পাইলস নামে জেনে থাকি। যখন পায়ুপথে এসব শিরার সংক্রমণ বা প্রদাহ হয় এবং চাপ পড়ে তখন পাইলস বা হেমোরয়েডসে প্রদাহ হয়। যাকে সাধারণ ভাষায়বিস্তারিত পড়ুন
পাইলস, যাকে অর্শ্বরোগও বলা হয়। বৃহদান্ত্রের শেষাংশে রেকটামের ভেতরে ও বাইরে থাকা কুশনের মতো একটি রক্তশিরার জালিকা থাকে, যা প্রয়োজন সাপেক্ষে সংকুচিত ও প্রসারিত হয় যা আমরা পাইলস নামে জেনে থাকি। যখন পায়ুপথে এসব শিরার সংক্রমণ বা প্রদাহ হয় এবং চাপ পড়ে তখন পাইলস বা হেমোরয়েডসে প্রদাহ হয়। যাকে সাধারণ ভাষায় অর্শরোগ বলা হয়।
এটি মলদ্বারের এক ধরনের জটিল রোগ। পাইলস এর ফলে রক্তনালিগুলো বড় হয়ে গিয়ে ভাসকুলার কুশন তৈরি হয়। শিশু থেকে বৃদ্ধ যেকোন বয়সের মানুষ এ জটিল রোগে আক্রান্ত হতে পারে। পাইলস হলে সাধারণত চুলকানি বা রক্তক্ষরণ হয়। মলদ্বারের নিচের অংশে গোল আকারে ফুলে উঠে, ফলে যে কোন সময় সেই জায়গা থেকে রক্তপাত হতে থাকে। এটি খুবই অস্বস্তিকর এবং যন্ত্রনাদায়ক।
দীর্ঘকালীন কোষ্ঠকাঠিন্যের রোগীদের পাইলসের সমস্যা দেখা দেওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। এছাড়া যাদের মলত্যাগের অকারণে বেগ প্রদানের বদভ্যাস রয়েছে, তারাও এই রোগ বাধিয়ে ফেলতে পারেন। আসুন তাহলে বিস্তারিত জেনে নেই পাইলস কী, পাইলসের লক্ষণ ও চিকিৎসা সহ কিছু তথ্য।
সরাসরি ডাক্তারের পরামর্শ নিতে যোগাযোগ করুন – ০১৭৪০-৪৮৬১২৩
পাইলসের প্রকারভেদ –
সাধারণত পাইলস দুই প্রকার হয়ে থাকে –
অভ্যন্তরীণ পাইলস এবং বাহ্যিক পাইলস মলদ্বারে তাদের অবস্থানের উপর ভিত্তি করে। এগুলি সাধারণ এবং মলদ্বারের ভিতরে মলদ্বারের খোলার উপরে ২ থেকে ৪ সেন্টিমিটার (সেমি) এর মধ্যে ঘটে।
অভ্যন্তরীণ পাইলস:
অভ্যন্তরীণ অর্শ্বরোগ চারটি শ্রেণী বা পর্যায়ের হয় যা প্রোল্যাপের উপর ভিত্তি করে।
বাহ্যিক পাইলস:
বাহ্যিক পাইলস মলদ্বারের বাইরের প্রান্তে ছোট ছোট গলদ গঠন করে। এগুলো প্রায়শই চুলকানিদায়ক এবং বেদনাদায়ক হয়ে থাকে।
পাইলস এর অত্যাধুনিক চিকিৎসা সম্পর্কে ফ্রী পরামর্শ পেতে “সিরিয়াল বুক করুন“
পাইলসের কারণ –
পাইলসের প্রধান কারণগুলো হচ্ছে দীর্ঘদিন কোষ্ঠকাঠিণ্যে ভোগা, পুরনো ডায়রিয়া, মলত্যাগে দীর্ঘক্ষণ টয়লেটে বসে থাকা ও দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা। এছাড়া পারিবারিক ইতিহাস, আঁশযুক্ত খাবার কম খাওয়া, ভারি মালপত্র বহন করা, স্থুলতা, কায়িক শ্রম কম করা।
গর্ভকালীন সময়ে, পায়ুপথে যৌনক্রিয়া, যকৃত রোগ বা লিভার সিরোসিস ইত্যাদি কারণেও এ রোগের আশংকা বেড়ে যায়। সর্বোপরি পোর্টাল ভেনাস সিস্টেমে কোনো ভাল্ব না থাকায় উপরিউক্ত যে কোনো কারণে পায়ু অঞ্চলে শিরাগুলোতে চাপের ফলে পাইলস সৃষ্টি হয়।
সরাসরি ডাক্তারের পরামর্শ নিতে যোগাযোগ করুন – ০১৭৪০-৪৮৬১২৩
পাইলসের লক্ষণ –
পাইলস রোগে যেসব লক্ষণ দেখা যায় তা হচ্ছে- পায়ুপথের অন্ত্র বা ভেতরের পাইলস রোগে সাধারণত তেমন কোনো ব্যথা বেদনা, অস্বস্তি থাকে না। অন্যদিকে পায়ুপথের বহিঃঅর্শরোগে পায়ুপথ চুলকায়, বসলে ব্যথা করে, পায়খানার সঙ্গে টকটকে লাল রক্ত দেখা যায় বা শৌচ করার টিস্যুতে তাজা রক্ত লেগে থাকে, মলত্যাগে ব্যথা লাগা, পায়ুর চারপাশে এক বা একের অধিক থোকা থোকা ফোলা থাকে।
পাইলসের সাধারণ লক্ষণগুলি এখানে:
অভ্যন্তরীণ অর্শ্বরোগের লক্ষণ:
বহিরাগত অর্শ্বরোগের লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে:
পাইলস এর অত্যাধুনিক চিকিৎসা সম্পর্কে ফ্রী পরামর্শ পেতে “সিরিয়াল বুক করুন“
পাইলস এর চিকিৎসা –
পায়ুদ্বার সংক্রান্ত যে কোনো সমস্যা হলে প্রথমেই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। এ ধরনের অসুখের ক্ষেত্রে অনেকেই চেপে যান প্রথমে, যা অসুখের মাত্রা আরো বাড়িয়ে দেয়। চিকিৎসকেরা রোগ নির্ণয় করে প্রক্টোস্কোপির মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে চিকিৎসা শুরু করতে পারেন।
প্রথম পর্যায়ে মলম, ইনজেকশন বা রাবার ব্যান্ড লাইগেশনের সাহায্যেই রোগ নিরাময় করা সম্ভব। অসুখের মাত্রা বাড়াবাড়ি পর্যায়ে চলে গেলে অবশ্য শল্যচিকিৎসা ছাড়া উপায় নেই। তবে সব কয়টি ক্ষেত্রেই রোগটি ফিরে আসার শঙ্কা থাকে, যদি না সাবধানে থাকা যায়।
সরাসরি ডাক্তারের পরামর্শ নিতে যোগাযোগ করুন – ০১৭৪০-৪৮৬১২৩
এজন্য বদলে ফেলুন লাইফস্টাইল। পাইলস বা পায়ুদ্বার সংক্রান্ত যে কোনো অসুখের জন্য পরোক্ষভাবে দায়ী অনিয়মিত লাইফস্টাইল। এজন্য খাওয়ার অভ্যাস বাড়াতে হবে। এড়িয়ে চলতে হবে ক্যাফিন জাতীয় পানীয়, তেল-ঝাল মশলাযুক্ত রান্না। পাইলসের রোগীদের পক্ষে শুকনো লঙ্কা বিষতুল্য। ভারী জিনিস তোলাও কিন্তু বারণ।
পাইলস থেকে ক্যান্সার হওয়ার পূর্বেই এর চিকিৎসা করা জরুরি। রিং লাইগেশন এবং লংগো অপারেশনের দ্বারা শতকরাই প্রায় ১০০% রোগী সুস্থ হয়ে উঠছেন। প্রচলিত এই অপারেশনে মলদ্বারের তিনটি অংশ কাটার প্রয়োজন হয়।
এই অপারেশন শুধু তাদের জন্যই করা হয় যাদের রিং লাইগেশন এর জন্য উপযুক্ত হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং যারা লংগো অপারেশন করানোর জন্য মেশিন কিনতে অক্ষম।
চলিত অপারেশনের মতই আরেকটি অপারেশন হলো লেজার অপারেশন। পার্থক্য শুধু এটাই যে, লেজার অপারেশনে বিম ব্যবহার করা হয়। এবং প্রচলিত অপারেশনে সার্জিক্যাল নাইফ ব্যবহার করে কাটাকাটির কাজ করা হয়।
চলিত অপারেশনের মতো লেজার অপারেশনে ক্ষত স্থান হবে তিনটি । লেজার অপারেশন ও সাধারণত অপারেশন এর মধ্যে তেমন কিছু তফাৎ নেই কারণ দুটি অপারেশনেই সমান ব্যথা অনুভব করতে হয়। ক্ষত স্থান টি শুকাতে ১-২ মাস সময় লাগে।
আরোও পড়ুন – ঢাকার জেনারেল সার্জন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তালিকা
পাইলস চিকিৎসা শাস্ত্রে বহু ধরনের পদ্ধতি রয়েছে। যেমনঃ– ক্রায়োথেরাপি, ইঞ্জেকশন, আল্ট্রয়েড, লেজার থেরাপি, রিং লাইগেশন ইত্যাদি।
তবে আপনি যদি উপরিউক্ত চিকিৎসাগুলো না করে ঘরোয়া ভাবে এর সমাধান বের করতে পারেন। সেক্ষেত্রে নীচে উল্লিখিত নির্দেশনাগুলো আপনার জন্য।
পাইলস এর অত্যাধুনিক চিকিৎসা সম্পর্কে ফ্রী পরামর্শ পেতে “সিরিয়াল বুক করুন“
শেষ কথা –
পায়ুপথের যেকোনো রোগকেই অধিকাংশ মানুষ পাইলস বলে জানে। কিন্তু পায়ুপথের রোগ মানেই পাইলস নয়। পায়ুপথে নানা ধরনের সমস্যা হতে পারে। বেশির ভাগ রোগী, বিশেষত নারীরা, এসব সমস্যার কথা গোপন করে রাখেন এবং চিকিৎসা গ্রহণ করতে দেরি করে ফেলেন।
আবার অনেকেই লজ্জা বা সংকোচের কারণে চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে টোটকা ওষুধ, কবিরাজি, হোমিওপ্যাথি গ্রহণ করেন। আর ক্রমশ অবস্থা জটিল হয়ে পড়ে। কিন্তু সময়মতো চিকিৎসা নিলে অধিকাংশ মানুষ সার্জারি বা অস্ত্রোপচার ছাড়াই হয়তো ভালো হতে পারবেন।
পায়ুপথে সাধারণত ফিসার, ফিস্টুলা, হেমোরয়েড, ফোড়া, প্রোলাপস, রক্ত জমাট, পলিপ বা টিউমার ইত্যাদি রোগ হতে পারে। সব সমস্যার অন্যতম কারণ হলো কোষ্ঠকাঠিন্য। তাই এ বিষয়ে আগে থেকে সচেতন ও সতর্ক থাকতেই হবে। চিকিৎসা না নিলে এ থেকে কখনো কখনো ক্যানসার বা বড় সমস্যাও দেখা দিতে পারে। তাই যথাসময়ে এর চিকিৎসা ও সতর্কতা জরুরি।
আরোও বিস্তারিত জানতে এবং সিরিয়ালের জন্য কল করুন – ০১৭৪০৪৮৬১২৩
সংক্ষেপে দেখুনমহাকাশে মারা যাওয়া প্রথম ব্যক্তি কে?
মহাকাশে প্রথম যে মানুষগুলো মারা গেছেন তারা হলেন সোভিয়েত মহাকাশচারী, জর্জি ডোব্রোভলস্কি (বাম), ভ্লাদিস্লাভ ভলকভ (ডানে) এবং ভিক্টর পাটসায়েভ (পিছনে)। 1971 সালে সয়ুজ 11 মিশনের শেষের দিকে পুনঃপ্রবেশকারী কেবিনের চাপ সমতাকরণ ভালভ অকালে খুলে গেলে তারা মারা যান। তারা প্রায় দশ মিনিটের জন্য ভ্যাকুয়ামের মধবিস্তারিত পড়ুন
মহাকাশে প্রথম যে মানুষগুলো মারা গেছেন তারা হলেন সোভিয়েত মহাকাশচারী, জর্জি ডোব্রোভলস্কি (বাম), ভ্লাদিস্লাভ ভলকভ (ডানে) এবং ভিক্টর পাটসায়েভ (পিছনে)। 1971 সালে সয়ুজ 11 মিশনের শেষের দিকে পুনঃপ্রবেশকারী কেবিনের চাপ সমতাকরণ ভালভ অকালে খুলে গেলে তারা মারা যান। তারা প্রায় দশ মিনিটের জন্য ভ্যাকুয়ামের মধ্যে থাকেন এবং একসাথেই মারা যান যদিও স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা তাদের মৃতদেহ পৃথিবীতে নিয়ে আসে।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনডাইনোসর কি আদৌ পৃথিবীতে কখনো ছিলো?
বেশি না, শুধু নিচের ছবিটি ডাইনোসর দের পৃথিবীতে অস্তিত্বের প্রমাণ হতে পারে। যদিও পৃথিবীতে শত শত ফসিল পাওয়া গেছে ডাইনোসরদের। কিন্তু এরকম একটিও নেই। ২০১৭ সালে কানাডার আলবার্টায় এক খনিতে শ্রমিকরা অক্ষত ত্বক এবং বর্মবিশিষ্ট এক ডাইনোসরের মমি খুঁজে পায়। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এটা নেসোডার প্রজাতির ডাইনোসর এবংবিস্তারিত পড়ুন
বেশি না, শুধু নিচের ছবিটি ডাইনোসর দের পৃথিবীতে অস্তিত্বের প্রমাণ হতে পারে। যদিও পৃথিবীতে শত শত ফসিল পাওয়া গেছে ডাইনোসরদের। কিন্তু এরকম একটিও নেই।
২০১৭ সালে কানাডার আলবার্টায় এক খনিতে শ্রমিকরা অক্ষত ত্বক এবং বর্মবিশিষ্ট এক ডাইনোসরের মমি খুঁজে পায়। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এটা নেসোডার প্রজাতির ডাইনোসর এবং এরা ১১ কোটি বছর আগে পৃথিবীতে বসবাস করতো। এটা এখন কানাডার আলবার্টার রয়্যাল টাইরেল মিউজিয়াম অফ প্যালিওন্টজিতে সংরক্ষিত আছে। এর ত্বক এবং বর্মগুলো এতোটাই অক্ষত যে, জীবাশ্মবিদরা একে ফসিল না বলে মমি বলার পক্ষে। জীবাশ্মবিদরা বলছেন যে, এটাই পৃথিবীতে এ পর্যন্ত প্রাপ্ত ডাইনোসরের সবচেয়ে ভালো সংরক্ষিত নমুনা।
আশাকরি আর প্রমাণ করার প্রয়োজন হবে না।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনচাঁদ থেকে পৃথিবীকে দেখতে কেমন লাগে?
চলুন চাঁদ থেকে পৃথিবীকে দেখে আসি! আপনার জন্য দুটি বাস্তব ছবি আছে। আপনি চাঁদে দাঁড়িয়ে থাকলে পৃথিবীকে ঠিক এরকম দেখতেন। চাঁদ থেকে পৃথিবীকে দেখার সৌভাগ্য হয়তো আপনার, আমার পক্ষে সম্ভব নয়। কিন্তু নাসা চাঁদ থেকে পৃথিবীকে দেখতে কেমন লাগে তার কিছু বাস্তব ছবি পাবলিশ করেছে। আমি দুইটি ছবি নিচে দিচ্ছি। Image Creবিস্তারিত পড়ুন
চলুন চাঁদ থেকে পৃথিবীকে দেখে আসি! আপনার জন্য দুটি বাস্তব ছবি আছে। আপনি চাঁদে দাঁড়িয়ে থাকলে পৃথিবীকে ঠিক এরকম দেখতেন।
চাঁদ থেকে পৃথিবীকে দেখার সৌভাগ্য হয়তো আপনার, আমার পক্ষে সম্ভব নয়। কিন্তু নাসা চাঁদ থেকে পৃথিবীকে দেখতে কেমন লাগে তার কিছু বাস্তব ছবি পাবলিশ করেছে। আমি দুইটি ছবি নিচে দিচ্ছি।
Image Credit: NASA/JSC
Published: June 28, 2018
Historical Date: July 20, 1969
Image Credit: NASA/Ames Research Center/Lunar Orbiter Image Recovery Project
Published: August 24, 2018
Historical Date: August 23, 1966
এ ছাড়াও একটি ভিডিওতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে আমাদের সুন্দর পৃথিবীকে।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনআপনি ফুচকা খেতে কতটা ভালোবাসেন? ফুচকা বানানোর রেসিপি কি?
স্ট্রিট ফুডে নানান ভ্যারাইটির মধ্যে ফুচকা অতি লোভনীয় একটি স্ট্রিট ফুড।টক টক,ঝাল ঝাল, মুচ মুচে ফুচকা খেতে কেই না ভালোবাসে। কারোর কাছে এটা ফুচকা, কারও কাছে আবার এটা গোলগাপ্পা, কেউ বা বলেন পানিপুরী। আপামর বাঙালীর কাছে ফুচকা নামটিই অধিক জনপ্রিয়। আসুন আজ তাহলে দেখে নেওয়া যাক বাড়ি বসে চটজলদি ফুচকা বানাবিস্তারিত পড়ুন
স্ট্রিট ফুডে নানান ভ্যারাইটির মধ্যে ফুচকা অতি লোভনীয় একটি স্ট্রিট ফুড।টক টক,ঝাল ঝাল, মুচ মুচে ফুচকা খেতে কেই না ভালোবাসে। কারোর কাছে এটা ফুচকা, কারও কাছে আবার এটা গোলগাপ্পা, কেউ বা বলেন পানিপুরী। আপামর বাঙালীর কাছে ফুচকা নামটিই অধিক জনপ্রিয়।
আসুন আজ তাহলে দেখে নেওয়া যাক বাড়ি বসে চটজলদি ফুচকা বানানোর রেসিপি।
ফুচকা বানানোর পদ্ধতি বেশ সহজ তাই একটু সময় ধৈর্য ও বেসিক কয়েকটি ধাপ মেনে চললেই তৈরি হয়ে যাবে মুচ মুচে, টক টক ঝাল ঝাল ফুচকা।
এখানে আজ ২৫টি ফুচকার মতো আয়োজন করা হল।
উপকরণ:
ফুচকা বানানোর রেসিপির প্রয়োজনীয় উপকরণ দেখে নেওয়া যাক।
ফুচকা বানানোর উপকরণ:
ফুচকার আলুর পুরের /আলু মাখার উপকরণ:
তেঁতুল জল তৈরি র উপকরণ:
এবার দেখে নেওয়া যাক ফুচকা রেসিপি পদ্ধতি —
মন্ড তৈরির পদ্ধতি:
১) একটি পাত্রে ১ কাপ ময়দা ও ১ কাপ সুজি নিতে হবে। তাতে এক চিমটি নুন ও ১/২ চা-চামচ বেকিং সোডা ও ১ চা-চামচ সাদা তেল দিয়ে মিশ্রণটি ভালো করে মাখতে হবে।
২) ওই মিশ্রণটিতে হালকা ইষৎ উষ্ণ জল একটু একটু করে দিয়ে মাখতে হবে বেশ কিছুক্ষন ধরে। মাখার শেষ হলে ৪মিনিট মতো হাতে সামান্য তেল মাখিয়ে নিয়ে হালকা হাতে দোলতে হবে।
৩) তারপর মন্ডটিকে ১ঘন্টার মতো ভিজে কাপড় দিয়ে জড়িয়ে পাত্রটি ঢাকা দিয়ে রাখতে হবে।
ফুচকা বানানোর পদ্ধতি:
৪) একটি বড় লেচি কেটে একটু মোটা ভাবে বেলে নিতে হবে তবে খুব মোটা বা খুব পাতলা হবেনা। খুব মোটা যদি বেলেন তাহলে ফুচকা গুলি ফুলবেনা আর পাতলা হয়ে গেলে সেটি পাপড়ি হয়ে যাবে।তারপর একটি ছোট সাইজের কৌটোর ঢাকনা দিয়ে বড় আকৃতির রুটি থেকে ফুচকা র আকারে কেটে বের করে নিতে হবে।
৫) সেগুলোকে কিছুক্ষন রেখে দিতে হবে তাহলে ফুচকা গুলি ভালো ফুলবে।
৬) ওভেনে কড়াই বসিয়ে (লো-এর থেকে বেশি আর মিডিয়ামের থেকে একটু কম ফ্লেমে) তাতে তেল দিয়ে একটু অপেক্ষা করতে হবে কারণ, ভালো করে তেল গরম করার দরকার হয় না ফুচকা তৈরির সময়। একদম হালকা একটু গরম হলেই একে একে বেলা ফুচকা গুলো তেলে ছেড়ে দিতেতে হবে।
৭) হালকা হাতে নাড়াচাড়া করতে করতে দেখবেন ফুচকা গুলি খুব সুন্দর ভাবে ফুলে উঠবে। তেল ততক্ষণে অনেক গরম হলে গ্যাস বন্ধ করে বাকি ফুচকা গুলি ভেজে নিন একই ভাবে।
৮)একটি ঝুড়ির মধ্যে রেখে দিন বারতি তেল ঝড়ে যাবে। তাহলেই রেডি হয়ে যাবে ফুলকো ফুলকো মুচ মুচে ফুচকা।
পুর বানানোর পদ্ধতি:
৯) এরপর আসা যাক পুর বানানোর পদ্ধতিতে। প্রথমে একটি বেশ বড়ো জায়গায় ৩টি আলুসেদ্ধ নিয়ে খোসা ছাড়িয়ে মেখে নিতে হবে।
১০) মাখা আলুতে একে একে যোগ করতে হবে ১মুঠো ছোলা মটর, ১চা-চামচ লঙ্কাকুচি, ভাজা মশলা ৪চা-চামচ, বিটনুন স্বাদ মতো, চাটমশলা ১চা-চামচ, তেঁতুল জল ২টেবিল চামচ, ধনেপাতা কুচি আন্দাজ মতো দিয়ে ভালো করে মাখতে হবে।
তেঁতুল জল তৈরির পদ্ধতি:
১১) একটি পাত্রে ১লিটার জল নিয়ে তাতে তেঁতুলের পাল্ব ৩ চা-চামচ দিয়ে মেশাতে হবে যতক্ষন না তা জলে সম্পূর্ণ গুলে যায়।
১২) ওই মিশ্রণটিতে একে একে ভাজা মশলা ২চা-চামচ, লঙ্কা গুড়ো ১চা-চামচ, বিট নুন ১চা-চামচ,ধনে পাতা কুঁচি প্রয়োজন মতো দিয়ে ভালো করে মেশাতে হবে।
১৩)এবার ওই জলটিতে চাট মশলা ১ চা-চামচ দিয়ে আরেক একটু মিশিয়ে নিতে হবে এবং সবশেষে সুগন্ধের জন্য ৪টি লেবু পাতা দিতে হবে।
কীভাবে ফুচকাকে আরও মুচমুচে এবং স্বাদে অতুলনীয় করে তুলবেন?
ফুচকাকে আরও মুচমুচে এবং সুস্বাদু করতে কয়েকটি ছোট জিনিস করলেই হবে আসুন দেখেনি :-
১) মন্ড তৈরির পদ্ধতিতে:
মন্ড তৈরি হয়ে যাবার পর সেটিকে ভিজে কাপড় জরিয়ে রাখা আবশ্যক অন্তত ১ঘন্টা তো বটেই।
২) পুর তৈরির পদ্ধতিতে:
পুর তৈরির সময় বাইরে দেখবেন তেঁতুল জল দিয়ে মাখা হয় যা মশলাটিকে আলুর সাথে বোঝা যায় নাহলে মশলা ও আলু ভালো মিশে যায় না।
৩) তেঁতুলজল তৈরির পদ্ধতিতে:
এইজল তৈরির সময় নুন না দিলেও চলে কিন্তু তেঁতুল যদি খুব টক হয় তাহলে তেমন দেখে নুন দিতে হবে।
কোন উপকরণ ফুচকা তৈরিতে দিলে তার স্বাদ দ্বিগুণ করে?
মুখরোচোক খাবারের স্বাদ বারে নির্দিষ্ট কিছু উপকরণের দ্বারা।
১) ধনেপাতা কুচি– ধনেপাতা কুচি তেঁতুলের জলে এবং পুরে দিলে এর নির্যাস খাবারের স্বাদ দ্বিগুণ করে তোলে। এটি অনেক সময় দিতে আমাদের মনেই থাকে না কিন্তু এটি হল সুস্বাদু করে তোলার অন্যতম উপকরণ।
২) ভাজা মশলা– ধনে, জিরে, শুকনো লঙ্কা একসঙ্গে গুড়িয়ে তা চাট মশলার সাথে দিলে তা আরেক স্বাদ বৃদ্ধির অন্যতম উপকরণের ভূমিকা রাখে।
সূত্রঃ ইন্টারনেট
সংক্ষেপে দেখুনঅভিভাবক হিসেবে শিশুদের বা ছোট বাচ্চাদের কোন শিক্ষা গুলো দেয়া উচিৎ?
শুরু থেকেই শিশুদের বা ছোট বাচ্চাদের কিছু বিষয়ে সচেতন করা জরুরী। আমরা নিজেদের অজান্তেই দৈনন্দিন কিছু কাজ করি যেগুলো অপরাধের পর্যায়ে পড়ে। আর আমাদের বাচ্চারা সেগুলো দেখে বড় হয় এবং ভেবে নেয় এগুলোই ঠিক। তাই তাদের কোনটা ঠিক আর কোনটা অন্যায় তা শিশুকাল থেকেই শিক্ষা দেয়া প্রয়োজন। ওয়েব থেকে পাওয়া তেমনই কিছু শবিস্তারিত পড়ুন
শুরু থেকেই শিশুদের বা ছোট বাচ্চাদের কিছু বিষয়ে সচেতন করা জরুরী। আমরা নিজেদের অজান্তেই দৈনন্দিন কিছু কাজ করি যেগুলো অপরাধের পর্যায়ে পড়ে। আর আমাদের বাচ্চারা সেগুলো দেখে বড় হয় এবং ভেবে নেয় এগুলোই ঠিক। তাই তাদের কোনটা ঠিক আর কোনটা অন্যায় তা শিশুকাল থেকেই শিক্ষা দেয়া প্রয়োজন। ওয়েব থেকে পাওয়া তেমনই কিছু শিক্ষা নিচে তুলে ধরলাম।
সূত্রঃ ইন্টার্নেট
সংক্ষেপে দেখুনবাংলাদেশের সবগুলো জেলার পোস্টাল কোড গুলো কি কি?
নিচে বাংলাদেশের সবগুলো জেলার পোস্টাল কোড গুলো দেখে নিন। District Thana Post Code ঢাকা জেলার সকল পোস্ট কোড তালেকা Dhaka Demra 1360 Dhaka Demra 1362 Dhaka Demra 1361 Dhaka Dhaka Cantt. 1206 Dhaka Dhamrai 1350 Dhaka Dhamrai 1351 Dhaka Dhanmondi 1209 Dhaka Gulshan 1213 Dhaka Gulshan 1212 Dhaka Jatrabariবিস্তারিত পড়ুন
নিচে বাংলাদেশের সবগুলো জেলার পোস্টাল কোড গুলো দেখে নিন।
উপরের ছকে কোন পোস্ট কোড মিসিং থাকলে কমেন্টে জানাবেন।
আপনার এরিয়া কোড এখানে পেয়েছেন কিনা কমেন্ট করে জানিয়ে দিন।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনপোস্ট কোড বা পোস্টাল কোড কি? পোস্টাল কোড কি নির্দেশ করে?
পোস্টাল কোড একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। নিজের ঠিকানার পূর্ণতা দান করতে পোস্টাল কোডের কোন বিকল্প নেই। এছাড়া শেয়ার বাজারের স্টক হোল্ডারদের এনুয়াল রিপোর্ট/প্রসপেক্টাস পোস্টাল কোড অনুসারে ডাক বক্সএ এসে থাকে। আবার অনেক সময় চাকরির ইন্টারভিউর তারিখ/সময়, এপইন্টমেন্ট লেটার ইত্যাদি ডাক যোগে প্রেরন করা হয়। বিভিবিস্তারিত পড়ুন
পোস্টাল কোড একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। নিজের ঠিকানার পূর্ণতা দান করতে পোস্টাল কোডের কোন বিকল্প নেই। এছাড়া শেয়ার বাজারের স্টক হোল্ডারদের এনুয়াল রিপোর্ট/প্রসপেক্টাস পোস্টাল কোড অনুসারে ডাক বক্সএ এসে থাকে। আবার অনেক সময় চাকরির ইন্টারভিউর তারিখ/সময়, এপইন্টমেন্ট লেটার ইত্যাদি ডাক যোগে প্রেরন করা হয়। বিভিন্ন সময়ে আমাদের চিঠি আদান প্রদান ও দাপ্তরিক কাজে পোস্টাল কোড ব্যবহার করতে হয়।
সুতরাং পোস্টাল কোড হচ্ছে ” প্রাপকের এলাকা ” নির্দেশ করে। আমরা যে পোস্ট অফিসে পোস্ট টা পাঠাবো সেই কোড নির্দেশ করে।
পোস্ট কোড চিঠি প্রয়োজন অনুসারে সাজানোর জন্য কিছু অক্ষর বা অঙ্কের ক্রম যা ডাকঘরের ঠিকানার সাথে যোগ করা হয়। ১৯৪১ সালে জার্মানীতে পোস্ট কোডের প্রচলন হয়।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনহুমায়ূন আহমেদ কি নাস্তিক ছিলেন?
হুমায়ুন আহমেদকে অনেকেই নাস্তিক বলে থাকেন। আসলেই কি তিনি নাস্তিক ছিলেন? তিনি তাঁর জীবনী ফাউন্টেনপেন,পৃষ্ঠা ৪৬ এ নিচের ঘটনাটি লিখেছেন, অপারেশন হবে ভোর ন’টায়। আগের রাতে আমার কাছে হাসপাতালের একজন কাউন্সিলর এলেন। তিনি বললেন,তুমি কি মুসলিম? হ্যাঁ। কাল ভোরে তোমার অপারেশন। তুমি কি চাও তোমার জন্যে তোমার ধর্বিস্তারিত পড়ুন
হুমায়ুন আহমেদকে অনেকেই নাস্তিক বলে থাকেন। আসলেই কি তিনি নাস্তিক ছিলেন? তিনি তাঁর জীবনী ফাউন্টেনপেন,পৃষ্ঠা ৪৬ এ নিচের ঘটনাটি লিখেছেন,
অপারেশন হবে ভোর ন’টায়। আগের রাতে আমার কাছে হাসপাতালের একজন কাউন্সিলর এলেন। তিনি বললেন,তুমি কি মুসলিম?
হ্যাঁ।
কাল ভোরে তোমার অপারেশন। তুমি কি চাও তোমার জন্যে তোমার ধর্মমতে প্রার্থনা করা হোক?…
আমি প্রার্থনা করাব না।অর্থের বিনিময়ে প্রার্থনায় আমার বিশ্বাস নেই।
তোমার অপারেশনটি জটিল। তুমি যদি চাও আমি ডিসকাউন্টে প্রার্থনার জন্যে সুপারিশ করতে পারি।একজন মুসলমান আলেম প্রার্থনা করবেন।
ডিসকাউন্টের প্রার্থনাতেও আমার বিশ্বাস নেই।
তুমি কি নাস্তিক?
আমি নাস্তিক না বলেই ডিসকাউন্টের প্রার্থনায় বিশ্বাসী না।
-সংগ্রহীত
সংক্ষেপে দেখুনআপনি আজ কি শিখলেন?
ভারতের কেরালার একটি লাইব্রেরী এটা। বই পড়ার অভ্যাস তৈরির জন্য ও পাঠককে আকর্ষণ করতে কি সুন্দর চিন্তা। ধন্যবাদ!
ভারতের কেরালার একটি লাইব্রেরী এটা।
বই পড়ার অভ্যাস তৈরির জন্য ও পাঠককে আকর্ষণ করতে কি সুন্দর চিন্তা।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনবাংলা থেকে ইংরেজি অনুবাদ করার ভালো কোন অ্যাপ আছে কি?
আপনি কি সহজেই ইংরেজি থেকে বাংলা অথবা বাংলা থেকে ইংলিশ অনুবাদ করতে চান? হ্যালো বন্ধুরা আজকে আমাদের এই পোস্টটি আমরা ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ apps (angreji theke bangla anubad apps) সম্পর্কে আলোচনা করব। আমরা আমাদের বিভিন্ন প্রয়োজনে ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করি ইংরেজি একটি গ্লোবাল ভাষা। সারা পৃথিবীতে প্রায়বিস্তারিত পড়ুন
আপনি কি সহজেই ইংরেজি থেকে বাংলা অথবা বাংলা থেকে ইংলিশ অনুবাদ করতে চান?
হ্যালো বন্ধুরা আজকে আমাদের এই পোস্টটি আমরা ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ apps (angreji theke bangla anubad apps) সম্পর্কে আলোচনা করব।
আমরা আমাদের বিভিন্ন প্রয়োজনে ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করি ইংরেজি একটি গ্লোবাল ভাষা। সারা পৃথিবীতে প্রায় ১.৫ বিলিয়ন মানুষ ইংরেজিতে কথা বার্তা বলেন কিন্তু আমরা যারা বাংলা ভাষাভাষী তাদের ক্ষেত্রে অনেক সময়ই ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদের দরকার হয়ে পড়ে।
বিশেষ করে যারা আমরা প্রযুক্তি নির্ভর শিল্পে কাজ করি তাদের ক্ষেত্রে অনেক সময় বিভিন্ন বিদেশি ক্লায়েন্ট থাকে যদিও অনেক ক্ষেত্রে ইংরেজি ভাষা কোন অসুবিধা হয় না তবুও কিছু কিছু ক্ষেত্রে ভাষা অনুবাদের দরকার হয়ে পড়ে। এই মুশকিল আসান করতে বাজারে রয়েছে কিছু খুবই ভালো ভালো ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ apps.
আজকে আমরা এমন-ই ১০ টি ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ অ্যাপ সম্পর্কে বিশদে আলোচনা করব।
তো আসুন শুরু করা যাক ।
English theke bangla translation APP
১. গুগল ট্রান্সলেট
প্রথমেই উল্লেখ করতে হবে গুগল ট্রান্সলেট সম্পর্কে। ইংলিশ থেকে বাংলা ট্রান্সলেশন করার করার জন্য এটি সবচেয়ে প্রচলিত app . গুগল ট্রান্সলেট গুগলের একটি অ্যাপ আপনি সহজেই ১০০ টিরও বেশি বেশি ভাষা অনুবাদ করতে পারেন।গুগল ট্রান্সলেট কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য রয়েছে যেগুলো সেগুলি নিচে উল্লেখ করা হলো:
<img class="i-amphtml-intrinsic-sizer" style="box-sizing: border-box; margin: 0px; padding: 0px; border: 0px; outline: 0px; font-size: 18px; vertical-align: baseline; background: transparent; max-width: 100%; display: block !important;" role="presentation" src="data:;base64,” alt=”” aria-hidden=”true” />
GOOGLE-TRANSLATE
গুগল ট্রান্সলেট অ্যাপ খুবই সহজেই ডাউনলোড করার পর আপনি আপনার পছন্দমত ভাষা নির্বাচন করে সেদিকে ট্রান্সলেট বা অনুবাদ করতে পারবেন।
এরপর আপনি চাইলে আপনার অনুবাদ করা অংশটি সহজেই ব্লুটুথ কিংবা আরো অন্য অ্যাপ এর মধ্যে শেয়ার করতে পারবেন। মেসেজ করতে পারবেন ও আরো অনেক কিছু।
আপনি ইচ্ছে করলে যেকোনো হাতের লেখা কেউ অনুবাদ বা ট্রান্সলেট করতে পারবেন।
তবে হাতের লেখা ট্রান্সলেশন করার ক্ষেত্রে গুগলের নিজস্ব কি সীমাবদ্ধতা রয়েছে তবে আশা করা যায় ভবিষ্যতে গুগল ট্রান্সলেট আরও উন্নত হবে এবং আরও নানান সুযোগ-সুবিধা প্রদান করবে।
২. আই ট্রান্সলেট
ট্রান্সলেট গুগল এপের মত হাই ট্রান্সলেটর আইফোনের জন্য খুবই একটি জনপ্রিয় ট্রান্সলেটর।
<img class="i-amphtml-intrinsic-sizer" style="box-sizing: border-box; margin: 0px; padding: 0px; border: 0px; outline: 0px; font-size: 18px; vertical-align: baseline; background: transparent; max-width: 100%; display: block !important;" role="presentation" src="data:;base64,” alt=”” aria-hidden=”true” />
আই ট্রান্সলেটর প্রায় 100 টিরও বেশি ভাষা অনুবাদ করা যেতে পারে এটিও ক্যামেরা ট্রান্সলেশন ট্রান্সলেশন অফলাইন ট্রান্সলেশন কিবোর্ড ট্রানসলেশন সমর্থন করে। যারা ব্যক্তিগত প্রাইভেসি পছন্দ করেন তাদের জন্য এই ট্রান্সলেট খুবই উপযুক্ত একটি অ্যাপ।
৩. ইয়ান্ডেক্স ট্রান্সলেট
ইয়ান্ডেক্স রাশিয়ার সর্ববৃহৎ সার্চ ইঞ্জিন।
ইয়ান্ডেক্স ট্রান্সলেট আরেকটি জনপ্রিয় ট্রানসলেশন অ্যাপ সহজেই ইংরেজি থেকে বাংলা ছাড়াও আরো 90 টি ভাষায় অনুবাদ করতে পারবেন। ইয়ান্ডেক্স ট্রান্সলেট ব্যবহার করার সময় একটি বিষয় আমাদের চোখে এসেছে যে বড় বাক্য অনুবাদ করার ক্ষেত্রে ইয়ান্ডেক্স ইয়ান্ডেক্স ট্রান্সলেট এ কিছু অসুবিধা হয়। এছাড়া আর কোনো সমস্যা নাই। ভবিষ্যতে ইয়ান্ডেক্স ট্রান্সলেট এই সমস্যা কাটিয়ে উঠবে বলে আমরা আশাবাদী।
<img class="i-amphtml-intrinsic-sizer" style="box-sizing: border-box; margin: 0px; padding: 0px; border: 0px; outline: 0px; font-size: 18px; vertical-align: baseline; background: transparent; max-width: 100%; display: block !important;" role="presentation" src="data:;base64,” alt=”” aria-hidden=”true” />
গুগল প্লে স্টোরে ইয়ান্ডেক্স ট্রান্সলেটর রিভিউ হল ৪.৪।
ইয়ান্ডেক্স ট্রান্সলেট গুগল প্লে স্টোরে এক কোটিরও বেশি বার ডাউনলোড করা হয়েছে।
৪.মাইক্রোসফটের বিং ট্রান্সলেটর
মাইক্রোসফটের বিং ট্রান্সলেটর এর একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো আপনি আপনার ব্রাউজার থেকে সরাসরি ব্যবহার করতে পারবেন।
টেক্সট ট্রান্সলেশন এর ক্ষেত্রে এটি সবচেয়ে বেশি ভাষা সমর্থন করে দুটির বেশি ট্রান্সলেশন করা হয়ে গেলে আপনি সেটি সহজেই টেক্সট ইমেইল কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ার সাহায্যে শেয়ার করতে পারবেন।
<img class="i-amphtml-intrinsic-sizer" style="box-sizing: border-box; margin: 0px; padding: 0px; border: 0px; outline: 0px; font-size: 18px; vertical-align: baseline; background: transparent; max-width: 100%; display: block !important;" role="presentation" src="data:;base64,” alt=”” aria-hidden=”true” />
তাছাড়াও ট্রান্সলেশন এরপর আপনি আপনার ট্রান্সলেশন করা অংশটি তিনটি বিভিন্ন গতিতে শুনতে পারবেন।
মাইক্রোসফটের বিং ট্রান্সলেটর অফ লাইন টেক্সট ট্রানসলেশন সমর্থন করে একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো আপনার উচ্চারণ কি অনেক সঠিকভাবে চিহ্নিত করে ফুল অনুবাদ করে দেয়।
এন্ড্রয়েড এবং আইফোন দুটোর জন্যই মাইক্রোসফটের বিং ট্রান্সলেটর উপলব্ধ রয়েছে।
গুগল প্লে স্টোরে মামাইক্রোসফটের বিং ট্রান্সলেটর প্রায় এক কোটিরও বেশি বার ডাউনলোড করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে রিভিউ ৪.৬।
৫. ইংলিশ টু বাংলা ট্রান্সলেটর
এরপরের অ্যাপটির নাম হল ইংলিশ টু বাংলা ট্রান্সলেটর অ্যাপ। এই অ্যাপটির বিশেষত্ব হলো যে এটি ইংরেজি থেকে বাংলা ভাষা ট্রান্সলেশন এর জন্যই তৈরি করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য গুলি হলো শেয়ার এবং সার্চ ,ইডিয়াম , ভয়েস সার্চ ,নিউ ওয়ার্ডস ইত্যাদি।
english to bangla translator
<img class="i-amphtml-intrinsic-sizer" style="box-sizing: border-box; margin: 0px; padding: 0px; border: 0px; outline: 0px; font-size: 18px; vertical-align: baseline; background: transparent; max-width: 100%; display: block !important;" role="presentation" src="data:;base64,” alt=”” aria-hidden=”true” />
কুইক সেন্টেন্স অপশনের মাধ্যমে আপনি 50 টিরও বেশী বহুল ব্যবহার হওয়া বাক্যের বাংলা থেকে ইংরেজিতে ট্রান্সলেশন খুব সহজেই করতে পারবেন। গুগল প্লে স্টোরে এটি রিভিউ 4 এটি ডাউনলোড করা হয়েছে প্রায় ১০ লক্ষ বার।
৬. ইংলিশ বেঙ্গলি ট্রান্সলেটর
এরপরের অ্যাপটির নাম হল ইংলিশ বেঙ্গলি ট্রান্সলেটর। ইংলিশ বেঙ্গলি ট্রান্সলেটর এই অ্যাপটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল যে এটি থেকে বাংলা যেমন করা যায় এমনি বাংলা থেকে ইংরেজি অনুবাদ ও করা যায়। অন্যান্য অ্যাপগুলির মত এটিও ইনস্ট্যান্ট সার্চ ইঞ্জিন স্টার্ট রিসেন্ট ট্রানসলেশনস ইত্যাদি সমর্থন করে।
<img class="i-amphtml-intrinsic-sizer" style="box-sizing: border-box; margin: 0px; padding: 0px; border: 0px; outline: 0px; font-size: 18px; vertical-align: baseline; background: transparent; max-width: 100%; display: block !important;" role="presentation" src="data:;base64,” alt=”” aria-hidden=”true” />
এখানে আপনি বিভিন্ন ইংরেজি শব্দের ডেফিনেশন সহ তার অর্থ জানতে পারবেন। মূলত একটি ট্রানসলেশন অ্যাপ সাথে একটি ভালো ডিকশেনারী ও কাজ করবে।
গুগল প্লে স্টোরে থাকা এই অ্যাপটি রিভিউ ৩.৯ এবং ডাউনলোড বা সংখ্যা ১ লক্ষ বারেরও বেশি।
৭. ইংলিশ টু বাংলা ট্রান্সলেটর ফ্রী
সাত নম্বর সাত নম্বরে বলতে হবেই ইংলিশ টু বাংলা ট্রান্সলেটর ফ্রী এই অ্যাপটির নাম। একটি ফ্রি ট্রানসলেশন অ্যাপ এর মাধ্যমে সহজেই বাংলা থেকে ইংলিশ অনুবাদ করতে পারবেন।
এর মধ্যে রয়েছে সার্চ বাংলা থেকে ইংরেজি ডিকশনারি এবং আরও অনেক কিছু। আপনার প্রাইভেসি এবং গোপনীয়তাকে একশভাগ সুরক্ষিত রাখে বাংলা থেকে ইংরেজি করার সাথে সাথে এটি ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ করতে সমর্থ।
ডিজাইনের কথা বলতে গেলে এর ডিজাইন ইন্টারফেস খুবই সুন্দর এবং সাবলীল। সিঙ্গেল ট্যাগ কপি পেস্ট অপশন এটির একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য। গুগোল অ্যাপ স্টোরে প্লে স্টোরে এটি ইনস্টল সংখ্যা ৫ লক্ষের বেশি এবং রিভিউ ৪.৬।
৮. English to Bangla Translator Free
ইংলিশ টু বাংলা ট্রান্সলেটর ফ্রি। ইংলিশ টু বাংলা ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রান্সলেটর উল্লেখযোগ্য নাম মূল বৈশিষ্ট্য গুলি হল দ্রুত কাজ করে এটি ভয়েস কনভারসেশন সাপোর্ট করে। এটি আপনার কনভার্শন করা অংশ সহজেই সোশ্যাল মিডিয়া বা অন্য কোন অ্যাপ শেয়ার করতে সাহায্য করে। গ্রাভিটি টেক্সট স্ক্যান করতেও এটি সমর্থ। গুগল প্লে স্টোরে এটির ডাউনলোড ৫ লক্ষের বেশি এবং রিভিউ ৪.২.
৯. ইংলিশ টু বাংলা ট্রান্সলেটর অ্যাপ
এরপর হলো ইংলিশ টু বাংলা ট্রান্সলেটর অ্যাপ। ইংলিশ টু বাংলা ট্রান্সলেটর অ্যাপ এর মূল বৈশিষ্ট্য হলো এটি ডিজাইন সুন্দর এটি ইংরেজি থেকে বাংলায় খুবই দ্রুত ট্রান্সলেট করে. এটি ফাস্ট ট্রান্সলেশন সাপোর্ট করে। তাছাড়াও এটি ওয়ার্ড কপিতে সমর্থ। যদি আপনি একটি সুন্দর ,লাইটওয়েট এবং সহজ ইংরেজি থেকে বাংলা ট্রান্সলেটার খুঁজেন এটি একটি আদর্শ ট্রান্সলেটর অ্যাপ হতে পারে।
গুগল প্লে স্টোর ইন্সটল সংখ্যা ১ হাজারের উপর এবং সাইজ মাত্র ৪.৪ মেগাবাইট।
১০. ইংলিশ টু বেঙ্গলি ট্রান্সলেটর এন্ড ডিকশেনারী
ইংলিশ টু বেঙ্গলি ট্রান্সলেটর এন্ড ডিকশেনারী এই লিস্টে থাকা ১০ নম্বর ইংলিশ টু বেঙ্গলি ট্রান্সলেটর অ্যাপ। এটি একটি অফলাইন বাংলা ডিকশনারি কাজ করে।
বাংলা ট্রান্সলেট করার সাথে সাথে এটি পুরো অফলাইন মোড এ কাজ করতে পারে আপনার কাছে যদি ইন্টারনেট কানেকশন না থাকে তাহলে আপনি এই অ্যাপটি সহজে ব্যবহার করতে পারবেন। আপনি যদি একটি হালকা অ্যান্ড্রয়েড ইংরেজি টু বাংলা ডিকশনারী খোঁজ করেন তবে এই অ্যাপটি আপনার পক্ষে আদর্শ হতে পারে।
এই অ্যাপটিতে প্রায় পঞ্চাশ হাজারেরও বেশি ইংরেজি শব্দ প্রিলোডেড রয়েছে। ইতিমধ্যে প্রায় 50 টিরও বেশি বহুল ব্যাবহৃত ইংরেজি শব্দের বাংলা অর্থ করা রয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে এটি ইন্সটল এর সংখ্যা ৫০ হাজারেরও বেশি এবং এটি সাইজ মাত্র ৬.৩ মেগাবাইট।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনআমরা ২.৩০ কে কেন আড়াইটা বলি? সাড়ে দুই বলিনা কেন?
ঘড়ির কাঁটায় নানা সংখ্যার মধ্যে দুটি হল ১.৩০ এবং ২.৩০। অথবা দেড়টা বা আড়াইটাও বলা হয়। কিন্তু এই সংখ্যা দুটির বেলার সাড়ে শব্দটা ব্যবহার হয় না, এই বিষয়ে ছোটবেলা থেকেই সবাই জেনে এসেছে। তবে কেন ব্যবহার করা হয় না, তা অনেকেরই অজানা। ৩.৩০ টে থেকে বাকি সময় বলার সময় প্রতিক্ষেত্রে ব্যবহার হয় 'সাড়ে' শব্দ। কিন্তুবিস্তারিত পড়ুন
ঘড়ির কাঁটায় নানা সংখ্যার মধ্যে দুটি হল ১.৩০ এবং ২.৩০। অথবা দেড়টা বা আড়াইটাও বলা হয়। কিন্তু এই সংখ্যা দুটির বেলার সাড়ে শব্দটা ব্যবহার হয় না, এই বিষয়ে ছোটবেলা থেকেই সবাই জেনে এসেছে। তবে কেন ব্যবহার করা হয় না, তা অনেকেরই অজানা।
৩.৩০ টে থেকে বাকি সময় বলার সময় প্রতিক্ষেত্রে ব্যবহার হয় ‘সাড়ে’ শব্দ। কিন্তু আলাদা শুধু এই দুটি ক্ষেত্র। ছোটবেলা থেকেই একাধিকবার এই প্রশ্ন মনে এলেও তার উত্তর সঠিকভাবে পাননি কেউ।
amit 10 mg এর কাজ কি এবং এটি কিসের ঔষধ?
Amit 10 mg কাজ এ্যামিট্রিপটাইলিন একটি ট্রাইসাইক্লিক ঔষধ যার এন্টিকোলিনারজিক এবং বিষণ্নতারােধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। ইহা স্নায়ু প্রান্তে নরএড্রিনালিন এবং সেরােটনিন পুনগ্রহণে বাধা দেয়। এ্যামিট্রিপটাইলিন হাইড্রোক্লোরাইড পরিপাকনালীতে দ্রুত শােষিত হয়। প্রায় ২ থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে প্লাজমাতে সর্বোচ্চ মাত্রবিস্তারিত পড়ুন
Amit 10 mg কাজ
এ্যামিট্রিপটাইলিন একটি ট্রাইসাইক্লিক ঔষধ যার এন্টিকোলিনারজিক এবং বিষণ্নতারােধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। ইহা স্নায়ু প্রান্তে নরএড্রিনালিন এবং সেরােটনিন পুনগ্রহণে বাধা দেয়। এ্যামিট্রিপটাইলিন হাইড্রোক্লোরাইড পরিপাকনালীতে দ্রুত শােষিত হয়। প্রায় ২ থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে প্লাজমাতে সর্বোচ্চ মাত্রায় পৌছায়। এ্যামিট্রিপটাইলিন প্রধানত মেটাবােলাইট হিসেবে প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে নিঃসৃত হয়।
মাত্রা ও সেবনবিধি
বিষণ্ণতায়: প্রাথমিক অবস্থায় ৭৫ মিঃগ্রাঃ (বয়োঃবৃদ্ধ ও কৈশোর-এ ৩০-৭৫ মিঃগ্রাঃ) প্রতিদিন বিভাজিত মাত্রায় অথবা একক মাত্রায় ঘুমানোর সময়। প্রয়োজন অনুযায়ী মাত্রা ধীরে ধীরে ১৫০-২০০ মিঃগ্রাঃ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যাবে। ১৬ বছরের নীচে শিশুদের বিষণ্ণতা রোগে এটি নির্দেশিত নয়।
শিশুদের রাত্রিতে বিছানায় মূত্রত্যাগে: ৭-১০ বছরের শিশুদের: ১০-২০ মিঃগ্রাঃ, ১১-১৬ বছরের শিশুদের: ২৫-৫০ মিঃগ্রাঃ ট্যাবলেট রাতে সেবন করতে হবে। চিকিৎসার সর্বোচ্চ সময়সীমা (ধীরে ধীরে মাত্রা কমানো সহ) ৩ মাস, পুনরায় চিকিৎসা করানোর পূর্বে সম্পূর্ণ দৈহিক পরীক্ষা করাতে হবে।
মাইগ্রেন প্রতিরোধে: প্রতিদিন ১০০ মিঃ গ্রাঃ।
দুঃশ্চিন্তা জনিত মাথা ব্যাথায়: ১০-২৫ মিঃ গ্রাঃ করে প্রতিদিন ৩ বার।
* চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক ঔষধ সেবন করুন’
সংক্ষেপে দেখুনক্সক্সক্স সং লিরিক্স ভিডিও খায় না মাথায় দেয়?
ভাই, এটা মানুষ খাওয়া বা মাথায় দেয়ার কাজ করে না। এগুলা মানুষ শোনে। এগুলো কিছু বিখ্যাত গান। যেগুলো ইউটিউবে লিরিক্স সহ পাওয়া যায়। আপনি হয়তো বুঝবেন না, কিন্তু অনেকেই এই গানগুলো শোনে। আপনিও শুনে দেখতে পারেন। কিছু গান লিরিক্স সহ নিচে দিয়ে দিলাম। দেখে নিয়েন। 🤪 https://youtu.be/sSOS3Ssf6kc https://youtu.be/বিস্তারিত পড়ুন
ভাই, এটা মানুষ খাওয়া বা মাথায় দেয়ার কাজ করে না। এগুলা মানুষ শোনে। এগুলো কিছু বিখ্যাত গান। যেগুলো ইউটিউবে লিরিক্স সহ পাওয়া যায়। আপনি হয়তো বুঝবেন না, কিন্তু অনেকেই এই গানগুলো শোনে। আপনিও শুনে দেখতে পারেন। কিছু গান লিরিক্স সহ নিচে দিয়ে দিলাম। দেখে নিয়েন। 🤪
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনছাগল পালন পদ্ধতি, মোটাতাজাকরণ, খাদ্য তালিকা এবং ছাগলের বাচ্চার দাম
ছাগলের কাশির চিকিৎসা করতে ছাগলের কাশির ঔষধ তৈরি করার পূর্ণাঙ্গ রেসিপি যেটি সম্পূর্ণ আয়ুর্বেদিক পদ্ধতিতে ঘরোয়া ভাবে ছাগলের কাশির সিরাপ কিভাবে তৈরি করবেন? • যে সকল বন্ধুরা ফার্মিং এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন, অবশ্যই আপনারা বলতে পারবেন, অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসায় ছাগলের কাশি সহজে ভালো হয় না। ছাগলের কাশি সারাবিস্তারিত পড়ুন
ছাগলের কাশির চিকিৎসা করতে ছাগলের কাশির ঔষধ তৈরি করার পূর্ণাঙ্গ রেসিপি যেটি সম্পূর্ণ আয়ুর্বেদিক পদ্ধতিতে ঘরোয়া ভাবে ছাগলের কাশির সিরাপ কিভাবে তৈরি করবেন?
• যে সকল বন্ধুরা ফার্মিং এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন, অবশ্যই আপনারা বলতে পারবেন, অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসায় ছাগলের কাশি সহজে ভালো হয় না। ছাগলের কাশি সারানোর জন্য বিভিন্ন রকমের সিরাপ ট্যাবলেট আপনারা ব্যবহার করেছেন। কিন্তু ছাগলের কাশি সারাতে পারেননি।
• একবার আমার এই আয়ুর্বেদিক ঘরোয়া পদ্ধতিতে ঔষধটি তৈরি করে ব্যবহার করে দেখতে পারেন কতটা কার্যকরী। যে সকল বন্ধুরা অনেকদিন ধরে গোট ফার্মিং করে আসছেন, অবশ্যই আমি আজকে যে আলোচনাটা করব একদম মনোযোগ সহকারে পড়বেন এবং কতটা সত্য তা কমেন্ট করে জানাবেন।
• আপনার ফার্মের কোন ছাগল যখন অসুস্থ হয় বেশিরভাগ ট্রিটমেন্ট কিন্তু আপনি অ্যালোপ্যাথিক পদ্ধতিতেই করে থাকেন। কিন্তু একটা কথা ভালোভাবে লক্ষ্য রাখবে অ্যালোপ্যাথি ট্রিটমেন্ট করতেছেন, যে এন্টিবায়োটিক বা যে মেডিসিন ব্যবহার করতেছে তার সাইডএফেক্ট কিছুদিন পরে দেখা যায়।
• অ্যালোপ্যাথিক খাওয়ানোর ছাগলটা সুস্থ হয়ে গেল, কিন্তু সুস্থ হয়ে যাওয়ার পরেও কিন্তু তার শরীরটা দুর্বল হয়ে যায়। সেটা হচ্ছে মেডিসিনের সাইডএফেক্ট। এরপরে শরীরে যতটা ঘাটতি হয়ে যায় সেটাকে রিকভার করতে অনেক দিন সময় লেগে যায়।
• অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় কিছু কিছু ছাগল যাদের শরীরের ইমিউনিটি কম, তাদের রিকভার করতে তিন চার মাস থাকতে পারে। তাতে হয় কি, সে দ্রুত হিটে আসে না বা যদি গর্ভবতী অবস্থায় ট্রিটমেন্ট করা হয়, সে সময় যদি বাচ্চা দেয় বাচ্চাটাও কমজোর হয়। শরীরে যথেষ্ট নিউট্রিশনের ঘাটতি ফলে তার দুধও কম হয়। এজন্য বেশিরভাগ সময় চেষ্টা করবেন আয়ুর্বেদিক এবং হোমিওপ্যাথি ট্রিটমেন্ট করতে তাহলে কিন্তু এই ধরণের সমস্যাগুলো হবে না।
• যেগুলো খুব কঠিন সমস্যা যেগুলোর ক্ষেত্রে আয়ুর্বেদিক কাজ হবে না সে ক্ষেত্রে আপনি অ্যালোপ্যাথি ট্রিটমেন্ট করতে পারেন। কিন্তু বাকি যে নরমাল রোগগুলো হয় সেক্ষেত্রে চেষ্টা রাখবেন ঘরোয়া আয়ুর্বেদিক বা হোমিও চিকিৎসা করার আজকে আলোচনা করব ছাগলের যে কাশি হয় সে কাশির জন্য নিজেরাই কিভাবে ঘরোয়া পদ্ধতিতে সম্পূর্ণ আয়ুর্বেদিক মেডিসিন তৈরি করবেন? এই কাশির ঔষধ তৈরির কাঁচামাল কি?
ছাগলের কাশির ঔষধ তৈরির কাঁচামালঃ
(১) শিউলি পাতা = ১৫০ গ্রাম কাচা অবস্থায়।
(২) বাসক পাতা = ১৫০ গ্রাম নিবেন।
(৩) রাম তুলসী বা বন তুলসী যেটাকে বলা হয় = ১৫০ গ্রাম।
(৪) পিপুল বা পিপলি = ১৫০ গ্রাম ।
(৫) এরপর আপনাকে আরেকটি তুলসী নিতে হবে, যেটা সাধারনত গ্রামেগঞ্জে হিন্দুদের বাড়িতে থাকে, সেটা নিতে হবে = ১৫০ গ্রাম।
(৬) এরপরে আপনাদের নিতে হবে গোলমরিচ যেটা মসলা হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে সেটাকে শুকিয়ে আধভাঙা করে নেবেন = 25 গ্রাম।
(৭) এরপর আরেকটি মসলাজাতীয় আপনাকে লবঙ্গ বা যেটাকে লং বলা হয়ে থাকে এটাকে নিয়ে নেবেন এটাকেও সেটাকে শুকিয়ে আধ ভাঙ্গা করে নেবেন = 25 গ্রাম।
(৮) সবার শেষে নিতে হবে আপনাকে তালমিস্ত্রী = 50 গ্রাম।
বি:দ্র: অনেকেই হয়ত জানেন না পিপুল পাতা কাকে বলা হয় এটি পান জাতীয় গাছ, গাছের মধ্যে সরু সরু লম্বা লম্বা ফল থাকে দেখলে বুঝতে পারবেন। এটি বাঁশঝার, সুপারি বাগানের বা জঙ্গলের মধ্যে হয়ে থাকে।এর ফলগুলো শুকিয়ে সংরক্ষণ করতে হয়। এছাড়াও একটি দোকানে কিনতে পাবেন সেটা যে দশকর্মার দোকান থাকে সে দশকর্মা দোকানে কিনতে পাবেন। যাদের আশেপাশে এই গাছগুলি দেখবেন এর ফলগুলি ছিঁড়ে রোদে রেখে দেবেন। যখন মেডিসিন তৈরি করবেন সেটাকে সরাসরি ব্যবহার করতে পারবেন। যাদের আশেপাশে নেই আপনারা দোকান থেকে কিনে নেবেন, পিপুল বা পিপলি বললেই দোকানদার বুঝে যাবে।
ছাগলের কাশির সিরাপ তৈরির পক্রিয়াঃ
(১) সবগুলোকে একসঙ্গে আধভাঙা করে নেবেন।
(২) নেওয়ার পর তিন লিটার জলের মধ্যে এই উপাদান গুলি দিয়ে দিতে হবে।
(৩) এর পরে তাকে কম তাপে জাল করতে হবে। যত কম তাপ দিয়ে বেশি সময় ধরে আপনারা জাল করবেন তত ভালো মেডিসিন তৈরি হবে।
(৪) তিন লিটারকে জ্বাল করতে করতে আপনাকে এক লিটারে নিয়ে আসতে হবে।
(৫) এই এক লিটার ঠান্ডা করে ছাকনি দিয়ে সংরক্ষন করে রেখে দিতে হবে।
ছাগলের কাশির চিকিৎসা করতে ঔষধ প্রয়োগবিধিঃ
(১) যাদের শুকনো কাশি বা সর্দি কাশি থাকে সেক্ষেত্রে একটা কুঁড়ি কেজি ওজনের ছাগলকে ৫মিলি করে দিতে হবে।
(২) সারা দিনে তিন বার এই কাশের সিরাপ ঔষধ খাওয়াবেন।
(৩) এই মেডিসিন টা যদি তৈরি করে যদি আপনারা ফার্মে সংরক্ষণ করে রাখতে পারেন তাহলে ছোট বাচ্চা প্রেগনেন্ট, প্রেগনেন্ট ছাড়া সব ধরনের ছাগলকে আপনারা সরাসরি ব্যবহার করতে পারবেন। এর কোন সাইডএফেক্ট নেই।
(৪) যদি কোনো মানুষের ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে চান একইভাবে আপনারা মানুষের ক্ষেত্রে কিন্তু এটাকে ব্যবহার করতে পারবেন।
ধন্যবাদ!
সূত্রঃ ইন্টারনেট
সংক্ষেপে দেখুনBrave browser license key with vpns
sotti katha bolle sobar gaye lage???
sotti katha bolle sobar gaye lage???
সংক্ষেপে দেখুনসুরা মুলক বাংলা উচ্চারণ ও অর্থসহ ছবি, আরবি থেকে বাংলা লেখা
সূরা মূলক (Surah Al-Mulk) কুরআন শরীফের ৬৭ তম সূরা। আয়াত সংখ্যা ৩০। আসুন জেনে নেই সূরা মূলকের বাংলা অনুবাদ - উচ্চারণ - অর্থ এবং ফযিলত সম্পর্কে। উচ্চারণ ও অর্থঃ 1 تَبَٰرَكَ ٱلَّذِى بِيَدِهِ ٱلْمُلْكُ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ তাবা-রাকাল্লাযী বিয়াদিহিল মুলকু ওয়া হুওয়া ‘আলা- কুল্লি শাইয়িন কাদীরবিস্তারিত পড়ুন
সূরা মূলক (Surah Al-Mulk) কুরআন শরীফের ৬৭ তম সূরা। আয়াত সংখ্যা ৩০। আসুন জেনে নেই সূরা মূলকের বাংলা অনুবাদ – উচ্চারণ – অর্থ এবং ফযিলত সম্পর্কে।
উচ্চারণ ও অর্থঃ
1 تَبَٰرَكَ ٱلَّذِى بِيَدِهِ ٱلْمُلْكُ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ তাবা-রাকাল্লাযী বিয়াদিহিল মুলকু ওয়া হুওয়া ‘আলা- কুল্লি শাইয়িন কাদীর।
পূণ্যময় তিনি, যাঁর হাতে রাজত্ব। তিনি সবকিছুর উপর সর্বশক্তিমান। Blessed be He in Whose hands is Dominion; and He over all things hath Power;-
2 ٱلَّذِى خَلَقَ ٱلْمَوْتَ وَٱلْحَيَوٰةَ لِيَبْلُوَكُمْ أَيُّكُمْ أَحْسَنُ عَمَلًا وَهُوَ ٱلْعَزِيزُ ٱلْغَفُورُ আল্লাযী খালাকাল মাওতা ওয়াল হায়া-তা লিইয়াবলুওয়াকুম আইয়ুকুম আহছানু‘আমালাওঁ ওয়া হুওয়াল ‘আঝীঝুল গাফূর।
যিনি সৃষ্টি করেছেন মরণ ও জীবন, যাতে তোমাদেরকে পরীক্ষা করেন-কে তোমাদের মধ্যে কর্মে শ্রেষ্ঠ? তিনি পরাক্রমশালী, ক্ষমাময়। He Who created Death and Life, that He may try which of you is best in deed: and He is the Exalted in Might, Oft-Forgiving;-
3 ٱلَّذِى خَلَقَ سَبْعَ سَمَٰوَٰتٍ طِبَاقًا مَّا تَرَىٰ فِى خَلْقِ ٱلرَّحْمَٰنِ مِن تَفَٰوُتٍ فَٱرْجِعِ ٱلْبَصَرَ هَلْ تَرَىٰ مِن فُطُورٍ আল্লাযী খালাকা ছাব‘আ ছামা-ওয়া-তিন তিবা-কান মা- তারা- ফী খালকির রাহমা-নি মিন তাফা-উত ফারজি‘ইল বাসারা হাল তারা- মিন ফুতূর।
তিনি সপ্ত আকাশ স্তরে স্তরে সৃষ্টি করেছেন। তুমি করুণাময় আল্লাহ তা’আলার সৃষ্টিতে কোন তফাত দেখতে পাবে না। আবার দৃষ্টিফেরাও; কোন ফাটল দেখতে পাও কি? He Who created the seven heavens one above another: No want of proportion wilt thou see in the Creation of (Allah) Most Gracious. So turn thy vision again: seest thou any flaw?
4 ثُمَّ ٱرْجِعِ ٱلْبَصَرَ كَرَّتَيْنِ يَنقَلِبْ إِلَيْكَ ٱلْبَصَرُ خَاسِئًا وَهُوَ حَسِيرٌ ছু ম্মার জি‘ইলবাসারা কাররাতাইনি ইয়ানকালিব ইলাইকাল বাসারু খা-ছিআওঁ ওয়া হুওয়া হাছীর।
অতঃপর তুমি বার বার তাকিয়ে দেখ-তোমার দৃষ্টি ব্যর্থ ও পরিশ্রান্ত হয়ে তোমার দিকে ফিরে আসবে। Again turn thy vision a second time: (thy) vision will come back to thee dull and discomfited, in a state worn out.
5 وَلَقَدْ زَيَّنَّا ٱلسَّمَآءَ ٱلدُّنْيَا بِمَصَٰبِيحَ وَجَعَلْنَٰهَا رُجُومًا لِّلشَّيَٰطِينِ وَأَعْتَدْنَا لَهُمْ عَذَابَ ٱلسَّعِيرِ ওয়া লাকাদ ঝাইয়ান্নাছ ছামাআদ্দুনইয়া- বিমাসা-বীহা ওয়াজা‘আলনা- হা- রুজূমাল লিশশায়া-তীনি ওয়া আ‘তাদনা- লাহুম ‘আযা- বাছছা‘ঈর।
আমি সর্বনিম্ন আকাশকে প্রদীপমালা দ্বারা সুসজ্জত করেছি; সেগুলোকে শয়তানদের জন্যে ক্ষেপণাস্ত্রবৎ করেছি এবং প্রস্তুত করে রেখেছি তাদের জন্যে জলন্ত অগ্নির শাস্তি। And we have, (from of old), adorned the lowest heaven with Lamps, and We have made such (Lamps) (as) missiles to drive away the Evil Ones, and have prepared for them the Penalty of the Blazing Fire.
6 وَلِلَّذِينَ كَفَرُوا۟ بِرَبِّهِمْ عَذَابُ جَهَنَّمَ وَبِئْسَ ٱلْمَصِيرُ ওয়া লিল্লাযীনা কাফারূবিরাব্বিহিম ‘আযা- বুজাহান্নামা ওয়াবি’ছাল মাসীর।
যারা তাদের পালনকর্তাকে অস্বীকার করেছে তাদের জন্যে রয়েছে জাহান্নামের শাস্তি। সেটা কতই না নিকৃষ্ট স্থান। For those who reject their Lord (and Cherisher) is the Penalty of Hell: and evil is (such), Destination.
7 إِذَآ أُلْقُوا۟ فِيهَا سَمِعُوا۟ لَهَا شَهِيقًا وَهِىَ تَفُورُ ইযাউলকূফীহা- ছামি‘উ লাহা- শাহীকাওঁ ওয়াহিয়া তাফূর।
যখন তারা তথায় নিক্ষিপ্ত হবে, তখন তার উৎক্ষিপ্ত গর্জন শুনতে পাবে। When they are cast therein, they will hear the (terrible) drawing in of its breath even as it blazes forth,
8 تَكَادُ تَمَيَّزُ مِنَ ٱلْغَيْظِ كُلَّمَآ أُلْقِىَ فِيهَا فَوْجٌ سَأَلَهُمْ خَزَنَتُهَآ أَلَمْ يَأْتِكُمْ نَذِيرٌ তাকা- দুতামাইয়াঝুমিনাল গাইজি কুল্লামাউলকিয়া ফীহা- ফাওজুন ছাআলাহুম খাঝানাতুহাআলাম ইয়া’তিকুম নাযীর।g
ক্রোধে জাহান্নাম যেন ফেটে পড়বে। যখনই তাতে কোন সম্প্রদায় নিক্ষিপ্ত হবে তখন তাদেরকে তার সিপাহীরা জিজ্ঞাসা করবে। তোমাদের কাছে কি কোন সতর্ককারী আগমন করেনি? Almost bursting with fury: Every time a Group is cast therein, its Keepers will ask, “Did no Warner come to you?”
9 قَالُوا۟ بَلَىٰ قَدْ جَآءَنَا نَذِيرٌ فَكَذَّبْنَا وَقُلْنَا مَا نَزَّلَ ٱللَّهُ مِن شَىْءٍ إِنْ أَنتُمْ إِلَّا فِى ضَلَٰلٍ كَبِيرٍ কা- লূবালা- কাদ জাআনা- নাযীরুন ফাকাযযাবনা- ওয়া কুলনা- মানাঝঝালাল্লা- হু মিন শাইয়িন ইন আনতুম ইল্লা- ফী দালা- লিন কাবীর।
তারা বলবেঃ হ্যাঁ আমাদের কাছে সতর্ককারী আগমন করেছিল, অতঃপর আমরা মিথ্যারোপ করেছিলাম এবং বলেছিলামঃ আল্লাহ তা’আলা কোন কিছু নাজিল করেননি। তোমরা মহাবিভ্রান্তিতে পড়ে রয়েছ। They will say: “Yes indeed; a Warner did come to us, but we rejected him and said, ‘Allah never sent down any (Message): ye are nothing but an egregious delusion!'”
10 وَقَالُوا۟ لَوْ كُنَّا نَسْمَعُ أَوْ نَعْقِلُ مَا كُنَّا فِىٓ أَصْحَٰبِ ٱلسَّعِيرِ ওয়া কা-লূলাও কুন্না- নাছমা‘উ আও না‘কিলুমা- কুন্না-ফীআসহা-বিছছা‘ঈর।
তারা আরও বলবেঃ যদি আমরা শুনতাম অথবা বুদ্ধি খাটাতাম, তবে আমরা জাহান্নামবাসীদের মধ্যে থাকতাম না। They will further say: “Had we but listened or used our intelligence, we should not (now) be among the Companions of the Blazing Fire!”
11 فَٱعْتَرَفُوا۟ بِذَنۢبِهِمْ فَسُحْقًا لِّأَصْحَٰبِ ٱلسَّعِيرِ ফা‘তারাফূবিযামবিহিম ফাছুহক্বললিআসহা-বিছ ছা‘ঈর।
অতঃপর তারা তাদের অপরাধ স্বীকার করবে। জাহান্নামীরা দূর হোক। They will then confess their sins: but far will be (Forgiveness) from the Companions of the Blazing Fire!
12 إِنَّ ٱلَّذِينَ يَخْشَوْنَ رَبَّهُم بِٱلْغَيْبِ لَهُم مَّغْفِرَةٌ وَأَجْرٌ كَبِيرٌ ইন্নাল্লাযীনা ইয়াখশাওনা রাব্বাহুম বিলগাইবি লাহুম মাগফিরাতুওঁ ওয়া আজরুন কাবীর।
নিশ্চয় যারা তাদের পালনকর্তাকে না দেখে ভয় করে, তাদের জন্যে রয়েছে ক্ষমা ও মহাপুরস্কার। As for those who fear their Lord unseen, for them is Forgiveness and a great Reward. As for those who fear their Lord unseen, for them is Forgiveness and a great Reward.
13 وَأَسِرُّوا۟ قَوْلَكُمْ أَوِ ٱجْهَرُوا۟ بِهِۦٓ إِنَّهُۥ عَلِيمٌۢ بِذَاتِ ٱلصُّدُورِ ওয়া আছিররূকাওলাকুম আবিজহারূবিহী ইন্নাহূ‘আলীমুম বিযা- তিসসুদূ র।
তোমরা তোমাদের কথা গোপনে বল অথবা প্রকাশ্যে বল, তিনি তো অন্তরের বিষয়াদি সম্পর্কে সম্যক অবগত। And whether ye hide your word or publish it, He certainly has (full) knowledge, of the secrets of (all) hearts.
14 أَلَا يَعْلَمُ مَنْ خَلَقَ وَهُوَ ٱللَّطِيفُ ٱلْخَبِيرُ আলা- ইয়া‘লামুমান খালাকা ওয়া হুওয়াল্লাতীফুল খাবীর।
যিনি সৃষ্টি করেছেন, তিনি কি করে জানবেন না? তিনি সূক্ষ্নজ্ঞানী, সম্যক জ্ঞাত। Should He not know,- He that created? and He is the One that understands the finest mysteries (and) is well-acquainted (with them).
15 هُوَ ٱلَّذِى جَعَلَ لَكُمُ ٱلْأَرْضَ ذَلُولًا فَٱمْشُوا۟ فِى مَنَاكِبِهَا وَكُلُوا۟ مِن رِّزْقِهِۦ وَإِلَيْهِ ٱلنُّشُورُ হুওয়াল্লাযী জা‘আলা লাকুমুল আরদা যালূলান ফামশূফী মানা-কিবিহা- ওয়া কুলূমির রিঝকিহী ওয়া ইলাইহিন নুশূর।
তিনি তোমাদের জন্যে পৃথিবীকে সুগম করেছেন, অতএব, তোমরা তার কাঁধে বিচরণ কর এবং তাঁর দেয়া রিযিক আহার কর। তাঁরই কাছে পুনরুজ্জীবন হবে। It is He Who has made the earth manageable for you, so traverse ye through its tracts and enjoy of the Sustenance which He furnishes: but unto Him is the Resurrection.
16 ءَأَمِنتُم مَّن فِى ٱلسَّمَآءِ أَن يَخْسِفَ بِكُمُ ٱلْأَرْضَ فَإِذَا هِىَ تَمُورُ আ আমিনতুম মান ফিছছামাই আইঁ ইয়াখছিফা বিকুমুল আরদা ফাইযা- হিয়া তামূর।
তোমরা কি ভাবনামুক্ত হয়ে গেছ যে, আকাশে যিনি আছেন তিনি তোমাদেরকে ভূগর্ভে বিলীন করে দেবেন, অতঃপর তা কাঁপতে থাকবে। Do ye feel secure that He Who is in heaven will not cause you to be swallowed up by the earth when it shakes (as in an earthquake)?
17 أَمْ أَمِنتُم مَّن فِى ٱلسَّمَآءِ أَن يُرْسِلَ عَلَيْكُمْ حَاصِبًا فَسَتَعْلَمُونَ كَيْفَ نَذِيرِ আম আমিনতুম মান ফিছছামাই আইঁ ইউরছিলা ‘আলাইকুম হা-সিবান ফাছাতা‘লামূনা কাইফা নাযীর।
না তোমরা নিশ্চিন্ত হয়ে গেছ যে, আকাশে যিনি আছেন, তিনি তোমাদের উপর প্রস্তর বৃষ্টি বর্ষণ করবেন, অতঃপর তোমরা জানতে পারবে কেমন ছিল আমার সতর্কবাণী। Or do ye feel secure that He Who is in Heaven will not send against you a violent tornado (with showers of stones), so that ye shall know how (terrible) was My warning?
18 وَلَقَدْ كَذَّبَ ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ فَكَيْفَ كَانَ نَكِيرِ ওয়া লাকাদ কাযযাবাল্লাযীনা মিন কাবলিহিম ফাকাইফা কা- না নাকীর।
তাদের পূর্ববর্তীরা মিথ্যারোপ করেছিল, অতঃপর কত কঠোর হয়েছিল আমার অস্বীকৃতি। But indeed men before them rejected (My warning): then how (terrible) was My rejection (of them)?
19 أَوَلَمْ يَرَوْا۟ إِلَى ٱلطَّيْرِ فَوْقَهُمْ صَٰٓفَّٰتٍ وَيَقْبِضْنَ مَا يُمْسِكُهُنَّ إِلَّا ٱلرَّحْمَٰنُ إِنَّهُۥ بِكُلِّ شَىْءٍۭ بَصِيرٌ আওয়ালাম ইয়ারাও ইলাত্তাইরি ফাওকাহুম সাফফা-তিওঁ ওয়াইয়াকবিদন । মাইউমছিকুহুন্না ইল্লাররাহমা-নু ইন্নাহূবিকুল্লি শাইয়িম বাসীর।
তারা কি লক্ষ্য করে না, তাদের মাথার উপর উড়ন্ত পক্ষীকুলের প্রতি পাখা বিস্তারকারী ও পাখা সংকোচনকারী? রহমান আল্লাহ-ই তাদেরকে স্থির রাখেন। তিনি সর্ব-বিষয় দেখেন। Do they not observe the birds above them, spreading their wings and folding them in? None can uphold them except (Allah) Most Gracious: Truly (Allah) Most Gracious: Truly it is He that watches over all things.
20 أَمَّنْ هَٰذَا ٱلَّذِى هُوَ جُندٌ لَّكُمْ يَنصُرُكُم مِّن دُونِ ٱلرَّحْمَٰنِ إِنِ ٱلْكَٰفِرُونَ إِلَّا فِى غُرُورٍ আম্মান হা-যাল্লাযী হুওয়া জুনদুল্লাকুম ইয়ানসুরুকুম মিন দূ নিররাহমা-নি ইনিল কাফিরূনা ইল্লা- ফী গুরূর।
রহমান আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত তোমাদের কোন সৈন্য আছে কি, যে তোমাদেরকে সাহায্য করবে? কাফেররা বিভ্রান্তিতেই পতিত আছে। Nay, who is there that can help you, (even as) an army, besides (Allah) Most Merciful? In nothing but delusion are the Unbelievers.
21 أَمَّنْ هَٰذَا ٱلَّذِى يَرْزُقُكُمْ إِنْ أَمْسَكَ رِزْقَهُۥ بَل لَّجُّوا۟ فِى عُتُوٍّ وَنُفُورٍ আম্মান হা- যাল্লাযী ইয়ারঝকুকুম ইন আমছাকা রিঝকাহূ বাল্লাজ্জূফী ‘উতুওবিওয়া নুফূর।
তিনি যদি রিযিক বন্ধ করে দেন, তবে কে আছে, যে তোমাদেরকে রিযিক দিবে বরং তারা অবাধ্যতা ও বিমুখতায় ডুবে রয়েছে। Or who is there that can provide you with Sustenance if He were to withhold His provision? Nay, they obstinately persist in insolent impiety and flight (from the Truth).
22 أَفَمَن يَمْشِى مُكِبًّا عَلَىٰ وَجْهِهِۦٓ أَهْدَىٰٓ أَمَّن يَمْشِى سَوِيًّا عَلَىٰ صِرَٰطٍ مُّسْتَقِيمٍ আফামাইঁ ইয়ামশী মুকিব্বান ‘আলা- ওয়াজহিহী আহদা আম্মাইঁ ইয়ামশী ছাবি ইয়ান ‘আলা-সিরা-তিমমুছতাকীম।
যে ব্যক্তি উপুড় হয়ে মুখে ভর দিয়ে চলে, সে-ই কি সৎ পথে চলে, না সে ব্যক্তি যে সোজা হয়ে সরলপথে চলে Is then one who walks headlong, with his face grovelling, better guided,- or one who walks evenly on a Straight Way?
23 قُلْ هُوَ ٱلَّذِىٓ أَنشَأَكُمْ وَجَعَلَ لَكُمُ ٱلسَّمْعَ وَٱلْأَبْصَٰرَ وَٱلْأَفْـِٔدَةَ قَلِيلًا مَّا تَشْكُرُونَ কুল হুওয়াল্লাযীআনশাআকুম ওয়া জা‘আলা লাকুমুছছাম‘আ ওয়াল আবসা-রা ওয়াল আফইদাতা কালীলাম মা-তাশকুরূন।
বলুন, তিনিই তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন এবং দিয়েছেন কর্ণ, চক্ষু ও অন্তর। তোমরা অল্পই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর। Say: “It is He Who has created you (and made you grow), and made for you the faculties of hearing, seeing, feeling and understanding: little thanks it is ye give.
24 قُلْ هُوَ ٱلَّذِى ذَرَأَكُمْ فِى ٱلْأَرْضِ وَإِلَيْهِ تُحْشَرُونَ কুল হুওয়াল্লাযী যারাআকুম ফিল আরদিওয়া ইলাইহি তুহশারূন।
বলুন, তিনিই তোমাদেরকে পৃথিবীতে বিস্তৃত করেছেন এবং তাঁরই কাছে তোমরা সমবেত হবে। Say: “It is He Who has multiplied you through the earth, and to Him shall ye be gathered together.”
25 وَيَقُولُونَ مَتَىٰ هَٰذَا ٱلْوَعْدُ إِن كُنتُمْ صَٰدِقِينَ ওয়া ইয়াকূলূনা মাতা-হা-যাল ওয়া‘দুইন কুনতুম সা-দিকীন।
কাফেররা বলেঃ এই প্রতিশ্রুতি কবে হবে, যদি তোমরা সত্যবাদী হও? They ask: When will this promise be (fulfilled)? – If ye are telling the truth.
26 قُلْ إِنَّمَا ٱلْعِلْمُ عِندَ ٱللَّهِ وَإِنَّمَآ أَنَا۠ نَذِيرٌ مُّبِينٌ কুল ইন্নামাল ‘ইলমু‘ইনদাল্লা- হি ওয়া ইন্নামাআনা নাযীরুম মুবীন।
বলুন, এর জ্ঞান আল্লাহ তা’আলার কাছেই আছে। আমি তো কেবল প্রকাশ্য সতর্ককারী। Say: “As to the knowledge of the time, it is with Allah alone: I am (sent) only to warn plainly in public.”
27 فَلَمَّا رَأَوْهُ زُلْفَةً سِيٓـَٔتْ وُجُوهُ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ وَقِيلَ هَٰذَا ٱلَّذِى كُنتُم بِهِۦ تَدَّعُونَ ফালাম্মা-রাআওহু ঝুলফাতান ছীআত ঊজূহুল্লাযীনা কাফারূওয়া কীলা হা-যাল্লাযী কুনতুম বিহী তাদ্দা‘ঊন।
যখন তারা সেই প্রতিশ্রুতিকে আসন্ন দেখবে তখন কাফেরদের মুখমন্ডল মলিন হয়ে পড়বে এবং বলা হবেঃ এটাই তো তোমরা চাইতে। At length, when they see it close at hand, grieved will be the faces of the Unbelievers, and it will be said (to them): “This is (the promise fulfilled), which ye were calling for!”
28 قُلْ أَرَءَيْتُمْ إِنْ أَهْلَكَنِىَ ٱللَّهُ وَمَن مَّعِىَ أَوْ رَحِمَنَا فَمَن يُجِيرُ ٱلْكَٰفِرِينَ مِنْ عَذَابٍ أَلِيمٍ কুল আরাআইতুম ইন আহলাকানিয়াল্লা-হু ওয়া মাম্মা‘ইয়া আও রাহিমানা- ফামাইঁ ইউজীরুল কা-ফিরীনা মিন ‘আযা-বিন আলীম।
বলুন, তোমরা কি ভেবে দেখেছ-যদি আল্লাহ তা’আলা আমাকে ও আমার সংগীদেরকে ধ্বংস করেন অথবা আমাদের প্রতি দয়া করেন, তবে কাফেরদেরকে কে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি থেকে রক্ষা করবে? Say: “See ye?- If Allah were to destroy me, and those with me, or if He bestows His Mercy on us,- yet who can deliver the Unbelievers from a grievous Penalty?”
29 قُلْ هُوَ ٱلرَّحْمَٰنُ ءَامَنَّا بِهِۦ وَعَلَيْهِ تَوَكَّلْنَا فَسَتَعْلَمُونَ مَنْ هُوَ فِى ضَلَٰلٍ مُّبِينٍ কুল হুওয়াররাহমা-নুআ-মান্না-বিহী ওয়া‘আলাইহি তাওয়াক্কালনা-, ফাছাতা‘লামূনা মান হুওয়া ফী দালা-লিম মুবীন।
বলুন, তিনি পরম করুণাময়, আমরা তাতে বিশ্বাস রাখি এবং তাঁরই উপর ভরসা করি। সত্ত্বরই তোমরা জানতে পারবে, কে প্রকাশ্য পথ-ভ্রষ্টতায় আছে। Say: “He is (Allah) Most Gracious: We have believed in Him, and on Him have we put our trust: So, soon will ye know which (of us) it is that is in manifest error.”
30 قُلْ أَرَءَيْتُمْ إِنْ أَصْبَحَ مَآؤُكُمْ غَوْرًا فَمَن يَأْتِيكُم بِمَآءٍ مَّعِينٍۭ কুল আরাআইতুম ইন আসবাহা মাউকুম গাওরান ফামাইঁ ইয়া’তীকুম বিমাইম মা‘ঈন।
বলুন, তোমরা ভেবে দেখেছ কি, যদি তোমাদের পানি ভূগর্ভের গভীরে চলে যায়, তবে কে তোমাদেরকে সরবরাহ করবে পানির স্রোতধারা? Say: “See ye?- If your stream be some morning lost (in the underground earth), who then can supply you with clear-flowing water?”
সূরা মূলকের ফজিলত
১. তিরমিযী শরীফের মধ্যে একটি হাদীসে বর্ণিত আছে, যে ব্যক্তি দৈনিক সূরা মূলক পাঠ করবে, সে করব আযাব ও কিয়ামতের মুছীবত হতে রক্ষা পাবে এবং জান্নাতবাসী হবে।
সংক্ষেপে দেখুন২. অন্য এক হাদিসে বর্ণিত আছে, যে ব্যক্তি নিয়মিত সূরা মূলক পাঠ করবে তাকে কবরের আজাব থেকে সূরা মূলক রক্ষা করবে কেয়ামত পর্যন্ত।
৩. আবু দাউদ (হাদিস নং ১৪০০) বর্ণিত আছে মুহাম্মদ (সঃ ) বলেছেন: কাল কেয়ামতের মাঠে এক ব্যক্তির উপর জাহান্নাম ওয়াজিব হয়ে গেছিলো। কিন্তু সে সূরা মূলক নিয়মিত পাঠ করতো। তখন সূরা মূলক আল্লাহকে বলবে উমুক ব্যক্তিকে আপনি ক্ষমা করে দিন। আল্লাহ বললেন না। সূরাটি আবারও বলবে আল্লাহ উমুক ব্যক্তিকে আপনি ক্ষমা করে দিন কারণ সে আমাকে পাঠ করতো। আল্লাহ আবারও না বললেন। এইভাবে সূরাটি আল্লাহর কাছে উমুক ব্যক্তির জন্যে ক্ষমা চাইতেই থাকবে যতক্ষণ না পর্যন্ত আল্লাহ ব্যক্তিটিকে ক্ষমা না করেন।
৪. যে লোক সূরা মূলক নিয়মিত পাঠ করবে, তার গুনাহ মাফ হয়ে যাবে এবং পরকালে ইহা তার জন্য সুপারিশ করবে।
৫. আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত মুহাম্মদ (সঃ) বলেছেন, কুরআনে একটি সূরা রয়েছে যা কেবল ত্রিশটি আয়াত। এটি পাঠকারীকে জান্নাতে না নেওয়া পর্যন্ত তার সাথে থাকবে।
৬. মুহাম্মদ (সঃ) বলেছেন “সূরা আল মূলক কবরের আযাব থেকে রক্ষাকারী”
৭. জাবির বলেছিলেন যে তাবারকাল্লাদি বিয়াদিহিল মুলক (আল-মুলক) এবং আলিফ লাম মীম তানজিল (আস-সাজদা) পড়া না হওয়া পর্যন্ত ঘুমাতে না যাওয়ার রীতি ছিল।
৮. আহমদ, তিরমিযী ও সুনান আল-দারিমি থেকে বর্ণিত, জাবির বলেছিলেন যে তাবা-রাকাল্লাযী বিয়াদিহিল মুলকু (আল-মুলক) এবং আলিফ লাম মীম তানজিল (আস-সাজদা) পড়া না হওয়া পর্যন্ত ঘুমাতে না।
৯. আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস বর্ণনা করেছেন যে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমার আকাঙ্ক্ষা / ভালবাসা যে সূরাতুল মুলক প্রত্যেক মুসলমানের অন্তরে থাকুক।
১০. তিরমিযী হাদিসে তে বর্ণিত আছে, ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেনঃ মুহাম্মাদ (সাঃ) এর একজন সাহাবী না বুঝে একটি কবরের উপরে তাঁর তাঁবু স্থাপন করেছিলেন। এবং সে করব থেকে শুনতে পেলো তাবা-রাকাল্লাযী বিয়াদিহিল মুলকু শেষ পর্যন্ত পাঠ করছে। তিনি গিয়ে মুহাম্মাদ (সাঃ) ঘটনাটি বললেন। এবং জানতে চাইলেন কে এটা পাঠ করছিলো? উত্তরে মুহাম্মাদ (সাঃ) বললেন “এটা হলো প্রতিরোধকারী, আল্লাহ তায়ালার আযাব থেকে রক্ষাকারী”
১১. মিশকাত আল মিসবাহ তে বর্ণিত আছে, খালেদ বিন মাদাম সূরা আল মুলক ও আস-সাজদা সম্পর্কে বলেছেন যে “এই দুটি সূরা কবরে তাদের আবৃতিকারীর জন্য লড়াই করবে এবং বলবে, হে আল্লাহ! আমরা যদি আপনার বইয়ের (কুরআনের ) অন্তর্ভুক্ত হই তবে তাঁর অনুগ্রহে আমাদের সুপারিশ গ্রহণ করুন। যদি আমরা না হই তবে আমাদের নির্মূল করুন। এই সূরাগুলি পাখির মতো ডানা ছড়িয়ে দেবে এবং ব্যক্তিকে কবরের আযাব থেকে রক্ষা করবে।”
১২. ইবনে উমর (রাঃ ) বলেছিলেন যে একবার মুহাম্মদ (সাঃ) সূরা মূলকের দ্বিতীয় আয়াত পাঠ করছিলেন (তিনিই মৃত্যু ও জীবন সৃষ্টি করেছেন যাতে তিনি তোমাদের পরীক্ষা করতে পারেন যে তোমাদের মধ্যে কে কর্মে উত্তম) এবং যখন তিনি “কাজের মধ্যে উত্তম” কথাটি পৌঁছেছিলেন, তখন তিনি থামিয়ে ব্যাখ্যা করলেন। “কর্মে আরও ভাল” সেই ব্যক্তি হ’ল যে ব্যক্তি আল্লাহ যা নিষেধ করেছেন সে বিষয় থেকে সর্বাধিক পরিহার করে এবং সর্বদা তাঁর আনুগত্য করতে প্রস্তুত থাকে। “
হ্যাকিং করার জন্য হ্যাকার দের কোন অপারেটিং সিস্টেম, সফটওয়্যার এবং অ্যাপ ব্যবহার করতে হয়?
বেশিরভাগ হ্যাকাররা লিনাক্স এর ডিস্টো ব্যবহার করে। হ্যাকিং এর জন্য লিনাক্স ডিস্টো এর মধ্যে ক্যালি অনেক জনপ্রিয়। কারণ এতে ডিফল্ট পেনেট্রেশন টেস্টিং সফটওয়্যার ইনস্টল করা থাকে। বেশিরভাগ হ্যাকাররা লিনাক্স এর ডিস্টো ব্যবহার করে। হ্যাকিং এর জন্য পাইথন পোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজটি বেশি জনপ্রিয়, তাই আপনার যদিবিস্তারিত পড়ুন
বেশিরভাগ হ্যাকাররা লিনাক্স এর ডিস্টো ব্যবহার করে। হ্যাকিং এর জন্য লিনাক্স ডিস্টো এর মধ্যে ক্যালি অনেক জনপ্রিয়। কারণ এতে ডিফল্ট পেনেট্রেশন টেস্টিং সফটওয়্যার ইনস্টল করা থাকে। বেশিরভাগ হ্যাকাররা লিনাক্স এর ডিস্টো ব্যবহার করে।
হ্যাকিং এর জন্য পাইথন পোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজটি বেশি জনপ্রিয়, তাই আপনার যদি হ্যাকিং শেখার ইচ্ছা থাকে তাহলে পাইথন দিয়ে শুরু করেন। আর আপনি যদি খুব সহজে পাইথন শিখতে চান, তাহলে Programming Hero অ্যাপসটি ব্যাবহার করতে পারেন, পাইথন শিক্ষার্থীদের জন্য খুবই উপকারী অ্যাপস।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনজেএসসি পরীক্ষার নতুন সিলেবাস ২০২২, ২০২১, ২০২০, ২০১৯
জেএসসি পরীক্ষার নতুন সিলেবাস ২০২২ : এ বছর জুনিয়র স্কলারশিপ সার্টিফিকেট বা জেএসসি পরীক্ষা না হলেও অষ্টম শ্রেণীর নিয়মতান্ত্রিক বার্ষিক পরীক্ষা হচ্ছে। সেই লক্ষ্যে ২০২১ সালের ৮ম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার সিলেবাসও প্রণয়ন করা হয়েছে। গত ১৭ই অক্টোবর, ২০২১ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের এক নির্দেশনায় জানাবিস্তারিত পড়ুন
জেএসসি পরীক্ষার নতুন সিলেবাস ২০২২ : এ বছর জুনিয়র স্কলারশিপ সার্টিফিকেট বা জেএসসি পরীক্ষা না হলেও অষ্টম শ্রেণীর নিয়মতান্ত্রিক বার্ষিক পরীক্ষা হচ্ছে। সেই লক্ষ্যে ২০২১ সালের ৮ম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার সিলেবাসও প্রণয়ন করা হয়েছে। গত ১৭ই অক্টোবর, ২০২১ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের এক নির্দেশনায় জানানো হয, আগামী ২৪ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর ২০২১ তারিখের মধ্যে ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে।
৮ম শ্রেণির সিলেবাস ২০২২ pdf
এ বছর বাংলা, ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে পরীক্ষা নেয়া হবে। বাংলা ও ইংরেজি উভয় পত্রের পরীক্ষা গ্রহণ করার নির্দেশ রয়েছে। পরীক্ষার প্রতিটি প্রশ্নপত্রের মান হবে ৫০ নম্বরের এবং সময় হবে ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। উপরে উল্লেখিত বিষয়গুলোর যেসব অধ্যায় থেকে এসাইনমেন্ট দেয়া হয়েছে, সেসব অধ্যায় এবং ১২ জানুয়ারি ২০২১ থেকে শ্রেণিকক্ষে যেসব অধ্যায়ের ওপর পাঠদান করা হয়েছে, সেগুলোই মূলত ২০২১ সালে ৮ম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার সিলেবাস।
৮ম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার মানবণ্টন
এছাড়াও প্রত্যেক শিক্ষার্থীর বার্ষিক পরীক্ষার নম্বরের সকল বিষয়ের অ্যাসাইনমেন্টের ওপর ৪০ নম্বর যোগ করা হবে। পাশাপাশি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর আরও ১০ নম্বর যোগ করা হবে। অর্থাৎ মোট ১০০ নম্বরের (৫০+৪০+১০) ওপর প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে মূল্যায়নপূর্বক বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল তৈরি করে শিক্ষার্থীদের প্রগ্রেসিভ রিপোর্ট প্রদান করা হবে।
৮ম শ্রেণির সাজেশন ২০২১ pdf
যদিও মাত্র ৩ টি সাবজেক্টে অষ্টম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষা হচ্ছে। কিন্তু এর জন্যও বিস্তর প্রস্তুতির প্রয়োজন রয়েছে। কোর্সটিকায় আমরা সকল বিষয়ের ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নপত্র তৈরি করেছি। যেগুলো তোমরা উত্তরসহ ডাউনলোড করতে পারবে। নিচে দেয়া তালিকাগুলো লক্ষ্য করো।
ক বিভাগ (বিষয়ভিত্তিক)
খ বিভাগ (নৈর্ব্যত্তিক)
বাংলা ১ম পত্র সিলেবাস (গল্প)
বাংলা ১ম পত্র সিলেবাস (কবিতা)
বাংলা ১ম পত্র সিলেবাস (আনন্দপাঠ)
বাংলা ২য় পত্র সিলেবাস (ব্যকরণ)
বাংলা ২য় পত্র সিলেবাস (নির্মিতি)
বাংলা ১ম পত্র একটি সৃজনশীল প্রশ্নের নমুনা
সোনালী ব্যাংকের পিয়ন রতন অফিস ছুটি হওয়ার পর ম্যানেজারের রুম গোছাতে গিয়ে একটি সোনার আংটি পায়। আংটি পেয়ে তার খুব লোভ হলো। সে মনে মনে ভাবল তার মেয়েকে এটা উপহার হিসেবে দেবে। কিন্তু ঘটনাটি তার মনের মধ্যে অপরাধবোধের জন্ম দিল। তাই সে পরদিন অফিসে গিয়ে ম্যানেজারের নিকট আংটিটি ফেরত দিয়ে ভারমুক্ত হলো। ম্যানেজারও তার সততায় খুশি হয়ে থাকে পুরস্কৃত করলেন।
ক. বোষ্টম কী?
খ, “ওর মতো কত লোক আসবে’__ উক্তিটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
গ. উদ্দীপকের রতন ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কার প্রতিনিধিত্ব করে এবং কীভাবে?
ঘ. ‘উদ্দীপক এবং গল্পের মূলভাব কর্তব্যপরায়ণতা এবং নৈতিক চেতনার-ই পরিচায়ক’__ উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
জেএসসি পরীক্ষার নতুন সিলেবাস ২০২১
JSC English Syllabus 2021
বাংলার মতো ইংরেজীও সমন্বিত পদ্ধতিতে পরীক্ষা হবে। অর্থাৎ ইংরেজীও প্রথম পত্র ও দ্বিতীয় পত্র নামে আলাদা বিষয় থাকছে না। যদিও এই পদ্ধতিটি আরো কয়েক বছর আগে থেকেই প্রচলিত। ইংরেজী পরীক্ষাটি মোট ৪ টি বিভাগে (Part) অনুষ্ঠিত হবে।
Part – A (Seen – 20)
Part – B (Unseen – 25)
Part – C (Grammar)
Part – D (Writing)
ইংরেজী প্রশ্নপত্রের ধরন কেমন হবে, সেই সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়ার জন্য কোর্সটিকায় প্রকাশিত JSC English Model Test গুলো দেখো। পাশাপাশি নিচে দেয়া লিংক থেকে JSC অন্যান্য বিষয়ের গুরুতত্বপূর্ণ সব নোট ও সাজেশান্স ডাউনলোড করে নাও।
জেএসসি গণিত সিলেবাস
এবছর গণিতে কোনও পরিবর্তন করা হয়নি।গণিতের প্রশ্ন পদ্ধতি বিগত বছরের ন্যায় হবে। তবুও কোর্সটিকায় JSC Math Suggestion 2021 এর ওপর বিশদ আলোচনা করা হয়েছে। লিংকে ক্লিক করে মডেল টেস্টগুলো দেখে নিতে পারো।
গণিত পরীক্ষায় মোট ৪ টি অংশ থাকবে:
নৈর্ব্যত্তিক অংশে ৩০ টি বহুনির্বাচনী প্রশ্ন দেয়া থাকবে। এই প্রশ্নগুলো বইয়ের যেকোন অধ্যায় থেকে আসতে পারে।
অন্যান্য বিষয়
বাকি বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে সাধারণ বিজ্ঞান, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, গার্হস্থ্য বিজ্ঞান, চারু ও কারুকলা এবং কৃষি শিক্ষা। উল্লেখতি এই বিষয়গুলোর প্রতিটির ওপর ১০০ নম্বরের প্রশ্ন করা হবে। যার মধ্যে ৭ টি সৃজনশীল প্রশ্ন (১১ টির মধ্যে ৭ টি) এবং ৩০ টি নৈর্ব্যত্তিক প্রশ্ন করা হবে।
তবে শারীরিক শিক্ষা পরীক্ষাতে ৫০ নম্বরের প্রশ্নপত্র করা হবে। যেখানে ৩০ নম্বরের বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন ও ২০ টি নৈর্ব্যত্তিক প্রশ্ন করা হবে।
ধন্যবাদ!
সুত্রঃ কোর্সটিকা
সংক্ষেপে দেখুনএ গুলো গুগুলে search করলে পুলিস আপনাকে জেলে নিয়ে জেতে পারে।
Post ta na pore dislike dilen???
Post ta na pore dislike dilen???
সংক্ষেপে দেখুন