সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
টিভিতে আমরা যা দেখি সবই কি সত্যি?
দারুন 👍
দারুন 👍
সংক্ষেপে দেখুনহোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম ও সিগন্যাল কোনটির সিকিউরিটি সবচেয়ে বেশি?
টুইটারের নতুন মালিক এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও), এলন মাস্ক, সিগন্যালকে তালিকার শীর্ষে রেখেছেন। এখন দেখা যাক নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার দিক থেকে এই তিনটি অ্যাপের কী কী সুবিধা রয়েছে। সিগন্যাল ১. ফোন নম্বর ছাড়া ব্যবহারকারীর আর কোনো তথ্য সংরক্ষণ করে না। ২. বিজ্ঞাপনমুক্ত, বিনা মূল্যে ব্যবহার করা যাবিস্তারিত পড়ুন
টুইটারের নতুন মালিক এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও), এলন মাস্ক, সিগন্যালকে তালিকার শীর্ষে রেখেছেন। এখন দেখা যাক নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার দিক থেকে এই তিনটি অ্যাপের কী কী সুবিধা রয়েছে।
সিগন্যাল
১. ফোন নম্বর ছাড়া ব্যবহারকারীর আর কোনো তথ্য সংরক্ষণ করে না।
২. বিজ্ঞাপনমুক্ত, বিনা মূল্যে ব্যবহার করা যায়। অ্যাপটির নির্মাতা অলাভজনক সিগন্যাল ফাউন্ডেশন।
৩. সম্পূর্ণ ওপেন সোর্স, অর্থাৎ এর প্রোগ্রামিং সংকেত বা সোর্সকোড উন্মুক্ত।
৪. এনক্রিপশনে সিগন্যাল প্রোটোকল ব্যবহার করে। অর্থাৎ একক ক্রিপ্টোগ্রাফিক প্রোটোকল ব্যবহার করে এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন প্রযুক্তিতে বার্তা আদান-প্রদান করে।
যেকোনো ব্যক্তিগত বা গ্রুপ মেসেজ, ছবি, অডিও এবং ভিডিও সিগন্যালে এনক্রিপ্ট করা হয়। অ্যাপটি ব্যবহারকারীর কোনো তথ্য সংগ্রহ না করেই ফোন নম্বর যাচাই করে। দেখা যাচ্ছে যে অন্য ব্যবহারকারীরাও ফোন নম্বর জানেন।
এনক্রিপশন ছাড়াও, অ্যাপটিতে আরও বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যার মধ্যে অ্যাপটির স্ক্রিন লক বৈশিষ্ট্য অন্যতম। তাই ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়া কেউ অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারবে না। নির্দিষ্ট সময়ে প্রেরিত মেসেজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে ফেলার পাশাপাশি, অ্যাপটিতে ছবি অস্পষ্ট করার জন্য একটি টুলও রয়েছে।
দ্য গার্ডিয়ান, দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট, দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস এবং দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের মতো বিশিষ্ট সংবাদপত্রও তাদের সাংবাদিকদের নিরাপদ যোগাযোগের জন্য সিগন্যাল অ্যাপ ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছে।
টেলিগ্রাম
১. ব্যবহারকারীর নাম, ফোন নম্বর, ফোনে থাকা নম্বর ও আইডি সংরক্ষণ করে।
২. বিনা মূল্যে ব্যবহার করা যায়।
৩. আংশিক ওপেন সোর্স।
৪. এনক্রিপশনে এমটিপ্রোটো মোবাইল প্রোটোকল ব্যবহার করে।
টেলিগ্রাম অ্যাপটি খুবই জনপ্রিয় কারণ এটি সোশ্যাল মিডিয়ার মতো অত্যন্ত ইন্টারেক্টিভ। যদিও এটি গোপনীয়তার ক্ষেত্রে মাঝামাঝি মানের।
টেলিগ্রাম অ্যাপ এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন ব্যবহার করে বার্তা পাঠাতে পারে, তবে সেটিংস থেকে এটি চালু করতে হবে। টেলিগ্রামের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হল এটি হোয়াটসঅ্যাপের মতো ব্যবহারকারীর তথ্য সংরক্ষণ করে না। নেতিবাচক দিক হলো, গ্রুপ কলগুলিতে কোনও এনক্রিপশন নেই। অতএব, গ্রুপে শেয়ার করা তথ্য খুব নিরাপদ নয়।
গোপনীয়তার দিক থেকে টেলিগ্রাম সিগন্যাল থেকে পিছিয়ে আছে, কারণ এটি ব্যবহারকারীদের আইপি (ইন্টারনেট প্রোটোকল) ঠিকানা সংরক্ষণ করে। 2020 সালের মার্চ মাসে, হ্যাকাররা সাইবার আক্রমণে 42 মিলিয়ন টেলিগ্রাম ব্যবহারকারীর আইডি এবং ফোন নম্বর চুরি করে। অ্যাপটিতে 2019 সালে প্রযুক্তিগত সমস্যাও ছিল।
হোয়াটসঅ্যাপ
১. যন্ত্রের আইডি সংগ্রহ করার পাশাপাশি ব্যবহারকারীরা কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দেখেন, সেই তথ্যও সংগ্রহ করে হোয়াটসঅ্যাপ। কেনাকাটার ইতিহাস, আর্থিক লেনদেনের তথ্য, ব্যবহারকারীর অবস্থানসহ ফোন নম্বর, যোগাযোগের ঠিকানা, ফোনে থাকা নম্বরও সংগ্রহ করে হোয়াটসঅ্যাপ।
২. বিনা মূল্যে ব্যবহার করা যায় মেটার মালিকানাধীন অ্যাপটি।
৩. এনক্রিপশন পদ্ধতি ছাড়া কোনো কিছু ওপেন সোর্স নয়।
৪. এনক্রিপশনে সিগন্যাল প্রোটোকল ব্যবহার করে।
নিরাপত্তার ক্ষেত্রে, হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা আদান-প্রদানের জন্য এনক্রিপশন ব্যবহার করে। তাই ছবি, ভিডিও এবং ভয়েস মেসেজও নিরাপদে পাঠানো যাবে। ব্যবহারের সহজতার কারণে হোয়াটসঅ্যাপের বিপুল সংখ্যক ব্যবহারকারী রয়েছে।
যখন নিরাপত্তার কথা আসে, WhatsApp সিগন্যালের মতো একই এনক্রিপশন ব্যবহার করে। দ্য গার্ডিয়ান, ওয়াশিংটন পোস্ট এবং নিউ ইয়র্ক টাইমস তাদের সাংবাদিকদের সিগন্যাল ছাড়াও হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছে।
যাইহোক, অ্যাপে শেয়ার করা তথ্য যথেষ্ট নিরাপদ কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। কারণ, 2020 সালে, সাইবার অপরাধীরা হোয়াটসঅ্যাপ ভিডিও ফাইলের মাধ্যমে অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোসের ফোন হ্যাক করেছিল।
ডেটা স্টোরেজ তালিকা আপনাকে বলে দেবে অ্যাপটি কতটা গোপনীয়তার সুরক্ষা দেয়।
তথ্যসূত্রঃ সিনেট
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনযদি সমগ্র পৃথিবী একটি দেশ হতো, তাহলে বর্তমানের কোন শহরটিকে রাজধানী করা যুক্তিযুক্ত হতো বলে আপনার মনেহয়?
ভাই, আপনার উত্তরটি ব্যক্তিগত উত্তর হিসেবে দেখাচ্ছে। উত্তর দেয়ার আগে খেয়াল রাখবেন যদি ব্যক্তিগত উত্তর হিসেবে চিন্হিত করেন তাহলে অন্যান্য ইউজার সেটি দেখতে পারবেনা। তাই একান্ত ব্যক্তিগত না হলে এই অপশনটি সিলেক্ট করবেন না। আপনার উত্তরের জন্য ধন্যবাদ!
ভাই, আপনার উত্তরটি ব্যক্তিগত উত্তর হিসেবে দেখাচ্ছে। উত্তর দেয়ার আগে খেয়াল রাখবেন যদি ব্যক্তিগত উত্তর হিসেবে চিন্হিত করেন তাহলে অন্যান্য ইউজার সেটি দেখতে পারবেনা। তাই একান্ত ব্যক্তিগত না হলে এই অপশনটি সিলেক্ট করবেন না।
আপনার উত্তরের জন্য ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনইংরেজিতে Cox’s Bazar বানানে কেন (‘s) ব্যবহার করা হয়?
কক্সবাজার নামটি এসেছে ক্যাপ্টেন হিরাম কক্স নামে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির এক অফিসারের নাম থেকে। কক্সবাজারের আগের নাম ছিল পালংকি। ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি অধ্যাদেশ, ১৭৭৩ জারি হওয়ার পর ওয়ারেন্ট হোস্টিং বাংলার গভর্নর হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত হন। তখন হিরাম কক্স পালংকির মহাপরিচালক নিযুক্ত হন।বিস্তারিত পড়ুন
কক্সবাজার নামটি এসেছে ক্যাপ্টেন হিরাম কক্স নামে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির এক অফিসারের নাম থেকে। কক্সবাজারের আগের নাম ছিল পালংকি।
ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি অধ্যাদেশ, ১৭৭৩ জারি হওয়ার পর ওয়ারেন্ট হোস্টিং বাংলার গভর্নর হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত হন। তখন হিরাম কক্স পালংকির মহাপরিচালক নিযুক্ত হন। ক্যাপ্টেন কক্স আরাকান শরণার্থী এবং স্থানীয় রাখাইনদের মধ্যে বিদ্যমান হাজার বছরের পুরোনো সংঘাত নিরসনের চেষ্টা করেন এবং শরণার্থীদের পুনর্বাসনে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সাধন করেন কিন্তু কাজ পুরোপুরি শেষ করার আগেই মারা (১৭৯৯) যান। তার পুনর্বাসন অবদানকে স্মরণীয় করে রাখতে একটি বাজার প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং এর নাম দেয়া হয় কক্স সাহেবের বাজার। যাকে ইংরেজিতে বলা হয় cox’s bazar ( cox-এর বাজার) ।
সংক্ষেপে দেখুনবিজ্ঞানীরা পৃথিবীর বয়স কিভাবে বের করেন?
অসংখ্য ধন্যবাদ! 👍
অসংখ্য ধন্যবাদ! 👍
সংক্ষেপে দেখুনচাঁদে যদি বাতাস না থাকে তাহলে আমেরিকার পতাকা দুলছিল কেন?
পতাকাটি আসলে বাতাসে দোলেনি। এর উপরের অংশে L আকৃতির রড দ্বারা ঝুলানো হয়েছিলো। আর দেখুন চাঁদ থেকে পৃথিবীকে দেখতে কত সুন্দর লাগছে।
পতাকাটি আসলে বাতাসে দোলেনি। এর উপরের অংশে L আকৃতির রড দ্বারা ঝুলানো হয়েছিলো।
আর দেখুন চাঁদ থেকে পৃথিবীকে দেখতে কত সুন্দর লাগছে।
সংক্ষেপে দেখুনপৃথিবীতে বসে থেকে বা পৃথিবীর বাইরে না গিয়ে আমি কিভাবে বুঝবো পৃথিবী গোলাকার?
প্রশ্নটি জটিল মনে হলেও উত্তর অনেকটাই সহজ। তবে তার আগে আপনি চন্দ্রগ্রহণ দেখেছেন কিনা জানলে সুবিধে হতো। নিচের সিম্পল ছবিটা দেখলেই চন্দ্রগ্রহণের ব্যপারটা বোঝা যাবে। প্রশ্নটি যেহেতু চন্দ্রগ্রহণ বিষয়ক নয়, তাই এড়িয়ে যাচ্ছি। ভবিষ্যতে প্রশ্ন পেলে বিস্তারিত লিখবো। চন্দ্রগ্রহণের সময় পৃথিবীর ছায়া চাঁদের উপরে পবিস্তারিত পড়ুন
প্রশ্নটি জটিল মনে হলেও উত্তর অনেকটাই সহজ। তবে তার আগে আপনি চন্দ্রগ্রহণ দেখেছেন কিনা জানলে সুবিধে হতো। নিচের সিম্পল ছবিটা দেখলেই চন্দ্রগ্রহণের ব্যপারটা বোঝা যাবে। প্রশ্নটি যেহেতু চন্দ্রগ্রহণ বিষয়ক নয়, তাই এড়িয়ে যাচ্ছি। ভবিষ্যতে প্রশ্ন পেলে বিস্তারিত লিখবো।
চন্দ্রগ্রহণের সময় পৃথিবীর ছায়া চাঁদের উপরে পড়ে। কখনো কি ভেবে দেখেছেন ছায়া রাউন্ড শেপের হয় কেন? তাহলে নিচের ছবিটি থেকে ধারণা নিতে পারেন।
উপরের যুক্তি খুবই পুরনো। এরকম পুরনো আরও একটি যুক্তি হলো সাগরের দূর থেকে ভেসে আসা কোন জাহাজকে দূরবীন দিয়ে পর্যবেক্ষণ করলে প্রথমে মাস্তুল এরপর ধীরে ধীরে পুরো জাহাজটিকে দেখা যায়। পৃথিবীর বক্রতাজনিত কারণে এমন হয়। যদি পৃথিবী সমতল হত তাহলে একবারে পুরো জাহাজকেই দেখা যেত।
এগুলো ছিলো প্রাথমিক প্রমাণ পৃথিবী গোলাকার বোঝাতে। এরপরও বিশ্বাস না হলে আপনি নাসা’র সাথে যোগাযোগ করে রকেটে চেপে আন্তর্জাতিক মহাকাশ ষ্টেশন থেকে পৃথিবীকে দেখার চেষ্টা করে দেখতে পারেন।
আপনার জন্য শুভকামনা!
সংক্ষেপে দেখুনআয়নার রং কি?
আয়নার রঙ সবুজ আয়না দ্বারা প্রতিফলিত আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য ৫১০ ন্যানোমিটার। এটি দৃশ্যমান সবুজ আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য। এর মানে আয়নার রঙ সবুজ।
আয়নার রঙ সবুজ
আয়না দ্বারা প্রতিফলিত আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য ৫১০ ন্যানোমিটার। এটি দৃশ্যমান সবুজ আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য। এর মানে আয়নার রঙ সবুজ।
সংক্ষেপে দেখুনআপনি মহাকাশে একটি বন্দুক দিয়ে ফায়ার করতে পারেন?
মহাকাশে গুলি ছুড়লে ৫টি অসাধারণ ঘটনা ঘটবে। ১. গুলির বেগের জন্য প্রয়োজন ছোটখাটো একটি বিস্ফোরণের। বিস্ফোরণের শুরুটা হয় ছোট্ট একটা আগুনের স্ফুলিঙ্গ থেকে। অক্সিজেন ছাড়া আগুন জ্বলতে পারে না। মহাকাশে অক্সিজেন নেই। তাই আগুন জ্বলার কথা নয়। তবে আধুনিক আগ্নেয়াস্ত্রের গুলিতে বিস্ফোরণের স্ফুলিঙ তৈরি করার জন্য অকবিস্তারিত পড়ুন
মহাকাশে গুলি ছুড়লে ৫টি অসাধারণ ঘটনা ঘটবে।
১. গুলির বেগের জন্য প্রয়োজন ছোটখাটো একটি বিস্ফোরণের। বিস্ফোরণের শুরুটা হয় ছোট্ট একটা আগুনের স্ফুলিঙ্গ থেকে।
অক্সিজেন ছাড়া আগুন জ্বলতে পারে না। মহাকাশে অক্সিজেন নেই। তাই আগুন জ্বলার কথা নয়। তবে আধুনিক আগ্নেয়াস্ত্রের গুলিতে বিস্ফোরণের স্ফুলিঙ তৈরি করার জন্য অক্সিডাইজার পদার্থ দেয়া থাকে। তাই, মহাকাশে গুলি ছোড়ার ব্যাপারে কোন প্রযুক্তিগত সমস্যা নেই।
২. বিস্ফোরণের ধোঁয়াও গোলক হয়ে ভেসে থাকবে বন্দুকের নলের সামনে।
৩. বন্দুক থেকে গুলি বের হওয়ার বিপরীতি প্রতিক্রিয়ায়, যিনি গুলি ছুড়েছেন তিনি ঠিক উল্টো দিকে ছিটকে যাবেন। এখন প্রশ্ন করা যেতে পারে, এই ছিটকে যাওয়ার গতি কতটা হতে পারে? এক্ষেত্রে যে বন্দুক থেকে গুলি করা হচ্ছে সেই গুলির গতিবেগ জানতে হবে। একে-৪৭ থেকে বের হওয়া গুলির গতি থাকে ঘণ্টায় প্রায় ১ হাজার ৬শ মাইল। তাই মহাশূন্যে একে-৪৭ থেকে গুলি ছোড়ার পর, যিনি গুলি ছুড়বেন তাকে ঘণ্টায় প্রায় শূন্য দশমিক ০৬৮ মাইল গতিবেগে উল্টো দিকে ছিটকে যেতে হবে।অন্যদিকে পয়েন্ট ফাইভ জিরো ক্যালিবার পিস্তল থেকে বের হওয়া বন্দুকের গুলির গতিবেগ থাকে ঘণ্টায় প্রায় ১ হাজার ৩৩০ মাইল। অর্থাৎ, এর গুলির গতিবেগ একে-৪৭ এর গুলির বেগের চেয়ে কম। কিন্তু স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসনের বুলেটের ওজন একে-৪৭ এর বুলেটের ওজনের প্রায় দ্বিগুণ। এর ফলে স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসন পিস্তল থেকে গুলি ছুড়লে, একে-৪৭ থেকে গুলি ছোড়ার দ্বিগুণ গতিতে উল্টো দিকে ছিটকে যেতে হবে।
৪. মহাকাশে যেহেতু বায়ুমণ্ডল নেই, তাই গুলির আওয়াজ শোনার সৌভাগ্য হবেনা আপনার।
৫. হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয় ও এসইটিআই ইনস্টিটিউটের জ্যোতির্বিজ্ঞানী মাতিজা কুকের মতে, মহাবিশ্ব যেহেতু ক্রমাগত প্রসারিত হচ্ছে। তাই, নক্ষত্র সিস্টেমের বাইরে গিয়ে গুলি করলে, গুলি চলার পথে কোন মহাজাগতিক বস্তুর আকর্ষণে বাঁধা পড়ার সম্ভাবনা প্রায় শূন্য। গ্রহ বা নক্ষত্রের মতো মহাজাগতিক বস্তুর মহাকর্ষ ক্ষেত্রে না পড়া পর্যন্ত গুলির সরল রৈখিক গতি বজায় থাকবে।
তবে যদি কোন গ্রহের কক্ষপথ থেকে গুলি করা হয়, তাহলে কক্ষপথ ঘুরে যিনি গুলি ছুড়েছেন তার পিঠেই গুলিটি বিদ্ধ হতে খুব বেশি সময় প্রয়োজন হবে না। তাই, মহাকাশে দেখে, বুঝে গুলি করুন।
ধন্যবাদ! উত্তরটি ভালো লাগলে সেরা উত্তর করে দিতে ভুলবেন না কিন্তু!
সংক্ষেপে দেখুনআমাদের মুখের ভাষা কেমন করে বদলেছিলো ?
উচ্চারণগত পার্থক্যের জন্যই মানুষের মুখে মুখে ভাষার ধ্বনি বদলে যায়। অঞ্চলভিত্তিক ভাষায় ধ্বনিগত পার্থক্য লক্ষ করা যায়। একেক অঞ্চলে একটি শব্দকে একেকভাবে উচ্চারণ করা হয়। এর কারণ মানুষের উচ্চারণগত পার্থক্য।
উচ্চারণগত পার্থক্যের জন্যই মানুষের মুখে মুখে ভাষার ধ্বনি বদলে যায়। অঞ্চলভিত্তিক ভাষায় ধ্বনিগত পার্থক্য লক্ষ করা যায়। একেক অঞ্চলে একটি শব্দকে একেকভাবে উচ্চারণ করা হয়। এর কারণ মানুষের উচ্চারণগত পার্থক্য।
সংক্ষেপে দেখুনমরিচ কেন ঝাল লাগে?
মরিচের ঝালের জন্য প্রধানত যে অণু দায়ী তার নাম ক্যাপসাইসিন (Capsaicin)। এই উপাদানটি জিহ্বার স্বাদ গ্রন্থিতে উদ্দীপনা জাগায়। ক্যাপসাইসিনের জন্যই মরিচে ঝাল লাগে। যে মরিচে এর পরিমান যত বেশি, সেই মরিচে ঝালের পরিমানও বেশি হয়ে থাকে।
মরিচের ঝালের জন্য প্রধানত যে অণু দায়ী তার নাম ক্যাপসাইসিন (Capsaicin)।
এই উপাদানটি জিহ্বার স্বাদ গ্রন্থিতে উদ্দীপনা জাগায়। ক্যাপসাইসিনের জন্যই মরিচে ঝাল লাগে। যে মরিচে এর পরিমান যত বেশি, সেই মরিচে ঝালের পরিমানও বেশি হয়ে থাকে।
সংক্ষেপে দেখুনএকজন শেফের টুপিতে কয়টি ভাঁজ থাকে?
১০০ টি ভাঁজ থাকে। এগুলোকে প্লীট বলা হয়।
১০০ টি ভাঁজ থাকে। এগুলোকে প্লীট বলা হয়।
সংক্ষেপে দেখুননিউজিল্যান্ডের নব্বই মাইল সমুদ্র সৈকত কত লম্বা?
নব্বই মাইল সমুদ্র সৈকত (সরকারি নাম Te-Oneroa-a-Tōhē/Ninety Mile Beach)। নিউজিল্যান্ডের নর্থ আইল্যান্ডের সুদূর উত্তরের পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত একটি সমুদ্র সৈকত। এই সমুদ্র সৈকতের দৈর্ঘ্য ৮৮ কিলোমিটার (৫৫ মাইল)।
নব্বই মাইল সমুদ্র সৈকত (সরকারি নাম Te-Oneroa-a-Tōhē/Ninety Mile Beach)। নিউজিল্যান্ডের নর্থ আইল্যান্ডের সুদূর উত্তরের পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত একটি সমুদ্র সৈকত।
এই সমুদ্র সৈকতের দৈর্ঘ্য ৮৮ কিলোমিটার (৫৫ মাইল)।
সংক্ষেপে দেখুনজিরাফের জিভের রং কি?
নিচে দুইটি ছবি দিলাম, আপনি নিজেই দেখে নিন! ধন্যবাদ!
নিচে দুইটি ছবি দিলাম, আপনি নিজেই দেখে নিন!
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনবোতলজাত পানির মেয়াদ কেন শেষ হয়?
আসলে পানির বোতলে যে মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ লেখা থাকে তা প্লাস্টিক বোতলটির মেয়াদ। মূলত বিশুদ্ধ পানির কখনো মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়না। তবে দীর্ঘদিন প্লাস্টিকের বোতলে পানি থাকলে প্লাস্টিক নষ্ট হয়ে ভেতরের পানি দূষিত হতে পারে।
আসলে পানির বোতলে যে মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ লেখা থাকে তা প্লাস্টিক বোতলটির মেয়াদ। মূলত বিশুদ্ধ পানির কখনো মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়না। তবে দীর্ঘদিন প্লাস্টিকের বোতলে পানি থাকলে প্লাস্টিক নষ্ট হয়ে ভেতরের পানি দূষিত হতে পারে।
সংক্ষেপে দেখুন“ম্যানহোল” কেন গোলাকার?
ম্যানহোল চতুর্ভূজাকার বা ত্রিভূজাকার গোলাকার হয় কেন? ১. গোলাকার ম্যানহোল কভার হলে তার মুখ দিয়ে ম্যানহোল কভার কে কোন ভাবেই নিচে ফেলে দেয়া যায় না। কিন্তু চারকোনা হলে তাকে চতুর্ভূজের কর্ন বরাবর এবং ত্রিভূজাকার হলে মধ্যমা দিয়ে ম্যানহোলের বাহু বরাবর ফেলে দেয়া সম্ভব। ২. পৃথিবীর ভূমি সংকোচনের জন্য গোলাকারবিস্তারিত পড়ুন
ম্যানহোল চতুর্ভূজাকার বা ত্রিভূজাকার গোলাকার হয় কেন?
১. গোলাকার ম্যানহোল কভার হলে তার মুখ দিয়ে ম্যানহোল কভার কে কোন ভাবেই নিচে ফেলে দেয়া যায় না। কিন্তু চারকোনা হলে তাকে চতুর্ভূজের কর্ন বরাবর এবং ত্রিভূজাকার হলে মধ্যমা দিয়ে ম্যানহোলের বাহু বরাবর ফেলে দেয়া সম্ভব।
সংক্ষেপে দেখুন২. পৃথিবীর ভূমি সংকোচনের জন্য গোলাকার টিউব ম্যানহোলের জন্য সবচেয়ে ঘাতসহিষ্ণু এবং এর তৈরিতে উপাদানও তুলনামূলক কম লাগে।
৩. গোলাকার ম্যানহোল বসানোর সময় কোন নির্দিষ্ট দিকে বসানো লাগে না, একভাবে বসিয়ে দিলেই হয় ।
৪. গোলাকার ম্যানহোলের মত এর কভারও গোলাকার হওয়ার কারনে তৈরিতে তুলনামূলক কম মেটাল লাগে মানে তৈরি খরচ কম।
পশ্চিমে যাওয়ার আগে আপনি কতদূর পূর্বে যেতে পারবেন?
দুঃখিত প্রশ্নটি বুঝতে পারিনি। 🤔
দুঃখিত প্রশ্নটি বুঝতে পারিনি। 🤔
সংক্ষেপে দেখুনবিপরীতের বিপরীত কি একই নাকি বিপরীত?
বিপরীত-এর বিপরীত শব্দ সমার্থক, সমান, সম, এক বাংলা ভাষায় বিপরীতার্থক-এর বিপরীত শব্দ: সমার্থক। ইংরেজি ভাষায়, বিপরীত কথাটির অর্থ অপসীট (opposite)। এই শব্দের বিপরীত শব্দ: সেম (same), সিমিলার (similar), ইকুয়াল (equal), ইকুইভ্যালেন্ট (equivalent), অল ওয়ান (all one), অল দ্য সেম (all the same)। ইংরেজি ভাষায়বিস্তারিত পড়ুন
বিপরীত-এর বিপরীত শব্দ
সমার্থক, সমান, সম, এক
বাংলা ভাষায় বিপরীতার্থক-এর বিপরীত শব্দ: সমার্থক।
ইংরেজি ভাষায়, বিপরীত কথাটির অর্থ অপসীট (opposite)। এই শব্দের বিপরীত শব্দ:
সেম (same), সিমিলার (similar), ইকুয়াল (equal), ইকুইভ্যালেন্ট (equivalent), অল ওয়ান (all one), অল দ্য সেম (all the same)।
ইংরেজি ভাষায় বিপরীতার্থক শব্দের অর্থ অ্যান্টনীম (antonym)। এই শব্দের বিপরীত শব্দ:
সিনোনীম (synonym), পইসিলোনিম (poecilonym)।
সংক্ষেপে দেখুনসময় শুরু হয়েছিল কোন সময়ে?
সময় গণনার বিষয়টি চলে আসছে প্রায় ১৫৫০ খ্রিস্টপূর্ব থেকে সেই সময়ই প্রাচীন মিশরীয়, পৃথিবীতে অবস্থিত বাকি সভ্যতার থেকে অনেকটাই অ্যাডভান্সড ও ডেভলপড ছিল। তখন পৃথিবী সূর্যের চারদিকে প্রদক্ষিণের বিষয়টি অ্যাস্ট্রোনমাসদের জানা ছিল। তারা প্রথম আবিষ্কার করলেন যে প্রথমে দিন হচ্ছে তারপর রাত আবার পর্যায়ক্রমে দিবিস্তারিত পড়ুন
সময় গণনার বিষয়টি চলে আসছে প্রায় ১৫৫০ খ্রিস্টপূর্ব থেকে
সেই সময়ই প্রাচীন মিশরীয়, পৃথিবীতে অবস্থিত বাকি সভ্যতার থেকে অনেকটাই অ্যাডভান্সড ও ডেভলপড ছিল। তখন পৃথিবী সূর্যের চারদিকে প্রদক্ষিণের বিষয়টি অ্যাস্ট্রোনমাসদের জানা ছিল। তারা প্রথম আবিষ্কার করলেন যে প্রথমে দিন হচ্ছে তারপর রাত আবার পর্যায়ক্রমে দিন হচ্ছে তারপর রাত। যেহেতু একটি নির্দিষ্ট ইন্টারভেলে এই প্রসেসটি হচ্ছে তাই তারা এগুলোকে অনেকগুলো ভাগে ভাগ করে গণনার কথা ভাবে। সেই সময়ে তারা কোনো কিছু গণনা করার সময় হাতের আঙ্গুলের ব্যবহার করতেন। হাতের ১০টি আঙ্গুল গুণে সব কিছু হিসাব করা হতো।
ঘন্টা, মিনিট, সেকেন্ড
প্রাচীন মিশরীয়রা এক দিনকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করে। যেমন ১২ ভাগ দিনের ও ১২ ভাগ রাতের। এই দুই ভাগ মিলিয়ে হয় ২৪ আর এভাবেই আসে ২৪ ঘন্টার কনসেপ্টটি। তারা আঙ্গুলের মাঝে থাকা জয়েন্ট গুলো দিয়ে গণনা করতেন। একটি আঙ্গুলে তিনটি করে জয়েন্ট থাকে। এভাবে বুড়ো আঙুল বাদ দিয়ে ৪টি আঙুলের মোট ১২টি জয়েন্ট থাকে। এই কারণে তারা দিনের ভাগগুলোকে গননা করার জন্য ১২ই বেছে নেয়। আর রাতের ভাগগুলোকে ১২ ভাগে ভাগ করেন।
মিশরীয়রা যেখানে গণনার ক্ষেত্রে ১২ কে বেজ হিসেবে ধরতেন, উল্টো দিকে প্রাচীন মিশরীর অন্য সভ্যতারা ১২র বদলে ১০কে বেজ হিসেবে ধরতেন। আবার অন্যদিকে, আরো একটি প্রাচীন সভ্যতা ছিল যারা ৬০কে গণনার কাজে বেজ হিসেবে ব্যবহার করতেন। যা তারা ম্যাথমেটিক্স ও আস্ট্রোনমিতেও ব্যবহার করতেন। তাদের অনুসারে,৩৬০ ডিগ্রিতে একটি পূর্ণ বৃত্ত সম্পূর্ণ হয়। আর ৬০কে ছয় বার যোগ করলে ৩৬০ হয়। আবার যেহেতু পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে প্রদক্ষিণ করে সেক্ষেত্রে যদি পৃথিবী দিনে ১ ডিগ্রী ঘোরে তবে সূর্যের চারদিকে সম্পূর্ণ এক চক্কর ঘুরতে লাগবে ৩৬০ দিন যা আনুমানিক ৩৬৫ দিনের সমান। ৬০ এমন একটি সংখ্যা যেটি ১, ২, ৩, ৪, সব ধরনের সংখ্যা দিয়ে ভাগ করা যায়। মূলত এইসব দিক বিচার করেই তারা গণনার সব ক্ষেত্রেই ১২ আর ১২ ঘণ্টার প্রতিটি ভাগকে ৬০ দ্বারা ভাগ করে।
সময়কে প্রপারলি যখন ডিফাইন করা হয় তখন প্রাচীন যুগের তৈরি করা এই নীতিগুলাকেই প্রাধান্য দেওয়া হয়। এজন্যই এক দিনে ২৪ ঘণ্টা, এক ঘণ্টায় ৬০ মিনিট এবং ১ মিনিটে ৬০ সেকেন্ড হিসাব করা হয়।
তথ্যসূত্রঃ somoynews.tv
সংক্ষেপে দেখুনবরফ পিচ্ছিল হয় কেন?
বরফ পিচ্ছিল নয় যখন বরফের উপর পাতলা পানির স্তর জমে তখন পিচ্ছিলতা দেখা যায়। কিন্তু কঠিন বরফ পিচ্ছিল নয়।
বরফ পিচ্ছিল নয়
যখন বরফের উপর পাতলা পানির স্তর জমে তখন পিচ্ছিলতা দেখা যায়। কিন্তু কঠিন বরফ পিচ্ছিল নয়।
সংক্ষেপে দেখুন