সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
গাড়ির এয়ারব্যাগ কিভাবে কাজ করে?
কীভাবে এয়ারব্যাগ কাজ করে ১। যখন গাড়ি কোন কিছুর সাথে ধাক্কা খায় তখন খুব দ্রুত বেগে গাড়ির গতি কমে যায়। ২। অ্যাকসিলরোমিটার গতি পরিবর্তনের ব্যাপারটি নির্দিষ্ট করে ও তথ্য প্রেরণ করে। অ্যাকসিলরোমিটার হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রোনিক চিপ যা গতির ত্বরণ পরিমাপ করে। ৩। যদি গাড়ির গতি ঠিকভাবে কমানো যায়, তাহলে অ্যাকসিবিস্তারিত পড়ুন
কীভাবে এয়ারব্যাগ কাজ করে
১। যখন গাড়ি কোন কিছুর সাথে ধাক্কা খায় তখন খুব দ্রুত বেগে গাড়ির গতি কমে যায়।
২। অ্যাকসিলরোমিটার গতি পরিবর্তনের ব্যাপারটি নির্দিষ্ট করে ও তথ্য প্রেরণ করে। অ্যাকসিলরোমিটার হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রোনিক চিপ যা গতির ত্বরণ পরিমাপ করে।
৩। যদি গাড়ির গতি ঠিকভাবে কমানো যায়, তাহলে অ্যাকসিলরোমিটারের ট্রিগার, এয়ারব্যাগের সার্কিটকে দ্রুত কমায় । যা সাধারণ ব্রেকে অতটা শক্তি উৎপাদন সম্ভব হয়না।
৪। এয়ারব্যাগের সার্কিটটি তাপ উৎপাদনকারী কোন উপাদানের ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ করায়। টোস্টারের ভেতরে যেমন তার থাকে ঠিক তেমন তার এই বিদ্যুৎ প্রবাহের জন্য ব্যবহার করা হয়।
৫। তাপ উৎপাদনকারী উপাদানটি একটি রাসায়নিক বিস্ফোরন ঘটায়। পুরানো এয়ারব্যাগগুলোতে বিস্ফোরণের জন্য সোডিয়াম অ্যাজাইড ব্যবহার করা হতো। নতুন এয়ারব্যাগগুলোতে অন্য রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়।
৬। যখন বিস্ফোরণ ঘটে তখন অনেক গ্যাস উৎপাদিত হয়। গ্যাসগুলো ক্ষতিকর নয়। সাধারণত নাইট্রোজেন বা অ্যার্গন গ্যাস উৎপাদিত হয়। আর সেই গ্যাসগুলো স্টিয়ারিং হুইলের পেছনে একটি নাইলনের ব্যাগে জমা হয়।
৭। যখন এয়ারব্যাগটি খুলতে শুরু করে, তখন প্লাস্টিকের কভারের ভেতরে গ্যাস জমা হয় আর ড্রাইভারের ঠিক সামনে যেখানে স্টিয়ারিং হুইল থাকে সেখানে ঢেকে ফেলে। আর এই ব্যাগটি খোলার জন্য এক ধরনের চকের গুড়া জাতীয় পদার্থ ব্যবহার করা হয় , যাতে সহজেই ব্যাগটি খোলে।
৮। সামনের দিকে চলার কারনে (গতির সূত্রানুযায়ী) ড্রাইভার ব্যাগটিকে বিপরীত দিকে ধাক্কা দেয়। এই ধাক্কার মাধ্যমে ব্যাগের ভেতরে থাকা গ্যাসটি ব্যাগটি ফুলে উঠে। তখন ব্যাগের চারপাশে থাকা ছোট ছিদ্র গুলোর মাধ্যমে সম্পূর্ণ ব্যাগটি বের হয়ে যায় । এবং যখন গাড়িটি থামে তখন সম্পূর্ণভাবে ব্যাগটি খুলে যায়।
সংক্ষেপে দেখুনচাঁদের অন্ধকার দিকটি কতটা ঠান্ডা?
চাঁদের অন্ধকার পৃষ্ঠের তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে ১৫৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস (-১৫৩ ডিগ্রি সে.) বা -২৪৩ ডিগ্রি ফারেনহাইটে পৌঁছায়।
চাঁদের অন্ধকার পৃষ্ঠের তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে ১৫৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস (-১৫৩ ডিগ্রি সে.) বা -২৪৩ ডিগ্রি ফারেনহাইটে পৌঁছায়।
সংক্ষেপে দেখুনচীন কেন তাইওয়ান কে আক্রমণ করতে চায়?
না, চীন তাইওয়ান আক্রমণ করবে না। চীন কেন তাইওয়ান আক্রমণ করবে না ঃ চীন আগে থেকেই হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছে সাই ইং-ওয়েন যদি স্পিকার কেভিন ম্যাকার্থির সঙ্গে বৈঠক করেন, তবে এর প্রতিশোধ হবে কঠোরতম। প্রেসিডেন্ট সাই ইংয়ের সাথে ম্যাকার্থির বৈঠকের পরই চীনের সামরিক বাহিনী তাইওয়ানকে ঘিরে শুরু করে তিন দিনের রণপ্রস্বিস্তারিত পড়ুন
না, চীন তাইওয়ান আক্রমণ করবে না।
চীন কেন তাইওয়ান আক্রমণ করবে না ঃ
চীন আগে থেকেই হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছে সাই ইং-ওয়েন যদি স্পিকার কেভিন ম্যাকার্থির সঙ্গে বৈঠক করেন, তবে এর প্রতিশোধ হবে কঠোরতম। প্রেসিডেন্ট সাই ইংয়ের সাথে ম্যাকার্থির বৈঠকের পরই চীনের সামরিক বাহিনী তাইওয়ানকে ঘিরে শুরু করে তিন দিনের রণপ্রস্তুতি মহড়া। গত বছর আগস্টে যখন মার্কিন হাউজ স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি তাইওয়ান সফর করেন, তখনও চীন তেমনই প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিল। এরই জের ধরে শুরু হয় চীন-যুক্তরাষ্ট্র চিপ যুদ্ধ।
চীন কেন তাইওয়ান আক্রমণ করবে না ঃ
বিশ্লেষকরা মনে করছেন- চীনের তাইওয়ান আক্রমণ নিকটবর্তী তা বলা যাবে না। দীর্ঘমেয়াদে হয়তো চীন তাইওয়ানে আক্রমণ করতে পারে, কিন্তু অদূর ভবিষ্যতে চীনের কৌশলগত ও নীতিগত অবস্থান তাইওয়ানে আক্রমণের দিকে নিয়ে যেতে পারে, এমন ধারণার বিপরীত মত বিশ্লেষকদের।
চীন এমন একটি বিশ্বব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে যাচ্ছে যেখানে শুধু উন্নত দেশের নেতৃত্ব থাকবে না, বরং থাকবে উন্নয়নশীল দেশের নেতৃত্বও। উন্নয়নশীল দেশের উন্নয়নে চীনের বন্ধুরূপে আবির্ভাব, করোনা মহামারীর সময়ে চীনের মাস্ক ডিপ্লোম্যাসির দ্বারা দেশগুলোর পাশে দাঁড়ানো ইত্যাদি চীনের শক্ত সফট পাওয়ার কৌশল নির্দেশ করে।
তাছাড়া চীন বোঝাতে চায় যে তার নেতৃত্বাধীন বিশ্বব্যবস্থায় বন্ধু দেশের সরকারব্যবস্থায় চীন নাক গলাবে না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যেমন গণতন্ত্র চাপিয়ে দিতে চায়, চীনের ভাষ্যমতে তারা এটি করবে না। রাশিয়া যেমন ইউক্রেনকে ন্যাটোতে যোগ দেয়ায় নিরাপত্তা হুমকি মনে করে আক্রমণ করে, সেদিক থেকে চীন একটু ভিন্ন। বরং চীন মনে করে- তাইওয়ান তাদের অংশ, বিচ্ছিন্নতাবাদী কর্মকাণ্ড তারা বন্ধ করবে।
তাইওয়ান পৃথিবীর ৯০ শতাংশ সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন করে। চীনের তাইওয়ান আক্রমণ সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনে বাধা সৃষ্টি করলে তা ক্রেতা দেশে চীনের সুনাম নষ্ট করবে। চীনের সাথে তাইওয়ানের বাণিজ্যিক সম্পর্কও রয়েছে। তাইওয়ানের মোট আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ২৬ শতাংশ হয় চীনের সাথে। চীনের পণ্যের একটি বড় ক্রেতা তাইওয়ান। যুক্তরাষ্ট্রের মতো চীনও তাইওয়ানের সেমিকন্ডাক্টরের অন্যতম ক্রেতা রাষ্ট্র। চীনের বর্তমানে সেমিকন্ডাক্টর ক্রয়ের পরিমাণ তেল ক্রয়ের পরিমাণকেও ছাড়িয়ে গেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, চীনা বিশ্বব্যবস্থায় কোনো দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা হবে সুপারপাওয়ারের প্রভাবমুক্ত, অর্থাৎ দেশটি হতে পারে রাজতন্ত্র, সমাজতন্ত্র আবার গণতন্ত্র। আবার চীনের নেতৃত্বের বিশ্বে এশিয়ায় মার্কিন প্রভাব থাকবে না। এখন চীন যদি তাইওয়ান আক্রমণ করে, তাহলে তার জন্য ভুল সিদ্ধান্ত হবে এই কারণে, তাইওয়ান একটি গণতান্ত্রিক দেশ, মার্কিন প্রভাব বলয়ের একটি দেশ।
তাই বলা যায়, অদূর ভবিষ্যতে চীন তাইওয়ান আক্রমণ করবে না। কিন্তু ভবিষ্যতে চীনের তাইওয়ান আক্রমণের সম্ভাব্যতা বাড়ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকরা।
সংক্ষেপে দেখুনছাপার অক্ষরে প্রথম বাংলা বইয়ের নাম কি?
বাংলা বই প্রথম ছাপা হয়েছিল আজ থেকে ২২৩ বছর আগে ১৮০০ সালের ১৮ মার্চ। বাঙালিরা তখন বাংলা ভাষায় কথা বলে বটে, কিন্তু কিছু চিঠিপত্রের কথা বাদ দিলে, গদ্য ভাষা লিখতে জানে না। ১৮০০ সালের, ১৮ মার্চ শ্রীরামপুর মিশনের ছাপার মেশিনে ছাপা হয় দুই খণ্ডের বাংলা বাইবেল।
বাংলা বই প্রথম ছাপা হয়েছিল আজ থেকে ২২৩ বছর আগে ১৮০০ সালের ১৮ মার্চ। বাঙালিরা তখন বাংলা ভাষায় কথা বলে বটে, কিন্তু কিছু চিঠিপত্রের কথা বাদ দিলে, গদ্য ভাষা লিখতে জানে না। ১৮০০ সালের, ১৮ মার্চ শ্রীরামপুর মিশনের ছাপার মেশিনে ছাপা হয় দুই খণ্ডের বাংলা বাইবেল।
সংক্ষেপে দেখুনবোন গ্রহ আমাদের সৌরজগতের গ্রহগুলোর উল্টো দিকে ঘোরে?
আমাদের সৌরজগৎ এর সমস্ত গ্রহই ঘড়ির কাঁটার বিপরীতদিকে (Anti Clockwise) সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। কিন্তু শুক্র ও ইউরেনাস গ্রহ উল্টো দিকে অর্থাৎ ঘড়ির কাঁটার দিকে (Clockwise) সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে, যা Retrograde Rotation নামে পরিচিত। দ্রঃ প্রশ্নটি হবে "কোন গ্রহ আমাদের সৌরজগতের গ্রহগুলোর উল্টো দিকে ঘোরে?"।বিস্তারিত পড়ুন
আমাদের সৌরজগৎ এর সমস্ত গ্রহই ঘড়ির কাঁটার বিপরীতদিকে (Anti Clockwise) সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। কিন্তু শুক্র ও ইউরেনাস গ্রহ উল্টো দিকে অর্থাৎ ঘড়ির কাঁটার দিকে (Clockwise) সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে, যা Retrograde Rotation নামে পরিচিত।
দ্রঃ প্রশ্নটি হবে “কোন গ্রহ আমাদের সৌরজগতের গ্রহগুলোর উল্টো দিকে ঘোরে?“। ঠিক করে নেবেন।
সংক্ষেপে দেখুনপৃথিবীর ভূপৃষ্ঠের আকার কত বর্গ মাইল ?
পৃথিবীর মোট পৃষ্ঠতলের আকার হল প্রায় ৫১০ মিলিয়ন বর্গ কি.মি. (বা ১৯৭ মিলিয়ন বর্গ মাইল)
পৃথিবীর মোট পৃষ্ঠতলের আকার হল প্রায় ৫১০ মিলিয়ন বর্গ কি.মি. (বা ১৯৭ মিলিয়ন বর্গ মাইল)
সংক্ষেপে দেখুনবিশ্বে কত প্রজাতির ঘাস আছে ?
এখন পর্যন্ত প্রায় প্রায় ১০ হাজার প্রজাতির ঘাসের সন্ধান পাওয়া গেছে। কিন্তু আমাজনের রেইনফরেস্টে এখনও অনেক ঘাসের প্রজাতি অনাবিষ্কৃত রয়ে গেছে।
এখন পর্যন্ত প্রায় প্রায় ১০ হাজার প্রজাতির ঘাসের সন্ধান পাওয়া গেছে।
কিন্তু আমাজনের রেইনফরেস্টে এখনও অনেক ঘাসের প্রজাতি অনাবিষ্কৃত রয়ে গেছে।
সংক্ষেপে দেখুনচিঠিতে জিপ কোডের ব্যবহার শুরু হয় কোথায় ও কত সালে ?
চিঠিতে জিপ কোডের ব্যবহার আমেরিকার ডাকবিভাগের দ্বারা শুরু হয় ১৯৬৩ সালে।
চিঠিতে জিপ কোডের ব্যবহার আমেরিকার ডাকবিভাগের দ্বারা শুরু হয় ১৯৬৩ সালে।
সংক্ষেপে দেখুনএন্টিভাইরাস কি? কম্পিউটার অথবা মোবাইলের জন্য এন্টিভাইরাস কতটা জরুরী?
ভাইরাস ও এন্টিভাইরাস কি : এন্টিভাইরাস মুলত একটি প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার যা এক বা একাধিক ডিভাইসকে (কম্পিউটার, মোবাইল) ভাইরাসের আক্রমণ থেকে সুরক্ষিত রাখে। আর পিসি বা মোবাইলে যে প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার ক্ষতি সাধন করে সেগুলোকে ভাইরাস বলা হয়। ভাইরাস সাধারণত প্রয়োজনীয় ফাইল ডিলিট করে অথবা ব্যক্তিগত তথ্য (যেমবিস্তারিত পড়ুন
ভাইরাস ও এন্টিভাইরাস কি :
এন্টিভাইরাস মুলত একটি প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার যা এক বা একাধিক ডিভাইসকে (কম্পিউটার, মোবাইল) ভাইরাসের আক্রমণ থেকে সুরক্ষিত রাখে। আর পিসি বা মোবাইলে যে প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার ক্ষতি সাধন করে সেগুলোকে ভাইরাস বলা হয়। ভাইরাস সাধারণত প্রয়োজনীয় ফাইল ডিলিট করে অথবা ব্যক্তিগত তথ্য (যেমন, পাসওয়ার্ড, ব্যাংক ইনফরমেশন ইত্যাদি) চুরি করে, আবার সফটওয়্যার এমনকি হার্ডওয়্যার অচল করে দেয়। এরকম বিভিন্ন পন্থায় ক্ষতি করে।
জনপ্রিয় এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার :
সারা বিশ্বে জনপ্রিয়তার উপর ভিত্তি করে কিছু এন্টিভাইরাসের রেটিং নিচে দেয়া হলো।
Rating: 9.9
Rating: 9.8
Rating: 9.1
Rating: 8.8
Rating: 8.4
Rating: 8.2
Rating: 7.9
Rating: 7.6
Rating: 7.3
এন্টিভাইরাস কতটা জরুরী :
এন্টিভাইরাস অবশ্যই জরুরী তবে, যদি তা সিস্টেমের পার্ফরমেন্স দুর্বল করে তোলে তাহলে লাভের চেয়ে ক্ষতিই হয় বেশি। আমার মতে উইন্ডোজের (Windows 10,11) নিজস্ব যে Virus & Threat Protection এবং Firewall & Network Protection আছে সেটা একটিভ রাখা আর উইন্ডোজ আপডেট রাখাই যথেষ্ট। এতে পিসি স্লো হয়ে যাবেনা।
এছাড়াও আপনি নিজেই ডেটা সুরক্ষিত রাখতে পারেন কিছু একটিভিটি নজরে রাখতে পারলে। আপনার ইমেইলে কোন অপরিচিত মেইল আসলে সেটা ওপেন করা থেকে বিরত থাকুন। যদি ওপেন করেই ফেলেন তাহলে মেইলে দেয়া উষ্কানিমূলক লিংকে ক্লিক করবেন না। সাধারণত টাকা পয়সার প্রলোভন থাকে এসব মেইলে। আবার অশ্লীল ছবিসহ লিংক থাকে। প্লিজ ডাউনলোড না করে সোজা স্পাম ফোল্ডারে পাঠিয়ে দিন।
কেন আপনার এক্সট্রা এন্টিভাইরাস ইউজ করার দরকার নাই তার ব্যাখ্যা নিচে দিলাম।
এরপরও যদি আপনার মনেহয় থার্ডপার্টি এন্টিভাইরাস ইউজ করবেন, তাহলে আপনাকে ঠেকাবে কে! আপনার ইচ্ছা।
শুভকামনা
সংক্ষেপে দেখুনসূর্যাস্তের পর অন্ধকার হতে কতক্ষণ সময় লাগে?
৮ মিনিট
৮ মিনিট
সংক্ষেপে দেখুনIs time travel possible, and if so, how could it hypothetically be achieved?
There is no definitive proof that time travel is possible, there are several hypothetical scenarios that have been proposed based on our current understanding of physics. One possibility is through the use of wormholes, which are theoretical passages through space-time that could potentially connectবিস্তারিত পড়ুন
There is no definitive proof that time travel is possible, there are several hypothetical scenarios that have been proposed based on our current understanding of physics.
One possibility is through the use of wormholes, which are theoretical passages through space-time that could potentially connect distant regions of the universe. If a wormhole were to exist and remain stable, it could potentially be used as a shortcut to travel through time as well as space. However, the practicality of using wormholes for time travel is still a subject of much debate and speculation.
Another possibility is through the manipulation of the space-time fabric itself. According to Einstein’s theory of relativity, the faster an object moves through space, the slower it experiences time. This is known as time dilation, and it has been observed and confirmed through experiments with high-speed particles. It is theoretically possible that if an object were to move at or near the speed of light, time would slow down so much that it would appear to travel into the future relative to a stationary observer. However, the energy required to accelerate an object to such high speeds is currently beyond our technological capabilities.
There are also theories that propose the existence of closed time-like curves, which are hypothetical paths through space-time that allow for travel back in time. However, the existence and practicality of such curves are still subject to much debate and are not widely accepted within the scientific community.
সংক্ষেপে দেখুনঠান্ডা পানির চেয়ে গরম পানি দ্রুত বরফে পরিণত হয় কেন?
এর জন্য দায়ি Mpemba effect । নামটি দেয়া হয়েছে তানজানিয়ার এক ছাত্রের নাম অনুসারে যিনি ১৯৬৩ সালে পর্যবেক্ষণ করেন যে, গরম আইসক্রিমের মিশ্রণ ঠাণ্ডা আইসক্রিমের তুলনায় দ্রুত জমে যায়। ঘটনাটি প্রথম পর্যবেক্ষণ করেন মহাজ্ঞানী এরিস্টটল খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দীতে। এরপর ফ্রান্সিস বেকন ও রেনে দেকার্তেও এই ব্যপবিস্তারিত পড়ুন
এর জন্য দায়ি Mpemba effect । নামটি দেয়া হয়েছে তানজানিয়ার এক ছাত্রের নাম অনুসারে যিনি ১৯৬৩ সালে পর্যবেক্ষণ করেন যে, গরম আইসক্রিমের মিশ্রণ ঠাণ্ডা আইসক্রিমের তুলনায় দ্রুত জমে যায়।
ঘটনাটি প্রথম পর্যবেক্ষণ করেন মহাজ্ঞানী এরিস্টটল খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দীতে। এরপর ফ্রান্সিস বেকন ও রেনে দেকার্তেও এই ব্যপারটির কথা উল্লেখ করেন। Mpemba তার পর্যবেক্ষণের উপর ভিত্তি করে ১৯৬৯ সালে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন। Mpemba effect নিয়ে বেশ কিছু থিওরি প্রচলিত ছিল। যেমন- (১)গরম পানি দ্রুত বাষ্পে পরিণত হয়ে আয়তনে কমে গিয়ে জমে যায়;(২) ঠাণ্ডা পানির উপর বরফ কণা জমে গিয়ে একে বাইরের পরিবেশ থেকে কিছুটা বিচ্ছিন্ন করে ফেলে; (৩) পানিকে গরম করার সময় আশ-পাশের বাতাসের কিছু অংশের কার্বন-ডাইঅক্সাইড দূরে সরে যায়।
সিঙ্গাপুরের Nanyang Technological University –র একদল পদার্থবিজ্ঞানী জি ঝেং এর নেতৃত্ব এই বিষয়টি নিয়ে পরীক্ষা শুরু করেন। তারা দেখেন, Mpemba effect এর মূল কারণ হচ্ছে পানির রাসায়নিক বন্ধন। পানির একটি অণুতে একটি অক্সিজেন পরমাণু দুটি হাইড্রোজেন পরমাণুর সাথে সমযোজী বন্ধনে আবদ্ধ থাকে। আবার পানির অণুগুলো নিজেদের মাঝে আবার দুর্বল হাইড্রোজেন বন্ধনে আবদ্ধ থাকে। গবেষক দলটির মতে Mpemba effect এর মূল কারণ হচ্ছে হচ্ছে পানিতে থাকা এই বিভিন্ন ধরণের রাসায়নিক বন্ধনগুলো। তারা বলেন, যখন পানির অণুগুলোকে পরস্পরের খুব কাছে নিয়ে আসা হয় তখন পানির অণুগুলোর মাঝে প্রাকৃতিকভাবে একধরণের বিকর্ষণ তৈরি হয়। এর ফলে পানির অণুগুলোর পরমাণুগুলোর মাঝে থাকা সমযোজী বন্ধনগুলো কিছুটা টানটান হয়ে যায় ও শক্তি সঞ্চয় করে। যখন তরল পানিকে গরম করা হয় তখন পানির হাইড্রোজেন বন্ধনগুলো আরো বেশি ছড়িয়ে যেতে থাকে, পানির ঘনত্ব কমতে থাকে ও পানির অণুগুলো পৃথক হয়ে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। পানির অণুগুলোর হাইড্রোজেন বন্ধন টান টান হয়ে যাওয়ায় পানির পরমাণুতে থাকা সমযোজী বন্ধনগুলো কিছুটা শিথিল ও সংকুচিত হয়ে যেতে শুরু করে। এর ফলে এদের মাঝে সঞ্চিত হওয়া শক্তি নির্গত হতে শুরু করে। আর শক্তি নির্গত হওয়ার এই প্রক্রিয়াটি আর পদার্থের শীতল হওয়ার প্রক্রিয়াটি মূলত একই। এর ফলে তাত্ত্বিকভাবে এতদিন প্রচলিত ধারণা “ ঠাণ্ডা পানির তুলনায় গরম পানি দ্রুত শীতল হয়”- প্রমাণিত হয়। গবেষকরা গাণিতিকভাবে দেখান যে, পানিতে থাকা সমযোজী বন্ধনের শিথিল হয়ে যাওয়ার বিষয়টি ঠাণ্ডা পানির চেয়ে গরম পানির ক্ষেত্রে কম সময়ে ঘটে, যেকারণে ঠাণ্ডা পানির তুলনায় গরম পানি দ্রুত জমে যায়।
সংক্ষেপে দেখুনতোতাপাখি এবং পত্রবাহক কবুতরের সংকর করলে কী হবে?
এমন এক পাখি হবে যেটি চিঠি পৌঁছে দেয়ার পথ যদি হারিয়ে ফেলে তাহলে লোকজনদের ঠিকানা জিজ্ঞেস করে গন্ত্যস্থলে পৌঁছুতে পারবে।
এমন এক পাখি হবে যেটি চিঠি পৌঁছে দেয়ার পথ যদি হারিয়ে ফেলে তাহলে লোকজনদের ঠিকানা জিজ্ঞেস করে গন্ত্যস্থলে পৌঁছুতে পারবে।
সংক্ষেপে দেখুনসূর্য থেকে হঠাৎ আলো আসা বন্ধ হয়ে গেলে তা আমরা অনুভব করতে পারি কতক্ষণ পর?
৮ মিনিট পর।
৮ মিনিট পর।
সংক্ষেপে দেখুনআমরা সবসময় চাঁদের শুধুমাত্র একটি পৃষ্ঠ দেখতে পাই কেন? আমরা জানি চাঁদ নিজ অক্ষে আবর্তন করে তাহলে চাঁদের অপর পৃষ্ঠা কেন দেখা যায়না?
উত্তর দেয়ার আগ্রহ তৈরি করার জন্য ধন্যবাদ! সংক্ষেপে আর সহজে ব্যপারটি বোঝাতে পারবো বলে আশা রাখি। চাঁদের আবর্তন আমরা সর্বদা চাঁদের একই দিক দেখতে পাই কারণ চাঁদের অক্ষের আবর্তনের সময়কাল পৃথিবীর চারপাশে এর ঘূর্ণনের সময়কালের সমান। তাই আমরা কেবল সেই দিকটি দেখতে পাই যা আমাদের মুখোমুখি হয়। জোয়ার ভাটা আমরাবিস্তারিত পড়ুন
উত্তর দেয়ার আগ্রহ তৈরি করার জন্য ধন্যবাদ! সংক্ষেপে আর সহজে ব্যপারটি বোঝাতে পারবো বলে আশা রাখি।
চাঁদের আবর্তন
আমরা সর্বদা চাঁদের একই দিক দেখতে পাই কারণ চাঁদের অক্ষের আবর্তনের সময়কাল পৃথিবীর চারপাশে এর ঘূর্ণনের সময়কালের সমান। তাই আমরা কেবল সেই দিকটি দেখতে পাই যা আমাদের মুখোমুখি হয়।
জোয়ার ভাটা
আমরা পৃথিবীতে যে জোয়ার দেখি তার জন্য পৃথিবী এবং চাঁদের মধ্যকার মহাকর্ষীয় মিথস্ক্রিয়াও দায়ী। পৃথিবী এবং চাঁদের এই আকর্ষণকে টাইডাল লকিং (Tidal locking) বলে। চাঁদের মহাকর্ষীয় টানের ফলে পৃথিবীর মহাসাগরগুলি ফুলে উঠে যার দরুন প্রতিদিন দুটি করে জোয়ার ও ভাটা তৈরি হয়।
যদি চাঁদ তার কক্ষপথে বর্তমানের চেয়ে দ্রুত বা ধীর গতিতে ঘুরতো তাহলে আমরা এর অপর পৃষ্ঠ দেখতে পেতাম।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনOsmosis – WordPress Theme Download for FREE
Helpful for wp developers! Thanks for sharing 👍
Helpful for wp developers!
সংক্ষেপে দেখুনThanks for sharing 👍
বিশ্বের সুউচ্চ বিল্ডিং বুর্জ খলিফা কি ১০ মাত্রার ভূমিকম্পে ভেঙ্গে পড়তে পারে?
বুর্জ খলিফা বুর্জ খলিফা বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ভবন। দুবাইয়ের ৬৩ তলা বিশিষ্ট এই অবিশ্বাস্য স্ট্রাকচারটির উচ্চতা ৮৩০ মিটার (২,৭২২ ফুট, বা অর্ধ মাইলেরও বেশি)। UAE ভূমিকম্পের সাথে তেমন পরিচিত না হলেও, বুর্জ খলিফাকে ভূমিকম্পের ঝুঁকি এড়ানোর জন্য বিশেষভাবে নির্মাণ করা হয়েছিলো। বুর্জ খলিফার ফাউন্ডেশন এবং নিরাবিস্তারিত পড়ুন
বুর্জ খলিফা
বুর্জ খলিফা বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ভবন। দুবাইয়ের ৬৩ তলা বিশিষ্ট এই অবিশ্বাস্য স্ট্রাকচারটির উচ্চতা ৮৩০ মিটার (২,৭২২ ফুট, বা অর্ধ মাইলেরও বেশি)। UAE ভূমিকম্পের সাথে তেমন পরিচিত না হলেও, বুর্জ খলিফাকে ভূমিকম্পের ঝুঁকি এড়ানোর জন্য বিশেষভাবে নির্মাণ করা হয়েছিলো।
বুর্জ খলিফার ফাউন্ডেশন এবং নিরাপদ মাত্রা
বিল্ডিংয়ের ৩.৭-মিটার পুরু কংক্রিট ফাউন্ডেশন ১৯৪টি স্তম্ভ, কাস্ট-ইন-প্লেস পাইলিং দ্বারা নির্মিত। বুর্জ খলিফার ওয়েবসাইট অনুসারে, এই পাইলিংগুলির ব্যাস ১.৫ মিটার এবং দৈর্ঘ্য ৪৩ মিটার, বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ব্যবহৃত স্ট্রাকচারগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড়। এরকম কাঠামোটি ৭.০ মাত্রা পর্যন্ত ভূমিকম্প সহ্য করতে পারে।
১০ মাত্রার ভূমিকম্প কতটা শক্তিশালী
ফলস্বরূপ, ১০ মাত্রার ভূমিকম্প অত্যন্ত শক্তিশালী। মনে রাখবেন এটি একটি লগারিদমিক (বেস ১০) স্কেল। একটি ১০.০ মাত্রার ভূমিকম্প ১৯০৬ সালের সান ফ্রান্সিসকো ভূমিকম্পের চেয়ে প্রায় ১০০ গুণ বেশি শক্তিশালী হবে।
এখন পর্যন্ত রেকর্ড করা সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পটি ছিল ১৯৬০ সালে চিলির। এটি ৯.৫ মাত্রার ভূকম্পন ছিল। তারমানে ১০ মাত্রার ভূমিকম্প কয়েকগুণ বেশি এবং আরও শক্তিশালী হবে। সুতরাং, ১০ মাত্রার ভূমিকম্প প্রায় অসম্ভব বলা যায়।
১০ মাত্রার ভূমিকম্পের ফল
এরপরও যদি দুবাইতে ১০ মাত্রার ভূমিকম্প হয়, তবে বুর্জ খলিফা অবশ্যই ভেঙ্গে পড়বে। কারণ এটি ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে মানুষকে নিরাপদ রাখার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
ধন্যবাদ প্রশ্নটি করার জন্য!
সংক্ষেপে দেখুনর্যানসমওয়্যার কি ? কিভাবে কাজ করে? এর থেকে বাঁচার উপায় কী?
র্যানসমওয়্যার কি Ransomware হল এক ধরনের ক্ষতিকারক সফ্টওয়্যার (ম্যালওয়্যার) যা কম্পিউটারের গুরুত্বপূর্ণ ফাইলগুলিকে এনক্রিপ্ট করে, তাদের অ্যাক্সেস নিয়ে নেয় এবং তারপর ডিক্রিপশন কী এর বিনিময়ে অর্থ প্রদানের দাবি করে। Ransomware ইমেল সংযুক্তি, ক্ষতিকারক লিঙ্ক, বা ড্রাইভ-বাই ডাউনলোড সহ বিভিন্ন পদ্ধতিরবিস্তারিত পড়ুন
র্যানসমওয়্যার কি
Ransomware হল এক ধরনের ক্ষতিকারক সফ্টওয়্যার (ম্যালওয়্যার) যা কম্পিউটারের গুরুত্বপূর্ণ ফাইলগুলিকে এনক্রিপ্ট করে, তাদের অ্যাক্সেস নিয়ে নেয় এবং তারপর ডিক্রিপশন কী এর বিনিময়ে অর্থ প্রদানের দাবি করে। Ransomware ইমেল সংযুক্তি, ক্ষতিকারক লিঙ্ক, বা ড্রাইভ-বাই ডাউনলোড সহ বিভিন্ন পদ্ধতির মাধ্যমে পাঠানো হয়। এটি একইভাবে ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি হুমকি স্বরুপ।
যেভাবে র্যানসমওয়্যার থেকে বেঁচে থাকা যায়
আপনার সফ্টওয়্যার আপ টু ডেট রাখুন
নিয়মিতভাবে আপনার অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব ব্রাউজার এবং অন্যান্য সফ্টওয়্যার আপডেট করুন যাতে আপনার কাছে সর্বশেষ নিরাপত্তা থাকে।
অ্যান্টিভাইরাস এবং অ্যান্টি-ম্যালওয়্যার সফ্টওয়্যার ইনস্টল করুন
নিশ্চিত করুন যে আপনার একটি সুখ্যাতিসম্পন্ন অ্যান্টিভাইরাস ইনস্টল করা আছে এবং এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট এবং নিয়মিত স্ক্যান চালানোর জন্য সেট করা আছে।
ইমেইলের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন
সন্দেহজনক ইমেইল এটাচমেন্ট থেকে সতর্ক থাকুন। বিশেষ করে .exe বা .vbs এর মতো ফাইল এক্সটেনশন সহ এবং অজানা প্রেরকদের ইমেলের লিঙ্কগুলিতে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকুন।
শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন
আপনার সমস্ত অনলাইন অ্যাকাউন্টের জন্য শক্তিশালী, ইউনিক পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন। আর সেগুলি মনে রাখতে সাহায্য করার জন্য একটি পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করুন।
আপনার ফাইলগুলির ব্যাকআপ করুন
নিয়মিতভাবে আপনার গুরুত্বপূর্ণ ফাইলগুলি একটি বাহ্যিক হার্ড ড্রাইভ বা ক্লাউড স্টোরেজে ব্যাকআপ করুন। যাতে আপনি র্যানসমওয়্যার আক্রমণের ক্ষেত্রে সেগুলি পুনরুদ্ধার করতে পারেন।
Two-factor authentication ব্যবহার করুন
যখনই সম্ভব, আপনার অনলাইন অ্যাকাউন্টগুলিতে নিরাপত্তার একটি অতিরিক্ত স্তর যুক্ত করতে Two-factor authentication সেট করুন।
এই টিপসগুলি অনুসরণ করে, আপনি র্যানসমওয়্যার আক্রমণের ঝুঁকি কমাতে পারেন এবং সম্ভাব্য ক্ষতি থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে পারেন।
সংক্ষেপে দেখুনপ্রেমিকা যদি পরিবারের অমতের অজুহাতে সম্পর্ক ভেঙে দেয়, তখন কী করা দরকার?
পরিবারের কথার বাইরে যেতে পারবে না বলে, সম্পর্ক ভেঙে দিলে, প্রেমিকা আর প্রেমে আগ্রহী নয়, সেটা বুঝা উচিৎ। প্রেমিকা যে প্রত্যাখ্যান করাতে নিপুনা, সেটা বুঝা উচিৎ। পরিবারের প্রতি প্রেমিকার দায়বদ্ধতাকে সমর্থন জানানো উচিৎ। জোর করে প্রেমিকাকে কাছে পাওয়ার চেষ্টা করলেও, প্রেম কে যে পাওয়া যাবে না, সেটা বুঝা উচবিস্তারিত পড়ুন
পরিবারের কথার বাইরে যেতে পারবে না বলে, সম্পর্ক ভেঙে দিলে, প্রেমিকা আর প্রেমে আগ্রহী নয়, সেটা বুঝা উচিৎ।
প্রেমিকা যে প্রত্যাখ্যান করাতে নিপুনা, সেটা বুঝা উচিৎ।
পরিবারের প্রতি প্রেমিকার দায়বদ্ধতাকে সমর্থন জানানো উচিৎ।
জোর করে প্রেমিকাকে কাছে পাওয়ার চেষ্টা করলেও, প্রেম কে যে পাওয়া যাবে না, সেটা বুঝা উচিৎ।
প্রেমে, বিচ্ছেদ ঘটে যেতেই পারে, বুঝা উচিৎ।
জীবনে সব চাওয়া, নাও পাওয়া হয়ে উঠতে পারে, বুঝা উচিৎ।
পরিবারের কথার কাছে যদি প্রেম হেরে যায়, সে প্রেম, প্রেম নয়, অপ্রেম, হৃদয় দিয়ে সেটা অনুভব করা, বুঝা উচিৎ।
–সংগ্রহীত
সংক্ষেপে দেখুনলেখকঃ শুভেন্দু পুরকায়স্থ
ছেলেরা বাম হাতে, মেয়েরা ডান হাতে ঘড়ি পরে কেন?
ভালো হয়েছে!
ভালো হয়েছে!
সংক্ষেপে দেখুন