সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
গাছ কিভাবে পৃথিবীকে তার সমস্ত অক্সিজেন দেয়?
না, গাছ থেকে পৃথিবীর অধিকাংশ অক্সিজেন পাওয়া যায়না বিজ্ঞানীরা ধারণা করেন যে সমগ্র পৃথিবীতে অক্সিজেন উৎপাদনের অন্তত অর্ধেক কিংবা অর্ধেকেরও বেশি শতাংশ সমুদ্র থেকে আসে। আবার এই উৎপাদনের বেশিরভাগই সামুদ্রিক প্ল্যাঙ্কটন থেকে আসে; যেমন- প্রবাহিত উদ্ভিদ, শৈবাল এবং কিছু ব্যাকটেরিয়া যারা সালোকসংশ্লেষণ করতেবিস্তারিত পড়ুন
না, গাছ থেকে পৃথিবীর অধিকাংশ অক্সিজেন পাওয়া যায়না
বিজ্ঞানীরা ধারণা করেন যে সমগ্র পৃথিবীতে অক্সিজেন উৎপাদনের অন্তত অর্ধেক কিংবা অর্ধেকেরও বেশি শতাংশ সমুদ্র থেকে আসে। আবার এই উৎপাদনের বেশিরভাগই সামুদ্রিক প্ল্যাঙ্কটন থেকে আসে; যেমন- প্রবাহিত উদ্ভিদ, শৈবাল এবং কিছু ব্যাকটেরিয়া যারা সালোকসংশ্লেষণ করতে পারে। ”প্রকলোরোক্কাস” নামক একটি বিশেষ প্রজাতি রয়েছে যারা পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম সালোকসংশ্লেষী জীব। কিন্তু এই ছোট্ট ব্যাকটেরিয়া স্থলভাগের সমস্ত গ্রীষ্মমন্ডলীয় রেইনফরেস্টের তুলনায় বেশি অক্সিজেন উৎপন্ন করে।
সমুদ্রে কী পরিমাণ অক্সিজেন উৎপাদিত হয়
সমুদ্রে উৎপন্ন অক্সিজেনের সঠিক শতাংশ গণনা করা কঠিন কারণ পরিমাণ ক্রমাগত পরিবর্তিত হচ্ছে। বিজ্ঞানীরা সালোকসংশ্লেষণকারী প্ল্যাঙ্কটন ট্র্যাক করতে এবং সাগরে সালোকসংশ্লেষণের পরিমাণ অনুমান করতে উপগ্রহ চিত্র ব্যবহার করতে পারেন, কিন্তু উপগ্রহ চিত্র পুরো গল্প বলতে পারে না। প্ল্যাঙ্কটনের পরিমাণ ঋতু অনুসারে পরিবর্তিত হয় এবং জলের পুষ্টি, তাপমাত্রা এবং অন্যান্য পরিবর্তনের প্রতিক্রিয়া হিসাবে। গবেষণায় দেখা গেছে যে নির্দিষ্ট স্থানে অক্সিজেনের পরিমাণ দিনের সময় এবং জোয়ারের সাথে পরিবর্তিত হয়।
আমেরিকার জাতীয় মহাসাগরীয় ও বায়ুমণ্ডলীয় প্রশাসন এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিজ্ঞানীরা অনুমান করেন যে সমগ্র পৃথিবীতে অক্সিজেন উৎপাদনের ৫০-৮০% সমুদ্র থেকে আসে। যেমনটা ইতোপূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে; এই উৎপাদনের বেশিরভাগই সামুদ্রিক প্ল্যাঙ্কটন থেকে আসে; যেমন- প্রবাহিত উদ্ভিদ, শৈবাল এবং কিছু ব্যাকটেরিয়া যারা সালোকসংশ্লেষণ করতে পারে। ক্ষুদ্রতম সালোকসংশ্লেষী জীব “প্রকলোরোক্কাস” আমাদের সমগ্র জীবজগতের ২০% পর্যন্ত অক্সিজেন তৈরি করে। নিউজ২৪ টিভি’র এক প্রতিবেদন অনুযায়ী যা আমাজন রেইন ফরেস্টের উৎপাদিত অক্সিজেনের তিন গুণ। যদিও আমাজন রেইন ফরেস্টের উৎপাদিত অক্সিজেনের পরিমান নিয়ে ভিন্নমত রয়েছে।
শৈবালের (প্ল্যাঙ্কটন) অক্সিজেন উৎপাদন
পৃথিবীর প্রায় ৭১ শতাংশ জলভূমি, আর মহাসাগরগুলো পৃথিবীর সমস্ত জলের প্রায় ৯৬.৫ শতাংশ ধারণ করে। তাই এটি যুক্তিসঙ্গত যে সূর্য জমির চেয়ে পানিতে বেশি কিরণ ছড়ায়। সমুদ্রের উপরের ২০০ মিটার বা প্রায় ৬৫০ ফুটকে বলে এপিপিলেজিক অঞ্চল। ‘এপি’ যার অর্থ ‘উপরের’, এবং পেলেজিক, যার অর্থ ‘সমুদ্রের পৃষ্ঠ’। সমুদ্রের এই শীর্ষ অঞ্চলটি বেশিরভাগ সূর্যের আলোকে শোষণ করে- এবং ওই অঞ্চলে থাকা শৈবাল, এককোষী উদ্ভিদকে সালোক সংশ্লেষণে সাহায্য করে।
সমুদ্রের এই শেওলাগুলো প্রচুর পরিমাণে অক্সিজেন উৎপাদন করে, কারণ সমুদ্রের অনেক অংশ জুড়ে এর প্রচুর পরিমাণে এই শৈবাল ছড়িয়ে থাকে। সমুদ্র শৈবাল অবশ্য সমুদ্রের প্রাণীর এক বিরাট অংশের জীবনের প্রাথমিক খাদ্য উৎস হিসেবেও কাজ করে।
আমাজন থেকে কতভাগ অক্সিজেন আসে
ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, আমাজন বনটি “পৃথিবীর ফুসফুস” উপাধি পেয়েছে – যা অত্যধিক মূল্যায়ন। সাম্প্রতিক দিনগুলিতে বেশ কয়েকজন বিজ্ঞানী উল্লেখ করেছেন, আমরা যে অক্সিজেন শ্বাস নিই তাতে অ্যামাজনের মোট অবদান শূন্যের কাছাকাছি।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, কার্বন ডাই অক্সাইড অণুর প্রতিটি ব্যাচ গ্রহণের জন্য গাছ তুলনামূলক (সমান) সংখ্যক অক্সিজেন অণু বাতাসে ছাড়ে । বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বেশ কম, কিন্তু অক্সিজেন রয়েছে প্রায় ২১ শতাংশ। তাই অ্যামাজনের পক্ষে এত অক্সিজেন তৈরি করা সম্ভব নয়।
অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির এনভায়রনমেন্টাল চেঞ্জ ইনস্টিটিউটের ইকোসিস্টেম ইকোলজিস্ট ইয়াদবিন্দর মালহি ২০১০ সালের একটি গবেষণার উপর ভিত্তি করে তার গণনার ভিত্তি করে যে অনুমান করে যে ক্রান্তীয় বনভূমি পৃথিবীর (স্থলভাগের) প্রায় ৩৪ শতাংশ সালোকসংশ্লেষণের জন্য দায়ী। আকারের উপর ভিত্তি করে, আমাজন কর্তৃক সালোকসংশ্লেষণের পরিমাণ প্রায় অর্ধেক হবে। এর অর্থ হলো আমাজন ভূমি্র ১৬ শতাংশ অক্সিজেন উৎপন্ন করে, মালহি ব্যাখ্যা করেছেন, যিনি একটি সাম্প্রতিক ব্লগ পোস্টে তার গণনার বিশদ বিবরণ দিয়েছেন।
যদিও ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক এর ভিন্ন এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পৃথিবীর অক্সিজেনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ (২৮%) জন্য রেইনফরেস্ট দায়ী কিন্তু বায়ুমণ্ডলের অক্সিজেনের বেশিরভাগ (৭০%) সামুদ্রিক উদ্ভিদ দ্বারা উত্পাদিত হয়। পৃথিবীর বাকি ২ শতাংশ অক্সিজেন আসে অন্যান্য উৎস থেকে।
সাগরের ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন দ্বারা উত্পাদিত অক্সিজেনের তুলনায় আমাজন মাত্র ৯ শতাংশে অক্সিজেন উৎপন্ন করে। জলবায়ু বিজ্ঞানী জোনাথন ফোলি; যিনি অলাভজনক প্রকল্প ড্রডাউন পরিচালনা করেন যা জলবায়ু পরিবর্তন সমাধান নিয়ে গবেষণা করেন, তিনি দাবি করেছেন আমাজন মাত্র ৬ শতাংশ অক্সিজেন উৎপন্ন করে।
আমাজনে উৎপাদিত অক্সিজেন কী আমরা ব্যবহার করি
ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, গাছগুলি কেবল অক্সিজেন ত্যাগ করে না – তারা এটি “সেলুলার শ্বসন” নামে পরিচিত একটি প্রক্রিয়াতে গ্রহণ-ও করে। দিনের বেলা তারা যে শর্করা জমা করে তা পরে শক্তিতে রূপান্তর করে, অক্সিজেন ব্যবহার করে এই প্রক্রিয়াটিতে শক্তি দেয়। তাই রাতের বেলা যখন সালোকসংশ্লেষণের জন্য আশেপাশে কোন সূর্য (আলো) থাকে না, তখন গাছ অক্সিজেনের শোষণ করে। মালহির গবেষণা দল মনে করে যে গাছগুলি এইভাবে উৎপন্ন অক্সিজেনের অর্ধেকের কিছু বেশি গ্রহণ করে। বাকিটা সম্ভবত আমাজনে বসবাসকারী অগণিত জীবাণু দ্বারা ব্যবহৃত হয়, যারা অক্সিজেন শ্বাস গ্রহণ করে বনের মৃত জৈব পদার্থকে ভেঙে দেয়।
সমুদ্রে উৎপাদিত অক্সিজেন থেকেই কি আমরা অক্সিজেন গ্রহণ করি
আমেরিকার জাতীয় মহাসাগরীয় ও বায়ুমণ্ডলীয় প্রশাসন এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এটা মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে যদিও মহাসাগর পৃথিবীর অন্তত ৫০% অক্সিজেন উৎপন্ন করে, আবার মোটামুটি একই পরিমাণ সামুদ্রিক প্রাণীরা ব্যবহার করে। স্থলভাগের প্রাণীদের মতো, সামুদ্রিক প্রাণীরা শ্বাস নিতে অক্সিজেন ব্যবহার করে এবং উদ্ভিদ ও প্রাণী উভয়ই কোষীয় শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য অক্সিজেন ব্যবহার করে।
ওয়াশিংটনপোস্ট এর এক প্রতিবেদনে স্মিথসোনিয়ান এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ সেন্টারের একজন সামুদ্রিক জীববিজ্ঞানী্র বরাতে উল্লেখ করা হয়েছে, “আমরা যে অক্সিজেন শ্বাস নিই তার প্রায় ৫০ শতাংশ ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন থেকে আসে”।
ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, অক্সিজেন উৎপাদন এবং খরচের মধ্যে এই ভারসাম্যের কারণে, আধুনিক বাস্তুতন্ত্রগুলি বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের মাত্রা কমিয়ে দেয়। পরিবর্তে, আমরা যে অক্সিজেন শ্বাস নিই তা হল সমুদ্রের (মৃত) ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটনের উত্তরাধিকার যা কোটি কোটি বছরেরও বেশি সময় ধরে অবিচ্ছিন্নভাবে অক্সিজেন জমা করে যা বায়ুমণ্ডলকে শ্বাস-প্রশ্বাসের উপযোগী করে তুলেছে, ব্যাখ্যা করেছেন কলোরাডো স্টেট ইউনিভার্সিটির বায়ুমণ্ডলীয় বিজ্ঞানী স্কট ডেনিং।
এই অক্সিজেনটি কেবল জমা হতে পারে কারণ প্ল্যাঙ্কটন পচে যাওয়ার আগে সমুদ্রের তলদেশে আটকে পড়েছিল – অন্যথায়, অন্যান্য জীবাণু দ্বারা তাদের পচন সেই অক্সিজেনটি ব্যবহার করত।
আমাজন থেকে উৎপাদিত অক্সিজেনের প্রভাব সম্পর্কে ভুল ধারণার উৎপত্তি
আমাজন সম্পর্কে প্রচলিত রয়েছে যে, আমাজন পৃথিবীর অক্সিজেনের ২০ শতাংশ উত্পাদন করে। ইতোপূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে যে তথ্যটি সঠিক নয়।
ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক অনুযায়ী, ২০ শতাংশ শীর্ষক পৌরাণিক কাহিনী কয়েক দশক ধরে ঘুরছে, যদিও এটির উৎপত্তি কোথায় তা স্পষ্ট নয়। ইকোসিস্টেম ইকোলজিস্ট মালহি এবং কোই মনে করেন এটি এই তথ্য থেকে উদ্ভূত যে অ্যামাজন ভূমিতে সালোকসংশ্লেষণ দ্বারা উত্পাদিত অক্সিজেনের ক্ষেত্রে প্রায় ২০ শতাংশ অবদান রাখে। যা ভুলবশত জনসাধারণের কাছে “বায়ুমন্ডলের মোট (ভুমিসহ সমুদ্র এবং অন্যান্য) অক্সিজেনের ২০ শতাংশ” হিসেবে প্রচলিত হয়ে গেছে৷
সুতরাং, গাছ থেকে পৃথিবীর অধিকাংশ অক্সিজেন পাওয়া যায়না। বিজ্ঞানীরা ধারণা করেন যে সমগ্র পৃথিবীতে অক্সিজেন উৎপাদনের অন্তত অর্ধেক কিংবা অর্ধেকেরও বেশি (৫০-৮০%) শতাংশ সমুদ্র থেকে আসে। আবার এই উৎপাদনের বেশিরভাগই সামুদ্রিক প্ল্যাঙ্কটন থেকে আসে। তারা আরও মনে করেন যে অ্যামাজন “ভূমিতে” সালোকসংশ্লেষণ দ্বারা উত্পাদিত অক্সিজেনের ক্ষেত্রে প্রায় ২০ শতাংশ অবদান রাখে। যা ভুলবশত জনসাধারণের কাছে “বায়ুমন্ডলের মোট (ভুমিসহ সমুদ্র এবং অন্যান্য) অক্সিজেনের ২০ শতাংশ” অনুদান হিসেবে প্রচলিত হয়ে গেছে৷
ক্রেডিটঃ রিউমারস্ক্যানার
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনআমি কিভাবে ইগো বা অহংকার কমাতে পারি?
ইগো বা অহংভাবটি ত্যাগ করার জন্য, আমার বিবেচনায়, আপনার আর কোনো পরামর্শের প্রয়োজনই নেই, কারণ, প্রশ্নে আপনি যদি ও সেটা জানতে চেয়েছেন, বাস্তবে আপনি, অহংভাব বা ego কে হারিয়েই দিয়েছেন। তার প্রমাণ ? যদি সত্যি, সত্যি, আপনার অহংভাব বা ego থাকতো, তবে, এ প্রশ্ন, আপনি আমাকে পাঠাতেন না, এবং বলতেন, নিজের ত্রুটি,বিস্তারিত পড়ুন
ইগো বা অহংভাবটি ত্যাগ করার জন্য, আমার বিবেচনায়, আপনার আর কোনো পরামর্শের প্রয়োজনই নেই,
কারণ, প্রশ্নে আপনি যদি ও সেটা জানতে চেয়েছেন, বাস্তবে আপনি, অহংভাব বা ego কে হারিয়েই দিয়েছেন।
তার প্রমাণ ?
যদি সত্যি, সত্যি, আপনার অহংভাব বা ego থাকতো, তবে, এ প্রশ্ন, আপনি আমাকে পাঠাতেন না,
এবং বলতেন,
নিজের ত্রুটি, বিচ্যুতি, যিনি বুঝে ফেলতে সক্ষম হন, উত্তরণের পথটি, নিজে থেকেই তাঁকে স্বাগত জানায়, পরামর্শের অপেক্ষায় থাকে না,
ঘটতেই থাকে, আত্ম-উত্তরণ।
অহংভাবটি ত্যাগ করার ক্ষেত্রে, আত্মউপলব্ধি ভিন্ন, অন্য কোনো পরামর্শ, তেমন কার্যকরী হওয়ার সম্ভাবনা দেখি না।
এবং, সে আত্মউপলব্ধি, আপনার প্রশ্নে, দ্বিধাহীন ভাবেই, স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
“আমার মাথা নত করে দাও হে তোমার
চরণ-ধূলার তলে।
সকল অহঙ্কার হে আমার
ডুবাও চোখের জলে।
নিজেরে করিতে গৌরব দান,
নিজেরে কেবলি করি অপমান,
আপনারে শুধু ঘেরিয়া ঘেরিয়া
ঘুরে মরি পলে পলে।
সকল অহঙ্কার হে আমার
ডুবাও চোখের জলে”।
ধন্যবাদ।
লেখকঃ শুভেন্দু পুরকায়স্থ
সংক্ষেপে দেখুনপ্লাটফর্মঃ কোরা
সকালের নাস্তায় আপনি কখনই খেতে পারবেন না এমন দুটি জিনিস কী?
সকালের নাস্তার সাথে "দুপুরের খাবার" আর "রাতের খাবার" কখনই খেতে পারবো না! স্যরি 😉
সকালের নাস্তার সাথে “দুপুরের খাবার” আর “রাতের খাবার” কখনই খেতে পারবো না! স্যরি 😉
সংক্ষেপে দেখুনকুকুর কেন ‘গোল’ হয়ে ঘুমায়?
কুকুর ঘুমানোর আগে চারপাশে বৃত্তাকারে চক্কর মারে ও গোল হয়ে ঘুমায়! কুকুর কেন নিয়মিত এমন আচরণ করে? প্রশ্নটির উত্তর খুঁজে পেয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘লাইভসায়েন্স’। তাদের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুনো কুকুরদেরই মূলত এই অভ্যাস। প্রাচীনকাল থেকেই এমন কাজ করে তারা। জিনবাহিত হয়ে কুকুররা এমন আচরণ করে। কলোরবিস্তারিত পড়ুন
কুকুর ঘুমানোর আগে চারপাশে বৃত্তাকারে চক্কর মারে ও গোল হয়ে ঘুমায়!
কুকুর কেন নিয়মিত এমন আচরণ করে?
প্রশ্নটির উত্তর খুঁজে পেয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘লাইভসায়েন্স’। তাদের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুনো কুকুরদেরই মূলত এই অভ্যাস। প্রাচীনকাল থেকেই এমন কাজ করে তারা। জিনবাহিত হয়ে কুকুররা এমন আচরণ করে।
কলোরাডো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লেসলি ইরভিন তার ‘ইফ ইউ টেম মি: আন্ডারস্ট্যান্ডিং আওয়ার কানেকশন উইথ অ্যানিম্যালস’ গ্রন্থে লিখেছেন, কুকুররা মূলত নিরাপদ আশ্রয় তৈরি করার জন্য ঘুমানের আগে অদ্ভুত আচরণ করে। পোকামাকড়, সাপ ইত্যাদির থেকে নিজেদের রক্ষা করার জন্য এই কাজ করে তারা। শোওয়ার আগে চারপাশটা সরেজমিনে পরীক্ষা করে নেয়া আর কি! তাছাড়া ঘুমানোর সময়ও গোল হয়ে ঘুমায়।
ঘুমানোর আগে কুকুর একই জায়গা বারবার পরিদর্শন করে। সে বিষয়ে লেসলি ইরভিন বলেন, জঙ্গলে থাকা কুকুরদের জন্য তো আর কেউ সুন্দর বিছানা-বালিশ তৈরি করে দেয় না। তাই ঘুমানোর জন্য তারা চার পা দিয়ে লম্বা ঘাস ও ঝোপকে চাপড়িয়ে ও মাড়িয়ে তাদের বিছানা তৈরি করে ফেলে। এছাড়া কুকুরটি অন্য কুকুরদের কাছে বার্তা পৌঁছে দেয়, সে শোয়ার জন্য এই জায়গাটি বেছে নিয়েছে।
সংক্ষেপে দেখুনকিছু মর্মস্পর্শী ছবি বা ঘটনা জানাবেন কি?
কংকালগুলো ৪০০০ বছরের পুরনো। দুটো ছবির ক্ষেত্রেই একজন মা তার সন্তানকে রক্ষা করার চেষ্টা করছেন ২০০০ খৃষ্টপূর্বাব্দে চায়নায় ঘটে যাওয়া একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের হাত থেকে। এটি এতটাই শক্তিশালী ভূকম্পন ছিলো যে এর ফলে বিশাল বন্যার সৃষ্টি হয়। এমন একটি ঘটনা যাকে কখনও কখনও 'চীনের পম্পেই' হিসাবে উল্লেখ করা হয়।বিস্তারিত পড়ুন
কংকালগুলো ৪০০০ বছরের পুরনো।

দুটো ছবির ক্ষেত্রেই একজন মা তার সন্তানকে রক্ষা করার চেষ্টা করছেন ২০০০ খৃষ্টপূর্বাব্দে চায়নায় ঘটে যাওয়া একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের হাত থেকে। এটি এতটাই শক্তিশালী ভূকম্পন ছিলো যে এর ফলে বিশাল বন্যার সৃষ্টি হয়। এমন একটি ঘটনা যাকে কখনও কখনও ‘চীনের পম্পেই’ হিসাবে উল্লেখ করা হয়।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনমেডিকেল -এর লোগো তে সাপ কেন থাকে?
গ্রীক চিকিৎসার দেবতা অ্যাসক্লেপিয়াসের হাতে এই সর্প দণ্ড থাকতো, তাই এটাকে স্বাস্থ্য-পরিষেবার সাথে জড়িত পেশাদারদের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। সেই কালে Dracunculus medinensis নামক বিশেষ এক ধরনের চর্মভেদী কৃমিকে এইভাবে কাঠি দিয়ে ক্ষত হতে তোলা হত, তাই চিকিৎসার সাথেও এটা সামঞ্জস্যপূর্ণ। ভুল করে অনেবিস্তারিত পড়ুন
গ্রীক চিকিৎসার দেবতা অ্যাসক্লেপিয়াসের হাতে এই সর্প দণ্ড থাকতো, তাই এটাকে স্বাস্থ্য-পরিষেবার সাথে জড়িত পেশাদারদের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
সেই কালে Dracunculus medinensis নামক বিশেষ এক ধরনের চর্মভেদী কৃমিকে এইভাবে কাঠি দিয়ে ক্ষত হতে তোলা হত, তাই চিকিৎসার সাথেও এটা সামঞ্জস্যপূর্ণ।
ভুল করে অনেকে Caduceusকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের প্রতীক বলে মনে করেন। Caduceusএ দুই ডানা-বিশিষ্ট একটি দণ্ডকে বেষ্টিত করে থাকে দুইটি সাপ।
এটি দেবতাদের দূত হার্মেস বা মারকিউরির প্রতীক; তিনি আবার ঠগ-জোচ্চর এবং রাস্তায় খেলা দেখানো যাদুকরদেরও দেবতা, তাই এটা তাদের প্রতীক হতে পারে, চিকিৎসকদের নয়।
সংক্ষেপে দেখুনআপনি এমন কী জানেন, যা বেশিরভাগ লোকই জানেন না?
ছবির ছেলেটাকে চেনেন? মাঝখানের জনকে? বলতে গেলে ঢাকার সবচেয়ে বড় লোক পরিবারের ছেলে ছিল। তখনকার দিনে যখন ১ম শ্রেণীর অফিসারের বেতন ছিল খুব বেশি হলে ৫০০-৬০০ টাকা, সে এলভিস প্রিসলির গান শোনার জন্য এক ধাক্কায় ১০০০ টাকার রেকর্ড কিনে আনতো। তাদের বাড়িতে হরিণ ছিল, সরোবরে সাঁতার কাটত ধবল রাজহাঁস, মশলার বাগান থেকবিস্তারিত পড়ুন
ছবির ছেলেটাকে চেনেন? মাঝখানের জনকে?
বলতে গেলে ঢাকার সবচেয়ে বড় লোক পরিবারের ছেলে ছিল। তখনকার দিনে যখন ১ম শ্রেণীর অফিসারের বেতন ছিল খুব বেশি হলে ৫০০-৬০০ টাকা, সে এলভিস প্রিসলির গান শোনার জন্য এক ধাক্কায় ১০০০ টাকার রেকর্ড কিনে আনতো। তাদের বাড়িতে হরিণ ছিল, সরোবরে সাঁতার কাটত ধবল রাজহাঁস, মশলার বাগান থেকে ভেসে আসত দারুচিনির গন্ধ(ডাকে পাখি খোলো আঁখি, এই গানটার শুটিং হয়েছিল তাদের বাড়িতে)।
জ্বী হ্যা, আমি মাগফার উদ্দিন চৌধুরী আজাদ এর কথা বলছি।
আজাদ ক্লাস সিক্সে পড়ে, সেন্ট গ্রেগরি। ১৯৬০ এর দশক। আজাদের বাবা আরেকটা বিয়ে করবেন। আজাদের মা বললেন, তুমি বিয়ে করবে না, যদি করো, আমি একমাত্র ছেলে আজাদকে নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাব। আজাদের বাবা আরেকটা বিয়ে করলে আজাদের মা সাফিয়া তার বালকপুতের হাত ধরে ওই রাজপ্রাসাদ পরিত্যাগ করেন এবং একটা পর্ণকুটীরে আশ্রয় নেন। ছেলেকে লেখাপড়া শেখান। আজাদ ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্ন্তজাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে মাস্টার্স পাস করে।
তার বন্ধুরা যোগ দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধে, ফিরে এসেছে আগরতলা থেকে, ট্রেনিং নিয়ে। তার ঢাকায় গেরিলা অপারেশন করে। বন্ধুরা আজাদকে বলল, চল, আমাদের সাথে, অপারেশন করবি। তুই তো বন্দুক পিস্তল চালাতে জানিস। তোর আব্বার তো বন্দুক আছে, পিস্তল আছে, তুই সেগুলো দিয়ে অনেকবার শিকার করেছিস।
আজাদ বলল, এই জগতে মা ছাড়া আমার কেউ নেই, আর মায়েরও আমি ছাড়া আর কেউ নেই। মা অনুমতি দিলেই কেবল আমি যুদ্ধে যেতে পারি।
মাকে আজাদ বলল, মা, আমি কি যুদ্ধে যেতে পারি?
মা বললেন, নিশ্চয়ই, তোমাকে আমার প্রয়োজনের জন্য মানুষ করিনি, দেশ ও দশের জন্যই তোমাকে মানুষ করা হয়েছে।
আজাদ যুদ্ধে গেল।
দুটো অপারেশনে অংশ নিল। তাদের বাড়িতে অস্ত্র লুকিয়ে রাখা হলো। গেরিলারা আশ্রয় নিল।
১৯৭১ সালের ৩০ আগস্ট। ধরা পড়ে ক্র্যাক প্লাটুনের একদল সাহসী মুক্তিযোদ্ধা। সেসময় আজাদকেও আটক করা হয়। তাকে ধরে নিয়ে রাখা হলো রমনা থানা সংলগ্ন ড্রাম ফ্যাক্টরি সংলগ্ন এম.পি হোস্টেলের মিলিটারি টর্চার সেলে।
গরাদের ওপারে দাড়িয়ে থাকা আজাদকে তার মা চিনতে পারেন না। প্রচণ্ড মারের চোটে চোখমুখ ফুলে গেছে, ঠোঁট কেটে ঝুলছে, ভুরুর কাছটা কেটে গভীর গর্ত হয়ে গেছে।
–“মা, কি করব? এরা তো খুব মারে। স্বীকার করতে বলে সব। সবার নাম বলতে বলে।“
–“বাবা, তুমি কারোর নাম বলোনি তো?
–না মা, বলি নাই। কিন্তু ভয় লাগে, যদি আরও মারে, যদি বলে দেই…
–বাবারে, যখন মারবে, তুমি শক্ত হয়ে থেকো। সহ্য করো। কারো নাম বলো না।
–আচ্ছা মা। ভাত খেতে ইচ্ছে করে। দুইদিন ভাত খাই না। কালকে ভাত দিয়েছিল, আমি ভাগে পাই নাই।
–আচ্ছা, কালকে যখন আসব, তোমার জন্য ভাত নিয়ে আসব।
সাফিয়া বেগমের ভেতরটা দুমড়ে-মুচড়ে যায়। গায়ে হাত তোলা তো দূরে থাক, ছেলের গায়ে একটা ফুলের টোকা লাগতে দেননি কোনোদিন। সেই ছেলেকে ওরা এভাবে মেরেছে… এভাবে…
মুরগির মাংস, ভাত, আলুভর্তা আর বেগুনভাজি টিফিন ক্যারিয়ারে ভরে পরদিন সারারাত রমনা থানায় দাড়িয়ে থাকেন সাফিয়া বেগম, কিন্তু আজাদকে আর দেখতে পাননি। তেজগাঁও থানা, এমপি হোস্টেল, ক্যান্টনমেন্ট-সব জায়গায় খুজলেন, হাতে তখন টিফিন ক্যারিয়ার ধরা, কিন্তু আজাদকে আর খুঁজে পেলেন না।
ছেলে একবেলা ভাত খেতে চেয়েছিলেন। মা পারেননি ছেলের মুখে ভাত তুলে দিতে। সেই কষ্ট-যাতনা থেকে পুরো ১৪টি বছর ভাত মুখে তুলেন নি মা! তিনি অপেক্ষায় ছিলেন ১৪ টা বছর ছেলেকে ভাত খাওয়াবেন বলে। বিশ্বাস ছিলো তাঁর আজাদ ফিরবে। ছেলের অপেক্ষায় শুধু ভাতই নয়, ১৪বছর তিনি কোন বিছানায় শোন নি। শানের মেঝেতে শুয়েছেন শীত গ্রীষ্ম কোন কিছুতেই তিনি পাল্টান নি তার এই পাষাণ শয্যা। আর এর মুল কারণ আজাদ রমনা থানায় আটককালে বিছানা পায়নি।
প্রজন্ম কিংবদন্তি আজাদদের চিনেনা, চিনে হলিউডের অ্যাকশন চলচ্চিত্র।
ভালো থাকুক জীবনের প্রেমগুলো। ভালো থেকো কিংবদন্তী।”
[লেখাটি প্রিয় লেখক ‘আনিসুল হক’ এর “মা” বই থেকে নেওয়া হয়েছে।]
সৌজন্যে—লেখক আনিসুল হকের ফেসবুক পেজ
সংক্ষেপে দেখুনযখন ওকে দেখে হাসি, সে ও হাসে আমাকে দেখে। আমি চোখ মারলে, সে-ও মারে। আবার আমি তাকে চুমু খেলে সে-ও আমায় সমান আগ্রহে চুমু খায়। কে সে বলতে পারেন?
আয়নায় আমার প্রতিবিম্ব এমনটাই করবে। যদিও আমি এরকম ভঙ্গি কখনোই করবো না। 😜
আয়নায় আমার প্রতিবিম্ব এমনটাই করবে। যদিও আমি এরকম ভঙ্গি কখনোই করবো না। 😜
সংক্ষেপে দেখুনছেলেদের প্যান্টে এমন কী থাকে, যা মেয়েদের ড্রেসে থাকে না?
উত্তর হবে পকেট। তবে এখন মেয়েদের জিন্সগুলোতে পকেট থাকে। তাই এ ধাঁধা অনেক পুরনো হয়ে গেছে।
উত্তর হবে পকেট। তবে এখন মেয়েদের জিন্সগুলোতে পকেট থাকে। তাই এ ধাঁধা অনেক পুরনো হয়ে গেছে।
সংক্ষেপে দেখুনআঠার বতলে আঠা লেগে যায় না কেন?
সাদা আঠা পলিমার নামক বিভিন্ন রাসায়নিক থেকে তৈরি। এই পলিমারগুলি দীর্ঘ স্ট্র্যান্ড যা স্টিকি বা প্রসারিত হতে পারে। আঠা উত্পাদনকারীদের সেরা আঠা বের করতে স্টিকি এবং স্ট্রেচি পলিমারগুলির কেবলমাত্র সঠিক সংমিশ্রণটি খুঁজে পেতে হবে। সাদা আঠালোতে রয়েছে জল। জল দ্রাবক হিসাবে কাজ করে যা আঠাকে তরল রাখে যতক্ষণ নবিস্তারিত পড়ুন
সাদা আঠালোতে রয়েছে জল। জল দ্রাবক হিসাবে কাজ করে যা আঠাকে তরল রাখে যতক্ষণ না আপনি এটি আটকে রাখতে চান।
আপনি যখন কোন কাগজের টুকরোতে আঠা রাখবেন তখন দ্রাবক – জল – বায়ুতে প্রকাশিত হয়। জল অবশেষে বাষ্পীভবন হয় (তরল থেকে গ্যাসে পরিবর্তিত হয়)। জল বাষ্পীভূত হওয়ার সাথে সাথে আঠালো শুকিয়ে যায় এবং শক্ত হয়। যা বাকি থাকে তা হ’ল স্টিকি পলিমার যা জিনিসকে এক সাথে রাখে।
তাহলে সাদা আঠালো বোতলটির অভ্যন্তরে আটকে থাকে না কেন? সাদা আঠা বোতলটির ভিতরে থাকলে, বোতলটির ভিতরে পর্যাপ্ত বাতাস থাকে না়। মূলত, বোতলটি বাতাস থেকে আঠাকে রক্ষা করে এবং আঠাকে সচল রাখে। আপনি যদি কিছুক্ষণের জন্য আঠা বোতলটির শীর্ষে ছেড়ে যান তবে আপনি লক্ষ্য কবেন যে, দুর্ভাগ্যক্রমে, আঠাটি শুকিয়ে গেছে!
সুপার গ্লু সম্পর্কে কি? আপনি লক্ষ্য কবেন যে সুপার গ্লু সাদা আঠার চেয়ে আরও দ্রুত শুকিয়ে যায়।
সুপার গ্লু সাদা আঠা থেকে আলাদাভাবে কাজ করে। সাদা আঠার পলিমারের পরিবর্তে, সুপার গ্লু Cyanoacrylate নামক রাসায়নিক দ্বারা তৈরি করা হয়। যখন এই বাতাসে জলীয় বাষ্পের সাথে প্রতিক্রিয়া ঘটে তখন এই রাসায়নিকগুলিকে একত্রে বন্ধন করে।
বায়ু যতই শুষ্ক মনে হয় না কেন, বায়ুতে সবসময় কিছু জলীয় বাষ্প থাকে। তাই যেকোনো অবস্থাতেই গ্লু শুকিয়ে যায়। আঠাকে শুকিতে না দেয়ার জন্য তার ধারকটিকে শক্তভাবে সিল করে রাখতে হবে।
সুতরাং আপনি সাদা আঠা বা সুপার গ্লু যার কথাই বলছেন না কেন, জলই মূল।
PHP কেন শিখবো?
PHP এর জন্মলগ্ন থেকেই জনপ্রিয় একটি ল্যাংগুয়েজ। PHP শেখার অনেকগুলো কারণ রয়েছে। তবে আমি সেগুলোর কিছু অংশ তুলে ধরছি এখানে। এরফলে যদি পিএইচপি শেখার ব্যপারে আপনাকে উৎসাহী করে তুলতে পারি তাহলেই আমি সার্থক! চলুন শুরু করা যাক... PHP ওপেনসোর্স। যেকোন সাধারণ মানের এডিটরে লেখা সম্ভব। Facebook, Flickr, Yahoo, Mবিস্তারিত পড়ুন
PHP এর জন্মলগ্ন থেকেই জনপ্রিয় একটি ল্যাংগুয়েজ। PHP শেখার অনেকগুলো কারণ রয়েছে। তবে আমি সেগুলোর কিছু অংশ তুলে ধরছি এখানে। এরফলে যদি পিএইচপি শেখার ব্যপারে আপনাকে উৎসাহী করে তুলতে পারি তাহলেই আমি সার্থক! চলুন শুরু করা যাক…
PHP ওপেনসোর্স। যেকোন সাধারণ মানের এডিটরে লেখা সম্ভব।
Facebook, Flickr, Yahoo, MailChimp এবং Wikipedia সহ আজকের সবচেয়ে বড় ওয়েব প্ল্যাটফর্মগুলি তাদের এন্ড-টু-এন্ড কম্পিউটিং পরিকাঠামোতে PHP ব্যবহার করে।
PHP শেখা অন্যান্য প্রোগ্রামিং লেংগুয়েজ গুলোর তুলনায় সহজ। এটি খুবই দ্রুতগতিতে প্রোগ্রাম রান করতে পারে।
PHP-এর চাহিদা বাড়ার সাথে সাথে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানগুলো একটি নিখুঁত ওয়েব অ্যাপ ডেভলপের জন্য নতুন PHP ওয়েব ডেভেলপার খুঁজছে।
PHP এর ব্যবহার ওয়েবে প্রায় সর্বত্র। অনুমান করা হয় যে PHP একটি স্বীকৃত সার্ভার-সাইড প্রোগ্রামিং ভাষা যা সমস্ত ওয়েবসাইটগুলির 79.1% পিএইচপি ব্যবহার করে।
স্ট্যাটিক এবং ডাইনামিক উভয় ওয়েব পেজ এবং ওয়েব-ভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পিএইচপি ব্যবহার করা যেতে পারে।
পিএইচপি বিভিন্ন ডাটাবেস যেমন ওরাকল, মাইএসকিউএল, এবং এমএস অ্যাক্সেস সমর্থন করে এবং প্রোটোকল যেমন HTTP, LDAP, POP3, IMAP, NNTP, SNM এবং COM ব্যবহার করে অন্যান্য পরিষেবাগুলির সাথে যোগাযোগ করার জন্য একে ডিজাইন করা হয়েছে।
PHP দ্বারা পরিচালিত কিছু সেরা ওয়েব কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (CMS) হল ওয়ার্ডপ্রেস এবং এর প্লাগইন, ড্রুপাল, জুমলা, ফেসবুক, মিডিয়াউইকি, সিলভারস্ট্রাইপ এবং ডিগ-এর ইউজার ইন্টারফেস।
যেকোন ইকমার্স ওয়েবসাইট অনায়াসেই PHP দিয়ে তৈরি করা সম্ভব। Magento, OpenCart, Zen Cart, PrestaShop, AgoraCart, এবং Ubercart এর মত জনপ্রিয় ইকমার্স প্ল্যাটফর্মগুলি হল PHP-এর ব্যবহারিক অ্যাপ্লিকেশন।
পিএইচপি-এর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার হতে পারে ডেস্কটপ গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস (GUI) ভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশন তৈরির জন্য।
Imagine, GD Library এবং Image Magic এর মতো বিভিন্ন ইমেজ প্রসেসিং লাইব্রেরিগুলিকে পিএইচপি অ্যাপ্লিকেশনগুলির সাথে একীভূত করা যেতে পারে যাতে ইমেজ প্রক্রিয়াকরণ বৈশিষ্ট্যগুলির একটি বিস্তৃত পরিসরের অনুমতি দেওয়া যায়, যার মধ্যে রয়েছে রোটেটিং, ক্রপিং, রিসাইজ, ওয়াটারমার্ক যোগ করা, থাম্বনেইল ছবি তৈরি করা এবং অনেক ফর্ম্যাটে আউটপুট ছবি তৈরি করা। আউটপুট চিত্রগুলির বিভিন্ন ফরমেট jpeg, gif, wbmp, xpm এবং png হতে পারে। শক্তিশালী ওয়েবসাইট এবং ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন তৈরির জন্য এটি একটি অপরিহার্য পূর্বশর্ত।
চার্ট, গ্রাফ ইত্যাদি তৈরিতে PHP সাবলীলভাবে ব্যবহারযোগ্য। এই বৈশিষ্ট্যটি সাধারণত ক্লায়েন্ট-সাইড ইকমার্স ওয়েবসাইট, ডেস্কটপ অ্যাপ্লিকেশন এবং অন্যান্য বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন জুড়ে ব্যবহৃত হয় যেখানে ডেটা সংক্ষিপ্তভাবে এবং গ্রাফিকভাবে উপস্থাপন করতে হয়।
পিডিএফ ফাইল তৈরি করা পিএইচপি এর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা। PDFLib নামক একটি বিল্ট-ইন লাইব্রেরি টুল পিএইচপি ব্যবহার করে পিডিএফ ফাইল তৈরি এবং ম্যানিপুলেট পারে। এটি একটি অনলাইন ইনভয়েসিং সিস্টেম তৈরি করতে সাহায্য করে যেখানে আমরা PDF (পোর্টেবল ডকুমেন্ট ফরম্যাট) ফাইলে একটি HTML-চালিত চালান তৈরি করতে পারি।
এইচটিএমএল এর সাথে পিএইচপি এম্বেড করা যায় এটি নতুন প্রোগ্রামারদের জন্য আরেকটি সুবিধা।
এবার আপনি আমাকে বলুন কেন আপনি PHP শিখবেন না?
আপনাকে ধন্যবাদ আমাকে উত্তর দেয়ার আগ্রহ তৈরি করানোর জন্য!
সংক্ষেপে দেখুনজীবনের কিছু অলিখিত নিয়ম কী কী?
@mokbul ভাই কে ধন্যবাদ এমন প্রশ্ন করার জন্য। আপনার প্রশ্নটি ছিল জীবনের কিছু অলিখিত নিয়মগুলো কি এর উত্তরে আমি কিছু বিষয় তুলে ধরলাম। ১। মন উজাড় করে ভালবাসলেই যে, "প্রেম" টিকে যাবে, নিশ্চয়তা নেই। ২। বিপদে পড়লেই, যে নিজের ঘনিষ্ঠ লোকজন উদ্ধার করতে এগিয়ে আসবেন, নিশ্চয়তা নেই। ৩। চেষ্টা করলেই যে, নিজের "উদ্বিস্তারিত পড়ুন
mokbul ভাই কে ধন্যবাদ এমন প্রশ্ন করার জন্য।
আপনার প্রশ্নটি ছিল জীবনের কিছু অলিখিত নিয়মগুলো কি
এর উত্তরে আমি কিছু বিষয় তুলে ধরলাম।
১। মন উজাড় করে ভালবাসলেই যে, “প্রেম” টিকে যাবে, নিশ্চয়তা নেই।
২। বিপদে পড়লেই, যে নিজের ঘনিষ্ঠ লোকজন উদ্ধার করতে এগিয়ে আসবেন, নিশ্চয়তা নেই।
৩। চেষ্টা করলেই যে, নিজের “উদ্দেশ্য” বা “স্বপ্ন” বাস্তবায়িত হবে, নিশ্চয়তা নেই।
৪। নিজের ক্ষতি করে, অন্যের উপকার করলেও যে, কৃতজ্ঞতা স্বীকার হবে, নিশ্চয়তা নেই।
৫। দেখে শুনে, হিসাব নিকাশ করে, জীবনসঙ্গিনী নির্বাচন করলেই যে, সংসার টিকে যাবে নিশ্চয়তা নেই।
৬। সম্পূর্ণ সুস্থ থেকেও যে, নিজের তাৎক্ষণিক মৃত্যুকে রুখে দেয়া যাবে, নিশ্চয়তা নেই।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনদাঁত শিরশির এবং ব্যাথায় ভালো কোন ঔষধ অথবা ট্যাবলেট এর নাম বলতে পারেন কি?
দাঁত ব্যথার ঔষধ সাধারণ দাঁত ব্যথার ওষুধের গ্রুপ হলো Etoricoxib বি.দ্রঃ চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত যেকোন ঔষধ আপনার ক্ষতির কারণ হতে পারে এছাড়া আপনি লবঙ্গ খেতে পারেন। পেয়ারা পাতা সিদ্ধ পানি দিয়ে কুলি করতে পারেন। দাঁত ব্যথায় করণীয় ১ গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ১ টেবিল চামুচ লবণ মিশিয়ে মুখে নিয়ে ১ মিনিট রাখুন।বিস্তারিত পড়ুন
দাঁত ব্যথার ঔষধ
সাধারণ দাঁত ব্যথার ওষুধের গ্রুপ হলো Etoricoxib
বি.দ্রঃ চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত যেকোন ঔষধ আপনার ক্ষতির কারণ হতে পারে
এছাড়া আপনি লবঙ্গ খেতে পারেন। পেয়ারা পাতা সিদ্ধ পানি দিয়ে কুলি করতে পারেন।
দাঁত ব্যথায় করণীয়
১ গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ১ টেবিল চামুচ লবণ মিশিয়ে মুখে নিয়ে ১ মিনিট রাখুন। এভাবে দিনে ৩ বার করে গুলি করুন ব্যথা কমে যায়।
এ ছাড়াও ১ টেবিল চামুচ লবণ অল্প সরিষার তেলের সঙ্গে অথবা লেবুর রসের সঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে মাড়িতে ম্যাসাজ করুন কয়েক মিনিট। তারপর কুসুম গরম পানি দিয়ে কুলি করে নিন। এভাবে ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হবে।
লবণে অ্যান্টিসেপ্টিক ও অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান আছে। এটি মুখের ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি ব্যাহত করে প্রদাহ কমায়।
দাঁতের ব্যথার জন্য যত শিগগিরই ডেন্টিস্টের কাছে যাওয়া যায় ততই মঙ্গল।
সূত্রঃ দৈনিক যুগান্তর
সংক্ষেপে দেখুনকোন জায়গায় গেলে মানসিক শান্তি পাওয়া যায় ?
জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক মেখলা সরকার বলেন, ‘নিজেকে কতটুকু শান্তি দেব এটা পুরোটা নিজের ওপর নির্ভর করে। আমরা যদি প্রতিদিনের বা প্রতি মুহূর্তের ইতিবাচক দিকগুলো নিয়ে ভাবি, তাহলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। কেননা আমাদের জীবনের অনেক কিছুই আছে, যা আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে; তাই যাবিস্তারিত পড়ুন
জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক মেখলা সরকার বলেন, ‘নিজেকে কতটুকু শান্তি দেব এটা পুরোটা নিজের ওপর নির্ভর করে। আমরা যদি প্রতিদিনের বা প্রতি মুহূর্তের ইতিবাচক দিকগুলো নিয়ে ভাবি, তাহলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। কেননা আমাদের জীবনের অনেক কিছুই আছে, যা আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে; তাই যা আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারব না, তা নিয়ে আফসোস করা উচিত নয়। আমাদের উচিত সেসব বিষয় এড়িয়ে চলা, যা নিজেদের জীবনে আমরা গ্রহণ করব না। যেমন কাউকে নিয়ে সমালোচনা করা।’
সহজ কিছু উপায়ে আমরা আমাদের মানসিক শান্তি ধরে রাখতে পারি …
এবং সৃষ্টিকর্তার উপর বিশ্বাস রাখলে মানুষের সকল খারাপ চিন্তা মন থেকে দূর হয়ে যায়। সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করুন।
সংক্ষেপে দেখুনমহাকাশে মারা যাওয়া প্রথম ব্যক্তি কে?
মহাকাশে প্রথম যে মানুষগুলো মারা গেছেন তারা হলেন সোভিয়েত মহাকাশচারী, জর্জি ডোব্রোভলস্কি (বাম), ভ্লাদিস্লাভ ভলকভ (ডানে) এবং ভিক্টর পাটসায়েভ (পিছনে)। 1971 সালে সয়ুজ 11 মিশনের শেষের দিকে পুনঃপ্রবেশকারী কেবিনের চাপ সমতাকরণ ভালভ অকালে খুলে গেলে তারা মারা যান। তারা প্রায় দশ মিনিটের জন্য ভ্যাকুয়ামের মধবিস্তারিত পড়ুন
মহাকাশে প্রথম যে মানুষগুলো মারা গেছেন তারা হলেন সোভিয়েত মহাকাশচারী, জর্জি ডোব্রোভলস্কি (বাম), ভ্লাদিস্লাভ ভলকভ (ডানে) এবং ভিক্টর পাটসায়েভ (পিছনে)। 1971 সালে সয়ুজ 11 মিশনের শেষের দিকে পুনঃপ্রবেশকারী কেবিনের চাপ সমতাকরণ ভালভ অকালে খুলে গেলে তারা মারা যান। তারা প্রায় দশ মিনিটের জন্য ভ্যাকুয়ামের মধ্যে থাকেন এবং একসাথেই মারা যান যদিও স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা তাদের মৃতদেহ পৃথিবীতে নিয়ে আসে।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনআমার বিয়ে কবে হবে? স্বপ্নে বিয়ে দেখলে কি হয়? আমি দেখেছি!
পুরুষ কিংবা নারী উভয়ের ক্ষেত্রেই বিবাহ জীবনের একটি বিশেষ সন্ধিক্ষণ। কিন্তু কেউই জানতে পারেন না, বিয়ে হবে কবে। কারণ জন্ম - মৃত্যু - বিয়ে তিন বিধাতা নিয়ে। বিয়ে ব্যাপারটা সবটাই ভবিতব্য(Destiny)। কিন্তু জানেন কি আমাদের হাতেই লেখা থাকে বিয়ের বয়স। সেখানে লেখা থাকে ঠিক কোন সময়ে ঘটতে চলেছে আপনার জীববিস্তারিত পড়ুন
পুরুষ কিংবা নারী উভয়ের ক্ষেত্রেই বিবাহ জীবনের একটি বিশেষ সন্ধিক্ষণ। কিন্তু কেউই জানতে পারেন না, বিয়ে হবে কবে। কারণ জন্ম – মৃত্যু – বিয়ে তিন বিধাতা নিয়ে। বিয়ে ব্যাপারটা সবটাই ভবিতব্য(Destiny)। কিন্তু জানেন কি আমাদের হাতেই লেখা থাকে বিয়ের বয়স। সেখানে লেখা থাকে ঠিক কোন সময়ে ঘটতে চলেছে আপনার জীবনের এই শ্রেষ্ঠতম ঘটনাটি।
কীভাবে বুঝবেন কোন বয়সে বিয়ে হবে? কীভাবেই বা বুঝবেন আপনার বিয়ে সুখের হবে নাকি সমস্যাবহুল ভুল হবে?
তাহলে চিনে নিন আপনার হাতের রেখা ( palm astrology)। যে রেখা সুচিত করবে আপনার বিয়ে। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, যে রেখা বিবাহ সূচিত করে তার নাম বিবাহ রেখা।
লেখাটির অবস্থান ঠিক হাতের তালুর উপরিভাগে থাকে না । থাকে হাতের পাশে কনিষ্ঠার নিচে। বিবাহ রেখা একটি নয় একাধিক হতে পারে।
বিবাহ রেখা যদি ছোট মাপের হয় আর তা যদি থাকে কনিষ্ঠার কাছাকাছি, তাহলে বিয়ে দেরিতে হওয়ার সম্ভাবনা। যাদের হাতে এই ধরনের রেখা থাকে তাদের তাদের একটু বেশি বয়সে বিয়ে সম্ভাবনা থাকে। ৪০ বছর পর্যন্ত তাদের অপেক্ষা করতেই হয় । চল্লিশে আশে পাশে গিয়ে এদের বিয়ে হয়।
যাদের ক্ষেত্রে বিবাহ রেখা কনিষ্ঠা থেকে বেশ দূরে হয় তাদের বিয়ে খুব তাড়াতাড়ি হয়ে যায় । মোটামুটি কুড়ি বছরের কাছাকাছি। আর ওই রেখা যদি মাঝামাঝি দূরত্বে থাকে তাহলে বিয়ের সম্ভাবনা ৩০ বছরের কাছাকাছি।
এতো গেল রেখার অবস্থান দেখে বিয়ের বয়স নির্ধারণ। কিন্তু বিবাহিত জীবন সুখের হবে নাকি কণ্টকময় হবে তা কি করে জানবেন? যদি বিবাহ রেখার উপর দিয়ে আরো একটি রেখা সেই সম্পর্কে ভাঙ্গন ধরার সম্ভাবনা থাকে। আর যদি দেখা যায় বিবাহ রেখায় শিকলের মত একটি চিহ্ন, তাহলে বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে।
সংক্ষেপে দেখুনপৃথিবীতে প্রথম কোন ব্যক্তি বিড়ি খেয়েছিলো?
আকিজ বিড়ি সেলস apps আকিজ বিড়ি সেলস apps মুলত ডাউনলোড করার কোন এপস নয়। এটি আকিজ বিড়ির কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য সিকিউর প্যানেল। আমি যেহেতু এখানে জব করিনা তাই এর ভেতর কি আছে সে সম্পর্কে আমার ধারণা নাই। তবে খুব সম্ভবত এর ইউজারদের একটি ড্যাশবোর্ড থাকবে এখানে। হয়তো বেতন ভাতা, উপস্থিতি ইত্যাদি তথ্যবিস্তারিত পড়ুন
আকিজ বিড়ি সেলস apps
আকিজ বিড়ি সেলস apps মুলত ডাউনলোড করার কোন এপস নয়। এটি আকিজ বিড়ির কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য সিকিউর প্যানেল। আমি যেহেতু এখানে জব করিনা তাই এর ভেতর কি আছে সে সম্পর্কে আমার ধারণা নাই। তবে খুব সম্ভবত এর ইউজারদের একটি ড্যাশবোর্ড থাকবে এখানে। হয়তো বেতন ভাতা, উপস্থিতি ইত্যাদি তথ্য জমা থাকতে পারে।
আকিজ বিড়ি সেলস apps ভিজিট করুন
সংক্ষেপে দেখুনশাকিব খান এর নতুন ছবি কবে আসছে? নতুন ছবির নাম কি?
তিন মাসের বেশি যুক্তরাষ্ট্রে আছেন শাকিব খান। এবারের জন্মদিনের সময়টাও কেটেছে সেখানে। এই জন্মদিনেই চমক নিয়ে হাজির হলেন তিনি। নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় ২৮ মার্চ (গতকাল) সন্ধ্যায় শাকিব খান তাঁর প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের নতুন সিনেমার নাম ঘোষণা করলেন, জানান নতুন নায়িকার খবরটাও। এস কে ফিল্মস প্রযোজিত এই চলচ্চিত্রবিস্তারিত পড়ুন
তিন মাসের বেশি যুক্তরাষ্ট্রে আছেন শাকিব খান। এবারের জন্মদিনের সময়টাও কেটেছে সেখানে। এই জন্মদিনেই চমক নিয়ে হাজির হলেন তিনি। নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় ২৮ মার্চ (গতকাল) সন্ধ্যায় শাকিব খান তাঁর প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের নতুন সিনেমার নাম ঘোষণা করলেন, জানান নতুন নায়িকার খবরটাও। এস কে ফিল্মস প্রযোজিত এই চলচ্চিত্রের নাম ‘রাজকুমার’ আর ছবির নায়িকা কোর্টনি কফি।
‘রাজকুমার’ চলচ্চিত্রের পরিচালক হিমেল আশরাফ জানান, কোর্টনি যুক্তরাষ্ট্রে অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত। যুক্তরাষ্ট্রে বেশ কয়েকটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ও ফিচার ফিল্মে অভিনয় করেছেন। স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র কয়েকটি উৎসবে দেখানো হয়, আর `ডমিনোস’ এবং `প্লিজেন্ট গ্রোভ’ নামের দুটি ফিচার ফিল্ম মুক্তির অপেক্ষায় আছে। ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি উচ্চতার কোর্টনি নিউইয়র্কের দ্য নেইবারহুড প্লে হাউস স্কুল অব দ্য থিয়েটার থেকে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেন। লং আইল্যান্ডের হিকসভিল এ জন্ম কোর্টনির, বেড়ে উঠেছেনও সেখানে।
শাকিব খানের ‘রাজকুমার’ চলচ্চিত্রের মহরত অনুষ্ঠানে কোর্টনি কফি বলেন, ‘এ কাজের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি কৃতজ্ঞ। খুব সুন্দর একটি গল্পে সিনেমাটি হতে যাচ্ছে। শাকিব খানের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়ে আমি ভাগ্যবান। আধো বাংলায় তিনি আরও বলেন, ‘সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমি যেন ভালো করতে পারি। ধন্যবাদ।’
মহরতে শাকিব খান জানান, শুধু বাংলাদেশ নয়, ‘রাজকুমার’ মুক্তি দেওয়া হবে আমেরিকা, লন্ডন, মধ্যপ্রাচ্য, কানাডা, ইন্ডিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। সেভাবে প্রস্তুতি নিয়েই তিনি এই ছবির কাজ এগিয়ে নিচ্ছেন। শাকিব বলেন, ‘শুধু গ্রিনকার্ড নেওয়ার জন্য আমেরিকায় আসিনি। এখানে এসে দীর্ঘদিন কাজের মধ্যে ছিলাম। যেহেতু এই পরিবেশটা আমার জন্য একেবারে নতুন, তাই সবকিছু গুছিয়ে নিতে কিছুটা সময় লাগছে। এত দিন যে স্বপ্ন দেখতাম, এখন থেকে সেই স্বপ্নের পথে হাঁটা শুরু করলাম। যত দিন আমার শক্তি সামর্থ্য থাকবে, বাংলা সিনেমাকে এগিয়ে নিতে আপ্রাণ চেষ্টা করে যাব।’
পরিচালক হিমেল আশরাফ জানান, ‘রাজকুমার’ ছবির শুটিং হবে জুলাইয়ে।
সংক্ষেপে দেখুনঅভিভাবক হিসেবে শিশুদের বা ছোট বাচ্চাদের কোন শিক্ষা গুলো দেয়া উচিৎ?
শুরু থেকেই শিশুদের বা ছোট বাচ্চাদের কিছু বিষয়ে সচেতন করা জরুরী। আমরা নিজেদের অজান্তেই দৈনন্দিন কিছু কাজ করি যেগুলো অপরাধের পর্যায়ে পড়ে। আর আমাদের বাচ্চারা সেগুলো দেখে বড় হয় এবং ভেবে নেয় এগুলোই ঠিক। তাই তাদের কোনটা ঠিক আর কোনটা অন্যায় তা শিশুকাল থেকেই শিক্ষা দেয়া প্রয়োজন। ওয়েব থেকে পাওয়া তেমনই কিছু শবিস্তারিত পড়ুন
শুরু থেকেই শিশুদের বা ছোট বাচ্চাদের কিছু বিষয়ে সচেতন করা জরুরী। আমরা নিজেদের অজান্তেই দৈনন্দিন কিছু কাজ করি যেগুলো অপরাধের পর্যায়ে পড়ে। আর আমাদের বাচ্চারা সেগুলো দেখে বড় হয় এবং ভেবে নেয় এগুলোই ঠিক। তাই তাদের কোনটা ঠিক আর কোনটা অন্যায় তা শিশুকাল থেকেই শিক্ষা দেয়া প্রয়োজন। ওয়েব থেকে পাওয়া তেমনই কিছু শিক্ষা নিচে তুলে ধরলাম।
সূত্রঃ ইন্টার্নেট
সংক্ষেপে দেখুনসত্য এসেছে মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে, কথাটার ব্যাখা দিতে পারবেন কি?
(৮১) আর বল, ‘সত্য এসেছে এবং মিথ্যা বিলীন হয়েছে; নিশ্চয় মিথ্যা বিলীয়মান।’ [1] [1] হাদীসে এসেছে যে, মক্কা বিজয়ের পর যখন নবী (সাঃ) কা’বাগৃহে প্রবেশ করেন, তখন সেখানে তিনশ’ ষাটটি মূর্তি রাখা ছিল। নবী (সাঃ)-এর হাতে ছিল একটি কাষ্ঠখন্ড বা লাঠি। তিনি তার ডগা দিয়ে মূর্তিগুলোকে খোঁচা দিচ্ছিলেন আর جَاءَ الْحَقّবিস্তারিত পড়ুন
(৮১) আর বল, ‘সত্য এসেছে এবং মিথ্যা বিলীন হয়েছে; নিশ্চয় মিথ্যা বিলীয়মান।’ [1]
[1] হাদীসে এসেছে যে, মক্কা বিজয়ের পর যখন নবী (সাঃ) কা’বাগৃহে প্রবেশ করেন, তখন সেখানে তিনশ’ ষাটটি মূর্তি রাখা ছিল। নবী (সাঃ)-এর হাতে ছিল একটি কাষ্ঠখন্ড বা লাঠি। তিনি তার ডগা দিয়ে মূর্তিগুলোকে খোঁচা দিচ্ছিলেন আর جَاءَ الْحَقُّ وَزَهَقَ الْبَاطِلُ..। এবং جَاءَ الْحَقُّ وَمَا يُبْدِئُ الْبَاطِلُ وَمَا يُعِيدُ পড়ে যাচ্ছিলেন। (বুখারীঃ কিতাবুল মাযালিম, মুসলিমঃ কিতাবুল জিহাদ)
তাফসীরে আহসানুল বায়ান
সংক্ষেপে দেখুন