জরিপের ফলাফল
ভোট দেয়ার এবং ফলাফল জানার জন্য আপনাকে অবশ্যই লগ ইন করতে হবে।
সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.
প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে।
দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
হ্যাঁ, এয়ার ফ্রায়ারের ভেতরের নন-স্টিক কোটিং বিষাক্ত হতে পারে, বিশেষ করে যদি এটি PTFE (টেফলন) বা PFAS-যুক্ত হয় এবং উচ্চ তাপমাত্রায় অতিরিক্ত গরম করা হয় বা কোটিং ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কোটিংয়ের ধরন অধিকাংশ এয়ার ফ্রায়ারে PTFE বা অনুরূপ নন-স্টিক কোটিং ব্যবহৃত হয়, যা সাধারণত PFOA-মুক্ত (যা এখন নিষিদ্ধ)বিস্তারিত পড়ুন
অধিকাংশ এয়ার ফ্রায়ারে PTFE বা অনুরূপ নন-স্টিক কোটিং ব্যবহৃত হয়, যা সাধারণত PFOA-মুক্ত (যা এখন নিষিদ্ধ)। এগুলো নিয়মিত ব্যবহারে নিরাপদ বলে বিবেচিত, কারণ এরা খাবারের সাথে মিশে যায় না। তবে ২৬০°সে উপরে গরম হলে বিষাক্ত গ্যাস নির্গত হতে পারে, যা ফ্লু-জাতীয় উপসর্গ সৃষ্টি করে।
– অতিরিক্ত গরম করা: খালি অবস্থায় ৩৬০°সে উপরে গরম করলে পলিমার ভেঙে বিষাক্ত পদার্থ নির্গত হয়।
– ক্ষতি বা খসে যাওয়া: স্ক্র্যাচ বা খসে যাওয়া কোটিং খাবারে মিশলে শরীরে শোষিত না হলেও দীর্ঘমেয়াদী ঝুঁকি (লিভার, থাইরয়েড সমস্যা)।
– PFAS (‘ফরএভার কেমিক্যাল’): কিছু কোটিংয়ে থাকে, যা পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
– PTFE/PFOA/PFAS-মুক্ত (সিরামিক বা স্টেইনলেস স্টিল) এয়ার ফ্রায়ার কিনুন।
– নরম স্পঞ্জ ব্যবহার করুন, ধাতব নয়; খালি গরম করবেন না; সর্বোচ্চ তাপমাত্রা মেনে চলুন।
– কোটিং খসলে ফেলে দিন।
প্রকৃত সফলতা কখনো একাকীত্বের মাঝে থাকে না। যদি আমি সবার অপছন্দের হই, তবে বড় কোনো অর্জনের পরেও মানুষ হিসেবে আমি ব্যর্থ। আমি বরং সাধারণ হয়েই সবার মাঝে থাকতে চাই, কারণ মানুষের মনে জায়গা পাওয়াটাও এক বিশাল বড় সফলতা।
প্রকৃত সফলতা কখনো একাকীত্বের মাঝে থাকে না। যদি আমি সবার অপছন্দের হই, তবে বড় কোনো অর্জনের পরেও মানুষ হিসেবে আমি ব্যর্থ। আমি বরং সাধারণ হয়েই সবার মাঝে থাকতে চাই, কারণ মানুষের মনে জায়গা পাওয়াটাও এক বিশাল বড় সফলতা।
সংক্ষেপে দেখুনএই একটি প্রশ্নের উত্তর দেয়ার আগে আরও অনেকগুলো প্রশ্ন এসে যায়। তাই একটি একটি করে উত্তর দিচ্ছি। ১. NEIR কী এবং এটি কেন চালু করা হয়েছে? NEIR (National Equipment Identity Register) হলো বিটিআরসি-র একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেজ, যেখানে বাংলাদেশের সব বৈধ মোবাইল ফোনের তথ্য জমা থাকে। কেন চালু করা হয়েছে: অবৈধ বা চোরবিস্তারিত পড়ুন
এই একটি প্রশ্নের উত্তর দেয়ার আগে আরও অনেকগুলো প্রশ্ন এসে যায়। তাই একটি একটি করে উত্তর দিচ্ছি।
NEIR (National Equipment Identity Register) হলো বিটিআরসি-র একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেজ, যেখানে বাংলাদেশের সব বৈধ মোবাইল ফোনের তথ্য জমা থাকে।
কেন চালু করা হয়েছে: অবৈধ বা চোরাই মোবাইল ফোন বন্ধ করা, সরকারের ট্যাক্স ফাঁকি রোধ করা এবং মোবাইলের মাধ্যমে অপরাধ কমানো এর প্রধান উদ্দেশ্য।
নতুন ফোনের জন্য: ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে লিখুন KYD <স্পেস> ১৫ ডিজিটের IMEI নম্বর (যেমন: KYD 123456789012345) এবং পাঠিয়ে দিন ১৬০০২ নম্বরে। ফিরতি মেসেজে ফোনের বৈধতা জানতে পারবেন।
ব্যবহৃত ফোনের জন্য: ফোনের ডায়াল প্যাড থেকে *১৬১৬১# ডায়াল করে অথবা neir.btrc.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে ফোনের বর্তমান অবস্থা দেখতে পারবেন।
অনেকে ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখছেন তাদের নামে ৩০-৪০টি বা তারও বেশি ফোন নিবন্ধিত।
কারণ: এটি মূলত একটি কারিগরি বিষয়। আপনি অতীতে আপনার এনআইডি দিয়ে কেনা সিম যেসব ফোনে ব্যবহার করেছেন, সিস্টেম সেই সব ফোনের তথ্য আপনার নামে দেখাচ্ছে।
করণীয়: বিটিআরসি জানিয়েছে এতে ভয়ের কিছু নেই। তারা বর্তমানে ব্যবহৃত ফোনগুলো রেখে বাকি পুরোনো তথ্যগুলো আর্কাইভ করার কাজ করছে। কিছুদিনের মধ্যে এটি ঠিক হয়ে যাবে।
neir.btrc.gov.bd পোর্টালে গিয়ে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট খুলে আবেদন করতে হবে। এজন্য পাসপোর্টের কপি, ভিসার তথ্য বা ক্রয়ের রসিদ আপলোড করতে হবে। ব্যাগেজ রুলস অনুযায়ী নির্দিষ্ট সংখ্যক ফোন ফ্রিতে বা ট্যাক্স দিয়ে নিবন্ধন করা যায়।
১ জানুয়ারি ২০২৬-এর আগে থেকে নেটওয়ার্কে সচল থাকা সব ফোন (অফিশিয়াল বা আন-অফিশিয়াল) স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হয়ে গেছে। অর্থাৎ, আপনার বর্তমান ফোনটি যদি সচল থাকে, তবে এটি বন্ধ হবে না। তবে ভবিষ্যতে নতুন কোনো অবৈধ বা স্মাগলিং করা ফোন কিনলে সেটি সিম ঢোকানোর পর আর চলবে না।
যদি আপনার ফোনটি নিবন্ধিত থাকে এবং চুরি হয়ে যায়, তবে আপনি বিটিআরসি-র মাধ্যমে ফোনটি ব্লক করে দিতে পারবেন। এর ফলে চোর বা অন্য কেউ ওই ফোনে কোনো সিম ব্যবহার করতে পারবে না, যা ফোন চুরির প্রবণতা কমিয়ে দেবে।
সংক্ষেপে দেখুনকিছু পরামর্শ: এখন থেকে যেকোনো ফোন কেনার আগে অবশ্যই বক্সের গায়ে থাকা IMEI নম্বর দিয়ে ১৬০০২ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে যাচাই করে নিন। অবৈধ ফোন কিনে টাকা নষ্ট করবেন না।
নিচে জাতীয় পরিচয়পত্র বা NID সার্ভার কপি (অনলাইন কপি) সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এবং নিরাপদে পিডিএফ (PDF) আকারে ডাউনলোড করার উপায় ধাপে ধাপে সহজ ভাষায় বর্ণনা করা হলো। অনেকে মনে করেন সার্ভার কপি পেতে হলে টাকা লাগে বা দোকানে যেতে হয়। কিন্তু বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে আপনি নিজেই আপনার এনআইবিস্তারিত পড়ুন
নিচে জাতীয় পরিচয়পত্র বা NID সার্ভার কপি (অনলাইন কপি) সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এবং নিরাপদে পিডিএফ (PDF) আকারে ডাউনলোড করার উপায় ধাপে ধাপে সহজ ভাষায় বর্ণনা করা হলো।
অনেকে মনে করেন সার্ভার কপি পেতে হলে টাকা লাগে বা দোকানে যেতে হয়। কিন্তু বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে আপনি নিজেই আপনার এনআইডি বা জাতীয় পরিচয়পত্রের অনলাইন কপি বিনামূল্যে সংগ্রহ করতে পারেন।
সহজ কথায়, নির্বাচন কমিশনের ডাটাবেসে আপনার যে তথ্য ও ছবি সংরক্ষিত আছে, তার ডিজিটাল রূপই হলো সার্ভার কপি। এটি দেখতে অবিকল অরিজিনাল এনআইডি কার্ডের মতো। ব্যাংক একাউন্ট খোলা, সিম রেজিস্ট্রেশন বা পাসপোর্টের জন্য এটি ব্যবহার করা যায়।
নিচে নির্বাচন কমিশনের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোডের পদ্ধতি দেওয়া হলো। আপনার হাতে শুধু একটি স্মার্টফোন এবং ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই চলবে।
১. প্রথমে আপনার মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে ব্রাউজার ওপেন করুন।
২. ভিজিট করুন: services.nidw.gov.bd
৩. ওয়েবসাইটের হোমপেজে “রেজিস্টার করুন” বা “Register” বাটনে ক্লিক করুন।
১. একটি ফর্ম আসবে। সেখানে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর অথবা ফর্ম নম্বর (নতুন ভোটার হলে) লিখুন।
২. আপনার জন্ম তারিখ (দিন, মাস, বছর) সঠিকভাবে দিন।
৩. ছবিতে দেখানো ক্যাপচা কোডটি (অক্ষর বা সংখ্যা) পাশের বক্সে লিখুন এবং ‘সাবমিট’ করুন।
১. এখন আপনার বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা নির্বাচন করতে হবে।
২. ড্রপডাউন মেনু থেকে আপনার বিভাগ, জেলা ও উপজেলা সিলেক্ট করুন (এনআইডি করার সময় যা দিয়েছিলেন)।
৩. ‘পরবর্তী’ বাটনে ক্লিক করুন।
১. আপনার এনআইডি ডাটাবেসে দেওয়া মোবাইল নম্বরটি স্ক্রিনে দেখাবে।
২. যদি নম্বরটি আপনার কাছে থাকে তবে “বার্তা পাঠান” এ ক্লিক করুন।
৩. যদি নম্বরটি হারিয়ে গিয়ে থাকে, তবে “মোবাইল পরিবর্তন” অপশন ব্যবহার করে নতুন নম্বর দিতে পারেন।
৪. আপনার মোবাইলে ৬ সংখ্যার একটি কোড (OTP) যাবে। সেটি ওয়েবসাইটে বসিয়ে ‘বহাল’ বাটনে ক্লিক করুন।
এই ধাপটি নিরাপত্তার জন্য খুব জরুরি। এর জন্য আপনার স্মার্টফোনে একটি অ্যাপ লাগবে।
১. গুগল প্লে স্টোর থেকে “NID Wallet” নামক অ্যাপটি ইন্সটল করে নিন।
২. ওয়েবসাইটে একটি QR Code দেখাবে।
৩. NID Wallet অ্যাপটি ওপেন করে সেই QR Code টি স্ক্যান করুন।
৪. এরপর ফোনের ক্যামেরা চালু হবে। নিজের মুখের ছবি স্ক্যান করুন:
* প্রথমে সোজাসুজি তাকান।
* একবার মাথা বাম দিকে ঘোরান।
* একবার মাথা ডান দিকে ঘোরান।
৫. ফেস ভেরিফিকেশন সফল হলে ওয়েবসাইটে অটোমেটিক পরবর্তী পেজ চলে আসবে।
১. ভেরিফিকেশন শেষে আপনি চাইলে একটি পাসওয়ার্ড সেট করতে পারেন (ভবিষ্যতে সহজে লগইন করার জন্য) অথবা ‘এড়িয়ে যান’ বাটনে ক্লিক করতে পারেন।
২. এখন আপনি আপনার প্রোফাইল দেখতে পাবেন।
৩. নিচের দিকে “Download” (ডাউনলোড) নামক একটি বাটন দেখবেন।
৪. সেখানে ক্লিক করলেই আপনার এনআইডি কার্ডের পিডিএফ (PDF) কপি বিনামূল্যে ডাউনলোড হয়ে যাবে।
ইন্টারনেটে বা ফেসবুকে অনেক চটকদার বিজ্ঞাপন দেখবেন যারা টাকার বিনিময়ে বা “এক ক্লিকে” সার্ভার কপি দেওয়ার দাবি করে। এদের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন:
ব্যক্তিগত তথ্য চুরি: অননুমোদিত ওয়েবসাইটে নিজের এনআইডি নম্বর ও জন্ম তারিখ দিলে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য চুরি হতে পারে।
Telegram Bot পরিহার করুন: টেলিগ্রামের মাধ্যমে অনেকে সার্ভার কপি বের করে দেয়, এটি অফিশিয়াল পদ্ধতি নয় এবং অনেক ক্ষেত্রে অনিরাপদ।
সর্বদা অফিশিয়াল সাইট ব্যবহার করুন: একমাত্র nidw.gov.bd বা services.nidw.gov.bd হলো নিরাপদ ও সরকারি মাধ্যম।
উত্তর: হ্যাঁ, রেজিস্ট্রেশনের সময় ‘জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর’-এর জায়গায় ফর্ম নম্বর (স্লিপ নম্বর) ব্যবহার করে একইভাবে ডাউনলোড করতে পারবেন। তবে ফর্ম নম্বরের আগে NIDFN লেখা লাগতে পারে যদি সরাসরি কাজ না করে।
উত্তর: পর্যাপ্ত আলোতে দাঁড়িয়ে আবার চেষ্টা করুন। চশমা থাকলে খুলে ফেলুন। যদি বারবার সমস্যা হয়, তবে ব্রাউজারের ক্যাশ ক্লিয়ার করে আবার চেষ্টা করুন।
এই পদ্ধতির মাধ্যমে আপনি কোনো টাকা খরচ না করেই নিজের জাতীয় পরিচয়পত্রের অনলাইন কপি বা সার্ভার কপি সংগ্রহ করতে পারবেন।
আপনার কি NID Wallet অ্যাপটি ব্যবহার করতে কোনো সমস্যা হচ্ছে বা নির্দিষ্ট কোনো এরর কোড দেখালে কমেন্টে জানান।
সংক্ষেপে দেখুনIntrovert বা অন্তর্মুখী স্বভাব কোন রোগ বা দুর্বলতা নয়, এটা শুধু আপনার ব্যক্তিত্বের একটা ধরণ। প্রশ্নটিতে যেহেতু দুটি ভাগ আছে তাই একটি একটি করে উত্তর দিচ্ছি। ইন্ট্রোভার্ট বা অন্তর্মুখী স্বভাব কীভাবে 'আত্মার কাছাকাছি' যেতে সাহায্য করে? আপনি যখন একা থাকেন, তখন নিজের জীবন, নিজের কাজ, নিজের চাওয়া-পাওয়া নিবিস্তারিত পড়ুন
Introvert বা অন্তর্মুখী স্বভাব কোন রোগ বা দুর্বলতা নয়, এটা শুধু আপনার ব্যক্তিত্বের একটা ধরণ।
প্রশ্নটিতে যেহেতু দুটি ভাগ আছে তাই একটি একটি করে উত্তর দিচ্ছি।
আপনি যখন একা থাকেন, তখন নিজের জীবন, নিজের কাজ, নিজের চাওয়া-পাওয়া নিয়ে ভাবার অনেক সময় পান। এই গভীর ভাবনাই আপনাকে বুঝতে সাহায্য করে আপনি আসলে কী চান, আপনার কাছে কোনটা ঠিক আর কোনটা ভুল। একেই ‘ভেতরের সত্য’ বা ‘আত্মার খোঁজ’ বলা যেতে পারে। এটাকে এক ধরণের Self-Reflection বলা যায়।
অন্তর্মুখীরা সাধারণত কথা কম বলেন এবং শোনেন বেশি। এর ফলে তারা অন্যদের এবং চারপাশের পরিস্থিতি খুব ভালোভাবে বুঝতে পারেন।
অনেক লেখক, শিল্পী বা বিজ্ঞানী অন্তর্মুখী হন। কারণ তাদের এই একাকীত্ব এবং গভীর চিন্তা নতুন কিছু তৈরি করতে সাহায্য করে।
যে গভীর চিন্তা ভালো, সেই চিন্তাই যখন বেশি হয়ে যায়, তখন তা ‘ওভারথিংকিং’-এ পরিণত হয়। একটা ছোট ঘটনা নিয়ে আপনি হয়তো ঘণ্টার পর ঘণ্টা ভাবতে থাকলেন, যা বাস্তবে অতটা বড় ছিলই না।
অতিরিক্ত ভাবনার ফলে সহজেই দুশ্চিন্তা (Anxiety) আসতে পারে। “ও কী ভাবলো?”, “ভবিষ্যতে কী হবে?”, “অতীতে কেন এমন হলো?” এই ধরনের চিন্তাগুলো মানসিক চাপ তৈরি করে এবং অনেক সময় তা বিষণ্ণতার (Depression) দিকে ঠেলে দেয়।
যদিও আপনি একা থাকতে পছন্দ করেন, কিন্তু সামাজিক মেলামেশা একেবারে বন্ধ করে দিলে আপনি নিজেকে খুব একা এবং বিচ্ছিন্ন মনে করতে পারেন। মানুষ সামাজিক জীব, আমাদের সবারই কিছু ভালো সম্পর্ক দরকার হয়।
যখনই বুঝবেন আপনি অতিরিক্ত ভাবছেন (ওভারথিংকিং করছেন), নিজেকে থামান। দরকার হলে ডায়েরি লিখুন বা বিশ্বস্ত কারো সাথে কথাটা বলে ফেলুন।
নিজের জন্য সময় রাখুন (যেমন বই পড়া, গান শোনা)। কিন্তু সপ্তাহে অন্তত কিছু সময় পরিবারের বা খুব কাছের বন্ধুদের সাথেও কাটান।
আপনি যেমন, তা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকুন। নিজেকে জোর করে মিশুক (Extrovert) বানানোর দরকার নেই। আপনার নীরবতাও অনেক শক্তিশালী।
সংক্ষেপে দেখুনআপনার এই স্বভাব কোনো সমস্যা নয়, বরং এটা একটা উপহার। এই উপহার ব্যবহার করে আপনি যেমন নিজের ভেতরটা চিনতে পারবেন, তেমনি খেয়াল রাখতে হবে এই ভাবনার স্রোতে যেন আপনি হারিয়ে না যান।
আপনি Swisscows সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে দেখতে পারেন। Swisscows একটি গোপনীয়তা-কেন্দ্রিক সার্চ ইঞ্জিন যা ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করে না এবং AI-এর ব্যবহার সীমিত রাখে। তবে, এটাও মাথায় রাখা উচিত যে, প্রযুক্তি দ্রুত বদলাচ্ছে এবং আজ যে সার্চ ইঞ্জিন AI ব্যবহার করছে না, কাল হয়তো তারাও করবে। আপনার জন্য সবচেয়বিস্তারিত পড়ুন
Swisscows একটি গোপনীয়তা-কেন্দ্রিক সার্চ ইঞ্জিন যা ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করে না এবং AI-এর ব্যবহার সীমিত রাখে।
তবে, এটাও মাথায় রাখা উচিত যে, প্রযুক্তি দ্রুত বদলাচ্ছে এবং আজ যে সার্চ ইঞ্জিন AI ব্যবহার করছে না, কাল হয়তো তারাও করবে। আপনার জন্য সবচেয়ে ভালো হবে, বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে আপনার নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী কোনটি সবচেয়ে ভালো কাজ করে তা খুঁজে বের করা।
সংক্ষেপে দেখুনবাংলাদেশে বিনা নোটিশে iptv বন্ধ করার সিদ্ধান্তের পেছনে বেশ কিছু কারণ উল্লেখ করা হয়েছে। ১. অনুমোদনহীন কার্যক্রম: বিটিআরসি (বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন) জানিয়েছে, বেশিরভাগ আইপিটিভি প্ল্যাটফর্ম সঠিক লাইসেন্স বা অনুমোদন ছাড়াই কাজ করছিল। এসব প্ল্যাটফর্মগুলো আইন অমান্য করে কন্টেন্ট প্রচার করছবিস্তারিত পড়ুন
১. অনুমোদনহীন কার্যক্রম: বিটিআরসি (বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন) জানিয়েছে, বেশিরভাগ আইপিটিভি প্ল্যাটফর্ম সঠিক লাইসেন্স বা অনুমোদন ছাড়াই কাজ করছিল। এসব প্ল্যাটফর্মগুলো আইন অমান্য করে কন্টেন্ট প্রচার করছিল, যা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রধান কারণ হয়েছে।
২. কপিরাইট আইন লঙ্ঘন: আইপিটিভি সেবাগুলোতে বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের অনুমতি ছাড়াই তাদের সম্প্রচার করা হচ্ছিল। এতে কপিরাইট লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠে, যা সরকারের কঠোর পদক্ষেপের আরেকটি কারণ।
৩. নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশনা: বিটিআরসি লাইসেন্সবিহীন আইপিটিভি পরিচালনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ দিয়েছে। লাইসেন্সপ্রাপ্ত আইপিটিভি ছাড়া বাকি সেবাগুলো বন্ধ রাখার আদেশ দেওয়া হয়।
এখন লাইসেন্সপ্রাপ্ত আইপিটিভি পুনরায় চালু করতে পারবে, তবে তাদেরকে সুনির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হবে। এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য দেশের মিডিয়া সেক্টরে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং কপিরাইট সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
আপনি এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলে সময় নিউজ ও ভয়েস অফ আমেরিকার প্রতিবেদন দেখতে পারেন।
সংক্ষেপে দেখুনএখানে ক্লিক করে HSC Short Syllabus 2021 pdf ফাইল ডাউনলোড করে নিন। এরপর zip ফাইলটি unzip করলে ভেতরে পাবেন... পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র (অধ্যায় ২,৪,৫,৮,১০) পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র (অধ্যায় ১,৩,৭,৮,১০) রসায়ন ১ম পত্র (অধ্যায় ২,৩,৪,৫) রসায়ন ২য় পত্র (অধ্যায় ১,২,৩,৪) উদ্ভিদবিজ্ঞান (অধ্যায় ২,৭,৮,৯,১০) প্রাণিবিজ্ঞাবিস্তারিত পড়ুন
এরপর zip ফাইলটি unzip করলে ভেতরে পাবেন…
পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র (অধ্যায় ২,৪,৫,৮,১০)
পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র (অধ্যায় ১,৩,৭,৮,১০)
রসায়ন ১ম পত্র (অধ্যায় ২,৩,৪,৫)
রসায়ন ২য় পত্র (অধ্যায় ১,২,৩,৪)
উদ্ভিদবিজ্ঞান (অধ্যায় ২,৭,৮,৯,১০)
প্রাণিবিজ্ঞান (অধ্যায় ১,২,৩,৪,১১)
উচ্চতর গণিত ১ম পত্র(অধ্যায় ১,৩,৯,১০)
উচ্চতর গণিত ২য় পত্র(অধ্যায় ৪,৬,৭,৮)
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (অধ্যায় ১,২,৩,৪)
বাংলা (গদ্য)
১/ অপরিচিতা
২/ আমার পথ
৩/ বায়ান্নর দিনগুলো
৪/ রেইনকোট
৫/ নেকলেস
বাংলা(পদ্য)
১/ ঐকতান
২/ সাম্যবাদী
৩/ তাহারেই পরে মনে
৪/ সেই অস্ত্র
৫/ ফেব্রুয়ারী ১৯৬৯
উপন্যাস আর নাটক দুইটাই থাকবে
English For Today
Unit 1(Lesson 1,2,3)
Unit 2(Lesson 1,2,3,4)
Unit 3(Lesson 1,2,3)
Unit 4(Lesson 1,2,3,4)
Unit 5(Lesson 1,2)
Unit 7(Lesson 1,2,3)
Unit 12(Lesson 1,2,3,4,5)
হ্যাঁ, গুগলের বেশ কিছু অ্যাপস এবং সফটওয়্যার সহজে ডাউনলোড ও ব্যবহার করা যায় এবং সেগুলো বাংলায় ব্যবহার করার সুযোগও রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, গুগল ক্যালেন্ডার বাংলায় ব্যবহার করার উপায়টি নিচে দেওয়া হল: গুগল ক্যালেন্ডার বাংলায় ব্যবহার করার উপায়: 1. **ওয়েবসাইটের মাধ্যমে:** - আপনার ব্রাউজারে গুগল ক্যাবিস্তারিত পড়ুন
হ্যাঁ, গুগলের বেশ কিছু অ্যাপস এবং সফটওয়্যার সহজে ডাউনলোড ও ব্যবহার করা যায় এবং সেগুলো বাংলায় ব্যবহার করার সুযোগও রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, গুগল ক্যালেন্ডার বাংলায় ব্যবহার করার উপায়টি নিচে দেওয়া হল:
গুগল ক্যালেন্ডার বাংলায় ব্যবহার করার উপায়:
1. **ওয়েবসাইটের মাধ্যমে:**
– আপনার ব্রাউজারে গুগল ক্যালেন্ডার (Google Calendar) খুলুন এবং আপনার গুগল অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করুন।
– উপরের ডানদিকে থাকা গিয়ার আইকনে (⚙️) ক্লিক করুন এবং “Settings” নির্বাচন করুন।
– বাঁ পাশে থাকা “Language and region” অপশনে যান।
– “Language” ড্রপডাউন মেনু থেকে “বাংলা (Bangla)” নির্বাচন করুন।
– সেটিংস সংরক্ষণ করুন। আপনার গুগল ক্যালেন্ডারের ইন্টারফেস এখন বাংলায় প্রদর্শিত হবে।
2. **মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে:**
– আপনার মোবাইল ডিভাইসে গুগল ক্যালেন্ডার অ্যাপ খুলুন এবং আপনার গুগল অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করুন।
– উপরের ডানদিকে থাকা মেনু (☰) বা তিনটি ডট আইকনে ক্লিক করুন এবং “Settings” নির্বাচন করুন।
– “General” মেনুতে যান এবং “Language” অপশনে ক্লিক করুন।
– তালিকা থেকে “বাংলা (Bangla)” নির্বাচন করুন।
– অ্যাপের ভাষা সেটিংস সংরক্ষণ করুন। আপনার গুগল ক্যালেন্ডার অ্যাপটি এখন বাংলায় প্রদর্শিত হবে।
গুগলের অন্যান্য অ্যাপস ও সফটওয়্যার বাংলায় ব্যবহার:
গুগল ক্যালেন্ডার ছাড়াও, গুগলের অন্যান্য অ্যাপস এবং সফটওয়্যার বাংলায় ব্যবহার করা যায়। নিচে কিছু সাধারণ নির্দেশনা দেওয়া হল:
1. **গুগল ক্রোম:**
– ক্রোম ব্রাউজারে উপরের ডানদিকে থাকা তিনটি ডট মেনুতে ক্লিক করুন এবং “Settings” নির্বাচন করুন।
– “Advanced” এ যান এবং “Languages” অপশনে ক্লিক করুন।
– “Add languages” এ ক্লিক করুন এবং “বাংলা (Bangla)” নির্বাচন করুন।
– “Display Google Chrome in this language” অপশনটিও টিক করুন।
2. **গুগল ডকস, শিটস, স্লাইডস:**
– গুগল ডকস, শিটস, বা স্লাইডস খুলুন।
– উপরের ডানদিকে থাকা গিয়ার আইকনে (⚙️) ক্লিক করুন এবং “Settings” নির্বাচন করুন।
– “Language” অপশনে ক্লিক করে “বাংলা (Bangla)” নির্বাচন করুন।
3. **গুগল ট্রান্সলেট:**
– গুগল ট্রান্সলেট অ্যাপ ডাউনলোড করুন এবং সেটিংস থেকে “বাংলা (Bangla)” ভাষা নির্বাচন করুন।
– আপনি বাংলা থেকে অন্য ভাষায় বা অন্য ভাষা থেকে বাংলায় সহজেই অনুবাদ করতে পারবেন।
এই পদ্ধতিগুলি অনুসরণ করে আপনি গুগলের বিভিন্ন অ্যাপস ও সফটওয়্যার বাংলায় ব্যবহার করতে পারবেন।
সংক্ষেপে দেখুনআপনার শরীরের গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ হলো থাইরয়েড গ্রন্থি। কিন্তু আপনি জানেন কি, থাইরয়েডের নিয়মিত মাত্রা কত (TSH এর স্বাভাবিক মাত্রা কত)? থাইরয়েডের কাজ কি এবং এটা কেন জরুরী? এই লেখায় আমরা জানাব থাইরয়েডের কাজ, লক্ষণ, কারণ এবং নিয়ন্ত্রণের উপায়। থাইরয়েডের কাজ কি? থাইরয়েড হরমোন তৈরি করে যা দেহেরবিস্তারিত পড়ুন
আপনার শরীরের গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ হলো থাইরয়েড গ্রন্থি। কিন্তু আপনি জানেন কি, থাইরয়েডের নিয়মিত মাত্রা কত (TSH এর স্বাভাবিক মাত্রা কত)? থাইরয়েডের কাজ কি এবং এটা কেন জরুরী? এই লেখায় আমরা জানাব থাইরয়েডের কাজ, লক্ষণ, কারণ এবং নিয়ন্ত্রণের উপায়।
থাইরয়েড হরমোন তৈরি করে যা দেহের মেটাবলিজম, হৃদস্পন্দন, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং অন্যান্য জটিল কাজগুলো নিয়ন্ত্রন করে। তাই থাইরয়েডের স্বাস্থ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
-ওজন কমানো বা বেড়ে যাওয়া
-হৃদস্পন্দনের হারের পরিবর্তন
-ক্লান্তি বেড়ে যাওয়া
-ডেপ্রেশন বা উৎসাহহীনতা
-ত্বক সম্বন্ধীয় সমস্যা
-হৃদরোগ ঝেড়ে যেতে পারে
-ইনফারটিলিটি হতে পারে
-ডায়াবেটিস ঝেড়ে আসতে পারে
-গর্ভধারণ করাটা কঠিন হতে পারে
-পরিবারে থাইরয়েড রোগ থাকা
-অতিরিক্ত ত্বক চিকিৎসা
-অত্যধিক গরম বা ঠন্ডার প্রভাব
-অত্যধিক তামাক সেবন
-অত্যন্ত উচ্চ বা নিম্ন আয়ুর মানুষ
1. হরমোন টেস্ট করান
2. স্বাস্থ্যকর খাবার খান
3. বেশি কালো চা বা কফি না খাওয়া
4. তামাক, মাদক থেকে দূরে থাকা
5. নিয়মিত কালরি চেক করা
-ডাল, আলু, শাক-সবজি, ফল
-ডায়েট ও কম তৈলে রান্না করা খাবার
-হালকা মাছ, দুধ ও ডিম
-বাদাম, সয়াবীন ও ব্রাউন রাইস
-জিরা, আম ও শকরকন্দ
-জ্বালানি ছাড়া তৈরি খাবার
-হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি
-রেডিওআইওডিন চিকিৎসা
-সার্জারি দ্বারা থাইরয়েডের অংশ বা সারা থাইরয়েড বাদ দেওয়া
-অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ঔষধ
-বেশি ক্যালসিয়াম ও আয়োডিনযুক্ত খাদ্য সেবন
TSH-এর স্বাভাবিক মাত্রা 0.4 -4.0 mIU/L এর মধ্যে। যদি এর মাত্রা 2.0-এর বেশি হলে তাকে হাইপোথাইরয়েডিজম বলা হয় এবং মাত্রা কম হলে হাইপারথাইরয়েডিজম বলা হয়।
এইভাবে থাইরয়েডকে নিয়ন্ত্রণ, তার সঠিক কাজ নিশ্চিত করুন এবং সুস্থ থাকুন! আমি আপনাকে থাইরয়েড সম্পর্কে আরো জানাতে পারি। স্বাস্থ্যবান থাকুন!
সংক্ষেপে দেখুনলিজি ভেলাসকুয়েজের রহস্যময় কেস 1989 সালে হিউস্টন, টেক্সাসে, একটি শিশুকন্যা একটি সম্পূর্ণ বিরল অবস্থা নিয়ে জন্মগ্রহণ করেছিল যা চিকিত্সকদের বিস্মিত করেছিল। ছোট্ট লিজি ভেলাসকুয়েজের (Lizzie Velásquez) শরীরে কার্যত কোনো চর্বি ছিল না। তার গালের হাড় বা চিবুকের মতো মুখের অনেক সাধারণ বৈশিষ্ট্যেরও অভাব ছিলবিস্তারিত পড়ুন
1989 সালে হিউস্টন, টেক্সাসে, একটি শিশুকন্যা একটি সম্পূর্ণ বিরল অবস্থা নিয়ে জন্মগ্রহণ করেছিল যা চিকিত্সকদের বিস্মিত করেছিল। ছোট্ট লিজি ভেলাসকুয়েজের (Lizzie Velásquez) শরীরে কার্যত কোনো চর্বি ছিল না। তার গালের হাড় বা চিবুকের মতো মুখের অনেক সাধারণ বৈশিষ্ট্যেরও অভাব ছিল।
জন্ম থেকেই, লিজি অবিরাম চিকিৎসা পরীক্ষার সম্মুখীন হয়েছিল কারণ বিশেষজ্ঞরা তার অজানা সিন্ড্রোম নির্ণয় করার চেষ্টা করেছিলেন। বিস্তৃত জেনেটিক ডাটাবেস বা চিকিৎসা বিজ্ঞানে কোন মিল পাওয়া যায়নি। লিজি এরকম অবস্থার বিশ্বব্যাপী একমাত্র পরিচিত কেস ছিল।
চিকিত্সকরা আশঙ্কা করেছিলেন যে লিজি তার চরম শারীরিক বৈশিষ্ট্য এবং অনুন্নত অঙ্গগুলির কারণে শৈশবকাল বেঁচে থাকতে পারবে না। কিন্তু তিনি প্রতিকূলতাকে পরাস্ত করেছেন, নরম খাবার খেতে শিখেছেন এবং অন্যান্য শিশুদের মতো বসতে, হামাগুড়ি দিতে এবং হাঁটার জন্য যথেষ্ট শক্তি অর্জন করেছেন।
লিজি বড় হওয়ার সাথে সাথে এটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে তার বুদ্ধিমত্তা প্রভাবিত হয়নি। তিনি দ্রুত শিখেছিলেন এবং স্কুলে দক্ষতা অর্জন করেছিলেন। যাইহোক, বারবার স্টেরয়েড চিকিত্সা তার ছোট্ট 29-পাউন্ডের শরীরে স্বাভাবিক চর্বি বা মাংস তৈরি করতে পারেনি। তার ত্বকে লিম্ফ্যাটিক ভেসেলস অনুপস্থিত হওয়ার কারণে ঘন ঘন সংক্রমণের শিকার হতেন।
আজ তার 34 এর দশকে, লিজি এক-বিলিয়ন সিন্ড্রোমের একমাত্র নথিভুক্ত কেস যা এখনও চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের বিভ্রান্ত করে। প্রতিটি চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে উঠতে তার সাহসিকতা অনেককে অনুপ্রাণিত করেছে। লিজি এখন শারীরিক পার্থক্য নিয়েই সমস্ত মানুষের গ্রহণযোগ্যতার পক্ষে সমর্থন করার জন্য তার গল্প বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেন। যদিও বিজ্ঞান কখনই লিজির কেস ব্যাখ্যা করতে পারে না, কিন্তু তার দীর্ঘায়ু এবং সাহসী আত্মা আমাদের বিরল চিকিৎসা রহস্যগুলিকেও জয় করার সক্ষমতা দেখায়। লিজির চলমান কেসটি আশা, সমবেদনা এবং মানবদেহের স্থায়ী ধাঁধার নতুন পাঠ শেখায়।
সংক্ষেপে দেখুনধন্যবাদ! আপনি আড্ডাবাজের সাথে থাকতে চেয়েছেন। আপনার আগ্রহ দেখে আড্ডাবাজ পরিবার সত্যিই অনুপ্রাণিত। আড্ডাবাজ আর কোরা একই লক্ষ্যে তৈরি হলেও কোরা থেকে আড্ডাবাজের কিছু পার্থক্য রয়েছে। অবশ্যই কোরা অনেক জনপ্রিয় এবং পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বহুল ব্যবহৃত একটি প্লাটফর্ম। কোরার সাথে আড্ডাবাজকে তুলনা করার সময় এখনো আবিস্তারিত পড়ুন
ধন্যবাদ! আপনি আড্ডাবাজের সাথে থাকতে চেয়েছেন। আপনার আগ্রহ দেখে আড্ডাবাজ পরিবার সত্যিই অনুপ্রাণিত।
আড্ডাবাজ আর কোরা একই লক্ষ্যে তৈরি হলেও কোরা থেকে আড্ডাবাজের কিছু পার্থক্য রয়েছে। অবশ্যই কোরা অনেক জনপ্রিয় এবং পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বহুল ব্যবহৃত একটি প্লাটফর্ম। কোরার সাথে আড্ডাবাজকে তুলনা করার সময় এখনো আসেনি। অবশ্য আড্ডাবাজ প্রতিযোগিতা সমর্থন করেনা। বাংলা ভাষাভাষীদের জন্যই এই প্লাটফর্ম। তাই আড্ডাবাজ সতন্ত্রভাবে এগিয়ে যেতে চায়। তবে প্রশ্নোত্তরের যেকোন প্লাটফর্ম থেকে আড্ডাবাজের এগিয়ে থাকার চেষ্টা অবশ্যই থাকবে। আপনাদের সহযোগিতা অবশ্যই কাম্য। আপনারা পাশে থাকলেই সেটা সম্ভব।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনভিটামিন ডি: আপনার শরীরের অপরিহার্য অংশ কতজন জানেন যে ভিটামিন ডি আপনার শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ? এটি কেবল আপনার হাড় এবং দাঁতের স্বাস্থ্য নিরাপদ রাখতে সাহায্য করেনা, বরং এটি আপনার ইমিউন সিস্টেম, মনোবৈজ্ঞানিক স্বাস্থ্য এবং আরও অনেক কিছু নিয়ন্ত্রণ করে। বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ ভিটামিন ডি-এর অভবিস্তারিত পড়ুন
কতজন জানেন যে ভিটামিন ডি আপনার শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ? এটি কেবল আপনার হাড় এবং দাঁতের স্বাস্থ্য নিরাপদ রাখতে সাহায্য করেনা, বরং এটি আপনার ইমিউন সিস্টেম, মনোবৈজ্ঞানিক স্বাস্থ্য এবং আরও অনেক কিছু নিয়ন্ত্রণ করে।
বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ ভিটামিন ডি-এর অভাবে ভুগেন। আমাদের দেশে সূর্যালোক প্রচুর না থাকা, নিম্নমানের খাবার গ্রহণ করা, দীর্ঘসময় ব্যায়াম না করা – এসব কারণেই অধিকাংশ মানুষ ভিটামিন ডি-এর অভাবে ভুগেন।
আজকের লেখায় আমরা জেনে নেবো ভিটামিন ডি এর অভাব কেন ঘটে, তার লক্ষণ কী এবং তা থেকে কিভাবে বাঁচা যায়। এর পাশাপাশি, আমরা জানব ভিটামিন ডি-র উৎস কোথায় এবং তা থেকে আমাদের শরীর কি প্রকার সুফল লাভ করতে পারে। এতে স্বাস্থ্যবিষয়ক কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস পাবেন। আশা করি এটি আপনাকে সাহায্য করবে!
সূর্যালোকের সংস্পর্শে আসলে আমাদের ত্বক ভিটামিন ডি তৈরি করে। কিন্তু বাংলাদেশে বছরভর্তি বৃষ্টির কারণে আমরা সূর্যালোকের প্রভাব কম পাই।
ভিটামিন ডি পেতে খাদ্যে মাংস, ডেইরি পণ্য ও মাছ খাওয়া দরকার। কিন্তু দরিদ্রতার কারণে অধিকাংশ মানুষ এই খাবার খেতে পারে না।
বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষই দৈনন্দিন কর্মসৃষ্টির জন্য বেশিরভাগ সময় বাসার ভেতরে কাটায়। এতে সূর্যালোকের পর্যাপ্ত প্রভাব পাওয়া যায় না এবং ফলে ত্বক থেকে ভিটামিন ডি তৈরি হয় না।
অধিকাংশ বাংলাদেশি মানুষই কম ব্যায়ামের জীবনযাপন করেন। যারা অফিসকর্মী, তাদের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে এটি প্রভাবিত করে। ভিটামিন ডি তৈরির জন্য ব্যায়াম ও সূর্যের প্রভাব প্রয়োজনীয়।
কালো চর্মের ব্যক্তিরা সূর্যের প্রভাব পেতে বেশি সময় লাগে তাদের ত্বক থেকে ভিটামিন ডি তৈরি করার জন্য। তাই তারা অন্য কোনো কারণেই যদি সূর্যালোক না পায় তবে ভিটামিন ডি-এর অভাব দেখা দিতে পারে।
– দুর্বল ও ভঙ্গুর হাড়
– পিঠে, শরীরে ব্যাথা
– মাথাব্যথা
– রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার কমতি
– অস্থির মনোভাব
এসব লক্ষণ দেখা দিলে তার কারণ হিসেবে ভিটামিন ডি-এর অভাব নির্ণয় করা যায়। তবে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত।
ভিটামিন ডি-এর অভাব থেকে বেঁচে থাকার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসরণ করা উচিত:
– ডাক্তারের নির্দেশনায় ভিটামিন ডি গ্রহণ করা
– সূর্যালোকে বেশি সময় অবস্থান
– মাংস, ডেয়ারি, মাছ ও অন্যান্য ভিটামিন ডি যুক্ত খাদ্য গ্রহণ
– নিয়মিত ব্যায়াম
আরো ভিটামিন ডি পাওয়ার উপায়
চিকিৎসকের পরামর্শ মতে নিজেকে সুস্বাস্থ্য রাখার জন্য আরো কিছু উপায় রয়েছে:
– প্রতিদিন 15-30 মিনিট রোদে বের হওয়া
– দীর্ঘসময় কমপোশাকে বের হওয়া
– নিয়মিত ব্যায়াম ও মেডিটেশন
– স্বাস্থ্য সম্পর্কিত অ্যাপে ট্র্যাক করা
– খাবার তালিকায় ভিটামিন ডি যুক্ত খাবার রাখা
এসব অনুসরণ করে আপনি নিজেকে ভিটামিন ডি-এর অভাব থেকে রক্ষা করতে পারবেন এবং সুস্থ থাকবেন। চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন এবং নিয়মিত পরীক্ষা করান।
ভিটামিন ডি-র সূত্র হিসেবে উল্লেখ করা যায় মাংস, ডেয়ারি ও মাছ। তবে এসব সবাই খেতে পারছে না। এছাড়াও ভিটামিন ডি পেতে আরও কিছু স্বাভাবিক খাবার রয়েছে, যেমন-
– ডাল, চাউল – এতে ভিটামিন বি ১২ ও ভিটামিন ডি থাকে।
– শাকসবজি, যেমন পালঙ্গ, ফলি – এতে ভিটামিন ডি থাকে।
– তৈলাক্ত মাছ, যেমন ইলিশ – এতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এয়ার্ড ও ভিটামিন ডি থাকে।
এগুলো খেয়েও ভিটামিন ডি-র অভাব পূরণ করা যায়। তবে অতি গুরুত্বপূর্ণ হলে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে ভিটামিন ডি ক্যাপসুল বা ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট নিতে পারেন।
ভিটামিন ডি অভাবের লক্ষণ দেখা দিলে তার কারণ নির্ণয়ের জন্য ডাক্তারের কাছে যাওয়াই ভালো। তবে খাবার পরিবর্তন করে এবং সূর্যালোকে বেশি সময় কাটানো ভিটামিন ডি-এর অভাব থেকে আপনাকে দূরে রাখতে পারে।
সংক্ষেপে দেখুনসম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক দুটি ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদন দিয়েছে। ব্যাংক দুটি হলো নগদ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি ও কড়ি ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি।
সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক দুটি ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদন দিয়েছে। ব্যাংক দুটি হলো নগদ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি ও কড়ি ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি।
সংক্ষেপে দেখুন
স্মার্টফোনের পর কী আসবে—এর এক লাইনের উত্তর দেওয়া মুশকিল। তবে একটা বিষয় পরিষ্কার: ভবিষ্যতের প্রযুক্তি এমন হবে, যেখানে আমাদের হাতে ফোন ধরে থাকতে হবে না। প্রযুক্তি থাকবে, কিন্তু সেটা হবে আরও স্বাভাবিক, সহজ আর চোখে কম পড়বে। প্রথম বড় পরিবর্তনটা আসতে পারে স্মার্ট চশমা থেকে। সাধারণ চশমার মতোই দেখতে, কিন্তবিস্তারিত পড়ুন
স্মার্টফোনের পর কী আসবে—এর এক লাইনের উত্তর দেওয়া মুশকিল। তবে একটা বিষয় পরিষ্কার: ভবিষ্যতের প্রযুক্তি এমন হবে, যেখানে আমাদের হাতে ফোন ধরে থাকতে হবে না। প্রযুক্তি থাকবে, কিন্তু সেটা হবে আরও স্বাভাবিক, সহজ আর চোখে কম পড়বে।
প্রথম বড় পরিবর্তনটা আসতে পারে স্মার্ট চশমা থেকে। সাধারণ চশমার মতোই দেখতে, কিন্তু এর মাধ্যমে সামনে তথ্য ভেসে উঠবে—মেসেজ, দিক নির্দেশনা, এমনকি ভিডিওও। তখন আলাদা করে ফোন বের করার দরকার হবে না।
আরেকটা বড় পরিবর্তন হচ্ছে AI। এখন আমরা অ্যাপ খুলে কাজ করি, কিন্তু সামনে এমন সময় আসতে পারে যখন AI নিজে থেকেই বুঝে কাজ করে দেবে। ধরো, তুমি কিছু বলতে যাচ্ছো—তার আগেই সেটা সাজিয়ে দেবে, বা দরকারি তথ্য এনে দেবে।
এর পাশাপাশি, প্রযুক্তি ধীরে ধীরে চারপাশের জিনিসের মধ্যে মিশে যাবে। ঘর, গাড়ি, ডিভাইস—সব কিছুই স্মার্ট হবে। আলাদা একটা “ডিভাইস” ব্যবহার করার ধারণাটাই কমে যেতে পারে।
আরও সামনে গেলে, এমন প্রযুক্তিও আসতে পারে যেখানে মস্তিষ্ক দিয়েই ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। যদিও এটা এখনো পুরোপুরি বাস্তব না, তবে কাজ চলছে।
সব মিলিয়ে, স্মার্টফোন একদিন হঠাৎ করে হারিয়ে যাবে না। বরং ধীরে ধীরে তার জায়গা নেবে এমন প্রযুক্তি, যেগুলো ব্যবহার করতে আলাদা করে কিছু ধরতে হবে না—সবকিছু আরও স্বাভাবিকভাবে আমাদের জীবনের অংশ হয়ে যাবে।
সংক্ষেপে দেখুন