জীবনে দুশ্চিন্তামুক্ত থাকতে আর নিজেকে সবসময় ভালো রাখতে নিচের ৭ ধরণের মানুষকে সবসময় এড়িয়ে চলুন। যখন দেখবেন, কেউ নিজের ঢোল নিজেই পেটাচ্ছে। যখন দেখবেন, কেউ অন্যকে কথা বলার সুযোগ না দিয়ে নিজেই বক বক করে যাচ্ছে। যখন দেখবেন, কেউ নিজের অবস্থনকে আপনার অবস্থানের তুলনায় উচুতে রাখার জন্য মরিয়া হয়ে পরেছেন। যখনবিস্তারিত পড়ুন
জীবনে দুশ্চিন্তামুক্ত থাকতে আর নিজেকে সবসময় ভালো রাখতে নিচের ৭ ধরণের মানুষকে সবসময় এড়িয়ে চলুন।
- যখন দেখবেন, কেউ নিজের ঢোল নিজেই পেটাচ্ছে।
- যখন দেখবেন, কেউ অন্যকে কথা বলার সুযোগ না দিয়ে নিজেই বক বক করে যাচ্ছে।
- যখন দেখবেন, কেউ নিজের অবস্থনকে আপনার অবস্থানের তুলনায় উচুতে রাখার জন্য মরিয়া হয়ে পরেছেন।
- যখন দেখবেন, কেউ আপনার প্রশংসা করতে গিয়ে অনর্থক চাপা মারছেন।
- যখন দেখবেন, কেউ আপনার সামনে অন্যের সমালোচনা করছেন।
- যখন দেখবেন, কেউ ফ্রিতেই আপনাকে উপদেশ দিচ্ছেন।
- আর হ্যা, মোটিভেশন লেকচারগুলো যতটুকু পারা যায় এড়িয়ে চলুন। ঐ সময় অন্যকিছু নিয়ে ব্যস্ত থাকার চেষ্টা করুন। নিজেকে নিজেই মোটিভেট করার ক্ষমতা অর্জন করুন। কারণ দিনশেষে নিজেই নিজেকে সাহায্য করতে হয়।
ভালো থাকবেন!
সংক্ষেপে দেখুন









একটি ব্যাংক যখন গ্রাহকের জমা রাখা টাকা ফেরৎ দেয়ার মতো অবস্থায় থাকে না, তখন সেই ব্যাংকটি দেউলিয়া হিসাবে চিহ্নিত হয়। এরকম হওয়ার কারণ: ১। ব্যাংক যখন কোনো ঋণ মঞ্জুর করে, সেই ঋণের টাকা গ্রাহকের জমা রাখা টাকা হতেই দেয়া হয়। কোনো ঋণ দাতা যখন ব্যাংক থেকে নেয়া ঋণের টাকা ফেরত না দেন, সেক্ষেত্রে ব্যাংকেবিস্তারিত পড়ুন
একটি ব্যাংক যখন গ্রাহকের জমা রাখা টাকা ফেরৎ দেয়ার মতো অবস্থায় থাকে না, তখন সেই ব্যাংকটি দেউলিয়া হিসাবে চিহ্নিত হয়।
এরকম হওয়ার কারণ:
১। ব্যাংক যখন কোনো ঋণ মঞ্জুর করে, সেই ঋণের টাকা গ্রাহকের জমা রাখা টাকা হতেই দেয়া হয়। কোনো ঋণ দাতা যখন ব্যাংক থেকে নেয়া ঋণের টাকা ফেরত না দেন, সেক্ষেত্রে ব্যাংকের solvency দুর্বল হতে থাকে। এইভাবে অনাদায়ী ঋণের পরিমাণ যখন বাড়তে থাকে এবং একটা সময়ে যদি দেখা যায় অনাদায়ী ঋণের টাকা বাদ দিয়ে, ব্যাংকের কাছে যে টাকা রয়েছে এবং অন্যান্য assets যথা shares, security এসবের total value মিলিয়েও ব্যাংকে জমা রাখা গ্রাহকের টাকা ফিরিয়ে দেয়ার মতো আর্থিক সামর্থ্য ব্যাংকের নেই সেক্ষেত্রে, ব্যাংকটি liquidation এ চলে যাবে, insolvent বা দেউলিয়া হিসাবে চিহ্নিত হবে।
সাধারণত: আজকাল এরকম হয় না। কারণ, ব্যাংকগুলো দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং এরকম একটা অবস্থায় যাতে ব্যাংক চলে না যায়, সেজন্য pro-active steps নেয়া হয়।
প্রসঙ্গত: যদি ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে যায় সেক্ষেত্রে গ্রাহকের টাকা কী হবে?
ব্যাংকে গচ্ছিত গ্রাহকের টাকা দেশের সরকার কর্তৃক ইন্স্যুরেন্স করা থাকে এবং কোনো ব্যাংক যদি ফেইল করে যায়, তখন সরকারের তরফ থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অবধি টাকা গ্রাহককে ফেরত দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়।
ভারতে DICGC (Deposit Insurance Credit Guarantee Corporation) এর নিয়মানুযায়ী এরকম ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পাঁচ লক্ষ টাকা অবধি গ্রাহককে ফেরৎ দেয়া হয়।
অর্থাৎ, যিনি ওই দেউলিয়া ব্যাংকে দুই লক্ষ টাকা জমা রেখেছিলেন, তিনি দুই লক্ষ টাকা অবধি ফেরত পাবেন। কিন্তু, যিনি ওই ব্যাংকে কুড়ি লক্ষ টাকা জমা রেখেছিলেন, তিনি ওই maximum limit অর্থাৎ পাঁচ লক্ষ টাকা ফেরত পাবেন।
ধন্যবাদ।
সংক্ষেপে দেখুন