সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
পেট্রোলের বাংলা কী?
শিলাতৈল হবে।
শিলাতৈল হবে।
সংক্ষেপে দেখুনWhat is use of Ivrea Cream for humans ?
'Ivrea Cream' (আইভ্রেয়া ক্রিম) মানুষের ত্বকের জন্য তৈরি একটি ওষুধযুক্ত ক্রিম। মূলত এটি দুটি প্রধান কাজে ব্যবহৃত হয়: ১. রোজাশিয়োর (Rosacea) চিকিৎসা: এটি একটি ত্বকের রোগ, যেখানে মুখমণ্ডল, বিশেষ করে গাল ও নাকের ওপর ছোট ছোট লালচে ব্রণ বা ফুসকুড়ি হয় এবং ত্বক লাল হয়ে ফুলে যায়। আইভ্রেয়া ক্রিম ত্বকের এইবিস্তারিত পড়ুন
‘Ivrea Cream’ (আইভ্রেয়া ক্রিম) মানুষের ত্বকের জন্য তৈরি একটি ওষুধযুক্ত ক্রিম।
মূলত এটি দুটি প্রধান কাজে ব্যবহৃত হয়:
১. রোজাশিয়োর (Rosacea) চিকিৎসা:
এটি একটি ত্বকের রোগ, যেখানে মুখমণ্ডল, বিশেষ করে গাল ও নাকের ওপর ছোট ছোট লালচে ব্রণ বা ফুসকুড়ি হয় এবং ত্বক লাল হয়ে ফুলে যায়।
আইভ্রেয়া ক্রিম ত্বকের এই লালচে ভাব, ফোলা এবং ফুসকুড়ি কমাতে সাহায্য করে। এটিতে প্রদাহ (জ্বালা বা ফোলা) কমানোর ক্ষমতা আছে।
২. পরজীবী (Parasitic) সংক্রমণ দূর করতে:
এই ক্রিমের মূল উপাদান হলো আইভারমেকটিন (Ivermectin), যা একটি পরজীবী-নাশক ওষুধ।
কিছু ক্ষেত্রে এই ক্রিম ত্বকের পরজীবী সংক্রমণ, যেমন: স্ক্যাবিস (Scabies) (পাঁচড়া) বা এক ধরণের ক্ষুদ্র মাইটের (mites) কারণে হওয়া সংক্রমণ দূর করতেও ব্যবহার করা হতে পারে।
মনে রাখবেন: এটি সাধারণ বিউটি ক্রিম নয়। এটি একটি প্রেসক্রিপশন-নির্ভর ওষুধ, তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এই ক্রিম ব্যবহার করা উচিত নয়। ডাক্তার রোগীর ত্বকের অবস্থা বুঝে এর সঠিক ব্যবহার বলে দেবেন।
সংক্ষেপে দেখুনমহাবিশ্বের ৮৫% জুড়ে থাকা রহস্যময় 'অন্ধকার বস্তু' বা ডার্ক ম্যাটারকে যদি বিজ্ঞানীরা সত্যিই খুঁজে পান, তবে কি আমাদের চারপাশের বাস্তবতাই পাল্টে যাবে?
অন্ধকার বস্তু (ডার্ক ম্যাটার) কি আমাদের বাস্তবতাকে সত্যিই পাল্টে দেবে? সংক্ষেপে বলতে গেলে, হ্যাঁ, পাল্টে যেতে পারে! তবে সেটা রাতারাতি নয়, বরং ধাপে ধাপে আমাদের বিজ্ঞান ও মহাবিশ্বের ধারণা বদলে দেবে। আসল চমকটা কোথায়? বিজ্ঞানীরা এত দিন ধরে জানতেন যে, মহাবিশ্বের বেশিরভাগ জিনিসই হলো রহস্যময় 'অন্ধকার বস্তুবিস্তারিত পড়ুন
অন্ধকার বস্তু (ডার্ক ম্যাটার) কি আমাদের বাস্তবতাকে সত্যিই পাল্টে দেবে?
সংক্ষেপে বলতে গেলে, হ্যাঁ, পাল্টে যেতে পারে! তবে সেটা রাতারাতি নয়, বরং ধাপে ধাপে আমাদের বিজ্ঞান ও মহাবিশ্বের ধারণা বদলে দেবে।
আসল চমকটা কোথায়?
বিজ্ঞানীরা এত দিন ধরে জানতেন যে, মহাবিশ্বের বেশিরভাগ জিনিসই হলো রহস্যময় ‘অন্ধকার বস্তু’ (ডার্ক ম্যাটার)। এর পরিমাণ প্রায় ৮৫ শতাংশ! আমরা চোখে যা দেখি বা অনুভব করি (যেমন: গ্রহ, তারা, মানুষ) তা হলো মাত্র ১৫ শতাংশ।
এখন গবেষকরা যদি প্রথমবারের মতো সেই অদৃশ্য এবং বিশাল ‘অন্ধকার বস্তু’কে সত্যিই চিহ্নিত করতে পারেন, তবে যা ঘটবে:
আমরা এতদিন মহাবিশ্ব সম্পর্কে যা যা জেনেছি, তা ছিল মাত্র ১৫% তথ্য দিয়ে তৈরি। ৮৫% জিনিসকে চিহ্নিত করতে পারলে পদার্থবিজ্ঞানের অনেক পুরনো সূত্র ও ধারণা ভুল প্রমাণিত হতে পারে।
আমরা মহাবিশ্বের গঠন, গ্যালাক্সিগুলোর রহস্যময় গতি এবং মহাকাশের ভবিষ্যৎ নিয়ে সম্পূর্ণ নতুন তথ্য পাবো। এটি প্রমাণ করবে যে, আমাদের চারপাশের বাস্তবতা কেবল চোখের সামনে দেখা এইটুকু নয়, বরং এর বাইরেও এক বিশাল অদৃশ্য জগৎ আছে, যা পুরো মহাবিশ্বকে নিয়ন্ত্রণ করছে।
এই আবিষ্কার নতুন ধরনের প্রযুক্তি ও গবেষণার জন্ম দেবে, যা হয়তো কয়েক দশক পর আমাদের জীবনযাত্রাতেও বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে।
অর্থাৎ, এই আবিষ্কার আমাদের দৈনন্দিন জীবন immediately পাল্টাবে না, কিন্তু মহাবিশ্ব এবং বাস্তবতাকে বোঝার ক্ষেত্রে বিজ্ঞানকে এমন এক জায়গায় নিয়ে যাবে, যা হবে এক নতুন দিগন্ত।
সংক্ষেপে দেখুনArif Azad books pdf ফ্রি ডাউনলোড করতে চাই
ইসলামী জনপ্রিয় লেখক Arif Azad books pdf ফ্রি ডাউনলোড করে নিন। ভূমিকা আরিফ আজাদ হলেন একজন সমসাময়িক ইসলামী লেখক, যার বইগুলি ইসলামিক জ্ঞান, দার্শনিক ভাবনা, এবং আধুনিকতার প্রেক্ষাপটে ইসলামের বিভিন্ন বিষয়কে নতুন আঙ্গিকে উপস্থাপন করে। তাঁর লেখার মাধ্যমে তিনি তরুণ সমাজকে ধর্মীয় ও নৈতিক জীবনের দিকে আকৃষবিস্তারিত পড়ুন
ইসলামী জনপ্রিয় লেখক Arif Azad books pdf ফ্রি ডাউনলোড করে নিন।
ভূমিকা
আরিফ আজাদ হলেন একজন সমসাময়িক ইসলামী লেখক, যার বইগুলি ইসলামিক জ্ঞান, দার্শনিক ভাবনা, এবং আধুনিকতার প্রেক্ষাপটে ইসলামের বিভিন্ন বিষয়কে নতুন আঙ্গিকে উপস্থাপন করে। তাঁর লেখার মাধ্যমে তিনি তরুণ সমাজকে ধর্মীয় ও নৈতিক জীবনের দিকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করেন। এখানে আমরা তাঁর পাঁচটি বিখ্যাত বই সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব।
১. প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ
“প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ” বইটি আরিফ আজাদের সবচেয়ে জনপ্রিয় বইগুলির মধ্যে একটি। এটি মূলত বিজ্ঞান এবং ধর্মের মধ্যে সামঞ্জস্য এবং বিতর্কের ওপর ভিত্তি করে রচিত। বইটি তরুণদের নাস্তিকতার প্রশ্নের উত্তর দেয়ার প্রচেষ্টা হিসেবে লেখা হয়েছে। বইটির প্রতিটি অধ্যায়ে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাওয়া যায় যা তরুণ পাঠকদের জন্য প্রাসঙ্গিক এবং আকর্ষণীয়।
ডাউনলোড লিংক: প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ pdf ডাউনলোড
২. আরজ আলী সমীপে
“আরজ আলী সমীপে” বইটিতে আরজ আলীর নাস্তিক মতবাদের জবাব দেওয়া হয়েছে। আরিফ আজাদ এখানে ইসলামের বিভিন্ন ধারণার বিরুদ্ধে উত্থাপিত প্রশ্নগুলোর যৌক্তিক ও ধর্মীয় উত্তর দিয়েছেন। বইটি যুক্তিবাদী তরুণদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এবং ধর্মীয় প্রশ্নের খোলামেলা আলোচনা করেছে।
ডাউনলোড লিংক: আরজ আলী সমীপে pdf ডাউনলোড
উপসংহার
আরিফ আজাদের এই পাঁচটি বই তরুণ পাঠকদের মাঝে ইসলামিক চেতনা জাগিয়ে তুলেছে এবং তাদেরকে ধর্মীয় ও আত্ম-অনুসন্ধানের পথে অগ্রসর হতে সহায়তা করেছে। এই বইগুলি শুধুমাত্র ধর্মীয় শিক্ষা প্রদান করে না, বরং চিন্তা ও উপলব্ধির দরজা খুলে দেয়।
সংক্ষেপে দেখুনকেবলা মনে করে অন্য দিকে ফিরে নামাজ পড়লে নামাজ হবে কি?
আপনি যদি সবরকম চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে নামাজ পড়ে ফেলেন এবং পরবর্তিতে দেখেন যে কেবলার দিক ভুল হয়েছে তাহলে পরবর্তিতে ঐ নামায আবার পড়তে হবে না। কিন্তু আপনি যদি কেবলা দিক খোঁজার চেষ্টা না করেই নিজের অনুমানের ভিত্তিতে নামাজ পড়েন এবং পরে দেখেন আপনার অনুমান ভুল ছিল তাহলে পুনরায় নামাজ পড়তে হবে। তবে আমার মনেহয়বিস্তারিত পড়ুন
আপনি যদি সবরকম চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে নামাজ পড়ে ফেলেন এবং পরবর্তিতে দেখেন যে কেবলার দিক ভুল হয়েছে তাহলে পরবর্তিতে ঐ নামায আবার পড়তে হবে না। কিন্তু আপনি যদি কেবলা দিক খোঁজার চেষ্টা না করেই নিজের অনুমানের ভিত্তিতে নামাজ পড়েন এবং পরে দেখেন আপনার অনুমান ভুল ছিল তাহলে পুনরায় নামাজ পড়তে হবে। তবে আমার মনেহয় মোবাইলে অনেক এপ আছে যেটা দিয়ে কেবলা নির্ণয় করা যায়। আর আশেপাশে স্থানীয় লোকজন তো থাকেই। আবার মসজিদ দেখেও কেবলা নির্ণয় করা অনেক সহজ। এই যুগে এটা কঠিন কিছু না।
সংক্ষেপে দেখুনশুভেচ্ছা ভারতবাসী!
দেখুন চন্দ্রযান-৩ ল্যান্ডার থেকে রোভারটি কত মসৃণভাবে চাঁদের বুকে নেমে গেল!
দেখুন চন্দ্রযান-৩ ল্যান্ডার থেকে রোভারটি কত মসৃণভাবে চাঁদের বুকে নেমে গেল!
সংক্ষেপে দেখুনআমাদের শরীরে যে ব্যাকটেরিয়া রয়েছে তার মধ্যে মাত্র কয়েকটি দুর্গন্ধের জন্য দায়ী" এই ব্যাকটেরিয়ার নাম কি?
শরীরে দুর্গন্ধের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়ার বৈজ্ঞানিক নাম স্টেফালোককাস হমিনিস। এই ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে থাকে বিও এনজাইম। আর এই বিও এনজাইম আমাদের শরীরে দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে।
শরীরে দুর্গন্ধের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়ার বৈজ্ঞানিক নাম স্টেফালোককাস হমিনিস। এই ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে থাকে বিও এনজাইম। আর এই বিও এনজাইম আমাদের শরীরে দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে।

সংক্ষেপে দেখুনআমাদের শরীরের বগল ও গোপনাঙ্গের আশপাশে কোন গ্রন্থি রয়েছে?
অ্যপোক্রিন গ্রন্থি অ্যপোক্রিন গ্রন্থি বগল ও গোপনাঙ্গের আশপাশে থাকে। যেখানে রয়েছে অবাঞ্ছিত লোম। এই জায়গা গুলো থেকে যে ঘাম উৎপত্তি হয় তাতে রয়েছে এক বিশেষ ধরনের প্রোটিন। এই প্রোটিন দুর্গন্ধহীন হলেও ব্যাকটেরিয়ার কারণে এটি দুর্গন্ধে রূপান্তরিত হয়। এই ব্যাকটেরিয়ার মারাত্মক ক্ষমতা। তারা তাদের কাজে ঐবিস্তারিত পড়ুন
অ্যপোক্রিন গ্রন্থি
অ্যপোক্রিন গ্রন্থি বগল ও গোপনাঙ্গের আশপাশে থাকে। যেখানে রয়েছে অবাঞ্ছিত লোম। এই জায়গা গুলো থেকে যে ঘাম উৎপত্তি হয় তাতে রয়েছে এক বিশেষ ধরনের প্রোটিন। এই প্রোটিন দুর্গন্ধহীন হলেও ব্যাকটেরিয়ার কারণে এটি দুর্গন্ধে রূপান্তরিত হয়। এই ব্যাকটেরিয়ার মারাত্মক ক্ষমতা। তারা তাদের কাজে ঐ প্রোটিনটি ব্যবহার করে।
সংক্ষেপে দেখুনশরীর চর্চা বা পরিশ্রমের ফলে যে ঘাম উৎপন্ন হয় তা আমাদের শরীরের কোন গ্রন্থি তৈরি করে ?
একরিন গ্রন্থি শরীর চর্চা বা পরিশ্রমের ফলে যে ঘাম উৎপন্ন হয় তা একরিন গ্রন্থি তৈরি করে। এই ঘামে দুর্গন্ধ হয়না এবং আমাদের শরীরকে ঠাণ্ডা করে।
একরিন গ্রন্থি
শরীর চর্চা বা পরিশ্রমের ফলে যে ঘাম উৎপন্ন হয় তা একরিন গ্রন্থি তৈরি করে। এই ঘামে দুর্গন্ধ হয়না এবং আমাদের শরীরকে ঠাণ্ডা করে।
সংক্ষেপে দেখুনআমাদের শরীরের ত্বকে কত ধরণের গ্ল্যান্ড বা গ্রন্থি থেকে ঘামের উৎপত্তি হয়?
আমাদের ত্বকে দুই ধরণের গ্ল্যান্ড বা গ্রন্থি থেকে ঘামের উৎপত্তি হয়। ১. একরিন গ্রন্থি ২. অ্যপোক্রিন গ্রন্থি একরিন গ্রন্থি শরীর চর্চা বা পরিশ্রমের ফলে যে ঘাম উৎপন্ন হয় তা একরিন গ্রন্থি তৈরি করে। এই ঘামে দুর্গন্ধ হয়না এবং আমাদের শরীরকে ঠাণ্ডা করে। অ্যপোক্রিন গ্রন্থি অ্যপোক্রিন গ্রন্থি বগল ও গোপনাঙ্গেরবিস্তারিত পড়ুন
আমাদের ত্বকে দুই ধরণের গ্ল্যান্ড বা গ্রন্থি থেকে ঘামের উৎপত্তি হয়।
১. একরিন গ্রন্থি
২. অ্যপোক্রিন গ্রন্থি
একরিন গ্রন্থি
শরীর চর্চা বা পরিশ্রমের ফলে যে ঘাম উৎপন্ন হয় তা একরিন গ্রন্থি তৈরি করে। এই ঘামে দুর্গন্ধ হয়না এবং আমাদের শরীরকে ঠাণ্ডা করে।
অ্যপোক্রিন গ্রন্থি
অ্যপোক্রিন গ্রন্থি বগল ও গোপনাঙ্গের আশপাশে থাকে। যেখানে রয়েছে অবাঞ্ছিত লোম। এই জায়গা গুলো থেকে যে ঘাম উৎপত্তি হয় তাতে রয়েছে এক বিশেষ ধরনের প্রোটিন। এই প্রোটিন দুর্গন্ধহীন হলেও ব্যাকটেরিয়ার কারণে এটি দুর্গন্ধে রূপান্তরিত হয়। এই ব্যাকটেরিয়ার মারাত্মক ক্ষমতা। তারা তাদের কাজে ঐ প্রোটিনটি ব্যবহার করে।
সংক্ষেপে দেখুনঅন্ধ মানুষ কি ঘুমের মধ্যে স্বপ্ন দেখতে পারে? যদি পারে চোখ ছাড়া তা কিভাবে সম্ভব?
স্বপ্ন মানুষের দৈনন্দিন জীবনে দেখা বিভিন্ন দৃশ্য, শব্দ, অনুভূতির একটা সম্মিলিত রূপ । আমাদের কল্পনাও এসবের উপর ভিত্তি করেই হয় । আপনি স্বপ্নে এমন কিছু দেখবেন না যেটা আপনি জীবনে কখনো দেখেন নাই বা যেটা সম্পর্কে শুনেনও নাই । আপনি ঘোড়া দেখেছেন, পাখি দেখেছেন, সুতারাং স্বপ্নে আপনি পাখির ডানাওয়ালা ঘোড়া দেখতেবিস্তারিত পড়ুন
স্বপ্ন মানুষের দৈনন্দিন জীবনে দেখা বিভিন্ন দৃশ্য, শব্দ, অনুভূতির একটা সম্মিলিত রূপ । আমাদের কল্পনাও এসবের উপর ভিত্তি করেই হয় ।

আপনি স্বপ্নে এমন কিছু দেখবেন না যেটা আপনি জীবনে কখনো দেখেন নাই বা যেটা সম্পর্কে শুনেনও নাই । আপনি ঘোড়া দেখেছেন, পাখি দেখেছেন, সুতারাং স্বপ্নে আপনি পাখির ডানাওয়ালা ঘোড়া দেখতেই পারেন । আপনি ভুত ভয় পান/পান না, ছোটবেলা থেকেই ভূত সম্পর্কিত নানা গালগল্প শুনতে শুনতে আপনি বড় হয়েছেন । সুতারাং স্বপ্নে আপনি ভূত দেখতেই পারেন । আপনি কাউকে খুব পছন্দ করেন, তাকে হয়তোবা দেখেন নাই, কিন্তু তার সম্পর্কে অনেক শুনেছেন । আপনি তাকেও স্বপ্নে দেখতে পারেন । ধরেন, কেউ ক্যাটরিনা কাইফকে চিনে কিন্তু আইনস্টাইনকে চিনে না । সে জীবনে কখনো না কখনো ক্যাটরিনাকে স্বপ্নে দেখতেই পারে, কিন্তু আইনস্টাইনকে স্বপ্নে দেখার এবং তাকে চিনতে পারার সম্ভাবনা নিরেট গোল্লা ।
অন্ধ মানুষ কি ঘুমের মধ্যে স্বপ্ন
এখন বুঝতে পারছেন অন্ধরা স্বপ্নে কি দেখে? অন্ধরা যেহেতু জীবনে কোন ধরণের ছবির সাথে পরিচিত না, তাদের জগত শব্দ, গন্ধ, অনুভূতিময়, তাই তারা যখন স্বপ্ন দেখে তাদের সেই স্বপ্নও হয় শব্দ, গন্ধ, অনুভূতিময় । সেখানে কোন ছবি থাকে না, কেননা স্বপ্ন শুধুমাত্র কারো মনের অবচেতন অবস্থা। জন্মগত অন্ধরা নিজে থেকেই তাদের অনুভবে যেকোনো কিছু একটা প্রতিরূপ মনে মনে গড়ে নেয়। কিন্তু যে জন্মান্ধ না, বরং জীবনের কোন এক পর্যায়ে অন্ধ হয়ে গেছে অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে, তার স্বপ্ন ছবিময় হতেই পারে ।
সংক্ষেপে দেখুনজেরপথ্যালমিয়া রোগ বলতে কী বুঝায়?
ভিটামিন 'এ'-এর অভাবে চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে জেরােফথ্যালমিয়া নামক রােগ হয়। যখন ভিটামিন এ-এর অভাব দীর্ঘস্থায়ী হয়,তখন চোখের কর্নিয়ায় আলসার সৃষ্টি হয় সে অবস্থাকে জেরপথ্যালমিয়া বলে।
ভিটামিন ‘এ’-এর অভাবে চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে জেরােফথ্যালমিয়া নামক রােগ হয়।

সংক্ষেপে দেখুনযখন ভিটামিন এ-এর অভাব দীর্ঘস্থায়ী হয়,তখন চোখের কর্নিয়ায় আলসার সৃষ্টি হয় সে অবস্থাকে জেরপথ্যালমিয়া বলে।
অনলাইন থেকে আপনার বই কেনার অভিজ্ঞতা (ভালো বা খারাপ) সাইট-এর নাম-সহ বলবেন কি?
আপনি PDF Drive নামে একটি ওয়েবসাইট ঘুরে আসতে পারেন। তাদের অনেক বড় পিডিএফ লাইব্রেরি আছে। আপনি ডাউনলোড করে বু পড়তে পারেন। আবার প্লে স্টোরে কিছু অ্যাপ পেয়ে যাবেন।
আপনি PDF Drive নামে একটি ওয়েবসাইট ঘুরে আসতে পারেন। তাদের অনেক বড় পিডিএফ লাইব্রেরি আছে। আপনি ডাউনলোড করে বু পড়তে পারেন। আবার প্লে স্টোরে কিছু অ্যাপ পেয়ে যাবেন।
সংক্ষেপে দেখুনস্টুডেন্টদের জন্য বিনামূল্যে অনলাইন বইয়ের সন্ধানের জন্য সেরা সাইটগুলির নাম বলবেন কি?
আপনি PDF Drive নামে একটি ওয়েবসাইট ঘুরে আসতে পারেন। তাদের অনেক বড় পিডিএফ লাইব্রেরি আছে। আপনি ডাউনলোড করে বু পড়তে পারেন। আবার প্লে স্টোরে কিছু অ্যাপ পেয়ে যাবেন।
আপনি PDF Drive নামে একটি ওয়েবসাইট ঘুরে আসতে পারেন। তাদের অনেক বড় পিডিএফ লাইব্রেরি আছে। আপনি ডাউনলোড করে বু পড়তে পারেন। আবার প্লে স্টোরে কিছু অ্যাপ পেয়ে যাবেন।
সংক্ষেপে দেখুনআমি কিভাবে অনলাইনে বই পড়তে পারি? কোনো এ্যাপ বা ওয়েবসাইটে ফ্রিতে বই পড়ার সুযোগ আছে কি?
আপনি PDF Drive নামে একটি ওয়েবসাইট ঘুরে আসতে পারেন। তাদের অনেক বড় পিডিএফ লাইব্রেরি আছে। আপনি ডাউনলোড করে বু পড়তে পারেন। আবার প্লে স্টোরে কিছু অ্যাপ পেয়ে যাবেন।
আপনি PDF Drive নামে একটি ওয়েবসাইট ঘুরে আসতে পারেন। তাদের অনেক বড় পিডিএফ লাইব্রেরি আছে। আপনি ডাউনলোড করে বু পড়তে পারেন। আবার প্লে স্টোরে কিছু অ্যাপ পেয়ে যাবেন।
সংক্ষেপে দেখুনকিছু সত্যিকারের মিথ্যা বলতে পারবেন কি?
হা হা হা…এখানে আপনার প্রশ্নের উত্তর দিতে গেলে তা প্যারাডক্স হবে। প্যাড়াডক্স হচ্ছেএমন কিছু বাক্য বা উক্তি যা থেকে নির্দিষ্ট কোন সিদ্ধান্তে আসা যায় না। এসকল বাক্যের অর্থ বের করতে গেলে সাধারণত দুটি পরস্পর বিরোধী সমাধান পাওয়া যায় যার কোনটিকে সম্পূর্ণ সত্য বা সম্পূর্ণ মিথ্যা বলা যায় না। যেমন: সক্রেটিবিস্তারিত পড়ুন
হা হা হা…এখানে আপনার প্রশ্নের উত্তর দিতে গেলে তা প্যারাডক্স হবে। প্যাড়াডক্স হচ্ছেএমন কিছু বাক্য বা উক্তি যা থেকে নির্দিষ্ট কোন সিদ্ধান্তে আসা যায় না। এসকল বাক্যের অর্থ বের করতে গেলে সাধারণত দুটি পরস্পর বিরোধী সমাধান পাওয়া যায় যার কোনটিকে সম্পূর্ণ সত্য বা সম্পূর্ণ মিথ্যা বলা যায় না। যেমন: সক্রেটিসের বিখ্যাত একটি উক্তি-
এখন সমস্যা হচ্ছে যদি সক্রেটিসের প্রথম বাক্য সত্য হিসেবে ধরে নেই “আমি জানি যে” তাহলে তার দ্বিতীয় বাক্য ভুল “আমি কিছুই জানিনা” আবার তার দ্বিতীয় বাক্য সত্য হিসেবে ধরে নিলে “আমি কিছুই জানিনা” প্রথম বাক্য ভুল কারণ সক্রেটিস জানে যে, সে কিছুই জানেনা।
এরকম আরও কিছু প্যারাডক্স হচ্ছে-
সাইন্স ফিকশন সিনেমা বা উপন্যাসে আমরা হরহামেশা টাইম ট্রাভেল দেখে থাকি। প্রযুক্তি ব্যাবহার করে অতিতে কিংবা ভবিষ্যতে যাওয়াই মূলত টাইম ট্রাভেল। যদিও এখন পর্যন্ত টাইম ট্রাভেল শুধু সিনেমার পর্দা বা বইয়ের পাতাতেই সীমাবদ্ধ। বাস্তবে এখনো এটি সম্ভব হয়ে উঠে নি। তাত্ত্বিক ভাবে অনেক বিজ্ঞানী টাইম ট্রাভেল সম্ভব বলেও মনে করে থাকেন। তবে মজার ব্যাপার হল টাইম ট্রাভেল সম্ভব হলে তৈরি হবে অদ্ভুত কিছু জটিলতার। এমনই একটি জটিলতা হল গ্রান্ডফাদার প্যারাডক্স। ধরুন আপনি টাইম ট্রাভেল করে অতিতে ফিরে গেলেন। এমন এক সময় পৌঁছালেন যখন আপনার বাবার জন্মই হয় নি। এবার আপনি আপনার দাদাকে খুঁজে বের করে আপনার পিতার জন্মের পূর্বেই যদি তাঁকে হত্যা করেন তাহলে হিসাব অনুযায়ী আপনার পিতার জন্মই হয় নি। আর আপনার পিতার জন্ম না হলে আপনারও জন্ম হবে না। এখন আপনার যদি জন্মই না হয় তাহলে অতিতে গিয়ে আপনার দাদাকে হত্যা করল কে?
একটি গ্রামে একজন নাপিত আছেন যিনি শুধু তাদের দাড়ি কাটেন যারা নিজেরা দাড়ি কাটতে পারে না। যারা দাড়ি কাটতে পারে তাদের দাড়ি তিনি কামান না। প্রশ্নটি হচ্ছে নাপিত কি নিজের দাড়ি কাটেন?
একটি পরিবারে ২টি সন্তান আছে। তাদের মধ্যে একজন ছেলে হলে অপর সন্তানটি ছেলে হবার সম্ভাবনা কত? যেহেতু সন্তান ছেলে অথবা মেয়ে হবে তাই অপর সন্তান ছেলে হবার স্বাভাবিকভাবেই ১/২ হওয়ার কথা। কারণ ছেলে আর মেয়ে হবার সম্ভাবনা সমান। কিন্তু বিষয়টি তা নয়। প্রকৃতপক্ষে পরিবারটিতে ছেলে মেয়ে হবার ৪ ধরনের কম্বিনেশন দেখা যায়।
১. বড় সন্তান ছেলে এবং ছোট সন্তান ছেলে।
২. বড় সন্তান মেয়ে এবং ছোট সন্তান মেয়ে।
৩. বড় সন্তান ছেলে এবং ছোট সন্তান মেয়ে।
৪. বড় সন্তান মেয়ে এবং ছোট সন্তান ছেলে।
যেহেতু পরিবারে একজন ছেলে আছে তাই ২ নং সম্ভব নয়। অপর সন্তান ছেলে হবার জন্য বাকি তিনটা কম্বিনেশন হতে পারে। তাই ২টি সন্তানের মধ্যে একটি সন্তান ছেলে হলে অপর সন্তানটি ছেলে হবার সম্ভাবনা ১/৩ হবে ১/২ নয়।
মনে করেন আপনি বাজার থেকে ১০০ কেজি আলু কিনে আনলেন যাতে ৯৯ শতাংশই পানি। কিন্ত বাড়ি ফিরে দেখলেন, এত আলু রাখার জায়গা নেই। তাই সেগুলো বাইরে রেখে দিলেন এবং পরদিন দেখলেন, এতে ৯৮ শতাংশ পানি আছে। তাহলে আলুগুলোর নতুন ওজন কত হবে?
আসলে এখানে যেহেতু কোনো পারস্পরিক বিরোধের সৃষ্টি হচ্ছে না, তাই এটার সমাধান সম্ভব। তবে সমাধানটা বেশ অবাক করার মতো।
শুনতে অবিশ্বাস্য হলেও আলুগুলোর নতুন ওজন অর্ধেক অর্থাৎ, ৫০ কেজি হয়ে হবে।
কীভাবে সম্ভব?
নিরুদিত হওয়ার পর অর্থাৎ পানি কমে যাওয়ার পর আলুগুলোয় পানি থাকে ৯৮%। এখান থেকে আমরা পানিহীন আলুর ওজন বের করতে পারি।
(এখানে ৯৮% পানি আছে বলতে বোঝানো হচ্ছে যে পানি ১% কমে গেছে কিন্তু বাকী ১% (পানি ছিলো ৯৯%) যে আলুর অন্য উপাদান সেটা কিন্তু থেকেই যাচ্ছে।
তাহলে, ৯৯%+১%=১০০ কেজি তারমানে ১%=১ কেজি।)
তাহলে (১-.৯৮)।
সম্পূর্ণ আলু যদি নিরুদিত হওয়ার পর ‘ক’ কেজি ওজন হয়, তাহলে আমরা লিখতে পারি,
(১-.৯৮) ক=১
→ ০.০২ ক=১
→ ক=১/.০২
→ ক=৫০
অর্থাৎ পরদিন আলুগুলোর নতুন যে ওজন হবে, তা হলো ৫০ কেজি।
[তথ্যসূত্রঃ উইকিপিডিয়া, প্রথম আলো, বিজ্ঞানচিন্তা এবং উইজিলাইফ]
সংক্ষেপে দেখুনযদি সমগ্র পৃথিবী একটি দেশ হতো, তাহলে বর্তমানের কোন শহরটিকে রাজধানী করা যুক্তিযুক্ত হতো বলে আপনার মনেহয়?
একবাক্যে যদি বলতে হয় তাহলে বলবো লন্ডন লন্ডনে বিশ্বের 193টি জাতিসংঘের দেশের 83% কূটনৈতিক প্রতিনিধিত্ব রয়েছে (রোম এবং ওয়াশিংটন ডিসির পরে তৃতীয়)। হিথ্রো হল বিশ্বের ব্যস্ততম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (আটলান্টা এবং গুয়াংজু বেশি ব্যস্ত কিন্তু অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট দ্বারা প্রভাবিত) যেখানে 84টি এয়ারলাইন বিশ্ববিস্তারিত পড়ুন
একবাক্যে যদি বলতে হয় তাহলে বলবো লন্ডন
লন্ডনে বিশ্বের 193টি জাতিসংঘের দেশের 83% কূটনৈতিক প্রতিনিধিত্ব রয়েছে (রোম এবং ওয়াশিংটন ডিসির পরে তৃতীয়)। হিথ্রো হল বিশ্বের ব্যস্ততম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (আটলান্টা এবং গুয়াংজু বেশি ব্যস্ত কিন্তু অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট দ্বারা প্রভাবিত) যেখানে 84টি এয়ারলাইন বিশ্বের 43% দেশে সরাসরি উড়ে যায়।
ইংরেজি হল আন্তর্জাতিক ভাষা। 55টি দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে এটি দ্বিতীয় ভাষা (সর্বোচ্চ) হিসাবে রয়েছে এবং বৃহত্তম অর্থনীতি (USA), বৃহত্তম গণতন্ত্র (ভারত) এবং চীনে 100 মিলিয়নেরও বেশি ইংরেজি ভাষাভাষীর মানুষ রয়েছে।
লন্ডন ছিল ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের রাজধানী, যা 53টি অঞ্চল এবং সমস্ত 7টি মহাদেশ জুড়ে উপনিবেশ নিয়ন্ত্রণ করত। অন্য কোন সাম্রাজ্য আইন-শৃঙ্খলার কাঠামোবদ্ধ ব্যবস্থা সহ অনেক দেশ পরিচালনা করতে পারেনি।
অন্যান্য দিকগুলোর মধ্যে রয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম বীমা বাজার, শীর্ষ 3টি আর্থিক রাজধানী, বৃহত্তম ভূগর্ভস্থ স্ট্রাকচারগুলোর মধ্যে একটি (270 স্টেশন এবং 1.3 বিলিয়ন বার্ষিক যাত্রী), সময়ের কেন্দ্র (Greenwich), জাতিসংঘের স্থায়ী পরিষদের সদস্য এবং গণতন্ত্রের শৃঙ্গ।
আপনি যদি আমার সাথে একমত না হন তবে উদ্দেশ্যমূলক কারণগুলি উপস্থাপন করুন। আপনার কাছে সেরা শহরটিকে নিয়েও লিখতে পারেন। বাজে মন্তব্য থেকে বিরত থাকুন।
সংক্ষেপে দেখুনপৃথিবীর সর্বনিম্ন বিন্দু কোথায়
মারিয়ানা ট্রেঞ্চ পৃথিবীর গভীরতম স্থান খাদটি প্রায় ২ হাজার ৫৫০ কিলোমিটার (১ হাজার ৫৮০ মাইল) দীর্ঘ। চওড়ায় এটি মাত্র ৬৯ কিলোমিটার (৪৩ মাইল)। এখনো পর্যন্ত খাদের সর্বোচ্চ গভীরতা জানা গেছে প্রায় ১১ কিলোমিটার (প্রায় ৩৬ হাজার ৭০ ফুট)। সঠিক মনে হলে সেরা উত্তর হিসেবে নির্বাচন করুন। ধন্যবাদ!
মারিয়ানা ট্রেঞ্চ
পৃথিবীর গভীরতম স্থান
খাদটি প্রায় ২ হাজার ৫৫০ কিলোমিটার (১ হাজার ৫৮০ মাইল) দীর্ঘ। চওড়ায় এটি মাত্র ৬৯ কিলোমিটার (৪৩ মাইল)।
এখনো পর্যন্ত খাদের সর্বোচ্চ গভীরতা জানা গেছে প্রায় ১১ কিলোমিটার (প্রায় ৩৬ হাজার ৭০ ফুট)।
সঠিক মনে হলে সেরা উত্তর হিসেবে নির্বাচন করুন।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনবাউহাউস কি?
বাউহাউস (BAUHAUS) বাউহাউস ছিল জার্মানির একটি বহুমাত্রিক শিল্প বিষয়ক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ১৯১৯ থেকে ১৯৩৩ পর্যন্ত বাউহাউস কার্যকর ছিল। এই প্রতিষ্ঠানটি চারুকলা, কারুকলা, স্থাপত্য, শিল্প-নকশা ইত্যাদি বিষয়ে শিক্ষা প্রদান করতো। শিল্প ও নকশা বিষয়ক শিক্ষা প্রদানে স্বকীয় বৈশিষ্ট্যময় ধারার কারণে বাউহাউস বিবিস্তারিত পড়ুন
বাউহাউস (BAUHAUS)
বাউহাউস ছিল জার্মানির একটি বহুমাত্রিক শিল্প বিষয়ক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
১৯১৯ থেকে ১৯৩৩ পর্যন্ত বাউহাউস কার্যকর ছিল। এই প্রতিষ্ঠানটি চারুকলা, কারুকলা, স্থাপত্য, শিল্প-নকশা ইত্যাদি বিষয়ে শিক্ষা প্রদান করতো। শিল্প ও নকশা বিষয়ক শিক্ষা প্রদানে স্বকীয় বৈশিষ্ট্যময় ধারার কারণে বাউহাউস বিশ্বব্যাপী খ্যাতি লাভ করে।
সংক্ষেপে দেখুনআর্জেন্টিনা বনাম ব্রাজিল বনাম আর্জেন্টিনা সর্বকালের সেরা রেকর্ড
আর্জেন্টিনা বনাম ব্রাজিল ফুটবল প্রতিদ্বন্দ্বিতা ফুটবল বিশ্বের একটি বড় ধরনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা যা দেশ দুইটির জাতীয় ফুটবল দল, এবং তাদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘটিত হয়ে থাকে। এই দুই দলের মধ্যকার প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে "দক্ষিণ আমেরিকানদের যুদ্ধ" হিসেবে অভিহিত করা হয়। ব্রাজিল বনাম আর্জেন্টিনার রেকর্ড তারিখ মাঠবিস্তারিত পড়ুন
আর্জেন্টিনা বনাম ব্রাজিল ফুটবল প্রতিদ্বন্দ্বিতা ফুটবল বিশ্বের একটি বড় ধরনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা যা দেশ দুইটির জাতীয় ফুটবল দল, এবং তাদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘটিত হয়ে থাকে। এই দুই দলের মধ্যকার প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে “দক্ষিণ আমেরিকানদের যুদ্ধ” হিসেবে অভিহিত করা হয়।
ব্রাজিল বনাম আর্জেন্টিনার রেকর্ড