সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
HSC Short Syllabus 2021 pdf ফাইল ডাউনলোড
এখানে ক্লিক করে HSC Short Syllabus 2021 pdf ফাইল ডাউনলোড করে নিন। এরপর zip ফাইলটি unzip করলে ভেতরে পাবেন... পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র (অধ্যায় ২,৪,৫,৮,১০) পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র (অধ্যায় ১,৩,৭,৮,১০) রসায়ন ১ম পত্র (অধ্যায় ২,৩,৪,৫) রসায়ন ২য় পত্র (অধ্যায় ১,২,৩,৪) উদ্ভিদবিজ্ঞান (অধ্যায় ২,৭,৮,৯,১০) প্রাণিবিজ্ঞাবিস্তারিত পড়ুন
এখানে ক্লিক করে
HSC Short Syllabus 2021 pdf ফাইল ডাউনলোড করে নিন।
এরপর zip ফাইলটি unzip করলে ভেতরে পাবেন…
পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র (অধ্যায় ২,৪,৫,৮,১০)
পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র (অধ্যায় ১,৩,৭,৮,১০)
রসায়ন ১ম পত্র (অধ্যায় ২,৩,৪,৫)
রসায়ন ২য় পত্র (অধ্যায় ১,২,৩,৪)
উদ্ভিদবিজ্ঞান (অধ্যায় ২,৭,৮,৯,১০)
প্রাণিবিজ্ঞান (অধ্যায় ১,২,৩,৪,১১)
উচ্চতর গণিত ১ম পত্র(অধ্যায় ১,৩,৯,১০)
উচ্চতর গণিত ২য় পত্র(অধ্যায় ৪,৬,৭,৮)
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (অধ্যায় ১,২,৩,৪)
বাংলা (গদ্য)
১/ অপরিচিতা
২/ আমার পথ
৩/ বায়ান্নর দিনগুলো
৪/ রেইনকোট
৫/ নেকলেস
বাংলা(পদ্য)
১/ ঐকতান
২/ সাম্যবাদী
৩/ তাহারেই পরে মনে
৪/ সেই অস্ত্র
৫/ ফেব্রুয়ারী ১৯৬৯
উপন্যাস আর নাটক দুইটাই থাকবে
English For Today
Unit 1(Lesson 1,2,3)
Unit 2(Lesson 1,2,3,4)
Unit 3(Lesson 1,2,3)
Unit 4(Lesson 1,2,3,4)
সংক্ষেপে দেখুনUnit 5(Lesson 1,2)
Unit 7(Lesson 1,2,3)
Unit 12(Lesson 1,2,3,4,5)
২০২৩ সালে বাংলাদেশে কি মহামারী হতে পারে?
বাংলাদেশ বা মিসরের জনগণের টেবিলে খাবার থাকবে কিনা সেটা কেন ক্রেমলিনের মুষ্টিমেয় কিছু মানুষের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে? -জেলেনেস্কি, ইউক্রেন প্রধান বাংলাদেশ ২০২৩ সালে মমহামারী তে না পড়লেও বড়সড় একটা সংকটে পড়বে একটা সত্য। কেন এই সংকটের সম্ভাবনা চলুন তা নিয়ে আলোচনা করা যাক। পৃথিবীতে এমন কিছু জায়গা আবিস্তারিত পড়ুন
বাংলাদেশ বা মিসরের জনগণের টেবিলে খাবার থাকবে কিনা সেটা কেন ক্রেমলিনের মুষ্টিমেয় কিছু মানুষের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে? -জেলেনেস্কি, ইউক্রেন প্রধান
বাংলাদেশ ২০২৩ সালে মমহামারী তে না পড়লেও বড়সড় একটা সংকটে পড়বে একটা সত্য। কেন এই সংকটের সম্ভাবনা চলুন তা নিয়ে আলোচনা করা যাক।
পৃথিবীতে এমন কিছু জায়গা আছে যে জায়গাগুলোতে প্রচুর পরিমাণে খাদ্যশস্য উৎপন্ন হয় এবং এই জায়গাগুলোর উৎপন্ন খাদ্যশস্যর উপড় পৃথিবীর সিংহভাগ মানুষ নির্ভরশীল। প্রচুর খাদ্য উৎপন্ন হয় এমন জায়গাগুলোকে ‘ব্রেড বাস্কেট’ বলা হয়ে থাকে। পৃথিবীতে এই ধরনের ছয়টি ব্রেড বাস্কেট রয়েছে।
এই যে শেষ সেক্টরটার কথা বললাম, এই জায়গার মাটিতে প্রচুর পরিমানে অ্যামোনিয়া এবং ফসফরাস রয়েছে, শস্য ফলনের জন্য প্রয়োজনীয় সকল পুষ্টিগুণ তো আছেই। একই সাথে মাটির ধরণ এমন যা সহজের পানি ধরে রাখতে পারে। অতি উর্বরতা এবং মাটির ধরণ এবং উর্বরতার কারণে এই অঞ্চলটি ‘ব্লেক আর্থ’ নামেও পরিচিত।
এখানে প্রচুর গম ফলে, এত বেশিই ফলে যে, কেউ যদি বলে “রাশিয়ার বেশির ভাগ শিল্পায়ন এই গম ফলনের টাকা থেকে এসেছে” তাহলে ভুল হবে না। সারা দুনিয়ার ৩০ শতাংশ গমের চাহিদা মেটায় এই অঞ্চলটি। শুধু গম না, পৃথিবী ব্যাপি সূর্যমুখী ফুলের যে চাহিদা তার ৬৫ শতাংশ তারা সর্বরাহ করে। ৬৫ শতাংশ!
এখন দেখুন, এত বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ একটা ব্রেড বাস্কেটের অবস্থা একেবারেই নাজুক। এই এলাকার কৃষকরা তেমন চাষাবাদ করতে পারছে না যুদ্ধের জন্য আর যতটুকু করতে পরছে তাও আবার বাইরে বের করার পথ নেই। কেননা, রাশিয়ার উপড় দুনিয়ার প্রভু আমেরিকার অনেকগুলো নিষেধাজ্ঞা আছে আর ইউক্রেনের সমুদ্র বন্দর ধ্বংশ করা।
সাম্প্রতিক একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে উক্ত অঞ্চলের গম উৎপাদন পরবর্তী মৌসুমে ৩৫-৪৫ শতাংশ কমে যাবে। এর পরও যতটুকু শষ্যই উৎপন্ন হোক না কেন তা কিন্তু বাইরে যাচ্ছে না।
শুধু এই খাদ্য না, রাশিয়া – ইউক্রেনে উৎপন্ন হওয়া অনেক কিছু বাইরের দুনিয়াতে প্রভাব ফেলতো যেমন, গম – যব এবং সার [ FERTILIZER ]। অনেকগুলো দেশ এই সারের উপড় নির্ভরশীল। তারা রাশিয়া – ইউক্রেন থেকে সার আমদানি করে এবং তা দিয়ে নিজ দেশের ফলন বৃদ্ধি করে। এমন একটা দেশ হলো পেলে’র দেশ ব্রাজিল 🇧🇷. এখন কথা হলো, ব্রাজিল যাদি সার না পায় তাহলে ফলন বৃদ্ধি করবে কিভাবে! মনে আছি কি, শুরুতে উল্লেখ করেছিলাম ৬ টা ব্রেড বাস্কেটের একটা হলো ব্রাজিল! এখন তাহলে হচ্ছেটা কী? ব্রাজিল সার পাচ্ছে না আগের মতো। তৈরি হয়েছে সংকট। এই ফাঁকে সার ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানগুলো সারের দাম বাড়িয়ে দিলো। জ্বালানির দাম আগেই বেড়ে গেছে, এখন জ্বালানি ছাড়া তো আর আপনি ফসল ফলাইতে পারবে না। ফলাফল, ব্রাজিলে ফলনের পরিমান কমে গিয়েছে এবং যতটুকু ফলন হয়েছে তার আবার দাম বেড়ে গেছে!
দুটি বৃহৎ ব্রেড বাস্কেট সরাসরি এই যুদ্ধের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে তৈরি হয়েছে মহা খাদ্য সংকট। হুহু করে দাম বাড়ছে সব খাবারের।
এখানে আমি শুধু মাত্র খাদ্য সংকট নিয়ে কথা বলেছি কিন্তু এছাড়াও আরো অনেক, অনেক, অনেক সেক্টর আছে যেগুলা বাকি রয়ে গেছে। এই প্রভাব অবশ্যই বাংলাদেশের মতো একটি উন্নয়নশীল দেশে পড়বে তাছাড়া আমরা আবার ক্লিন ইমেজের পপুলেশন! যারা দুর্নীতি করি না। ১০ টাকাকে ১০০ টাকা করে জনগনের কাছে বিতরণ করি। তাই ইশ্বর আমাদের অন্যদেশের থেকে কঠিন করে পরীক্ষা নেবেন। ইশ্বর ভালোদের কষ্টের পরিমান বেশি দিয়ে থাকেন।
সংক্ষেপে দেখুনরবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরুদ্ধে ছিলেন?
এর প্রশ্নের ব্যাপারে আমরা অনেক কিছু জানি। তবে ব্যাতিক্রম ধর্মী এই লেখাটি পাঠকের মন কারবে । নতুন করে বিষয়টি নিয়ে ভাবনার উদ্রেক ঘটাবে। সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের জীবন সদস্য তালিকায় লর্ড লিটনের পর দ্বিতীয় নামটি দেখা যাচ্ছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ফলকের ছবিটা দেখে খটকা লাগে, যখন শুনি রবি ঠাকুর ঢাবি প্রতিষ্ঠারবিস্তারিত পড়ুন
এর প্রশ্নের ব্যাপারে আমরা অনেক কিছু জানি। তবে ব্যাতিক্রম ধর্মী এই লেখাটি পাঠকের মন কারবে । নতুন করে বিষয়টি নিয়ে ভাবনার উদ্রেক ঘটাবে।
সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের জীবন সদস্য তালিকায় লর্ড লিটনের পর দ্বিতীয় নামটি দেখা যাচ্ছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ফলকের ছবিটা দেখে খটকা লাগে, যখন শুনি রবি ঠাকুর ঢাবি প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন! এই বিশ্ববিদ্যালয় আবার তাঁকে সম্মাননা দিয়েছে! এটাও অবাক করার মত।
প্রশ্ন হল, রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা কেন করবেন? তিনি তো সর্বভারতীয় কবি। কাজী নজরুলও ছিলেন সর্বভারতীয় কবি। আমরা বাংলাদেশে নিয়ে এসেছি বোধশক্তিহীন নির্বাক নজরুলকে। তিনি বাক ও বোধশক্তি হারান পাকিস্তান সৃষ্টির অনেক আগে। সুস্থ থাকলে কি তিনি আসতেন? মনে হয় না।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যখন প্রতিষ্ঠা হয়, তখন পাকিস্তান নামের রাষ্ট্রটির ভ্রুণও সৃষ্টি হয় নি। শুধু তা-ই নয়, ‘পাকিস্তান’ নামটি তখন কারো কল্পনাতেও এসেছিল? ক্ষুদিরাম, বাঘা যতিন, সূর্য সেন, প্রীতিলতাসহ বিপ্লবীরা অস্ত্র ধরেছিলেন ভারত স্বাধীনের জন্য, পাকিস্তানের জন্য জন্য নয়। অনেক পরে ১৯৪০ সালে আসে লাহোর প্রস্তাব।
কোনো একদিন ঢাকা আলাদা হয়ে ছুটে যাবে আর ঢাবি পাকিস্তান সীমানায় পড়ে যাবে, তা কি তখন চিন্তাও করা গেছে? রবীন্দ্রনাথ, নজরুল কি জানতেন ভারত ভেঙ্গে পাকিস্তান হবে? তাহলে ওই সময়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাবির বিরোধিতায় মাঠে নামবেন কেন? কোনো যুক্তি আছে?
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় লাভ তো তখন হিন্দুদেরই বেশি হয়েছিল। সেই সময়ে মুসলিমদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার মত ক’জন ছিলেন? বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীর সিংহভাগই হিন্দু সম্প্রদায়ের।
আসুন, সবশেষে একটা প্যাঁচ লাগাই। প্যাঁচ কষে ঝগড়া বাধিয়ে দিতে আমার ভালোই লাগে। বলছি তবে, শুনুন।
রবি ঠাকুর ঢাবির বিরোধিতা করেছিলেন তার কোনো যৌক্তিক প্রমাণ নেই। তবে এটা তো ঠিক যে, নেটে সার্চ দিয়ে ঢাবিকে আমরা পৃথিবীর প্রথম এক হাজার বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় খুঁজে পাই না। কিন্তু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বিশ্বের সেরা দশজন কবির মধ্যে পাওয়া যায়।
© নাসির
সূত্রঃ ইন্টারনেট
সংক্ষেপে দেখুনস্বপ্নে সাপ দেখলে কি হয়? স্বপ্নে সাপ দেখার ইসলামিক ব্যখ্যা কি?
স্বপ্নে সাপ দেখলে কি হয় অস্ট্রিয়ার মনোবিজ্ঞানী সিগমুন্ড ফ্রয়েডের ‘দ্য ইন্টারপ্রিটেশন অব ড্রিমস’ বইতে বলেছেন, যেকোন ধরনের স্বপ্ন বাস্তব জীবনের অনেক জিনিসের সাথে মিলে যায়, এমনকি বিভিন্ন জ্যোতিষ শাস্ত্রমতে স্বপ্নে আমরা যা দেখি তা বাস্তব জীবনে অনেক ধরনের বার্তা দেয়। তাই স্বপ্নকে হালকা করে নেওয়ার সুযোগবিস্তারিত পড়ুন
স্বপ্নে সাপ দেখলে কি হয়
অস্ট্রিয়ার মনোবিজ্ঞানী সিগমুন্ড ফ্রয়েডের ‘দ্য ইন্টারপ্রিটেশন অব ড্রিমস’ বইতে বলেছেন, যেকোন ধরনের স্বপ্ন বাস্তব জীবনের অনেক জিনিসের সাথে মিলে যায়, এমনকি বিভিন্ন জ্যোতিষ শাস্ত্রমতে স্বপ্নে আমরা যা দেখি তা বাস্তব জীবনে অনেক ধরনের বার্তা দেয়। তাই স্বপ্নকে হালকা করে নেওয়ার সুযোগ নাই। চলুন দেখে নেই ইসলামের দৃষ্টিতে স্বপ্নে সাপ দেখলে কি হয়।
- স্বপ্নে বড় সাপ দেখার অর্থ
- স্বপ্নে ছোট সাপ দেখার অর্থ
- স্বপ্নে সাপের সাথে মারামারি কিংবা যুদ্ধ দেখার অর্থ
- স্বপ্নে সাপের সাথে যুদ্ধে জয়ী হওয়ার অর্থ
- স্বপ্নে সাপের সাথে যুদ্ধে পরাজিত হওয়ার অর্থ
- স্বপ্নে সাপে কাটার অর্থ হচ্ছে
- স্বপ্নে সাপ হত্যা করার অর্থ
- স্বপ্নে সাপকে দুই টুকরা করে ফেলেছে অর্থ
- স্বপ্নে কেউ সাপের ভয়ে ভীত-বিহ্বল,অথচ সাপটি সে চোখে দেখছে না, এমন স্বপ্ন দেখলে
- স্বপ্নে যদি কেউ দেখে তার ঘরে সাপ ঢুখেছে ,এমন স্বপ্ন দেখলে
- স্বপ্নে যদি কেউ দেখে তার ঘর থেকে সাপ বের হয়ে গেছে ,এমন স্বপ্ন দেখলে
- কেউ যদি দেখতে পায় তার মলদ্বার,কান অথবা পেট থেকে সাপ নির্গত হয়েছে ,এমন স্বপ্ন দেখলে
- কেউ যদি স্বপ্নে দেখে সে সাপের বন্ধু হয়েছে ,এমন স্বপ্ন দেখলে
- স্বপ্নে কালো বর্ণের সাপ দেখলে
- স্বপ্নে সাদা বর্ণের সাপ দেখলে
- যদি কেউ স্বপ্নে মসৃণ-তৈলাক্ত ও নরম তুলতুলে সাপের মালিক হয়েছে , এমন স্বপ্ন দেখে তার অর্থ হচ্ছে।
- স্বপ্নে সাপে দংশন করলে
- স্বপ্নে জোড়া সাপ দেখা
- স্বপ্নে সাপে নেউলে লড়াই
- স্বপ্নে সাপ তার খোসা পরিবর্তন করলে
সংক্ষেপে দেখুনতার শত্রু বড় হবে, অনেক শক্তিশালী হবে
তার শত্রু হবে কম শক্তিশালি, ও অপেক্ষাকৃত দুর্বল।
বাস্তব জীবনে শত্রুর সাথে জগড়া বিবাদে জড়ানো,
বাস্তব জীবনে শত্রুর সাথে জয়ী হওয়া।
বাস্তব জীবনে শত্রুর কাছে পরাজিত হওয়া।
সাপে কাটার ব্যাথার অপর নির্ভর করে শত্রু পক্ষ থেকে সে আঘাত ও যাতনাপ্রাপ্ত হবে।
বাস্তব জীবনে শত্রুর উপর সে বিজয়ী হবে।
বাস্তব জীবনে একইভাবে আপন শত্রুকে সে দ্বিখন্ডিত করে ফেলবে।
বাস্তব জীবনে সে শত্রুর অনিষ্ট থেকে সে নিরাপদে থাকবে।
বাস্তব জীবনে তার কোন নারী বা কোন আত্মীয় তার শত্রু হওয়া নিদর্শন।
তাহলে এটা কোন দূরবর্তী আত্মীয় তার শত্রু হওয়ার অর্থবোধক।
তাহলে তার আপন সন্তানদের মধ্য থেকে কেউ শত্রু হবে অথবা আছে।
তাহলে এটা তার শত্রু নয়, বরং রাজত্ব ও নেয়ামতপ্রাপ্তি আলামত। সাপের অবয়ব-আকৃতি যত বড় হবে, সে অনুপাতে তার প্রভুত্ব ও কর্তৃত্ব বিস্তৃত হবে ও নেয়ামত বৃদ্ধি পাবে।
বাস্তবে এটি সেনাপতি হিসেবে তার সৈন্য পরিচালনার নিদর্শন।
বাস্তবে এটি অদৃষ্ট ও সৌভাগ্যের নিদর্শন ।
বাস্তবে এটা শাহী ধন-ভান্ডারের মধ্য হতে কোন ধন-ভান্ডার লাভ করার পূর্ব লক্ষণ।
এছাড়া যদি স্বনে দেখেন সাপ আপনাকে ছোবল দিচ্ছে, বাং সাপে কাটছে, অথবা সপে আপনাকে তাড়া করছে তাহলে এই স্বপ্নের ইসলামিক ব্যাখ্যা হচ্ছে, অশুভ ইঙ্গিত। বাস্তব জীবনে আপনার বিপদ আসন্ন। এমতাবস্থায় ইসলামিক স্কলাররা বলেন এই সময়ে সতর্ক থাকতে।
স্বপ্নে জোড়া সাপ দেখা শুভ লক্ষণ
স্বপ্নে সাপে নেউলে লড়াই করতে দেখলে তার ইসলামিক ব্যাখ্যা হচ্ছে বাস্তব জীবনে আইনি ঝামেলার মধ্যে দিয়ে যাবেন।
অনেক সময় আমরা স্বপ্নে দেখি সাপ তার খোসা পরিবর্তন করছে, তার অর্থ শুভ কিংবা অশুভ নয়, এর মানে হচ্ছে আপনি বাস্তব জীবনে নিজেকে পরিবর্তন করবেন।
কৃমির ট্যাবলেট আর ঔষধ খাওয়ার নিয়ম
হঠাৎ হঠাৎ পেটে ব্যথা বা মাথার যন্ত্রণা কিন্তু চিকিৎসকের কাছে যেতেই তিনি বলে দিচ্ছেন তেমন কিছুই হয়নি আপনার। সারাদিন শরীরে অ্স্বস্তি বোধ লেগেই রয়েছে। এটার কারণ একটাই হতে পারে, আর সেটা হল কৃমি। কিন্তু পেট ব্যথা আর মাথা যন্ত্রণাই শুধু নয়, আপনার শরীরে যে কৃমি বাসা বেঁধেছে, তা বোঝার জন্য আরও কয়েকটি উপসর্গবিস্তারিত পড়ুন
হঠাৎ হঠাৎ পেটে ব্যথা বা মাথার যন্ত্রণা কিন্তু চিকিৎসকের কাছে যেতেই তিনি বলে দিচ্ছেন তেমন কিছুই হয়নি আপনার। সারাদিন শরীরে অ্স্বস্তি বোধ লেগেই রয়েছে। এটার কারণ একটাই হতে পারে, আর সেটা হল কৃমি। কিন্তু পেট ব্যথা আর মাথা যন্ত্রণাই শুধু নয়, আপনার শরীরে যে কৃমি বাসা বেঁধেছে, তা বোঝার জন্য আরও কয়েকটি উপসর্গ রয়েছে।
কি সেই উপসর্গগুলো?
• অস্থিরতা, অকারণে অতিরিক্ত চিন্তা, অবসাদে ভোগা, আত্মহত্যাপ্রবণ হওয়া।
• মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়ার অতিরিক্ত ইচ্ছা।
• রক্তাল্পতা এবং আয়রন ডেফিশিয়েন্সি। কৃমি থাকলে শরীরে রক্তের পরিমাণ কমতে কমতে অ্যানিমিয়া পর্যন্ত হতে পারে।
• ত্বকের রোগে আক্রান্ত হওয়া, র্যাশ, অ্যাকনে, চুলকুনি ইত্যাদি হওয়া।
• মাড়ি থেকে রক্তপাত হওয়া।
• ঘুমনোর সময়ে মুখ থেকে লালা পড়া।
• ফুড অ্যালার্জি।
• খিদে না পাওয়া।
• মেনস্ট্রুয়াল সাইকেলে সমস্যা।
• অকারণে ক্লান্ত হয়ে পড়া।
• গা-হাত-পা ব্যথা।
• নিশ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া,স্মৃতিভ্রম হওয়া।
উপসর্গগুলি পড়ে অনেকেই নিজেদের সমস্যার সঙ্গে মিল খুঁজে পাবেন, কারণ সমীক্ষা বলেছে ৮৫ শতাংশ মানুষের পেটে কৃমি থাকে। কিন্তু কীভাবে মুক্তি পাবেন কৃমির হাত থেকে! মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসক আব্রাম বের জানিয়েছেন, ওষুধ নয়, কিছু ঘরোয়া পদ্ধতিতেই কৃমি থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।[1]
+কাঁচা রসুন— কাঁচা রসুন অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে। রসুন প্রায় ২০ ধরনের ব্যাকটেরিয়া এবং ৬০ ধরনের ফাংগাস মেরে ফেলতে পারে। তাই নিয়মিত কুচনো কাঁচা রসুন খান অথবা রসুনের জুস করে খান।
+লবঙ্গ— লবঙ্গ কলেরা, ম্যালেরিয়া, যক্ষ্মাকে প্রতিরোধ করতে পারে। এ ছাড়া রোজ লবঙ্গ খেলে ব্যাকটেরিয়া,ভাইরাস, ফাংগাস ইত্যাদি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
+আদা— আদা হজমের সমস্ত রকমের সমস্যা মেটাতে সক্ষম। হজমের সমস্যা, অ্যাসিডিটি, পেটে ইনফেকশন, ইত্যাদি দূর করতে আদার জুড়ি মেলা ভার। এই সমস্যাগুলিও কৃমি থেকে তৈরি হয়। তাই এই ধরনের সমস্যা দূর করতে কাঁচা আদার রস খান খালি পেটে।
+শসার বীজ— ফিতাকৃমি রুখতে শসার দানা সর্বশ্রেষ্ঠ। শসার দানা গুঁড়ো করে নিন। প্রতিদিন এক চা-চামচ করে খান।
+পেঁপে— পেটের সমস্যা দূর করতে পেঁপের থেকে ভাল কিছু হয় না। যে কোনও ধরনের কৃমি তাড়াতে পেঁপের বীজ শ্রেষ্ঠ। ভাল ফল পেতে পেঁপে এবং মধু খান।
+কাঁচা হলুদ— কাঁচা হলুদ অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে।
কৃমি আকারে খুবই ছোট। প্রায় দেখাই যায় না। কিন্তু জেনে অবাক হবেন, এ রকম একটি কৃমি মানুষের অন্ত্র থেকে দিনে শূন্য দশমিক ২ মিলিলিটার রক্ত শুষে নেয়। অনেক কৃমি শরীরে থাকলে প্রতিদিনই বেশ কিছু পরিমাণ রক্ত হারিয়ে যায়। ফলে শিশুরা অপুষ্টি ও রক্তশূন্যতায় ভোগে। বড়রাও কম ভোগেন না।কৃমি দূর করতে হলে প্রথমেই জানা দরকার এটি কেন হয়? নোংরা পরিবেশ, অনিরাপদ পানি পান, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, খালি পায়ে হাঁটা কৃমি সংক্রমণের জন্য দায়ী।
কৃমি হলেও ওষুধের মাধ্যমে দূর করার উপায় আছে। কিন্তু অনেকে নানা ভুল ধারণার জন্য ভয়ে কৃমির ওষুধ খান না। শিশুদেরও খাওয়াতে চান না। কিন্তু ওষুধ নিয়ম মেনে খেলে আর সহজ কিছু উপায় মেনে চললে সহজেই কৃমি দূর করা যায়।
জেনে নেওয়া যাক সহজ কিছু উপায়:[2]
১. প্রতি তিন মাস পরপর পরিবারের সবাই একটি করে অ্যালবেনডাজল বড়ি সেবন করতে পারেন। মেবেনডাজল হলে খেতে হবে পরপর তিন দিন। সাত দিন পর আরেকটা ডোজ খাওয়া যায়। শিশুদেরও একইভাবে সিরাপ খাওয়াতে হবে। দুই বছরের নিচে কোনো শিশুকে খাওয়াতে হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
২. চিনি খেলে বা মিষ্টি খেলে কৃমি হবে বলে যে ধারণা প্রচলিত, তা ঠিক নয়। মিষ্টি বা চিনি খাওয়ার সঙ্গে কৃমির কোনো সম্পর্ক নেই। বরং নোংরা হাতে বা অস্বাস্থ্যকর খাবার খেলে কৃমি হবে।
৩. কৃমি হলে পায়ুপথ চুলকায় বলে শিশুরা সেখানে হাত দেয়। পরে আবার সেই হাত মুখে দেয়। এভাবেই সংক্রমণ ছড়াতে থাকে। তবে পায়ুপথ চুলকানো মানেই কৃমি সংক্রমণ নাও হতে পারে। কৃমি সংক্রমণের আরও উপসর্গ আছে। যেমন: ওজন না বাড়া, পেট ফাঁপা, পেট কামড়ানো, আমাশয়, অপুষ্টি, রক্তশূন্যতা ইত্যাদি।
৪. গরমকালে কৃমিনাশক খাওয়া যাবে না—এমন ধারণারও কোনো ভিত্তি নেই। গরম, শীত, বর্ষা যেকোনো সময়ই কৃমিনাশক খাওয়া যাবে। তবে খাওয়ার পর বা ভরা পেটে খাওয়া ভালো।
৫. কৃমিনাশক নিরাপদ ওষুধ। এর তেমন কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। তবে কারও কারও পেট ফাঁপা বা বমি ভাব হতে পারে। অনেক সময় কৃমিনাশক খেয়ে শিশুদের অসুস্থ হওয়ার যে খবর পাওয়া যায়, তা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই অজ্ঞতা ও কুসংস্কারজনিত।
৬. পানি অবশ্যই ফুটিয়ে বা বিশুদ্ধ করে পান করবেন। শাকসবজি ও মাংস খাওয়ার আগে ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। খাবার প্রস্তুত ও পরিবেশনের আগে ভালো করে হাত ধুতে হবে। শিশুদের খাওয়ার আগে ও শৌচাগার ব্যবহারের পর সাবান দিয়ে কীভাবে ভালো করে হাত কচলে ধুতে হয়, তা শেখানো জরুরি।
৭. বাইরের খোলা অপরিচ্ছন্ন খাবার না খাওয়াই ভালো। মাঠঘাটে শিশুদের খালি পায়ে খেলতে দেবেন না।
৮. কেবল গ্রামে বা রাস্তায় থাকা শিশুদের কৃমি হয়—এই ধারণাও ভুল। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে যে-কারও কৃমি সংক্রমণ হতে পারে। তাই অপুষ্টি এড়াতে নিয়মিত কৃমিনাশক খাওয়াই ভালো।
সংক্ষেপে দেখুন