সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
স্মার্টফোন কোন হাতে ব্যবহার করা উচিত?
আপনি যদি ডানহাতি হন তাহলে বাম হাতে ধরে ডান বুড়ো আঙুল দিয়ে ব্যবহার করা সাধারণত সবচেয়ে আরামদায়ক ও স্বাস্থ্যকর। কিন্তু সবচেয়ে ভালো হয় দুই হাত মিলিয়ে ব্যবহার করা।
আপনি যদি ডানহাতি হন তাহলে বাম হাতে ধরে ডান বুড়ো আঙুল দিয়ে ব্যবহার করা সাধারণত সবচেয়ে আরামদায়ক ও স্বাস্থ্যকর। কিন্তু সবচেয়ে ভালো হয় দুই হাত মিলিয়ে ব্যবহার করা।
সংক্ষেপে দেখুন2026 সালে রিলিজ হয়েছে এমন কিছু ভালো স্মার্টফোনের বিস্তারিত দিন?
📱 ১৫,০০০ টাকার নিচে সেরা স্মার্টফোন (২০২৬) 🥇 ১. Vivo Y05 দাম: ৳১৩,৯৯৯ | রিলিজ: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ Vivo Y05 অফিসিয়ালি ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ বাংলাদেশে রিলিজ হয়। ফোনটি Android 16 ভিত্তিক OriginOS 6.0 সহ Unisoc T7225 (12nm) চিপসেট দ্বারা পরিচালিত। ডিসপ্লে হলো ৬.৭৪ ইঞ্চি HD+ IPS LCD যা ১২০Hz রিফ্রেশ রবিস্তারিত পড়ুন
📱 ১৫,০০০ টাকার নিচে সেরা স্মার্টফোন (২০২৬)
🥇 ১. Vivo Y05
দাম: ৳১৩,৯৯৯ | রিলিজ: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
Vivo Y05 অফিসিয়ালি ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ বাংলাদেশে রিলিজ হয়। ফোনটি Android 16 ভিত্তিক OriginOS 6.0 সহ Unisoc T7225 (12nm) চিপসেট দ্বারা পরিচালিত। ডিসপ্লে হলো ৬.৭৪ ইঞ্চি HD+ IPS LCD যা ১২০Hz রিফ্রেশ রেট এবং ১২০০ নিটস ব্রাইটনেস সমর্থিত এবং Gorilla Glass দিয়ে সুরক্ষিত। বিশেষ আকর্ষণ হলো ৬৫০০mAh বিশাল ব্যাটারি এবং IP65 ডাস্ট ও স্প্ল্যাশ প্রোটেকশন।
🥈 ২. Infinix Smart 20
দাম: ৳১২,৯৯৯ | রিলিজ: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
Infinix Smart 20, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ বাংলাদেশে লঞ্চ হয়। এটি MediaTek Helio G81 Ultimate প্রসেসর দ্বারা চালিত এবং ৬.৭৮ ইঞ্চি IPS ডিসপ্লেতে ১২০Hz রিফ্রেশ রেট ও ৭০০ নিটস ব্রাইটনেস রয়েছে। ফোনটিতে NFC, IP64 রেটিং এবং মাত্র ৭.৭mm আল্ট্রা-স্লিম বডি ডিজাইন রয়েছে। এতে ৫২০০mAh ব্যাটারি এবং ৫W রিভার্স চার্জিং সাপোর্টও আছে।
🥉 ৩. Xiaomi Redmi 15C (4G)
দাম: ৳১৪,৯৯৯ (4GB/128GB ভেরিয়েন্ট)
Xiaomi Redmi 15C, MediaTek Helio G81 Ultra (12nm) চিপসেটে চলে এবং Android 15 অপারেটিং সিস্টেম সহ আসে। ফোনটিতে ৬০০০mAh ব্যাটারি এবং ৩৩W ফাস্ট চার্জিং রয়েছে, যা এই দামে সত্যিই দারুণ।
4️⃣ Samsung Galaxy A07 4G
দাম: ৳১৩,৯৯৯ – ৳১৪,৯৯৯ (ভেরিয়েন্ট অনুযায়ী)
Samsung Galaxy A07 একটি নির্ভরযোগ্য ডেইলি ড্রাইভার। এতে ৬.৭ ইঞ্চি HD+ ডিসপ্লেতে ৯০Hz রিফ্রেশ রেট এবং MediaTek Helio G99 প্রসেসর আছে। ৫০MP ডুয়াল ক্যামেরা সেটআপ, ৫০০০mAh ব্যাটারি এবং ২৫W ফাস্ট চার্জিং সমর্থন করে।
5️⃣ Tecno Spark 40c
দাম: ৳১২,৪৯৯ (Official)
Tecno Spark 40c অফিসিয়ালি বাংলাদেশে ৳১২,৪৯৯ দামে পাওয়া যাচ্ছে। এটি বাজেট সেগমেন্টে চমৎকার ভ্যালু ফর মানি অফার করে। বড় ডিসপ্লে, শক্তিশালী ব্যাটারি এবং ভালো পারফর্ম্যান্সের জন্য Tecno Spark সিরিজ বরাবর জনপ্রিয়।
🔍 কোনটি কিনবেন?
⚠️ নোট: দাম বাজার ও দোকানভেদে কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে। কেনার আগে অফিসিয়াল শোরুম বা নির্ভরযোগ্য অনলাইন শপে যাচাই করে নিন।
সংক্ষেপে দেখুনযে টাইম দিবেন ঠিক সেই সময়ে মোবাইলটি লক অথবা আনলক হবে?
আমি ৪টা এপের নাম বলতে পারি। সম্ভবত এতেই আপনার কাজ হয়ে যাবে। আমি অবশ্য এদের কোনটাই এখনো ইউজ করিনি। ১. Lock Me Out (লক মি আউট): একবার ব্লক শুরু হলে, ওই সময়ের আগে আপনি চাইলেও ফোন আনলক করতে পারবেন না (বা আপনার বেছে নেওয়া অ্যাপগুলো ব্যবহার করতে পারবেন না)। এটিতে একটি "হার্ড ব্লক" মোড (Hard Block Mode) আছবিস্তারিত পড়ুন
আমি ৪টা এপের নাম বলতে পারি। সম্ভবত এতেই আপনার কাজ হয়ে যাবে। আমি অবশ্য এদের কোনটাই এখনো ইউজ করিনি।
১. Lock Me Out (লক মি আউট): একবার ব্লক শুরু হলে, ওই সময়ের আগে আপনি চাইলেও ফোন আনলক করতে পারবেন না (বা আপনার বেছে নেওয়া অ্যাপগুলো ব্যবহার করতে পারবেন না)। এটিতে একটি “হার্ড ব্লক” মোড (Hard Block Mode) আছে যা বাইপাস করা প্রায় অসম্ভব।
২. FocusMe (ফোকাস মি): এটি অ্যাপ, ওয়েবসাইট এবং আপনার পুরো ডিভাইসকে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সম্পূর্ণভাবে লক করতে পারে। এটির “Strict Mode” অপশনটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যে, লক করার সময় শেষ না হওয়া পর্যন্ত এটি ডিজেবল বা আনইনস্টল করা যায় না।
৩. Flipd (ফ্লিপড): এটি আপনার ডিভাইসকে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য “ফ্লিপড লক” করে দেয়। একবার লক শুরু হলে, আপনি শুধুমাত্র কল করা এবং টেক্সট মেসেজ পাঠানোর মতো মৌলিক কাজগুলো ছাড়া আর কিছুই করতে পারবেন না। লক শেষ না হওয়া পর্যন্ত এটি আনলক করার কোনো অপশন রাখে না।
৪. Stay Focused (স্টে ফোকাসড) / AppBlock (অ্যাপব্লক): এই অ্যাপগুলো মূলত অ্যাপ ব্লক করার জন্য তৈরি, তবে এর কিছু অপশন আছে যা পুরো ফোনকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ব্যবহার সীমিত করে দেয়।
সংক্ষেপে দেখুনমোবাইল ফোন দিয়ে কি ফ্রিল্যান্সিং করা যায়?
হ্যাঁ, অবশ্যই মোবাইল ফোন দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করা যায়! তবে কিছু কথা মনে রাখতে হবে। মোবাইল ফোন দিয়ে সব ধরনের ফ্রিল্যান্সিং কাজ করা যায় না, কিন্তু কিছু কাজ আছে যা আপনি খুব ভালোভাবে করতে পারবেন। 🤔 মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করা সম্ভব কেন? ফ্রিল্যান্সিং মানে হলো আপনি কারো কাছে চাকরি না করে নিজের দক্ষতা দিয়বিস্তারিত পড়ুন
হ্যাঁ, অবশ্যই মোবাইল ফোন দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করা যায়!
তবে কিছু কথা মনে রাখতে হবে। মোবাইল ফোন দিয়ে সব ধরনের ফ্রিল্যান্সিং কাজ করা যায় না, কিন্তু কিছু কাজ আছে যা আপনি খুব ভালোভাবে করতে পারবেন।
🤔 মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করা সম্ভব কেন?
ফ্রিল্যান্সিং মানে হলো আপনি কারো কাছে চাকরি না করে নিজের দক্ষতা দিয়ে অনলাইনে স্বাধীনভাবে কাজ করে টাকা আয় করা। যেহেতু স্মার্টফোনে এখন ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়, ইমেইল পাঠানো যায়, লেখালেখি করা যায় এবং কিছু অ্যাপ ব্যবহার করা যায়, তাই ছোট এবং সহজ কিছু কাজ করা সম্ভব।
✅ মোবাইল দিয়ে কোন কাজগুলো ভালোভাবে করা যায়?
মোবাইল দিয়ে প্রধানত সেই কাজগুলোই করা যায়, যেখানে টাইপিং, যোগাযোগ বা হালকা সম্পাদনার প্রয়োজন হয়। যেমন:
❌ মোবাইল দিয়ে কোন কাজগুলোতে সমস্যা হয়?
যে কাজগুলোর জন্য বড় স্ক্রিন, অনেক বেশি শক্তি বা বিশেষ সফটওয়্যার দরকার, সেগুলো মোবাইলে ভালোভাবে করা যায় না।
মোবাইল ফোন দিয়ে করা যায় এমন ফ্রিল্যান্সিং কাজের জন্য কিছু জনপ্রিয় এবং নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্মের নাম নিচে দেওয়া হলো। এই সাইটগুলো থেকে আপনি আপনার দক্ষতার সাথে মানানসই কাজ খুঁজে নিতে পারবেন:
🔗 মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করার সাইটগুলো (জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস)
এখানে প্রধানত সেই মার্কেটপ্লেসগুলোর নাম দেওয়া হলো, যেগুলোর মোবাইল অ্যাপ (Mobile App) আছে অথবা ওয়েবসাইটটি মোবাইলে সহজেই ব্যবহার করা যায়:
১. লেখালেখির কাজ (Content Writing, Translation, Blog Writing)
২. সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট (Social Media Management)
৩. ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্টের কাজ (Virtual Assistant)
৪. ছবি/গ্রাফিক্স ডিজাইন (হালকা কাজ)
আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে চান, তাহলে প্রথমে Fiverr বা Upwork-এর মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করে রেজিস্ট্রেশন করে নিতে পারেন।
সংক্ষেপে দেখুনআপনার ফোন বৈধভাবে নিবন্ধিত কি না জানবেন যেভাবে
বিস্তারিততে আপনার উত্তর দেখে ভাল লাগলো। কিন্তু আমার কিছু প্রশ্ন ছিলঃ ১. আমার ফোনটি যদি *১৬১৬১# ডায়াল করার পর 'অবৈধ' বা 'নিবন্ধিত নয়' দেখায়, তাহলে আমার করণীয় কী? আমার ফোনটি কি বন্ধ হয়ে যাবে? ২. আমি যদি বিদেশ থেকে একটি ফোন এনে থাকি বা উপহার পেয়ে থাকি, সেটি নিবন্ধন করার প্রক্রিয়া কী? ৩. neir.btrcবিস্তারিত পড়ুন
বিস্তারিততে আপনার উত্তর দেখে ভাল লাগলো। কিন্তু আমার কিছু প্রশ্ন ছিলঃ
১. আমার ফোনটি যদি *১৬১৬১# ডায়াল করার পর ‘অবৈধ’ বা ‘নিবন্ধিত নয়’ দেখায়, তাহলে আমার করণীয় কী? আমার ফোনটি কি বন্ধ হয়ে যাবে?
২. আমি যদি বিদেশ থেকে একটি ফোন এনে থাকি বা উপহার পেয়ে থাকি, সেটি নিবন্ধন করার প্রক্রিয়া কী?
৩. neir.btrc.gov.bd ওয়েবসাইটের ‘সিটিজেন পোর্টাল’ ব্যবহার করে কীভাবে ফোনের নিবন্ধন অবস্থা যাচাই বা নিবন্ধন করা যায়?
৪. আমার ব্যবহৃত পুরোনো বাটন ফোনটিও কি এই প্রক্রিয়ায় যাচাই করতে হবে?
আশাকরি আপনার কাছ থেকে উত্তর পাবো।
সংক্ষেপে দেখুনGp Free Net : ফ্রিতে আনলিমিটেড ইন্টার্নেট জিপি সিমে
প্রথমে প্লে স্টোর থেকে এই অ্যাপটি ডাউনলোড করে নিন। My Gp Apps টি Open করুন এবং ২৮৯ টাকার প্যাকটি কিনুন অথবা ১৮৯ টাকার প্যাকটি আপনার অফার থেকে থাকলে ঔটা কিনতে পারেন। এখন আপনার ডাউনলোড করা Vpn Open করুন এবং উপরে বাম পাশে 3 dot ক্লিক করুন আপডেট করে নিন এখন Payload ক্লিক করেন এখন একদম নিচে নামতে থাকুন ঔবিস্তারিত পড়ুন
প্রথমে প্লে স্টোর থেকে এই অ্যাপটি ডাউনলোড করে নিন।
My Gp Apps টি Open করুন এবং ২৮৯ টাকার প্যাকটি কিনুন অথবা ১৮৯ টাকার প্যাকটি আপনার অফার থেকে থাকলে ঔটা কিনতে পারেন।
এখন আপনার ডাউনলোড করা Vpn Open করুন এবং উপরে বাম পাশে 3 dot ক্লিক করুন
আপডেট করে নিন
এখন Payload ক্লিক করেন
এখন একদম নিচে নামতে থাকুন ঔখানে দেখবেন 289 tk & 189 tk 2টি প্যাক আছে সিলেক্ট করুন
Start এ ক্লিক করুন
দেখুন কানেন্ট হয়ে গেছে
এটুকু কাজ করলেই ফ্রিতে জিপি নেট ইউজ করতে পারবেন।
সংক্ষেপে দেখুনআধুনিক মোবাইল ফোনে অ্যানটেনা থাকে না কেন?
আধুনিক মোবাইল ফোনে অ্যানটেনা দেখতে পাওয়া যায় না কারণ, সেগুলোর অ্যানটেনা এখন **ইন্টিগ্রেটেড** (অন্তর্নির্মিত) হয়ে থাকে এবং ফোনের ভেতরে বা শরীরে সূক্ষ্মভাবে লুকানো থাকে। এতে ফোনের ডিজাইন পাতলা ও আকর্ষণীয় হয়, অথচ সিগন্যাল পাওয়ার একই রকম থাকে।
আধুনিক মোবাইল ফোনে অ্যানটেনা দেখতে পাওয়া যায় না কারণ, সেগুলোর অ্যানটেনা এখন **ইন্টিগ্রেটেড** (অন্তর্নির্মিত) হয়ে থাকে এবং ফোনের ভেতরে বা শরীরে সূক্ষ্মভাবে লুকানো থাকে। এতে ফোনের ডিজাইন পাতলা ও আকর্ষণীয় হয়, অথচ সিগন্যাল পাওয়ার একই রকম থাকে।
সংক্ষেপে দেখুনকোন কোন স্মার্টফোনে আর চলবে না হোয়াটসঅ্যাপ ?
নতুন সংস্করণে অ্যাপটির মালিকানাধীন মেটা প্রতিষ্ঠান অ্যাপল, স্যামসাং, মোটোরোলা, সনি, এলজির মতো জনপ্রিয় ব্রান্ডের প্রায় ৩৫টি মডেলের স্মার্টফোনে বন্ধ হতে যাচ্ছে এর পরিষেবা। মূলত এই মেসেজিং প্ল্যাটফর্মের সামগ্রিক পারফরম্যান্স উন্নত করতে এবং নিরাপত্তা বাড়াতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থবিস্তারিত পড়ুন
নতুন সংস্করণে অ্যাপটির মালিকানাধীন মেটা প্রতিষ্ঠান অ্যাপল, স্যামসাং, মোটোরোলা, সনি, এলজির মতো জনপ্রিয় ব্রান্ডের প্রায় ৩৫টি মডেলের স্মার্টফোনে বন্ধ হতে যাচ্ছে এর পরিষেবা। মূলত এই মেসেজিং প্ল্যাটফর্মের সামগ্রিক পারফরম্যান্স উন্নত করতে এবং নিরাপত্তা বাড়াতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপের লেটেস্ট ফিচারগুলো ব্যবহার যে সিস্টেম দরকার তা এই ফোনগুলোতে নেই। যে সব ফোনে চলবে না হোয়াটসঅ্যাপ
হুয়াওয়ে ব্র্যান্ডের মডেলের মধ্যে রয়েছে-
অ্যাসেন্ড পি৬ এস
অ্যাসেন্ড জি৫২৫
হুয়াওয়ে সি১৯৯
হুয়াওয়ে জিএক্স১এস
হুয়াওয়ে ওয়াই৬২৫
স্যামসাং ব্র্যান্ডের মডেলের মধ্যে রয়েছে-
গ্যালাক্সি এসিই প্লাস
গ্যালাক্সি কোর
গ্যালাক্সি এক্সপ্রেস ২
গ্যালাক্সি গ্র্যান্ড
গ্যালাক্সি নোট ৩
গ্যালাক্সি এস৩ মিনি
গ্যালাক্সি এস৪ অ্যাকটিভ
গ্যালাক্সি এস৪ মিনি
গ্যালাক্সি এস৪ জুম।
অ্যাপল ব্র্যান্ডের মডেলের মধ্যে রয়েছে-
আইফোন ৫
আইফোন ৬
আইফোন ৬ এস
আইফোন ৬ এস প্লাস
আইফোন এসই
লেনোভো ব্র্যান্ডের মডেলের মধ্যে রয়েছে-
লেনোভো ৪৬৬০০
লেনোভো এ৮৫৮টি
লেনোভো পি৭০
লেনোভো এস৮৯০
মটোরোলা ব্র্যান্ডের মডেলের মধ্যে রয়েছে-
মোটো জি
মোটো এক্স
এলজি ব্র্যান্ডের মডেলের মধ্যে রয়েছে-
অপটিমাস ৪এক্স এইচডি
অপটিমাস জি
অপটিমাস জি প্রো
অপটিমাস এল ৭
সনি ব্র্যান্ডের মডেলের মধ্যে রয়েছে-
সংক্ষেপে দেখুনএক্সপেরিয়া জেড ১
এক্সপেরিয়া ই৩
স্মার্টফোনের কুলিং সিস্টেম কিভাবে কাজ করে ?
গেমিং ও হাইপারফরম্যান্স স্মার্টফোনগুলোকে ঠাণ্ডা করার জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত প্রযুক্তিটি হলো ভেপর চেম্বার লিকুইড কুলিং সিস্টেম। ভেপার চেম্বার কুলিং সিস্টেম কাজ করে বাষ্পের নীতি মেনে। এটি মূলত সমতল ও সিল করা একটি চেম্বার। এতে থাকে অল্প পরিমাণে তরল কুল্যান্ট। এ তরল সাধারণত পানি অথবা অন্যান্য তরলের মিবিস্তারিত পড়ুন
গেমিং ও হাইপারফরম্যান্স স্মার্টফোনগুলোকে ঠাণ্ডা করার জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত প্রযুক্তিটি হলো ভেপর চেম্বার লিকুইড কুলিং সিস্টেম।
ভেপার চেম্বার কুলিং সিস্টেম কাজ করে বাষ্পের নীতি মেনে। এটি মূলত সমতল ও সিল করা একটি চেম্বার। এতে থাকে অল্প পরিমাণে তরল কুল্যান্ট। এ তরল সাধারণত পানি অথবা অন্যান্য তরলের মিশ্রণ হয়ে থাকে। সাধারণত তামা বা অ্যালুমিনিয়ামের মতো উপাদান দিয়ে এ চেম্বার তৈরি করা হয়। ফেইজ পরিবর্তনের নীতির ওপর ভিত্তি করে এ চেম্বার কাজ করে। যখন ডিভাইস গরম হয়, তখন চেম্বারের ভেতরের তরল কুল্যান্ট ডিভাইসের উপাদানগুলো থেকে উৎপন্ন তাপ শোষণ করে নেয় এবং একে বাষ্পে পরিণত করে। তারপর এ বাষ্প চেম্বারের অপেক্ষাকৃত ঠাণ্ডা এলাকার দিকে চলে যায়। আর এ প্রক্রিয়া চলতে থাকে দিনজুড়ে স্মার্টফোনে কাজ করার সময়, বিনোদনের সময় বা ফোন চার্জ দেয়ার সময়।
সংক্ষেপে দেখুনসবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত মোবাইল ফোন অপারেটিং সিস্টেম কোনটি?
বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত স্মার্টফোন অপারেটিং সিস্টেম হলো অ্যান্ড্রয়েড। স্মার্টফোন, ট্যাবলেট কম্পিউটার, অ্যান্ড্রয়েড টিভি, অ্যান্ড্রয়েড অটো, স্মার্টওয়াচ। অ্যান্ড্রয়েডের অনেক ডেভেলপার রয়েছে যারা বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন তৈরী করে থাকে। এখন প্রায় ৩৫ লাখের উপরে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন রবিস্তারিত পড়ুন
বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত স্মার্টফোন অপারেটিং সিস্টেম হলো অ্যান্ড্রয়েড। স্মার্টফোন, ট্যাবলেট কম্পিউটার, অ্যান্ড্রয়েড টিভি, অ্যান্ড্রয়েড অটো, স্মার্টওয়াচ। অ্যান্ড্রয়েডের অনেক ডেভেলপার রয়েছে যারা বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন তৈরী করে থাকে। এখন প্রায় ৩৫ লাখের উপরে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন রয়েছে গুগল প্লে স্টোরে।
সংক্ষেপে দেখুনবাংলাদেশে অচিরেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে অনিবন্ধিত সব মোবাইল হ্যান্ডসেট । কিভাবে নিবন্ধন করবেন আপনার মোবাইল?
নিবন্ধনহীন মোবাইল খুব তাড়াতাড়ি দেশের নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রন কমিশন (বিটিআরসি) মোবাইল হ্যান্ডসেট অনিবন্ধিত থাকলে খুব সহজেই তা নিবন্ধন করে নেয়া যায়। মোবাইল ফোন মানুষের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। ডিজিটাল যুগে মোবাইল ফোন পৃথিবীকে একেবারে মানুষের হাতেরবিস্তারিত পড়ুন
নিবন্ধনহীন মোবাইল খুব তাড়াতাড়ি দেশের নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রন কমিশন (বিটিআরসি) মোবাইল হ্যান্ডসেট অনিবন্ধিত থাকলে খুব সহজেই তা নিবন্ধন করে নেয়া যায়।
মোবাইল ফোন মানুষের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। ডিজিটাল যুগে মোবাইল ফোন পৃথিবীকে একেবারে মানুষের হাতের মুঠোয় নিয়ে এসেছে। বিশ্বে বর্তমানে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা সাতশো কোটিরও বেশি। বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় একানব্বই শতাংশ মানুষের হাতে মোবাইল ফোন রয়েছে। বাংলাদেশে মোট মোবাইল ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ২০ কোটি ছাড়িয়েছে। প্রতিবছর প্রায় দেড় কোটি মোবাইল হ্যান্ডসেট আমদানি এবং প্রায় দুই কোটি মোবাইল ফোন দেশেই সংযোজিত হচ্ছে।
দেশে গ্রাহকদের হাতে থাকা সচল কিন্তু অবৈধ ও নকল হ্যান্ডসেট নিবন্ধনের আওতায় আনতে চায় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন(বিটিআরসি)। অবৈধ/নকল মোবাইল আমদানি, চুরি/প্রতারণা বন্ধে, অপরাধীদের সহজে চিহ্নিত করতে, গ্রাহকদের তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং রাজস্ব ফাঁকি ঠেকাতে নতুন করে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
নিবন্ধনবিহীন সকল মোবাইল ফোন বন্ধে পদক্ষেপ নিতে বাংলাদেশ টেলিযোগযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) নির্দেশ দিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। সম্প্রতি বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) কার্যালয়ে কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী নির্দেশনা দেন।
বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটকালে রপ্তানি, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রযুক্তিভিত্তিক সমাধান দেশকে এগিয়ে নেওয়ার আহবান জানান।
আপনার মোবাইল ফোন কেনার আগে সেটার বৈধতা যাচাই করে নিতে হবে। যদি সেটটি অবৈধ হয় তাহলে সেটা না কেনার পরামর্শ দিয়েছে বিটিআরসি। আবার হ্যান্ডসেটটি কিনে আনার পর যদি দেখেন এটি অবৈধ তাহলে তিনি ক্রয় রশিদ দেখিয়ে হ্যান্ডসেটটি পূর্ণ দামে ফেরত দিতে পারবেন। যদি বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান ফেরত নিতে না চায় তাহলে বিষয়টি বিটিআরসিকে অবহিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া যাবে।
বর্তমানে বিটিআরসির ডাটাবেজে সবগুলো মোবাইল অপারেটর থেকে পাওয়া আইএমইআই নম্বর এর মাইগ্রেশন কার্যক্রম চলছে। সেজন্য গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বিদেশ থেকে কেনা বা উপহার পাওয়া মোবাইল হ্যান্ডসেট নিবন্ধন প্রক্রিয়া জানিয়েছে বিটিআরসি। এই পদ্ধতি অবলম্বন করে অবৈধ ও নকল হ্যান্ডসেটগুলো নিবন্ধনের আওতায় আনা যাবে। জেনে নিন যেভাবে বিদেশ থেকে কেনা বা উপহার পাওয়া হ্যান্ডসেট নিবন্ধন করবেন।
যে কোন মাধ্যমে (বিক্রয় কেন্দ্র, অনলাইন বিক্রয় কেন্দ্র, ই-কমার্স) মোবাইল হ্যান্ডসেট কেনার আগে নিম্ন বর্ণিত উপায়ে বৈধতা যাচাই করার পাশাপাশি ক্রয় রশিদ সংরক্ষণ করে রাখতে হবে।
ধাপ-১: মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে KYD১৫ ডিজিটের IMEI নম্বরটি লিখুন। উদাহরণ স্বরূপ: KYD 123456789012345
ধাপ-২: IMEI নম্বরটি লিখার পর ১৬০০২ নম্বরে প্রেরণ করুন।
ধাপ-৩: ফিরতি ম্যাসেজ এর মাধ্যমে মোবাইল হ্যান্ডসেটের বৈধতা সম্পর্কে জানতে পারবেন।
ওয়েবসাইটে মোবাইল ফোন যেভাবে যাচাই করবেন
প্রথমে neir.btrc.gov.bd লিংকে ভিজিট করে আপনার ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট রেজিস্টার করুন। এরপর পোর্টালের Special Registration সেকশনে গিয়ে মোবাইল হ্যান্ডসেট এর IMEI নম্বরটি দিন।
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টের ছবি/স্ক্যান কপি(যেমনঃ পাসপোর্টের ভিসা/ইমিগ্রেশন তথ্যাদি, ক্রয় রশিদ ইত্যাদি) আপলোড করুন এবং Submit বাটনটি প্রেস করুন।
হ্যান্ডসেটটি বৈধ হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হবে। হ্যান্ডসেটটি বৈধ না হলে এসএমএস এর মাধ্যমে গ্রাহককে জানিয়ে পরীক্ষাকালীন সময়ের জন্য নেটওয়ার্কে সংযুক্ত রাখা হবে।
সেই সময় পার হলে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মোবাইল অপারেটরের নিকটস্থ কাস্টমার কেয়ার সেন্টারের সাহায্যেও এই সেবা নেয়া যাবে।
বর্তমানের ব্যাগেজ রুলস অনুযায়ী একজন ব্যক্তি বিদেশ থেকে শুল্কবিহীন সর্বোচ্চ দুইটি এবং শুল্কপ্রদান করে আরও ছয়টি হ্যান্ডসেট সাথে আনতে পারেন।
যেভাবে ব্যবহৃত মোবাইল হ্যান্ডসেটের বর্তমান অবস্থা যাচাই করবেন
আপনার ব্যবহৃত মোবাইল হ্যান্ডসেটের বর্তমান অবস্থাও আপনি যাচাই করে নিতে পারেন কয়েকটি ধাপ মেনে।
প্রথমে মোবাইল হ্যান্ডসেট থেকে *১৬১৬১# নম্বরে ডায়াল করুন। স্ক্রিনে দেখানো অপশন থেকে Status Check অপশন সিলেক্ট করুন।
এরপর অটোমেটিক বক্স আসলে সেখানে হ্যান্ডসেটের ১৫ ডিজিটের IMEI নম্বরটি লিখে সেন্ড করুন। হ্যাঁ/না অপশন সম্বলিত একটি অটোমেটিক বক্স আসলে হ্যাঁ Select করে নিশ্চিত করুন।
ফিরতি মেসেজে ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের হালনাগাদ অবস্থা জানানো হবে।
মোবাইল ফোন সেটের আইএমইআই নম্বর জানা না থাকলে ডায়াল অপশনে গিয়ে *#০৬# চাপলে আইএমইআই নম্বর পাওয়া যাবে। এছাড়া মোবাইলের বক্সে কিংবা মোবাইলের পেছনে একটি স্টিকারেও এটি লেখা থাকে।
neir.btrc.gov.bd ওয়েব লিংকে গিয়ে বিদ্যমান সিটিজেন পোর্টাল এবং মোবাইল অপারেটরের কাস্টমার কেয়ার সেন্টারেও এই সেবা পাবেন গ্রাহকরা। ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) সম্পর্কে আরও জানতে ডায়াল করুন বিটিআরসি’র হেল্পডেস্ক নম্বর ১০০ অথবা মোবাইল অপারেটরদের কাস্টমার কেয়ার নম্বর ১২১।
সংক্ষেপে দেখুনস্মার্টফোন হারাবার আগেই কোন কোন প্রস্তুতি থাকতে হয়?
আপনার ফোন কখনো হারায়নি? কিন্তু তাতে কী! বর্তমানে স্মার্টফোন হারিয়ে ফেলা খুব সাধারণ ঘটনা হয়ে গিয়েছে। হারিয়ে না গেলেও হুট করে ফোন নষ্টও হয়ে যেতে পারে। সবমিলিয়ে ফোন ছাড়া আমাদের জীবন যখন প্রায় অচলই বলা চলে, তখন হুট করে ফোন হারিয়ে যাওয়া বা নষ্ট হওয়ার ব্যাপারে আগে থেকে সাবধানতা অবম্বন করাই বুদবিস্তারিত পড়ুন
আপনার ফোন কখনো হারায়নি? কিন্তু তাতে কী! বর্তমানে স্মার্টফোন হারিয়ে ফেলা খুব সাধারণ ঘটনা হয়ে গিয়েছে। হারিয়ে না গেলেও হুট করে ফোন নষ্টও হয়ে যেতে পারে। সবমিলিয়ে ফোন ছাড়া আমাদের জীবন যখন প্রায় অচলই বলা চলে, তখন হুট করে ফোন হারিয়ে যাওয়া বা নষ্ট হওয়ার ব্যাপারে আগে থেকে সাবধানতা অবম্বন করাই বুদ্ধিমানের কাজ।
ফোন হারিয়ে যাক, চুরি হোক বা নষ্ট হয়ে যাক- চলুন জেনে নিই এমন কোনো পরিস্থিতির জন্য আগে থেকেই কীভাবে প্রস্তুত থাকবেন।
সাধারণ সতর্কতার ক্ষেত্রে যা যা করবেন
আপনার যত্ন করে রাখা ফোনটা কিন্তু হারিয়ে যেতেই পারে
স্মার্টফোন দুটোভাবে নষ্ট হতে পারে। প্রথমত, বাহ্যিকভাবে। আর দ্বিতীয়ত, সফটওয়্যার সংক্রান্ত কোনো সমস্যায়। প্রথমেই তাই ফোনের হার্ডওয়্যারকে সুরক্ষিত রাখতে ভালো একটি কেইস ব্যবহার করুন, যেটা হাত থেকে পড়ে গেলেও ফোনকে সুরক্ষিত রাখবে। এবার চলুন দেখে নেওয়া যাক ফোনের সফটওয়্যার, অর্থ্যাৎ তথ্যগুলোকে সুরক্ষিত রাখতে কী কী ব্যবস্থা নিতে পারেন আপনি।
স্ক্রিন লক করুন
হারিয়ে যাওয়া বা চুরি হওয়া ফোন থেকে তথ্য অন্যের হাতে যাওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। তাই ফোনে আপনার চেহারা ও আঙুলের মাধ্যমে লক করে রাখুন। ফেসিয়াল বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট রিকগনিশন চালু থাকলেও অবশ্য পাশাপাশি ভালো মানের পাসওয়ার্ড দিন। এতে আপনার ফোন অন্তত প্রাথমিকভাবে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত থাকবে।
লোকেশন ফিচার ব্যবহার করুন
অ্যান্ড্রয়েড বা আইফোনে লোকেশন ফিচার চালু রাখুন। অ্যাপের লোকেশন নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বন্ধ রাখলেও ফোনের লোকেশন ফিচার অন করুন। কারণ এটি শুধু ম্যাপ দেখতেই নয়, আরো নানারকম কাজে সাহায্য করবে আপনাকে। আপনার ফোন হারিয়ে গেলেও কোথায় হারিয়েছে সেটা খুঁজে বের করা সহজ হবে।
অ্যাপের লোকেশন নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বন্ধ রাখলেও ফোনের লোকেশন ফিচার অন করুন
ফোন আইডেন্টিফিকেশন নম্বরের কপি রাখুন
ফোন হারিয়ে গেলে সেটা খুঁজে বের করার জন্য যে জিনিসটি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হয় সেটা হলো ফোন আইডেন্টিফিকেশন নম্বর, অর্থাৎ- সিরিয়াল নম্বর ও ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি নম্বর। যদি ফোন হারিয়েই যায় সেক্ষেত্রে পুলিশ রিপোর্ট করার ক্ষেত্রে এটি কাজে লাগবে। তাই নম্বরটির কপি নিজের কাছে আলাদাভাবে রাখুন। সেটিংসে গেলে বা *#06# ডায়াল করে খুব সহজেই এই নম্বর বের করতে পারবেন আপনি।
ওয়ারেন্টি পড়ে দেখুন এবং ইনস্যুরেন্স নিন
সব ফোন কোম্পানি ইনস্যুরেন্স সেবা না দিলেও কিছুক্ষেত্রে বাড়তি টাকা খরচের মাধ্যমে এটি পেতে পারেন আপনি। এই ইনস্যুরেন্স শুধু আপনাকে ফোন কাজ না করলে সেটা ঠিক করারই সুযোগ করে দেবে না, একইসাথে হারিয়ে যাওয়া ফোনের ব্যাপারেও কিছু সুবিধা দেবে। কী কী সুবিধা পাবেন আপনি ফোন কেনার মাধ্যমে সেটা বোঝার জন্য ওয়ারেন্টি ভালোভাবে পড়ে নেওয়াটাও জরুরি। তাই ফোন কেনার আগে এই ব্যাপারগুলো মাথায় রাখুন।
টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন চালু রাখুন
আপনার ফোন ও ফোনে থাকা অ্যাপগুলোর টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন চালু রাখুন। এতে করে কেউ যদি ফোন চালানোর চেষ্টা করে তাহলে আপনি আপনার ইমেইল, এসএমএস সবকিছুতেই নোটিফিকেশন পাবেন। এমনকি ফোন নষ্ট হয়ে গেলেও ব্যাক আপ ইমেল বা এসএমএস-এর মাধ্যমে ফোনের তথ্য ফিরে পেতে পারবেন আপনি।
ব্যাকআপ রাখুন
ফোনে অনেক অনেক তথ্য থাকে আমাদের, যেটা ফোন হারিয়ে গেলে বা নষ্ট হলে হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই ফোনের সব তথ্য ক্লাউড স্টোরেজে রেখে দিন। একবার আপনার ফোনের সাথে ক্লাউড স্টোরেজ কানেক্ট হয়ে গেলে এরপর নিজ থেকেই সবগুলো তথ্য ফোনের বাইরেও জমা হয়ে যাবে।
ফোনের সব তথ্য ক্লাউড স্টোরেজে রেখে দিন
অ্যাপল, গুগল, স্যামসাং ডিভাইসের মাধ্যমে সাধারণ তথ্য ছাড়াও ফোনের ক্ষুদেবার্তা, ফোন নম্বর, কল হিস্ট্রি ইত্যাদি সবকিছুই আপনি অনুমতি দিলে জমা হয়ে যাবে আপনার কাঙ্ক্ষিত স্থানে। যদি ছবি জমিয়ে রাখার প্রয়োজন হয় আপনার, সেক্ষেত্রে গুগল ফটোজ, আইক্লাউড ফটোজ বা ড্রপবক্সের মতো স্থানগুলোও ব্যবহার করতে পারেন।
ফোন খুঁজে নিন
আপনার ফোন যদি চুরি হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে অ্যাপল, গুগল বা স্যামসাং ডিভাইস থেকে ‘ফাইন্ড মাই ডিভাইস’ পেইজে যান এবং ফোন খুঁজে বের করুন। যদি আপনার ফোন চালু থাকে তাহলে সেটা কোথায় আছে জেনে নিতে পারবেন আপনি। ইচ্ছা হলে ফোনের নির্দিষ্ট কিছু অ্যাপ নিষ্ক্রিয়ও করে দিতে পারবেন।
নষ্ট ফোনের জন্য ব্যবস্থা নিন
নানারকম দুর্ঘটনায় ফোন নষ্ট হয়ে যেতেই পারে। সেক্ষেত্রে ডিভাইসের নির্দিষ্ট কোম্পানি ফোনে পানি গেলে বা কোনো ক্ষতি হলে কী পদ্ধতি অনুসরণ করতে বলেছে তা সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নিন। সাধারণত এসব ব্যাপার ও নির্দেশনা ডিভাইসের সাথে থাকা কাগজেই লেখা থাকে। সেগুলো দেখে নিয়ে সেই মতো কাজ করুন।
নষ্ট হওয়া ফোনের ক্ষেত্রে কোম্পানির নির্দেশনা মেনে চলুন
প্রযুক্তির উৎকর্ষের ফলে ফোন ছাড়া আমরা যেন আমাদেরকে কল্পনাই করতে পারি না। প্রতিদিনের পথচলায় অনেক বেশি নির্ভর করি আমরা ফোনের উপরে। তাই দৈনন্দিন জীবনের এই সঙ্গীকে সামলে রাখার, নিজের নিরাপত্তাকে নিশ্চিত করার জন্য উপরের ব্যাপারগুলো তো মেনে চলাই যায়, তাই না?
সংক্ষেপে দেখুনমোবাইল ক্যামেরার কাছে হার মানবে DSLR-ও !! সত্যি ?
ফটোগ্রাফির জন্য হাতের কাছে দামি DSLR কিংবা হাইফাই ক্যামেরা আজ আর না হলেও চলে। কারণ হাতের মুঠোয় রয়েছে দুর্দান্ত সব স্মার্টফোন। যাদের ক্যামেরা মাত দিতে পারে বাঘা বাঘা ডিজিটাল ক্যামেরাকে। মোবাইল ফটোগ্রাফি কিন্তু মোটেই আজ আর হেলাফেলার জিনিস নয়। মানুষের চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দুর্ধর্ষ সব ক্যামেরা নিয়েবিস্তারিত পড়ুন
ফটোগ্রাফির জন্য হাতের কাছে দামি DSLR কিংবা হাইফাই ক্যামেরা আজ আর না হলেও চলে। কারণ হাতের মুঠোয় রয়েছে দুর্দান্ত সব স্মার্টফোন। যাদের ক্যামেরা মাত দিতে পারে বাঘা বাঘা ডিজিটাল ক্যামেরাকে। মোবাইল ফটোগ্রাফি কিন্তু মোটেই আজ আর হেলাফেলার জিনিস নয়। মানুষের চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দুর্ধর্ষ সব ক্যামেরা নিয়ে হাজির হচ্ছে মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি। কেউ দিচ্ছে 100 মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা তো কেউ 200। এ বলে আমায় দেখ, তো ও বলে আমায়। আর সেই বাজারে Apple-র নাম উঠলে তো কথাই নয়। সম্প্রতি গোটা একটা সিনেমা শুট হয়ে গিয়েছে লেটেস্ট iPhone মডেল দিয়ে। বিশাল ভরদ্বাজ নির্মীত সেই ‘ফুরসত’ ছবিটি নিয়ে ইতিমধ্যেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে নেটমাধ্যমে। ফলে বুঝতেই পারছেন, মোবাইল ক্যামেরা বিষয়টি মোটেই হেলাচ্ছেদ্দা করার মতো বিষয় নয়। মোবাইল ফটোগ্রাফি তো নয়ই। তবে মোবাইলে ভাল ক্যামেরা থাকলেই যে আপনি দুর্দান্ত ছবি তুলে ফেলতে পারবেন, তা কিন্তু নয়। তার জন্য চাই ঠিকঠাক প্রশিক্ষণ। তবে খুব কঠিন কিছুও নয় তা। সামান্য কয়েকটি জিনিস মাথায় রাখলেই আপনিও হয়ে উঠতে পারেন দুর্দান্ত ফটোগ্রাফার। মোবাইলে ভালো ছবি ও সেলফি তোলার সহজ কিছু টিপস রইল আপনারই জন্য। যা জানা থাকলে আপনার হাতের মোবাইলই হয়ে উঠবে DSLR। আসুন জেনে নেওয়া যাক, সেই সব কৌশল, যার অ্যাকসেস আপনি সহজেই পেতে পারেন Settings অপশন থেকেই।
মোবাইল ক্যামেরায় গ্রিডলাইন জরুরি
মোবাইল ক্যামেরার settings অপশনে গেলে সেখানে গ্রিডলাইন বলে একটি অপশন দেখতে পাবেন। যেটি অন করলে ক্যামেরার স্ক্রিনে বেশ কিছু উলম্ব ও অনুভূমিক রেখা দেখা যায়, যা ন’টি ভাগে ভাগ করা থাকে। যা প্রাথমিক ভাবে অকাজের মনে হলেও, ভালো ছবি তোলার জন্য কিন্তু বেশ জরুরি এই গ্রিডলাইন। এই গ্রিডলাইন আপনার ছবির রেশিওকে সোজা রাখতে সাহায্য করে। ছবি তোলার সময় ওই রেখার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ফ্রেম সেট করতে পারলে, আপনাকে আর ঠেকায় কে!
সেট করুন ক্যামেরার ফোকাস মোড
ক্যামেরা অন করে শাটার বাটন প্রেস করে দিলেই কিন্তু ছবি তোলা হয় না। বরং কোন বস্তুটির ছবি আমরা তুলতে চাইছি, তাকে প্রথমে ফোকাসে আনা চাই। আর তার জন্যই ক্যামেরা সেটিংসে থাকে ফোকাসের একটি বিকল্প। যেখানে গিয়ে ফোকাস মোডটি অন করতে হবে আপনাকে। এর পর যে বস্তুটির ছবি তুলতে চান, সেই উদ্দিষ্ট বস্তুটির উপর ফোকাস সেট করা প্রয়োজন। তার জন্য ক্য়ামেরা স্ক্রিনের উপর উদ্দিষ্ট জায়গায় ট্যাপ করতে হবে। তাহলেই দেখবেন একটি গোলাকার ফোকাস অপশন দেখা যাবে স্ক্রিনের। ভাল ছবি তোলার অনেকটা কৃতিত্বই কিন্তু যায় এই ফোকাস মোডের উপরে।
HDR মোড ব্যবহার করতে শিখুন
High dynamic range বা HDR, মোবাইল ক্যামেরা অ্যাপের এই ফিচারটি লাইট ও ডার্ক এলিমেন্টে ব্যালান্স আনে এই HDR মোড। ঘরে লো লাইটে ছবি তুললে ব্রাইট ব্যাকগ্রাউন্ডে তোলার চেষ্টা করবেন। তবে এই যে আলো-আধারির সমস্যা তা কিন্তু HDR মোডের সাহায্যে অনেকটাই মেটানো সম্ভব। iPhone-র ক্ষেত্রে সমস্ত ছবিই HDR মোডে ওঠে। তবে অন্যান্য Androidফোনের ক্ষেত্রে ম্যানুয়ালি ওই মোড অন করতে হয়। তাই ক্যামেরার Settings-এ গিয়ে HDR মোড অন করার কথা ভুলবেন না যেন।
ন্যাচারাল লাইটই সবচেয়ে ভাল
সবসময় মনে রাখবেন, যে কোনও কৃত্রিম আলোর তুলনায় ন্যাচারাল আলোয় ছবি ওঠে সবচেয়ে ভালো। তাই ফ্ল্যাশ ব্যাবহার করে ছবি তোলার চেয়ে প্রাকৃতিক আলোয় ছবি তোলার চেষ্টা করুন। অন্ধকারে তোলা ছবিতে শ্যাডো ব্যবহার করে দেখতে পারেন। পাশাপাশি একসঙ্গে একাধিক জিনিসের ছবিতে ফোকাস করার চেষ্টা করবেন। তাহলে কিন্তু আখেরে গোটা ছবিটাই ঘেঁটে যাওয়ার সম্ভবনা থাকে।
সোজা রাখুন মোবাইল
মোবাইল হোক বা ক্যামেরা, ডিভাইসধরে হাত বেশ নড়লে সব ছবিই উঠবে ব্যাঁকাট্যারা। তাই ছবি তোলা সময় ফোন সোজা ধরার চেষ্টা করুন। যে হাতে ক্যামেরা ধরেছেন, সেই হাতটাকে অন্য হাত দিয়ে সাপোর্ট দেওয়ার চেষ্টা করুন। আরেকটি ছোট্ট টিপস রয়েছে, ছবির ক্যাপচার বাটনটি প্রেসের সময় এক-দু সেকেন্ড নিঃশ্বাস বন্ধ রাখার চেষ্টা করে দেখতে পারেন। তাও যদি ছবি কাঁপে, তাহলে মোবাইল ট্রাইপড ব্যবহার করতে পারেন। সেলফি তোলার ক্ষেত্রেও বেশ সুবিধা পাবেন এর ফলে।
ডেটা হারিয়ে গেলেও কিছু ম্যাজিক ট্রিকস জানলে পুরনো ফোনের সব ডেটাই ফিরবে নয়া ফোনে, কিভাবে?
ডেটা হারানোর ভয় ভ্যানিশ! এই ম্যাজিক ট্রিকস জানলে পুরনো ফোনের সব ডেটাই ফিরবে নয়া ফোনে! নতুন ফোন তো কিনেছেন! তা নতুন ফোন কেনার আনন্দ কার না হয়। তবে নতুন ফোন কেনার ভাবনা এলেই একটা চিন্তা আমাদের কুড়ে কুড়ে খেতে থাকে। পুরনো ফোন ভর্তি যে এত এত তথ্য, সেসব কি তবে পুরোটাই গঙ্গায়। আর সেই দুশ্চিন্তায় নতুন ফোনবিস্তারিত পড়ুন
ডেটা হারানোর ভয় ভ্যানিশ! এই ম্যাজিক ট্রিকস জানলে পুরনো ফোনের সব ডেটাই ফিরবে নয়া ফোনে! নতুন ফোন তো কিনেছেন! তা নতুন ফোন কেনার আনন্দ কার না হয়। তবে নতুন ফোন কেনার ভাবনা এলেই একটা চিন্তা আমাদের কুড়ে কুড়ে খেতে থাকে। পুরনো ফোন ভর্তি যে এত এত তথ্য, সেসব কি তবে পুরোটাই গঙ্গায়। আর সেই দুশ্চিন্তায় নতুন ফোন কেনার পুরো আনন্দটাই মাটি। এখন তো আবার পুরনো ফোন এক্সচেঞ্জ করে নতুন ফোন কেনার চল। সেক্ষেত্রে ডেটা উদ্ধার হবে কীভাবে! তবে সেই সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়ার উপায়ও কিন্তু আছে হাতের কাছেই। এমন অনেক টুল এবং পদ্ধতি রয়েছে, যার মাধ্যমে ঝেড়ে ফেলতে পারেন এমন সব দুশ্চিন্তাই। নতুন ফোন কিনে সম্পূর্ণ আলাদা অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারের ক্ষেত্রেও কিন্তু পুরনো ফোনের সমস্ত তথ্য রিট্রিভ করা সম্ভব। তার জন্য রয়েছে হাজার একটা পদ্ধতি। তবে তার জন্য শিখে রাখতে হবে কয়েকটি সহজ পদ্ধতি।
একটি ফোন থেকে অন্য ফোনে ডেটা ট্রান্সফার কিন্তু এমন কিছু হাতিঘোড়া কাজ নয়। তবে তার জন্য আপনার পুরনো ফোনের ব্যাকআপ থাকা কিন্তু খুব জরুরি। প্রযুক্তির জোরে আপনার ছবি, ভিডিও, মিউজিক, কন্টাক্ট থেকে শুরু করে অ্যাপসেরও ব্যকআপ রাখা যায় মোবাইলে। আর সেসব অবিকল ট্রান্সফার হয়ে যেতে পারে নয়া মোবাইলটিতে। তার জন্য ফোনের Settings-এ গিয়ে system-এ ঢুকে Backup অপশনটি অন করতে হবে। মনে করে Google Drive-অপশনটিকেই ব্যাকআপ নেওয়ার জন্য সিলেক্ট করবেন। এর পরে স্ক্রিনে আসা ইনস্ট্রাকশন ফল করে করে ব্যাক আপের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করবেন। তবে মনে রাখবেন গোটা ব্যাপারটা কিন্তু একটু সমসসাপেক্ষ। কতটা ডেটার ব্যাকআপ নিতে চাইছেন, তার উপরে নির্ভর করছে অনেকটাই।
নতুন ফোন সেটআপ করুন
পুরনো ফোনের ব্যাকআপ নেওয়ার কাজ শেষ হলে নতুন ফোন সেট আপ করা শুরু করতে পারেন। ফোন এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে আগেই ব্যাক আপ নেওয়ার কাজ সেরে রাখবেন। নতুন ফোনটিঅন করে যেমন যেমন নির্দেশ আসবে তা ফলো করে যান। এরপর আপনাকে Google Account-এ লগইন করতে বলা হবে। যে অ্যাকাউন্টে পুরনো ফোনের ব্যাকআপ নিয়েছেন, মনে করে সেই অ্যাকাউন্টটিতেই সাইন ইন করতে ভুলবেন না। সাইন ইন করা হয়ে গেলে ব্যাকআপ সিলেক্ট করে নির্দেশ ফলো করলেই রিস্টোর প্রসেস সম্পূর্ণ হয়ে যাবে।
USB কেবল দিয়েও সম্ভব ডেটা ট্রান্সফার
মিউজিক বা অ্যাপের মতো বড় কোনও ফাইল ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে USB পদ্ধতিও ব্যবহার করতে পারেন। তবে সেক্ষেত্রে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে একটি ল্যাপটপ বা কম্পিউটারের দরকার হবে আপনার। প্রথমে USB কেবলের মাধ্যমে পুরনো কম্পিউটার থেকে সমস্ত ডেটা নিয়ে নিন কম্পিউটারে। এর পরে নতুন মোবাইলটি USB কেবল দিয়ে কম্পিউটারে কানেক্ট করে পুরনো মোবাইলের ডেটা নিয়ে নিন নতুন ফোনে। এটিও কিন্তু একটু সময়সাপেক্ষ প্রসেস। তাই একটু ধৈর্য আপনাকে ধরতে হতেই পারে।
থার্ড পার্টি টুল দিয়ে ডেটা ট্রান্সফার
ডেটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে থার্ড পার্টির কোনও অ্যাপও ব্যবহার করতে পারেন। সেক্ষেত্রে Google Play Store-এ একগুচ্ছ অ্যাপ পেয়ে যাবেন, যার মাধ্যমে একটি Androidথেকে আরেকটি Android-এ ডেটা ট্রান্সফার করা যায় সহজেই। কনট্য়াক্টস থেকে শুরু করে ফটো, ভিডিও, মিউজিক এমনকী অ্যাপও ট্রান্সফার সম্ভব। অ্যাপ খুললেই এ সংক্রান্ত ইনস্ট্রাকশন দেখতে পাবেন স্ক্রিন জুড়ে। তা ফলো করলেই চোখের নিমেষে আপনার ডেটা ট্রান্সফারের কাজ সম্ভব হবে।
NFC-র মাধ্যমে ডেটা ট্রান্সফারও জলভাত
নতুন এবং পুরনো, দু’টি ফোনই যদি NFC ( Near field Communication) সাপোর্টেড হয়, সেক্ষেত্রে এই প্রযুক্তিটি ব্যবহার করেও ডেটা ট্রান্সফার করতে পারেন সহজেই। তার জন্য দুটি ফোনকেই একসঙ্গে ধরে রাখতে হবে। এর পরেই আপনি স্ক্রিনে প্রয়োজনীয় ইনস্ট্রাকশন দেখতে পারেন। তা ফলো করলেই ঝড়ের গতিতে ডেটা ট্রান্সফার করা সম্ভব হবে। তবে বড় ফাইলের ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি একটু কঠিন। সেক্ষেত্রে আগের পদ্ধতিগুলোই অবলম্বন করা ভালো।
সংক্ষেপে দেখুনবিকল হতে পারে আপনার সদ্য কেনা স্মার্টফোন ! কিভাবে?
হাতের মুঠোয় স্মার্টফোন নিয়ে দিন শুরু হয় আমাদের। দিন শেষও হয় ওই একটি যন্ত্রের সঙ্গেই। ফলে আজকের দিনে দাঁড়িয়ে মোবাইল ছাড়া জীবনকে ভাবাটাই যেন এক কঠিন কাজ। ক্রমশ আরও ভালো প্রযুক্তি, প্রসেসর, আরও বেশি স্টোরেজ থেকে দুর্ধর্ষ সব ফিচারের দিকে হেঁটে যাচ্ছে মোবাইল। চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নানা স্পেশিফিকেশনবিস্তারিত পড়ুন
হাতের মুঠোয় স্মার্টফোন নিয়ে দিন শুরু হয় আমাদের। দিন শেষও হয় ওই একটি যন্ত্রের সঙ্গেই। ফলে আজকের দিনে দাঁড়িয়ে মোবাইল ছাড়া জীবনকে ভাবাটাই যেন এক কঠিন কাজ। ক্রমশ আরও ভালো প্রযুক্তি, প্রসেসর, আরও বেশি স্টোরেজ থেকে দুর্ধর্ষ সব ফিচারের দিকে হেঁটে যাচ্ছে মোবাইল। চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নানা স্পেশিফিকেশনের ফোন লঞ্চ হচ্ছে বাজারে। স্পেশিফিকেশন ও ফিচার্সের মতোই দামেও তার বাহার প্রচুর। তবে যত দামীই ফোন কিনুন না কেন, তার আয়ু খুব বেশি হলে তিন-চার বছর। তার পরেই নানা সমস্যা দেখা দিতে থাকে মোবাইলে। ব্যাস, তারপরেই আবার শুরু নতুন ফোনের খোঁজ। তবে আয়ু ফুরানোর আগেই কিন্তু ফোন খারাপ হয়ে যায় আমাদেরই কিছু ভুলে। প্রতিদিনের জীবনে আমরা এমন কিছু ভুল কাজ করে বসি, যার ফলে মারাত্মক ক্ষতি হয়ে যায় ফোনের। কীভাবে ফোন ভালো রাখবেন?
দিনরাত চার্জ নৈব নৈব চ
অনেকেই চার্জ ফুরিয়ে যাওয়ার ভয়ে রাতদিন মোবাইলটাকে চার্জে বসিয়ে রাখেন। যা আদতে ক্ষতি করে মোবাইলের ব্যাটারির। শুধু ব্যাটারিই নয়, অতিরিক্ত চার্জে নষ্ট হয়ে যায় মাদারবোর্ডও। আর মাদারবোর্ড একবার নষ্ট হলে গোটা ফোনেরই বারোটা। একে তো দাম বেশি, তার উপর মাদারবোর্ড পাল্টানোও সহজ কথা নয়। তাই সারাক্ষণ মোবাইল চার্জে বসিয়ে রাখার ব্যাপারে সতর্ক হোন।
ময়েশ্চার হইতে সাবধান
ময়েশ্চার বা ভিজেভাব কিন্তু মোবাইলের শত্রু। ময়েশ্চারের কারণেও মাদারবোর্ডও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ক্ষতি হয় ক্যামেরা ও ডিসপ্লেরও। আর ব্যাটারি তো বলাই বাহুল্য। তাই ভিজে হাতে ফোন ধরা বা ফোনকে স্যাঁতস্যাঁতে জায়গায় রাখবেন না কোনও মতেই। করোনাকালীন সময়ে অনেকেই মোবাইলে স্যানিটাইজারে স্নান করাতেন সুরক্ষার খাতিরে। ফের থাবা বসাচ্ছে অ্যাডিনো ভাইরাস। জীবাণু মারার জন্য ফোনে স্যানিটাইজার ব্যবহার করবেন না মোটেও। তার থেকেও ময়েশ্চার পৌঁছে যায় ফোনের বিভিন্ন অংশে। তার চেয়ে ইউভি যুক্ত মেশিন ব্যবহার করুন ফোন জীবাণুমুক্ত রাখতে। মনে রাখবেন, মাদারবোর্ডই কিন্তু ফোনের প্রাণভোমরা। ওটি একবার বিগড়োলেই ফোনের মৃত্যু অবধারিত।
গেমেই মরণফাঁদ
মোবাইলে কমবেশি গেম অনেকেই খেলেন। আজকালকার দিনে গেমিং বেশ ট্রেন্ডিংও বটে। তবে মোবাইসে গেম খেলার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকবেন। ভুল করেও মোবাইল চার্জে বসিয়ে গেম খেলবেন না কখনও। তাতে ফোনর স্পিড কমে যায়। ব্যাটারি এবং ফোনের আয়ুও ফুরোতে থাকে দ্রুত। ফলে এ ব্য়াপারে সাবধান থাকুন, নাহলে নতুন ফোনের ক্ষতি হতে পারে অচিরেই।
যে কোনও অ্যাডপ্টারে ফোন চার্জ নয়
হাতের কাছে একটা চার্জার পেলেন তো সঙ্গে সঙ্গে চার্জে গুঁজে দিলেন মোবাইল। এই ভুল না করলেই ভালো। বিভিন্ন ফোনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের চার্জার ব্যবহৃত হয়। যা তার ব্যাটারি এবং মাদারবোর্ডের সঙ্গে কম্প্যাটিবল হয়ে থাকে। তাই সমস্ত ফোনের সঙ্গেআলাদা আলাদা চার্জার দেওয়া হয়। তাই পোর্ট এক হলেও যে কোনও চার্জারে ফোন চার্জ করবেন না। হতেই পারে, সেই চার্জারটি আপনার ফোনের সঙ্গে কম্প্যাটিবেল হল না, আর তা অচিরে আপনার ফোনেরই ক্ষতি করল।
শূন্য নয়, একশো নয়
বিশেষজ্ঞেরা বলেন, ফোনের চার্জ কখনওই পুরোপুরি ড্রেন করে ফেলা উচিত নয়। এমনকী ইদানীং কেউ কেউ বলছেন, পুরো চার্জ অর্থাৎ 100 শতাংশ চার্জও ফোনের পক্ষে ক্ষতিকর। ফোনের চার্জ সর্বদা 20 শতাংশ থেকে 80 শতাংশের মধ্যে রাখার পরামর্শ দেন অভিজ্ঞরা। তাতে নাকি ব্যাটারি লাইফ ভালো থাকে। যার ফলে ফোনের আয়ুও বাড়ে কয়েকগুণ।
সংক্ষেপে দেখুনকোন মারাত্মক ভুলগুলি করলে অকালেই আয়ু ফুরোয় মোবাইল ব্যাটারির ?
এখনকার মোবাইল মানেই ইউজ অ্যান্ড্র থ্রো। প্রতিদিন নতুন নতুন আপডেটেশন ও ফিচারের সঙ্গে দুর্ধর্ষ সব ফোন লঞ্চ করছে মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি। সেগুলির যেমন স্পেশিফিকেশন, তেমনই দাম। তবে কয়েকদিন যেতে না যেতেই মুখ থুবড়ে পড়ছে সেইসব নতুন ফোনের ব্যাটারি। আর ব্যাটারি একবার নষ্ট হলে, স্মার্টফোনের আয়ুও কিন্বিস্তারিত পড়ুন
এখনকার মোবাইল মানেই ইউজ অ্যান্ড্র থ্রো। প্রতিদিন নতুন নতুন আপডেটেশন ও ফিচারের সঙ্গে দুর্ধর্ষ সব ফোন লঞ্চ করছে মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি। সেগুলির যেমন স্পেশিফিকেশন, তেমনই দাম। তবে কয়েকদিন যেতে না যেতেই মুখ থুবড়ে পড়ছে সেইসব নতুন ফোনের ব্যাটারি। আর ব্যাটারি একবার নষ্ট হলে, স্মার্টফোনের আয়ুও কিন্তু শেষ। এখন তো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ইনবিল্ট নন রিমুভেবল ব্যাটারি ব্যবহৃত হয়। ফলে বাইরে থেকে ব্যাটারি পাল্টে যে আয়ু ফেরাবেন তার জায়গা নেই। ফলে একবার ব্যাটারি গেলে, নতুন ফোন কেনা ছাড়া আর কোনও উপায় থাকে না। কিন্তু আপনারই ভুলে হয়তো দেহ রাখছে আপনার সাধের মোবাইল। ফোনের ব্যাটারির আয়ু কিন্তু শেষমেশ আপনারই হাতে। কোন কোন ভুল মোবাইলের ক্ষেত্রে হতে পারে ভয়ানক বিপজ্জনক? আর তাই হয়তো না-জেনে, না-শুনে করে ফেলছেন রোজ রোজ। আসুন, জেনে নেওয়া যাক চট করে।
চার্জিংয়ের সময় ফোনে কথা
অনেকেই মোবাইল চার্জে বসিয়ে ফোনে কথা বলতে থাকেন, কিংবা কোনও অ্যাপ ব্যবহার করতে থাকেন। এতে কিন্তু ফোনের ক্ষতিই হচ্ছে আখেরে। তাই ফোন ফুল চার্জ করে পোর্ট থেকে খুলে না নেওয়া পর্যন্ত ফোন ব্যবহার একেবারেই নয়। এর ফলে ফোনের ব্যাটারির উপরে চাপ পড়ে। ব্যাটারির ক্ষতিও হয় তাড়াতাড়ি। তাছাড়া চার্জে বসিয়ে কথা বলা আপনার পক্ষেও বিপজ্জনক হতে পারে। বহু ক্ষেত্রেই ফোনের ব্যাটারি ব্লাস্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায় বিষয়টি। সবচেয়ে ভালো হয়, যদি ফোনটি সুইচ অফ করে চার্জে বসাতে পারেন।
গেমের নেশা সর্বনাশা
আপনার যদি অত্যাধিক বেশি গেম খেলার অভ্যেস থাকে, বা বাচ্চারা আপনার মোবাইল নিয়ে অতিরিক্ত পরিমাণে গেম খেলে, সেক্ষেত্রেও কিন্তু ব্যাটারি ধ্বসে যেতে পারে। তাই ফোন টেকাতে গেমিংয়ের মারাত্মক নেশা কিন্তু একটু না কমালেই নয়। অনেক সময়ই মোবাইল ব্যবহারের সময় সেটি গরম হয়ে যায়। আর তাতে কিন্তু ফোনের ব্যাটারির উপর বেশ চাপ পড়ে। আর এমনটা হলে, ফোন ব্যবহার কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ রাখুন। রিসেন্ট টাস্কগুলি ম্যানুয়ালি বন্ধ করে দিন।
আপডেটে অনিহা
সময়ে সময়ে বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার আপডেট পাঠাতে থাকে মোবাইল সংস্থা। সেসব আপডেটকে অগ্রাহ্য করার ভুল করেন অনেকেই। আর তাতেই ডেকে আনেন ব্যাটারির সর্বনাশ। এই সব আপডেটের মাধ্যমে বহু সিকিওরিটি প্যাচ আপডেট পাঠানো হয়, যা মোবাইলকে ভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা করে। সেই আপডেটকে অগ্রাহ্য করা মানে মোবাইলকে ভাইরাসের সঙ্গে ছেড়ে দেওয়া। যা কিন্তু আপনার মোবাইলের ব্যাটারির জন্য ভয়ঙ্কর হতে পারে। তাই আপডেট নিচে ভুলবেন না কখনও।
যে সে চার্জারে চার্জ
হাতের কাছে যে কোনও একটা চার্জার পেলেন, আর অমনি সাধের ফোনটিকে চার্জে বসিয়ে দিলেন। এমন ভুল অনেকেই করেন নিশ্চয়ই। লো কোয়ালিটির বা আনসাপোর্টেড চার্জারেচার্জ দেওয়ার কারণে কিন্তু বহু সময়েই মোবাইল ব্যাটারির আয়ু কমে আসে। তাই নির্দিষ্ট চার্জারেই মোবাইল চার্জ দিন সবসময়ে। তাতে ব্যাটারি বিস্ফোরণের আশঙ্কাও কমবে। ব্যাটারির শরীরও থাকবে সুস্থ।
বালিশের তলায় চার্জিং
মোবাইলটিকে চার্জে বসিয়ে মাথার বালিশের নিচে রেখে দিলেন। কিংবা কোনও একটা কিছুর তলায় রেখে বেমালুম ভুলে গেলেন। জানেন কি এরফলে কী ক্ষতি হতে পারে। চার্জিংয়ের সময়ে এমনিতেই গরম হয়ে যায় ফোন। আর এ সময়ে ফোনটিকে বালিশের নিচে রাখার অর্থ আরও গরম করে ফেলা ফোনটিতে। এতে কিন্তু ব্যাটারির ভয়ঙ্কর ক্ষতি হতে পারে। পাশাপাশি অতিরিক্ত গরম হয়ে ব্যাটারি ব্লাস্ট, এমনকী আগুন পর্যন্ত ধরে যেতে পারে বিছানায় এবং ঘরে। ফলে সতর্ক থাকুন।
সংক্ষেপে দেখুনফোনের মেমরি ভরে গেলে সহজ উপায়ে কিভাবে স্মার্টফোন সাফ করবেন?
স্মার্টফোনে জায়গা কমে গেলে দেখা দেয় বিভিন্ন ধরনের সমস্যা। তাই স্মার্টফোনের মেমরি কীভাবে ম্যানেজ করবেন, তা জেনে রাখা জরুরি। "নট এনাফ মেমরি!" বহু স্মার্টফোন ব্যবহারকারীই এই নোটিফিকেশনের বিরক্তির শিকার হয়েছেন। জীবনের একাধিক গুরুত্বের বা সুন্দর মুহূর্ত মোবাইলে ধরে রাখার সময় মেমরি খালি না থাকার মেসেজ পেয়বিস্তারিত পড়ুন
স্মার্টফোনে জায়গা কমে গেলে দেখা দেয় বিভিন্ন ধরনের সমস্যা। তাই স্মার্টফোনের মেমরি কীভাবে ম্যানেজ করবেন, তা জেনে রাখা জরুরি।
“নট এনাফ মেমরি!” বহু স্মার্টফোন ব্যবহারকারীই এই নোটিফিকেশনের বিরক্তির শিকার হয়েছেন। জীবনের একাধিক গুরুত্বের বা সুন্দর মুহূর্ত মোবাইলে ধরে রাখার সময় মেমরি খালি না থাকার মেসেজ পেয়ে থাকেন প্রায় সবাই। মাথায় তখন ঘুরতে থাকে, কোন ছবি ছেড়ে কোন ছবিকে ডিলিট করবেন! আবার কী মেমরি কার্ড পালটাতে হবে? তবে সহজ কিছু টিপস মেনে চললেই কিন্তু ফোন মেমরি অনেকটাই বাঁচানো সম্ভব হয়। টেক-টকে জেনে নিন কীভাবে ফাঁকা করবেন মোবাইল ফোন।জায়গার অভাব দেখা দিলে সব ফোনেই সমস্যা হয়। স্মার্টফোনের প্রসেসিং স্পিড কমে যাওয়া থেকে বারবার হ্যাং হওয়া- মেমরি ভর্তি হলে ঝামেলার শেষ নেই। আবার গুরুত্বপূর্ণ কোনও কাজের সময়ে নোটিফিকেশন আসতে পারে – “নট এনাফ মেমরি!” পাশাপাশি নতুন কোনও অ্যাপ ইনসটল করতে হলেও বাধা পেতে হবে।
ক্লাউডে ছবি/ভিডিয়ো জমানো শুরু করুন
গুগল ড্রাইভ বা ক্লাউডের মতো অ্যাপ ব্যবহার শুরু করুন। সেখানে ফোনের ছবি, ভিডিয়ো ইত্যাদি সেভ করে রাখতে পারেন। এর ফলে আপনার ফোনের উপর চাপ কম হবে এবং একইসঙ্গে আপনার পছন্দের মুহূর্তের ছবি-ভিডিয়োও অক্ষত থাকবে। অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহারকারীদের একটা বড় অংশই গুগল ফটো অ্যাপ ব্যবহার করে থাকেন।
হোয়াটসঅ্য়াপের সাহায্যে ফোনের স্টোরেজ সামলান
হোয়াটসঅ্য়াপের নিজস্ব স্টোরেজ ম্যানেজার থাকে। সেখানেও সেভ হয় আপনার হোয়াটসঅ্য়াপ থেকে পাঠানো বা হোয়াটসঅ্যাপ আসা ছবি-ভিডিয়ো। আন্দাজ করতেই পারছেন কী পরিমাণ মেমরি যাচ্ছে! সরাসরি সেটিংসে যান, সেখান থেকে ম্যানেজ স্টোরেজে গিয়ে ইচ্ছেমতোই ডিলিট করুন ফাইল।
নিয়মিত ক্যাশে ডিলিট করুন
মোবাইলের অ্যাপ সেটিংসে গিয়ে Cache ফাইল ডিলিট করুন নিয়মকরেই। কারণ, বহু অ্যাপের ক্যাশেতেই অনেকটা মেমরি দখল করা থাকে। এর ফলে কিছুটা হলেও মোবাইলে জায়গা ফ্রি হয়।
গুগল প্লে স্টোর থেকে অচল অ্যাপ ডিলিট করুন
অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা প্লে স্টোরে গেলেই দেখতে পাবেন, আপনার ফোনের অচল অ্যাপ কোনগুলি। দেখবেন, বেশ কিছু অ্যাপই দীর্ঘদিন ধরেই ব্যবহার না হয়েই পড়ে রয়েছে আপনার ফোনে। ব্যবহার তো কিছু হচ্ছেই না, উলটে যাচ্ছে ফোনের মেমরি। তালিকা দেখে এই অ্যাপগুলিকে সহজেই আনইনসটল করতে পারবেন আপনি।
স্টোরেজে চাপ কমাতে ব্যবহার করতে পারেন অ্যাপ
মোবাইলের স্টোরেজ বা মেমরিতে চাপ কম দিতে বাজারে রয়েছে একাধিক অ্যাপ। স্টোরেজ ম্যানেজার জাতীয় এই অ্যাপগুলির মাধ্যমে স্মার্টফোনের মেমরি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
সংক্ষেপে দেখুনপুরনো ফোন বিক্রি করার আগে কোন কোন বিষয় মাথায় রাখতে হয়?
পুরনো ফোন বিক্রি করার পরিকল্পনা? তাহলে অবশ্যই কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখুন। যা না মেনে চললে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন। পাশাপাশি ব্যক্তিগত ছবি, মেসেজ ফাঁস হতে পারে। নতুন ফোন কেনার জন্য অনেকেই পুরনো ফোন এক্সচেঞ্জ করে থাকেন। তবে তা করার আগে কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। পুরনো স্মার্টফোন বিক্রি করার আগে কবিস্তারিত পড়ুন
পুরনো ফোন বিক্রি করার পরিকল্পনা? তাহলে অবশ্যই কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখুন। যা না মেনে চললে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন। পাশাপাশি ব্যক্তিগত ছবি, মেসেজ ফাঁস হতে পারে। নতুন ফোন কেনার জন্য অনেকেই পুরনো ফোন এক্সচেঞ্জ করে থাকেন। তবে তা করার আগে কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে।
পুরনো স্মার্টফোন বিক্রি করার আগে কিছু বিষয় মাথায় রাখুন। তাড়াহুড়ো করে ফোন বিক্রি করলে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে ফাঁস হতে পারে ব্যক্তিগত তথ্য, ব্যাঙ্কের পাসওয়ার্ড।
নতুন ফোন কেনার সময় ই-কমার্স সাইটে পুরনো ফোন এক্সচেঞ্জ করার অপশন দেখে নিলে কিছু কিছু ফোনের ক্ষেত্রে ভালো দাম পাওয়া যায় ।কিন্তু বহু মানুষ সাত-পাঁচ না ভেবেই তা বিক্রি করে দেন। কেউ কেউ আবার অফলাইনে দোকানে গিয়ে বিক্রি করে আসেন পুরনো স্মার্টফোন।
পুরনো স্মার্টফোনে ইউজারের অনেক ডেটা, ব্যক্তিগত তথ্য এবং আর্থিক তথ্য সেভ থাকে। বিক্রি করার সঙ্গে সেগুলি ফাঁস হয়ে যেতে পারে। যেখানে বিক্রি করছেন তাদের হাতে চলে যেতে পারে ইউজারের ব্যক্তিগত ছবি, মেসেজ এবং অন্যান্য তথ্য। তাই ফোন বিক্রি করার আগে এ বিষয়গুলো অবশ্যই খেয়াল রাখুন।
সব ব্যাঙ্কিং ও UPI অ্যাপ ডিলিট করুন
মোবাইল ব্যাঙ্কিং ও UPI এর জন্য এখন নানা অ্যাপই ভরসা। আর এই অ্যাপের সঙ্গে জুড়ে থাকে ইউজারের অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত একাধিক ডেটা। তাই ফোন বিক্রি করার আগে, ওই অ্যাপের সেটিংস অপশনে গিয়ে সমস্ত ডেটা মুছে ফেলুন। তারপর ফোন থেকে ডিলিট করে দিন অ্যাপগুলি।
কল রেকর্ড ও মেসেজ মুছে ফেলুন
বর্তমান স্মার্টফোনগুলিতে কন্টাক্ট এবং মেসেজ ডেটাও ব্যাকআপ হয়। অন্যের হাতে এই সমস্ত ডেটা যাতে না যায় তার জন্য বিভিন্ন অ্যাপের সাহায্যে এই ডেটাগুলি গুগল ড্রাইভে ব্যাকআপ করে নিতে পারেন। তারপর নতুন ফোনে সেই ফাইলগুলি ট্রান্সফার করে নিতে পারেন।
এক্সটার্নাল ড্রাইভ/ক্লাউড স্টোরেজ
ক্লাউড স্টোরেজ যেমন গুগল ড্রাইভ, গুগল ফটোস, মাইক্রোসফট ওয়ান ড্রাইভ বা কোনও এক্সটার্নাল ড্রাইভে সমস্ত ডেটা ব্যাকআপ করে নিতে পারেন। যেহেতু এই ধরনের ড্রাইভ অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাই নতুন ফোনে ওই অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগ ইন করলেই সমস্ত ডেটা পেয়ে যাবেন। ডেটা মুছে ফেললেও, অ্যাকাউন্ট থেকে লগ আউট না হলে আপনার অ্যাকাউন্ট অন্য কেউ ব্যবহার করতে পারে। তাই সমস্ত গুগল এবং সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে লগ আউট হয়ে যান।
হোয়াটসঅ্যাপ ব্যাকআপ
ছবি, মেসেজ, ভিডিয়ো আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে বর্তমানে অত্যন্ত জরুরি হোয়াটসঅ্যাপ। নতুন ফোনে এই অ্যাপ ইনস্টল করার পর যাতে সব ডেটা আগের মতো পাওয়া যায়, তার জন্য পুরনো ফোনে হোয়াটসঅ্যাপ ডেটা গুগল ড্রাইভে ব্যাকআপ করে নিন। এর ফলে নতুন ফোনে হোয়াটসঅ্যাপ খোলার পর সব চ্যাট আগের মতো পেয়ে যাবেন।
সংক্ষেপে দেখুনফেয়ারফোন … কি রয়েছে এ স্মার্টফোনে?
ফেয়ারফোন: যে টেকসই স্মার্টফোন খুলে নিজেই ঠিক করতে পারবেন ব্যবহারকারী ফেয়ারফোন ব্র্যান্ডের স্মার্টফোনগুলোর বিভিন্ন অংশ খুলে নিয়ে ব্যবহারকারীরা নিজেরাই নতুন অংশ লাগিয়ে সারাই করতে পারবেন। এতে অন্য ব্র্যান্ডের তুলনায় খরচও কম পড়ে। কার্বন নিঃসরণ ও ই-বর্জ্য কমানো এ কোম্পানিটির অন্যতম লক্ষ্য। তবে স্মবিস্তারিত পড়ুন
ফেয়ারফোন: যে টেকসই স্মার্টফোন খুলে নিজেই ঠিক করতে পারবেন ব্যবহারকারী
ছোট্ট, চৌকোনো একটি বস্তু উঁচিয়ে ধরে বাস ভ্যান অ্যাবেল বললেন, ‘এটা আমার ফোনের ক্যামেরা।’ একটু আগে ছোট একটা স্ক্রুড্রাইভার দিয়ে নিজের স্মার্টফোন থেকে জিনিসটা বের করেছেন তিনি।
‘মোট আটটা কম্পোনেন্ট আছে, সবগুলো খুলে নেওয়া যায়, নতুন লাগানো যায়,’ নিজের ফোনটাকে খুলতে খুলতে বললেন তিনি। একে একে ফোন থেকে বের হলো ব্যাটারি, ইউএসবি পোর্ট, পর্দা, ও লাউডস্পিকার।
ডাচ সামাজিক উদ্যোগ ফেয়ারফোন-এর সহপ্রতিষ্ঠাতা ভ্যান অ্যাবেল। এ ফোন কোম্পানিটির দাবি, এটি ‘বিশ্বের সবচেয়ে টেকসই স্মার্টফোন’ তৈরি করে। কিন্তু একটি স্মার্টফোন কতটা টেকসই হতে পারে?
২০১৩ সালে আমস্টারডামে পথচলা শুরু করে অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ফেয়ারফোন। এ ব্র্যান্ডের তৈরি ফোনগুলো সহজেই বদলানো, পরিবর্তন, ও সারাই করানো যায়। আর ব্যবহারকারীরা নিজেরাই এ কাজগুলো করতে পারেন।
হালকা কোনো ত্রুটির কারণে ফোন ফেলে দেওয়ার বদলে এভাবে ফোন ঠিক করার উৎসাহ দিয়ে ইলেকট্রনিক বর্জ্য কমাতে সহায়তা করছে ফেয়ারফোন।
জাতিসংঘের তথ্যমতে, বিশ্বে প্রতিবছর আনুমানিক ৫০ মিলিয়ন টন ইলেকট্রনিক বর্জ্য তৈরি হয়। এর মাত্র ২০ শতাংশ রিসাইকেল করা হয়।
ই-বর্জ্য বাড়ার অন্যতম কারণ হলো বহনযোগ্য ডিভাইস ও স্মার্টফোনের চাহিদাবৃদ্ধি। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০৫০ সাল নাগাদ বার্ষিক ই-বর্জ্যের পরিমাণ দ্বিগুণ বেড়ে ১২০ মিলিয়ন টনে পৌঁছাবে।
২০২২ সালে ৫৩০ কোটি মোবাইল ফোন ফেলে দেওয়া হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গড়ে প্রতি ১৮ মাস অন্তর মানুষ তাদের ফোন বদলান। এসব ডিভাইসের বেশিরভাগই খোলার কোনো উপায় রাখা হয় না — তাই এগুলো ঠিক করানো খুবই কঠিন ও খরুচে কাজ।
আর দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকতে পারে এমন ফোন বিক্রি করার মাধ্যমে এ পরিস্থিতিতে পরিবর্তন আনতে চাইছে ফেয়ারফোন।
ভ্যান অ্যাবেল বলেন, ‘আমরা ফোনকে সারাই করার মতো উপযুক্ত করে তৈরি করি যাতে মানুষ সেটা দীর্ঘ সময় ব্যবহার করতে পারেন।’ যুক্তরাজ্যের একটি অলাভজনক সংস্থা দ্য রিস্টার্ট প্রজেক্ট-এর অনুমান, একটি স্মার্টফোনের জীবনকাল ৩৩ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো গেলে, তা থেকে আয়ারল্যান্ডের মোট বার্ষিক নিঃসরণের সমান পরিমাণ কার্বন নিঃসরণ কমানো যাবে।
ভ্যান অ্যাবেল জানান, ‘আমরা আমাদের সব ফোনে শতভাগ রিসাইকেল করা প্লাস্টিক এবং ফেয়ারট্রেডের মাধ্যমে কেনা সোনা ও রুপা ব্যবহার করি।’
তবে ফেয়ারফোনের ফোনগুলোর সব উপাদান টেকসই নয়। ফেয়ারফোন ৫-এ ৪০টি আলাদা উপাদান রয়েছে, তবে কেবল ১৪টি উপাদান (ফোনের মোট ওজনের ৪২ শতাংশ) টেকসইভাবে ও এথিক্যালি সংগ্রহ করা হয়। ১৪টি কাঁচামালের কেবল ৭০ শতাংশ ফেয়ারট্রেড বা রিসাইকেল উৎস থেকে আসে।
ফেয়ারফোনের আরেকটি লক্ষ্য হলো সমগ্র সরবরাহ চেইনে এথিক্যাল কর্মপরিবেশের উন্নয়ন ঘটানো। ডিআর কঙ্গোর সংঘাতপূর্ণ খনিগুলো নিয়ে সচেতনতা তৈরি করার লক্ষ্যে কোম্পানিটি ২০০৯ সালে একটি অ্যাক্টিভিজম ক্যাম্পেইন শুরু করে। বর্তমানে কোম্পানিটি ডিআর কঙ্গোর সংঘাতমুক্ত খনি থেকে টিন ও টাইটানিয়াম সংগ্রহ করে।
এত উচ্চাকাঙ্ক্ষা থাকা সত্ত্বেও মোবাইল ফোনের বাজারে এখনো ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠান ফেয়ারফোন। শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত সাড়ে পাঁচ লাখ ফোন বিক্রি করতে পেরেছে এটি। তুলনা বোঝানোর জন্য, কেবল ২০২২ সালেই বিশ্বে ২৩২ মিলিয়নের বেশি আইফোন বিক্রি করেছে অ্যাপল।
টেকসই-এর সঙ্গে দামটাও বেশি পড়ে। ফেয়ারফোনের সর্বশেষ মডেলটির দাম ৬৯৯ ডলার। ভ্যান অ্যাবেল জানান, এর একটা কারণ হলো ফেয়ারফোনকে সবকিছু নিজেদেরই তৈরি করতে হয়। অ্যাবেল বলেন, ‘আমাদেরকে নিজেদেরই সফটওয়্যার আপডেট করতে হয়, কারণ দুনিয়ার কোনো কোম্পানিই দীর্ঘমেয়াদি ফোনের পক্ষে না।’
তবে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারীদের তুলনায় ফেয়ারফোনের সারাইয়ের খরচ অনেক কম। যেমন ফেয়ারফোন ৫-এর একটি নতুন ব্যাটারির দাম পড়ে ৪৯ ডলার, যেখানে আইফোন ১৫-এর ব্যাটারি বদলাতে অ্যাপল নেয় ৯৯ ডলার আর গ্যালাক্সি এস২৩-এর জন্য স্যামসাং ১৩৫ ডলার। ফোনের নতুন পর্দা লাগাতে ফেয়ারফোনে দরকার হয় ১১২ ডলার, অ্যাপলে ৩৫৯ ডলার ও স্যমাসাংয়ে ২৯৭ ডলার।
যেসব ফোন আর সারাই করা সম্ভব হয় না, সেগুলোর জন্য একটি রিসাইক্লিং প্রোগ্রামও রয়েছে ফেয়ারফোনের। রিসাইক্লিং করার পর ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত উপদান সংগ্রহ করা যায়। রিসাইক্লিংকে শেষ উপায় হিসেবে বিবেচনা করে ফেয়ারফোন।
যুক্তরাজ্যের ডিজাইন কাউন্সিল-এর প্রধান ডিজাইন অফিসার ক্যাট ড্রু বলেন, বেশিরভাগ স্মার্টফোনের নকশার কারণে এগুলো সারাই করতে উৎসাহবোধ করেন না ব্যবহারকারী। ফোনের ডিজাইন সহজে খোলার মতো করা হয় না। আবার হালকা, পাতলা ফোনগুলো খোলাও মুশকিল।
ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি সারাইয়ের খরচের কারণেও মানুষ আর পুরোনো জিনিস ঠিক করান না। ‘একটা ল্যাপটপের ডিসপ্লে ঠিক করাতে অনেক সময় নতুন ল্যাপটপের দামের চেয়ে বেশি খরচ করতে হয়,’ বলেন ড্রু।
স্মার্টফোন সারাইয়ের ক্ষেত্রে মূল চ্যালেঞ্জ হলো ইলেকট্রনিক্স শিল্পের ব্যবসায়িক মডেলের পরিবর্তন আনা। দশকের পর দশক ধরে এ শিল্পের সরবরাহ চেইন গড়ে উঠেছে, চাহিদা ও পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিয়েছে। সেটায় পরিবর্তন আনা, এ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে যাওয়ার ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করা কোম্পানিগুলোর পক্ষে কঠিন।
এক্ষেত্রে মার্কেটিংও আরেকটি বড় সমস্যা। ভ্যান অ্যাবেল বলেন, ‘পুরো ব্যবসা মডেলটিই গড়ে উঠেছে প্রবৃদ্ধি ও বেশি বেশি ফোন বিক্রির ওপর। যেসব জিনিসের আমাদের দরকার নেই, সেগুলো আমাদের কাছে বিক্রি করার ক্ষেত্রে মার্কেটিং দারুণ সফল।’
৩ মিনিটে ৩৩ শতাংশ চার্জ হবে স্মার্টফোন কিভাবে?
দ্রুত গতিতে চার্জের জন্য ১২৫ ওয়াট আল্ট্রাডার্ট চার্জিং প্রযুক্তি নিয়ে এলো রিয়েলমি। স্মার্টফোন ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে চীনা প্রতিষ্ঠানটিই সর্বপ্রথম এ অত্যাধুনিক প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে। অত্যাধুনিক এ প্রযুক্তিতে ৪ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ারের ফাইভ-জি স্মার্টফোনে ৩৩ শতাংশ পর্যন্ত চার্জ হবে মাত্র ৩ মিনিটে। যা দবিস্তারিত পড়ুন
দ্রুত গতিতে চার্জের জন্য ১২৫ ওয়াট আল্ট্রাডার্ট চার্জিং প্রযুক্তি নিয়ে এলো রিয়েলমি। স্মার্টফোন ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে চীনা প্রতিষ্ঠানটিই সর্বপ্রথম এ অত্যাধুনিক প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে।
অত্যাধুনিক এ প্রযুক্তিতে ৪ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ারের ফাইভ-জি স্মার্টফোনে ৩৩ শতাংশ পর্যন্ত চার্জ হবে মাত্র ৩ মিনিটে। যা দিয়ে বেশ কয়েক ঘণ্টা স্মার্টফোন ব্যবহার করা যাবে। ১২৫ ওয়াটের আল্ট্রাডার্ট চার্জিং প্রযুক্তি অধিক কার্যকরী এবং এটি সব ফ্ল্যাশ চার্জিং প্রযুক্তিগুলোর মধ্যে নেতৃস্থানীয় সমাধান।
ফাস্ট চার্জিং সাধারণত প্রচুর তাপ তৈরি করতে পারে, ফলে ব্যাটারি দ্রুত গতির চার্জিং একটি চ্যালেঞ্জ। ১২৫ ওয়াটের আল্ট্রাডার্ট চার্জিং এর মাধ্যমে মাত্র ১০-১৩ মিনিটের মধ্যে পুরোপুরি চার্জে সক্ষম। পাশাপাশি স্মার্টফোনে মিলবে দীর্ঘস্থায়ী পারফরম্যান্স।
যারা টানা অনেক্ষণ স্মার্টফোন ব্যবহার করেন তাদের জন্য কম শক্তিশালী ব্যাটারি কার্যকরী নয়। যেহেতু স্বল্প মেয়াদে ব্যাটারি শক্তি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বড় অগ্রগতি সাধন প্রায় অসম্ভব, তাই দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারির গ্যারান্টি দেয়ার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হয়ে দাঁড়িয়েছে ডার্ট চার্জিং প্রযুক্তি।
সংক্ষেপে দেখুন