বিস্তারিত কিছু লিখলে ভালো হতো। আমার মোবাইলে এত এম্বি নাই। তাই ইউটিউব ভিডিও রান করতে পারছি না।
বিস্তারিত কিছু লিখলে ভালো হতো। আমার মোবাইলে এত এম্বি নাই। তাই ইউটিউব ভিডিও রান করতে পারছি না।
সংক্ষেপে দেখুন
সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.
দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
বিস্তারিত কিছু লিখলে ভালো হতো। আমার মোবাইলে এত এম্বি নাই। তাই ইউটিউব ভিডিও রান করতে পারছি না।
বিস্তারিত কিছু লিখলে ভালো হতো। আমার মোবাইলে এত এম্বি নাই। তাই ইউটিউব ভিডিও রান করতে পারছি না।
সংক্ষেপে দেখুনএখনকার মোবাইল মানেই ইউজ অ্যান্ড্র থ্রো। প্রতিদিন নতুন নতুন আপডেটেশন ও ফিচারের সঙ্গে দুর্ধর্ষ সব ফোন লঞ্চ করছে মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি। সেগুলির যেমন স্পেশিফিকেশন, তেমনই দাম। তবে কয়েকদিন যেতে না যেতেই মুখ থুবড়ে পড়ছে সেইসব নতুন ফোনের ব্যাটারি। আর ব্যাটারি একবার নষ্ট হলে, স্মার্টফোনের আয়ুও কিন্বিস্তারিত পড়ুন
এখনকার মোবাইল মানেই ইউজ অ্যান্ড্র থ্রো। প্রতিদিন নতুন নতুন আপডেটেশন ও ফিচারের সঙ্গে দুর্ধর্ষ সব ফোন লঞ্চ করছে মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি। সেগুলির যেমন স্পেশিফিকেশন, তেমনই দাম। তবে কয়েকদিন যেতে না যেতেই মুখ থুবড়ে পড়ছে সেইসব নতুন ফোনের ব্যাটারি। আর ব্যাটারি একবার নষ্ট হলে, স্মার্টফোনের আয়ুও কিন্তু শেষ। এখন তো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ইনবিল্ট নন রিমুভেবল ব্যাটারি ব্যবহৃত হয়। ফলে বাইরে থেকে ব্যাটারি পাল্টে যে আয়ু ফেরাবেন তার জায়গা নেই। ফলে একবার ব্যাটারি গেলে, নতুন ফোন কেনা ছাড়া আর কোনও উপায় থাকে না। কিন্তু আপনারই ভুলে হয়তো দেহ রাখছে আপনার সাধের মোবাইল। ফোনের ব্যাটারির আয়ু কিন্তু শেষমেশ আপনারই হাতে। কোন কোন ভুল মোবাইলের ক্ষেত্রে হতে পারে ভয়ানক বিপজ্জনক? আর তাই হয়তো না-জেনে, না-শুনে করে ফেলছেন রোজ রোজ। আসুন, জেনে নেওয়া যাক চট করে।
চার্জিংয়ের সময় ফোনে কথা
অনেকেই মোবাইল চার্জে বসিয়ে ফোনে কথা বলতে থাকেন, কিংবা কোনও অ্যাপ ব্যবহার করতে থাকেন। এতে কিন্তু ফোনের ক্ষতিই হচ্ছে আখেরে। তাই ফোন ফুল চার্জ করে পোর্ট থেকে খুলে না নেওয়া পর্যন্ত ফোন ব্যবহার একেবারেই নয়। এর ফলে ফোনের ব্যাটারির উপরে চাপ পড়ে। ব্যাটারির ক্ষতিও হয় তাড়াতাড়ি। তাছাড়া চার্জে বসিয়ে কথা বলা আপনার পক্ষেও বিপজ্জনক হতে পারে। বহু ক্ষেত্রেই ফোনের ব্যাটারি ব্লাস্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায় বিষয়টি। সবচেয়ে ভালো হয়, যদি ফোনটি সুইচ অফ করে চার্জে বসাতে পারেন।
গেমের নেশা সর্বনাশা
আপনার যদি অত্যাধিক বেশি গেম খেলার অভ্যেস থাকে, বা বাচ্চারা আপনার মোবাইল নিয়ে অতিরিক্ত পরিমাণে গেম খেলে, সেক্ষেত্রেও কিন্তু ব্যাটারি ধ্বসে যেতে পারে। তাই ফোন টেকাতে গেমিংয়ের মারাত্মক নেশা কিন্তু একটু না কমালেই নয়। অনেক সময়ই মোবাইল ব্যবহারের সময় সেটি গরম হয়ে যায়। আর তাতে কিন্তু ফোনের ব্যাটারির উপর বেশ চাপ পড়ে। আর এমনটা হলে, ফোন ব্যবহার কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ রাখুন। রিসেন্ট টাস্কগুলি ম্যানুয়ালি বন্ধ করে দিন।
আপডেটে অনিহা
সময়ে সময়ে বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার আপডেট পাঠাতে থাকে মোবাইল সংস্থা। সেসব আপডেটকে অগ্রাহ্য করার ভুল করেন অনেকেই। আর তাতেই ডেকে আনেন ব্যাটারির সর্বনাশ। এই সব আপডেটের মাধ্যমে বহু সিকিওরিটি প্যাচ আপডেট পাঠানো হয়, যা মোবাইলকে ভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা করে। সেই আপডেটকে অগ্রাহ্য করা মানে মোবাইলকে ভাইরাসের সঙ্গে ছেড়ে দেওয়া। যা কিন্তু আপনার মোবাইলের ব্যাটারির জন্য ভয়ঙ্কর হতে পারে। তাই আপডেট নিচে ভুলবেন না কখনও।
যে সে চার্জারে চার্জ
হাতের কাছে যে কোনও একটা চার্জার পেলেন, আর অমনি সাধের ফোনটিকে চার্জে বসিয়ে দিলেন। এমন ভুল অনেকেই করেন নিশ্চয়ই। লো কোয়ালিটির বা আনসাপোর্টেড চার্জারেচার্জ দেওয়ার কারণে কিন্তু বহু সময়েই মোবাইল ব্যাটারির আয়ু কমে আসে। তাই নির্দিষ্ট চার্জারেই মোবাইল চার্জ দিন সবসময়ে। তাতে ব্যাটারি বিস্ফোরণের আশঙ্কাও কমবে। ব্যাটারির শরীরও থাকবে সুস্থ।
বালিশের তলায় চার্জিং
মোবাইলটিকে চার্জে বসিয়ে মাথার বালিশের নিচে রেখে দিলেন। কিংবা কোনও একটা কিছুর তলায় রেখে বেমালুম ভুলে গেলেন। জানেন কি এরফলে কী ক্ষতি হতে পারে। চার্জিংয়ের সময়ে এমনিতেই গরম হয়ে যায় ফোন। আর এ সময়ে ফোনটিকে বালিশের নিচে রাখার অর্থ আরও গরম করে ফেলা ফোনটিতে। এতে কিন্তু ব্যাটারির ভয়ঙ্কর ক্ষতি হতে পারে। পাশাপাশি অতিরিক্ত গরম হয়ে ব্যাটারি ব্লাস্ট, এমনকী আগুন পর্যন্ত ধরে যেতে পারে বিছানায় এবং ঘরে। ফলে সতর্ক থাকুন।
সংক্ষেপে দেখুনবিস্তারিততে আপনার উত্তর দেখে ভাল লাগলো। কিন্তু আমার কিছু প্রশ্ন ছিলঃ ১. আমার ফোনটি যদি *১৬১৬১# ডায়াল করার পর 'অবৈধ' বা 'নিবন্ধিত নয়' দেখায়, তাহলে আমার করণীয় কী? আমার ফোনটি কি বন্ধ হয়ে যাবে? ২. আমি যদি বিদেশ থেকে একটি ফোন এনে থাকি বা উপহার পেয়ে থাকি, সেটি নিবন্ধন করার প্রক্রিয়া কী? ৩. neir.btrcবিস্তারিত পড়ুন
বিস্তারিততে আপনার উত্তর দেখে ভাল লাগলো। কিন্তু আমার কিছু প্রশ্ন ছিলঃ
১. আমার ফোনটি যদি *১৬১৬১# ডায়াল করার পর ‘অবৈধ’ বা ‘নিবন্ধিত নয়’ দেখায়, তাহলে আমার করণীয় কী? আমার ফোনটি কি বন্ধ হয়ে যাবে?
২. আমি যদি বিদেশ থেকে একটি ফোন এনে থাকি বা উপহার পেয়ে থাকি, সেটি নিবন্ধন করার প্রক্রিয়া কী?
৩. neir.btrc.gov.bd ওয়েবসাইটের ‘সিটিজেন পোর্টাল’ ব্যবহার করে কীভাবে ফোনের নিবন্ধন অবস্থা যাচাই বা নিবন্ধন করা যায়?
৪. আমার ব্যবহৃত পুরোনো বাটন ফোনটিও কি এই প্রক্রিয়ায় যাচাই করতে হবে?
আশাকরি আপনার কাছ থেকে উত্তর পাবো।
সংক্ষেপে দেখুনজাপানে রেস্টুরেন্ট ও ট্রেনে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ। আপনি প্রশ্নের বানান শুদ্ধ করে লিখুন।
জাপানে রেস্টুরেন্ট ও ট্রেনে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ। আপনি প্রশ্নের বানান শুদ্ধ করে লিখুন।
সংক্ষেপে দেখুনহাতের মুঠোয় স্মার্টফোন নিয়ে দিন শুরু হয় আমাদের। দিন শেষও হয় ওই একটি যন্ত্রের সঙ্গেই। ফলে আজকের দিনে দাঁড়িয়ে মোবাইল ছাড়া জীবনকে ভাবাটাই যেন এক কঠিন কাজ। ক্রমশ আরও ভালো প্রযুক্তি, প্রসেসর, আরও বেশি স্টোরেজ থেকে দুর্ধর্ষ সব ফিচারের দিকে হেঁটে যাচ্ছে মোবাইল। চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নানা স্পেশিফিকেশনবিস্তারিত পড়ুন
হাতের মুঠোয় স্মার্টফোন নিয়ে দিন শুরু হয় আমাদের। দিন শেষও হয় ওই একটি যন্ত্রের সঙ্গেই। ফলে আজকের দিনে দাঁড়িয়ে মোবাইল ছাড়া জীবনকে ভাবাটাই যেন এক কঠিন কাজ। ক্রমশ আরও ভালো প্রযুক্তি, প্রসেসর, আরও বেশি স্টোরেজ থেকে দুর্ধর্ষ সব ফিচারের দিকে হেঁটে যাচ্ছে মোবাইল। চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নানা স্পেশিফিকেশনের ফোন লঞ্চ হচ্ছে বাজারে। স্পেশিফিকেশন ও ফিচার্সের মতোই দামেও তার বাহার প্রচুর। তবে যত দামীই ফোন কিনুন না কেন, তার আয়ু খুব বেশি হলে তিন-চার বছর। তার পরেই নানা সমস্যা দেখা দিতে থাকে মোবাইলে। ব্যাস, তারপরেই আবার শুরু নতুন ফোনের খোঁজ। তবে আয়ু ফুরানোর আগেই কিন্তু ফোন খারাপ হয়ে যায় আমাদেরই কিছু ভুলে। প্রতিদিনের জীবনে আমরা এমন কিছু ভুল কাজ করে বসি, যার ফলে মারাত্মক ক্ষতি হয়ে যায় ফোনের। কীভাবে ফোন ভালো রাখবেন?
দিনরাত চার্জ নৈব নৈব চ
অনেকেই চার্জ ফুরিয়ে যাওয়ার ভয়ে রাতদিন মোবাইলটাকে চার্জে বসিয়ে রাখেন। যা আদতে ক্ষতি করে মোবাইলের ব্যাটারির। শুধু ব্যাটারিই নয়, অতিরিক্ত চার্জে নষ্ট হয়ে যায় মাদারবোর্ডও। আর মাদারবোর্ড একবার নষ্ট হলে গোটা ফোনেরই বারোটা। একে তো দাম বেশি, তার উপর মাদারবোর্ড পাল্টানোও সহজ কথা নয়। তাই সারাক্ষণ মোবাইল চার্জে বসিয়ে রাখার ব্যাপারে সতর্ক হোন।
ময়েশ্চার হইতে সাবধান
ময়েশ্চার বা ভিজেভাব কিন্তু মোবাইলের শত্রু। ময়েশ্চারের কারণেও মাদারবোর্ডও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ক্ষতি হয় ক্যামেরা ও ডিসপ্লেরও। আর ব্যাটারি তো বলাই বাহুল্য। তাই ভিজে হাতে ফোন ধরা বা ফোনকে স্যাঁতস্যাঁতে জায়গায় রাখবেন না কোনও মতেই। করোনাকালীন সময়ে অনেকেই মোবাইলে স্যানিটাইজারে স্নান করাতেন সুরক্ষার খাতিরে। ফের থাবা বসাচ্ছে অ্যাডিনো ভাইরাস। জীবাণু মারার জন্য ফোনে স্যানিটাইজার ব্যবহার করবেন না মোটেও। তার থেকেও ময়েশ্চার পৌঁছে যায় ফোনের বিভিন্ন অংশে। তার চেয়ে ইউভি যুক্ত মেশিন ব্যবহার করুন ফোন জীবাণুমুক্ত রাখতে। মনে রাখবেন, মাদারবোর্ডই কিন্তু ফোনের প্রাণভোমরা। ওটি একবার বিগড়োলেই ফোনের মৃত্যু অবধারিত।
গেমেই মরণফাঁদ
মোবাইলে কমবেশি গেম অনেকেই খেলেন। আজকালকার দিনে গেমিং বেশ ট্রেন্ডিংও বটে। তবে মোবাইসে গেম খেলার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকবেন। ভুল করেও মোবাইল চার্জে বসিয়ে গেম খেলবেন না কখনও। তাতে ফোনর স্পিড কমে যায়। ব্যাটারি এবং ফোনের আয়ুও ফুরোতে থাকে দ্রুত। ফলে এ ব্য়াপারে সাবধান থাকুন, নাহলে নতুন ফোনের ক্ষতি হতে পারে অচিরেই।
যে কোনও অ্যাডপ্টারে ফোন চার্জ নয়
হাতের কাছে একটা চার্জার পেলেন তো সঙ্গে সঙ্গে চার্জে গুঁজে দিলেন মোবাইল। এই ভুল না করলেই ভালো। বিভিন্ন ফোনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের চার্জার ব্যবহৃত হয়। যা তার ব্যাটারি এবং মাদারবোর্ডের সঙ্গে কম্প্যাটিবল হয়ে থাকে। তাই সমস্ত ফোনের সঙ্গেআলাদা আলাদা চার্জার দেওয়া হয়। তাই পোর্ট এক হলেও যে কোনও চার্জারে ফোন চার্জ করবেন না। হতেই পারে, সেই চার্জারটি আপনার ফোনের সঙ্গে কম্প্যাটিবেল হল না, আর তা অচিরে আপনার ফোনেরই ক্ষতি করল।
শূন্য নয়, একশো নয়
বিশেষজ্ঞেরা বলেন, ফোনের চার্জ কখনওই পুরোপুরি ড্রেন করে ফেলা উচিত নয়। এমনকী ইদানীং কেউ কেউ বলছেন, পুরো চার্জ অর্থাৎ 100 শতাংশ চার্জও ফোনের পক্ষে ক্ষতিকর। ফোনের চার্জ সর্বদা 20 শতাংশ থেকে 80 শতাংশের মধ্যে রাখার পরামর্শ দেন অভিজ্ঞরা। তাতে নাকি ব্যাটারি লাইফ ভালো থাকে। যার ফলে ফোনের আয়ুও বাড়ে কয়েকগুণ।
সংক্ষেপে দেখুনআমি ৪টা এপের নাম বলতে পারি। সম্ভবত এতেই আপনার কাজ হয়ে যাবে। আমি অবশ্য এদের কোনটাই এখনো ইউজ করিনি। ১. Lock Me Out (লক মি আউট): একবার ব্লক শুরু হলে, ওই সময়ের আগে আপনি চাইলেও ফোন আনলক করতে পারবেন না (বা আপনার বেছে নেওয়া অ্যাপগুলো ব্যবহার করতে পারবেন না)। এটিতে একটি "হার্ড ব্লক" মোড (Hard Block Mode) আছবিস্তারিত পড়ুন
আমি ৪টা এপের নাম বলতে পারি। সম্ভবত এতেই আপনার কাজ হয়ে যাবে। আমি অবশ্য এদের কোনটাই এখনো ইউজ করিনি।
১. Lock Me Out (লক মি আউট): একবার ব্লক শুরু হলে, ওই সময়ের আগে আপনি চাইলেও ফোন আনলক করতে পারবেন না (বা আপনার বেছে নেওয়া অ্যাপগুলো ব্যবহার করতে পারবেন না)। এটিতে একটি “হার্ড ব্লক” মোড (Hard Block Mode) আছে যা বাইপাস করা প্রায় অসম্ভব।
২. FocusMe (ফোকাস মি): এটি অ্যাপ, ওয়েবসাইট এবং আপনার পুরো ডিভাইসকে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সম্পূর্ণভাবে লক করতে পারে। এটির “Strict Mode” অপশনটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যে, লক করার সময় শেষ না হওয়া পর্যন্ত এটি ডিজেবল বা আনইনস্টল করা যায় না।
৩. Flipd (ফ্লিপড): এটি আপনার ডিভাইসকে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য “ফ্লিপড লক” করে দেয়। একবার লক শুরু হলে, আপনি শুধুমাত্র কল করা এবং টেক্সট মেসেজ পাঠানোর মতো মৌলিক কাজগুলো ছাড়া আর কিছুই করতে পারবেন না। লক শেষ না হওয়া পর্যন্ত এটি আনলক করার কোনো অপশন রাখে না।
৪. Stay Focused (স্টে ফোকাসড) / AppBlock (অ্যাপব্লক): এই অ্যাপগুলো মূলত অ্যাপ ব্লক করার জন্য তৈরি, তবে এর কিছু অপশন আছে যা পুরো ফোনকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ব্যবহার সীমিত করে দেয়।
সংক্ষেপে দেখুনযেহেতু আপনি “আনলক করা যাবে না” এমন ফিচারটি খুঁজছেন, তাই উপরে দেওয়া অ্যাপগুলোর সেটিংস-এ গিয়ে আপনাকে অবশ্যই “Strict Mode” বা “Hard Block Mode” অপশনটি চালু করতে হবে। এই মোডগুলোই নিশ্চিত করে যে আপনি নির্দিষ্ট সময় পার হওয়ার আগে কোনোভাবেই বাইপাস করতে পারবেন না।
গেমিং ও হাইপারফরম্যান্স স্মার্টফোনগুলোকে ঠাণ্ডা করার জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত প্রযুক্তিটি হলো ভেপর চেম্বার লিকুইড কুলিং সিস্টেম। ভেপার চেম্বার কুলিং সিস্টেম কাজ করে বাষ্পের নীতি মেনে। এটি মূলত সমতল ও সিল করা একটি চেম্বার। এতে থাকে অল্প পরিমাণে তরল কুল্যান্ট। এ তরল সাধারণত পানি অথবা অন্যান্য তরলের মিবিস্তারিত পড়ুন
গেমিং ও হাইপারফরম্যান্স স্মার্টফোনগুলোকে ঠাণ্ডা করার জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত প্রযুক্তিটি হলো ভেপর চেম্বার লিকুইড কুলিং সিস্টেম।
ভেপার চেম্বার কুলিং সিস্টেম কাজ করে বাষ্পের নীতি মেনে। এটি মূলত সমতল ও সিল করা একটি চেম্বার। এতে থাকে অল্প পরিমাণে তরল কুল্যান্ট। এ তরল সাধারণত পানি অথবা অন্যান্য তরলের মিশ্রণ হয়ে থাকে। সাধারণত তামা বা অ্যালুমিনিয়ামের মতো উপাদান দিয়ে এ চেম্বার তৈরি করা হয়। ফেইজ পরিবর্তনের নীতির ওপর ভিত্তি করে এ চেম্বার কাজ করে। যখন ডিভাইস গরম হয়, তখন চেম্বারের ভেতরের তরল কুল্যান্ট ডিভাইসের উপাদানগুলো থেকে উৎপন্ন তাপ শোষণ করে নেয় এবং একে বাষ্পে পরিণত করে। তারপর এ বাষ্প চেম্বারের অপেক্ষাকৃত ঠাণ্ডা এলাকার দিকে চলে যায়। আর এ প্রক্রিয়া চলতে থাকে দিনজুড়ে স্মার্টফোনে কাজ করার সময়, বিনোদনের সময় বা ফোন চার্জ দেয়ার সময়।
সংক্ষেপে দেখুনঅনেক প্রিমিয়াম ফোনের ক্যামেরা বাম্প ও পোর্টে প্রচুর ময়লা জমে। অনেক সময় কোম্পানিগুলো আইপি৬৭ বা আইপি৬৮ রেটিং দেয় না। কমদামি ফোনেই এমন হয়। আবার মিডরেঞ্জেও এমন দেখা যেতে পারে। তাই অনেক ফোনেই ঘন ঘন ময়লা জমতে পারে। সেজন্য আপনার কী করার আছে? চলুন জেনে নেই- >> মোবাইল মোছার জন্য একটা শুকনো রুমাল সঙ্গেবিস্তারিত পড়ুন
অনেক প্রিমিয়াম ফোনের ক্যামেরা বাম্প ও পোর্টে প্রচুর ময়লা জমে। অনেক সময় কোম্পানিগুলো আইপি৬৭ বা আইপি৬৮ রেটিং দেয় না। কমদামি ফোনেই এমন হয়। আবার মিডরেঞ্জেও এমন দেখা যেতে পারে। তাই অনেক ফোনেই ঘন ঘন ময়লা জমতে পারে। সেজন্য আপনার কী করার আছে? চলুন জেনে নেই-
>> মোবাইল মোছার জন্য একটা শুকনো রুমাল সঙ্গে রাখুন। ফোনের ধুলো দূর করতে এরচেয়ে কার্যকর আর কিছুই নেই।
> দু-এক ফোঁটা স্যানিটাইজার দিয়ে অনেক সময় ফোন মুছে নিতে পারেন। অবশ্যই সেটা কাপড়ে লাগিয়ে। তাহলে আপনার ফোন জীবাণুমুক্ত হবে এবং ময়লাও দূর হবে।
>> হালকা ভেজা কাপড় দিয়ে আলতোভাবে পোর্ট ও অন্যান্য জায়গা পরিষ্কার করুন।
>> হেডফোন জ্যাক আর চার্জার পোর্ট ইয়ারবাড দিয়েই পরিষ্কার করতে পারেন। তুলোটা সামান্য ভিজিয়ে নিতে পারেন।
>> ফোনে ফাটা জায়গা থাকলে বা কোনো সমস্যা থাকলে অনেক সময় তা পরিষ্কার করা ঝুঁকিপূর্ণ ডিভাইসের জন্য। তাই সার্ভিস সেন্টারে নিয়ে যান।
সংক্ষেপে দেখুনডেটা হারানোর ভয় ভ্যানিশ! এই ম্যাজিক ট্রিকস জানলে পুরনো ফোনের সব ডেটাই ফিরবে নয়া ফোনে! নতুন ফোন তো কিনেছেন! তা নতুন ফোন কেনার আনন্দ কার না হয়। তবে নতুন ফোন কেনার ভাবনা এলেই একটা চিন্তা আমাদের কুড়ে কুড়ে খেতে থাকে। পুরনো ফোন ভর্তি যে এত এত তথ্য, সেসব কি তবে পুরোটাই গঙ্গায়। আর সেই দুশ্চিন্তায় নতুন ফোনবিস্তারিত পড়ুন
ডেটা হারানোর ভয় ভ্যানিশ! এই ম্যাজিক ট্রিকস জানলে পুরনো ফোনের সব ডেটাই ফিরবে নয়া ফোনে! নতুন ফোন তো কিনেছেন! তা নতুন ফোন কেনার আনন্দ কার না হয়। তবে নতুন ফোন কেনার ভাবনা এলেই একটা চিন্তা আমাদের কুড়ে কুড়ে খেতে থাকে। পুরনো ফোন ভর্তি যে এত এত তথ্য, সেসব কি তবে পুরোটাই গঙ্গায়। আর সেই দুশ্চিন্তায় নতুন ফোন কেনার পুরো আনন্দটাই মাটি। এখন তো আবার পুরনো ফোন এক্সচেঞ্জ করে নতুন ফোন কেনার চল। সেক্ষেত্রে ডেটা উদ্ধার হবে কীভাবে! তবে সেই সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়ার উপায়ও কিন্তু আছে হাতের কাছেই। এমন অনেক টুল এবং পদ্ধতি রয়েছে, যার মাধ্যমে ঝেড়ে ফেলতে পারেন এমন সব দুশ্চিন্তাই। নতুন ফোন কিনে সম্পূর্ণ আলাদা অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারের ক্ষেত্রেও কিন্তু পুরনো ফোনের সমস্ত তথ্য রিট্রিভ করা সম্ভব। তার জন্য রয়েছে হাজার একটা পদ্ধতি। তবে তার জন্য শিখে রাখতে হবে কয়েকটি সহজ পদ্ধতি।
একটি ফোন থেকে অন্য ফোনে ডেটা ট্রান্সফার কিন্তু এমন কিছু হাতিঘোড়া কাজ নয়। তবে তার জন্য আপনার পুরনো ফোনের ব্যাকআপ থাকা কিন্তু খুব জরুরি। প্রযুক্তির জোরে আপনার ছবি, ভিডিও, মিউজিক, কন্টাক্ট থেকে শুরু করে অ্যাপসেরও ব্যকআপ রাখা যায় মোবাইলে। আর সেসব অবিকল ট্রান্সফার হয়ে যেতে পারে নয়া মোবাইলটিতে। তার জন্য ফোনের Settings-এ গিয়ে system-এ ঢুকে Backup অপশনটি অন করতে হবে। মনে করে Google Drive-অপশনটিকেই ব্যাকআপ নেওয়ার জন্য সিলেক্ট করবেন। এর পরে স্ক্রিনে আসা ইনস্ট্রাকশন ফল করে করে ব্যাক আপের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করবেন। তবে মনে রাখবেন গোটা ব্যাপারটা কিন্তু একটু সমসসাপেক্ষ। কতটা ডেটার ব্যাকআপ নিতে চাইছেন, তার উপরে নির্ভর করছে অনেকটাই।
নতুন ফোন সেটআপ করুন
পুরনো ফোনের ব্যাকআপ নেওয়ার কাজ শেষ হলে নতুন ফোন সেট আপ করা শুরু করতে পারেন। ফোন এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে আগেই ব্যাক আপ নেওয়ার কাজ সেরে রাখবেন। নতুন ফোনটিঅন করে যেমন যেমন নির্দেশ আসবে তা ফলো করে যান। এরপর আপনাকে Google Account-এ লগইন করতে বলা হবে। যে অ্যাকাউন্টে পুরনো ফোনের ব্যাকআপ নিয়েছেন, মনে করে সেই অ্যাকাউন্টটিতেই সাইন ইন করতে ভুলবেন না। সাইন ইন করা হয়ে গেলে ব্যাকআপ সিলেক্ট করে নির্দেশ ফলো করলেই রিস্টোর প্রসেস সম্পূর্ণ হয়ে যাবে।
USB কেবল দিয়েও সম্ভব ডেটা ট্রান্সফার
মিউজিক বা অ্যাপের মতো বড় কোনও ফাইল ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে USB পদ্ধতিও ব্যবহার করতে পারেন। তবে সেক্ষেত্রে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে একটি ল্যাপটপ বা কম্পিউটারের দরকার হবে আপনার। প্রথমে USB কেবলের মাধ্যমে পুরনো কম্পিউটার থেকে সমস্ত ডেটা নিয়ে নিন কম্পিউটারে। এর পরে নতুন মোবাইলটি USB কেবল দিয়ে কম্পিউটারে কানেক্ট করে পুরনো মোবাইলের ডেটা নিয়ে নিন নতুন ফোনে। এটিও কিন্তু একটু সময়সাপেক্ষ প্রসেস। তাই একটু ধৈর্য আপনাকে ধরতে হতেই পারে।
থার্ড পার্টি টুল দিয়ে ডেটা ট্রান্সফার
ডেটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে থার্ড পার্টির কোনও অ্যাপও ব্যবহার করতে পারেন। সেক্ষেত্রে Google Play Store-এ একগুচ্ছ অ্যাপ পেয়ে যাবেন, যার মাধ্যমে একটি Androidথেকে আরেকটি Android-এ ডেটা ট্রান্সফার করা যায় সহজেই। কনট্য়াক্টস থেকে শুরু করে ফটো, ভিডিও, মিউজিক এমনকী অ্যাপও ট্রান্সফার সম্ভব। অ্যাপ খুললেই এ সংক্রান্ত ইনস্ট্রাকশন দেখতে পাবেন স্ক্রিন জুড়ে। তা ফলো করলেই চোখের নিমেষে আপনার ডেটা ট্রান্সফারের কাজ সম্ভব হবে।
NFC-র মাধ্যমে ডেটা ট্রান্সফারও জলভাত
নতুন এবং পুরনো, দু’টি ফোনই যদি NFC ( Near field Communication) সাপোর্টেড হয়, সেক্ষেত্রে এই প্রযুক্তিটি ব্যবহার করেও ডেটা ট্রান্সফার করতে পারেন সহজেই। তার জন্য দুটি ফোনকেই একসঙ্গে ধরে রাখতে হবে। এর পরেই আপনি স্ক্রিনে প্রয়োজনীয় ইনস্ট্রাকশন দেখতে পারেন। তা ফলো করলেই ঝড়ের গতিতে ডেটা ট্রান্সফার করা সম্ভব হবে। তবে বড় ফাইলের ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি একটু কঠিন। সেক্ষেত্রে আগের পদ্ধতিগুলোই অবলম্বন করা ভালো।
সংক্ষেপে দেখুনবর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত স্মার্টফোন অপারেটিং সিস্টেম হলো অ্যান্ড্রয়েড। স্মার্টফোন, ট্যাবলেট কম্পিউটার, অ্যান্ড্রয়েড টিভি, অ্যান্ড্রয়েড অটো, স্মার্টওয়াচ। অ্যান্ড্রয়েডের অনেক ডেভেলপার রয়েছে যারা বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন তৈরী করে থাকে। এখন প্রায় ৩৫ লাখের উপরে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন রবিস্তারিত পড়ুন
বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত স্মার্টফোন অপারেটিং সিস্টেম হলো অ্যান্ড্রয়েড। স্মার্টফোন, ট্যাবলেট কম্পিউটার, অ্যান্ড্রয়েড টিভি, অ্যান্ড্রয়েড অটো, স্মার্টওয়াচ। অ্যান্ড্রয়েডের অনেক ডেভেলপার রয়েছে যারা বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন তৈরী করে থাকে। এখন প্রায় ৩৫ লাখের উপরে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন রয়েছে গুগল প্লে স্টোরে।
সংক্ষেপে দেখুনবাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনের আগে হঠাৎ করেই আলোচনায় এসেছে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মানুষের জিও লোকেশন বা অবস্থান শনাক্ত করার প্রযুক্তি, যা আগামী মাস থেকেই মোবাইল অপারেটরদের মাধ্যমে কার্যকর হওয়ার কথা। এটি চালু হলে অপারেটরদের সহায়তা নিয়ে কিংবা সহায়তা ছাড়াই একজন বা এক সঙ্গে অনেক মানুষের সুনির্দিষ্ট অবস্থান শনবিস্তারিত পড়ুন
বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনের আগে হঠাৎ করেই আলোচনায় এসেছে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মানুষের জিও লোকেশন বা অবস্থান শনাক্ত করার প্রযুক্তি, যা আগামী মাস থেকেই মোবাইল অপারেটরদের মাধ্যমে কার্যকর হওয়ার কথা।
এটি চালু হলে অপারেটরদের সহায়তা নিয়ে কিংবা সহায়তা ছাড়াই একজন বা এক সঙ্গে অনেক মানুষের সুনির্দিষ্ট অবস্থান শনাক্ত করতে পারবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী বা নজরদারির সঙ্গে জড়িত সংস্থাগুলো। অর্থাৎ লোকটি ঠিক কোথায় আছেন এটি চিহ্নিত করা সম্ভব হবে।
আবার এ প্রযুক্তির সাথে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সমন্বয় করে ব্যক্তির জিও লোকেশন ছাড়াও এক সঙ্গে বহু মানুষের গতিবিধি বা মুভমেন্ট সম্পর্কেও জানতে পারবে নজরদারিতে জড়িত সংস্থাগুলো।
এজন্য মোবাইল অপারেটরদের নিজ খরচে নতুন সফটওয়্যার ও প্রয়োজনীয় উপকরণ সংযোজন করতে চাপ দেয়া হলেও বিটিআরসি কিংবা সরকারের ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের এ বিষয়ে কোন সম্পৃক্ততা নেই বলে জানিয়েছেন ওই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার।
তিনি বলেন, বিষয়টি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর বিষয়। বিদ্যমান আইন অনুযায়ী দেশ ও জনগণের স্বার্থে যা করা যায় সেটাই তারা করে থাকে। আমাদের এ বিষয়ে কিছু জানা নেই।
তবে বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা ও সংসদ নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে এবং নাগরিক অধিকার পরিস্থিতির আলোকে নতুন এই প্রযুক্তি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে অনেকের মধ্যে। কারণ অনেকের আশঙ্কা এটি নির্বাচনের আগে বিরোধীদের দমনের ‘ব্যাপক ভিত্তিক নজরদারি বা আড়িপাতায়’ অপব্যবহার হতে পারে।
তথ্যযোগাযোগ প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাষ্ট্রের নিরাপত্তার কথা বলে গণ-নজরদারির একটি সুযোগ তৈরি হতে যাচ্ছে বাংলাদেশে এবং তাদের আশঙ্কা এটি বিরোধী মত দমনে অপব্যবহারের আশঙ্কা রয়েছে।
২০২২ সালের ১৭ মার্চ ফ্রান্সের সংবাদমাধ্যম ইন্টেলিজেন্স অনলাইন এক প্রতিবেদনে জানায়, বাংলাদেশ ইন্টারনেটভিত্তিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে আড়ি পাতার প্রযুক্তি কিনেছে। এর আগে ২০১৫ সালে মুঠোফোনে আড়ি পাতা ও নজরদারির জন্য বাংলাদেশের কেনা সরঞ্জাম মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে আটকে দিয়েছিল সুইজারল্যান্ড।
বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ও মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন অ্যামটব সূত্র জানিয়েছে, যে জিও লোকেশন-ব্যবস্থা চালুর জন্য বলা হয়েছে, সেটি বাস্তবায়ন করতে অপারেটরদের নতুন সফটওয়্যার ও সরঞ্জাম প্রয়োজন। তা কিনতে বড় অঙ্কের অর্থ দরকার। অ্যামটব এই অর্থ চেয়েছিল বিটিআরসির সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিল (এসওএফ) থেকে। তারা যে প্রকল্প দাখিল করেছিল, সেটির ব্যয় ধরা হয়েছিল ১ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২১০ কোটি টাকার সমান।
বিটিআরসি সূত্রে জানা যায়, গত ৮ আগস্ট ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সভাকক্ষে মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের সভাপতিত্বে সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিলের ব্যবস্থাপনা কমিটির ২০তম সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অ্যামটবের প্রস্তাব নাকচ করা হয় এই বলে যে টেলিযোগাযোগ আইন অনুযায়ী আবেদনটি বিবেচনার সুযোগ নেই। অর্থাৎ অপারেটরগুলোকে নিজস্ব অর্থে নতুন ব্যবস্থাটি প্রতিষ্ঠা করতে হবে। দেশে চারটি মোবাইল অপারেটর রয়েছে গ্রামীণফোন, রবি-আজিয়াটা, বাংলালিংক ও টেলিটক।
নতুন প্রযুক্তি আসলে কী
নতুন এই প্রযুক্তির আনুষ্ঠানিক নাম ইন্টিগ্রেটেড ল’ফুল ইন্টারসেপশন সিস্টেম। মূলত আড়িপাতা বা নজরদারির জন্য এটি একটি সমন্বিত প্রচেষ্টা, যাতে ব্যক্তির অবস্থান চিহ্নিত করতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সাথে জড়িত থাকবে টেলিকম সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোও।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান চলতি বছরের জানুয়ারিতে জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে জানিয়েছিলেন, সরকার একটি ইন্টিগ্রেটেড ল’ফুল ইন্টারসেপশন সিস্টেম বা সমন্বিত আইনসম্মত আড়িপাতা পদ্ধতি চালু করতে যাচ্ছে।
তখন তিনি বলেছিলেন, ইন্টারনেটে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মনিটরিংয়ের মাধ্যমে দেশ ও সরকার বিরোধী কার্যক্রম বন্ধে এনটিএমসিতে (ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার) ওপেন সোর্স ইন্টেলিজেন্স টেকনোলজির (ওএসআইএনটি) মতো আধুনিক প্রযুক্তি সংযোজিত হয়েছে। একই সঙ্গে একটি ইন্টিগ্রেটেড ল’ফুল ইন্টারসেপশন সিস্টেম চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
এটিই শেষ পর্যন্ত আগামী মাস থেকে চালু করা হচ্ছে বলে বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে। বিশেষ করে টেলিকম অপারেটরদের এজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা দিয়েছে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এছাড়াও নতুন এ ব্যবস্থা চালু করতে সরকারি সংস্থার জন্য এ সংক্রান্ত উপকরণও ফ্রান্সের একটি কোম্পানি থেকে ক্রয় করা হয়েছে। এর বাইরে মোবাইল অপারেটরদের সফটওয়্যার ও বিভিন্ন উপকরণ কিনতে ব্যয় করতে হচ্ছে আরও প্রায় দুশো কোটি টাকা।
কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ প্রযুক্তির মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সরকারের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী জিও লোকেশন (ব্যক্তির সুনির্দিষ্ট অবস্থান)সহ দরকারি সুবিধা নিতে পারবে। তবে সরকারি কিছু নথিপত্র বলছে, এ সংক্রান্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিলো ২০১৬ সালে। পরে ২০১৮ সালে সরকারি একটি চিঠিতে বলা হয়েছিলো নতুন এ প্রযুক্তি অপরাধ দমনে ব্যবহার করা হবে।
এর ধারাবাহিকতায় গত বছর জুনে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত কমিটি এ সংক্রান্ত ক্রয় প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছিলো। তখন বলা হয়েছিলো, ফ্রান্সের একটি কোম্পানি থেকে ১৭২ কোটি টাকা ব্যয়ে এগুলো কেনা হবে।
কীভাবে কাজ করবে নতুন নজরদারি প্রযুক্তি
সরকারি একটি চিঠি থেকে জানা যাচ্ছে নজরদারির এ ব্যবস্থায় মোবাইল অপারেটররা ছাড়াও ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান (আইএসপি), ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে (আইআইজি) প্রতিষ্ঠান এবং ন্যাশনাল ইন্টারনেট এক্সচেঞ্জ (এনআইএক্স) এর মতো সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারি সংস্থার সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে।
আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলো অবশ্য টেলিকম অপারেটরদের কাছ থেকেই তাদের গ্রাহকদের জিও লোকেশন বা সুনির্দিষ্ট ব্যক্তি অবস্থান সম্পর্কিত তথ্য পাবে। আবার সরকারি সংস্থা চাইলে সরাসরি অপারেটরদের ডাটাবেজে ঢুকেও কোন ব্যক্তির বিষয়ে নজরদারি করতে সক্ষম হবে।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ সুমন আহমেদ সাবির অবশ্য বলছেন, নজরদারির এই প্রযুক্তি বাংলাদেশে নতুন হলেও বিশ্বে অনেক পুরনো। তার মতে একজন গ্রাহকের মোবাইল ফোনটি একই সাথে ২/৩ বা আরও বেশি কাছাকাছি টাওয়ার থেকে সিগন্যাল পায় এবং এর মধ্যে যেটি সবচেয়ে শক্তিশালী তার মাধ্যমেই সে অন্যের সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম হয়। এখানে ‘একটি ট্রায়াংগুলেশন মেথড’ ব্যবহার করে বিভিন্ন উপকরণের সহায়তায় ওই মোবাইল ফোনটির সুনির্দিষ্ট অবস্থান চিহ্নিত করা হবে।
তিনি বলেন, সফটওয়্যার মোবাইল অপারেটরের সেন্ট্রাল কন্ট্রোল রুমে থাকবে। সেখানে তারা জানবে ঠিক কোথায় আছে মোবাইল ফোনটি। সংশ্লিষ্ট ফোন অপারেটর সেই তথ্য সরকারি সংস্থাকে জানাবে। আবার সরকারি সংস্থা নিজেও কানেক্টেড থাকবে সিস্টেমে এবং এর মাধ্যমে তারা নিজেরাও টেলিকম অপারেটরের কন্ট্রোল পার্টের এক্সেস নিয়ে সুনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের ফোনের অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারবে।
মূলত প্রত্যেকটি ফোনের আইএমইআই নাম্বার আছে, যেটি ইউনিক নাম্বার। সেই নাম্বারকেই নজরদারির এই সিস্টেমে কানেক্ট করিয়ে দেয়া যাবে এবং একটি মোবাইলে যে কয়টি সিম থাকবে সব কয়টিকেই এক সাথে ট্র্যাক করা যাবে। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে মোবাইল সেট রেজিস্ট্রার পদ্ধতি চালু আছে। ফলে প্রতিটি ফোনের আইএমআই নাম্বার কর্তৃপক্ষের কাছে আছে।
বিশেষজ্ঞদের সাথে কথা বলে এ প্রযুক্তি কীভাবে কাজ করে সে সম্পর্কে যে ধারণা পাওয়া গেছে তাহলো, ধরুন একজন ব্যক্তি কারওয়ানবাজারে অবস্থান করছে। এখন কোন সংস্থা চাইলে সংশ্লিষ্ট অপারেটর বলতে পারে, তিনি জনতা টাওয়ার ও সোনারগাঁও হোটেলের মধ্যবর্তী কোন জায়গায় আছেন।
কিন্তু নতুন ব্যবস্থা চালুর পর ওই মধ্যবর্তী জায়গার মধ্যে ঠিক কোন জায়গায় তিনি অবস্থান করছেন সেটিও জানা সম্ভব হবে।
আলোচনা বা উদ্বেগের কারণ কী
বিশেষজ্ঞরা বলছেন উদ্বেগের কারণ হলো, অপব্যবহারের আশঙ্কা। বিশেষ করে সামনে নির্বাচন ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এটি বিরোধীদের ওপর দমন পীড়নে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
কারণ কোন সংস্থা যদি মনে করে তারা বিশ হাজার ফোন নম্বরের অবস্থান ও গতিবিধি সম্পর্কে একসাথে জানতে চায়। সেটি এই পদ্ধতিতে সম্ভব হবে। ওই বিশ হাজার নম্বরবাহী ফোন কোথা থেকে কোথায় যাচ্ছে সেটিও শনাক্ত করা সম্ভব হবে নতুন ব্যবস্থার মাধ্যমে।
ফলে কেউ যদি মনে করে সারাদেশ থেকে তার নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ঢাকায় এনে প্রতিবাদ করবে তাহলে নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে সহজেই জানা সম্ভব হবে কারা কীভাবে ঢাকায় আসছে এবং তারা ঠিক কে কোথায় আছে। মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি অব মালয়ার আইন ও উদীয়মান প্রযুক্তি বিভাগের শিক্ষক মুহাম্মদ এরশাদুল করিম বলছেন উদ্বেগের জায়গাটা এখানেই।
তিনি বলেন, ধরুন দশ লাখ লোক ঢাকার বাইরে গেলো কিংবা বাইরে থেকে ঢাকায় আসবে- তাদের প্রত্যেকের স্পেসিফিক অবস্থান চিহ্নিত করা সম্ভব হবে। রাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ওপর ভিত্তি করে আদালতের অনুমতি নিয়ে কারও ওপর নজরদারি করা যায়। কিন্তু এমন গণহারে নজরদারি আপত্তিকর ও মানবাধিকার লঙ্ঘন।
সুমন আহমেদ সাবির বলছেন, প্রযুক্তিটি অপরাধীকে ধরা বা দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ভালোভাবে ব্যবহার সম্ভব। কিন্তু কেউ যদি মুক্ত চিন্তা বা নাগরিক অধিকারকে সংকুচিত করতে চান তাহলে এর মারাত্মক অপব্যবহার হতে পারে।
প্রসঙ্গত বিশ্বের উন্নত অনেক দেশে জরুরি সেবার সাথে জড়িত সংস্থাগুলো এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে। তবে তাদেরকেও ব্যক্তির নাম পরিচয় দেয়া হয় না বলে তারা সেটি নজরদারিতে ব্যবহার করতে পারে না।
সেবাদানকারীরা বলছেন, উন্নত বিশ্বে মুঠোফোন ব্যবহারকারী ব্যক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কোথায় অবস্থান করছেন, তার উপাত্ত ব্যবহার করা হয় জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে। ব্যক্তির নাম ও পরিচয় ব্যবহারকারীরা জানতে পারেন না।
ধরা যাক, কোনো ব্যক্তি জাতীয় জরুরি সেবা নম্বরে ফোন করে বলছেন, তিনি বাসায় একা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাঁর চিকিৎসাসেবা দরকার। তখন তাঁর জিও লোকেশন ব্যবহার করে চিকিৎসাসেবাদাতারা পৌঁছে যান। বাংলাদেশে ৯৯৯-এ ফোন করার পর ঠিকানার খুঁটিনাটি বলতে হয়। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বাংলাদেশে জরুরি সেবাদান মূল উদ্দেশ্য নয়, বরং নজরদারির জন্য জিও লোকেশন উপাত্ত নেওয়ার নতুন ব্যবস্থা চালু হচ্ছে।
আড়িপাতা নতুন নয়
বাংলাদেশে বহু বছর ধরেই মোবাইল ফোন ও সামাজিক মাধ্যমে নজরদারি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মধ্যকার ফোনালাপসহ গত এক দশকে অনেকগুলো মোবাইলের কথোপকথন ফাঁস হওয়ার উদাহরণও রয়েছে।
দেশটির রাজনৈতিক ও অ্যাকটিভিস্টরা বলছেন, এভাবে আড়িপাতার কারণে তাদের মধ্যে উদ্বেগ এবং বাড়তি চাপ তৈরি করছে। এমনকি গত বছর ইসরায়েলের সংবাদপত্র হারেৎজ-এ এমন তথ্যও এসেছিলো যে বাংলাদেশের কাছে ইসরায়েলি গোয়েন্দা নজরদারি প্রযুক্তি বিক্রি করা হয়েছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে, আধা কিলোমিটার পরিধিতে থাকা সব ডিভাইসে হোয়াটসঅ্যাপের এনক্রিপ্টেড বার্তা, ফেসবুকের চ্যাট, কন্টাক্ট লিস্ট, কল এবং বার্তায় প্রবেশ করা যায়।
এর আগে ২০২১ সালে, কাতারভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আল-জাজিরায় এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে ইসরায়েল থেকে একই ধরনের নজরদারী প্রযুক্তি কেনার বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়।
ভয়েস অব আমেরিকাকে ২০২১ সালের আগস্টে দেয়া একটি সাক্ষাৎকারে এনটিএমসির প্রধান, মেজর জেনারেল (তৎকালীন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল) জিয়াউল আহসান বলেছিলেন, তার প্রতিষ্ঠান দেশের স্বার্থে সরকারের চাহিদা অনুযায়ী সহায়তা করছে বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে।
এই এনটিএমসি-এর তত্ত্বাবধানেই এখন ইন্টিগ্রেটেড ল’ফুল ইন্টারসেপশন সিস্টেম চালু হচ্ছে বলে এ সংক্রান্ত সরকারি নথিগুলো বলছে।
সংক্ষেপে দেখুনফটোগ্রাফির জন্য হাতের কাছে দামি DSLR কিংবা হাইফাই ক্যামেরা আজ আর না হলেও চলে। কারণ হাতের মুঠোয় রয়েছে দুর্দান্ত সব স্মার্টফোন। যাদের ক্যামেরা মাত দিতে পারে বাঘা বাঘা ডিজিটাল ক্যামেরাকে। মোবাইল ফটোগ্রাফি কিন্তু মোটেই আজ আর হেলাফেলার জিনিস নয়। মানুষের চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দুর্ধর্ষ সব ক্যামেরা নিয়েবিস্তারিত পড়ুন
ফটোগ্রাফির জন্য হাতের কাছে দামি DSLR কিংবা হাইফাই ক্যামেরা আজ আর না হলেও চলে। কারণ হাতের মুঠোয় রয়েছে দুর্দান্ত সব স্মার্টফোন। যাদের ক্যামেরা মাত দিতে পারে বাঘা বাঘা ডিজিটাল ক্যামেরাকে। মোবাইল ফটোগ্রাফি কিন্তু মোটেই আজ আর হেলাফেলার জিনিস নয়। মানুষের চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দুর্ধর্ষ সব ক্যামেরা নিয়ে হাজির হচ্ছে মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি। কেউ দিচ্ছে 100 মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা তো কেউ 200। এ বলে আমায় দেখ, তো ও বলে আমায়। আর সেই বাজারে Apple-র নাম উঠলে তো কথাই নয়। সম্প্রতি গোটা একটা সিনেমা শুট হয়ে গিয়েছে লেটেস্ট iPhone মডেল দিয়ে। বিশাল ভরদ্বাজ নির্মীত সেই ‘ফুরসত’ ছবিটি নিয়ে ইতিমধ্যেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে নেটমাধ্যমে। ফলে বুঝতেই পারছেন, মোবাইল ক্যামেরা বিষয়টি মোটেই হেলাচ্ছেদ্দা করার মতো বিষয় নয়। মোবাইল ফটোগ্রাফি তো নয়ই। তবে মোবাইলে ভাল ক্যামেরা থাকলেই যে আপনি দুর্দান্ত ছবি তুলে ফেলতে পারবেন, তা কিন্তু নয়। তার জন্য চাই ঠিকঠাক প্রশিক্ষণ। তবে খুব কঠিন কিছুও নয় তা। সামান্য কয়েকটি জিনিস মাথায় রাখলেই আপনিও হয়ে উঠতে পারেন দুর্দান্ত ফটোগ্রাফার। মোবাইলে ভালো ছবি ও সেলফি তোলার সহজ কিছু টিপস রইল আপনারই জন্য। যা জানা থাকলে আপনার হাতের মোবাইলই হয়ে উঠবে DSLR। আসুন জেনে নেওয়া যাক, সেই সব কৌশল, যার অ্যাকসেস আপনি সহজেই পেতে পারেন Settings অপশন থেকেই।
মোবাইল ক্যামেরায় গ্রিডলাইন জরুরি
মোবাইল ক্যামেরার settings অপশনে গেলে সেখানে গ্রিডলাইন বলে একটি অপশন দেখতে পাবেন। যেটি অন করলে ক্যামেরার স্ক্রিনে বেশ কিছু উলম্ব ও অনুভূমিক রেখা দেখা যায়, যা ন’টি ভাগে ভাগ করা থাকে। যা প্রাথমিক ভাবে অকাজের মনে হলেও, ভালো ছবি তোলার জন্য কিন্তু বেশ জরুরি এই গ্রিডলাইন। এই গ্রিডলাইন আপনার ছবির রেশিওকে সোজা রাখতে সাহায্য করে। ছবি তোলার সময় ওই রেখার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ফ্রেম সেট করতে পারলে, আপনাকে আর ঠেকায় কে!
ক্যামেরা অন করে শাটার বাটন প্রেস করে দিলেই কিন্তু ছবি তোলা হয় না। বরং কোন বস্তুটির ছবি আমরা তুলতে চাইছি, তাকে প্রথমে ফোকাসে আনা চাই। আর তার জন্যই ক্যামেরা সেটিংসে থাকে ফোকাসের একটি বিকল্প। যেখানে গিয়ে ফোকাস মোডটি অন করতে হবে আপনাকে। এর পর যে বস্তুটির ছবি তুলতে চান, সেই উদ্দিষ্ট বস্তুটির উপর ফোকাস সেট করা প্রয়োজন। তার জন্য ক্য়ামেরা স্ক্রিনের উপর উদ্দিষ্ট জায়গায় ট্যাপ করতে হবে। তাহলেই দেখবেন একটি গোলাকার ফোকাস অপশন দেখা যাবে স্ক্রিনের। ভাল ছবি তোলার অনেকটা কৃতিত্বই কিন্তু যায় এই ফোকাস মোডের উপরে।
High dynamic range বা HDR, মোবাইল ক্যামেরা অ্যাপের এই ফিচারটি লাইট ও ডার্ক এলিমেন্টে ব্যালান্স আনে এই HDR মোড। ঘরে লো লাইটে ছবি তুললে ব্রাইট ব্যাকগ্রাউন্ডে তোলার চেষ্টা করবেন। তবে এই যে আলো-আধারির সমস্যা তা কিন্তু HDR মোডের সাহায্যে অনেকটাই মেটানো সম্ভব। iPhone-র ক্ষেত্রে সমস্ত ছবিই HDR মোডে ওঠে। তবে অন্যান্য Androidফোনের ক্ষেত্রে ম্যানুয়ালি ওই মোড অন করতে হয়। তাই ক্যামেরার Settings-এ গিয়ে HDR মোড অন করার কথা ভুলবেন না যেন।
সবসময় মনে রাখবেন, যে কোনও কৃত্রিম আলোর তুলনায় ন্যাচারাল আলোয় ছবি ওঠে সবচেয়ে ভালো। তাই ফ্ল্যাশ ব্যাবহার করে ছবি তোলার চেয়ে প্রাকৃতিক আলোয় ছবি তোলার চেষ্টা করুন। অন্ধকারে তোলা ছবিতে শ্যাডো ব্যবহার করে দেখতে পারেন। পাশাপাশি একসঙ্গে একাধিক জিনিসের ছবিতে ফোকাস করার চেষ্টা করবেন। তাহলে কিন্তু আখেরে গোটা ছবিটাই ঘেঁটে যাওয়ার সম্ভবনা থাকে।
মোবাইল হোক বা ক্যামেরা, ডিভাইসধরে হাত বেশ নড়লে সব ছবিই উঠবে ব্যাঁকাট্যারা। তাই ছবি তোলা সময় ফোন সোজা ধরার চেষ্টা করুন। যে হাতে ক্যামেরা ধরেছেন, সেই হাতটাকে অন্য হাত দিয়ে সাপোর্ট দেওয়ার চেষ্টা করুন। আরেকটি ছোট্ট টিপস রয়েছে, ছবির ক্যাপচার বাটনটি প্রেসের সময় এক-দু সেকেন্ড নিঃশ্বাস বন্ধ রাখার চেষ্টা করে দেখতে পারেন। তাও যদি ছবি কাঁপে, তাহলে মোবাইল ট্রাইপড ব্যবহার করতে পারেন। সেলফি তোলার ক্ষেত্রেও বেশ সুবিধা পাবেন এর ফলে।
Xiaomi Redmi Note 10 Pro price (present) Official ✭ ৳25,999 - 6/64 GB | 64MP Version ৳26,999 - 6/128 GB | 64MP Version ৳29,999 - 6/128 GB | 108MP Version Xiaomi Redmi Note 10 Pro specifications Battery: 5020 mAh Screen: 6.67 inches,1080 x 2400 pixels (~395 ppi density) Processor: Octa-core-Qualcommবিস্তারিত পড়ুন
| Official ✭ | ৳25,999 – 6/64 GB | 64MP Version ৳26,999 – 6/128 GB | 64MP Version ৳29,999 – 6/128 GB | 108MP Version |

| Official ✭ | ৳28,999 6/128 GB ৳30,999 8/128 GB |

Thanks!
নতুন সংস্করণে অ্যাপটির মালিকানাধীন মেটা প্রতিষ্ঠান অ্যাপল, স্যামসাং, মোটোরোলা, সনি, এলজির মতো জনপ্রিয় ব্রান্ডের প্রায় ৩৫টি মডেলের স্মার্টফোনে বন্ধ হতে যাচ্ছে এর পরিষেবা। মূলত এই মেসেজিং প্ল্যাটফর্মের সামগ্রিক পারফরম্যান্স উন্নত করতে এবং নিরাপত্তা বাড়াতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থবিস্তারিত পড়ুন
নতুন সংস্করণে অ্যাপটির মালিকানাধীন মেটা প্রতিষ্ঠান অ্যাপল, স্যামসাং, মোটোরোলা, সনি, এলজির মতো জনপ্রিয় ব্রান্ডের প্রায় ৩৫টি মডেলের স্মার্টফোনে বন্ধ হতে যাচ্ছে এর পরিষেবা। মূলত এই মেসেজিং প্ল্যাটফর্মের সামগ্রিক পারফরম্যান্স উন্নত করতে এবং নিরাপত্তা বাড়াতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপের লেটেস্ট ফিচারগুলো ব্যবহার যে সিস্টেম দরকার তা এই ফোনগুলোতে নেই। যে সব ফোনে চলবে না হোয়াটসঅ্যাপ
হুয়াওয়ে ব্র্যান্ডের মডেলের মধ্যে রয়েছে-
অ্যাসেন্ড পি৬ এস
অ্যাসেন্ড জি৫২৫
হুয়াওয়ে সি১৯৯
হুয়াওয়ে জিএক্স১এস
হুয়াওয়ে ওয়াই৬২৫
স্যামসাং ব্র্যান্ডের মডেলের মধ্যে রয়েছে-
গ্যালাক্সি এসিই প্লাস
গ্যালাক্সি কোর
গ্যালাক্সি এক্সপ্রেস ২
গ্যালাক্সি গ্র্যান্ড
গ্যালাক্সি নোট ৩
গ্যালাক্সি এস৩ মিনি
গ্যালাক্সি এস৪ অ্যাকটিভ
গ্যালাক্সি এস৪ মিনি
গ্যালাক্সি এস৪ জুম।
অ্যাপল ব্র্যান্ডের মডেলের মধ্যে রয়েছে-
আইফোন ৫
আইফোন ৬
আইফোন ৬ এস
আইফোন ৬ এস প্লাস
আইফোন এসই
লেনোভো ব্র্যান্ডের মডেলের মধ্যে রয়েছে-
লেনোভো ৪৬৬০০
লেনোভো এ৮৫৮টি
লেনোভো পি৭০
লেনোভো এস৮৯০
মটোরোলা ব্র্যান্ডের মডেলের মধ্যে রয়েছে-
মোটো জি
মোটো এক্স
এলজি ব্র্যান্ডের মডেলের মধ্যে রয়েছে-
অপটিমাস ৪এক্স এইচডি
অপটিমাস জি
অপটিমাস জি প্রো
অপটিমাস এল ৭
সনি ব্র্যান্ডের মডেলের মধ্যে রয়েছে-
এক্সপেরিয়া জেড ১
এক্সপেরিয়া ই৩
সেলফি শব্দটি এখন বেশ পরিচিত। সেলফিকে আমরা আক্ষরিক অর্থে বলতে পারি নিজে নিজে কোন কিছু করা অর্থাৎ নিজেই নিজের ছবি তোলা। বর্তমান যুগে সবার হাতেই স্মার্ট ফোন রয়েছে। সবাই নিজের মতো করেই নিজের ছবি তুলতে চায়। আর এটা সম্ভব হয়েছে ফ্রন্ট ক্যামেরা (অনেকে সেলফি ক্যামেরা হিসেবে চিনে) থাকার কারণে। আজ আমরা সেই সেলবিস্তারিত পড়ুন
সেলফি শব্দটি এখন বেশ পরিচিত। সেলফিকে আমরা আক্ষরিক অর্থে বলতে পারি নিজে নিজে কোন কিছু করা অর্থাৎ নিজেই নিজের ছবি তোলা।
বর্তমান যুগে সবার হাতেই স্মার্ট ফোন রয়েছে। সবাই নিজের মতো করেই নিজের ছবি তুলতে চায়। আর এটা সম্ভব হয়েছে ফ্রন্ট ক্যামেরা (অনেকে সেলফি ক্যামেরা হিসেবে চিনে) থাকার কারণে।
আজ আমরা সেই সেলফি তোলা নিয়ে কিছু কথা বলবো। আপনি কিভাবে খুব সহজেই নিজের সুন্দর সেলফি উঠাতে বা তুলতে পারবেন সেটা জানতে পারবেন। তো আর কথা নয় – সরাসরি যাচ্ছি মূল আলোচনায়।
সেলফিতে মজে নেই এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া সত্যিই মুশকিল। অনেকেই ভাবেন, ভালো সেলফি তোলাটা বেশ কঠিন। তবে এ কথা একেবারেই সঠিক নয়। ক্যামেরা হাতে ততটা পটু না হলেও চলবে।
সেলফি তোলার সময় মাথায় রাখতে পারেন আনন্দবাজার পত্রিকায় দেওয়া কয়েকটি টিপস। সেই টিপসগুলো আশা করি সেলফিবাজদের সত্যিই কাজে লাগবে। চলুন দেখে নিই।
মোবাইলে টাইমার সেট করে তার পর সেলফি তুলুন। এতে সেলফির আগে বেশ খানিকটা সময় মিলবে। সেই সঙ্গে ক্যামেরা ক্লিক করার আগে হাতও স্টেডি করে নেওয়া যাবে।
সেলফি তোলার সময় মুখের একটু ওপরে মোবাইল ক্যামেরা তাক করুন। এ বার ক্যামেরার দিকে তাকান। ব্যস, পারফেক্ট সেলফি রেডি।
সেলফি তোলার সময় ডাবল চিন নিয়ে অনেকেই অস্বস্তিতে পড়েন। ফোটোতে ডাবল চিন ঢাকতে আপনার মুখটা সামান্য এগিয়ে নিন। এতে ডাবল চিন ঢাকা তো পড়বেই, সঙ্গে জলাইনও শার্প দেখাবে।
সেই একঘেয়ে সেলফির পোজ দিয়ে গিয়ে বোরড! এ বার থেকে শুধুমাত্র নিজের মুখ নয়, সেলফির পোজ দিন আপনার প্রিয় পোষ্য বা কোনও বন্ধুর সঙ্গে।
তবে একেবারেই যদি কাউকে না পাওয়া যায় তবে আপনার নুতন সানগ্লাস পরেও সেলফি তুলতে পারেন। এতে ফোটোতে একটা নতুনত্ব আসবে।
কাঠ হয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে সেলফি তুলবেন না। ফটোতে নিজের মনের কথা প্রকাশ করুন। হাসুন, পাউট করুন। চাইলে বেশ মজার মুখভঙ্গিও করতে পারেন।
চড়া আলোয় সেলফি তুলবেন না। বরং সেলফির জন্য বেছে নিন হালকা আলো। এতে ইফেক্ট ভাল আসবে। চড়া আলোতে চেহারার লাবণ্যতা কমে যায়। প্রয়োজনে ক্যামেরার আলো কিছুটা কমিয়ে নিতে পারেন।
তবে সেলফি তোলার মোক্ষম টিপসটি হল সেলফ-লাভ। খ্যাতনামা ফটোগ্রাফারদের মতে, যারা নিজেকে ভালবাসেন তাদের চোখেই তা ফুটে ওঠে। এমনকি, তা দেখা যায় সেলফিতেও।
পরিশেষে বলা যায়, সেলফি তোলার সময় দুটো জিনিস সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত নিজের মুখের প্রতিচ্ছবি যেন মায়ায় ভরা থাকে আর ক্যামেরার দিক থেকে এক্সপার্ট হতে হবে। আর বেশি বেশি সেলফি তোলার প্রাকটিস করলেও ভালো সেলফি তোলা সম্ভব।
সংক্ষেপে দেখুনআপনি যদি ডানহাতি হন তাহলে বাম হাতে ধরে ডান বুড়ো আঙুল দিয়ে ব্যবহার করা সাধারণত সবচেয়ে আরামদায়ক ও স্বাস্থ্যকর। কিন্তু সবচেয়ে ভালো হয় দুই হাত মিলিয়ে ব্যবহার করা।
আপনি যদি ডানহাতি হন তাহলে বাম হাতে ধরে ডান বুড়ো আঙুল দিয়ে ব্যবহার করা সাধারণত সবচেয়ে আরামদায়ক ও স্বাস্থ্যকর। কিন্তু সবচেয়ে ভালো হয় দুই হাত মিলিয়ে ব্যবহার করা।
সংক্ষেপে দেখুনIn this article we will learn about the reasons behind phone hang and possible solutions of this omnipresent problem. Occasional phone hanging should not be a cause of worry, but if it happens often, then you should try the tips given below. Reasons and solutions of the mobile phone hang problem. 1.বিস্তারিত পড়ুন
In this article we will learn about the reasons behind phone hang and possible solutions of this omnipresent problem. Occasional phone hanging should not be a cause of worry, but if it happens often, then you should try the tips given below.
Reasons and solutions of the mobile phone hang problem.
Each mobile phone comes has a limited amount of resources like memory (RAM) and processing power. If you overburden the phone beyond the capacity of these resources, the phone may hang. So, you should try and minimize the number of concurrently running apps. There are a number of apps that run in the background. You can free the clogged memory by stopping the apps that you don’t need at present.
To see the list of currently running apps, go to Settings > Apps > Running App.
Keep visiting the app stores like Google Play (if you have Android phone) and iTunes App Store (if you’ve an iPhone). Mobile app developers keep on improving performance of their apps. Therefore it is highly recommended that you regularly update all the apps as and when a better version is available. Latest versions of apps may be designed to use lesser memory and CPU power.
Shutting down your phone every once in a while is a good idea because it will completely refresh the memory of phone. When you will restart your phone, its memory will be free of all the unnecessary pieces of data that were lingering on and occupying the memory space.
This tip may not have any big effect at all in most cases. But it is also a good idea to remove battery and SIM card after every few months. Removing battery and SIM will clean the dust from the electric touch points.
It is fine to remove mobile battery once in a while. It remove the dust at touch points. It may help in solving phone hang problem.
Most of the mobile phone users install all sorts of apps in their phones. When installing the apps, they don’t pay much attention to where the app is going to be installed and what impact it can have on the performance of the phone. In most cases, by default, the apps get installed in the internal memory of the phone. This leaves lesser space for the running the apps and that in turn causes clogged memory. If your phone hangs, it is advisable to install apps in the external memory (i.e. SD Card) of the phone. Usually the external memory is larger than the internal memory. And external memory can also be easily expanded if required (instead of 2 GB card, just insert an 8 GB card!). Therefore, in external memory more apps can be easily installed without clogging the internal memory of the phone. This will save your phone from hanging.
For this you can set the default write disk. Go to Settings > Storage > Default write disk > Select SD Card. Please note that this setting is available in slightly different location in different mobile handsets. So, you may have to do a bit of look around.
You can always move the already installed apps from internal to external memory. As explained above, this will give more internal memory space for the smooth running of the apps. As a result your phone will not hang.
Setting for moving installed apps is usually available under Settings > Apps.
Image showing how to set default write disk and how to move app to SD card.
You can also browse through the list of the apps installed in your phone. You might spot a few apps that you had installed once upon a time but you no longer require them. Uninstall such apps immediately. They stay idle in your phone and waste the all important memory space.
If you have stored images, videos and songs in the internal memory; you’re really choking up the internal memory space and that could very well become the cause of your phone hanging all the time. Go ahead, take a look at all the pictures, videos and songs and delete the ones that you no longer need. Alternatively, first you can take backup of this data in your computer and then delete it from your phone. Photos, videos and audio take up most of the space the phone of an average smartphone user. And it is one of the common reasons why your phone hangs.
Some of the apps use much more memory than other apps. Game apps (like Angry Birds) are among the top memory guzzling apps. You can check how much memory each of your apps are using. For this go to Settings > Apps (or Memory) > Running Apps. Here you will be able to see which app is using exactly how much memory.
Memory usage by various apps in Android.
If possible, you may try a lighter alternative of an app that is using a lot of memory. For example, if you use a news app and that app is eating up a lot of RAM; you may consider removing that app and install another news app from the app store.
Viruses are a menace. If your mobile phone is playing host to a virus, the virus can considerably slow down your mobile phone. Needless to say, your phone will hang often. So, obviously you need an anti-virus. Although anti-virus software itself take up a lot of memory but it is better to have the virus removed.
So far, we have been telling you about the importance of installing apps on external memory. But it should not mean that you choke up the external memory as well! Keep some space free in external memory also so that apps can easily store and read their relevant data. If external memory is also full to the brim, that can also become the cause of phone hang.
This should be your last resort. If nothing else works and phone stills hangs, you can reset your mobile phone back to factory settings. Use of this option will remove everything from your mobile phone. You will lose everything that would be there in the internal memory. And it will be gone forever. All the messages, contacts, apps, bookmarks, photos, videos, songs, ringtone… everything will be deleted. Essentially, this option will make your phone just the way it was when it was produced in the factory.
These were some of the tips that you can use to solve you phone hang problem. We understand that if your phone hangs quite often, it becomes really irritating. Do try the above tips and also share your experience with us through the comments section given below. Please let us know what works for you and what not —so that other readers of TechWelkin can also benefit from your experience. Thank you for using TechWelkin.
সংক্ষেপে দেখুনডঃ মার্টিন কুপার এবং জন ফ্রান্সিস মিচেলকে মোটোরোলা কোম্পানিতে কর্মরত থাকা অবস্থায় প্রথম মোবাইল ফোন উদ্ভাবন করেন। তাঁরা ১৯৭৩ সালের এপ্রিলে প্রথম সফলভাবে প্রায় ২ কেজি (৪.৪ পাউন্ড) ওজনের হাতে ধরা ফোনের মাধ্যমে কল করতে সক্ষম হন। তবে ফোনের প্রথম বাণিজ্যিক সংস্করণ বাজারে আসে ১৯৮৩ সালে। ফোনটির নাম ছিল মোটবিস্তারিত পড়ুন
ডঃ মার্টিন কুপার এবং জন ফ্রান্সিস মিচেলকে মোটোরোলা কোম্পানিতে কর্মরত থাকা অবস্থায় প্রথম মোবাইল ফোন উদ্ভাবন করেন। তাঁরা ১৯৭৩ সালের এপ্রিলে প্রথম সফলভাবে প্রায় ২ কেজি (৪.৪ পাউন্ড) ওজনের হাতে ধরা ফোনের মাধ্যমে কল করতে সক্ষম হন। তবে ফোনের প্রথম বাণিজ্যিক সংস্করণ বাজারে আসে ১৯৮৩ সালে। ফোনটির নাম ছিল মোটোরোলা ডায়না টিএসি ৮০০০এক্স (DynaTAC 8000x)। মোবাইলটির দাম রাখা হয়েছিল ৩৯৯৫ ডলার যা প্রায় ২,৯৫,০০০ টাকা।
সংক্ষেপে দেখুন
📱 ১৫,০০০ টাকার নিচে সেরা স্মার্টফোন (২০২৬) 🥇 ১. Vivo Y05 দাম: ৳১৩,৯৯৯ | রিলিজ: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ Vivo Y05 অফিসিয়ালি ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ বাংলাদেশে রিলিজ হয়। ফোনটি Android 16 ভিত্তিক OriginOS 6.0 সহ Unisoc T7225 (12nm) চিপসেট দ্বারা পরিচালিত। ডিসপ্লে হলো ৬.৭৪ ইঞ্চি HD+ IPS LCD যা ১২০Hz রিফ্রেশ রবিস্তারিত পড়ুন
📱 ১৫,০০০ টাকার নিচে সেরা স্মার্টফোন (২০২৬)
🥇 ১. Vivo Y05
দাম: ৳১৩,৯৯৯ | রিলিজ: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
Vivo Y05 অফিসিয়ালি ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ বাংলাদেশে রিলিজ হয়। ফোনটি Android 16 ভিত্তিক OriginOS 6.0 সহ Unisoc T7225 (12nm) চিপসেট দ্বারা পরিচালিত। ডিসপ্লে হলো ৬.৭৪ ইঞ্চি HD+ IPS LCD যা ১২০Hz রিফ্রেশ রেট এবং ১২০০ নিটস ব্রাইটনেস সমর্থিত এবং Gorilla Glass দিয়ে সুরক্ষিত। বিশেষ আকর্ষণ হলো ৬৫০০mAh বিশাল ব্যাটারি এবং IP65 ডাস্ট ও স্প্ল্যাশ প্রোটেকশন।
🥈 ২. Infinix Smart 20
দাম: ৳১২,৯৯৯ | রিলিজ: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
Infinix Smart 20, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ বাংলাদেশে লঞ্চ হয়। এটি MediaTek Helio G81 Ultimate প্রসেসর দ্বারা চালিত এবং ৬.৭৮ ইঞ্চি IPS ডিসপ্লেতে ১২০Hz রিফ্রেশ রেট ও ৭০০ নিটস ব্রাইটনেস রয়েছে। ফোনটিতে NFC, IP64 রেটিং এবং মাত্র ৭.৭mm আল্ট্রা-স্লিম বডি ডিজাইন রয়েছে। এতে ৫২০০mAh ব্যাটারি এবং ৫W রিভার্স চার্জিং সাপোর্টও আছে।
🥉 ৩. Xiaomi Redmi 15C (4G)
দাম: ৳১৪,৯৯৯ (4GB/128GB ভেরিয়েন্ট)
Xiaomi Redmi 15C, MediaTek Helio G81 Ultra (12nm) চিপসেটে চলে এবং Android 15 অপারেটিং সিস্টেম সহ আসে। ফোনটিতে ৬০০০mAh ব্যাটারি এবং ৩৩W ফাস্ট চার্জিং রয়েছে, যা এই দামে সত্যিই দারুণ।
4️⃣ Samsung Galaxy A07 4G
দাম: ৳১৩,৯৯৯ – ৳১৪,৯৯৯ (ভেরিয়েন্ট অনুযায়ী)
Samsung Galaxy A07 একটি নির্ভরযোগ্য ডেইলি ড্রাইভার। এতে ৬.৭ ইঞ্চি HD+ ডিসপ্লেতে ৯০Hz রিফ্রেশ রেট এবং MediaTek Helio G99 প্রসেসর আছে। ৫০MP ডুয়াল ক্যামেরা সেটআপ, ৫০০০mAh ব্যাটারি এবং ২৫W ফাস্ট চার্জিং সমর্থন করে।
5️⃣ Tecno Spark 40c
দাম: ৳১২,৪৯৯ (Official)
Tecno Spark 40c অফিসিয়ালি বাংলাদেশে ৳১২,৪৯৯ দামে পাওয়া যাচ্ছে। এটি বাজেট সেগমেন্টে চমৎকার ভ্যালু ফর মানি অফার করে। বড় ডিসপ্লে, শক্তিশালী ব্যাটারি এবং ভালো পারফর্ম্যান্সের জন্য Tecno Spark সিরিজ বরাবর জনপ্রিয়।
🔍 কোনটি কিনবেন?
⚠️ নোট: দাম বাজার ও দোকানভেদে কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে। কেনার আগে অফিসিয়াল শোরুম বা নির্ভরযোগ্য অনলাইন শপে যাচাই করে নিন।
সংক্ষেপে দেখুন