ডঃ মার্টিন কুপার এবং জন ফ্রান্সিস মিচেলকে মোটোরোলা কোম্পানিতে কর্মরত থাকা অবস্থায় প্রথম মোবাইল ফোন উদ্ভাবন করেন। তাঁরা ১৯৭৩ সালের এপ্রিলে প্রথম সফলভাবে প্রায় ২ কেজি (৪.৪ পাউন্ড) ওজনের হাতে ধরা ফোনের মাধ্যমে কল করতে সক্ষম হন। তবে ফোনের প্রথম বাণিজ্যিক সংস্করণ বাজারে আসে ১৯৮৩ সালে। ফোনটির নাম ছিল মোটবিস্তারিত পড়ুন
ডঃ মার্টিন কুপার এবং জন ফ্রান্সিস মিচেলকে মোটোরোলা কোম্পানিতে কর্মরত থাকা অবস্থায় প্রথম মোবাইল ফোন উদ্ভাবন করেন। তাঁরা ১৯৭৩ সালের এপ্রিলে প্রথম সফলভাবে প্রায় ২ কেজি (৪.৪ পাউন্ড) ওজনের হাতে ধরা ফোনের মাধ্যমে কল করতে সক্ষম হন। তবে ফোনের প্রথম বাণিজ্যিক সংস্করণ বাজারে আসে ১৯৮৩ সালে। ফোনটির নাম ছিল মোটোরোলা ডায়না টিএসি ৮০০০এক্স (DynaTAC 8000x)। মোবাইলটির দাম রাখা হয়েছিল ৩৯৯৫ ডলার যা প্রায় ২,৯৫,০০০ টাকা।
সংক্ষেপে দেখুন





মোবাইলের চার্জ দীর্ঘ সময় ধরে রাখার জন্য গুগল কিছু পরামর্শ দেয়। সেগুলো তুলে ধরছি। সাথে আরও কিছু যুক্ত করবো বোনাস হিসেবে। চলুন শুরু করা যাক। মোবাইলের চার্জ ধরে রাখার টিপস্ : ১. ফোনের ডিসপ্লে যেন তাড়াতাড়ি অফ হয় সেজন্য Screen timeout সর্বোচ্চ ১ মিনিট আর খুব ভালো হয় যদি ৩০ সেকেন্ড দিয়ে রাখেন। ২. ব্রাইটনেবিস্তারিত পড়ুন
মোবাইলের চার্জ দীর্ঘ সময় ধরে রাখার জন্য গুগল কিছু পরামর্শ দেয়। সেগুলো তুলে ধরছি। সাথে আরও কিছু যুক্ত করবো বোনাস হিসেবে। চলুন শুরু করা যাক।

মোবাইলের চার্জ ধরে রাখার টিপস্ :
১. ফোনের ডিসপ্লে যেন তাড়াতাড়ি অফ হয় সেজন্য Screen timeout সর্বোচ্চ ১ মিনিট আর খুব ভালো হয় যদি ৩০ সেকেন্ড দিয়ে রাখেন।
২. ব্রাইটনেস বা উজ্জ্বলতা ২০% এর মত রাখা ভাল। দিনের বেলা একটু বেশি রাখতে পারেন। তবে ৪০% এর উপরে রাখা ব্যাটারির ডিসচার্জ টাইম বাড়িয়ে দেয়। আপনি অটো ব্রাইটনেস করে রাখলে সবচেয়ে ভাল হয়।
৩. কীবোর্ড এর সাউন্ড এবং ভাইব্রেশন বন্ধ রাখুন।
৪. অব্যবহৃত একাউন্টগুলো বন্ধ রাখুন। যেমন, ইমেইল, ফেসবুক ইত্যাদি।
৫. ডার্ক থিম বা ডার্ক মোড (Dark Mode) ব্যবহার করুন। এতে অতিরিক্ত পাওয়ার খরচ কম হবে। অ্যামোলেড (AMOLED) ডিসপ্লের ফোনগুলোতে এটি অত্যন্ত কাজে দেয়।
বোনাস
আপনি Greenify অ্যাপ ইউজ করতে পারেন। এর মাধ্যমে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ যেগুলো গ্রাউন্ডে রানিং থাকে সেগুলো হাইবারনেট করে রাখতে পারবেন। এর ফলে ব্যাকগ্রাউন্ডে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ একটিভিটি কমে যাবে এবং আপনার ব্যাটারি চার্জ আর ইন্টার্নেটের ডাটা বেঁচে যাবে। তবে ব্যাটারি বুস্টার নামে অনেক টুল প্লে স্টোরে পাবেন যেগুলো আপনার ব্যাটারি বুস্টের নামে আরও বিপদ ডেকে আনবে আর ব্যাটারি আরও দ্রুত চার্জ হারাতে থাকবে এবং মোবাইল স্লো হয়ে যাবে। সুতরাং এগুলো ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
সংক্ষেপে দেখুন