সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
AI tools ব্যবহার করলে Developer-এর দক্ষতা বাড়ে নাকি কমে যায়? বিশ্লেষণ করো।
এআই টুলস কি ডেভেলপারদের দক্ষতা কমিয়ে দিচ্ছে নাকি বাড়াচ্ছে? চলুন বিশ্লেষণ করা যাক বর্তমান সময়ে প্রযুক্তি বিশ্বে সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় হলো আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই। বিশেষ করে গিটহাব কোপাইলট (GitHub Copilot), চ্যাটজিপিটি (ChatGPT) বা জেমিনি (Gemini) এর মতো টুলগুলো আসার পর ডেভেলপারদের কাজের ধরনবিস্তারিত পড়ুন
এআই টুলস কি ডেভেলপারদের দক্ষতা কমিয়ে দিচ্ছে নাকি বাড়াচ্ছে? চলুন বিশ্লেষণ করা যাক
বর্তমান সময়ে প্রযুক্তি বিশ্বে সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় হলো আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই। বিশেষ করে গিটহাব কোপাইলট (GitHub Copilot), চ্যাটজিপিটি (ChatGPT) বা জেমিনি (Gemini) এর মতো টুলগুলো আসার পর ডেভেলপারদের কাজের ধরনে বিশাল পরিবর্তন এসেছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে: এই টুলগুলো ব্যবহার করলে কি একজন ডেভেলপারের মেধা কমে যায়, নাকি কাজের গতি ও দক্ষতা বৃদ্ধি পায়?
এআই যেভাবে দক্ষতা বাড়াচ্ছে (Pros)
এআই টুলস একজন ডেভেলপারের জন্য ব্যক্তিগত মেন্টর হিসেবে কাজ করতে পারে। এর ইতিবাচক দিকগুলো হলো:
এআই যেভাবে দক্ষতার ক্ষতি করতে পারে (Cons)
অতিরিক্ত এআই নির্ভরতা কিছু ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাবও ফেলতে পারে:
আমাদের ভবিষ্যৎ কোন দিকে?
২০২৬ সালের প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে এটি স্পষ্ট যে, এআই ডেভেলপারদের প্রতিস্থাপন করবে না বরং যারা এআই ব্যবহার করতে জানেন তারা অন্যদের চেয়ে অনেক এগিয়ে থাকবেন। বর্তমান সময়ে AI Integration Engineer বা AI-Augmented Developer পদগুলোর চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। তাই দক্ষতা কমানো বা বাড়ানোর বিষয়টি সম্পূর্ণ নির্ভর করে ব্যবহারের ওপর। আপনি যদি এআই-কে আপনার টুল হিসেবে ব্যবহার করেন তবে আপনি একজন ‘সুপার ডেভেলপার’ হয়ে উঠবেন। আর যদি এআই-কে আপনার মগজ হিসেবে ব্যবহার করেন, তবে দীর্ঘমেয়াদে আপনার দক্ষতা কমে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।
সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)
১. এআই কি ডেভেলপারদের চাকরি খেয়ে ফেলবে?
উত্তর: না, এআই ডেভেলপারদের প্রতিস্থাপন করবে না। তবে এটি কাজের ধরন বদলে দেবে। জটিল সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং সিস্টেম ডিজাইনের জন্য মানুষের বুদ্ধিমত্তার প্রয়োজন সব সময়ই থাকবে।
২. জুনিয়র ডেভেলপারদের কি এআই ব্যবহার করা উচিত?
উত্তর: শেখার শুরুতে এআই ব্যবহার না করে সরাসরি কোড করা ভালো। মৌলিক বিষয়গুলো আয়ত্ত করার পর প্রোডাক্টিভিটি বাড়াতে এআই ব্যবহার করা যেতে পারে।
৩. এআই কি নির্ভুল কোড লেখে?
উত্তর: সব সময় নয়। এআই অনেক সময় ভুল বা হ্যালুসিনেশন (Hallucination) এর শিকার হতে পারে। তাই এআই এর দেওয়া কোড সব সময় রিভিউ করে নেওয়া উচিত।
৪. বর্তমানে ডেভেলপারদের জন্য সেরা এআই টুল কোনটি?
উত্তর: ২০২৬ সালে গিটহাব কোপাইলট, জেমিনি কোড অ্যাসিস্ট্যান্ট এবং ক্লড ৩.৫ বা ৪ ভার্সনগুলো বেশ জনপ্রিয়।
এআই কোনো জাদুকরী সমাধান নয়, বরং এটি একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। বিজ্ঞানের ছাত্র বা প্রযুক্তি প্রেমী হিসেবে আমাদের উচিত এই প্রযুক্তিকে বুদ্ধিমত্তার সাথে গ্রহণ করা।
সংক্ষেপে দেখুনকখন এবং কেন স্ক্যাভেঞ্জার হান্ট গেম উদ্ভাবিত হয়েছিল?
সাধারণত স্ক্যাভেঞ্জার হান্টের আইডিয়া প্রাচীন লোকবৈঠক ও উৎসবীয় খেলাধুলা থেকে উদ্ভূত। কিছু সূত্র এটি গ্রিক যুগের খেলা বলেও থাকে। আধুনিক পার্টি‑গেম হিসেবে এটি জনপ্রিয় করে তোলেন আমেরিকান সোশ্যালাইট ও হোস্টেস এলসা ম্যাক্সওেল (Elsa Maxwell)। তিনি ১৯২০–৩০ এর দশকে নিউইর্ক ও প্যারিসে ব্যাপকভাবে এই খেলার আয়োবিস্তারিত পড়ুন
সাধারণত স্ক্যাভেঞ্জার হান্টের আইডিয়া প্রাচীন লোকবৈঠক ও উৎসবীয় খেলাধুলা থেকে উদ্ভূত। কিছু সূত্র এটি গ্রিক যুগের খেলা বলেও থাকে। আধুনিক পার্টি‑গেম হিসেবে এটি জনপ্রিয় করে তোলেন আমেরিকান সোশ্যালাইট ও হোস্টেস এলসা ম্যাক্সওেল (Elsa Maxwell)। তিনি ১৯২০–৩০ এর দশকে নিউইর্ক ও প্যারিসে ব্যাপকভাবে এই খেলার আয়োজন করে লোকচক্ষে এনেছিলেন। মোট কথা: মূল ভিত্তি প্রাচীন, কিন্তু আজকের মানে ও জনপ্রিয়তা পাওয়ায় বড় ভূমিকা রেখেছেন এলসা ম্যাক্সওেল।
সংক্ষেপে দেখুনগুগল আর্থ ডে কি?
Google Earth Day হলো প্রতি বছর ২২ এপ্রিল তারিখে উদযাপিত একটি দিন। এই দিনে মানুষের সচেতনতা বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম আয়োজন করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, গাছ লাগানো, পরিবেশ সাফাই, শিক্ষামূলক কর্মসূচী এবং পরিবেশ সংরক্ষণের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করা হয়। Google এই দিনটিতে অংশ নেয় এবং বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের মবিস্তারিত পড়ুন
Google Earth Day হলো প্রতি বছর ২২ এপ্রিল তারিখে উদযাপিত একটি দিন। এই দিনে মানুষের সচেতনতা বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম আয়োজন করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, গাছ লাগানো, পরিবেশ সাফাই, শিক্ষামূলক কর্মসূচী এবং পরিবেশ সংরক্ষণের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করা হয়।
Google এই দিনটিতে অংশ নেয় এবং বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণ সম্পর্কিত তথ্য এবং সরঞ্জাম সরবরাহ করে। Google Earth ব্যবহারকারীদের বিশ্বের বিভিন্ন অংশের ভ্রমণ এবং পরিবেশ সম্পর্কিত তথ্য পাওয়ার সুযোগ দেয়। এছাড়াও, Google এর সার্চ ইঞ্জিন এবং অন্যান্য সেবাগুলি বিশেষ ডুডল, নিবন্ধ এবং সরঞ্জাম প্রদর্শন করে, যা পরিবেশ সংরক্ষণের উপর দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
এই দিনটিতে সবাইকে পরিবেশ সংরক্ষণে অংশগ্রহণ করার জন্য উৎসাহিত করা হয়।
সংক্ষেপে দেখুনইউটিউব গোল্ডেন প্লে বাটন পেতে কত ভিউ ও সাবস্ক্রাইবার লাগে?
ইউটিউব গোল্ডেন প্লে বাটন (YouTube Golden Play Button) পাওয়ার জন্য আপনার চ্যানেলে ১০ লক্ষ (বা ১ মিলিয়ন) সাবস্ক্রাইবার থাকতে হবে। এটা মনে রাখা জরুরি যে, ইউটিউবের এই প্লে বাটন পুরস্কারগুলো মূলত সাবস্ক্রাইবার সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে দেওয়া হয়, ভিউ এর সংখ্যার ওপর নয়। অবশ্যই, শুধু সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা পূরণবিস্তারিত পড়ুন
ইউটিউব গোল্ডেন প্লে বাটন (YouTube Golden Play Button) পাওয়ার জন্য আপনার চ্যানেলে ১০ লক্ষ (বা ১ মিলিয়ন) সাবস্ক্রাইবার থাকতে হবে।
এটা মনে রাখা জরুরি যে, ইউটিউবের এই প্লে বাটন পুরস্কারগুলো মূলত সাবস্ক্রাইবার সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে দেওয়া হয়, ভিউ এর সংখ্যার ওপর নয়।
অবশ্যই, শুধু সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা পূরণ করলেই হবে না, প্লে বাটন পাওয়ার জন্য আপনার চ্যানেলকে ইউটিউবের কমিউনিটি গাইডলাইন এবং অন্যান্য নিয়মকানুনও (যেমন – কোনো কপিরাইট স্ট্রাইক না থাকা ইত্যাদি) মেনে চলতে হবে।
সংক্ষেপে দেখুনبالتأكيد! إليك سؤالًا باستخدام الكلمة المفتاحية "حاسبة التقاعد في الإمارات
Here’s a concise overview of how “retirement calculator in the UAE” tools work, what inputs and assumptions they use, some of the most popular calculators available to UAE residents and expats, and tips for getting the most out of them. Summary Retirement calculators are interactive tools that estimবিস্তারিত পড়ুন
Here’s a concise overview of how “retirement calculator in the UAE” tools work, what inputs and assumptions they use, some of the most popular calculators available to UAE residents and expats, and tips for getting the most out of them.
Summary
Retirement calculators are interactive tools that estimate how much you need to save (and contribute) to achieve a target monthly income in retirement, based on your age, current savings, expected returns, inflation, and desired lifestyle. In the UAE, both government-linked and private calculators are available: National Bonds’ Nestegg Calculator, Abu Dhabi’s TAMM pension tool, ADIB’s Retirement Planner, as well as expat-focused calculators from HSBC Expat, Sarwa, HAYAH, Titan Wealth, Friends Provident International (FPI), The Family Office, and Zurich.ae. Most calculators let you tweak assumptions (investment growth rate, life expectancy, inflation) and compare “what-if” scenarios. They’re free to use, but all come with disclaimers that results are illustrative—not personalized financial advice.
What Is a Retirement Calculator?
A retirement calculator is an online estimator that helps you:
These tools apply compound-interest formulas to your inputs and a set of default or user-entered assumptions (expected return rates, inflation, lifespan), then visualize results with charts or tables.
Key Inputs & Assumptions
Popular UAE Retirement Calculators
1. National Bonds Nestegg Calculator
2. HSBC Expat Retirement Planning Calculator
3. Sarwa Retirement Calculator
4. HAYAH Pension Calculator
5. TAMM Abu Dhabi Pension Calculator
6. ADIB Retirement Planner
7. Titan Wealth Retirement Planning Calculator
8. Friends Provident International (FPI) Calculator
9. The Family Office Retirement Calculator
10. Zurich UAE Retirement Savings Calculator
How to Use a Retirement Calculator in the UAE
Benefits & Limitations
Benefits
Limitations
Best Practices
By leveraging these free online calculators—and understanding their inputs and assumptions—you can better plan your savings strategy and approach retirement in the UAE with confidence.
সংক্ষেপে দেখুনপাসওয়ার্ডের (PASSWORD) বাংলা অর্থ কী?
পাসওয়ার্ড এর বাংলা হলো সংকেত শব্দ বা গুপ্ত মন্ত্র।
পাসওয়ার্ড এর বাংলা হলো সংকেত শব্দ বা গুপ্ত মন্ত্র।
সংক্ষেপে দেখুনগুগল নামটির উৎপত্তি গুগোল (googol) শব্দ থেকে যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম, সংখ্যাটি কত?
গুগল নামের উৎপত্তিঃ গুগল নামের উৎপত্তি 'গুগোল' (googol) থেকে - যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম। সংখ্যাটা হলো : ১ এর পিঠে ১০০টা শূন্য বসালে যা হয় - তাই। তাদের ওয়েবসাইট মানুষ যে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত ঘাঁটাঘাঁটি-অনুসন্ধান করবে - সেটাই এই নাম দিয়ে বোঝাতে চেয়েছিলেন তারা।
গুগল নামের উৎপত্তিঃ
গুগল নামের উৎপত্তি ‘গুগোল’ (googol) থেকে – যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম। সংখ্যাটা হলো : ১ এর পিঠে ১০০টা শূন্য বসালে যা হয় – তাই। তাদের ওয়েবসাইট মানুষ যে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত ঘাঁটাঘাঁটি-অনুসন্ধান করবে – সেটাই এই নাম দিয়ে বোঝাতে চেয়েছিলেন তারা।
সংক্ষেপে দেখুনগুগলের প্যারেন্ট কোম্পানীর নাম কি?
গুগলের প্যারেন্ট কোম্পানি হলো অ্যালফাবেট। প্রতিষ্ঠাতাঃ ল্যারি পেজ ও সের্গেই ব্রিন।
গুগলের প্যারেন্ট কোম্পানি হলো অ্যালফাবেট। প্রতিষ্ঠাতাঃ ল্যারি পেজ ও সের্গেই ব্রিন।
সংক্ষেপে দেখুনগুগলের নতুন কর্মচারীদের কি নামে ডাকা হয়?
গুগলের নতুন কর্মীদের "নুগলারস" নামে ডাকা হয় এবং কাজের প্রথম শুক্রবারে তাদেরকে প্রপেলার বিনি নামক এক ধরণের টুপি পরিধান করতে দেয়া হয়।
গুগলের নতুন কর্মীদের “নুগলারস” নামে ডাকা হয় এবং কাজের প্রথম শুক্রবারে তাদেরকে প্রপেলার বিনি নামক এক ধরণের টুপি পরিধান করতে দেয়া হয়।
সংক্ষেপে দেখুনগুগলের প্রথম ডুডল কি ছিলো?
গুগল ডুডল গুগল ডুডল হলো গুগল কর্তৃক ডিজাইনকৃত কোনো বিশেষ দিন, বিশেষ ঘটনা, অর্জন বা বিখ্যাত কোনো ব্যক্তির জন্ম - মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণ করতে গুগলের প্রধান পাতায় তাদের লোগোর পরিবর্তে ব্যবহৃত শিল্পসম্মত লোগো। গুগলের প্রথম ডুডল যোগ হয় ১৯৯৮ সালের ৩০শে আগস্ট বার্নিং ম্যান ফেস্টিভ্যালের দিন। যখন গুগলের প্রবিস্তারিত পড়ুন
গুগল ডুডল
গুগল ডুডল হলো গুগল কর্তৃক ডিজাইনকৃত কোনো বিশেষ দিন, বিশেষ ঘটনা, অর্জন বা বিখ্যাত কোনো ব্যক্তির জন্ম – মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণ করতে গুগলের প্রধান পাতায় তাদের লোগোর পরিবর্তে ব্যবহৃত শিল্পসম্মত লোগো।
গুগলের প্রথম ডুডল যোগ হয় ১৯৯৮ সালের ৩০শে আগস্ট বার্নিং ম্যান ফেস্টিভ্যালের দিন। যখন গুগলের প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেইজ ও সার্গেই বিন একটি উৎসবে নেভাদা গিয়েছিলেন, তখনি প্রথম এই আইডিয়াটি আসে।
এটি ডিজাইন করেছিলো গুগলের প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেইজ ও সার্গেই বিন, এটি দেওয়ার কারণ ছিলো মূলত গুগল ব্যবহারকারীদের তাদের অনুপস্থিতি সম্পর্কে বার্তা দেওয়া। গুগলের প্রতিষ্ঠাতারা ভেবেছিলেন এর মাধ্যমে তারা জানিয়ে দেবেন যে কেন তারা অফিসে অনুপস্থিত। এরপর থেকেই ডুডল গুগলের একটি ঐতিহ্যে পরিণত হয়।
পরবর্তীতে গুগল ডুডল ডিজাইন করার জন্য ‘ডুডলার’ নামে কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়। ২০১০ সালের জানুয়ারিতে গুগল, স্যার আইজ্যাক নিউটন-এর সম্মানার্থে প্রথমবারের মতো এনিমেটেড ডুডল প্রকাশ করে। প্যাক-ম্যান, উদযাপন উপলক্ষে প্রথমবারের মতো ইন্টারঅ্যাক্টিভ ডুডল প্রকাশ করা হয়। এটির মাধ্যমে ডুডলে হাইপারলিংকও দেওয়া শুরু হয়, যেটিতে ক্লিক করলে উক্ত বিষয়বস্তু সম্পর্কিত গুগলে অনুসন্ধান ফলাফল দেখানো হয়।
এ পর্যন্ত গুগল আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ডুডল মিলে মোট ৪০০০-এরও বেশি সংখ্যক ডুডল তাদের প্রধান পাতায় প্রদর্শন করেছে।
তথ্যসূত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক
সংক্ষেপে দেখুনবাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামারের নাম কি?
বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামারের নাম হানিফ উদ্দিন মিয়া। বিস্তারিত জানুন..
বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামারের নাম হানিফ উদ্দিন মিয়া। বিস্তারিত জানুন..
সংক্ষেপে দেখুনইন্টারনেটে ডিপফেক !! কী এই প্রযুক্তি? বাঁচবেন কীভাবে ?
ই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রযুক্তি ক্রমশ উদ্বেগ বাড়াচ্ছে কারণ এটি বিভিন্ন প্রতারণামূলক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যেতে পারে। ভুল তথ্য ছড়ানো, জাল খবর তৈরি করা কিংবা অন্যের ভুয়ো পরিচয় তৈরি করা- সবই সম্ভব। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এক আশ্চর্য প্রযুক্তির সাহায্যে অন্যের শরীরে এমন নিখুঁতভাবে জুড়ে দেওয়া হয় আরেকজনেরবিস্তারিত পড়ুন
ই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রযুক্তি ক্রমশ উদ্বেগ বাড়াচ্ছে কারণ এটি বিভিন্ন প্রতারণামূলক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যেতে পারে। ভুল তথ্য ছড়ানো, জাল খবর তৈরি করা কিংবা অন্যের ভুয়ো পরিচয় তৈরি করা- সবই সম্ভব।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এক আশ্চর্য প্রযুক্তির সাহায্যে অন্যের শরীরে এমন নিখুঁতভাবে জুড়ে দেওয়া হয় আরেকজনের মুখ, যে তা বোঝার কোনও উপায়ই নেই। বরং ভিডিওতে এমনভাবেই হাসছেন, কথা বলছেন যে সন্দেহেরও জায়গা নেই, ভিডিওতে দেখা যাওয়া মানুষটি আদৌ তিনি নন। এই প্রযুক্তির নাম হল ‘ডিপফেক’।
ডিপফেকের মাধ্যমে রীতিমতো অসাধ্যসাধন করা যায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তথা এআইকে কাজে লাগিয়ে। নেটিজেনরা ফটোশপ শব্দটির সঙ্গে কমবেশি সকলেই পরিচিত। ফটোশপের সাহায্যে দীর্ঘদিন ধরেই আপত্তিকর ছবিতে অন্যের মুখের ছবি জুড়ে দিয়ে নতুন ছবি তৈরি করে ব্ল্যাকমেল সহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজ চলে আসছে। তবে ডিপফেক প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে আরও বহুগুণ উন্নত, এবং ঠিক সেই কারণেই তা বেশি আশঙ্কার কারণও বটে।
কী এই এআই ডিপফেক? এই প্রযুক্তির সাহায্যে ঠিক কতটা বিপদে ফেলতে পারে এইআই? কীভাবেই বা বাঁচবেন এই ফাঁদ থেকে?
ডিপফেক হল এমন একটি প্রযুক্তি, যার সাহায্যে মিথ্যে ছবি, ভিডিও, এমনকী অডিও-ও তৈরি করা যায়। সেই ছবি-ভিডিও কিংবা অডিও দেখে আপাতভাবে বোঝার উপায়ই নেই যে সেগুলি আসল নয়। ডিপফেকের মাধ্যমে জাল অডিও তৈরি করে কারও কণ্ঠস্বর হুবহু নকল করা যায়। যাঁর সঙ্গে এমনটা ঘটছে, তাঁর অত্যন্ত কাছের মানুষরাও অনেক সময় সেই মিথ্যা ধরতে পারেন না।
কীভাবে তৈরি করা হয় জাল কন্টেন্ট?
ডিপফেক নির্মাতারা সোশ্যাল মিডিয়া এবং অন্যান্য প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ‘টার্গেট’-এর ব্যাপারে যথেষ্ট পরিমাণ ডেটা সংগ্রহ করে শুরু করে। এরপরে সেই সংগৃহীত ডেটা বিশ্লেষণ করতে এবং শিখতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। সেই প্রযুক্তির সাহায্যে মুখের বৈশিষ্ট, অভিব্যক্তি, ভয়েস প্যাটার্ন এবং অন্যান্য ‘ইউনিক’ বৈশিষ্ট শনাক্ত করে এবং ম্যাপ করে। তারপরে অন্য ভিডিও বা ছবিতে নতুন পুনর্গঠিত ডেটা ম্যানিপুলেট করে অর্থাৎ জুড়ে দিলেই তৈরি নতুন জাল কন্টেন্ট।
এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রযুক্তি ক্রমশ উদ্বেগ বাড়াচ্ছে কারণ এটি বিভিন্ন প্রতারণামূলক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যেতে পারে। ভুল তথ্য ছড়ানো, জাল খবর তৈরি করা কিংবা অন্যের ভুয়ো পরিচয় তৈরি করা- সবই সম্ভব। যেহেতু সোশ্যাল মিডিয়াই ডিপফেকের জন্য তথ্য সংগ্রহের মূল জায়গা, তাই কীভাবে সমাজমাধ্যমে নিজের তথ্য সুরক্ষিত রাখা সম্ভব, সেই নিয়েও জানার আগ্রহ বাড়ছে মানুষের।
কীভাবে বাঁচবেন এআই-এর পাতা ফাঁদ থেকে?
সোশ্যাল মিডিয়ায় উপলব্ধ ব্যক্তিগত তথ্য যথাসম্ভব কম করাই ডিপফেকের খপ্পর থেকে বাঁচার সহজতম উপায়। ছবি ভিডিও সহ সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা কন্টেন্ট ‘পাবলিক’ না রাখাই ভাল। এছাড়া ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলও ‘প্রাইভেট’ করে রাখা যেতে পারে। ইনস্টাগ্রামে বিজনেস অ্যাকাউন্ট থাকলে ব্যক্তিগত চ্যাট, ভিডিও আর্কাইভে রাখা যেতে পারে। অনলাইন অ্যাকাউন্টগুলিকে সুরক্ষিত করার জন্য শক্তপোক্ত, কঠিন পাসওয়ার্ড দেওয়া জরুরি।
চ্যাটজিপিটিকে কিভাবে ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহার করা যাবে ?
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ওপেনএআই এর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন চ্যাটবট চ্যাটজিপিটি ইন্টারনেট জগতের নতুন বিপ্লব। বিশেষজ্ঞদের মতে, চ্যাটজিপিটির মধ্য দিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এক নতুন যুগে প্রবেশ করলো মানবসভ্যতা। আর এখান থেকে এআই প্রতিনিয়ত দ্রুত গতিতে অধিকতর বুদ্ধিমান এবং শক্তিশালী হবিস্তারিত পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ওপেনএআই এর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন চ্যাটবট চ্যাটজিপিটি ইন্টারনেট জগতের নতুন বিপ্লব। বিশেষজ্ঞদের মতে, চ্যাটজিপিটির মধ্য দিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এক নতুন যুগে প্রবেশ করলো মানবসভ্যতা। আর এখান থেকে এআই প্রতিনিয়ত দ্রুত গতিতে অধিকতর বুদ্ধিমান এবং শক্তিশালী হতে থাকবে।
সে যা-ই হোক, চ্যাটজিপিটির আগমনের পর থেকেই একে কীভাবে কাজে লাগানো যায় তা নিয়ে ভাবতে শুরু করেছে প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো। ভারতের এক কোম্পানি তো রীতিমতো চ্যাটজিপিটিকে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ঘোষণা করে সাড়া ফেলেছে। সেটিকে অবশ্য ‘খাজনার চেয়ে বাজনা বেশি’ বলেই মনে করছেন অধিকাংশ। তবে আপনি যদি আক্ষরিক অর্থেই আপনার প্রতিষ্ঠানের জন্য চ্যাটজিপিটি ব্যবহারের কথা ভেবে থাকেন, তাহলে এই লেখাটি আপনার জন্য।
বাজার যাচাই
ব্যবসায় সাফল্যের জন্য কেবল নিজের ব্যবসাটা বুঝলেই চলবে না, বুঝতে হবে বাজারের হালহাকিকত, প্রতিযোগীদের অবস্থান এবং কৌশল। চ্যাটজিপিটি এক্ষেত্রে বিনামূল্যে (যদি প্রিমিয়াম ব্যবহার না করা হয়) চমৎকার সেবা প্রদান করতে পারে। চ্যাটজিপিটির শক্তিশালী মেশিন লার্নিং ক্ষমতা এবং ন্যাচারাল ল্যাংগুয়েজ প্রসেসিং ফিচার বাজার সম্পর্কিত তথ্য-উপাত্ত তুলনা ও বিশ্লেষণ করে তা থেকে গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক কৌশলগত সিদ্ধান্ত তৈরি করে দিতে পারে।
কন্টেন্ট তৈরি
ওয়েব ৩.০’র যুগে যেকোনো ব্যবসার দ্রুত প্রসারণ এবং সাফল্যের জন্য চাই ভার্চুয়াল জগতে উপস্থিতি। আর সেজন্য প্রয়োজন হয় কন্টেন্টের। চ্যাটজিপিটি আপনার এ কাজ ভীষণ সহজ করে দেবে। কেবল কন্টেন্ট লেখাই নয়, কন্টেন্ট তৈরির উদ্ভাবনী সব বুদ্ধিও দিতে পারবে এই এআই চালিত চ্যাটবট। কোম্পানির প্রচারণা সংক্রান্ত কন্টেন্ট থেকে শুরু করে ব্রশিয়ার লেখা, ওয়েবসাইট উপযোগী কন্টেন্ট কিংবা জনসংযোগের জন্য নিউজলেটার লেখা, সবই করতে পারবে চ্যাটজিপিটি। আপনার দায়িত্ব হবে দুটি- চ্যাটজিপিটিকে পর্যাপ্ত কিওয়ার্ড প্রদান করা এবং তৈরি কন্টেন্ট সম্পাদনা করা।
বিজ্ঞাপনী কৌশল নির্ধারণ
চ্যাটজিপিটিকে সৃজনশীল বিজ্ঞাপনী কৌশল তৈরি করে দিতে বললে চ্যাটজিপিটি এ কাজও করে দেবে, যদিও তা নিখুঁত হবে না। তথাপি, আপনি যে পণ্যটি বিক্রয় করতে চান তার যথাযথ বর্ণনা এবং কীরকম বিজ্ঞাপন চান সেসব তথ্য চ্যাটজিপিটিকে জানালে এই চ্যাটবট দারুণ সব কৌশল এনে হাজির করবে। অবশ্যই সেসব কৌশল অন্ধের মতো অনুকরণ করা চলবে না। কিন্তু সেগুলো থেকে আইডিয়া গ্রহণ করে দারুণ সব বিজ্ঞাপনী কৌশল নিজেই তৈরি করে ফেলতে পারবেন।
প্রাতিষ্ঠানিক সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল
যেকোনো মাঝারি থেকে বড় আকারের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানেরই আজকাল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উপস্থিতি জরুরি। ফেসবুক, লিংকডইন বা টুইটারে কোম্পানিগুলো আজকাল নিজেদের প্রাতিষ্ঠানিক অবস্থান, সাফল্য এবং পণ্য সম্পর্কে প্রচার প্রচারণা করে থাকে। এক্ষেত্রে কর্মী নিয়োগ কিংবা আউটসোর্সিংয়েই ভরসা করে কোম্পানিগুলো। তবে চ্যাটজিপিটির আগমনে বিষয়টি এখন আপনারই হাতে। যেকোনো পণ্যের যথার্থ বর্ণনা কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক পরিচিতি সে লিখে দেবে দক্ষতার সাথে। শুধু তা-ই নয়, লেখাটি কোন মাধ্যমের জন্য করছেন সেটি উল্লেখ করে দিলে চ্যাটজিপিটি ভিন্ন ভিন্ন মাধ্যমের জন্য ভিন্ন ভিন্ন বাচনভঙ্গিতে কন্টেন্ট লিখে দেবে।
কাস্টমার সাপোর্ট
ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড ইমেজ রক্ষার্থে এবং ক্রেতাবান্ধব সেবাপ্রদানের জন্য কাস্টমার সার্ভিস রিপ্রেজেন্টেটিভ অত্যাবশ্যক। এক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি হতে পারে গেমচেঞ্জার। আপনার ওয়েবসাইটে কিংবা এপ্লিকেশনে চ্যাটজিপিটি ইন্টিগ্রেট করতে পারলে ক্রেতারা চ্যাটজিপিটিকে প্রশ্ন করেই পেয়ে যাবে তাৎক্ষণিক নির্ভরযোগ্য সমাধান। আপনার প্রাথমিক কাজ হবে পাবলিক ডোমেইনে (ইন্টারনেটে) আপনার কোম্পানি সম্পর্কিত সকল তথ্যাদি এবং ক্রেতাদের সাধারণ প্রশ্নাবলী ও সমস্যা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর মজুদ রাখা।
নীতিনির্ধারণী সহায়তা
নীতিনির্ধারণের মতো ব্যাপারে চ্যাটবটের সহায়তা নেয়ার ব্যাপারটা অমূলক মনে হতে পারে। কিন্তু চ্যাটজিপিটির বিস্ময়করভাবে বৃহৎ তথ্যভাণ্ডারে ব্যবসায়িক নীতিনির্ধারণ, মানবসম্পদ তথা এইচআর কৌশল, কোম্পানির সিএসআর পলিসি, কাজের পরিবেশ সুরক্ষা সম্পর্কিত পরামর্শ, সবই উপস্থিত আছে। সঠিক কিওয়ার্ড ব্যবহার করে চ্যাটজিপিটিকে প্রশ্ন করলেই চলে আসবে উত্তর।
করণিক কাজকর্ম
ব্যবসায়িক সক্ষমতা বাড়াতে বর্তমানে সময়ে ইআরপি (এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্লানিং) ব্যবহারের জনপ্রিয়তা বেড়েছে। আপনার কোম্পানির ইআরপি সফটওয়্যারে চ্যাটজিপিটি ইন্টিগ্রেট করে নিলে এই ব্যবস্থা কয়েকগুণ শক্তিশালী এবং কার্যকর হয়ে যাবে। মেমো তৈরি করা, পণ্যের অর্ডার সংক্রান্ত কোট তৈরি করা, মাসিক বা বাৎসরিক পারফরম্যান্স রিপোর্ট তৈরি করায় সহায়ক হতে পারে চ্যাটজিপিটি।
সবমিলিয়ে, ব্যবসা পরিচালনার অবিচ্ছেদ্য অংশ হবার ক্ষমতা রয়েছে চ্যাটজিপিটির। একে যথাযথ প্রশিক্ষণ এবং কিওয়ার্ড প্রদান করতে পারলে যেকোনো মানবসম্পদের চেয়ে কোনো অংশে কম দক্ষ হবে না এই সর্বাধুনিক এআই বিস্ময়।
সংক্ষেপে দেখুনউইন্ডোজ ১০ পার্মানেন্টলী অ্যাক্টিভ করবেন কিভাবে?
আমরা যারা কম্পিউটার ব্যবহার করি তারা সবাই কমবেশি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম বিশেষ করে বহুল ব্যবহৃত উইউন্ডোজ ১০ সম্পর্কে জানি। উইন্ডোজ ১০ বর্তমান বিশ্বে খুবই জনপ্রিয়। মাইক্রোসফ্ট কর্পোরেশন সর্বপ্রথম ১৫ই জুলাই, ২০১৫ সালে উন্মুক্ত করে। তারপর আর তাদের পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। এখন যদিও উইন্ডোজ ১১ তারা উন্মুবিস্তারিত পড়ুন
আমরা যারা কম্পিউটার ব্যবহার করি তারা সবাই কমবেশি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম বিশেষ করে বহুল ব্যবহৃত উইউন্ডোজ ১০ সম্পর্কে জানি। উইন্ডোজ ১০ বর্তমান বিশ্বে খুবই জনপ্রিয়। মাইক্রোসফ্ট কর্পোরেশন সর্বপ্রথম ১৫ই জুলাই, ২০১৫ সালে উন্মুক্ত করে। তারপর আর তাদের পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।
এখন যদিও উইন্ডোজ ১১ তারা উন্মুক্ত করেছে কিন্তু উইন্ডোজ ১০ এর জনপ্রিয়তা এতটুকুও কমেনি। যাই হোক, আমি কথা বলতে চেয়েছি কিভাবে উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেম পার্মানেন্টলী আপনি অ্যাক্টিভ করবেন।
এখন মূল কথায় আসি। এই অপারেটিং সিস্টেম পার্মানেন্টলী অ্যাক্টিভ করার জন্য আপনার প্রয়োজন হবে একটি পেনড্রাইভ, মাইক্রোসফ্ট এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করা উইন্ডোজ ১০ এর একটি ‘আইএসও’ ফাইল এবং কম্পিউটারে একটি ফাঁকা হার্ড ডিস্ক ও একটি মাইক্রোসফ্ট এর হটমেইল বা আউটলুক।
হটমেইল বা আউটলুক হলো গুগল এর জিমেইল এর মতো। জিমেইল হলো গুগল কোম্পানীর আর হটমেইল বা আউটলুক হলো মাইক্রোসফ্ট কোম্পানীর।
উপরে যেসব জিনিসের কথা বলা হলো সেগুলো যদি আপনার কাছে রেডি থাকে তাহলে এখনই আপনি জেনুইন উইন্ডোজ ১০ ইন্সটল করতে পারবেন।
এখন, এসব কিছু করার জন্য আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপটি চালু থাকতে হবে। চালু না থাকলে বা সেটআপ দেয়া না থাকলে আপনাকে অন্য একটি সচল কম্পিউটারের সহযোগিতা নিতে হবে।
ধরে নিলাম, আপনার কম্পিউটার চালু আছে। এখন, চালু থাকা অবস্থায় আপনি ইন্টারনেট থেকে ছোট আরেকটি সফ্টওয়ার ডাউনলোড করে নিবেন। সেই সফ্টওয়ারের নাম হলো রুফুস। এবার, আপনার পেনড্রাইভটি কম্পিউটারে লাগান অর্থাৎ ইউএসবি পোর্টে লাগান। তারপর পেনড্রাইভটি ফরমেট করুন। আমার জানামতে, আপনি অবশ্যই পেন ড্রাইভ ফরমেট করতে পারেন। না পারলে ইউটিউব থেকে দেখে নিন। ইউটিউবে গিয়ে সার্চ করুন: How to format pendrive.
ফরম্যাট হয়ে গেলে এবার আপনি ঐ রুফুস সফ্টওয়ারটি কম্পিউটারে ইন্সটল করে নিন। এটা ইন্সটল করা খুবই সহজ। কয়েকটি ক্লিক মাত্র লাগে। ইন্সটল হয়ে গেলে এবার আপনি সেটা চালু করুন অর্থাৎ ওপেন করুন। ওপেন করলে নিচের ছবির মতো আসবে।
আপনার পেনড্রাইভটি যেন অন্তত ৮ জিবি হয়। তা না হলে সমস্যা হতে পারে। এবার, Device অপশনে গিয়ে আপনার পেনড্রাইভটি সিলেক্ট করে দিন।
এরপর Boot Selection এ গিয়ে আপনার কম্পিউটারে থাকা ডাউনলোড করা উইন্ডোজ ১০ এর ISO ফাইলটি সিলেক্ট করে দিন। এবার, Partition Scheme `MBR’ রাখুন। UEFI বুট করার জন্য আলাদা Partition Scheme সিলেক্ট করতে হয়। সেটা আপাতত আপনার দরকার নেই।
তারপর যা আছে তাই থাকবে। এবার আপনি নিচে Start বাটনে ক্লিক করুন। ক্লিক করলে আবার পেনড্রাইভ করার জন্য অনুমতি চাইবে, আপনি Yes করবেন।
এরপর উইন্ডোজ ১০ এর আইএসও ফাইলটি আপনার পেনড্রাইভে বার্ন হতে প্রায় ১০ মিনিট বা তার চেয়ে বেশি সময় লাগবে। কম সময়ও লাগতে পারে। এটা নির্ভর করবে আপনার কম্পিউটারের পারফরমেন্স এর উপর।
আপনার পেনড্রাইভ বুটেবল হয়ে গেলে এবার আপনি কম্পিউটার সেটআপ দেয়া শুরু করুন। আর সেটা করার জন্য পেনড্রাইভ ইউএসবি পোর্টে লাগানো থাকা অবস্থায় কম্পিউটার রি-স্টার্ট করুন। তারপর ডিলেট বাটন বা ইএসসি বাটন প্রেস করার মাধ্যমে আপনার মাদারবোর্ডের বুট অপশনে যান।
মাদার বোর্ডের সব সেটিংস কে ডিফল্ট করে দিলে ভালো হয়। যদি না করতে পারেন সমস্যা নাই। এবার আপনি বুট অপশন থেকে আপনার পেন ড্রাইভ সিলেক্ট করে দিন এবং ইন্টার প্রেস করুন।
আপনার উইন্ডোজ সেটআপ এবার শুরু হবে এবং আপনি দেখতে থাকুন। এবার সেটআপ শুরুর কিছুক্ষণ এর মধ্যেই উইন্ডোজ ১০ এর লাইসেন্স কী চাইবে। আপনি সেটাকে স্কিপ করবেন। তারপর আপনার ডিস্ক ড্রাইভগুলো শো করবে।
ডিস্ক ড্রাইভগুলো শো করার পরে যে ড্রাইভে উইন্ডোজ সেটআপ দেবেন সেটা একদম ফরম্যাট বা ডিলেট করে নিলে ভালো হয়। ডিলেট না করলেও সমস্যা নেই। ডিলেট করার পরে আবার পার্টিশন করেন।
উইন্ডোজ সেটআপ এর জন্য অন্তত ৮০ জিবি বা ১০০ জিবি স্পেস রাখাটা ভালো। পার্টিশন দেয়ার পরে সেই ড্রাইভ সিলেক্ট করে ওকে করুন। তাহলে সেটআপ শুরু হবে।
এবার, সেটআপ শেষের দিকে যাওয়ার পরে কম্পিউটার রি-স্টার্ট নেবে এবং আপনার কাছে অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত তথ্য চাইবে। তখন আপনি আপনার হটমেইল বা আউটলুক দিয়ে সাইন ইন (Sign In) করবেন। এরপর ধাপে ধাপে বাকি স্টেপগুলো সেটআপ করবেন।
এরপর আপনার কম্পিউটার হয়তো ১ বার রি-স্টার্ট নিতে পারে। তারপর কিছুক্ষণ করে কম্পিউটার চালু হয়ে যাবে। এবার আপনি কম্পিউটার এর Settings অপশনে গিয়ে Update & Security এবং তারপর Activation অপশনে ক্লিক করুন।
দেখবেন সেখানে লেখা আছে “Windows is activated with a digital license linked to your Microsoft account”.
আপনি আরও Sure হওয়ার জন্য আলাদাভাবে দেখতে পারেন। সেটা করার জন্য আপনার কম্পিউটারে Command Prompt চালু করুন। সার্চে গিয়ে Command লিখলেই চলে আসবে। এবার সেখানে টাইপ করুন “slmgr/xpr” তারপর Enter প্রেস করুন। দেখবেন, লিখা আসছে “Your machine is permanently activated”. এর মানে আমার উইন্ডোজ ১০ কখনোই এক্সপায়ার হবে না। মাইক্রোসফ্ট থেকে লাইসেন্স কিনে নিলে যা হয় তাই হয়েছে কিন্তু।।
উপরের ছবিটি দেখে নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন। তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, উইন্ডোজ ১০ সেটআপের সময় আপনার কম্পিউটারে কিন্তু ইন্টারনেট কানেকশন থাকতে হবে। মোডেম দিয়ে হবে না, অবশ্যই Wifi ব্যবহার করতে হবে। মোবাইল হট স্পট হলেও চলবে।
আর আরেকটি ব্যাপার হলো, আপনি যদি আলাদাভাবে উইন্ডোজ ১০ অ্যাক্টিভ করে নেন (KMSPico এর মাধ্যমে) তাহলে সেটা হয়তো ৬ মাস বা ১ বছরের জন্য হবে। তারপরে কিন্তু আবার অ্যাক্টিভেট করার জন্য স্ক্রীনে বার বার নোটিফিকেশন আসবে।
পরিশেষে বলা যায়, Windows 10 স্থায়ীভাবে অ্যাক্টিভ করে নিলে অনেক সুবিধা হয়। সেটা আপনি তখনই বুঝবেন যখন উইন্ডোজ ১০ স্থায়ীভাবে সেটআপ করতে পারবেন।
এমন অনেককেই দেখেছি, যারা কম্পিউটারের অনেক কাজ পারে কিন্তু অপারেটিং সিস্টেম বুঝে না। স্ক্রীনে অ্যাক্টিভেটের যে নির্দেশনা আসছে সেটাও তারা জানে না। আবার, উইন্ডোজ এর অনেকগুলো ভার্সন রয়েছে (Windows XP, Windows 7, Windows 8.1, Windows 10, Windows 11) সেগুলো সম্পর্কেও তারা জানে না।
যাই হোক, আমি ধরে নিচ্ছি আপনি এসব বুঝেন। আপনিও যদি ওদের কাতারের হোন তাহলে এই লিখা বুঝতে আপনার অনেক কষ্ট হবে।
পরিশেষে বলতে চাই, এই লিখাটি যদি আপনার ভালো লাগে তাহলে কমেন্ট করে জানাবেন। আর বর্তমানে উইন্ডোজ ১০ বা ১১ এর লাইসেন্স Key ৩০০ থেকে ৫০০ টাকার মাধ্যমে পাওয়া যায়। সম্ভব হলে তাদের কাছ থেকে কিনেও নিতে পারেন। তবে Spam Person’দের থেকে আবার কিনতে যাইয়েন না। তাহলে শুধু টাকার অপচয় হবে। সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন এই কামনা করে ইতি টানলাম।
সংক্ষেপে দেখুনকম্পিউটার ভাইরাস কি?
কম্পিউটার ভাইরাস গোটা বিশ্বের সব মানুষের প্রধান মাথা ব্যাথার কারণ। যদি জিজ্ঞেস করা হয় এই ভাইরাসের জন্ম কোথায়? কিভাবে এসেছে এই ভাইরাস? তবে উত্তর দিতে গিয়ে আপনাকে ইন্টারনেট খুলে বসতে হবে। এত ঝামেলায় না গিয়ে আসুন দেখে নেওয়া যাক এর ইতিহাস। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানী জনভন নিউম্যান ১৯৪৯ সালে সর্বপ্রথবিস্তারিত পড়ুন
কম্পিউটার ভাইরাস গোটা বিশ্বের সব মানুষের প্রধান মাথা ব্যাথার কারণ। যদি জিজ্ঞেস করা হয় এই ভাইরাসের জন্ম কোথায়? কিভাবে এসেছে এই ভাইরাস? তবে উত্তর দিতে গিয়ে আপনাকে ইন্টারনেট খুলে বসতে হবে। এত ঝামেলায় না গিয়ে আসুন দেখে নেওয়া যাক এর ইতিহাস।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানী জনভন নিউম্যান ১৯৪৯ সালে সর্বপ্রথম কম্পিউটার ভাইরাসের কথা বলেন। কোনো একটি প্রোগ্রামের হুবহু নকল প্রোগ্রাম হিসেবে তার অনুমানের আত্মপ্রকাশ ঘটে। পরে এটাই কম্পিউটার ভাইরাস হিসেবে পরিচিতি পায়।
শুরুর দিকে বিভিন্ন নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগারে ভাইরাস তৈরি এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজ চালত। গবেষণাগারের বাইরে তৈরি হওয়া প্রথম যে ভাইরাসটি বিভিন্ন কম্পিউটারে ছড়িয়ে পড়ে সেটার নির্মাতা ছিলেন এলক ক্লোনার এবং যার প্রোগ্রামিং করেন তখনকার সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্কুল শিক্ষার্থী রিচার্ড স্কেন্টা।
এই সময়কার ভাইরাসগুলো ফ্লপি ডিস্কের মাধ্যমে ছড়াত। ফলে এগুলো নিরাপত্তায় খুব বেশি প্রভাব ফেলতে সক্ষম হতো না। ইন্টারনেটের মাধ্যমে ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে ভাইরাস ছড়াতে শুরু করলেও সবচেয়ে বড় আক্রমণটি হয় ১৯৯৯ সালে।
আমেরিকান নাগরিক ডেভিড এল স্মিথ এটা তৈরি করেন। ‘মেলিসা’ ভাইরাস নামের এ ভাইরাসটি ই-মেলের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এই প্রক্রিয়ায় ই-মেলের সাথে একটি ওয়ার্ড ফাইলজুড়ে দেওয়া হয়, যা ওপেন করলেই ইউজার ভাইরাস আক্রান্ত হতেন।
এ ছাড়া আক্রান্ত ব্যক্তির কাছ থেকে তার ই-মেলে থাকা আরো ৫০ জনের কাছে অটোম্যাটিকভাবে মেলিসা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ত। ফলে মেলিসা ভাইরাসের কারণে অসংখ্য ই-মেল অ্যাকাউন্ট বন্ধ করতে বাধ্য হন ইউজাররা।
এরপর আসে ওয়ার্মের আক্রমণ। ওয়ার্ম নিজে থেকেই সব কম্পিউটারে ছড়িয়ে পড়তে পারে যেটা অন্য কোনো ভাইরাসের পক্ষে সম্ভব নয়। ২০০০ সালের মে মাসে লাভ-বাগ নামের একটি ওয়ার্ম সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। এতে আই লাভ ইউ নামে একটি চিঠি সংযুক্ত থাকত, যা ওপেন করলেই ওয়ার্ম আক্রমণের শিকার হতো কম্পিউটার।
২০০৭ সালে শুরু হয় ট্রোজান হর্সের আক্রমণ। এটা এক ধরনের ম্যালওয়্যার। মূলত ক্ষতিকারক সব ধরনের সফটওয়্যারকে ম্যালওয়্যার বলা হয়। এর মধ্যে রয়েছে ভাইরাস, ওয়ার্ম, ট্রোজান হর্স, স্পাইওয়্যার ইত্যাদি। সর্বশেষ এবং সাম্প্রতিক সময়ে আমরা যে কম্পিউটার ভাইরাসটির নাম শুনছি, তা হলো ‘র্যানস্যামওয়্যার’।
ডিপফেক কি?
প্রতীকী চিত্র সেলেব্রিটিদের নিয়ে ভুয়া পর্নোগ্রাফিক ভিডিও ক্লিপ তৈরির বিষয়টি নতুন নয়। আর এই বিষয়টি সম্ভব হচ্ছে ‘ডিপফেক’ প্রযুক্তির মাধ্যমে। এতে কম্পিউটারে কারসাজি করা ছবিতে এক ব্যক্তির সাদৃশ্য অন্যের ক্ষেত্রে প্রতিস্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হয়। যেখানে দেখা যাবে—সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বক্তব্য রাখছেন, বক্তৃতাবিস্তারিত পড়ুন
প্রতীকী চিত্র
সেলেব্রিটিদের নিয়ে ভুয়া পর্নোগ্রাফিক ভিডিও ক্লিপ তৈরির বিষয়টি নতুন নয়। আর এই বিষয়টি সম্ভব হচ্ছে ‘ডিপফেক’ প্রযুক্তির মাধ্যমে। এতে কম্পিউটারে কারসাজি করা ছবিতে এক ব্যক্তির সাদৃশ্য অন্যের ক্ষেত্রে প্রতিস্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হয়। যেখানে দেখা যাবে—সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বক্তব্য রাখছেন, বক্তৃতা করছেন বা অন্যকোনও কিছু করছেন। এমনকি মৃত ব্যক্তিকেও আপনার সামনে ভার্চুয়ালি হাজির করা সম্ভব হবে।
ডিপফেক হলো কম্পিউটারে তৈরি এক ধরনের ছবি বা ভিডিও যা দেখলে ধরা যাবেন না সেটি নকল। ২০১৭ সালে ইউনিভার্সিটি অব ওয়াশিংটনের একদল গবেষক ডিপফেকের মাধ্যমে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার একটি ভিডিও বক্তব্য তৈরি করে। সেটা দেখে বোঝার উপায় থাকে না ভিডিওটি সত্যি নয়।
এ সফটওয়্যার মূলত ছবি কাজে লাগিয়ে নতুন ভিডিও তৈরি করতে পারে, যাতে ভিডিওতে থাকা ব্যক্তির মুখভঙ্গি, ঠোঁট বা অন্যান্য অঙ্গের নড়াচড়াও মেলানো যায়। এরপর থেকে এ প্রক্রিয়া আরও সহজ হয়ে গেছে। বিষয়টা এখন একটাই সহজ হয়েছে যে, শুধুমাত্র কয়েকটি ছবি দিয়েই ডিপফেক ভিডিও তৈরি করা যায়।
আশঙ্কার কথা, ছবি বা ভিডিওকে বিকৃত ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে নিখুঁতভাবে তৈরি করে হুবহু আসলের মতো বলে প্রচার করা হচ্ছে। যেকেউ কারও আক্রোশের শিকার হতে পারেন এই প্রযুক্তির অপব্যবহারে। সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ভালো কাজের জন্য এই প্রযুক্তির কথা ভাবা হলেও এটা যেকোনো সময় বড় ধরনের বিপদ ডেকে আনতে পারে।
মানিব্রেইন এর প্রধান নির্বাহী সে ইয়ং জাং বলেন, আমরা একটি পরিবারের মৃত সদস্যকে পুনরায় তৈরি করতে পারবো, যাকে তারা আর দেখতে পান না। এআইকে ব্যক্তির কণ্ঠ, মুখভঙ্গি ও অভিজ্ঞতা শিখতে দেয়ার মাধ্যমে মৃত ব্যক্তির সাথেও যোগাযোগ করতে পারবে।
তবে সম্ভাবনাময় এই প্রযুক্তির ৯০ শতাংশই খারাপ কাজে ব্যবহার হচ্ছে বলে জানান সে ইয়ং জাং। এর প্রমাণ দিয়েছে জার্মানির গবেষণা প্রতিষ্ঠান ডিপট্রেস। প্রতিষ্ঠানটি ডিপফেক চিহ্নিত করতে প্রযুক্তিগত সমাধান দেয়। প্রতিষ্ঠানটি ২০১৯ সালের প্রথম ৭ মাসে ১৪ হাজার ৬৭৮টি ডিপফেক চিহ্নিত করে। এসবের মধ্যে ৯৬ শতাংশ ছিল অসম্মতিসূচক অশ্লীল কনটেন্ট, যা একচেটিয়া নারী শরীরকে চিহ্নিত করেছে।
এত দিন ডিপফেক ঠিকভাবে শনাক্ত করার প্রযুক্তি সহজলভ্য ছিল না। এ ক্ষেত্রে এগিয়ে এসেছে বিশ্বের বৃহত্তম সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট। ডিপফেক শনাক্ত করতে বিশেষ টুল বা প্রোগ্রাম তৈরি করেছে মাইক্রোসফট।
উইন্ডোজ ১১-তে মুছে ফেলা ফাইল উদ্ধার করবেন কিভাবে?
কম্পিউটার বা ল্যাপটপে কাজ করার সময় ভুলবশত জরুরি ফাইল মুছে যায় অনেকের। ফলে সময় নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি নানা ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। উইন্ডোজ ১১ অপারেটিং সিস্টেমে চলা কম্পিউটার ও ল্যাপটপে মুছে ফেলা ফাইল সহজেই ফিরিয়ে আনা যায়। মুছে ফেলা ফাইল ফিরিয়ে আনার সহজ ও সাধারণতম উপায় হলো রিসাইকেল বিন ফোল্ডার থেকবিস্তারিত পড়ুন
কম্পিউটার বা ল্যাপটপে কাজ করার সময় ভুলবশত জরুরি ফাইল মুছে যায় অনেকের। ফলে সময় নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি নানা ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। উইন্ডোজ ১১ অপারেটিং সিস্টেমে চলা কম্পিউটার ও ল্যাপটপে মুছে ফেলা ফাইল সহজেই ফিরিয়ে আনা যায়।
মুছে ফেলা ফাইল ফিরিয়ে আনার সহজ ও সাধারণতম উপায় হলো রিসাইকেল বিন ফোল্ডার থেকে ফাইল রিস্টোর করা। তবে অনেকেই নিয়মিত রিসাইকেল বিনে থাকা তথ্য মুছে ফেলেন। ফলে রিসাইকেল বিনেও মুছে ফেলা ফাইল খুঁজে পাওয়া যায় না। তবে চাইলেই ফাইল রিকভারি সফটওয়্যার ব্যবহার করে মুছে যাওয়া ফাইল ফিরিয়ে আনা সম্ভব। এ জন্য অবশ্যই কম্পিউটারে আগে থেকেই সফটওয়্যারটি ইনস্টল করা থাকতে হবে।
মুছে ফেলা ফাইল ফিরিয়ে আনার জন্য ফাইল রিকভারি সফটওয়্যার দিয়ে প্রথমেই হার্ডডিস্ক স্ক্যান করতে হবে। খুঁজে না পেলে যে ড্রাইভে ফাইলটি ছিল সেটি নির্বাচন করতে হবে। স্ক্যান শেষে ড্রাইভটি থেকে ডিলিট হওয়া ফাইলের একটি তালিকা দেখাবে রিকভারি সফটওয়্যারটি।
এরপর কাঙ্ক্ষিত ফাইল নির্বাচন করে রিকভার বাটনে ক্লিক করতে হবে। এবার যে ড্রাইভে ফাইলটি সংরক্ষণ করতে হবে তা নির্বাচন করে দিলেই মুছে যাওয়া ফাইলটি পুনরায় ব্যবহার করা যাবে।
মুছে ফেলা ফাইল ফিরিয়ে আনার আগে সেই ফাইলের নামে নতুন কোনো ফাইলের নাম দেওয়া যাবে না। কারণ, একই নামে একাধিক ফাইল থাকলে মুছে ফেলা ফাইল ফিরিয়ে আনতে পারে না সফটওয়্যারটি।
২০২৩ সালের সেরা পাঁচ ওয়েবসাইট কোনগুলো?
একবার ভাবুন তো! একটি অত্যাধুনিক AI বেইজড প্যারাফ্রেজিং টুল যদি আপনার বাক্য, অনুচ্ছেদ বা নিবন্ধ পড়ে তা তাত্ক্ষণিকভাবে সংশোধন করে পুনরায় নির্ভুলভাবে লিখে দেয় তাহলে কেমন হবে ব্যাপারটা? QuillBot শুধু কি তাই! আপনাকে একটি অন্তর্নির্মিত থিসরাস ফাংশনের সাহায্যে প্রতিবার নিখুঁত শব্দ খুঁজে পেতে সাহায্য করবেবিস্তারিত পড়ুন
একবার ভাবুন তো! একটি অত্যাধুনিক AI বেইজড প্যারাফ্রেজিং টুল যদি আপনার বাক্য, অনুচ্ছেদ বা নিবন্ধ পড়ে তা তাত্ক্ষণিকভাবে সংশোধন করে পুনরায় নির্ভুলভাবে লিখে দেয় তাহলে কেমন হবে ব্যাপারটা?
QuillBot
শুধু কি তাই! আপনাকে একটি অন্তর্নির্মিত থিসরাস ফাংশনের সাহায্যে প্রতিবার নিখুঁত শব্দ খুঁজে পেতে সাহায্য করবে যা আপনার লেখনিকে আরো নিখুঁত এবং পেশাদার করে তুলবে। হ্যাঁ! ঠিকই শুনছেন। বর্তমানে QuillBot ৫০ মিলিয়ন এরও বেশি ছাত্রছাত্রী, লেখক, ব্লগার, ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে পেশাদারদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষ একটি প্যারাফ্রেজিং টুল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
এই AI বেইজড প্যারাফ্রেজিং বট আপনাকে ব্যাকরণ সংশোধন থেকে শুরু করে বাক্যের সংক্ষিপ্ততা বা সৃজনশীলতা খুঁজে পেতে সাহায্য করবে। এই টুল আপনার লেখার সময় বাঁচাবে, সঠিক প্রতিশব্দ খুঁজে বের করবে, স্বচ্ছতা এবং শব্দের সঠিক অর্থ প্রতিস্থাপন করে দেবে এবং আপনার কর্মপ্রবাহে গতি এনে দেবে।
QuillBot সরাসরি Microsoft® Office, Google Docs, এবং Google Chrome-এ এক্সটেনশন এর মাধ্যমে ব্যবহার করা যাবে। QuillBot ফ্রি এবং প্রিমিয়াম- এই দুই মোডে ব্যাবহার করা যাচ্ছে। ভিজিট করুন আর আপনার ব্রাউজারে বুকমার্ক করে রাখুন।
https://www.wolframalpha.com/
ওলফ্রাম আলফা ১৮ মে, ২০০৯-এ প্রথম প্রকাশিত হয়। এটি ওলফ্রামের আগের একটি পণ্য, ওলফ্রাম ম্যাথমেটিকা যা একটি কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্মের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা। গুগল যেমন বর্তমান বিশ্বে ব্যাপক জনপ্রিয় একটি সার্চ ইঞ্জিন ঠিক তেমনি ওলফ্রাম আলফা একটি উত্তর দেওয়ার ইঞ্জিন। এটি বাহ্যিকভাবে প্রাপ্ত ডেটা থেকে উত্তর গণনা করে বাস্তবিক প্রশ্নের উত্তর দেয়। ওলফ্রাম আলফার দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য হলো, পদ্ধতিগত জ্ঞানকে কম্পিউরাইজড করা এবং সবার কাছে পৌঁছে দেওয়া।
এটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ব্যক্তিগত ও অবাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করা যায়। তবে বিজ্ঞাপন-মুক্ত ও উন্নত কিছু ফিচারের জন্য সাবস্ক্রিপশনের বা পেইড ভার্সন এর সুবিধা রয়েছে।
যে বিষয়টি উলফ্রাম আলফাকে সত্যিই আলাদা করে রেখেছে সেটি হলো বিশুদ্ধ গণনা করার পদ্ধতি। যার মধ্যে সংখ্যা বা সূত্রজনিত গণনাগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে এটির সংগ্রহস্থল থেকে ব্যবহারকারীর সামনে প্রদর্শন করে। ওলফ্রাম আলফা বীজগণিতীয় সমীকরণ, ক্যালকুলাস এবং অন্যান্য সমীকরণগুলোও খুব সহজে সমাধান করে দেখাতে পারে। এমনকি গ্রাফিক্যাল উত্তরও দিতে পারে। আপনি চাইলে স্টেপ বাই স্টেপ বা ধাপে ধাপে অংকের সমাধান দেখতে পারবেন। নিচে তারই একটি উদাহরণ দেওয়া হলো।
https://tinywow.com/
টাইনি ওয়াও (TinyWow) পিডিএফ ফাইল, ভিডিও, ছবি এবং আরো অনেক কিছুর জন্য বিনামূল্যে, সহজে ব্যবহারযোগ্য কিছু টুলের একটি বিশাল ভান্ডার। আপনি যদি আগে কখনও টাইনি ওয়াও ব্যবহার না করে থাকেন তাহলে আজই ভিজিট করুন। আপনি এমন সব টুল খুঁজে পাবেন যা আগে কখনও আপনি কোনো সাইটে দেখেননি বা ফ্রিতে ব্যবহার করেননি। যেমন ধরুন একটি PDF ফাইল যা পাসওয়ার্ড প্রটেক্তেড। আপনি কোনো কারণে পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন। এমন সমস্যা সমাধানে টাইনি ওয়াও আপনার জন্য রেখেছে সহজ সমাধান। একটি ছবি থেকে ব্যাকগ্রাউন্ড মুছে ফেলা থেকে শুরু করে ভিডিও ফাইলকে GIF ফাইলে রূপান্তর করা, মেম তৈরি করা ইত্যাকার কাজ এখন খুব সহজে সেরে ফেলুন টাইনি ওয়াওতে। এর বাইরে এর রয়েছে AI রাইটার, যা দিয়ে খুব সহজে আপনার ব্লগ পোস্ট, ইন্সটাগ্রাম, লিঙ্কডইন, কন্টেন্ট প্লানিং, বিজনেস স্লোগান তৈরি করতে পারবেন।
https://thenounproject.com/
The noun project হলো এমন একটি ওয়েবসাইট, যা সারা বিশ্বের গ্রাফিক ডিজাইনারদের দ্বারা তৈরি এবং আপলোডকৃত আইকন এবং স্থিরচিত্রের বিশাল সংগ্রহশালা। আমেরিকার লস এঞ্জেলেস ভিত্তিক এই প্রকল্পটি টাইপোগ্রাফিক আইকন এবং ভিন্নধর্মী ডিজাইন এর জন্য বিখ্যাত। মজার ব্যাপার হচ্ছে The noun project বিশ্বজুড়ে নির্মাতাদের রয়্যালটি প্রদান করে। এর বেসিক সাবস্ক্রিপ্সনের সঙ্গে ডাউনলোড করা সমস্ত আইকন রয়্যালটিমুক্ত এবং কোনো অ্যাট্রিবিউশনের প্রয়োজন নেই। মূল কথা হচ্ছে আপনি ফ্রিতে এই সব আইকন ব্যবহার করতে পারবেন।
জানলে আরো অবাক হবেন যে এর আইকনগুলো ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের অধীনে এবং সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করতে পারবেন। আগে জেনে না থাকলে আজই ঘুরে আসতে পারেন দ্যা নাউন প্রজেক্টে।
https://logo.com/
আজকাল ছোটখাটো ব্যবসার কাজে বা বিজনেস প্রপোজালে হরহামেশা লোগো প্রয়োজন পড়ে আমাদের। আর এই ছোটখাটো কাজের জন্য আমরা অনেক সময় কম খরচে ফাইভার অথবা ওডেস্কে ফ্রিল্যান্সার হায়ার করে লোগো ডিজাইন করার চেষ্টা করে থাকি। কিন্তু আপনি কি জানেন যে LOGO.com আপনাকে দিচ্ছে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে লোগো তৈরির কিছু অসাধারণ টুল। যা দিয়ে এক মিনিটের মধ্যে আপনি কিছু দুর্দান্ত লোগো ডিজাইন করতে পারবেন। আপনার ব্র্যান্ড তৈরি করা এখন আরো অনেক সহজ।
কি, বিশ্বাস হচ্ছেনা? তাহলে যাচাই করতে এখনি ভিজিট করুন লোগো ডট কমে।
বাংলাদেশে এলো ‘বোট’ । ‘বোট’ কি?
দেশের বাজারে যাত্রা শুরু করলো ভারতের সবচেয়ে বৃহত্তম ডিজিটাল লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড ‘বোট’ । বাংলাদেশে ডিস্ট্রিবিউশন পার্টনার হিসেবে ডিএক্স গ্রুপের সাথে চুক্তি সাক্ষর করে বোট। বোট’র পণ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে, টিডাব্লিউএস, স্মার্টওয়াচ, নেকব্যান্ড, হেডফোন, স্পিকার, চার্জার-সহ আরও অনেক কিছু। এ বিষয়ে বোট’র সহ-পবিস্তারিত পড়ুন
দেশের বাজারে যাত্রা শুরু করলো ভারতের সবচেয়ে বৃহত্তম ডিজিটাল লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড ‘বোট’ । বাংলাদেশে ডিস্ট্রিবিউশন পার্টনার হিসেবে ডিএক্স গ্রুপের সাথে চুক্তি সাক্ষর করে বোট। বোট’র পণ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে, টিডাব্লিউএস, স্মার্টওয়াচ, নেকব্যান্ড, হেডফোন, স্পিকার, চার্জার-সহ আরও অনেক কিছু। এ বিষয়ে বোট’র সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং চিফ মার্কেটিং অফিসার আমান গুপ্তা বলেন, ডিএক্স গ্রুপের সাথে বোট’র ডিস্ট্রিবিউশন পার্টনারশিপ বাংলাদেশের প্রযুক্তি প্রেমী ভোক্তাদের ডিজিটাল লাইফস্টাইল পণ্য নির্ভর চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালণ করবে। এছাড়াও বোট’র বিশ্বমানের লাইফস্টাইল পণ্য সাশ্রয়ী মূল্যে ভোক্তা পর্যায়ে সুনিশ্চিত করে দেশের প্রযুক্তি নির্ভর বাজার ত্বরান্বিত করবে। এরই ধারাবাহিকতায় বোট’র পণ্য ভোক্তা পর্যায়ে পৌঁছাতে প্রয়োজনীয় সকল ধরনের সহায়তা আমরা ডিএক্স গ্রুপকে প্রদান করবো। ডিএক্স গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী দেওয়ান কানন বলেন, প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। তার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য ডিএক্স গ্রুপের অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে। তারই ধারাবাহিকতায় ডিএক্স গ্রুপ সব সময় ভোক্তাদের বিশ্বমানের ডিজিটাল লাইফস্টাইল পণ্যের চাহিদা মেটাতে বদ্ধ পরিকর। সম্প্রতি ‘বোট’ এর সঙ্গে আমাদের পার্টনারশিপ এরই একটি প্রতিচ্ছবি।
উল্লেখ্য, ‘বোট’ এর মূল প্রতিষ্ঠান ইমেজিন মার্কেটিং লিমিটেড প্রতিষ্ঠিত হয় ২০১৩ সালে। প্রতিষ্ঠানটির যৌথ প্রতিষ্ঠাতা আমান গুপ্তা এবং সামির মেহতা উভয়েরই রয়েছে লাইফস্টাইল বিভিন্ন পণ্যের উপর বিস্তর অভিজ্ঞতা। পণ্য সরবরাহের দিক দিয়ে বর্তমানে বোট ভারতে একটি নেতৃস্থানীয় অডিও এবং ওয়্যারেবল পণ্যের প্রতিষ্ঠান। তারই ধারাবাহিকতায় ইমাজিন মার্কেটিং কোয়ালকম এবং ডলবির মতো গ্লোবাল ব্র্যান্ডের সাথে অফিশিয়াল পার্টনার হিসেবে কাজ করছে। প্রতিষ্ঠানটির বর্তমানে দিল্লি, মুম্বাই এবং বেঙ্গালুরুতে তাদের অফিস রয়েছে। অপরদিকে ডিএক্স গ্রুপ প্রতিষ্ঠিত হয় ২০১১ সালে। প্রতিষ্ঠানটির ইকোসিস্টেমে রয়েছে মোট ১২টি ব্যবসা। এগুলো মূলত ডিস্ট্রিবিউশন, রিটেইল এবং সার্ভিস ডোমেইন কেন্দ্রিক। প্রতিষ্ঠানটি তার সফলতায় অবিচল প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকার ফলে বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় স্মার্টফোন ও ডিজিটাল লাইফস্টাইল পণ্য ডিস্ট্রিবিউটর। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের সব চেয়ে বড় স্মার্টফোন রিটেইল চেইন এবং দেশের এক নম্বর আফটার-সেলস সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে সফলতার সাথে ব্যবসা পরিচালনা করে যাচ্ছে।
সংক্ষেপে দেখুনগুগলে যুক্ত হচ্ছে চ্যাটবট এআই। চ্যাটবট এআই কি?
জায়ান্ট সার্স ইঞ্জিন গুগলে যুক্ত হচ্ছে বিতর্কিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চ্যাটবট বিষয়ক (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই) ফিচার। ইন্টারনেট দুনিয়া দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে এই কাজ করতে যাচ্ছে গুগল। এ কথা বলেছে অ্যালফাবেট অ্যান্ড গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুন্দর পিচাই। ওয়াল স্ট্রিট জবিস্তারিত পড়ুন
জায়ান্ট সার্স ইঞ্জিন গুগলে যুক্ত হচ্ছে বিতর্কিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চ্যাটবট বিষয়ক (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই) ফিচার। ইন্টারনেট দুনিয়া দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে এই কাজ করতে যাচ্ছে গুগল। এ কথা বলেছে অ্যালফাবেট অ্যান্ড গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুন্দর পিচাই। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, অনলাইনে সার্চ করার সময় ব্যবহারকারীদেরকে অধিক শক্তি এবং ফ্লেক্সিবিলিটি দেবে এআই। তিনি বলেন, জনগণ কি গুগলকে প্রশ্ন করতে সক্ষম হবেন এবং লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল ভিত্তিক তথ্যের জন্য অনুসন্ধান করতে সক্ষম হবেন? জবাবে তিনিই বলেন, অবশ্যই। লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেলের (এলএলএম) প্রবক্তা গুগল। এলএলএম মডেল বিপুল পরিমাণ ডাটা থেকে স্বাভাবিক ভাষার টেক্সট তৈরি করতে পারে। চ্যাটজিপিটি সার্ভিসের মূলে রয়েছে এই প্রযুক্তি। উল্লেখ্য, চ্যাটজিপিটি প্রযুক্তি গত বছর শরতে জনগণের জন্য উন্মুক্ত করেছে ওপেনএআই। ওদিকে মাইক্রোসফট সম্প্রতি তার আপডেটেড সংস্করণ বিং সার্স ইঞ্জিন চালু করেছে। বর্তমানে তা পরিচালিত হচ্ছে চ্যাটজিপিটি দিয়ে।
সংক্ষেপে দেখুন