সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
শুভেচ্ছা ভারতবাসী!
দেখুন চন্দ্রযান-৩ ল্যান্ডার থেকে রোভারটি কত মসৃণভাবে চাঁদের বুকে নেমে গেল!
দেখুন চন্দ্রযান-৩ ল্যান্ডার থেকে রোভারটি কত মসৃণভাবে চাঁদের বুকে নেমে গেল!
সংক্ষেপে দেখুনসৌরজগতের কোন গ্রহের কোন উপগ্রহ নেই?
বুধ গ্রহের কোন প্রাকৃতিক উপগ্রহ নেই।

সংক্ষেপে দেখুনবুধ গ্রহের কোন প্রাকৃতিক উপগ্রহ নেই।
বিজ্ঞানীরা অনেকদিন ধরেই মঙ্গল গ্রহে মানুষের বসবাসের কথা ভাবছেন। সত্যি কি মঙ্গল গ্রহে মানুষের বসতি স্থাপন সম্ভব?
আমার মত যারা অর্ধেক ব্রেইনের মানুষ, তারাও বুঝতে পারবে এটা অসম্ভব। কেন অসম্ভব তা নিচে ব্যাখ্যা করছি। মঙ্গলে কোন ম্যাগনেটিক ফিল্ড নেই কোন গ্রাভিটি নেই বিষাক্ত মাটি গাছপালাদের জন্য নাইট্রোজেন নেই পর্যাপ্ত বায়ুমণ্ডল নেই, যতটুকু আছে তাতে প্রয়োজনীয় গ্যাস বিদ্যমান নেই ঠান্ডা, খুবই তীব্র ঠান্ডা পানি নেই আপনবিস্তারিত পড়ুন
আমার মত যারা অর্ধেক ব্রেইনের মানুষ, তারাও বুঝতে পারবে এটা অসম্ভব। কেন অসম্ভব তা নিচে ব্যাখ্যা করছি।

আমি জানিনা কারা এরকম কথা বলে। কিন্তু যারা বলে তারা কখনোই এটা সম্ভব করতে পারবে না।
সংক্ষেপে দেখুন১০ সেকেন্ডের জন্য পৃথিবী থেকে অক্সিজেন উধাও হয়ে গেলে কি হবে?
ধন্যবাদ অসাধারণ প্রশ্নটি করার জন্য। বেশিরভাগ মানুষ ১০ সেকেন্ড অক্সিজেন ছাড়াই বাঁচতে পারে। তারমানে আপনি সেফ জোনে থাকবেন বলে মনে হচ্ছে। কিন্তু নিজেকে এত ভাগ্যবান মনে করার আগে চলুন আবিষ্কার করি ১০ সেকেন্ড পরের পৃথিবীটাকে। অনেক কিছুই ঘটে যাবে এই ১০ সেকেন্ডে। আমি শুধু কয়েকটি মেজর পয়েন্ট তুলে ধরছি। চলুন শবিস্তারিত পড়ুন
ধন্যবাদ অসাধারণ প্রশ্নটি করার জন্য। বেশিরভাগ মানুষ ১০ সেকেন্ড অক্সিজেন ছাড়াই বাঁচতে পারে। তারমানে আপনি সেফ জোনে থাকবেন বলে মনে হচ্ছে। কিন্তু নিজেকে এত ভাগ্যবান মনে করার আগে চলুন আবিষ্কার করি ১০ সেকেন্ড পরের পৃথিবীটাকে।
অনেক কিছুই ঘটে যাবে এই ১০ সেকেন্ডে। আমি শুধু কয়েকটি মেজর পয়েন্ট তুলে ধরছি। চলুন শুরু করা যাক!
কিন্তু আপনি ভয় পাবেন না! এই ঘটনাগুলোর কিছুই আপনি টের পাবেন না। কারণ মানব দেহের ৬০% হলো অক্সিজেন। আমাদের কোষ, ডিএনএ এমনকি সবখানেই অক্সিজেনের উপস্থিতি বিদ্যমান। তাই, অক্সিজেন না থাকলে সাথে সাথেই আপনি শুধু ধুসর আবর্জনায় পরিণত হবেন। শুধু ১০ সেকেন্ড কেন, এর চেয়ে কম সময়ে অক্সিজেনের অনুপস্থিতি পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব বিলীন করার জন্য যথেষ্ট!
এরকম প্রশ্ন আরও চাই ✌️
সংক্ষেপে দেখুনধন্যবাদ!
অদূর ভবিষ্যতে মানুষ কি কখনো টাইম মেশিন বানাতে পারবে?
"না", সম্ভব নয়। আমি বোধকরি আপনাকে হতাশ করলাম। আমি তেমন বিজ্ঞান বুঝি না। তবে কিছুটা সহজ যুক্তিতে সব কিছু বোঝার চেষ্টা করি। তাই আপনাকেও খুব সহজভাবে বুঝিয়ে দিচ্ছি। যদি টাইম মেশিন মানব ইতিহাসে তৈরি করা সম্ভব হতো তাহলে কি হতো? মানুষ অতীতে যেতে পারতো। তাইতো? তারমানে আমরা এতদিনে অবশ্যই ভবিষ্যৎ থেকে আসা কোনবিস্তারিত পড়ুন
“না“, সম্ভব নয়। আমি বোধকরি আপনাকে হতাশ করলাম।

আমি তেমন বিজ্ঞান বুঝি না। তবে কিছুটা সহজ যুক্তিতে সব কিছু বোঝার চেষ্টা করি। তাই আপনাকেও খুব সহজভাবে বুঝিয়ে দিচ্ছি। যদি টাইম মেশিন মানব ইতিহাসে তৈরি করা সম্ভব হতো তাহলে কি হতো? মানুষ অতীতে যেতে পারতো। তাইতো? তারমানে আমরা এতদিনে অবশ্যই ভবিষ্যৎ থেকে আসা কোন মানুষের খোঁজ পেতাম। কিন্তু এখন পর্যন্ত এমন কারও হদিস পাওয়া যায়নি। আর যে ঘটনাগুলো কিছুদিন পর পর চাঙ্গা হয়ে ওঠে আদতে সেগুলো ভুয়া, মিথ্যা, বানোয়াট।
তারমানে মানুষের পক্ষে কোনদিন টাইম মেশিন বানানো বা টাইম ট্রাভেল সম্ভব হবে না। আপনি যদি বেসিক বিজ্ঞান বুঝে থাকেন তাহলে আমার এই সহজ ব্যাখ্যা অবশ্যই বুঝবেন।
যেটা সম্ভব না সেটা নিয়ে আর বিস্তারিত লিখছি না। যদি আপনার জানার আগ্রহ থাকে তাহলে মন্তব্য করতে পারেন। মন্তব্যে সবিস্তারে বোঝানোর চেষ্টা করবো।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনচাঁদের অন্ধকার দিকটি কতটা ঠান্ডা?
চাঁদের অন্ধকার পৃষ্ঠের তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে ১৫৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস (-১৫৩ ডিগ্রি সে.) বা -২৪৩ ডিগ্রি ফারেনহাইটে পৌঁছায়।
চাঁদের অন্ধকার পৃষ্ঠের তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে ১৫৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস (-১৫৩ ডিগ্রি সে.) বা -২৪৩ ডিগ্রি ফারেনহাইটে পৌঁছায়।
সংক্ষেপে দেখুনভাইরাস কে আবিস্কার করেন ?
বিজ্ঞানী Edward Jenner (এডওয়ার্ড জেনার) ১৭৯৬ সালে প্রথম ভাইরাসঘটিত বসন্ত রোগের কথা উল্লেখ করেন। Adolf Mayer ১৮৮৬ সালে তামাক গাছের পাতার ছোপ ছোপ দাগবিশিষ্ট রোগকে টোবাকো মোজাইক রোগ হিসেবে উল্লেখ করেন। পরে ১৮৯২ সালে রাশিয়ান বিজ্ঞানী Dmitri Ivanovsky (দিমিত্রি আইভানোভসকি) প্রমাণ করেন যে, রোগাক্রান্ত তবিস্তারিত পড়ুন
নয়, আবার জড় রাসায়নিক বস্তুও নয়। জীবীয় ও জড় বস্তুর মধ্যবর্তী পর্যায়ের কোনো একটি কিছু।
সূত্রঃ 10minuteschool
সংক্ষেপে দেখুনপৃথিবীর কেন্দ্রের তাপমাত্রা কত?
পৃথিবীর কেন্দ্রের তাপমাত্রার সঠিক পরিমাপ করা যায়নি। তবে পৃথিবীর কেন্দ্র সম্পর্কিত তথ্যগুলির বেশিরভাগই ভূমিকম্পের তরঙ্গ এবং চৌম্বকীয় ক্ষেত্র বিশ্লেষণ থেকে তৈরি করা হয়। পৃথিবীর কেন্দ্রের তাপমাত্রা পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ কেন্দ্রীয় পৃষ্ঠের তাপমাত্রা আনুমানিক 5,700 কেলভিন (5,430 ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড) বা 9806°বিস্তারিত পড়ুন
পৃথিবীর কেন্দ্রের তাপমাত্রার সঠিক পরিমাপ করা যায়নি। তবে পৃথিবীর কেন্দ্র সম্পর্কিত তথ্যগুলির বেশিরভাগই ভূমিকম্পের তরঙ্গ এবং চৌম্বকীয় ক্ষেত্র বিশ্লেষণ থেকে তৈরি করা হয়।
পৃথিবীর কেন্দ্রের তাপমাত্রা
পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ কেন্দ্রীয় পৃষ্ঠের তাপমাত্রা আনুমানিক 5,700 কেলভিন (5,430 ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড) বা 9806° ফারেনহাইট, যা সূর্যের পৃষ্ঠের তাপমাত্রার প্রায় সমান।
সংক্ষেপে দেখুনসূর্যাস্তের পর অন্ধকার হতে কতক্ষণ সময় লাগে?
৮ মিনিট
৮ মিনিট
সংক্ষেপে দেখুনIs time travel possible, and if so, how could it hypothetically be achieved?
There is no definitive proof that time travel is possible, there are several hypothetical scenarios that have been proposed based on our current understanding of physics. One possibility is through the use of wormholes, which are theoretical passages through space-time that could potentially connectবিস্তারিত পড়ুন
There is no definitive proof that time travel is possible, there are several hypothetical scenarios that have been proposed based on our current understanding of physics.
One possibility is through the use of wormholes, which are theoretical passages through space-time that could potentially connect distant regions of the universe. If a wormhole were to exist and remain stable, it could potentially be used as a shortcut to travel through time as well as space. However, the practicality of using wormholes for time travel is still a subject of much debate and speculation.
Another possibility is through the manipulation of the space-time fabric itself. According to Einstein’s theory of relativity, the faster an object moves through space, the slower it experiences time. This is known as time dilation, and it has been observed and confirmed through experiments with high-speed particles. It is theoretically possible that if an object were to move at or near the speed of light, time would slow down so much that it would appear to travel into the future relative to a stationary observer. However, the energy required to accelerate an object to such high speeds is currently beyond our technological capabilities.
There are also theories that propose the existence of closed time-like curves, which are hypothetical paths through space-time that allow for travel back in time. However, the existence and practicality of such curves are still subject to much debate and are not widely accepted within the scientific community.
সংক্ষেপে দেখুনপদার্থ বিজ্ঞানের নিয়ম কি সবজায়গায় একই রকম?
সবজায়গা বলতে আমাদের পর্যবেক্ষণযোগ্য মহাবিশ্বে পদার্থবিজ্ঞানের নিয়ম একই। কিন্তু আমাদের মহাবিশ্বের বাইরে অন্যান্য মহাবিশ্বের ক্ষেত্রে হয়তো পদার্থবিজ্ঞানের নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটতে পারে। তবে আমরা যেহেতু অবজার্ভেবল ইউনিভার্সের বাইরে কিছুই জানিনা তাই অনুমান নির্ভর তত্বের উপর ভিত্তি করেই বলতে পারছি।
সবজায়গা বলতে আমাদের পর্যবেক্ষণযোগ্য মহাবিশ্বে পদার্থবিজ্ঞানের নিয়ম একই। কিন্তু আমাদের মহাবিশ্বের বাইরে অন্যান্য মহাবিশ্বের ক্ষেত্রে হয়তো পদার্থবিজ্ঞানের নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটতে পারে। তবে আমরা যেহেতু অবজার্ভেবল ইউনিভার্সের বাইরে কিছুই জানিনা তাই অনুমান নির্ভর তত্বের উপর ভিত্তি করেই বলতে পারছি।
সংক্ষেপে দেখুনঠান্ডা পানির চেয়ে গরম পানি দ্রুত বরফে পরিণত হয় কেন?
এর জন্য দায়ি Mpemba effect । নামটি দেয়া হয়েছে তানজানিয়ার এক ছাত্রের নাম অনুসারে যিনি ১৯৬৩ সালে পর্যবেক্ষণ করেন যে, গরম আইসক্রিমের মিশ্রণ ঠাণ্ডা আইসক্রিমের তুলনায় দ্রুত জমে যায়। ঘটনাটি প্রথম পর্যবেক্ষণ করেন মহাজ্ঞানী এরিস্টটল খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দীতে। এরপর ফ্রান্সিস বেকন ও রেনে দেকার্তেও এই ব্যপবিস্তারিত পড়ুন
এর জন্য দায়ি Mpemba effect । নামটি দেয়া হয়েছে তানজানিয়ার এক ছাত্রের নাম অনুসারে যিনি ১৯৬৩ সালে পর্যবেক্ষণ করেন যে, গরম আইসক্রিমের মিশ্রণ ঠাণ্ডা আইসক্রিমের তুলনায় দ্রুত জমে যায়।
ঘটনাটি প্রথম পর্যবেক্ষণ করেন মহাজ্ঞানী এরিস্টটল খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দীতে। এরপর ফ্রান্সিস বেকন ও রেনে দেকার্তেও এই ব্যপারটির কথা উল্লেখ করেন। Mpemba তার পর্যবেক্ষণের উপর ভিত্তি করে ১৯৬৯ সালে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন। Mpemba effect নিয়ে বেশ কিছু থিওরি প্রচলিত ছিল। যেমন- (১)গরম পানি দ্রুত বাষ্পে পরিণত হয়ে আয়তনে কমে গিয়ে জমে যায়;(২) ঠাণ্ডা পানির উপর বরফ কণা জমে গিয়ে একে বাইরের পরিবেশ থেকে কিছুটা বিচ্ছিন্ন করে ফেলে; (৩) পানিকে গরম করার সময় আশ-পাশের বাতাসের কিছু অংশের কার্বন-ডাইঅক্সাইড দূরে সরে যায়।
সিঙ্গাপুরের Nanyang Technological University –র একদল পদার্থবিজ্ঞানী জি ঝেং এর নেতৃত্ব এই বিষয়টি নিয়ে পরীক্ষা শুরু করেন। তারা দেখেন, Mpemba effect এর মূল কারণ হচ্ছে পানির রাসায়নিক বন্ধন। পানির একটি অণুতে একটি অক্সিজেন পরমাণু দুটি হাইড্রোজেন পরমাণুর সাথে সমযোজী বন্ধনে আবদ্ধ থাকে। আবার পানির অণুগুলো নিজেদের মাঝে আবার দুর্বল হাইড্রোজেন বন্ধনে আবদ্ধ থাকে। গবেষক দলটির মতে Mpemba effect এর মূল কারণ হচ্ছে হচ্ছে পানিতে থাকা এই বিভিন্ন ধরণের রাসায়নিক বন্ধনগুলো। তারা বলেন, যখন পানির অণুগুলোকে পরস্পরের খুব কাছে নিয়ে আসা হয় তখন পানির অণুগুলোর মাঝে প্রাকৃতিকভাবে একধরণের বিকর্ষণ তৈরি হয়। এর ফলে পানির অণুগুলোর পরমাণুগুলোর মাঝে থাকা সমযোজী বন্ধনগুলো কিছুটা টানটান হয়ে যায় ও শক্তি সঞ্চয় করে। যখন তরল পানিকে গরম করা হয় তখন পানির হাইড্রোজেন বন্ধনগুলো আরো বেশি ছড়িয়ে যেতে থাকে, পানির ঘনত্ব কমতে থাকে ও পানির অণুগুলো পৃথক হয়ে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। পানির অণুগুলোর হাইড্রোজেন বন্ধন টান টান হয়ে যাওয়ায় পানির পরমাণুতে থাকা সমযোজী বন্ধনগুলো কিছুটা শিথিল ও সংকুচিত হয়ে যেতে শুরু করে। এর ফলে এদের মাঝে সঞ্চিত হওয়া শক্তি নির্গত হতে শুরু করে। আর শক্তি নির্গত হওয়ার এই প্রক্রিয়াটি আর পদার্থের শীতল হওয়ার প্রক্রিয়াটি মূলত একই। এর ফলে তাত্ত্বিকভাবে এতদিন প্রচলিত ধারণা “ ঠাণ্ডা পানির তুলনায় গরম পানি দ্রুত শীতল হয়”- প্রমাণিত হয়। গবেষকরা গাণিতিকভাবে দেখান যে, পানিতে থাকা সমযোজী বন্ধনের শিথিল হয়ে যাওয়ার বিষয়টি ঠাণ্ডা পানির চেয়ে গরম পানির ক্ষেত্রে কম সময়ে ঘটে, যেকারণে ঠাণ্ডা পানির তুলনায় গরম পানি দ্রুত জমে যায়।
সংক্ষেপে দেখুনতারা মিটমিট করে কেন?
তারা'র মিটমিট করে জ্বলার পেছনে রহস্য হচ্ছে আলোর প্রতিসরণ। একটি তারা থেকে আলো শুন্য মাধ্যমের ভেতর দিয়ে আসে তাই প্রতিসরণ হয়না বা বাধাহীন ভাবে আসে। কিন্তু যখন পৃথিবীর সংস্পর্শে আলো আসে তখন বায়ুমন্ডলে প্রতিসরিত হয়। অর্থাৎ বেঁকে যায়। আবার বায়ুমন্ডলে বিভিন্ন গ্যাস এর ঘনত্বের কারণে বার বার প্রতিসরণ ঘটে। আরবিস্তারিত পড়ুন
তারা’র মিটমিট করে জ্বলার পেছনে রহস্য হচ্ছে আলোর প্রতিসরণ।
একটি তারা থেকে আলো শুন্য মাধ্যমের ভেতর দিয়ে আসে তাই প্রতিসরণ হয়না বা বাধাহীন ভাবে আসে। কিন্তু যখন পৃথিবীর সংস্পর্শে আলো আসে তখন বায়ুমন্ডলে প্রতিসরিত হয়। অর্থাৎ বেঁকে যায়। আবার বায়ুমন্ডলে বিভিন্ন গ্যাস এর ঘনত্বের কারণে বার বার প্রতিসরণ ঘটে। আর বায়ুমণ্ডল সর্বদা কম্পনশীল। তাই ভূপৃষ্ঠে আলো পৌঁছুলে আমাদের চোখে তারাগুলো মিটমিট করছে এমন মনে হয়।
সংক্ষেপে দেখুনপ্লুটো গ্রহ নয় কেন?
যারা ৯০এর দশকে স্কুলে পড়েছেন তারা সকলেই জানেন আমাদের সৌরজগতে অন্যান্য গ্রহগুলোর মত প্লুটো একটি গ্রহ। কিন্তু ঠিক কি কারণে ২০০৬ সালে এসে প্লুটোকে গ্রহের তালিকা থেকে বাদ দেয়া হল? সেটি জানার আগে চলুন প্লুটো সম্পর্কে একটু জেনে নেয়া যাক। প্লুটো প্লুটো আবিষ্কার হয় ১৯৩০ সালে। ১৯৩১ সালে প্লুটো ভর নির্ণয় করাবিস্তারিত পড়ুন
যারা ৯০এর দশকে স্কুলে পড়েছেন তারা সকলেই জানেন আমাদের সৌরজগতে অন্যান্য গ্রহগুলোর মত প্লুটো একটি গ্রহ। কিন্তু ঠিক কি কারণে ২০০৬ সালে এসে প্লুটোকে গ্রহের তালিকা থেকে বাদ দেয়া হল?
সেটি জানার আগে চলুন প্লুটো সম্পর্কে একটু জেনে নেয়া যাক।
প্লুটো
প্লুটো আবিষ্কার হয় ১৯৩০ সালে। ১৯৩১ সালে প্লুটো ভর নির্ণয় করা হয় পৃথিবীর ভরের কাছাকাছি। পরবর্তীতে আরো সূক্ষ মাপে এর ভর কমে আসে এবং মঙ্গল গ্রহের কাছাকাছি নির্নীত হয়। ১৯৭৬ সালে প্লুটোর বর্ণালী পর্যবেক্ষণ করে ধারনা করা হয় এর ভর পৃথিবীর ভরের ১ শতাংশের বেশী হবে না।
১৯৭৮ সালে প্লুটোর চাঁদ শ্যারন আবিষ্কৃত হলে এর ভর যথাযথভাবে নির্ণয় করার পথ খুলে যায়। বিভিন্ন হিসেবে দেখা যায় এর ভর হবে পৃথিবীর ভরের মাত্র ০.২ শতাংশ। এত সামান্য ভর নিয়ে প্লুটোর পক্ষে ইউরেনাস গ্রহের কক্ষপথে প্রভাব বিস্তার করা দুষ্কর।
প্লুটোর আকার ও অস্ট্রেলিয়ার আকারের তুলনা
প্লুটো ২৪৮ বছরে একবার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। এর কক্ষপথের বৈশিষ্ট অন্যান্য গ্রহের তুলনায় যথেষ্ট পৃথক। প্লুটো ব্যাতীত অন্য আটটি গ্রহ সূর্যকে একই সমতলে থেকে প্রদক্ষিণ করে, অপরদিকে প্লুটো অন্য গ্রহগুলোর ব্যতিক্রম হিসেবে এই সমতলের সাথে ১৭ ডিগ্রি কোণ করে সুর্যকে প্রদক্ষিণ করে। তাছাড়া অন্যান্য গ্রহগুলোর কক্ষপথ প্রায় গোলাকার, আর প্লুটো কক্ষপথ কিছুটা উপবৃত্তাকার। এই বৈশিষ্ট্যের কারণে প্লুটোর কক্ষপথ নেপচুনের কক্ষ পথের সাথে সাংঘর্ষিক। তবে তারপরও প্লুটো নেপচুনের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয় না এর কারণ হচ্ছে প্লুটো এবং নেপচুনের বৃত্তাকার গতি ঐক্যতানে আছে (enharmonic)। নেপচুনের প্রতি দুটি আবর্তনের সাথে সাথে প্লুটোর যথাযথভাবে তিনটি আবর্তন সম্পন্ন করে এবং এভাবেই সারাজীবন চলতে থাকবে যদি এখানে বাহ্যিক কোনো কিছুর প্রভাব না পড়ে।
প্লুটোর কক্ষপথ অন্য গ্রহগুলোর কক্ষপথের একই সমতলে নয়, বরং ১৭ ডিগ্রি তীর্যক
মতপার্থক্যের সূচনা
১৯৯২ সাল হতে বিভিন্ন সময়ে প্লুটোর এলাকায়, অর্থাৎ এটি সূর্য থেকে যে দূরত্বে অবস্থান করে সেখানে আরো কিছু বস্তু আবিষ্কৃত হতে থাকে যেগুলো আকার আকৃতিতে প্লুটোর সাথে তুলনীয়। এই বস্তুগুলো সমেত অঞ্চলটিকে এখন কুইপার বেল্ট নামে ডাকা হয়। এধরনের আবিষ্কারের ফলে গ্রহ হিসেবে প্লুটোর মর্যাদা বিতর্কিত হয়ে পড়ে। অনেকেই প্রশ্ন রাখেন প্লুটোর মতো আরো বিভিন্ন বস্তু যেহেতু পাওয়া যাচ্ছে সেহেতু এটি ওই বস্তুরগুলো হতে আলাদা করা ঠিক হবে কিনা। প্লুটোকে যদি গ্রহ মর্যাদা দেওয়া হয় তাহলে সেই বস্তুগুলোকেও তো মর্যাদা দিতে হয়। এই সময়টিতে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষনা ছাড়াই অনেকক্ষেত্রে জাদুঘর কিংবা পর্যবেক্ষণকেন্দ্রের পরিচালকগণ প্লুটোকে গ্রহের মডেলের বাইরে রেখে বিতর্কের জন্ম দেন।
২০০০ সালের মধ্যে কুইপার বেল্টে বেশ কিছু বস্তু আবিষ্কৃত হয়ে যায়। এর মধ্যে রয়েছে সেরেস, প্যালাস, জুনো এবং ভেস্তা যেগুলোকে শুরুতে গ্রহ হিসেবে ভাবার পরও পরবর্তীতে আরো বিভিন্ন গ্রহাণু আবিষ্কৃত হয়ে যাওয়ায় শেষ পর্যন্ত আর গ্রহের মর্যাদা দেওয়া হয় নি। অনেকেই প্লুটোকেও একই পরিণতি ভোগ করার পক্ষ অবলম্বন করেন। ২০৫ এর জুলাইয়ের ২৯ তারিখে নেপচুনের বাইরে প্লুটোর চেয়েও বড় ভরের বস্তু এরিস আবিষ্কৃত হয়। এটি ১৮৪৬ সালে শনির উপগ্রহ টাইটানের পর আবিষ্কৃত সৌরজগতের সবচেয়ে বড় বস্তু। এর আবিষ্কারগণ এবং গণমাধ্যম এটিকে শুরুতে দশম গ্রহ হিসেবে পরিচিত করিয়ে দেয় যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে এটিকে কখনো গ্রহ তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করা হয়নি বা এ নিয়ে কোনো আলোচনাও হয় নি।
প্লুটো গ্রহ নয় কেন
এহেন পরিস্থিতিতে কোন বস্তুটিকে গ্রহ এবং কোন বস্তুটিকে গ্রহ বলা হবে না তা নির্ধারণ করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। এর আগে গ্রহের কোনো সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা ছিলো না। তাই বেশ কিছু গ্রহসদৃশ বস্তুকে নিয়ে বিতর্ক লেগেই ছিলো। এই অবস্থার অবসানের জন্য ২০০৬ সালে ২৪ আগষ্ট জ্যোতির্বিদদের একটি সম্মেলনে IAU resolution অনুযায়ী গ্রহের সংজ্ঞা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। এই শর্তপত্রের আওতায় সৌরজগতের একটি বস্তুকে গ্রহ হতে হলে:
১. একে সূর্যের চারপাশে ঘুরতে হবে।
২. একে যথেষ্ট পরিমান ভারী হতে হবে যেন নিজের মাধ্যাকর্ষণের টানে এটি গোলাকার ধারন করতে পারে। আরো যথাযথভাবে, এর নিজস্ব মাধ্যাকর্ষন এটিকে এমন আকৃতিতে পরিণত করতে হবে যেন তা ‘হাইড্রোস্ট্যাটিক সাম্যাবস্থা’য় থাকে।
৩. এর কক্ষপথটি অন্যান্য গ্রহের কক্ষপথ হতে পৃথক হতে হবে। যদি দুটি বস্তুর কক্ষপথ পৃথক না হয় বা একটির কক্ষপথ অপরটির ভেতর ঢুকে পড়ে তাহলে অপেক্ষাকৃত বেশী ভরের বস্তুটিই গ্রহের মর্যাদা পাবে।
প্লুটো এই তিনটি শর্তের মধ্যে তৃতীয়টি পূরণ করতে ব্যর্থ হয়। প্লুটোর কক্ষপথ স্বতন্ত্র নয়, বরং এটি এর কক্ষে আবর্তনকালে নেপচুনের কক্ষের মধ্যে ঢুকে পড়ে। অর্থাৎ কক্ষপথে আবর্তনকালের এক পর্যায় এটি নেপচুনের চেয়ে সুর্যের কাছাকাছি অবস্থান করে। এবং এর অবস্থান হয় নেপচুনের আগে। কিন্তু নেপচুনের ভরের তুলনায় প্লুটোর ভর অনেক অনেক কম হওয়ায় গ্রহ মর্যাদা নেপচুনেরই পাওয়ার কথা। প্লুটোর নয়।
প্লুটোর কক্ষপথ স্বতন্ত্র নয় বরং নেপচুনের কক্ষপথের সাথে ছেদ করে। ফলে এটি আবর্তনের একপর্যায়ে নেপচুনের তুলনায় সূর্যের কাছে থাকে।
AIU আরো নির্ধারণ করে দেয় যে প্লুটোর মতো অন্য যেসব বস্তু কেবল গ্রহের সংজ্ঞার ১ ও ২ নং শর্ত পূরণ করতে পারবে তাদের বামন গ্রহ বলা হবে। ২০০৬ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর AIU প্লুটো, এরিস এবং এর উপগ্রহ ডিসনোমিয়াকে গৌণ গ্রহের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে এবং আনুষ্ঠানিক ভাবে গৌণ গ্রহের মর্যাদা দেয়। যার ফলে প্লুটোর নাম হয় “(১৩৪৩৪০) প্লুটো”।
গত বছর নিউ হরাইজন প্লুটের কাছে গিয়ে ডানপাশের ছবিটি তুলে পাঠায়। তার আগ পর্যন্ত প্লুটোর সবচেয়ে অনুপূঙ্খ ছবি ছিলো বাম পাশের টি।
গ্রহের এই পুনঃশ্রেনীবিন্যাস অনেক জ্যোতির্বিদ সহজ ভাবে গ্রহণ করতে পারেন নি। কিছুদিন আগে নাসার প্লুটোর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া নিউ হরাইজন মিশনের প্রধান গবেষক অ্যালান স্টার্ন গ্রহের এই শর্ত মেনে নিতে অস্বীকার করেন। তিনি বলেন “বেশ কিছু কৌশলগত কারণে এই শর্তাবলী যন্ত্রনাদায়ক”। স্টার্নের মতে নতুন শর্ত অনুযায়ী পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি এবং নেপচুন যেহেতু তাদের কক্ষপথ গ্রহাণুসমুহের সাথে শেয়ার করে তাই এই গ্রহগুলোকে তালিকা হতে বাদ দিতে হবে। তিনি বলেন আমাদের চাঁদ সহ সব বড় বড় গোলাকার উপগ্রহগুলো একইভাবে গ্রহ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। তিনি আরো বলেন সমগ্র বিশ্বের কেবলমাত্র পাঁচ শতাংশ জ্যোতির্বিদ যেহেতু এই শর্তাবলীর পক্ষে ভোট দিয়েছে কাজেই এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ জ্যোতির্বিদ সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করে না। লয়েল অবজারভেটরিতে কর্মরত মার্ক. ডব্লিও বুই তাঁর ওয়েব সাইটের মাধ্যমে নতুন এই শর্তাবলীর বিরুদ্ধাচরণ করেন এবং এই সংজ্ঞার বিরুদ্ধে পিটিশন জারি করেন। তবে অন্যান্য অনেকেই AIU’র সিদ্ধান্ত সমর্থন করেন। এরিসের আবিষ্কর্তা মাইক ব্রাউন এই প্রসঙ্গে বলেন, “আমাদের সামনে অনেক সময় পড়ে আছে। কোনো না কোনো ভাবে সঠিক উত্তরটি প্রতিষ্ঠিত হবেই। বিজ্ঞান নিজেকে প্রতিনিয়ত সংশোধন করে চলে। খুব বড় ধরনের আবেগ জড়িত থাকলেও সে তার ধার ধারে না।”
সংক্ষেপে দেখুনসূর্য থেকে হঠাৎ আলো আসা বন্ধ হয়ে গেলে তা আমরা অনুভব করতে পারি কতক্ষণ পর?
৮ মিনিট পর।
৮ মিনিট পর।
সংক্ষেপে দেখুনবৃষ্টির ফোটা গোলাকার হয় কেন?
বৃষ্টির ফোটা গোলাকার হয় কারণ এর পার্শ্বপ্রভাবে আবহাওয়া ঘটানো হয়। জলদূষণ, পরিবেশ দুর্বলতা এবং আবহাওয়া পরিবর্তনের ফলে বৃষ্টি গোলাকার হয়।
বৃষ্টির ফোটা গোলাকার হয় কারণ এর পার্শ্বপ্রভাবে আবহাওয়া ঘটানো হয়। জলদূষণ, পরিবেশ দুর্বলতা এবং আবহাওয়া পরিবর্তনের ফলে বৃষ্টি গোলাকার হয়।
সংক্ষেপে দেখুনমৃত্যুর পর পেশি কঠিন হয়ে যাওয়ার কারন কি ?
দেহের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া এবং প্রস্তরের কারণে পেশি কঠিন হয়ে যায়।
দেহের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া এবং প্রস্তরের কারণে পেশি কঠিন হয়ে যায়।
সংক্ষেপে দেখুনমৃত্যুর পর পেশি কঠিন হয়ে যাওয়ার কারন কি ?
দেহের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া এবং প্রস্তরের কারণে পেশি কঠিন হয়ে যায়।
দেহের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া এবং প্রস্তরের কারণে পেশি কঠিন হয়ে যায়।
সংক্ষেপে দেখুনআমরা সবসময় চাঁদের শুধুমাত্র একটি পৃষ্ঠ দেখতে পাই কেন? আমরা জানি চাঁদ নিজ অক্ষে আবর্তন করে তাহলে চাঁদের অপর পৃষ্ঠা কেন দেখা যায়না?
উত্তর দেয়ার আগ্রহ তৈরি করার জন্য ধন্যবাদ! সংক্ষেপে আর সহজে ব্যপারটি বোঝাতে পারবো বলে আশা রাখি। চাঁদের আবর্তন আমরা সর্বদা চাঁদের একই দিক দেখতে পাই কারণ চাঁদের অক্ষের আবর্তনের সময়কাল পৃথিবীর চারপাশে এর ঘূর্ণনের সময়কালের সমান। তাই আমরা কেবল সেই দিকটি দেখতে পাই যা আমাদের মুখোমুখি হয়। জোয়ার ভাটা আমরাবিস্তারিত পড়ুন
উত্তর দেয়ার আগ্রহ তৈরি করার জন্য ধন্যবাদ! সংক্ষেপে আর সহজে ব্যপারটি বোঝাতে পারবো বলে আশা রাখি।
চাঁদের আবর্তন
আমরা সর্বদা চাঁদের একই দিক দেখতে পাই কারণ চাঁদের অক্ষের আবর্তনের সময়কাল পৃথিবীর চারপাশে এর ঘূর্ণনের সময়কালের সমান। তাই আমরা কেবল সেই দিকটি দেখতে পাই যা আমাদের মুখোমুখি হয়।
জোয়ার ভাটা
আমরা পৃথিবীতে যে জোয়ার দেখি তার জন্য পৃথিবী এবং চাঁদের মধ্যকার মহাকর্ষীয় মিথস্ক্রিয়াও দায়ী। পৃথিবী এবং চাঁদের এই আকর্ষণকে টাইডাল লকিং (Tidal locking) বলে। চাঁদের মহাকর্ষীয় টানের ফলে পৃথিবীর মহাসাগরগুলি ফুলে উঠে যার দরুন প্রতিদিন দুটি করে জোয়ার ও ভাটা তৈরি হয়।
যদি চাঁদ তার কক্ষপথে বর্তমানের চেয়ে দ্রুত বা ধীর গতিতে ঘুরতো তাহলে আমরা এর অপর পৃষ্ঠ দেখতে পেতাম।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনআমরা মহাবিশ্বের কতদূর পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ করতে পারি বা মহাবিশ্বের ব্যাপ্তি সম্পর্কে আমরা কতদূর জানি?
মহাবিশ্ব সম্বন্ধে আমাদের ধারণা এখনো একটি শিশু জন্মগ্রহণ করে চারপাশ যেভাবে দেখে সেরকম। আমরা খুব কমই জানি মহাবিশ্বকে। এখন পর্যন্ত আমরা মহাবিশ্বের ৯৩ বিলিয়ন আলোকবর্ষ পর্যন্তই পর্যবেক্ষণ করতে পারছি। তবে অদূর ভবিষ্যতে এই সীমা পারি দিতে পারবো বলে আশারাখি। একটি ভিডিওতে আমাদের পর্যবেক্ষণের সামগ্রিক তুলে ধরাবিস্তারিত পড়ুন
মহাবিশ্ব সম্বন্ধে আমাদের ধারণা এখনো একটি শিশু জন্মগ্রহণ করে চারপাশ যেভাবে দেখে সেরকম। আমরা খুব কমই জানি মহাবিশ্বকে।
এখন পর্যন্ত আমরা মহাবিশ্বের ৯৩ বিলিয়ন আলোকবর্ষ পর্যন্তই পর্যবেক্ষণ করতে পারছি। তবে অদূর ভবিষ্যতে এই সীমা পারি দিতে পারবো বলে আশারাখি।
একটি ভিডিওতে আমাদের পর্যবেক্ষণের সামগ্রিক তুলে ধরা হলো।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুন