সাইন আপ করুন সাইন আপ করুন

সাইন আপ করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে


আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

লগ ইন করুন লগ ইন করুন

লগিন করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

কোন একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন

রিসেট পাসওয়ার্ড

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।

আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?

সাইন ইনসাইন আপ

AddaBuzz.net

AddaBuzz.net Logo AddaBuzz.net Logo

AddaBuzz.net Navigation

  • হোমপেজ
  • ব্লগ
  • ইউজার
  • যোগাযোগ
সার্চ করুন
একটি প্রশ্ন করুন

Mobile menu

Close
একটি প্রশ্ন করুন
  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

বিজ্ঞান

শেয়ার করুন
  • Facebook
13 ফলোয়ার
116 উত্তর
485 প্রশ্ন
হোমপেজ/বিজ্ঞান
অ্যাপ ইন্সটল করুন
  • সাম্প্রতিক প্রশ্ন
  • সর্বাধিক উত্তর
  • উত্তর
  • অনুত্তরিত
  • সর্বাধিক দেখা
  • সর্বাধিক পছন্দকৃত
  • এলোমেলো
  1. সময়ঃ 3 মাস আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    আর্টেমিস ২ মিশন: কেন ৫৪ বছর পর মানুষ আবার চাঁদে যাচ্ছে?

    SA Samim
    SA Samim এডিটর forumbd24.com
    উত্তর দিয়েছেন 3 মাস আগে

    NASA-এর Artemis II মিশনকে শুধু একটি সাধারণ চন্দ্রাভিযান হিসেবে দেখলে ভুল হবে—এটি আসলে ভবিষ্যৎ মহাকাশ অভিযানের ভিত্তি গড়ে তোলার একটি বড় পদক্ষেপ। ১৯৭২ সালের Apollo Program-এর পর এত দীর্ঘ সময় পর মানুষ আবার চাঁদের পথে যাত্রা করছে, কিন্তু প্রশ্ন হলো—কেন এখন? প্রথমত, এই মিশনের মূল লক্ষ্য শুধু চাঁদের চারপাবিস্তারিত পড়ুন

    NASA-এর Artemis II মিশনকে শুধু একটি সাধারণ চন্দ্রাভিযান হিসেবে দেখলে ভুল হবে—এটি আসলে ভবিষ্যৎ মহাকাশ অভিযানের ভিত্তি গড়ে তোলার একটি বড় পদক্ষেপ। ১৯৭২ সালের Apollo Program-এর পর এত দীর্ঘ সময় পর মানুষ আবার চাঁদের পথে যাত্রা করছে, কিন্তু প্রশ্ন হলো—কেন এখন?
    প্রথমত, এই মিশনের মূল লক্ষ্য শুধু চাঁদের চারপাশে ঘোরা নয়, বরং মানুষের দীর্ঘমেয়াদি মহাকাশ ভ্রমণের সক্ষমতা পরীক্ষা করা। ভবিষ্যতে Mars-এ মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য এই ধরনের মিশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু চাঁদে ফিরে যাওয়ার মাধ্যমে কি আমরা সত্যিই মঙ্গলের পথে এগোচ্ছি, নাকি এটি কেবল প্রযুক্তিগত পরীক্ষা?
    দ্বিতীয়ত, Artemis II নতুন প্রযুক্তি, মহাকাশযান এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার পরীক্ষা করবে, যা ভবিষ্যতের আরও জটিল মিশনের জন্য প্রয়োজন। তবে প্রশ্ন থেকে যায়—এই উন্নত প্রযুক্তি কি মানব জীবনের ঝুঁকি পুরোপুরি কমাতে পারবে, নাকি মহাকাশ ভ্রমণ এখনো একই রকম বিপজ্জনক?
    তৃতীয়ত, চাঁদকে ভবিষ্যতের “স্পেস বেস” হিসেবে ব্যবহার করার ধারণা এখন গুরুত্ব পাচ্ছে। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, চাঁদের সম্পদ ব্যবহার করে আরও দূরের গ্রহে যাওয়া সহজ হতে পারে। কিন্তু এই পরিকল্পনা কি বাস্তবসম্মত, নাকি শুধু একটি উচ্চাকাঙ্ক্ষী কল্পনা?
    সব মিলিয়ে, Artemis II শুধু অতীতের গৌরব ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা নয়—এটি ভবিষ্যতের মহাকাশ রাজনীতিরও অংশ। তাহলে কি আমরা নতুন এক “স্পেস রেস”-এর দিকে এগোচ্ছি, যেখানে চাঁদ আবার বড় শক্তিগুলোর প্রতিযোগিতার কেন্দ্র হয়ে উঠবে?

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  2. সময়ঃ 8 মাস আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    কোন প্রানী থেকে পৃথিবীর প্রথম মানব ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়?

    সুমনা
    সুমনা নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 3 মাস আগে

    পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম সফল মানব ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়েছিল গরু থেকে। ১৭৯৬ সালে ব্রিটিশ চিকিৎসক এডওয়ার্ড জেনার এটি আবিষ্কার করেন। এই যুগান্তকারী আবিষ্কারের মাধ্যমেই চিকিৎসা বিজ্ঞানে রোগ প্রতিরোধের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়। যেভাবে গরু থেকে টিকা তৈরি হলো সেই সময়ে 'গুটিবসন্ত' বা 'স্মলপক্স' ছিল এক ভয়াবহবিস্তারিত পড়ুন

    পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম সফল মানব ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়েছিল গরু থেকে। ১৭৯৬ সালে ব্রিটিশ চিকিৎসক এডওয়ার্ড জেনার এটি আবিষ্কার করেন। এই যুগান্তকারী আবিষ্কারের মাধ্যমেই চিকিৎসা বিজ্ঞানে রোগ প্রতিরোধের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়।

    যেভাবে গরু থেকে টিকা তৈরি হলো

    সেই সময়ে ‘গুটিবসন্ত’ বা ‘স্মলপক্স’ ছিল এক ভয়াবহ আতঙ্কের নাম। এডওয়ার্ড জেনার লক্ষ্য করেন যে, যেসব গোয়ালা বা দুধ দোহনকারীরা গরুর সংস্পর্শে থাকেন এবং যাদের একবার ‘কাউপক্স’ বা ‘গো-বসন্ত’ হয়েছে, তাদের আর মরণঘাতী গুটিবসন্ত হচ্ছে না।

    এই পর্যবেক্ষণের ওপর ভিত্তি করে তিনি এক সাহসী পরীক্ষা চালান। তিনি এক গোয়ালার হাতের গো-বসন্তের ক্ষত থেকে পুঁজ সংগ্রহ করেন এবং সেটি ৮ বছর বয়সী এক বালকের শরীরে প্রবেশ করান। কিছুদিন পর তিনি লক্ষ্য করেন যে, ছেলেটির শরীরে গুটিবসন্তের বিরুদ্ধে শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে উঠেছে। যেহেতু এই টিকার মূল উৎস ছিল গরুর বসন্তের ভাইরাস, তাই একে গরু থেকেই তৈরি টিকা বলা হয়।

    ‘ভ্যাকসিন’ নামের উৎস

    আপনি কি জানেন ‘ভ্যাকসিন’ শব্দটি এসেছে কোথা থেকে? ল্যাটিন ভাষায় ‘Vacca’ (ভ্যাক্কা) শব্দের অর্থ হলো গরু। যেহেতু পৃথিবীর প্রথম টিকাটি গরু থেকে পাওয়া ভাইরাসের মাধ্যমে তৈরি হয়েছিল, তাই এডওয়ার্ড জেনার এই পদ্ধতির নাম দেন ‘ভ্যাকসিনেশন’।

    চলুন ব্রেইনকে একটু ঝালাই করে নিই…

    ১. গুটিবসন্তের টিকা কে আবিষ্কার করেন?

    উত্তর: ডাক্তার এডওয়ার্ড জেনার ১৭৯৬ সালে গুটিবসন্তের (Smallpox) প্রথম সফল টিকা আবিষ্কার করেন। তাকে ইমিউনোলজির (Immunology) জনক বলা হয়।

    ২. প্রথম কোন ব্যক্তিকে টিকা দেওয়া হয়েছিল?

    উত্তর: জেমস ফিপস নামক এক ৮ বছর বয়সী বালককে প্রথম পরীক্ষামূলকভাবে এই টিকা দেওয়া হয়েছিল।

    ৩. গুটিবসন্ত কি এখন পৃথিবীতে আছে?

    উত্তর: না। ভ্যাকসিনের সাফল্যের কারণে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১৯৮০ সালে পৃথিবীকে গুটিবসন্ত বা স্মলপক্স মুক্ত ঘোষণা করেছে। মানুষের তৈরি ভ্যাকসিনের মাধ্যমে এটিই প্রথম নির্মূল হওয়া রোগ।

    ৪. কাউপক্স বা গো-বসন্ত কী?

    উত্তর: এটি একটি মৃদু প্রকৃতির ভাইরাস যা সাধারণত গরুর ওলানে দেখা দেয়। জেনার প্রমাণ করেছিলেন যে, এটি মানুষের জন্য মারাত্মক নয়, বরং এটি গুটিবসন্তের মতো প্রাণঘাতী রোগের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেয়।

    ৫. গরুর পর আর কোন কোন প্রাণী ভ্যাকসিন গবেষণায় ব্যবহৃত হয়?

    উত্তর: বর্তমানে মুরগির ডিম, ঘোড়া, খরগোশ এমনকি ইঁদুর এবং বানরও ভ্যাকসিন এবং ওষুধের গবেষণায় বিভিন্ন পর্যায়ে ব্যবহৃত হয়। তবে শুরুর কৃতিত্ব সেই গরুরই প্রাপ্য।

    প্রথম ভ্যাকসিনের এই ইতিহাস আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, প্রকৃতি এবং বিজ্ঞানের সমন্বয়েই মানব সভ্যতা টিকে আছে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  3. সময়ঃ 3 মাস আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    কোয়ান্টাম কম্পিউটিং কি ভবিষ্যতের প্রযুক্তিকে সম্পূর্ণ বদলে দেবে?

    সুমনা
    সুমনা নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 3 মাস আগে

    কোয়ান্টাম কম্পিউটিংকে বলা হচ্ছে ভবিষ্যতের প্রযুক্তির সবচেয়ে বড় বিপ্লব। এটি প্রচলিত কম্পিউটারের কাজ করার ধরনকে আমূল বদলে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। নিচে সহজ ভাষায় এর প্রভাব ও সম্ভাবনাগুলো আলোচনা করা হলো। কোয়ান্টাম কম্পিউটিং কী? সাধারণ কম্পিউটার 'বিট' (০ এবং ১) ব্যবহার করে তথ্য প্রসেস করে। কিন্তু কোয়াবিস্তারিত পড়ুন

    কোয়ান্টাম কম্পিউটিংকে বলা হচ্ছে ভবিষ্যতের প্রযুক্তির সবচেয়ে বড় বিপ্লব। এটি প্রচলিত কম্পিউটারের কাজ করার ধরনকে আমূল বদলে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। নিচে সহজ ভাষায় এর প্রভাব ও সম্ভাবনাগুলো আলোচনা করা হলো।

    কোয়ান্টাম কম্পিউটিং কী?

    সাধারণ কম্পিউটার ‘বিট’ (০ এবং ১) ব্যবহার করে তথ্য প্রসেস করে। কিন্তু কোয়ান্টাম কম্পিউটার ব্যবহার করে ‘কিউবিট’। কিউবিটের বিশেষত্ব হলো এটি একই সাথে ০ এবং ১ উভয় অবস্থায় থাকতে পারে। এই ক্ষমতার কারণে এটি সাধারণ কম্পিউটারের তুলনায় কোটি কোটি গুণ দ্রুত জটিল হিসাব সমাধান করতে পারে।

    সাইবার নিরাপত্তা ও এনক্রিপশন কি ঝুঁকিতে?

    আপনার উদ্বেগের বিষয়টি সঠিক। বর্তমান বিশ্বের ব্যাংকিং লেনদেন থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত মেসেজ পর্যন্ত সবকিছু যে ‘এনক্রিপশন’ পদ্ধতিতে সুরক্ষিত থাকে, কোয়ান্টাম কম্পিউটার তা খুব সহজেই ভেঙে ফেলতে পারে।

    পাসওয়ার্ড ও সুরক্ষা: বর্তমানের এনক্রিপশন ব্যবস্থাগুলো মূলত খুব জটিল গাণিতিক সমস্যার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। সাধারণ কম্পিউটারের জন্য এই সমস্যাগুলো সমাধান করা অসম্ভব হলেও শক্তিশালী কোয়ান্টাম কম্পিউটারের কাছে এটি কয়েক সেকেন্ডের কাজ।

    ভবিষ্যতের সমাধান: তবে আশার কথা হলো গবেষকরা এখন ‘পোস্ট-কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফি’ নিয়ে কাজ করছেন। এটি এমন এক নতুন সুরক্ষা ব্যবস্থা যা কোয়ান্টাম কম্পিউটারের হামলাও প্রতিরোধ করতে পারবে।

    চিকিৎসা এবং বিজ্ঞানে কি বিপ্লব আসবে?

    হ্যাঁ, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং বিজ্ঞানের অনেক জটিল সমস্যার সমাধান দেবে। এর ইতিবাচক দিকগুলো হলো:

    দ্রুত ওষুধ আবিষ্কার: যেকোনো রোগের নতুন ওষুধ তৈরিতে বর্তমানে বহু বছর সময় লাগে। কোয়ান্টাম কম্পিউটার অণু এবং পরমাণুর স্তর পর্যন্ত সিমুলেশন করতে পারে, যার ফলে অনেক জটিল রোগের ওষুধ খুব দ্রুত তৈরি করা সম্ভব হবে।

    আবহাওয়ার নির্ভুল পূর্বাভাস: বর্তমানের সুপার কম্পিউটারগুলোও আবহাওয়ার সব তথ্য নির্ভুলভাবে বিশ্লেষণ করতে পারে না। কোয়ান্টাম কম্পিউটার বায়ুমণ্ডলের কোটি কোটি ডেটা একসাথে প্রসেস করে ঘূর্ণিঝড় বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের অনেক আগে ও সঠিক পূর্বাভাস দিতে পারবে।

    জটিল বৈজ্ঞানিক গবেষণা: মহাকাশ গবেষণা থেকে শুরু করে উন্নত মানের ব্যাটারি তৈরি, সবক্ষেত্রেই এটি অবিশ্বাস্য গতি আনবে।

    অপব্যবহার ও মানব সভ্যতার ঝুঁকি

    যেকোনো শক্তিশালী প্রযুক্তির মতো এরও অপব্যবহারের ভয় থাকে। কোয়ান্টাম কম্পিউটিং যদি ভুল হাতে পড়ে, তবে রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা চুরি বা বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থায় ধস নামানো সম্ভব হতে পারে। তবে এটি সাধারণ মানুষের নাগালে আসতে আরও বেশ কিছু বছর সময় লাগবে। মূলত ক্লাউড সার্ভারের মাধ্যমেই এর ব্যবহার সীমাবদ্ধ থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    আমাদের কিছু সাধারণ প্রশ্ন ক্লিয়ার করা যাক

    ১. কোয়ান্টাম কম্পিউটার কি আমাদের পিসি বা ল্যাপটপের জায়গা দখল করবে?

    না। সাধারণ কাজ যেমন মুভি দেখা, টাইপ করা বা ইন্টারনেট ব্রাউজ করার জন্য কোয়ান্টাম কম্পিউটারের প্রয়োজন নেই। এটি মূলত খুব জটিল বৈজ্ঞানিক ও গাণিতিক কাজের জন্য ব্যবহৃত হবে।

    ২. বিটকয়েন বা ক্রিপ্টোকারেন্সি কি কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের কারণে শেষ হয়ে যাবে?

    এটি একটি বড় চিন্তার বিষয়। বর্তমান ক্রিপ্টোকারেন্সি এনক্রিপশন কোয়ান্টাম কম্পিউটার দিয়ে ভেঙে ফেলা সম্ভব। তবে ক্রিপ্টোকারেন্সি ডেভেলপাররা ইতিমধ্যেই কোয়ান্টাম-প্রতিরোধী সুরক্ষা ব্যবস্থা যুক্ত করার কাজ শুরু করেছেন।

    ৩. কোয়ান্টাম কম্পিউটার বর্তমানে কোথায় ব্যবহার হচ্ছে?

    আইবিএম (IBM), গুগল এবং নাসা (NASA) এর মতো বড় প্রতিষ্ঠানগুলো পরীক্ষামূলকভাবে এটি ব্যবহার করছে। এটি এখনো গবেষণাগারের সীমাবদ্ধ পরিবেশে খুব শীতল তাপমাত্রায় রাখা হয়।

    ৪. আমরা কি এখনই ঝুঁকিতে আছি?

    না। বর্তমানে যে কোয়ান্টাম কম্পিউটারগুলো আছে, সেগুলো এখনো সাধারণ এনক্রিপশন ভাঙার মতো যথেষ্ট শক্তিশালী হয়ে ওঠেনি। একে বলা হচ্ছে ‘কোয়ান্টাম অ্যাডভান্টেজ’ অর্জনের প্রাথমিক ধাপ।

    ৫. কোয়ান্টাম কম্পিউটিং শিখতে হলে কী জানতে হবে?

    এই ফিল্ডে কাজ করতে হলে উচ্চতর গণিত, বিশেষ করে লিনিয়ার অ্যালজেব্রা এবং কোয়ান্টাম ফিজিক্স সম্পর্কে ধারণা থাকতে হয়। পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ এখন কোয়ান্টাম অ্যালগরিদম লেখার জন্য বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  4. সময়ঃ 3 মাস আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের সাম্প্রতিক আবিষ্কারগুলো মহাকাশ বিজ্ঞানকে কতটা বদলে দিয়েছে?

    SA Samim
    SA Samim এডিটর forumbd24.com
    উত্তর দিয়েছেন 3 মাস আগে

    James Webb Space Telescope (JWST) সত্যিই আধুনিক মহাকাশ বিজ্ঞানে এক বিপ্লব ঘটিয়েছে—এটাকে “টাইম মেশিন” বলা হয় কারণ এটি এত দূরের গ্যালাক্সি দেখতে পারে যে আমরা আসলে মহাবিশ্বের অতীত (বিলিয়ন বছর আগে) দেখছি। প্রথমত, JWST মহাবিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন গ্যালাক্সিগুলোর ছবি তুলেছে, যা Big Bang-এর পরপরই গঠিত হয়েছিলবিস্তারিত পড়ুন

    James Webb Space Telescope (JWST) সত্যিই আধুনিক মহাকাশ বিজ্ঞানে এক বিপ্লব ঘটিয়েছে—এটাকে “টাইম মেশিন” বলা হয় কারণ এটি এত দূরের গ্যালাক্সি দেখতে পারে যে আমরা আসলে মহাবিশ্বের অতীত (বিলিয়ন বছর আগে) দেখছি।

    প্রথমত, JWST মহাবিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন গ্যালাক্সিগুলোর ছবি তুলেছে, যা Big Bang-এর পরপরই গঠিত হয়েছিল। এর ফলে বিজ্ঞানীরা এখন বুঝতে পারছেন যে গ্যালাক্সি গঠন আগের ধারণার চেয়ে অনেক দ্রুত ঘটেছে। এই তথ্য মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও বিবর্তন নিয়ে আমাদের পুরনো তত্ত্বগুলোকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে।

    দ্বিতীয়ত, এটি এক্সোপ্ল্যানেট বা সৌরজগতের বাইরের গ্রহগুলোর বায়ুমণ্ডল বিশ্লেষণ করতে পারছে। JWST ইতোমধ্যে কিছু গ্রহের বায়ুমণ্ডলে পানি বাষ্প, কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং মিথেনের মতো উপাদান শনাক্ত করেছে। এগুলো ভিনগ্রহে প্রাণের সম্ভাবনা খুঁজে বের করার ক্ষেত্রে বিশাল অগ্রগতি, কারণ এই উপাদানগুলো জীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করতে পারে।

    তৃতীয়ত, এটি নক্ষত্র ও গ্রহের জন্ম প্রক্রিয়াও নতুনভাবে দেখাচ্ছে। আগে যেসব ধূলিকণা মেঘের ভিতরে কী হচ্ছে তা দেখা যেত না, JWST তার ইনফ্রারেড প্রযুক্তির মাধ্যমে সেসব অঞ্চলের ভেতরেও স্পষ্টভাবে পর্যবেক্ষণ করতে পারছে। ফলে “তারার জন্ম” সম্পর্কে আমাদের ধারণা অনেক বেশি পরিষ্কার হয়েছে।

    সব মিলিয়ে, JWST শুধু নতুন তথ্যই দিচ্ছে না—এটি আমাদের পুরনো ধারণা, মডেল ও তত্ত্বকে চ্যালেঞ্জ করছে। মহাবিশ্বের আদিম রহস্য উন্মোচন থেকে শুরু করে ভিনগ্রহে প্রাণের সম্ভাবনা খোঁজা—সব ক্ষেত্রেই এটি এক নতুন যুগের সূচনা করেছে। তাই বলা যায়, জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ সত্যিই মহাকাশ বিজ্ঞানের ইতিহাস নতুনভাবে লিখতে শুরু করেছে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  5. সময়ঃ 3 মাস আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    আজানের সময় কুকুর কেনো ঘেউ ঘেউ করে?

    তানি রহমান
    তানি রহমান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 3 মাস আগে

    আজানের সুর শুনলে চারপাশের কুকুরগুলো হঠাৎ সমস্বরে ডেকে ওঠে। বিষয়টি আমাদের অনেকের মনেই কৌতূহল জাগায়। অনেকেই একে অলৌকিক কিছু মনে করেন, তবে এর পেছনে লুকিয়ে আছে বিজ্ঞানের চমৎকার কিছু ব্যাখ্যা। চলুন দেখা যাক, প্রকৃতির এই রহস্যময় আচরণের বৈজ্ঞানিক কারণগুলো কী: আজানের ধ্বনি আর কুকুরের চিৎকার: বিজ্ঞানের চোখেবিস্তারিত পড়ুন

    আজানের সুর শুনলে চারপাশের কুকুরগুলো হঠাৎ সমস্বরে ডেকে ওঠে। বিষয়টি আমাদের অনেকের মনেই কৌতূহল জাগায়। অনেকেই একে অলৌকিক কিছু মনে করেন, তবে এর পেছনে লুকিয়ে আছে বিজ্ঞানের চমৎকার কিছু ব্যাখ্যা। চলুন দেখা যাক, প্রকৃতির এই রহস্যময় আচরণের বৈজ্ঞানিক কারণগুলো কী:

    আজানের ধ্বনি আর কুকুরের চিৎকার: বিজ্ঞানের চোখে যা ঘটে

    ১. কুকুরের ‘সুপার পাওয়ার’ শ্রবণশক্তি

    কুকুরের কান আমাদের চেয়ে বহুগুণ বেশি শক্তিশালী। মানুষ সাধারণত ২০ থেকে ২০,০০০ হার্টজ কম্পাঙ্কের শব্দ শুনতে পায়, কিন্তু কুকুর শুনতে পায় ৪৫,০০০ হার্টজ পর্যন্ত। আজানের সময় লাউডস্পিকার থেকে যে উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দ বা প্রতিধ্বনি (Echo) তৈরি হয়, তা আমাদের কানে মিষ্টি শোনালেও কুকুরের অতি-সংবেদনশীল কানে অনেক সময় তীক্ষ্ণ অস্বস্তি তৈরি করে। সেই অস্বস্তি থেকেই তারা প্রতিক্রিয়া জানায়।

    ২. রক্তের টান: আদিম নেকড়ে প্রবৃত্তি

    কুকুর আসলে নেকড়েরই বংশধর। নেকড়েরা যখন দলবদ্ধ হয়ে থাকতে চায় বা দূর থেকে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে চায়, তখন তারা এক ধরনের দীর্ঘ ডাক (Howling) দেয়। আজানের একটানা সুরকে কুকুর অনেক সময় অন্য কোনো প্রাণীর ডাক বলে ভুল করে। তাই নিজের ‘শিকারি’ প্রবৃত্তিকে জাগিয়ে তুলতে এবং সেই শব্দের উত্তর দিতে সেও দীর্ঘ স্বরে ডাকতে শুরু করে।

    ৩. এলাকা দখলের লড়াই

    কুকুর অত্যন্ত আঞ্চলিক প্রাণী। তারা নিজেদের এলাকা নিয়ে খুব সচেতন থাকে। যখন লাউডস্পিকার থেকে হঠাৎ কোনো জোরালো শব্দ ভেসে আসে, তখন কুকুর সেটাকে বাইরের কোনো অনুপ্রবেশকারীর হুমকি বলে মনে করতে পারে। নিজের এলাকা সুরক্ষিত আছে এবং সে যে এখানে আছে, সেটা জানান দিতেই সে পালটা ডেকে ওঠে।

    ৪. ‘একজন ডাকলে সবাই ডাকে’

    কুকুরের মাঝে সামাজিক অনুকরণ করার প্রবল ইচ্ছা থাকে। একে বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় ‘সোশ্যাল ফ্যাসিলিটেশন’। আজানের শব্দে যদি এলাকার একটি কুকুরও সাড়া দিয়ে ডেকে ওঠে, তবে বাকিরা না বুঝেই তাকে অনুসরণ করে কোরাস গাইতে শুরু করে। এটি অনেকটা আমাদের হাই তোলার মতো সংক্রামক।

    সোজা কথায় বলতে গেলে, আজানের সময় কুকুরের এই প্রতিক্রিয়া মূলত তাদের শ্রবণ ইন্দ্রিয়ের গঠন এবং হাজার বছরের পুরোনো প্রাকৃতি স্বভাবের সংমিশ্রণ। তাদের কাছে এটি এক ধরনের উচ্চ-শব্দ সংকেত, যার উত্তর তারা তাদের নিজস্ব ভাষায় দেয়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  6. সময়ঃ 10 মাস আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    মহাকাশের প্রথম মুসলিম নভোচারী কে?

    Jesmin
    Jesmin নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 6 মাস আগে

    মহাকাশের প্রথম মুসলিম নভোচারী হলেন প্রিন্স সুলতান বিন সালমান আল সৌদ (Prince Sultan bin Salman Al Saud)। তিনি একজন সৌদি আরবের রাজপুত্র এবং বিমান বাহিনীর কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ১৯৮৫ সালের ১৭ই জুন এসটিএস-৫১-জি (STS-51-G) স্পেস শাটল মিশনে একজন পেলোড বিশেষজ্ঞ হিসেবে মহাকাশে যান।

    মহাকাশের প্রথম মুসলিম নভোচারী হলেন প্রিন্স সুলতান বিন সালমান আল সৌদ (Prince Sultan bin Salman Al Saud)।

    তিনি একজন সৌদি আরবের রাজপুত্র এবং বিমান বাহিনীর কর্মকর্তা ছিলেন।

    তিনি ১৯৮৫ সালের ১৭ই জুন এসটিএস-৫১-জি (STS-51-G) স্পেস শাটল মিশনে একজন পেলোড বিশেষজ্ঞ হিসেবে মহাকাশে যান।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  7. সময়ঃ 7 মাস আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    WD-40 কে আবিষ্কার করেন?

    কুসুম কেয়া
    কুসুম কেয়া নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 7 মাস আগে

    WD‑40-এর সূত্র 1953 সালে মার্কিন সংস্থা Rocket Chemical Company‑র জন্য উদ্ভাবন করা হয়। কারিগরিভাবে কৃতিত্ব নিয়ে দ্বিধা আছে: অনেক সূত্র Norman B. Larsen‑কে বলেন, কিন্তু ইতিহাসবিদরা Iver Norman Lawson‑কে মূল সূত্র উদ্ভাবক হিসেবে দেখান। তাই সাধারণত Norman B. Larsen বা Iver Norman Lawson—দুইজনকেই সংশ্লিবিস্তারিত পড়ুন

    WD‑40-এর সূত্র 1953 সালে মার্কিন সংস্থা Rocket Chemical Company‑র জন্য উদ্ভাবন করা হয়। কারিগরিভাবে কৃতিত্ব নিয়ে দ্বিধা আছে: অনেক সূত্র Norman B. Larsen‑কে বলেন, কিন্তু ইতিহাসবিদরা Iver Norman Lawson‑কে মূল সূত্র উদ্ভাবক হিসেবে দেখান। তাই সাধারণত Norman B. Larsen বা Iver Norman Lawson—দুইজনকেই সংশ্লিষ্ট হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  8. সময়ঃ 8 মাস আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    পারমাণবিক তত্ত্বের আদি পিতা কে?

    রিমা
    রিমা নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 8 মাস আগে

    বিজ্ঞানের ইতিহাসে যখন 'পারমাণবিক তত্ত্বের জনক' বা 'উদ্ভাবক' বলা হয়, তখন জন ডাল্টন (John Dalton) কেই বোঝানো হয়, কারণ তিনি দার্শনিক ধারণাটিকে পরীক্ষামূলক বিজ্ঞানের রূপ দিয়েছিলেন। কিন্তু ডেমোক্রিটাস (Democritus) কে উপেক্ষা করার উপায় নেই। কারণ তিনি প্রথম দার্শনিক হিসেবে ধারণা দেন যে, সকল পদার্থই এমনবিস্তারিত পড়ুন

    বিজ্ঞানের ইতিহাসে যখন ‘পারমাণবিক তত্ত্বের জনক’ বা ‘উদ্ভাবক’ বলা হয়, তখন জন ডাল্টন (John Dalton) কেই বোঝানো হয়, কারণ তিনি দার্শনিক ধারণাটিকে পরীক্ষামূলক বিজ্ঞানের রূপ দিয়েছিলেন। কিন্তু ডেমোক্রিটাস (Democritus) কে উপেক্ষা করার উপায় নেই। কারণ তিনি প্রথম দার্শনিক হিসেবে ধারণা দেন যে, সকল পদার্থই এমন ক্ষুদ্র, অবিভাজ্য কণা দিয়ে তৈরি, যাকে আর ভাগ করা যায় না। তিনি এই কণাগুলোর নাম দিয়েছিলেন ‘Atomos’ (যার অর্থ অবিভাজ্য, যা থেকে ইংরেজি ‘Atom’ শব্দটি এসেছে)। এটি ছিল তত্ত্বের প্রথম বীজ, তবে কোনো বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা বা প্রমাণের ওপর প্রতিষ্ঠিত ছিল না।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  9. সময়ঃ 8 মাস আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    বিদ্যুতের খুঁটিতে গুনগুন শব্দ শোনা যায় কেন?

    srity
    srity পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 8 মাস আগে

    বিদ্যুতের খুঁটির কাছে গেলে যে একটা হালকা 'গুনগুন' শব্দ শোনা যায়, এর পেছনে প্রধানত দুটো কারণ আছে: ১. ট্রান্সফরমারের গুনগুন (Humming from Transformer) বিদ্যুতের খুঁটির মাথায় বা একটু নিচে একটা বড় ধূসর রঙের বাক্স দেখতে পান তো? ওটাই হলো ট্রান্সফরমার। আপনার বাসার ভোল্টেজ কমানোর জন্য এটা ব্যবহার করা হয়। কবিস্তারিত পড়ুন

    বিদ্যুতের খুঁটির কাছে গেলে যে একটা হালকা ‘গুনগুন’ শব্দ শোনা যায়, এর পেছনে প্রধানত দুটো কারণ আছে:

    ১. ট্রান্সফরমারের গুনগুন (Humming from Transformer)

    বিদ্যুতের খুঁটির মাথায় বা একটু নিচে একটা বড় ধূসর রঙের বাক্স দেখতে পান তো? ওটাই হলো ট্রান্সফরমার। আপনার বাসার ভোল্টেজ কমানোর জন্য এটা ব্যবহার করা হয়।

    • কারণ: ট্রান্সফরমারের ভেতরে যে কয়েলগুলো (তারের প্যাঁচানো অংশ) আর লোহার পাতগুলো থাকে, সেগুলোর মধ্যে দিয়ে যখন বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করে, তখন এক ধরনের চৌম্বকীয় বল তৈরি হয়।
    • এই চৌম্বকীয় বলের প্রভাবে লোহার পাতগুলো খুব সামান্য পরিমাণে কম্পিত হতে থাকে। এই কম্পন থেকেই আমরা সেই পরিচিত ‘হুম্’ বা ‘গুনগুন’ শব্দটা শুনতে পাই।
    • বিদ্যুতের ফ্রিকোয়েন্সি (বাংলাদেশে সাধারণত ৫০ হার্জ) অনুযায়ী এই কম্পন হয়, তাই শব্দটাও একটা নির্দিষ্ট সুরে (৫০ হার্জের দ্বিগুণ, অর্থাৎ ১০০ হার্জ) শোনা যায়।

    ২. করোনা ডিসচার্জ (Corona Discharge)

    এটা সাধারণত উচ্চ ভোল্টেজের লাইনে বেশি শোনা যায়, বিশেষ করে যখন আবহাওয়া স্যাঁতসেঁতে বা বৃষ্টি ভেজা থাকে।

    • কারণ: উচ্চ ভোল্টেজের তারগুলোর চারপাশে থাকা বাতাস বিদ্যুৎ ক্ষেত্রের প্রভাবে আয়নিত (ionized) হয়ে যায়। অর্থাৎ, বাতাসের কণাগুলো বিদ্যুৎ প্রবাহের জন্য তৈরি হয়।
    • এই প্রক্রিয়ার সময় একটা হালকা হিস্ হিস্ বা গুনগুন শব্দ হয়, আর অনেক সময় অল্প আলো (নীলাভ আভা) দেখা যায়। এটাই হলো করোনা ডিসচার্জ।

    মুল কথা: বেশির ভাগ সময় যে গুনগুন শব্দটা কানে আসে, সেটা হলো ট্রান্সফরমারের ভেতরের যন্ত্রাংশের কম্পনের আওয়াজ। আর খুব জোরে হিসহিস আওয়াজ হলে সেটা করোনা ডিসচার্জ হতে পারে। দুটোই বিদ্যুৎ প্রবাহের সাথে সম্পর্কিত। ভয়ের কিছু নেই, এটা স্বাভাবিক!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  10. সময়ঃ 8 মাস আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    পদার্থবিদ্যায়, 'ম্যাজিক সংখ্যা' বলতে কি বোঝায?

    srity
    srity পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 8 মাস আগে

    পদার্থবিদ্যায়, 'ম্যাজিক সংখ্যা' (Magic Numbers) বলতে বোঝায় পারমাণবিক নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরে থাকা নিউক্লিয়ন বা কণার (প্রোটন এবং নিউট্রন) এমন কিছু নির্দিষ্ট সংখ্যা, যে সংখ্যাগুলো থাকলে নিউক্লিয়াসটি অসাধারণভাবে স্থিতিশীল বা মজবুত হয়। এটা অনেকটা পরমাণুর ইলেকট্রনগুলোর কক্ষপথ পূরণ হওয়ার মতো। ম্যাজিক সবিস্তারিত পড়ুন

    পদার্থবিদ্যায়, ‘ম্যাজিক সংখ্যা’ (Magic Numbers) বলতে বোঝায় পারমাণবিক নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরে থাকা নিউক্লিয়ন বা কণার (প্রোটন এবং নিউট্রন) এমন কিছু নির্দিষ্ট সংখ্যা, যে সংখ্যাগুলো থাকলে নিউক্লিয়াসটি অসাধারণভাবে স্থিতিশীল বা মজবুত হয়।

    এটা অনেকটা পরমাণুর ইলেকট্রনগুলোর কক্ষপথ পূরণ হওয়ার মতো।

    ম্যাজিক সংখ্যাগুলো কী কী?

    প্রোটন বা নিউট্রনের জন্য ম্যাজিক সংখ্যাগুলো হলো:

    $$\mathbf{2, 8, 20, 28, 50, 82, 126}$$

    যেমন:

    1. অক্সিজেন-১৬: এর প্রোটন সংখ্যা ৮ এবং নিউট্রন সংখ্যা ৮। দুটোই ম্যাজিক সংখ্যা। তাই এটি একটি দ্বিগুণ ম্যাজিক (doubly magic) নিউক্লিয়াস এবং অত্যন্ত স্থিতিশীল।
    2. ক্যালসিয়াম-৪০: এর প্রোটন সংখ্যা ২০ এবং নিউট্রন সংখ্যা ২০। এটিও দ্বিগুণ ম্যাজিক।
    3. সীসা-২০৮: এটি সবচেয়ে ভারী স্থিতিশীল নিউক্লিয়াস। এর প্রোটন সংখ্যা ৮২ এবং নিউট্রন সংখ্যা ১২৬। দুটোই ম্যাজিক সংখ্যা।

    এই ম্যাজিক সংখ্যাগুলো বিজ্ঞানীদের নিউক্লিয়াসের গঠন, তেজস্ক্রিয়তা এবং পারমাণবিক বিক্রিয়া বুঝতে সাহায্য করে। কোনো নিউক্লিয়াস কতটা স্থিতিশীল হবে বা তা ভেঙে যাবে কি না, তা বুঝতে এই সংখ্যাগুলো খুব জরুরি।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  11. সময়ঃ 8 মাস আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    মহাবিশ্বের ৮৫% জুড়ে থাকা রহস্যময় 'অন্ধকার বস্তু' বা ডার্ক ম্যাটারকে যদি বিজ্ঞানীরা সত্যিই খুঁজে পান, তবে কি আমাদের চারপাশের বাস্তবতাই পাল্টে যাবে?

    Nusaiba
    Nusaiba নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 8 মাস আগে

    অন্ধকার বস্তু (ডার্ক ম্যাটার) কি আমাদের বাস্তবতাকে সত্যিই পাল্টে দেবে? সংক্ষেপে বলতে গেলে, হ্যাঁ, পাল্টে যেতে পারে! তবে সেটা রাতারাতি নয়, বরং ধাপে ধাপে আমাদের বিজ্ঞান ও মহাবিশ্বের ধারণা বদলে দেবে। আসল চমকটা কোথায়? বিজ্ঞানীরা এত দিন ধরে জানতেন যে, মহাবিশ্বের বেশিরভাগ জিনিসই হলো রহস্যময় 'অন্ধকার বস্তুবিস্তারিত পড়ুন

    অন্ধকার বস্তু (ডার্ক ম্যাটার) কি আমাদের বাস্তবতাকে সত্যিই পাল্টে দেবে?

    সংক্ষেপে বলতে গেলে, হ্যাঁ, পাল্টে যেতে পারে! তবে সেটা রাতারাতি নয়, বরং ধাপে ধাপে আমাদের বিজ্ঞান ও মহাবিশ্বের ধারণা বদলে দেবে।

    আসল চমকটা কোথায়?

    বিজ্ঞানীরা এত দিন ধরে জানতেন যে, মহাবিশ্বের বেশিরভাগ জিনিসই হলো রহস্যময় ‘অন্ধকার বস্তু’ (ডার্ক ম্যাটার)। এর পরিমাণ প্রায় ৮৫ শতাংশ! আমরা চোখে যা দেখি বা অনুভব করি (যেমন: গ্রহ, তারা, মানুষ) তা হলো মাত্র ১৫ শতাংশ।

    এখন গবেষকরা যদি প্রথমবারের মতো সেই অদৃশ্য এবং বিশাল ‘অন্ধকার বস্তু’কে সত্যিই চিহ্নিত করতে পারেন, তবে যা ঘটবে:

    আমরা এতদিন মহাবিশ্ব সম্পর্কে যা যা জেনেছি, তা ছিল মাত্র ১৫% তথ্য দিয়ে তৈরি। ৮৫% জিনিসকে চিহ্নিত করতে পারলে পদার্থবিজ্ঞানের অনেক পুরনো সূত্র ও ধারণা ভুল প্রমাণিত হতে পারে।

    আমরা মহাবিশ্বের গঠন, গ্যালাক্সিগুলোর রহস্যময় গতি এবং মহাকাশের ভবিষ্যৎ নিয়ে সম্পূর্ণ নতুন তথ্য পাবো। এটি প্রমাণ করবে যে, আমাদের চারপাশের বাস্তবতা কেবল চোখের সামনে দেখা এইটুকু নয়, বরং এর বাইরেও এক বিশাল অদৃশ্য জগৎ আছে, যা পুরো মহাবিশ্বকে নিয়ন্ত্রণ করছে।

    এই আবিষ্কার নতুন ধরনের প্রযুক্তি ও গবেষণার জন্ম দেবে, যা হয়তো কয়েক দশক পর আমাদের জীবনযাত্রাতেও বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে।

    অর্থাৎ, এই আবিষ্কার আমাদের দৈনন্দিন জীবন immediately পাল্টাবে না, কিন্তু মহাবিশ্ব এবং বাস্তবতাকে বোঝার ক্ষেত্রে বিজ্ঞানকে এমন এক জায়গায় নিয়ে যাবে, যা হবে এক নতুন দিগন্ত।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  12. সময়ঃ 10 মাস আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    আইনেস্টাইনের প্রিয় বিজ্ঞানী কে ছিলেন এবং কেন তিনি প্রিয় ছিলেন?

    allaboutsubha
    allaboutsubha শিক্ষক https://www.youtube.com/allaboutsubha/
    উত্তর দিয়েছেন 9 মাস আগে

    আইনস্টাইন বিভিন্ন বিজ্ঞানীর কাজ থেকে প্রভাবিত হয়েছিলেন, তবে তাঁর কাছে সবচেয়ে প্রিয় ও শ্রদ্ধার বিজ্ঞানী ছিলেন আইজ্যাক নিউটন এবং জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল। আইজ্যাক নিউটন: আইনস্টাইন মনে করতেন নিউটন প্রকৃতির নিয়মগুলোকে এক গাণিতিক কাঠামোর মধ্যে প্রথমবারের মতো ব্যাখ্যা করতে পেরেছিলেন। নিউটনের মাধ্যাকর্ষণবিস্তারিত পড়ুন

    আইনস্টাইন বিভিন্ন বিজ্ঞানীর কাজ থেকে প্রভাবিত হয়েছিলেন, তবে তাঁর কাছে সবচেয়ে প্রিয় ও শ্রদ্ধার বিজ্ঞানী ছিলেন আইজ্যাক নিউটন এবং জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল।

    • আইজ্যাক নিউটন:
      আইনস্টাইন মনে করতেন নিউটন প্রকৃতির নিয়মগুলোকে এক গাণিতিক কাঠামোর মধ্যে প্রথমবারের মতো ব্যাখ্যা করতে পেরেছিলেন। নিউটনের মাধ্যাকর্ষণ তত্ত্ব আইনস্টাইনের পরবর্তী সাধারণ আপেক্ষিকতার (General Relativity) ভিত্তি তৈরি করেছিল।
    • জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল:
      ম্যাক্সওয়েলের তড়িৎচুম্বকত্বের সমীকরণগুলো আইনস্টাইনের কাছে বিশেষভাবে প্রিয় ছিল। এগুলো দেখিয়েছিল আলোও এক ধরনের তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ, আর সেখান থেকেই আইনস্টাইন বিশেষ আপেক্ষিকতার (Special Relativity) দিকে এগিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “ম্যাক্সওয়েলের সমীকরণ ছাড়া আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান কল্পনাই করা যেত না।”

    👉 সংক্ষেপে বলা যায়, ম্যাক্সওয়েলকে আইনস্টাইন বেশি প্রিয় বিজ্ঞানী মনে করতেন, কারণ তাঁর সমীকরণ থেকেই আইনস্টাইনের বিপ্লবী চিন্তার সূচনা হয়েছিল।

    আপনি চাইলে আমি আইনস্টাইনের সরাসরি উক্তি (quote) খুঁজে দিয়ে দিতে পারি যেখানে তিনি ম্যাক্সওয়েল বা অন্য বিজ্ঞানীদের প্রশংসা করেছেন — চাইবেন কি?

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  13. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    মরুভূমিতে যে তাপ সহনীয়, বাংলাদেশে সেটা কেন নাভিশ্বাস ?

    Mithun
    Mithun পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 12 মাস আগে
    উত্তরটি এডিট করা হয়েছে।

    একই তাপ, ভিন্ন অনুভূতি: মরুভূমির গরম বাংলাদেশে অসহনীয় কেন? থার্মোমিটারের কাঁটা বলছে তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অথচ বাইরে বেরোলেই মনে হচ্ছে যেন কেউ গায়ে গরম পানির ভাপ দিচ্ছে। ঘামে শরীর জবজবে, জামাকাপড় ভিজে একাকার। এই একই ৩৭ ডিগ্রি তাপমাত্রা মধ্যপ্রাচ্যের কোনো মরু শহরে হয়তো দিব্যি সহনীয়, কিন্তু ঢাবিস্তারিত পড়ুন

    একই তাপ, ভিন্ন অনুভূতি: মরুভূমির গরম বাংলাদেশে অসহনীয় কেন?

    থার্মোমিটারের কাঁটা বলছে তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অথচ বাইরে বেরোলেই মনে হচ্ছে যেন কেউ গায়ে গরম পানির ভাপ দিচ্ছে। ঘামে শরীর জবজবে, জামাকাপড় ভিজে একাকার। এই একই ৩৭ ডিগ্রি তাপমাত্রা মধ্যপ্রাচ্যের কোনো মরু শহরে হয়তো দিব্যি সহনীয়, কিন্তু ঢাকা বা চট্টগ্রামের রাস্তায় কেন তা অসহনীয় হয়ে ওঠে? তাপমাত্রা এক হলেও এই অনুভূতির পার্থক্যের পেছনে কারণটা কী?

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর পেছনের মূল ‘খলনায়ক’ হলো বাতাসের আর্দ্রতা। তাপমাত্রা নয়, বরং আর্দ্রতাই নির্ধারণ করে দিচ্ছে আমাদের স্বস্তি ও অস্বস্তির মাত্রা।

    আসল কারণ: শরীর ঠান্ডা হওয়ার প্রাকৃতিক কৌশল যখন অকার্যকর

    আমাদের শরীর একটি স্বয়ংক্রিয় শীতলীকরণ যন্ত্রের মতো কাজ করে। গরম লাগলে ত্বকের নিচে থাকা লাখ লাখ ঘামগ্রন্থি থেকে পানি বা ঘাম বেরিয়ে আসে। এই ঘাম যখন বাতাসের সংস্পর্শে এসে বাষ্পীভূত হয়, তখন তা ত্বক থেকে তাপ শোষণ করে নেয়। ফলে শরীর ঠান্ডা হয়। বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলে বাষ্পীভবন (Evaporation)।

    মরু অঞ্চলের বাতাস অত্যন্ত শুষ্ক। সেখানে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ খুব কম থাকায় শরীর থেকে বের হওয়া ঘাম সঙ্গে সঙ্গে বাষ্প হয়ে উড়ে যায়। এতে শরীর খুব দ্রুত ও কার্যকরভাবে নিজেকে ঠান্ডা করতে পারে। ফলে সেখানে ৪৫ ডিগ্রি তাপমাত্রাতেও মানুষ relativamente স্বস্তিতে থাকতে পারে।

    বিপরীতে, বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক ও উপকূলীয় দেশ হওয়ায় এর বাতাসে সব সময়ই প্রচুর জলীয় বাষ্প ভেসে বেড়ায়। অর্থাৎ, এখানকার বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা অনেক বেশি। বাতাস আগে থেকেই জলীয় বাষ্পে প্রায় পরিপূর্ণ থাকায় আমাদের ঘাম সহজে বাষ্প হতে পারে না। ফলে সেই ঘাম শরীরেই লেগে থাকে, যাเหนียว অস্বস্তির জন্ম দেয়। শরীরের প্রাকৃতিক ‘এসি’ ব্যবস্থাটি একরকম বিকল হয়ে পড়ে। একারণেই আমাদের দেশে ৩৫-৩৭ ডিগ্রি তাপমাত্রাই অসহনীয় এবং ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে।

    অনুভূত তাপমাত্রা: যা দেখায় থার্মোমিটার, যা টের পায় শরীর

    আর্দ্রতার এই প্রভাব এতটাই বেশি যে আবহাওয়াবিদরা এখন প্রকৃত তাপমাত্রার পাশাপাশি ‘অনুভূত তাপমাত্রা’ বা ‘হিট ইনডেক্স’ (Heat Index) নামে একটি পরিমাপ ব্যবহার করেন। এটিই বলে দেয় আমাদের শরীর আসলে কেমন গরম অনুভব করছে।

    আসুন, একটি তুলনামূলক চিত্র দেখা যাক:

    পরিবেশ প্রকৃত তাপমাত্রা (Tactual​) আপেক্ষিক আর্দ্রতা অনুভূত তাপমাত্রা (Feels like​)
    মরুভূমি ৪৫° সে. ১০% প্রায় ৪১° সে.
    বাংলাদেশ ৩৭° সে. ৮০% প্রায় ৫২° সে.

     

    টেবিলটি পরিষ্কারভাবে দেখাচ্ছে, বাংলাদেশে প্রকৃত তাপমাত্রা কম হলেও উচ্চ আর্দ্রতার কারণে অনুভূত তাপমাত্রা মরুভূমির চেয়েও অনেক বেশি।

    দিনে তীব্র দহন, রাতেও নেই স্বস্তি

    মরুভূমিতে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য অনেক বেশি। শুষ্ক বাতাস তাপ ধরে রাখতে পারে না বলে দিনের শেষে উত্তপ্ত পৃথিবী দ্রুত তাপ বিকিরণ করে ঠান্ডা হয়ে যায়। এতে রাতের বেলা শরীর বিশ্রাম ও পুনরুদ্ধারের সুযোগ পায়।

    কিন্তু বাংলাদেশের আর্দ্র বাতাস একটি অদৃশ্য চাদরের মতো কাজ করে। এটি দিনের তাপকে আটকে রাখে, রাতে সহজে বের হতে দেয় না। ফলে রাতের বেলাতেও ভ্যাপসা গরম থেকে মুক্তি মেলে না। এই লাগাতার তাপপ্রবাহ শরীরকে আরও বেশি ক্লান্ত ও দুর্বল করে ফেলে।

    এর সঙ্গে যোগ হয়েছে শহরগুলোর ‘হিট আইল্যান্ড’ প্রভাব। অতিরিক্ত কংক্রিটের কাঠামো, পিচঢালা রাস্তা আর সবুজের অভাব শহরগুলোকে একেকটি তপ্ত দ্বীপে পরিণত করেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে।

    সুতরাং, পরেরবার যখন গরমে অস্থির হবেন, তখন শুধু থার্মোমিটারের পারদকে দোষ না দিয়ে বাতাসে ভেসে বেড়ানো অদৃশ্য জলীয় বাষ্প বা আর্দ্রতার কথাই মনে করবেন, যা নীরবে আমাদের ভোগান্তি বাড়িয়ে চলেছে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  14. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    বাংলাদেশ যে টেকটোনিক প্লেটের উপর অবস্থিত তার নাম কি?

    Sumaiya Rahman
    Sumaiya Rahman নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    বাংলাদেশ ইন্ডো-অস্ট্রেলিয়ান টেকটোনিক প্লেটের উপর অবস্থিত। এছাড়াও এটি ইউরেশিয়ান প্লেট এবং বার্মা মাইক্রোপ্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত, যার কারণে ভূমিকম্পের প্রবণতা বেশি। দেশের পূর্বাঞ্চল বিশেষ করে প্লেটের সংঘর্ষ অঞ্চলের কাছাকাছি হওয়ার কারণে এই অঞ্চলে টেকটোনিক কার্যকলাপ বেশি পরিলক্ষিত হয়।

    বাংলাদেশ ইন্ডো-অস্ট্রেলিয়ান টেকটোনিক প্লেটের উপর অবস্থিত। এছাড়াও এটি ইউরেশিয়ান প্লেট এবং বার্মা মাইক্রোপ্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত, যার কারণে ভূমিকম্পের প্রবণতা বেশি। দেশের পূর্বাঞ্চল বিশেষ করে প্লেটের সংঘর্ষ অঞ্চলের কাছাকাছি হওয়ার কারণে এই অঞ্চলে টেকটোনিক কার্যকলাপ বেশি পরিলক্ষিত হয়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  15. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    ভাইরাস আগে না ব্যাকটেরিয়া আগে?

    allaboutsubha
    allaboutsubha শিক্ষক https://www.youtube.com/allaboutsubha/
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    এই প্রশ্নের উত্তরে, **ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া** সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানলে আরও ভালোভাবে উত্তর দেওয়া যাবে। বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে, ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া দুইটি আলাদা ধরনের জীবাণু এবং তারা পৃথিবীতে ভিন্ন সময়ে এসেছে। কিন্তু প্রশ্নটি ঠিক কীভাবে ভাবা উচিত, সেটা একটু বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা যাকবিস্তারিত পড়ুন

    এই প্রশ্নের উত্তরে, **ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া** সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানলে আরও ভালোভাবে উত্তর দেওয়া যাবে। বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে, ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া দুইটি আলাদা ধরনের জীবাণু এবং তারা পৃথিবীতে ভিন্ন সময়ে এসেছে। কিন্তু প্রশ্নটি ঠিক কীভাবে ভাবা উচিত, সেটা একটু বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা যাক।

    ### ১. **ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া: পার্থক্য**
    – **ব্যাকটেরিয়া** হলো এককোষী জীবাণু, যা সাধারণত **স্বতন্ত্রভাবে** বেঁচে থাকতে পারে। ব্যাকটেরিয়া নিজেদের **প্রজনন** (বিভাজন) করতে পারে এবং পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে বেঁচে থাকে।
    – **ভাইরাস** হলো এমন অণুজীব যা **অতিমাত্রায় সরল** এবং **আত্মনির্ভর নয়**। ভাইরাসকে জীবিত বলে মনে করা হয় না, কারণ এটি শুধু এক ধরনের কোষে প্রবেশ করে এবং সেই কোষের **মেকানিজম** ব্যবহার করে নিজের কপি তৈরি করে। ভাইরাসকে বেঁচে থাকার জন্য একটি জীবিত কোষের প্রয়োজন।

    ### ২. **ভাইরাসের উত্থান**
    বিজ্ঞানীরা এখনো নিশ্চিত নয় ভাইরাসের উত্থান কিভাবে হয়েছে। কিছু তত্ত্ব অনুযায়ী, ভাইরাস সম্ভবত জীবের **উন্নত** বা **অংশবিশেষ** থেকে উদ্ভূত হয়েছে, যেমন:
    – **মোবাইল জেনেটিক উপাদান**: ভাইরাসের কিছু বৈশিষ্ট্য এমন যে তারা কিছু জীবনযাত্রার উপাদান থেকে আসতে পারে, যেমন ব্যাকটেরিয়ার কোষ থেকে। এটা “অ্যাবান্ডনড জিন” বা “পরিত্যক্ত জেনেটিক উপাদান” থেকে এসেছে এমন ধারণা। এই অনুযায়ী, ভাইরাস আগে ছিল না, তবে খুব প্রাথমিক জীবাণুদের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক থাকতে পারে।

    ### ৩. **ব্যাকটেরিয়ার উত্থান**
    ব্যাকটেরিয়া পৃথিবীতে সম্ভবত অনেক আগেই ছিল। প্রাচীন পৃথিবীর পরিবেশে (প্রায় ৩.৫ থেকে ৪ বিলিয়ন বছর আগে) ব্যাকটেরিয়া **প্রথম জীবজগতের প্রতিনিধিত্ব** করত। এটি এককোষী জীব হিসেবে প্রথম বিকাশ লাভ করে, এবং পৃথিবীর প্রাথমিক পরিবেশে জীবন শুরু হয়।

    ### ৪. **যতটুকু জানা যায়, ব্যাকটেরিয়া আগে ছিল**
    অধিকাংশ বিজ্ঞানীদের ধারণা, **ব্যাকটেরিয়া আগে ছিল**। জীবনের সূচনার প্রথমে, এককোষী ব্যাকটেরিয়া প্রকৃতির সর্বাধিক প্রধান প্রাণী ছিল। কিছু গবেষণা অনুযায়ী, ভাইরাস সম্ভবত অনেক পরে উত্থান করে, যদিও তাদের সঠিক উৎস ও উদ্ভব নিয়ে অনেক ধোঁয়াশা রয়ে গেছে।

    ### ৫. **ইতিহাস ও বিবর্তন**
    বিবর্তনীয় তত্ত্ব অনুযায়ী, জীবের প্রাথমিক অবস্থায় ব্যাকটেরিয়া ছিল এবং পরবর্তীতে ভাইরাস উত্পন্ন হয়েছে, হয়তো ব্যাকটেরিয়ার কোন নির্দিষ্ট দিক থেকে। তবে ভাইরাসের উদ্ভব সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো থিওরি এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

    ### উপসংহার:
    **ব্যাকটেরিয়া** পৃথিবীতে সম্ভবত **আগে** ছিল এবং ব্যাকটেরিয়াই জীবনের প্রথম পদক্ষেপ নিয়েছিল। ভাইরাসের উত্থান অবশ্যই অনেক পরে হয়েছে এবং তার উৎপত্তি নিয়ে এখনো বৈজ্ঞানিক মহলে বিভিন্ন তত্ত্ব রয়েছে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  16. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    মহাকাশে পাঠানো বায়ো-স্পেস ক্যাপসুল এর কাজ কি?

    রিমা
    রিমা নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    মুলতঃ মহাশূন্যে মানুষ পাঠানোর জন্য বায়ো-স্পেস ক্যাপসুল বানিয়েছে ইরান।

    মুলতঃ মহাশূন্যে মানুষ পাঠানোর জন্য বায়ো-স্পেস ক্যাপসুল বানিয়েছে ইরান।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  17. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    পৃথিবীর সব কিছু সৃষ্টির মূল উপাদান কোনটি?

    রিমা
    রিমা নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে
    উত্তরটি এডিট করা হয়েছে।

    পৃথিবীর সকল কিছু সৃষ্টির মূল উপাদান পানি। এই মৌলিক উপাদান পৃথিবীর সকল জীবদেহের মধ্যে বিদ্যমান। এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ বলেন, وَجَعَلْنَا مِنَ الْمَاءِ كُلَّ شَيْءٍ حَيٍّ 'আর প্রাণবান সমস্ত কিছু সৃষ্টি করলাম পানি হতে (আম্বিয়া ২১/৩০)।

    পৃথিবীর সকল কিছু সৃষ্টির মূল উপাদান পানি। এই মৌলিক উপাদান পৃথিবীর সকল জীবদেহের মধ্যে বিদ্যমান। এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ বলেন, وَجَعَلْنَا مِنَ الْمَاءِ كُلَّ شَيْءٍ حَيٍّ ‘আর প্রাণবান সমস্ত কিছু সৃষ্টি করলাম পানি হতে (আম্বিয়া ২১/৩০)।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  18. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    সংকুচিত হয়ে আসছে চাঁদ, আর চাদঁ সংকুচিত হওায়ার কারনে বাড়ছে ভূমিকম্প! এটা কি সত্যি?

    nova
    nova নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    হ্যা কথাটা সত্য। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসার অর্থায়নে নতুন একটি গবেষণায় জানা গেছে, চাঁদের কেন্দ্র শীতল এবং সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে। এর কারণে চন্দ্রপৃষ্ঠে আরও বেশি ভাঁজের সৃষ্টি হচ্ছে। এতে চাঁদে ভূকম্পন ও ভূমিধস বেড়ে গেছে।

    হ্যা কথাটা সত্য। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসার অর্থায়নে নতুন একটি গবেষণায় জানা গেছে, চাঁদের কেন্দ্র শীতল এবং সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে। এর কারণে চন্দ্রপৃষ্ঠে আরও বেশি ভাঁজের সৃষ্টি হচ্ছে। এতে চাঁদে ভূকম্পন ও ভূমিধস বেড়ে গেছে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  19. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    আমাদের সৌরজগৎ কিভাবে মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি পরিভ্রমণ করে?

    ashad khandaker
    সেরা উত্তর
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    আমাদের গ্যালাকটিক হোম হল মিল্কিওয়ে বা আকাশগঙ্গা, যার মধ্যে অবস্থান করছে সূর্য এবং পুরো সৌরজগৎ পরিবার। মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির বয়স প্রায় ১৩.৬ বিলিয়ন বছর। আর মহাবিশ্বের বয়স প্রায় ১৪ বিলিয়ন বছর। তাই মহাবিশ্বের বয়স যখন খুব অল্প ছিল, তখনই মিল্কিওয়ের উদ্ভব হয়। মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির আচরণ অনেকটা ‘বিস্তারিত পড়ুন

    আমাদের গ্যালাকটিক হোম হল মিল্কিওয়ে বা আকাশগঙ্গা, যার মধ্যে অবস্থান করছে সূর্য এবং পুরো সৌরজগৎ পরিবার। মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির বয়স প্রায় ১৩.৬ বিলিয়ন বছর। আর মহাবিশ্বের বয়স প্রায় ১৪ বিলিয়ন বছর। তাই মহাবিশ্বের বয়স যখন খুব অল্প ছিল, তখনই মিল্কিওয়ের উদ্ভব হয়। মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির আচরণ অনেকটা ‘রাক্ষসের’ মত বলে মনে করেন অনেক বিজ্ঞানী। কেননা মিল্কিওয়ে গঠনের সময় এটি অনেক ছোট ছোট গ্যালাক্সি গ্রাস করে ফেলেছিল। এভাবে মিল্কিওয়ে বিস্তৃত হয়ে আজকের আকারে এসেছে। ১০০-৪০০ বিলিয়ন নক্ষত্রের মিল্কিওয়ে সৃষ্টির ইতিহাস কেমন? কী কী বৈশিষ্ট্য রয়েছে এই গ্যালাক্সির? চলুন জেনে নেই আমাদের সৌরজগতের আশ্রয়স্থল এই মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি সম্পর্কে।

    শিল্পীর তুলিতে চিত্রিত মিল্কিওয়ে।

    লাইব্রেরি অফ কংগ্রেসের মতে, অ্যারিস্টটলের সময়ে ধারণা করা হত “Milkyway is such a spot where the celestial spheres came into contact with the terrestrial spheres.” অর্থাৎ ‘মিল্কিওয়ে এমন একটি জায়গা যেখানে মহাজাগতিক বস্তুরা পার্থিব বস্তুর সংস্পর্শে এসে মিলিত হয়।’ কিন্তু মিল্কিওয়ে বা আকাশগঙ্গার আসল পরিচয় উদঘাটন করতে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের ২০ শতক পর্যন্ত সময় লেগে যায় এবং তারা খুঁজে পান আকাশের অসংখ্য গ্যালাক্সির মধ্যে আকাশগঙ্গাও একটি! মহাবিশ্বের একদম শুরুর দিকে কোনো গ্যালাক্সি বা নক্ষত্র ছিল না। বিগ ব্যাঙের পর মহাবিশ্ব ছিল অত্যন্ত উত্তপ্ত – তখন ছিল না কোনো পদার্থের অস্তিত্ব। ধীরে ধীরে মহাবিশ্ব শীতল হতে থাকে ও চারদিকে গ্যাস বিস্তৃত হতে থাকে। এর মধ্যে কিছু কিছু জায়গায় গ্যাস বেশি পরিমাণে সমবেত হতে থাকে এবং গ্যাসের গোলা তৈরি করতে থাকে। এক পর্যায়ে নক্ষত্রের উদ্ভব হয় ও নক্ষত্রগুলো একে অপরকে মহাকর্ষীয় বলে আকর্ষণ করে প্রকাণ্ড গুচ্ছের মত গঠন করে। এভাবে সৃষ্টি হয় একেকটি গ্যালাক্সি। শুরুর দিকের এমন নক্ষত্রের গুচ্ছকে বলা হয় Globular cluster (বর্তুলাকার স্তবক বা গ্লোবুলার স্তবক)। ধারণা করা হয়, মিল্কিওয়ের কিছু কিছু ক্লাস্টার একদম প্রাথমিক মহাবিশ্বে গঠিত হয়েছিল। অনেকগুলো ক্লাস্টার গ্যালাক্সির কোর গঠন করার পরেই মিল্কিওয়ে গঠিত হয়েছিল। এগুলোর দ্রুত ঘূর্ণনগতির ফলে মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি একটি চ্যাপ্টা ডিস্কের মত আকৃতি ধারণ করে। অর্থাৎ সময়ের সাথে সাথে দুটি কাঠামোর উদ্ভব হয় – প্রথমত গোলাকার ‘হ্যালো’ ও পরবর্তীতে ঘন, উজ্জ্বল ডিস্ক। আমাদের সৌরজগতের অবস্থান এই ডিস্কের ভেতর। রাতের আকাশে মিল্কিওয়ের প্রান্তে যে দুধের মত সাদা ব্যান্ডটি দেখা যায় তা আসলে অসংখ্য অগণিত তারার সমষ্টি। আমাদের এই গ্যালাক্সিকে রোমানরা ‘Via Lactea’ বলতো যার অর্থ ‘The road of milk’। এমনকি দুধের গ্রীক পারিভাষিক শব্দ থেকে গ্যালাক্সি শব্দের উদ্ভব। যদিও এর পেছনে কোনো জোরালো প্রমাণ নেই যে ঠিক এই কারণেই মিল্কিওয়ের এমন নামকরণ করা হয়েছিল।

    মিল্কিওয়ের সবচেয়ে পুরোনো নক্ষত্রগুলির অবস্থান হল গ্যালাকটিক হ্যালোর ভেতরে এবং তুলনামূলক নতুন নক্ষত্রগুলোর অবস্থান ডিস্কের মধ্যে। এটি প্রমাণ করে যে মিল্কিওয়ে যখন ভর অর্জন করতে থাকে তখন নক্ষত্রগুলোর এই দুই ধরণের অবস্থানের কারণে পারস্পারিক কক্ষপথের সৃষ্টি হয় এবং গ্যালাক্সির ঘূর্ণনের ওপর তা প্রভাব ফেলে। ফলে মিল্কিওয়ে একটি সর্পিল আকৃতি লাভ করে। এজন্য মিল্কিওয়েকে ‘Barred Spiral Galaxy’ বলা হয়। মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির ৪টি মুখ্য স্পাইরাল বাহু রয়েছে – নরমা এবং সিগন্যাস, সাজিটারিয়াস, স্কিউটাম-ক্রাক্স, পারসিয়াস। স্পাইরাল বাহু এটি গ্যালাক্সির নতুন নক্ষত্র উৎপাদনের প্রধান জায়গা। স্পাইরাল বাহু নতুন, নীলাভ, উজ্জ্বল নক্ষত্র ও নেবুলা দ্বারা সজ্জিত থাকায় স্পষ্টত দৃশ্যমান। এই গ্যালাক্সিতে বছরে ৭টার বেশি নক্ষত্রের জন্ম হয়। এর কেন্দ্রে একটি সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাকহোল Sagittarius A* বিদ্যমান।

    মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির ব্যাস প্রায় ১০০০০০ আলোকবর্ষ এবং সূর্য এর কেন্দ্র থেকে প্রায় ২৬০০০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত। সূর্য তার পরিবারসহ গ্যালাক্সির দুটো মুখ্য স্পাইরাল বাহু পারসিয়াস ও সাজিটারিয়াস বাহুর মধ্যবর্তী গৌণ অরিয়ন-সিগন্যাস বাহুর ভেতরের প্রান্তে অবস্থিত। সূর্যের প্রায় ২২৫-২৫০ মিলিয়ন বছর লাগে গ্যালাক্সির চারদিকে একবার ঘুরে আসতে। ধারণা করা হয়, প্রোটোস্টার (খুব অল্প বয়সী তারকা) অবস্থা থেকে অর্থাৎ সূর্যের জন্মলগ্ন থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র ২০ বার এই গ্যালাক্সি ভ্রমণ করেছে। তাই কসমিক ইয়ার অনুযায়ী সূর্যের বয়স মাত্র ২০ বছর!

     

    জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের গবেষণায় দেখা গিয়েছে মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি বহু বছর পূর্বে একটি বড়সড় সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছিল, যার ফলে এতে অনেক পরিবর্তন সাধিত হয়। এটি ‘Gaia Sausage’ নামে পরিচিত। গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ৮-১০ বিলিয়ন বছর আগে মিল্কিওয়ের সাথে একটি বামন গ্যালাক্সির সংঘর্ষ হয় এবং বামন গ্যালাক্সিটি এই সংঘর্ষে টিকে থাকতে পারে নি। ফলে এর ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে পড়ে পুরো মিল্কিওয়ের মধ্যে। সসেজ আকৃতির হওয়ায় এটিকে বলা হয় ‘Sausage’ গ্যালাক্সি যার সর্বমোট ভর ছিল সূর্যের ভরের ১০ বিলিয়ন গুণেরও বেশি। বিজ্ঞানীদের সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা যায় অন্তত ৮টি বৃহদাকার ক্লাস্টার মিল্কিওয়েতে এসেছে Sausage গ্যালাক্সি থেকে। মনে করা হয়, Sausage গ্যালাক্সি থেকে যেসব অবজেক্ট মিল্কিওয়েতে এসেছে সেগুলো মিল্কিওয়ের ভর ১০% বাড়িয়ে দিয়েছে। এই সংঘর্ষের ফলে মিল্কিওয়ের ডিস্কের ব্যাপক পরিবর্তন হয়। এর ফলে গ্যালাকটিক ডিস্কটির দুটি অংশ সৃষ্টি হয়। একটি পাতলা ডিস্ক ও আরেকটি পুরু ডিস্ক। পুরু ডিস্কের নক্ষত্রগুলো গ্যালাকটিক সমতলের সাপেক্ষে পাতলা ডিস্কের নক্ষত্রগুলোর চেয়ে  গড়ে ২০ কিলোমিটার/সেকেন্ড বেশি গতিসম্পন্ন। প্রায় ১০ বিলিয়ন বছরের পুরনো নক্ষত্রগুলোর অবস্থান পুরু ডিস্কে, অন্যদিকে তুলনামূলক কম বয়সী নক্ষত্রগুলোর অবস্থান পাতলা ডিস্কে।

    European Space Agency-র একটি স্পেস অবজারভেটরি হল ‘Gaia satellite’ যা মিল্কিওয়ের নক্ষত্রগুলোর ম্যাপিং ও খুঁটিনাটি বৈশিষ্ট্য নির্ণয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

    মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির সাধারণ বৈশিষ্ট্য ও এর আদি অবস্থা সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা অনেক তথ্যই দিয়েছেন। তবে মিল্কিওয়ের অনেক অজানা ঘটনা ও ১৩.৬ বিলিয়ন বছর আগে ঠিক কীভাবে শুরু হয়েছিল মিল্কিওয়ের যাত্রা সেসব রহস্য উদ্ধার করা একটি চ্যালেঞ্জের বিষয়। এখন পর্যন্ত সেই ‘কসমিক ডার্ক এইজ’- যখন মহাবিশ্বে কোনো স্টার বা গ্যালাক্সি ছিল না, তা পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয়নি। অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতির সাহায্যে ও বিজ্ঞানের আরও অগ্রযাত্রার সাথে সাথে আমরা হয়ত ভবিষ্যতে মিল্কিওয়ের একদম শুরুর দিকের অবস্থা জানতে পারব!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  20. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    মানুষ কেন বর্ণান্ধ হয় ?

    jahanur
    jahanur পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    আমাদের চোখের রেটিনায় রয়েছে প্রায় ৪০ লাখ কোণ কোষ (Cone Cell)। তবে এ ক্ষেত্রে মানুষের চেয়ে ডলফিনকেই ভাগ্যবান বলা যায়। কারণ গভীর সমুদ্রের অন্ধকারে দেখার সুবিধার জন্য ডলফিনের রেটিনায় মানুষের চেয়ে ৭ হাজার গুণ বেশি রড কোষ থাকে। যাহোক, চোখের এই কোণ কোষের কারণেই আমরা বিভিন্ন বর্ণ বা রঙ আলাদা করে দেখতে পারি।বিস্তারিত পড়ুন

    আমাদের চোখের রেটিনায় রয়েছে প্রায় ৪০ লাখ কোণ কোষ (Cone Cell)। তবে এ ক্ষেত্রে মানুষের চেয়ে ডলফিনকেই ভাগ্যবান বলা যায়। কারণ গভীর সমুদ্রের অন্ধকারে দেখার সুবিধার জন্য ডলফিনের রেটিনায় মানুষের চেয়ে ৭ হাজার গুণ বেশি রড কোষ থাকে। যাহোক, চোখের এই কোণ কোষের কারণেই আমরা বিভিন্ন বর্ণ বা রঙ আলাদা করে দেখতে পারি। কারণ, এ কোণ কোষের মধ্যে বিশেষ ধরনের এক রঞ্জক পদার্থ থাকে। কোনো কারণে চোখের কোণ কোষের পরিমাণ কম হলে স্বাভাবিকভাবেই বিশেষ ধরনের ওই রঞ্জক পদার্থও প্রয়োজনের তুলনায় কমে যায়। ফলে অনেকেই আংশিক বা পুরোপুরি বর্ণান্ধ হয়ে যায়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
Load More Answers

Sidebar

লগ ইন করুন
  • জনপ্রিয়
  • উত্তর
  • Mithun

    নির্মাণকাজে মরুভূমির বালু কেন ব্যবহার করা হয়না?

    • 12 টি উত্তর
  • Hina Khan

    Is Telegram MOD APK safe to use? What are the ...

    • 9 টি উত্তর
  • shanto

    ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইন আবেদন, লাইসেন্সের অনলাইন কপি ডাউনলোড, লাইসেন্স হয়েছে ...

    • 8 টি উত্তর
  • Admin

    নতুন ক্যাটাগরি "SEO" যুক্ত হলো আড্ডাবাজে!

    • 7 টি উত্তর
  • Mahmudul

    একটি ঘোর লাগানো ছবি দেখাতে পারবেন কি?

    • 6 টি উত্তর
  • mar7w7
    mar7w7 একটি উত্তর দিয়েছেন great post! জুন 15, 2026, সময়ঃ 2:56 পূর্বাহ্ন
  • M Sarah
    M Sarah একটি উত্তর দিয়েছেন তাফসীরুল কুরআনিল আযীম বা তাফসীরে ইবনে কাসীর ইসলামী বিশ্বের অন্যতম… জুন 10, 2026, সময়ঃ 9:18 পূর্বাহ্ন
  • rakib
    rakib একটি উত্তর দিয়েছেন ২০২৬ সালে বাংলাদেশে বিয়ের গহনার দাম নির্ভর করে সোনার ক্যারেট,… মে 3, 2026, সময়ঃ 10:32 পূর্বাহ্ন
  • Jesmin
    Jesmin একটি উত্তর দিয়েছেন HSC ২০২৬ পরীক্ষা শুরু হতে মাত্র কয়েক সপ্তাহ বাকি। ২… এপ্রিল 27, 2026, সময়ঃ 2:01 অপরাহ্ন
  • Sinclair
    Sinclair একটি উত্তর দিয়েছেন When shopping for best sex dolls, most buyers tend to… এপ্রিল 17, 2026, সময়ঃ 3:10 পূর্বাহ্ন

জনপ্রিয় গ্রুপ

  • মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    • 4 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 106 বার প্রদর্শিত
  • Knowledge World

    Knowledge World

    • 3 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 118 বার প্রদর্শিত
  • CT Game Review

    CT Game Review

    • 3 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 1,114 বার প্রদর্শিত
  • Earn Money

    • 3 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 156 বার প্রদর্শিত
  • Crazy Time Fun

    Crazy Time Fun

    • 2 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 79 বার প্রদর্শিত

চলতি মাসের সেরা ইউজার

M Sarah

M Sarah

  • 0 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
pooja ramola

pooja ramola

  • 1 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
wwwqrb.transfer702.pages.dev - WITHDRAW FUNDS 1.2809 BTC d

wwwqrb.transfer702.pages.dev - WITHDRAW FUNDS 1.2809 BTC d

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
wwwgsb.transfer702.pages.dev - BTC TRANSFER 94858 USDT m

wwwgsb.transfer702.pages.dev - BTC TRANSFER 94858 USDT m

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
wwwisr.transfer702.pages.dev - YOUR BALANCE 90353 USDC p

wwwisr.transfer702.pages.dev - YOUR BALANCE 90353 USDC p

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
লগ ইন করুন

Explore

  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

Footer

AddaBuzz.net

আড্ডাবাজ একটি সামাজিক প্রশ্নোত্তর ইঞ্জিন। যেখানে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে একে অপরের জ্ঞান আদান-প্রদান হয়। প্রশ্ন করুন, উত্তর দিন, জ্ঞান ভাগাভাগি করুন।

Adv 234x60

aalan

আমাদের সম্পর্কিত

  • আমাদের টিম
  • আমাদের লক্ষ্য

লিগ্যাল স্টাফ

  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions
  • Data Deletion Instructions

সাহায্য

  • Knowledge Base
  • Contact us

আমাদের ফলো করুন

© 2026 AddaBuzz. All Rights Reserved
With Love by AddaBuzz.net

✕
🔔 নোটিফিকেশন চালু করুন নতুন প্রশ্নোত্তর ও ব্লগ আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন