আমাদের চোখের রেটিনায় রয়েছে প্রায় ৪০ লাখ কোণ কোষ (Cone Cell)। তবে এ ক্ষেত্রে মানুষের চেয়ে ডলফিনকেই ভাগ্যবান বলা যায়। কারণ গভীর সমুদ্রের অন্ধকারে দেখার সুবিধার জন্য ডলফিনের রেটিনায় মানুষের চেয়ে ৭ হাজার গুণ বেশি রড কোষ থাকে। যাহোক, চোখের এই কোণ কোষের কারণেই আমরা বিভিন্ন বর্ণ বা রঙ আলাদা করে দেখতে পারি।বিস্তারিত পড়ুন
আমাদের চোখের রেটিনায় রয়েছে প্রায় ৪০ লাখ কোণ কোষ (Cone Cell)। তবে এ ক্ষেত্রে মানুষের চেয়ে ডলফিনকেই ভাগ্যবান বলা যায়। কারণ গভীর সমুদ্রের অন্ধকারে দেখার সুবিধার জন্য ডলফিনের রেটিনায় মানুষের চেয়ে ৭ হাজার গুণ বেশি রড কোষ থাকে। যাহোক, চোখের এই কোণ কোষের কারণেই আমরা বিভিন্ন বর্ণ বা রঙ আলাদা করে দেখতে পারি। কারণ, এ কোণ কোষের মধ্যে বিশেষ ধরনের এক রঞ্জক পদার্থ থাকে। কোনো কারণে চোখের কোণ কোষের পরিমাণ কম হলে স্বাভাবিকভাবেই বিশেষ ধরনের ওই রঞ্জক পদার্থও প্রয়োজনের তুলনায় কমে যায়। ফলে অনেকেই আংশিক বা পুরোপুরি বর্ণান্ধ হয়ে যায়।
সংক্ষেপে দেখুন
যেকোনো বস্তু সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পেতে দুটি চোখের প্রয়োজন। এর ফলে সেই বস্তুটির প্রকৃত অবস্থান, ত্রিমাত্রিক ধারণা, গভীরতাসহ আরও নানাকিছু বুঝতে পারা যায়। কোনো বস্তুর দিকে সামান্য দূরত্ব রেখে এক চোখ দিয়ে তাকালে সেই বস্তুটি সম্পর্কে সঠিক ধারণা পাওয়া যায় না।
যেকোনো বস্তু সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পেতে দুটি চোখের প্রয়োজন। এর ফলে সেই বস্তুটির প্রকৃত অবস্থান, ত্রিমাত্রিক ধারণা, গভীরতাসহ আরও নানাকিছু বুঝতে পারা যায়। কোনো বস্তুর দিকে সামান্য দূরত্ব রেখে এক চোখ দিয়ে তাকালে সেই বস্তুটি সম্পর্কে সঠিক ধারণা পাওয়া যায় না।
সংক্ষেপে দেখুন