সাইন আপ করুন সাইন আপ করুন

সাইন আপ করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে


আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

লগ ইন করুন লগ ইন করুন

লগিন করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

কোন একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন

রিসেট পাসওয়ার্ড

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।

আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে।

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?

সাইন ইনসাইন আপ

AddaBuzz.net

AddaBuzz.net Logo AddaBuzz.net Logo

AddaBuzz.net Navigation

  • হোমপেজ
  • ব্লগ
  • ইউজার
  • যোগাযোগ
সার্চ করুন
একটি প্রশ্ন করুন

Mobile menu

Close
একটি প্রশ্ন করুন
  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

allaboutsubha

শিক্ষকhttps://www.youtube.com/allaboutsubha/
প্রশ্ন করুন allaboutsubha
541 বার প্রদর্শিত
4 ফলোয়ার
195 প্রশ্ন
হোমপেজ/ allaboutsubha/ফলোয়ারদের উত্তর
অ্যাপ ইন্সটল করুন
  • সম্পর্কিত
  • প্রশ্ন
  • উত্তর
  • অনুরোধের প্রশ্ন
  • সেরা উত্তর
  • পছন্দ তালিকা
  • ফলোকৃত প্রশ্ন
  • ফলোয়ার
  • ফলো করছেন
  • জরিপ
  • ব্লগ
  • ব্লগ মন্তব্য
  • ফলোকৃতদের প্রশ্ন
  • ফলোকৃতদের উত্তর
  • ফলোয়ারদের ব্লগ
  • ফলোকৃত/ফলোয়ারদের ব্লগ মন্তব্য
  1. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    সুরা মুলক বাংলা উচ্চারণ ও অর্থসহ ছবি, আরবি থেকে বাংলা লেখা

    rana
    rana পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    সূরা মূলক (Surah Al-Mulk) কুরআন শরীফের ৬৭ তম সূরা। আয়াত সংখ্যা ৩০। আসুন জেনে নেই সূরা মূলকের বাংলা অনুবাদ - উচ্চারণ - অর্থ এবং ফযিলত সম্পর্কে। উচ্চারণ ও অর্থঃ 1 تَبَٰرَكَ ٱلَّذِى بِيَدِهِ ٱلْمُلْكُ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ তাবা-রাকাল্লাযী বিয়াদিহিল মুলকু ওয়া হুওয়া ‘আলা- কুল্লি শাইয়িন কাদীরবিস্তারিত পড়ুন

    সূরা মূলক (Surah Al-Mulk) কুরআন শরীফের ৬৭ তম সূরা। আয়াত সংখ্যা ৩০। আসুন জেনে নেই সূরা মূলকের বাংলা অনুবাদ – উচ্চারণ – অর্থ এবং ফযিলত সম্পর্কে।

    উচ্চারণ ও অর্থঃ

    1 تَبَٰرَكَ ٱلَّذِى بِيَدِهِ ٱلْمُلْكُ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ তাবা-রাকাল্লাযী বিয়াদিহিল মুলকু ওয়া হুওয়া ‘আলা- কুল্লি শাইয়িন কাদীর।
    পূণ্যময় তিনি, যাঁর হাতে রাজত্ব। তিনি সবকিছুর উপর সর্বশক্তিমান। Blessed be He in Whose hands is Dominion; and He over all things hath Power;-
    2 ٱلَّذِى خَلَقَ ٱلْمَوْتَ وَٱلْحَيَوٰةَ لِيَبْلُوَكُمْ أَيُّكُمْ أَحْسَنُ عَمَلًا وَهُوَ ٱلْعَزِيزُ ٱلْغَفُورُ আল্লাযী খালাকাল মাওতা ওয়াল হায়া-তা লিইয়াবলুওয়াকুম আইয়ুকুম আহছানু‘আমালাওঁ ওয়া হুওয়াল ‘আঝীঝুল গাফূর।
    যিনি সৃষ্টি করেছেন মরণ ও জীবন, যাতে তোমাদেরকে পরীক্ষা করেন-কে তোমাদের মধ্যে কর্মে শ্রেষ্ঠ? তিনি পরাক্রমশালী, ক্ষমাময়। He Who created Death and Life, that He may try which of you is best in deed: and He is the Exalted in Might, Oft-Forgiving;-
    3 ٱلَّذِى خَلَقَ سَبْعَ سَمَٰوَٰتٍ طِبَاقًا مَّا تَرَىٰ فِى خَلْقِ ٱلرَّحْمَٰنِ مِن تَفَٰوُتٍ فَٱرْجِعِ ٱلْبَصَرَ هَلْ تَرَىٰ مِن فُطُورٍ আল্লাযী খালাকা ছাব‘আ ছামা-ওয়া-তিন তিবা-কান মা- তারা- ফী খালকির রাহমা-নি মিন তাফা-উত ফারজি‘ইল বাসারা হাল তারা- মিন ফুতূর।
    তিনি সপ্ত আকাশ স্তরে স্তরে সৃষ্টি করেছেন। তুমি করুণাময় আল্লাহ তা’আলার সৃষ্টিতে কোন তফাত দেখতে পাবে না। আবার দৃষ্টিফেরাও; কোন ফাটল দেখতে পাও কি? He Who created the seven heavens one above another: No want of proportion wilt thou see in the Creation of (Allah) Most Gracious. So turn thy vision again: seest thou any flaw?
    4 ثُمَّ ٱرْجِعِ ٱلْبَصَرَ كَرَّتَيْنِ يَنقَلِبْ إِلَيْكَ ٱلْبَصَرُ خَاسِئًا وَهُوَ حَسِيرٌ ছু ম্মার জি‘ইলবাসারা কাররাতাইনি ইয়ানকালিব ইলাইকাল বাসারু খা-ছিআওঁ ওয়া হুওয়া হাছীর।
    অতঃপর তুমি বার বার তাকিয়ে দেখ-তোমার দৃষ্টি ব্যর্থ ও পরিশ্রান্ত হয়ে তোমার দিকে ফিরে আসবে। Again turn thy vision a second time: (thy) vision will come back to thee dull and discomfited, in a state worn out.
    5 وَلَقَدْ زَيَّنَّا ٱلسَّمَآءَ ٱلدُّنْيَا بِمَصَٰبِيحَ وَجَعَلْنَٰهَا رُجُومًا لِّلشَّيَٰطِينِ وَأَعْتَدْنَا لَهُمْ عَذَابَ ٱلسَّعِيرِ ওয়া লাকাদ ঝাইয়ান্নাছ ছামাআদ্দুনইয়া- বিমাসা-বীহা ওয়াজা‘আলনা- হা- রুজূমাল লিশশায়া-তীনি ওয়া আ‘তাদনা- লাহুম ‘আযা- বাছছা‘ঈর।
    আমি সর্বনিম্ন আকাশকে প্রদীপমালা দ্বারা সুসজ্জত করেছি; সেগুলোকে শয়তানদের জন্যে ক্ষেপণাস্ত্রবৎ করেছি এবং প্রস্তুত করে রেখেছি তাদের জন্যে জলন্ত অগ্নির শাস্তি। And we have, (from of old), adorned the lowest heaven with Lamps, and We have made such (Lamps) (as) missiles to drive away the Evil Ones, and have prepared for them the Penalty of the Blazing Fire.
    6 وَلِلَّذِينَ كَفَرُوا۟ بِرَبِّهِمْ عَذَابُ جَهَنَّمَ وَبِئْسَ ٱلْمَصِيرُ ওয়া লিল্লাযীনা কাফারূবিরাব্বিহিম ‘আযা- বুজাহান্নামা ওয়াবি’ছাল মাসীর।
    যারা তাদের পালনকর্তাকে অস্বীকার করেছে তাদের জন্যে রয়েছে জাহান্নামের শাস্তি। সেটা কতই না নিকৃষ্ট স্থান। For those who reject their Lord (and Cherisher) is the Penalty of Hell: and evil is (such), Destination.
    7 إِذَآ أُلْقُوا۟ فِيهَا سَمِعُوا۟ لَهَا شَهِيقًا وَهِىَ تَفُورُ ইযাউলকূফীহা- ছামি‘উ লাহা- শাহীকাওঁ ওয়াহিয়া তাফূর।
    যখন তারা তথায় নিক্ষিপ্ত হবে, তখন তার উৎক্ষিপ্ত গর্জন শুনতে পাবে। When they are cast therein, they will hear the (terrible) drawing in of its breath even as it blazes forth,
    8 تَكَادُ تَمَيَّزُ مِنَ ٱلْغَيْظِ كُلَّمَآ أُلْقِىَ فِيهَا فَوْجٌ سَأَلَهُمْ خَزَنَتُهَآ أَلَمْ يَأْتِكُمْ نَذِيرٌ তাকা- দুতামাইয়াঝুমিনাল গাইজি কুল্লামাউলকিয়া ফীহা- ফাওজুন ছাআলাহুম খাঝানাতুহাআলাম ইয়া’তিকুম নাযীর।g
    ক্রোধে জাহান্নাম যেন ফেটে পড়বে। যখনই তাতে কোন সম্প্রদায় নিক্ষিপ্ত হবে তখন তাদেরকে তার সিপাহীরা জিজ্ঞাসা করবে। তোমাদের কাছে কি কোন সতর্ককারী আগমন করেনি? Almost bursting with fury: Every time a Group is cast therein, its Keepers will ask, “Did no Warner come to you?”
    9 قَالُوا۟ بَلَىٰ قَدْ جَآءَنَا نَذِيرٌ فَكَذَّبْنَا وَقُلْنَا مَا نَزَّلَ ٱللَّهُ مِن شَىْءٍ إِنْ أَنتُمْ إِلَّا فِى ضَلَٰلٍ كَبِيرٍ কা- লূবালা- কাদ জাআনা- নাযীরুন ফাকাযযাবনা- ওয়া কুলনা- মানাঝঝালাল্লা- হু মিন শাইয়িন ইন আনতুম ইল্লা- ফী দালা- লিন কাবীর।
    তারা বলবেঃ হ্যাঁ আমাদের কাছে সতর্ককারী আগমন করেছিল, অতঃপর আমরা মিথ্যারোপ করেছিলাম এবং বলেছিলামঃ আল্লাহ তা’আলা কোন কিছু নাজিল করেননি। তোমরা মহাবিভ্রান্তিতে পড়ে রয়েছ। They will say: “Yes indeed; a Warner did come to us, but we rejected him and said, ‘Allah never sent down any (Message): ye are nothing but an egregious delusion!'”
    10 وَقَالُوا۟ لَوْ كُنَّا نَسْمَعُ أَوْ نَعْقِلُ مَا كُنَّا فِىٓ أَصْحَٰبِ ٱلسَّعِيرِ ওয়া কা-লূলাও কুন্না- নাছমা‘উ আও না‘কিলুমা- কুন্না-ফীআসহা-বিছছা‘ঈর।
    তারা আরও বলবেঃ যদি আমরা শুনতাম অথবা বুদ্ধি খাটাতাম, তবে আমরা জাহান্নামবাসীদের মধ্যে থাকতাম না। They will further say: “Had we but listened or used our intelligence, we should not (now) be among the Companions of the Blazing Fire!”
    11 فَٱعْتَرَفُوا۟ بِذَنۢبِهِمْ فَسُحْقًا لِّأَصْحَٰبِ ٱلسَّعِيرِ ফা‘তারাফূবিযামবিহিম ফাছুহক্বললিআসহা-বিছ ছা‘ঈর।
    অতঃপর তারা তাদের অপরাধ স্বীকার করবে। জাহান্নামীরা দূর হোক। They will then confess their sins: but far will be (Forgiveness) from the Companions of the Blazing Fire!
    12 إِنَّ ٱلَّذِينَ يَخْشَوْنَ رَبَّهُم بِٱلْغَيْبِ لَهُم مَّغْفِرَةٌ وَأَجْرٌ كَبِيرٌ ইন্নাল্লাযীনা ইয়াখশাওনা রাব্বাহুম বিলগাইবি লাহুম মাগফিরাতুওঁ ওয়া আজরুন কাবীর।
    নিশ্চয় যারা তাদের পালনকর্তাকে না দেখে ভয় করে, তাদের জন্যে রয়েছে ক্ষমা ও মহাপুরস্কার। As for those who fear their Lord unseen, for them is Forgiveness and a great Reward. As for those who fear their Lord unseen, for them is Forgiveness and a great Reward.
    13 وَأَسِرُّوا۟ قَوْلَكُمْ أَوِ ٱجْهَرُوا۟ بِهِۦٓ إِنَّهُۥ عَلِيمٌۢ بِذَاتِ ٱلصُّدُورِ ওয়া আছিররূকাওলাকুম আবিজহারূবিহী ইন্নাহূ‘আলীমুম বিযা- তিসসুদূ র।
    তোমরা তোমাদের কথা গোপনে বল অথবা প্রকাশ্যে বল, তিনি তো অন্তরের বিষয়াদি সম্পর্কে সম্যক অবগত। And whether ye hide your word or publish it, He certainly has (full) knowledge, of the secrets of (all) hearts.
    14 أَلَا يَعْلَمُ مَنْ خَلَقَ وَهُوَ ٱللَّطِيفُ ٱلْخَبِيرُ আলা- ইয়া‘লামুমান খালাকা ওয়া হুওয়াল্লাতীফুল খাবীর।
    যিনি সৃষ্টি করেছেন, তিনি কি করে জানবেন না? তিনি সূক্ষ্নজ্ঞানী, সম্যক জ্ঞাত। Should He not know,- He that created? and He is the One that understands the finest mysteries (and) is well-acquainted (with them).
    15 هُوَ ٱلَّذِى جَعَلَ لَكُمُ ٱلْأَرْضَ ذَلُولًا فَٱمْشُوا۟ فِى مَنَاكِبِهَا وَكُلُوا۟ مِن رِّزْقِهِۦ وَإِلَيْهِ ٱلنُّشُورُ হুওয়াল্লাযী জা‘আলা লাকুমুল আরদা যালূলান ফামশূফী মানা-কিবিহা- ওয়া কুলূমির রিঝকিহী ওয়া ইলাইহিন নুশূর।
    তিনি তোমাদের জন্যে পৃথিবীকে সুগম করেছেন, অতএব, তোমরা তার কাঁধে বিচরণ কর এবং তাঁর দেয়া রিযিক আহার কর। তাঁরই কাছে পুনরুজ্জীবন হবে। It is He Who has made the earth manageable for you, so traverse ye through its tracts and enjoy of the Sustenance which He furnishes: but unto Him is the Resurrection.
    16 ءَأَمِنتُم مَّن فِى ٱلسَّمَآءِ أَن يَخْسِفَ بِكُمُ ٱلْأَرْضَ فَإِذَا هِىَ تَمُورُ আ আমিনতুম মান ফিছছামাই আইঁ ইয়াখছিফা বিকুমুল আরদা ফাইযা- হিয়া তামূর।
    তোমরা কি ভাবনামুক্ত হয়ে গেছ যে, আকাশে যিনি আছেন তিনি তোমাদেরকে ভূগর্ভে বিলীন করে দেবেন, অতঃপর তা কাঁপতে থাকবে। Do ye feel secure that He Who is in heaven will not cause you to be swallowed up by the earth when it shakes (as in an earthquake)?
    17 أَمْ أَمِنتُم مَّن فِى ٱلسَّمَآءِ أَن يُرْسِلَ عَلَيْكُمْ حَاصِبًا فَسَتَعْلَمُونَ كَيْفَ نَذِيرِ আম আমিনতুম মান ফিছছামাই আইঁ ইউরছিলা ‘আলাইকুম হা-সিবান ফাছাতা‘লামূনা কাইফা নাযীর।
    না তোমরা নিশ্চিন্ত হয়ে গেছ যে, আকাশে যিনি আছেন, তিনি তোমাদের উপর প্রস্তর বৃষ্টি বর্ষণ করবেন, অতঃপর তোমরা জানতে পারবে কেমন ছিল আমার সতর্কবাণী। Or do ye feel secure that He Who is in Heaven will not send against you a violent tornado (with showers of stones), so that ye shall know how (terrible) was My warning?
    18 وَلَقَدْ كَذَّبَ ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ فَكَيْفَ كَانَ نَكِيرِ ওয়া লাকাদ কাযযাবাল্লাযীনা মিন কাবলিহিম ফাকাইফা কা- না নাকীর।
    তাদের পূর্ববর্তীরা মিথ্যারোপ করেছিল, অতঃপর কত কঠোর হয়েছিল আমার অস্বীকৃতি। But indeed men before them rejected (My warning): then how (terrible) was My rejection (of them)?
    19 أَوَلَمْ يَرَوْا۟ إِلَى ٱلطَّيْرِ فَوْقَهُمْ صَٰٓفَّٰتٍ وَيَقْبِضْنَ مَا يُمْسِكُهُنَّ إِلَّا ٱلرَّحْمَٰنُ إِنَّهُۥ بِكُلِّ شَىْءٍۭ بَصِيرٌ আওয়ালাম ইয়ারাও ইলাত্তাইরি ফাওকাহুম সাফফা-তিওঁ ওয়াইয়াকবিদন । মাইউমছিকুহুন্না ইল্লাররাহমা-নু ইন্নাহূবিকুল্লি শাইয়িম বাসীর।
    তারা কি লক্ষ্য করে না, তাদের মাথার উপর উড়ন্ত পক্ষীকুলের প্রতি পাখা বিস্তারকারী ও পাখা সংকোচনকারী? রহমান আল্লাহ-ই তাদেরকে স্থির রাখেন। তিনি সর্ব-বিষয় দেখেন। Do they not observe the birds above them, spreading their wings and folding them in? None can uphold them except (Allah) Most Gracious: Truly (Allah) Most Gracious: Truly it is He that watches over all things.
    20 أَمَّنْ هَٰذَا ٱلَّذِى هُوَ جُندٌ لَّكُمْ يَنصُرُكُم مِّن دُونِ ٱلرَّحْمَٰنِ إِنِ ٱلْكَٰفِرُونَ إِلَّا فِى غُرُورٍ আম্মান হা-যাল্লাযী হুওয়া জুনদুল্লাকুম ইয়ানসুরুকুম মিন দূ নিররাহমা-নি ইনিল কাফিরূনা ইল্লা- ফী গুরূর।
    রহমান আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত তোমাদের কোন সৈন্য আছে কি, যে তোমাদেরকে সাহায্য করবে? কাফেররা বিভ্রান্তিতেই পতিত আছে। Nay, who is there that can help you, (even as) an army, besides (Allah) Most Merciful? In nothing but delusion are the Unbelievers.
    21 أَمَّنْ هَٰذَا ٱلَّذِى يَرْزُقُكُمْ إِنْ أَمْسَكَ رِزْقَهُۥ بَل لَّجُّوا۟ فِى عُتُوٍّ وَنُفُورٍ আম্মান হা- যাল্লাযী ইয়ারঝকুকুম ইন আমছাকা রিঝকাহূ বাল্লাজ্জূফী ‘উতুওবিওয়া নুফূর।
    তিনি যদি রিযিক বন্ধ করে দেন, তবে কে আছে, যে তোমাদেরকে রিযিক দিবে বরং তারা অবাধ্যতা ও বিমুখতায় ডুবে রয়েছে। Or who is there that can provide you with Sustenance if He were to withhold His provision? Nay, they obstinately persist in insolent impiety and flight (from the Truth).
    22 أَفَمَن يَمْشِى مُكِبًّا عَلَىٰ وَجْهِهِۦٓ أَهْدَىٰٓ أَمَّن يَمْشِى سَوِيًّا عَلَىٰ صِرَٰطٍ مُّسْتَقِيمٍ আফামাইঁ ইয়ামশী মুকিব্বান ‘আলা- ওয়াজহিহী আহদা আম্মাইঁ ইয়ামশী ছাবি ইয়ান ‘আলা-সিরা-তিমমুছতাকীম।
    যে ব্যক্তি উপুড় হয়ে মুখে ভর দিয়ে চলে, সে-ই কি সৎ পথে চলে, না সে ব্যক্তি যে সোজা হয়ে সরলপথে চলে Is then one who walks headlong, with his face grovelling, better guided,- or one who walks evenly on a Straight Way?
    23 قُلْ هُوَ ٱلَّذِىٓ أَنشَأَكُمْ وَجَعَلَ لَكُمُ ٱلسَّمْعَ وَٱلْأَبْصَٰرَ وَٱلْأَفْـِٔدَةَ قَلِيلًا مَّا تَشْكُرُونَ কুল হুওয়াল্লাযীআনশাআকুম ওয়া জা‘আলা লাকুমুছছাম‘আ ওয়াল আবসা-রা ওয়াল আফইদাতা কালীলাম মা-তাশকুরূন।
    বলুন, তিনিই তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন এবং দিয়েছেন কর্ণ, চক্ষু ও অন্তর। তোমরা অল্পই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর। Say: “It is He Who has created you (and made you grow), and made for you the faculties of hearing, seeing, feeling and understanding: little thanks it is ye give.
    24 قُلْ هُوَ ٱلَّذِى ذَرَأَكُمْ فِى ٱلْأَرْضِ وَإِلَيْهِ تُحْشَرُونَ কুল হুওয়াল্লাযী যারাআকুম ফিল আরদিওয়া ইলাইহি তুহশারূন।
    বলুন, তিনিই তোমাদেরকে পৃথিবীতে বিস্তৃত করেছেন এবং তাঁরই কাছে তোমরা সমবেত হবে। Say: “It is He Who has multiplied you through the earth, and to Him shall ye be gathered together.”
    25 وَيَقُولُونَ مَتَىٰ هَٰذَا ٱلْوَعْدُ إِن كُنتُمْ صَٰدِقِينَ ওয়া ইয়াকূলূনা মাতা-হা-যাল ওয়া‘দুইন কুনতুম সা-দিকীন।
    কাফেররা বলেঃ এই প্রতিশ্রুতি কবে হবে, যদি তোমরা সত্যবাদী হও? They ask: When will this promise be (fulfilled)? – If ye are telling the truth.
    26 قُلْ إِنَّمَا ٱلْعِلْمُ عِندَ ٱللَّهِ وَإِنَّمَآ أَنَا۠ نَذِيرٌ مُّبِينٌ কুল ইন্নামাল ‘ইলমু‘ইনদাল্লা- হি ওয়া ইন্নামাআনা নাযীরুম মুবীন।
    বলুন, এর জ্ঞান আল্লাহ তা’আলার কাছেই আছে। আমি তো কেবল প্রকাশ্য সতর্ককারী। Say: “As to the knowledge of the time, it is with Allah alone: I am (sent) only to warn plainly in public.”
    27 فَلَمَّا رَأَوْهُ زُلْفَةً سِيٓـَٔتْ وُجُوهُ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ وَقِيلَ هَٰذَا ٱلَّذِى كُنتُم بِهِۦ تَدَّعُونَ ফালাম্মা-রাআওহু ঝুলফাতান ছীআত ঊজূহুল্লাযীনা কাফারূওয়া কীলা হা-যাল্লাযী কুনতুম বিহী তাদ্দা‘ঊন।
    যখন তারা সেই প্রতিশ্রুতিকে আসন্ন দেখবে তখন কাফেরদের মুখমন্ডল মলিন হয়ে পড়বে এবং বলা হবেঃ এটাই তো তোমরা চাইতে। At length, when they see it close at hand, grieved will be the faces of the Unbelievers, and it will be said (to them): “This is (the promise fulfilled), which ye were calling for!”
    28 قُلْ أَرَءَيْتُمْ إِنْ أَهْلَكَنِىَ ٱللَّهُ وَمَن مَّعِىَ أَوْ رَحِمَنَا فَمَن يُجِيرُ ٱلْكَٰفِرِينَ مِنْ عَذَابٍ أَلِيمٍ কুল আরাআইতুম ইন আহলাকানিয়াল্লা-হু ওয়া মাম্মা‘ইয়া আও রাহিমানা- ফামাইঁ ইউজীরুল কা-ফিরীনা মিন ‘আযা-বিন আলীম।
    বলুন, তোমরা কি ভেবে দেখেছ-যদি আল্লাহ তা’আলা আমাকে ও আমার সংগীদেরকে ধ্বংস করেন অথবা আমাদের প্রতি দয়া করেন, তবে কাফেরদেরকে কে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি থেকে রক্ষা করবে? Say: “See ye?- If Allah were to destroy me, and those with me, or if He bestows His Mercy on us,- yet who can deliver the Unbelievers from a grievous Penalty?”
    29 قُلْ هُوَ ٱلرَّحْمَٰنُ ءَامَنَّا بِهِۦ وَعَلَيْهِ تَوَكَّلْنَا فَسَتَعْلَمُونَ مَنْ هُوَ فِى ضَلَٰلٍ مُّبِينٍ কুল হুওয়াররাহমা-নুআ-মান্না-বিহী ওয়া‘আলাইহি তাওয়াক্কালনা-, ফাছাতা‘লামূনা মান হুওয়া ফী দালা-লিম মুবীন।
    বলুন, তিনি পরম করুণাময়, আমরা তাতে বিশ্বাস রাখি এবং তাঁরই উপর ভরসা করি। সত্ত্বরই তোমরা জানতে পারবে, কে প্রকাশ্য পথ-ভ্রষ্টতায় আছে। Say: “He is (Allah) Most Gracious: We have believed in Him, and on Him have we put our trust: So, soon will ye know which (of us) it is that is in manifest error.”
    30 قُلْ أَرَءَيْتُمْ إِنْ أَصْبَحَ مَآؤُكُمْ غَوْرًا فَمَن يَأْتِيكُم بِمَآءٍ مَّعِينٍۭ কুল আরাআইতুম ইন আসবাহা মাউকুম গাওরান ফামাইঁ ইয়া’তীকুম বিমাইম মা‘ঈন।
    বলুন, তোমরা ভেবে দেখেছ কি, যদি তোমাদের পানি ভূগর্ভের গভীরে চলে যায়, তবে কে তোমাদেরকে সরবরাহ করবে পানির স্রোতধারা? Say: “See ye?- If your stream be some morning lost (in the underground earth), who then can supply you with clear-flowing water?”

    সূরা মূলকের ফজিলত

    ১. তিরমিযী শরীফের মধ্যে একটি হাদীসে বর্ণিত আছে, যে ব্যক্তি দৈনিক সূরা মূলক পাঠ করবে, সে করব আযাব ও কিয়ামতের মুছীবত হতে রক্ষা পাবে এবং জান্নাতবাসী হবে।
    ২. অন্য এক হাদিসে বর্ণিত আছে, যে ব্যক্তি নিয়মিত সূরা মূলক পাঠ করবে তাকে কবরের আজাব থেকে সূরা মূলক রক্ষা করবে কেয়ামত পর্যন্ত।
    ৩. আবু দাউদ (হাদিস নং ১৪০০) বর্ণিত আছে মুহাম্মদ (সঃ ) বলেছেন: কাল কেয়ামতের মাঠে এক ব্যক্তির উপর জাহান্নাম ওয়াজিব হয়ে গেছিলো। কিন্তু সে সূরা মূলক নিয়মিত পাঠ করতো। তখন সূরা মূলক আল্লাহকে বলবে উমুক ব্যক্তিকে আপনি ক্ষমা করে দিন। আল্লাহ বললেন না। সূরাটি আবারও বলবে আল্লাহ উমুক ব্যক্তিকে আপনি ক্ষমা করে দিন কারণ সে আমাকে পাঠ করতো। আল্লাহ আবারও না বললেন। এইভাবে সূরাটি আল্লাহর কাছে উমুক ব্যক্তির জন্যে ক্ষমা চাইতেই থাকবে যতক্ষণ না পর্যন্ত আল্লাহ ব্যক্তিটিকে ক্ষমা না করেন।
    ৪. যে লোক সূরা মূলক নিয়মিত পাঠ করবে, তার গুনাহ মাফ হয়ে যাবে এবং পরকালে ইহা তার জন্য সুপারিশ করবে।
    ৫. আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত মুহাম্মদ (সঃ) বলেছেন, কুরআনে একটি সূরা রয়েছে যা কেবল ত্রিশটি আয়াত। এটি পাঠকারীকে জান্নাতে না নেওয়া পর্যন্ত তার সাথে থাকবে।
    ৬. মুহাম্মদ (সঃ) বলেছেন “সূরা আল মূলক কবরের আযাব থেকে রক্ষাকারী”
    ৭. জাবির বলেছিলেন যে তাবারকাল্লাদি বিয়াদিহিল মুলক (আল-মুলক) এবং আলিফ লাম মীম তানজিল (আস-সাজদা) পড়া না হওয়া পর্যন্ত ঘুমাতে না যাওয়ার রীতি ছিল।
    ৮. আহমদ, তিরমিযী ও সুনান আল-দারিমি থেকে বর্ণিত, জাবির বলেছিলেন যে তাবা-রাকাল্লাযী বিয়াদিহিল মুলকু (আল-মুলক) এবং আলিফ লাম মীম তানজিল (আস-সাজদা) পড়া না হওয়া পর্যন্ত ঘুমাতে না।
    ৯. আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস বর্ণনা করেছেন যে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমার আকাঙ্ক্ষা / ভালবাসা যে সূরাতুল মুলক প্রত্যেক মুসলমানের অন্তরে থাকুক।
    ১০. তিরমিযী হাদিসে তে বর্ণিত আছে, ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেনঃ মুহাম্মাদ (সাঃ) এর একজন সাহাবী না বুঝে একটি কবরের উপরে তাঁর তাঁবু স্থাপন করেছিলেন। এবং সে করব থেকে শুনতে পেলো তাবা-রাকাল্লাযী বিয়াদিহিল মুলকু শেষ পর্যন্ত পাঠ করছে। তিনি গিয়ে মুহাম্মাদ (সাঃ) ঘটনাটি বললেন। এবং জানতে চাইলেন কে এটা পাঠ করছিলো? উত্তরে মুহাম্মাদ (সাঃ) বললেন “এটা হলো প্রতিরোধকারী, আল্লাহ তায়ালার আযাব থেকে রক্ষাকারী”
    ১১. মিশকাত আল মিসবাহ তে বর্ণিত আছে, খালেদ বিন মাদাম সূরা আল মুলক ও আস-সাজদা সম্পর্কে বলেছেন যে “এই দুটি সূরা কবরে তাদের আবৃতিকারীর জন্য লড়াই করবে এবং বলবে, হে আল্লাহ! আমরা যদি আপনার বইয়ের (কুরআনের ) অন্তর্ভুক্ত হই তবে তাঁর অনুগ্রহে আমাদের সুপারিশ গ্রহণ করুন। যদি আমরা না হই তবে আমাদের নির্মূল করুন। এই সূরাগুলি পাখির মতো ডানা ছড়িয়ে দেবে এবং ব্যক্তিকে কবরের আযাব থেকে রক্ষা করবে।”
    ১২. ইবনে উমর (রাঃ ) বলেছিলেন যে একবার মুহাম্মদ (সাঃ) সূরা মূলকের দ্বিতীয় আয়াত পাঠ করছিলেন (তিনিই মৃত্যু ও জীবন সৃষ্টি করেছেন যাতে তিনি তোমাদের পরীক্ষা করতে পারেন যে তোমাদের মধ্যে কে কর্মে উত্তম) এবং যখন তিনি “কাজের মধ্যে উত্তম” কথাটি পৌঁছেছিলেন, তখন তিনি থামিয়ে ব্যাখ্যা করলেন। “কর্মে আরও ভাল” সেই ব্যক্তি হ’ল যে ব্যক্তি আল্লাহ যা নিষেধ করেছেন সে বিষয় থেকে সর্বাধিক পরিহার করে এবং সর্বদা তাঁর আনুগত্য করতে প্রস্তুত থাকে। “

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  2. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    হ্যাকিং করার জন্য হ্যাকার দের কোন অপারেটিং সিস্টেম, সফটওয়্যার এবং অ্যাপ ব্যবহার করতে হয়?

    ভবের হাট 🤘
    সেরা উত্তর
    ভবের হাট 🤘 পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    বেশিরভাগ হ্যাকাররা লিনাক্স এর ডিস্টো ব্যবহার করে। হ্যাকিং এর জন্য লিনাক্স ডিস্টো এর মধ্যে ক্যালি অনেক জনপ্রিয়। কারণ এতে ডিফল্ট পেনেট্রেশন টেস্টিং সফটওয়্যার ইনস্টল করা থাকে। বেশিরভাগ হ্যাকাররা লিনাক্স এর ডিস্টো ব্যবহার করে। হ্যাকিং এর জন্য পাইথন পোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজটি বেশি জনপ্রিয়, তাই আপনার যদিবিস্তারিত পড়ুন

    বেশিরভাগ হ্যাকাররা লিনাক্স এর ডিস্টো ব্যবহার করে। হ্যাকিং এর জন্য লিনাক্স ডিস্টো এর মধ্যে ক্যালি অনেক জনপ্রিয়। কারণ এতে ডিফল্ট পেনেট্রেশন টেস্টিং সফটওয়্যার ইনস্টল করা থাকে। বেশিরভাগ হ্যাকাররা লিনাক্স এর ডিস্টো ব্যবহার করে।

    হ্যাকিং এর জন্য পাইথন পোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজটি বেশি জনপ্রিয়, তাই আপনার যদি হ্যাকিং শেখার ইচ্ছা থাকে তাহলে পাইথন দিয়ে শুরু করেন। আর আপনি যদি খুব সহজে পাইথন শিখতে চান, তাহলে Programming Hero অ্যাপসটি ব্যাবহার করতে পারেন, পাইথন শিক্ষার্থীদের জন্য খুবই উপকারী অ্যাপস।

    ধন্যবাদ!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  3. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

    জেএসসি পরীক্ষার নতুন সিলেবাস ২০২২, ২০২১, ২০২০, ২০১৯

    ভবের হাট 🤘
    সেরা উত্তর
    ভবের হাট 🤘 পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    জেএসসি পরীক্ষার নতুন সিলেবাস ২০২২ : এ বছর জুনিয়র স্কলারশিপ সার্টিফিকেট বা জেএসসি পরীক্ষা না হলেও অষ্টম শ্রেণীর নিয়মতান্ত্রিক বার্ষিক পরীক্ষা হচ্ছে। সেই লক্ষ্যে ২০২১ সালের ৮ম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার সিলেবাসও প্রণয়ন করা হয়েছে। গত ১৭ই অক্টোবর, ২০২১ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের এক নির্দেশনায় জানাবিস্তারিত পড়ুন

    জেএসসি পরীক্ষার নতুন সিলেবাস ২০২২ : এ বছর জুনিয়র স্কলারশিপ সার্টিফিকেট বা জেএসসি পরীক্ষা না হলেও অষ্টম শ্রেণীর নিয়মতান্ত্রিক বার্ষিক পরীক্ষা হচ্ছে। সেই লক্ষ্যে ২০২১ সালের ৮ম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার সিলেবাসও প্রণয়ন করা হয়েছে। গত ১৭ই অক্টোবর, ২০২১ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের এক নির্দেশনায় জানানো হয, আগামী ২৪ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর ২০২১ তারিখের মধ্যে ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে।

    ৮ম শ্রেণির সিলেবাস ২০২২ pdf

    এ বছর বাংলা, ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে পরীক্ষা নেয়া হবে। বাংলা ও ইংরেজি উভয় পত্রের পরীক্ষা গ্রহণ করার নির্দেশ রয়েছে। পরীক্ষার প্রতিটি প্রশ্নপত্রের মান হবে ৫০ নম্বরের এবং সময় হবে ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। উপরে উল্লেখিত বিষয়গুলোর যেসব অধ্যায় থেকে এসাইনমেন্ট দেয়া হয়েছে, সেসব অধ্যায় এবং ১২ জানুয়ারি ২০২১ থেকে শ্রেণিকক্ষে যেসব অধ্যায়ের ওপর পাঠদান করা হয়েছে, সেগুলোই মূলত ২০২১ সালে ৮ম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার সিলেবাস।

    ৮ম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার মানবণ্টন

    1. বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্রের নম্বর হবে ৫০ (লিখিত ৩৫ + এমসিকিউ ১৫) নম্বরের।
    2. ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্রের নম্বর হবে ৫০ (১ম পত্র ৩০ + ২য় পত্র ২০) নম্বরের।
    3. গণিতের নম্বর হবে ৫০ (লিখিত ৩৫ + এমসিকিউ১৫) নম্বরের।

    ৮ম শ্রেণির সিলেবাস ২০২১ pdf

    ৮ম শ্রেণির সিলেবাস ২০২১ pdf

    ৮ম শ্রেণির সিলেবাস ২০২১ pdf

    এছাড়াও প্রত্যেক শিক্ষার্থীর বার্ষিক পরীক্ষার নম্বরের সকল বিষয়ের অ্যাসাইনমেন্টের ওপর ৪০ নম্বর যোগ করা হবে। পাশাপাশি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর আরও ১০ নম্বর যোগ করা হবে। অর্থাৎ মোট ১০০ নম্বরের (৫০+৪০+১০) ওপর প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে মূল্যায়নপূর্বক বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল তৈরি করে শিক্ষার্থীদের প্রগ্রেসিভ রিপোর্ট প্রদান করা হবে।

    ৮ম শ্রেণির সাজেশন ২০২১ pdf

    যদিও মাত্র ৩ টি সাবজেক্টে অষ্টম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষা হচ্ছে। কিন্তু এর জন্যও বিস্তর প্রস্তুতির প্রয়োজন রয়েছে। কোর্সটিকায় আমরা সকল বিষয়ের ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নপত্র তৈরি করেছি। যেগুলো তোমরা উত্তরসহ ডাউনলোড করতে পারবে। নিচে দেয়া তালিকাগুলো লক্ষ্য করো।

    ক বিভাগ (বিষয়ভিত্তিক)

    • সৃজনশীল প্রশ্ন (৬ টির মধ্যে ৪ টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে) – ৪০ নম্বর
    • মূলভাব (সারাংশ অথবা সারমর্ম) – ৫ নম্বর
    • ভাবসম্প্রসারণ – ৫ নম্বর
    • চিঠি বা আবেদন পত্র – ৫ নম্বর
    • প্রবন্ধ রচনা – ১৫ নম্বর (৩ টি থেকে ১ টির উত্তর দিতে হবে)

    খ বিভাগ (নৈর্ব্যত্তিক)

    • এই অংশে ৩০ টি নৈর্ব্যত্তিক বা বহুনির্বাচনী প্রশ্ন থাকবে। যার মধ্যে ১৬ টি প্রশ্ন বাংলা পাঠ্যপুস্তক (প্রথম পত্র) বই এবং বাকি ১৫ টি প্রশ্ন বাংলা ব্যকরণ থেকে করা হবে। প্রতিটি প্রশ্নের মান ১।

    বাংলা ১ম পত্র সিলেবাস (গল্প)

    • অতিথির স্মৃতি – শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • ভাব ও কাজ – কাজী নজরুল ইসলাম
    • পড়ে পাওয়া – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    • তৈলচিত্রের ভূত – মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    • এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম – শেখ মুজিবুর রহমান
    • আমাদের লোকশিল্প – কামরুল হাসান
    • সুখী মানুষ – মমতাজ উদ্দীন আহমদ
    • মংডুর পথে – বিপ্রদাশ বড়ুয়া
    • বাংলা নববর্ষ – শামসুজ্জামান খান
    • বাংলা ভাষার জন্মকথা – হুমায়ুন আজাদ

    বাংলা ১ম পত্র সিলেবাস (কবিতা)

    • মানবধর্ম – লালন শাহ্‌
    • বঙ্গভূমির প্রতি – মাইকেল মধুসুদন দত্ত
    • দুই বিঘা জমি – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • পাছে লোকে কিছু বলে – কামিনী রায়
    • প্রার্থনা – কায়কোবাদ
    • বাবুরের মহত্ব – কালিদাস রায়
    • নারী – কাজী নজরুল ইসলাম
    • আবার আসিব ফিরে – জীবনানন্দ দাশ
    • রুপাই জসীম – উদ্‌দীন
    • একুশের গান – আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী

    বাংলা ১ম পত্র সিলেবাস (আনন্দপাঠ)

    • কিশোর কাজি (আরব্য উপন্যাস অবলম্বনে)
    • রাজকুমার ও ভিখারীর ছেলে – মার্ক টোয়েন
    • রবিনসন ক্রুশো – ড্যানিয়ের ডিফো
    • সোহরাব রোস্তম মূল : মহাকবি আবুল কাসেম ফেরদৌসী
    • রূপান্তর – মমতাজউদদীন আহমদ
    • মার্চেন্ট অব ভেনিস – উইলিয়াম শেক্সপিয়ার
    • রিপভ্যান উইংকল – ফখরুজ্জামান চৌধুরী
    • সাড়ে তিন হাত জমি – লেভ তলস্তয়

    বাংলা ২য় পত্র সিলেবাস (ব্যকরণ)

    • শব্দ গঠন, ধ্বনাত্মযক শব্দ, অনুকার শব্দ ও শব্দ দ্বৈত।
    • বাক্য, বাক্য গঠনের শর্ত, খণ্ডবাক্য, স্বাধীন ও অধীন খণ্ডবাক্য, সরল, জটিল ও যৌগিক বাক্যের গঠন।
    • বিরামচিহ্ন, কমা, সেমিকোলোন, কোলন ও হাইফেনের ব্যবহার।
    • বানান, বানানের কয়েকটি সাধারণ নিয়ম।
    • শব্দার্থ, সমর্থক শব্দ প্রয়োগে বাক্য রচনা।
    • বাগধারা।

    বাংলা ২য় পত্র সিলেবাস (নির্মিতি)

    • সারাংশ
    • সারমর্ম
    • ভাবসম্প্রসারণ
    • পত্র রচনা
    • প্রবন্ধ রচনা

    বাংলা ১ম পত্র একটি সৃজনশীল প্রশ্নের নমুনা

    সোনালী ব্যাংকের পিয়ন রতন অফিস ছুটি হওয়ার পর ম্যানেজারের রুম গোছাতে গিয়ে একটি সোনার আংটি পায়। আংটি পেয়ে তার খুব লোভ হলো। সে মনে মনে ভাবল তার মেয়েকে এটা উপহার হিসেবে দেবে। কিন্তু ঘটনাটি তার মনের মধ্যে অপরাধবোধের জন্ম দিল। তাই সে পরদিন অফিসে গিয়ে ম্যানেজারের নিকট আংটিটি ফেরত দিয়ে ভারমুক্ত হলো। ম্যানেজারও তার সততায় খুশি হয়ে থাকে পুরস্কৃত করলেন।

    ক. বোষ্টম কী?
    খ, “ওর মতো কত লোক আসবে’__ উক্তিটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
    গ. উদ্দীপকের রতন ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কার প্রতিনিধিত্ব করে এবং কীভাবে?
    ঘ. ‘উদ্দীপক এবং গল্পের মূলভাব কর্তব্যপরায়ণতা এবং নৈতিক চেতনার-ই পরিচায়ক’__ উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।


    জেএসসি পরীক্ষার নতুন সিলেবাস ২০২১

    JSC English Syllabus 2021

    বাংলার মতো ইংরেজীও সমন্বিত পদ্ধতিতে পরীক্ষা হবে। অর্থাৎ ইংরেজীও প্রথম পত্র ও দ্বিতীয় পত্র নামে আলাদা বিষয় থাকছে না। যদিও এই পদ্ধতিটি আরো কয়েক বছর আগে থেকেই প্রচলিত। ইংরেজী পরীক্ষাটি মোট ৪ টি বিভাগে (Part) অনুষ্ঠিত হবে।
    Part – A (Seen – 20)

    • Reading (MCQ) – 7
    • Gap filling (without clues) – 5
    • Short answer question – 8

    Part – B (Unseen – 25)

    • Information transfer – 5
    • True/False – 5
    • Close test with clues – 5
    • Close test without clues – 5
    • Matching – 5

    Part – C (Grammar)

    • Speech – 5
    • Punctuation – 5
    • Use of articles – 5
    • Changing sentences – 5
    • Suffixes and Prefixes – 5

    Part – D (Writing)

    • Dialogue – 10
    • Paragraph – 10
    • Formal/Informal E-mail – 10

    ইংরেজী প্রশ্নপত্রের ধরন কেমন হবে, সেই সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়ার জন্য কোর্সটিকায় প্রকাশিত JSC English Model Test গুলো দেখো। পাশাপাশি নিচে দেয়া লিংক থেকে JSC অন্যান্য বিষয়ের গুরুতত্বপূর্ণ সব নোট ও সাজেশান্স ডাউনলোড করে নাও।

    জেএসসি গণিত সিলেবাস

    এবছর গণিতে কোনও পরিবর্তন করা হয়নি।গণিতের প্রশ্ন পদ্ধতি বিগত বছরের ন্যায় হবে। তবুও কোর্সটিকায় JSC Math Suggestion 2021 এর ওপর বিশদ আলোচনা করা হয়েছে। লিংকে ক্লিক করে মডেল টেস্টগুলো দেখে নিতে পারো।

    গণিত পরীক্ষায় মোট ৪ টি অংশ থাকবে:

    • বীজগণিত – ৩০ নম্বর (তিনটির মধ্যে ২ টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে)
    • পাটিগণিত – ২০ নম্বর (তিনটির মধ্যে ২ টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে)
    • জ্যামিতি – ২০ নম্বর (তিনটির মধ্যে ২ টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে)
    • পরিসংখ্যান – ১০ নম্বর (আপনাকে দুটি প্রশ্নের মধ্যে ১ টির উত্তর দিতে হবে)

    নৈর্ব্যত্তিক অংশে ৩০ টি বহুনির্বাচনী প্রশ্ন দেয়া থাকবে। এই প্রশ্নগুলো বইয়ের যেকোন অধ্যায় থেকে আসতে পারে।


    অন্যান্য বিষয়

    বাকি বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে সাধারণ বিজ্ঞান, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, গার্হস্থ্য বিজ্ঞান, চারু ও কারুকলা এবং কৃষি শিক্ষা। উল্লেখতি এই বিষয়গুলোর প্রতিটির ওপর ১০০ নম্বরের প্রশ্ন করা হবে। যার মধ্যে ৭ টি সৃজনশীল প্রশ্ন (১১ টির মধ্যে ৭ টি) এবং ৩০ টি নৈর্ব্যত্তিক প্রশ্ন করা হবে।

    তবে শারীরিক শিক্ষা পরীক্ষাতে ৫০ নম্বরের প্রশ্নপত্র করা হবে। যেখানে ৩০ নম্বরের বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন ও ২০ টি নৈর্ব্যত্তিক প্রশ্ন করা হবে।

    ধন্যবাদ!

    সুত্রঃ কোর্সটিকা

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  4. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

    ডারউইন তত্ত্ব কি? ডারউইনের বিবর্তনবাদ pdf দিন

    shanto
    সেরা উত্তর
    shanto ভিআইপি
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    ডারউইন এর বিবর্তন তত্ব ও এ সম্পর্কিত ভুল ধারণাগুলো জীববিজ্ঞানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তত্ত্ব হচ্ছে বিবর্তনবাদ। পৃথিবীতে প্রাণের বিকাশ বুঝতেই শুধু নয়- প্রাণের বৈশিষ্ট্য, গুণাবলী বুঝতেও বিবর্তনবাদ অপরিহার্য। অথচ এই বিবর্তনবাদই হচ্ছে মানব ইতিহাসে সবচেয়ে বেশী ভূল বোঝা তত্ত্ব। এই ভূল বোঝাবোঝির সিংহভাগইবিস্তারিত পড়ুন

    ডারউইন এর বিবর্তন তত্ব ও এ সম্পর্কিত ভুল ধারণাগুলো

    imgbox

    জীববিজ্ঞানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তত্ত্ব হচ্ছে বিবর্তনবাদ। পৃথিবীতে প্রাণের বিকাশ বুঝতেই শুধু নয়- প্রাণের বৈশিষ্ট্য, গুণাবলী বুঝতেও বিবর্তনবাদ অপরিহার্য। অথচ এই বিবর্তনবাদই হচ্ছে মানব ইতিহাসে সবচেয়ে বেশী ভূল বোঝা তত্ত্ব। এই ভূল বোঝাবোঝির সিংহভাগই আসে বিবর্তন সম্পর্কে সম্যক ধারণা না থাকায়। এই লেখায় আমি বিবর্তনের বিপক্ষে ১০টি সবচেয়ে বেশিবার ব্যবহৃত হওয়া ভূল ধারণাগুলো তুলে ধরার চেষ্টা করবো আর সেগুলো বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করবো।

    ভুল ধারণা ১ – বিবর্তন শুধু একটা তত্ত্ব

    এই মিথ্যাচারটিকে, যদি না সেটা অজ্ঞানতাবশত করা হয়ে থাকে; অনেকেই তর্কে তুলে আনেন। “বিবর্তন ফ্যাক্ট না, এটা একটা থিওরি মাত্র” বলে বোঝাতে চান বিবর্তন বিশ্বাসযোগ্য নয়! বিবর্তন ফ্যাক্ট এবং থিওরি দুটোই, নির্ভর করে আপনি কী নিয়ে কথা বলছেন তার উপর।

    সকল প্রাণী সরলতর প্রাণী থেকে কয়েক মিলিয়ন বছরে বিবর্তিত হয়ে বর্তমান অবস্থানে এসেছে। সেই সরলতর প্রাণীকে বলা হয় LUCA (Last Universal Common Ancestor)- এটা একটা বৈজ্ঞানিক ফ্যাক্ট। এই ফ্যাক্টের সত্যতা পাওয়া যায় ফসিলে, ডিএনএতে আর জৈবভূগোলে। আপনি ফসিল খুঁজতে যত গভীরে যাবেন তত সরলতর প্রাণীর ফসিল পাবেন। সরলতর প্রাণীদের ভীড়ে আপনি জটিল গঠনের ফসিল পাবেন না, কখনোই। একই গভীরতায় পাওয়া ফসিলরা একই রকম গঠনের হবে, জটিলতার দিক থেকে।

    ডিএনএর গঠনও প্রচ্ছন্নভাবে বিবর্তনের প্রমাণ দিয়ে যায়। শিম্পাঞ্জীর সাথে মানুষের কার্যকর জীন ৯৯.৬% মিলে যায়। ইদুরের সাথে ৮০% মিলে যায়। এই শতকরা অনুপাত আবার একক পূর্বপুরুষের জীবনকালের সাথে সম্পর্কিত। এগুলো বিবর্তনকে ফ্যাক্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। এবার দেখা যাক থিওরির অংশটা।

    থিওরি হচ্ছে যা দিয়ে ফ্যাক্টকে বিশ্লেষণ করা হয়। The Theory of Evolution by the means of Natural Selection”, থিওরিটা হচ্ছে প্রাকৃতিক নির্বাচনের অংশটা।

    অন্যভাবে বলতে গেলে, বিবর্তন হচ্ছে ফ্যাক্ট, প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে সেটা ঘটে এটা হচ্ছে থিওরি। আরো কিছু থিওরি যদি আমরা দেখি তবে ব্যাপারটা বুঝতে সুবিধা হবে- The theory of universal gravity, The germ theory, The cell theory, The heliocentric theory, যেগুলো সর্বোচ্চ বৈজ্ঞানিক সম্মানপ্রাপ্ত সত্য সেগুলোকেও থিওরিই বলা হয়।

    চার্লস ডারউইন আর আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেসের আগেও অনেক প্রকৃতিবাদী-জীববিজ্ঞানী-দার্শনিক বিবর্তনের কথা বলে গেছেন। তারা যেটা পারেন নি সেটা হচ্ছে “কেনো” প্রশ্নটির উত্তর দেওয়া। ডারউইন আর ওয়ালেস “কেনো” আর “কিভাবে” ব্যাখা করতে পেরেছেন। আর সেটাই তাদের অসাধারণ আর ক্ষেত্রবিশেষে ঘৃনার পাত্র করে তুলেছে।

    ভুল ধারণা ২ – বানর/এপ থেকে মানুষের বিবর্তন হয়েছে

    “যদি মানুষের বিবর্তন বানর/এপ থেকে হয় তাহলে এখনো কেনো বানর/এপ আছে?” প্রশ্নটি হতাশাজনক ভাবে ভুল।

    মানুষ বানর বা এপ থেকে বিবর্তিত হয় নি। মানুষ এবং বানর/এপের একক একটা পূর্বপুরুষ ছিল। যদি সময় যাত্রা করে আমরা কয়েক মিলিয়ন বছর অতীতে যেতে পারি তবে আমরা আমাদের এপ-সদৃশ পূর্বপুরুষদের দেখতে পাবো। এদের জনসংখ্যা কয়েকটি ধারায় বিভক্ত হয়েছিল আর বিবর্তনের ভিন্ন ভিন্ন পথে যাত্রা শুরু করেছিল। একটা ধারায় আসা সর্বশেষ প্রাণী আমরা, আরেকটা ধারার সর্বশেষ প্রাণী শিম্পাঞ্জী। (সর্বশেষ বলতে সবচেয়ে নতুন প্রাণী বোঝানো হয়েছে- ধারা এখানেই শেষ হয়ে যায় নি। বিস্তারিত পাবেন “ভুল ধারনা ৭” এ)

    তো শিম্পাঞ্জী আর মানুষের একক প্র-প্র-প্র-প্র…পিতামাতারা ৪-৬ মিলিয়ন বছর আগে বিলুপ্ত হয়ে গেছেন। এর পরে আসা মানবসদৃশ প্রাণীদের ১৪টির মতো ফসিল পাওয়া গেছে যেগুলো “ভুল ধারণা ৪”এ জানতে পারবেন।

    ভুল ধারণা ৩ – তাপগতিবিদ্যার ২য় সুত্র বিবর্তনবাদের সাথে সাংঘর্ষিক

    প্রায়ই যে কথাটা শোনা যায় সেটা হচ্ছে- “তাপগতিবিদ্যার ২য় সূত্র বিবর্তনকে সমর্থন করে না”। আসুন দেখি তাপগতিবিদ্যার ২য় সূত্র কি বলে-

    “কোনো সিস্টেম নিন্মশক্তিস্তর থেকে উচ্চ শক্তিস্তরে যেতে পারবে না, যদি না বাইরে থেকে শক্তির প্রবেশ না হয়।” অন্য ভাষায়- “সিস্টেমের disorder বাড়তেই থাকবে যদি না বাইরে থেকে order সরবরাহ করা হয়।”

    ধরুন আপনি মইয়ের চড়ে মাটি থেকে ৫ফুট উচ্চতায় দাড়িয়ে আছেন, আপনার বন্ধু নিচে মাটিতে দাড়িয়ে আছেন। একজন পদার্থবিদের কাছে আপনার বন্ধুর চেয়ে আপনার potential energy বেশী হওয়ায় আপনি বেশী “ordered”। আপনার বন্ধুটির এনট্রপি (শক্তি রূপান্তরের অক্ষমতা বা অসম্ভাব্যতা বা শক্তির অপ্রাপ্যতা) আপনার চাইতে বেশী।

    লক্ষ্য করুন- তাপগতিবিদ্যার ২য় সুত্রে কম শক্তিস্তর থেকে বেশী শক্তিস্তরে যাওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধ নাই, তবে শর্ত একটাই- বাইরে থেকে শক্তির সরবরাহ আসতে হবে। নিচে দাড়ানো আপনার বন্ধুটি মই চড়ে উপরের শক্তিস্তরে উঠার পথে কোনো বাধা নাই, তবে তাকে তার মাংসপেশীর শক্তি ক্ষয় করতে হবে। অন্য কথায়, শক্তি সরবরাহ করতে হবে।

    আরেকভাবে দেখা যাক- বদ্ধ সিস্টেম- যেখানে বাইরে থেকে শক্তি প্রবেশ করানো যায় না, সেখানে এনট্রপির পরিবর্তন অসম্ভব। খোলা সিস্টেমে এনট্রপি বাইরে থেকে শক্তি নিয়ে পরিবর্তিত হতে পারে।

    এবার ২য় সুত্রকে বিবর্তনের সাথে মিলিয়ে দেখা যাক। পৃথিবী খোলা সিস্টেম- নিকটবর্তী শক্তির আধার হচ্ছে সূর্য, যেখান থেকে আমরা প্রতিনিয়ত শক্তি পাচ্ছি। সূর্য ছাড়া প্রাণ অসম্ভব। সূর্যের তাপশক্তি ব্যবহার করে প্রাণীরা খাদ্য তৈরি করছে। সুতরাং তাপগতিবিদ্যার ২য় সুত্রের সাথে বিবর্তনবাদের কোন সংঘর্ষ নাই, বরং বিবর্তনবাদ তাপগতিবিদ্যার ২য় সূত্র মেনেই চলছে।

    imgbox

    ভুল ধারণা ৪ – মিসিং লিংক নাই

    Odontochelys একটি মধ্যবর্তি প্রাণীর ফসিল যেটা কচ্ছপ আর গিরগিটির মাঝামাঝি একটি প্রাণী ছিল। ছবিতে আমরা একটা গিরগিটির মত লম্বা লেজ আর কচ্ছপের মত খোলস দেখতে পাচ্ছি।

    মিসিং লিংকগুলো আর মিসিং নয়, বিজ্ঞানীরা শত শত ফসিল পেয়েছেন যেগুলো একই সাথে দুটো প্রাণীর বৈশিষ্ট্য বহন করে। উদাহরণস্বরূপ- তিমি। স্তন্যপায়ী হয়েও তিমি পানিতে বেঁচে আছে মাছের মতো। তিমির কংকালে পায়ের হাড়গুলো এখনো বিদ্যমান, যা প্রমাণ করে তিমি বা তার কোনো পূর্বপুরুষ স্থলজ প্রাণী ছিল।

    এছাড়াও Archaeopteryx, Confuciusornis, আর Jeholornis পাখি আর সরীসৃপ মধ্যবর্তী প্রাণীর ফসিল। প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে এই ফসিলগুলো প্রমাণ করে বিবর্তনবাদের সত্যতা। সৃষ্টিতত্ত্ববিদেরা এগুলোকে অস্বীকার করেন, তারা বলেন মধ্যবর্তী ফসিল বলে কিছু নাই, তবে তারা মিসিং লিংক দিয়ে বিবর্তনকে মিথ্যা প্রমাণ করতে চান। ফসিলের প্রমাণ দেখালেও তারা অস্বীকার করেন।

    এখন পর্যন্ত পাওয়া গেছে এমন মানবসদৃশ প্রাণীর ফসিলগুলো হচ্ছে-

    Sahelanthropus tchadensis

    Ardipithecus ramidus

    Australopithecus anamensis

    Australopithecus afarensis

    Kenyanthropus platyops

    Australopithecus africanus

    Australopithecus garhi

    Australopithecus sediba

    Australopithecus aethiopicus

    Australopithecus robustus

    Australopithecus boisei

    Homo habilis

    Homo georgicus

    Homo erectus

    Homo ergaster

    Homo antecessor

    Homo heidelbergensis

    Homo neanderthalensis

    Homo floresiensis

    imgbox

    ভুল ধারণা ৫ঃ বিবর্তন বিজ্ঞান নয়, কারণ এটা প্রত্যক্ষ বা পরীক্ষা করা যায় না

    ক্ষুদ্রতর পরিসরে বিবর্তন বহুবার প্রত্যক্ষ করা হয়েছে। ব্যাকটেরিয়ারা এন্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে, বিজ্ঞানীরা সেটা প্রতিনিয়ত দেখে নতুন এন্টিবায়োটিক বানাচ্ছেন। গ্রান্ট আর গ্রান্টের করা ২০০২ সালের পরীক্ষায় আমরা দেখেছি খরার কারণে কিভাবে গ্যালাপাগোসের ফিঞ্চ পাখিদের ঠোঁটের পরিবর্তন হয়েছে।

    যাই হোক- যখন কেউ এই দাবি করেন তখন তারা বোঝান দীর্ঘ পরিসরে বিবর্তন প্রত্যক্ষ করার কথা। তারা বলেন “মাইক্রোইভোলিউশন হতেই পারে, তবে সরীসৃপ কিভাবে মোরগে পরিণত হয় আমরা সেটা দেখতে চাই।”

    প্রথমত- মাইক্রোইভুলূ্যশন আর ম্যাক্রোইভুলূ্যশনের মাঝে পার্থক্য খুব বেশী নয়। ক্ষুদ্র পরিসরে বিবর্তন হতে পারলে বৃহৎ পরিসরেও হতে পারে। অনেকগুলো মাইক্রোইভোলিউশন (মিউটেশন) মিলেই ম্যাক্রোইভোলিউশন হয়।

    আর বিজ্ঞান মানেই যে প্রত্যক্ষ করতে হবে সেটা কিন্তু না। আপেক্ষিকতাবাদের প্রতিপাদ্য সময়কালের বক্রতা প্রত্যক্ষ করা আমাদের মত ত্রিমাত্রিক প্রাণীদের পক্ষে অসম্ভব, কিন্তু আমরা সময়কালের বক্রতার প্রমাণ ঠিকই বের করে নিয়েছি। বিজ্ঞানীরা তথ্য ধরে আগান, গোয়েন্দাদের মতো সূক্ষ প্রমাণ জড়ো করে বড় বড় রহস্য সমাধান করেন তাঁরা। বিজ্ঞান সবসময় প্রত্যক্ষ প্রমাণের উপর নির্ভর করে না।

    বিবর্তনবাদী বিজ্ঞানীরা তথ্য-প্রমাণ জড়ো করে করে বলতে পারেন- মোরগ সরীসৃপ থেকে বিবর্তিত হয়েছে। ফসিল-ডিএনএ ইত্যাদি তথ্য বিচার বিশ্লেষন করে তাঁরা আমাদের দেখান এটাই সত্য। তাঁরা বলেন- “পাখিরা যদি সরীসৃপ থেকে বিবর্তিত হয়ে থাকে তবে পাখিদের ডিএনএ সরীসৃপদের সাথে বেশী মিলবে।” পরে সেটার প্রমাণ হাজির করার পর তাঁরা উপসংহার টানেন। এটাকেই বলে scientific method!

    ভুল ধারণা ৬- একক প্রাণীর বিবর্তন

    প্রজাতির বিবর্তন হয়, একক প্রাণীর নয়। বিবর্তন হল নির্দিষ্ট সময়ে একটা প্রজাতির জীনগত গঠনে যে পরিবর্তন ঘটে। সুতরাং, যেহেতু কোন একক প্রাণী তার জীনগত কাঠামোতে কোন পরিবর্তন আনতে পারে না, তার একক বিবর্তন সম্ভব নয়। যেমন, যদি কোন খরার সময় শুধুমাত্র বড় বীজসম্পন্ন গাছগুলো ছাড়া সকল বীজসম্পন্ন গাছ ধ্বংস হয়ে যায়, ছোট ঠোঁটের কোন পাখি ঐ খরার আদলে বিবর্তিত হতে পারবে না। অন্য ভাষায়, এটি বড় বীজ খাওয়ার জন্য তার জীনগত কাঠামোর পরিবর্তন করে তার ঠোঁটের আকার-আকৃতি বদলে ফেলতে পারবে না। জীববিজ্ঞানের ভাষায়, এটি অভিযোজিত হতে পারবে না। ফলাফলস্বরূপ, বড় ঠোঁটের পাখিগুলোর তুলনায় ছোট ঠোঁটের পাখিগুলো কম খাবার পাবে এবং কম সন্তানের জন্ম দেবে। এর মানে হলো, পরবর্তী প্রজন্মে বড় ঠোঁটের জন্য জীন বেশি থাকবে। সুতরাং সম্পূর্ণ প্রজাতির খরার সাথে খাপ খাওয়াতে বিবর্তিত এবং অভিযোজিত হবে, কোনো একক প্রাণী নয়।

    ভুল ধারণা ৭: বিবর্তনের কোন লক্ষ্য আছে

    মানুষ প্রায়ই বিবর্তন সম্পর্কে বলে যে, “কিছু সাধন করে ফেলায় চেষ্টারত”; নয়তো তারা প্রাইমেট এবং অন্যান্য স্তন্যপায়ীদের অন্য প্রাণীদের তুলনায় “বেশি বিবর্তিত” বলে আখ্যা দেয়। কিন্তু এ ধরণের বিবৃতিগুলো প্রবল সমস্যাযুক্ত কারণ তারা এটারই পরিষ্কার ইঙ্গিত দেয় যে বিবর্তনের কোন উদ্দেশ্য আছে, যা সত্য নয়। জীববিজ্ঞানীরা প্রায়ই বলেন যে, “বিবর্তন অন্ধ।” বিবর্তন যা করে তা হলো কোন জীব প্রজাতিকে তার বর্তমান পরিবেশ এবং জীবনপ্রণালীর সাথে অভিযোজিত করে তোলে। বিবর্তনের কোন উদ্দেশ্য নেই, এবং এটি কোন ভবিষ্যদ্বাণী করতে সক্ষম নয়। সুতরাং, সহস্র প্রজন্মের জন্য নির্বাচিত বৈশিষ্ট্য পরিবেশের এ কোন পরিবর্তনের কারণে হঠাৎ বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।

    কারণ, বিবর্তন শুধু জীবকে তার বর্তমান পরিবেশ এবং জীবনপ্রণালীর সাথে খাপ খাওয়াতে সাহায্য করে, যেকোন এক প্রজাতিকে অন্যদের চেয়ে “বেশি বিবর্তিত” বলে আখ্যা দেওয়ার কোন মানে হয় না। যেমন, একটা বানর একটা মাছির চেয়ে বেশি বিবর্তিত নয় যে মাছি বানরটার পায়খানা থেকে আর্দ্রতা পায়। বানর অবশ্যই বেশি জটিল, কিন্তু এটি আসলে বেশি বিবর্তিত নয় কারণ বানর এবং মাছি দুজনই তাদের নিজ নিজ জীবনপ্রণালীর সাথে খুব ভালভাবেই খাপ খাইয়েছে। যদি আপনি বলতে চান যে বানরটা মাছিটার চেয়ে বেশি বিবর্তিত, তাহলে আপনি বলছেন যে বিবর্তনের উদ্দেশ্য আছে, যা ভুল।

    পরিশেষে, এটা সৃষ্টিতত্ত্ববিদদের প্রচলিত সমালোচনা, “কিছু প্রজাতির উলটো বিবর্তন হয়েছে (যেমনঃ পেঙ্গুইনের ওড়ার ক্ষমতা হারানো, তিমির সাগরে ফিরে যাওয়া)”, এর ব্যাখ্যা দেয়। মনে হতে পারে যে বিবর্তনের নির্দিষ্ট লক্ষ রয়েছে, কিন্তু বাস্তবে এটা শুধু জীবকে তার বর্তমান পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়াচ্ছে। সুতরাং, একটা সময়ে, যখন ওড়ার প্রয়োজনীয়তা ছিল, বিবর্তন পাখিকে ওড়ার সামর্থ দিয়েছে। কিন্তু অ্যান্টার্কটিকায় যেসব পাখির বাস, ওড়ার বিদ্যার প্রয়োজনীয়তা তাদের এত বেশি ছিল না, যতটা ছিল সাঁতার এবং উষ্ণ থাকার বিদ্যার, যা বিবর্তন তাদের দিয়েছে ওড়ার ক্ষমতার পরিবর্তে এবং পেঙ্গুইন এসেছে।

    ভুল ধারণা ৮: কিছু সিস্টেম বিবর্তনের জন্য খুব বেশিই জটিল

    এটা বিবর্তনের বিরুদ্ধে সবচেয়ে পুরনো সমালোচনা। এবং ইদানীং “সরলীকরণের অযোগ্য জটিলতা” নামে একে নিয়ে আবার কথা হচ্ছে।এর মূলকথা হল, কিছু সিস্টেম বিবর্তনের জন্য খুব বেশি জটীল কারণ সকল অংশ একত্রিত হবার আগ পর্যন্ত তারা কার্যকরী নয়। যেমন, একটা চোখের ছোট একটা অংশের অনুপস্থিতির জন্য চোখটা দেখতে পাবে না, একটা Bacterial Flagellum একটা প্রোটিনের অভাবে Flagellum এর মত আচরণে সক্ষম হবে না। সুতরাং, বিতর্কের মূলকথা হল, এই সিস্টেমগুলো বিবর্তিত হতে পারতো না কারণ সেখানে কোন কার্যকরী ধাপ থাকতো না, প্রকৃতি ঐ ধাপগুলো নির্বাচন করতে পারতো না। সমস্যা হল, এই বিতর্ক একটা বিষয়কে অবজ্ঞা করছে, “বিবর্তন অন্ধ”। বিবর্তনের চূড়ান্ত ফলাফল হিসেবে নির্বাচিত হবার জন্য বৈশিষ্ট্যগুলোকে কার্যকরী হতে হবে, এমন কোন বাধ্যবাধকতা নেই। বরং, যদি কোন বৈশিষ্ট্য কার্যক্ষম হয়, প্রকৃতি তাদের নির্বাচিত করবে। প্রকৃতপক্ষে, কেউ এখনো পুরোপুরি সরলীকরণের অযোগ্য কোন সিস্টেম খুঁজে বের করতে পারেনি, এবং জটিল সিস্টেমের বিবর্তন ব্যাখ্যায় আমাদের আছে বিবর্তন পদ্ধতি। যেমনঃ পূর্বে উল্লেখিত চোখের উদাহরণে, চোখটা শুধু কিছু আলোক সংবেদনশীল কোষ যোগ করে নিত (অনেকটা চ্যাপ্টাকৃমির মত)। তারা ঠিক চোখের মত কাজ করে না, কিন্তু এরপরও তারা কার্যক্ষম, সুতরাং প্রকৃতি তাদের জন্য নির্বাচন করবে। একইভাবে, যসব প্রোটিনের জন্য Flagellum এর উদ্ভব হয়, তারা কোষের অন্যান্য কাজগুলো করে, এমনকি আমরা এমন এক ধারাবাহিক প্রক্রিয়া খুঁজে পেয়েছি যা প্রতি ধাপকে কোষের জন্য কার্যক্ষম করে Flagellum এ রূপান্তরিত করবে, যদিও চূড়ান্ত ধাপই হবে একটি পরিপূর্ণ Flagellum। সুতরাং এটি সত্য নয় যে কিছু সিস্টেম বিবর্তনের জন্য খুব বেশিই জটিল।

    ভুল ধারণা ৯: বিবর্তন মহাবিশ্বের প্রথম কোষের নির্মাণ বর্ণনা করে

    আমরা প্রায়ই মানুষকে বলতে শুনি যে, “বিবর্তনবাদ সত্য নয় কারণ……ব্লা…ব্লা…ব্লা… বিগ ব্যাং,” অথবা কেন আমরা এখনো প্রথম কোষের নির্মাণ কিভাবে হয়েছিল তা বের করতে পারিনি, এমন আজবাজে কথা। এসব বিতর্কের সাথে বিবর্তনবাদের কোন সম্পর্কই নেই। বিগ ব্যাং তত্ত্ব মহাবিশ্বের আবির্ভাব নিয়ে এবং Abiogenesis জীবনের নির্মাণ নিয়ে আলোচনা করে। বিবর্তন মঞ্চে আসে মূলত জীবনের উৎপত্তির পর। সুতরাং, যদি আপনি কোনভাবে বিগ ব্যাং বা Abiogenesis কে ভুল প্রমাণ করেও ফেলেন, আপনার পক্ষে এরপরও সম্ভব হবে না বিবর্তনকে ভুল প্রমান করা। প্রকৃতপক্ষে, কিছু মানুষ ভাবে প্রথম কোষটি ঈশ্বরের সৃষ্টি, তারা বিবর্তনবাদকেও তার জায়গা ছেড়ে দেয়। অন্য কথায়, তারা Abiogenesis কে না মানলেও বিবর্তনকে মেনে নিয়েছে (যদিও বিগ ব্যাং এবং Abiogenesis কে অস্বীকার করার মত কোন শক্তিশালী বৈজ্ঞানিক কারণ নেই।)

    ভুল ধারণা ১০: বিবর্তনের ভিত্তি হল বিশ্বাস

    যারা এটা দাবি করেন তাদের কাছে আমি জানতে চাইব যে ঠিক কোন অংশটি আপনি মনে করেন স্রেফ বিশ্বাসভিত্তিক? ৫ম পয়েন্টে যেভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে, আমরা মিলিয়ন মিলিয়ন বছরের বিবর্তন নিজের চোখে দেখিনি বলে বিবর্তনকে অবৈজ্ঞানিক বলে আখ্যা দেয়া যায় না। বরং বিবর্তন হচ্ছে বিজ্ঞানের সর্বাধিক স্বীকৃত ধারণাগুলোর একটি, এবং যদি আপনি আসলেই ‘Origin of the Species’ পড়ে থাকেন তো দেখবেন, এটি প্রমাণে পরিপূর্ণ। এছাড়াও, ডারউইন ছিলেন একজন ব্যতিক্রমী বিজ্ঞানী এবং তিনি পরিষ্কার ভবিষ্যদ্বানী করে গেছেন যে তাঁর থিওরি সঠিক হলে পরবর্তীতে রিসার্চাররা কী কী ফলাফল পেতে পারেন। যেমন, তিনি স্পষ্টভাবে ভবিষ্যদ্বানী করেছিলেন আমাদের মধ্যবর্তী ফসিল আবিষ্কারের কথা, এবং আমরা করেছি। কিছু জীব আছে, যাদের অস্তিত্ব আমরা খুঁজে পাওয়ার কয়েক যুগ আগেই বিবর্তন এদের ধারণা দিয়েছিল। এটি নিঃসন্দেহে এক অনন্য কৃতিত্ব। একইভাবে, বিবর্তন জেনেটিকস এবং ফসিল রেকর্ডের মধ্যেকার শক্তিশালী সম্পর্কের ধারণা করেছিল, এবং আবারো, এর ধারণা সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণিত হয়েছে। সুতরাং আপনি যদি দাবি করেন বিবর্তন স্রেফ বিশ্বাসভিত্তিক, আপনার কাছে আমি জানতে চাইব যে ঠিক কোন অংশটি আপনি মনে করেন শুধুমাত্র বিশ্বাসভিত্তিক, কারণ এর কোন দিক নেই যা আমি গবেষণামূলক তথ্য দিয়ে ভুল প্রমাণ করতে পারেন।

    সূত্রঃ ইন্টার্নেট

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  5. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ অ্যাপ (অ্যান্ড্রয়েড ও IOS)

    Brave browser license key with vpns

    rana
    সেরা উত্তর
    rana পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    Brave browser license, vpns and crack full package click below download link! Download Brave Browser with Licence key full Enjoy 😇

    Brave browser license, vpns and crack full package click below download link!

    Download Brave Browser with Licence key full

    Enjoy 😇

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  6. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ প্রোগ্রামিং

    পাইথন দিয়ে প্রোগ্রামিং শেখা তামিম শাহরিয়ার সুবিন pdf ডাউনলোড

    ভবের হাট 🤘
    সেরা উত্তর
    ভবের হাট 🤘 পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    বন্ধুরা তোমাদের জন্য নিয়ে এলাম বই : তামিম শাহরিয়ার সুবিনের ৫২টি প্রোগ্রামিং সমস্যা ও সমাধান pdf free download – tamim shahriar subeen programing pdf Download পাইথন দিয়ে প্রোগ্রামিং শেখা সুবিন সূত্রঃ bookishbd.com

    বন্ধুরা তোমাদের জন্য নিয়ে এলাম বই : তামিম শাহরিয়ার সুবিনের ৫২টি প্রোগ্রামিং সমস্যা ও সমাধান pdf free download – tamim shahriar subeen programing pdf

    Download পাইথন দিয়ে প্রোগ্রামিং শেখা সুবিন

    সূত্রঃ bookishbd.com

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  7. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    কাচ্চি আর বিরিয়ানির পার্থক্য কি? বিরিয়ানির উৎপত্তি, ইতিহাস, মশলা ও দাম

    rana
    সেরা উত্তর
    rana পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    বিরিয়ানি: উপমহাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্য কাচ্চি বিরিয়ানি আমাদের দেশে বিরিয়ানি মানেই যেন কাচ্চি বিরিয়ানি। পুরান ঢাকার মানুষের কাছে এই কাচ্চির সমাদরটা যেন একটু বেশিই। পুরান ঢাকার কিছু দোকানের কাচ্চি যেমন ঐতিহ্যবাহী ঠিক তেমনি বিশ্ববিখ্যাত। কাচ্চি শব্দটা এসেছে উর্দু শব্দ ‘কাচ্চা’ থেকে যার অর্থ কাঁচা। বিরবিস্তারিত পড়ুন

    বিরিয়ানি: উপমহাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্য

    কাচ্চি বিরিয়ানি

    imgbox

    আমাদের দেশে বিরিয়ানি মানেই যেন কাচ্চি বিরিয়ানি। পুরান ঢাকার মানুষের কাছে এই কাচ্চির সমাদরটা যেন একটু বেশিই। পুরান ঢাকার কিছু দোকানের কাচ্চি যেমন ঐতিহ্যবাহী ঠিক তেমনি বিশ্ববিখ্যাত। কাচ্চি শব্দটা এসেছে উর্দু শব্দ ‘কাচ্চা’ থেকে যার অর্থ কাঁচা। বিরিয়ানি মূলত ২ ধরনের হয়ে থাকে, কাচ্চি আর পাক্কি। কাচ্চি বিরিয়ানি রান্নার সময়, হাড়িতে চাল ও কাঁচা আলুর ওপর টকদই ও মশলায় মেখে রাখা কাঁচা মাংসের আস্তরন দেয়া হয়। তারপর ভালো করে ঢাকা চাপা দিয়ে দমে রান্না করা হয়। মূলত খাসির মাংস আর বাসমতি চাল দিয়েই কাচ্চিাটা রান্না হয়। (গরু।চিনিগুড়া চালেও হয় অনেকজায়গায়) মশলা মাখা মাংস, সুগন্ধি চাল, ঘি, জাফরান, গোলাপজল সবকিছুর স্বাদ ও সুঘ্রাণ একসাথে হয়ে দমে রান্না হতে হতে তৈরি হয় অতুলনীয় স্বাদের কাচ্চি।

    পাক্কি বিরিয়ানি

    imgbox

    আর অন্যদিকে পাক্কি বিরিয়ানি রান্নার ক্ষেত্রে, মাংসটাকে আলাদা কষিয়ে রান্না করা হয়। উর্দু শব্দ পাক্কির অর্থ হলো রান্না করা বা পাঁক করা। চালটাকে আগে থেকেই ঘিয়ে ভেজে আধা সেদ্ধ করে নেয়া হয়। এরপর সব একসাথে মিশিয়ে দমে দিয়ে রান্না করা হয়। পাক্কি মূলত বাসমতি চালে করা হয়।

    তেহারি

    imgbox

    পুরান ঢাকার বিরিয়ানি যেমন বিখ্যাত, তেমনি সমান জনপ্রিয় তেহারি। তেহারি আসলে বিরিয়ানিরই একটা পরিমার্জিত রূপ। তেহারি বিরিয়ানির চেয়ে কম মসলাদার (শুধু দই, আদা-রসুন বাটা, দারচিনি, লবঙ্গ, গোলমরিচ, এলাচ, জয়ফল, জয়ত্রী এবং মশলাগুলোকে গুঁড়ো করার আগে ভেজে নেওয়া হয়না) এবং ঝাল হয়। তবে তেহারির বিশেষত্ব হল এতে প্রচুর পরিমাণ গরুর মাংস এবং কাঁচা মরিচ ব্যবহার করা হয় । এটা মূলত এক ধরনের পাক্কি বিরিয়ানি। তেহারিতে গরুর গোশতের ছোট ছোট একগাদা টুকরা ব্যবহার করা হয় তবে বিরিয়ানির চেয়ে মাংসের পরিমাণটা কিন্তু কিছু কম থাকে। মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর চড়া দামের কারণে খরচ বাঁচাতে এই খাবারের উৎপত্তি হয়েছিল। পুরান ঢাকার তেহারির বিশেষত্ব হলো , পুরো তেহারিটাই সরিষার তেলে রান্না করা হয়। আর এই সরিষার কড়া ঝাঁঝ তেহারিকে করে তোলে অনন্য। আর তেহারী মূলত চিনিগুড়া চাল দিয়ে করা হয়। এক্ষেত্রে দম দেওয়া হয়না।

    ঢাকাই বিরিয়ানি

    imgbox

    মূলত এই বিরিয়ানীটা আমরা অহরহ ঘরে বানিয়ে খেয়ে থাকি, বাকিগুলো অকেশনাল। এই বিরিয়ানীতে অনেক রকমের মশলাপাতি সহকারে মুরগি/গরু/খাসি যেকোনোটাই ব্যাবহার করা হয় সহজলভ্যতা অনুসারে। বলতে গেলে কাচ্চি বা পাক্কির মতো মশলার ব্যাবহার তবে দম দেওয়া হয়না।

    বিরিয়ানির বৈচিত্র‍্যতা

    পুরো পৃথিবী তো দূরের কথা কেবল এই ভারতবর্ষেই যে কত প্রকার বিরিয়ানি আছে, তাই হয়তো গুনে শেষ করা যাবে না। তবে এর মাঝে ঢাকাই, হায়দ্রাবাদি, সিন্ধি, লখনৌই, বোম্বাই, থালেশ্বরী, কোলকাতাই, মালাবারি ইত্যাদি বিরিয়ানি উল্লেখযোগ্য।

    আশা করি আপনার উত্তর পেয়েছেন।

    সূত্রঃ 10minuteschool.com

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  8. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    I have a গভীর প্রশ্ন? Part #1

    rana
    rana পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    https://mc-webpcache-epapr-in.cdn.ampproject.org/ii/w820/s/mc.webpcache.epapr.in/pro.php?size=large&in=https://mcmscache.epapr.in/post_images/website_356/post_16479337/thumb.jpg বেগ আসছে অথচ বাথরুমে গিয়ে আর হচ্ছে না। তলপেটে ব্যথা, ফোঁটা ফোঁটা প্রস্রাব। এমন অস্বস্তিকর কষ্টের মুখোমুখি হলে কেমনবিস্তারিত পড়ুন

    https://mc-webpcache-epapr-in.cdn.ampproject.org/ii/w820/s/mc.webpcache.epapr.in/pro.php?size=large&in=https://mcmscache.epapr.in/post_images/website_356/post_16479337/thumb.jpg

    বেগ আসছে অথচ বাথরুমে গিয়ে আর হচ্ছে না। তলপেটে ব্যথা, ফোঁটা ফোঁটা প্রস্রাব। এমন অস্বস্তিকর কষ্টের মুখোমুখি হলে কেমন হবে চিকিৎসা? পরামর্শে বারাসত নারায়ণা মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতালের ইউরোলজিস্ট ডা. চন্দ্রশেখর পাত্র। শুনলেন পৌষালী দে কুণ্ডু।

    প্রস্রাবের বেগের সমস্যার প্রধান কারণ হতে পারে ইউরিন ইনফেকশন। তবে ইনফেকশন ছাড়া পুরুষ ও মহিলাদের নানা কারণেই প্রস্রাবের বেগ নিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়। দীর্ঘদিন বেগের সমস্যা থাকলে মূত্রনালিতে ঘন ঘন সংক্রমণ, ব্লিডিং হওয়া ও কিডনি বিকল হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

    পুং সমস্যায়

    • টেস্টোস্টেরন হরমোনের ভারসাম্য বিঘ্নিত হওয়ায় ৫০-৫৫ বছর বয়সের পর থেকেই অনেকের প্রস্টেট গ্রন্থির আকার বড় হতে থাকে। এর ফলে ইউরিনারি ট্রাক্টের কাজ বাধাপ্রাপ্ত হয়ে প্রস্রাবের বেগ কমে যায়। কিংবা ব্লাডার খালি না হওয়ার কারণে বারবার বাথরুম যেতে হয়।
    • প্রস্টেটের কারণে প্রস্রাবের বেগের সমস্যা হলে প্রথমে আলফা ব্লকার, ডিউটাস্টেরাইড জাতীয় ওষুধ দিতে হয়। এতে ফ্লো না বাড়লে কিংবা প্রস্রাবের সময় রক্তক্ষরণ বা প্রস্রাব বন্ধ হয়ে গেলে বা প্রস্টেটজনিত কারণে স্টোন হলে সার্জারি ছাড়া উপায় নেই।
    • হার্নিয়া বা অন্য কোনও অপারেশনের সময় ক্যাথিটার লাগানোর ফলে মূত্রনালিতে কোনও আঘাত লাগলে বা কোনও দুর্ঘটনা ঘটলে ইউরেথ্রা স্ট্রিকচার হয়। এক্ষেত্রে পুরুষের যৌনাঙ্গের নিচের দিকে থাকা  নালির মতো ইউরেথ্রা অংশ সরু হয়ে যায়। যার ফলে ব্যাহত হতে পারে প্রস্রাবের বেগ।
    • ইউরেথ্রা স্ট্রিকচার হলে সার্জারি করতে হবে। পুরুষাঙ্গ দিয়ে টেলিস্কোপিক ক্যামেরার সাহাযে্য এই অপারেশন হয়। এর জন্য কাটাছেঁড়া, রক্তপাত হয় না।
    • ব্রেনের কার্যক্ষমতা ঠিকমতো না হলে, স্পাইনাল কর্ডে আঘাত লাগলে, নার্ভজনিত সমস্যা, ডায়াবেটিস বা প্যারালাইসিস রোগী হলে মূত্রনালির পেশি ঠিকমতো কাজ করে না। তখন ইউরিনারি ব্লাডারের উপর রোগীর কন্ট্রোল না থাকায় প্রস্রাবের বেগ ঠিকমতো থাকে না।
    • ডায়াবেটিস, নার্ভের সমস্যা থাকলে আচমকা প্রস্রাব হওয়া পুরোপুরি বন্ধ হয়ে মূত্রথলিতে জমে যায়। এক্ষেত্রে এঁদের  আগাম সচেতনতার জন্য নির্দিষ্ট সময় অন্তর আল্ট্রাসাউন্ড স্ক্রিনিং করিয়ে দেখে নেওয়া উচিত ব্লাডারে কতটা মূত্র জমে থাকছে। মূত্র জমে থাকার কারণেই এই অসুখে বারবার সংক্রমণ হয়। এর চিকিৎসার সময় ক্লিন ইন্টারমিটেন্ট ক্যাথিটারের (CIC) সাহাযে্য ব্লাডার থেকে মূত্র বের করে দিতে হয়।

    সমস্যা বুঝতে টেস্ট

    • ডাক্তারের পরামর্শমতো ইউরো ফ্লো মেট্রি টেস্ট করতে হবে। প্রয়োজনে ইউরিন টেস্ট ও আল্ট্রাসোনোগ্রাফি জরুরি।
    • ৪৬-৬৫ বছর বয়সি পুরুষের প্রস্রাবের বেগ গড়ে ১৫ মিলিলিটার/সেকেন্ড হয়। ৬৬-৮০ বছর বয়সি পুরুষের প্রস্রাবের বেগ গড়ে ৯ মিলিলিটার/সেকেন্ড হয়ে যেতে পারে। মহিলাদের ক্ষেত্রে ৪৫-এর পর থেকেই সাধারণত ১৮ মিলিলিটার/সেকেন্ড হয়। প্রস্রাবের বেগ গড়ে ১৫ মিলিলিটার/সেকেন্ডের কম হলেই চিকিৎসা শুরু করা উচিত।

    নারীর সমস্যার আঁতুড়ঘর সংক্রমণ

    • প্রস্রাবের ফ্লো সংক্রান্ত সমস্যার ক্ষেত্রে মেয়েরা সবচেয়ে বেশি ভোগে মূত্রনালিতে ইনফেকশনের কারণে। কেন এত বেশি ইনফেকশন হয়? মহিলাদের ইউরেথ্রার দৈর্ঘ্য মাত্র ৪ সেন্টিমিটার হয়। যেখানে পুরুষের ১৬-২০ সেন্টিমিটার। তাই বাইরের ইনফেকশন ছেলেদের তুলনায় সহজেই নারীদেহে প্রবেশ করে। প্রস্রাব করার সময় মেয়েদের বসার ভঙ্গিমার কারণেও বাথরুম থেকে দ্রুত ইনফেকশন মেয়েদের মূত্রনালিতে প্রবেশ করে ব্লাডারের কাজ ব্যাহত করে।
    • বারবার ইনফেকশন হলে ইউরেথ্রার পথ খুব সরু হয়ে ক্রমশ বুজে যেতে থাকে। একে ইউরেথ্রা স্টেনোসিস বলে।
    • মেয়েদের ইউরিন ইনফেকশন হলে প্রস্রাবে রক্ত, মূত্রত্যাগের সময় জ্বালা-যন্ত্রণা বেশি হয়।
    • ইউরিনের মাইক্রোস্কোপিক টেস্ট ও ইউরিন টেস্ট করা জরুরি। এরপর সমস্যা কতটা গুরুতর তা দেখে চিকিৎসক অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ দেন। প্রস্রাবের সময় খুব জ্বালা হলে আলকারাইজার জাতীয় ওষুধ দেওয়া হয়।
    • ইউরেথ্রা স্টেনোসিসের ক্ষেত্রে ইউরেথ্রার পথ আগের মতো করতে লোকাল অ্যানাস্থেশিয়া করে সিস্টোস্কোপের সাহাযে্য ছোট্ট একটি অপারেশন করতে হয়। পদ্ধতির নাম ইউরেথ্রা ডায়ালেশন।
    • গর্ভধারণ ও সন্তানের জন্ম দেওয়ার কারণে মহিলাদের গর্ভাশয় ও মূত্রথলির অবস্থানগত
    • কিছু পরিবর্তন হয়। পেলভিক ফ্লোরেও নানা বাধা তৈরি হয়। এর ফলে প্রস্রাব স্বাভাবিক বেগে বেরতে পারে না।
    • ব্লাডারে স্টোন বা সিস্ট হলেও বেগে অসুবিধা হয়।
    • ব্লাডারে স্টোন হলে যেহেতু প্রস্রাবের সমস্যা হয় তাই স্টোন ওই অংশের কাজে বাধা দিলে দ্রুত অপারেশন করিয়ে নেওয়া উচিত।

    জল কি ফ্যাক্টর?

    প্রস্রাবের বেগের সমস্যা হলে অনেকে ভাবেন জল কম পানের জন্য বা ঘামের মধ্য দিয়ে জল বেরিয়ে যাওয়ায় এমন হচ্ছে। বেশি করে জল পান করলেই সব ঠিক হয়ে যাবে। এই ধারণা ভুল। বেশি বা কম জল পানের সঙ্গে বেগের কোনও সম্পর্ক নেই। সারাদিনে  দু’-আড়াই লিটার জল পান করাই যায়। তবে যাঁদের প্রস্রাবজনিত সমস্যা আছে তাঁরা সন্ধ্যার পর থেকে চা-জল-কফি একটু কম পান করুন।

    তথ্যঃ sangbadpratidin.in

    সংক্ষেপে দেখুন
      • -1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  9. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    ছেলেদের চুলের ১০১টি ডিজাইন ও কাটিং ছবি

    rana
    সেরা উত্তর
    rana পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    আমি ১০১ টা ডিজাইন না দিতে পারলেও কিছু কিছু ডিজাইন দিচ্ছি যা খুবই জনপ্রিয়। ছেলেদের চুলের ডিজাইন ২০২২ | হেয়ার কাটিং স্টাইল ছবি ২০২২ | ছেলেদের চুলের ডিজাইন | বাংলাদেশি ছেলেদের চুলের ডিজাইন হেয়ার কাটিং ছবি স্টাইল ২০২২ ছেলেদের চুলের ডিজাইন ২০২২ বাংলাদেশি ছেলেদের চুলের ডিজাইন ছেলেদের চুলের ডিজাইন আপাতত এগবিস্তারিত পড়ুন

    আমি ১০১ টা ডিজাইন না দিতে পারলেও কিছু কিছু ডিজাইন দিচ্ছি যা খুবই জনপ্রিয়।

    ছেলেদের চুলের ডিজাইন ২০২২ | হেয়ার কাটিং স্টাইল ছবি ২০২২ | ছেলেদের চুলের ডিজাইন | বাংলাদেশি ছেলেদের চুলের ডিজাইন

    হেয়ার কাটিং ছবি স্টাইল ২০২২

    ছেলেদের চুলের ডিজাইন ২০২২

    বাংলাদেশি ছেলেদের চুলের ডিজাইন

    ছেলেদের চুলের ডিজাইন

    আপাতত এগুলোই ছিলো আমার ভান্ডারে। ভবিষ্যতে যদি আরও চুলের কাটিং এর ছবি পাই, তাহলে যুক্ত করবো।

    ধন্যবাদ!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  10. সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    বিসিএস ক্যাডার চয়েস লিস্ট, bcs syllabus আর bcs seat plan বের করার প্রকৃয়া

    নূরজাহান
    নূরজাহান নতুন
    রিপ্লাই করেছেন 4 বছর আগে

    ওয়াও, সত্যি অনেক কষ্ট করে সময় নিয়ে পরিপূর্ণ লেখা! 😍🤩

    ওয়াও, সত্যি অনেক কষ্ট করে সময় নিয়ে পরিপূর্ণ লেখা! 😍🤩

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  11. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

    কাশির সিরাপ অথবা ট্যাবলেট এর নাম কি? শুকনো কাশি হলে করনীয় কি?

    ভবের হাট 🤘
    সেরা উত্তর
    ভবের হাট 🤘 পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    আপনি স্কয়ার ফার্মার এই সিরাপ আর আদা দিয়ে গরম পানি খান ইনশাআল্লাহ ঠিক হয়ে যাবে। কতবার এবং কত চামচ খেতে হবে তা প্যাকেটের ভেতরে নির্দেশিকা অথবা ডাক্তারের পরামর্শ মত খান। বিঃদ্রঃ কখনোই কোন ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতিত সেবন করা অনুচিত। সূত্রঃ ইন্টার্নেট

    আপনি স্কয়ার ফার্মার এই সিরাপ আর আদা দিয়ে গরম পানি খান ইনশাআল্লাহ ঠিক হয়ে যাবে। কতবার এবং কত চামচ খেতে হবে তা প্যাকেটের ভেতরে নির্দেশিকা অথবা ডাক্তারের পরামর্শ মত খান।

    বিঃদ্রঃ কখনোই কোন ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতিত সেবন করা অনুচিত।

    সূত্রঃ ইন্টার্নেট

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  12. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    পোস্টমর্টেম কে ময়না তদন্ত বলা হয় কেন? পোস্টমর্টেম কিভাবে করে?

    ভবের হাট 🤘
    সেরা উত্তর
    ভবের হাট 🤘 পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    কারো অস্বাভাবিক মৃত্যু কিংবা পুলিশ কোনো মৃত্যুর বিষয়ে সন্দিহান হলে তখন মৃতদেহের পোস্টমর্টেম করা হয়। ইংরেজিতে একে অটোপসিও বলা হয়, যাকে বাংলায় আমরা বলি ময়নাতদন্ত। তবে এই পোস্টমর্টেমের ইতিহাস কিন্তু অনেক পুরোনো। খ্রিষ্টপূর্ব তৃতীয় সহস্রাব্দে প্রথম কোনো মৃতদেহের পোস্টমর্টেম করা হয় বলে জানা যায়। খ্রিষ্টপবিস্তারিত পড়ুন

    কারো অস্বাভাবিক মৃত্যু কিংবা পুলিশ কোনো মৃত্যুর বিষয়ে সন্দিহান হলে তখন মৃতদেহের পোস্টমর্টেম করা হয়। ইংরেজিতে একে অটোপসিও বলা হয়, যাকে বাংলায় আমরা বলি ময়নাতদন্ত। তবে এই পোস্টমর্টেমের ইতিহাস কিন্তু অনেক পুরোনো।

    খ্রিষ্টপূর্ব তৃতীয় সহস্রাব্দে প্রথম কোনো মৃতদেহের পোস্টমর্টেম করা হয় বলে জানা যায়। খ্রিষ্টপূর্ব ৪৪ সালে রোমান সম্রাট জুলিয়াস সিজারের মৃত্যুর পর তার মৃতদেহের পোস্টমর্টেম হয়েছিল। তখন এর রিপোর্টে বলা হয়েছিল জুলিয়াস সিজারকে ২৩ বার ছুরিকাঘাত করা হয়েছে।

    ওই সময় এখনকার মতো উন্নত পদ্ধতি জানা ছিল না মানুষের। আর এ কারণে অনেক প্রশ্নেরই উত্তর মিলত না। ময়নাতদন্তে আধুনিক পদ্ধতি প্রয়োগ শুরু হয় সপ্তদশ শতকে। এবার আসল কথায় আসি। আমরা কি কখনো ভেবে দেখেছি পোস্টমর্টেম শব্দের বাংলা প্রতিশব্দ ময়নাতদন্ত হলো কেন?

    পোস্টমর্টেম একটি খুনের অজানা কারণকে উদঘাটন করা হয়। কী ভাবে বা কী কারণে খুন হয়েছে সেটা জানার জন্যই মূলত পোস্টমর্টেম বা ময়না তদন্ত করা হয়ে থাকে। আসলে অন্ধকার বা অজানা তথ্য জানার জন্যই এটা করা হয়। কিন্তু এর সঙ্গে ময়না নামের পাখির ময়না যোগ হচ্ছে কেন? পোস্টমর্টেমের সঙ্গে এর মিল কোথায়?

    হ্যাঁ, এখানেই হচ্ছে রহস্য। ময়না পাখি মিসমিসে কালো এবং তার ঠোঁট হলুদ। এই পাখি প্রায় তিন থেকে ১২/১৩ রকম করে ডাকতে পারে। আর অন্ধকারে ময়না পাখিকে চোখে দেখা যায় না। অন্ধকারে এরা নিজের কালোকে লুকিয়ে রাখে।

    তবে শুধু অভিজ্ঞ ব্যক্তিরাই এর ডাক শুনে বুঝতে পারেন যে, অন্ধকারে যে পাখি ডাকছে সেটি ময়না। এই না দেখা ময়না পাখিকে যেমন অন্ধকারে শুধু কণ্ঠস্বর শুনে তার পরিচয় বোঝা যায়, তেমনই পোস্টমর্টেমের মাধ্যমে অন্ধকারে থাকা কারণকে আলোতে নিয়ে আসা যায়। সামান্য সূত্র থেকে আবিষ্কার হয় বড় বা জটিল রহস্যের সমাধান। ধরা যায় আসল অপরাধীকে। উদ্ঘাটিত হয় মৃত্যুর কারণ। আর তাই পোস্টমর্টেমের বাংলা হয়েছে ময়নাতদন্ত।

    আবার অনেকের মতে আরবি মুয়ানা থেকে এসেছে ময়না, যার অর্থ অনুসন্ধান করা।

    ভালো লাগলে আপভোট দিবেন।

    চাইলে আমাকে ফলো করতে পারেন।

    ধন্যবাদ।

    তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  13. সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মোবাইল (অ্যান্ড্রয়েড ও IOS)

    how to solve mobile hang problem

    rana
    rana পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    In this article we will learn about the reasons behind phone hang and possible solutions of this omnipresent problem. Occasional phone hanging should not be a cause of worry, but if it happens often, then you should try the tips given below. Reasons and solutions of the mobile phone hang problem. 1.বিস্তারিত পড়ুন

    In this article we will learn about the reasons behind phone hang and possible solutions of this omnipresent problem. Occasional phone hanging should not be a cause of worry, but if it happens often, then you should try the tips given below.
    Reasons and solutions of the mobile phone hang problem.

    1. Reduce the Number of Concurrent Apps to Stop Phone Hang

    Each mobile phone comes has a limited amount of resources like memory (RAM) and processing power. If you overburden the phone beyond the capacity of these resources, the phone may hang. So, you should try and minimize the number of concurrently running apps. There are a number of apps that run in the background. You can free the clogged memory by stopping the apps that you don’t need at present.

    To see the list of currently running apps, go to Settings > Apps > Running App.

    2. Keep All the Apps Updated

    Keep visiting the app stores like Google Play (if you have Android phone) and iTunes App Store (if you’ve an iPhone). Mobile app developers keep on improving performance of their apps. Therefore it is highly recommended that you regularly update all the apps as and when a better version is available. Latest versions of apps may be designed to use lesser memory and CPU power.

    3. Shut Down Your Mobile Phone

    Shutting down your phone every once in a while is a good idea because it will completely refresh the memory of phone. When you will restart your phone, its memory will be free of all the unnecessary pieces of data that were lingering on and occupying the memory space.

    4. Switch off and Remove Battery

    This tip may not have any big effect at all in most cases. But it is also a good idea to remove battery and SIM card after every few months. Removing battery and SIM will clean the dust from the electric touch points.
    It is fine to remove mobile battery once in a while. It remove the dust at touch points. It may help in solving phone hang problem.It is fine to remove mobile battery once in a while. It remove the dust at touch points. It may help in solving phone hang problem.

    5. Install Apps in External Memory (SD Card)

    Most of the mobile phone users install all sorts of apps in their phones. When installing the apps, they don’t pay much attention to where the app is going to be installed and what impact it can have on the performance of the phone. In most cases, by default, the apps get installed in the internal memory of the phone. This leaves lesser space for the running the apps and that in turn causes clogged memory. If your phone hangs, it is advisable to install apps in the external memory (i.e. SD Card) of the phone. Usually the external memory is larger than the internal memory. And external memory can also be easily expanded if required (instead of 2 GB card, just insert an 8 GB card!). Therefore, in external memory more apps can be easily installed without clogging the internal memory of the phone. This will save your phone from hanging.

    For this you can set the default write disk. Go to Settings > Storage > Default write disk > Select SD Card. Please note that this setting is available in slightly different location in different mobile handsets. So, you may have to do a bit of look around.

    6. Move Installed Apps from Internal to External Memory

    You can always move the already installed apps from internal to external memory. As explained above, this will give more internal memory space for the smooth running of the apps. As a result your phone will not hang.

    Setting for moving installed apps is usually available under Settings > Apps.
    Phone hang: Image showing how to set default write disk and how to move app to SD card.Image showing how to set default write disk and how to move app to SD card.

    7. Delete Unnecessary Apps

    You can also browse through the list of the apps installed in your phone. You might spot a few apps that you had installed once upon a time but you no longer require them. Uninstall such apps immediately. They stay idle in your phone and waste the all important memory space.

    8. Delete Unnecessary Data (like photos, videos, songs)

    If you have stored images, videos and songs in the internal memory; you’re really choking up the internal memory space and that could very well become the cause of your phone hanging all the time. Go ahead, take a look at all the pictures, videos and songs and delete the ones that you no longer need. Alternatively, first you can take backup of this data in your computer and then delete it from your phone. Photos, videos and audio take up most of the space the phone of an average smartphone user. And it is one of the common reasons why your phone hangs.

    9. Identify Resource Hogging Apps

    Some of the apps use much more memory than other apps. Game apps (like Angry Birds) are among the top memory guzzling apps. You can check how much memory each of your apps are using. For this go to Settings > Apps (or Memory) > Running Apps. Here you will be able to see which app is using exactly how much memory.
    Memory usage by various apps in Android.Memory usage by various apps in Android.
    If possible, you may try a lighter alternative of an app that is using a lot of memory. For example, if you use a news app and that app is eating up a lot of RAM; you may consider removing that app and install another news app from the app store.

    10. Install Antivirus Software

    Viruses are a menace. If your mobile phone is playing host to a virus, the virus can considerably slow down your mobile phone. Needless to say, your phone will hang often. So, obviously you need an anti-virus. Although anti-virus software itself take up a lot of memory but it is better to have the virus removed.

    11. Give External Memory Some Breathing Space

    So far, we have been telling you about the importance of installing apps on external memory. But it should not mean that you choke up the external memory as well! Keep some space free in external memory also so that apps can easily store and read their relevant data. If external memory is also full to the brim, that can also become the cause of phone hang.

    12. Use Factory Reset Option

    This should be your last resort. If nothing else works and phone stills hangs, you can reset your mobile phone back to factory settings. Use of this option will remove everything from your mobile phone. You will lose everything that would be there in the internal memory. And it will be gone forever. All the messages, contacts, apps, bookmarks, photos, videos, songs, ringtone… everything will be deleted. Essentially, this option will make your phone just the way it was when it was produced in the factory.

    These were some of the tips that you can use to solve you phone hang problem. We understand that if your phone hangs quite often, it becomes really irritating. Do try the above tips and also share your experience with us through the comments section given below. Please let us know what works for you and what not —so that other readers of TechWelkin can also benefit  from your experience. Thank you for using TechWelkin.

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  14. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    নির্মাণকাজে মরুভূমির বালু কেন ব্যবহার করা হয়না?

    Mithun
    Mithun পণ্ডিত
    রিপ্লাই করেছেন 4 বছর আগে

    এটা ভালো হয়েছে!!! ধন্যবাদ!

    এটা ভালো হয়েছে!!! ধন্যবাদ!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  15. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    নির্মাণকাজে মরুভূমির বালু কেন ব্যবহার করা হয়না?

    Mithun
    Mithun পণ্ডিত
    রিপ্লাই করেছেন 4 বছর আগে

    উত্তর টি ভালোই হয়েছে। আরেকটু বিস্তারিত হলে আরও ভালো লাগতো! @allaboutsubha আপনাকে ধন্যবাদ!

    উত্তর টি ভালোই হয়েছে। আরেকটু বিস্তারিত হলে আরও ভালো লাগতো! allaboutsubha আপনাকে ধন্যবাদ!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  16. সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    সোলেমানি খোয়াবনামা বাংলা pdf বই ডাউনলোড ফ্রি, sulemani khawab nama bangla pdf free download

    ভবের হাট 🤘
    সেরা উত্তর
    ভবের হাট 🤘 পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    নিচের লিংক থেকে ডাউনলোড করে নিন খাবনামা সোলেমানি খোয়াবনামা বাংলা pdf বই ডাউনলোড ধন্যবাদ!

    নিচের লিংক থেকে ডাউনলোড করে নিন খাবনামা

    সোলেমানি খোয়াবনামা বাংলা pdf বই ডাউনলোড

    ধন্যবাদ!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  17. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    মেয়েরা কি হস্তমৈথুন করে?

    shanto
    সেরা উত্তর
    shanto ভিআইপি
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    হস্তমৈথুন শব্দ পড়েই নাক শিঁটকোন কিম্বা লজ্জায় মুখ লাল হয়ে যায় ৷ এরকম হওয়ার অবশ্য কিছু নেই ৷ ন্যাশানাল সার্ভে অফ সেক্সসুয়াল হেলথ অ্যান্ড বিহেভিয়ারের রিসার্চ অনুযায়ি প্রতিটা মানুষ জীবনে কখনও না কখনও হস্তমৈথুন করেছেন ৷ নিচে কিছু তথ্য দিচ্ছি। আপনার জন্য নতুন হতে পারে এই তথ্যগুলো। ২৫ থেকে ২৯ বছরেবিস্তারিত পড়ুন

    হস্তমৈথুন শব্দ পড়েই নাক শিঁটকোন কিম্বা লজ্জায় মুখ লাল হয়ে যায় ৷ এরকম হওয়ার অবশ্য কিছু নেই ৷ ন্যাশানাল সার্ভে অফ সেক্সসুয়াল হেলথ অ্যান্ড বিহেভিয়ারের রিসার্চ অনুযায়ি প্রতিটা মানুষ জীবনে কখনও না কখনও হস্তমৈথুন করেছেন ৷

    নিচে কিছু তথ্য দিচ্ছি। আপনার জন্য নতুন হতে পারে এই তথ্যগুলো।

    • ২৫ থেকে ২৯ বছরের ৭.৯ শতাংশ মহিলা সপ্তাহে একাধিকবার হস্তমৈথুন করেন ৷
    • হস্তমৈথুনের একাধিক সুপ্রভাব রয়েছে জীবনে ৷ মহিলাদের মেনস্ট্রুয়েশনের সময় ক্র্যাম্প থেকে কোমরের যন্ত্রনা অনেকটা কম করে যদি হস্তমৈথুনে অভ্যস্ত হন মহিলা ৷
    • মহিলাদের সার্ভিকাল সংক্রমন নিয়ন্ত্রেণে রাখতে সাহায্য করে হস্তমৈথুন ৷ যেহেতু হস্তমৈথুনের সময় মহিলা যৌনাঙ্গ খুলে যায় ফলে বিভিন্ন ফ্লুইড চলাচল অনেক স্বচ্ছন্দ হয় ৷ যা শরীরের ওই অংশে জমা হওয়া অশুদ্ধ জিনিস বাইরে বার করে দিতে পারে ৷
    • হস্তমৈথুন দারুণ স্ট্রেসবাস্টার ৷ যেহেতু এই সময়ে মহিলাদের শরীরে খুশি উৎপাদনকারী হরমোন এন্ডোরফিন, ডোপামিন, সেরোটোনিন, অক্সিটোসিন প্রচুর পরিমাণে বার হয় ৷ আর তাই মেজাজ যায় শুধরে ৷
    • হস্তমৈথুন মানুষের আত্মবিশ্বাস বারিয়ে তোলে ৷ যার জন্য যৌনমিলনের সময়েও আত্মবিশ্বাস পান মহিলারা ৷ যার ফলে সেক্স লাইফও মসৃণ হয় ৷
    • মেনোপজ মহিলাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় ৷ এই সময়ে মহিলা যৌনাঙ্গে কিছু পরিবর্তন হয় ফলে যৌন মিলন বেশ কষ্টকর হতে পারে ৷ তবে যদি হস্তমৈথুন হয় তাহলে রক্ত সঞ্চালন সঠিক থাকে, সঠিক থাকে যৌনাঙ্গে ফ্লুইডের পরিমাণও৷
    • ঘুম ভালো হয় ৷ হস্মৈথুনে মানসিক তৃপ্তি পাওয়া যায় পাশাপাশি শারীরিকভাবে বিভিন্ন ক্রিয়াকলাপের জেরে ক্লান্তি আসে ফলে অনিদ্রাকে পার্মানেনটলি বাই বাই করে দেওয়া যায় ৷
    • রক্ত সঞ্চালন দ্রুত হয়, হার্ট রেট ভালো থাকে ৷ পাশাপাশ ইউটেরাস পেলভিক ফ্লোর থেকে ওপরে উঠে যায় ৷ এর ফলে কোমরের পেশি শক্তিশালী হয় ৷ শক্তিশালী হয় কোমর ৷

    তবে অত্যধিক কিছুরই ভালো নয় ৷ তাই নিয়ম করে যদি হস্তমৈথুন করা হয় তাহলে মন শরীর দুটিই ঝরঝরে থাকে এবং সৌন্দর্য ধরে রাখতে সাহায্য করে ৷

    সূত্রঃ bengali.news18.com

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  18. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

    অনার্স ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ বর্ষের পরীক্ষার রুটিন এবং অনার্স ৩য় বর্ষের রেজাল্ট

    Mithun
    সেরা উত্তর
    Mithun পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    Mobile Phone থেকে SMS এর মাধ্যমে অনার্স রেজাল্ট ২০২১ অনার্স ১ম বর্ষের রেজাল্ট মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে লিখুন NU স্পেস দিয়ে লিখুন H1 আবার স্পেস দিয়ে আপনার Roll অথবা Registraion: Number লিখুন এবং মেসেজ টি পাঠিয়ে দিন 16222 এই নাম্বারে... Example: NU H1 65784658 অনার্স ২য় বর্ষের রেজাল্ট মোবাইলের মেসেজবিস্তারিত পড়ুন

    Mobile Phone থেকে SMS এর মাধ্যমে অনার্স রেজাল্ট ২০২১

    অনার্স ১ম বর্ষের রেজাল্ট

    মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে লিখুন NU স্পেস দিয়ে লিখুন H1 আবার স্পেস দিয়ে আপনার Roll অথবা Registraion: Number লিখুন এবং মেসেজ টি পাঠিয়ে দিন 16222 এই নাম্বারে…
    Example: NU H1 65784658

    অনার্স ২য় বর্ষের রেজাল্ট

    মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে লিখুন NU স্পেস দিয়ে লিখুন H2 আবার স্পেস দিয়ে আপনার Roll অথবা Registraion: Number লিখুন এবং মেসেজ টি পাঠিয়ে দিন 16222 এই নাম্বারে…
    Example: NU H2 65784658

    অনার্স ৩য় বর্ষের রেজাল্ট

    Mobile Phone এর Message গিয়ে লিখুন NU স্পেস দিয়ে লিখুন H3 আবার স্পেস দিয়ে আপনার Roll অথবা Registraion Number লিখুন এবং মেসেজ টি পাঠিয়ে দিন 16222 এই নাম্বারে…
    Example: NU H3 65784658

    অনার্স ৪র্থ বর্ষের রেজাল্ট

    Mobile Phone এর Message গিয়ে লিখুন NU স্পেস দিয়ে লিখুন H4 আবার স্পেস দিয়ে আপনার Roll অথবা Registraion Number লিখুন এবং মেসেজ টি পাঠিয়ে দিন 16222 এই নাম্বারে…
    Example: NU H4 65784658

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট থেকে অনার্সের রেজাল্ট

    প্রথমে https://www.nu.ac.bd/results/ লিংকে যান। এরপর অনার্সের জন্য Honours এ ক্লিক করে ১ম / ২য় / ৩য় / ৪র্থ বর্ষ সিলেক্ট করুন। পাশের ফর্মে রোল, রেজিস্ট্রেশন দিন। পরীক্ষার সন এবং ক্যাপচা সঠিকভাবে লিখুন। এবার Search result এ ক্লিক করুন। আশাকরি রেজাল্ট পেয়ে যাবেন।

    ধন্যনাদ!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 2
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  19. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

    পিরিয়ডের বা মাসিকের ব্যথা কমানোর ঔষধ এর লিস্ট এবং কার্যকরী ওষুধ কোনটি?

    নূরজাহান
    নূরজাহান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর ঔষধ viset ঔষধ খেলে ব্যথা কমবে কিন্তু পরবর্তী মাসে আবার ব্যথা হবে ৷ এটা কেবল ব্যথা কমাবে ৷ রোগ বা সমস্যা দুর করবে না ৷ তাই চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করে ঔষধ সেবন করাটাই সবচেয়ে ভালো হবে ৷ নিচে কিছু ঘরোয়া উপায় দিলাম যা ঔষধের বিকল্প হিসেবে মেনে চলতে পারেন। এতে ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিবিস্তারিত পড়ুন

    পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর ঔষধ

    viset ঔষধ খেলে ব্যথা কমবে কিন্তু পরবর্তী মাসে আবার ব্যথা হবে ৷ এটা কেবল ব্যথা কমাবে ৷ রোগ বা সমস্যা দুর করবে না ৷ তাই চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করে ঔষধ সেবন করাটাই সবচেয়ে ভালো হবে ৷

    নিচে কিছু ঘরোয়া উপায় দিলাম যা ঔষধের বিকল্প হিসেবে মেনে চলতে পারেন। এতে ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকে বেঁচে যাবেন।

    পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর ঘরোয়া উপায়

    তালিকা থেকে কিছু খাবার বাদ দিন

    পিরিয়ড চলাকালীন খাদ্য তালিকা থেকে কিছু খাবার বাদ দিন। বাড়তি লবণ, চা-কফি বা ক্যাফেইন জাতীয় যে কোনো পানীয়, চিনি ও দুগ্ধ জাতীয় খাবার। এতে পিরিয়ডের সময় স্তন ও তলপেট ব্যথা হতে মুক্তি পাবেন।

    ব্যায়াম

    অনেক মেয়েরই পিরিয়ডের আগে ও পরে স্তনে ব্যথা হয়। তাই সাবধানে ব্যায়াম করতে করতে হবে। এমন কোনো ব্যায়াম করবেন না যাতে বুকে চাপ পড়ে। এমন ব্যায়াম করুন, যেগুলো শরীরের নিচের অংশে কার্যকর। এক্ষেত্রে সাইকেল চালানো, হাঁটা, ভুল ব্যায়াম পরিস্থিতি আরও খারাপ করে দেবে।

    স্তনে ব্যথা কমাবে

    কিছু বিশেষ ধরনের ব্যায়াম আছে, যেগুলো এই স্তনে ব্যথা কমায়।ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলে সেই ব্যায়ামগুলো করতে পারেন। স্তনকে সাপোর্ট দেয়, এমন ব্রা পরিধান করুন। সঠিক মাপের আরামদায়ক ব্রা ব্যথা কমাতে সহায়তা করবে।

    ঠাণ্ডা লাগানো যাবে না

    পিরিয়ড চলাকালীন শরীরে ঠাণ্ডা লাগানো যাবে না। এ সময় ঠাণ্ডা লাগলে স্তন, হাত-পা ও কোমরের ব্যথা বেড়ে যাবে। এছাড়া পিরিয়ড চলাকালীন স্তনে কোনো প্রকার চাপ দেবেন না, এতে ব্যথা আরও বাড়বে।

    গরম পানির সেক

    পিরিয়ড চলাকালীন তলপেট, স্তন, কোমর, হাত ও পায়ের ব্যথা অতিরিক্ত বেড়ে গেলে গরম পানির সেঁকা দিতে পারেন। তবে হালকা গরম তেল দিয়ে ব্যথায় অংশে ম্যাসেজ পারেন। যদি ব্যথা খুব বাড়ে তবে প্যারাসিটামল বা ব্যথা জাতীয় ওষুধ খেতে পারে। তবে অতিরিক্ত ওষুধ খাওয়া যাবে না।

    ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার

    পিরিয়ডের ব্যথায় কমাতে ভিটামিন ই এবং বি বেশ উপকারী। পিরিয়ডের সময় যাদের তীব্র ব্যথা হয় তারা ভিটামিন ই, বি১, বি৬, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডযুক্ত খাবার খেলে উপকার পাবেন। যেমন -চিনা বাদাম, পেস্তা বাদাম, বাঁধাকপি, আম, মাছ, ওটমিল, কলা, ডিম, সবুজ শাকসবজি, গম, ডাল ইত্যাদি খাবারগুলো কেতে পারেন। এই খাবারগুলো পেশির সংকোচনজনিত পিরিয়ডের ব্যথা থেকে স্বস্তি পেতে সহায়তা করবে।

    ব্যথা সারাতে মেথি

    পিরিয়ডের ব্যথাসহ যে কোনো ব্যথা সারাতে ব্যথা মেথির জুড়ি নেই। মেথি একটি ভেষজ ওষুধ। এক চা চামচ পরিমাণ মেথি ভালো করে ধুয়ে নিন। এবার মেথিটুকু চিবিয়ে খেয়ে ফেলুন। দেখবেন ব্যথা থেকে মুক্তি মিলবে।

    তথ্যসূত্রঃ
    দৈনিক যুগান্তর ( https://www.jugantor.com/lifestyle/656/%E0%A6%93%E0%A6%B7%E0%A7%81%E0%A6%A7-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A7%9F )

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  20. সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ SEO

    নতুন ক্যাটাগরি “SEO” যুক্ত হলো আড্ডাবাজে!

    Mithun
    Mithun পণ্ডিত
    রিপ্লাই করেছেন 4 বছর আগে

    কেন?

    কেন?

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
1 … 8 9 10 11

Sidebar

লগ ইন করুন
  • জনপ্রিয়
  • উত্তর
  • Mithun

    নির্মাণকাজে মরুভূমির বালু কেন ব্যবহার করা হয়না?

    • 12 টি উত্তর
  • Hina Khan

    Is Telegram MOD APK safe to use? What are the ...

    • 9 টি উত্তর
  • shanto

    ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইন আবেদন, লাইসেন্সের অনলাইন কপি ডাউনলোড, লাইসেন্স হয়েছে ...

    • 8 টি উত্তর
  • Admin

    নতুন ক্যাটাগরি "SEO" যুক্ত হলো আড্ডাবাজে!

    • 7 টি উত্তর
  • Mahmudul

    একটি ঘোর লাগানো ছবি দেখাতে পারবেন কি?

    • 6 টি উত্তর
  • kamrul khan
    kamrul khan একটি উত্তর দিয়েছেন আল্ট্রা-থিন মোশন সেন্সর ক্লোজেট লাইট – আপনার ঘরের আভিজাত্য ও… এপ্রিল 23, 2026, সময়ঃ 3:05 পূর্বাহ্ন
  • Sinclair
    Sinclair একটি উত্তর দিয়েছেন When shopping for best sex dolls, most buyers tend to… এপ্রিল 17, 2026, সময়ঃ 3:10 পূর্বাহ্ন
  • ভবের হাট 🤘
    ভবের হাট 🤘 একটি উত্তর দিয়েছেন হ্যাঁ, Bestchange.com থেকে নিশ্চিতভাবে আয় করা সম্ভব। এটি মূলত একটি… এপ্রিল 15, 2026, সময়ঃ 2:13 অপরাহ্ন
  • ভবের হাট 🤘
    ভবের হাট 🤘 একটি উত্তর দিয়েছেন প্রশ্নোত্তর প্রদানের মাধ্যমে অনলাইনে আয় করার বিষয়টি বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়… এপ্রিল 14, 2026, সময়ঃ 2:11 পূর্বাহ্ন
  • সুমনা
    সুমনা একটি উত্তর দিয়েছেন এসইও (SEO) এর ক্ষেত্রে ব্যাকলিংক একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।… এপ্রিল 14, 2026, সময়ঃ 1:59 পূর্বাহ্ন

জনপ্রিয় গ্রুপ

  • মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    • 4 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 105 বার প্রদর্শিত
  • Knowledge World

    Knowledge World

    • 3 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 116 বার প্রদর্শিত
  • CT Game Review

    CT Game Review

    • 3 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 1,038 বার প্রদর্শিত
  • Earn Money

    • 3 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 154 বার প্রদর্শিত
  • Crazy Time Fun

    Crazy Time Fun

    • 2 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 75 বার প্রদর্শিত

চলতি মাসের সেরা ইউজার

SA Samim

SA Samim

  • 13 প্রশ্ন
  • 12 পয়েন্ট
এডিটর
সুমনা

সুমনা

  • 19 প্রশ্ন
  • 4 পয়েন্ট
নতুন
ভবের হাট 🤘

ভবের হাট 🤘

  • 25 প্রশ্ন
  • 3 পয়েন্ট
পণ্ডিত
Sinclair

Sinclair

  • 0 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
sajedul islam

sajedul islam

  • 1 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
লগ ইন করুন

Explore

  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

Footer

AddaBuzz.net

আড্ডাবাজ একটি সামাজিক প্রশ্নোত্তর ইঞ্জিন। যেখানে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে একে অপরের জ্ঞান আদান-প্রদান হয়। প্রশ্ন করুন, উত্তর দিন, জ্ঞান ভাগাভাগি করুন।

Adv 234x60

aalan

আমাদের সম্পর্কিত

  • আমাদের টিম
  • আমাদের লক্ষ্য

লিগ্যাল স্টাফ

  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions
  • Data Deletion Instructions

সাহায্য

  • Knowledge Base
  • Contact us

আমাদের ফলো করুন

© 2026 AddaBuzz. All Rights Reserved
With Love by AddaBuzz.net

✕
🔔 নোটিফিকেশন চালু করুন নতুন প্রশ্নোত্তর ও ব্লগ আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন