সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
পৃথিবীতে হীরার থেকে কুড়ি গুণ বেশি দুর্লভ রত্ন কোনটি?
বেশ কিছু রত্ন হীরার থেকেও দুর্লভ। নিচের এদের একটি তালিকা দেয়া হলো। পেইনাইট (Painite) আলেক্সান্ড্রাইট (Alexandrite) তাঞ্জানাইট (Tanzanite) বেনিটোইট (Benitoite) পাউড্রেটেইট (Poudretteite) গ্রান্ডিডায়ারাইট (Grandidierite) লোহিত হীরা (Red Diamonds) মাসগ্রাভাইট (Musgravite) জেরেমেজেভাইট (Jeremejevite) রেবিস্তারিত পড়ুন
বেশ কিছু রত্ন হীরার থেকেও দুর্লভ। নিচের এদের একটি তালিকা দেয়া হলো।
পেইনাইট (Painite)
আলেক্সান্ড্রাইট (Alexandrite)
তাঞ্জানাইট (Tanzanite)
বেনিটোইট (Benitoite)
পাউড্রেটেইট (Poudretteite)
গ্রান্ডিডায়ারাইট (Grandidierite)
লোহিত হীরা (Red Diamonds)
মাসগ্রাভাইট (Musgravite)
জেরেমেজেভাইট (Jeremejevite)
রেড বেরিল (Red Beryl)
যদি বিস্তারিত কেউ জানতে চান তাহলে কমেন্ট করতে পারেন। সবগুলো সবিস্তারে আলোচনা করা যাবে।
সংক্ষেপে দেখুনডাইনোসর দের থেকেও অধিক বর্ষীয়ান প্রাণী কেনাটি?
হাঙ্গর : হাঙ্গর বা হাঙরের জীবাশ্মের প্রাচীনতম প্রমাণ 450 মিলিয়ন বছর আগের, যার মানে এই প্রাণীগুলি গাছের প্রায় 90 মিলিয়ন বছর আগে এবং ডাইনোসরের 190 মিলিয়ন বছর আগে ছিল।
হাঙ্গর :

সংক্ষেপে দেখুনহাঙ্গর বা হাঙরের জীবাশ্মের প্রাচীনতম প্রমাণ 450 মিলিয়ন বছর আগের, যার মানে এই প্রাণীগুলি গাছের প্রায় 90 মিলিয়ন বছর আগে এবং ডাইনোসরের 190 মিলিয়ন বছর আগে ছিল।
ইলুমিনাতি কি?
ইলুমিনাতি : ঐতিহাসিক নাম ব্যাভারীয় ইলুমিনাতি, একটি গুপ্ত সংগঠন। ১৭৭৬ সালের ১ মে জার্মানির ব্যাভারিয়াতে আডাম ভাইসহাউপ্ট কর্তৃক এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এর লক্ষ্য ছিল কুসংস্কার, অস্পষ্টতা, জনজীবনে ধর্মীয় প্রভাব এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরোধিতা করা। তারা তাদের সাধারণ বিধিতে লিখেছিল, "অন্যায়েরবিস্তারিত পড়ুন
ইলুমিনাতি :
ঐতিহাসিক নাম ব্যাভারীয় ইলুমিনাতি, একটি গুপ্ত সংগঠন। ১৭৭৬ সালের ১ মে জার্মানির ব্যাভারিয়াতে আডাম ভাইসহাউপ্ট কর্তৃক এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

সংক্ষেপে দেখুনএর লক্ষ্য ছিল কুসংস্কার, অস্পষ্টতা, জনজীবনে ধর্মীয় প্রভাব এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরোধিতা করা। তারা তাদের সাধারণ বিধিতে লিখেছিল, “অন্যায়ের প্রবর্তকদের ষড়যন্ত্রের অবসান ঘটানো, তাদের উপর কর্তৃত্ব না করে তাদের নিয়ন্ত্রণ করা।” সমাজ ও জাতির জন্য হুমকিস্বরূপ ভেবে পবিত্র রোমান সাম্রাজ্যের অধীনস্থ ব্যাভারিয়ার তৎকালীন শাসক চার্লস থিওডোর তাঁর শাসিত অঞ্চলের সকল গুপ্ত সংগঠন নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। ১৭৮৫ সালের ২ মার্চ এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ হয়। আডাম পালিয়ে যান আর ইলুমিনাতির প্রচুর গোপন নথিপত্র সরকারের হাতে এসে যায়, এবং দু’বছর বাদে সরকার সেগুলো প্রকাশ করে দেয়।
বিজ্ঞানীরা অনেকদিন ধরেই মঙ্গল গ্রহে মানুষের বসবাসের কথা ভাবছেন। সত্যি কি মঙ্গল গ্রহে মানুষের বসতি স্থাপন সম্ভব?
আমার মত যারা অর্ধেক ব্রেইনের মানুষ, তারাও বুঝতে পারবে এটা অসম্ভব। কেন অসম্ভব তা নিচে ব্যাখ্যা করছি। মঙ্গলে কোন ম্যাগনেটিক ফিল্ড নেই কোন গ্রাভিটি নেই বিষাক্ত মাটি গাছপালাদের জন্য নাইট্রোজেন নেই পর্যাপ্ত বায়ুমণ্ডল নেই, যতটুকু আছে তাতে প্রয়োজনীয় গ্যাস বিদ্যমান নেই ঠান্ডা, খুবই তীব্র ঠান্ডা পানি নেই আপনবিস্তারিত পড়ুন
আমার মত যারা অর্ধেক ব্রেইনের মানুষ, তারাও বুঝতে পারবে এটা অসম্ভব। কেন অসম্ভব তা নিচে ব্যাখ্যা করছি।

আমি জানিনা কারা এরকম কথা বলে। কিন্তু যারা বলে তারা কখনোই এটা সম্ভব করতে পারবে না।
সংক্ষেপে দেখুনকোন প্রাণীকে বেঁচে থাকার জন্য সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি পোহাতে হয়?
এরকম অনেক প্রাণী আছে। কিন্তু আমার কাছে সানফিশ (Sunfish) হলো অত্যন্ত নিরীহ, যার সাথে অন্য কোন প্রাণীর তুলনা চলেনা। সানফিশ হল সমুদ্রের বৃহত্তম মাছ। যার উচ্চতা ৪ মিটার এবং দৈর্ঘ্য ৩ মিটার, ওজন ২০০ থেকে ৪০০ কেজির মধ্যে হয়ে থাকে। এরা ডিম্বাকৃতির হয় এবং হাঙ্গরের মতো পাখনা থাকে। এরা সম্পূর্ণ নিরীহ প্রজাতি।বিস্তারিত পড়ুন
এরকম অনেক প্রাণী আছে। কিন্তু আমার কাছে সানফিশ (Sunfish) হলো অত্যন্ত নিরীহ, যার সাথে অন্য কোন প্রাণীর তুলনা চলেনা।
সানফিশ হল সমুদ্রের বৃহত্তম মাছ। যার উচ্চতা ৪ মিটার এবং দৈর্ঘ্য ৩ মিটার, ওজন ২০০ থেকে ৪০০ কেজির মধ্যে হয়ে থাকে। এরা ডিম্বাকৃতির হয় এবং হাঙ্গরের মতো পাখনা থাকে। এরা সম্পূর্ণ নিরীহ প্রজাতি।




সংক্ষেপে দেখুনসানফিশ সমুদ্রের সমস্ত শিকারীদের জন্য নিখুঁত শিকার। এরা ধীর গতির, অবিচক্ষণ, আকৃতিতে বড় (যার ফলে সহজে চিহ্নিত করা এবং ধরার যায়)। এদের চর্বি এবং ত্বকের স্তর পুরু (প্রায় ১৫ সে.মি পুরু)। এদের থাকে নিরীহ সেটের দাঁত (কারণ এরা শুধু প্লাঙ্কটন খেয়ে থাকে)।
এই বৈশিষ্ট্যগুলির কারণে, মহাসাগরের সানফিশগুলি সমুদ্রের সবচেয়ে গভীর, বিচ্ছিন্ন এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে বাস করে। যা তাদের উপকূল এবং শিকারীদের থেকে অনেক দূরে রাখে।
দুর্ভাগ্যবশত, যদি এই প্রাণীটি একটি হাঙ্গর অথবা সী-লায়নের সংস্পর্শে আসে, তবে তার ভাগ্য অনিবার্যভাবে নিচের ছবির মত হবে।
কত বছরের গড় আবহাওয়াকে কোনো অঞ্চলের জলবায়ু বলে?
যে কোন স্থানের ২০-৩০ বছরের আবহাওয়ার গড়কে জলবায়ু বলে।
যে কোন স্থানের ২০-৩০ বছরের আবহাওয়ার গড়কে জলবায়ু বলে।
সংক্ষেপে দেখুনরাসুল (সাঃ) এর সর্বশেষ সাহাবি কত হিজরি পর্যন্ত জীবিত ছিলেন?
রাসুল (সাঃ) এর সর্বশেষ সাহাবি ছিলেন আনাস ইবনে মালিক ইবনে নাদার আল-খাজরাজ আল-আনসারি।তিনি ৯৩ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।
রাসুল (সাঃ) এর সর্বশেষ সাহাবি ছিলেন আনাস ইবনে মালিক ইবনে নাদার আল-খাজরাজ আল-আনসারি।তিনি ৯৩ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।
সংক্ষেপে দেখুনপ্রাণীজগতের উৎপত্তি ও বংশ সম্বন্ধীয় বিদ্যাকে কি বলে ?
প্রাণীজগতের উৎপত্তি ও বংশ সম্বন্ধীয় বিদ্যাকে বলা হয় জেনেটিক্স।
প্রাণীজগতের উৎপত্তি ও বংশ সম্বন্ধীয় বিদ্যাকে বলা হয় জেনেটিক্স।
সংক্ষেপে দেখুন১০ সেকেন্ডের জন্য পৃথিবী থেকে অক্সিজেন উধাও হয়ে গেলে কি হবে?
অধিকাংশ মানুষই ৩০ সেকেন্ড অক্সিজেন ছাড়া থাকলে তাদের শারীরবৃত্তীয় কোনো সমস্যা হয় না। ১০ সেকেন্ড অক্সিজেন ছাড়া আপনার শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিকই থাকবে। কিন্তু শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্যই কেবল অক্সিজেন প্রয়োজনীয় নয়। কল্পনা করুন এই পৃথিবীতে অক্সিজেন অদৃশ্য হয়ে গেল। আজীবনের জন্য এমনটি হবে বলছি না। ধরুন মাত্র ৫বিস্তারিত পড়ুন
অধিকাংশ মানুষই ৩০ সেকেন্ড অক্সিজেন ছাড়া থাকলে তাদের শারীরবৃত্তীয় কোনো সমস্যা হয় না। ১০ সেকেন্ড অক্সিজেন ছাড়া আপনার শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিকই থাকবে। কিন্তু শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্যই কেবল অক্সিজেন প্রয়োজনীয় নয়।
কল্পনা করুন এই পৃথিবীতে অক্সিজেন অদৃশ্য হয়ে গেল। আজীবনের জন্য এমনটি হবে বলছি না। ধরুন মাত্র ৫ সেকেন্ডের জন্য। চিন্তামুক্ত! এ আর এমনকি, ৫ সেকেন্ডের জন্য দম বন্ধ করে রাখব। আপনি না হয় ৫ সেকেন্ডের জন্য দম বন্ধ করে রাখলেন। কিন্তু পরিবেশের ওপর এর প্রভাব হবে সুদূরপ্রসারী।
একটি সুন্দর গভীর শ্বাস নিন। বেঁচে আছেন? নিজেকে সন্তুষ্ট মনে হচ্ছে? আপনি বেঁচে থাকার জন্য শ্বাস নিতে গিয়ে যা গ্রহণ করছেন তাই অক্সিজেন। আমাদের বায়ুমণ্ডলে ২১ শতাংশ গ্যাস হলো অক্সিজেন। কিন্তু এটিই এই সবুজ গ্রহের সর্বাধিক গ্যাস নয়। এই পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি গ্যাস হলো নাইট্রোজেন, যার পরিমাণ ৭৮ শতাংশ। তবে সবচেয়ে বেশি গ্যাস না হলেও আমাদের জন্য অক্সিজেন অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এই গ্রহে অক্সিজেন না থাকলে গাছপালা, প্রাণী, মানুষ এমনকি পানিও থাকত না। আমরা যে খাওয়ার পানি খাই, পানির অপর নাম জীবন বলি, সেই পানি কিন্তু অক্সিজেন ও হাইড্রোজেনের মিলিত যৌগ
হোয়াটইফে প্রকাশিত প্রবন্ধে বলা হয়েছে, এই ৫ সেকেন্ডে পৃথিবীর চিত্র পুরো বদলে যাবে। অক্সিজেন কংক্রিটের বাঁধাই হিসেবে কাজ করে। যদি অক্সিজেন না থাকে, তবে কংক্রিট কেবল ধুলোমাত্র। অর্থাৎ অক্সিজেন যদি উধাও হয়ে যায়, ৫ সেকেন্ডের মধ্যেই পৃথিবীর সব ছোট-বড় দালানকোঠা ধসে পড়বে। রক্ষা পাবে না অ্যাম্পায়ার স্টেট বিল্ডিং থেকে ব্রুজ আল আরব, এমনকি ভেঙে পড়বে সেতু, ফ্লাইওভার, মেট্রো।
আপনি ভাবছেন এ সময় যদি সমুদ্রসৈকতে থাকেন। হয়তো বেঁচে যাবেন। দালানকোঠা নেই। আসলে তাতেও রক্ষা নেই। অক্সিজেন পরমাণু দ্বারা গঠিত ওজোন স্তর সূর্য থেকে আসা অতিবেগুনি রশ্মি থেকে আমাদের রক্ষা করে। অক্সিজেন না থাকলে পৃথিবী অত্যন্ত গরম হয়ে উঠবে। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে আমাদের রক্ষা করার মতো আর কিছুই থাকবে না।
রোদে পুড়ে গিয়েও রক্ষা নেই। এ সময় আমাদের কানও ফেটে যাবে। এই বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ ২১ শতাংশ। অর্থাৎ অক্সিজেন না থাকা মানে বায়ুমণ্ডল বায়ুচাপ হারাবে ২১ শতাংশ, যা তাৎক্ষণিকভাবে সমুদ্রের ২০০ মিটার গভীরের চাপের সমান এবং আমাদের কান মানিয়ে নেয়ার সময় পাবে না। ফলে ৫ সেকেন্ডেই আমাদের শ্রবণশক্তি হারাতে হবে।
আগুন ধরার ক্ষেত্রে অক্সিজেনের ভূমিকা আমরা জানি। বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেন নেই তো আগুন নেই। যানবাহনে জ্বলন প্রক্রিয়াও ঘটবে না। বৈদ্যুতিক যানবাহন ছাড়া সব ট্রাক, গাড়ি রাস্তায় থেমে যাবে। আকাশ থেকে পাখির মতো বিমান পড়তে থাকবে।
আকাশ হয়ে যাবে সম্পূর্ণ অন্ধকার। সূর্যের আলো পৃথিবীপৃষ্ঠে পৌঁছানোর আগে বায়ুমণ্ডলে একাধিক স্থানে বাউন্স হয়ে আসে। বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেন না থাকলে আলো বাউন্স করার উপাদান কম পাবে। ফলে আকাশ দেখাবে অন্ধকার।
এতক্ষণ তো বললাম বায়ুমণ্ডলের কথা। ভূত্বকের কী হবে? আমরা যেই ভূপৃষ্ঠে হেঁটে বেড়াই, গাড়ি চালাই, সাইকেল চালাই তা অক্সিজেন, সিলিকন, অ্যালুমিনিয়াম, লৌহ, ক্যালশিয়াম, সোডিয়াম, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম এই আটটি প্রধান উপাদান দিয়ে গঠিত। আর এই আটটি উপাদানের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রয়েছে অক্সিজেন, যার পরিমাণ ৪৫ শতাংশ। তার মানে ভূপৃষ্ঠে অক্সিজেন না থাকলে প্রায় অর্ধেকই থাকবে না। ফলে মাটিতে দেখা দেবে ফাটল। আমরা সব পৃথিবী পৃষ্ঠের ভেতরেই হারিয়ে যেতে থাকব। ভূত্বকের উপরিভাগের নিচেই রয়েছে উত্তপ্ত লাভা। আসলে মানুষের বেঁচে থাকার কোনো সম্ভাবনাই থাকবে না।
ভয় লাগছে? চিন্তা হচ্ছে? বায়ুমণ্ডলের ২১ শতাংশ অক্সিজেন থেকে একটা গভীর শ্বাস গ্রহণ করুন। জেনে রাখুন এমনটা কখনই ঘটবে না।
সংক্ষেপে দেখুনবাংলাদেশে প্রথম রেললাইন স্থাপিত হয় কত সালে?
ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ে নামক কোম্পানি প্রথম বাংলাদেশে রেলপথ স্থাপন করে। ১৮৬২ সালের ১৫ই নভেম্বর চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থেকে কুষ্টিয়ার জগতি পর্যন্ত রেলপথ স্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশ রেল যুগে প্রবেশ করে।
ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ে নামক কোম্পানি প্রথম বাংলাদেশে রেলপথ স্থাপন করে। ১৮৬২ সালের ১৫ই নভেম্বর চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থেকে কুষ্টিয়ার জগতি পর্যন্ত রেলপথ স্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশ রেল যুগে প্রবেশ করে।
সংক্ষেপে দেখুননেপালের রাজা জ্ঞানেন্দ্র ক্ষমতাসীন হয়েছিলেন কখন?
নেপালের রাজা বীরেন্দ্র বীর বিক্রম শাহদের ১ জুন ২০০১ সপরিবারে নিহত হওয়ার পর জ্ঞানেন্দ্র বীর বিক্রম শাহ দেব ক্ষমতাসীন হয়েছিলেন ২০০১ সালের ৪ জুন ।
নেপালের রাজা বীরেন্দ্র বীর বিক্রম শাহদের ১ জুন ২০০১ সপরিবারে নিহত হওয়ার পর জ্ঞানেন্দ্র বীর বিক্রম শাহ দেব ক্ষমতাসীন হয়েছিলেন ২০০১ সালের ৪ জুন ।
সংক্ষেপে দেখুনএভারেস্ট শৃঙ্গ প্রথম জয় করা হয় কবে?
তেনজিং নোরগে ২৯ মে, ১৯১৪ - ৯ মে, ১৯৮৬ একজন নেপালী শেরপা পর্বতারোহী ছিলেন।. তিনি এবং এডমন্ড হিলারি ১৯৫৩ সালের ২৯ শে মে যৌথভাবে বিশ্বে সর্বপ্রথম পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এভারেস্ট পর্বত জয় করেন।
তেনজিং নোরগে ২৯ মে, ১৯১৪ – ৯ মে, ১৯৮৬ একজন নেপালী শেরপা পর্বতারোহী ছিলেন।. তিনি এবং এডমন্ড হিলারি ১৯৫৩ সালের ২৯ শে মে যৌথভাবে বিশ্বে সর্বপ্রথম পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এভারেস্ট পর্বত জয় করেন।
সংক্ষেপে দেখুনযুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে হলে নূন্যতম কতটি ইলেকট্ররাল ভোটের প্রয়োজন হয়?
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সরাসরি ভোটের মাধ্যমে না হলেও ৫৩৮ (১০০ সিনেটর + ৪৩৫ রিপ্রেজেন্টেটিভ + ৩সদস্য ডিস্ট্রিস্ট অব কলাম্বিয়া) সদস্যের ইলেক্টোরাল কলেজের পছন্দের ওপর প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর জয় - পরাজয়ের নির্ভর করে থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি রাজ্যে ৩ থেকে সর্বোচ্চ ৫৫ জন ইলেক্টোরাল প্রতিনিধিবিস্তারিত পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সরাসরি ভোটের মাধ্যমে না হলেও ৫৩৮ (১০০ সিনেটর + ৪৩৫ রিপ্রেজেন্টেটিভ + ৩সদস্য ডিস্ট্রিস্ট অব কলাম্বিয়া) সদস্যের ইলেক্টোরাল কলেজের পছন্দের ওপর প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর জয় – পরাজয়ের নির্ভর করে থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি রাজ্যে ৩ থেকে সর্বোচ্চ ৫৫ জন ইলেক্টোরাল প্রতিনিধি রয়েছে। কোনো প্রার্থীকে পেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হওয়ার জন্য ইলেক্টোরাল কলেজের ২৭২ টি ভোট পেতে হয়।
সংক্ষেপে দেখুনবাংলাদেশে আর্থিক বছরের সময়কাল হিসাব করা হয় কীভাবে?
বাংলাদেশের আর্থিক বছরের সময়ের তেমন কোন পরিবর্তন হয় নি । সেই ব্রিটিশ ও জুলাই মাসে অর্থবছর শুরু হয়, আর শেষ হয় জুন মাসে। সেই জন্য প্রতি বছর জুন মাস সেই অর্থবছরের হিসাব শেষ করে পরবর্তী অর্থবছরের জন্য বাজেট ঘোষণা করা হয়। তাই বাংলাদেশের আর্থিক বছরের সময়কাল জুলাই-জুন।
বাংলাদেশের আর্থিক বছরের সময়ের তেমন কোন পরিবর্তন হয় নি । সেই ব্রিটিশ ও জুলাই মাসে অর্থবছর শুরু হয়, আর শেষ হয় জুন মাসে। সেই জন্য প্রতি বছর জুন মাস সেই অর্থবছরের হিসাব শেষ করে পরবর্তী অর্থবছরের জন্য বাজেট ঘোষণা করা হয়। তাই বাংলাদেশের আর্থিক বছরের সময়কাল জুলাই-জুন।
সংক্ষেপে দেখুনবিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিকতা দিবস কবে?
২রা জুলাই
২রা জুলাই
সংক্ষেপে দেখুনপৃথিবীর মহাসাগর কয়টি ?
5 টি
5 টি
সংক্ষেপে দেখুনবিশ্বের একমাত্র ভাষার দেশ হচ্ছে?
উত্তর কোরিয়া।
উত্তর কোরিয়া।
সংক্ষেপে দেখুনপৃথিবীর দিনরাত সমান হয় কখন?
চলমান নিয়মেই প্রতি বছরই দুটি সময় পৃথিবীর ঘুরে আসে, যখন দিন ও রাতের ব্যাপ্তি সমান হয়ে থাকে। এর একটি দিন হলো ২১ মার্চ এবং অন্যটি ২৩ সেপ্টেম্বর। আজ বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সূর্য উত্তর আর দক্ষিণ অয়নান্তের মাঝামাঝি ঠিক বিষুব রেখা বরাবর কিরণ দেবে। সেই হিসেবে আজ পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত সমান।
চলমান নিয়মেই প্রতি বছরই দুটি সময় পৃথিবীর ঘুরে আসে, যখন দিন ও রাতের ব্যাপ্তি সমান হয়ে থাকে। এর একটি দিন হলো ২১ মার্চ এবং অন্যটি ২৩ সেপ্টেম্বর। আজ বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সূর্য উত্তর আর দক্ষিণ অয়নান্তের মাঝামাঝি ঠিক বিষুব রেখা বরাবর কিরণ দেবে। সেই হিসেবে আজ পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত সমান।
সংক্ষেপে দেখুনপৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ কোনটি?
এশিয়া
এশিয়া
সংক্ষেপে দেখুনআয়তনে বিশ্বের বড় জলপ্রপাতে নাম কী?
নায়াগ্রা
নায়াগ্রা
সংক্ষেপে দেখুন